
লেখিকা:প্রিয়াংশি চৌধুরী
পর্ব:০১
“লজ্জা পাওয়া উচিত তোমার, কায়রা? এই কথা কিভাবে বললে তুমি! বিয়ের প্রস্তাব!” বজ্রের মতো তিক্ত কণ্ঠে কথা ছুড়ে দিলেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর প্রীষান শেখ প্রিয়ম। সাত বছরের শিক্ষক জীবনে বহু ঝড়ঝাপটা এসেছে তার, বহু কঠিন মুহূর্ত সামাল দিয়েছেন তিনি। কিন্তু এভাবে নিজের অস্তিত্বকে ক্ষুদ্র মনে হওয়ার অভিজ্ঞতা এই প্রথম। সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটির দিকে তাকিয়ে অগ্নিদৃষ্টিতে তাকালো প্রীষান। চোখে যেন আগুন টগবগ করছে। আর ওদিকে মেয়েটি গালে হাত চেপে ধরে নিথর হয়ে দাঁড়িয়ে। প্রীষানের শক্ত হাতের থাপ্পড়ে গালের নিচটা জ্বলেপুড়ে যাচ্ছে। মুহূর্তেই লাল হয়ে উঠেছে ফর্সা গালখানা। এমন অপমানের চোখ দুটো ভিজে উঠলেও মাথা নত হলো না তার। বরং গাল থেকে হাত সরিয়ে সরাসরি তাকালো বাদামি চোখ দুটোয়। তার একটু সংকোচ হচ্ছিল বটে বিয়ের প্রস্তাবটা দিতে। কিন্তু মনের উপর আর কোনো কথাই শোনেনি। তার দৃষ্টিতে দৃঢ়তা, অবিচল সাহস স্পষ্ট। পরক্ষণেই একচিলতে মলিন হেসে অদ্ভুত আত্মবিশ্বাসী হয়ে মেয়েটি বলল, “লজ্জাজনক কি বলেছি? আপনার বয়স নিয়ে কোনোকালেই আমার সমস্যা ছিল না। আর আমি নির্লজ্জ নই, যথেষ্ট ভদ্র একটি মেয়ে। তাই প্রেমের নয়, সোজা বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছি। আমি কোনো ভুল করিনি। “ মেয়েটির এমন শক্ত, আত্মবিশ্বাসী কন্ঠে অবাক না হয়ে পারলো না প্রীষান। কঠোর দু’চোখ ছোট হয়ে এলো প্রীষানের। গলা আরও কঠিন, আরও ভারি হয়ে উঠল, “আমার দুটো বাচ্চা আছে, জানো না তুমি? তারপরও এমন কথা মুখে আনলে কিভাবে, কায়রা?” কায়রা আবারও হেসে উঠলো। বিরোধে দাঁড়িয়ে থাকা এই হাসি তলোয়ারের মতো ধারালো। কায়রার হাসিটা একদম নির্মম, নির্ভীক, বেপরোয়া হাসি। জন্ম থেকেই তার ভেতরে ভয়-ডর নামের কোনো বীজ বোনা হয়নি। মেয়েটা একরকম সাহস নিয়েই জন্মেছে বলা যায়। এইটা প্রকাশ পাচ্ছে তার রক্তে, দৃষ্টিতে। তাই তো আজ এমন দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নিতে তার একটুও দ্বিধা হলো না। নিজের বয়সের দ্বিগুণ বেশি বড় একজন মানুষকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া, এটাকে সাধারণ কেউ হুট করে ভাবতেও পারে না। আর দ্বিগুনও নয় ঠিক, পনেরো বছরের পার্থক্য। খুব তো বেশি নয়। যদিও সাধারণ . মানুষের চোখে এই পার্থক্য ঢের বেশি। কিন্তু কায়রা! সে কখনো সাধারণ ছিল না, আর হবেও না। কারণ সে যেন তেন