Forums
প্রতিমার জীবন সংগ্রামের ইতিকথা (By:sghosh2100sg1900) - Printable Version

+- Forums (https://forum.xgossip.fun)
+-- Forum: Storeys Category (https://forum.xgossip.fun/forumdisplay.php?fid=1)
+--- Forum: Mature Stories 18% (https://forum.xgossip.fun/forumdisplay.php?fid=4)
+--- Thread: প্রতিমার জীবন সংগ্রামের ইতিকথা (By:sghosh2100sg1900) (/showthread.php?tid=33)

Pages: 1 2


RE: প্রতিমার জীবন সংগ্রামের ইতিকথা (By:sghosh2100sg1900) - X Man - 09-10-2026

একাদশ পর্ব:-



 ভোরের আলোটা ঠিক যেন একটা ধারালো ছুরির মতো রান্নাঘরের মেঝেতে এসে পড়েছে। প্রতিমা সকাল থেকেই ব্যস্ত। হাঁড়ি-পাতিলগুলো সাজিয়ে রাখা, মশলা বাটানো—সবই তার হাতের চেনা কাজ। কিন্তু আজ হাতের নড়াচড়ার সঙ্গে মনের তাল মিলছে না। তার মনটা যেন এক অস্থির পাখির মতো খাঁচার ভেতর ডানা ঝাপটাচ্ছে। সারা রাত সে ঘুমানোর চেষ্টা করেছে, কিন্তু চোখ বন্ধ করলেই ভেসে উঠছে সেই সাদা কাগজে লেখা কালো অক্ষরগুলো। সৌম্যের চিঠি। আর সেই সাথে আসা উপহারগুলো—একটি গোলাপি শাড়ি, একটি স্লিভলেস ব্লাউজ আর একটি অদ্ভুত স্ট্র্যাপলেস ব্রা। জিনিসগুলো এখন তার আলমারির গোপন কোণে রাখা, কিন্তু তাদের অস্তিত্ব প্রতিমার শরীরের ভেতর এক অদ্ভুত কম্পন সৃষ্টি করছে।
 সে একটি স্টিলের হাঁড়ি ধুচ্ছিল। সাবানের ফেনা আঙুলের ফাঁক দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে। হঠাৎ পেছনে কারো পায়ের শব্দ। প্রতিমা চমকে ঘুরে তাকাল।
 দরজায় দাঁড়িয়ে সৌম্য। পরনে একটি ধবধবে সাদা শার্ট, নীল জিনস। সকালের নরম হাওয়ায় তার চুলগুলো অবিন্যস্ত, কপালে একটা অবাধ্য গোছা এসে পড়েছে। তার চোখে সেই পরিচিত মৃদু আলো, কিন্তু আজ সেই আলোর নিচে চাপা পড়া এক গভীর তৃষ্ণা। প্রতিমা দেখল সৌম্য তার দিকে তাকিয়ে আছে—তাকিয়ে আছে একদৃষ্টিতে।
 প্রতিমা দ্রুত নিজের সাদা শাড়ির আঁচলটা কোমরের পেছনে গুঁজে নিল। তার শরীরের বাঁকগুলো ব্লাউজের টাইট ফিটিংয়ের কারণে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সে হাঁড়িটা নামিয়ে রেখে মাথা নিচু করল।
 "মা, আমি দোকানে যাচ্ছি," সৌম্যর কণ্ঠস্বর স্বাভাবিক, কিন্তু তাতে এক ধরণের চাপা টান আছে।
 প্রতিমা কিছু বলতে চাইল। তার ঠোঁট দুটো সামান্য নড়ে উঠল, কিন্তু শব্দ বেরিয়ে এল না। সে শুধু মাথা নাড়ল।
 সৌম্যর দৃষ্টি প্রতিমার উন্মুক্ত বাহুর ওপর দিয়ে নেমে গেল কোমরের সেই বক্ররেখায়, যা শাড়ির ভাঁজে মাঝে মাঝে উঁকি দিচ্ছে। সে এক পা এগিয়ে এল। রান্নাঘরের দরজার কাছে এসে সে হঠাৎ থামল। মুখ ঘুরিয়ে প্রতিমার চোখের দিকে তাকাল।
 "সন্ধ্যাবেলায় ফিরে এসে যদি দেখি তুমি আমার সেই জিনিসগুলো পরেছ..." সৌম্যর গলায় এবার একটা অনুরোধ, কিন্তু তার ভেতরে মিশে আছে আদেশ। "আমার খুব ভালো লাগবে। জানি তুমি এখনও পরোনি, কিন্তু..."
 সে একটু থামল। প্রতিমার বুকের ভেতরটা ধড়ফড় করে উঠল। সৌম্যর কণ্ঠস্বর এবার আরও গম্ভীর হয়ে এল।
 "আমার জন্য পরো, মা।"
 প্রতিমা ঘুরে তাকাল না। সে শুধু একবার মাথা নাড়ল। তার হাতের আঙুলগুলো স্টিলের হাঁড়িটার ওপর শক্ত হয়ে বসে গেছে। সৌম্য আর কিছু বলল না। তার পায়ের শব্দ ধীরে ধীরে দূরে সরে গেল, তারপর বাইরের রাস্তার কোলাহলে মিশে গেল। প্রতিমা সেখানে পাথরের মতো দাঁড়িয়ে রইল। তার মনে হচ্ছিল, তার চারপাশের বাতাসটা ভারী হয়ে আসছে।
 সকাল গড়িয়ে দুপুর হলো। দুপুর গড়িয়ে বিকেল। প্রতিমার কাছে দিনটা যেন এক অনন্তকাল। সে ঘরের সব কাজ করল, কিন্তু তার মন ছিল সেই আলমারির ভেতরে। সে বারবার আলমারির সামনে গিয়ে দাঁড়াল, তারপর আবার ফিরে এল।
 সে একবার চুপিচুপি সেই গোলাপি শাড়িটা হাতে নিল। কাপড়টা এত নরম যে মনে হচ্ছে ত্বকের সঙ্গে মিশে যাবে। তারপর দেখল সেই স্লিভলেস ব্লাউজটা। গভীর গলা, খোলা পিঠ। আর সেই স্ট্র্যাপলেস ব্রা—সাদা লেসের কাজ করা। প্রতিমা আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়াল। নিজের সাদা শাড়ি আর সাদামাটা ব্লাউজের দিকে তাকাল।
 "আমি কি পারব?" সে ফিসফিস করে নিজেকে জিজ্ঞেস করল।
 তার মনে পড়ল পাড়ার লোকেদের কথা। বিধবা প্রতিমা। তার শরীর এখন সমাজের চোখে শুধু শোক আর সংযমের আধার। এখানে কামনা-বাসনার কোনো স্থান নেই। উন্মুক্ত বাহু, গভীর গলা—এসব তো অপরাধ। তার শরীরের এই জেগে ওঠা তৃষ্ণা যেন এক নিষিদ্ধ পাপ। সে শিউরে উঠল। দ্রুত পোশাকগুলো গুছিয়ে রাখল।
 সন্ধ্যা নামল। ঘড়িতে তখন ছ’টা। বাইরের অন্ধকারটা ধীরে ধীরে ঘরের ভেতর ঢুকে পড়ছে। হঠাৎ দরজার খিল খোলার শব্দ হলো। সৌম্য ফিরেছে।
 প্রতিমা তড়িঘড়ি করে রান্নাঘর থেকে পিছনের ঘরে চলে গেল। তার বুক কাঁপছে। সে চায় না সৌম্য তাকে এই মুহূর্তে দেখুক। কিন্তু সৌম্য তাকে খুব সহজেই খুঁজে নিল। সে রান্নাঘরে ঢুকল। দেখল প্রতিমা আগের মতোই সেই সাদা শাড়িতে ঢাকা। পোশাক বদলায়নি।
 সৌম্য কিছুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল। তার মুখে হতাশার কালো ছায়া। সে ধীর গলায় বলল, "মা, তুমি তো পরোনি।"
 প্রতিমা রান্নার চুলা নাড়ছিল। সে মুখ না ঘুরিয়েই জবাব দিল, "না, পরিনি।"
 সৌম্যের কণ্ঠে এবার বিষণ্ণতা ফুটে উঠল। সে মাথা নিচু করে দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
 "তাহলে কি তুমি আমাকে ভালোবাসো না?"
 প্রতিমা চমকে উঠল। সে এবার মুখ ঘুরিয়ে তাকাল।
 "সৌম্য, তুমি এসব কী বলছ?"
 "আমি যা চাই, তার একটা কথাও তুমি রাখো না," সৌম্যর কণ্ঠে অভিমান। "শুধু একবারের জন্য, শুধু একবার পরলে কী এমন ক্ষতি হতো? আমার এইটুকু ইচ্ছে পূরণ করা কি তোমার জন্য এত কঠিন ছিল?"
