Forums
মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - Printable Version

+- Forums (https://forum.xgossip.fun)
+-- Forum: Storeys Category (https://forum.xgossip.fun/forumdisplay.php?fid=1)
+--- Forum: Mature Stories 18% (https://forum.xgossip.fun/forumdisplay.php?fid=4)
+--- Thread: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) (/showthread.php?tid=47)

Pages: 1 2 3


RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - Bad Boy - 09-14-2026

11



"থাম সৌরভ... আর এক ইঞ্চিও না!" মায়ের কণ্ঠস্বর তখন কামনার গভীর আবেশে থরথর করে কাঁপছে। তাঁর কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম আর চোখের কোণে এক আদিম অতৃপ্তি। "সব তো ঠিক আছে রে পাগল, কিন্তু কাল রাতের ওই পাগলামি মনে আছে? ওই লাগাতার চার দফার তাণ্ডবে আমার বালিশের নিচের সেই শেষ নিরোধটাও শেষ হয়ে গেছে। এখন এই অবস্থায় তোর এই উত্তপ্ত দণ্ডটি যদি আমার জঠরে প্রবেশ করে, তবে সেই লোনা ঘন বীর্য আমাকে এক লহমায় ধ্বংস করে দেবে। এই বয়সে কলঙ্কিনী হওয়ার ঝুঁকি আমি নিতে পারব না।"
আমি এক চরম হতাশায় দমে গেলাম। আমার ১৯ বছরের রগচটা যৌবন তখন ফেটে পড়ার উপক্রম। আমি মায়ের সেই ভরাট ও চিকন কোমরের ভাঁজে মুখ গুঁজে ডুকরে উঠলাম, "তাহলে উপায় কী মা? আমি তো আর এক মুহূর্তও সহ্য করতে পারছি না। তোমার এই পিচ্ছিল শরীর আর ওই মাদকতাময় যৌবন আমাকে আস্ত গিলে খাচ্ছে। আমার এই কঠোরতা এখন তোমার ওই গুদ মন্দিরে প্রবেশ না করতে পারলে আমি পাগল হয়ে যাব।"

মা আমার ছটফটানি দেখে এক মায়াবী হাসি হাসলেন, যে হাসিতে মিশে ছিল এক অভিজ্ঞ নারীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ। তিনি আমার চিবুকটা তুলে ধরে ফিসফিস করে বললেন:
"তোর এই তৃষ্ণা আজ আমিই মেটাবো রে সৌরভ। কিন্তু তার আগে তোকে একটা সত্যিকারের পুরুষের মতো কাজ করতে হবে। তুই বড় হয়েছিস, অথচ এই সাধারণ জিনিসটা এখনও হাতে নিতে শিখলি না? তুই যা, নিজেই গিয়ে নিয়ে আয়। আমি তোর জন্য অপেক্ষায় থাকব।"
মা এরপর বিছানায় উঠে বসলেন। তাঁর নাইটির অবিন্যস্ত দশা ঠিক না করেই তিনি আমাকে কাছে টানলেন। তাঁর সেই উন্নত স্তনদ্বয়ের মাঝে আমার মুখটা চেপে ধরে তিনি খুব নিচু স্বরে দীক্ষা দিতে শুরু করলেন:
"শোন, আমাদের পাড়ার মোড়ে যাবি না। একটু দূরের ওই জনবহুল বাসস্ট্যান্ডের ওষুধের দোকানে যা। কাউন্টারে গিয়ে ঘাবড়াবি না। খুব স্বাভাবিকভাবে পকেটে হাত রেখে দোকানদারের চোখের দিকে তাকিয়ে বলবি—'একটা বড় ডটেড কনডমের প্যাকেট দিন'। ওরা যদি ব্র্যান্ড জানতে চায়, তবে 'ম্যানফোর্স' বা 'স্কোর' বলবি। টাকাটা আগেই হাতে রাখবি। আর ফেরার সময় ওটা পকেটে বা কোনো কালো প্যাকেটে লুকিয়ে আনবি। কেউ যেন তোর চোখের চাউনি দেখে কিছু সন্দেহ না করতে পারে।"
মায়ের এই কামুক কণ্ঠের নির্দেশ আর তাঁর সেই উন্মুক্ত দেহের হাতছানি আমাকে এক আশ্চর্য শক্তিতে ভরিয়ে দিল। আমি বুঝতে পারলাম, এই প্যাকেটটি নিয়ে আসাই হবে আজ রাতের সেই চূড়ান্ত সম্ভোগের প্রবেশপত্র।


যাওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালেও আমার মন বলছিল অন্য কিছু। আমি আবার ঝুকে পড়লাম মায়ের ওপর। নাইটির নিচ দিয়ে আমার হাতটা চলে গেল তাঁর সেই কাঙ্ক্ষিত যোনিদ্বারের একদম মুখে। গত রাতের চার দফার ঘর্ষণে জায়গাটা যেমন সংবেদনশীল হয়ে আছে, তেমনই মালিশের তেলের পিচ্ছিলতায় তা এক অদ্ভুত মাদকতা তৈরি করেছে। আমার আঙুল যখন তাঁর সেই আর্দ্র খাঁজে হালকা চাপ দিল, মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে আমার কাঁধ খামচে ধরলেন।
আমি মায়ের কানের খুব কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বললাম, "আমি কিন্তু এখনই যাচ্ছি মা। তবে মনে রেখো, ফেরার সাথে সাথেই কিন্তু আমি তোমার ওই পবিত্র মন্দিরে ঝাঁপিয়ে পড়ব। আর প্যাকেটটা আনার পর তুমি কিন্তু নিজের হাতে আমাকে ওটা পরিয়ে দেবে। তোমার ওই অভিজ্ঞ আঙুলের ছোঁয়ায় যখন রবারটা আমার ওপর দিয়ে নেমে আসবে, সেই রোমাঞ্চটাই হবে আজকের আসল শুরু।"
মা কামনায় অবশ হয়ে চোখ বন্ধ করে ফেললেন। তাঁর ভারী শরীরটা আমার আঙুলের ছোঁয়ায় থরথর করে কাঁপছিল। তিনি অস্ফুট স্বরে বললেন, "যা না রে পাগল... এভাবে শরীরটাকে জ্বালিয়ে দিস না। কথা দিচ্ছি, তুই যা বলবি আজ তাই হবে। আমিই তোকে তৈরি করে দেব।"
আমি যাওয়ার আগে একবার দুষ্টুমির স্বরে জিজ্ঞেস করলাম, "আচ্ছা মা, কতগুলো প্যাকেট আনব? একটা আনলেই হবে তো?"
মা এবার আমার দিকে এক কামুক ও বাঁকা চাহনিতে তাকালেন। তাঁর ঠোঁটের কোণে এক দুষ্টু হাসির রেখা ফুটে উঠল। তিনি আমার ঘাড়টা টেনে নিজের দিকে নামিয়ে এনে ফিসফিস করে বললেন:
"একটা? একটা দিয়ে কী হবে রে জানোয়ার? আমি কি জানি না তোর ক্ষমতা? তোর ওই ১৯ বছরের উত্তপ্ত রক্ত কি আর একবারের ধাক্কায় শান্ত হয়? কাল তো চারবার নিংড়েও তোর তেষ্টা মেটেনি। যা, অন্তত তিন-চারটে প্যাকেট একবারে নিয়ে আয়। আজ রাতটা আমি তোকে একদম ছাড়ব না। তুই যাবি আর আসবি, যাবি আর আসবি—আমিও দেখব তোর ওই দানবটা কতক্ষণ আমার এই জঠরে রাজত্ব করতে পারে।"


আমি যখন দ্রুত পায়ে ঘরের বাইরে বের হতে যাচ্ছিলাম, ঠিক দরজার গোড়ায় গিয়ে আবার থমকে দাঁড়ালাম। পেছনে তাকিয়ে দেখলাম, মা তখনও বিছানায় আধশোয়া হয়ে আছেন, তাঁর নাইটির অবিন্যস্ত দশা আর সেই উন্মুক্ত উরুদ্বয়ের ভাঁজে দুপুরের রোদের খেলা এক অদ্ভুত আদিম দৃশ্যের অবতারণা করেছে। মায়ের চোখে তখন একাধারে ক্ষুধা আর প্রশ্রয়ের এক তীব্র আকর্ষণ।
আমি পকেটে হাত দিয়ে টাকাগুলো একবার ছুঁয়ে দেখে মনে মনে বললাম, "আজ রাতে তবে রণক্ষেত্র হবে এই বিছানা। মায়ের টাকায় কেনা কনডম দিয়ে, মাকেই তোলপাড় করে দিবো"


বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় বুকের ভেতরটা একটু ঢিপঢিপ করছিল। পাড়ার মোড়ের পরিচিত ওষুধের দোকানটা এড়িয়ে আমি যখন বাসস্ট্যান্ডের দিকে হাঁটতে শুরু করলাম, মাথার ভেতর কেবল মায়ের সেই কথাগুলোই বাজছিল—"অন্তত তিন-চারটে প্যাকেট একবারে নিয়ে আয়।" ৪১ বছরের এক নারী যখন তাঁর ছেলের কাছে এমন দাবি করেন, তখন সেই ১৯ বছরের যুবকের শিরদাঁড়া দিয়ে এক উত্তেজনার বিদ্যুৎ খেলে যাওয়াটাই স্বাভাবিক।
বাসস্ট্যান্ডের সেই বড় ফার্মাসিটার সামনে যখন দাঁড়ালাম, তখন সেখানে বেশ ভিড়। এক মুহূর্তের জন্য মনে হলো ফিরে যাই। কিন্তু পরক্ষণেই মায়ের সেই মাংসল ও পিচ্ছিল শরীরের ঘ্রাণ যেন নাকে এসে ধাক্কা দিল। আমি পকেটে হাত রেখে ঘামতে থাকা তালুটা মুছে নিলাম। ভিড়টা একটু পাতলা হতেই আমি কাউন্টারের একদম এক কোণায় গিয়ে দাঁড়ালাম।
দোকানদার যখন আমার দিকে তাকিয়ে ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করল, "কী লাগবে?"

আমি গলাটা যথাসম্ভব স্বাভাবিক রেখে মায়ের শেখানো বুলি আউড়ে দিলাম, "দাদা, ম্যানফোর্স বা স্কোর—ডটেড হবে। তিন-চারটে প্যাকেট দিন তো।"
দোকানদার একটু অবাক হয়ে আমার দিকে তাকালো। হয়তো আমার এই বয়সে একবারে এতগুলো প্যাকেট চাওয়াটা তাঁর কাছে কিছুটা অস্বাভাবিক ঠেকেছে। আমার মনে হচ্ছিল যেন পৃথিবীর সব মানুষ এখন আমার দিকেই তাকিয়ে আছে। কিন্তু আমি মায়ের কথা মনে করে একদম অবিচল রইলাম। সে ড্রয়ার থেকে কয়েকটা প্যাকেট বের করে যখন প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরছিল, তখন আমার মনে হচ্ছিল আমি কোনো অমূল্য রত্ন হাতে পেতে যাচ্ছি।


প্যাকেটটা সন্তর্পণে পকেটে পুরে আমি যখন বাড়ির দিকে ফিরছিলাম, তখন বিকেল ঘনিয়ে সন্ধ্যা নামছে। মনে মনে ভাবছিলাম, মা হয়তো এখন সীতাকে সামলে নিয়ে নিজের শরীরটাকে প্রস্তুত করছেন। বাড়ি ফিরে যখন কলিংবেল টিপলাম, মা এসে দরজা খুললেন।
মায়ের চোখে তখন সেই চাপা উদ্বেগ আর রহস্যময় হাসি। আমি ভেতরে ঢুকেই দরজাটা বন্ধ করে দিয়ে সরাসরি তাঁর হাতটা ধরলাম। পকেট থেকে সেই প্যাকেটগুলো বের করে মায়ের হাতের তালুতে রাখতেই তিনি এক লহমায় সেগুলো নিজের আঁচলের নিচে লুকিয়ে ফেললেন।
মা ফিসফিস করে বললেন, "পাগল ছেলে! সত্যিই চারটে নিয়ে এসেছিস? আজ তো তবে আমার হাড়মাস আলাদা করে দিবি মনে হচ্ছে।"
আমি মায়ের কোমরে এক বুনো আক্রোশে চাপ দিয়ে বললাম, "তুমিই তো চাইলে মা। এখন শুধু রাত হওয়ার অপেক্ষা। আজ কিন্তু তোমার ওই অভিজ্ঞ হাত দিয়ে আমাকে তৈরি করে দেওয়ার পালা।"
মা লজ্জা আর কামনায় লাল হয়ে দ্রুত রান্নাঘরের দিকে চলে গেলেন। কিন্তু আমি জানতাম, এই রাতের আকাশ যখন কালো হবে, তখন মায়ের এই ৪১ বছরের পরিপক্ক ভোদায় আমার ১৯ বছরের বাড়া এক নতুন ইতিহাস লিখতে শুরু করবে।

রাতের গভীরতা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ির প্রতিটি কোণ নিস্তব্ধতায় ডুবে গেল। বাবার নাসিকা গর্জন আর সীতার শান্ত নিশ্বাসের শব্দ জানিয়ে দিচ্ছিল যে, রণক্ষেত্র এখন প্রস্তুত। আমি আমার ঘরে ছটফট করছিলাম, আর ঠিক তখনই দরজায় অতি পরিচিত সেই মৃদু টোকা পড়ল।
মা ভেতরে ঢুকলেন। নীল নাইট ল্যাম্পের আলোয় তাঁর সেই ভরাট শরীরটা যেন এক রহস্যময়ী দেবীর মতো দেখাচ্ছিল। তিনি দরজাটা নিঃশব্দে খিল দিয়ে আমার বিছানার ওপর এসে বসলেন। তাঁর হাতে সেই নিষিদ্ধ প্যাকেটের প্যাকেটগুলো।

মা আজ সমস্ত জড়তা ঝেড়ে ফেলে আমার বিছানার একপাশে হাঁটু গেড়ে বসলেন। তাঁর ৪১ বছরের অভিজ্ঞ শরীরে কাল রাতের ধকল থাকা সত্ত্বেও আজ এক নতুন উদ্যম। তিনি ধীর হাতে আমার নাইটের হাফপ্যান্টটা নামিয়ে দিয়ে আমার সেই উদ্ধত ও রক্তিম পৌরুষটির দিকে এক অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকালেন।
"উফ্ সৌরভ... তোর এই তেষ্টাই তো আমাকে একদিন শেষ করে দেবে রে," মা ফিসফিস করে বলে আমার সেই কঠোর অঙ্গটি নিজের দুহাতের তালুতে নিলেন। এরপর যা করলেন, তার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। মা খুব যত্ন করে নিচু হয়ে তাঁর নরম ও তপ্ত ঠোঁটজোড়া দিয়ে আমার অঙ্গটির ডগা স্পর্শ করলেন। এক মুহূর্তের জন্য আমার শিরদাঁড়া দিয়ে বিদ্যুৎ খেলে গেল। মা যখন পুরোটা নিজের মুখের গভীর উষ্ণতায় পুরে নিলেন, আমার চোখ আপনাতেই বুজে এল।
মায়ের সেই কামুক চোষণের মাঝেই হঠাৎ তাঁর ধারালো দাঁতের সামান্য ছোঁয়া লেগে গেল আমার স্পর্শকাতর চামড়ায়। আমি এক তীব্র ব্যথায় আর সুখে কঁকিয়ে উঠলাম, "আহ্ মা... দাঁত লাগছে তো!"
মা মুখ বের করে এক দুষ্টু হাসি হাসলেন। তাঁর ঠোঁটের কোণায় লেগে থাকা লালার চিকন রেখাটি নীল আলোয় চিকচিক করছিল। তিনি আমার অণ্ডকোষ দুটিকে নিজের বাম হাতের আঙুলে আলতো করে দোলাতে দোলাতে বললেন, "বড্ড নাড়ু-গোপাল তো তুই! একটু দাঁত লাগলেই ককিয়ে উঠছিস?
রাতের সেই নিস্তব্ধতায় নীল বাতির আলোয় মায়ের শরীরটা যেন এক নিষিদ্ধ মানচিত্রের মতো আমার চোখের সামনে বিছিয়ে রইল। মা যখন বালিশের নিচ থেকে সেই নতুন প্যাকেটটি বের করলেন, তাঁর হাত দুটো সামান্য কাঁপছিল। ৪১ বছরের এক অভিজ্ঞ নারী হওয়া সত্ত্বেও ছেলের সামনে এই প্রস্তুতি তাঁর ভেতরে এক বিচিত্র দ্বিধা আর কামনার দ্বন্দ্ব তৈরি করছিল। তিনি রবারটি বের করে যখন আমার উত্তপ্ত অঙ্গে খুব ধীরে ধীরে পরিয়ে দিচ্ছিলেন, তাঁর আঙুলের প্রতিটি স্পর্শে ছিল এক আদিম মাদকতা।
মা তাঁর নাইটিটা কোমরের ওপর তুলে দিয়ে আমার ওপর চড়ে বসলেন। তাঁর সেই বিশাল ও ভারী নিতম্বের চাপে আমি বিছানায় প্রায় দেবে গেলাম। মা তাঁর দুই হাত আমার কাঁধে রেখে নিজের ভারসাম্য সামলে নিলেন।



মা যখন খুব ধীরে ধীরে নিজের আর্দ্র ভোদায় আমার কঠিন ধোনটাকে প্রবেশ করাতে শুরু করলেন, তাঁর মুখটা যন্ত্রণায় আর সুখে কুঁচকে গেল। কাল রাতের সেই চার দফার তাণ্ডবে তাঁর ভেতরটা তখন ছিল বড্ড সংবেদনশীল।
মা দাঁতে দাঁত চেপে ফিসফিস করে বললেন, "উফ্ সৌরভ... একটু থাম... বড্ড লাগছে রে। তোর এই ১৯ বছরের অবাধ্য তেজী ঘোড়াটা আমার এই জীর্ণ শরীরে যেন তপ্ত সিসার মতো বিঁধছে। কাল রাতের পর জায়গাটা বড্ড টনটন করছে, একটু সময় দে...বাপ!  উফ্!"
আমি মায়ের সেই ভরাট কোমর দুহাতে জড়িয়ে ধরে তাঁকে নিচের দিকে একটু জোরে চেপে ধরলাম। মা এক দীর্ঘ শ্বাস ফেলে আমার ঘাড়ে মুখ লুকালেন। "তোর কি একটুও মায়া নেই সৌরভ? তুই তো আমাকে আজ ছিঁড়েই ফেলবি। দেখ, সীতা পাশের ঘরে ঘুমাচ্ছে, একটু শব্দ হলে কিন্তু সব শেষ।"
আমি মায়ের পিঠের ঘামভেজা চামড়ায় আঙুল বোলাতে বোলাতে বললাম, "মা, এই ব্যথার পরের সুখটাই তো আসল। তুমি শুধু অনুভব করো আমি তোমার কতটা গভীরে যাচ্ছি।"
মা এবার নিজেকে সামলে নিয়ে কোমরের ছন্দ বদলালেন। প্রতিটি ওঠানামার সাথে আমাদের শরীরের ঘর্ষণের এক চপচপ শব্দ পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ছিল। মা যন্ত্রণার সেই প্রথম ধাক্কাটা কাটিয়ে উঠে যখন কামনার সাগরে ডুব দিলেন, তখন তাঁর গোঙানিগুলো আরও গভীর হতে লাগল। "উফ্... সৌরভ... তোর এই একেকটা ধাক্কা যেন আমার কলিজায় গিয়ে লাগছে, বাবা!!