মেয়ে নয়, এমপি কায়রাভ তাজওয়ার খানের একমাত্র বোন কায়রা তাজলিন খান। তার পরিচয়েই জড়িয়ে আছে প্রভাব, দৃঢ়তা, আর চারপাশ কাঁপিয়ে দেওয়ার মতো ক্ষমতা। রাজনীতির উঠোনে বড় হওয়া মেয়েরা সাধারণত নরম হয় না। কায়রা তো আরও ব্যতিক্রম। তার চোখে ভয় নেই, ভাষায় সংকোচ নেই, সিদ্ধান্তে এক ফোঁটাও দ্বিধা নেই। এমন পরিবারে জন্মালে সাহস তো থাকবেই। আর কায়রার মধ্যে সে সাহসটা বরাবরই একটু বাড়তি। যার ওপর কেউ লাগাম টানতে পারে না, যার ওপর কোনো নিষেধ বারণ চলে না। আজও তাই হলো। প্রীষানের চোখের রাগ, বজ্রকণ্ঠ, তিরস্কার কিছুই তাকে স্তম্ভিত করতে পারল না। বরং তার নিজের ঠোঁটের হাসিটাই আরও ধারালো হয়ে উঠল, সামনের ব্যক্তিটিকে জয় করার জন্য আরও আগ্রহী হলো সে। সামান্য হেসে আবার বলল, “আপনার দুটো বাচ্চা আছে, জানি। আর এটাও জানি আপনি বিপত্নীক। সুতরাং ধর্ম, সমাজ, আইন সবকিছুই আপনাকে অনুমতি দিয়েছে দ্বিতীয় বিবাহ করার। তাহলে আমাকে প্রত্যাখ্যান করার কারণ? শুধুমাত্র বয়সের পার্থক্য!” নিজের ভেতর কোথাও গভীরে চেপে রাখা ক্ষতটা যেন হঠাৎ দপ করে জ্বলে উঠল। প্রীষান বুঝতে পারল, এই মেয়েকে যুক্তি দিয়ে থামানো যাবে না, রাগ দেখিয়ে ঠেকানো যাবে না। এতদিন যতটা সহ্য করেছে, আজ তা সহ্যের সবটুকুর সীমা ছাড়িয়ে ফেলেছে। তাই কোনো উত্তর না দিয়েই তিনি ঘুরে দাঁড়ালেন। ত্রস্ত পায়ে হনহন করে বেরিয়ে গেলেন ক্যাম্পাসের দিকে। তার হাঁটার শব্দের সঙ্গে মিলেমিশে পেছন থেকে ভেসে এলো কায়রার দৃপ্ত কণ্ঠ, “কতদিন এভাবে পালিয়ে বেড়াবেন, স্যার? আমার ভালোবাসা সত্যি হলে আর আল্লাহ চাইলে এই আমাকেই আপনার বিয়ে করতে হবে। কথাটা মিলিয়ে নেবেন। “ কথাগুলো কানে এলেও প্রীষান হাঁটা থামালো না। কিন্তু কথাগুলো শুনে চোখ দুটো শক্ত করে বুঁজে ফেললেন। বুকটা ঢিপঢিপ করছে, নিঃশ্বাস ভারী হয়ে উঠছে রাগে আর অজানা অস্থিরতায়। এতটা বাজে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, নিজে কখনো কল্পনাও করেননি। একা দাঁড়িয়ে থাকা কায়রা দূর থেকে তাকিয়ে রইল মানুষটার যাওয়ার পানে। চোখের কোণে জল চিকচিক করলেও ঠোঁটের কোণে ছিল এক অবিচল প্রতিজ্ঞার রেখা। প্রতিজ্ঞাটা হলো নিজের ভালোবাসার মানুষটাকে জয় করার। এমন ভাবনার মাঝে পেছন থেকে তড়াক করে এগিয়ে এসে দিপ্তি কায়রার হাত টেনে ধরল। কায়রার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। তার কন্ঠে অসহায়তার সুর, “বলেছিলাম যাস না! শুনলি না তো আমার কথা। স্যার কোনোদিন তোকে মেনে নেবে না। এত পাগলামি