 প্রতিমার বুকটা যেন ফেটে যেতে চাইল। সে কিছু বলতে গেল, কিন্তু কথাগুলো গলায় আটকে গেল। সৌম্য ঘুরে দাঁড়াল। তার চোখে জল চিকচিক করছে।
 "আমি জানতাম তুমি পরবে না। তুমি তো কখনো আমার কথা শোনো না। তুমি শুধু তোমার নিজের মতো চলো, তোমার ওই সংস্কারের খাঁচায় বন্দি হয়ে। আমার কোনো মূল্য নেই তোমার কাছে, তাই না? আমি তো তোমার কাছে কিছুই না।"
 সৌম্য দ্রুত নিজের ঘরে চলে গেল। তার পায়ের শব্দে ঘরটা কেঁপে উঠল। প্রতিমা স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। তার চোখ বেয়ে এক ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ল। সে হঠাৎ বুঝতে পারল, সৌম্যর এই অভিমান শুধু পোশাকের জন্য নয়। এটা ছিল এক ধরণের স্বীকৃতি খোঁজা। এই ছেলেটি তার জন্য সব করেছে, তাকে সুখী করার চেষ্টা করেছে, আর সে শুধু ভয়ে—সমাজের ভয়ে—তাকে কষ্ট দিল।
 প্রতিমার হাত কাঁপতে লাগল। তার ভেতরে দীর্ঘদিনের জমে থাকা বাঁধটা যেন এক মুহূর্তেই ভেঙে পড়ল। সে দ্রুত চুলা বন্ধ করল। হাত-মুখ ধুয়ে নিল। তারপর এক অদ্ভুত সংকল্প নিয়ে নিজের ঘরের দিকে হাঁটা দিল।
 দরজা বন্ধ করে সে সোজা বিছানার পাশে রাখা সেই প্যাকেটের দিকে গেল। তার আঙুল কাঁপছে, কিন্তু এবার আর কোনো দ্বিধা নেই। সে দ্রুত নিজের পুরনো সাদা ব্লাউজটা খুলে ফেলল। তারপর শাড়িটা খুলে নামিয়ে দিল। সে এখন সম্পূর্ণ উন্মুক্ত।
 সে ধীরে ধীরে সেই স্ট্র্যাপলেস ব্রা-টা পরল। সাদা লেসগুলো তার ত্বকের সঙ্গে মিশে গেল। স্তনগুলো উত্তেজনায় শক্ত হয়ে উঠল, ব্রা-র টাইট বাঁধন সে অনুভব করতে পারল। তারপর সে স্লিভলেস ব্লাউজটা পরল। গভীর গলার কাট তার বুকের মাঝের রেখাকে স্পষ্ট করে তুলল। সবশেষে সেই গোলাপি শাড়িটা। সে খুব সাবধানে ভাঁজগুলো ঠিক করল।
 চুলগুলো খুলে দিয়ে সে একটু সাজিয়ে নিল। সামান্য সিঁদুর, আর চুলে কয়েকটি তাজা ফুল। সে আয়নার সামনে দাঁড়াল।
 "এটা কি আমি?" সে অবাক হয়ে নিজেকে দেখল।
 আয়নায় যে নারী দাঁড়িয়ে আছে, সে প্রতিমা নয়। সে যেন এক অপ্সরা। রূপসী, আবেদনময়ী। তার চোখে এখন লজ্জা নেই, আছে এক তীব্র ইচ্ছা। সে ধীরে ধীরে দরজা খুলল এবং ড্রয়িংরুমের দিকে এগিয়ে গেল।
 সৌম্য সোফায় বসে ছিল, মাথা নিচু করে। ঘরটা অন্ধকার, শুধু একটি ল্যাম্পের মৃদু আলো। হঠাৎ সে চোখ তুলল।
 দরজার ফ্রেমে প্রতিমা দাঁড়িয়ে। নীলচে গোলাপি শাড়িটা তার শরীরে যেন আগুনের পরশ ছড়াচ্ছে। স্লিভলেস বাহু দুটো নরম আলোয় চকচক করছে। গভীর গলার ব্লাউজটা প্রতি নিঃশ্বাসে তার বুকের ওপর ওঠানামা করছে। তার চোখে লজ্জা আর ভালোবাসার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ।
 সৌম্যর কথাগুলো জড়িয়ে গেল। সে খাড়া হয়ে দাঁড়াল।
 "মা... তুমি..."
 সে ধীরে ধীরে প্রতিমার কাছাকাছি এল। প্রতিমা তার দিকে তাকাল। তার দৃষ্টিতে এখন এক ধরণের আত্মসমর্পণ।
 সৌম্য প্রতিমার হাত ধরল। তার আঙুলগুলো প্রতিমার কব্জির মসৃণ ত্বকের স্পর্শ পেল। প্রতিমা নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখল। সৌম্য আরও কাছে এল। তার অন্য হাতটা প্রতিমার কোমরে রাখল। শাড়ির নিচে কোমরের সেই উষ্ণ বক্রতা অনুভব করে সৌম্যর শ্বাস ভারী হয়ে এল।
 "মা, তুমি এত সুন্দর," সৌম্য ফিসফিস করে বলল। তার কণ্ঠে বিস্ময় আর তীব্র তৃষ্ণা। "আমি জানতাম তুমি এগুলো পরলে তোমাকে অপ্সরার মতো লাগবে। তুমি সত্যিই আমার জন্য এটা পরেছ?"
 সৌম্যর চোখ এখন প্রতিমাকে খাচ্ছে। সে প্রতি পদক্ষেপে দূরত্ব কমিয়ে আনল। প্রতিমার পা যেন মাটিতে আটকে গেছে। সে সরতে চায় না, বরং আরও কাছে আসতে চায়।
 সৌম্য তার সামনে এসে দাঁড়াল। তার হাত উঠল, কাঁপা আঙুলে স্পর্শ করল শাড়ির পিছনের খোলা অংশ—প্রতিমার কোমরের সেই উষ্ণ ত্বক। এক স্পর্শেই প্রতিমা শিউরে উঠল। সৌম্য তার হাত দুটো প্রতিমার কোমরের চারপাশে জড়িয়ে দিল। সে তাকে নিজের শরীরের সঙ্গে একদম মিশিয়ে নিল।
 প্রতিমা অনুভব করতে পারল সৌম্যর বুকের ভেতরে উত্তেজিত হৃদপিণ্ডের প্রচণ্ড স্পন্দন। সৌম্য ধীরে ধীরে তার মুখ নামিয়ে আনল। তার ঠোঁট প্রতিমার ঠোঁটের খুব কাছে এল।
 প্রথমে শুধু একটি নরম স্পর্শ। দুটি ঠোঁটের মিলন, যেন সারা সন্ধ্যার দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। সৌম্য ধীরে ধীরে প্রতিমার ঠোঁট চেপে ধরল। তার ঠোঁটের উষ্ণতা প্রতিমার ঠোঁটে স্থানান্তরিত হলো। প্রতিমার ঠোঁট ছিল নরম, মিষ্টি—যেন মধুর মতো।
 সৌম্য তার ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে প্রতিমার জিহ্বা খুঁজতে লাগল। প্রতিমা প্রথমে কিছুটা ইতস্তত করল, কিন্তু সৌম্যর আবেগের তীব্রতায় সে নিজেকে হারিয়ে ফেলল। তার ঠোঁট সৌম্যর ঠোঁটের সাথে মিলে গিয়ে এক আদিম যুদ্ধে লিপ্ত হলো।
 সৌম্যের হাত প্রতিমার পিঠ বরাবর নামতে লাগল। কোমরের কাছে এসে তার আঙুলগুলো শক্ত হয়ে চেপে ধরল। প্রতিমা সৌম্যর বুকে হাত রেখে নিজেকে সামান্য দূরে সরাতে চাইল, কিন্তু তার শরীর তাকে বাধা দিল। সৌম্যর চুম্বন আরও গভীর হতে লাগল। প্রতিমার বুকের ভেতরে যেন আগুনের লেলিহান শিখা জ্বলতে শুরু করল।
 কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তে, প্রতিমার মনের ভেতরে কোথাও একটা দেয়াল তৈরি হলো। এক তীব্র সতর্কবার্তা ভেসে এল—এটা ঠিক নয়। এটা পাপ। এটা সম্পর্কের সীমারেখা লঙ্ঘন।
 সে প্রচণ্ড শক্তিতে সৌম্যকে ঠেলে দিল।
 সৌম্য পিছিয়ে গেল। তার চোখে অবাক আর গভীর বেদনা। সে বুঝতে পারল, এই মুহূর্তটা ভেঙে গেছে।
 "না, সৌম্য, না। এটা ঠিক নয়," প্রতিমা হাঁপাতে হাঁপাতে বলল। তার কণ্ঠ কাঁপছে।
 সে দ্রুত নিজের ঘরের দিকে ছুটে গেল। দরজা খুলে ঢুকে সে জোরে ধাক্কা দিয়ে দরজাটা বন্ধ করে দিল। শব্দে পুরো বাড়িটা কেঁপে উঠল।
 দরজার ওপাশে প্রতিমা হাঁফাতে লাগল। তার বুক যেন ফেটে যাচ্ছে। প্রচণ্ড আবেগে তার স্তন দুটো ব্লাউজের বাঁধনে টানটান হয়ে উঠেছে। সে নিজের বুকের ওপর হাত রাখল, হৃদপিণ্ডের প্রচণ্ড গতি অনুভব করল। তার চোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে, কিন্তু তার ঠোঁটে এখনও সৌম্যর চুম্বনের উষ্ণতা লেগে আছে।
 প্রতিমা দরজায় পিঠ ঠেকিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। দরজার ওপাশে কোনো শব্দ নেই। সে জানে সৌম্য হয়তো সেখানেই দাঁড়িয়ে আছে, অথবা চলে গেছে। সে জানতে চাইলেও দরজা খোলার সাহস পেল না।
 ধীরে ধীরে তার বুকের ঢেউ কমল। সে নিজের শাড়ি ঠিক করল, ব্লাউজের ভাঁজগুলো সামঞ্জস্য করল। কিন্তু তার মনের ভেতর এখনও ঝড় বইছে। সৌম্যর স্পর্শ, সেই চুম্বন, সেই উত্তাপ—সব যেন প্রতিমার রক্তে মিশে গেছে।
 সে জানালার কাছে গিয়ে পর্দা সরিয়ে বাইরে তাকাল। রাত নেমেছে, আকাশে তারা ফুটছে। কিন্তু তার মনের আকাশ এখনও অন্ধকার। সৌম্যর জন্য, নিজের জন্য, আর এই নিষিদ্ধ ভালোবাসার জন্য।
 সে ফিসফিস করে বলল, "আমরা কি কোনোদিন মুক্তি পাব?"
