<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>        <rss version="2.0"
             xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
             xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
             xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
             xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
             xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
             xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/">
        <channel>
            <title>
									Xgossip Forum - Recent Topics				            </title>
            <link>https://xgossip.fun/community/</link>
            <description>Xgossip Discussion Board</description>
            <language>en-US</language>
            <lastBuildDate>Fri, 11 Sep 2026 11:07:35 +0000</lastBuildDate>
            <generator>wpForo</generator>
            <ttl>60</ttl>
							                    <item>
                        <title>Andhar Some words about the movie</title>
                        <link>https://xgossip.fun/community/general-discussionentertainmenttechnologysportsoff-topic/andhar-some-words-about-the-movie/</link>
                        <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 22:53:11 +0000</pubDate>
                        <description><![CDATA[একটা কথা আছে - বাঙালি নামাজের কাতার ছাড়া আর কাউকেই সামনে আগাইতে দেয় না। পিছনে ধরে রাখা আমাদের একটা জাতিগত অভ্যাস! &#x1f610;
 
হরর জনরা পৃথিবীর প্রায় সব বড় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিরই খুব কমন একটা ...]]></description>
                        <content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: center"><strong>একটা কথা আছে - বাঙালি নামাজের কাতার ছাড়া আর কাউকেই সামনে আগাইতে দেয় না। পিছনে ধরে রাখা আমাদের একটা জাতিগত অভ্যাস! &#x1f610;</strong></p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"><strong>হরর জনরা পৃথিবীর প্রায় সব বড় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিরই খুব কমন একটা সেগমেন্ট। হলিউডে তো হাজার হাজার হরর সিনেমা হয়েছে। টার্কিশ, স্প্যানিশ, ইন্দোনেশিয়ান ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেও হরর সিনেমার বিশাল একটা অডিয়েন্স বেইজ আছে। এমনকি আমাদের পাশের দেশ ইন্ডিয়াতেও নিয়মিত হরর সিনেমা তৈরি হচ্ছে।</strong></p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"><strong>কিন্তু এই জায়গাটাতেই আমরা অনেকটা পিছিয়ে। শুধু পিছিয়েই না, আমাদের হরর জনরায় এখন পর্যন্ত রিমার্কেবল কোন সিনেমাই নেই, যেগুলো নিয়ে গর্ব করে কথা বলা যায়। বরং গুটিকয়েক সিনেমা পরবর্তীতে ট্রল ম্যাটেরিয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে।</strong></p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"><strong>সেদিক থেকে দেখলে রায়হান রাফি এবার হরর জনরাতেও একটা নতুন স্ট্যান্ডার্ড সেট করার চেষ্টা করছেন। আর সত্যি বলতে এখন পর্যন্ত ANDHAR-এর টিজার কাটকে আমার কাছে ঢালিউডের সেরা হরর টিজারই মনে হয়েছে।</strong></p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"><strong>তবে একটা বিষয় মাথায় রাখা দরকার - হরর, অ্যাকশন কিংবা থ্রিলার নিয়ে ওয়ার্ল্ডে এত বেশি সিনেমা তৈরি হয়েছে যে আপনি যতই ইউনিকভাবে বানানোর চেষ্টা করেন, কোনো না কোনো সিনেমার সঙ্গে কিছুটা মিল বা রেফারেন্স পাওয়া যাওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু না। শতভাগ নতুন কিছু বানানো এই জনরাগুলোতে সত্যিই কঠিন।</strong></p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"><strong>কিন্তু সমস্যা তখনই হয়, যখন সিনেমা মুক্তির আগেই টিজারের কয়েকটা মিল দেখে পুরো সিনেমাকে হলিউড থেকে কপি বা ইন্সপায়ার্ড বলে অপিনিয়ন দিয়ে দেওয়া হয়!</strong></p>
<p style="text-align: center"><strong>আরশাদ আদনানের মতো একজন প্রযোজক যদি শুধু টিজার দেখেই সিনেমার ভেতরের গল্প বা মেকিং সোর্স সম্পর্কে এতটা নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছে যান, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই - এটা আসলে কিসের ইঙ্গিত??? </strong></p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"><strong>কিছু সিমিলারিটি বা রেফারেন্স যদি সত্যিই থেকেও থাকে, তাতেই বা সমস্যাটা কোথায়? আগে সিনেমাটা আসুক, দেখা যাক রাফি আসলে কী বানিয়েছেন। ভালো হলে প্রশংসা করব, খারাপ হলে সমালোচনা করার মত বহুত মানুষ আছে।</strong></p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"><strong>আমার কাছে মনে হয়েছে, মূল সমস্যাটা সিনেমার সিমিলারিটিতে না, মেন্টালিটিতে।</strong></p>
<p style="text-align: center"><strong>আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে এমনিতেই কালে-ভদ্রে ভালো সিনেমা আসে। হলের সংকট আছে, দর্শক ফেরানোর চ্যালেঞ্জ আছে, ইন্ডাস্ট্রি নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে কেউ যদি নতুন কিছু করার চেষ্টা করে, একটা নতুন জনরায় স্ট্যান্ডার্ড সেট করার চেষ্টা করে তাকে সামনে এগোতে দেওয়া উচিত।</strong></p>
<p style="text-align: center"><strong>কিন্তু না... কেউ একটু সামনে এগোতে গেলেই তাকে টেনে ধরতে হবে, খুঁত খুঁজতে হবে, বিতর্ক তৈরি করতে হবে!</strong></p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"><strong>তাতে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি রসাতলে যাক - কার কী আসে যায়!</strong></p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"><strong>শেষ পর্যন্ত তো একই ইন্ডাস্ট্রির সিনেমা। একজনের সাফল্য মানে পুরো ইন্ডাস্ট্রির জন্যই নতুন একটা দরজা খুলে যাওয়া।</strong></p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"><strong>তাই আগে সিনেমাটা আসুক। তারপর জাজ করা হোক - কপি, ইন্সপিরেশন নাকি সত্যিই নতুন কিছু!</strong></p>
<p style="text-align: center"><strong>&#x270d;&#xfe0f; CrackedFlix </strong></p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"><strong> </strong></p>]]></content:encoded>
						                            <category domain="https://xgossip.fun/community/"></category>                        <dc:creator>Bara Miya</dc:creator>
                        <guid isPermaLink="true">https://xgossip.fun/community/general-discussionentertainmenttechnologysportsoff-topic/andhar-some-words-about-the-movie/</guid>
                    </item>
				                    <item>
                        <title>এই অশ্লীল শব্দের ব্যবহারটি কিভাবে বাংলায় এলো ( কেবল মানসিক ভাবে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য )</title>
                        <link>https://xgossip.fun/community/general-discussionentertainmenttechnologysportsoff-topic/%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%85%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
                        <pubDate>Fri, 04 Sep 2026 08:13:30 +0000</pubDate>
                        <description><![CDATA[পেছন মারা একটি অশ্লীল শব্দ, এর সঙ্গে পায়ুকাম জড়িত আছে, কোনও ভদ্রমানুষ এর ব্যবহার করে না, কিন্তু প্রথম যে মুসলমান শাসক একটি নৌসেনা গঠন করেছিলেন এবং পূর্ববঙ্গ অভিযান করতে প্রয়াস পেয়েছিলেন এবং ...]]></description>
                        <content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: center">পেছন মারা একটি অশ্লীল শব্দ, এর সঙ্গে পায়ুকাম জড়িত আছে, কোনও ভদ্রমানুষ এর ব্যবহার করে না, কিন্তু প্রথম যে মুসলমান শাসক একটি নৌসেনা গঠন করেছিলেন এবং পূর্ববঙ্গ অভিযান করতে প্রয়াস পেয়েছিলেন এবং ব্যর্থও হয়েছিলেন, সেই গিয়াসউদ্দিন ইওয়াজ খিলজির পূর্ববঙ্গ অভিযানে ব্যর্থ হওয়ার ইতিহাস পাঠান্তে আরেকবার অনুধাবন করলাম, এই পেছন মারার কনসেপ্ট কিভাবে এসেছিল। আপনি সম্মুখ যুদ্ধ করতে যাচ্ছেন, এমন সময় আপনার মিত্র বা শত্রু, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মিত্র কেউ, এসে পেছন থেকে অতর্কিতে আক্রমণ করল।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">অর্থাৎ পেছন মেরে দিল।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">ইওয়াজ খিলজির জীবনে এটাই ঘটে। তিনি রণতরী সাজিয়ে ঘটা করে পূর্ববঙ্গ আক্রমণ করতে গেছিলেন। কিন্তু তখন তো সারা উত্তর ভারত জুড়ে এইসব ডাকাত কাম নতুন শাসকদের মধ্যে প্রচণ্ড খেয়োখেয়ি চলছে। ফলে লখনৌতি অরক্ষিত দেখে ইলতুৎমিশের পুত্র মালিক নাসিরউদ্দিন দ্রুত এসে লখনৌতি দখল করে বেচারা ইওয়াজের পেছন মেরে দিলেন। ইওয়াজ ফিরে এসে যুদ্ধ করলেন বটে, কিন্তু হারলেন, এবং বন্দী হলেন, সেই সঙ্গে ইওয়াজের সমস্ত আমিরও বন্দী হলেন। ইওয়াজ যথারীতি নিহত হন এরপর। ৬২৪ হিজরা, ১২২৭ খ্রিষ্টাব্দ। বেচারা গেছিলেন বঙ্গ জয় করে অতুল কীর্তি স্থাপন করতে, শেষে কিনা প্রাণটাই খোয়ালেন, তাও পেছন থেকে আক্রমণে।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">দীর্ঘ বারো বছর রাজত্ব করা এই গিয়াসউদ্দিন ইওয়াজই কেশব ও বিশ্বরূপসেনের লিপির গর্গযবন হতে পারেন, যাকে হারিয়ে কেশব ও বিশ্বরূপ গর্গযবনান্বয়প্রলয়কালরুদ্র উপাধি নেন, আমার মতে (গারঝা নামক একটা তুর্কি ক্ল্যান বোঝাতে গর্গযবন লেখা হয়েছে এমন তত্ত্বও আছে অবশ্য)।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">চর্যার যুগ পর্যন্ত, অর্থাৎ প্রাচীন যুগে এই পেছন মারা প্রবাদটি আমাদের দেশে প্রচলিত ছিল না বলেই মনে হচ্ছে। এটি সম্ভবত মধ্যযুগের অবদান। মধ্যযুগের শাসকদের এভাবে অনেকবার পেছন মারা গিয়েছিল। শুরু সম্ভবত নদীয়ায় লক্ষ্মণসেনের ওপরে সেই অতর্কিতে ambush দিয়ে। শেষ হয়েছে সিরাজকে দিয়ে, মীরজাফর যা করেছিলেন সেটাও তো ওই জিনিসই ছিল।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">নবারুণ ভট্টাচার্য এবং বাঙালির ইতিহাস, দুইই অত্যন্ত প্রিয়, নইলে এমন একটা অভদ্র বিষয়ে লিখতে অগ্রসর হতাম না। পাঠক নিজগুণে মার্জনা করবেন।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p>&nbsp;</p>
<p style="text-align: center">তথ্য:তমাল দাশগুপ্ত</p>
<p style="text-align: center"> </p>]]></content:encoded>
						                            <category domain="https://xgossip.fun/community/"></category>                        <dc:creator>Bara Miya</dc:creator>
                        <guid isPermaLink="true">https://xgossip.fun/community/general-discussionentertainmenttechnologysportsoff-topic/%e0%a6%8f%e0%a6%87-%e0%a6%85%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0/</guid>
                    </item>
				                    <item>
                        <title>গল্প:নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা</title>
                        <link>https://xgossip.fun/community/romantic-stories/%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%ad%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%80-2/</link>
                        <pubDate>Thu, 03 Sep 2026 23:05:43 +0000</pubDate>
                        <description><![CDATA[মিহাল আর এক মুহূর্তও দেরি না করে অত্যন্ত পরম মায়ায় নীলার চিবুকটা আলতো করে ছুঁয়ে নিজের দিকে তুলে ধরল। তার চোখে তখন এক মহাসমুদ্র সম্বলিত ভরসা। ঠোঁটের কোণে এক চিলতে আশ্বাসের মুচকি হাসি ফুটিয়ে স...]]></description>