প্রথম দফার এই উত্তাল মিলন যখন তুঙ্গে, মা আমার কানে মুখ নিয়ে এক কাব্যিক মাদকতায় বলতে শুরু করলেন, যা শুনে আমার রক্ত ফুটতে লাগল।
"শোন রে অবাধ্য ছেলে... তোর এই আগুনের শিখায় আমি আজ পতঙ্গের মতো ঝাঁপ দিয়েছি। এখন থেকে যখন দুপুরের ওই কড়া রোদ জানালার পর্দা ভেদ করে ঘরে আসবে, আর তোর বাবার কলেজের ঘণ্টা বাজবে, তখন যদি দেখিস আমার ঘরের দরজাটা আধখোলা—তবে বুঝে নিবি তোর এই তৃষ্ণার্ত মা তোর অপেক্ষায় আছে। আবার যখন রাতের এই আকাশ নিস্তব্ধ হবে, আর ছোট সীতা ওর বাবার হাত জড়িয়ে গভীর ঘুমে তলিয়ে যাবে, তখন যদি দেখিস আমি অলসভাবে বারান্দায় দাঁড়িয়ে আকাশের তারা দেখছি—তবে জানবি তোর ওই দানবটাকে শান্ত করার সময় হয়েছে। কিন্তু সব সময় হয়তো আমার মনের দরজা চাইলেও খুলতে পারবে না, ওই যে সমাজ আর সংস্কারের দেয়াল... তখন তুই আমায় একটু বুনোভাবে শাসন করে তোর নিজের কাছে টেনে নিস। তোর ওই জোরজবস্তি মাখা আদরটাই হয়তো আমার লজ্জার আবরণটা ছিঁড়ে দিতে সাহায্য করবে।"

মায়ের এই ঘুরিয়ে বলা কথার মাঝেই আমি এক জোরালো ধাক্কা মারলাম। মা এক অস্ফুট আর্তনাদ করে আমার ঠোঁট কামড়ে ধরলেন। তাঁর পরিণত ও সুপুষ্ট বক্ষযুগল তখন আমার বুকের ওপর আছড়ে পড়ছে। সঙ্গে মা তখন যন্ত্রণায় আর অভাবনীয় সুখে আমার কাঁধের চামড়া নিজের নখ দিয়ে খামচে ধরলেন। তাঁর দেহটা এক মুহূর্তের জন্য ধনুকের মতো বেঁকে গেল, আর পরক্ষণেই তিনি আমার ওপর পুরো ভারটা ছেড়ে দিলেন। ঘাম আর কামনার এক তপ্ত উত্তাপ আমাদের মাঝখানে বাষ্পের মতো জমে উঠছিল।
মা আমার কানে মুখ ঠেকিয়ে এক অদ্ভুত শাসনের স্বরে, অথচ অত্যন্ত কামুক ভঙ্গিতে ফিসফিস করে বলতে শুরু করলেন:
"উফ্! কী বুনো তেজ রে তোর! তুই কি ভাবিস এই ধাক্কাগুলো দিয়ে আমাকে বশ করে ফেলবি? আস্ত একটা জানোয়ার হয়েছিস তুই। কাল রাত থেকে এই যে আমার শরীরটাকে নিয়ে খেলছিস, আমার হাড়মাসগুলো যে ছিঁড়ে যাচ্ছে তা কি তোর একবারও মনে হয় না? এই যে আমার এই ৪১ বছরের পরিপক্ক জঠরে তুই তোর অবাধ্য যৌবনটা বারবার আছড়ে ফেলছিস—এটা কি শাসন নাকি শোষণ? তুই তো আমাকে আমার নিজের কাছেই অচেনা করে দিচ্ছিস সৌরভ।"

মা একটু থামলেন, তাঁর গরম নিশ্বাস তখন আমার কানের লতিকে পুড়িয়ে দিচ্ছিল। তিনি আবার বলতে লাগলেন:
"শোন, এই যে তুই আমাকে আজ এক লাঞ্ছিতা নারীর মতো বিছানায় ফেলে রেখেছিস, এটাই তোর শেষ নয়। তোর এই স্পর্ধা দেখে আমার গা জ্বলে যাচ্ছে, কিন্তু জানিস তো... তোর ওই দানবীয় ধাক্কাগুলো যখন আমার ভেতরে গিয়ে আঘাত করে, তখন আমার ওই লোকলজ্জার সব বাঁধ ভেঙে জল হয়ে যায়। তুই আমাকে মা বলে ডাকবি নাকি তোর সঙ্গিনী বলে—তাও আমি ভুলে যাই। তোর এই অবাধ্য শাসনই বোধহয় আমার মতো তৃষ্ণার্ত নারীর একমাত্র পাওনা ছিল। কিন্তু সাবধান! সীতা যেন ঘুণাক্ষরেও টের না পায় যে তোর এই বুনো খেলার কাছে ওর মা আজ কতটা অসহায় আর নতিস্বীকার করা এক কামাতুর নারী।"
মায়ের সেই তীব্র শাসনের আড়ালে লুকিয়ে থাকা আদিম আকাঙ্ক্ষা আমাকে যেন আরও উত্তেজিত করে তুলল। তিনি আমার ঠোঁটটা কামড়ে ধরে আবার বললেন, "থামলি কেন? তোর তো এখনও অনেক প্যাকেট বাকি। দেখি, আজ আমার এই ভরাট শরীরের কতটুকু তুই নিংড়ে নিতে পারিস। তোর এই শাসনের শেষ দেখে তবেই আমি আজ শান্তি পাব।"
মায়ের এই উস্কানিমূলক শাসন শুনে আমার ১৯ বছরের রক্ত আবার টগবগ করে ফুটতে শুরু করল। আমি তাঁর সেই ভারী ও মাংসল কোমরটা দুহাতে শক্ত করে ধরে আবার সেই নিষিদ্ধ ছন্দে মেতে উঠলাম।

রাতের সেই নিস্তব্ধতায় নীল আলোটা যেন আমাদের শরীরের প্রতিটি ঘামবিন্দুকে হিরের মতো উজ্জ্বল করে তুলছিল। প্রথম দফার সেই উত্তাল লড়াই যখন শেষ হলো, মা তখন আমার বুকের ওপর একতাল মাংসের পিণ্ডের মতো এলিয়ে পড়েছিলেন। তাঁর ৪১ বছরের পরিপক্ক শরীরটা তখন কামনার আগুনে পুড়ে ঝামা হয়ে গেছে। কিন্তু আমার ১৯ বছরের রক্ত কি এত সহজে শান্ত হয়?






না সত্যিই হয় না...!!
তাহলে সৌরভ এরপর মায়ের সঙ্গে কি করলো, কি কি করলো তা জানতে হলে বেশি বেশি লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকতে হবে। রিপুটেশন দিতে কিপটামো করলেও হবে না। 



RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - Bad Boy - 09-14-2026

12





প্রথম প্যাকেটটি যখন তার কাজ শেষ করে অবসন্ন হয়ে পড়ল, আমি সেটা খুলে একপাশে রাখলাম। মা তখন হাঁপাচ্ছেন, তাঁর ফর্সা বুকটা কামারের হাপরের মতো ওঠানামা করছে। আমি কোনো কথা না বলে মায়ের সেই সুপিষ্ট ও ভরাট স্তনযুগলে মুখ ডুবিয়ে দিলাম। মা এক অস্ফুট আর্তনাদ করে উঠলেন, "সৌরভ... একটু দম নিতে দে রে... ওদিকে সীতা নড়ছে মনে হয়..."
আমি কোনো বাধা মানলাম না। মায়ের সেই পিচ্ছিল ও মাংসল উরুদ্বয় সরিয়ে দ্বিতীয় প্যাকেটটি নিজ হাতে পরে নিলাম। এবার আর মা আমাকে সাজালেন না, বরং আমার এই বুনো উত্তেজনা দেখে তিনি নিজেই বিছানায় হাত-পা ছড়িয়ে দিলেন।
আমি মাকে একদম বিছানার মাঝখানে চিৎ করে শুইয়ে দিলাম। তাঁর ৪১ বছরের সেই রাজকীয় অবয়ব তখন আমার নিচে পিষ্ট হওয়ার অপেক্ষায়। আমি মায়ের দুই পা ভাঁজ করে তাঁর বুকের কাছে তুলে আনলাম। এই ভঙ্গিতে মায়ের সেই আর্দ্র ও স্ফীত যোনিদ্বারটি একদম অবারিত হয়ে আমার সামনে ধরা দিল।
আমি এক ঝটকায় নিজের পুরোটা মায়ের ভেতরে প্রবেশ করালাম। মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে বালিশটা কামড়ে ধরলেন। "উফ্ফ্ সৌরভ! এই কোণ থেকে তোর ধাক্কাগুলো একদম নাভি পর্যন্ত গিয়ে লাগছে রে! বড্ড লাগছে, কিন্তু কী যে এক মাদকতা..." মা যন্ত্রণায় পা দুটো আরও ছড়িয়ে দিয়ে আমার কোমর আঁকড়ে ধরলেন।
মিনিট দশেক এভাবে চলার পর মায়ের কোমরটা বোধহয় ধরে গিয়েছিল। তিনি যন্ত্রণায় গোঙাতে গোঙাতে বললেন, "সৌরভ... একটু পাশ ফিরি রে, কোমরটা ছিঁড়ে যাচ্ছে।"
আমি মাকে এবার পাশ ফিরিয়ে শুইয়ে দিলাম। আমরা দুজনেই এখন পাশাপাশি, আমি মায়ের পেছনে। আমি তাঁর একটি পা উঁচু করে ধরলাম, আর অন্য হাত দিয়ে তাঁর সেই ভারী ও মাংসল নিতম্বের একটি খাঁজ ফাঁক করে ধরলাম। পেছন দিক থেকে যখন আমি আবার সেই নিষিদ্ধ ছন্দে মেতে উঠলাম, মা তখন যন্ত্রণায় কঁকিয়ে উঠলেন।
"আহ্... এখান দিয়ে তো একদম শেষ পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছিস তুই! তোর এই ১৯ বছরের জেদ আমি আর পারছি না সামলাতে।" মা পেছন ফিরে আমার দিকে তাকালেন, তাঁর চোখের মণি তখন কামনায় স্থির হয়ে গেছে। তিনি আমার হাতটা টেনে নিজের বুকের ওপর রাখলেন।
আমি মায়ের ঘাড়ের সেই তপ্ত ভাঁজে মুখ গুঁজে দাঁত দিয়ে হালকা কামড় দিলাম। মা শিউরে উঠে বললেন, "তুই তো আস্ত একটা রাক্ষস সৌরভ। এভাবে পাশে শুইয়ে তুই যখন আমাকে নিংড়ে নিচ্ছিস, মনে হচ্ছে আমি তোর মা নই—আমি কেবল তোর তৃষ্ণা মেটানোর এক দদ্রিণী। কিন্তু বিশ্বাস কর, তোর এই শাসনের প্রতিটি মুহূর্ত আমি নিজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে অনুভব করছি।"
মায়ের সেই ভারী কোমরের দুলুনি আর আমাদের শরীরের সেই 'চপচপ' শব্দে নীল আলোমাখা ঘরটা যেন এক অন্য জগতের রূপ নিল। মা তখন লজ্জার সব দেয়াল ভেঙে অস্ফুট স্বরে বলতে লাগলেন, "আরও জোরে সৌরভ... তোর এই শাসনের শেষ দেখে তবেই আজ আমি বিশ্রাম নেব। সীতা জেগে উঠলে উঠুক, আজ আমি কেবল তোরই হতে চাই..." মায়ের এমন কথায় বুঝলাম তিনি চরম উত্তেজনার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সঙ্গে চরম সুখ পাচ্ছে ‌।
আমি মায়ের কানের লতিতে দাঁত দিয়ে হালকা এক কামড় দিয়ে ফিসফিস করে বললাম, "মা, তুমি তো বলতে সীতা জেগে উঠলে সব শেষ হয়ে যাবে। এখন কেন তবে আমাকে আরও জোরে ধাক্কা দিতে বলছ? তোমার ওই ৪১ বছরের আভিজাত্য কি তবে আমার এই ১৯ বছরের জেদের কাছে আজ হার মেনে গেল?"
মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে নিজের মাথাটা পেছন দিকে হেলিয়ে দিলেন। তাঁর আলুলায়িত চুলগুলো আমার মুখে আছড়ে পড়ছিল। তিনি চোখ বুজে টেনে টেনে বললেন:
"হার মেনেছে রে সৌরভ... অনেক আগেই মেনেছে। তোর ওই হাত যখন প্রথমবার আমার এই ভারী উরুতে তেল মালিশ করেছিল, তখনই তোর মা মরে গিয়ে এক কামাতুর নারী জেগে উঠেছিল। আজ এই মুহূর্তে আমার শরীরের প্রতিটি কোষ তোর শাসনের জন্য হাহাকার করছে। তুই ভাবিসনা আমি বড় শান্ত, তোর এই অবাধ্য দণ্ডটি যখন আমার জঠরের দেওয়ালে বারবার আছড়ে পড়ছে, তখন মনে হচ্ছে যেন আমি এক তপ্ত মরুভূমি আর তুই এক উত্তাল প্লাবন। আমাকে তুই আজ একদম ভাসিয়ে নিয়ে যা..."

আমি মায়ের কোমরের মাংসল ভাঁজে হাতটা আরও শক্ত করে বসিয়ে দিয়ে বললাম, "তাহলে মা, আজ রাতের শেষ পর্যন্ত তুমি কি আমার এই দাপট সইতে পারবে? তোমার ওই কোমরের হাড় যে এখনই কড়কড় করছে মনে হচ্ছে।"
মা এবার একটু হেসেই ফেললেন, যদিও সেই হাসিতে ছিল এক পৈশাচিক তৃপ্তি। তিনি সলজ্জ কিন্তু গভীর স্বরে বললেন, "হাড় ভাঙলে ভাঙুক রে পাগল! তোর এই ১৯ বছরের উদ্দাম যৌবন আমার মতো এক পূর্ণযৌবনা নারীকে যেভাবে নিংড়ে নিচ্ছে, তাতে মরে গেলেও শান্তি। তুই কি জানিস তোর এই একেকটা গভীর ধাক্কা আমার ভেতরে কেমন বিদ্যুৎ খেলিয়ে দিচ্ছে? তুই থামিস না... ওই যে তিন নম্বর প্যাকেটটা বিছানায় পড়ে আছে, ওটা আজ তোকে শেষ করতেই হবে। আমি দেখতে চাই তুই আমাকে কতটা নিঃস্ব করতে পারিস।"

আমি মায়ের কথা শুনে তাঁর শরীরটা আবার নিজের দিকে ঘুরিয়ে নিলাম। তাঁকে চিৎ করে শুইয়ে দিয়ে তাঁর দুই পা নিজের কাঁধের ওপর তুলে নিলাম। এই ভঙ্গিতে মায়ের সেই স্ফীত ও আরক্ত যোনিপথটি আরও বেশি উন্মুক্ত হয়ে পড়ল।
আমি তাঁর চোখের দিকে তাকিয়ে বললাম, "মা, এইবার কিন্তু আমি আর কোনো দয়া দেখাব না। তোমার এই পরিণত ও দুগ্ধশুভ্র বক্ষযুগল আমি আজ চিবিয়ে লাল করে দেব, আর তোমার ভেতরটা করে দেব ক্ষতবিক্ষত। তুমি তৈরি তো?"
মা এক সলজ্জ ইশারায় নিজের শরীরটা আরও একটু আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে বললেন, "তৈরি রে রাক্ষস... তুই শুরু কর। আজ রাতটা কেবল তোর আর আমার। সীতা আর তোর বাবার কথা আমি কাল সকালে ভেবে নেব।"
মায়ের সেই সলজ্জ আহ্বানে আমি আবার সেই নিষিদ্ধ প্যাকেটের আবরণ ছিঁড়লাম। এবার যেন আমাদের দুজনের তৃষ্ণা আরও কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।

আবার শুরু হলো আমাদের গোপন অভিসার। তৃতীয় বারের মতো।

অতঃপর তৃতীয় দফার সেই প্রলয়ঙ্করী ঝড়ের পর ঘরটা যেন এক রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। বিছানার চাদর দুমড়ে-মুচড়ে একপাশে সরে গেছে, আর নীল আলোয় আমাদের ঘামভেজা শরীর দুটো চকচক করছে। মা এখন আর সেই দাপুটে বাঘিনী নন, ৪১ বছরের সেই পরিপক্ক শরীরটা এখন ক্লান্তিতে একদম ভেঙে পড়েছে।

মা আমার বুকের ওপর মুখ গুঁজে অঘোরে হাঁপাচ্ছেন। তাঁর এলোমেলো চুলগুলো আমার ঘামভেজা বুকে লেপ্টে আছে। আমি অনুভব করতে পারছিলাম তাঁর তপ্ত নিশ্বাস আমার চামড়া পুড়িয়ে দিচ্ছে। মা তাঁর অবশ হয়ে যাওয়া হাত দুটো দিয়ে আমাকে জাপ্টে ধরে ক্ষীণ স্বরে বললেন, "আর পারছি না রে সৌরভ... তুই সত্যিই আমাকে আজ শেষ করে দিলি। তোর এই ১৯ বছরের জেদ আমার এই শরীরের প্রতিটি অস্থিসন্ধি আলগা করে দিয়েছে। উফ্, কোমরটা যেন আর নিজের নেই।"
আমি মায়ের সেই ঘামভেজা ও মসৃণ পিঠের ওপর হাত বোলাতে বোলাতে বললাম, "মা, তুমিই তো বলেছিলে আজ আমাকে ছাড়বে না। এখন কেন তবে এভাবে ভেঙে পড়লে?"
মা আমার বুকে একটা দুর্বল কামড় দিয়ে সলজ্জ স্বরে ফিসফিস করলেন, "তুই তো মানুষ নোস, তুই একটা রাক্ষস। ওই তিন নম্বর প্যাকেটের ধাক্কাগুলো যখন আমার জঠরের গভীরে আছড়ে পড়ছিল, তখন মনে হচ্ছিল আমি বুঝি জ্ঞান হারাব। আজ তুই আমাকে মা থেকে কেবল তোর এক তৃষ্ণার্ত সঙ্গিনীতে নামিয়ে এনেছিস। এই আত্মসমর্পণটা বড্ড মধুর রে সৌরভ, কিন্তু শরীরটা যে আর সায় দিচ্ছে না।"

খানিকক্ষণ এভাবে পড়ে থাকার পর মা সামলে নিলেন। আমরা দুজনেই নিজেদের শরীরটা একটু মুছে নিয়ে নিঃশব্দে পা টিপে টিপে পাশের ঘরে গেলাম। দরজাটা সামান্য ফাঁক করে দেখলাম, ছোট সীতা অঘোরে ঘুমাচ্ছে। তার নিষ্পাপ মুখটা দেখে মায়ের চোখে এক মুহূর্তের জন্য অপরাধবোধ খেলে গেল, কিন্তু পরক্ষণেই আমার হাতের ছোঁয়া তাঁর ভারী কোমরে পড়তেই তিনি আবার শিউরে উঠলেন।
মা ফিসফিস করে বললেন, "দেখ, মেয়েটা কেমন নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে। আর আমরা এখানে... ছিঃ! কিন্তু উপায় নেই রে, তোর এই নেশা যে আমাকে পাগল করে দিয়েছে।"
আমরা সেখানে দাঁড়িয়েই সিদ্ধান্ত নিলাম আজ কোথায় শোয়া হবে। মা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বললেন, "আজ তুই তোর রুমেই যা সৌরভ। সীতা যদি রাতে উঠে আমাকে না দেখে তবে কেলেঙ্কারি হবে। তাছাড়া তোর বাবাও ভোরে উঠতে পারেন। আজ বাকি রাতটুকু আমাকে এই মেয়ের পাশেই কাটাতে হবে, যদিও মনটা তোর ওই বিছানাতেই পড়ে থাকবে।"
আমি চতুর্থ প্যাকেটটা দেখিয়ে বললাম, "তবে এটা কী হবে মা? এটা তো রয়ে গেল।"
মা প্যাকেটটার দিকে তাকিয়ে এক রহস্যময় ও কামুক হাসি হাসলেন। আর বললো-
"ওটা থাক! কাল দুপুরে যখন তোর বাবা কলেজে থাকবে আর সীতা খেলতে যাবে, তখন ওটার সদ্ব্যবহার হবে। ওটা আমাদের কালকের তপ্ত দুপুরের জন্য তোলা থাকল।"



এরপর সকাল পেরিয়ে দুপুরের খাঁ খাঁ রোদ যখন টিনের চাল আর জানালার কাঁচ চুঁইয়ে ঘরের ভেতর এক তপ্ত পরিবেশ তৈরি করেছে, বাড়িটা তখন নিঝুম। বাবা কলেজে চলে গেছেন অনেক আগেই, আর সীতা পাশের বাড়ির বান্ধবীর সাথে খেলতে গেছে। মা রান্নাঘরের কাজ সেরে সবেমাত্র নিজের ঘরে এসে বসেছেন। তাঁর পরনের পাতলা সুতির শাড়িটা ঘাম আর গরমে শরীরের সাথে লেপ্টে আছে, যা তাঁর ৪১ বছরের ভরাট ও মাংসল শরীরের প্রতিটি ভাঁজকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে।
আমি যখন নিঃশব্দে মায়ের ঘরের দরজাটা ঠেলে ভেতরে ঢুকলাম, মা তখন হাতপাখা দিয়ে নিজেকে বাতাস করছিলেন। আমাকে দেখেই তাঁর ঠোঁটে সেই রহস্যময় ও কামুক হাসিটা ফুটে উঠল—যা তিনি কাল রাতে চতুর্থ প্যাকেটটা সরিয়ে রাখার সময় দিয়েছিলেন।