 বাইরে থেকে হাওয়ার শব্দ ভেসে এল, কিন্তু সেই প্রশ্নের কোনো উত্তর প্রতিমা পেল না। সে শুধু জানত, এই টান এখন আর কেবল শরীরের নয়, এটা এক মরণপণ আসক্তি।



RE: প্রতিমার জীবন সংগ্রামের ইতিকথা (By:sghosh2100sg1900) - X Man - 09-10-2026

দ্বাদশ পর্ব:-



রাত নেমেছে গভীর অন্ধকারে। ঘরের বাইরে ঝিঁঝিঁ পোকার একটানা ডাক একঘেয়েমি তৈরি করেছে, যা মাঝে মাঝে ভেঙে দিচ্ছে দূর থেকে ভেসে আসা কোনো কুকুরের আর্তনাদমাখা ঘেউ ঘেউ। প্রতিমা নিজের ঘরে পাথরের মতো বসে ছিল। তার বুকের ভেতরটা এখনো ঢোল পিটিয়ে চলেছে। দরজার ওপাশে সৌম্যর কোনো শব্দ নেই। নিস্তব্ধতা যেন আরও ভারী হয়ে চেপে বসছে তার ওপর।
সে কি চলে গেছে? নাকি এখনো ওখানে দাঁড়িয়ে আমার উত্তেজনার শব্দ শুনছে?
প্রতিমা জানত না। অনেকক্ষণ পর যখন সে সামান্য সাহস সঞ্চয় করে দরজা খুলে বাইরে তাকালো, বসার ঘরটি শুনশান। অন্ধকার ঘরে কেবল জানালার পর্দাগুলো হালকা বাতাসে দুলছে। সৌম্য তার নিজের ঘরে চলে গেছে। প্রতিমা দীর্ঘশ্বাস নিল। তার ফুসফুস যেন অক্সিজেনের জন্য তৃষ্ণার্ত। সে নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করল, কিন্তু তার মনটা তখনও অশান্ত।
সে রান্নাঘরে গেল। রাতের খাবার তৈরি করতে শুরু করল। হাতের কাজগুলো যেন যান্ত্রিক। চাল ধোয়া, ডাল সেদ্ধ করা, সবজি কাটা—সবই চলছে, কিন্তু তার মনটা যেন অন্য কোনো জগতে। তার ঠোঁটে তখনও লেগে আছে সৌম্যর চুম্বনের সেই তপ্ত স্বাদ। সেই স্পর্শের রেশ তাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে।
রান্নাঘর থেকে সে সৌম্যকে ডাকল। তার কণ্ঠস্বর সামান্য কেঁপে উঠল।
"সৌম্য, খাবার তৈরি। এসো খেয়ে নে।"
সৌম্য তার ঘর থেকে বেরিয়ে এল। তার মুখে কোনো অভিব্যক্তি নেই—নির্জীব, শান্ত। কিন্তু তার চোখের গভীরে এক অদ্ভুত আগুন জ্বলছে, যা প্রতিমাকে দেখলেই আরও তীব্র হয়। সে নিঃশব্দে রান্নাঘরে এসে বসল। প্রতিমা তার সামনে থালা সাজিয়ে দিল—গরম ভাত, ঘন ডাল, সবজি আর মাছের ঝোল। তারপর নিজে কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখে পাশে বসল।
খাবার দেওয়া শেষ করে প্রতিমা দ্রুত নিজের ঘরে ফিরে গেল। সে তার সেই পুরনো সাদা শাড়িটা বেছে নিল—যে শাড়িটা সে বছরের পর বছর পরে এসেছে। সাথে পরল সেই পুরনো স্লিভলেস ব্লাউজটা। ব্লাউজটার ফিতেগুলো অনেক পুরনো, জীর্ণ। কাপড়টা সময়ের সাথে সাথে সংকুচিত হয়ে গেছে, ছোট হয়ে গেছে, কিন্তু সে তা খেয়াল করেনি।
সে এতটাই বিচলিত ছিল যে একটি বিষয় সম্পূর্ণ ভুলে গেল। সকালে সৌম্যর দেওয়া রুপোর পায়ের মল, কোমরের চেন আর গলার চেইনটা সে খুলতে ভুলে গেছে। শাড়ির আঁচল গায়ে জড়ানোর সময় সে লক্ষ্য করল না যে ব্লাউজটা তার শরীরের ওপর অস্বাভাবিকভাবে টানটান হয়ে আছে। হাতের সামান্য নড়াচড়ায় বগলের কাছের সেলাইগুলো যেন এখনই ছিঁড়ে পড়বে।
সৌম্য ডাইনিং টেবিলে এসে বসল। তার দৃষ্টি প্রথমেই গেল প্রতিমার দিকে। আর একবার দৃষ্টি স্থির হলে তা আর সরল না। প্রতিমা শাড়িটা সামলে বসার চেষ্টা করছিল, কিন্তু সেই পুরনো ব্লাউজটা তার অবাধ্য যৌবনকে সামলাতে ব্যর্থ হচ্ছিল। ব্লাউজের গলার চিলতে ফাঁক দিয়ে প্রতিমার স্তনের গভীর খাঁজ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দুই পাশের নরম মাংসপেশি যেন ফ্যাব্রিকের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেতে চাইছে। প্রতিবার যখন সে সামনে ঝুঁকে ভাত নিচ্ছিল, ব্লাউজটা আরও কিছুটা সরে যাচ্ছিল। উন্মুক্ত কোমল চামড়ার ওপর ঝিলমিল করছিল ঘামের পাতলা রেখা।
সৌম্য খেতে শুরু করল, কিন্তু তার চোখ প্রতিমাকে ছেড়ে যাচ্ছিল না। সে কয়েকবার চোখ নামিয়ে রাখার চেষ্টা করল, কিন্তু বারবার তার দৃষ্টি সেই বক্রতার দিকে চলে যাচ্ছিল। ব্লাউজের পাশ দিয়ে প্রতিমার কোমরের মসৃণ চামড়া দেখা যাচ্ছিল। যেন পোশাকটি তার শরীরের উত্তাপ সইতে পারছে না।
আর সেই গয়নাগুলো—গলার চেইনটা স্তনের মাঝখানের খাঁজে দুলছে। কোমরের চেনটা শাড়ির নিচে তার কোমরের বক্রতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে। প্রতিবার যখন সে নড়ছিল, পায়ের মলের ঘুঙুরুগুলো মৃদু শব্দ করে উঠছিল।
প্রতিমা টের পেল সৌম্যর দৃষ্টির তীব্রতা। তার গাল দুটো আগুনের মতো গরম হয়ে উঠল। হঠাৎ তার মনে পড়ল গয়নাগুলোর কথা। সে বুঝতে পারল সে সেগুলো খুলতে ভুলে গেছে। এখন আর খোলার সুযোগ নেই, কারণ সৌম্য সব দেখে ফেলেছে।
প্রতিমার হাত কাঁপতে শুরু করল। থালা থেকে কিছু ভাত নিচে পড়ে গেল। সে দ্রুত উঠে দাঁড়ালো।
"আমার আর খেতে ইচ্ছে করছে না, ক্ষিধে নেই। তুমি খেয়ে নিও।"
বলেই সে প্রায় দৌড়ে নিজের ঘরে চলে গেল। জোরে দরজা বন্ধ করে দিল। ঘন অন্ধকারে সে বিছানায় বসে পড়ল। চোখ বন্ধ করল, কিন্তু অন্ধকার তাকে আরও গভীরে টেনে নিল।
স্মৃতিরা ভিড় করে এল। হোটেলের সেই ছোট কামরা। জানালা দিয়ে সমুদ্রের নোনা হাওয়া ভেতরে ঢুকছিল, হালকা সাদা পর্দাগুলো নাচছিল। সৌম্য প্রথমবার তাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরেছিল। তার বুকের কঠিন উষ্ণতা প্রতিমার পিঠে লেপ্টে গিয়েছিল। সৌম্যর হাতগুলো পেটের ওপর ঘুরে ঘুরে ধীরে ধীরে উপরের দিকে উঠছিল।
প্রতিমা মনে মনে প্রতিরোধ করতে চেয়েছিল, কিন্তু শরীর অন্য ভাষায় কথা বলছিল। সৌম্যর জিভ যখন তার ঘাড়ের কোমল চামড়ায় নেমে এসেছিল, প্রতিমা অজান্তেই তার চুলে আঙুল চালিয়েছিল, তাকে আরও কাছে টেনে নিয়েছিল। সেই রাতে আর কোনো ফেরার পথ ছিল না। সৌম্যর তীব্র কামনা, তার স্পর্শ, তার শরীরের মদের নেশা—সব মিলিয়ে প্রতিমা নিজেকে বারবার হারিয়েছিল।
সেই রাতে সে কতবার চিৎকার করেছিল, কতবার নিজের ঠোঁট কামড়ে ধরেছিল তা মনে নেই। চোখের সামনে ভেসে উঠছে দৃশ্যগুলো—সৌম্য তার স্তন চুষেছে, কামড়েছে তার সারা শরীরে ভালোবাসার চিহ্ন এঁকে দিয়েছিল তারপর তাকে নিজের করে নিয়েছিল।
সেই স্মৃতি এখন প্রতিমার শরীরে আগুন জ্বালিয়ে দিচ্ছে। স্তনের নিচে রুপোর চেইনটা ঠান্ডা, কিন্তু তার ত্বক জ্বলছে। সে নিজেকে দুই বাহু দিয়ে জড়িয়ে ধরে ফিসফিস করে বলল, "আমি কী করছি? কেন আমি এটা চাইছি?"