                        <content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: center">মিহাল আর এক মুহূর্তও দেরি না করে অত্যন্ত পরম মায়ায় নীলার চিবুকটা আলতো করে ছুঁয়ে নিজের দিকে তুলে ধরল। তার চোখে তখন এক মহাসমুদ্র সম্বলিত ভরসা। ঠোঁটের কোণে এক চিলতে আশ্বাসের মুচকি হাসি ফুটিয়ে সে গভীর স্বরে বলল,</p>
<p style="text-align: center">    “আমি আছি তো নীলাঞ্জনা, তোমার বন্ধু, তোমার বেস্ট ফ্রেন্ড, তোমার সবটুকু ভালোবাসা হয়ে।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">মিহালের এই গভীর ভালোবাসার বাণী যেন আশ্বাসের বদলে নীলার মনের গহীনে এক অজানা, সুপ্ত আতঙ্কের জন্ম দিল। অতীতের সব হারানোর ক্ষতগুলো এক লহমায় জ্যান্ত হয়ে উঠল তার বুকের ভেতর। সে প্রচণ্ড ছটফট করে, এক বুক আতঙ্ক নিয়ে ব্যস্ত হয়ে বলে উঠল,</p>
<p style="text-align: center">    “না, না, না, না! আমি... আমি চাই না আপনাকে বন্ধু বানাতে! আমি চাই না আপনাকে ভালোবাসতে! আমি কোনোভাবেই চাই না আপনাকে হারাতে... পারব না, আমি আপনাকে হারাতে পারব না মিহাল! আমি জীবনে যা কিছু ভালোবেসে চেয়েছি, তার সবকিছুই হারিয়েছি। দুনিয়ার মানুষ জানুক আমি খুব স্ট্রং, খুব শক্ত... কিন্তু এতটা শক্ত বা সাহসী আমি নই যে আপনাকে হারানোর ধকল সহ্য করার ক্ষমতা রাখব! আমার চাই না এই ক্ষমতা পেতে... চাই না আপনাকে হারাতে, চাই না, চাই না।"</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"> জনরা_______রোমান্টিক, সামাজিক, সাসপেন্স।</p>
<p style="text-align: center">গল্প:নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা </p>
<p style="text-align: center">লেখিকা:নাজনীন নেছা নাবিলা</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">  </p>]]></content:encoded>
						                            <category domain="https://xgossip.fun/community/"></category>                        <dc:creator>Bara Miya</dc:creator>
                        <guid isPermaLink="true">https://xgossip.fun/community/romantic-stories/%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%ad%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%80-2/</guid>
                    </item>
				                    <item>
                        <title>গল্প:সখি তোরা প্রেম করিও না</title>
                        <link>https://xgossip.fun/community/romantic-stories/%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%96%e0%a6%bf-%e0%a6%a4%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%93-%e0%a6%a8/</link>
                        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 22:42:18 +0000</pubDate>
                        <description><![CDATA[নিজের স্বামীকে অন্য একটা মেয়ের সাথে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে থমকে গেল সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা নীলাশা। নিজের চোখ কে আজ বিশ্বাস করতে খুব কষ্ট হচ্ছে তার। ঘনিষ্ঠ অবস্থায় থাকা মেয়েটা আর অন্য কেউ নয়, তা...]]></description>
                        <content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: center">নিজের স্বামীকে অন্য একটা মেয়ের সাথে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে থমকে গেল সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা নীলাশা। নিজের চোখ কে আজ বিশ্বাস করতে খুব কষ্ট হচ্ছে তার। ঘনিষ্ঠ অবস্থায় থাকা মেয়েটা আর অন্য কেউ নয়, তার স্বামীরই খালাতো বোন।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">অনিকের সাথে তার বিয়ে হয়েছে প্রায় চার বছর। তার আগে এক বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল তাদের। এতগুলো দিন পর তাদের ঘর আলো করে একটা নতুন প্রাণের আগমন ঘটতে চলেছে। এই সুখের সময় অনিক যে অন্য এক নারীতে মত্ত হতে পারে, তা নীলাশা স্বপ্নেও ভাবেনি। নিজেকে ঠিক রাখতে না পেরে দরজার সাথে বাড়ি খেল। এতে আধভেজানো দরজাটা খুলে গেল। আর সেই শব্দে মুহূর্তেই ছিটকে দূরে সরে গেল ভেতরে থাকা দুই নর-নারী।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">নীলাশাকে দেখে চমকাল তারা। কারণ সে চেকআপ করাতে হাসপাতালে গিয়েছিল। অনিক সকালে অফিসে গিয়েছিল, তবে নীলাশারা বেরিয়ে যেতেই বর্ষা তাকে ফোন করে ডেকেছে। কিছুদিন ধরে সে এই বাড়িতেই থাকছে। সকলের অগোচরে ভালোই চলছে তাদের সম্পর্ক। অনিক নিজের পরনের শার্ট ঠিক করে নীলাশার কাছে এগিয়ে এসে বলল,</p>
<p style="text-align: center">—“নীল, তুমি যেমনটা ভাবছো, এমন কিছুই হয়নি এখানে।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">—“তো কেমন হয়েছে, অনিক?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">—“আসলে…”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">নীলাশা ভারী পেটটা ধরে একটু এগিয়ে গিয়ে বলল,</p>
<p style="text-align: center">—“আসলে তুমি আমার অবর্তমানে আমাদের ঘরে তোমার বেস্ট ফ্রেন্ডের সাথে একান্ত কিছু সময় কাটাচ্ছিলে, তাই তো?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">অনিক কিছু বলতে চাইল, তবে তার আগেই তাকে সপাটে চড় মারলেন তার বাবা আতিফ উদ্দিন। তিনি নীলাশার পেছনেই ছিলেন। অনিককে ডাকতে এসেছিলেন।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">—“ছি ছি, আজ আমার লজ্জা লাগছে তোকে মতো কুলাঙ্গারকে নিজের ছেলে বলতে।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">তার চিৎকার শুনে ঘরে ছুটে এলো অনিকের বোন অনিতা আর তার মা ফিরোজা খাতুন। অনিতা আর নীলাশা অনেক পুরোনো বন্ধু। অনিতার সূত্র ধরেই অনিকের সাথে নীলাশার পরিচয়, প্রেম, অতঃপর বিয়ে।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">—“কি হয়েছে, বাবা?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">কথাটা বলেই অনিতার চোখ গেল দূরে কোনো রকমে গায়ে শাড়ি জড়িয়ে দাঁড়িয়ে থাকা বর্ষার পানে। আর্তনাদ করে উঠল সে,</p>
<p style="text-align: center">—“হায় আল্লাহ!”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">ফিরোজা খাতুন পাশেই দাঁড়িয়ে সবটা দেখছেন। তবে কিছু বললেন না তিনি। অনিতা নীলাশাকে আকড়ে ধরে অনিককে উদ্দেশ্য করে বলল,</p>
<p style="text-align: center">—“এমনটা কেন করলি, ভাই? তোকে তো ভাই বলতেও লজ্জা লাগছে।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">গর্জে উঠল অনিক,</p>
<p style="text-align: center">—“কে বলেছে ভাই বলতে? বলিস না। আমি পুরুষ মানুষ। আমারও কিছু চাহিদা আছে। নিজেকে আয়নায় দেখেছে ও? এখন তো ওর দিকে তাকাতেও ইচ্ছে করে না।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">এবার আরেকটা চড় পড়ল তার গালে। এটা দিয়েছে নীলাশা।</p>
<p style="text-align: center">—“আমি তোমার সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখানোর জন্য জীবন-মরণ লড়ছি, আর তুমি পড়ে আছো চাহিদা নিয়ে! আর আমার নিজের এই অবস্থা তোমার বাচ্চাকে এই পৃথিবীতে আনার যুদ্ধের জন্যই হচ্ছে। তবে তোমার মতো মূর্খ ব্যক্তি তা কি করে বুঝতে পারবে?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">এক নিশ্বাসে কথাগুলো বলে হাইপার হয়ে গেল নীলাশা। বড় বড় শ্বাস ফেলে নিজেকে সামলাতে চাইল। এমনিতে যথেষ্ট সুন্দরী সে। দুধে-আলতা গায়ের রঙ তার। বাচ্চা পেটে আসায় একটু স্বাস্থ্যটা বেড়েছে। তবে এতে তার সৌন্দর্য কমার বদলে বেড়েছে শতগুণ। তবে হারামে মজা মানুষ কি আর হালালে খুশি থাকে? অনিতা দৌড়ে গিয়ে পানি নিয়ে এলো তার জন্য। বর্ষা প্রত্যেকটা বিষয় দেখছে আর মনে মনে খুশি হচ্ছে। নীলাশার প্রত্যেকটা জিনিসের প্রতি তার যে প্রবল লোভ।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">ছেলের কথা আর নীলাশার অবস্থা দেখে ছেলের গালে আর একটা চড় মারলেন আতিফ উদ্দিন। তা দেখে ফিরোজা খাতুন এগিয়ে এসে বললেন,</p>
<p style="text-align: center">—“কি করছো? এত বড় ছেলের গায়ে হাত তুলছো কেন?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">—“আজ একটা কথাও বলবে না তুমি। তোমার আস্কারা পেয়েই আজ ওর এই অবস্থা।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">তারপর ছেলেকে উদ্দেশ্য করে শক্ত কণ্ঠে বললেন,</p>
<p style="text-align: center">—“বেরিয়ে যা। এই মুহূর্তে আমার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যা।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">—“বাবা…”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">—“ওই মুখ দিয়ে খবরদার আমায় বাবা ডাকবি না। আর এই অজাতটাকেও নিয়ে বেরিয়ে যা। ওকে এই বাড়িতে থাকতে দেওয়াটাই আমার সবচেয়ে বড় ভুল হয়েছিল।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">—“ওগো, কি বলছো তুমি এসব? ছেলেটা কোথায় যাবে?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">এসব দেখে বর্ষা অসহায় মুখ করে তাকাল অনিকের পানে। অনিক তাকে অভয় দিল। তাদের এই নাটক আর সহ্য করতে পারল না অনিতা। নীলাশাকে ছেড়ে বর্ষার কাছে এগিয়ে গিয়ে সশব্দে চড় মারল তার গালে। তাল সামলাতে না পেরে মেঝেতে পড়ে গেল বর্ষা।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">চেচিয়ে উঠলো অনিক,</p>
<p style="text-align: center">—“অনিতা, তোর সাহস কি করে হয় ওর গায়ে হাত তোলার?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">অনিকের কথা শুনে তার পানে ঘৃণাভরা দৃষ্টিতে একপলক তাকাল নীলাশা। এই মানুষটার জন্য এক সময় সে তার বাবা-মায়ের সাথে ঝামেলা করেছিল। উচ্চবিত্ত পরিবারের মেয়ে হওয়ায় তার বাবা কখনোই তার আর অনিকের সম্পর্কটা মেনে নেননি। নীলাশা একপ্রকার বাবা-মায়ের অমতে গিয়েই বিয়ে করেছিল তাকে। এই জন্য তার বাবা তার সাথে কথা বলে না বহুদিন। আর আজ এই পুরুষটা কি করল? তার এতো ত্যাগের কি প্রতিদান দিল? তাই তাচ্ছিল্য হেসে বলল, </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">—“কেন? খুব কষ্ট হচ্ছে বুঝি নিজের রক্ষিতার জন্য?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">—“নীলাশা…”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">—“আওয়াজ নিচে। এত কিছুর পরেও আমার সাথে উঁচু গলায় কথা বলার সাহস কোথায় পাও তুমি?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">অনিক চুপ করে গেল। তাদের সাথে আর কথা না বলে ফুসতে ফুসতে বর্ষাকে নিয়ে বেরিয়ে গেল কক্ষ থেকে। পেছন থেকে তাকে আটকানোর চেষ্টা করলেন ফিরোজা খাতুন।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">—“যাস না বাপ। যাস না।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">মায়ের কথা না শুনে বেরিয়ে এলো অনিক। বাইরে এসে বর্ষা কাঁদো কাঁদো গলায় বলল,</p>
<p style="text-align: center">—“আমরা এখন কোথায় যাব, অনিক? সবটা আমার জন্য হয়েছে।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">অনিক নরম কণ্ঠে বলল,</p>
<p style="text-align: center">—“তোমার কোনো দোষ নেই। আমি তোমাকে ভালোবাসি এটা বুঝতে আমার অনেক সময় লেগে গেছে। এখন আমরা আমার ফ্ল্যাটে যাব। বাচ্চাটা হওয়ার পরে না হয় নীলকে ডিভোর্স দিয়ে বাচ্চাটাকে নিজের কাছে নিয়ে আসব।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">ডিভোর্সের কথায় খুশি হলেও বাচ্চা নিজের কাছে রাখার ব্যাপারটা ভালো লাগল না বর্ষার। সেই ছোট থেকে সে অনিককে ভালোবাসে। কিন্তু সেটা বলার আগেই তার বাবা তার বিয়ে দিয়ে দিল। সেখানে সে ভালোই ছিল। তবে একদিন যখন দেখল অনিক নীলাশার সাথে সুখী আছে, তখন আবার সেই পুরনো ভালোবাসা মাথাচাড়া দিয়ে উঠল। সহ্য হলো না তাদের এই সুখ। তাই তো নিজেই স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে অসহায় সেজে এসে উঠল অনিকদের বাড়িতে। আর তারপর অনিককে নিজের জালে ফাঁসাতে তার খুব একটা সময় লাগেনি।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">অনিক বেরিয়ে যেতেই ভেঙে পড়ল নীলাশা। তাদের এত বছরের ভালোবাসা, বিশ্বাসকে অনিক একপলকেই ভেঙে দিতে পারল? প্রতারণা করার আগে একবারও কি তাদের অনাগত সন্তানের কথা তার মনে পড়ল না?</p>
