মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) -
Bad Boy - 09-14-2026
01
পাঠকদের সুবিধার্থে প্রথমেই পরিবারের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি দেয়া হলো-
আমি সৌরভ রায় , আমার মা সীমা রায় , আমার বাবা সুজন রায় এবং আমার বড় ভাইয়ের নাম সোহাগ রায় আর আমার সবচেয়ে আদরের কুর্তি বোনটার নাম সীতা।
এটি একটি মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারের প্রতিদিনের দৃশ্যপট আর তার আড়ালে থাকা কিছু একান্ত ব্যক্তিগত অনুভূতির ছোঁয়া নিয়েই আমার গল্পের শুরু -
রায় পরিবারের এক চিলতে রোদ:
------------------------------
আমাদের ড্রয়িংরুমে বসে থাকলে মনে হয় জীবনটা একটা জ্যামিতিক ছকে বাঁধা। বাবা সুজন রায় হাই কলেজের গণিত শিক্ষক, তাই সবকিছুর মধ্যেই তিনি নিখুঁত সমীকরণ খোঁজেন। তার মেজাজটা সাধারণত x + y এর কঠিন কোনো সমাধান না মেলার মতোই চড়া থাকে। তবে আজ ছুটির বিকেলে সোফায় বসে যখন তিনি খবরের কাগজ পড়ছেন, তখন তার মেজাজে একটা অদ্ভুত শিথিলতা।
বাবা বেশ স্থূল শরীরের মানুষ, যার জন্য মা প্রায়ই মৃদু স্বরে অনুযোগ করেন। মা সীমা রায়ের বয়স ৪১ হলেও তাকে দেখলে যে কেউ ভুল করবে। তার শারীরিক গঠন তাকে এখনো অনেক তরুণীদের চেয়েও আকর্ষণীয় করে রেখেছে। ছিপছিপে কোমরের নিচে তার সুগঠিত নিতম্ব আর তলপেটের সামান্য মেদ তাকে এক ধরণের পূর্ণতা দেয়। মা যখন রান্নাঘর থেকে চা নিয়ে ঘরে ঢোকেন, তার গায়ের সেই পরিচিত ঘ্রাণ আর চলনবলন আমাকে অন্য এক জগতে নিয়ে যায়।
বিকেলের আড্ডা ও কিছু খুনসুটি:
------------------------------
বড় ভাই সোহাগ আজ বাসায় আছে। প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির চাপ আর টিউশনি সামলে সে ক্লান্ত। সে মায়ের হাতের চায়ে চুমুক দিয়ে বলল,
"মা, তোমার হাতের চা না খেলে মনে হয় দিনটাই শুরু হলো না।"
মা একটু হেসে বললেন, "আর কয়েকদিন পর যখন চাকরি করে বাইরে থাকবি, তখন কি আর এই বুড়ি মায়ের কথা মনে পড়বে?"
আমি সোফার এক কোণ থেকে মায়ের দিকে তাকালাম। আমার মনে মনে হলো, মাকে 'বুড়ি' বলাটা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মিথ্যা। একাদশ শ্রেণীতে পড়া ১৯ বছরের এক কিশোর হিসেবে আমার চোখ যখন মায়ের অবয়বে পড়ে, তখন কেবল মমতা নয়, এক ধরণের গভীর ভালো লাগা আর মুগ্ধতা কাজ করে। তার উন্নত বক্ষ আর সযত্নে লালিত শরীরের প্রতিটি ভাঁজ যেন কোনো শিল্পীর নিপুণ তুলিতে আঁকা। তাকে দেখে আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, তিনি কেবল আমার মা নন, তিনি এক চিরন্তনী নারী।
ছোট বোন সীতার প্রবেশ
সবচেয়ে আদরের ছোট বোন সীতা দৌড়ে এসে বাবার কোলে ঝাঁপিয়ে পড়ল।
"বাবা, সৌরভ দা আমার জ্যামিতি বক্সটা নিয়ে নিয়েছে!"
বাবা চশমার ওপর দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে ধমকের স্বরে বললেন, "কিরে সৌরভ, অংকের জিনিস নিয়ে কেন নাড়াচাড়া করিস? যা, ওটা ফেরত দিয়ে আয়।"
মা হাসিমুখে সীতাকে কাছে টেনে নিলেন। মা যখন সীতাকে আদর করছিলেন, তখন তার খোলা পিঠের ওপর ছড়িয়ে থাকা কালো চুলের বাহার আর তার শরীরের নমনীয়তা আমার কল্পনায় এক অন্য মাত্রার ছাপ ফেলে যাচ্ছিল। মা হয়তো জানেনও না, তার এই সাধারণ অস্তিত্বই আমার কাছে কতটা রহস্যময় আর মোহনীয়।
আমাদের পরিবারটা এভাবেই চলে। চড়া মেজাজের বাবা, দায়িত্বশীল বড় ভাই, আদুরে বোন আর তার মাঝে কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা আমার সুন্দরী মা—যিনি একই সাথে মমতাময়ী জননী এবং আমার কিশোর মনের একান্ত ভাবনার এক মানসী।
এবার আসুন, আপনাদেরকে বলি কবে থেকে মায়ের প্রতি আমার এই ভাবনার পরিবর্তন হয়েছে।
সেই অমোঘ মুহূর্তের স্মৃতি
পরিবারের সবার মাঝে থেকেও আমার মনে সেই দিনটির ছবি একদম গেঁথে আছে। ঘটনাটা ছিল খুব সাধারণ, কিন্তু আমার ১৯ বছরের কিশোর মনে তা এক আমূল পরিবর্তন এনে দিয়েছিল। সেদিন বাড়িতে বাবা আর সোহাগ দা কেউই ছিল না।
মা গোসল সেরে বাথরুম থেকে বের হচ্ছিলেন। হয়তো ভেবেছিলেন ঘরে কেউ নেই, তাই খুব একটা সাবধানতা অবলম্বন করেননি। পরনে ছিল শুধু কালো রঙের একটি অন্তর্বাস (ব্রা) আর সাদাটে একটা পাতলা সুতির পাজামা। বাথরুমের ভ্যাপসা গরমে আর গোসলের পানিতে মায়ের শরীরটা তখনো বিন্দু বিন্দু ঘামে ভেজা।
হঠাৎ আমি যখন তার সামনে পড়লাম, আমাদের চার চোখ এক হলো। মা কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে থমকে দাঁড়ালেন। কিন্তু সেই কয়েক সেকেন্ডে আমার চোখের সামনে যে দৃশ্যটি ভেসে উঠল, তা আমি কোনোদিন ভুলতে পারব না।
///এক মায়াবী রূপের হাতছানি:///
দৃষ্টির কেন্দ্রবিন্দু: ভেজা চুলের জল গড়িয়ে পড়ছিল তার সুপুষ্ট স্তন যুগলের খাঁজে। অন্তর্বাসের ওপর দিয়ে ফুটে ওঠা সেই বাঁধন না মানা অবয়ব আমাকে প্রথমবারের মতো বুঝিয়ে দিয়েছিল মা কতটা মোহময়ী।
কোমরের ভাঁজ: তার হালকা মেদযুক্ত কোমরের সেই গভীরতা, যা পাজামার বাঁধনের ওপর দিয়ে এক ধরণের নমনীয়তা তৈরি করেছিল, তা ছিল অবিশ্বাস্য রকমের সুন্দর।
সেই শিহরণ: গোসলের পর শরীরের ভিজে যাওয়া পাজামাটা যখন তার ভারি নিতম্বের (পাছা) সাথে লেপ্টে ছিল, তখন শরীরের প্রতিটি বাঁক একেবারে স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। সেই প্রথম আমার মনে হলো, তিনি কেবল আমাকে শাসন করা বা খাওয়ানো মা নন—তিনি একজন আকর্ষণীয় রমণী, যার শরীর জুড়ে রয়েছে আদিম এক মাদকতা।
মা দ্রুত নিজেকে সামলে নিয়ে ঘরে ঢুকে গেলেন, কিন্তু আমার ভেতরে এক অদ্ভুত আলোড়ন তৈরি হয়ে গেল।
কিছুক্ষণ পর ড্রয়িংরুমে যখন মা স্বাভাবিক হয়ে এলেন, তখন পরিস্থিতির মেজাজটা ছিল কিছুটা অন্যরকম।
মা ঘর থেকে শাড়িটা ঠিকঠাক জড়িয়ে বেরিয়ে এলেন। ভেজা চুলগুলো পিঠের ওপর ছড়ানো, যার কয়েকটা গোছা তার গলার ভাঁজে লেপ্টে আছে। আমি তখন সোফায় বসে বই পড়ার ভান করছিলাম, কিন্তু আমার মনের ভেতর তখনও সেই ব্রা আর পাতলা পাজামায় আবৃত মায়ের কামনাময়ী শরীরের প্রতিচ্ছবিটা ভাসছিল।
মা রান্নাঘরের দিকে যাওয়ার সময় থমকে দাঁড়ালেন। আমার দিকে তাকিয়ে মৃদুস্বরে বললেন,
"সৌরভ, তুই এখনো এখানেই বসে আছিস? কলেজ যাওয়ার প্রস্তুতি নিবি না?"
আমি বই থেকে চোখ না তুলেই বললাম, "নিচ্ছি মা, শরীরটা একটু ম্যাজম্যাজ করছে।"
মা কাছে এগিয়ে এলেন। তার শাড়ির আঁচলটা একটু আলগা হয়ে কাঁধ থেকে নেমে যাচ্ছিল, যা থেকে তার স্তনের উপরিভাগ আর ফর্সা চামড়ার আভা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। মা আমার কপালে হাত রেখে জ্বর দেখার চেষ্টা করলেন। তার হাতের সেই নরম স্পর্শ আর শরীরের সুবাস আমাকে মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ করে দিল।
মা বললেন, "জ্বর তো নেই। তবে মুখটা এমন শুকনো দেখাচ্ছে কেন? কোনো সমস্যা?"
মায়ের চোখের দিকে তাকাতেই আমার মনে হলো, তিনি কি বুঝতে পারছেন আমার চোখের এই অন্যরকম দৃষ্টি? আমি আমতা আমতা করে বললাম, "না মা, এমনি। আসলে ওই যে একটু আগে তোমাকে..."
কথাটা শেষ না করতেই মা একটু লজ্জিত হাসলেন। তার গালের টোল আর ঠোঁটের কোণের সেই হাসি তাকে আরও বেশি সুন্দরী করে তুলল। তিনি নিচু স্বরে বললেন,
"ওসব মনে রাখতে নেই রে পাগল। আমি তো জানতাম না তুই ঘরে আছিস। যা, এখন একটু খেয়ে নে।"
মা যখন ঘুরে রান্নাঘরের দিকে যাচ্ছিলেন, শাড়ির নিচে তার সেই ভারি নিতম্বের দুলুনি আর কোমরের ভাঁজগুলো আমার কিশোর মনের কল্পনাকে আবার উসকে দিচ্ছিল। মা হয়তো তার মাতৃত্বের আড়ালে নিজের নারীত্বকে লুকিয়ে রাখেন, কিন্তু আমার কাছে তিনি এখন কেবল একজন মমতাময়ী মা নন—বরং এক পরম আকাঙ্ক্ষিত রমণী।
বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই বাড়ির আবহাওয়া বদলে গেল। বাবা কলেজ থেকে ফিরে ড্রয়িংরুমে পা ছড়িয়ে বসেছেন, তার মেজাজ যথারীতি সপ্তম আসমানে। সোহাগ ভাই তখনও ফেরেনি, আর সীতা নিজের ঘরে কার্টুন দেখতে ব্যস্ত।
রান্নাঘর থেকে মায়ের গলা ভেসে এল, "সোহাগ, একটু বাজারে যাবি? লবন আর চিনি ফুরিয়ে গেছে।"
সোহাগ ভাই ঘর থেকে চিৎকার করে উত্তর দিল, "মা, এখন পারব না, অনেক টায়ার্ড আমি!"
বাবা পত্রিকা থেকে মুখ না তুলেই বললেন, "আমাকে এসব ফরমাস করবে না সীমা, জানোই তো সারাদিন খাটনি যায়।"
মা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে দরজায় এসে দাঁড়ালেন। শাড়ির আঁচলটা কোমরে গোঁজা, কপালে হালকা ঘামের বিন্দু। তার সেই ভারী নিতম্ব আর চিকন কোমরের ভঙ্গিটা দরজার চৌকাঠে এক অপূর্ব জ্যামিতি তৈরি করেছিল। মা আমার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসলেন। সেই হাসিতে এক ধরণের প্রশ্রয় আর অধিকার ছিল।
"সৌরভ, তুই কি যাবি বাবা?"
আমি এক মুহূর্ত দেরি না করে উঠে দাঁড়ালাম। "হ্যাঁ মা, বলো কী কী আনতে হবে।"
মা আমার কাছে এগিয়ে এলেন। তার গায়ের সেই পরিচিত ঘ্রাণ—যাতে মিশে আছে রান্নার মশলা আর তার শরীরের নিজস্ব সুবাস—আমাকে মাতাল করে তুলছিল। মা আলতো করে আমার কাঁধে হাত রাখলেন। তার হাতের স্পর্শে আমার শিরদাঁড়া দিয়ে একটা মৃদু শিহরণ বয়ে গেল।
মা নিচু স্বরে বললেন, "আমার এই ছেলেটাই শুধু কাজের। বাকিরা তো সব নবাবজাদা। তুই না থাকলে যে আমার কী হতো!"
মায়ের এই প্রশংসা আমাকে এক অদ্ভুত আনন্দ দেয়। আমি যখন বাজারের ব্যাগ হাতে নিয়ে বেরোচ্ছি, আয়নায় দেখলাম মা তাকিয়ে আছেন আমার দিকে। তার সেই ডাগর চোখ আর পুষ্ট শরীরের ভাঁজগুলো আমার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। আমি জানি, মা আমাকে তার সবচেয়ে আদরের এবং বাধ্য সন্তান মনে করেন, কিন্তু আমার এই আনুগত্যের মূলে রয়েছে তাকে খুশি রাখা এবং তার সান্নিধ্যে থাকার এক তীব্র ব্যাকুলতা।
বাজার থেকে ফিরে আসতেই দেখলাম মা দরজার কাছেই দাঁড়িয়ে ছিলেন, যেন আমার ফেরারই অপেক্ষা করছিলেন। বাইরে তখন ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক শুরু হয়েছে, আর ঘরের ভেতর বাবার টেলিভিশনের সংবাদের আওয়াজ। আমি ঘামতে ঘামতে ব্যাগটা ডাইনিং টেবিলে রাখলাম।
মা তড়িঘড়ি করে এগিয়ে এলেন। ব্যাগটা হাতে নিতে গিয়ে আমাদের আঙুলের সামান্য ছোঁয়া লাগল। মায়ের হাতের সেই শীতল পরশ আমার তপ্ত শরীরের শিরায় শিরায় এক অদ্ভুত কম্পন তুলে দিল।
মা ব্যাগের ভেতর উঁকি দিয়ে বললেন, "সব এনেছিস তো? চিনি, লবণ... আরে, তুই ইলিশ মাছও নিয়ে এসেছিস? আমি তো শুধু লবণের কথা বলেছিলাম!"
আমি হাঁপাতে হাঁপাতে হাসলাম। "তুমি কাল রাতে বলছিলে না তোমার ইলিশ খেতে ইচ্ছে করছে? তাই গোপাল দা'কে বলে আনালাম।"(গোপাল দা আমাদের পরিচিত জেলে। আমরা তার কাছ থেকেই মাছ খাই। মাস শেষে বাকি টাকা বাবাই দেয়!)
মা আমার দিকে এক পলক তাকালেন। তার সেই গভীর কালো চোখের দৃষ্টিতে এক ধরণের তৃপ্তি আর ভালোবাসা খেলে গেল। তিনি তার শাড়ির আঁচলটা তুলে আমার কপাল আর গলার ঘাম মুছিয়ে দিতে শুরু করলেন। মা এতোটাই কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন যে, তার শরীরের উষ্ণতা আর সেই বিশেষ সুবাস আমাকে আচ্ছন্ন করে ফেলছিল। শাড়ির আঁচল যখন আমার মুখে ঘষা খাচ্ছিল, আমি খুব কাছ থেকে তার ব্লাউজের ভাঁজে লুকানো সেই সুগঠিত অবয়ব আর উন্মুক্ত গ্রীবা দেখছিলাম।
মা নিচু স্বরে বললেন, "তোর মতো এতোটা খেয়াল তো কেউ রাখে না রে সৌরভ। এই বয়সে ছেলেরা কত আড্ডা দেয়, আর তুই আমার একটা কথা বললেই ছুটে যাস।"
আমি শুধু অপলক দৃষ্টিতে মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। তার ঠোঁটের পাশের তিলটা আর ঘামে ভেজা নাকের ডগা তাকে এক অপরূপা রমণীর মতো দেখাচ্ছিল।
মা ব্যাগ থেকে মাছটা বের করতে করতে বললেন, "শোন, তুই এখনই গিয়ে একটা ফ্রেশ হয়ে আয়। আমি তোর জন্য এই ইলিশটা খুব যত্ন করে রাঁধব। তোর বাবা আর সোহাগ তো শুধু খেতে জানে, আমার এই লক্ষ্মী ছেলেটার জন্য আজ স্পেশাল কিছু হবে।"
আমি বাথরুমের দিকে পা বাড়ালাম, কিন্তু আমার মনটা তখনও সেই টেবিলেই পড়ে রইল। মা যখন ঝুঁকে ব্যাগ থেকে বাকি জিনিসগুলো গুছাচ্ছিলেন, তখন শাড়ির নিচ দিয়ে তার সেই ভারি নিতম্ব আর কোমরের ডৌল এক মোহনীয় দৃশ্যের জন্ম দিচ্ছিল। আমি মনে মনে ভাবলাম, মা হয়তো আমাকে তাঁর সবচেয়ে অনুগত সন্তান ভাবেন, কিন্তু আমার এই আনুগত্যের প্রতিটি পদক্ষেপে মিশে আছে তাঁর এই অনিন্দ্য রূপের প্রতি আমার এক গোপন ও গভীর মুগ্ধতা।
এই দিনগুলোর পর থেকে মা আর আমার মধ্যকার রসায়নটা যেন আরও গাঢ় হয়েছে। মা এখন প্রায়ই ছোটখাটো হুকুমের জন্য আমাকেই ডাকেন, আর আমিও যেন ওত পেতে থাকি সেই ডাক শোনার জন্য।
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) -
Bad Boy - 09-14-2026
02
আজ বাইরে অঝোর ধারায় বৃষ্টি পড়ছিল। বাবা আর সোহাগ ভাই বৃষ্টির জন্য আটকে পড়েছেন বাইরে। বাড়িতে শুধু আমি, মা আর সীতা।
দুপুরবেলা সীতা তার ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছে। আমি আমার ঘরে অংকের খাতা নিয়ে বসেছিলাম, কিন্তু মনটা পড়ে ছিল পাশের ঘরে। হঠাৎ মায়ের ঘর থেকে ডাক এল, "সৌরভ, একটু এদিকে আয় তো বাবা!"
আমি ঘরে ঢুকতেই দেখলাম মা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বৃষ্টি দেখছেন। পরনে একটা গাঢ় নীল রঙের সুতির শাড়ি। বৃষ্টির ছাট এসে তার শাড়ির পিঠের অংশটা কিছুটা ভিজিয়ে দিয়েছে, যার ফলে ব্লাউজের নিচের ফর্সা পিঠ আর কোমরের সেই গভীর ভাঁজটা অদ্ভুতভাবে ফুটে উঠেছে।
মা ঘুরলেন। তার হাতে একটা পুরোনো ফটো অ্যালবাম। "দেখ তো সৌরভ, এই ছবিটা কবেকার? আমি তো ভুলেই গেছি।"
আমি মায়ের একদম পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। অ্যালবামের পাতা ওল্টানোর সময় মায়ের শরীরের সেই মাতাল করা ঘ্রাণ—যাতে মিশে ছিল বৃষ্টির সোঁদা গন্ধ আর তার নিজস্ব নারীত্বের সুবাস—আমার নাকে ধাক্কা দিল। মা যখন নিচু হয়ে ছবির দিকে আঙুল নির্দেশ করছিলেন, তার শাড়ির আঁচলটা কাঁধ থেকে খসে পড়ল।
মা সেটা ঠিক না করেই বললেন, "তোর ছোটবেলার এই ছবিটা দেখ, একদম আমার মতো দেখতে ছিলি তুই।"
আমি ছবির দিকে নয়, তাকালাম মায়ের সেই উন্মুক্ত গ্রীবা আর শাড়ির নিচে ঢাকা পড়া সেই সুপুষ্ট অবয়বের দিকে। মায়ের বয়স ৪১ হলেও তার ত্বকের টানটান ভাব আর এই বৃষ্টির দুপুরে তার আলসে ভঙ্গি তাকে কোনো অপ্সরার চেয়ে কম দেখাচ্ছিল না।
আমি আলতো করে বললাম, "মা, তুমি তো এখনো সেই আগের মতোই আছ। একটুও বদলাওনি।"
মা একটু লজ্জা পেয়ে হাসলেন। তার সেই হাসিতে এক ধরণের প্রশ্রয় ছিল। তিনি আমার কাঁধে হাত রাখলেন। "বড় হয়ে গেছিস বলে এখন মায়ের প্রশংসা করতে শিখে গিয়েছিস? যা, দুষ্টুমি করিস না।"
মায়ের হাতের সেই নরম স্পর্শ আমার ১৯ বছরের শরীরে বিদ্যুতের মতো খেলে গেল। আমি সাহস করে বললাম, "সত্যি বলছি মা, তোমার মতো সুন্দরী নারী আমি আর দেখিনি।"
মা আমার চোখের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। তার চোখে কোনো শাসন ছিল না, ছিল এক ধরণের অদ্ভুত গভীরতা। তিনি আলতো করে আমার চুলগুলো ঠিক করে দিয়ে বললেন, "আমার এই ছেলেটাই শুধু আমার মন বোঝে। আচ্ছা শোন, আজ বৃষ্টির দিন, মনটা কেমন খিচুড়ি খিচুড়ি করছে। তুই কি একটু সবজিগুলো কেটে দিবি? আমি রান্না চড়াই।"
আমি এক কথায় রাজি হয়ে গেলাম। মা যখন রান্নাঘরের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন, তার সেই ছন্দময় শরীরের দুলুনি আর ভারি নিতম্বের হিল্লোল আমার মনের ভেতরে এক নতুন ঝড়ের সংকেত দিচ্ছিল। আমি জানি, মা আমাকে তাঁর আদরের সন্তান হিসেবেই দেখেন, কিন্তু আমার মনে তাঁর এই রূপ এক চিরন্তনী রমণীর প্রতিচ্ছবি তৈরি করে ফেলেছে।
বৃষ্টির এই রাতটা ছিল অন্য সব রাতের চেয়ে আলাদা। বাইরের অবিশ্রাম বর্ষণ আর ঘরের ভেতরের নিস্তব্ধতা মিলে এক মায়াবী ও রহস্যময় পরিবেশ তৈরি করেছিল। বাবা কলেজ থেকে ফিরে ক্লান্ত হয়ে তাড়াতাড়িই ঘুমিয়ে পড়েছেন, আর দাদা বৃষ্টির কারণে ফিরতে না পেরে বন্ধুর বাড়িতেই রয়ে গেল।
গভীর রাতে তৃষ্ণা পাওয়ায় আমি যখন রান্নাঘরের দিকে যাচ্ছিলাম, তখন বাবা-মায়ের ঘরের আধখোলা দরজার দিকে আমার নজর পড়ল। জানালার ফাঁক দিয়ে আসা চাঁদের মৃদু আলো আর বৃষ্টির ঝাপটায় ঘরের ভেতরটা এক মায়াবী রূপ নিয়েছে।
রূপোলি আলোয় এক নিষিদ্ধ দৃশ্য
দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে আমি যা দেখলাম, তা আমার ১৯ বছরের কিশোর রক্তে এক উন্মাদনা তৈরি করল। বাবা অঘোরে ঘুমাচ্ছেন, তাঁর নাসিকাগর্জন বৃষ্টির শব্দের সাথে মিশে এক অদ্ভুত তাল তৈরি করেছে। কিন্তু আমার দৃষ্টি আটকে গেল বিছানার পাশেই শুয়ে থাকা মায়ের ওপর।
মা নীল রঙের একটি পাতলা নাইটি পরে অঘোরে ঘুমাচ্ছিলেন। ঘুমের ঘোরে শরীরটা একটু এপাশ-ওপাশ করায় নাইটিটা তাঁর উরু ছাপিয়ে অনেকটা ওপরে উঠে এসেছে। ৪১ বছর বয়সের সেই সুগঠিত শরীর, যা ৩০ বছরের তরুণীর মতো টানটান—তা চাঁদের আলোয় যেন আরও বেশি কামনাময়ী হয়ে উঠেছে।
নাইটির অবাধ্য ভাঁজগুলো সরে যাওয়ায় মায়ের সেই ফর্সা উরু আর পেলব তলপেটের নিচের অংশটা উন্মুক্ত হয়ে পড়েছে। হালকা আলো-আঁধারিতে তাঁর সেই গোপন সৌন্দর্য বা 'যোনি'র আভাস যেন এক নিষিদ্ধ হাতছানি দিচ্ছিল।
মায়ের সেই চওড়া নিতম্ব আর চিকন কোমরের যে ভঙ্গি বিছানায় তৈরি হয়েছিল, তা যে কোনো পুরুষকে পাগল করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। তাঁর উন্নত বক্ষ আর এলোমেলো হয়ে থাকা চুলের রাশি বালিশের ওপর ছড়িয়ে আছে।
আমি দরজার চৌকাঠে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। একদিকে বাবার গভীর ঘুম আর নাক ডাকা, অন্যদিকে মায়ের এই নিরাবরণ শরীরের মাদকতা। আমার ভেতরে এক তীব্র যুদ্ধ চলছিল—সাহস করে ভেতরে ঢুকে এই সৌন্দর্যকে আরও কাছ থেকে দেখার তৃষ্ণা, আর ধরা পড়ে যাওয়ার এক আদিম ভয়।
আমি জানতাম, মা যদি এখন জেগে যান তবে হয়তো এই রূপের রহস্য এক নিমেষে মিলিয়ে যাবে। কিন্তু এই যে রূপোলি আলোয় তাঁর শরীরের প্রতিটি ভাঁজ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে, তা আমাকে এক মুহূর্তের জন্য ভুলিয়ে দিয়েছিল যে তিনি আমার মা। আমার চোখে তখন তিনি কেবল এক অপরূপা রমণী, যার প্রতিটি অঙ্গের সুষমা আমাকে পাগল করে দিচ্ছিল।
আমি নিশ্বাস বন্ধ করে দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটা যেন আমার হৃদস্পন্দনের সাথে তাল মেলাচ্ছিল। মায়ের এই কামনাময়ী রূপটি আমার মনের গহীনে চিরস্থায়ী এক ছাপ রেখে গেল, যা হয়তো কোনোদিন মুছে যাওয়ার নয়।
ভোরের আলোয় আমার দোটানা:
------------------------------
সকালে যখন ঘুম ভাঙল, জানালার ফাঁক দিয়ে আসা রোদের ঝিলিক আমার চোখে বিঁধছিল। কিন্তু আমার মনের ভেতর তখনও রাতের সেই দৃশ্যটা জ্বলজ্বল করছিল—চাঁদের আলোয় মায়ের সেই অগোছালো শরীর, নাইটির ওপর দিয়ে দৃশ্যমান সেই উন্মুক্ত উরু আর তাঁর সেই রহস্যময় রূপ।
আমি যখন ড্রয়িংরুমে গেলাম, দেখলাম মা রান্নাঘর থেকে বের হচ্ছেন। চুলে হাতখোঁপা, কপালে টিপ, পরনে একটা সাধারণ সুতির শাড়ি—একদম নিপাট ঘরোয়া মা। কাল রাতের সেই কামনাময়ী রমণীর সাথে এই মমতাময়ী মায়ের রূপ মেলাতে গিয়ে আমি এক অদ্ভুত দোটানায় পড়ে গেলাম।
মা আমাকে দেখেই হাসলেন। "কিরে সৌরভ, আজ এত দেরি করে উঠলি যে? রাতে কি ঘুম হয়নি ঠিকমতো?"