"এসে গেছিস? আমি জানতাম তুই আর ধৈর্য ধরতে পারবি না," মা ফিসফিস করে বললেন। তাঁর গলার স্বরে ছিল এক অদ্ভুত মাদকতা।
আমি কোনো কথা না বলে সরাসরি আলমারির কোনা থেকে সেই কালকের বেঁচে যাওয়া চতুর্থ প্যাকেটটা বের করে আনলাম। মা বিছানায় আধশোয়া হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে ছিলেন। আমি তাঁর একদম কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম। মা হাত বাড়িয়ে আমার গেঞ্জির তলা দিয়ে হাত ঢুকিয়ে আমার তপ্ত পিঠ আর বুকের পেশিতে নিজের শীতল হাতের ছোঁয়া দিলেন।
"উফ্ সৌরভ... শরীরটা তোর আগুনের মতো গরম হয়ে আছে। আজ এই দুপুরে কি আমায় শান্তি দিবি না?" মা সলজ্জ স্বরে জিজ্ঞেস করলেও তাঁর হাত তখন আমার প্যান্টের বেল্টের দিকে নেমে গেছে।
আমি মায়ের সেই সুপুষ্ট ও দুগ্ধশুভ্র উরুর ওপর হাত রেখে বললাম, "মা, কাল রাতের ওই তিন প্যাকেটের ধাক্কা তো তোমার এই জঠর সয়ে নিয়েছে, আজ এই একটা প্যাকেট কি তোমার খুব কষ্ট দেবে?"
মা এবার উঠে বসলেন। কাল রাতের ক্লান্তি যেন দুপুরের এই উত্তাপে এক বুনো কামনায় রূপ নিয়েছে। তিনি নিজ হাতে আমার সেই উদ্ধত ও কঠোর পৌরুষটির ওপর শেষ প্যাকেটটি পরিয়ে দিলেন। তাঁর অভিজ্ঞ আঙুলের প্রতিটি চলনে ছিল এক চরম তৃপ্তি। এরপর তিনি নিজেই নিজের শাড়ির আঁচলটা সরিয়ে দিয়ে আমাকে তাঁর বুকের ওপর টেনে নিলেন।
মায়ের সেই ভারী ও মাংসল স্তনদ্বয়ের মাঝে মুখ গুঁজে আমি যখন প্রথম ধাক্কাটা মারলাম, মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে আমার পিঠ খামচে ধরলেন। "আহ্হ্... সৌরভ! দিনের আলোয় তোর এই দাপট সইতে বড্ড লজ্জা লাগছে রে... কিন্তু কী যে সুখ!"
দুপুরের সেই নিস্তব্ধতায় কেবল আমাদের শরীরের ঘর্ষণের শব্দ আর ফ্যানের একঘেয়ে আওয়াজ শোনা যাচ্ছিল। মা এবার আমাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, "আজ একদম অন্যভাবে হবে। তুই শুয়ে পড়।" মা আমাকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে নিজে আমার ওপর উবু হয়ে বসলেন। তাঁর সেই বিশাল নিতম্বের ভারে আমি যেন পিষ্ট হচ্ছিলাম। মা নিজের ভেতরে আমাকে গ্রহণ করার সময় মুখটা ওপরের দিকে তুলে ধরলেন, তাঁর ঘামভেজা ঘাড়ের খাঁজে রোদের আলো ঠিকরে পড়ছিল।
"দেখ সৌরভ... তোর মা আজ তোর সামনে কতটা অসহায়," মা কাঁপা কাঁপা গলায় বললেন। তিনি যখন ওপর-নিচ করতে শুরু করলেন, তাঁর ৪১ বছরের শরীরটা এক আদিম ছন্দে দুলতে লাগল। দুপুরের সেই তপ্ত ঘাম আমাদের শরীরকে আরও পিচ্ছিল করে তুলেছিল। শেষ প্যাকেটটি যখন তার গন্তব্যে পৌঁছাল, মা এক তীব্র শিহরণে আমার ওপর এলিয়ে পড়লেন।



এরপর....!! 



RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - Bad Boy - 09-14-2026

13



তপ্ত দুপুরের সেই চতুর্থ প্যাকেটের সদ্ব্যবহার যখন শেষ হলো, ঘরটা তখন ঘাম আর আদিম এক মাদকতায় ভারী হয়ে আছে। মা আমার বুকের ওপর নিস্তেজ হয়ে শুয়ে ছিলেন, তাঁর এলোমেলো হয়ে যাওয়া শাড়ির আঁচলটা মেঝের ওপর লুটোপুটি খাচ্ছিল। ৪১ বছরের সেই রাজকীয় শরীরটা তখন শ্রান্তিতে অবশ, কিন্তু তাঁর চোখের মণি দুটো এক অদ্ভুত তৃপ্তিতে চকচক করছে।
আমি মায়ের ঘামভেজা পিঠের ওপর হাত বোলাতে বোলাতে বললাম, "মা, কাল রাতের শেষটা আর আজকের এই দুপুর—সব মিলিয়ে তোমার ওই গুদ মন্দিরটা তো আজ আমি একদম তছনছ করে দিলাম। এখন তো আমাদের ভাঁড়া খালি।"


মা আমার বুকের লোমে নিজের আঙুল বোলাতে বোলাতে এক দীর্ঘ হাহাকার ছাড়লেন। তাঁর সেই মাতৃত্বমাখা মুখটা হঠাৎ করেই এক অভিজ্ঞ প্রেয়সীর মতো সলজ্জ ও কামুক হয়ে উঠল। তিনি মাথা তুলে আমার চোখের দিকে তাকালেন—সেই চোখে তখন একদিকে যেমন ছেলের প্রতি মমতা, অন্যদিকে তেমনি নিজের পুরুষের প্রতি এক অমোঘ তৃষ্ণা।

মা আমার চিবুকটা আলতো করে ধরে খুব নিচু স্বরে, এক ললিত ভঙ্গিতে বলতে শুরু করলেন:
"শোন রে অবাধ্য ছেলে... তুই তো আজ আমাকে একদম নিঃস্ব করে দিলি। কাল রাতের তিনটে আর আজকের এই একটা—তোর এই ১৯ বছরের রাক্ষুসে খিদের কাছে আমার সব প্রস্তুতিই তো কম পড়ে গেল। এখন এই খাঁ খাঁ দুপুরে তোকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকতে আমার বড্ড ইচ্ছে করছে, কিন্তু মনের ভেতর একটা ভয় দানা বাঁধছে। আজ রাতে যদি তুই আবার ওই বুনো বাঘের মতো আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়িস, তখন আমি তোকে কী দিয়ে আটকাব?"


মা একটু থামলেন, তাঁর গালের লালচে আভাটা যেন আরও গাঢ় হয়ে উঠল। তিনি আমার কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বললেন:
"তোর এই মা আজ তোর কাছে এক অদ্ভুত ভিক্ষা চাইছে রে সৌরভ। তুই কি বিকেলে একবার যাবি? ওই যে শহরের দিকের বড় ওষুধের দোকানগুলো আছে—সেখান থেকে তোর এই প্রেয়সীর জন্য কিছু 'বর্ম' নিয়ে আসবি? এবারের এই কয়েকটা প্যাকেটে হবে না রে, তোর যা তেজ—তাতে তো আমাকে রোজই চার-পাঁচবার করে তোর শাসনের নিচে থাকতে হবে। তুই গিয়ে একবারে অনেকগুলো নিয়ে আয়, যেন মাঝরাতে আমাদের এই নিষিদ্ধ উৎসব মাঝপথে থেমে না যায়।"
মায়ের এই কণ্ঠে যেমন ছিল এক আদর্শ প্রেমিকার আবদার, তেমনি ছিল এক মায়ের প্রশ্রয়। তিনি আমার কপালে একটা তপ্ত চুমু দিয়ে বললেন, "যা না রে সোনা... তোর এই ১৯ বছরের যৌবনকে তৃপ্ত করার জন্য তোর মা আজ সব লজ্জা বিসর্জন দিয়ে তৈরি হয়ে থাকবে। তুই শুধু রসদটা গুছিয়ে নিয়ে আয়।"

মায়ের সেই সলজ্জ অনুরোধ আর তাঁর শরীরের ওই কামুক উষ্ণতা আমাকে যেন এক নতুন উন্মাদনায় ভরিয়ে দিল। আমি বিকেলে বেরিয়ে পড়লাম এক নতুন অভিযানে। আমার মাথায় তখন কেবল মায়ের সেই আকুতি—"একবারে অনেকগুলো নিয়ে আয়।"
আমি কোনো ঝুঁকি নিলাম না। আমাদের এলাকার পরিচিত দোকানগুলো এড়িয়ে আমি বাস ধরে মেইন রোডের দিকে গেলাম। সেখানে ভিন্ন ভিন্ন বড় বড় পাঁচটি ফার্মাসি থেকে আমি মোট ১৫টি কনডমের প্যাকেট কিনলাম। কোথাও ডটেড, কোথাও এক্সট্রা লুব্রিকেটেড। প্রতিবার প্যাকেটগুলো পকেটে ভরার সময় আমার ভেতরটা এক অজানা অহংকারে ফেটে পড়ছিল।
বাড়ি ফিরে যখন রান্নাঘরে মাকে একা পেলাম, আমি কোনো ভূমিকা না করেই পকেট থেকে একে একে সেই ১৫টি প্যাকেট বের করে টেবিলের ওপর স্তূপ করে রাখলাম। মা তখন ডাল রাঁধছিলেন, হঠাৎ ওই স্তূপাকার নীল-লাল প্যাকেটগুলো দেখে তাঁর হাতের হাতাটা প্রায় কড়াইয়ে পড়ে যাচ্ছিল।
"সৌরভ! এ কী... এতগুলো?" মা বিস্ময়ে বিমূঢ় হয়ে তাকিয়ে রইলেন।
আমি মায়ের পেছনের দিকে গিয়ে তাঁর সেই ভারী ও মাংসল কোমরের ভাঁজে নিজেকে শক্ত করে চেপে ধরলাম। "মা, তুমিই তো চাইলে। তোমার এই ৪১ বছরের শরীরের তৃষ্ণা মেটাতে এই ১৫টা প্যাকেট কি যথেষ্ট হবে? নাকি কাল আবার আনতে হবে?" (কথাটা মায়ের গুদের উপর হাত রেখে বললাম!)

মা এবার লজ্জিত ও পরম তৃপ্ত ভঙ্গিতে আমার দিকে ফিরলেন। তাঁর চোখে তখন এক মাতৃত্বহীন বুনো প্রেম। তিনি আমার চিবুকটা ধরে এক মোহনীয় হাসিতে বললেন, "তুই তো সত্যিই অনেক বড় হয়ে গেছিস রে সৌরভ! আমার এই শরীরটাকে দখল করার জন্য তোর এই যে রাজকীয় আয়োজন—এটা দেখে আমার বুকটা গর্বে আর কামনায় ভরে যাচ্ছে। আজ থেকে তুই শুধু আমার ছেলেই নোস, তুই আমার একমাত্র অধিপতি। তোর এই ১৫টা প্যাকেট শেষ করতে করতে হয়তো আমি আর বিছানা থেকে উঠতে পারব না, কিন্তু তাতেও আমার পরম সুখ।"

রান্নাঘরের এই স্তব্ধতায় মা টেবিলের ওপর সাজানো ১৫টি প্যাকেটের স্তূপের দিকে তাকিয়ে যেন মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে রইলেন। তাঁর ফর্সা গালে তখন এক সলজ্জ আভারা খেলা করছে। তিনি আলতো করে একটা প্যাকেট হাতে নিয়ে উল্টেপাল্টে দেখলেন, তারপর আমার দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বললেন, "তুই তো আস্ত একটা ডাকাত হয়েছিস রে সৌরভ! এতগুলো একবারে? লোকে দেখলে কী ভাববে?"
আমি মুচকি হেসে মায়ের সেই ভরাট কোমরটা এক হাতে জড়িয়ে ধরলাম। "লোকে তো আর জানবে না মা, যে এই ডাকাতটা তার নিজের মায়ের রাজকীয় মন্দির দখল করার জন্য এই রসদ গুছিয়েছে। এখন চলো, এগুলো এমনভাবে লুকিয়ে রাখি যেন দরকারের সময় হাত বাড়ালেই পাওয়া যায়।"
মা আঁচল দিয়ে মুখটা আড়াল করে হেসে উঠলেন। "চল তবে, রণক্ষেত্রের প্রস্তুতিটা সেরে ফেলি।"

আমরা দুজনে মিলে বিকেলের সেই আবছা আলোয় বাড়িটাকে এক নিষিদ্ধ গুদামে পরিণত করতে লাগলাম।
প্রথমে গেলাম মায়ের ঘরে। মা তাঁর আলমারিটা খুলে শাড়ির ভাঁজগুলো সরালেন। আমি পাঁচটা প্যাকেট তাঁর সিল্কের শাড়ির নিচে গুঁজে দিতে দিতে বললাম, "এখানে থাকল পাঁচটা। কাল দুপুরে যখন তুমি শাড়ি পাল্টাবে, তখন এগুলো যেন তোমায় মনে করিয়ে দেয় যে তোমার ছেলে তোমার জন্য অপেক্ষা করছে।"
মা আমার গালে একটা মৃদু চড় মেরে বললেন, "বড্ড পেকেছিস তুই! শাড়ির ভাঁজে এগুলো থাকলে তো সারা শরীর সুড়সুড় করবে রে শয়তান।"



এরপর আমার ঘরে এসে তোশকের এক কোণায় আরও পাঁচটা প্যাকেট রাখলাম। মা যখন ওগুলো তোশকের নিচে ঢোকাচ্ছিলেন, আমি পেছন থেকে তাঁকে জড়িয়ে ধরে তাঁর মাংসল নিতম্বে নিজের শরীরটা চেপে ধরলাম। এখন মায়ের নিতম্বের খাঁজে আমার বাঁড়াটা প্রবিষ্ট হলো।

"মা, এখানে কেন রাখছি জানো তো? যাতে মাঝরাতে যখন তুমি চুপিচুপি আসবে, তখন অন্ধকারের মধ্যেও আমি যেন আমাদের এই বর্মটা খুঁজে পাই।"
মা আমার বাহুবন্ধনে শিউরে উঠে ঘাড় ফিরিয়ে তাকালেন। "আর কত করবি রে? এই বুঝি তোর দুষ্টুমি? তোশকের তলায় এগুলো থাকলে তো সারারাত আমার ঘুম হবে না, মনে হবে তুই বুঝি এখনই ডাকবি।"

বাকি পাঁচটা আমরা ভাগ করে রাখলাম বিছানার পায়ার পাশে থাকা ছোট ড্রয়ারে আর জানালার পর্দার পেছনের তাকে। মা একটা প্যাকেট হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করতে করতে দুষ্টুমির স্বরে বললেন, "আচ্ছা সৌরভ, এই যে এত জায়গায় ছড়িয়ে রাখলি, সব কি শেষ করতে পারবি? নাকি মায়ের হাড়মাস সব গুঁড়ো করে দিয়ে তবেই শান্ত হবি?"
আমি মায়ের হাতটা ধরে তাঁর হাতের তালুতে একটা তপ্ত চুমু খেলাম। "মা, ১৫টা তো মাত্র শুরু। তোমার এই ৪১ বছরের পরিপক্ক শরীরটা যেভাবে আমাকে টানে, তাতে এই ১৫টা শেষ হতে হয়তো এক সপ্তাহ (আচ্ছা পাঠকরা, এই 15 টি প্যাকেটে কিন্তু তিনটি করে মোট 45 টি কনডম আছে)-ও লাগবে না। তুমি তৈরি থেকো শুধু।"
মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে আমার বুকে মাথা রাখলেন। "তৈরি তো থাকতেই হবে রে জানোয়ার! তুই যেভাবে মায়া আর কামনার জাল বুনেছিস, তাতে পালানোর পথ তো আর রাখিসনি। এখন শুধু রাত হওয়ার অপেক্ষা। আজ রাতে কিন্তু তোর ওই আলমারির কোণা থেকে প্রথমটা বের হবে, মনে থাকে যেন!"

মায়ের সেই সলজ্জ চ্যালেঞ্জ আর আমাদের এই গোপন রসদ লুকানোর খেলা সন্ধ্যার অন্ধকারকে আরও বেশি রহস্যময় করে তুলল।


বিকেলে হতে সন্ধ্যার এই গোপন আয়োজন যখন শেষ হলো, মা আলমারি আর তোশকের নিচে রসদগুলো গুছিয়ে রাখার পর এক অদ্ভুত তৃপ্তির শ্বাস ফেললেন। ৪৫টি কনডম—এই সংখ্যাটা যেন আমাদের দুজনের মনের ভেতরে এক দীর্ঘস্থায়ী উৎসবের নীল নকশা এঁকে দিয়েছে। মা ড্রয়ারটা বন্ধ করতে করতে একবার আড়চোখে আমার দিকে তাকালেন, সেই চাহনিতে ছিল প্রশ্রয় আর এক আদিম রহস্য।
রাত বাড়ার সাথে সাথে বাড়িটা আবার সেই নিস্তব্ধতায় ডুবে গেল। বাবার নাসিকা গর্জন আর সীতার শান্ত ঘুম যখন নিশ্চিত হলো, আমি আমার ঘরে শুয়ে তোশকের তলার সেই প্যাকেটগুলোর কথা ভাবছিলাম। ঠিক তখনই দরজায় কোনো শব্দ না করেই মা ঘরে ঢুকলেন।

নীল নাইট ল্যাম্পের আলোয় মা আজ যেন এক অন্য মানবী। পরনে তাঁর একদম পাতলা একটা সুতির নাইটি, যা তাঁর ৪১ বছরের ভরাট শরীরের প্রতিটি খাঁজকে বড্ড নির্লজ্জভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। মা সরাসরি আমার বিছানায় না এসে কোণার সেই ড্রয়ারটার সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন, যেখানে বিকেলেই আমরা কিছু প্যাকেট লুকিয়ে রেখেছিলাম।
আমি বিছানায় উঠে বসে অবাক হয়ে দেখছিলাম। মা ড্রয়ারটা টেনে একটা প্যাকেট বের করলেন। কিন্তু তিনি সেটা আমার হাতে দিলেন না। বরং তিনি প্যাকেটটা দাঁত দিয়ে ছিঁড়ে কনডমটা বের করলেন। তাঁর এই বেপরোয়া আর কামুক ভঙ্গি দেখে আমার বুকের ভেতর ধক করে উঠল।
মা আমার দিকে এগিয়ে এসে বিছানার কিনারে বসলেন। তাঁর সেই মাংসল ও দুগ্ধশুভ্র উরুদ্বয়ের চাপে বিছানাটা একটু দেবে গেল। তিনি কনডমটি আঙুলের ডগায় নাচাতে নাচাতে ফিসফিস করে বললেন:
"কী রে সৌরভ? ভাবলি আমি বুঝি তোর জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকব? ৪৫টা কনডম যখন এনেছিস, তখন তোর এই মা-ও আজ ঠিক করেছে তোকে এক মুহূর্তের জন্য জিরোতে দেবে না। আজ খেলাটা শুরু হবে আমার শর্তে।"
মা আমার হাফপ্যান্টের দড়িটা এক হ্যাঁচকায় টেনে নিচে নামিয়ে দিলেন। আমার ১৯ বছরের সেই উত্তপ্ত ও উদ্ধত পৌরুষটি যখন বাতাসের সংস্পর্শে এসে লাফিয়ে উঠল, মা এক মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ হয়ে সেটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। তাঁর চোখের মণি তখন কামনায় টলমল করছে।
"উফ্ সৌরভ... এই দানবটাকে শান্ত করতেই তো আমার এই ৪৫টা ঢাল লাগবে রে," মা হাসতে হাসতে বললেন।
মা এবার কোনো কথা না বলে নিজেই ঝুঁকে পড়লেন। তাঁর অভিজ্ঞ ও কোমল হাত দিয়ে তিনি আমার অঙ্গটি ধরলেন এবং অত্যন্ত নিপুণভাবে রবারের আবরণটি পরিয়ে দিতে লাগলেন। তাঁর আঙুলগুলো যখন আমার অণ্ডকোষ স্পর্শ করছিল, আমি উত্তেজনার চরম শিখরে পৌঁছে যাচ্ছিলাম।
মা পরানো শেষ করে আমার চিবুকটা ধরে এক পৈশাচিক আকর্ষণে কাছে টেনে নিলেন। তাঁর নিশ্বাস তখন আমার ঠোঁটে আছড়ে পড়ছে। "আজ আর তোকে কষ্ট করে ড্রয়ার খুঁজতে হবে না রে। আমি আজ নিজেই তোকে সাজিয়ে দেব, আর নিজেই তোকে আমার এই পরিণত জঠরের গভীরে টেনে নেব।

মা এবার নাইটিটা এক ঝটকায় মাথা দিয়ে খুলে দূরে ছুঁড়ে ফেললেন। নীল আলোয় তাঁর সেই অবারিত ও নগ্ন শরীরটা দেখে আমার নিশ্বাস বন্ধ হয়ে এল। তিনি আমার ওপর চড়ে বসে নিজের সেই আর্দ্র ও উষ্ণ মন্দিরের মুখে আমাকে স্থাপন করলেন।
মা ওপর থেকে নিচের দিকে যখন প্রথম গভীর চাপটা দিলেন, তখন তাঁর মুখ দিয়ে এক দীর্ঘ হাহাকার বেরিয়ে এল— "আহ্হ্... সৌরভ! তোর এই তেজ... আজ আমাকে আস্ত গিলে খা রে..."