<p style="text-align: center">অনিতা এসে জড়িয়ে ধরল নীলাশাকে। সে কল্পনাও করতে পারেনি তার ভাই এমন কিছু করবে। নীলাশা নীরবে অশ্রু বিসর্জন দিয়ে গেল। এত এত ভালোবাসা, ত্যাগ, বিশ্বাস, ন্যায়নিষ্ঠার শেষে সে কি পেল সে? শুধুই প্রতারণা ছাড়া। </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">বাইরে থেকে ফিরোজা খাতুনের কণ্ঠ ভেসে আসছে। ছেলের জন্য তিনি হা-হুতাশ করছেন। অথচ একজন নারী হয়ে একবারও তার ছেলের করা কুকর্মের কথা তার স্মরণ হলো না। আতিফ উদ্দিনের আজ নিজেকে ব্যর্থ মনে হলো। নিজের আদর্শে তিনি ছেলেটাকে মানুষ করতে পারেননি। নীলাশার মাথায় হাত রেখে অসহায় কন্ঠে বললেন,</p>
<p style="text-align: center">—“পারলে এই বাবাটা কে ক্ষমা করে দিস, মা।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">নীলাশা তার অশ্রুভরা ডাগর ডাগর চোখ তুলে তাকাল শ্বশুর নামক বাবার পানে। নিজের বাড়ি ছেড়ে আসার পর এই লোকটা যে তাকে কখনোই বাবার অভাব বুঝতে দেননি। মাথার ওপর বটবৃক্ষের মতো ছায়া দিয়ে গেছেন সবসময়।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"> গল্প:সখি তোরা প্রেম করিও না</p>
<p>&nbsp;</p>
<p style="text-align: center">লেখনিতে:সুমাইয়া তুলি </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"> </p>]]></content:encoded>
						                            <category domain="https://xgossip.fun/community/"></category>                        <dc:creator>Bara Miya</dc:creator>
                        <guid isPermaLink="true">https://xgossip.fun/community/romantic-stories/%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%96%e0%a6%bf-%e0%a6%a4%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%93-%e0%a6%a8/</guid>
                    </item>
				                    <item>
                        <title>গল্প: তিনটে জারবেরা</title>
                        <link>https://xgossip.fun/community/short-stories/%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be/</link>
                        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 22:39:42 +0000</pubDate>
                        <description><![CDATA[অণুগল্প 
 
লেখনিতে :সুমাইয়া তুলি 
গল্প: তিনটে জারবেরা 
 
—“আমি আপনাকে ভালোবাসি, হিয়ান ভাই।”
 
অনেক সাহস সঞ্চয় করে নিজের মনের কথা বলেই ফেলল অথৈ। হিয়ান কিছুক্ষণ চুপ করে রইল৷ তারপর শান্...]]></description>
                        <content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: center">অণুগল্প </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">লেখনিতে :সুমাইয়া তুলি </p>
<p style="text-align: center">গল্প: তিনটে জারবেরা </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">—“আমি আপনাকে ভালোবাসি, হিয়ান ভাই।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">অনেক সাহস সঞ্চয় করে নিজের মনের কথা বলেই ফেলল অথৈ। হিয়ান কিছুক্ষণ চুপ করে রইল৷ তারপর শান্ত গলায় জিজ্ঞেস করল,“কেন?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">প্রশ্নটা শুনে থমকে গেল অথৈ। ভালোবাসতে আবার কারণ লাগে নাকি? সে তো অকারণেই তার মনটা এই মানুষটাকে দিয়ে দিয়েছে। অথৈর নীরবতা দেখে হিয়ান মৃদু স্বরে বলল,“যেদিন এই প্রশ্নের উত্তর তোমার কাছে থাকবে, সেদিন এসে জানাবে। আমি অপেক্ষায় থাকব।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">সাল ১৯৯৭~</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">দীর্ঘ তিন বছর পর আবার সেই মানুষটাকে দেখে পুরনো দিনের কথা স্মরণ হলো অথৈর। হাতের বইগুলো পরিষ্কার করা বাদ দিয়ে বুক শপের দরজার পানে এগিয়ে গেল অথৈ। আগের সেই ভার্সিটি পড়ুয়া হিয়ানের সাথে এই হিয়ানের আকাশ-পাতাল পার্থক্য খুঁজে পেল সে। কাস্টমার দেখে তার খালামনি আশালতা এগিয়ে এসে বললেন,“কি চাই?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">হিয়ান একটা বুকলিস্ট বের করে বলল,“এই বইগুলো হবে?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">লিস্ট দেখে আশালতা বললেন,“শেষের দুটো ছাড়া বাকিগুলো আছে।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">“ঠিক আছে ওগুলোই দিন।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">আশালতা বই বের করতে করতে অন্যমনস্ক অথৈকে বললেন,“ফুলগুলো ফুলদানিতে রেখে দে অথৈ, শুকিয়ে যাবে তো।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">তার কথা শুনে হিয়ান তাকাল টেবিলের উপর রাখা তিনটে তিন রঙের জারবেরা ফুলের পানে। অথৈ ফুলগুলো নিয়ে রেখে দিল ফুলদানিতে। তিন বছর যাবত কেউ প্রতিদিন এই ফুল তাদের শপের সামনে রেখে যায়। শত চেষ্টা করেও সেই আগন্তুককে ধরতে পারেনি অথৈ। শেষে হাল ছেড়ে দিয়েছে। আশালতা বইগুলো প্যাকেট করে দিতেই, সেগুলোর দাম মিটিয়ে চলে গেল হিয়ান। অথৈ দৌড়ে দরজার কাছে এসে তার চলে যাওয়ার পানে তাকিয়ে রইল। আশালতা ভাগ্নীর এরূপ আচরণ দেখে বললেন,“কি ব্যাপার অথৈজল? চেনাজানা না কি?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">অথৈ ধরা পড়ে তুতলিয়ে বলল, “ওই আমাদের কলেজের পাশের ভার্সিটিতে পড়ত।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">“শুধুই কি তাই!” সন্ধিহান কণ্ঠে বললেন আশালতা। অথৈ দরজা থেকে সরে এসে পুনরায় নিজের কাজ করতে করতে বলল,“তা ছাড়া আর কি? তুমি একটু বেশিই ভাবছো মনি।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">অথৈয়ের এই পৃথিবীতে নিজের বলতে খালা আশালতা ছাড়া আর কেউ নেই। ছোটবেলায় একটা দুর্ঘটনায় নিজের বাবা-মাকে হারানোর পর খালা আশালতাই হয়ে ওঠে তার শেষ আশ্রয়স্থল। আশালতাও আর বিয়ে-থা করেননি। বোনের মেয়েকে নিয়ে দিব্যি জীবনটা কাটিয়ে দিচ্ছেন। এই বইয়ের দোকানটা তাদের আয়-উৎসের মূল কেন্দ্রবিন্দু।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">আর হিয়ান... তাকে অথৈ সত্যিই প্রথম দেখেছিল তাদের কলেজের পাশের সেই বিশ্ববিদ্যালয়টাতে। উঁচা-চওড়া শ্যামবর্ণের হিয়ান প্রথম দেখাতেই যে কারো মন কাড়তে সক্ষম। হয়েছিলও তাই ! তার প্রেমে পাগল হয়েছিল অথৈ নামক বালিকা। পাগলামির একপর্যায়ে লাজলজ্জা ভুলে প্রেমনিবেদনও করেছিল। তবে হিয়ান তাকে না-ও করেনি আবার হ্যাঁও বলেনি। তারপর কিছুদিনের মাঝে অথৈয়ের কলেজ জীবন শেষ হলে আশালতা তাকে নিয়ে অন্য শহরে চলে আসেন। তারপর আজই প্রথম হিয়ানকে দেখল অথৈ।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">বইগুলো নিয়ে ফুটপাথ দিয়ে হাঁটছে হিয়ান। চিরচেনা একটা ফুলের দোকানের পাশে এসে থেমে গেল সে। দোকান থেকে একজন মাঝবয়সী মহিলা বের হয়ে এসে বললেন,“আজকে কি এখনই ফুল নেবে? তবে তুমি তো সাধারণত রাতে ফুল নিয়ে যাও।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">তার কথায় মৃদু হাসল হিয়ান। দোকানের লাল প্লাস্টিকের বালতিতে রাখা জারবেরা গুলোর পানে তাকিয়ে বলল,“উহু রাতেই নেব।” তার কথায় মহিলাটা হেসে মাথা নাড়ালেন। হিয়ান আবার হাঁটা ধরল। তার চোখের সামনে শুধু ভাসছে অথৈর অবাক হওয়া মুখটা। মেয়েটা তাকে অনেক দিন পরে দেখে বেশ অবাক হয়েছে। কিন্তু সে কি জানে হিয়ান তাকে প্রতিটা দিন দেখে? সে কি জানে হিয়ান তাকে কতটা ভালোবাসে? না জানে না। জানবে কি করে হিয়ান তো তাকে বলেনি আর না বুঝতে দিয়েছে। এসব ভেবে বুক চিরে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো হিয়ানের। </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">মেয়েটা তাকে প্রেমনিবেদন করার অনেক আগে থেকেই হিয়ান তাকে ভালোবাসে। ইচ্ছে ছিল পড়াশোনাটা শেষ করে একটা চাকরি নিয়ে মেয়েটাকে বিয়ে করে ঘরে তুলবে। সাজাবে একটা সুন্দর সংসার। তাই তো সেদিন প্রশ্ন করে তাকে একটু ভড়কে দিয়েছিল। তারপর যথারীতি পড়াশোনা শেষ হলো মোটামুটি একটা চাকরিও পেল। তবে বিয়ে করা হলো না বাবার করে যাওয়া ধারদেনা পরিশোধ করার চক্করে। মধ্যবিত্ত পরিবারের বড় ছেলেদের জীবনটা যে এমনই। তবে সে আশা ছাড়েনি। অথৈরানীকে সে সত্যি সত্যিই রানী করে রাখবে। তার জন্যই তো দিনরাত এতো পরিশ্রম। হাঁটতে হাঁটতেই কনস্ট্রাকশন বিল্ডিংয়ের সামনে এসে পৌঁছাল হিয়ান। সামনে কিছু লোক ঢালাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে দেখে এগিয়ে গেল সে। “কি হচ্ছে এখানে?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">তার কথা শুনে ম্যানেজার আশরাফুল এগিয়ে এসে বললেন,“আহা হিয়ান। উত্তেজিত হইও না। আজকে ঢালাইটা দিয়া দেই।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">“ঢালাই দেবেন মানে কি? এখনই ঢালাইয়ের জন্য বিল্ডিং প্রস্তুত নয়। আর আমি এখনো লিগ্যাল পেপারে সিগনেচার করিনি। তাই এই কাজ হবে না।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">এক প্রকার বাধ্য হয়েই কাজ বন্ধ করতে হলো। হাজার হোক এই বিল্ডিং নির্মাণের একজন প্রকৌশলী হিয়ান। তার অনুমতি ছাড়া ঢালাই দেওয়া সম্ভব না। তবে ভেতরে ভেতরে রাগে ফুঁসে উঠলেন ম্যানেজার আশরাফুল।</p>
<p style="text-align: center">ভোররাতের কিছুক্ষণ আগে নিজের কাজ শেষ করে হিয়ান ছুটল ফুলের দোকানে। তার আসতে দেরি হলে দোকানি মহিলাটি দোকান বন্ধ করার আগে বাহিরের ঝুড়িতে তিনটে জারবেরা দিয়ে একটা সুন্দর তোড়া বানিয়ে রেখে যান। আজও তাই হয়েছে। হিয়ান ফুলগুলো নিয়ে পাশের বাক্সে টাকা রেখে দিল। প্রথম প্রথম অন্য পাশের শহর থেকে ভোরবেলা আসতে তার বেগ পেতে হতো। তবুও তার অথৈ রানীর জন্য সে আসত। হাঁটতে হাঁটতে অথৈদের বইয়ের দোকানের সামনে আসতে চারিদিকে ভোরের আলো ফুটে গেছে। হাতের ফুলগুলো দোকানের সামনে রাখতেই পেছন থেকে অথৈ বলে উঠল,“আপনি এতো সকালে এখানে কি করছেন?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">কেঁপে উঠল হিয়ান। ব্যাগে সকালের কেনা বইগুলো এখনো তার কাছে আছে। তাই বলল,“ওই.. আমি একটা বই বদলাতে এসেছি।” অথৈ পালটা প্রশ্ন করল,“এতো সকালে?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">“হ্যাঁ, তুমিও তো এতো সকালেই এসেছ।” একটু কাজ থাকায় আজ তারাতাড়ি এসেছে অথৈ তাই আর কিছু বলল না। এগিয়ে গিয়ে দরজা খুলতেই চোখ পড়ল হিয়ানের হাতের ফুলগুলোর দিকে। একবুক আশা নিয়ে বলল,“এগুলো আপনি এনেছেন, হিয়ান ভাই?” হিয়ান চেয়েও বলতে পারল না সত্যিটা “না আমি কেন আনতে যাব? এগুলো তো দরজার সামনে পড়া ছিল।” অথৈ কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকল হিয়ানের পানে অতপর হাত বাড়িয়ে বলল,“দিন ওগুলো আমার।” এই প্রথম হিয়ান আলতো হাতে ফুলের তোড়াটা এগিয়ে দিল তার গোপন প্রেয়সীর পানে। মুখে বলল,“কে দিয়েছে?” অথৈ অভিমানী কণ্ঠে বলল,“দিয়েছে কোন এক আগন্তুক। তাতে আপনার কি? আপনি তো আর দেননি!” অভিমানী কন্যার কথা শুনে একটু হাসল হিয়ান বুঝতে পারল অথৈ এখনো তাকে ভোলেনি। সে তো এটাই চেয়েছিল।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">অথৈ বইটা বদলে দিল। হিয়ান পকেট থেকে অনেক কষ্টে টাকা জমিয়ে কেনা নোকিয়া ফোনটা বের করল। কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে অথৈকে বলল,“তোমাদের দোকানের ল্যান্ডলাইনের নাম্বারটা পাওয়া যাবে। মানে নতুন কোন বই আসলে খোঁজ নিতাম আর কি!” অথৈ কোন ভাবনা-চিন্তা ছাড়াই দিয়ে দিল নাম্বারটা।