মায়ের এই সহজ প্রশ্নে আমার বুকটা ধক করে উঠল। আমি মনে মনে ভাবলাম, মা যদি জানতেন তাঁর ওই রূপের নেশায় আমার সারা রাত চোখের পাতা এক হয়নি! আমি আমতা আমতা করে বললাম, "না মা, ওই বৃষ্টির শব্দে একটু দেরি হয়ে গেল আর কী।"
মা আমার খুব কাছে এগিয়ে এলেন। কপালে হাত দিয়ে তাপমাত্রা দেখার জন্য ঝুঁকলেন। মায়ের হাতের সেই পরিচিত নরম স্পর্শ পেতেই আমার শরীরে বিদ্যুতের মতো একটা শিহরণ বয়ে গেল। এই তো সেই হাত, সেই শরীর—যা কাল রাতে আমি দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে তৃষ্ণার্ত চোখে দেখেছি। মা যখন আমার চুলে হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলেন, তখন তাঁর শাড়ির আঁচলটা একটু সরে গিয়ে তাঁর সেই পুষ্ট বুকের খাঁজ আর গলার ভাঁজগুলো আমার চোখের একদম সামনে চলে এল।
আমি দ্রুত চোখ সরিয়ে নিলাম। মা আবার বললেন, "তোর বাবা তো কলেজে চলে গেছেন। সোহাগও বোধহয় বন্ধুর ওখান থেকে সরাসরি ভার্সিটি যাবে। আজ ঘরে শুধু আমি আর তুই। চল, গরম গরম লুচি আর আলুর দম করেছি, খেয়ে নিবি।"
খাওয়ার টেবিলে মা যখন আমার পাতে লুচি বেড়ে দিচ্ছিলেন, তখন তাঁর সেই ছন্দময় চলন আর হাতের চুরির শব্দ আমাকে কাল রাতের কথা বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছিল। হঠাৎ মা আমার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে একটু থামলেন। তাঁর ঠোঁটের কোণে একটা রহস্যময় হাসি ফুটে উঠল।
মা বললেন, "সৌরভ, কাল রাতে কি তুই আমার ঘরে এসেছিলি? আমি যেন মাঝরাতে কারোর ছায়া দেখেছিলাম দরজার কাছে।"
আমার হাতের গ্লাসটা প্রায় হাত থেকে পড়ে যাচ্ছিল। আমি ঢোক গিলে আমতা আমতা করে বললাম, "কই না তো মা! আমি তো... আমি তো রান্নাঘরে জল খেতে গিয়েছিলাম।"
মা এক মুহূর্ত আমার চোখের দিকে তাকিয়ে রইলেন। তাঁর সেই চাহনিতে কোনো শাসন ছিল না, বরং ছিল এক ধরণের গভীর প্রশ্রয়। তিনি শুধু বললেন, "আচ্ছা, তাড়াতাড়ি খেয়ে নে। খেয়ে একটু বাজারে যাস, বিকেলের জন্য কিছু ফল আনতে হবে।"
আমি বুঝলাম, মা হয়তো পুরোপুরি না জানলেও কিছু একটা আঁচ করেছেন।
বিকেলবেলা আমি বাজার থেকে ফল নিয়ে ফিরলাম। বাবা তখনও কলেজ থেকে ফেরেননি, আর সোহাগ ভাই তো বন্ধুর ওখানেই আছে। বাড়িতে একটা থমথমে কিন্তু আরামদায়ক নীরবতা। আমি যখন রান্নাঘরে ব্যাগটা রাখতে গেলাম, দেখলাম মা জানালার গ্রিল ধরে দাঁড়িয়ে বাইরের আকাশ দেখছেন। বিকেলের ম্লান আলোয় মায়ের সেই নীল শাড়ি পরা অবয়বটা অদ্ভুত এক মায়ার সৃষ্টি করেছে। তাঁর সেই পরিচিত চওড়া নিতম্ব আর চিকন কোমরের ভাঁজটা শাড়ির ওপর দিয়ে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছিল।
আমি কাছে গিয়ে ব্যাগটা রাখতেই মা ঘুরলেন। তাঁর চোখেমুখে আজ একটা গভীর চিন্তার ছাপ। তিনি মৃদু স্বরে বললেন, "সৌরভ, তোর দাদা ফোন করেছিল। ওর গ্রাজুয়েশন আর ইন্টার্নির চাপের জন্য ওকে নাকি এখন ভার্সিটির ক্যাম্পাসেই থাকতে হবে। তোর বাবাও মনে হয় এতে সায় দেবেন।"
আমি মনে মনে এক ধরণের রোমাঞ্চ অনুভব করলাম। দাদা না থাকা মানেই বাড়িতে মায়ের কাছাকাছি থাকার সুযোগ আরও বেড়ে যাওয়া। আমি বললাম, "ভালোই তো মা, ওর ক্যারিয়ারের জন্য এটাই দরকার।"
মা আমার দিকে এক পলক তাকালেন। তাঁর সেই রহস্যময় হাসিটা আবার ফিরে এল। তিনি আমার কাঁধে হাত রেখে বললেন, "তাহলে তো এই বড় বাড়িতে আমি শুধু তোকেই পাব। সীতা তো ওর খেলাধুলা নিয়েই পড়ে থাকে, আর তোর বাবার তো জানিসই—অংক ছাড়া কিছু বোঝেন না। আমার সব দেখভাল তো তাহলে তোকেই করতে হবে।"
মা আমার দিকে এক পলক তাকালেন। তাঁর সেই রহস্যময় হাসিটা আবার ফিরে এল। তিনি আমার কাঁধে হাত রেখে বললেন, "তাহলে তো এই বড় বাড়িতে আমি শুধু তোকেই পাব। সীতা তো ওর পড়ার চাপে থাকে, আর তোর বাবার তো জানিসই—অংক ছাড়া কিছু বোঝেন না। আমার সব দেখভাল তো তাহলে তোকেই করতে হবে।"
মায়ের হাতের স্পর্শে আমার শরীরে আবার সেই পরিচিত শিহরণ। আমি বললাম, "তুমি জানো মা, আমি তোমার সব কথা শুনি। তুমি যা বলবে আমি তাই করব।"
মা আমার গালটা আলতো করে টিপে দিয়ে বললেন, "আমার বাধ্য ছেলে! যা, হাত-মুখ ধুয়ে আয়। রাতে তোর বাবা ফিরলে এই নিয়ে চূড়ান্ত কথা হবে।"
রাতের সিদ্ধান্ত
রাতে খাবার টেবিলে বাবা যখন মনোযোগ দিয়ে মাছের ঝোল খাচ্ছিলেন, মা তখন দাদার কথাটা পাড়লেন। বাবা কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন, "হ্যাঁ, সোহাগের ইন্টার্নি শুরু হচ্ছে, ওর যাওয়া-আসায় অনেক সময় নষ্ট হয়। ও ক্যাম্পাসে থাকলেই ওর জন্য মঙ্গল। সৌরভ তো আছেই বাড়িতে, বাজারের কাজ বা তোমার কোনো দরকার হলে ও সামলে নেবে।"
মা আমার দিকে তাকিয়ে একটা অর্থপূর্ণ হাসি হাসলেন। সেই হাসিতে যেন লুকিয়ে ছিল এক গোপন চুক্তি। মা বললেন, "সৌরভ তো আমার সব কাজই করে দেয়। ও না থাকলে আমার সত্যিই খুব অসুবিধা হতো।"
আমি আড়চোখে মায়ের দিকে তাকালাম। বাবার অঘোরে খাওয়ার মাঝেই আমি দেখছিলাম মায়ের সেই আকর্ষণীয় রূপ—শাড়ির আঁচলটা একটু আলগা হয়ে আছে, আর তাঁর স্তনের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সেই হালকা ঘামের রেখা আমাকে আবার সেই রাতের দৃশ্যের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছিল।
দাদা চলে যাচ্ছে, বাবা তাঁর অংক আর কলেজ নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন—এখন বাড়িতে মা আর আমার মাঝে কোনো বাধা রইল না।
দাদা চলে যাওয়ার সিদ্ধান্তটা শোনার পর থেকেই আমার বুকের ভেতরটা টিপ টিপ করছিল। বাবা আর মা যখন কথা বলছিলেন, আমি তখন আড়চোখে মায়ের শান্ত, সৌম্য মুখটার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। তিনি কত সহজে, কত আভিজাত্যের সাথে শাড়ির আঁচলটা কাঁধের ওপর তুলে দিলেন। এই সম্ভ্রান্ত রূপের আড়ালে যে নারীত্ব আছে, তা হয়তো মা নিজেও জানেন না, কিন্তু আমার উনিশ বছরের রক্তে তা আগুন ধরিয়ে দেয়।
আমি মনে মনে ভাবলাম, মা হয়তো কোনোদিন জানবেন না আমি তাকে নিয়ে কী ভাবি। হয়তো জানলে কখনো বলবেনও না। আমাকেই আগাতে হবে। তিনি তাঁর পূজা-পার্বণ আর সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন, আর আমি তাঁর ছায়ার মতো পাশে থেকে নিজেকে তাঁর আরও আপন করে নেব।
দাদা চলে যাওয়ার সেই সকাল
পরদিন সকালে দাদা তার ব্যাগ গুছিয়ে ক্যাম্পাসের দিকে রওনা দিল। মা দরজায় দাঁড়িয়ে দাদার কপালে আশীর্বাদের তিলক এঁকে দিলেন। তাঁর দুচোখে মমতা চিকচিক করছিল। দাদা চলে যাওয়ার পর বাড়িটা হঠাৎ করেই যেন অনেক বড় আর খালি হয়ে গেল।
বাবা কলেজে যাওয়ার আগে আমাকে ডেকে বললেন, "সৌরভ, সোহাগ নেই। বাজারের দায়িত্বটা এখন থেকে তোর ওপর বেশি পড়বে। তোর মায়ের যেন কোনো অসুবিধা না হয়।"
আমি মাথা নিচু করে বললাম, "ঠিক আছে বাবা।"
মা তখন রান্নাঘরে ঠাকুরের থালা পরিষ্কার করছিলেন। আমি যখন রান্নাঘরের দরজার কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম, দেখলাম জানালার রোদে মায়ের ভেজা চুলগুলো চকচক করছে। শাড়িটা তাঁর পিঠের সাথে লেপ্টে আছে, আর সেই সুগঠিত শরীরের প্রতিটি বাঁক যেন এক শান্ত অহঙ্কারে জেগে আছে। মায়ের এই রূপটা কোনো কৃত্রিম প্রসাধন ছাড়াই এতোটা গভীর যে আমি তাকিয়ে থাকতে থাকতে নিজেকে হারিয়ে ফেলি।
মা হঠাৎ ঘুরে দাঁড়িয়ে আমাকে দেখে বললেন, "কিরে, ওখানে দাঁড়িয়ে আছিস কেন? কিছু বলবি?"
আমি একটু অপ্রস্তুত হয়ে বললাম, "না মা, বাবা বললেন তোমার কিছু লাগলে আমাকে বলতে।"
মা মৃদু হাসলেন। তাঁর সেই হাসিতে একজন শুদ্ধ গৃহিণীর পবিত্রতা মিশে ছিল। তিনি বললেন, "এখন তো তুই-ই আমার একমাত্র ভরসা। যা, হাত-মুখ ধুয়ে আয়। ঠাকুরের প্রসাদ দেব তোকে।"
আমি প্রসাদ নেওয়ার বাহানায় মায়ের খুব কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম। মা যখন আমার হাতের তালুতে বাতাসা আর ফল দিলেন, তখন তাঁর আঙুলের ডগা আমার হাতের তালুতে সামান্য ছুঁয়ে গেল। সেই স্পর্শে আমার মনে হলো, মা হয়তো পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র নারী, কিন্তু আমার অবচেতন মন তাঁকে এক অসাধারণ রূপসী হিসেবে কল্পনা করতে ছাড়ছে না।
আমি বুঝতে পারলাম, মা আমাকে শুধু তাঁর বাধ্য ছেলে হিসেবেই দেখেন এবং তাঁর সেই সম্ভ্রান্ত * পরিবারের শিক্ষা তাঁকে অন্য কিছু ভাবার অবকাশও দেবে না। কিন্তু তাতে আমার কী? আমি তো তাঁর হুকুমের গোলাম হয়েই থাকব। তাঁর প্রতিটি ছোট চাহিদা মেটাব, যাতে তিনি সবসময় আমাকে তাঁর সবচেয়ে কাছে রাখেন।
মা তাঁর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন, আর আমি দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে তাঁর সেই আকর্ষণীয় শরীরটার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম। আমি জানি, এই পথটা কেবল আমার একার। আমি নিজেই নিজেকে মায়ের আরও আপন করে নেব, তাঁর অবচেতন মনের অজান্তেই।
...
.
.
.
.
.
.
এরপর...... !!
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) -
Bad Boy - 09-14-2026
03
নিঝুম দুপুরে আলসেমির আড়ালে
সেদিন ছিল শনিবার। বাবার কলেজে হাফ-ডে থাকলেও একটা মিটিংয়ের কারণে তাঁর ফিরতে দেরি হবে। সীতা বাড়ান্দায় ওর বান্ধবীর সাথে খেলছে। বাড়িতে আমি আর মা—একেবারে একা। বৃষ্টির রেশ কেটে গিয়ে কড়া রোদ উঠেছে, আর সেই রোদে চরাচর খাঁ খাঁ করছে।
আমি আমার ঘরে শুয়ে একটা গল্পের বই পড়ছিলাম, কিন্তু বারবার কান পাতছিলাম পাশের ঘরের দিকে। হঠাৎ মায়ের ঘর থেকে একটা মিহি ডাক এল, "সৌরভ, একটু এদিকে আসবি বাবা?"
আমি যেন এই ডাকটার জন্যই ওত পেতে ছিলাম। তড়িঘড়ি করে মায়ের ঘরে ঢুকতেই আমার নিশ্বাস আটকে গেল। মা বিছানায় আধশোয়া হয়ে বসে আছেন। পরনে হালকা ঘি রঙের একটা সুতির শাড়ি, পাড়টা গাঢ় লাল। জানালার পর্দাটা টেনে দেওয়া থাকলেও রোদের একটা চিকন রেখা এসে ঠিক মায়ের কোলের ওপর পড়েছে। শাড়ির আঁচলটা অবিন্যস্তভাবে বিছানায় লুটিয়ে আছে, আর মায়ের সেই সুপুষ্ট বুকের ডৌল ব্লাউজের বাঁধন ছাপিয়ে এক অদ্ভুত মাদকতা তৈরি করেছে।
মা কপালে হাত দিয়ে বললেন, "মাথাটা খুব দপদপ করছে রে। মনে হয় রোদে কাজ করে একটু সর্দি বসেছে। তুই কি একটু বাম লাগিয়ে দিবি?"
আমি কোনো কথা না বলে আলমারির ওপর থেকে বামের কৌটোটা নিয়ে মায়ের মাথার কাছে বসলাম। মা চোখ বন্ধ করে শুয়ে পড়লেন। মায়ের গায়ের সেই সুবাস—যাতে চন্দনের সাবান আর ঘামের একটা মিশ্র গন্ধ আছে—তা আমাকে মাতাল করে দিচ্ছিল।
আমি আঙুলে একটু বাম নিয়ে মায়ের কপালে আর রগে মালিশ করতে শুরু করলাম। মায়ের চামড়া এতোটা মসৃণ আর নরম যে আমার হাত কাঁপছিল। মালিশ করতে করতে আমার দৃষ্টি বারবার নিচের দিকে চলে যাচ্ছিল। শোয়া অবস্থায় মায়ের শাড়িটা পেট থেকে একটু সরে গিয়েছিল, আর সেখানে মায়ের সেই ফর্সা তলপেটের মেদযুক্ত ভাঁজটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। হালকা ঘামে ভিজে থাকা সেই অংশটুকুতে রোদের আলো পড়ে ঝিলিক দিচ্ছিল।
মা চোখ বন্ধ রেখেই বললেন, "আহ্, কী আরাম! তোর হাতের ছোঁয়াটা বড় শান্ত রে সৌরভ। তোর বাবা তো ধরলে যেন কুস্তি লড়ে।"
মায়ের এই সহজ তুলনা আমাকে মনে মনে হাসাল। আমি আরও নিবিষ্ট হয়ে মালিশ করতে লাগলাম। সাহসে ভর করে আমার হাতের আঙুলগুলো একটু নিচের দিকে, মায়ের কানের লতির পাশ দিয়ে ঘাড়ের দিকে নিয়ে গেলাম। মা একটু নড়ে উঠলেন, কিন্তু চোখ খুললেন না। বরং এক গভীর তৃপ্তির নিঃশ্বাস ফেলে বললেন, "ঘাড়ের দিকটাও একটু টিপে দে তো বাবু, ভীষণ টান ধরেছে।"
আমি যখন মায়ের ঘাড়ের নিচের অংশটা টিপছিলাম, তখন আমার হাতের আঙুল বারবার ব্লাউজের ফিতার কাছে ঘষা খাচ্ছিল। আর মনে হচ্ছিলো, কবে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আসবে যখন এই ফিতে ধরেই টান দিয়ে নিজ হাতে মায়ের ব্লাউজ খুলবো!! ৪১ বছরের এক সম্ভ্রান্ত নারী, যাঁর শরীরে মাতৃত্ব আর কামনার এক অদ্ভুত মিশেল। মা হয়তো এটাকে স্রেফ ছেলের সেবা ভাবছেন, কিন্তু আমার মনে হচ্ছিল আমি এক নিষিদ্ধ স্বর্গের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।
মা হঠাৎ চোখ খুলে আমার দিকে তাকালেন। তাঁর সেই ডাগর চোখে এক মুহূর্তের জন্য কী যেন একটা ঝিলিক দিয়ে গেল। তিনি আমার হাতটা নিজের হাতের মুঠোয় নিলেন। মায়ের হাতের সেই শীতল কিন্তু দৃঢ় স্পর্শে আমার শরীর জমে গেল।
মা মৃদু স্বরে বললেন, "তুই না থাকলে এই শরীরটা যে কবে ভেঙে পড়ত! কেউ তো একটু ছুঁয়েও দেখে না।"
কথাটা বলেই মা যেন একটু সচেতন হয়ে গেলেন। দ্রুত নিজের হাতটা সরিয়ে নিয়ে শাড়ির আঁচলটা ঠিকঠাক করে উঠে বসলেন। "আচ্ছা থাক, এখন অনেকটা ভালো লাগছে। তুই যা, নিজের পড়া কর গে।"
আমি ঘর থেকে বেরিয়ে এলাম ঠিকই, কিন্তু আমার হাতের আঙুলে তখনও মায়ের গায়ের সেই উত্তাপ আর মসৃণতার রেশ লেগে ছিল। আমি বুঝতে পারলাম, মা তাঁর গাম্ভীর্যের আড়ালে কতটা নিঃসঙ্গ, আর সেই নিঃসঙ্গতার সুযোগ নিয়েই আমি তাঁর হৃদয়ের সবচেয়ে আপন জায়গায় নিজের আসন করে নিচ্ছি।
এভাবেই আমাদের দিন কাটছিলো। এইতো আজ আবার -বিকেলে আকাশটা ছিল একদম পরিষ্কার। বাবা কলেজের একটা কাজে জেলা শহরে গিয়েছেন, ফিরতে রাত হবে। সীতা টিভি দেখছে আর খেলছে। বাড়িতে সীতা, আমি আর মা। মা রান্নাঘরের কাজ সেরে ড্রয়িংরুমে বসে বিকেলের নাস্তা হিসেবে কিছু মুড়ি আর চপ তৈরি করেছেন।
মা সোফায় বসে পায়ের ওপর পা তুলে আয়েশ করে মুড়ি খাচ্ছিলেন। তাঁর সেই পরিচিত চওড়া নিতম্ব আর শাড়ির ভাঁজে ঢাকা পড়া কোমরের গঠনটা সোফায় এক ধরণের রাজকীয়তা তৈরি করেছিল। আমি তাঁর ঠিক উল্টো দিকের চেয়ারে বসে বই পড়ছিলাম।
মা হঠাৎ বললেন, "সৌরভ, তোর পড়া শেষ হতে কত দেরি? একটু গল্প কর না আমার সাথে। বাড়িটা তো একদম ভূতুড়ে হয়ে থাকে এখন।"
আমি বইটা বন্ধ করে তাঁর পাশে গিয়ে বসলাম। মা একটা চপ আমার মুখের সামনে ধরে বললেন, "নে, খেয়ে দেখ কেমন হয়েছে।"
আমি যখন মুখ বাড়ালাম, মায়ের আঙুলগুলো আমার ঠোঁটে সামান্য ছুঁয়ে গেল। মা খুব সহজভাবে নিজের আঁচল দিয়ে আমার ঠোঁটের কোণের তেলটুকু মুছে দিলেন। এই যে মায়ের সহজ মমতা, এর ভেতরেই আমি তাঁর সেই লুকানো সৌন্দর্য খুঁজে পাই। মা হাসলে তাঁর গালের সেই ভাঁজ আর ৪১ বছরের ত্বকের টানটান আভা আমাকে মুগ্ধ করে রাখে।
মা বললেন, "জানিস সৌরভ, মাঝে মাঝে খুব ভয় হয়। তুইও যখন সোহাগের মতো বড় হয়ে বাইরে চলে যাবি, তখন আমার কী হবে? এই অংক পাগল লোকটার সাথে দিনরাত আমি কথা বলব কী করে? সোহাগের জন্য আমার খুব একটা কষ্ট হয় না, কিন্তু তোকে ছাড়া আমি কি করে থাকবো।"
আমি মায়ের হাতের ওপর হাত রাখলাম। মা হাতটা সরিয়ে নিলেন না। আমি বললাম, "আমি তো বলেছি মা, আমি তোমাকে ছেড়ে কোথাও যাব না। তোমার হুকুম তামিল করার জন্য তো আমাকে থাকতেই হবে।"
মা হো হো করে হেসে উঠলেন। তাঁর হাসির সাথে সাথে তাঁর শরীরটাও একটু দুলে উঠল, আর সেই দোলনে তাঁর স্তনের ওপরের শাড়িটা একটু সরে গেল। তিনি হেসে বললেন, "পাগল ছেলে! হুকুমের গোলাম হতে হবে না, আমার পাশে থাকলেই হবে।"
সেই সাধারণ বিকেলে আমরা অনেকক্ষণ সাধারণ গল্প করলাম। পূজা আসছে, নতুন কী শাড়ি কেনা যায়, ইতিমধ্যে সীতার পড়াশোনা—সবকিছু।
কিন্তু এই সাধারণ গল্পের ফাঁকেই আমি লক্ষ্য করছিলাম মায়ের আলসে ভঙ্গি, তাঁর পায়ের নখের আলতা আর তাঁর শরীরের সেই মায়াবী ঘ্রাণ। মা হয়তো বুঝতেও পারছিলেন না, তাঁর এই অতি সাধারণ সান্নিধ্যই আমাকে ক্রমশ তাঁর দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
মা যখন উঠে গিয়ে চায়ের কাপগুলো নিয়ে রান্নাঘরের দিকে যাচ্ছিলেন, আমি পেছন থেকে তাঁর সেই ছন্দময় চলন দেখছিলাম। মনে মনে ভাবলাম, এই সাধারণ মুহূর্তগুলোই তো আমাকে সাহস জোগাবে আরও বড় কিছুর জন্য।
মায়ের এই সহজ হাসি আর স্পর্শ আমাকে অনেকটাই নির্ভার করে দিয়েছে।
আজ রাতে, বাইরে যখন আকাশ ভেঙে বৃষ্টি পড়ছে। টিনের চালের ওপর বৃষ্টির সেই তীব্র আওয়াজ ঘরের ভেতরের নির্জনতাকে আরও গভীর করে তুলেছে। রাত তখন প্রায় একটা। বাবা আর সীতা পাশের ঘরে অঘোরে ঘুমাচ্ছে। বাবার নাক ডাকার আওয়াজ বৃষ্টির শব্দের সাথে পাল্লা দিচ্ছে। আমি আমার ঘরে শুয়ে জানালার দিকে তাকিয়ে বৃষ্টির ছাঁট দেখছিলাম, আর মনের কোণে ভাসছিল মায়ের সেই আকর্ষণীয় অবয়ব।
হঠাৎ আমার ঘরের দরজায় একটা মৃদু টোকা পড়ল। অন্ধকারেও আমি চিনতে পারলাম সেই পরিচিত ছায়া। মা।
আমি উঠে বসতেই মা ধীরপায়ে ভেতরে ঢুকলেন। তাঁর পরনে ছিল সেই পাতলা সুতির নাইটিটা, যা রাতের আঁধারে তাঁর শরীরের প্রতিটি বাঁককে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। মা আমার বিছানার এক কোণে বসলেন। তাঁর চুলগুলো এলোমেলো, চোখে একটা কষ্টের আভাস।
মা খুব নিচু স্বরে বললেন, "সৌরভ, জেগে আছিস বাবা? আমার পিঠের ব্যথাটা আজ আবার খুব বেড়েছে। তোর বাবাকে ডাকলাম, কিন্তু উনি তো অঘোরে ঘুমাচ্ছেন। আমার দিকে ফিরেও তাকালেন না।"
মায়ের গলার স্বরে একটা অভিমান ছিল। আমি বুঝতে পারলাম, বাবা তাঁর দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন বলেই মা আজ নিরুপায় হয়ে আমার কাছে এসেছেন। আমি বললাম, "মা, তুমি চিন্তা করো না। আমি আছি তো।"
মা আমার দিকে পেছন ফিরে বসলেন। নাইটির ওপর দিয়েও তাঁর সেই চওড়া পিঠ আর কোমরের গভীর ভাঁজটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। মা বললেন, "একটু মালিশ করে দে তো বাবু, ব্যথায় সোজা হয়ে বসতে পারছি না।"
আমি ড্রয়ার থেকে মালিশের তেলটা বের করলাম। ঘরের ডিম লাইটের আবছা আলোয় মায়ের সেই ৪১ বছরের সুগঠিত শরীরটা এক অদ্ভুত মাদকতা ছড়াচ্ছিল। আমি যখন মায়ের পিঠে হাত রাখলাম, আমার আঙুলগুলো শিহরিত হয়ে উঠল। নাইটির পাতলা কাপড়ের নিচ দিয়ে মায়ের শরীরের উষ্ণতা সরাসরি আমার হাতের তালুতে এসে লাগছিল।
মালিশ করতে করতে আমি সাহসে ভর করে নাইটির নিচের দিকটা একটু ওপরে তুললাম, যাতে সরাসরি চামড়ায় মালিশ করতে পারি। মা বাধা দিলেন না, বরং এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে বিছানায় একটু ঝুঁকে পড়লেন। তাঁর সেই উন্নত বক্ষ তখন বিছানার ওপর চ্যাপ্টা হয়ে এক অনন্য দৃশ্যের সৃষ্টি করেছিল। আমি মায়ের কোমরের সেই মেদযুক্ত ভাঁজ আর পিঠের মসৃণ ত্বকে আঙুল চালাতে চালাতে ক্রমশ নিচে নামছিলাম।
মা হঠাৎ ফিসফিস করে বললেন, "তোর হাতের ছোঁয়াটা খুব আরামের সৌরভ। তোর বাবার হাত তো পাথরের মতো শক্ত, কোনো মমতা নেই।"
আমি মায়ের ঘাড়ের কাছে মুখ নিয়ে গেলাম। তাঁর গায়ের সেই পরিচিত ঘ্রাণ আর বৃষ্টির শীতল হাওয়ায় আমার মস্তিষ্ক কাজ করা বন্ধ করে দিচ্ছিল। আমি যখন ঘাড়ের নিচের হাড়ের কাছটায় চাপ দিচ্ছিলাম, মা এক ধরণের অস্ফুট শব্দ করলেন, যা যন্ত্রণার না কি তৃপ্তির—তা বোঝা দায়।
মা আমার দিকে একটু ঘুরে তাকালেন। আবছা আলোয় তাঁর সেই কামনাময়ী ডাগর চোখ আর ভেজা ঠোঁট আমার ১৯ বছরের কিশোর রক্তে দাবানল জ্বালিয়ে দিচ্ছিল। মা আমার হাতটা ধরলেন। তাঁর হাতের আঙুলগুলো আমার হাতের ওপর কাঁপছিল।
মা বললেন, "সৌরভ, তুই সারাজীবন আমাকে এভাবেই আগলে রাখবি তো? তোর বাবা তো আমার শরীরের খবরই রাখে না।"
আমি মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে বললাম, "আমি তো সবসময়ই তোমার পাশে আছি মা। তুমি যা বলবে, আমি তাই করব।"
মায়ের সেই চাহনিতে আজ যেন মাতৃত্বের চেয়ে এক নারীর আর্তি বেশি ফুটে উঠেছিল। বৃষ্টির এই রাতে, বাবার নাক ডাকার আওয়াজকে উপেক্ষা করে, মা আর আমার মধ্যে এক নতুন, গোপন সমীকরণ তৈরি হতে শুরু করল। আমি বুঝতে পারলাম, মা ধীরে ধীরে তাঁর গাম্ভীর্যের খোলস ছেড়ে আমার কাছে আশ্রয় খুঁজছেন। আর আমি? আমি তো তাঁর এই রূপের নেশায় অনেক আগেই ডুবে আছি।
মালিশ করতে করতে আমি বুঝতে পারছিলাম মায়ের শরীরটা ধীরে ধীরে শিথিল হয়ে আসছে। নাইটির ওপর দিয়ে আমার হাতের প্রতিটি সঞ্চালন তাঁকে এক ধরণের প্রশান্তি দিচ্ছিল। মা একসময় বালিশে মাথা এলিয়ে দিলেন। তাঁর মুখটা ছিল আমার একদম কাছে। আবছা আলোয় আমি দেখছিলাম তাঁর ঠোঁটের কোণে লেগে থাকা সেই ম্লান হাসি আর শান্ত হয়ে আসা চোখের পাতা।
মা ফিসফিস করে বললেন, "ব্যথাটা যেন একদম নেই হয়ে গেল রে সৌরভ। তোর হাতদুটো জাদুর মতো।"
আমি সাহস করে জিজ্ঞেস করলাম, "মা, তুমি কি এখন ঘরে যাবে?"