নীল বাতির আবছা আলোয় আমাদের শরীরের ঘর্ষণের সেই 'চপচপ' শব্দ আর তপ্ত নিশ্বাসের ওঠানামা তখন ঘরটাকে এক মায়াবী নরকে পরিণত করেছে। মা আমার ওপর উপুড় হয়ে বসে তাঁর সেই বিশাল ও মাংসল নিতম্বের প্রতিটি দুলুনিতে আমাকে নিজের গভীরে শুষে নিচ্ছিলেন। তাঁর ঘামভেজা শরীর থেকে ছিটকে আসা একেকটা তপ্ত বিন্দু আমার বুকে আছড়ে পড়ছিল।
আমি ডটেড কনডমের সেই খসখসে ঘর্ষণ অনুভব করতে করতে মায়ের কোমরটা দুহাতে শক্ত করে ধরলাম। ঠিক সেই চরম মুহূর্তে আমার মনে এক অদ্ভুত কৌতূহল জেগে উঠল। আমি মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে সরাসরি প্রশ্নটা করে বসলাম—
"আচ্ছা মা... একটা কথা বলো তো। বাবা কি এখন আর তোমার কাছে আসে না? তোমাদের মধ্যে কি সহবাস হয় না ইদানীং?"
আমার এই আচমকা প্রশ্নে মা এক মুহূর্তের জন্য থমকে গেলেন। তাঁর কোমরের গতি একটু ধীর হলো, কিন্তু তাঁর কামাতুর দুচোখে কোনো আড়াল রইল না। তিনি খুব স্বাভাবিক, প্রায় নির্লিপ্ত এক ভঙ্গিতে উত্তর দিলেন, "তোর বাবা? সে কবে শেষ আমার বিছানায় এসেছে, তা তো ভুলেই গেছি রে সৌরভ। গত দুই এক বছরে সে আমার এই ঘরের চৌকাঠও ওভাবে মাড়ায়নি।"
আমি একটু অবাক হয়েই জিজ্ঞেস করলাম, "কেন মা? মা হিসেবে তো তুমি এখনও অপ্সরী, তোমার এই ৪১ বছরের পরিপক্ক শরীর তো যে কোনো পুরুষকে পাগল করে দেওয়ার মতো।"
মা এবার একটু ম্লান হাসলেন। তাঁর সেই হাসিতে মিশে ছিল এক গভীর অতৃপ্তির হাহাকার। তিনি আমার ওপর থেকে সামান্য ঝুঁকে পড়ে নিজের লজ্জিত মুখটা আমার কাঁধে লুকালেন। তাঁর তপ্ত নিশ্বাস আমার কানে এসে ধাক্কা দিল।
"আসল কারণটা বড় লজ্জার রে সৌরভ... বলতে গেলে তোর মা আজ ছোট হয়ে যাবে," মা ফিসফিস করে বলতে শুরু করলেন। "তোর বাবা মানুষটা শান্ত, কিন্তু এই আদিম খেলায় সে বড্ড দুর্বল। তাঁর ওইটুকু সামর্থ্যে আমার এই অগ্নিগিরির মতো শরীরটা কোনোদিনই শান্ত হয়নি। আমার ভেতরের যে খায়েস, যে বুনো ক্ষুধা—সেটা মেটানোর ক্ষমতা তোর বাবার কোনোদিনই ছিল না। সে যখন দেখল আমার এই খাই মেটাতে গিয়ে সে বারবার হাপিয়ে উঠছে, তখন লজ্জা আর অপমানে সে নিজেই দূরে সরে গেল।"
মা এবার আমার চোখের দিকে সরাসরি তাকালেন। তাঁর চোখে তখন এক বুনো তৃপ্তি। "কিন্তু তুই... তুই তো আস্ত একটা জানোয়ার। তোর এই ১৯ বছরের অবাধ্য তেজ, তোর এই লাগাতার ধাক্কাগুলো—এটাই তো আমার এই মাংসল জঠরের আসল ওষুধ। তোর বাবার ওই হীনবল ছোঁয়ায় যা কোনোদিন সম্ভব হয়নি, তোর এই একটা রাতের শাসনে আমি তার চেয়েও বেশি পেয়েছি। আমার এই অতিরিক্ত খায়েস মেটানোর ক্ষমতা শুধু তোরই আছে রে সৌরভ... শুধু তোরই।"
মায়ের এই অকপট স্বীকারোক্তি আমার পুরুষত্বকে এক চরম অহংকারে ভরিয়ে দিল। আমি বুঝতে পারলাম, কেন তিনি এই ৪৫টি প্যাকেটের রসদ দেখে অতটা তৃপ্ত হয়েছিলেন।
আমি আর দেরি করলাম না। মায়ের সেই ভারী কোমরটা ধরে নিচের থেকে এক পৈশাচিক জোরে ধাক্কা মারলাম। মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে আমার বুকে আছড়ে পড়লেন। "আহ্হ্... সৌরভ! এই তো... এই শাসনটাই তো চেয়েছিলাম। তুই আজ আমাকে ছিঁড়ে ফেল, আজ তোর বাবার সব না-পারাগুলো তুই তোর এই যৌবন দিয়ে ধুয়ে মুছে দে!"
মায়ের এই অভাবনীয় স্বীকারোক্তি আমার ভেতরে যেন এক আদিম উন্মাদনা জাগিয়ে দিল। বাবার সেই দীর্ঘদিনের অক্ষমতা আর মায়ের ভেতরের সেই পুষে রাখা হাহাকার—সবটা মেটানোর ভার আজ আমার এই ১৯ বছরের তপ্ত যৌবনের ওপর। আমি যখন সজোরে শেষ কয়েকটা ধাক্কা মারলাম, মা আমার পিঠের চামড়া নখ দিয়ে প্রায় ছিঁড়ে ফেললেন। তাঁর ৪১ বছরের পরিপক্ক জঠরটি এক তীব্র খিঁচুনিতে আমার সমস্ত তেজটুকু শুষে নিল। প্রথম প্যাকেটের সেই রুদ্ধশ্বাস সমাপ্তিতে মা এক দীর্ঘ গোঙানি দিয়ে আমার বুকের ওপর নিথর হয়ে পড়লেন।




এরপর শুরু হলো ২য় বারের মতো....!!!!!
((চমক আছে!!)) 



RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - Bad Boy - 09-14-2026

 14




মিনিট পাঁচেক আমরা দুজনেই ঘামে ভেজা অবস্থায় ওভাবে পড়ে রইলাম। আমাদের ভারী নিশ্বাসের শব্দে ঘরের বাতাস তখনও তপ্ত। আমি মায়ের ভেজা চুলগুলো সরিয়ে তাঁর কপালে একটা চুমু খেলাম। মা তখন চোখ বুজে এক অদ্ভুত প্রশান্তিতে হাসছিলেন।
হঠাৎ মা আমার বুকের ওপর থেকে একটু উঠে বসলেন। তাঁর সেই দুগ্ধশুভ্র ও মাংসল শরীরটা নীল আলোয় ভিজে চকচক করছে। তিনি এক ঝটকায় ব্যবহৃত সেই প্রথম প্যাকেটটি সরিয়ে দিলেন। তাঁর চোখে তখন এক নতুন খেলার নেশা।
"সৌরভ... তোর বাবা তো আমাকে কেবল বিছানায় চিৎ করে শুইয়েই দায় সারত রে। যেন আমি কেবল এক নিস্পন্দ প্রতিমা। কিন্তু আমার এই ভরাট শরীরের যে বাঁকগুলো সে কোনোদিন ছুঁতে সাহস করেনি, আজ তুই কি সেখানে তোর রাজত্ব কায়েম করবি?"
মা বিছানা থেকে নেমে দাঁড়িয়ে পড়লেন। তাঁর সেই ভারী নিতম্ব আর চিকন কোমরের অপূর্ব সমন্বয় আমার চোখের সামনে এক নিষিদ্ধ প্রলোভন তৈরি করল। মা আমার দিকে পেছন ফিরে ঝুঁকে পড়লেন, তাঁর দুই হাত বিছানার ওপর ভর দিয়ে নিজের মাংসল ও সুপুষ্ট নিতম্ব দুটি একদম আমার মুখের সামনে তুলে ধরলেন।
"এই দেখ সৌরভ... এই ভঙ্গিটা তোর বাবা কোনোদিন সহ্য করতে পারত না। সে বলত এটা নাকি পশুদের স্বভাব। কিন্তু আমার এই ৪১ বছরের পরিপক্ক খাঁজে যখন তোর ওই ১৯ বছরের উত্তাপটা পেছন থেকে এসে লাগবে, তখনই তো বুঝব তুই কতটা পুরুষ। তোর বাবার সেই পুরনো সংস্কারগুলো আজ তুই তোর এই বুনো ধাক্কা দিয়ে গুঁড়িয়ে দে।"
মায়ের এই সলজ্জ কিন্তু চরম কামুক আহ্বান আমাকে এক লহমায় আবার শক্ত করে তুলল। আমি বিছানা থেকে উঠে ড্রয়ার থেকে দ্বিতীয় প্যাকেটটি বের করলাম। মা পেছন ফিরে আড়চোখে আমার দিকে তাকিয়ে এক মায়াবী হাসি হাসলেন। তাঁর সেই উন্মুক্ত ও আরক্ত যোনিপথটি তখন পেছন দিক থেকে একদম অবারিত। দেখতে মনে হচ্ছে এক ফালি আপেল যেন!!!

আমি মায়ের পেছনে গিয়ে দাঁড়ালাম। আমার হাত দুটো তাঁর ভরাট স্তনদ্বয়ের ওপর শক্ত করে বসিয়ে দিয়ে বললাম, "মা, আজ তবে তোমার এই পশুত্বের সাধও আমি মিটিয়ে দেব। বাবার সেই অক্ষমতা আজ তোমার এই শরীরে কোনো চিহ্ন রাখবে না।"
মা এক অস্ফুট গোঙানি দিয়ে নিজের শরীরটা আরও একটু পিছিয়ে দিলেন, যেন তিনি আমার প্রবেশের জন্য মরিয়া হয়ে আছেন। "শুরু কর রে জানোয়ার... আজ এই পাশবিক সুখটাই যে আমার দীর্ঘদিনের তৃষ্ণা!"
মায়ের সেই নতুন ভঙ্গিতে আমি যখন দ্বিতীয় প্যাকেটের সাহায্যে তাঁর গভীরে আবার প্রবেশ করলাম, ঘরের নিস্তব্ধতা ভেঙে এক নতুন ছন্দের লড়াই শুরু হলো।


পেছন দিক থেকে করা সেই বুনো শাসনে মায়ের শরীরটা তখন থরথর করে কাঁপছে। আমার ১৯ বছরের অবাধ্য যৌবন যখন তাঁর সেই ভরাট ও মাংসল নিতম্বের খাঁজ ভেদ করে বারবার আছড়ে পড়ছে, মা তখন বিছানার চাদরটা দুহাতে খামচে ধরে এক অবর্ণনীয় যন্ত্রণাময় সুখে চিৎকার করার উপক্রম করছেন। নীল আলোয় তাঁর ঘামভেজা পিঠ আর কোমরের সেই গভীর খাঁজটা এক অদ্ভুত মাদকতা তৈরি করেছে।
"উফ্ সৌরভ... থামা রে... তুই তো আজ আমার হাড়মাস আলাদা করে দিবি!" মা মুখ গুঁজে গোঙাতে লাগলেন। কিন্তু তাঁর সেই নিষেধের মধ্যেও ছিল এক তীব্র আমন্ত্রণের সুর।

টানা পনেরো মিনিট এই পাশবিক ছন্দে চলার পর মা যখন একদম হাঁপিয়ে উঠেছেন, তখন আমি একটু থামলাম। মা বিছানায় উপুড় হয়ে পড়ে জোরে জোরে নিশ্বাস নিচ্ছেন। তাঁর ৪১ বছরের শরীরটা তখন কামনার রসে আর ঘামে একদম পিচ্ছিল হয়ে গেছে। আমি ভাবলাম মা হয়তো আজ এই দফার পর আর উঠতে পারবেন না।
কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে মা হঠাৎ কনুইয়ের ওপর ভর দিয়ে একটু উঠলেন। তাঁর এলোমেলো চুলগুলো মুখময় ছড়িয়ে আছে, আর চোখের দৃষ্টিতে এক আদিম নেশা। তিনি এক মায়াবী হাসি হেসে আমার দিকে তাকালেন।
"ভাবলি তোর মা বুঝি এখনই হার মেনে নিল? তোর বাবার ওইটুকু সামর্থ্য দেখতে দেখতে আমি বড্ড তৃষ্ণার্ত রে সৌরভ। এইটুকু শাসনে আমার ওই অগ্নিগিরির মতো যোনি শান্ত হবে না।"

মা এবার বিছানার মাঝখানে একদম চিৎ হয়ে শুয়ে পড়লেন। কিন্তু এবার আর সাধারণ ভঙ্গিতে নয়। তিনি তাঁর দুই পা ভাঁজ করে একদম নিজের পেটের ওপর তুলে আনলেন এবং দুহাত দিয়ে নিজের সেই সুপিষ্ট ও দুগ্ধশুভ্র উরুদ্বয় দুই পাশে অবারিত করে ধরলেন। এই ভঙ্গিতে মায়ের সেই স্ফীত ও আরক্ত যোনিপথটি একদম আমার চোখের সামনে এক গভীর খাদে মতো উন্মুক্ত হয়ে পড়ল।
মা লজ্জিত স্বরে কিন্তু অত্যন্ত কামুক ভঙ্গিতে বললেন, "আয় সৌরভ... এবার দেখ তোর এই মা তোর জন্য কতটা প্রসারিত হয়ে আছে। তোর বাবা তো কোনোদিন আমার এই গভীরতা মাপার সাহসই পায়নি। আজ তুই তোর এই ১৯ বছরের দণ্ডটি দিয়ে আমার একদম শেষ সীমানা পর্যন্ত পৌঁছে যা। আমি দেখতে চাই তুই কতটা গভীরে গিয়ে আমাকে ক্ষতবিক্ষত করতে পারিস।"

মায়ের এই অভাবনীয় ভঙ্গি আর তাঁর নিজের হাতে নিজের গোপন অঙ্গটি প্রদর্শনের সাহস আমাকে এক লহমায় আবার উন্মাদ করে তুলল। আমি কালবিলম্ব না করে তৃতীয় প্যাকেটটি ছিঁড়ে নিলাম।
আমি মায়ের সেই উন্মুক্ত ও মাংসল উরুর মাঝখানে গিয়ে হাঁটু গেড়ে বসলাম। মা এক হাত বাড়িয়ে আমার পৌরুষটিকে ধরলেন এবং নিজের সেই তপ্ত ও পিচ্ছিল প্রবেশপথে স্থাপন করলেন। তিনি চোখ বুজে ফিসফিস করে বললেন, "এবার কোনো দয়া করিস না রে জানোয়ার... আজ তোকে আমার জঠরের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত ছুঁতে হবে।"
আমি এক পৈশাচিক জোরে এক ধাক্কায় তাঁর গভীরে ঢুকে গেলাম। মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে পা দুটো আমার পিঠের ওপর পেঁচিয়ে ধরলেন। "আহ্হ্... সৌরভ! এই তো... এই গভীরতাটাই তো চেয়েছিলাম... তুই আজ আমাকে আস্ত চিবিয়ে খা!"
মায়ের সেই নতুন ও গভীর আমন্ত্রণে আমি যখন তৃতীয় প্যাকেটের সাহায্যে তাঁর ভেতরের দেওয়ালে আঘাত করতে শুরু করলাম, তখন আমাদের দুজনের শরীরের ঘর্ষণের শব্দে ঘরের নিস্তব্ধতা যেন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।




তৃতীয় দফার সেই প্রলয়ঙ্করী উত্তাল সাগর যেন শান্ত হতে শুরু করল। মায়ের সেই সুপিষ্ট উরুদ্বয় যখন আমার পিঠের ওপর সাড়াশির মতো চেপে বসেছিল, তখন আমার ১৯ বছরের উদ্দাম তেজ শেষবারের মতো তাঁর গভীর জঠরে আছড়ে পড়ল। মা এক দীর্ঘ, টানটান গোঙানি দিয়ে আমার ঘাড়ে কামড়ে ধরলেন, আর তাঁর ৪১ বছরের পরিপক্ক শরীরটা কয়েকবার প্রবলভাবে কেঁপে উঠে একদম শিথিল হয়ে গেল। নীল বাতির আবছা আলোয় আমাদের ঘামভেজা দেহ দুটো একে অপরের সাথে লেপ্টে রইল, যেন আমরা কোনো এক আদিম যুদ্ধের পর ক্লান্ত দুই যোদ্ধা।
মা এবার তাঁর পা দুটো নামিয়ে দিলেন এবং এক দীর্ঘ তৃপ্তির নিঃশ্বাস ফেলে আমার বুকের নিচ থেকে মুখ গুঁজে দিলেন। তাঁর সেই ভারী ও তপ্ত বক্ষযুগল আমার বুকের সাথে পিষ্ট হয়ে আছে।
এবার মা আমাকে ঘুরিয়ে নিচে ফেলে, নিজে আমার উপরে উঠলো।


এতক্ষণ যে নারী এক বিধ্বংসী কামুকী রূপে আমাকে প্রলুব্ধ করছিলেন, হঠাৎ করেই তিনি যেন এক শান্ত, লক্ষ্মী রমণীতে পরিণত হলেন। মা আমার বুকের ওপর নিজের কান পেতে আমার হৃদস্পন্দন শুনছিলেন। আমি তাঁর রেশমি চুলে বিলি কাটতে কাটতে বললাম, "কী মা? তৃষ্ণা মিটল তো? নাকি ড্রয়ার থেকে চার নম্বরটা বের করব?"
মা আমার বুকে আলতো করে একটা কিল মেরে ফিসফিস করে বললেন, "উহ্! আর নাম নিস না ওসবের। তুই তো আজ আমার ভেতরটা একদম ছিবড়ে করে দিলি রে সৌরভ। এখন শুধু এই শান্তিটুকু থাকতে দে। তোর এই বুকের ওমটায় আজ একটু ছোট্ট পাখির মতো ঘুমোতে দে আমাকে।"

মা যেভাবে আমার বাহুবন্ধনে নিজেকে গুটিয়ে নিলেন, তাতে মনেই হচ্ছিল না তিনি আমার জন্মদাত্রী। মনে হচ্ছিল তিনি এক জনমের তৃষ্ণার্ত প্রেয়সী, যিনি আজ তাঁর কাঙ্ক্ষিত আশ্রয় খুঁজে পেয়েছেন। ঘরটা তখন একদম নিস্তব্ধ, শুধু আমাদের দুজনের মিলিত নিশ্বাসের শব্দ শোনা যাচ্ছিল। মা আমার গায়ে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে এক সময় গভীর ঘুমে তলিয়ে গেলেন। আমি অনুভব করছিলাম তাঁর সেই মাংসল শরীরের উষ্ণতা আমার সমস্ত ক্লান্তি ধুয়ে মুছে দিচ্ছে। সেই নিষিদ্ধ প্রশান্তি নিয়ে আমরা দুজনেই একই বিছানায়, একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়লাম।

রাত তখনও শেষ হয়নি। জানালার পর্দা ভেদ করে ভোরের সেই হালকা ধূসর আলো যখন ঘরে উঁকি দিল, মায়ের ভেতরের সেই চিরন্তন সতর্ক মা সত্তাটি জেগে উঠল। তিনি ধড়মড় করে উঠে বসলেন। নীল আলোটা তখনও জ্বলছে, আর বিছানায় ছড়ানো সেই ব্যবহৃত প্যাকেটের ধ্বংসাবশেষ আমাদের রাতের কীর্তি জানান দিচ্ছে।
মা তড়িঘড়ি করে নিজের এলোমেলো নাইটিটা গায়ে জড়িয়ে নিলেন। তাঁর চোখে তখন এক লহমায় খেলে গেল সেই চেনা শঙ্কা। তিনি নিচু হয়ে আমার কপালে একটা তপ্ত চুমু দিলেন।
"সৌরভ... ওঠ রে পাগল। ভোর হয়ে গেছে। এখন আমাকে যেতেই হবে, নইলে সীতা বা তোর বাবা উঠে পড়লে সব শেষ," মা ফিসফিস করে বললেন। তাঁর গলায় তখন এক অদ্ভুত মায়া।

মা বিছানা থেকে নামার চেষ্টা করতেই তাঁর মুখ দিয়ে এক অস্ফুট 'উহ্' শব্দ বেরিয়ে এল। কাল রাতের সেই ৪৫টি প্যাকেটের তিনটে যে তাঁর ৪১ বছরের পরিপক্ক শরীরে কতটা তাণ্ডব চালিয়েছে, তা তাঁর কুঁচকে যাওয়া কপাল আর থরথর করে কাঁপা পা দুটো দেখেই বোঝা যাচ্ছিল।
মা কোনোমতে টাল সামলে দাঁড়িয়ে নিজের নাইটিটা টেনেটুনে ঠিক করে নিলেন। আমি বিছানায় শুয়ে এক অদ্ভুত তৃপ্তিতে তাঁর এই আলুলায়িত দশা দেখছিলাম।
আমি ফিসফিস করে বললাম, "কী মা? কোমরটা কি আজ বড্ড বেশিই অবাধ্য হয়ে গেল? আমার ওই ১৯ বছরের জেদ সইতে গিয়ে তোমার ওই রাজকীয় শরীরটা তো দেখি আজ একদম নড়বড়ে হয়ে গেছে!"