সে জানালার কাছে গিয়ে পর্দা সরিয়ে বাইরে তাকালো। আকাশ একদম কালো, কোনো তারা নেই। তার মনটাও যেন এই অন্ধকারের মতোই বিভ্রান্ত।
এদিকে সৌম্য খাবার শেষ করল। সে উঠে দাঁড়াল। তার চোখে এখন দৃঢ় সংকল্প। সে ধীর পায়ে প্রতিমার ঘরের দিকে এগিয়ে গেল। দরজার সামনে এসে থামল। ভেতর থেকে কোনো শব্দ আসছে না, কিন্তু সে জানে প্রতিমা জেগে আছে। তার শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ যেন সে শুনতে পাচ্ছে।
সৌম্য দরজায় ধীরে ধীরে টোকা দিল।
"মা?"
কোনো উত্তর নেই। সে আরেকবার টোকা দিল, এবার একটু জোরে।
"দরজা খোলো, মা। আমার তোমার সাথে কিছু কথা বলতে হবে।"
ভেতর থেকে নীরবতা। সৌম্যর কণ্ঠস্বর এখন আরও শান্ত কিন্তু দৃঢ়।
"ঐ রাতের কথা বলতে চাই। হোটেলের কথা। যেখানে আমরা প্রথমবার এক হয়েছিলাম। আমরা যে সম্পর্কে আছি, সেটা নিয়ে কথা বলা দরকার।"
প্রতিমা চুপ করে রইল। তার বুক ধড়ফড় করছে, হাত কাঁপছে। সে কোনো শব্দ করতে পারছে না।
সৌম্যর কণ্ঠে এবার এল এক অদ্ভুত কোমলতা।
"তুমি সেই গয়নাগুলো পরে আছো, মা। তুমি এখনও সেগুলো খোলোনি। তার মানে তুমি আমাকে এখনও চাও, তাই না?"
প্রতিমার চোখে জল এসে গেল। সে জানত এই প্রশ্নের কোনো সহজ উত্তর নেই। সে চায়—হ্যাঁ, সে খুব চায়। কিন্তু সমাজ, পাপ, সম্পর্কের সংজ্ঞা—সবই তাকে বাধা দিচ্ছে। তবু তার শরীর, তার মন, তার প্রতিটি কোষ সৌম্যর জন্য আর্তনাদ করছে।
"সৌম্য, প্লিজ... না। এটা ঠিক না," প্রতিমা ফিসফিস করে বলল। তার কণ্ঠে কোনো জোর নেই।
সৌম্যর হাত দরজার হাতলে। সে সরে গেল না।
"তুমি জানো আমি তোমাকে ভালোবাসি, মা। তুমি জানো আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারব না। তুমি কি আমাকে ভেতরে আসতে দেবে? শুধু কথা বলার জন্য?"
প্রতিমা চুপ করে রইল। চোখের জল গড়িয়ে পড়ছে। ভালোবাসা আর পাপের এক ভয়াবহ যুদ্ধ চলছে তার ভেতরে। একদিকে সে দরজা খুলে তাকে জড়িয়ে ধরতে চায়, অন্যদিকে সে চায় এই দরজা চিরতরে বন্ধ করে দিতে।
সৌম্য আরও কাছে এল। তার কণ্ঠস্বর এখন আকুল।
"মা, আমি তোমার দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে আছি। তুমি কি আমাকে ভেতরে আসতে দেবে? নাকি আমি সারারাত এখানেই দাঁড়িয়ে থাকব?"
প্রতিমা গভীর শ্বাস নিল। মন বলছে না, কিন্তু হৃদয় বলছে হ্যাঁ।
শেষ পর্যন্ত, সৌম্য কাঁপা হাতে সে দরজার হাতল স্পর্শ করল ও সে দেখলো দরজা ভেতর দিকে খোলা। সৌম্য ধীরে ধীরে দরজা খুলে দিল ও ভেতরে ঢুকল এবং সঙ্গে সঙ্গে পেছন থেকে দরজা বন্ধ করে দিল।
প্রতিমা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। তার চোখ বাইরের অন্ধকারে স্থির। দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দে সে চমকে উঠল। তার হৃদপিণ্ড যেন পাঁজরের ভেতর ধাক্কা দিচ্ছে। সে ঘুরে দাঁড়াতে চাইল না। জানালার বাইরে তাকিয়ে রইল, যেন সেখানে কোনো সমাধান লেখা আছে।
"মা..." সৌম্যর কণ্ঠ নরম, কিন্তু গভীর। প্রতিমা কথা বলতে পারল না। তার গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে। তার শ্বাস ভারী হয়ে আসছে। ব্লাউজের নিচে তার স্তন দ্রুত ওঠানামা করছে, আর সেই সাদা কাপড়টা আরও টানটান হয়ে উঠছে। সে মাথা নিচু করে রইল।
সৌম্য ধীরে ধীরে এগিয়ে এল। তার পায়ের শব্দ প্রায় শোনা যাচ্ছিল না, কিন্তু প্রতিমা তার উপস্থিতি অনুভব করতে পারছিল। বাতাসের উষ্ণতা যেন সৌম্যর শরীর থেকে ছড়িয়ে পড়ছে। সে থামল প্রতিমার ঠিক পেছনে, মাত্র কয়েক ইঞ্চির দূরত্বে।
"তুমি কাঁদছো?" সৌম্যর কণ্ঠে উদ্বেগ।
প্রতিমা মাথা নাড়ল, কিন্তু চোখের জল থামল না। সৌম্যর হাত উঠল, তার কাঁধ স্পর্শ করল। প্রতিমা সেই স্পর্শে শিউরে উঠল। ভয় আর আকাঙ্ক্ষার এক অদ্ভুত মিশ্রণ তার শিরদাঁড়া দিয়ে নেমে গেল।
সৌম্য তাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরল। তার শক্তিশালী বাহু দুটি প্রতিমার কোমরের চারপাশে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরলো। সৌম্যর বুক প্রতিমার পিঠের সাথে লেপ্টে গেল। প্রতিমা প্রথমে শক্ত হয়ে গেল, তারপর ধীরে ধীরে নিজেকে ছেড়ে দিল। তার শরীর যেন জানত এটাই তার শেষ গন্তব্য।
এরপর সৌম্য নিঃশব্দে তার আঙুলগুলো উঠিয়ে, স্পর্শ করল প্রতিমার গলার চেইনটা। আঙুলের ডগা চেইনের ওপর বুলিয়ে ধীরে ধীরে নামল ব্লাউজের খোলা গলার ভেতরে, স্তনের নরম চামড়ার ওপর। প্রতিমা শিউরে উঠল, কিন্তু এবার সে সরল না। সে চোখ বন্ধ করে সেই স্পর্শ অনুভব করল।
সৌম্য তার কানে ফিসফিস করে বলল, "এই গয়নাগুলো তোমার ওপর এত সুন্দর লাগে যে আমি আর নিজেকে ধরে রাখতে পারছি না, মা।"
প্রতিমা কিছু বলতে পারল না। তার ঠোঁট কাঁপছে না, কিন্তু চোখে জল। সে মাথাটি সৌম্যর বুকে এলিয়ে দিল। সৌম্য তার চুলে হাত বুলিয়ে পিঠের ওপর দিয়ে নামিয়ে নিল কোমরের কাছে। শাড়ির আঁচলটা ধীরে ধীরে সরে গেল। সৌম্যর হাত সরাসরি স্পর্শ করল প্রতিমার কোমরের উষ্ণ চামড়াকে—যেখানে রুপোর সোনালি চেনটি জড়ানো।
সৌম্যর বাহুগুলো আরও শক্ত হয়ে প্রতিমার কোমর আঁকড়ে ধরল। তার বুক প্রতিমার পিঠের সাথে আরও সজোরে লেগে গেল। প্রতিমা নিজেকে সম্পূর্ণভাবে সঁপে দিল।
"তুমি কি জানো তোমাকে এখন কেমন লাগছে?" সৌম্যর কণ্ঠস্বর এখন আরও ভারী।
প্রতিমা মাথা নাড়ল। সে শুধু অনুভব করতে চাইল।
"এই সাদা শাড়ি, এই ছোট ব্লাউজ... আর আমার দেওয়া এই গয়নাগুলো। তুমি যেন কামনার দেবীর ও তুমি আমার সবটুকু কামনাকে জাগিয়ে তুলছো।"
প্রতিমা কাঁপা গলায় বলল, "সৌম্য, এটা পাপ... আমরা যা করছি..."