মা জানালার বাইরে বৃষ্টির শব্দের দিকে তাকিয়ে একটু ইতস্তত করে বললেন, "এখন যেতে ইচ্ছে করছে না। তোর বাবা তো একবারও খবর নিল না, আর একা ওঘরে মরার মতো শুতে ভয় লাগছে। আমি কি কিছুক্ষণ এখানে থাকব?"
আমি মনে মনে এটাই চাচ্ছিলাম। আমি সরে গিয়ে জায়গা করে দিলাম। মা খুব সন্তর্পণে আমার বিছানার এক পাশে গা এলিয়ে দিলেন। ৪১ বছরের এক পূর্ণযৌবনা নারী, আমার মা, আজ আমারই বিছানায় আমার পাশে। তাঁর শরীরের সেই পরিচিত চন্দনের সুবাস আর বৃষ্টির সোঁদা গন্ধ মিলে এক নেশাতুর পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। আমি তাঁর ঠিক পাশেই শুয়ে ছিলাম, আমাদের শরীরের দূরত্ব ছিল মাত্র কয়েক ইঞ্চি। মায়ের নাইটির খসখস শব্দ আর তাঁর নিশ্বাসের ওঠানামা আমি স্পষ্ট অনুভব করছিলাম।
মা একসময় আমার হাতটা টেনে নিয়ে নিজের বুকের কাছে রাখলেন। "সৌরভ, তুই বড় হয়ে গেছিস, এখন তোকে দেখলে আমার খুব ভরসা হয়।"
আমি কোনো উত্তর দিতে পারলাম না, শুধু তাঁর সেই নরম হাতের ছোঁয়া অনুভব করতে লাগলাম। মায়ের সেই আকর্ষণীয় শরীর, তাঁর নিতম্বের ভাঁজ আর কোমরের সেই বিশেষ ভঙ্গি যা আমি অন্ধকারেই আন্দাজ করতে পারছিলাম—সব মিলিয়ে আমি এক ঘোরের মধ্যে তলিয়ে গেলাম। সে রাতে মা আর নিজের ঘরে ফিরে যাননি। ভোরের আলো ফোটার আগে পর্যন্ত আমরা ওভাবেই পাশাপাশি ছিলাম। মাঝরাতে কয়েকবার তাঁর শরীরের ঘর্ষণ আমার গায়ে লেগেছে, যা আমাকে ঘুমাতে দেয়নি।
ভোর হওয়ার ঠিক আগে, যখন পাখিরা ডাকতে শুরু করেনি, মা হঠাৎ জেগে উঠলেন। তিনি খুব সতর্কভাবে বিছানা থেকে নামলেন। তাঁর অগোছালো চুল আর রাতের সেই নাইটিটা ঠিক করে নিয়ে আমার দিকে একবার তাকালেন। মায়ের চোখে তখন এক ধরণের কৃতজ্ঞতা আর হয়তো কিছুটা অপরাধবোধ ছিল।
মা নিচু হয়ে আমার কপালে একটা চুমু খেয়ে বললেন, "আমি যাচ্ছি। তোর বাবা আর সীতা ওঠার আগেই ঘরে ফিরতে হবে। তুই ঘুমা।"
মা বিড়ালের মতো নিঃশব্দে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। আমি শুয়ে শুয়ে দরজার দিকে তাকিয়ে রইলাম। বিছানার যে পাশে মা শুয়ে ছিলেন, সেখানটা তখনও গরম হয়ে আছে আর মায়ের শরীরের সেই মায়াবী ঘ্রাণ সেখানে লেগে আছে।
সকালে যখন খাওয়ার টেবিলে সবার সাথে দেখা হলো, মা তখন একদম স্বাভাবিক। বাবার পাতে রুটি তুলে দিচ্ছেন, সীতার চুলের বিনুনি করে দিচ্ছেন। তাঁর সেই গাম্ভীর্য আর সম্ভ্রান্ত গৃহিণীর রূপটা আবার ফিরে এসেছে। কিন্তু খাওয়ার ফাঁকে মা যখন আমার দিকে তাকালেন, তাঁর চোখের সেই ক্ষণিকের ঝিলিক আমাকে মনে করিয়ে দিল—কাল রাতের সেই গোপন আশ্রয়টুকু আমাদের দুজনের এক একান্ত সম্পদ হয়ে রয়ে গেছে।
বাবার নাক ডাকা আর সীতার ঘুমের সুযোগে মা আর আমার এই এক রাতের সান্নিধ্য আমাকে অনেক বেশি সাহসী করে তুলেছে। আমি এখন শুধু অপেক্ষায় আছি সেই দুপুরের, যখন এই বিশাল বাড়িতে আমি আর মা সম্পূর্ণ একা থাকব।
.
.
.
এরপর...... !!
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) -
Bad Boy - 09-14-2026
04
বৃষ্টির সেই রাতের পর থেকে আমাদের মধ্যে একটা অদৃশ্য সেতু তৈরি হয়ে গিয়েছিল। মা আগের মতোই গম্ভীর, আগের মতোই সম্ভ্রান্ত গৃহিণী; কিন্তু আমার জন্য তাঁর হুকুমগুলো এখন যেন অনেক বেশি নরম আর ব্যক্তিগত হয়ে উঠেছিল। আমি সুযোগের অপেক্ষায় ছিলাম, আর সেই সুযোগ এল ঠিক তিন দিন পর।
নির্জন দুপুরের সেই হাতছানি:
---------------------------
আজ বাবা কলেজে একটা বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার কাজে আটকে গিয়েছেন। ফিরতে বিকেল হবে। সীতা তার পাশের বাড়িতে একটি ছোট্ট মেয়ের সাথে খেলা করতে গিয়েছিল। বাড়িতে আমি আর মা—একেবারে একা। দুপুরের কড়া রোদ জানালার পর্দা ভেদ করে ঘরের ভেতর একটা গুমোট আবহাওয়া তৈরি করেছিল।
মা রান্নাঘরের কাজ শেষ করে নিজের ঘরে এসে ফ্যান ছেড়ে শুয়েছিলেন। আমি আমার ঘর থেকে মায়ের ঘরের দিকে পা বাড়ালাম। আমার হৃদপিণ্ড তখন কামারের হাপরের মতো ওঠানামা করছিল। দরজার পর্দা সরিয়ে ভেতরে ঢুকতেই দেখলাম, মা বিছানায় কাৎ হয়ে শুয়ে আছেন। পরনে সেই পাতলা নীল সুতির শাড়ি, যা তাঁর গায়ের ঘামে পিঠের সাথে লেপ্টে আছে। শাড়ির আঁচলটা অবিন্যস্তভাবে পায়ের কাছে পড়ে আছে, আর তাঁর সেই সুগঠিত ভারী নিতম্ব আর চিকন কোমরের ভাঁজটা এক অনন্য জ্যামিতি তৈরি করে রেখেছে।
আমি ধীরপায়ে বিছানার পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। মা চোখ বন্ধ করে ছিলেন, হয়তো তন্দ্রাচ্ছন্ন। আমি সাহস সঞ্চয় করে তাঁর গলার কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বললাম, "মা, তোমার কি আবার মাথাটা ব্যথা করছে?"
মা চমকে উঠে চোখ মেললেন। আমাকে দেখে তাঁর চোখে এক মুহূর্তের জন্য বিস্ময় ফুটে উঠলেও তিনি আবার শান্ত হলেন। একটু আড়মোড়া ভেঙে শুয়ে থেকেই বললেন, "না রে সৌরভ, শরীরটা কেমন যেন ম্যাজম্যাজ করছে। একটু পা দুটো টিপে দিবি?"
আমি আর দ্বিরুক্তি করলাম না। বিছানার নিচে বসে মায়ের পা দুটো নিজের কোলের ওপর তুলে নিলাম। মায়ের পায়ের পাতার নমনীয়তা আর আলতার লাল আভা আমাকে পাগল করে দিচ্ছিল। আমি যখন মালিশ করতে করতে ধীরে ধীরে তাঁর হাঁটুর দিকে উঠছিলাম, তখন আমার আঙুলগুলো বারবার শাড়ির ভাঁজ ছাড়িয়ে তাঁর সেই ফর্সা ও সুপুষ্ট উরুর কাছে পৌঁছাতে চাইছিল।
মা হঠাৎ একটু নড়ে উঠলেন। তাঁর শাড়িটা আরও একটু সরে গিয়ে তাঁর কোমরের সেই মেদযুক্ত আকর্ষণীয় অংশটা অনাবৃত হয়ে পড়ল। আমি সাহস করে আমার হাতটা পায়ের বদলে তাঁর কোমরের ওপর রাখলাম। মায়ের শরীরটা মুহূর্তের জন্য শক্ত হয়ে গেল।
মা আমার হাতটা সরিয়ে দিতে গিয়েও দিলেন না, শুধু নিচু স্বরে বললেন, "সৌরভ, ওটা কী করছিস? ওটা তো আর ব্যথার জায়গা না।"
মায়ের গলায় কোনো কঠোরতা ছিল না, বরং ছিল এক অদ্ভুত জড়তা। আমি আরও একটু সাহস সঞ্চয় করে মায়ের একদম কাছে ঘেঁষে বসলাম। তাঁর শরীরের সেই উত্তাপ আর গায়ের মাদকতাময় ঘ্রাণ আমার জ্ঞান হারিয়ে দিচ্ছিল। আমি তাঁর পিঠের ব্লাউজের নিচের খোলা অংশে হাত রেখে বললাম, "মা, তুমি তো জানো তোমার এই সৌরভ তোমার কত খেয়াল রাখে। তুমি একটু আরাম করো না।"
মা এবার আমার চোখের দিকে তাকালেন। তাঁর ৪১ বছরের অভিজ্ঞ চোখে এক ধরণের দোটানা—একদিকে তাঁর সম্ভ্রান্ত পরিবারের শিক্ষা আর মাতৃত্ব, অন্যদিকে একাকীত্বের অবচেতন তৃষ্ণা। তিনি আমার হাতটা আলতো করে সরিয়ে দিয়ে উঠে বসলেন। শাড়ির আঁচলটা গায়ে জড়িয়ে নিয়ে গম্ভীরভাবে বললেন, "অনেক হয়েছে, এখন যা তো। পড়াশোনা কর গিয়ে। বিকেলে তোর বাবা ফিরলে বাজারের ব্যাগ আনতে হবে।"
আমি বুঝতে পারলাম, মা পুরোপুরি সায় দিতে পারছেন না। তাঁর আভিজাত্যের দেয়ালটা এখনও শক্ত। কিন্তু তাঁর এই "যা তো" বলার মাঝে কোনো রাগ ছিল না, ছিল এক ধরণের প্রশ্রয়মাখা লজ্জা। আমি ঘর থেকে বেরিয়ে আসলাম ঠিকই, কিন্তু আমি জানতাম—বীজ বোনা হয়ে গেছে। মা আজ সরাসরি সায় না দিলেও, তাঁর শরীরের সেই মৃদু শিহরণ আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছিল যে তিনি আমার স্পর্শে একদম উদাসীন নন।
আমি মনে মনে হাসলাম। প্রথমবারেই কি আর সব পাওয়া যায়? আমি তাঁর সেই "হুকুমের গোলাম" হয়েই থাকব, যতক্ষণ না তিনি নিজেই আমাকে তাঁর কাছে টেনে নিচ্ছেন।
এরপর এইতো সেদিন, সোমবার বিকেলে বাবা কলেজে বাড়তি ক্লাসের জন্য আটকে গিয়েছিলেন, আর সীতা গিয়েছিল পাশের বাড়িতে থাকা ওর ছোট্ট বান্ধুবির বাসায়। আমি ড্রয়িংরুমে বসে টিভির রিমোট ঘোরাচ্ছিলাম, এমন সময় রান্নাঘর থেকে একটা কাঁচ ভাঙার শব্দ এল।
আমি এক দৌড়ে রান্নাঘরে গিয়ে দেখি, মা মেঝেতে বসে পড়েছেন। আলমারি থেকে কাঁচের বয়াম নামাতে গিয়ে সেটা হাত থেকে পড়ে ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। মা খুব বিব্রত মুখে কাঁচের টুকরোগুলো সরানোর চেষ্টা করছেন।
"মা, সরো! হাত কেটে যাবে তো!" আমি ব্যস্ত হয়ে তাঁর হাতটা ধরে ফেললাম।
মা আমার দিকে তাকিয়ে একটু মলিন হাসলেন। "দেখ তো সৌরভ, বয়স হচ্ছে বোধহয়। হাত থেকে জিনিস ফসকে যাচ্ছে।"
আমি মায়ের হাতটা ছাড়লাম না। উল্টো তাঁর পাশে মেঝেতে বসে পড়লাম। মায়ের সেই আকর্ষণীয় শরীরটা এখন আমার খুব কাছে। শাড়ির আঁচলটা কোমরে গোঁজা থাকায় তাঁর শরীরের প্রতিটি ভাঁজ আমার চোখের সামনে একেবারে স্পষ্ট। আমি কাঁচ সরাতে সরাতে লক্ষ্য করলাম, মায়ের পায়ের বুড়ো আঙুলের পাশ দিয়ে ফিনকি দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছে। একটা ছোট কাঁচের টুকরো ঢুকে গেছে।
"মা, রক্ত বেরোচ্ছে! তুমি একদম নড়বে না।"
আমি একরকম জোর করেই মাকে পাঁজাকোলা করে তুলে নিলাম। পায়ের মসৃণ পেটটা আমার সামনে উন্মুক্ত হয়ে আছে। আমি মাকে পাঁজাকোলে নিয়ে ড্রয়িংরুমের সোফায় বসালাম। ৪১ বছরের সেই সুপুষ্ট শরীরের ভার যখন আমার দুই হাতের ওপর পড়ল, তখন আমার ভেতরটা তোলপাড় হয়ে যাচ্ছিল। মায়ের গায়ের সেই চন্দন সাবানের ঘ্রাণ আর তাঁর নিশ্বাসের উষ্ণতা আমার ঘাড়ের ওপর আছড়ে পড়ছিল। মা কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে আমার কাঁধটা ধরেছিলেন। তাঁর সেই ধরায় কোনো বাধা ছিল না, ছিল এক ধরণের অসহায় নির্ভরতা।
সোফায় বসিয়ে আমি ফার্স্ট এইড বক্স নিয়ে এলাম। আমি হাঁটু গেড়ে মায়ের পায়ের কাছে বসলাম। আলতো করে তাঁর পা-টা নিজের কোলের ওপর তুলে নিলাম। মা প্রথমে একটু পা-টা সরিয়ে নিতে চাইলেন।
"সৌরভ, থাক না। আমি নিজেই পারব।"
আমি তাঁর চোখের দিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বললাম, "মা, বাবার তো খেয়াল নেই, অন্তত আমাকে তো নিজের কাজটা করতে দাও।"
আমার কথায় মা চুপ হয়ে গেলেন। তাঁর চোখে এক ধরণের বিচিত্র অনুভূতি খেলে গেল। আমি খুব সাবধানে চিমটা দিয়ে কাঁচের টুকরোটা বের করলাম। মা যন্ত্রণায় একটা অস্ফুট শব্দ করে আমার মাথাটা তাঁর দুই হাত দিয়ে চেপে ধরলেন। তাঁর হাতের আঙুলগুলো যখন আমার চুলে বিলি কাটছিল, তখন আমার মনে হচ্ছিল আমি কোনো পরম স্বর্গে আছি।
রক্ত বন্ধ করার জন্য আমি যখন ডেটল দিচ্ছিলাম, মা মৃদু স্বরে বললেন, "তোর হাতের ছোঁয়াটা বড় অদ্ভুত রে সৌরভ। খুব জ্বলে, কিন্তু আরামও লাগে।"
আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু তাঁর পায়ের নখ থেকে হাঁটু পর্যন্ত জমে থাকা ধুলো নিজ হাতে মুছে দিলাম। মা কোনো বাধা দিলেন না। বরং এক গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে সোফায় হেলান দিলেন। এই সাধারণ একটা চোট আমাদের মাঝখানের সেই অদৃশ্য দেয়ালটাকে আরও পাতলা করে দিল। মা হয়তো বুঝছিলেন যে এই ছেলেটা এখন আর কেবল ছেলে নেই, সে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় অবলম্বন হয়ে উঠছে।
বিকেলে বাবা যখন ফিরলেন, মা কিছুই বললেন না। শুধু আমার দিকে তাকিয়ে একবার হাসলেন। সেই হাসিতে এক ধরণের গোপন স্বীকৃতি ছিল।
মায়ের এই ছোট ছোট নির্ভরতাগুলোই আমাকে প্রতিদিন একটু একটু করে সাহসী করে তুলছিল। আমি বুঝতে পারছিলাম, মা তাঁর নিজের গণ্ডির ভেতরে থেকেও আমার জন্য দরজাটা একটু একটু করে খুলে দিচ্ছেন।
সন্ধ্যা হওয়ার পর থেকেই বাড়িতে এক ধরণের গভীর নিস্তব্ধতা। আমি আমার ঘরে বসে পড়ছিলাম, এমন সময় পাশের ঘর থেকে মায়ের কণ্ঠস্বর ভেসে এল।
"সৌরভ, একটু ভেতরে আয় তো বাবা। একটা খুব বিপদে পড়েছি।"
আমি তড়িঘড়ি করে মায়ের ঘরে ঢুকলাম। দেখলাম মা আলমারির সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। আলমারির পাল্লাগুলো খোলা, আর মেঝেতে শাড়ি-ব্লাউজ সব অগোছালো হয়ে ছড়িয়ে আছে। মা পরনে একটি বাসন্তী রঙের শাড়ি পরেছিলেন, যাতে তাঁর গায়ের ফর্সা বর্ণ আরও উজ্জ্বল দেখাচ্ছিল।
মা আমাকে দেখে বিরক্তির সুরে বললেন, "দেখ তো সৌরভ, এই আলমারির উপরের লকারটা কিছুতেই খুলছে না। বোধহয় চাবিটা ভেতরে আটকে গেছে। আমার সব দরকারি গয়না আর নথিপত্র ওখানে। ভেবেছিলাম আজকে একটু গুছিয়ে রাখবো"
সন্ধ্যা হওয়ার পর থেকেই বাড়িতে এক ধরণের গভীর নিস্তব্ধতা। আমি আমার ঘরে বসে পড়ছিলাম, এমন সময় পাশের ঘর থেকে মায়ের কণ্ঠস্বর ভেসে এল।
"সৌরভ, একটু ভেতরে আয় তো বাবা। একটা খুব বিপদে পড়েছি।"
আমি তড়িঘড়ি করে মায়ের ঘরে ঢুকলাম। দেখলাম মা আলমারির সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। আলমারির পাল্লাগুলো খোলা, আর মেঝেতে শাড়ি-ব্লাউজ সব অগোছালো হয়ে ছড়িয়ে আছে। মা পরনে একটি বাসন্তী রঙের শাড়ি পরেছিলেন, যাতে তাঁর গায়ের ফর্সা বর্ণ আরও উজ্জ্বল দেখাচ্ছিল।
মা আমাকে দেখে বিরক্তির সুরে বললেন, "দেখ তো সৌরভ, এই আলমারির উপরের লকারটা কিছুতেই খুলছে না। বোধহয় চাবিটা ভেতরে আটকে গেছে। আমার সব দরকারি গয়না আর নথিপত্র ওখানে।"
অনেকদিন পর শুক্রবারের সকালে বাড়িতে দাদার প্রবেশ যেন এক নিস্তব্ধ পুকুরে ঢিল ছোড়ার মতো হলো। দাদা (সোহাগ) ঢুকেই এক হইচই শুরু করে দিল—তার ইন্টার্নি কেমন চলছে, ক্যাম্পাসের গল্প, আরও কত কী! বাবা তো গদগদ হয়ে ছেলের কথা শুনছেন। আর মা? মাকে দেখে আমার মেজাজটা আরও বিগড়ে গেল।
মা সকাল থেকেই রান্নাঘরে ব্যস্ত। দাদার পছন্দের ইলিশ মাছের মাথা দিয়ে কচুর শাক, খাসির মাংস আর পায়েস—সব আয়োজন তাঁর বড় ছেলের জন্য। অথচ গত কয়েকদিন আমি তাঁর কত সেবা করেছি, কত যত্ন নিয়েছি, সে সব যেন নিমিষেই ধুলোয় মিশে গেল। মা যখন ঘামতে ঘামতে বড় বড় বাটিগুলো ডাইনিং টেবিলে সাজাচ্ছিলেন, তখন তাঁর মুখে এক অদ্ভুত তৃপ্তির হাসি। সেই হাসিটা আজ আমার জন্য ছিল না।
আমি গম্ভীর হয়ে ড্রয়িংরুমের সোফায় বসে বইয়ের পাতায় মুখ গুঁজে ছিলাম। মা কয়েকবার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেন, "কিরে সৌরভ, মুখটা এমন হাঁড়ি করে আছিস কেন? দাদা এসেছে, ওর সাথে কথা বল।"
আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু একবার আড়চোখে মায়ের সেই আকর্ষণীয় অবয়বটার দিকে তাকালাম। শাড়ির আঁচলটা তাঁর কোমরে শক্ত করে প্যাঁচানো, রান্নাঘরের গরমে কপালে টিপটা একটু সরে গেছে। মা যখন বড় একটা গ্লাসে শরবত নিয়ে দাদার ঘরে গেলেন, তখন আমার ভেতরের হিংসাটা চরমে পৌঁছাল।
দুপুরে খাবার টেবিলে বসে আমি আরও স্পষ্ট করে আমার বিরক্তি বুঝিয়ে দিলাম। মা আমার পাতে মাংসের সেরা টুকরোটা তুলে দিতে গেলেন, আমি হাত দিয়ে সরিয়ে দিলাম।
"লাগবে না মা। তোমার বড় ছেলের পাতেই সব দাও, আমি এমনিই খাব।"
মা এক মুহূর্তের জন্য থমকে গেলেন। টেবিলের সবার সামনে তিনি কিছু বললেন না, কিন্তু তাঁর ডাগর চোখের চাহনিতে একটা বিষণ্ণতা ফুটে উঠল। তিনি বুঝতে পারলেন তাঁর ছোট ছেলেটা আজ অবাধ্য হচ্ছে। বাবা আর দাদা তখন গল্পে মশগুল, তাঁরা আমার এই নীরব যুদ্ধটা টেরই পেলেন না।
খাওয়া শেষ করে আমি যখন গটগট করে নিজের ঘরে চলে আসলাম, তখন মা পেছন থেকে ডাকলেন, "সৌরভ, শোন..." আমি শুনলাম না।
বিকেলে দাদা আর বাবা যখন ড্রয়িংরুমে বসে টিভিতে ক্রিকেট খেলা দেখছিলেন, আমি তখন জানালার গ্রিল ধরে বাইরের ধূসর আকাশ দেখছিলাম। হঠাৎ দরজার কাছে একটা ছায়া পড়ল। মা।
মায়ের হাতে একটা পিরিচে দু'ফালি করে কাটা আম আর একটু নুন-লঙ্কার গুঁড়ো। তিনি ধীরপায়ে আমার কাছে এসে দাঁড়ালেন। বাড়িতে হইচই থাকলেও এই ঘরটা এখন একদম শান্ত।
মা খুব নিচু স্বরে বললেন, "আমার ওপর রাগ করেছিস বাবা? ও তো অনেকদিন পর এল, তাই একটু..."