করিস না, কায়রা… বাদ দে, আর পারছি না তোকে সামলাতে!” কায়রা মুখ ঘুরিয়ে তাকাল। চোখের কোণে জমে থাকা জলটুকু ডান হাতের বুড়ো আঙুল দিয়ে মুছে নিল খুব আলতো করে। তারপর একচিলতে হাসি ঝুলিয়ে বলল, “ভালোবাসায় একটু পাগলামি থাকতে হয়, দিপু। এই পাগলামিগুলোই তো সুখ দেয়। করি না একটু পাগলামি, এতে যদি মানুষটাকে পেয়ে যাই, ক্ষতি কি?” দিপ্তি দীর্ঘশ্বাস ফেলল। হতাশ সে, ক্লান্ত সে মেয়েটাকে বোঝাতে বোঝাতে। তিনটা বছর ধরে মেয়েটার পাগলামি দেখছে। আর কত? তবুও বলল, “মরীচিকার পেছনে ছুটে চলেছিস, কায়রা। এসব হওয়ার নয়। “ কায়রা মৃদু স্বরে বলল, “উহু, মরীচিকা নয়। দীর্ঘদিনের কষ্টে অনুভুতি মাটিচাপা দেওয়া। আমাকে শুধু একটু খুঁজে ওই সুপ্ত অনুভুতিটাকে জাগাতে হবে। কঠিন তবে অসম্ভব নয়।” দিপ্তি কায়রার হাত ধরে বলল, “চল, এবার ক্লাসে যাই অন্তত। তোর সঙ্গে তো আমি কোনোকিছুতেই আর পেরে উঠি না কখনো। আপাতত ক্লাসটা করি, আয়।” কায়রা অল্প হাসলো দিপ্তির কথায়। অত:পর ব্যাগটা কাঁধে তুলে নিল ধীর ভঙ্গিতে। আর বলল, “চল তাহলে, যাওয়া যাক।” এরপর দু’জন একসঙ্গে ক্লাসের দিকে হাঁটা দিল, তবে কায়রার প্রতিটি পদক্ষেপে বাজছিল অব্যক্ত প্রতিজ্ঞার দৃঢ় শব্দ। সে হার মানার মেয়ে নয় আর না মানবে। **************** আজ ভার্সিটি থেকে স্কুটি নিয়ে সোজা বাজার করতে গিয়েছে প্রীতিষা। পুরো নাম প্রীতিষা শেখ দ্যুতি, প্রীষানের ছোট বোন। ফুরফুরে, চনমনে মেজাজে ছিলো আজ। এতদিন হোমসে থেকে পড়াশোনা করেছে, তাই খোলা আকাশের রং, বাতাসের স্বাদ, সব কিছুই তার কাছে নতুন নতুন। জীবনের আসল স্বাদই তো স্বাধীনতা। কিন্তু বন্দিজীবন কাটিয়ে এসেছে এতবছর। টাংগাইলে এসেছে সাত দিন হলো, গুচ্ছতে চান্স পাওয়ায় মাওলানা ভাসানীতে প্রথম বর্ষের পড়ছে সে। যেখানে তার ভাই অধ্যাপক। কালকের মতো আজও সে প্রায় উড়ছিল তার প্রিয় স্কুটিতে, একদম পাখির মতো হাওয়ায় ভেসে। দু-হাত ছড়িয়ে একের পর এক দীর্ঘশ্বাস নিয়ে অনেকবার বাতাসে নিজেকে সঁপেছে। উফফ, কি সুন্দর সেই অনুভূতি! এভাবেই বাজারে পৌঁছে স্কুটিটি একটি দোকানের পাশে দাঁড় করাল। লাল শাক, কুমড়ো, লাউ আর ছোট মাছ ইত্যাদি কিনে ধীরে ধীরে সবগুলো তার বাজারের ব্যাগে ভরে গেল দোকানদার চাচা। সে ব্যাগ নিয়ে টাকা দিয়ে হাসি হাসি মুখে বলল, “এবার আসি, চাচা। আল্লাহ হাফেজ।” দোকানদারও হাসিমুখে বলল, “আহেন, আম্মা। আল্লাহ হাফেজ।” সব ঠিকঠাকই ছিল। কিন্তু স্কুটির কাছে গিয়ে আচমকা চোখ দুটো বিস্ময়ে বড় হয়ে গেল প্রীতিষার। তার প্রিয় পিংক