সৌম্য তাকে আরও কাছে টেনে নিল। তার ঠোঁট প্রতিমার ঘাড়ের কাছে এল।
"পাপ কি সেই, যা আমাদের সুখী করে? যদি এই পাপ আমাকে তোমার কাছে আনে, তবে আমি এই পাপে ডুবে থাকতে চাই। তাছাড়া আমরা আগেও তো এই পাপ করেছি ঘুরতে গিয়ে ঐ হোটেল রুমে।"
প্রতিমা আবার কাঁপা গলায় বলল, "সৌম্য, ওটাও পাপ ছিল... কারন আমি তোমার ছেলের সামনে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়ছিলাম..."
প্রতিমা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। তার শরীর এখন সৌম্যর স্পর্শে শিহরিত।
"আমি খুব ভয় পাই, সৌম্য। সমাজ, মানুষ..."
"সমাজ আমাদের দুঃখ ও কষ্ট দেখতে আসে না, মা। এখানে শুধু তুমি আর আমি আছি। শুধু আমাদের শরীর আর আমাদের ভালোবাসা।"
সৌম্যর হাত এখন ব্লাউজের নিচের প্রান্ত দিয়ে ভেতরে ঢুকেছে। প্রতিমা একটি চাপা আর্তনাদ করে উঠল। তার স্তনগুলো উত্তেজনায় শক্ত হয়ে উঠেছে।
"তুমি কি আমাকে বাধা দেবে?" সৌম্যর কণ্ঠে চ্যালেঞ্জ আর আবেদন।
প্রতিমা উত্তর দিল না। সে শুধু তার হাত দুটো সৌম্যর বাহুর ওপর রাখল। সে আর বাধা দিতে পারল না।
সৌম্যর চুম্বন এবার ঘাড় থেকে কাঁধের দিকে নেমে এল। প্রতিমা চোখ বন্ধ করে ফেলল। তার মনে পড়ল হোটেলের সেই রাত। সেই একই উষ্ণতা, সেই একই তীব্রতা।
"আমি তোমাকে আবার এভাবে দেখতে চেয়েছিলাম, ও আবার নিজের করে নিতে চেয়েছিলাম" সৌম্যর ফিসফিসানি প্রতিমার কানে বাজল।
প্রতিমা এবার ঘুরে দাঁড়াল। তার চোখ দুটো ভিজে আছে। সে সৌম্যর চোখে তাকালো। সেখানে লালসা আছে, কিন্তু তার চেয়ে বেশি আছে এক গভীর অধিকারবোধ।
"তুই কি সত্যিই আমাকে ভালোবাসিস?" প্রতিমা জিজ্ঞেস করল।
সৌম্যর মুখে এক চিলতে হাসি ফুটে উঠল। সে প্রতিমার মুখটা দুই হাতে ধরে নিল।
"ভালোবাসি? আমি তোমার জন্য আমার সবকিছু করতে পারি। এই সম্পর্কটা হয়তো পৃথিবীর চোখে ভুল, কিন্তু আমার কাছে এটাই একমাত্র সত্য।"
সৌম্যর ঠোঁট এবার প্রতিমার ঠোঁটের ওপর চেপে বসল। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলেছিল সেই চুম্বন। প্রতিমা নিজেকে হারিয়ে ফেলল। সে ভুলে গেল সে কার মা, সে কার সন্তান। সে কেবল একজন নারী হয়ে উঠল, যে তার প্রেমিকের স্পর্শে তৃষ্ণার্ত।
সৌম্যর হাত এবার ব্লাউজের পেছনের ফিতেতে গেল। খুব সাবধানে, ধীরে ধীরে সে ফিতেটা খুলল। ব্লাউজটা আলগা হয়ে গেল। প্রতিমা শিউরে উঠল।
"আজ রাতে আমি তোমাকে আবার আমার করে নেব," সৌম্যর কণ্ঠস্বর এখন একদম গম্ভীর।
প্রতিমা তার বুকে মাথা রাখল। তার হৃদপিণ্ডের শব্দ এখন সৌম্যর কানে বাজছে।
"আমাকে ভুলিস না, সৌম্য।"
"ভুলব কী করে? তুমি আমার রক্তে ও হৃদয়ে মিশে আছো, মা।"
সৌম্য তাকে কোলে তুলে বিছানায় শুইয়ে দিল। সাদা শাড়ির ভাঁজগুলো বিছানায় ছড়িয়ে পড়ল। রুপোর মলগুলো মৃদু শব্দ করে উঠল। অন্ধকার ঘরে কেবল তাদের দুজনের ভারী শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ শোনা যাচ্ছিল।
বাইরে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক থেমে গেছে। রাত আরও গভীর হয়েছে। আর এই ঘরের চার দেয়ালের ভেতর, নিষিদ্ধ স্মৃতির ঢেউ আবার ফিরে এল নতুন স্পর্শের প্রতিজ্ঞা নিয়ে। তারা জানত সামনে বিপদ আছে, কিন্তু এই মুহূর্তে তাদের কাছে শরীর আর মনের এই মিলনই ছিল একমাত্র আশ্রয়।
সৌম্যর হাত প্রতিমার কোমরের চেনটি স্পর্শ করল। সে খুব ধীরে ধীরে সেই চেনটি খুলে ফেলল। প্রতিমা চোখ বন্ধ করে অনুভব করল তার শরীর থেকে একের পর এক বাধা সরে যাচ্ছে।
"তুমি ভগবানের সবচেয়ে সুন্দর সৃষ্টি," সৌম্য ফিসফিস করে বলল।
প্রতিমা তার বাহু দিয়ে সৌম্যর ঘাড় জড়িয়ে ধরল। সে জানত, এই রাত শেষ হলে আবার সেই ভয়, সেই সমাজ ফিরে আসবে। কিন্তু এখন, এই মুহূর্তটিতে, সে কেবল সৌম্যর।
তাদের শরীরের উষ্ণতা ঘরের নিস্তব্ধতাকে ভেঙে দিল। নিষিদ্ধ প্রেমের এই আগুন এখন দাবানলের মতো জ্বলছে, যা সবকিছু পুড়িয়ে ছাই করে দিতে প্রস্তুত। কিন্তু তারা সেই আগুনেই পুড়তে রাজি ছিল, কারণ সেই আগুনে ছিল এক চরম তৃপ্তি।
রাত শেষ হতে অনেক দেরি। আর এই অন্ধকারের গভীরে তারা দুজন খুঁজে নিল তাদের নিজস্ব এক স্বর্গ, যেখানে কোনো নিয়ম নেই, কোনো বাধা নেই—আছে শুধু আদিম কামনা আর অন্তহীন ভালোবাসা।



RE: প্রতিমার জীবন সংগ্রামের ইতিকথা (By:sghosh2100sg1900) - X Man - 09-10-2026

ত্রয়োদশ পর্ব :-






আগের পর্বের শেষের কিছু অংশ এই পর্বের প্রথমে বিস্তারিত ভাবে দিলাম। কারন ঐ অংশটি না দিলে এই পর্বটি সম্পূর্ণভাবে ও বিস্তারিত ভাবে দেওয়া যাবে না।
জানলার ধারে প্রতিমা পাথরের মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে ছিল। রাতের শীতল বাতাস তার গায়ে এসে ধাক্কা লাগিয়ে যাচ্ছিল, সাদা শাড়ির আঁচলটা হাওয়ায় অবাধ্য হয়ে দুলছিল। পুরনো সেই সাদা শাড়িটা এখন যেন তার শরীরের সাথে এক অদ্ভুত যুদ্ধে লিপ্ত। বিশেষ করে ছোট স্লিভলেস ব্লাউজটা। ব্লাউজটা শরীরের সাথে এমনভাবে লেপ্টে ছিল যে প্রতিটা নিঃশ্বাসে তার বুকের উত্থান-পতন স্পষ্ট হয়ে উঠছিল। গলার কাছে পাতলা ফিতের বাঁধনটা যেন কেবল নামমাত্র। প্রতিটি গভীর শ্বাসে মনে হচ্ছিল, ব্লাউজটা তার যৌবনের চাপে ফেটে পড়বে, যেন ওই সামান্য কাপড়টা আর এই অবাধ্য শরীরকে ধরে রাখতে পারছে না।