আমি মুখ ঘুরিয়ে বললাম, "তুমি ওর সাথে থাকো মা। আমার সেবা তো আর তোমার লাগবে না। আমি তো শুধু তোমার ফাই-ফরমাশ খাটার লোক।"
মা আমটা টেবিলের ওপর রেখে আমার একদম কাছে এলেন। তাঁর শরীরের সেই পরিচিত চন্দন ঘ্রাণ আমাকে আবার পাগল করে দিচ্ছিল। মা আমার কাঁধে হাত রাখলেন। তাঁর আঙুলের স্পর্শে এক ধরণের মিনতি ছিল। ৪১ বছরের সেই সম্ভ্রান্ত নারী আজ যেন আমার কাছে ক্ষমা চাইছিলেন।
"পাগল ছেলে! তুই যে আমার কত আপন, তা কি মুখ ফুটে বলতে হয়? তুই পাশে না থাকলে তো আমার এই বাড়িটাই মরুভূমি মনে হতো।"
মায়ের সেই শান্ত কণ্ঠ আর চোখের ওই মমতা আমার সব রাগ ধুয়ে মুছে দিল। কিন্তু আমি মনে মনে ভাবলাম, মা, এই হইচই আমার ভালো লাগে না। বাবা আর দাদা না থাকলেই আমি তোমাকে সবচেয়ে বেশি কাছে পাই। তখন তুমি শুধু আমার, আর আমি তোমার সেই হুকুমের গোলাম।
মা আমার চুলে হাত বুলিয়ে দিয়ে বললেন, "এখন এগুলো খেয়ে নে। ওরা তো খেলায় মত্ত, তুই একটু আমার কাছে এসে বসবি? আলমারির নিচে অনেকগুলো কাপড় জমেছে, ওগুলো একটু গুছিয়ে দিস তো।"
আমি বুঝলাম, মা আমাকে শান্ত করার জন্য আবার কোনো বাহানা খুঁজছেন।
.
.
.
.
এরপর...... !!
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) -
Bad Boy - 09-14-2026
05
বিকেল গড়িয়ে যখন সন্ধ্যা নামল, মা আমাকে চোখের ইশারায় তাঁর ঘরে ডাকলেন। বাবা আর দাদা তখন ড্রয়িংরুমে বসে পুরোনো কোনো আত্মীয়ের গল্পে মশগুল। আমি যখন মায়ের ঘরে ঢুকলাম, দেখলাম মা আলমারির সামনে স্তূপ হয়ে থাকা এক গাদা ধোয়া কাপড় নিয়ে বসে আছেন।
মা নিচু স্বরে বললেন, "কিরে, এখনো রাগ কমেনি? মেজো ছেলেটা আমার এত জেদি হবে আগে বুঝিনি তো!"
আমি কোনো কথা না বলে বিছানার এক কোণে বসে কাপড় ভাঁজ করতে শুরু করলাম। মা আমার ঠিক পাশেই মেঝেতে বসে ছিলেন। ঘরের দরজাটা একটু ভেজানো। মা যখন কাপড়গুলো গুছিয়ে আমার হাতে দিচ্ছিলেন, তখন তাঁর হাতের স্পর্শে আমি এক ধরণের অধিকার অনুভব করছিলাম।
মা হঠাৎ খুব নরম গলায় বললেন, "সোহাগ তো পরশু আবার চলে যাবে। মাঝখানের এই সময়টায় ও একটু যত্ন পায় বলে কি তুই আমায় ভুল বুঝবি? এই ঘরে তো তুই-ই আমার চব্বিশ ঘণ্টার সঙ্গী।"
মায়ের এই স্বীকারোক্তি আমার ভেতরে এক ধরণের বিজয়ীর হাসি ফুটিয়ে তুলল। আমি মায়ের চোখের দিকে তাকালাম। মায়ের কপালে ঘাম জমেছে, আর তাঁর সেই ডাগর চোখে এক ধরণের আর্তি ছিল। আমি কাপড়ের ভাঁজ সরিয়ে দিয়ে মায়ের হাতের ওপর হাত রাখলাম।
মা চমকে উঠলেন, কিন্তু হাতটা সরিয়ে নিলেন না। আমি ফিসফিস করে বললাম, "মা, আমি চাই না তোমার ওপর অন্য কারোর অধিকার থাকুক। এমনকি দাদারও না।"
মা একটু হেসে আমার মাথাটা তাঁর বুকের কাছে টেনে নিলেন। তাঁর শরীরের সেই পরিচিত উষ্ণতা আর ব্লাউজের ভেতরের সেই মাতাল করা ঘ্রাণ আমাকে মুহূর্তের জন্য নিথর করে দিল। মা আমার চুলে বিলি কাটতে কাটতে বললেন, "পাগল ছেলে! তুই তো আমার কলিজার টুকরো।"
এভাবে দুই মা ছেলে মিলে সবগুলো কাপর গুছিয়ে ফেলেলাম।
আমাদের বাড়িতে প্রত্যেকের আলাদা আলাদা রুম আছে। এমন কি বাবা মায়ের ও আলাদা রুম আছে। কেননা মাঝেমধ্যেই বাবার রাত জেগে পরীক্ষার খাতা দেখতে হয়।
রাত প্রায় বারোটা। দাদা বাবার ঘরেই মেঝেতে বিছানা করে শুয়েছে, ওরা দুই বাপ-বেটা অনেক রাত পর্যন্ত কথা বলবে। সীতাও অনেক আগে ঘুমিয়ে পড়েছে। আমি জানতাম মা এখন একা ঘরে। আমি পা টিপে টিপে মায়ের ঘরে ঢুকলাম।
মা তখন জানালার দিকে মুখ করে শুয়ে ছিলেন। ঘরের নীল আলোয় তাঁর শরীরের সেই ভারী বাঁকগুলো এক মোহনীয় রূপ নিয়েছিল। আমি গিয়ে সরাসরি মায়ের বিছানায় তাঁর পিঠের কাছে বসলাম। মা জেগে ছিলেন, আমার উপস্থিতি বুঝতে পেরে তিনি পাশ ফিরে তাকালেন।
"সৌরভ? এত রাতে এখানে কেন বাবা? ঘুমাসনি?" মায়ের গলায় এক ধরণের আতঙ্ক মেশানো বিস্ময়।
আমি তাঁর প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে একটু ঝুঁকে তাঁর মুখের কাছে গিয়ে বললাম, "আমার ঘুম আসছে না মা। সারাদিন তুমি আমাকে অবহেলা করেছ, এখন সেটার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।"
আমি আমার হাতটা সরাসরি মায়ের পিঠের ওপর রাখলাম। নাইটির পাতলা কাপড়ের নিচ দিয়ে মায়ের মসৃণ ত্বকের স্পর্শে আমার শরীরে আগুন জ্বলে উঠল। মা একটু পিছিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে বললেন, "পাগল হয়েছিস? বাবা বা দাদা যদি উঠে আসে?"
আমি তাঁর কথার তোয়াক্কা না করে আরও চেপে বসলাম। আমার অন্য হাতটা দিয়ে তাঁর চুলের মুঠিটা আলতো করে ধরলাম। "কেউ আসবে না মা। আমি আজ তোমার পাশে এভাবেই থাকব।"
মায়ের চোখে তখন এক ধরণের তীব্র দ্বন্দ্ব। তাঁর ৪১ বছরের আভিজাত্য একদিকে, আর অন্যদিকে আমার এই উন্মাদের মতো ভালোবাসা। তিনি বুঝতে পারছিলেন আমি আজ আর কেবল সেই ছোট্ট ছেলেটি নেই যে তাঁর হুকুম শুনে ঘরে চলে যাবে।
মা চোখ বন্ধ করে ছিলেন, কিন্তু তাঁর দ্রুত নিশ্বাস আর বুকের ওঠা-নামা বলে দিচ্ছিল তিনি সজাগ। আমি সাহসে ভর করে আমার অন্য হাতটা দিয়ে তাঁর আলগা হয়ে থাকা চুলের রাশি একপাশে সরিয়ে দিলাম। তাঁর উন্মুক্ত ঘাড় আর কানের লতির পাশটা চাঁদের ম্লান আলোয় হিরের মতো চকচক করছিল।
আমি ফিসফিস করে বললাম, "মা, তোমার শরীরটা আজ খুব কাঁপছে। কিন্তু কেন?"
মা কোনো উত্তর দিলেন না, শুধু তাঁর হাতটা দিয়ে আমার হাতটা শক্ত করে চেপে ধরলেন—যেন তিনি আমাকে সরাতেও পারছেন না, আবার প্রশ্রয় দিতেও ভয় পাচ্ছেন। আমি আমার মুখটা আরও কাছে নিয়ে গেলাম। তাঁর গলার সেই পরিচিত চন্দন আর ঘামের মাদকতাময় গন্ধ আমাকে দিশেহারা করে দিচ্ছিল। আমি যখন আমার ঠোঁট তাঁর ঘাড়ের খুব কাছে নিয়ে আলতো করে ছোঁয়ালাম, মা এক অস্ফুট শব্দ করে আমার শার্টের হাতা খামচে ধরলেন।
৪১ বছরের এক সুগঠিত শরীর, যাঁর প্রতিটি বাঁক আজ আমার হাতের মুঠোয়। আমি আমার হাতটা আরও নিচে নিয়ে গেলাম, মায়ের সেই চওড়া নিতম্ব আর উরুর সন্ধিস্থলে নাইটির ভাঁজগুলো আরও কুঁচকে এল। মা এবার আমার চোখের দিকে তাকালেন। তাঁর ডাগর চোখে আজ কোনো শাসন নেই, ছিল এক ধরণের অদ্ভুত তৃষ্ণা আর আত্মসমর্পণ।
মা খুব নিচু স্বরে বললেন, "সৌরভ... অনেক হয়েছে বাবা, কেউ দেখে ফেললে সর্বনাশ হয়ে যাবে।"
কিন্তু তাঁর গলার সেই মিনতি ছিল বড় দুর্বল। আমি তাঁর হাতের ওপর আমার আঙুল বুলিয়ে বললাম, "কেউ দেখবে না মা। এই রাতটা শুধু আমাদের। আজ সারাদিন তুমি দাদার কাছে ছিলে, এখন তোমার প্রতিটি নিশ্বাস শুধু আমার জন্য।"
আমি যখন মায়ের কোমরের সেই মেদযুক্ত আকর্ষণীয় ভাঁজে আমার আঙুলগুলো দিয়ে একটু চাপ দিলাম, মা আমার বুকে মাথা এলিয়ে দিলেন। তাঁর সেই উন্নত বক্ষ আমার শরীরে আছড়ে পড়ছিল, আর আমার হাতের তালুতে তখন মায়ের শরীরের প্রতিটি কাঁপুনি স্পষ্ট অনুভূত হচ্ছিল। আমরা ওভাবেই দীর্ঘক্ষণ বসে রইলাম। মা হয়তো মনে মনে তাঁর আভিজাত্য আর সম্ভ্রান্তবোধের সাথে লড়াই করছিলেন, কিন্তু তাঁর শরীরের এই উষ্ণতা আর আমার প্রতি এই নিঃশব্দ আত্মসমর্পণ বলে দিচ্ছিল—তিনিও এই নিষিদ্ধ স্পর্শের অতল গভীরে ডুব দিতে শুরু করেছেন।
পরদিন সকালে যখন রোদেলা আকাশ দেখা দিল, বাড়িটা আবার সেই পরিচিত হইচইয়ে ভরে উঠল। দাদা ডাইনিং টেবিলে বসে জোর গলায় গল্প করছে, আর বাবা চায়ে চুমুক দিচ্ছেন। মা রান্নাঘর থেকে বেরোলেন একটা বড় ট্রেতে জলখাবার নিয়ে।
মা যখন টেবিলের কাছে এলেন, সবার নজর তখন দাদার গল্পের দিকে। আমি চুপচাপ চেয়ারে বসে ছিলাম। মা যখন আমার সামনে প্লেটটা রাখলেন, তখন হঠাৎ করেই তাঁর বাঁ হাতের আঙুলগুলো আমার হাতের তালুতে একটু বেশি সময় ধরে চেপে ধরলেন। তাঁর সেই এক মুহূর্তের স্পর্শে কাল রাতের সবটুকু দহন আর গোপন স্বীকৃতি মিশে ছিল।
আমি মায়ের চোখের দিকে তাকালাম। মা দ্রুত চোখ সরিয়ে নিলেন, কিন্তু তাঁর ঠোঁটের কোণে একটা ম্লান লাজুক হাসি ফুটে উঠেছিল—যা কেবল আমিই দেখতে পেলাম। সবার সামনে তিনি সেই সম্ভ্রান্ত গৃহিণী, কিন্তু ওই টেবিলের তলায় আমাদের যে নীরব ইশারা বিনিময় হলো, তা দাদাকে পরিবেশন করা রাজকীয় খাবারের চেয়েও অনেক বেশি তৃপ্তিদায়ক ছিল।
দাদা বলল, "মা, আজকের লুচিটা দারুণ হয়েছে!"
মা আমার দিকে একবার তাকিয়ে মিষ্টি করে হেসে দাদাকে বললেন, "তোর ভাইয়ের পছন্দমতোই তো করেছি, ও আবার বেশি তেল পছন্দ করে না।"
মায়ের এই প্রতিটি কথায় আজ আমার জন্য এক আলাদা জয়ধ্বনি বাজছিল।
দাদার উপস্থিতিতেও মায়ের এই নীরব প্রশ্রয় আমাদের সম্পর্ককে এক অনন্য স্তরে নিয়ে গেল।
বিকেলের রোদটা তখন ম্লান হয়ে আসছিল। বাড়ির ভেতর একটা অদ্ভুত ব্যস্ততা—দাদা তার ব্যাগ গুছাচ্ছে, বাবা তাকে শেষ মুহূর্তের কিছু উপদেশ দিচ্ছেন। আমি জানি, কাল সকালেই দাদা চলে যাবে। ড্রয়িংরুমে ওদের গলা শোনা যাচ্ছিল, আর মা তখন নিজের ঘরে আলমারির সামনে দাঁড়িয়ে দাদার জন্য কিছু শুকনো খাবার আর নতুন কেনা পাঞ্জাবিটা গুছিয়ে দিচ্ছিলেন।
আমি পা টিপে টিপে মায়ের ঘরে ঢুকলাম। দরজাটা আধখোলা ছিল, আমি ভেতরে ঢুকে আলতো করে ভেজিয়ে দিলাম। মা তখন নিচু হয়ে একটা বড় ব্যাগে শার্টগুলো ভাঁজ করে রাখছিলেন। শাড়ির আঁচলটা তাঁর কোমরে গোঁজা, আর নিচু হওয়ার কারণে তাঁর সেই ভারী নিতম্ব আর সুগঠিত কোমর শাড়ির ভাঁজে এক উত্তাল দৃশ্য তৈরি করেছিল। বিশাল পাছাটা কাপড় ফেটে বেরিয়ে আসতে চাইছে যেন!
আমি পিছু ফিরে দাঁড়ানো মায়ের ঠিক পেছনে গিয়ে দাঁড়ালাম। আমার শরীরের ছায়াটা তাঁর ওপর পড়তেই মা একটু চমকে উঠলেন, কিন্তু ঘুরে তাকালেন না। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন এটা কে।
"সৌরভ? এখানে কেন? দাদাকে সাহায্য কর গে যা," মা নিচু স্বরে বললেন। তাঁর গলায় শাসনের চেয়ে এক ধরণের কম্পন বেশি ছিল।
আমি কোনো উত্তর না দিয়ে আরও এক ধাপ এগোলাম। মায়ের পিঠের খুব কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম। তাঁর সেই চন্দন সাবানের ঘ্রাণ আর রান্নার হালকা মশলার গন্ধ মিলে এক মায়াবী সুবাস আমার নাকে ধাক্কা দিচ্ছিল। আমি সাহস করে আমার হাতটা মায়ের কোমরের সেই উন্মুক্ত অংশে রাখলাম, যেখানে ব্লাউজ আর শাড়ির মাঝখানে ফর্সা চামড়াটা ঘামে হালকা ভিজে ছিল।
মা শিউরে উঠলেন। তাঁর হাতের কাজটা থেমে গেল। "সৌরভ... কী করছিস? বাইরে ওরা আছে, কেউ চলে আসবে!"
আমি ফিসফিস করে তাঁর কানের একদম কাছে গিয়ে বললাম, "ওরা এখন ব্যস্ত মা। কাল তো দাদা চলেই যাচ্ছে। আজ বিকেলটা কি আমার পাওনা নয়?"