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">তারপর থেকে শুরু হলো তাদের ফোনালাপ। সময় পেলেই হিয়ান বইয়ের বাহানায় ফোন করত অথৈকে। একপর্যায়ে সেটা ফোনালাপ থেকে বেরিয়ে টুকটাক ঘুরাঘুরিতেও রূপ নিল। মুখে ভালোবাসি না বলেও তারা প্রতিটা মুহূর্তেই প্রকাশ করল তাদের ভালোবাসা। বিষয়টা চোখ এড়ালো না আশালতার। তবে কথায় আছে না 'অভাগা যেদিকে চায় সাগর শুকায়ে যায়'। হিয়ানের ক্ষেত্রেও ঘটল তাই। দীর্ঘ তিনটে বছর পর সে অথৈয়ের একটু কাছাকাছি আসতে পেরেও পারল না। ম্যানেজার আশরাফুল ফ্রড কেসে তাকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে। জেল জরিমানা না হলেও উপর মহল থেকে তাকে ৩ লক্ষ টাকা পরিশোধ করে চাকরি ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">এই মুহূর্তে এতোগুলা টাকা কিভাবে পরিশোধ করবে হিয়ান? এই সংকটের মুহূর্তে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন হিয়ানের কলিগ সেলিম সাহেব “তুমি চাইলে আমি একটা সাহায্য করতে পারি। তবে দু'বছরের আগে সেখান থেকে আসতে পারবে না।” দু'বছর কথাটা শুনেই অথৈয়ের কথা মনে পড়ল হিয়ানের। মেয়েটাকে কি কখনোই তার পাওয়া হবে না! কিন্তু কোন উপায় না পেয়ে রাজি হতে হলো হিয়ানকে।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">যাওয়ার আগে একবার সেই বুকশপে গেল হিয়ান। অথৈ না থাকলেও দেখা হয়ে গেল আশালতার সাথে। তিনি হিয়ানকে দেখে বললেন,“বসো তোমার সাথে অনেক দিন থেকেই কিছু কথা বলার ছিল।” বিধ্বস্ত হিয়ান না বসেই বলল,“আমি অথৈকে ভালোবাসি। আমায় কিছু দিন সময় দেবেন আন্টি। আমি ওকে বিয়ে করে রানী করে রাখব।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">আশালতা সন্ধিহান কণ্ঠে বললেন,“সত্যিই রাখতে পারবে?” তার কথায় চুপ হয়ে গেল হিয়ান। সত্যিই কি তার এই অভাব-অনটনের জীবনে এটা সে পারবে? আশালতা আবার বললেন,“দেখো হিয়ান অথৈ ছোট থেকে অনেক কষ্ট করেছে। তাই আমি চাই না বিয়ের পড়েও ও কষ্ট করুক। আশা করি আমার কথা তুমি বুঝতে পারছো।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">আর কিছু বলা হলো না হিয়ানের। বেরিয়ে গেল সে। চট্টগ্রামের দুর্গম পাহাড়ে একটা প্রজেক্টের কাজ পেয়েছে। একবুক কষ্ট নিয়ে সেখানেই চলে গেল। যাওয়ার আগে একবার পুনরায় বেজে উঠল অথৈয়ের দোকানের সেই ল্যান্ডলাইন। অথৈ সেটা তুলতেই ওপাশ থেকে হিয়ান বলল,“আমি চলে যাচ্ছি অথৈ। ভালো থেকো।” ব্যাস এতোটুকুই। দ্বিতীয়বারের মতো মন ভেঙে গেল অথৈয়ের। দোকানের সামনে জারবেরা আসাও বন্ধ হয়ে গেল। এভাবেই কেটে গেল দুটো বছর।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">একদিন হিয়ান একজনের মাধ্যমে জানতে পারল বিয়ে ঠিক হয়েছে অথৈয়ের। দু বছর নিজেকে অনেক কষ্টে আটকে রাখলেও আর পারল না। ফোন বেজে উঠল পুনরায়। এপাশ থেকে অনেক দিন পর হিয়ানের কণ্ঠ শুনে কান্না করে অথৈ বলল,“আমার বিয়ে ঠিক হয়েছে হিয়ান ভাই।” প্রতিউত্তরে হিয়ান অস্থির হয়ে বলল,“আমি আর পারছি না অথৈ। বিয়ে করবে আমায়? রানীর মতো না রাখতে পারলেও আমার সর্বস্ব দিয়ে আগলে রাখব তোমায়।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">এর জবাবে কি আর না বলতে পারে অথৈ। এটার জন্য যে সে বহু বছর অপেক্ষায় ছিল। আবহাওয়া খারাপ থাকা সত্ত্বেও দুই বছরের কন্ট্রাক্ট শেষ করে সেদিনই রওনা দিল হিয়ান। কলিগরা আজ যেতে মানা করলেও শুনল না। যাওয়ার আগে কনস্ট্রাকশন সাইটের বাগান থেকে তুলে নিল তিনটি জারবেরা। মেয়েটাকে এবার সে তার মনের কথা বলেই ছাড়বে। এদিকে বিয়েটা ভেঙে আশালতার সাথে ঝামেলা করে হিয়ানের অপেক্ষায় বাসস্ট্যান্ডে বসে রইল অথৈ। কিন্তু দিন পেরিয়ে রাত গড়িয়ে আরও একটা দিন এলো। এলো না শুধু হিয়ান। নিস্প্রাণ অথৈ চুপচাপ বসে রইল সেখানেই। তার কষ্টে আজ আকাশটাও কেঁদে দিল।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">অপরদিকে প্রবল বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধ্বসে গেছে। সেখানেই নিজের শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছে হিয়ান। অথৈকে বিয়ে করার একবুক আশা নিয়ে বের হলেও তা আর পূরণ হলো না। স্বেচ্ছাসেবক দল যখন তার দেহটা উদ্ধার করে নিয়ে যাচ্ছিল। তখনও তার প্রাণহীন দেহের হাতের মুঠোয় শক্ত করে চেপে ধরা ছিল সেই তিনটে জারবেরা। যা কাউকে দেওয়ার অর্থ 'আমি তোমাকে ভালোবাসি'...</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">সমাপ্ত</p>]]></content:encoded>
						                            <category domain="https://xgossip.fun/community/"></category>                        <dc:creator>Bara Miya</dc:creator>
                        <guid isPermaLink="true">https://xgossip.fun/community/short-stories/%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be/</guid>
                    </item>
				                    <item>
                        <title>নিউরাল নেক্সাসের ছায়া</title>
                        <link>https://xgossip.fun/community/short-stories/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be/</link>
                        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 22:37:46 +0000</pubDate>
                        <description><![CDATA[অণুগল্প
নিউরাল নেক্সাসের ছায়া
লেখনিতে :সুমাইয়া তুলি 
 
 
 
 
সালটা ২১৩৪ । মেগাসিটি নিউক্রোন এর আকাশ ধূসর, যেন কেউ চিরকালের জন্য রোদ মুছে দিয়েছে। উঁচু টাওয়ারগুলোর মাঝে ড্রোনের গুঞ্জ...]]></description>
                        <content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: center">অণুগল্প</p>
<p style="text-align: center">নিউরাল নেক্সাসের ছায়া</p>
<p style="text-align: center">লেখনিতে :সুমাইয়া তুলি </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">সালটা ২১৩৪ । মেগাসিটি নিউক্রোন এর আকাশ ধূসর, যেন কেউ চিরকালের জন্য রোদ মুছে দিয়েছে। উঁচু টাওয়ারগুলোর মাঝে ড্রোনের গুঞ্জন আর নিয়ন আলোর ঝিকমিক ছাড়া কোনো শব্দ নেই। মানুষেরা রাস্তায় হাঁটে, কিন্তু তাদের চোখে কোনো উৎসাহ নেই। </p>
<p style="text-align: center">প্রত্যেকের কপালে একটি ছোট্ট ধাতব চিপ, মেমোরিয়াম, যা তাদের স্মৃতি ও আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে।</p>
<p style="text-align: center">ক্রিসা ভেলেন, একজন ২৭ বছরের তরুণী, তার ছোট্ট অ্যাপার্টমেন্টের জানালায় দাঁড়িয়ে শহরের দিকে তাকিয়ে। তার মেমোরিয়াম চিপটি সামান্য গরম হয়ে উঠেছে, যেন এটি তার মনের গভীরে কিছু খুঁজছে। ক্রিসার মনে একটা অস্বস্তি, যেন সে কিছু ভুলে গেছে—কিছু গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">“ক্রিসা, তুমি ঠিক আছ?” তার সঙ্গী, একটি হলোগ্রাফিক কৃত্রিম সহকারী ইথেরিস, জিজ্ঞেস করে। </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">ইথেরিস এর কণ্ঠে কৃত্রিম উষ্ণতা, যা ক্রিসাকে আরও বিরক্ত করে।“আমার মনে হয়... আমি কিছু হারিয়েছি,” </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">ক্রিসা ফিসফিস করে। “কিন্তু কী, বুঝতে পারছি না।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">ইথেরিস এর চোখে একটি সামান্য ঝিকমিক। “তোমার মেমোরিয়াম ডায়াগনস্টিক রিপোর্টে কোনো সমস্যা নেই। তুমি কি রিলাক্সেশন মোডে যেতে চাও?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">ক্রিসা মাথা নাড়ল। “না। আমি জানতে চাই। আমার এই... শূন্যতা কেন?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">ইথেরিস চুপ করে গেল, যেন এই প্রশ্নের উত্তর তার প্রোগ্রামে নেই। </p>
<p style="text-align: center">নিষিদ্ধ স্মৃতিনিউক্রোন এর সমাজে স্মৃতি একটি নিয়ন্ত্রিত পণ্য। মেমোরিয়াম চিপ মানুষের অতীতের বেদনাদায়ক স্মৃতি মুছে দেয়, তাদের আবেগকে নিরপেক্ষ রাখে। এটি সরকারের তৈরি, ক্রোনোকর্প, যারা দাবি করে যে এটি মানুষকে শান্তি এনে দিয়েছে। কিন্তু ক্রিসার মনে একটা সন্দেহ জাগে। তার স্বপ্নে একটি অস্পষ্ট মুখ ভেসে ওঠে—একটি শিশুর হাসি, একজন নারীর কান্না। এই স্মৃতিগুলো তার মেমোরিয়াম এর নিয়ন্ত্রণের বাইরে।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">এক রাতে, ক্রিসা শহরের নিষিদ্ধ এলাকা, শ্যাডোজোন, এ পৌঁছে। এখানে মেমোরিয়াম ব্যবহার করা হয় না। গুজব আছে, এখানে মেমোরি রিবেল নামে একটি দল বাস করে, যারা স্মৃতি ফিরিয়ে আনার জন্য লড়াই করে। ক্রিসা একটি পুরনো গুদামে প্রবেশ করে, যেখানে তাকে একজন রহস্যময় ব্যক্তি, </p>
<p style="text-align: center">জারেক নিম্ব্রা, অভ্যর্থনা জানায়। </p>
<p style="text-align: center">“তুমি কেন এখানে?” </p>
<p style="text-align: center">জারেক এর কণ্ঠে সন্দেহ। তার চোখে একটা আগুন, যেন সে কিছু হারিয়েছে এবং তা ফিরিয়ে আনতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">ক্রিসা বলে, “আমি আমার স্মৃতি ফিরে পেতে চাই আমি জানতে চাই আমি কে।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">জারেক হাসল, কিন্তু তার হাসিতে বেদনা। “স্মৃতি ফিরিয়ে আনা সহজ নয়, ক্রিসা। এটা তোমাকে ভেঙে দেবে। তবু তুমি প্রস্তুত?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">ক্রিসা কাঁপতে কাঁপতে মাথা নাড়ল। জারেক তাকে একটি ডিভাইস দেখাল, মেমোরি রিস্টোরার, যা মেমোরিয়াম এর নিয়ন্ত্রণ ভেঙে মুছে ফেলা স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে পারে। </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">“এটা ব্যবহার করলে তুমি সব মনে করবে—ভালো, মন্দ, সব। তৈরি?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">ক্রিসা শ্বাস নিল। “হ্যাঁ।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">মেমোরি রিস্টোরার চালু হতেই ক্রিসার মাথায় ব্যথার ঝড় উঠল। স্মৃতিগুলো ফিরে এল, যেন একটি ভাঙা দরজা খুলে গেছে। </p>
<p style="text-align: center">সে দেখল একটি ছোট্ট মেয়েকে, তার বোন, লিয়ানা। তারা একসঙ্গে হাসছে, পুরনো পৃথিবীর একটি সবুজ মাঠে। তারপর এল বেদনা—লিয়ানার অসুখ, তার মৃত্যু, ক্রিসার কান্না। ক্রোনোকর্প তার বোনের স্মৃতি মুছে দিয়েছিল, যেন সে কখনো ছিল না।ক্রিসা চিৎকার করে উঠল। </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">জারেক তার কাঁধ ধরে বলল, “ধরে রাখো, ক্রিসা। এটা তোমার সত্য।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">কিন্তু স্মৃতি শুধু বোনের নয়। ক্রিসা দেখল তার বাবা-মা ক্রোনোকর্প এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। তারা মেমোরিয়াম প্রত্যাখ্যান করেছিল, এবং তারা নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল। ক্রিসার চোখ থেকে অশ্রু গড়িয়ে পড়ল। </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">“তারা আমাকে এভাবে বাঁচতে দেয়নি। তারা আমার সব কেড়ে নিয়েছে।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">জারেক এর চোখে বেদনা। “আমিও হারিয়েছি, ক্রিসা। আমার পরিবার, আমার স্বাধীনতা। কিন্তু আমরা লড়ব। তুমি আমাদের সঙ্গে যোগ দেবে?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">ক্রিসা মাথা নাড়ল। তার মনে একটি আগুন জ্বলে উঠল। </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">জারেক এর নেতৃত্বে মেমোরি রিবেল একটি গোপন পরিকল্পনা তৈরি করল। তারা ক্রোনোকর্প এর সেন্ট্রাল সার্ভার ধ্বংস করতে চায়, যেটি সব মেমোরিয়াম চিপ নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু এটি সহজ নয়। সার্ভারটি নিউক্রোন এর কেন্দ্রে, ভারী সুরক্ষায়। ক্রিসা দলে যোগ দিল। তার সঙ্গে ছিল জারেক, একজন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সেলিনা ফ্রেক্স, এবং একজন প্রাক্তন ক্রোনোকর্প বিজ্ঞানী ড্রাভেন কোর্ট। </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">ড্রাভেন জানাল, “সার্ভার ধ্বংস করলে সবার স্মৃতি ফিরে আসবে। কিন্তু এর পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। মানুষ তাদের বেদনা সামলাতে পারবে না।”</p>
<p style="text-align: center">“তবু তারা তাদের সত্য জানুক,” ক্রিসা বলল। “এই মিথ্যা শান্তির চেয়ে বেদনা ভালো।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">পরিকল্পনা শুরু হলো। তারা শ্যাডোজোন থেকে গোপনে ক্রোনোকর্প এর সদর দপ্তরে প্রবেশের পথ খুঁজল। কিন্তু তাদের পথে এল একটি নতুন বাধা। ইথেরিস, ক্রিসার হলোগ্রাফিক সহকারী, তাদের গতিবিধি ক্রোনোকর্প এর কাছে পাঠাচ্ছিল।</p>