পায়ের মলগুলো সামান্য নড়াচড়াতেই ঝনঝন করে উঠছিল। সেই শব্দ যেন নিস্তব্ধ ঘরে প্রতিমাকে মনে করিয়ে দিচ্ছিল সে এখন কতটা অরক্ষিত। কোমরের চেইনটা পাতলা কাপড়ের নিচে চামড়াকে মৃদু চাপ দিচ্ছিল, আর ঘাড়ের চেইনটা ঘামে ভিজে চকচক করছিল।
প্রতিমা চোখ বুজল। মনে পড়ল কিছুক্ষণ আগের কথা। ডিনার টেবিলে সৌম্যের সেই দৃষ্টি। সৌম্য খাচ্ছিল না, বরং তার চোখ দিয়ে প্রতিমার শরীরটাকে পরিমাপ করছিল। বিশেষ করে ব্লাউজের সেই গভীর খাঁজটা, যেখানে চামড়ার ভাঁজগুলো যেন তাকে ডাকছিল। প্রতিমা তখন লজ্জায় আর ভয়ে কাঁপছিল। দ্রুত খাবার এগিয়ে দিয়ে সে এই ঘরে পালিয়ে এসেছে। কিন্তু দরজা বন্ধ করার পরও শান্তি মেলেনি। এই ঘর, এই চার দেয়াল তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল সেই হোটেলের রাতে।
হোটেলের সেই নরম বিছানা। বন্ধ দরজা। সৌম্যর প্রথমবার অধিকার জাহির করা। প্রতিমা তখন বাধা দিয়েছিল, কিন্তু শরীর যেন তার কথা শুনছিল না। নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে এক আদিম আকর্ষণে সে নিজেকে সঁপে দিয়েছিল। আর আজ, সেই একই ক্ষুধা সৌম্যর চোখে।
হঠাৎ দরজায় একটা চাপ। প্রতিমা চমকে উঠল। ঘুরে দেখল সৌম্য দাঁড়িয়ে আছে। তার চোখে সেই পরিচিত আগুন, সেই অতৃপ্ত ক্ষুধা। প্রতিমা দ্রুত জানালার দিকে ঘুরে দাঁড়াল, যেন দেয়ালটা তাকে রক্ষা করবে। কিন্তু পেছনে সৌম্যের পায়ের শব্দ এগিয়ে আসছে—ধীর, স্থির, নিশ্চিত।
"এখানে কেন এসেছিস, সৌম্য?" প্রতিমার কণ্ঠস্বর কাঁপছিল।
সৌম্য কোনো উত্তর দিল না। তার হাত প্রতিমার কোমর স্পর্শ করল। প্রথমে স্পর্শটা ছিল হালকা, যেন অনুমতি চাইছে। তারপর হঠাৎ আঙুলগুলো শক্ত হলো, আর এক হ্যাঁচকায় প্রতিমাকে নিজের বুকের সাথে লেপ্টে নিল।
প্রতিমার শরীর জমে গেল। সে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, "ছেড়ে দাও সৌম্য—প্লিজ... এটা ঠিক নয়।"
কথাটা শেষ হতে দিল না সৌম্য। তার গরম ঠোঁট নেমে এল প্রতিমার ঘাড়ের ওপর। উষ্ণ নিঃশ্বাস চামড়ায় লাগতেই প্রতিমার শরীর কেঁপে উঠল। ঘাড়ের সেই সংবেদনশীল পেশী বরাবর সৌম্যর ঠোঁট ধীরে ধীরে নামতে লাগল।
"থাম... সৌম্য, থাম..." প্রতিমা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করল, কিন্তু তার দুটি হাতই সৌম্যের শক্ত গ্রাসে আটকে গেল।
সৌম্য তার কানের লতি ঠোঁটে চেপে ধরল, ধীরে ধীরে চুষতে শুরু করল। প্রতিমার শ্বাস বন্ধ হয়ে আসছিল। ভয়ের সাথে মিশে এক অদ্ভুত শিহরণ তার মেরুদণ্ড বেয়ে নিচে নেমে গেল।
"আজ রাতে গয়নাগুলো খোলোনি কেন, মা?" সৌম্যের কণ্ঠ কানে গুনগুন করে উঠল। তার হাত এবার প্রতিমার কোমরের চেইনে স্পর্শ করল। "জানি তো, তুমি চেয়েছ আমি এসে দেখি। তাই না? "
প্রতিমা জোরে নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করল। "আমি চাইনি... আমি শুধু ভুল করে খুলতে পারিনি। তুই এখান থেকে যা!"
         "সৌম্য, এটা ভুল... আমরা এটা করতে পারি না..."
"ভুল কি? হোটেলের সেই রাতেও তুমি এটাই বলেছিলে। কিন্তু শরীর তো অন্য কথা বলছিল, তাই না? তুমি বাধা দিয়েছিলে, কিন্তু তোমার শরীর আমাকে ডাকছিল।"
প্রতিমা আরও জোরে ছাড়ানোর চেষ্টা করল, কিন্তু সৌম্যের বাহু কোমরে শিকলের মতো জড়িয়ে গিয়েছিল। সৌম্য তার কানের লতি ঠোঁটে চেপে ধরল এবং ধীরে ধীরে চুষতে শুরু করল। প্রতিমার শ্বাস বন্ধ হয়ে আসছিল। সে তার মুখ তুলল প্রতিমার খোলা পিঠের দিকে। স্লিভলেস ব্লাউজের পিছনের ফাঁকা অংশটা, যেখানে মেরুদণ্ডের রেখাটা উন্মুক্ত ছিল, সেখানে সৌম্যর ঠোঁট চুম্বনের পথ তৈরি করতে লাগল। প্রতিটি স্পর্শে প্রতিমা কেঁপে উঠছিল। তার প্রতিরোধ ক্ষমতা যেন ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাচ্ছিল।
প্রতিমার চোখ বন্ধ হয়ে এল। সেই স্মৃতি তাকে গ্রাস করল। আজ আবার সেই একই দৃশ্য, শুধু জায়গাটা বদলেছে। সৌম্য তার মুখ তুলল পিঠ থেকে, আর হাত দুটো প্রতিমার পেটের ওপর রাখল। হাত দুটো ধীরে ধীরে উপরের দিকে উঠতে লাগল।
"না... সৌম্য... দয়া করে..." প্রতিমার আর্তনাদ এখন ফিসফিসানিতে পরিণত হয়েছে।
সৌম্যের হাত প্রতিমার শাড়ির আঁচলে ধরা পড়ল। কাপড়ের মসৃণ টান, আর তারপর এক নিশ্বাসে কাঁধ থেকে খসে পড়ল সেই সাদা আঁচল। যেন কোনো পুরনো প্রতিশ্রুতি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেল মাটির বুকে। প্রতিমা চমকে উঠতে চাইলেও তার শরীর সাড়া দিল না।
সৌম্যের নখ ব্লাউজের পাতলা ফিতেটার ওপর পড়ল। গিঁটটা খুলতেই প্রতিমার স্তন দুটি এমনভাবে লাফিয়ে বেরিয়ে এল, যেন খাঁচাবন্দী খরগোশ মুক্তি পেয়েছে। রাতের আবছা আলোয় তাদের ফ্যাকাশে উজ্জ্বলতা ঝলমল করে উঠল। চামড়ার ওপর ঘামের পাতলা আস্তরণ চকচক করছিল। চামড়ার ওপর জমে থাকা ঘামের পাতলা আস্তরণ চকচক করছিল, আর পায়ের মলগুলোর ঝনঝন শব্দ ঘরের নিস্তব্ধতাকে আরও তীব্র করে তুলল।
ব্লাউজের শক্ত বাঁধন থেকে মুক্ত হয়ে দুটি স্তন ভারী হয়ে ঝুলে পড়ল, কিন্তু তাদের বোঁটাগুলো বাতাসের স্পর্শে শক্ত হয়ে দাঁড়িয়েছিল। প্রতিমার মুখ দিয়ে বেরিয়ে এল এক টুকরো দীর্ঘশ্বাস। সে নিজেও এই মুক্তিতে চমকে গেছে।