আমি আমার অন্য হাতটা দিয়ে মায়ের কাঁধ ধরে তাঁকে নিজের দিকে ঘোরালাম। মা যখন ঘুরে আমার মুখোমুখি হলেন, তাঁর মুখটা ছিল একদম লাল। ৪১ বছরের এক সম্ভ্রান্ত নারী, যাঁর ডাগর চোখে এখন এক ধরণের অসহায় আত্মসমর্পণ। তাঁর বুকটা দ্রুত ওঠানামা করছিল, যা পাতলা শাড়ির নিচ দিয়ে স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছিল।
আমি মায়ের গালে হাত রাখলাম। তাঁর চামড়াটা আগুনের মতো গরম। মা আমার চোখের দিকে তাকাতে পারছিলেন না। তিনি আমতা আমতা করে বললেন, "তুই বড্ড অবাধ্য হয়েছিস সৌরভ। এমন করলে আমি কিন্তু আর তোর ঘরে যাব না।"
আমি হাসলাম। "তুমি যাবে মা। কারণ তুমি জানো, আমি ছাড়া তোমার এই রূপের কদর আর কেউ বোঝে না।"
আমি যখন আমার আঙুলগুলো দিয়ে মায়ের ঠোঁটের নিচে সেই ছোট্ট তিলটা ছুঁলাম, মা এক গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে আমার বুকে মাথা রাখলেন। তাঁর সেই উন্নত বক্ষ আমার শরীরে আছড়ে পড়ছিল। বাইরে তখন দাদার হাঁকডাক শোনা যাচ্ছিল, কিন্তু এই ঘরের ভেতর আমরা দুজন এক নিষিদ্ধ স্বর্গের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলাম।
মা আমার শার্টের হাতা খামচে ধরে ফিসফিস করে বললেন, "এখন যা বাবা, প্লিজ। রাতে... রাতে কথা হবে। এখন বেরো।"
মায়ের এই "রাতে কথা হবে" আশ্বাসটুকু আমার কাছে যেন এক মস্ত বড় বিজয়। আমি মায়ের কপালে আলতো করে একটা স্পর্শ দিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এলাম। ড্রয়িংরুমে গিয়ে দাদার সাথে হাসিমুখে কথা বলতে শুরু করলাম, কিন্তু আমার মনের ভেতরে তখন রাতের সেই নির্জন মুহূর্তের জন্য এক উন্মাদনা কাজ করছিল।
দাদা কাল চলে যাবে, আর মা আমাকে রাতের জন্য কথা দিয়েছেন।
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) -
Bad Boy - 09-14-2026
06
রাত তখন গভীর। দাদা আর বাবার ঘরের বাতি অনেক আগেই নিভে গেছে। সারাদিনের হইচই শেষে বাড়িটা এখন একদম নিস্তব্ধ। জানালার বাইরে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক আর মাঝেমধ্যে বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ ছাড়া আর কোনো প্রাণের স্পন্দন নেই। আমি আমার বিছানায় শুয়ে ছটফট করছিলাম, কানে বাজছিল বিকেলের সেই প্রতিশ্রুতি—"রাতে কথা হবে"।
আমি ঘড়ির কাঁটার দিকে তাকালাম। একটা বাজে। এবার পা টিপে টিপে ঘর থেকে বেরোলাম।মায়ের ঘরের দরজাটা আজ পুরোপুরি বন্ধ ছিল না, সামান্য ফাঁক হয়ে ছিল। আমি ভেতরে ঢুকতেই দেখলাম মা জানালার দিকে মুখ করে শুয়ে আছেন। ঘরের নীলচে ম্লান আলোয় তাঁর শাড়ির ভাঁজগুলো এক রহস্যময় পাহাড়ের মতো দেখাচ্ছিল। আমি গিয়ে সরাসরি বিছানার একপাশে বসলাম।
নিশিরাতের নিবিড় অঙ্গ-বন্দনা:
----------------------------
আমি হাত বাড়ালাম মায়ের সেই অনাবৃত ঘাড়ের দিকে। ৪১ বছরের পরিপক্ক চামড়া, অথচ কী অদ্ভুত মসৃণ! আমি আঙুল বোলাতে বোলাতে ফিসফিস করে বললাম, "মা, তোমার এই ঘাড়ের ভাঁজগুলো যেন চন্দনের কারুকাজ। এখানে মুখ রাখলে মনে হয় সারা পৃথিবীর ঘ্রাণ এখানেই লুকিয়ে আছে।"
মা শিউরে উঠলেন, তাঁর দুচোখ বুজে এল। আমি এবার আমার হাতটা নামিয়ে আনলাম তাঁর কাঁধের নিচ দিয়ে, যেখানে পাতলা নাইটির আড়ালে তাঁর সেই উন্নত এবং ভারী স্তনযুগল সগর্বে জেগে ছিল। আমি আলতো করে হাত রাখলাম সেই মাংসল পাহাড়ে। নাইটির পাতলা কাপড়ের ওপর দিয়েও তাদের সুপুষ্ট গোল গোল ভাবটা আমার হাতের তালুতে ধরা দিচ্ছিল।
আমি একটু চাপ দিয়েই সঙ্গে সঙ্গে বললাম, "দেখো মা, তোমার এই বুক দুটো কত ভরাট, কত জীবন্ত! বাবা কি কখনো এভাবে এদের আদর করেছে? এরা তো কোনো দেবীর মন্দিরের কলসের মতো সুন্দর।"
মা এক গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে আমার শার্টের হাতা খামচে ধরলেন। তাঁর মুখ দিয়ে একটা অস্ফুট গোঙানি বেরিয়ে এল। আমি এবার সাহস করে হাতটা আরও নিচে নিয়ে গেলাম, তাঁর চিকন কোমর আর নাভির সেই মেদযুক্ত অংশে। মায়ের পেটটা ছিল এক অদ্ভুত নমনীয়তায় ভরা। আমি আমার আঙুল দিয়ে তাঁর নাভির চারপাশের সেই ফর্সা চামড়াটা ছুঁলাম।
"তোমার এই নাভিটা যেন এক গভীর হ্রদ, মা। আর এই কোমরের মেদযুক্ত ভাঁজগুলো... এগুলো তো কোনো সাধারণ নারীর হয় না। তুমি তো সাক্ষাৎ কামনাময়ী কোনো রূপসী।"
আমার প্রতিটি প্রশংসায় মা যেন আরও বেশি গলে যাচ্ছিলেন। তিনি বাধা দেওয়ার শক্তি হারিয়ে ফেলেছিলেন। আমি এবার আমার হাতটা নিয়ে গেলাম তাঁর ভারী আর চওড়া নিতম্বের দিকে। নাইটির নিচ দিয়ে সেই বিশাল মাংসল অংশটা যখন আমার হাতের মুঠোয় এল, আমি স্থির থাকতে পারলাম না। ৪১ বছরের এক সম্ভ্রান্ত গৃহিণীর এই যে গোপন সম্পদ, তা আজ আমার স্পর্শে থরথর করে কাঁপছে।
আমি আলতো করে সেখানে চাপ দিয়ে বললাম, "মা, তোমার এই নিতম্বের গড়ন কোনো রাজকীয় মূর্তির চেয়েও আকর্ষণীয়। এই যে এর ভার, এর কোমলতা—এসবই তো আমার মাথা খারাপ করে দেয়।"
রাতের গভীর স্তব্ধতায় আমাদের শরীরের নৈকট্য যখন তুঙ্গে, মা তখন এক অদ্ভুত দ্বন্দ্বে ছিঁড়ে যাচ্ছিলেন। একদিকে তাঁর ৪১ বছরের সংস্কার, আভিজাত্য আর মাতৃত্ব—অন্যদিকে আমার হাতের এই নিষিদ্ধ স্পর্শের আগুন। আমি যখন তাঁর উরুর সেই কোমল ভাঁজে আঙুল চালাচ্ছিলাম, মা তখন আমার বুকের ওপর মুখ লুকিয়ে থরথর করে কাঁপছিলেন।
মায়ের সেই কাঁপুনি ভয়ের ছিল না, ছিল এক অবদমিত কামনার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ। আমি যখন তাঁর কানে ফিসফিস করে তাঁর দেহের প্রতিটি বাঁকের প্রশংসা করছিলাম, তখন তিনি নিজেকে সামলানোর এক শেষ চেষ্টা করলেন। কিন্তু তাঁর সেই চেষ্টা ছিল বড় শোচনীয়।
মা আমার কাঁধটা খামচে ধরে মুখ তুললেন। তাঁর ডাগর চোখ দুটো তখন নেশাতুর, কপালে হালকা ঘামের বিন্দু। তিনি খুব অস্ফুট, কামুক এক ভাঙা গলায় বললেন:
"সৌরভ... ছিঃ বাবা... এটা করিস না... আমি তোর মা। শাস্ত্রে আছে... জন্মদাত্রী মায়ের শরীর স্পর্শ করা মহাপাপ। তুই... তুই এমন অধর্মের পথে পা বাড়াস না..."
মুখে নীতিবাক্য বললেও মায়ের শরীরের ভাষা ছিল একদম উল্টো। তিনি যখন "মহাপাপ" শব্দটা উচ্চারণ করলেন, ঠিক তখনই আমি আমার হাতটা নাইটির নিচ দিয়ে তাঁর ভারী আর মাংসল নিতম্বের গভীরে আরও শক্ত করে চেপে ধরলাম। মা যন্ত্রণায় না কি সুখে, এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে আমার ঘাড়ে মুখ ঘষলেন। তাঁর সেই গরম নিশ্বাস আমার রক্তে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছিল।
মা আবার বলতে লাগলেন, "সমাজের চোখে... আমরা জঘন্য হয়ে যাব... তোর বাবা জানলে... আত্মঘাতী হবেন তিনি... আমাদের বংশের আভিজাত্য ধুলোয় মিশবে... ছাড় আমাকে..."
কিন্তু তাঁর সেই "ছাড় আমাকে" বলার মাঝে কোনো জোর ছিল না। বরং তিনি নিজেই আরও নিবিড়ভাবে আমার শরীরের সাথে মিশে যাচ্ছিলেন। তাঁর উন্নত আর ভরাট স্তনযুগল তখন আমার বুকের সাথে পিষ্ট হচ্ছিল। আমি তাঁর কানের লতিতে কামড় দিয়ে ফিসফিস করে বললাম, "মা, আজ রাতের এই অন্ধকারে কোনো সমাজ নেই, কোনো শাস্ত্র নেই। শুধু তুমি আছো আর তোমার এই রূপের তৃষ্ণার্ত আমি আছি।"
মায়ের নীতিবাক্যগুলো ক্রমশ অসংলগ্ন হয়ে পড়ল। তিনি বলতে চাইলেন, "এটা ঘোর কলিযুগ..." কিন্তু বাক্যটা শেষ করার আগেই আমার হাত যখন তাঁর উন্মুক্ত উরুর ভেতরের দিকে আরও গভীরে প্রবেশ করল, তখন তাঁর মুখ দিয়ে শুধু এক লম্বা হাহাকারের মতো গোঙানি বেরিয়ে এল।
মা আমার চুলে বুনোভাবে বিলি কাটতে কাটতে এক অদ্ভুত ঘোরের মধ্যে বললেন, "ঈশ্বর আমাকে ক্ষমা করবেন না রে... কিন্তু তোর এই ছোঁয়া... এই বিষাক্ত ছোঁয়া যে আমাকে পাগল করে দিচ্ছে... তুই কেন আমাকে এতোটা নিচে নামাচ্ছিস সৌরভ?"
মায়ের এই শোচনীয় অবস্থা দেখে আমি বুঝতে পারলাম, তাঁর মনের নীতিবোধ আজ তাঁর শরীরের কামনার কাছে পরাজিত হয়েছে। তিনি মুখে যা-ই বলুন না কেন, তাঁর প্রতিটি পেশি আজ আমার এই নিষিদ্ধ স্পর্শের জন্য হাহাকার করছে। ৪১ বছরের এক সম্ভ্রান্ত * গৃহিণী আমার জন্মদাত্রী, আজ আমার হাতের মুঠোয় এক সাধারণ কামাতুর নারীর মতো ভেঙে পড়েছেন।
রাতের এই নিস্তব্ধতা যেন আমাদের দুই শরীরের উত্তাপে পুড়ছিলো। আমি আর শুধু বসে রইলাম না, ধীরে ধীরে মায়ের সেই ৪১ বছরের সুপুষ্ট শরীরের ওপর নিজের ভার ছেড়ে দিলাম। আমার শরীরের চাপে মা বিছানার সাথে আরও লেপ্টে গেলেন। পাতলা নাইটির আড়াল থাকলেও আমাদের শরীরের প্রতিটি খাঁজ একে অপরের অস্তিত্ব টের পাচ্ছিল। আমি মায়ের দুই কানের পাশে হাত রেখে তাঁর মুখের একদম ওপরে নিজের মুখটা নিয়ে গেলাম।
মায়ের ডাগর চোখ দুটো এখন আধবোজা, ঘন ঘন নিশ্বাসের সাথে তাঁর উন্নত বক্ষ আমার বুকের সাথে পিষ্ট হচ্ছে। আমি আমার মুখটা তাঁর কানের কাছে নিয়ে গেলাম এবং দাঁত দিয়ে আলতো করে তাঁর কানের লতিতে একটা কামড় দিলাম। মা শিউরে উঠে এক দীর্ঘশ্বাস ফেললেন, তাঁর হাত দুটো আমার পিঠের ওপর খামচে বসল।
আমি ফিসফিস করে কামুক কণ্ঠে বললাম, "মা, তোমার এই কান, তোমার এই ঘাড়... এখান থেকে যে চন্দনের গন্ধ বেরোচ্ছে, তা কোনো সাধারণ মানুষের হতে পারে না। তুমি কি জানো, তোমার এই ভরাট গাল আর ডাগর চোখ আমাকে কত রাত জাগিয়ে রেখেছে?"
মা তখন এক ঘোরের মধ্যে। তাঁর সেই নীতিবাক্যগুলো এখন কেবল অস্ফুট গোঙানিতে পরিণত হয়েছে। আমি আমার ঠোঁট জোড়া তাঁর ঠোঁটের খুব কাছে নিয়ে গেলাম, কিন্তু স্পর্শ করলাম না। সেই দূরত্বটুকু বজায় রেখেই আমি তাঁর প্রতিটি অঙ্গের প্রশংসা করতে লাগলাম।
আমি আমার এক হাত নিচে নামিয়ে আনলাম তাঁর ফর্সা আর মেদযুক্ত পেটের ওপর। নাইটিটা একটু কুঁচকে ওপরে উঠে গিয়েছিল, ফলে আমার হাতের তালু সরাসরি তাঁর মসৃণ ত্বকের স্পর্শ পেল। আমি তাঁর নাভির চারপাশের সেই নরম ভাঁজগুলো অনুভব করতে করতে বললাম, "মা, তোমার এই পেটটা কত নরম, কত শুদ্ধ! অথচ এখানে হাত রাখলে আমার রক্তে আগুন জ্বলে ওঠে। তোমার এই চিকন কোমর, যা আমি এক হাতে জড়িয়ে ধরতে পারি, তা কোনো কিশোরীর চেয়েও বেশি আকর্ষণীয়।"
মা এবার তাঁর মাথাটা বালিশে এদিক-ওদিক ঘষতে লাগলেন। তাঁর মুখ দিয়ে বেরিয়ে এল, "সৌরভ... থামা... আর পারছি না... তুই আমাকে জ্বালিয়ে দিলি..."
আমি থামলাম না। আমার হাঁটু দিয়ে তাঁর উন্মুক্ত উরু দুটোর মাঝখানে একটু চাপ সৃষ্টি করলাম। মা অজান্তেই তাঁর পা দুটো আরও ফাঁক করে দিলেন। আমি আমার হাতটা আরও নিচে নিয়ে গিয়ে তাঁর ভারী আর মাংসল নিতম্বের এক পাশটা নিজের শক্ত মুঠোয় ধরলাম। ৪১ বছরের এক সম্ভ্রান্ত * গৃহিণীর এই যে গোপন সম্পদ, তা আজ আমার হাতের চাপে পিষ্ট হচ্ছে।
আমি তাঁর কানের লতিতে আবার মৃদু কামড় দিয়ে বললাম, "তোমার এই নিতম্বের ভার, তোমার এই উত্তাল শরীরের প্রতিটি বাঁক—সবই আজ আমার। বাবা তো শুধু তোমার কপালে সিঁদুর দিয়েছেন, কিন্তু আমি... আমি তোমার প্রতিটি ইঞ্চি জয় করছি মা।"
মায়ের শরীরের প্রতিটি পেশি তখন তপ্ত তলোয়ারের মতো টানটান হয়ে আছে। তিনি এক বুনো আক্রোশে আমার ঘাড়টা জড়িয়ে ধরলেন এবং নিজের শরীরটা আমার সাথে আরও নিবিড়ভাবে ঘষতে লাগলেন। তাঁর সেই শোচনীয় অবস্থা দেখে আমার মনে হলো, নীতিবোধের শেষ বাঁধটুকুও আজ এই কামনার জোয়ারে ভেসে গেছে। তিনি এখন শুধু এক তৃষ্ণার্ত নারী, আর আমি তাঁর সেই গোপন লালসার একমাত্র অধিপতি।
এবার আমি আমার হাত দুটো দিয়ে মায়ের ভারী আর সুপুষ্ট স্তনযুগলকে নাইটির ওপর দিয়েই হাতের মাপে মেপে নিচ্ছিলাম। ৪১ বছরের পরিপক্কতা তাদের মধ্যে যে ভার আর দৃঢ়তা দিয়েছিল, তা অনুভব করে আমি শিউরে উঠছিলাম। আমি তাঁর কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বললাম, "মা, তোমার এই শরীরটা যেন মাখনের তৈরি। কোথাও এক বিন্দু খুত নেই।"
মা তখন তাঁর দুই হাত দিয়ে আমার পিঠ খামচে ধরেছেন। তিনি উত্তর দিচ্ছিলেন না, কিন্তু তাঁর শরীরের প্রতিটি পেশির কম্পন বলে দিচ্ছিল তিনি এক অসহ্য সুখে দগ্ধ হচ্ছেন। আমি আমার হাতটা আরও নিচে নামিয়ে তাঁর উন্মুক্ত উরু আর নিতম্বের সন্ধিস্থলে নিয়ে গেলাম। সেখানে তাঁর মসৃণ চামড়ার ওপর আঙুল চালাতে চালাতে আমি অনুভব করছিলাম, মা কীভাবে ধীরে ধীরে তাঁর সংস্কারের খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসছেন।
মা একসময় কাঁপা কাঁপা গলায় শুধু বললেন, "সৌরভ... কাল সকালে আমি কারোর চোখে চোখ রাখতে পারব না রে... তুই আমাকে একদম শেষ করে দিলি।"
আমি তাঁর কপালে কপাল ঠেকিয়ে বললাম, "শেষ নয় মা, আজ থেকে তোমার এই শরীরটা শুধু আমার মতো করে চলবে।"
এরপর পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে আমরা সারারাত ওভাবেই কাটলাম। কোনো সঙ্গম নয়, শুধু আমাদের হাত দুটো একে অপরের শরীরকে ইঞ্চি ইঞ্চি করে চিনে নিচ্ছিল। আমি মায়ের চিকন কোমরের ভাঁজ থেকে শুরু করে তাঁর পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত প্রতিটি অঙ্গ স্পর্শ করে দেখছিলাম। মা-ও যেন এক অবদমিত তৃষ্ণায় আমার হাতের পেশি আর পিঠের গঠন অনুভব করছিলেন। মাঝরাতে কয়েকবার মা শিউরে উঠে আমার বুকে মুখ লুকিয়ে কেঁদে ফেলেছিলেন, কিন্তু পরক্ষণেই আবার আমাকে আরও নিবিড়ভাবে জড়িয়ে ধরেছিলেন।
ভোর হওয়ার ঠিক আগে, যখন জানালার বাইরে আকাশের রঙ কালচে থেকে ধূসর হতে শুরু করেছে, মা হঠাৎ সজাগ হয়ে উঠলেন। তিনি খুব সন্তর্পণে আমার বাহুপাশ থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিলেন। তাঁর নাইটিটা অগোছালো, চুলগুলো যেন ঝড়ের পরের তছনছ হওয়া অরণ্য।
মা বিছানা থেকে নেমে দাঁড়িয়ে একবার আয়নার সামনে গিয়ে থামলেন। নিজের বিধ্বস্ত রূপ দেখে তিনি এক মুহূর্তের জন্য থমকে গেলেন। তারপর আমার দিকে ফিরে তাকালেন। তাঁর চোখে তখন এক রাজকীয় গাম্ভীর্য আর অপরাধবোধের এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ।
মা নিচু হয়ে আমার কপালে একটা দীর্ঘ চুমু দিলেন। তাঁর ঠোঁটের সেই স্পর্শ ছিল বরফের মতো শীতল অথচ আগুনের মতো দাহ্য। তিনি ফিসফিস করে বললেন, "এখন যা সৌরভ। তোর দাদা ওঠার আগে তোকে নিজের ঘরে যেতে হবে। মনে রাখিস, আজকের এই রাতটা আর কোনোদিন আসবে না,.. কোনোদিন না।"
আমি জানতাম মা এটা নিজেকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য বলছেন। আমি যখন নিজের ঘরে ফিরে আসলাম, আমার হাতের তালুতে তখনও মায়ের শরীরের সেই উষ্ণতা, তাঁর ত্বকের মসৃণতা আর চন্দনের সুবাস লেগে ছিল।
সকালে যখন সূর্যের আলো চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল, মা তখন একদম স্বাভাবিক। তিনি রান্নাঘরে দাদাকে বিদায় দেওয়ার জন্য নাস্তা তৈরি করছেন। কিন্তু খাওয়ার টেবিলে যখন মা দাদাকে আশীর্বাদ করতে গিয়ে তাঁর হাত তুললেন, আমি দেখলাম মায়ের আঙুলগুলো সামান্য কাঁপছে। মা একবার আমার চোখের দিকে তাকালেন, আর সেই এক মুহূর্তের চাহনিতে কাল রাতের সমস্ত নিষিদ্ধ স্পর্শের স্মৃতি বিদ্যুতের মতো খেলে গেল। মা দ্রুত চোখ সরিয়ে নিলেন, কিন্তু আমি জানতাম—আজকের পর থেকে এই বাড়ির প্রতিটি দেয়াল আমাদের গোপন সখ্যতার সাক্ষী হয়ে রইল।
দাদা চলে গেলো।
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) -
Bad Boy - 09-14-2026
07
দাদা চলে যাওয়ার পর বাড়িটা যেন হঠাৎ করেই অনেক বড় আর নিস্তব্ধ হয়ে গেল। বাবা কলেজে চলে গেছেন, সীতাও ওর বান্ধবীর বাড়িতে। তপ্ত দুপুরের রোদে চারপাশ খাঁ খাঁ করছে। বাইরের নিস্তব্ধতা যেন ঘরের ভেতরের উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছিল। মা রান্নাঘরের কাজ সেরে স্নান করে নিজের ঘরে ঢুকেছিলেন।
আমি জানতাম, গতকাল রাতের সেই 'হাতের মাপ' নেওয়া স্পর্শগুলো মায়ের শরীরের রক্তে এক ধরণের অস্থিরতা তৈরি করে দিয়ে গেছে।
আমি যখন মায়ের ঘরের দরজায় দাঁড়ালাম, দেখলাম মা জানালার দিকে পেছন ফিরে দাঁড়িয়ে আলমারি থেকে একটা শাড়ি বের করছেন। স্নান সেরে এসেছেন বলে তাঁর চুলগুলো ভেজা, পিঠের ওপর ছড়িয়ে আছে। তাঁর পরনে কেবল একটি পাতলা সায়াসমেত ব্লাউজ। ভিজে চুলের জল চুইয়ে তাঁর ব্লাউজের পেছনের অংশটা কামড়ে ধরেছে তাঁর ফর্সা পিঠের সাথে।
আমি নিঃশব্দে ভেতরে ঢুকে পেছন থেকে মাকে জড়িয়ে ধরলাম। মা চমকে উঠলেন, কিন্তু চিৎকার করলেন না। তাঁর শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল।
"সৌরভ! কেউ এসে পড়বে... ছাড় আমাকে," মা হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন, কিন্তু তাঁর শরীরটা আমার দিকেই হেলে পড়ল।
আমি তাঁর ঘাড়ে মুখ গুঁজে ফিসফিস করে বললাম, "মা, এখন এই বাড়িতে আমরা ছাড়া কেউ নেই। কাল রাতে যা শুধু হাতের মাপে চিনেছি, আজ তা সরাসরি দেখতে চাই।"
আমি আমার হাত দুটো মায়ের পেটের ওপর দিয়ে জড়িয়ে ধরলাম। স্নান করা শরীরের সেই শীতলতা আর ব্লাউজের নিচ দিয়ে তাঁর তপ্ত চামড়ার ছোঁয়া আমাকে পাগল করে দিচ্ছিল। আমি এক টানে তাঁর ব্লাউজের পেছনের হুকগুলো খুলে দিলাম। মা এক আর্তনাদ করে সামনে ঝুঁকে পড়লেন, কিন্তু আমি তাঁকে ছাড়লাম না।
মায়ের উন্মুক্ত পিঠ আর কোমরের সেই গভীর বাঁক এখন আমার চোখের সামনে। আমি আমার আঙুলগুলো দিয়ে তাঁর মেরুদণ্ড বরাবর নিচে নামতে লাগলাম। মা এক অদ্ভুত ঘোরের মধ্যে তাঁর মাথাটা আমার কাঁধে এলিয়ে দিলেন। তাঁর সেই ৪১ বছরের সুপুষ্ট শরীরটা এখন আমার সম্পূর্ণ আয়ত্তে।
আমি তাঁকে ঘুরিয়ে বিছানার ওপর বসিয়ে দিলাম। মায়ের চোখের চাহনি তখন আর মায়ের মতো নেই, তা এক তৃষ্ণার্ত নারীর মতো। আমি হাঁটু গেড়ে তাঁর সামনে বসলাম এবং তাঁর সায়ার ডোরিটা আলগা করে দিলাম। মায়ের সেই ভারী এবং মাংসল উরুদ্বয় অর্থাৎ মাতৃযোনী যখন শাড়ির আবরণমুক্ত হয়ে আমার সামনে এল, আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম। সায়ার বাঁধনটা পুরোপুরি আলগা হতেই, তখন আমার চোখের সামনে উন্মোচিত হলো এক নিষিদ্ধ ও স্বর্গীয় জ্যামিতি।
মায়ের এই ৪১ বছরের পরিপক্ক দেহের কেন্দ্রবিন্দুটি ছিল এক অনন্য শিল্পের মতো। তাঁর দু'পাশের সেই ভারী এবং মাংসল উরুদ্বয়, যা কোনো নিপুণ ভাস্করের তৈরি শ্বেতপাথরের স্তম্ভের মতো মসৃণ ও সুপুষ্ট, তাদের মাঝখানে লুকানো ছিল এই রহস্যময় মাতৃগুদ তথা বয়সের চাপে হওয়া পরিপক্ক যোনি।
মায়ের এই গোপন স্থানটি ছিল এক রাজকীয় আভিজাত্যে ঘেরা। তাঁর তলপেটের সেই নমনীয় মেদযুক্ত ভাঁজের ঠিক নিচেই ছিল এই উন্নত ও ভরাট মন্মথ-মন্দির। গুদের চারদিক ঘিরে ঘাসের মতো নরম কালো কেশরাশি এক নিবিড় বুনটে ঢাকা দিয়ে রেখেছিল মায়ের নারীত্বের চূড়ান্ত রহস্যকে। রোদের ম্লান আলোয় এই রোমশ গুদারণ্যকে দেখাচ্ছিল এক অন্ধকার উপত্যকার মতো, যা কোনো পথিকের জন্য চিরস্থায়ী তৃষ্ণার কারণ হতে পারে। বর্তমানে আমিই সেই পথিক।
আমি যখন সায়ার আবরণটা পুরোপুরি সরিয়ে দিলাম, তখন দেখলাম মায়ের সেই যোনিদ্বারটি ছিল দুটি পাপড়ির মতো নিবিড়ভাবে লেগে থাকা এক মায়াবী রেখা। ফর্সা উরুর মাঝখানে মায়ের পরিপক্ক ভোদাটি, হালকা গোলাপি আর কালচে রঙের এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ, যা ৪১ বছরের অভিজ্ঞতার এক শান্ত আভা দিচ্ছিল। সেখানে জমে থাকা হালকা স্বেদবিন্দুগুলো মুক্তোর মতো চিকচিক করছিল, যা এক মাদকতাময় সুবাস ছড়িয়ে দিচ্ছিল সারা ঘরে। সেই সুবাস কোনো কৃত্রিম পারফিউমের নয়, বরং এক আদিম ও অকৃত্রিম নারীত্বের ঘ্রাণ। মাতৃ যোনীর সুঘ্রাণ.!