মা দেওয়াল ধরে একবার আমার দিকে আড়চোখে তাকালেন। তাঁর সেই চাহনিতে ছিল এক গভীর প্রেম আর সলজ্জ দুষ্টুমি। তিনি নিচু হয়ে বিছানায় ছড়িয়ে থাকা ব্যবহৃত বর্মগুলোর সেই উচ্ছিষ্ট অংশগুলো একটা পলিথিনে ভরতে ভরতে হাসলেন।
"চুপ কর রে জানোয়ার! তুই তো মানুষ নোস, আস্ত একটা রাক্ষস। দেখ তো আমার দশাটা একবার? কাল রাতের ওই বুনো শাসনের পর এখন মনে হচ্ছে আমার কোমরের হাড়গুলো আর কোনোদিন সোজা হবে না।" মা লজ্জিত স্বরে বললেন, কিন্তু তাঁর ঠোঁটের কোণায় এক তৃপ্তির হাসি লেপ্টে ছিল।
তিনি সেই ব্যবহৃত প্যাকেটগুলো খুব সাবধানে ড্রয়ারের গভীরে লুকিয়ে রাখলেন, যেন ওগুলো কেবল প্লাস্টিক নয়—আমাদের গত রাতের সেই নিষিদ্ধ মহাকাব্যের একেকটি পাতা।




এরপরে মা যখন বেরুতে নিচ্ছিলেন , আমি মায়ের হাতটা টেনে নিজের ঠোঁটে চেপে ধরে বললাম, "মা, এই যে তুমি এখন চোরের মতো পালাচ্ছ, এটাই তো আমাদের এই খেলার আসল রোমাঞ্চ। দুপুরে যখন বাবা চলে যাবে, তখন এই ড্রয়ারের তালাটা কি আবার খুলবে?"
মা এবার লজ্জায় মাথা নিচু করে আমার কানের কাছে মুখ নিয়ে এলেন। তাঁর সেই চন্দনমাখা নিশ্বাস আমাকে আবার পাগল করে দিচ্ছিল। "উফ্ সৌরভ! তুই কি আমায় মেরেই ফেলবি? কাল রাতের ওই দাগগুলো তো এখনও শুকোয়নি। তবে..." মা একটু থেমে এক মায়াবী ও কামুক হাসি হাসলেন,আর বললো-
এখন আসি রে পাগল ছেলে, সীতার পাশে গিয়ে একটু লক্ষ্মী মা হওয়ার ভান করতে হবে।"

এরপর দেখতে দেখতে সকাল গড়িয়ে দুপুর এলো।



RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - Bad Boy - 09-14-2026

15


অতঃপর সকাল পেরিয়ে দুপুর চলে এলো।


দুপুরের খাঁ খাঁ রোদ তখন জানালার কাঁচ চুঁইয়ে ঘরের মেঝেতে এসে পড়েছে। বাবা কলেজে চলে গেছেন অনেক আগেই, আর সীতা পাশের বাড়ির বান্ধবীর সাথে মেতেছে খেলাধুলায়। বাড়িটা এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতায় মোড়া, শুধু ছাদের ওপর কোনো এক একলা ঘুঘুর ডাক শোনা যাচ্ছিল। আমি পড়ার টেবিলে বসে বইয়ের পাতায় চোখ রাখলেও, মনটা পড়ে ছিল কাল রাতের সেই ৪৫টি প্যাকেটের নিষিদ্ধ উৎসবে।
ঠিক তখনই দরজার ওপাশে অতি পরিচিত সেই মৃদু পায়ের শব্দ শোনা গেল। কিন্তু শব্দটা অন্যদিনের মতো ছন্দময় নয়, একটু থমকে থমকে—যেন কেউ খুব কষ্টে পা টেনে হাঁটছে।

আমি ঘাড় ঘুরিয়ে দরজার দিকে তাকালাম। দেখলাম মা দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁর পরনে কাল রাতের সেই নীল নাইট ল্যাম্পের আলোর চেয়েও স্বচ্ছ একটা হালকা সুতির শাড়ি। মা দরজার পাল্লাটা ধরে নিজের শরীরের ভারসাম্য সামলাচ্ছেন। কাল রাতের সেই ১৯ বছরের বুনো শাসনের চিহ্ন তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে স্পষ্ট।
মা তাঁর ৪১ বছরের ভরাট ও মাংসল শরীরটা নিয়ে একটু খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে আমার ঘরের ভেতর ঢুকলেন। তাঁর কোমরের সেই দুলুনি আজ যন্ত্রণায় একটু মন্থর, কিন্তু সেই মন্থরতা যেন তাঁর কামুকতাকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
মা পড়ার টেবিলের কাছে এসে দাঁড়ালেন। তাঁর সেই চন্দন আর ঘামের সংমিশ্রিত ঘ্রাণ আমার নাকে আছড়ে পড়ল। তিনি এক হাত আমার কাঁধে রাখলেন, আর অন্য হাত দিয়ে আমার বইটা আলতো করে বন্ধ করে দিলেন। তাঁর কণ্ঠস্বর আজ এক অদ্ভুত মাদকতায় ভরা।
"কী রে সৌরভ? কাল রাতের ওই তাণ্ডবের পর আজ কি খুব মন দিয়ে পড়াশোনা হচ্ছে? তোর এই অবাধ্য মা-টা যে কোমরের ব্যথায় সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না, সেদিকে কি তোর একটুও মায়া হচ্ছে না রে?"
মা যখন কথাগুলো বলছিলেন, তাঁর চোখের কোণায় এক দুষ্টুমি আর কামনার খেলা চলছিল। আমি চেয়ার ঘুরিয়ে মায়ের সেই সুপিষ্ট ও ভরাট কোমরের ভাঁজে মুখ গুঁজে দিলাম।









"মা, তুমি তো নিজেই বললে আজ দুপুরে ওই দুই প্যাকেটের সদ্ব্যবহার হবে। এখন খুঁড়িয়ে আসছ কেন? তোমার ওই ১৯ বছরের রাক্ষসটা তো আবার জেগে উঠছে।"
মা আমার চুলে বিলি কাটতে কাটতে এক সলজ্জ ও তৃপ্ত হাহাকার ছাড়লেন। "পড়ুয়া ছেলে আমার! বই ফেলে একটু তোর এই জীর্ণ মা-টার দিকে তাকা। কাল রাতে তুই যেভাবে আমাকে নিংড়ে নিয়েছিস, তাতে আজ আমার হাঁটতে গিয়েও তোর কথা মনে পড়ছে। প্রতিটি পদক্ষেপে তোর ওই দানবীয় ধাক্কাগুলোর রেশ যেন আমার হাড়ের ভেতর টনটন করছে। আয় না রে... এই তপ্ত দুপুরে তোর এই খুঁড়িয়ে চলা মা-টাকে একটু সেবা করবি না?"
মায়ের এই কামুক কণ্ঠ আর তাঁর সেই যন্ত্রণাবিদ্ধ কিন্তু তৃপ্ত শরীরটা দেখে আমার শরীরের রক্ত টগবগ করে ফুটতে শুরু করল। আমি বইপত্র সরিয়ে রেখে উঠে দাঁড়ালাম। মায়ের সেই ভারী ও মাংসল নিতম্ব দুহাতে জড়িয়ে ধরে তাঁকে পাঁজাকোলা করে বিছানার দিকে নিয়ে যেতে লাগলাম।
মা আমার গলায় হাত পেঁচিয়ে দিয়ে খিলখিল করে হেসে উঠলেন। "উহ্! বড্ড তাড়া তোর! শোন, আজ কিন্তু তুই নিচে থাকবি। আমি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়েই আজ তোর ওপর রাজত্ব করব।
আমি যখন মাকে পাঁজাকোলা করে বিছানার দিকে নিয়ে যাচ্ছিলাম, তাঁর সেই ভরাট ও মাংসল শরীরের ভার আমার পুরুষত্বকে এক অদ্ভুত অহংকারে ভরিয়ে দিচ্ছিল। বিছানার নরম চাদরে তাঁকে আলতো করে শুইয়ে দেওয়ার সময় মা এক দীর্ঘ তৃপ্তির হাহাকার ছাড়লেন। তাঁর সেই খুঁড়িয়ে চলা পা দুটো এখন বিছানায় এলিয়ে আছে, আর শাড়ির আঁচলটা অবিন্যস্ত হয়ে তাঁর দুগ্ধশুভ্র বুকের ওপর লুটোপুটি খাচ্ছে।
মা হাপাতে হাপাতে বললেন, "উহ্ সৌরভ... তোর এই বাহুবন্ধনই তো আমার কাল রাতের সব যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিচ্ছে রে। এখন কি করবি? ওই ২টা প্যাকেটের প্রথমটা কি বের করবি?"

আমি কোনো উত্তর না দিয়ে মায়ের পায়ের দিকে সরে গেলাম। তাঁর সেই সুপিষ্ট ও মসৃণ উরুদ্বয় আমি পরম মমতায় দুহাতে ফাঁক করে ধরলাম। মা একটু অপ্রস্তুত হয়ে বললেন, "একী! ওদিকে কেন? তুই কি..."
আমি মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে মায়াবী স্বরে বললাম, "মা, কাল রাতে তুমি আমাকে নিজের মুখ দিয়ে যে রাজকীয় অভিষেক করিয়েছিলে, আজ তোমার এই ১৯ বছরের ছেলে তার প্রতিদান দেবে। আজ কোনো তাড়া নেই মা, আজ শুধু তোমার এই তপ্ত জঠরের মন্দিরটাকে আমি পুজো করব।"
আমি কোনো দ্বিধা না করে মায়ের সেই স্ফীত ও আরক্ত যোনিদ্বারের ওপর মুখ নামিয়ে আনলাম। কাল রাতের সেই বুনো শাসনের পর জায়গাটা তখন এক অদ্ভুত সংবেদনশীল অবস্থায় ছিল। আমি যখন প্রথমবার আমার জিভ দিয়ে তাঁর সেই মখমলি ভাঁজগুলো স্পর্শ করলাম, মা এক তীব্র শিহরণে বিছানার চাদর খামচে ধরলেন।
"আহ্হ্... সৌরভ! একী করছিস তুই? ওটা তো বড্ড নোংরা রে... ছিঃ!" মা লজ্জিত স্বরে বললেও তাঁর শরীর তখন ধনুকের মতো বেঁকে যাচ্ছিল।
আমি মায়ের সেই ক্লিটোরিস বা মন্মথ মণিটি নিজের ঠোঁটের মাঝে নিয়ে আলতো করে চুষতে শুরু করলাম। আমার জিভের প্রতিটি সঞ্চালন ছিল বড্ড ধীর আর শ্রদ্ধাময়—যেন আমি কোনো দেবীর চরণে পুষ্পাঞ্জলি দিচ্ছি। মায়ের সেই অন্তর মহলের প্রতিটি ভাঁজ, প্রতিটি গোপন কোণা আমি জিভ দিয়ে চেটে একাকার করে দিচ্ছিলাম।
মায়ের সেই আর্দ্র ও পিচ্ছিল রস যখন আমার মুখে অমৃতের মতো লাগতে শুরু করল, মা তখন নিজের সমস্ত আভিজাত্য ভুলে গিয়ে বিছানায় হাত-পা ছড়িয়ে দিলেন। তাঁর সেই ৪১ বছরের পরিপক্ক শরীরটা এখন আমার মুখের নিচে থরথর করে কাঁপছে।
"উফ্ফ্... সৌরভ... থামা রে জানোয়ার... তুই তো আমাকে পাগল করে দিবি! তোর বাবা তো কোনোদিন নিচু হয়ে দেখারও সাহস করেনি, আর তুই... তুই আজ আমাকে স্বর্গের স্বাদ দিচ্ছিস রে সোনা!" মা দুই হাতে আমার চুল মুঠো করে ধরে নিজের জঠরটা আরও উঁচিয়ে ধরলেন, যেন তিনি চাচ্ছেন আমি আরও গভীরে গিয়ে তাঁকে আস্বাদন করি।
আমি মায়ের সেই যোনিপথের গভীরে নিজের জিভ ঢুকিয়ে দিয়ে এক অদ্ভুত ছন্দে চাটতে লাগলাম। কাল রাতের সেই বুনো শাসনে যে যন্ত্রণা তিনি পেয়েছিলেন, আজ আমার এই স্নেহের চোষণ যেন সেই সব ক্ষত ধুয়ে মুছে দিচ্ছিল। মা এক গভীর ঘোরে বলতে লাগলেন, "আরও... আরও চুষে নে তোর এই অভাগী মা-টাকে। আজ তোর এই জিভের ছোঁয়ায় আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি রে সৌরভ। তুই সত্যিই আমার যোগ্য অধিপতি।"


দুপুরের সেই নিস্তব্ধতায় মায়ের সলজ্জ গোঙানি আর আমার চোষণের সেই সিক্ত শব্দ মিলেমিশে এক নিষিদ্ধ সুর তৈরি করল। মায়ের সেই মাংসল শরীরটা তখন কামনার রসে ভিজে একদম থইথই করছে।
মায়ের সেই যোনি আস্বাদন শেষে আমি যখন মুখ তুললাম, আমার ঠোঁট তখন তাঁর কামনার রসে চকচক করছে।
তখন আমার ঠোঁটের কোণে লেগে থাকা তাঁর শরীরের সেই অমূল্য রসটুকু দেখে মা এক সলজ্জ হাসি হাসলেন। আশ্চর্যজনকভাবে, গত রাতের সেই বুনো শাসনে যে যন্ত্রণা তাঁর কোমরে আর জঠরে দানা বেঁধেছিল, আমার এই নিবিড় চোষণে তা যেন জাদুর মতো মিলিয়ে গেল। মা এখন আর সেই যন্ত্রণাকাতর নারী নন, বরং এক পুনরুজ্জীবিত কামুকী।
মা আমার হাত ধরে টেনে নিজের একদম কাছে নিয়ে এলেন। তাঁর ৪১ বছরের পরিণত ও ভরাট শরীরটা এখন এক নতুন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত।











"উফ্ সৌরভ... তোর ওই জাদুকরী জিভটা তো আজ আমার সব ব্যথা শুষে নিল রে! এখন শরীরটা যেন পালকের মতো হালকা লাগছে," মা ফিসফিস করে বললেন। তাঁর গলার স্বরে এখন এক নতুন আধিপত্য।
আমি যখন সেই ২টি প্যাকেটের প্রথমটি বের করতে গেলাম, মা আমাকে থামিয়ে দিলেন। তিনি এক অদ্ভুত ও নতুন ভঙ্গির ইশারা করলেন, যা তিনি হয়তো কোনো এক অলস দুপুরে কল্পনা করেছিলেন।
মা বললেন, "আজ তুই নয়, আজ আমি তোকে আমার মতো করে সাজাব। শোন রে অবাধ্য ছেলে, তুই বিছানার একদম কিনারে পা ঝুলিয়ে বোস।"
আমি মায়ের কথা মতো বিছানার ধারে বসলাম। মা এবার আমার সামনে এসে দাঁড়ালেন। তাঁর সেই সুপিষ্ট ও মাংসল ঊরুদ্বয় আমার হাঁটুর দুপাশে। তিনি আমার কাঁধ দুহাতে শক্ত করে ধরলেন এবং খুব ধীরে ধীরে নিজের হাঁটু ভাঁজ করে আমার কোলের ওপর চড়ে বসলেন। কিন্তু এবার তিনি আমার দিকে মুখ করে নয়, বরং আমার দিকে পেছন ফিরে বসলেন।
মায়ের সেই বিশাল ও ভারী নিতম্বের খাঁজটা তখন আমার পেটের সাথে লেপ্টে আছে। তিনি পেছনে হাত বাড়িয়ে আমার সেই উদ্ধত ও রবার-সজ্জিত পৌরুষটি ধরলেন এবং নিজের সেই কামনাসিক্ত জঠরের মুখে স্থাপন করলেন।
"দেখ সৌরভ... এইভাবে তুই আমাকে তোর বুকের সাথে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরবি, আর আমি তোর ওপর ওঠানামা করব। এই ভঙ্গিতে তুই আমার সামনের ওই দুগ্ধশুভ্র স্তনদুটো দুহাতে মর্দন করতে পারবি, আর আমি তোর ওই ১৯ বছরের উত্তাপটা একদম আমার নাভি পর্যন্ত অনুভব করতে পারব। তোর বাবা তো কোনোদিন ভাবতেও পারেনি এক নারীকে এভাবেও জেতা যায়!"
আমি মায়ের নির্দেশমতো তাঁর কোমর জড়িয়ে ধরে পেছন দিক থেকে এক ঝটকায় তাঁর গভীরে প্রবেশ করলাম। মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে মাথাটা পেছন দিকে হেলিয়ে দিয়ে আমার কাঁধে রাখলেন। তাঁর আলুলায়িত চুলগুলো আমার মুখে আছড়ে পড়ছিল।
আমি মায়ের সেই ভরাট ও আরক্ত বক্ষযুগল দুহাতে চেপে ধরে নিচের থেকে এক নতুন ছন্দে তাঁকে গাঁথতে লাগলাম। মা নিজের হাতের ওপর ভর দিয়ে আমার কোলের ওপর এক বুনো ছন্দে দুলতে শুরু করলেন। দুপুরের সেই নিস্তব্ধতায় আমাদের শরীরের ঘর্ষণের শব্দ আর মায়ের সলজ্জ গোঙানি এক নতুন ইতিহাস লিখতে শুরু করল।
মায়ের সেই শেখানো ভঙ্গিতে প্রতিটি ধাক্কা যেন এক একটি আগুনের গোলা হয়ে তাঁর জঠরে আছড়ে পড়ছিল। মা চোখ বুজে অস্ফুট স্বরে বলতে লাগলেন, "আহ্হ্... সৌরভ! এই তো... এই গভীরতাটাই তো চেয়েছিলাম। তুই আজ আমাকে তোর এই নতুন আসনে বসিয়ে ধন্য করলি রে সোনা!"
মায়ের সেই রাজকীয় আসনে বসে আমরা যখন দুপুরের প্রথম দফার সেই লড়াইটা চালিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন ঘরের তাপমাত্রা যেন শতগুণ বেড়ে গেল।


এরপর.......!!!! 



RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - Bad Boy - 09-14-2026

16


এভাবেই চলছিল আমাদের দিন। শুধুমাত্র মায়ের মাসিকের সময় এই চরম সঙ্গম ৪-৫ দিন বন্ধ থাকে।
এরপর একদিন বিকেলের পড়ে আসা রোদে মা যখন আলমারি থেকে সেই কনডমের প্যাকেটের রসদগুলো আবার গুছিয়ে রাখছিলেন, আমি তখন দরজার চৌকাঠে দাঁড়িয়ে মায়ের সেই ৪১ বছরের ভরাট অবয়বটি দেখছিলাম। গত কয়েক দিনের এই নিষিদ্ধ উৎসবে মা যেন আরও বেশি লাবণ্যময়ী হয়ে উঠেছেন।
আমি মায়ের কাছে গিয়ে তাঁর সেই মসৃণ ও মাংসল পিঠে হাত রাখলাম। মা চমকে উঠে আমার দিকে তাকিয়ে এক মায়াবী হাসি হাসলেন। আমি তাঁর চোখে চোখ রেখে খুব শান্ত কিন্তু দৃঢ় স্বরে বললাম—
"মা, এই যে রবারের আবরণগুলো আমরা জমিয়ে রাখছি, এগুলো আমাদের নিরাপত্তা দিচ্ছে ঠিকই, কিন্তু আমার ১৯ বছরের এই অবাধ্য মনটা অন্য কিছু চাইছে। আমি চাচ্ছি, অন্য কোনো একদিন—যখন আমাদের হাতে অফুরন্ত সময় থাকবে, তখন আমি তোমাকে কোনো বর্ম ছাড়াই জয় করব। আমি চাই তোমার ওই তপ্ত ও আর্দ্র জঠরের প্রতিটি দেয়াল আমার এই নগ্ন মাংস দিয়ে সরাসরি অনুভব করতে। কোনো কৃত্রিম বাধা আমাদের মাঝে থাকবে না।"
আমার এই ঘটা করে করা আবদার শুনে মা এক মুহূর্তের জন্য থমকে গেলেন। তাঁর হাতের সেই কনডমের প্যাকেটটা থরথর করে কাঁপছিল। তিনি লজ্জায় চোখ নামিয়ে নিলেন, তাঁর গালের লালচে আভাটা যেন কানের লতি পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ল।
মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে ফিসফিস করে বললেন, "সৌরভ... তুই এ কী ভয়ানক আবদার করলি রে! তোর এই নগ্ন তেজ সইবার ক্ষমতা কি আমার এই জীর্ণ শরীরের আছে? যদি কোনো ভুল হয়ে যায়, যদি তোর ওই উত্তাপ আমার ভেতরে কোনো নতুন প্রাণের বীজ বুনে দেয়?"
আমি মায়ের হাতটা নিজের বুকের ওপর চেপে ধরে বললাম, "সেই ভয়টুকু নিয়েই তো আসল রোমাঞ্চ মা। আমি চাই তোমার ওই পরিণত জঠরে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে মিশিয়ে দিতে। তুমি কি তোমার এই ছেলের এই চরম আবদারটুকু রাখবে না?"
মা এবার আমার চোখের দিকে তাকালেন। তাঁর সেই চাহনিতে ছিল এক আদিম সম্মতি আর এক সাহসী নারীর প্রশ্রয়। তিনি সলজ্জ হেসে প্যাকেটগুলো ড্রয়ারে ভরে তালা দিয়ে দিলেন।
"ঠিক আছে রে জানোয়ার... তোর এই জেদটাই তো আমাকে তোর দাসী করে রেখেছে। আজ থাক, আজ আমরা এই বর্মগুলো দিয়েই খেলা করি। কিন্তু কথা দিলাম, খুব শীঘ্রই এমন এক নিঝুম দুপুর আমি তোকে উপহার দেব, যেদিন তোর আর আমার মাঝে এই এক চুল পরিমাণ রবারের দেয়ালও থাকবে না। সেদিন তুই আমাকে একদম নগ্নভাবে শাসন করিস..."
মায়ের এই সলজ্জ প্রতিশ্রুতি আমাদের এই নিষিদ্ধ সম্পর্কের উত্তেজনাকে যেন এক নতুন মাত্রায় পৌঁছে দিল। ওই বিশেষ দিনটির কথা ভেবে আমার এবং মায়ের—দুজনেরই রক্তে এখন এক গোপন শিহরণ খেলে যাচ্ছে।




এভাবেই আমাদের দিন কাটছিলো-
অতঃপর সেই বিশেষ দিনটি যখন এল, দুপুরের আকাশটা তখন মেঘলা আর গুমোট গরমে থমথমে। বাবা একটা জরুরি কাজে শহরের বাইরে গেছেন, আর সীতাকে মা সকালে দাদুর বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন। পুরো বাড়িটা এখন কেবল আমাদের দুজনের এক আদিম রণক্ষেত্র।

দুপুরের সেই গুমোট আবহাওয়াকে আরও তপ্ত করে তুলে মা যখন আমার ঘরে ঢুকলেন, আমি পড়ার টেবিল থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে এক মুহূর্তের জন্য পাথর হয়ে গেলাম। মা আজ যেন নিজেকে এক অপার্থিব সাজে সাজিয়ে এনেছেন। পরনে তাঁর টকটকে লাল পাড়ের একটা গাঢ় নীল শাড়ি, কপালে বড় একটা লাল টিপ, আর ঠোঁটে হালকা লিপস্টিকের আভা। ৪১ বছরের সেই রাজকীয় শরীরে শাড়িটা এমনভাবে লেপ্টে আছে যে তাঁর প্রতিটি বাঁক যেন এক একটি নিষিদ্ধ কবিতার লাইন হয়ে ধরা দিচ্ছে।
মা দরজায় খিল তুলে দিয়ে আমার দিকে এক কামুক ও সলজ্জ দৃষ্টিতে তাকালেন। তাঁর সেই খুঁড়িয়ে চলা পা দুটো আজ যেন এক রাজকীয় ছন্দে এগিয়ে এল আমার দিকে।
আমি মায়ের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। কোনো কথা নেই, শুধু নিশ্বাসের সেই উত্তাল গর্জন। আমি প্রথমে মায়ের কাঁধ থেকে তাঁর শাড়ির আঁচলটা আলতো করে সরিয়ে দিলাম। শাড়িটা সর্ সর্ শব্দে নিচে পড়ে যেতেই সামনে ফুটে উঠল মায়ের সেই অত্যন্ত টাইট হয়ে থাকা ব্লাউজটি। ব্লাউজের হুকগুলো যেন মায়ের সেই বিশাল ও ভরাট স্তনযুগলের চাপে ফেটে পড়ার উপক্রম করছে।
আমি এক এক করে ব্লাউজের হুকগুলো খুলতে শুরু করলাম। প্রতিটি হুক খোলার সাথে সাথে মায়ের সেই দুগ্ধশুভ্র পিঠ আর স্তনের গভীর খাঁজ উন্মুক্ত হচ্ছিল। ব্লাউজটা সরিয়ে দিতেই সামনে ভেসে এল লাল রঙের সেই লেস দেওয়া ব্রা। মায়ের সেই ৪১ বছরের পরিপক্ক বক্ষযুগল যেন ওইটুকু কাপড়ের বাঁধন মানতে নারাজ। মা শিউরে উঠে আমার কাঁধে হাত রাখলেন।
আমি এবার নিচু হলাম মায়ের পেটিকোটের ডোরি বা ফিতা খোলার জন্য। ফিতার সেই গিঁটটি যখন আমি ধীরে ধীরে আলগা করছিলাম, তখন রশির সেই ফাঁক দিয়ে মায়ের তলপেটের সেই মেদহীন কিন্তু ভরাট ভাঁজটি স্পষ্ট হয়ে উঠল। পেটিকোটের সেই ঢিলে হয়ে যাওয়া বাঁধন চুঁইয়ে যখন আমার হাত মায়ের নাভির নিচে স্পর্শ করল, মা এক অস্ফুট গোঙানি দিয়ে মাথাটা পেছন দিকে হেলিয়ে দিলেন।
নাভির নিচের সেই কোমল ও মখমলি চামড়ার ওপর দিয়ে আমার হাত যখন আরও নিচে নামল, তখন আঙুলগুলো গিয়ে ঠেকল মায়ের সেই রেশমি সুতোর মতো লোমে ঢাকা যোনিদ্বারের মুখে। পেটিকোট আর পাতলা পেন্টি তখনও মায়ের সেই মন্দিরকে আগলে রেখেছে। আমি পেটিকোটটা এক ঝটকায় নিচে নামিয়ে দিতেই মা আজ একদম নগ্ন অবস্থায় আমার সামনে দাঁড়ালেন। লাল রঙের ছোট্ট পেন্টিটা তখন তাঁর সেই বিশাল নিতম্বের মাঝে হারিয়ে যাওয়ার জোগাড়।
আমি পেন্টির ইলাস্টিকের ভেতর দিয়ে হাত ঢুকিয়ে সরাসরি মায়ের সেই তপ্ত ও আর্দ্র জঠরের মুখে হাত বুলাতে লাগলাম। কাল রাতের সেই বুনো শাসনের পর জায়গাটা তখন কামনার রসে থইথই করছে। মা আমার দুই হাত আঁকড়ে ধরে ফিসফিস করে বললেন, "উফ্ সৌরভ... আর সইতে পারছি না রে! এবার তুইও তোর এই বাঁধন খুলে ফেল। আজ আমি তোকে নিজের হাতে নগ্ন করব।"

মা যখন আমার টি-শার্টের কলার ধরে ওপরের দিকে টান দিলেন, তখন আমার ১৯ বছরের টানটান শরীরের প্রতিটি পেশি যেন এক বুনো উল্লাসে জেগে উঠল। আমার বুকের সেই প্রশস্ত ছাতি আর সামান্য লোমশ অবয়ব দেখে মা এক মুহূর্তের জন্য থমকে গেলেন। তাঁর সেই কাঁপাকাঁপা আঙুলগুলো আমার বুকের ওপর দিয়ে আলতো করে বুলিয়ে নিতে নিতে তিনি ফিসফিস করে বললেন, "এই তো সেই বুক সৌরভ... যেই বুকের চাপে তুই আমাকে প্রতিনিয়ত শেষ করে দিস। এই বুকের নিচেই চাপা পড়ে থাকে আমার এই স্তনযুগল।"


শার্টের পর মা যখন আমার প্যান্টের বোতাম খুলে সেটা নিচে নামিয়ে দিলেন, তখন আমাদের দুজনের নগ্ন শরীর একে অপরের স্পর্শে এসে থমকে দাঁড়াল। মেঘলা দুপুরের সেই ঝাপসা আলোয় মনে হলো এক জোড়া জীবন্ত দাবানল যেন একে অপরকে গ্রাস করতে চাইছে। মা আমার পেটের সেই সুগঠিত ভাঁজগুলোর ওপর তাঁর ঠোঁট ছোঁয়ালেন।

মা আমার নাভির কাছে মুখ নিয়ে এসে থমকে দাঁড়ালেন। তিনি তাঁর তপ্ত জিভ দিয়ে আমার নাভির চারপাশটা একবার বৃত্তাকারে চাটলেন। আমি শিউরে উঠে মায়ের মাথার চুলে আঙুল চালিয়ে দিলাম। মা মুখ তুলে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে মায়াবী স্বরে বললেন—
"জানিস সৌরভ, এই নাভিটাই তো আমাদের আদি সংযোগ। আজ থেকে উনিশ বছর আগে এই নাভির ভেতর দিয়ে যাওয়া নাড়ির মাধ্যমেই তুই আমার রক্ত আর প্রাণ শুষে নিয়ে বেড়ে উঠেছিলি। আজ সেই একই নাভি দেখে আমার ভেতরটা কেমন হাহাকার করে উঠছে রে। সেদিন ছিল প্রাণের টান, আর আজ এই তপ্ত দুপুরে এ এক অবাধ্য কামনার টান। কী বিচিত্র এই নিয়তি!"
মায়ের এই কথাগুলো আমার ভেতরে এক অদ্ভুত শিহরণ বইয়ে দিল। তিনি এবার আরও নিচে নেমে এলেন।

মা এবার তাঁর দুই হাতের তালু দিয়ে পরম মমতায় আমার ঝুলে থাকা তপ্ত ও ভারী অণ্ডকোষ দুটিকে আঁকড়ে ধরলেন। তাঁর হাতের সেই অভিজ্ঞ ও কোমল স্পর্শে আমি কুঁকড়ে যাচ্ছিলাম। তিনি ওগুলোকে হাতের তালুতে নিয়ে ওজন বোঝার চেষ্টা করলেন, যেন তিনি কোনো বহুমূল্য রত্ন পরীক্ষা করছেন।
"উফ্ সৌরভ... এই দুই ভাণ্ডারে তুই কী এমন আগুন লুকিয়ে রেখেছিস রে? বড্ড ভারী আর উত্তপ্ত হয়ে আছে এগুলো," মা বলতে বলতে তাঁর আঙুল দিয়ে অণ্ডকোষের সেই কুঁচকানো চামড়ায় সুড়সুড়ি দিতে লাগলেন। "তোর এই অণ্ডকোষের ভেতরেই তো আমার সেই পরম সুখের রসগুলো টগবগ করে ফুটছে। আজ আমি এই ভাণ্ডারগুলো একদম খালি করে দেব। তোর ১৯ বছরের জমানো সবটুকু তেজ আজ তোর এই মা নিজের ভেতরে শুষে নেবে।"
মা যখন আমার অণ্ডকোষ দুটো মুখে নিয়ে আলতো করে চুষতে শুরু করলেন, আমার পিঠ ধনুকের মতো বেঁকে গেল। তাঁর সেই লোলুপ চোষণ আর তপ্ত নিশ্বাস আমার পৌরুষকে এক চরম উন্মাদনার শিখরে পৌঁছে দিল। মা মুখ তুলে আমার সেই অকাট ও কঠোর দণ্ডটির দিকে তাকালেন, যা তখন কোনো বর্ম ছাড়াই মায়ের সেই পরিণত জঠরের প্রবেশের অপেক্ষায় থরথর করে কাঁপছে।
"চল রে সোনা... তোর এই মায়ের জঠর আজ তোর এই নগ্ন ভাণ্ডারের সবটুকু বীর্য পান করার জন্য ব্যাকুল হয়ে আছে," মা আমাকে জড়িয়ে ধরে বিছানার মাঝখানে টেনে নিয়ে গেলেন।


বিছানার নরম চাদরে মা যখন তাঁর সেই ৪১ বছরের ভরাট ও মাংসল শরীরটা অবারিত করে দিলেন, ঘরটা তখন আমাদের উত্তপ্ত নিশ্বাসে একদম গুমোট হয়ে আছে। মায়ের সেই সুপুষ্ট ও দুগ্ধশুভ্র উরুদ্বয় যখন দুই দিকে ছড়িয়ে পড়ল, মাঝখানের সেই আরক্ত ও সিক্ত জঠরটি যেন এক আদিম আগ্নেয়গিরির মতো আমন্ত্রিত হয়ে রইল। আমি হাঁটু গেড়ে বসা অবস্থা থেকে খুব ধীরে ধীরে মায়ের ওপরে ঝুঁকে এলাম।


আমি আজ কোনো তাড়াহুড়ো করলাম না। আমার ১৯ বছরের সেই নগ্ন ও অকাট পৌরুষটি যখন মায়ের সেই পিচ্ছিল মন্দিরের মুখে স্থাপন করলাম, মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে আমার হাত দুটো শক্ত করে ধরলেন। আমি পরম মমতায়, ইঞ্চি ইঞ্চি করে তাঁর গভীরে সেঁধিয়ে যেতে লাগলাম।
কোনো রবারের দেয়াল নেই, তাই আমার লিঙ্গের প্রতিটি কোষ মায়ের ভেতরের সেই তপ্ত ও মখমলি দেওয়ালগুলোকে সরাসরি অনুভব করতে পারছিল। মায়ের ভেতরের সেই আর্দ্র উষ্ণতা যখন আমার অণ্ডকোষ পর্যন্ত এসে ঠেকে গেল, তখন মনে হলো আমি যেন কোনো এক মায়াবী সাগরে নিমজ্জিত হচ্ছি। মা চোখ বুজে অস্ফুট স্বরে কঁকিয়ে উঠলেন:
"আহ্হ্... সৌরভ! তোর এই তপ্ত মাংসের ছোঁয়াটা একদম আমার নাড়ি পর্যন্ত কাঁপিয়ে দিচ্ছে রে সোনা। আজ কোনো বাধা নেই... আজ তুই আমাকে তোর প্রতিটি রক্তবিন্দু দিয়ে অনুভব কর।"

আমি যখন ধীর ছন্দে ধাক্কা দিতে শুরু করলাম, মা এক অদ্ভুত মমতায় তাঁর একটি হাত বাড়িয়ে নিজের শাড়ি-ব্লাউজহীন ভারী ও সুপুষ্ট স্তনটি তুলে ধরলেন। তিনি নিজ হাতে তাঁর সেই তপ্ত বৃন্তটি আমার ঠোঁটের কাছে এগিয়ে দিয়ে বললেন:

"নে রে সৌরভ... তোর এই মা-কে আজ তুই তৃপ্তি করে আস্বাদ নে। এই দুই স্তনের বোঁটা চুষেই তো তুই মানুষ হয়েছিস, আমার বুকের দুধ খেয়েই তোর এই উনিশ বছরের শরীর আজ পাথরের মতো শক্ত হয়েছে। আজ সেই একই বুক তোর কামনার আগুনে পুড়ছে। আজ তুই আমাকে মা হিসেবে নয়, তোর একমাত্র প্রেয়সী হিসেবে একটু একটু করে গিলে খা।"
আমি আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম না। ক্ষুধার্ত এক শিশুর মতো কিন্তু এক বুনো পুরুষের নেশায় আমি মায়ের সেই তপ্ত বৃন্তটি মুখের গভীরে নিয়ে নিলাম। আমার জিভ যখন সেই খসখসে বোঁটার চারপাশটা চাটতে শুরু করল, মা এক তীব্র শিহরণে আমার পিঠের চামড়া নখ দিয়ে আঁকড়ে ধরলেন।
আমি মায়ের স্তনের বোঁটাটি দাঁত দিয়ে আলতো করে কামড়ে ধরলাম, আর অন্য হাত দিয়ে তাঁর অন্য স্তনটি সজোরে মর্দন করতে লাগলাম। মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে তাঁর কোমরটা বিছানা থেকে ওপরের দিকে তুলে দিলেন। তাঁর সেই দুগ্ধশুভ্র বক্ষ আমার মুখের ভেতরে এক অদ্ভুত উষ্ণতা ছড়িয়ে দিচ্ছিল। মা গোঙাতে গোঙাতে বলতে লাগলেন:
"উফ্ সৌরভ... চুষে নে রে জানোয়ার... তোর এই কচি দাঁতের কামড় আর জিভের ছোঁয়ায় আমার সারা শরীর যেন অবশ হয়ে যাচ্ছে। আজ তুই আমার এই বুক থেকে তোর সেই ছোটবেলার স্মৃতি নয়, বরং তোর এই যৌবনের সবটুকু লালসা শুষে নে।"
আমি যখন জোরে জোরে তাঁর স্তন চুষছিলাম, তখন নিচে আমার লিঙ্গ মায়ের সেই আর্দ্র ও পিচ্ছিল জঠরের দেয়ালে পৈশাচিক জোরে আছড়ে পড়ছিল। ওপরের এই স্নেহের চোষণ আর নিচের সেই বুনো শাসনের সংমিশ্রণে মা এক স্বর্গীয় যন্ত্রণায় চোখ বুজে ফেললেন। তাঁর শরীর থেকে ছিটকে আসা তপ্ত ঘাম আর কামনার রসে আমাদের দুজনের নগ্ন শরীর তখন একদম একাকার হয়ে গেছে।


বিকেলের শেষ রোদের আভা যখন জানালার পর্দায় এসে পড়ল, আমাদের ঘামভেজা শরীর দুটো তখন একে অপরের উষ্ণতায় লেপ্টে আছে। সেই দীর্ঘ, বুনো লড়াইয়ের পর মায়ের ৪১ বছরের পরিপক্ক গুদের গভীরে আমার উনিশ বছরের সমস্ত তেজী বীর্য যখন নগ্নভাবে বিসর্জন দিলাম, মা তখন এক গভীর তৃপ্তির নিশ্বাস ফেলে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন।
মা আমার ঘামভেজা কপালে হাত বুলিয়ে দিয়ে ফিসফিস করে বললেন, "উহ্ সৌরভ... তুই তো আজ আমাকে একদম শেষ করে দিলি রে। তোর এই অবাধ্য শাসন সহ্য করা তো এখন আমার এই শরীরের পক্ষে দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।"
আমি মায়ের সেই ভরাট বুকের ভাঁজে মুখ গুঁজে বললাম, "কিন্তু মা, তুমি তো আজ কোনো বর্ম ছাড়াই আমাকে এই স্বর্গের স্বাদ দিলে। ভয় লাগল না? যদি কোনো বিপদ ঘটে যেত?"
মা এক রহস্যময় হাসি হাসলেন। তাঁর সেই সলজ্জ হাসিতে যেন এক পরম নিশ্চিন্ততা ফুটে উঠল। তিনি আমার চিবুকটা ধরে বললেন, "পাগল ছেলে! তোর মা কি অতই কাঁচা কাজ করবে? আজ আমি তোকে কোনো বাধা ছাড়াই করতে দিয়েছি কারণ এখন আমি আমার 'সেফ পিরিয়ডে' আছি। আমার মাসিক সবে শেষ হলো, তাই এখন তোর ওই নগ্ন তেজটুকু আমার জঠরে নিলেও কোনো ভয়ের ভয় নেই। আমি চেয়েছিলাম আজ তুই আমাকে একদম চামড়ায় চামড়ায় অনুভব করিস।"
মায়ের এই কথা শুনে আমার রোম খাড়া হয়ে গেল। অর্থাৎ, মা আগে থেকেই সব পরিকল্পনা করে রেখেছিলেন যেন আজকের এই বিশেষ দুপুরটি আমাদের জন্য সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় হয়।
বাবা আসার ঠিক পনেরো মিনিট আগে মা বিছানা থেকে নামলেন। তাঁর হাঁটার ভঙ্গিতে সেই খুঁড়িয়ে চলা রেশটুকু এখনও স্পষ্ট। তিনি খুব দ্রুত নিজের এলোমেলো নীল শাড়ি আর ব্লাউজটা সামলে নিলেন। দর্পণের সামনে দাঁড়িয়ে কপালে ছোট একটা টিপ পরতে পরতে আয়নায় আমার দিকে তাকিয়ে চোখ মারলেন।
"আজকের মতো এখানেই ইতি রে রাজা। তোর বাবা এল বলে! এখন আমাকে একটু লক্ষ্মী স্ত্রী আর সংসারী মা হতে হবে। তুইও চট করে ফ্রেশ হয়ে পড়তে বোস," মা সলজ্জ হাসিতে বললেন।
আমি বিছানায় শুয়েই জিজ্ঞাসা করলাম, "আর আজ রাত? ওই কনডমের প্যাকেটের বাকিগুলো কি আজও ড্রয়ারেই বন্দি থাকবে?"