স্কুটি, উল্টে পড়ে আছে! মুহুর্তেই কাঁদো কাঁদো হয়ে গেল হাসিখুশি প্রীতিষা। দৌড়ে স্কুটির কাছে এগিয়ে গিয়ে দেখলো সামনের একটা মিরর ভাঙা, ছেড়াফোড়া সিট, আর কাঁদা লেগে। সে শিউরে উঠল এসব দেখে। কি অবস্থা করেছে তার স্কুটির! প্রীতিষার মনে হাজারো প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। কীভাবে হলো এটা? কে করল? কার জন্য তার আনন্দ এমন দুঃখে পরিনত হলো? প্রীতিষা ধীরে ধীরে স্কুটিটা দাঁড় করালো, হাত দিয়ে উপরের সিটের ধুলো ঝাড়তে ঝাড়তে, মনে মনে ভেবে নিলো, সে ছাড়বে যে এই কাজ করেছে! প্রীতিষার চোখে প্রতিশোদের আগুন জ্বলে উঠল। চিৎকার করে আশেপাশে তাকিয়ে বলল, “কে করেছে এই কাজ? কার এত বড় সাহস?” পাশ থেকে একজন মহিলা ধীরে ধীরে এগিয়ে এসে বললেন, “এই কাম তো করছে আমাগো এলাকার গুন্ডারা। অরা মারামারি করতে যাইয়া তুমার হুন্ডারের উপরে পরছিলো। হেনেও মারামারি করছে! পরে মারতে মারতে হুন্ডা-মুন্ডা ভাইঙ্গা লাইছে! তারপর দৌড়াইতে দৌড়াইতে আবার কনে জানি কারে মারতে গেলো? ইট্টু আগেই বাড়ির দিকে যাইতে দেকলাম হেরে। “ প্রীতিষা এদের কথাবার্তায় আঞ্চলিকতা থেকে বুঝতে পারে এরা এখানকার স্থানীয়। তাই একটু দ্রুত ও দৃঢ় কণ্ঠে বলল, “আন্টি, আপনি জানেন কোন গুন্ডা? চিনিয়ে দিতে পারবেন?” মহিলাটি হঠাৎ আতকে উঠলেন, চোখে ভয়ে আঁচ দেখা যাচ্ছে। সে কেন জেনে শুনে লাগতে যাবে গুন্ডার সাথে! তাই ভিতু গলায় বলল, “না গো, মাইয়া। আমারে এইসবে জড়াইয়ো না। তয় আমি নাম কইতে পারি হেই পোলার।” প্রীতিষা বিন্দুমাত্র না থেমে দৃঢ়ভাবে বলল, “জ্বি, নাম বলুন। তাহলেও চলবে। আমার স্কুটির ক্ষতিপুরন আমি নিয়েই আমি আসব, যেভাবেই হোক। রাস্তাঘাটে গুন্ডামি করবে এরা, আর আমাদের মতো সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হবে। এবার নাম বলুন, দ্রুত বলুন।” মহিলাটি ধীরে গলার স্বর নামিয়ে বললেন, “হেই পোলার নাম হইলো কাবির। “ . প্রীতিষা তড়িঘড়ি করে বলল, “ঠিকানা দিতে পারবেন?” মহিলাটি প্রীতিষার একদম কাছ ঘেষে দাঁড়ালো যাতে কেও না শুনে। এরপর আস্তে আস্তে বলল, “এই বাজার ধইরা সোজা হাঁটা দেও। সামনের মোড়ে একটা রঙ্গিন টিনের বাড়ি দেকবা। ওইডাই কাবির গুন্ডার বাড়ি৷ আমার আবার নাম কইয়ো না। আমার মন বড় তাই মাইনসের উপকারে না করবার পারি না। আর শুইনা রাখো, পোলা কিন্তু পোলা না এক্কেরে আগুনের গোলা। পুরা এলাকা ডরায় হেরে দেইখা। আমিও খুব ডরাই। “ প্রীতিষা মনোযোগ দিয়ে শুনল, কিন্তু শেষের হুমকিতে ঘাবড়ে গেল না। শুধু শান্তভাবে