মায়ের এই গোপন অঙ্গের প্রতিটি ভাঁজ ছিল যেন এক মহাকাব্যের একেকটি অধ্যায়। আমি যখন আমার আঙুল দিয়ে ভোদার নিবিড় বুনোটের ওপর আলতো করে স্পর্শ করলাম, মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে পা দুটো আরও ছড়িয়ে দিলেন। তাঁর সেই যোনি-পুষ্পটি তখন এক অজানিত ব্যাকুলতায় থরথর করে কাঁপছিল, যেন তা আমার এই নিষিদ্ধ প্রবেশের অপেক্ষায় বছরের পর বছর তৃষ্ণার্ত হয়ে ছিল। যোনির এই মাংসল পাপড়িগুলোর আর্দ্রতা আর উষ্ণতা আমার আঙুলের ডগায় এক তীব্র বৈদ্যুতিক স্পন্দন তৈরি করছিল।
আমি মায়ের এই রহস্যময় সৌন্দর্যের দিকে তাকিয়ে রুদ্ধশ্বাসে বললাম, "মা, তোমার এই রূপের সামনে জগতের সব নীতিবাক্য তুচ্ছ। এই মন্দিরটিই আজ আমার একমাত্র উপাসনার জায়গা।"
এবার মাকে খুব যত্নে বিছানায় শুয়িয়ে দিলাম।
মা যখন বিছানায় পুরোপুরি অবশ হয়ে শুয়ে আছেন, তাঁর দু'পাশের সেই ভারী উরুদ্বয় তখন এক বিশাল হৃদয়ের মতো স্পন্দিত হচ্ছিল। আমি সেই রহস্যময় ও পবিত্র স্থানে তথা মায়ের ভোদা দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম। ৪১ বছরের এক পূর্ণযৌবনা নারীর সবচেয়ে গোপন এই ঐশ্বর্য আজ আমার চোখের সামনে সম্পূর্ণ অবারিত।
আমি মায়ের রোমস ভোদার দিকে মুখ নামিয়ে মন্ত্রমুগ্ধের মতো বলতে লাগলাম, "মা, এই যে তোমার শরীরের এই মিলনস্থল, এখান থেকেই তো আমার জন্ম। অথচ আজ এই স্থানটিই আমার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে কাম্য স্বর্গ। তোমার যোনিদ্বারের এই পাপড়িগুলোর লালচে আভা আর এই মাদকতাময় ঘ্রাণ... এসবই তো আমাকে তোমার হুকুমের গোলাম করে রেখেছে।"
মা তখন এক বুনো আক্রোশে বালিশ খামচে ধরলেন। তাঁর মুখ দিয়ে বেরিয়ে এল, "সৌরভ... তুই ওদিকে তাকাস না... ওটা তোর জন্মস্থান... ওখানে ওভাবে মাথা নোয়াস না..."
কিন্তু তাঁর গলার সেই মিনতি ছিল চরম তৃষ্ণার্ত। আমি কোনো কথা না বলে আমার মুখটা আরও কাছে নিয়ে গেলাম। মায়ের যোনিদ্বারের উষ্ণ বাষ্প তখন আমার নাকে মুখে এসে ধাক্কা দিচ্ছিল। আমি সাহস করে আমার ঠোঁট জোড়া মায়ের নরম ও মাংসল গুদের পাপড়ির ওপর আলতো করে ছোঁয়ালাম।
প্রথম চুমুটা খেতেই মা ধনুকের মতো পিঠ টান করে বিছানা থেকে ওপরে উঠে এলেন। "আহ্!" বলে এক দীর্ঘ হাহাকার বেরিয়ে এল তাঁর কণ্ঠ চিরে। আমি থামলাম না। এই মায়াবী রন্ধ্রের চারপাশের নরম পেশিতে নিজের জিভ দিয়ে আলতো করে চাটতে শুরু করলাম। ৪১ বছরের অভিজ্ঞতায় ভেজা সেই নোনতা আর মিষ্ট স্বাদের মিশ্রণ আমার স্নায়ুকে অবশ করে দিচ্ছিল।
মা এবার তাঁর দুই পা দিয়ে আমার মাথাটা নিজের সেই সবচেয়ে গোপন স্থানের তথা মাংসল ভোদা সাথে সজোরে চেপে ধরলেন। তাঁর আভিজাত্যের শেষ দেয়ালটা তখন ভেঙে চুরমার। আমি যখন আমার জিভ দিয়ে মায়ের এত দিনের লালিত যোনির নিবিড় খাঁজগুলোর ভেতর দিয়ে একটু গভীর ছোঁয়া দিলাম, মা এক উন্মাদের মতো বলতে লাগলেন, "সৌরভ... তুই আমাকে আজ পাপিষ্ঠা করে দিলি... কিন্তু থামিস না... আরও... আরও গভীর করে আমাকে শেষ কর..."
মায়ের সেই যোনি-পুষ্পটি তখন আমার জিভের ছোঁয়ায় লাভার মতো গলতে শুরু করেছে। আমি অনুভব করছিলাম সেই পবিত্র মন্দিরের আর্দ্রতা আমার ঠোঁটের কোণে লেগে যাচ্ছে। এক সম্ভ্রান্ত * মা আজ তাঁর নিজের ছেলের জিভের ছোঁয়ায় এক সাধারণ কামাতুর নারীর মতো বিছানায় ছটফট করছেন। সেই নির্জন দুপুরে আমাদের কোনো শাস্ত্র মনে রইল না, শুধু রইল এক অবদমিত তৃষ্ণার চূড়ান্ত দহন।
আমি বিছানার ওপর সোজা হয়ে বসলাম। মায়ের সেই বিধ্বস্ত, উলঙ্গ শরীরের প্রতিটি বাঁক তখন মধ্যাহ্নের রোদে এক রাজকীয় কামনার রূপ ধারণ করেছে। মা হাঁপাতে হাঁপাতে আমার দিকে তাকিয়ে রইলেন—তাঁর চোখে তখন ভয় আর গভীর তৃষ্ণার এক আদিম লড়াই। ৪১ বছরের এক সম্ভ্রান্ত নারী আজ তাঁরই ছেলের পৌরুষের সামনে সম্পূর্ণ অসহায়।
আমি মায়ের চোখের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে নিজের শার্টের বোতামগুলো একে একে খুলতে শুরু করলাম। প্রতিটি বোতাম খোলার সাথে সাথে মায়ের নিশ্বাসের গতি যেন আরও বেড়ে যাচ্ছিল। শার্টটা মেঝেতে ফেলে দিয়ে আমি আমার কোমরের লুঙ্গিটা আলগা করে দিলাম। লুঙ্গিটা পায়ের কাছে খসে পড়তেই আমার সুগঠিত শরীরটা মায়ের সামনে উন্মোচিত হলো।
মায়ের দৃষ্টি তখন আমার চোখের মণি থেকে নামতে নামতে নিচে এসে স্থির হলো। আমি আমার অন্তর্বাসটিও যখন খুব ধীরে ধীরে, তাঁর চোখের দিকে তাকিয়েই সরিয়ে ফেললাম, মা এক মুহূর্তের জন্য শিউরে উঠলেন। ১৯ বছরের এক তরতাজা যুবকের সেই উদ্দত যৌবন আজ তাঁর সমস্ত আভিজাত্যের সামনে এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আমি বিছানায় মায়ের আরও কাছে এগিয়ে গেলাম। নিজের টানটান ও স্পন্দিত যৌন দণ্ডটি হাতের মুঠোয় নিয়ে ধীরলয়ে মালিশ করতে করতে মায়ের চোখের দিকে তাকালাম। আমার সেই বলিষ্ঠ ও শিরাবহুল অঙ্গটি যখন মায়ের ফর্সা উরুর খুব কাছে দুলছিল, মা এক অস্ফুট আর্তনাদ করে মুখ ঘুরিয়ে নিলেন। কিন্তু আমি জানি, আড়ালে তিনি তৃষ্ণার্ত চোখে ওটার দিকেই তাকিয়ে আছেন।
আমি মায়ের কানের কাছে মুখ নিয়ে কামুক কণ্ঠে বললাম, "মা, তাকাও... দেখো তোমার এই হুকুমের গোলাম আজ তোমার জন্য কতটা প্রস্তুত। তোমার এই মন্দিরে আজ আমি আমার সবটুকু অর্পণ করতে চাই। এই যে আমার এই উত্তাপ, এটা তো তোমারই দেওয়া শরীরের দান। আজ একে ফিরিয়ে নেবে না?"
মা কাঁপতে কাঁপতে তাঁর ফর্সা হাত দুটো দিয়ে আমার পিঠ খামচে ধরলেন। তিনি যেন চাইছিলেন আমাকে দূরে ঠেলে দিতে, কিন্তু তাঁর আঙুলগুলো আমাকে আরও নিবিড়ভাবে নিজের দিকে টেনে নিচ্ছিল। আমি আমার সেই উত্তপ্ত ও দৃঢ় অঙ্গটি মায়ের মাংসল উরুর ওপর সজোরে ঘষতে লাগলাম।
মা এক গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে ফিসফিস করে বললেন, "সৌরভ... তুই আমাকে আজ এক নরকের আগুনে জ্বালিয়ে খাক করে দিবি রে... তুই আজ আমাকে মা থেকে এক পাপিষ্ঠা নারীতে পরিণত করলি..."
মায়ের সেই আর্তনাদ আজ আর কোনো শাসনের ছিল না, তা ছিল এক চূড়ান্ত সমর্পণের আহ্বান। আমি আমার মালিশ করা অঙ্গটি এবার মায়ের সেই আর্দ্র ও পুষ্পিত যোনিদ্বারের মুখে নিয়ে গিয়ে আলতো করে ঘষতে লাগলাম। সেই স্পর্শে মা বিছানা থেকে প্রায় ছিটকে উঠলেন, তাঁর দুই পা আমার কোমরের দু'পাশে আরও ছড়িয়ে দিলো।
মায়ের এই সুগঠিত ও উন্মুক্ত শরীরটি আমার নিচে বিছানো, আর তাঁর দু'টি ভরাট উরু আমার কোমরের দুই পাশে এক আদিম আমন্ত্রণের মতো ছড়িয়ে আছে। আমি আমার সেই শিরাবহুল ও উত্তপ্ত যৌন দণ্ডটি যখন তাঁর আর্দ্র যোনিদ্বারের ঠিক মুখে স্থাপন করলাম, মা তখন দুহাতে বিছানার চাদর খামচে ধরে চোখ বন্ধ করে ফেললেন।
আমি খুব ধীরগতিতে, ইঞ্চি ইঞ্চি করে মায়ের সেই মাংসল ও সংকীর্ণ যোনিপথের ভেতরে নিজের কঠোরতা ঠেলে দিতে শুরু করলাম। ৪১ বছরের পরিপক্কতা থাকা সত্ত্বেও, তাঁর সেই গোপন পথটি ছিল এক আশ্চর্য টাইট এবং পিচ্ছিল। আমার সেই বলিষ্ঠ অঙ্গের প্রথম ধাক্কাটি লাগামাত্র মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে উঠলেন। তাঁর শরীরের প্রতিটি পেশি তীরের মতো ধনুক হয়ে গেল।
আমার অঙ্গের সেই বিশাল কাঠিন্য এবং দৈর্ঘ্য যখন তাঁর ভেতরের কোমল দেওয়ালে চাপ সৃষ্টি করল, মা তখন আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না। সংস্কারের সব বাঁধ ভেঙে তাঁর মুখ দিয়ে এক অদ্ভুত কামুক বিস্ময় ঝরে পড়ল:
"আহ্ সৌরভ! ওরে বাবারে... এতো বড়! এতোটা শক্ত! তুই... তুই আমাকে মেরে ফেলবি রে... আমার ভেতরটা ফেটে যাচ্ছে..."
মায়ের সেই কামুক কণ্ঠে ঝরে পড়া স্বীকারোক্তি আমার রক্তে উন্মাদনা বাড়িয়ে দিল। আমি যখন আরও এক ইঞ্চি ভেতরে প্রবেশ করলাম, মা আমার পিঠে নখ বসিয়ে দিয়ে ডুকরে উঠলেন, "ওহ্ ঈশ্বর! এতোটা গভীর... আমি কখনো ভাবিনি... উফ্ সৌরভ, তুই তো আমার কলিজাটা ছিঁড়ে নিচ্ছিস..."
মা মুখে ব্যথার কথা বললেও, তাঁর শরীর তখন এক অদম্য তৃষ্ণায় আমার কোমরের সাথে আঠার মতো লেগে আসছিল। তিনি আমাকে দূরে ঠেলে দেননি, বরং এক বুনো আক্রোশে আমার ঘাড় জড়িয়ে ধরে নিজের যোনিদ্বারকে আরও উঁচিয়ে দিলেন যাতে আমি আরও গভীরে পৌঁছাতে পারি।
আমি মায়ের কানের কাছে মুখ নিয়ে কামুক স্বরে বললাম, "মা, তোমার এই মন্দির আজ আমার এই বাড়া গ্রহণ করছে। দেখো, আমি তোমার কতটা গভীরে পৌঁছে গেছি।"
মা তখন এক ঘোরের মধ্যে। তাঁর সেই ৪১ বছরের আভিজাত্য আজ আমার ১৯ বছরের পৌরুষের নিচে ধুলোয় মিশে গেছে। তিনি এক লম্বা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ফিসফিস করে বললেন, "কর... যা খুশি কর... আমাকে আজ একদম শেষ করে দে সৌরভ... আমি আর মা হয়ে থাকতে পারছি না... আমাকে শুধু তোর এই দানবটার নিচে পিষ্ট হতে দে..."
দুপুরের এই তপ্ত নির্জনতায় আমাদের আদিম আদিম শরীর দুটো এক হয়ে মিশে যাচ্ছিল। আমি যখন মায়ের সেই ৪১ বছরের পরিপক্ক যোনি-গহ্বরের একদম তলদেশ স্পর্শ করছিলাম, প্রতিটি ধাক্কায় এক অদ্ভুত লোনা সুবাস আর শরীরের ঘর্ষণের শব্দ ঘরটাকে মায়াবী করে তুলছিল। আমার হাতের তালু জোড়া তখন মায়ের সেই উন্নত ও ভরাট স্তনদুটিকে বুনো আক্রোশে পিষছিল। প্রতিটি চাপে মায়ের মুখ দিয়ে এক একটা হাহাকার বেরিয়ে আসছিল।
আমি আমার আঙুলগুলো মায়ের সেই ভারী নিতম্বের নিচে দিয়ে তাঁকে আরও উঁচিয়ে ধরলাম, যাতে আমার প্রতিটি ইঞ্চি তাঁর জঠরের গভীরতম দেওয়ালে আঘাত করতে পারে। আমি অনুভব করছিলাম, মায়ের ভেতরের সেই নরম ও তপ্ত দেওয়ালগুলো কীভাবে আমার অঙ্গটিকে কামড়ে ধরছে। মা তখন ঘোরের মধ্যে তাঁর দুই পা আমার কোমরে লক করে দিয়েছেন।
হঠাৎ করেই মা এক ঝটকায় আমার কাঁধ খামচে ধরলেন। তাঁর কামাতুর চোখ দুটোতে এক মুহূর্তের জন্য আতঙ্কের ছায়া খেলে গেল। তিনি হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন:
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) -
Bad Boy - 09-14-2026
08
আমি আমার আঙুলগুলো মায়ের সেই ভারী নিতম্বের নিচে দিয়ে তাঁকে আরও উঁচিয়ে ধরলাম, যাতে আমার প্রতিটি ইঞ্চি তাঁর জঠরের গভীরতম দেওয়ালে আঘাত করতে পারে। আমি অনুভব করছিলাম, মায়ের ভেতরের সেই নরম ও তপ্ত দেওয়ালগুলো কীভাবে আমার অঙ্গটিকে কামড়ে ধরছে। মা তখন ঘোরের মধ্যে তাঁর দুই পা আমার কোমরে লক করে দিয়েছেন।
হঠাৎ করেই মা এক ঝটকায় আমার কাঁধ খামচে ধরলেন। তাঁর কামাতুর চোখ দুটোতে এক মুহূর্তের জন্য আতঙ্কের ছায়া খেলে গেল। তিনি হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন:
"সৌরভ... সৌরভ থাম! ওরে বাবা, তুই তো কোনো সাবধানতা ছাড়াই... যদি পেটে কিছু চলে আসে? এই বয়সে আমি কলঙ্ক কোথায় রাখব? থামা বাবা..."
মায়ের এই সতর্কবাণী আমাদের উত্তেজনায় সামান্য জল ঢেলে দিল। কিন্তু মা জানতেন, এই আগ্নেয়গিরি এখন নেভানো অসম্ভব। তিনি দ্রুত উঠে বসলেন, অতঃপর ল্যাংটটো হয়েই হামাগুড়ি দিয়ে খাটের কোণায় বালিশের নিচে হাত বাড়ালেন। সাত মাস আগে বাবা একবার এক প্যাকেট কনডম এনেছিলেন, যা অযত্নে চাদরের নিচে পড়ে ছিল। মা হাত বাড়িয়ে সেই প্যাকেটটা বের করে আনলেন।
মা এবার তাঁর সেই ৪১ বছরের আভিজাত্য পুরোপুরি বিসর্জন দিয়ে আমাকে শুইয়ে দিলেন। তিনি নিজে হাঁটু গেড়ে বসলেন আমার ওপর। তাঁর সেই উন্মুক্ত ও বিশাল স্তনদুটো তখন আমার চোখের সামনে দুলছে। মা নিজের দাঁত দিয়ে প্যাকেটটা ছিঁড়ে সেই পাতলা রবারটি বের করলেন। তারপর খুব যত্ন করে, নিজের অভিজ্ঞ আঙুল দিয়ে আমার সেই স্পন্দিত ও উত্তপ্ত যৌন দণ্ডটিকে স্পর্শ করলেন। তাঁর সেই ঠাণ্ডা হাতের স্পর্শে আমার শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেল। মা নিজ দায়িত্বে আমাকে কনডমটি পরিয়ে দিলেন—তাঁর চোখের চাহনিতে তখন এক লাজুক অথচ ক্ষুধার্ত নারীর বাসনা।
আবার শুরু হলো সেই নিষিদ্ধ লড়াই। মা এবার নিজেই উপরে উঠে বুনো ভঙ্গিতে ওঠানামা করতে শুরু করলেন। আমি নিচে শুয়ে তাঁর সেই ভারী উরু আর কোমরের উঠানামা দেখছিলাম। আমার দুই হাত তখন মায়ের পিঠের নিচের দিকের সেই গভীর ভাঁজে। আমি অনুভব করছিলাম তাঁর কোমরের হাড়ের প্রতিটি স্পন্দন।
আমি আবার তাঁকে নিচে শুইয়ে দিয়ে নিজের সমস্ত শক্তি দিয়ে মায়ের ভোদার অন্তঃগাত্রে আঘাত করতে লাগলাম। আমি অনুভব করলাম, মায়ের জঠরের ভেতরে এক ধরণের তরল উষ্ণতা আমার অঙ্গটিকে ভিজিয়ে দিচ্ছে। মা তখন এক উন্মাদের মতো বলতে লাগলেন:
"আহ্ সৌরভ... আরও জোরে... তোর এই শক্ত লাঠিটা আমাকে শেষ করে দিচ্ছে... আমি তোর মা নই রে, আমি আজ শুধুই তোর... আমাকে আরও গভীরে নিয়ে যা!"
আমি আমার হাত দুটো মায়ের বগলের নিচ দিয়ে দিয়ে তাঁর পিঠ জড়িয়ে ধরলাম এবং তাঁর ঘাড়ের সেই চন্দন-গন্ধী অংশে মুখ ঘষতে লাগলাম। মায়ের ভোদা গভীরে আমার বাড়ার প্রতিটি ধাক্কায় আমরা এক আদিম ছন্দে দুলছিলাম। এক পর্যায়ে আমার ভেতরের সেই তপ্ত লাভা যখন বেরিয়ে আসার জন্য ছটফট করছিল, আমি আরও জোরে মায়ের শরীরের গভীরে নিজেকে সেঁধিয়ে দিলাম। মা এক তীব্র চিৎকার করে আমার ঘাড় কামড়ে ধরলেন এবং তাঁর শরীরটা কয়েকবার থরথর করে কেঁপে অবশ হয়ে গেল।
পরিশেষে, আমরা দুজন ঘামে ভেজা অবস্থায় একে অপরের ওপর এলিয়ে পড়লাম। বাইরের রোদের তেজ তখন কমতে শুরু করেছে, কিন্তু ঘরের ভেতরে যে আগুনের খেলা আমরা খেলে এলাম, তার রেশ আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে রয়ে গেল। মা আমার কপালে হাত বুলিয়ে দিয়ে এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "তুই আজ আমাকে সত্যিই এক কলঙ্কিত স্বর্গে নিয়ে গেলি রে সৌরভ।"
এই দুপুরের গোপন মিলন আমাদের সম্পর্ককে এক নতুন সংজ্ঞায় দাঁড় করাল।
বিকেলের রোদ যখন ম্লান হয়ে এল, তখন কলিংবেলের শব্দে আমাদের সেই মায়াবী তন্দ্রা ভাঙল। বাবা কলেজ থেকে ফিরেছেন। মা বিদ্যুৎগতিতে বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন, তাঁর অবিন্যস্ত শাড়ি আর আলুথালু চুলগুলো দ্রুত গুছিয়ে নিলেন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের ঠোঁটের কোণে লেগে থাকা সেই নিষিদ্ধ কামনার চিহ্নগুলো মুছে ফেলে তিনি আবার সেই ৪১ বছরের গম্ভীর ও সম্ভ্রান্ত গৃহিণী হয়ে উঠলেন।
আমিও দ্রুত নিজের ঘরে গিয়ে পোশাক বদলে বই নিয়ে বসলাম। কিন্তু আমার শরীরে তখনও মায়ের সেই চন্দন সুবাস আর উত্তাল ছোঁয়ার রেশ লেগে ছিল।
বাবা ঘরে ঢুকে ব্যাগটা টেবিলে রেখে ডাকলেন, "কই গো, শুনছো? এক কাপ চা দাও তো, আজ কলেজে বড্ড খাটুনি গেল।"
মা রান্নাঘর থেকে শান্ত গলায় উত্তর দিলেন, "এই তো দিচ্ছি। তুমি হাত-মুখ ধুয়ে এসো।"
মায়ের গলার সেই স্বাভাবিকতা দেখে আমি অবাক হয়ে গেলাম। একটু আগেই যে নারী আমার নিচে শুয়ে যন্ত্রণায় আর সুখে হাহাকার করছিল, সে এখন কত নিপুণভাবে একজন আদর্শ স্ত্রীর অভিনয় করছে! বাবা যখন ড্রয়িংরুমে সোফায় বসলেন, আমি বই হাতে তাঁর পাশে গিয়ে বসলাম। মা ট্রেতে করে চা আর বিস্কুট নিয়ে এলেন।
মা যখন বাবার সামনে নিচু হয়ে চায়ের কাপটা রাখছিলেন, তখন তাঁর শাড়ির আঁচলটা একটু সরে গিয়েছিল। আমি ঠিক বাবার উল্টোদিকে বসে ছিলাম। আমি সুযোগ বুঝে আমার পা-টা টেবিলের তলা দিয়ে বাড়িয়ে সরাসরি মায়ের ফর্সা ও সুপুষ্ট উরুর ওপর রাখলাম।
মা চমকে উঠলেন, তাঁর হাতের চায়ের কাপটা একটু কেঁপে উঠল। কিন্তু তিনি নিজেকে সামলে নিলেন। বাবার দিকে তাকিয়ে মা বললেন, "আজকালকার ছেলেরা একদম পড়াশোনায় মন দেয় না। দেখছো না সৌরভ কেমন হাঁ করে তাকিয়ে আছে?"
বাবা চশমাটা ঠিক করে বললেন, "কেন, কী হয়েছে সৌরভের?"
আমি মুচকি হেসে বললাম, "না বাবা, আসলে মা আজ খুব সুন্দর একটা রান্না করেছিল তো, তাই ভাবছি রাতের মেনুটা কেমন হবে।"
আমি আমার পায়ের আঙুল দিয়ে মায়ের উরুর সেই নরম মাংসল ভাঁজে একটু চিমটি কাটলাম। মা এবার আর থাকতে পারলেন না। তিনি ভ্রু কুঁচকে আমার দিকে এক কঠিন চাহনি দিলেন—যে চাহনিতে ছিল অর্ধেক শাসন আর অর্ধেক প্রশ্রয়। তিনি বাবার সামনেই আমার পায়ের ওপর নিজের পা দিয়ে একটু জোরে চাপ দিলেন, যেন বলতে চাইলেন 'বেশি বাড়াবাড়ি করিস না'।
বাবা যখন চায়ে চুমুক দিয়ে খবরের কাগজে মুখ গুজলেন, মা আমার দিকে তাকিয়ে জিভ কাটলেন এবং ঠোঁট টিপে হাসলেন। আমি সাহসী হয়ে বললাম, "মা, তোমার ঘরে একটা বই ফেলে এসেছি, নিয়ে আসব?"