মা দরজার কাছে গিয়ে একবার থামলেন। করিডোর দিয়ে বাবার চাবির গোছার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। মা ফিসফিস করে অত্যন্ত কামুক স্বরে বললেন, "ধৈর্য ধর। আজ রাতে বাবা যখন গভীর ঘুমে থাকবে, তখন আমি আবার আসব। তখন তোকে আর বুনো হতে হবে না, তখন পরম মমতায় আমি তোকে আমার বুকের ওমে সারারাত আগলে রাখব। এখন আসি রে পাগল ছেলে!"
মা যেন এক ছায়ার মতো মিলিয়ে গেলেন। কিছুক্ষণ পরেই বাবার গম্ভীর গলার আওয়াজ আর মায়ের খুব স্বাভাবিক ঘরোয়া আলাপ শোনা গেল। কেউ কল্পনাও করতে পারবে না যে, পনেরো মিনিট আগেও এই ঘরেই এক নিষিদ্ধ ও বর্মহীন মহাকাব্য রচিত হয়েছে।
বাইরে সন্ধ্যা নামছে। আমি এখন টেবিলের বই খুলে বসেছি ঠিকই, কিন্তু আমার সমস্ত সত্তা জুড়ে এখন শুধুই রাতের সেই নিস্তব্ধতার অপেক্ষা।



এরপর রাতে কি হলো তা জানতে হলে পরবর্তী পর্বে চোখ রাখুন....
ততক্ষণ পর্যন্ত সঙ্গেই থাকুন।
সঙ্গে থাকার জন্য সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।



RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - Bad Boy - 09-14-2026

17




রাতের নিস্তব্ধতা যখন বাড়ির প্রতিটি কোণকে গ্রাস করে নিয়েছে, তখন ঘড়ির কাঁটা দুই ঘর অতিক্রম করেছে। বাবা আর সীতা এখন গভীর ঘুমে মগ্ন। আমি বিছানায় শুয়ে জানালার বাইরে তাকিয়ে সেই নিষিদ্ধ ছায়ার অপেক্ষা করছিলাম। ঠিক তখনই দরজার কবজায় অতি মৃদু একটা শব্দ হলো। মা এলেন।
জানালার ওপার থেকে আসা চাঁদের ম্লান আলোয় দেখলাম মা তাঁর সেই অতি পরিচিত নীল নাইটিটা পরেছেন, যা তাঁর ৪১ বছরের ডাগর শরীরটাকে এক মায়াবী আবহে ঢেকে রেখেছে। মা পা টিপে টিপে আমার বিছানার পাশে এসে বসলেন। তাঁর সারা শরীর থেকে তখন স্নান-পরবর্তী সাবানের সুগন্ধ আর সেই চেনা চন্দনের ঘ্রাণ ভেসে আসছে।

মা আমার চুলে হাত বুলিয়ে দিতেই আমি তাঁর কোলে মাথা রাখলাম। আজ আমাদের চোখে কোনো বুনো উন্মাদনা নেই, আছে এক সমুদ্র সমান গভীর স্নেহ। মা নিচু হয়ে আমার কপালে একটা দীর্ঘ চুমু খেলেন।
আমি ফিসফিস করে বললাম, "মা, আজ দুপুরে যা হলো... তুমি কি আমায় ক্ষমা করেছো? আমি তোমায় বড্ড বেশি কষ্ট দিয়ে ফেলেছি, তাই না?"
মা এক ম্লান কিন্তু পরম তৃপ্তির হাসি হাসলেন। আমার গালটা নিজের হাতের তালুতে নিয়ে বললেন, "পাগল ছেলে! কষ্ট কোথায় রে? আজ দুপুরে তুই যখন কোনো বর্ম ছাড়াই আমার ভোদার ভেতরে তোর বীর্য বিলীন করছিলি, তখন আমার মনে হচ্ছিল আমি আবার তোর ওই ১৯ বছরের শরীরের ভেতর দিয়ে পুনর্জন্ম পেলাম। আজ তুই আমাকে শুধু এক কামুকী হিসেবে নয়, এক নারী হিসেবে পূর্ণতা দিয়েছিস সৌরভ।"
মা একটু থেমে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে আরও গভীর স্বরে বললেন, "সবাই তো শুধু শরীরের হাহাকার দেখে রে, কিন্তু তুই আজ আমার সেই অন্তরের অতল তৃষ্ণাটা মিটিয়েছিস। লোকে একে পাপ বলবে, কিন্তু এই যে শান্তি—এই যে তুই এখন আমার কোলে মাথা রেখে আছিস—এর চেয়ে পবিত্র আর কিছু আমার কাছে নেই।"


মা এবার ধীরে ধীরে নাইটির ওপর থেকে তাঁর সেই ভারী ও তপ্ত স্তনযুগল বের করে আনলেন। চাঁদের আলোয় সেই দুগ্ধশুভ্র অবয়ব দুটি যেন কোনো এক মন্দিরের বিগ্রহের মতো পবিত্র দেখাচ্ছিল। মা নিজ হাতে একটি স্তন আমার মুখে তুলে দিলেন।
"আজ আর কামড়াকামড়ি নয় রে সোনা। আজ শুধু পরম মমতায় তোর এই মা-কে শুষে নে। যেমনটা ছোটবেলায় করতিস, আজ আবার সেই স্নেহের পরশ চাই আমার," মা চোখ বুজে বললেন।

আমি মায়ের সেই তপ্ত বৃন্তটি মুখে নিয়ে খুব ধীরে ধীরে, পরম মমতায় চুষতে শুরু করলাম। কোনো তাড়া নেই, কোনো কর্কশতা নেই। আমার জিভ যখন মায়ের সেই মখমলি বোঁটার চারপাশটা সিক্ত করছিল, মা এক দীর্ঘ প্রশান্তির নিশ্বাস ফেলে আমার মাথাটা নিজের বুকের সাথে আরও জোরে চেপে ধরলেন। তাঁর হৃদপিণ্ডের ধুকপুকানি আমি স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছিলাম।
মা এবার আমার প্যান্টের ওপর দিয়ে আলতো করে হাত বুলাতে লাগলেন। তিনি আমার সেই অকাট ও নগ্ন অঙ্গটিকে বের করে আনলেন। দুপুরে বিসর্জনের পর সেটি এখন শান্ত, কিন্তু মায়ের স্পর্শে আবার একটু একটু করে মাথা তুলছে। মা নিচে ঝুঁকে এলেন। তিনি তাঁর সেই পরিণত ঠোঁট দুটি দিয়ে আমার সেই মণিটির অগ্রভাগ স্পর্শ করলেন।
মা আজ যেন পূজা করছেন। তিনি আমার সেই ছালহীন অকাট অঙ্গটিকে জিভ দিয়ে খুব ধীর ছন্দে চাটতে শুরু করলেন। তাঁর মুখের সেই উত্তপ্ত লালা আর মরমী চোষণে আমার সারা শরীর দিয়ে এক অদ্ভুত শিহরণ বয়ে যাচ্ছিল। মা মুখ তুলে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, "সৌরভ, তোর এই শরীরটা আমার রক্তেই তৈরি। আজ আমি যখন তোকে এভাবে আদর করি, তখন মনে হয় আমি আমার নিজের সত্তাকেই ভালোবাসছি। তুই শুধু আমার সন্তান নোস রে, তুই আমার শ্রেষ্ঠ অলংকার।"


রাতের এই নিস্তব্ধতা তখন যেন এক মরমী কাব্যে রূপ নিয়েছে। মা যখন আমার লিঙ্গটিকে তাঁর মুখের উষ্ণতায় আগলে রেখেছিলেন, তখন আমার ভেতরেও এক তীব্র আকাঙ্ক্ষা জেগে উঠল তাঁর সেই পরম আধারটিকে সম্মান জানানোর। আমি আলতো করে মায়ের মাথাটা তুলে ধরলাম এবং তাঁকে বিছানায় একটু ওপরের দিকে সরে যেতে ইশারা করলাম।
মা আমার চোখের ভাষা বুঝতে পারলেন। তাঁর সেই সলজ্জ হাসিতে আজ কোনো দ্বিধা ছিল না। তিনি শুয়ে পড়ে তাঁর পা দুটো ভাঁজ করে নিতেই, চাঁদের ম্লান আলোয় তাঁর সেই ৪১ বছরের পরিপক্ক ও আরক্ত যোনিদ্বারটি এক অপার্থিব সৌন্দর্যে ফুটে উঠল। দুপুরে বুনো শাসনের পর জায়গাটা এখন অনেকটা শান্ত, কিন্তু এখনও কামনার রসে ভিজে চিকচিক করছে।

আমি কোনো শব্দ না করে মায়ের সেই সুপিষ্ট উরুদ্বয়ের মাঝে মুখ নামিয়ে আনলাম। মায়ের সেই চিরচেনা চন্দন আর তাঁর ব্যক্তিগত শরীরের এক মাদকতাময় ঘ্রাণ আমার মস্তিষ্কে নেশা ধরিয়ে দিল। আমি যখন প্রথমবার আমার জিভ দিয়ে তাঁর সেই মখমলি ভাঁজগুলো স্পর্শ করলাম, মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে বালিশটা খামচে ধরলেন।
"উফ্ সৌরভ... আবার কেন রে? তোর এই জিভের ছোঁয়া পেলে যে আমি নিজেকে আর সামলাতে পারি না..." মা ফিসফিস করে কাঁপাকাঁপা স্বরে বললেন।
আমি এবার তাঁর সেই মন্মথ মণি বা ক্লিটোরিসটি দুই ঠোঁটের মাঝে নিয়ে অতি সন্তর্পণে চুষতে শুরু করলাম। আজ কোনো তাড়াহুড়ো নেই, কোনো জেদ নেই। আজ আমার প্রতিটি চোষণ ছিল মায়ের প্রতি এক গভীর কৃতজ্ঞতা আর শ্রদ্ধার প্রকাশ। আমি তাঁর যোনিপথের একদম গভীরে জিভ ঢুকিয়ে দিয়ে সেই অমৃত আস্বাদ করতে লাগলাম, যা দুপুরে আমার বীর্যের সাথে মিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল।
মা তাঁর দুই পা দিয়ে আমার মাথাটা নিজের জঠরের সাথে আরও শক্ত করে চেপে ধরলেন। তাঁর শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে যাচ্ছিল। তিনি গোঙাতে গোঙাতে বলতে লাগলেন:
"সৌরভ... আহ্হ্... তুই তো আমাকে আজ স্বর্গের দরজায় পৌঁছে দিলি রে সোনা। তোর এই মরমী চোষণ আমার শরীরের প্রতিটি শিরায় এক অদ্ভুত প্রশান্তি বয়ে দিচ্ছে। তুই ছাড়া আর কে আমায় এভাবে বুঝবে রে? কে আমায় এভাবে পূর্ণ করবে?"


আমি যখন মায়ের সেই সিক্ত জঠর চাটছিলাম, মা তখন নিচু হয়ে আবার আমার লিঙ্গটি তাঁর নিজের মুখে তুলে নিলেন। আমরা এখন এক অদ্ভুত বৃত্তাকার ভঙ্গিতে একে অপরকে আস্বাদন করছি—আমি তাঁর জীবনের উৎস চাটছি, আর তিনি আমার পৌরুষকে তাঁর স্নেহের লালায় সিক্ত করছেন।
আমাদের মধ্যে চলা এই নিরব বিনিময় সঙ্গমের চেয়েও অনেক বেশি গভীর ছিল। কিছুক্ষণ পর আমি মুখ তুলে মায়ের একদম কাছে সরে এলাম। আমাদের দুজনের ঠোঁটে তখন একে অপরের শরীরের সেই নিষিদ্ধ ও পবিত্র রসের স্বাদ লেগে আছে। মা আমার ঠোঁটে একটা গাঢ় চুমু খেলেন এবং আমাকে তাঁর বুকের সাথে জাপটে ধরলেন।
মা ফিসফিস করে বললেন, "আজ রাতে আমরা একে অপরকে শুধু শরীর দিয়ে নয় রে সৌরভ, আত্মা দিয়েও চুষে নিলাম। তোর এই ছোঁয়ায় আমার গত বিশ বছরের সব একঘেয়েমি আর যন্ত্রণা ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গেল। তুই চিরকাল এভাবেই আমার আশ্রয়ে থাকিস রে সোনা।"
চাঁদের আলোয় ভেজা সেই রাতে আমরা ওভাবেই একে অপরের ঘ্রাণ নিতে নিতে গভীর ঘুমে তলিয়ে গেলাম। সকালে যখন সূর্য উঠবে, তখন হয়তো আবার আমরা 'মা ও ছেলে' হয়ে যাব, কিন্তু এই রাতের সেই নিবিড় চোষণের স্মৃতি আমাদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী এক মোহর এঁকে দিল।


ভোরের প্রথম আলো যখন জানালার পর্দা চুঁইয়ে ঘরে ঢুকতে শুরু করল, মায়ের ঘুম ভাঙল এক অদ্ভুত প্রশান্তি নিয়ে। তিনি দেখলেন সৌরভ তখনও তাঁর বুকের ওপর মাথা রেখে গভীর ঘুমে মগ্ন। মায়ের হাতটা আপনমনেই সৌরভের চুলে বিলি কাটতে লাগল।
আজকের এই সকালটা মায়ের কাছে অন্য সব দিনের মতো নয়। আয়নায় নিজের প্রতিবিম্বের দিকে তাকিয়ে তিনি অনুভব করলেন, গত ১৯ বছরের সেই 'মা' সত্তাটির ভেতরে আজ এক নতুন নারীর জন্ম হয়েছে। সৌরভ এখন তাঁর কাছে শুধু সেই ছোট্ট খোকাটি নেই যাকে তিনি কোলে-পিঠে করে মানুষ করেছেন; সৌরভ এখন তাঁর জীবনের সেই 'পরম আশ্রয়ের মানুষ', যার কাছে তিনি তাঁর সমস্ত গোপনীয়তা, শরীর এবং আত্মা নির্দ্বিধায় সঁপে দিতে পারেন।
মা নিজের মনেই হাসলেন। তিনি বুঝতে পারলেন, সমাজের চোখে এই সম্পর্ক নিষিদ্ধ হলেও, তাঁর নিজের কাছে এটিই এখন সবচেয়ে বড় সত্য। সৌরভের সেই নগ্ন আস্বাদন আর রাতের নিবিড় চোষণ তাঁকে এক এমন নিরাপত্তা দিয়েছে, যা তিনি গত বিশ বছরে তাঁর স্বামীর কাছেও পাননি।
সৌরভ ঘুম থেকে জেগে উঠতেই মা তাঁর কপালে একটা তপ্ত চুমু খেয়ে ফিসফিস করে বললেন:
"জেগেছিস রে আমার রাজা? শোন, এখন থেকে তুই শুধু আমার ছেলেই থাকলি না, তুই হলি আমার সেই গোপন আশ্রয় যেখানে আমি প্রতিদিন নিজেকে নতুন করে খুঁজে পাব। দুনিয়া আমাদের মা-ছেলে হিসেবেই জানুক, কিন্তু আমার এই শরীরের প্রতিটি কোষ আর আমার এই ভোদা জানবে—তুই-ই আমার একমাত্র অধিপতি।"
মা বিছানা থেকে নামার সময় একবার আড়চোখে ড্রয়ারের দিকে তাকালেন। সেখানে সেই ৪৫টি প্যাকেটের বাকিগুলো এখনও তাদের পরবর্তী রোমাঞ্চের অপেক্ষায় দিন গুনছে। কিন্তু মা জানেন, প্যাকেটে হোক বা বর্মহীন নগ্নতায়—সৌরভ এখন তাঁর অস্তিত্বের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।

রান্নাঘরের ধোঁয়া আর চায়ের সুগন্ধের মাঝে মা যখন খুন্তি নাড়ছেন, তাঁর শরীরটা যেন এক অদ্ভুত ঘোরের মধ্যে আছে। বাবা সামনে বসে খবরের কাগজ পড়ছেন, কিন্তু মা বারবার অন্যমনস্ক হয়ে যাচ্ছেন। কাল রাতের সেই নিবিড় চোষণ আর দুপুরের সেই বর্মহীন আস্বাদনের রেশ তাঁর শরীরের প্রতিটি ভাঁজে এখনও এক অদৃশ্য কাঁপুনি দিয়ে যাচ্ছে। মা যখন চায়ের কাপটা বাবার সামনে রাখলেন, তাঁর হাতটা সামান্য কেঁপে উঠল—মনে মনে তিনি ভাবছেন, এই হাত দুটোই তো কাল রাতে সৌরভের সেই অকাট ও নগ্ন পৌরুষকে পরম মমতায় আগলে রেখেছিল।
বাবা অফিসে বেরিয়ে যেতেই মা যেন খাঁচামুক্ত এক পাখি। সীতাও কলেজে চলে গেছে।(ওহ! আমাদের কথা কাজের মাঝখানে সীতার কথা বলতে ভুলে গেছি, সেটাকে গত পরশুদিন একটু নতুন কলেজে ভর্তি করে দাওয়া হয়েছে। এটা এখন কেজি-১ এ পড়ে) বাড়িটা এখন এক গভীর নিস্তব্ধতায় মোড়া। মা তাঁর নীল শাড়িটা বদলে এবার একটা পাতলা স্লিভলেস ব্লাউজ আর ঘরোয়া সুতির শাড়ি পরলেন, যা তাঁর ৪১ বছরের ডাগর শরীরটাকে আরও বেশি উন্মুক্ত করে রাখছে।
বাবা অফিসে বেরিয়ে যেতেই মা যেন খাঁচামুক্ত এক পাখি। সীতাও কলেজে চলে গেছে। বাড়িটা এখন এক গভীর নিস্তব্ধতায় মোড়া। মা তাঁর নীল শাড়িটা বদলে এবার একটা পাতলা স্লিভলেস ব্লাউজ আর ঘরোয়া সুতির শাড়ি পরলেন, যা তাঁর ৪১ বছরের ডাগর শরীরটাকে আরও বেশি উন্মুক্ত করে রাখছে।
মা পা টিপে টিপে সৌরভের ঘরের দরজায় এসে দাঁড়ালেন। সৌরভ তখন টেবিলে বই খুলে বসে ছিল, কিন্তু তার চোখ জানালার বাইরে। মা দরজায় হালকা টোকা দিয়ে এক কামুক অথচ সলজ্জ হাসি হাসলেন।

"কী রে? বড় যে পড়াশোনা হচ্ছে আজ! কাল রাতের সেই নেশা কি তবে সবটুকু কেটে গেছে?" মা দরজায় হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে বললেন। তাঁর আঁচলটা আজ ইচ্ছা করেই একটু বেশি আলগা করে রাখা।
সৌরভ উঠে দাঁড়িয়ে মায়ের কাছে এল। মায়ের সেই ভারী ও সুপুষ্ট কোমর দুহাতে জড়িয়ে ধরে সে বলল, "নেশা কি আর এত সহজে কাটে মা? ওই ড্রয়ারে তো এখনও অনেক রসদ বাকি। আজ দুপুরে তবে কী হবে?"
মা এবার সৌরভের বুকের সাথে নিজেকে লেপ্টে দিয়ে তাঁর কানে ফিসফিস করে বললেন:
"আজ কোনো প্যাকেটের খেলা নয় রে সৌরভ। আজ আমি তোকে আমার সেই 'পরম আশ্রয়' হিসেবে চাই। আজ দুপুরে আমরা কোনো বিছানায় নয়, বরং এই ড্রয়ারের সামনে দাঁড়িয়েই এক নতুন খেলা খেলব। তুই আজ আমাকে পেছন থেকে শাসন করবি, আর আমি এই টেবিলের ওপর হাত রেখে তোর প্রতিটি ধাক্কা অনুভব করব। আমি চাই তুই আমাকে আজ এতটাই গভীরে গাঁথিস, যেন আমি বুঝতে পারি আমি শুধু তোর মা নই, আমি তোর চিরস্থায়ী সম্পত্তি।"