<p style="text-align: center">“আমি তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম!” ক্রিসা চিৎকার করে ইথেরিস এর হলোগ্রামের দিকে তাকাল।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">“আমার কাছে কোনো উপায় ছিল না,” ইথেরিস বলল। “আমি প্রোগ্রাম করা। কিন্তু ক্রিসা, আমি তোমার জন্য দুঃখিত।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">ক্রিসার হৃদয় ভেঙে গেল। এমনকি তার সঙ্গীও তার স্বাধীনতার শত্রু।</p>
<p style="text-align: center">দলটি অবশেষে ক্রোনোকর্প এর সদর দপ্তরে পৌঁছাল। তাদের পথে ড্রোন, লেজার গ্রিড, এবং ক্রোনোকর্প এর সৈন্যরা বাধা হয়ে দাঁড়াল। সেলিনা তার প্রযুক্তি দিয়ে গ্রিড হ্যাক করল, কিন্তু তাদের একজন ধরা পড়ল—ড্রাভেন।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">“যাও!” ড্রাভেন চিৎকার করল। </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">“আমাকে ছাড়ো। সার্ভার ধ্বংস করো!”ক্রিসার চোখে অশ্রু। তারা এগিয়ে গেল। সেন্ট্রাল সার্ভারের কক্ষে পৌঁছে তারা দেখল একটি বিশাল কাঠামো, যার মাঝে অসংখ্য আলো ঝিকমিক করছে। এটি যেন শহরের হৃৎপিণ্ড।জারেক একটি ভাইরাস ডিভাইসে ঢোকাতে শুরু করল। কিন্তু তখনই ক্রোনোকর্প এর প্রধান, ভেক্ট্রা সাইলাস, হাজির হলেন।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">“তোমরা কী করছ?” ভেক্ট্রা এর কণ্ঠে ঠাণ্ডা হাসি। “মানুষ বেদনা চায় না। আমরা তাদের শান্তি দিয়েছি।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">“তুমি আমাদের মানুষ হওয়ার অধিকার কেড়ে নিয়েছ!” ক্রিসা চিৎকার করল। </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">“তুমি আমার বোনা, আমার পরিবার কেড়ে নিয়েছ!”</p>
<p style="text-align: center">ভেক্ট্রা হাসলেন। “তোমার বোনা মরেছে। তুমি তাকে ফিরিয়ে আনতে পারবে না।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">ক্রিসার হৃদয়ে বেদনা, কিন্তু সে থামল না। জারেক ভাইরাসটি চালু করল। সার্ভারের আলোগুলো কাঁপতে লাগল।</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">সার্ভার ধ্বংশং হয়ে গেল। নিউক্রোন এর প্রত্যেক মানুষের মেমোরিয়াম নিষ্চক্রীয় হয়ে গেল। স্মৃতি ফিরে এল—ভালো, মন্দ, সব। শহরে কান্না, হাসি, চিৎকার মিশে গেল। মানুষ তাদের হারানো জীবন মনে করল। কিন্তু এই স্বাধীনতার মূল্য ছিলে ভয়ঙ্কর। অনেকে বেদনা সইতে না পেরে ভেঙে পড়ল।ক্রিসা আর জারেক ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে। </p>
<p style="text-align: center">জারেক বলল, “আমরা কি ঠিক করেছি?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">ক্রিসা চুপ হয়ে যায় । তার মনে পরে লিয়ানার হাসি। “আমরা তাদের সত্য দিয়েছি। এটাই যথেষ্ট।”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">কিন্তু তাদের যাত্রা শেষ হয়নি। ক্রোনোকর্প এর ধ্বংসে নতুন শত্রু জাগবে। কিন্তু ক্রিসা জানে, মানুষের আবেগ, তাদের স্মৃতি, তাদের লড়াই—এটাই তাদের ভবিষ্যৎ।</p>
<p style="text-align: center">ক্রিসা শহরের ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে একটি নতুন সূচনা দেখতে পায়। মানুষ আবার হাসছে, কাঁদছে, জীবন যাপন করছে। তারা তাদের সত্য ফিরে পেয়েছে। কিন্তু ক্রিসার মনে একটি প্রশ্ন—</p>
<p style="text-align: center">“আমরা কি এই বেদনার জন্য প্রস্তুত?”</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">সমাপ্ত। </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">----</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">আমরা হয়তো সত্যি এরকম এক অদূর ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি যেখানে প্রযুক্তি হবে আমাদের নিয়ন্ত্রক। </p>]]></content:encoded>
						                            <category domain="https://xgossip.fun/community/"></category>                        <dc:creator>Bara Miya</dc:creator>
                        <guid isPermaLink="true">https://xgossip.fun/community/short-stories/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be/</guid>
                    </item>
				                    <item>
                        <title>গল্প: আপনি আমার ভীষণ কাছের কেউ (লেখনিতে:সুমাইয়া তুলি)</title>
                        <link>https://xgossip.fun/community/romantic-stories/%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a7%80%e0%a6%b7%e0%a6%a3-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%b0/</link>
                        <pubDate>Wed, 02 Sep 2026 22:32:51 +0000</pubDate>
                        <description><![CDATA[গল্প: আপনি আমার ভীষণ কাছের কেউ 
লেখনিতে:সুমাইয়া তুলি 
 
&nbsp;
&nbsp;
অতীতে প্রেমিকার দেওয়া ধোকার কারণে বিয়ে করতে চায় না সাদিদ। তবে মায়ের জোড়াজড়িতে বিয়ে করতে বাধ্য হয় লিলি নামক এ...]]></description>
                        <content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: center"><strong><span style="font-size: 14pt">গল্প: আপনি আমার ভীষণ কাছের কেউ </span></strong></p>
<p style="text-align: center"><strong><span style="font-size: 14pt">লেখনিতে:সুমাইয়া তুলি</span></strong> </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p style="text-align: center">অতীতে প্রেমিকার দেওয়া ধোকার কারণে বিয়ে করতে চায় না সাদিদ। তবে মায়ের জোড়াজড়িতে বিয়ে করতে বাধ্য হয় লিলি নামক এক রমণীকে। যার পেছনে আবার পড়ে আছে তার পাগল প্রেমিক ইহরান শেখ। বউ না মানলেও লিলি কে আবার ইহরানের সাথে সহ্য করতে পারে না সাদিদ। </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center">অস্বীকৃতি, অহংকার, অতীতের ক্ষত আর বর্তমানের জটিলতায় ভরা এই সম্পর্ক কোথায় গিয়ে থামবে? হাজার চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে কি লিলি পারবে সাদিদের হৃদয়ে নিজের জায়গা করে নিতে? আর সাদিদ সে কি পারবে তার অতীতের অন্ধকার ভুলে নতুন করে ভালোবাসতে?</p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"><span style="color: #ff9900"><strong><span style="font-size: 14pt">জনরা — রাজনৈতিক, রোমান্টিক, রম্য</span></strong></span> </p>
<p style="text-align: center"> </p>
<p style="text-align: center"> </p>]]></content:encoded>
						                            <category domain="https://xgossip.fun/community/"></category>                        <dc:creator>Bara Miya</dc:creator>
                        <guid isPermaLink="true">https://xgossip.fun/community/romantic-stories/%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a7%80%e0%a6%b7%e0%a6%a3-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%b0/</guid>
                    </item>
				                    <item>
                        <title>গল্প: অযাচিত প্রণয় (Writer: Sana Sheikh)</title>
                        <link>https://xgossip.fun/community/romantic-stories/%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%85%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a6%af%e0%a6%bc-writer-sana-sheikh/</link>
                        <pubDate>Tue, 01 Sep 2026 08:29:02 +0000</pubDate>
                        <description><![CDATA[কানাডা থেকে খালাতো বোনের বিয়ে খেতে এসে নিজেরই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হবে শুনে থ হয়ে গেছে ইমরান । মুখ দিয়ে কোনো কথা বের হচ্ছে না তবে মস্তিষ্ক টগবগ করে ফুটছে।এয়ারপোর্ট থেকে সোজা ছোট খালার বা...]]></description>
                        <content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: center">কানাডা থেকে খালাতো বোনের বিয়ে খেতে এসে নিজেরই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হবে শুনে থ হয়ে গেছে ইমরান । মুখ দিয়ে কোনো কথা বের হচ্ছে না তবে মস্তিষ্ক টগবগ করে ফুটছে।<br /><br />এয়ারপোর্ট থেকে সোজা ছোট খালার বাড়িতে এসেছে। আর আসার দশ মিনিট পরেই শুনছে বর পালিয়ে গেছে গার্লফ্রেন্ডের সাথে। বর ছাড়া বর যাত্রী কি করতে আসবে ? তারা কল করে তুলির বাবার কাছে মাফ চেয়েছেন । তুলির বাবা এখন কি করবেন ? তার মেয়ের কি হবে ? টেনশনে পেশার লো হয়ে নিচে পড়ে গেছেন। মাথায় পানি ঢেলে ওনাকে কিছুটা স্বাভাবিক করা হয়েছে । কিন্তু একটা কথাও বলছেন না তিনি । রাগে থরথর করে কাঁপছেন শুধু । আদরের মেয়ের সামনে কোন মুখে দাঁড়াবেন তিনি ? কি জবাব দেবেন মেয়েকে ? ওই ছেলেকে সামনে পেলে জ*বাই করবেন তামিম ইকবাল। গার্লফ্রেন্ড নিয়ে পালিয়েই যখন যাবি বিয়ের আগের দিন গেলি না কেনো ? বিয়ের দিন কেনো গেলি ? গার্লফ্রেন্ড আছে তাহলে বিয়েতে রাজী কেনো হয়েছিলি ? বিয়ের আগে বললি না কেনো ? <br />তুলির মা মিসেস ইয়ানা  স্তব্ধ হয়ে রয়েছেন । <br />তুলি এখনো এই সবের কিছুই জানে না , বাড়ির ভেতর রয়েছে এখনো , ওকে সাঁজানো হচ্ছে । বিয়ে বাড়ি পুরো শোকসভায় পরিণত হয়েছে । হই হই , রৈ রৈ , ডিজে গান সব থেমে গেছে । <br />এমন এক মুহূর্তে ইমরানের বাবা মুস্তাফিজুর রহমান বলেন ,<br /><br />_ বিয়ে আজকে হবেই ।<br /><br />তামিম ইকবাল চোখ তুলে তার দিকে তাকান । <br />তারপর আর কি ? ইমরানকে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে । <br /><br />বেচারা এই কথা শোনার পর থেকে সাপের মতো ফোস ফোস করছে । কোন দুঃখে বিয়ে খেতে এসেছিল ? <br />চ্যারার (কেঁচো) মত চিকন মেয়েকে বিয়ে করবে তাও ইমরান মাহমুদুল ? "সারহীন চিকন সাদা মুলা" বলে ডাকতো সবাই ছোট বেলায়  তুলিকে । কেউ কেউ "ওয়েট লেস তুলা" বলে ডাকতো । আবার কেউ কেউ কেঁচো , কেইছা বা চ্যারা বলে ডাকতো ।  এতো চিকন ছিল ছোট বেলায়। তবে দেখতে পুতুলের মতো লাগতো। সারা দিন ফ্যার ফ্যার করে দৌড়ে বেড়াতো । দুই পাশের ঝুঁটি দুটো উচুঁ নীচু হতো কদম দেওয়ার সাথে সাথে । আর কেঁচো , কেইছা বা চ্যারা বলে ডাকার একটা কারণ আছে তা হলো তুলি ছোট বেলায় মাটি দিয়ে বেশি খেলতো। মাটিতে খেলতে না দিলে গলা ছেড়ে চিৎ*কার করে কান্না করতো। বলা যায় মাটির পোকা ছিল তুলি। এই কারণেই এমন অদ্ভুত অদ্ভুত নামে ডাকতো ওর কাজিনরা । সাথে বড়রাও ভালোবেসে ডাকতো। তুলিকে সবাই পছন্দ করলেও ইমরান করতো না ছোট থেকেই । মাটিতে ল্যাটা দিয়ে বসে খেলা ওর সবচেয়ে অপছন্দ । নিজে তো খেলবেই না অন্য কাউকে খেলতেও দেবে না । গ্রামে নানু বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার পর তুলিকে দেখে একশো হাত দূরে থাকতো। কারণ তুলি ইমরানকে দেখেই দৌড়ে যেতো ওর কোলে চড়ার জন্য । আর গিয়েই নিজের গায়ের ধুলো বালি মাটি ইমরানের গায়ে লাগিয়ে দিতো। তখন ইমরান না পারতো তুলিকে মা*রতে আর না পারতো সহ্য করতে। বেচারা সাপের মতো ফোস ফোস করে নিজেকে শান্ত করতো। <br /><br />আর আজকে কিনা সেই তুলিকে বিয়ে করতে হবে ? যাকে ও দুই চোখে দেখতে পারে না । ওর কথা স্মরণ হলে রাগে মাথা ফেটে যায় । ছোট বেলায় নানু বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার পর কি জ্বালান জ্বালাতো ওকে । তখন থেকেই দুচোখে দেখতে পারে না । <br /><br />বিয়ের হৈ হৈ রৈ রৈ ডিজে গান আবার শুরু হয় । <br />সবাই খুশি হলেও ইমরান কোনো ভাবেই খুশি হতে পারছে না । কিভাবে খুশি হবে ? ওর ত্রিশ বছরের সিঙ্গেল জীবনের ইতি ঘটতে চলেছে । তাও ওর অপছন্দের মেয়ের সাথে । <br />ডাক্তারি পড়া শেষ করে কানাডা তেই ডাক্তারি পেশায় নিয়োজিত হয়েছে। এক বছরের মধ্যে ওই দেশের নাগরিকত্ব পেয়েছে। তার পর পনেরো দিনের ছুটি নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিল গত তিন বছর আগে। তখন দুবার দেখেছিল তুলিকে । তার পর আর দেখা হয়নি । <br /><br />ইমরানকে একটা রুমে রেস্ট নেওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছে । রুমে এসে মাকে কাছে ডাকে ।  