মা এবার চোখ বড় বড় করে ইশারায় না করলেন। তিনি জানেন আমি কেন তাঁর ঘরে যেতে চাইছি। তিনি গম্ভীর হয়ে বললেন, "এখন না, এখন গিয়ে নিজের পড়া শেষ কর। রাতের খাবার সময় দেব খন।"
মা রান্নাঘরে চলে গেলেন। আমি পেছনে তাকিয়ে দেখলাম মায়ের সেই ভারী নিতম্বের দুলুনি, যা একটু আগেই আমার হাতের মুঠোয় ছিল। বাবা কিছুই টের পেলেন না, কিন্তু আমাদের এই লুকোচুরি খেলা যেন দুপুরের সেই সঙ্গমের চেয়েও বেশি রোমাঞ্চকর হয়ে উঠল। মা মাঝেমধ্যে বাবার আড়ালে আমাকে চোখ টিপে ইশারা দিচ্ছিলেন, আবার যখনই আমি একটু বেশি দুষ্টুমি করছিলাম, তিনি বড় বড় চোখে শাসনের ভয় দেখাচ্ছিলেন।
সংসারের এই স্বাভাবিক অভিনয়ের আড়ালে আমাদের নিষিদ্ধ সখ্যতা এক নতুন মাত্রা পেল।
আজ রাতে বাবা খাতা দেখবেন, তাই মা আর বাবা দুই রুমে শুবেন। বিষয়টা ভাবতেই আমার শরীরে একটা দোল খেয়ে গেলো। বাবা যেদিন খাতা দেখেন সিতা সেদিন বাবার সঙ্গেই থাকে। আজও হলো তাই।
রাত বাড়ার সাথে সাথে বাড়ির নিস্তব্ধতা আবার সেই দুপুরের নিষিদ্ধ স্মৃতির জট খুলতে শুরু করল। বাবা সারাদিনের খাটুনির পর ঘুমে কাদা, তাঁর নাক ডাকার শব্দ ড্রয়িংরুম অব্দি পরিষ্কার শোনা যাচ্ছিল। আমি বিছানায় শুয়ে ছটফট করছিলাম। আমার আঙুলের ডগায় এখনও মায়ের সেই ভরাট নিতম্ব আর রেশমি উরুর স্পর্শ লেগে আছে।
ঘড়িতে তখন রাত দেড়টা। আমি জানতাম, মা জেগে আছেন। দুপুরের সেই উত্তাল মিলনের পর একজন ৪১ বছরের নারীর শরীর এত সহজে শান্ত হয় না। আমি চুপিচুপি বিছানা ছাড়লাম।
মধ্যরাতের সেই তৃষ্ণার্ত হানা
আমি যখন মায়ের ঘরের দরজায় পৌঁছালাম, দেখলাম দরজাটা ভেজানো। ভেতরে নীল রঙের ম্লান নাইট ল্যাম্পটা জ্বলছে। আমি নিঃশব্দে ভেতরে ঢুকে খিলটা তুলে দিলাম। মা জানালার দিকে মুখ করে শুয়ে ছিলেন, তাঁর পরনে সেই পাতলা নীল নাইটিটা, যা শরীরের সাথে লেপ্টে তাঁর পিঠ আর কোমরের গভীর ভাঁজগুলোকে আরও স্পষ্ট করে তুলছিল।
আমি গিয়ে সরাসরি বিছানায় বসলাম। মা চমকে উঠলেন না, বরং ধীরপায়ে পাশ ফিরলেন। তাঁর ডাগর চোখে আজ কোনো শাসন ছিল না, ছিল এক গভীর সম্মোহন।
"সৌরভ? আবার কেন এসেছিস? কাল সকালে খুব ভোরে তোর বাবা উঠবে।"
মায়ের গলায় সেই চিরাচরিত নীতিবাক্যের চেষ্টা, কিন্তু তাঁর হাতটা অলসভাবে আমার হাঁটুর ওপর এসে পড়ল।
আমি তাঁর কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বললাম, "মা, দুপুরে যে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছ, তা কি এত সহজে নিভে যায়? তোমার এই ভরাট শরীরটা যেন আমায় চুম্বকের মতো টেনে আনছে।"
আমি আমার হাতটা নাইটির নিচ দিয়ে মায়ের সেই উন্মুক্ত উরুর ওপর রাখলাম। মায়ের পা দুটো তখন থরথর করে কাঁপছিল। আমি সাহস করে আমার অন্য হাতটা দিয়ে তাঁর নাইটির ওপরের বোতামগুলো একে একে খুলতে শুরু করলাম। মা বাধা দিলেন না, বরং এক দীর্ঘ হাহাকার করে তাঁর উন্নত ও সুপুষ্ট স্তনযুগলকে আমার চোখের সামনে অবারিত করে দিলেন।
আমি তাঁর সেই মাংসল পাহাড়ে মুখ গুঁজে দিয়ে বললাম, "মা, তোমার এই রূপের নেশায় আমি আজ সব আভিজাত্য ভুলতে রাজি। তোমার এই চিকন কোমর আর ভারি নিতম্বের প্রতিটি ভাঁজ আজ আমার উপাসনার জায়গা।"
মা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে এক অদ্ভুত ঘোরের মধ্যে বললেন, "তুই আমাকে পাপিষ্ঠা বানিয়েই ছাড়লি সৌরভ। কিন্তু তোর এই বুনো ছোঁয়া ছাড়া আমার আর কোনো গতি নেই..."
মা এবার নিজেই শয্যায় একটু সইয়ে নিলেন যাতে আমি তাঁর সেই নিষিদ্ধ মন্দিরের আরও কাছে যেতে পারি। দুপুরের সেই কনডমের প্যাকেটটা তখনও বালিশের নিচেই ছিল। মা এবার নিজেই সেটা বের করে আমার হাতে দিলেন এবং এক কামুক ইশারায় বুঝিয়ে দিলেন যে রাতের এই দ্বিতীয় অধ্যায়টি দুপুরের চেয়েও বেশি উত্তাল হতে চলেছে।
মায়ের সেই যোনিদ্বারটি এখন আমার প্রতীক্ষায় আর্দ্র হয়ে আছে। আমি তাঁর দুই পা আমার কাঁধের ওপর তুলে নিলাম, যাতে তাঁর প্রতিটি গোপন ভাঁজ আমার চোখের সামনে প্রদীপ্ত হয়ে ওঠে। সেই মাঝরাতে, বাবার নাক ডাকার শব্দের আড়ালে, মা আর তাঁর হুকুমের গোলাম এক নতুন নিষিদ্ধ ইতিহাস লিখতে শুরু করল।
মায়ের এই গভীর রাতে চুপিচুপি আত্মসমর্পণ আমাদের সম্পর্ককে এক নতুন স্তরে নিয়ে গেল।
ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই মা আবার সেই চেনা রূপে ফিরে গেলেন। স্নান সেরে ভেজা চুলে যখন তিনি ঠাকুরঘরে প্রদীপ জ্বালাচ্ছিলেন, তখন তাঁর শান্ত ও গম্ভীর মুখ দেখে বোঝার উপায় নেই যে কয়েক ঘণ্টা আগেই তিনি বিছানায় এক তৃষ্ণার্ত নারীর মতো হাহাকার করছিলেন। সাদা ধবধবে শাড়ি আর কপালে বড় লাল সিঁদুরের টিপে তাঁকে এক দেবীর মতো পবিত্র দেখাচ্ছিল।
কিন্তু আমি জানতাম, এই পবিত্রতার নিচে এখন এক নিষিদ্ধ আগ্নেয়গিরি ঘুমিয়ে আছে, যাকে জাগিয়ে রাখার চাবিকাঠি শুধু আমার হাতে।
সকালে যখন বাবা খবরের কাগজ পড়ছেন আর আমি পড়ার টেবিলে, মা ট্রেতে করে গরম লুচি আর আলুর দম নিয়ে এলেন। মা খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বাবার পাতে খাবার তুলে দিচ্ছিলেন। আমি জানতাম, মা এখন চাইছেন রাতের সেই ঘটনাগুলোকে একটা 'দুর্ঘটনা' হিসেবে ধামাচাপা দিয়ে আবার সেই দূরত্ব বজায় রাখতে।
আমি রান্নাঘরে গেলাম জল খাওয়ার অছিলায়। মা তখন একা হাতে বাসন গোছাচ্ছিলেন। আমি পেছন থেকে গিয়ে তাঁর সেই ভরাট কোমরের ভাঁজে হাত রাখলাম। মা শিউরে উঠে ফিসফিস করে বললেন, "সৌরভ! কী করছিস?তোর বাবা ড্রয়িংরুমে, এখনই এদিকে আসবে! সীতা এখনই উঠবে।"
আমি তাঁর কানের কাছে মুখ নিয়ে কামুক স্বরে বললাম, "মা, কাল রাতের সেই মাংসল উরু আর তোমার ওই যোনির স্বাদ আমি এখনও ভুলতে পারছি না। তুমি কি ভেবেছ সকালে সিঁদুর পরলেই আমি সব ভুলে যাব?"
মা আমার হাতটা সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে বললেন, "ছাড়! ওসব কালকের কথা। এখন আমি তোর মা, আর তুই আমার ছেলে। পড়ার ঘরে যা।"
আমি এবার এক নতুন চাল চাললাম। মায়ের আলমারির চাবিটা তখন তাঁর শাড়ির আঁচলে গোঁজা ছিল। আমি ছোঁ মেরে চাবিটা নিয়ে নিলাম।
"এই চাবিটা এখন আমার কাছে থাকবে মা। দুপুরে যখন বাবা কলেজে যাবেন, তখন এই চাবি ফেরত নিতে হলে তোমাকে আমার ঘরে আসতে হবে। আর হ্যাঁ... কোনো কাপড় না পরে, একদম কাল রাতের মতো।"
মায়ের চোখ দুটো বড় বড় হয়ে গেল। তিনি রাগে আর লজ্জায় লাল হয়ে বললেন, "তুই... তুই আমাকে ব্ল্যাকমেইল করছিস? তোর সাহস তো কম নয়!"
আমি মুচকি হেসে বললাম, "আমি তো তোমার হুকুমের গোলাম, মা। কিন্তু গোলাম এখন মালকিনকে নিজের মাপে চালাতে চায়। দুপুরে মনে থাকে যেন... একদম উলঙ্গ হয়ে আমার ঘরে আসবে, নইলে এই চাবি আর কোনোদিন পাবে না।"
মা বাকরুদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন। তাঁর ৪১ বছরের আভিজাত্য আজ আমার এই চরম ধৃষ্টতার সামনে থরথর করে কাঁপছিল। তিনি বুঝতে পারলেন, আমি তাঁকে কেবল শরীর দিয়ে নয়, বরং মানসিকভাবেও নিজের আয়ত্তে নিয়ে এসেছি।
দুপুরের সেই মুহূর্তের জন্য আমি অপেক্ষা করতে লাগলাম।
এরপর......!!!!
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) -
Bad Boy - 09-14-2026
09
দুপুরের কড়া রোদ জানালার পর্দা ভেদ করে ঘরের মেঝেতে আছড়ে পড়ছে। বাবা কলেজে চলে যাওয়ার পর পুরো বাড়িটা আবার সেই নিস্তব্ধতার চাদরে ঢাকা পড়েছে। আমি আমার ঘরে বসে বইয়ের পাতায় চোখ রাখলেও কান পেতে ছিলাম বাইরের করিডোরে। সীতা বাহিরে খেলাধুলা করছে। চাবিটা আমার টেবিলের ওপর চকচক করছে—মায়ের সেই গৃহকর্ত্রীর ক্ষমতার চাবি, যা এখন আমার হাতের মুঠোয়।
আমি জানতাম মা আমার শর্ত মতো হুট করে উলঙ্গ হয়ে চলে আসবেন না। তাঁর ভেতরের সেই দাপুটে মা আর অভিজাত নারীটি এখনও শেষ লড়াইটুকু লড়ছে।
প্রায় আধঘণ্টা পর দরজায় টোকা পড়ল। মা ভেতরে ঢুকলেন। কিন্তু না, তিনি উলঙ্গ হয়ে আসেননি। পরনে তাঁর সেই ধবধবে সাদা শাড়ি, আঁচলটা কাঁধে শক্ত করে জড়ানো। তাঁর মুখটা রাগে আর অপমানে থমথম করছে।
মা তীক্ষ্ণ স্বরে বললেন, "সৌরভ, চাবিটা দে। অনেক ইয়ার্কি হয়েছে। তুই যে এতোটা নিচে নামতে পারিস, আমি ভাবতেও পারিনি। আমি তোর মা, তোর কোনো কেনা গোলাম নই।"
আমি চেয়ার থেকে না উঠে হেলেদুলে বললাম, "আমি তো আগেই বলেছি মা, চাবি নিতে হলে কোনো পর্দা রাখা চলবে না। তুমি শর্ত ভেঙেছ।"
মা এবার আমার কাছে এসে দাঁড়িয়ে পড়ার টেবিল থেকে চাবিটা নিতে হাত বাড়ালেন। আমি বিদ্যুৎগতিতে তাঁর হাতটা ধরে ফেললাম এবং এক ঝটকায় তাঁকে নিজের কোলের ওপর টেনে নিলাম। মা অপ্রস্তুত হয়ে আমার ওপর আছড়ে পড়লেন। তাঁর সেই ভারী নিতম্ব আর সুপুষ্ট কোমর আমার উরুর ওপর পিষ্ট হতেই তাঁর গলার সেই কৃত্রিম তেজ জল হয়ে গেল।
"সৌরভ... ছাড়! ছিঃ! দিনের আলোয় এসব করিস না..." মা ছটফট করতে লাগলেন, কিন্তু তাঁর সেই ৪১ বছরের শরীরটা আমার বাহুপাশে এক অদ্ভুত নমনীয়তায় ধরা দিচ্ছিল।
আমি আমার হাতটা সরাসরি মায়ের শাড়ির আঁচলের নিচ দিয়ে তাঁর উন্নত ও ভরাট স্তনের ওপর রাখলাম। ব্লাউজের ওপর দিয়ে তাঁর সেই কঠিন মাংসল স্পন্দন অনুভব করে আমি ফিসফিস করে বললাম, "মা, তুমি যতই নীতিবাক্য শোনাও, তোমার এই শরীরটা কিন্তু আমার স্পর্শ পাওয়ার জন্য হাহাকার করছে। দেখো, তোমার নিশ্বাস কেমন ভারী হয়ে উঠেছে।"
আমি আমার অন্য হাতটা দিয়ে মায়ের শাড়ির কুঁচিগুলো টেনে আলগা করে দিলাম। মা এক দুর্বল বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেন, "না সৌরভ... তুই এটা ঠিক করছিস না... ঈশ্বর আমাদের কোনোদিন ক্ষমা করবেন না..."
কিন্তু আমি যখন আমার মুখটা তাঁর গলার সেই চন্দন-গন্ধী ভাঁজে ডুবিয়ে দিয়ে আলতো করে চাটতে শুরু করলাম, মায়ের শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল। তাঁর সেই নীতিবাক্যগুলো অসংলগ্ন গোঙানিতে পরিণত হলো। আমি তাঁর শাড়ি আর সায়া এক টানে নিচে নামিয়ে দিতেই মায়ের সেই ফর্সা ও মাংসল উরুদ্বয় দিনের আলোয় ঝলসে উঠল।
মা এবার বালিশে মুখ লুকিয়ে ডুকরে উঠলেন, "তুই... তুই আমাকে পশু বানিয়ে ছাড়লি রে সৌরভ! আমি আর কারোর সামনে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারব না।"
আমি তাঁর কানে কামড় দিয়ে বললাম, "তোমাকে কারোর সামনে দাঁড়াতে হবে না মা, তুমি শুধু আমার সামনে এভাবে অবারিত থাকবে।"
মায়ের সেই আভিজাত্যের শেষ আবরণটুকু যখন খসে পড়ল, তিনি নিজেই এক বুনো আক্রোশে আমার শার্টের বোতামগুলো ছিঁড়তে শুরু করলেন। তাঁর সেই আত্মসমর্পণ ছিল এক পরাজিত রানীর মতো, যে শেষ পর্যন্ত তাঁর বিজেতার কাছেই নিজের সবটুকু সঁপে দিচ্ছে।
যখন মায়ের সেই ভরাট কোমর আর উরুর ভাঁজে নিজের সমস্তটুকু বিলিয়ে দিল, মা তখন এক চরম তৃপ্তিতে নিস্তেজ হয়ে সৌরভের বুকে মুখ লুকালেন।
বাইরে তখন দুপুরের কাক ডাকছে, আর ঘরে এসি-র মৃদু আওয়াজ। মা কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থেকে সৌরভের চুলে বিলি কাটতে লাগলেন। তাঁর চোখে এখন আর রাগ বা অপমান নেই, বরং এক ধরণের বিষণ্ণ সুখ।
মা ফিসফিস করে বললেন, "চাবিটা দে এবার। অনেক তো করলি। তুই কি জানিস সৌরভ, তোর এই পাগলামিগুলো আমাকে সেই কিশোরীবেলার কথা মনে করিয়ে দেয়? বাবার কাছে আমি কোনোদিন এই অধিকারটা পাইনি।"
সৌরভ আলতো করে চাবিটা মায়ের হাতে তুলে দিল। মা চাবিটা আঁচলে বাঁধতে বাঁধতে উঠে বসলেন। শাড়িটা গায়ে জড়ানোর সময় তাঁর বিস্রস্ত বক্ষযুগল আর পিঠের ঘাম মোছার ভঙ্গিটা ছিল এক পরম তৃপ্ত নারীর মতো। এই মিলনের পর মা আর নীতিবাক্যের দেয়াল তুললেন না, বরং সৌরভের সাথে এক গোপন চুক্তিতে আবদ্ধ হলেন—যেখানে মা আর ছেলে নয়, বরং এক আদিম পুরুষ আর নারী একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠল।
মায়ের এই দুই রূপই সৌরভের জন্য এক বিশাল বিজয়।
মা যখন তাঁর চাবিটা আঁচলে বেঁধে শাড়িটা ঠিক করে ঘর থেকে বের হতে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই পাশের ঘর থেকে সীতার গলার আওয়াজ পাওয়া গেল। ও হয়তো একটু আগেই বান্ধবীর বাসা অথবা বারান্দা থেকে নিজের ঘরে ঢুকেছে।
সীতা মাকে জিজ্ঞেস করল-
"মা! ও মা! আমার সাদা ওড়নাটা কোথায় রেখেছো?" সীতার ডাক শুনে মা এক মুহূর্তের জন্য পাথরের মতো জমে গেলেন। তাঁর গায়ের শাড়ি তখনও কুঁচকানো, ঠোঁটের কোণায় আমার কামুক চুম্বনের অবাধ্য দাগ। মা আয়নায় নিজের বিধ্বস্ত রূপ দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়লেন।
আমি বিছানায় শুয়েই মুচকি হেসে ইশারায় মাকে বললাম চিল করতে। মা দাঁত কিড়মিড় করে আমাকে শাসিয়ে ফিসফিস করে বললেন, "সব তোর জন্য! মেয়েটা যদি এখন আমাকে এই অবস্থায় দেখে, আমি গলায় দড়ি দেব।"
মা দ্রুত নিজের চুল ঠিক করে ওড়নাটা টেনে নিয়ে দরজা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে বললেন, "আসছি রে মা, আলমারিতে আছে বোধহয়। তুই একটু হাত-মুখ ধুয়ে নে।"
সীতা ওর ঘর থেকে বেরিয়ে করিডোর দিয়ে যাওয়ার সময় আমাদের ঘরের দরজার সামনে একবার থামল। "সৌরভদা আছে নাকি ভেতরে? কথা শুনলাম মনে হলো।"
মা তখন দরজার পাল্লায় নিজের ভারী শরীরটা এমনভাবে চেপে ধরে দাঁড়ালেন যাতে সীতা ভেতরের দৃশ্যটা দেখতে না পায়। মা একটা শুকনো হাসি হেসে বললেন, "হ্যাঁ, ও তো চাবি নিয়ে একটু দুষ্টুমি করছিল। তুই যা, আমি আসছি।"
বিকেলে চা খাওয়ার সময় ড্রয়িংরুমে এক অদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরি হলো। বাবা সোফায় বসে খবরের কাগজ পড়ছেন, সীতা ওর ফোনের স্ক্রিনে মগ্ন। মা যখন চায়ের ট্রে নিয়ে আসলেন, তখন আমি সোফায় পা ছড়িয়ে বসে ছিলাম।
মা যখন আমাকে কাপটা দিতে এলেন, আমি আলতো করে মায়ের শাড়ির নিচে তাঁর পায়ের গোড়ালিতে নিজের পা দিয়ে একটু ঘষা দিলাম। মা শিউরে উঠলেন। তাঁর চোখে তখন সেই 'মোড়ামুড়ি' করার ভাব—তিনি বোঝাতে চাইলেন, 'সবার সামনে এসব করিস না'। তিনি আমার দিকে একটা কড়া চাউনি দিয়ে সরে যাওয়ার চেষ্টা করলেন, কিন্তু আমি ছাড়লাম না।
মা নিচু হয়ে টেবিল থেকে বিস্কুটের বাটিটা তোলার সময় আমি তাঁর সুগঠিত কোমরে একটা চিমটি কাটলাম। মা এবার আর থাকতে না পেরে চাপা গলায় বলে উঠলেন, "উফ্! পিঁপড়ে কামড়াল নাকি!"
বাবা কাগজ থেকে মুখ তুলে বললেন, "কী হলো? পিঁপড়ে কোত্থেকে এল?"
মা অপ্রস্তুত হয়ে বললেন, "না... ওই যে সোফার কোণায় মনে হয়... আজকাল ঘরদোর পরিষ্কার রাখা দায়।"
মা রান্নাঘরে চলে যেতেই আমি তাঁর পিছু নিলাম। রান্নাঘরে মা যখন একা, আমি পেছন থেকে গিয়ে তাঁর ভরাট স্তনযুগল দুহাত দিয়ে জাপটে ধরলাম। মা এবার সত্যিই মোড়ামুড়ি শুরু করলেন। "সৌরভ, ছাড়! সীতা যে কোনো সময় জল নিতে আসবে। তুই কি চাস ও সব জেনে ফেলুক?"
আমি তাঁর কানের লতিতে ছোট একটা কামড় দিয়ে বললাম, "ও জানলে জানুক, আমার তাতে ভয় নেই। আমি তো শুধু তোমার ওই চন্দনের ঘ্রাণটা নিতে এসেছি।"
মা কয়েক সেকেন্ডের জন্য নিজেকে ছাড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা করলেন, কিন্তু পরক্ষণেই আমার শরীরের উত্তাপে তিনি আবার গলে গেলেন। তাঁর সেই মোড়ামুড়ি বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না। তিনি আমার হাতের ওপর নিজের হাত রেখে ফিসফিস করে বললেন, "রাতে সীতা ঘুমিয়ে পড়লে আসিস... এখন অন্তত ছেড়ে দে, দোহাই তোর।"
মায়ের এই ক্ষণস্থায়ী প্রতিরোধ আর সীতার অগোচরে আমাদের এই লুকোচুরি খেলা আমাদের এই 'গোপন রসায়নকে' এক বিপজ্জনক কিন্তু সুস্বাদু পরিণতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
আজ রাতে মাকে আবার নতুন করে অন্বেষণ করবো।
রাতের নিস্তব্ধতা যখন পুরো বাড়িময় ছড়িয়ে পড়েছে, তখন এই নিষিদ্ধ পরিকল্পনার রোমাঞ্চ আমার শিরদাঁড়া দিয়ে একটা হিমশীতল স্রোত বইয়ে দিচ্ছিল। বাবা পাশের ঘরে গভীর ঘুমে, আর সীতা আজ বায়না ধরেছে সে মায়ের কোলেই শোবে। মাঝখানের বড় বিছানায় মা শুয়ে আছেন, তাঁর একপাশে সীতা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। নীল নাইট ল্যাম্পের আলোয় ঘরটা এক অপার্থিব মায়াবী রূপ নিয়েছে।
আমি পা টিপে টিপে ঘরে ঢুকলাম। খাটের পাশে গিয়ে দাঁড়াতেই দেখলাম মা জেগে আছেন। তাঁর চোখেমুখে এক চরম আতঙ্ক আর উত্তেজনার ছাপ। তিনি জানতেন আমি আসব, কিন্তু সীতাকে পাশে রেখে আমি যে এমন দুঃসাহস দেখাব, তা তিনি কল্পনাও করেননি।
আমি কোনো কথা না বলে বিছানার খালি পাশটায় উঠে বসলাম। মা শিউরে উঠে ফিসফিস করে বললেন, "সৌরভ, না! সীতা পাশে শুয়ে আছে। ও যদি একবার চোখ মেলে, তবে আমাদের মরণ ছাড়া গতি থাকবে না। যা এখান থেকে!"