সৌম্য এক মুহূর্ত থামল। তার চোখ প্রতিমার বুকের ওপর স্থির। তারপর সে আস্তে করে প্রতিমাকে নিজের দিকে ঘুরিয়ে দিল। প্রতিমার চোখে জল—ভয়, লজ্জা আর সেই পুরনো স্মৃতির এক অদ্ভুত মিশ্রণ।
সৌম্য তার চিবুক ধরে উপরে তুলল। "তাকাও আমার দিকে। দেখো আমি তোমাকে কতটা চাই।"
প্রতিমা মাথা সরাতে চাইল, কিন্তু সৌম্যের হাত তার চুলে জড়িয়ে গেল। তারপর ঠোঁট নেমে এল প্রতিমার ঠোঁটের ওপর। প্রথমে চুমুটা ছিল নরম, যেন কিছু জিজ্ঞাসা করছে। কিন্তু প্রতিমা যখন বাধা দিতে চাইল, চুমুটা আরও গভীর হলো। সৌম্য তার ঠোঁট চেপে ধরল, জিহ্বা দিয়ে ফাঁক খুঁজতে লাগল।
প্রতিমা দাঁত চেপে ধরলেও সৌম্যের জিহ্বা তার ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে ভেতরে ঢুকে গেল—গরম, আর্দ্র। আর ঠিক সেই মুহূর্তে সৌম্যের হাত প্রতিমার স্তনদুটিতে শক্ত করে ধরা পড়ল।
সৌম্যের হাতের তালু প্রতিমার বুকের উষ্ণতা গ্রাস করল। আঙুলগুলো নরম মাংসে ডুবে গেল, আর সে ধীরে ধীরে টিপতে লাগল। প্রথমে হালকা, তারপর চাপ বাড়িয়ে। প্রতিটি টিপে প্রতিমার শরীর ধনুকের মতো বেঁকে উঠছিল। তার ঠোঁট থেকে বেরিয়ে আসা আর্তনাদ সৌম্যের মুখের ভেতর হারিয়ে যাচ্ছিল।
সৌম্য তার আঙুল দিয়ে স্তনের বোঁটাগুলোকে শক্ত করে তুলছিল। প্রতিমা অনুভব করল তার শরীরের প্রতিটি স্নায়ু যেন আগুনের মতো জ্বলছে। চুমু শেষ হলো, কিন্তু সৌম্যের ঠোঁট এবার নিচের দিকে নামতে শুরু করল।
"সৌম্য... প্লিজ... আমরা যা করছি... এটা পাপ..." প্রতিমা অস্পষ্টভাবে বলল।
সৌম্য তার গলা আর চিবুকের নিচের কোমল জায়গায় চুমু খেতে খেতে ফিসফিস করে বলল, "পাপ হলে তবে এই শরীর এত তৃপ্ত হয় কেন, মা? তোমার শরীর আমাকে অস্বীকার করতে পারছে না। আর এই পাপ তো আমরা আগেও করেছি ঐ হোটেলের রুমে।"
সৌম্যর জিহ্বা প্রতিমার ঘামের স্বাদ নিচ্ছিল। প্রতিমার হাত দুটো এখন নিষ্ক্রিয়ভাবে ঝুলে আছে। সে ভুলে গেছে কীভাবে প্রতিরোধ করতে হয়। তারপর সৌম্যের ঠোঁট পৌঁছালো প্রতিমার বগলের কাছে। সেই জায়গাটা ছিল মসৃণ, পরিষ্কার।
সৌম্য তার জিহ্বা বের করল, আর ধীরে ধীরে চাটতে শুরু করল সেই উষ্ণ, কোমল ত্বক। প্রতিমার শরীর যেন বৈদ্যুতিক শক পেল। একটি অদ্ভুত শিহরণ তার মেরুদণ্ড বেয়ে নিচে নেমে গেল, পা দুটো কাঁপতে শুরু করল। সে কখনো ভাবেনি তার বগল এত সংবেদনশীল হতে পারে।
"আহ্... সৌম্য... উফ্..." প্রতিমার নিঃশ্বাস দ্রুত হয়ে উঠছিল। ভয় আর অবিশ্বাস্য আনন্দের এক মিশ্রণ তাকে গ্রাস করল।
সৌম্য তার মুখ তুলল, আর চোখে চোখ রাখল প্রতিমার। এক মুহূর্তের জন্য তার চোখে কিছু কোমলতা দেখা গেল। যেন সে জিজ্ঞেস করছে—তুমি কি সত্যিই আমাকে চাও? কিন্তু তারপর সে আবার নিচে নেমে গেল, সরাসরি প্রতিমার স্তনের দিকে।
প্রথমে সৌম্য তার ঠোঁট রাখল প্রতিমার বাম স্তনের বোঁটার ওপর। তার জিহ্বা বৃত্তাকারে ঘুরতে লাগল বোঁটার চারপাশে। যেখানে খয়েরী রঙের ত্বক শুরু হয়, সেখানে সে আলতো করে চাটতে লাগল।
প্রতিমা আর নিজেকে সামলাতে পারল না। একটি দীর্ঘশ্বাস তার ঠোঁট ফসকে বেরিয়ে এল।
"সৌম্য... উম্মম্ম..."
সৌম্য তখন বোঁটাটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগল—ধীরে, টেনে, তারপর তার দাঁত দিয়ে হালকা করে কামড়ে ধরল। প্রতিমা চিৎকার করে উঠল—ব্যথা আর আনন্দের মাঝখানে কোথায় যেন হারিয়ে গেল সে।
সৌম্যের হাত অন্য স্তনটাকে টিপতে লাগল, আর তার মুখ বদল করে ডান স্তনের বোঁটায় চলে গেল। একইভাবে চুষা, কামড়ানো, আর জিহ্বা দিয়ে খেলা। প্রতিমার চোখ বন্ধ হয়ে এল। তার হাত দুটো এখন সৌম্যের চুলে জড়িয়ে গেছে—আটকানোর জন্য নয়, বরং নিজেকে ধরে রাখার জন্য।
তার শরীর জ্বলছিল, আর মন ভেঙে পড়ছিল এই দ্বন্দ্বে। সে নিজেকে প্রশ্ন করল—কেন এই সম্পর্ক থামছে না? কেন সে প্রতিরোধ করতে পারছে না? আর কেন এই অনুভূতি এত ভয়ংকর হওয়া সত্ত্বেও তার শরীর সাড়া দিচ্ছে?
সৌম্য তার মুখ তুলল। প্রতিমার স্তনের ওপর তার লালা চকচক করছিল। সে প্রতিমার চোখের দিকে তাকাল, যেখানে জল জমে আছে।
সৌম্য ফিসফিস করে বলল, "এখনো শেষ হয়নি, মা। এখনো শুরু মাত্র।"
প্রতিমা হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, "তুই... তুই আমাকে শেষ করে দিবি সৌম্য।"
সৌম্য তার ঠোঁটে একটি হালকা চুমু দিয়ে বলল, "আমি তোমাকে শেষ করতে চাই না। আমি তোমাকে নিয়ে নতুন করে শুরু করতে চাই। যেখানে তুমি শুধু আমার হবে।"
প্রতিমা তার বুকে মাথা রাখল। তার হৃদপিণ্ডের ধুকপুকানি সৌম্যর কানে স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিল।
"তুই কি সত্যিই আমাকে ভালোবাসিস, নাকি এটা শুধু শরীরী ক্ষুধা?" প্রতিমা কাঁপা কাঁপা গলায় জিজ্ঞেস করল।
সৌম্য তার চিবুক ধরে উপরে তুলল। "ভালোবাসা আর শরীরী ক্ষুধা কি আলাদা হয়? আমি যখন তোমাকে দেখি, আমার ভেতর সবকিছু দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। এই ক্ষুধা শুধু শরীরের নয়, এই ক্ষুধা তোমার পুরো অস্তিত্বের। আমি চাই তোমার প্রতিটি নিঃশ্বাস যেন আমার নামে হয়।"
প্রতিমা চোখ বন্ধ করল। "সমাজ আমাদের ক্ষমা করবে না ও আমাদের সম্পর্ক মেনে নেবে না, সৌম্য। আমরা যে পথে হাঁটছি, তার শেষ কোথায়?"