বলল, “আমি এক আল্লাহ ছাড়া দুনিয়াতে কাওকে ভয় পাই না। আচ্ছা ধন্যবাদ, আন্টি। সাহায্যের জন্য।” মহিলাটি মাথা নাড়িয়ে চলে গেলেন। এরপর প্রীতিষা কিছুক্ষণ স্থির থেকে চারপাশে তাকাল। স্কুটিটাকে কোনোরকমে একটা ভ্যানে তুলে সার্ভিসিং এ পাঠিয়ে দিলো। যা টাকা খরচ হবে এইবার ওই গুন্ডার থেকেই নেবে সে, যেভাবেই হোক আদায় করবে। অগত্যা রওনা দিলো ঠিকানায়। প্রথমে একটু ভয় হতে লাগলো একা একটি ছেলের বাড়িতে গিয়ে টাকা চাইবে? কিন্তু পরক্ষনেই মনে পরে সে তো ক্যারাটে শিখেছিলো। তিনটি বেল্ট ও পেয়েছে। যদিও ক্যারাটে মেয়েদের সাথে ছিলো তবুও নিজেকে সাহস যুগিয়ে রওনা দিলো। এখনই তার আসল পরীক্ষা। পরক্ষনেই আবার ভাবলো, লোকটা যদি খুব বেশি শক্তিশালী হয়? তবে প্রীতিষা কি পারবে মারামারি করে টাকা নিতে! না বেশি ভেবে ফেলছিলো। তাই মহিলার কথামতো বাজার ধরে সে সোজা হাঁটতে শুরু করল। অনেকটা এগিয়ে সামনে যেতেই টিনের রঙিন বাড়িটা চোখে পড়ল। স্কুটির কথা ভেবে আবার প্রীতিষার চোখে রাগের আগুন বেড়ে গেল দপদপ করে। সে রাগে কাঁপতে কাঁপতে দৃঢ়চিত্তে দরজার কাছে ধাক্কা দিল। খুলছে না দেখে ক্রমাগত লাথি মারতে শুরু করলো। এরপর রাগান্বিত স্বরে বলতে শুরু করল, “এই কবির না কাবির! যাইহোক, গুন্ডা একটা! বাইরে আয়! আমার স্কুটির ক্ষতিপূরণের হিসাব দিয়ে যাহ! আয় বলছি!” চলমান…….. {📌#নোটবার্তা : গল্পের শুরুটা দেখে অনেকের মনে বিষয়টা দৃষ্টিকটু, এমন ধারণা তৈরি হতে পারে। যে নায়িকা বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে দুই- বাচ্চার বাবাকে!!অবাক হওয়ার কিছুই নেই, প্রত্যেকটা মানুষেরই নিজস্ব পছন্দ-অপছন্দ আছে, তার নিজের জীবনসঙ্গী বাছাইয়ের অধিকার আছে, দ্বিতীয়বার ভালো থাকার অধিকার আছে। আর বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে, কোনো অন্যায় বা কুপ্রস্তাব নয়। তাছাড়া এইটা সম্পুর্ন কাল্পনিক গল্প, বাস্তবতার সাথে মিল নেই। তাই যাদের এই বিষয়টি বা থিম ভালো লাগবে না তাদের গল্পটা স্কিপ করার অনুরোধ রইল। আর আরেকটা কথা, ওই জুটির থিমটা হবে দ্বিতীয় বিবাহ রিলেটেড। আর গল্পে মোট তিনটি জুটি থাকবে। তিনটি জুটিরই আলাদা আলাদা কাহিনি আছে, গল্প আছে। সামান্য রাজনৈতিক প্লটও থাকবে গল্পের প্রয়োজনে। } [ প্রিয় পাঠকেরা, এসেছি নতুন একটি ধারাবাহিক কাহিনী নিয়ে। ইচ্ছে আছে, চমৎকার কিছু দেওয়ার চেষ্টা করবো আপনাদের। প্রথম পর্বটি কেমন লাগলো জানাবেন, গঠনমূলক মন্তব্য চাই সবার। ভালোবাসা নেবেন সকলে। হ্যাপি রিডিং 🙋♀️ ] |