আমি তাঁর কোনো কথা না শুনে তাঁর নাইটির ওপর দিয়েই তাঁর সেই ভরাট ও মাংসল উরুদ্বয় আর সুগঠিত কোমরে হাত রাখলাম। সীতা ঠিক মায়ের ডান পাশটায় পিঠ দিয়ে শুয়ে আছে। আমি মায়ের বাঁ দিক থেকে তাঁর শরীরের ওপর নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করলাম। মায়ের সেই 'মোড়ামুড়ি' আর অনুনয় বিনয় শুরু হলো ঠিকই, কিন্তু তা ছিল বড্ড ক্ষীণ।
মা যখন দেখলেন আমি থামব না, তখন তিনি এক কাঁপাকাঁপা হাতে বালিশের নিচ থেকে সেই কনডমটি বের করলেন। আমাকে কনডম বের করতে দেখে আমিও দ্রুত লুঙ্গিটা খুলে ফেললাম। লুঙ্গিটা খুলে ফেলতেই বাড়াটা ঠক করে লাফিয়ে উঠলো। সীতা তখন ঘুমের ঘোরে একবার নড়ে উঠল। মা পাথরের মতো জমে গেলেন। কয়েক সেকেন্ড পর সীতা আবার শান্ত হতেই মা খুব দ্রুত এবং নিপুণভাবে, নিজের অভিজ্ঞ আঙুল দিয়ে আমাকে কনডমটি পরিয়ে দিলেন। তাঁর স্পর্শে তখন এক অদ্ভুত আদিমতা—ভয় আর কামনার এক সংমিশ্রণ।
আমি যখন মায়ের সেই আর্দ্র ও পিচ্ছিল যোনিদ্বারে নিজের কাঠিন্য ঠেলে দিতে শুরু করলাম, মা এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে বালিশে মুখ গুঁজলেন। সীতার শরীরের সাথে মায়ের শরীরের ঘষা লাগছে, আর মা সেই স্পন্দনে থরথর করে কাঁপছেন। আমি যখন গতির বাড়াতে শুরু করলাম, মা হঠাৎ আমার হাত খামচে ধরলেন।
"সৌরভ... আস্তে... ওরে পাগল, সীতা টের পেয়ে যাবে! বিছানা কাঁপছে... দেখ ওকে, কেমন নিষ্পাপের মতো শুয়ে আছে... তুই একটু স্লো হ বাবা, দোহাই তোর..." মা করুণ স্বরে অনুনয় বিনয় করতে লাগলেন।
আমি মায়ের সেই অনুতপ্ত চোখের দিকে তাকালাম। তাঁর এক চোখে সীতার প্রতি মাতৃত্বের মায়া, আর অন্য চোখে আমার জন্য অদম্য তৃষ্ণা। আমি কিছুক্ষণ গতি কমিয়ে দিয়ে মায়ের সেই উন্নত স্তনযুগল আর ভারী নিতম্বের ভাঁজে নিজের আঙুল চালালাম। মা তখন ঘোরের মধ্যে সীতার মাথায় হাত বুলাচ্ছিলেন, আর নিচ দিয়ে আমার সেই উত্তপ্ত দণ্ডটি গ্রহণ করছিলেন।
মা আবার ফিসফিস করে বললেন, "সৌরভ, তোর গতি কমা,বাবা! ... সীতা নড়ছে... তুই আমাকে আজ ধ্বংস করে দিলি রে।"
একদিকে সীতার শান্ত নিশ্বাস, অন্যদিকে আমাদের দুই শরীরের ঘর্ষণের শব্দ আর চাপা উত্তেজনা। মা যখন আমাকে থামতে বলছেন, তখন তাঁর নিজের শরীরটাই আমার কোমরের সাথে আরও নিবিড়ভাবে পিষ্ট হচ্ছিল।
মায়ের সেই অনুনয় শুনে আমি থামলাম না, বরং তাঁর কানের খুব কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে তপ্ত স্বরে বললাম, "কেন মা? সীতা পাশে আছে বলেই কি তোমার ভয় লাগছে, নাকি ভয় আর উত্তেজনা মিলে তোমাকে আরও পাগল করে দিচ্ছে? দেখো তো, তোমার এই ভরাট শরীরটা কেমন থরথর করে কাঁপছে।"
মা এক হাত দিয়ে সীতার গায়ে আলতো করে চাদর টেনে দিলেন, আর অন্য হাতে আমার ঘাড়টা খামচে ধরলেন। তিনি ফিসফিস করে কাঁপাকাঁপা গলায় বললেন:
"সৌরভ... তুই বড্ড নিষ্ঠুর। দেখ, মেয়েটা একটু আগেই বলছিল ও খুব ক্লান্ত। ও যদি এখন একবার শুধু চোখ মেলে তাকায়, তবে আমি বিষ খেয়ে মরব। তুই কি একটুও বুঝছিস না? এই যে তুই আমার ভেতরে এতোটা গভীরে... ও যদি টের পায়..."
আমি মায়ের ঠোঁটে আঙুল চেপে ধরলাম। "চুপ! ও কিচ্ছু টের পাবে না। তুমি শুধু অনুভব করো আমি তোমার কতটা ভেতরে। আচ্ছা মা, বাবা কি কোনোদিন সীতাকে পাশে রেখে এভাবে তোমার ওপর আধিপত্য করেছে? কোনোদিন কি এভাবে তোমার মাংসল উরু আর কোমরের ভাঁজে হাত দিয়ে তোমাকে শান্ত হতে বলেছে?"
মা এক মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেলেন। তাঁর ডাগর চোখে এক অদ্ভুত অন্ধকার ঘনিয়ে এল। তিনি আর্তস্বরে বললেন, "না... তোর বাবা কোনোদিন এমন দুঃসাহস করেননি। তিনি তো শুধু শরীর চিনেছেন, কিন্তু তুই... তুই তো আমার আত্মাটাকেও বিষিয়ে দিচ্ছিস। তোর এই দানবীয় বাড়াটা আমাকে একদিকে লজ্জা দিচ্ছে, আর অন্যদিকে এক অবর্ণনীয় সুখে অবশ করে দিচ্ছে। কিন্তু সৌরভ... দোহাই তোর, একটু আস্তে... বিছানাটা বড্ড আওয়াজ করছে,বাবা।"
আমি মায়ের সেই সুপুষ্ট নিতম্বের নিচে হাত দিয়ে তাঁকে আরও একটু উঁচিয়ে ধরলাম। মা যন্ত্রণায় আর এক অজানিত ব্যাকুলতায় চোখ বুজে ফেললেন। আমি তাঁর কানে কামড় দিয়ে বললাম, "তুমি যতবার সীতার দোহাই দেবে, আমি ততবার তোমাকে আরও গভীরে গিয়ে আঘাত করব। বলো মা, তুমি কি আমার এই গতিরোধ চাও, নাকি চাও আমি তোমাকে একদম ছিঁড়ে ফেলি?"
মা এবার ভেঙে পড়লেন। তাঁর দুচোখ দিয়ে এক ফোঁটা জল গড়িয়ে বালিশে পড়ল। তিনি আমার ঠোঁটের কাছে ঠোঁট এনে ফিসফিস করে সেই চূড়ান্ত কথাটি বললেন, যা আমি শুনতে চেয়েছিলাম:
"আমি... আমি তোর এই আগুনের কাছে হার মেনেছি রে সৌরভ। তুই যা খুশি কর... আমাকে শেষ করে দে... কিন্তু সীতা যেন না জানে যে ওর মা আজ ওরই পাশে শুয়ে এক কামাতুর নারী হয়ে গেছে।"
মায়ের এই আর্তনাদ আর আত্মসমর্পণের পর আমাদের শরীরগুলো আবার সেই আদিম ছন্দে মেতে উঠল। সীতার নিশ্বাসের শব্দের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছিল আমাদের হৃৎস্পন্দনের গতি।
রাতের গভীরতা যত বাড়ছে, আমাদের শরীরের উত্তাপ যেন সেই হিমশীতল নিস্তব্ধতাকে পুড়িয়ে ছারখার করে দিচ্ছিল। আমি যখন মায়ের সেই আর্দ্র ও নিবিড় জঠরে শেষবারের মতো গতি বাড়াতে শুরু করেছি, ঠিক তখনই সীতা হঠাৎ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে পাশ ফিরল।
ওর একটা হাত অবিন্যস্তভাবে মায়ের পেটের ওপর এসে পড়ল।
এরপর....!!
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) -
Bad Boy - 09-14-2026
10
মা এক মুহূর্তের জন্য পাথরের মূর্তির মতো জমে গেলেন। তাঁর হৃৎপিণ্ডের ধড়ফড়ানি আমি আমার বুকের ওপর স্পষ্ট অনুভব করছিলাম। মা দুই হাতে আমার পিঠ খামচে ধরে ইশারায় একদম স্থির হয়ে যেতে বললেন। আমরা দুজনেই রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছিলাম। সীতা ঘুমের ঘোরে বিড়বিড় করে কী যেন একটা বলল, তারপর মায়ের গায়ের ওপর হাতটা রেখেই আবার গভীর ঘুমে তলিয়ে গেল।
কয়েক সেকেন্ড পর মা একটা লম্বা নিশ্বাস ফেলে ফিসফিস করে বললেন, "ওরে বাবারে! আজ বোধহয় হার্টফেল করতাম। সৌরভ, এবার থাম... অনেক হয়েছে। এবার নিজের ঘরে যা।"
আমি মুচকি হেসে মায়ের কানের লতিতে কামড় দিয়ে বললাম, "এখনই তো আসল খেলা শুরু মা। সীতার হাতের ছোঁয়া তোমার পেটে, আর আমার বাড়া তোমার এই সুন্দর ভোদাটার অতল গহ্বরে —এই রোমাঞ্চ কি এত সহজে ছাড়া যায়?"
মা এবার আর 'মোড়ামুড়ি' করার শক্তি পেলেন না। তাঁর ৪১ বছরের শরীরটা এক অদ্ভুত নেশায় বুঁদ হয়ে রইল। সারা রাত ধরে চলল সেই আদিম লড়াই। একবার নয়, দুবার নয়—ভোরের আলো ফোটার আগে পর্যন্ত আমি চার-চারবার মায়ের সেই পবিত্র মন্দিরে আমার বিজয় নিশান উড়িয়ে দিলাম।
প্রতিবারই মা একবার করে অনুনয় করেছেন, "সৌরভ, আর না... আমি শেষ হয়ে যাচ্ছি," কিন্তু পরক্ষণেই আমার বলিষ্ঠ স্পর্শে তাঁর নিজের মাংসল উরুগুলো আমার কোমরের পাশে আরও শক্ত করে জড়িয়ে নিয়েছেন। দ্বিতীয়বার যখন আমরা মিলিত হচ্ছিলাম, মা নিজেই বালিশ দিয়ে নিজের মুখ চেপে ধরেছিলেন যাতে তাঁর সুখের আর্তনাদ সীতার কানে না পৌঁছায়।
তৃতীয়বারের সময় মা এতটাই অবশ হয়ে পড়েছিলেন যে, তিনি শুধু আমার চোখের দিকে তাকিয়ে অস্ফুট স্বরে বলছিলেন, "তুই কি আমাকে আজ মেরেই ফেলবি? তোর এই ১৯ বছরের যৌবন যে আমার ৪১ বছরের শরীরটাকে নিংড়ে নিল রে..."
শেষবার যখন ভোরের ঝাপসা আলো জানালার পর্দা দিয়ে চুঁইয়ে আসছিল, তখন আমরা দুজনেই ঘামে জবজবে অবস্থায় একে অপরের ওপর এলিয়ে পড়েছিলাম। মায়ের সেই ভরাট স্তনযুগল তখন আমার বুকের চাপে চ্যাপ্টা হয়ে আছে, আর তাঁর এলোমেলো চুলগুলো বালিশময় ছড়িয়ে। সীতা তখনও মায়ের অন্য হাতটা জড়িয়ে ধরে ঘুমে বিভোর। মা আমার কপালে একটা ঘামভেজা চুমু দিয়ে বললেন, "এবার যা... আলো ফুটে গেছে। সীতা জেগে ওঠার আগে নিজের ঘরে যা। কাল দুপুরে কিন্তু এই চাবি আর পাবি না।"
আমি বিজয়ীর হাসি হেসে বিছানা ছাড়লাম। শরীরে এক চরম ক্লান্তি, কিন্তু মনে এক আকাশ সমান তৃপ্তি।
ভোরের সেই স্নিগ্ধ আলোয় মা আবার সেই 'শুদ্ধা গৃহিণী' হয়ে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, কিন্তু তাঁর সারা শরীরের দাগগুলো বলছিল গত রাতের সেই নিষিদ্ধ ইতিহাসের কথা।
সকালের টেবিলে বাবা গম্ভীরভাবে খবরের কাগজ পড়ছেন। সীতা, যার কলেজে ভর্তি হতে এখনও কয়েকটা দিন বাকি, সে টেবিলের এক কোণে বসে নিজের খেলনা বাটি নিয়ে খেলছে। মা যখন রান্নাঘর থেকে গরম পরোটা নিয়ে এলেন, তাঁর সারা শরীরে একটা ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট। ৪১ বছরের সেই রাজকীয় দেহে গত রাতের চার বারের সেই 'প্রলয়ঙ্করী ঝড়ের' ধকল তখনও সতেজ।
মা টেবিলে খাবারের থালা রাখার সময় একবারও আমার চোখের দিকে তাকাতে পারলেন না। তাঁর সিঁদুরের টিপটা আজ সামান্য সরে গেছে, আর হাঁটার সময় তাঁর ভারী উরুদ্বয়ের জড়তা দেখে আমার ঠোঁটে এক বাঁকা হাসি ফুটে উঠল। বাবা খাবারের দিকে তাকিয়ে বললেন, "আজ বড় দেরি হলো যে পরোটা করতে?"
মা থমকে গেলেন। তাঁর হাত কাঁপছিল। তিনি নিচু স্বরে বললেন, "হ্যাঁ, শরীরটা আজ একটু মেজমেজ করছে, উঠতে দেরি হলো।"
আমি বাবার সামনে খুব বেশি কথা বলা নিরাপদ মনে করলাম না, পাছে বাবা কিছু ধরে ফেলেন। তাই আমি চুপচাপ খাওয়ার ভান করতে লাগলাম। কিন্তু টেবিলের নিচে আমার পা-টা সন্তর্পণে বাড়িয়ে সরাসরি মায়ের ফর্সা ও মাংসল পায়ের পাতায় চেপে ধরলাম। মা শিউরে উঠলেন, কিন্তু চিৎকার করতে পারলেন না। তিনি একবার আড়চোখে আমার দিকে তাকালেন—সেই চোখে ছিল লজ্জা আর চরম মিনতি।
সীতা হঠাৎ ঢং করে আদো গলায় বলল, "মা, তুমি কাল রাতে অত গোঙাচ্ছিলে কেন? আমি তোমার হাত ধরেছিলাম কিন্তু তুমি তো ঘুম থেকে উঠলে না।"
বাবার কান খাড়া হলো। "গোঙাচ্ছিল মানে? তোমার কি শরীর খারাপ করেছিল?"
মা এবার লজ্জায় নীল হয়ে গেলেন। তিনি দ্রুত সামলে নিয়ে বললেন, "না না, ওটা বোধহয় মশার কামড়ে... আমি আসলে গভীর ঘুমে ছিলাম।" মা আমার পায়ের নিচে নিজের পা দিয়ে হালকা একটা চাপ দিলেন, যেন বলতে চাইলেন, 'সৌরভ, এবার থাম!'
বাবা খেয়ে উঠে হাত ধুতে গেলে আমি রান্নাঘরে গেলাম। মা তখন কলের নিচে এঁটো থালাবাসন মাজছেন। রান্নাঘরের এই স্বল্প পরিসরে বাতাসের উত্তাপ যেন কয়েক গুণ বেড়ে গেল। বাবা পাশের ঘরে এখনো হাত-মুখ ধুচ্ছেন, জলের পড়ার শব্দ শোনা যাচ্ছে। সেই শব্দের আড়ালেই আমি ধীরপায়ে মায়ের ঠিক পেছনে গিয়ে দাঁড়ালাম। মা নিচু হয়ে ঝুঁকে থালা মাজছিলেন, আর সেই ভঙ্গিতে তাঁর ভারী ও সুপুষ্ট নিতম্ব দুটি শাড়ির পাতলা আবরণে টানটান হয়ে আমার পেটের কাছে এসে ঠেকছিল।
আমার শরীরের অবাধ্য কামনার সেই প্রথম স্পর্শ পেতেই মা এক মুহূর্তের জন্য স্থির হয়ে গেলেন। থালা মাজা থেমে গেল, কেবল কলের জলের অবিরাম শব্দ আর আমাদের ঘন হতে থাকা নিশ্বাসের আওয়াজ বাকি রইল।
আমি মায়ের কাঁধে মুখ রেখে তাঁর ঘাড়ের সেই চন্দন-গন্ধী ভাঁজে নিজের ঠোঁট ছোঁয়ালাম। এক অদ্ভুত মাদকতাময় ঘ্রাণ। আমি ফিসফিস করে মায়ের কানে বললাম:
"মা, কাল রাতের শেষবারের সেই প্রবেশটা মনে আছে? তোমার সেই ৪১ বছরের পরিপক্ক শরীরটা যখন আমার ১৯ বছরের উত্তাপ সইতে না পেরে থরথর করে কাঁপছিল... উফ্! তোমার ওই টাইট আর পিচ্ছিল ভোদার ভেতরে যখন আমি শেষবারের মতো আমার নাম লিখে দিচ্ছিলাম, তুমি তখন আস্ত একটা বাঘিনীর মতো আমার পিঠ খামচে ধরেছিলে। বিশ্বাস করো মা, আজ সকালে তোমার এই ধকল-খাওয়া অবসন্ন রূপটা দেখে আমার বড্ড মায়া হচ্ছে, আবার একই সাথে তোমাকে নতুন করে পাওয়ার নেশাটাও জাগছে।"
মা এক দীর্ঘ হাহাকার চেপে আমার দিকে আধভেজা মুখ করে ফিরে তাকালেন। তাঁর চোখে তখন লজ্জা, ভয় আর এক নিষিদ্ধ প্রশ্রয়ের অদ্ভুত সংমিশ্রণ। তিনি তাঁর ফ্যানা-মাখা হাতটা আলতো করে সরিয়ে দিয়ে আমার গালে ভেজা হাতে একটা টোকা দিলেন। তাঁর গলার স্বরে ছিল এক মিঠে শাসন:
"তুই একটা জানোয়ার সৌরভ... বড্ড অবাধ্য হয়েছিস। তোর অত্যাচারে আজ সকালে আমার কোমর আর উরুর সন্ধিস্থলগুলো অবশ হয়ে আছে। আয়নায় দেখ তো নিজের চেহারাটা, ১৯ বছরের যুবক হলে কী হবে, কাল রাতভর তুই আমাকে যেভাবে নিংড়ে নিয়েছিস তাতে তো তোরও আজ নড়াচড়া করার ক্ষমতা থাকার কথা নয়। আর ওইটুকু মেয়ে সীতা... ও যখন বাবার সামনে ওরকম করে বলল, আমার মনে হচ্ছিল যেন পৃথিবীটা দু'ভাগ হয়ে যাক। তুই কি সত্যিই চাস তোর মা সবার সামনে মুখ দেখাতে না পারুক?"
আমি মায়ের ভারী কোমরের ভাঁজে নিজের হাতটা একটু জোরে চেপে ধরে বললাম, "মা, পৃথিবী রসাতলে গেলেও তোমার এই মাংসল দেহের মায়া আমি ছাড়তে পারব না। সীতা ছোট, ও কিছু বোঝে না। কিন্তু তুমি তো বোঝো তোমার এই হুকুমের গোলামের কতটা ক্ষমতা।"
মা এবার একটু হেসেই ফেললেন, যদিও সেই হাসিতে ছিল এক কামুক সঙ্কেত। তিনি নিচু স্বরে বললেন, "হ্যাঁ, ক্ষমতার দাপট তো কাল রাতেই খুব দেখালি। চার-চারবার আমাকে সেই নরকের দরজায় নিয়ে গিয়েছিলি তুই। এখন যা এখান থেকে, বাবা চলে আসবে। দুপুরে সীতা ঘুমিয়ে পড়লে তখন দেখা যাবে তোর ওই মায়াটা কতটুকু সত্যি আর কতটুকু লোকদেখানো।"
বাবা চলে যাওয়ার পর দুপুরে আমি মা এবং সিতা খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। মায়ের সান্নিধ্যে পেতে খুব ইচ্ছা হলো। তাই আস্তে আস্তে মায়ের রুমের দিকে আগালাম।
জানালার খড়খড়ি চুঁইয়ে আসা দুপুরের রোদে ঘরটা যেন এক মায়াবী হলদেটে আভায় ডুবে আছে। সিলিং ফ্যানের একঘেয়ে ঘূর্ণন শব্দ ছাড়া আর কোনো শব্দ নেই। ছোট সীতা মায়ের পেটের ওপর তার ছোট্ট একটা পা তুলে দিয়ে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। মা শুয়ে আছেন চিৎ হয়ে, দুপুরের ক্লান্তিতে তাঁর শরীরটা বিছানার সাথে যেন মিশে গেছে। নাইটির অবাধ্য প্রান্তটা হাঁটুর অনেকটা ওপরে উঠে আসায় তাঁর ভরাট ও দুগ্ধশুভ্র উরুদ্বয়ের পেশল সৌন্দর্য পুরোটা উন্মোচিত হয়ে আছে।
আমি যখন তেলের শিশিটা হাতে নিয়ে বিছানার এক কোণে বসলাম, বিছানাটা সামান্য কেঁপে উঠল। মা চোখ না মেলেই বিড়বিড় করে বললেন, "সীতা... নড়িস না মা, একটু ঘুমাতে দে..."
আমি কোনো কথা না বলে নিজের হাতের তালুতে বেশ খানিকটা তেল নিয়ে ঘষতে শুরু করলাম যাতে তা সামান্য উষ্ণ হয়। তারপর খুব ধীরলয়ে আমার তেল-মাখা হাতটা মায়ের সেই উন্মুক্ত ও মাংসল উরুর ওপর রাখলাম। চামড়ার সাথে চামড়ার সেই পিচ্ছিল ছোঁয়া লাগতেই মা এক ঝটকায় চোখ মেললেন।
মায়ের চোখে তখন এক নিমেষের জন্য আতঙ্ক, পরক্ষণেই তা এক গভীর অবসাদে রূপ নিল। "সৌরভ? তুই আবার এখানে? দেখছিস না মেয়েটা শুয়ে আছে... আর শরীরটা কাল রাতের পর কেমন আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে আছে..."
আমি মুচকি হেসে মায়ের পায়ের পাতা থেকে শুরু করে গোড়ালি পর্যন্ত মালিশ করতে করতে বললাম, "মা, কাল রাতভর তুমি আমার যে সেবা করেছ, আজ তো আমার পালা। তোমার এই ৪১ বছরের পরিপক্ক শরীরটাকে আমি আজ এমনভাবে শান্ত করব যে রাতের জন্য তুমি আবার নতুন করে তাজা হয়ে উঠবে।"
আমার আঙুলগুলো যখন মায়ের উরুর ভেতরের দিকের সেই কোমল ও সংবেদনশীল ভাঁজগুলোতে প্রবেশ করল, মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে বালিশে মুখ গুঁজলেন। তেলের পিচ্ছিলতায় আমার হাত যখন তাঁর সেই ভারী নিতম্বের ঠিক নিচে গিয়ে থামল, মা থরথর করে কাঁপতে শুরু করলেন।আর বললো -
"উফ্ সৌরভ... বড্ড সুড়সুড়ি লাগে রে... ওখানে নয়। তুই তো আরাম দেওয়ার নাম করে আমাকে আবার সেই নিষিদ্ধ পথে নিয়ে যাচ্ছিস। কাল রাতের ওই চার-চারবারের ঘষায় আমার ভেতরটা এখনও টনটন করছে, তুই কি চাস আমি আজ বিছানা থেকেই উঠতে না পারি?"
আমি আমার হাতটা নাইটির নিচ দিয়ে আরও ভেতরে সেঁধিয়ে দিলাম। মায়ের সেই তপ্ত ও মাংসল তলপেট আর কোমরের গভীর খাঁজে তেলের প্রলেপ দিতে দিতে বললাম, "মা, তোমার এই শরীরটা তো দাউদাউ করে জ্বলা একটা আগ্নেয়গিরি। আমি যতই শান্ত করতে আসি না কেন, আমার স্পর্শ পেলেই তা আবার ফুটতে শুরু করে। দেখো তো, তোমার নিশ্বাস কেমন ভারী হয়ে উঠেছে..."
মা এবার আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না। সীতা পাশে থাকা সত্ত্বেও তিনি এক অস্ফুট গোঙানিতে নিজের শরীরটা আমার দিকে একটু ঠেলে দিলেন। তাঁর ৪১ বছরের আভিজাত্য তখন আমার হাতের তালুর নিচে পিষ্ট হচ্ছে। তিনি চোখ বন্ধ করে ফিসফিস করে বললেন, "তুই আস্ত একটা শয়তান... তোর এই হাতের জাদু আমাকে আর মা হয়ে থাকতে দিচ্ছে না। মালিশটা আরও একটু উপরে কর... উফ্ সৌরভ, বড্ড আরাম লাগছে রে..."
মায়ের সেই সলজ্জ অনুমতি পেয়ে আমি আমার হাতের গতি বাড়িয়ে দিলাম। আরামের বাহানায় আমি তাঁর শরীরের প্রতিটি গোপন খাঁজ আজ নিজের দখলে নিতে শুরু করলাম, যেন রাতের সেই চূড়ান্ত অভিযানের আগে জমিটা ভালো করে চষে নিচ্ছি।
বিকেলের পড়ন্ত রোদ যখন ঘরের দেয়ালে দীর্ঘ ছায়া তৈরি করছে, মায়ের শরীরের সেই আলস্য মাখা আরাম ধীরে ধীরে এক বুনো ছটফটানিতে রূপ নিল। আমার হাতের তেলের মালিশ আর আঙুলের কৌশলী ছোঁয়া মায়ের ৪১ বছরের অবদমিত তৃষ্ণাকে আবার জাগিয়ে তুলেছে। মায়ের নিশ্বাস এখন কামনার তপ্ত বাষ্পের মতো আমার ঘাড়ে আছড়ে পড়ছে। তিনি এক হাত দিয়ে সীতাকে আগলে রেখে অন্য হাতে আমার শার্টের হাতা খামচে ধরলেন।
মায়ের চোখের সেই লোলুপ চাহনি আর তাঁর উন্মুক্ত উরুর থরথর কম্পন দেখে আমি যখন তাঁর ওপর ঝুঁকে পড়তে গেলাম, মা হঠাৎ আমার বুকে হাত দিয়ে আমাকে থামিয়ে দিলেন। তাঁর কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম, চোখে এক অদ্ভুত শূন্যতা।
কেন এমন শূন্যতা!!?? .......
তা জানতে হলে পরবর্তী পর্বে চোখ রাখুন....
সঙ্গে থাকার জন্য সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।