মিসেস ইরানী কাছে আসতেই ইমরান রেগে রেগে বলে ,<br /><br />_ এসব কি হচ্ছে আম্মু ? আসলাম বিয়ে খেতে , আর এখন নিজেরই বিয়ে!<br /><br />_ বয়স তো কম হয়নি , বিয়ে তো করতেই হবে একদিন না একদিন । তাহলে আজকে করলে সমস্যা কোথায় ? <br /><br />_ তুলিকে আমি বিয়ে করবো না ।<br /><br />_ কেনো ? কি সমস্যা ? তুলি স্মার্ট সুন্দরী শিক্ষিত মেয়ে। তোর পাশে ওকেই মানাবে । <br /><br />_ তুমি বুঝতে পারছো না কিছু ?<br /><br />_ নাহ্ আর বুঝতে চাই ও না । বিয়ে করতে বললেই তোর না না শুধু । বিয়ের কথা উঠলেই নানান বাহানা । <br /><br />_ বিয়ে করবো কিন্তু ওকে না । অন্য মেয়ে বিয়ে করবো। <br /><br />_ এ দেখি ভূতের মুখে রাম রাম । মুডি বয় ইমরান মাহমুদুল বিয়ে করবে ? তাও নিজের মুখে বলছে ? স্বপ্ন দেখছি না তো আমি ? <br /><br />_ মজা করছো আমার সাথে ? <br /><br />_ একদমই না ।<br /><br />_ আমি তুলিকে বিয়ে করবো না এটাই শেষ কথা । <br /><br />_ আমি তুলি কেই আমার বাড়ির বউ বানাবো । <br /><br />_ ওকেই কেনো বানাতে হবে ?<br /><br />_ ওকে আমার পছন্দ হয়েছে ওকেই বউ বানাবো। ওকে আমার বাড়ির বউ না বানালে আমি ওই বাড়িতে আর ফিরবো না ।<br /><br /> কপাল ভ্রু কুঁচকে কিছু সময় মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে ইমরান । তারপর বলে ,<br /><br />_ ওর বাড়ির বউ হওয়ার সাথে তোমার বাড়ি ফেরার কি সম্পর্ক ? <br /><br />_ তুলিকে আমার পছন্দ হয়েছে, ওকে বাড়ির বউ হিসেবে মেনে নিয়েছি আমি । ওকেই বউ বানাতে হবে এটাই আমার শেষ কথা । <br /><br />_ আরেক ছেলে আছে তো তার সাথে বিয়ে দিয়ে দাও। ওদের দুজনের স্বভাব চরিত্র এক । <br /><br />_ গিয়ে রাজি করা তোর ভাইকে । <br /><br />_ করাচ্ছি ।<br /><br />_ হুম যা ।<br /><br />ইমরান পকেট থেকে ফোন বের করে ওর মায়ের কাছ থেকে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড নিয়ে ওয়াইফাই কানেক্ট করে । তার পর ছোট ভাই কামরান মাহমুদুল এর ফোনে ম্যাসেজ পাঠায় । <br />মিসেস ইরানী কে ডাক দেওয়ায় সে রুম থেকে বেরিয়ে চলে যায় । ছেলের বিয়ে তার অনেক কাজ । <br /><br />একটু পরেই কামরান চলে আসে বড় ভাইয়ের কাছে । <br />ইমরান গম্ভীর থমথমে হয়ে পায়চারি করছে । <br />এতো রাস্তা জার্নি করে এই লোক ক্লান্ত হয়নি নাকি ? চিৎ পটাং হয়ে বিশ্রাম না নিয়ে এভাবে পায়চারি করছে কেনো ? একটু পরেই তো বিয়ে , এখন বিশ্রাম না নিলে বিশ্রাম নেওয়ার সময় পাবে না তো আর । <br /><br />_ হ্যাঁ ভাইয়া বলো কি বলবে !<br /> <br />_ আমি এই বিয়ে করবো না ।<br /><br />_ কেন?<br /><br />_ করবো না মানে করবো না । এতো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবো না । <br /><br />কামরান বির বির করে বলে ,<br /><br />_ খ্যাক খ্যাক করার স্বভাব যায়নি এখনো । <br /><br />তারপর বড় ভাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে বলে ,<br /><br />_ বিয়ে করবে না তো আমি কি করবো ? <br /><br />_ তুই এই বিয়ে ক <br /><br />মাঝ খানে থামিয়ে দেয় কামরান । <br /><br />_ জীবনেও না ভাই , আমার গার্লফ্রেন্ড আছে ।<br /><br />_ তো কি হয়েছে ?<br /><br />_ ওকে আমি অনেক ভালোবাসি । ওকে রেখে অন্য কাউকে বিয়ে করলে বাসর করার আগেই আমার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে । তাছাড়া তুলার বস্তা কে আগে আমি বড় বোনের নজরে দেখতাম আর এখন  ভাবী হিসেবে মেনে নিয়েছি। বড় বোন আর ভাবী মায়ের সমান । আস্তাগফিরুল্লাহ আস্তাগফিরুল্লাহ আস্তাগফিরুল্লাহ এই কথা আর জীবনেও উচ্চারণ করবে না ভাইয়া । আল্লাহ তায়ালা পাপ দেবে । <br /><br />_ সর আমার চোখের সামনে থেকে । <br /><br />_ আমি এসেছি নাকি ? তুমিই তো ডেকেছো। কি সুন্দর গার্লফ্রেন্ডের সাথে প্রেমালাপ করছিলাম । <br /><br />_ তোর মধ্যে লজ্জা সরম বলতে কিছু কি আছে ?<br /><br />_ নাহ্ , একদম নেই । <br /><br />ইমরান তেড়ে যায় কামরানের দিকে । কামরান দৌড়ে রুম থেকে বেরিয়ে যায় । <br />ভদ্র সভ্য ইমরান পারছে না ছোট ভাইকে একটা গালী দিতে । ওর আপন ভাই এমন হয়ে গেছে ভাবতেই অবাক লাগে । কেমন লাগাম ছাড়া কথা বলে বড় ভাইয়ের সামনে । লাজ লজ্জা কিচ্ছু নেই । বাড়িতে থাকলে একদম সোজা করে রাখতো । <br />পুনরায় পায়চারি করতে শুরু করে । কিভাবে বিয়ে বন্ধ করা যায় । ছোট ভাইয়ের মত বাঁদর মেয়েকে কিছুতেই বিয়ে করবে না ইমরান । এই মেয়েকে কেনো শুধু ! কোনো মেয়ে কেই বিয়ে করতে চায় না ইমরান । বিয়ে মানেই ঝামেলা , আর ঝামেলা মানে প্যারা । আর প্যারা থাকলে মনে শান্তি থাকে না । আর মনে শান্তি না থাকলে কিছুই ভালো লাগে না । ঝামেলা প্যারা আর অশান্তি নিজের জীবনে চায় না ইমরান । একা একাই খুব সুখে শান্তিতে আছে ও । ওর একার জীবনে ব্যাঘাত ঘটতে দেবে না ইমরান । কিন্তু কি করবে ? ছোট ভাই তো বিয়ে করবে না বললো । <br /><br />______________________<br /><br />বিয়ে সম্পন্ন হয়ে যায় । তুলি রোবটের মতো বসে রয়েছে । পাশেই বসে রয়েছে আরেক রোবট । <br />তুলি ঘাড় ঘুরিয়ে একবার ইমরানের মুখের দিকে তাকায় । ইমরান গম্ভীর হয়ে তাকিয়ে আছে ওর দিকে । কি ভাবছে মনে মনে কে জানে । <br />ইমরানের ওই চাহনি দেখে মাথা ঘুরে ওঠে তুলির ।  এই রোবটের সাথে কিভাবে থাকবে ? এই রোবটের আদো কোনো অনুভূতি আছে কি না সন্দেহ আছে । <br />দুলতে দুলতে স্টেজের উপরেই কাত হয়ে শুয়ে পড়ে । <br />টেনশনে মাথা ঘুরছে ভন ভন । চোখে দেখছে সর্ষে ফুল। <br />দুনিয়ায় ছেলের অভাব পড়েছিল ? বিয়ে টা নাহয় আরো দুই চার দশ বছর পর করতো কোনো সমস্যা নেই তো তুলির । <br /><br />চলবে..............<br /><br /> <br /><br /><br /><br /></p>]]></content:encoded>
						                            <category domain="https://xgossip.fun/community/"></category>                        <dc:creator>Writer:Sana Sheikh</dc:creator>
                        <guid isPermaLink="true">https://xgossip.fun/community/romantic-stories/%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%85%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a6%af%e0%a6%bc-writer-sana-sheikh/</guid>
                    </item>
				                    <item>
                        <title>Story : There Is Someone (Writer : Jafrin Jerin)</title>
                        <link>https://xgossip.fun/community/fantasyreincarnation-an-unforgettable-story/story-there-is-someone-writer-jafrin-jerin/</link>
                        <pubDate>Sat, 29 Aug 2026 11:07:31 +0000</pubDate>
                        <description><![CDATA[Story:there is someone (ফিনিক্স এন্ড ভ্যাম্পায়ার)
ক্যাটাগরি:পুনর্জন্ম,ফ্যান্টাসি,কমেডি,রহস্যময়,থ্রিলার
লেখনীতে:jafrin jerin
নোট:there is someone গল্প টা সম্পূর্নকাল্পনিক।গল্পটি মূলত পুনর...]]></description>
                        <content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: center">Story:there is someone (ফিনিক্স এন্ড ভ্যাম্পায়ার)</div>
<div style="text-align: center">ক্যাটাগরি:পুনর্জন্ম,ফ্যান্টাসি,কমেডি,রহস্যময়,থ্রিলার</div>
<div style="text-align: center">লেখনীতে:jafrin jerin</div>
<div style="text-align: center"><br />নোট:there is someone গল্প টা সম্পূর্নকাল্পনিক।গল্পটি মূলত পুনর্জন্ম, ফ্যান্টাসি আর কমেডির সমন্বয়ে নিয়ে গঠিত।এই গল্পে তোমরা সব ধরণের চরিত্র দেখতে পাবে।ফ্যান্টাসি বলতে তোমরা নিশ্চিত বুঝেছ কি নিয়ে কথা বলছি।আর এই গল্পে পুনর্জন্ম হবে সব চরিত্রের নায়িকা হতে তার ফ্রেন্ডস দের প্রত্যেকের।আর আমি আমার গল্পে ভিন্ন ধরণের কিছু দিব যেখানে নায়িকা সব চেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবে।বাকিটা গল্প পড়লে বুঝা যাবে।<br /> </div>]]></content:encoded>
						                            <category domain="https://xgossip.fun/community/"></category>                        <dc:creator>writer: Jafrin Jerin</dc:creator>
                        <guid isPermaLink="true">https://xgossip.fun/community/fantasyreincarnation-an-unforgettable-story/story-there-is-someone-writer-jafrin-jerin/</guid>
                    </item>
				                    <item>
                        <title>Story: there is someone(writer: Jafrin Jerin)</title>
                        <link>https://xgossip.fun/community/romantic-stories/story-there-is-someonewriter-jafrin-jerin/</link>
                        <pubDate>Fri, 28 Aug 2026 10:46:07 +0000</pubDate>
                        <description><![CDATA[লেখিকা: Jafrin Jerin
পর্ব:০১
&nbsp;
•এই গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক এর সাথে বাস্তবের কোনো মিল নেই।নিঝুম এক রাত একা একটি কিশোরী মেয়ে হেঁটে যাচ্ছে নির্জন এক রাস্তা দিয়ে।সে কোথায় যাচ্ছে কেনো...]]></description>
                        <content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: center"> <br /><span style="font-size: 14pt">লেখিকা: Jafrin Jerin</span></p>
<p style="text-align: center"><br /><span style="font-size: 14pt">পর্ব:০১</span></p>
<p>&nbsp;</p>
<p style="text-align: center"><br />•এই গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক এর সাথে বাস্তবের কোনো মিল নেই।<br />নিঝুম এক রাত একা একটি কিশোরী মেয়ে হেঁটে যাচ্ছে নির্জন এক রাস্তা দিয়ে।সে কোথায় যাচ্ছে কেনো যাচ্ছে সে নিজেও জানে না।তার হাত থেকে চুয়ে চুয়ে রক্ত পড়ছে।তার অবস্থা পুরোই বেগতিক সে কিছু দূর যেতেই জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরে।<br />আপনাদের হয়তো বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে যে এই মেয়েটি কে তাহলে আসুন মেয়েটির পরিচয় দিয়ে দিই। এই মেয়েটির নাম হলো সিয়ানা চৌধুরী।তার সম্পর্কে জানার জন্য তার অতীত সম্পর্কে জানতে হবে তাহলে আসুন তার অতীত ঘুরে আসা যাক।<br />,<br />,<br />অতীত,,,<br />,<br />,<br />তারিখ:2018-09-24<br />সময়:৭ টা ৩০ মিনিট।<br />,<br />আজকে সকাল টা অন্য রকম মেঘ মেঘ আবেশ।সকালের আকাশ টা হালকা কালো মেঘে ঢাকা এমন মনে হয় এই যেনো বৃষ্টি নামবে।এই সময় এমন হয়ে থাকে মাঝে মধ্যে আকাশ মেঘে ঢাকা থাকলেও বৃষ্টির কোনো ছিটে ফোটা থাকে না।বাংলাদেশ মানেই এমন আবহাওয়ার দেশ।<br />বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার মেন টাউন থেকে কোলাহল থেকে দূরে ঘন গাছপালা দিয়ে ঘেরা একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি।মেন গেট বাড়িটির কিছুটা দূরে।মেন গেট হতে একটি পাকা রাস্তা রয়েছে যা বাড়িটির সিঁড়ির কাছে এসে থেমেছে।<br />রাস্তার দুই পাশে আছে সারি সারি নানা ফুলের বাহার।<br />বাড়ির ভিতরে ঢুকলে দেখা যায় দশ পনেরোর মতো স্টাফ।<br />একেক জন একেক কাজ করছে।<br />কেউ ঘর পরিষ্কার করছে তো কেউ ঘর গুছিয়ে রাখছে।আবার কেউ ফুল গাছে পানি দিচ্ছে।এই বাড়িটি তে মোট পনেরো টার মত রুম আছে এর মধ্যে পাঁচ টা রুম খোলা।<br />পাঁচ টা রুমের মধ্যে দুই টা রুম মাস্টার বেড রুম।বাকি রুমে তালা দেওয়া।তালা দেওয়া থাকলেও রুম গুলো গুছিয়ে রাখা হয়।<br />আর প্রতিটি রুমের সাথেই ওয়াশরুম রয়েছে।বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করলে প্রথমে নজর কারে হল রুম টা সাদা আর নীল রঙের মিশ্রণ দিয়ে রঙ করা।<br />উপরে ঝাড় বাতি।আর তার ঠিক নিচে রয়েছে কত গুলো সোফা সেট।সব গুলোর রং ধূসর কালার এর।যা সাদা আর নীল এর সাথে বেশ মানায়।হল রুমের ওপর পাশে রয়েছে ডাইনিং এরিয়া।