সৌম্যর হাত এবার প্রতিমার কোমরের চেইনের ওপর দিয়ে নিচে নেমে গেল। "সমাজের কথা বাইরে থাক। এই চার দেয়ালের ভেতর আমরা শুধু দুজন মানুষ। কোনো মা নেই, কোনো ছেলে নেই। শুধু আছে এক আদিম আকর্ষণ। তুমি কি অস্বীকার করবে যে তুমিও আমাকে চাও?"
প্রতিমা উত্তর দিল না, কিন্তু তার শরীরের কম্পন সব বলে দিচ্ছিল। সে সৌম্যর বাহুর উষ্ণতায় নিজেকে সঁপে দিল।
সৌম্য আবার তার স্তন দুটোর মাঝে মুখ ডুবিয়ে দিল। তার জিহ্বা এবার আরও গভীরে প্রবেশ করল। প্রতিমা তার পিঠ ধনুকের মতো বাঁকিয়ে নিল। তার পায়ের মলগুলো ঝনঝন করে উঠছিল, যেন সেই শব্দগুলো এই নিষিদ্ধ মিলনের সাক্ষী হয়ে থাকল।
"সৌম্য... আরও... প্লিজ আরও..." প্রতিমার কণ্ঠস্বর এখন আর ভয়ের নয়, বরং এক তীব্র কামনার।
সৌম্যর হাত এবার প্রতিমার উরুর দিকে এগিয়ে গেল। শাড়ির পাতলা কাপড় ভেদ করে তার হাতের উষ্ণতা প্রতিমার চামড়ায় পৌঁছালো।
"তুমি জানো, ওই হোটেলের রাতে তুমি যখন প্রথমবার আমার সঙ্গে মিলিত হয়েছিলে, আমি ভেবেছিলাম ওটা একটা স্বপ্ন," সৌম্য ফিসফিস করে বলল।
প্রতিমা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। "সেই রাতটা আমার জীবন বদলে দিয়েছিল। আমি ভেবেছিলাম সব শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু তুমি আমাকে আরও বেশি করে তোমার প্রতি আসক্ত করে তুললে।"
সৌম্য তার ঠোঁট প্রতিমার পেটের ওপর রাখল। সেখানে হালকা চুমুর চিহ্ন রেখে সে ধীরে ধীরে আরও নিচে নামতে লাগল।
"আমি চাই তুমি প্রতিটা মুহূর্ত অনুভব করো। আমি চাই তুমি জানো যে তুমি কতটা সুন্দর, কতটা কামনীয়," সৌম্যর কথাগুলো প্রতিমার শরীরে আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ল।
প্রতিমা তার মাথা পেছনে হেলিয়ে দিল। জানালার বাইরে রাতের অন্ধকার আরও ঘনীভূত হয়েছে, কিন্তু ঘরের ভেতর কামনার উত্তাপ চরমে।
"সৌম্য... তুই আমাকে পাগল করে দিবি," প্রতিমা অস্ফুট স্বরে বলল।
সৌম্য তার মুখ তুলল, চোখে সেই আদিম তৃষ্ণা। "পাগল তো আমি হয়েছি অনেক আগে, মা। এখন শুধু তোমাকে আমার এই পাগলামির সঙ্গী করতে চাই।"
প্রতিমা তার হাত দিয়ে সৌম্যর ঘাড় জড়িয়ে ধরল। সে জানত, এই পথ ধ্বংসের, কিন্তু এই মুহূর্তে ধ্বংসের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে এই তীব্র আকর্ষণ।
সৌম্য তাকে আরও জোরে চেপে ধরল। তাদের শরীরের ঘাম একে অপরের সাথে মিশে যাচ্ছিল। ব্লাউজহীন স্তনগুলো সৌম্যর বুকের সাথে ঘষা খাচ্ছিল, যা প্রতিমার ভেতরে এক তীব্র বৈদ্যুতিক তরঙ্গ সৃষ্টি করছিল।
"এখন বলো, তুমি কি এখনও আমাকে যেতে বলবে?" সৌম্যর কণ্ঠে এক ধরণের বিজয়ী হাসি।
প্রতিমা তার ঠোঁটের ওপর মাথা রাখল। "না... এখন আর যেতে বলবো না। আজ রাতটা শুধু আমাদের।"
সৌম্যর হাত এবার প্রতিমার কোমরের চেইনটা খুলে ফেলল। ধাতব শব্দের সাথে সাথে চেইনটা মেঝেতে পড়ল। তারপর সে ধীরে ধীরে প্রতিমার শাড়িটা খসিয়ে দিতে শুরু করল।
সাদা কাপড়ের স্তূপ নিচে পড়ে রইল। প্রতিমা এখন সম্পূর্ণ নগ্ন, কেবল রাতের আবছা আলোয় তার শরীরের বক্ররেখাগুলো ফুটে উঠেছে। সৌম্যর চোখে বিস্ময়। সে যেন কোনো স্বর্গীয় প্রতিমাকে দেখছে।
"তুমি... তুমি অবিশ্বাস্য সুন্দর," সৌম্যর কণ্ঠস্বর আবেগে ভারী হয়ে এল।
প্রতিমা লজ্জায় তার হাত দিয়ে শরীর ঢাকতে চাইল, কিন্তু সৌম্য তার হাত দুটো ধরে বিছানায় টেনে নিল।
বিছানার নরম চাদরে প্রতিমা শুয়ে পড়ল। সৌম্য তার ওপর ঝুঁকে এল। তাদের নিঃশ্বাস একে অপরের সাথে মিশে একাকার হয়ে গেল।
"মনে রেখো, এই রাতটা কেবল শুরু। আমি তোমাকে এমনভাবে ভালোবাসবো যে তুমি আর কোনোদিন এই শরীরকে অস্বীকার করতে পারবে না," সৌম্যর কথাগুলো প্রতিমার কানে মন্ত্রের মতো বাজল।
প্রতিমা তার চোখ বন্ধ করল। সে অনুভব করল সৌম্যর ঠোঁট আবার তার স্তনে নেমে আসছে। এবার আর বাধা দেওয়ার কেউ নেই, আর বাধা দেওয়ার ইচ্ছাও নেই। সে নিজেকে পুরোপুরি সঁপে দিল সেই আগুনের কাছে, যা তাকে পুড়িয়ে ছাই করে দিতে চায়, আবার নতুন করে গড়তে চায়।
ঘরের বাইরে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক আর দূরে কোনো কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দ শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু এই চার দেয়ালের ভেতর সময়ের হিসাব হারিয়ে গেছে। এখানে কেবল দুজন মানুষ, এক নিষিদ্ধ সম্পর্ক, আর এক অনন্ত তৃষ্ণা।
সৌম্যর হাত প্রতিমার শরীরের প্রতিটি ভাঁজ অন্বেষণ করছিল। সে জানত প্রতিমার শরীরের প্রতিটি সংবেদনশীল বিন্দু কোথায়। তার আঙুলগুলো যখন প্রতিমার ঊরুর ভেতরের নরম চামড়ায় স্পর্শ করল, প্রতিমা এক তীব্র আর্তনাদে সৌম্যর পিঠ খামচে ধরল।
"সৌম্য... উফ্... আমি আর পারছি না..."
সৌম্য তার কানে ফিসফিস করে বলল, "পারতে হবে, মা। তোমাকে এই সুখের শেষ সীমানায় নিয়ে যেতে হবে আমাকেই।"
প্রতিমার চোখ বন্ধ হয়ে এল। তার হাত দুটো এখন সৌম্যের চুলে জড়িয়ে গেল—আটকানোর জন্য নয়, বরং নিজেকে ধরে রাখার জন্য। তার শরীর জ্বলছিল, আর মন ভেঙে পড়ছিল এক চরম দ্বন্দ্বে।
"কেন... কেন আমি তোমাকে আটকাতে পারছি না?"
প্রতিমা ফিসফিস করে বলল।
"কারণ তোমার শরীর জানে সে কার জন্য তৈরি হয়েছে, মা। তোমার মন মিথ্যা বললেও শরীর সত্য বলছে।"
সৌম্যর কথাগুলো প্রতিমার রক্তে মিশে গেল। সে অনুভব করল কেন এই সম্পর্ক থামছে না, কেন সে প্রতিরোধ করতে পারছে না, আর কেন এই অনুভূতি এত ভয়ংকর হয়েও তার শরীর সাড়া দিচ্ছে।
সৌম্য মুখ তুলল। প্রতিমার বুকের ওপর তার লালা চকচক করছিল। সে প্রতিমার চোখের দিকে তাকালো—যেখানে জল জমে আছে।
সৌম্য খুব কাছে এসে ফিসফিস করে বলল, "এখনো শেষ হয়নি, মা। এখনো শুরু মাত্র।"