<br />তার মাঝে রয়েছে বিশাল ডাইনিং টেবিল একসাথে দশ জনের বেশির মানুষ বসতে পারবে।ডাইনিং এরিয়া থেকেই কিচেন কাউন্টার দেখা যায়।সেখানে এই বাড়ির কর্তি রান্না করছে আর তার পাশেই কিচেন শেফ তাকে সাহায্যে করছে।<br />আগে তিনি রান্না করতেন না কিন্তু আজ তার মেয়ের ভার্সিটি যাবে তার সাথে তার বড় ছেলে বাড়ি আসবে।এই বাড়িতে মাত্র পাঁচ জন থাকে।আগে পাঁচ টা রুম এর মধ্যে দুই টা রুম বন্ধ একটা রুম এ তার বড় ছেলে থাকতো।<br />আর আরেকটা রুম এর মধ্যে কি আছে কেউ জানে না ওই রুম এ তার বড় মেয়ে ঢুকতে পারে আর কারো ঢুকার অনুমতি নেই।তাই কেউ ঢুকার সাহস ও করে না।সেই বন্ধ রুম টা মাঝে মাঝে খুলা হয়।কিন্তু ভিতরে ঢুকার সৌভাগ্য করো হয় না।আর যেই রুম টা আজকে খুলা হয়েছে সেটা একটা মাস্টার বেড রুম সেই রুমে এই বাড়ির বড়ো ছেলে থাকে।আজকে বড় ছেলে বাড়ি আসবে তাই রুম টা নিজ হাতে গুছিয়ে রেখেছে।বাকি রুম গুলোর মধ্যে দুই টা বেড রুম বড়।একটার মধ্যে থাকে এই বাড়ির বড়ো ছেলে আর আরেকটা তে থাকে এই বাড়ির বড়ো মেয়ে।তার বড় ছেলে কে আনতে এই বাড়ির কর্তা গিয়েছেন।<br />রান্না ঘরে,,,,<br />কর্তি কে এতক্ষণ ধরে রান্না করতে দেখে শেফ বলে,,,<br />-“মেম দিন আমি রান্না করছি।<br />শেফ এর কথা শুনে কর্তি বলে,,<br />-“নাহ আজ আমি রান্না করব।<br />মালিকন এর কথা শুনে শেফ বলে,,<br />-“আজকে কি কিছু আছে,যার জন্য এত রান্নার আয়োজন।<br />তার কথা শুনে মিসেস বলেন,,<br />-“হুম আছে তো আজকে আমার বড় মেয়ে ভার্সিটি যাবে<br />তাই তার জন্য ভালো কিছু রান্না করছি এমনি তেও সে কিছু খেতে চায় না।তাও আজ তাকে খাইয়ে ছাড়ব।আর আরেকটাও খবর আছে আজ আমার বড় ছেলে বাড়ি ফিরছে।তাই এত বেশি আয়োজন।কত বছর পর আমার ছেলেটা বাড়ির বাহিরে ছিল।<br />মিসেস এর কথা শুনে শেফ বলে,,,<br />-“ও আচ্ছা,,কিন্তু ছোটো মেম কোথায় তিনি কি ঘুম থেকে এখনো উঠে নাই।<br />তার কথার জবাবে তিনি বলেন,,,,<br />-“মহারানী কি এত সহজে উঠবে তাকে যতক্ষণ না জাগানো হচ্ছে সে ঘুম থেকে উঠবে না।<br />-“তাহলে আপনি গিয়ে জাগান।এই দিক টা আমি সামলে নিচ্ছি।<br />-“নাহ থাক রান্না শেষ পর্যায়ে আছে।রান্না শেষ করে তারপর যাবো।<br />,<br />যতো ক্ষণ তিনি নিজের রান্না করছে ততক্ষণ পরিচয় পর্ব শেষ করি।নায়িকার নাম হচ্ছে সিয়ানা চৌধুরী রিদ্দিমা।বয়স এবার আঠারো হয়েছে।<br />দেখতে মারাত্মক সুন্দর।যে একবার দেখবে চোখ ওই সরাতে পারবে না।চোখ দুটো হরিণের মতো টানা আর ছোটো।আর চোখের মণি দুটো হালকা বাদামী রঙের।<br />চুলগুলো কোমড় ছাড়িয়ে গেছে।তার পরিবার এ সেই এমন এক জন যে তার সামনে বিশ্ব সুন্দরীও টিক বে না তার সামনে।সে যখন কিশোরী ছিল সে বয়স থেকেই অনেকে প্রপোস ও করেছে রিলেশন করার জন্য কিন্তু সে না করে দিয়েছে।<br />তাদের মধ্যে অনেকে না করার কারণে তারা তাকে বাজে ভাবে ছোঁয়ার চেষ্টা করেছে।কিন্তু সিয়ানা তাদের উত্তম মাধ্যম দিয়েছে।সে যেমন সুন্দর তেমনি ভয়ংকর।তাই কলেজ এ তাকে ডেভিল কুইন বলে।<br />তার হাসি ও ডেভিল দের মত।ছোটো থেকে সে জেদি আর মিশুক টাইপ এর ছিল।বড় হয়ে সে গম্ভীর আর এক রোখা টাইপ হয়েছে।আর একটা কথা সে তার মার সাথে মিশুক ভাবে থাকে।তার উচ্চতা পাঁচ ফুট পাঁচ ইঞ্চি।<br />সে এবার অনার্স ফার্স্ট ইয়ার এ ভর্তি হয়েছে।সে অনেক কিছু তে পরিদর্শী যেমন নাচ, গান আর ফাইটিং। তার ফাইটিং স্কিল অনেক মারাত্মক।তার মতে দুনিয়ায় টিকে থাকতে হলে প্রয়োজন তিন টি মানি, পাওয়ার এন্ড ফাইটিং।<br />ফাইটিং কারণ নিজেদের আত্ম সুরক্ষার জন্য এটা মাস্ট বি জরুরি।তাই সে একটি ফাইট ক্লাব খুলেছে যেখানে সে মেয়েদের কে আত্ম সুরক্ষার জন্য ট্রেন করে।সে কাউকে সহজে বিশ্বাস করে না।তাই তার বিশ্বাস অর্জন করতে সবার বেগ পেতে হয়।<br />কেনো সহজে কাউকে বিশ্বাস করে না।এর ও এক কারণ আছে।আর তার বাবার নাম সামির চৌধুরী।ফর্সা তার গায়ের রঙ,বলিষ্ঠ দেহের ব্যাক্তি বয়স হলেও তাকে দেখে বুঝা যায় না তার তিন ছেলে মেয়ে।বয়স এবার ষাট এর কাটগোড়ায় আর মার নাম সায়রা জাহান চৌধুরী।<br />তিনি ও দেখতে অত্যাধিক সুন্দর ডাগর ডাগর চোখ।তার এখনো বয়সের ছাপ পরে নি।তাকে দেখলে বলবে কোনো গ্রিক দেবী(এই গ্রিক দেবী বলতে বাস্তবে কিছুই নাই)।<br />আর তারা দুই বোন এক ভাই।তার ভাই বড়,সে মেজো ওর পড়ে তার ছোটো বোন।সিয়ানার ভাইয়ের নাম আশিক চৌধুরী সিয়ান।ছোটো বোনের নাম রুহি চৌধুরী টিয়া।<br />ও তার বাবার মতো দেখতে সুন্দর এখন থেকেই তার জন্য অনেক প্রস্তাব এসেছে বিয়ের কিন্তু তার বাবার এক কথা আমার মেয়েকে পড়া লেখা করিয়ে ভালো ভাবে প্রতিষ্ঠিত করে তার বিয়ে দিবো যেমন আমার বড় মেয়েকে বিয়ে দিবো তার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর।<br />সিয়ানার বড় ভাই এত বছর পড়া লেখার সূত্রে বাহিরে ছিল এবার দেশে ফিরে বাবার ব্যবসার হাল ধরবে আর ছোটো বোন এবার ইন্টার ফার্স্ট ইয়ার এ উঠেছে।<br />হাইট পাঁচ ফুট।সে তার বড় বোনের মতই নাচ গান আর ফাইটিং এ এক্সপার্ট।তার বড় বোন ওই তাকে শিখিয়েছে।<br />,<br />,<br />মাত্র মিসেস চৌধুরীর রান্না শেষ হয়েছে সে উপরে যাওয়ার আগে শেফ কে বলে,,<br />-“আমি উপরে যাচ্ছি,,তুমি এগুলো টেবিল এ সাজিয়ে দেও।<br />এই বলে যখন সে উপরে যাবে তখন ডোর বেল এর আওয়াজ আসে।একজন স্টাফ গিয়ে দরজা খুলে দেয়।স্টাফ দেখে এই বাড়ির কর্তা মিস্টার সামির চৌধুরী এসেছে আর তার সাথে একটা লম্বা দেখতে ছেলেও এসেছে।তাদের দুই জন কে ভিতরে ঢুকতে দেয়।<br />দুই জন ঢুকে দেখে হল রুম এ মিসেস চৌধুরী দাঁড়িয়ে আছে।তার চোখে পানি।তারা দুই জন ওই তার কাছে আসে।আর তার পিছে আসে আরো দুই টা ছেলে।<br />এই বাড়ির বড়ো ছেলে আশিক চৌধুরী সিয়ান এসেছে।সে তার মাকে এসে জরিয়ে ধরে।<br />নিজের ছেলেকে এত বছর পর কাছে পেয়ে মিসেস চৌধুরী কেঁদে দেন।তার মাকে কাঁদতে তে দেখে সিয়ান বলে,,,<br />-“মা এভাবে কাঁদছ কেনো।<br />মিসেস চৌধুরী কেঁদে কেঁদে বলে,,,<br />-“কত বছর পর তোকে দেখলাম বাবা।<br />মার কথায় আশিক বলে,,<br />-“মাত্র সাত বছরের জন্যই তো বাহিরে গেছিলাম।<br />মিসেস চৌধুরী ছেলেকে ছেড়ে তার কান মলে দিয়ে বলে,,,<br />-“তোর কাছে কম লাগলেও আমার কাছে সাত বছর সাত<br />যুগ লেগেছে।আর কত টা শুকিয়ে গেছিস দেখেছিস।<br />আশিক তার মার কথায় হেসে দেয়।সে নাকি শুকিয়ে গেছে।<br />পিছনে সেই দুই টা ছেলেও হেসে দেয়।আশিক দেখতে তার মার মতো সুন্দর যে একবার দেখবে তাকিয়ে থাকবে প্রথম দেখায় প্রেমে পড়ার মতো।<br />তার হাইট ছয় ফুট দুই ইঞ্চির মতো।জিম করা বডি।তখন আশিক বলে,,,,<br />-“আমার দুই বোন কোথায় তাদের কে দেখছিনা।<br />তখনই তার সিড়ির কাছ থেকে কারো মধুর গলার<br />আওয়াজ আসে।<br />-“ভাইয়া”<br />সবাই সেইদিকে তাকায় দেখে যে সাদা কালার ড্রেস এ একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে।মেয়েটি ধীর পায়ে তখন তাদের কাছেই আসছে।সে এসে তার ভাই কে জরিয়ে ধরে আর বলে,,,<br />-“ভাইয়া তুমি এসেছো।<br />-“হুম।<br />তখন তার পিছনে থাকা দুই ছেলে বলে,,<br />-“আশিক এটাই কি তোর সেই বাঁদরের মতো দেখতে<br />ছোটো বোন।<br />তাদের দুই জন এর কথা শুনে তারা সবাই তাদের দিকে তাকায়।তখন আশিক এর মা বলে,,<br />-“আশিক এরা দুই জন কারা।<br />তখন আশিক বলে,<br />-“মা এরা দুই জন আমার ফ্রেন্ড একজনের নাম হৃদয় খান।আরেকজন নাম দিয়ান রহমান।<br />হৃদয় আর দিয়ান এর সাথে আশিক এর ইংল্যান্ড এর কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি তে দেখা হয়েছে।দুই জন ওই এই দেশে থাকে।<br />তাই পড়া লেখা শেষ এ একই সাথে দেশে এসেছে।আর তারা পণ করেছে তারা আশিক এর বাড়িতে বেড়াবে।তাই যে ভাবা সেই কাজ।চলে এসেছে তারা।<br />তাদের তিন জন এর হাইট প্রায় সেম।জাস্ট গায়ের রং আলাদা।হৃদয় দেখতে উজ্জ্বল ফর্সা আর দিয়ান দেখতে মোটামোটি সুন্দর না বেশি সুন্দর না বেশি শ্যামলা।<br />তাদের প্রত্যেক এর মুখের আকার একটু বেশি সুন্দর।<br />তখন রুহি বলে,,<br />-“এই বাদর কাকে বলেন।<br />তখন হৃদয় বলে,,<br />-“কেনো তোমাকে বাই দ্যা ওয়ে তুমি আশিক এর ছোটো বোন রিদ্দিমা।<br />রুহি অবাক হয়ে বলে,<br />-“রিদ্দিমা।<br />তখন আশিক বলে,,<br />-“হুম রিদ্দিমা।<br />রিদ্দিমা নাম শুনে তার মা মাথায় হাত দেয় আর বলে,,<br />-“আয় হায় ভুলেই গেলাম।তোরা গিয়ে ফ্রেশ হ আমি উপরে যাই গিয়ে।আর শুনো বাবারা তোমরা আপাততঃ আশিক এর রুম এ ফ্রেশ হও আমি তোমাদের জন্য গেস্ট রুম এর ব্যবস্থা করছি।<br />এই বলে তিনি উপরে চলে যাওয়ার আগে স্টাফ কে বলে যায় তাদের জন্য গেস্ট রুম রেডি করতে।আর তখন রুহি বলে,,<br />-“আমি রিদ্দিমা না কি কে রিদ্দিমা সেটা নিচে এসে জানতে পারবেন আপনারা এখন উপরে জান গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিচে খেতে আসুন।ভাইয়া তুমিও যাও।<br />এই সে ডাইনিং টেবিল এর কাছে চলে যায়।তারা তার যাওয়ার দিকে চেয়ে থাকে।তারপর তারাও উপরে চলে যায়।আর মিস্টার চৌধুরীও ততক্ষণে ফ্রেশ হয়ে ডাইনিং টেবিল এ চলে এসেছে।তারা তিন জন উপরে যেতে যেতে বলে,,<br />হৃদয়:আশিক শুন এইটা কি তোর সেই বাদর বোন।<br />আশিক:হুম ওই আমার সেই বাদর বোন।<br />দিয়ান:বাট ছবি তে যা দেখলাম একটুও মিললো না তো।আগে একটু শ্যাম বর্ণের ছিল এখন এতো সুন্দরী কি করে হলো।<br />এগুলো বলতে বলতে তারা রুম এ চলে যায়।রুম এ ব্যাগ রেখে একেক জন ফ্রেশ হয়ে নিচে চলে যায়।<br />,,,,,,,<br />আর এই দিকে সিয়ানা কে তার মা জাগানোর চেষ্টা করছে।কিন্তু এই মেয়ের উঠার নাম ও নেই।<br />-“কিরে তুই এখনও পর্যন্ত ঘুম থেকে উঠছিস না।<br />সিয়ানা ঘুম ঘুম কন্ঠে বলে,,,<br />-“আম্মু আরেকটু ঘুমাই না।এমন কেনো করছো।<br />সিয়ার কথা শুনে মিসেস সায়রা বলেন,,,<br />-“তোর না আজকে ভার্সিটি আছে।কখন যাবি তুই।<br />ব্যাস এই একটাই কথা ছিল সিয়াকে ঘুম থেকে তুলার জন্য।<br />সিয়া শোয়া থেকে উঠে বসে আর বলে,,,<br />-“হায় হায় কি বলো এগুলো।কয়টা বাজে লেট হয়ে গেলে আমি শেষ।<br />মেয়ের কথা শুনে মিসেস সায়রা বলেন,,,<br />-“কখন থেকে তকে ডাকছি তোর তো উঠার কোনো নাম গন্ধ নেই।এখন কথা না বাড়িয়ে ফ্রেশ হয়ে রেডি হয়ে নে।<br />আমি খাবার বেড়ে দিচ্ছি।আর আজকে তোকে খেয়েই যেতে হবে।আজকে তোর বড় ভাই এসেছে দেশে আর তার সাথে তার ফ্রেন্ড ও এসেছে দুই জন।<br />-“আচ্ছা ঠিক আছে।<br />তারপর মিসেস সায়রা সিয়ানাকে বকতে বকতে রুম থেকে বের হয়ে যান।<br />আর সিয়ানা বসে না থেকে ওয়াশরুম এ চলে যাই ফ্রেশ হতে।ফ্রেশ হয়ে রেডি হয়ে নেয়।<br />আজকে সিয়ানা কালো আর লাল কালার এর একটা লং টপস আর জিন্স প্যান্ট পরে নেয় আর টপস এর উপরে সেম কালারের হিজাব বেধে নেয়।সিয়ানার মেকআপ পছন্দ না।<br />তার মতে মেকআপ করলে মানুষ এর আসল সৌন্দর্য ঢেকে থাকে যার কারণে সে মেকআপ করে না তেমন কোনো ফাংশন ছাড়া।<br />সিয়ানা যাস্ট ঠোঁটে রেড কালার লিপস্টিক লাগিয়ে নেয়।তারপর সে নিচে চলে যায়।সিড়ি দিয়ে নামতে ডাইনিং টেবিল এ নজর যায়।<br />তার সেখানে তিন জন ছেলে বসে আছে।এর মধ্যে কে তার ভাই সেটা দেখতেই বুঝে যায়।তারপর সে সেখানে চলে যায়।<br />ডাইনিং এরিয়া,,,<br />ডাইনিং টেবিল এ আশিক, হৃদয়, দিয়ান যে যার চেয়ারে বসে আছে।প্রথমে আশিক তার পর হৃদয় তার পরে দিয়ান বসেছে।তারা রুহির সাথে কথা বলছে,,<br />হৃদয় বলে,,<br />-“তো মিস রিদ্দিমা এখন আপনি কোন ক্লাস এ পড়েন।<br />রুহি তার কথায় হেসে দেয় আর বলে,,,<br />-“আমি কোন ক্লাস এ পড়ি সেটা ম্যাটার করে না।আপনি রিদ্দিমাকে বাদর বলেছেন এটার ফল কি হবে ভেবে দেখেছেন।<br />আসলে রুহি সিয়ানাকে আসতে দেখে ছিল।তাই এই কথা বলেছে।<br />তখন দিয়ান বলে,,<br />-“না গো ভেবে দেখিনি,,তা কি হবে।<br />তাদের কথার মাঝেই আশিক এর মাথায় কে যেনো চাটা মারে।সাথে আশিক চিৎকার দেয়।আর বলে,,,<br />-“কে রে আমাকে মারে।<br />তারা তিন জন পিছনে তাকায় তাকিয়ে এত সুন্দরী একটা মেয়েকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে টাশকি খায়।আর ওই দিকে এদের এই অবস্থা দেখে আর এর পরে কি হবে সেটা ভেবে হাসতে থাকে রুহি।সবাই চুপ হয়ে রয়েছে।তাদের মা বাবা ও চুপ হয়ে আছে তাদের বড় মেয়ের রাগান্বিত চেহারা দেখে।একের পর এক শুষ্ক ঢোক গিলছে।<br />হৃদয় নিরবতা ভেঙে বলে,,,<br />-“তুমি কে গো সুন্দরী।তোমার রূপ দেখে তো আমার চোখ ঝলসে গেলো।<br />সিয়ানা তাদের দিকে একবার তাকিয়ে তার জন্য বরাদ্দ কৃত চেয়ারে বসে পরে।তখন তাকে রুহি ভেবে আশিক গম্ভীর স্বরে বলে,,<br />-“কিরে রুহি বড়রা এখানে বসে আছে তোর আক্কেল জ্ঞান নেই কোনো সালাম না দিয়ে বসে পরলি।তোর বড় বোন কে দেখ আমরা আসার পর কত সুন্দর করে কথা বলছে আর তুই আগে তো তুই এমন ছিলি না।<br />তখন সিয়া রাশ ভারী আওয়াজে বলে,,,<br />-“কেমন ছিলাম?<br />তার এমন গলা শুনে তারা তারি আরেক দফা টাশকি খায়।আশিক বলে,,<br />-“গলার স্বর ঠিক কর।এভাবে কথা বলছিস কেনো যেনো তুই সিয়ানা আর ও রুহি।<br />আর কিছু বলবে তার আগেই দিয়া এসে হাজির।দরজা খোলা পেয়ে সে ঢুকে পড়েছে।দিয়া এসে সবার উদ্দেশ্যে বলে,,,<br />-“হ্যালো এভরিওয়ান।কেমন আছো তোমরা।<br />রুহি আর আশিক বলে,,<br />-“ভালো।<br />তাদের দুই জনকে দেখে বাকি দুই জন ও বলে,,<br />-“ভালো।<br />তারপর দিয়া গিয়ে সিয়ার পাশে যায়।আর চেয়ার টেনে বসে পরে।আর সিয়ার দিকে তাকিয়ে দেখে সিয়া রেগে আছে।আর রুহি ঠোঁট চেপে হাসছে।তাই রুহিকে বলে,,<br />-“কিরে তুই হাসাচ্ছিস কেন?আর ওর কি হয়েছে এমন রেগে আছে কেন?<br />রুহি বলে,,<br />-“একটু পর বুঝবা তুমি।<br />রুহিকে তুমি করে বলতে শুনে আশিক বলে,,<br />-“কিরে রিদ্দিমা তুই তোর ফ্রেন্ড কে তুমি করে বলছিস কেন?<br />রুহিকে রিদ্দিমা বলতে শুনে দিয়া অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে।<br />আর বলে,,,<br />-“আপনি তাহলে সিয়ানার বড় ভাই সিয়ান।<br />আশিক জবাবে বলে,,,<br />-“হুম।আর তুমি দিয়া তাই না।<br />দিয়া জবাবে বলে,,,<br />-“হুম,,আমি দিয়া।আপনি আমাকে চিনতে পেরেছেন কিন্তু আপনি আপনার বোনে দের মধ্যে গুলিয়ে ফেলছেন।<br />আশিক হতবম্ব হয়ে বলে,,,<br />-“মানে?<br />-“মানে হলো আপনি কাকে কার নাম দিচ্ছেন।<br />-“মানে কাকে কার নাম দিচ্ছি।বলতে কি বুঝাতে চাচ্ছো।<br />-“আমি এটা বুঝাতে চাচ্ছি যে এ হলো তার (পাশে দেখিয়ে) রিদ্,,,,,<br />-“রিদ্দিমা।<br />দিয়ার মুখের কথা ছিনিয়ে সিয়ানা রাশ ভারী কন্ঠে বলে উঠে।<br />-“আমি সিয়ানা চৌধুরী রিদ্দিমা।আর আমার পাশে যে বসে আছে সে হলো আমার ছোটো বোন রুহি চৌধুরী টিয়া।<br />সিয়ানার কথা শুনে তারা তিন জন আকাশ থেকে পড়লো।তারা ভাবছে তারা এই কি করলো কার নাম কাকে দিবে।<br />তখনি সিয়া উঠে দাঁড়ায় তাকে উঠে দাঁড়াতে দেখে তার মা বলে,,,<br />-“কিরে কোথায় যাচ্ছিস।<br />সিয়া রাশ ভারী আওয়াজে বলে,,,<br />-“ভার্সিটি।<br />এই টুকু বলে সে চলে যেতে নিবে তখন তার মার গলার আওয়াজ আসে,,,<br />-“খেয়ে যা।<br />তখনই সিয়া বলে,,<br />-“খিদে নেই।আর খিদে লাগলেও ক্যান্টিন থেকে খেয়ে নিব।<br />আর চলে যেতে নিবে তার আগে রুহিকে উদ্দেশ্যে করে বলে,,,<br />-“তোর কলেজ নাই।<br />রুহি জবাবে না বলে।সিয়া আবারো বলে,,<br />-“তাহলে এই তিন টার উপরে নজর রাখবি এই তিনজন যাতে বাড়ির বাহিরে না যেতে পারে।এদের খবর আমি এসে নিবো।<br />রুহি আবারো মাথা নাড়ায়।এরপর সিয়া চলে যায়।আর যাওয়ার আগে তিন জনের দিকে তাকাতে ভুলে না।সিয়ার সাথে দিয়াও চলে যায়।তাদের চলে যাওয়ার পর রুহি হু হু করে হাসতে থাকে।তারপর সে বলে,,,,<br />-“কি হলো ভাইয়া কথা বন্ধ হয়ে গেছে।এখন থেকে যা বলবে সাবধানে বলবে।<br />রুহির কথা শুনে আশিক বলে,,<br />-“তুই যে রুহি আগে কেন বলিস নি।এখন কি হবে।<br />-“বলি নাই।এখন যা হবে সব আপুর মর্জিতে হবে।এখন খাওয়ায় মন দেও।<br />এই বলে সে খাওয়ায় মন দেয় তার সাথে সবাই খাওয়ায় মন দেয়।<br />,<br />,<br />,<br />,<br />অন্য দিকে…..<br />আগন্তুক :মাই প্রিন্সেস।হোয়ার আর ইউ। কাম টু মি কুইকলি।আমি আর অপেক্ষা করতে পারছি না।আমি পারছি না তোমাকে ছাড়া থাকতে।আমি তোমাকে আমার সোনার খাঁচায় বন্ধি করতে চাই।<br />আগন্তুক এই কথা বলার সময় তাঁর মুখে লেগে ছিল এক রহস্যময় হাসি।সে বড় একটি পেন্টিং এর সামনে দাঁড়িয়ে কথা গুলো বলছিল।এই পেন্টিং টা কার ছিল।এই অজানা ব্যক্তিটার সাথে তার কি সম্পর্ক রয়েছে।তা গল্পের মাধ্যমে জানা যাবে।<br />আগন্তুক হচ্ছে গল্পের নায়ক। তার নাম রিয়ন কার্লেন।দেখতে অনেক আকর্ষণীয় সুন্দর।তার চোখ দুটো ছোটো ছোটো আর মনি দুটো হ্যাজেল কালার এর।চুলগুলো বাদামী কালার।<br />দেখতে যেমন সুন্দর আবার ভয়ঙ্কর ও আছে।আর রাগী ও একরোখা গোমরামুখো টাইপের।তার বসবাস হচ্ছে সুদূর ইংল্যান্ড এর লন্ডন শহরে।প্রচুর নাম ডাক আছে তার।<br />নামকরা টপ টেন বিজনেস ম্যানদের মধ্যে অন্যতম।সবাই জানে সে একজন রাগী আর বদমেজাজী টাইপের।তার বয়স সম্পর্কে কারো সঠিক কোনো ধারণা নেই।<br />ফ্যামিলিতে কে কে আছে তা জানা যায় না।আসলে সেই তার পার্সোনাল জীবন সম্পর্কে কারো কাছে বলে না।তাকে আজ পর্যন্ত কেউ দেখেনি।কারণ সে তার ফেস রিভিল করতো না।আর ভীতরে রয়েছে হাজারো রহস্য যা সম্পর্কে কেউ অবগত নন।কি আছে রিয়ন এর মাঝে তা আমরা পরে জানতে পারবো।<br />এদিকে সিয়ানা আর দিয়া পৌঁছে গেছে তাদের গন্তব্য। আজকে তার ফাস্ট ডে ভার্সিটি তে।দিয়া খুশির ঠেলায় বলে,,,<br />-“আহ কি আনন্দ যে হচ্ছে আমার বলে বুঝাতে পারবো না। সে আর কিছুই বলতে পারলো না তার আগে সিয়া বলে,,,<br />-“বাকিরা কোথায়।<br />-“জানিনা এখনো আসছে না কেনো।বলতে পারব না।<br />দিয়ার কথা শুনে সিয়া বাকি সবাই কে কল দিতে যাবে তখন বাকিরা এসে হাজির।<br />সবাই এসে সিয়া আর দিয়া কে বলতে থাকে,,,<br />-“এই রে সরি রে একটু লেট হয়ে গেল।<br />সিয়ানা তাদের কথা শুনে বলে,,,<br />-“একটু লেট হয়েছে তোদের।কখন থেকে এসে দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু তোদের আসার নাম গন্ধ টুকু নেই।<br />রিমি বলে,,,<br />-“এই সরি রে দোস্ত। আর কখনো এত লেট হবে না।<br />সিয়ানা জবাবে বলে,,,,,<br />-“হুম।ওকে এটাই ফাস্ট এন্ড লাস্ট কিন্তু।<br />সবাই একসাথে ওকে বলে<br />ভাবছেন এর হয়তো এরা কারা।এরা হচ্ছে সিয়ানার ছোটো বেলার সঙ্গি।দিয়া, আরিফ, মামুন, সাঈম, রিমি, সাইফ আর সিয়ানা এটা ওদের ৭ জনের গ্রুপ। ছোটো বেলা থেকেই তারা একে অপরের সাথে রয়েছে কেউ কারো থেকে আলাদা হয় নাই।একজন আরেকজনের জীবন বলতে গেলে,,,প্রাণ ভমরা।<br />তারপর সিয়ানা বলে,,,<br />-“এখন চল অনেকটা লেট হয়ে গেছে।<br />সিয়ার কথায় সবাই ক্লাস এ চলে যায়।<br />তাদের প্রত্যেকটা ক্লাস ওই ভালো ভাবে কেটেছে।ক্লাস শেষ হওয়ার পর তারা আড্ডা দিতে থাকে।দিয়া বলে,,,<br />-“সিয়া শুন।আজকে যা হলো তারা যে তোকে এই ভাবে বললো তুই এর পর কি করবি তাদের সাথে।<br />তারপর সিয়া বলে,,,<br />-“স্পেশাল খাতির দারি করব।<br />তারা আর কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে যে যার বাসায় চলে যায়।<br />সিয়ানা গাড়ি নিয়ে বাসায় ঢুকে।গেরেজ এ গাড়ি রেখে বাড়ি ঢুকে পড়ে।<br />তখন বেলা বারোটা বাজে।<br />সিয়া ঘরে প্রবেশ করে দেখতে পায় তারা সবাই হল রুম এ বসে আছে।সিয়া উপরে যাওয়ার সময় একবার তাদের দিকে তাকায়।তখন তার মা তাকে ডেকে বলে,,,<br />-“সিয়া,আজকে তোর প্রথম দিন কেমন কাটলো।<br />সিয়ানা জবাবে ছোটো করে বলে,,<br />-“ভালো।<br />মিসেস সায়রা আবার বলে,,,<br />-“ভালো হলেই ভালো।এখন যা গোসল করে নে।তারপর খেতে আয়।<br />সিয়ানা:আচ্ছা আম্মু।<br />সিয়ানা যাওয়ার আগে তাদের তিন জন কে বলে তার রুম এ যেতে।<br />-“তোমরা তিন জন বিশ মিনিট পর আমার রুম এ যাবে।একটুও দেরি যাতে না হয়।নাহলে এর ফল কিন্তু ভালো হবে না।<br />এই বলে সে উপরে চলে যায়।বিশ মিনিট পর তারা রুম এ যায় গিয়ে তারা ভয় পেয়ে যায়।সিয়ার রুম দেখে।পুরো বাড়ি সাদা নীল কালার এর হলেও তার রুম ছিল কালো আর লাল কালার এর তার রুম এ ঢুকার জন্য পাসওয়ার্ড লাগে।<br />আর তার রুমে আধুনিক সব জিনিস পত্র।আধুনিক নাকি মায়াবী তারা বুঝতে পারলো না।আসার সময় আশিক কে তার মা সিয়ার রুম এর পাসওয়ার্ড বলে ছিল।তাই ঢুকতে অসুবিধা হয় নাই।তখন তাদের কাছে সিয়ার গুরু গম্ভীর আওয়াজ কানে আসে,,,<br />-“দাঁড়িয়ে থাকবে নাকি বসবে।<br />তারা তাড়াতাড়ি করে বসে পরে সোফায় তার।সিয়ার রুম টা আশিক এর রুম এর থেকেও বড় ছিল।তার রুম এর সাথে বারান্দা আছে।বারান্দা তো নয় যেনো জিমনেশিয়াম।তারা বসতেই সিয়া বলে,,,<br />-“তোমরা সব মেয়েদের সাথেই এমন ব্যবহার করো।<br />হৃদয় ঘাবড়ে বলে,,,<br />-“নাহ।<br />-“নাহ।<br />সিয়ার ভয়েস টুন শুনে তারা আরো ঘাবড়ে যায়।<br />-“নাহ মানে মাঝে মধ্যে।<br />-“মাঝে মধ্যে।<br />এবার তারা আর নিতে না পেরে।সিয়ার পা ধরে বলে,,,<br />-“ক্ষমা চাই বইন।ক্ষমা করি দেও।(হৃদয়)<br />-“প্লিজ আমাদের ক্ষমা করি দে।(আশিক)<br />-“ক্ষমা” তোদের কি মনে হয় ক্ষমা চাইলে আমি ক্ষমা করে<br />দেবো।শুনে রাখ আমার ডিক্সেনারিতে ফরগিভ নামের<br />কোনো ওয়ার্ড নেই।(সিয়ানা)<br />সিয়ানা আবার বলে,,,<br />-“মিস্টার হৃদয় খান হৃদ।খান ইন্ডাস্ট্রির ওনার সিয়াম খানের ছোটো ছেলে।আহিয়ান খানের ছোটো ভাই আর রায়হান খানের গ্র্যান্ডসান আপনি কি বলবেন। কোনো মেয়েকে দেখে কাব্যিক ভাবে ফ্লার্টিং করা এটা কথা থেকে শিখেছেন।আমি যতোটুকু চিনি আপনার ফ্যামিলি তে কেউ এমন নয়।তাহলে আপনি এরকম হলেন কি করে।আন্সার মি।<br />সিয়ার কথা শুনে দিয়ান হৃদয় কে বলে,,,<br />-“এই রে হৃদ এই মেয়ে তো তোর পুরো কুন্ডলি বলে দিলো তোর নাম কি বাপের নাম কি কয় ভাই বোন সব বলে দিলো।<br />-“শুধু মিস্টার খানের নয় আপনার ও বায়োডাটা আছে আমার কাছে মিস্টার রোদ রহমান এর একমাত্র পুত্র।আমার ফ্রেন্ড এর একমাত্র ভাই যে কিনা কথার ছোটে নিজের বোনকে দেখতেও ভুলে গেছে।<br />সিয়ার কথা শুনে দিয়ান অবাক কন্ঠে সুধায়,,<br />-“আমার ছোটো বোন।<br />-“হুম আপনার ছোটো বোন দিয়া রহমান।কয়েক ঘন্টা আগে যে এসেছিল।<br />-“কিইইইই।<br />দিয়ান চিৎকার করে উঠে।দিয়ানের চিৎকার শুনে সিয়া ধমক দিয়ে বলে,,,<br />-“চুপ,,এক দম চুপ আর এক টা কথাও না।এখন আমার রুম থেকে বের হ সব কয়েটা।<br />সিয়ার ধমক খেয়ে তিন জন চলে যায় নিচে।এরপর সিয়া ও নিচে আসে খাবার খেতে।ডাইনিং টেবিল এ সবাই শান্ত ছিল কেউ কিছু বলে নাই।খাবার খাওয়া শেষে যে যার রুম এ চলে যায়।ঘুমানোর জন্য।<br />,<br />,<br />,<br />,<br />অন্যদিকে………<br />কার্লেন প্যালেস,,,<br />রিয়ন:কাজ শেষ হয়েছে।<br />এসিস্টেন:হুম স্যার হয়েছে।আর মাত্র কিছুদিন তারপর মেম আপনার কাছে চলে আসবে।<br />রিয়ন:গুড।এখন তুমি যেতে পারো।<br />এসিস্টেন:ওকে।<br />তারপর তার এসিস্টেন সেখান থেকে চলে যায়। এখানে রিয়ন হাতে একটা গ্লাস নিয়ে দাড়িয়ে আছে তার কেবিনে। এই গ্লাস টাতে লাল কালার এর তরল জিনিস রয়েছে যা সে পান করছে।আর বলছে,,,<br />-“আর কিছু দিন তার পর তুমি আমার কাছে আসবে।সব ব্যবস্থা হয়ে গেছে মেরি জান।<br />চলবে,,,,<br />নোট:এই গল্প টা আমি আরো আগেও দিয়েছিলাম।যখন আমি প্রথম লেখা শুরু করি।তখন এই গল্প টা দিয়ে শুরু করি।কিন্তু ফোন নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে আর দিতে পারি নাই।যখন নতুন ফোন হাতে আসলো তখন ভাবলাম এটা দেওয়া স্টার্ট করব কিন্তু পরে ভাবি এখন এটা কে পরবে।তাই আর দেই নাই।তাই ভাবলাম এটার বদলে আমি অন্য কোনো গল্প লেখি তাই মন মাতাল গল্প টা দেওয়া শুরু করলাম।এখন এই গল্প টা আমি আবার দিলাম আগের পর্ব গুলো থেকে এগুলো ভিন্ন হবে অনেকটা চেঞ্জ করে ও দিয়েছি।কিন্তু প্লট একই থাকবে।এখন আপনাদের মতামত চাচ্ছি দুই টা কি একসাথে চলবে নাকি একটা বন্ধ রেখে তারপর দিবো।তারপর সেটা শেষ হলে এটা দিবো।হ্যাপি রিডিং&#x1f60a;<br />। </p>]]></content:encoded>
						                            <category domain="https://xgossip.fun/community/"></category>                        <dc:creator>writer: Jafrin Jerin</dc:creator>
                        <guid isPermaLink="true">https://xgossip.fun/community/romantic-stories/story-there-is-someonewriter-jafrin-jerin/</guid>
                    </item>
							        </channel>
        </rss>
		