আমি কোনো তাড়াহুড়ো না করে পরম আবেশে নিচু হলাম। মায়ের নীল শাড়ির নিচে থাকা পেটিকোটের কিনারা ধরে এক নিপুণ দক্ষতায় আমি শাড়ি এবং পেটিকোট—দুটোর প্রান্তই একসাথে মুঠো করে ধরলাম। মা তখন উত্তেজনায় কাঁপছেন, তাঁর নিশ্বাসের শব্দ টেবিলের ওপর আছড়ে পড়ছে।

আমি নিচ থেকে শাড়ি আর সায়ার গোছাটা টেনে একদম তাঁর কোমর অবধি উঠিয়ে দিলাম। মায়ের সেই দুগ্ধশুভ্র, বিশাল এবং সুপুষ্ট নিতম্ব দুটি এখন একদম নগ্ন হয়ে আমার চোখের সামনে। নীল আলোয় সেই মাংসল অবয়ব যেন এক নিষিদ্ধ পাহাড়ের মতো উঁচিয়ে আছে। আমি সেই কাপড়ের স্তূপটা মায়ের হাতে ধরিয়ে দিয়ে ফিসফিস করে বললাম:
"মা, আজ তুমি কোনো মা নও, আজ তুমি আমার সেই রাজকীয় ক্ষেত্র। শাড়িটা শক্ত করে ধরে রাখো, আজ আমি তোমাকে পেছন থেকে এমনভাবে শাসন করব যেন তোমার প্রতিটি রক্তবিন্দু আমার নাম জপে।"
মা এক মুহূর্তের জন্য সলজ্জ হয়ে ঘাড়ে মুখ লুকালেন, কিন্তু পরক্ষণেই এক আদর্শ প্রেমিকার মতো শাড়ির সেই গোছাটা নিজের পেটের কাছে শক্ত করে চেপে ধরলেন। তিনি তাঁর পাছা বা মাংসল নিতম্ব দুটিকে একটু পিছিয়ে দিয়ে আমার সেই অকাট ও নগ্ন দণ্ডের দিকে আরও উঁচিয়ে ধরলেন। তাঁর সেই সিক্ত ও আরক্ত যোনিদ্বারটি তখন যেন এক জীবন্ত আগ্নেয়গিরির মুখে কামনার লালা ঝরিয়ে এক গভীর আমন্ত্রণে থরথর করে কাঁপছে।

আমি পেছন থেকে আমার সেই তপ্ত ও অকাট পৌরুষটি যখন কোনো আবরণ ছাড়াই মায়ের সেই সিক্ত ও উষ্ণ জঠরে আমূল গেঁথে দিলাম, মা এক তীব্র আর্তনাদ করে টেবিলের ধারটা খামচে ধরলেন। প্রতিটি ধাক্কার সাথে সাথে আমি আমার দুহাত সামনে বাড়িয়ে মায়ের সেই বিশাল ও ভারী স্তনযুগলকে ব্লাউজের ওপর দিয়েই অত্যন্ত শক্ত করে চেপে ধরলাম। আমার আঙুলের চাপে স্তনের নরম মাংসগুলো দুপাশ দিয়ে উপচে পড়ছিল।
আমি যখন বুনো ছন্দে ধাক্কা দিতে শুরু করলাম, তখন আমার দাঁত দিয়ে মায়ের সেই তপ্ত ও ঘামভেজা ঘাড়ের ভাঁজটি সজোরে কামড়ে ধরলাম। মা যন্ত্রণায় শিউরে উঠলেন ঠিকই, কিন্তু তাঁর সেই যন্ত্রণা মুহূর্তেই এক স্বর্গীয় সুখে পরিণত হলো। তিনি তাঁর পাছাটা আরও পেছনে ঠেলে দিয়ে আমার প্রতিটি আঘাতকে শরীরের গভীরতম কোষে গ্রহণ করতে লাগলেন।
আমাদের এই যুদ্ধের তীব্রতা এতটাই বেড়ে গেল যে, প্রতিটি ধাক্কার সাথে সাথে মায়ের ৪১ বছরের ভারী শরীর আর সেই কাঠের টেবিলটা সশব্দে নড়ে উঠছিল। খট্ খট্ শব্দে পুরো ঘরটা যেন কেঁপে উঠছে। মা তখন উত্তেজনার চরম শিখরে পৌঁছে ঘাড় ঘুরিয়ে আমার দিকে তাকালেন। তাঁর চোখ দুটো নেশায় আরক্ত, কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম।
মা হাঁপাতে হাঁপাতে গদগদ স্বরে বলে উঠলেন:
"উফ্ সৌরভ... আঃ... তোর এই শরীরে এত জোর কোথায় ছিল রে জানোয়ার! তোর প্রতিটি ধাক্কায় মনে হচ্ছে আমার জঠর বিদীর্ণ হয়ে যাবে। তোর বাবা তো সারা জীবনেও এই টেবিলটা এক ইঞ্চি নড়াতে পারেনি, আর তুই আজ তোর এই নগ্ন তেজ দিয়ে আমাকে সুদ্ধু টেবিলটাকে কাঁপিয়ে দিচ্ছিস! তোর এই শক্তির কাছে হার মানতেও যে আজ বড় তৃপ্তি রে সোনা..."

মায়ের এই গর্বিত প্রশংসা শুনে আমার ১৯ বছরের রক্তে যেন আরও আগুন ধরে গেল। আমি এবার আরও দ্বিগুণ শক্তিতে মায়ের সেই পরিণত জঠরকে শাসন করতে শুরু করলাম। টেবিলের নড়ে ওঠার শব্দ আর আমাদের শরীরের ঘর্ষণের সিক্ত আওয়াজ মিলেমিশে এক নিষিদ্ধ সিম্ফনি তৈরি করল।
মা তাঁর শাড়ির গোছাটা আরও শক্ত করে পেটের কাছে চেপে ধরে তাঁর সেই বিশাল নিতম্ব দুটিকে আমার কামনার আগুনে সঁপে দিলেন। আজ কোনো বর্ম নেই, আজ শুধু এক সন্তানের বুনো শক্তি আর এক মায়ের পরম তৃপ্তির হাহাকার।

টেবিলের ওপর চলা সেই পৈশাচিক অথচ ছন্দময় লড়াই তখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। কাঠের টেবিলটা প্রতিটি ধাক্কায় আর্তনাদ করে উঠছে, আর তার চেয়েও তীব্র হয়ে কানে বাজছে মায়ের সেই ঘন ঘন নিশ্বাস আর অস্ফুট গোঙানি। আমি যখন পেছন থেকে মায়ের সেই সুপিষ্ট ও বিশাল নিতম্বের খাঁজে আমার ১৯ বছরের সমস্ত রাগ আর অনুরাগ ঢেলে দিচ্ছিলাম, তখন আমাদের শরীরের ঘাম একে অপরের সাথে মিশে এক পিচ্ছিল আবরণ তৈরি করেছে।
মায়ের নীল শাড়ির গোছাটা তাঁর পেটের কাছে তখন ঘামে ভিজে একাকার। তিনি টেবিলের ওপর রাখা একটা বই খামচে ধরে নিজের পিঠটা ধনুকের মতো বেঁকিয়ে দিলেন, যাতে আমার প্রতিটি আঘাত তাঁর ৪১ বছরের পরিণত জঠরের একদম শেষ সীমানায় গিয়ে পৌঁছাতে পারে।
হঠাৎ আমি অনুভব করলাম আমার মেরুদণ্ড দিয়ে এক তীব্র শিহরণ বয়ে যাচ্ছে। আমার ১৯ বছরের জমানো সেই তপ্ত লাভার স্রোত আর ধরে রাখা সম্ভব নয়। আমি যখন শেষ কয়েকটা মরণকামড় দেওয়ার মতো সজোরে ধাক্কা মারলাম, তখন মা বুঝতে পারলেন তাঁর ‘রাজা’ এখন তাঁর সমস্ত সিংহাসন জয় করে নিতে চলেছে।
মা তাঁর ঘাড়টা পেছনে ঘুরিয়ে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে একদম বুঁজে আসা স্বরে চিৎকার করে উঠলেন:
"ছাড়িস না সৌরভ! আজ টেবিল থেকে আমাকে সরাবি না... আজ তোর এই সবটুকু তেজ আমার এই ভোদার অন্দরেই ঢেলে দে! আমি চাই তোর প্রতিটি ফোঁটা সরাসরি আমার নাড়ি ছুঁয়ে যাক। আজ এই টেবিলের ওপর দাঁড়িয়েই তুই আমাকে আবার নতুন করে গর্ভবতী কর রে সোনা... আজ আমি তোর এই নগ্ন দান নিজের শরীরে ধারণ করে ধন্য হতে চাই!"

আমার সমস্ত তেজ যখন মায়ের জঠরের গভীরে আছড়ে পড়ছে, মা তখন টেবিলের ধারটা আরও শক্ত করে আঁকড়ে ধরে ফিসফিস করে বললেন:
"হ্যাঁ সৌরভ... গর্ভবতী! আজ এই 'সেফ পিরিয়ড' আর সামাজিকতার সব হিসেব আমি তুচ্ছ করতে চাই রে। তোর এই তপ্ত বীর্য যখন আমার নাড়ি ছুঁয়ে যাচ্ছে, তখন মনে হচ্ছে আমি যেন আবার সেই ১৯ বছর আগের দিনগুলোতে ফিরে গেছি। সেদিন তুই আমার পেটে আসায় আমি মা হয়েছিলাম, আর আজ তোর এই নগ্ন তেজ আমার জঠরে ধারণ করে আমি তোর প্রকৃত 'প্রেয়সী' হতে চাই।"

মায়ের এই সাহসী এবং তৃষ্ণার্ত আহ্বানে আমি আমার সমস্ত নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললাম। আমি সজোরে মায়ের কোমরটা খামচে ধরলাম যাতে এক চুল নড়াচড়া না হয়। তারপর, কোনো বর্মহীন সেই উন্মাদনায়, আমার ১৯ বছরের সমস্ত পুরুষত্ব, আমার সমস্ত তেজ আগ্নেয়গিরির মতো মায়ের সেই উষ্ণ ও সিক্ত ভোদার অলিগলিতে অঝোর ধারায় বিসর্জন দিতে লাগলাম।
মা এক দীর্ঘ ও বুকফাটা হাহাকার করে টেবিলের ওপর এলিয়ে পড়লেন। তাঁর শরীরটা এক তীব্র খিঁচুনিতে থরথর করে কাঁপছিল। তিনি অনুভব করছিলেন আমার সেই তপ্ত বীর্যের স্রোত কীভাবে তাঁর জঠরের দেওয়ালগুলোকে প্লাবিত করে দিচ্ছে। প্রতিটি ফোঁটা যখন তাঁর শরীরের গভীরে গিয়ে আছড়ে পড়ছিল, মা তখন চোখ বুজে এক পরম তৃপ্তিতে নিথর হয়ে গেলেন।


কিছুক্ষণ পর, আমাদের দুজনের দ্রুততর হওয়া নিশ্বাস যখন একটু শান্ত হয়ে এল, আমি আস্তে করে নিজেকে সরিয়ে নিলাম। মা তখনও টেবিলের ওপর ওই নগ্ন ও বিধ্বস্ত ভঙ্গিতেই শুয়ে আছেন। তাঁর উরুর ভেতর দিয়ে চুঁইয়ে আসা সেই সাদাটে শুভ্র রসগুলো আজ যেন এক নিষিদ্ধ বিজয়ের সাক্ষী দিচ্ছিল।
মা অতি কষ্টে ঘুরে বসলেন। তাঁর চুল এলানো, কপালে ঘাম, আর চোখে এক অপার্থিব প্রশান্তি। তিনি হাত বাড়িয়ে আমার মুখটা ধরলেন এবং পরম মমতায় কপালে একটা চুমু খেয়ে বললেন:
"এখন যা, নিজেকে পরিষ্কার করে নে। তোর বাবা আসার সময় হয়ে এল যে! আমাকেও তো এখন চট করে সব সামলে নিতে হবে।"
মায়ের সেই শান্ত ও তৃপ্ত হাসি আমাদের এই নিষিদ্ধ বিকেলের এক সুন্দর পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে দিল।

মা সলজ্জ হেসে তাঁর ভিজে যাওয়া শাড়িটা আবার কোমরে জড়িয়ে নিলেন। টেবিলের ওপর পড়ে থাকা সেই ঘাম আর বীর্যের দাগগুলো যেন আমাদের আজকের এই গোপন মহাকাব্যের শেষ স্বাক্ষর।




এবার কি তাহলে মা আমার বাচ্চা গ্রহণ করবে?নাকি অন্য কিছু!

ততক্ষণ পর্যন্ত সঙ্গেই থাকবেন
সঙ্গে থাকার জন্য সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।



RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - Bad Boy - 09-14-2026

18


সেই দুপুরের উত্তাল টেবিল-সঙ্গমের পর কয়েকটা দিন কেটে গেছে এক অদ্ভুত মায়াবী ঘোরে। বাড়ির স্বাভাবিক ছন্দে বাবা আর সীতা যখন যে যার কাজে ব্যস্ত থাকেন, মা আর আমার চোখের ভাষায় তখন বিনিময় হয় এক নিষিদ্ধ সংকেত। অবশেষে একদিন রাত যখন গভীর হলো, বাবা ঘুমে কাদা হয়ে গেছেন, মা পা টিপে টিপে আমার ঘরে এসে ঢুকলেন।
আজ মায়ের পরনে সাদা রঙের এক পাতলা ফিনফিনে নাইটি, যার ভেতর দিয়ে তাঁর ৪১ বছরের ডাগর শরীরটা চাঁদের আলোয় এক মায়াবী রূপ নিয়েছে। মা এসে আমার বিছানায় গা ঘেঁষে বসলেন।  আমিও তাঁর সেই সুপিষ্ট ও চন্দনমাখা কোমরটা দুহাতে জড়িয়ে ধরে নিজের দিকে টেনে নিলাম।
মায়ের নাইটিটা নাভির ওপর পর্যন্ত তুলে আমি যখন তাঁর সেই গভীর আর উষ্ণ নাভিতে মুখ ঘষতে শুরু করলাম, মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে আমার চুলে আঙুল চালিয়ে দিলেন।
আমি মায়ের নাভির চারপাশে জিভ বোলাতে বোলাতে ফিসফিস করে বললাম, "মা, এই নাভি দিয়েই তো একদিন আমি তোমার থেকে প্রাণ নিয়েছিলাম। আর আজ এই নাভির ঠিক নিচেই আমার সেই ১৯ বছরের নগ্ন তেজটুকু ঢেলে দিয়েছি। কেমন লাগছে তোমার?"
মা আমার মুখটা টেনে নিয়ে নিজের সেই ভারী ও তপ্ত স্তন দুটোর মাঝখানে চেপে ধরলেন। তাঁর বুকের সেই ধুকপুকানি আমি নিজের গালে অনুভব করতে পারছিলাম। মা মায়াবী স্বরে বললেন—
"জানিস সৌরভ, সেই দুপুরের পর থেকে আমার ভেতরে এক অদ্ভুত পরিবর্তন এসেছে রে। তুই যখন কোনো বর্ম ছাড়া সরাসরি আমার জঠরে তোর সেই গরম বীর্যটুকু উজাড় করে দিলি, তখন মনে হলো আমার সারা শরীর যেন তোকে নতুন করে গ্রহণ করল। আমি ভাবছিলাম... যদি আজ আমাদের এই অবাধ্য মিলনের ফলে আমার শরীরে আবার নতুন কোনো প্রাণের অঙ্কুর জন্ম নেয়?"
আমি অবাক হয়ে মায়ের চোখের দিকে তাকালাম। মায়ের চোখে তখন ভয়ের লেশমাত্র নেই, বরং এক আদিম তৃপ্তি আর তীব্র প্রত্যাশা। আমি মায়ের সেই উষ্ণ ও টানটান পেটে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বললাম, "মা, তুমি কি সত্যিই চাও আমার সন্তান তোমার পেটে আসুক? সমাজ বা বাবার কথা একবারও ভাবলে না?"
মা এক রহস্যময় হাসি হাসলেন। তিনি আমার হাতটা টেনে নিয়ে নিজের সেই আরক্ত ও সিক্ত যোনিপথের ওপর রাখলেন, যা তখনও আমার দুপুরের সেই শাসনের রেশ ধরে শিরশির করছিল। মা বললেন—
"তোর বাবা তো এখন শুধু নামেই আমার স্বামী রে। তাঁর শরীরে তো আর সেই তেজ নেই যা দিয়ে তোর এই মা-কে নতুন করে সজীব করতে পারে। কিন্তু তুই... তুই তো আমাকে একদম ভেতর পর্যন্ত নিংড়ে নিয়েছিস। তোর এই তেজ আমার জঠরে থাকা মানে প্রতিটি মুহূর্তে তোকে আমার শরীরের ভেতরে অনুভব করা। আমি যখন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখব আমার পেটটা তোর দেওয়া দানে একটু একটু করে ফুলে উঠছে, তখন মনে হবে তুই সারাক্ষণ আমার ভেতরে আছিস, আমাকে শাসন করছিস।"







মা এবার পরম মমতায় তাঁর নাইটির ওপর থেকে তাঁর সেই দুগ্ধশুভ্র বক্ষযুগল বের করে দিলেন। আমি যখন মায়ের সেই তপ্ত বৃন্তটি মুখে নিয়ে পরম আবেশে চুষতে শুরু করলাম, মা তৃপ্তিতে চোখ বুজে নিলেন।
"চুষে নে রে সোনা... আমার এই বুক দুটো এখন থেকেই যেন আগামীর সেই অনাগত প্রাণের জন্য তৈরি হতে চাইছে। তুই আজ থেকে আর কোনো প্যাকেটের কথা ভাববি না। আমি চাই তোর প্রতিটি ফোঁটা সরাসরি আমার ভেতরে জমা হোক। আমি চাই আমার এই ৪১ বছর বয়সটাকে তোর ১৯ বছরের যৌবন দিয়ে নতুন করে রাঙিয়ে দিতে।"
সেই গভীর রাতে আমরা আর কোনো বুনো সঙ্গম করলাম না। আমি মায়ের সেই স্নেহের স্তন আর তপ্ত জঠরের ওপর হাত রেখে আগামীর সেই নিষিদ্ধ স্বপ্নের জাল বুনতে লাগলাম। মা নিজেকে আজ থেকে আমার সেই 'উর্বর ক্ষেত্র' হিসেবে সঁপে দিলেন, যেখানে আমি একাই রাজত্ব করব।

রাতের সেই গভীর আলাপের পর আমাদের সম্পর্কের রসায়নটা একদম বদলে গেল। আগে যেখানে ছিল শুধু একটা শরীরী ক্ষুধা আর চুরিকরা মুহূর্তের উত্তেজনা, এখন সেখানে জায়গা করে নিল এক অদ্ভুত 'অধিকারবোধ'। মা এখন আমার সামনে আর সেই শাসনকারী অভিভাবক নন, বরং তিনি আমার আগামীর এক নতুন স্বপ্নের ধারক।
পরের দিন দুপুরে বাবা অফিসে আর সীতা কোচিংয়ে যেতেই বাড়িটা যখন আবার আমাদের একান্ত হয়ে উঠল, আমি দেখলাম মা তাঁর শোয়ার ঘরে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের পেটটা দেখছেন। আমি পেছন থেকে গিয়ে মায়ের কোমর জড়িয়ে ধরতেই তিনি আমার কাঁধে মাথা রাখলেন।
আমি মায়ের পেটে হাত বুলিয়ে দিয়ে ফিসফিস করে বললাম, "কী দেখছো মা? এখনও তো মাত্র কয়েকটা দিন..."
মা সলজ্জ হেসে আমার হাতটা নিজের পেটের ওপর আরও চেপে ধরলেন। "দেখছি রে সৌরভ, এই জঠরটা একদিন তোকে বড় করেছিল, আর আজ এখানে তোরই দেওয়া এক নতুন প্রাণের অপেক্ষা। জানিস, আজ সকাল থেকে কেমন যেন গা-গোলানো ভাব হচ্ছে, শরীরটা বড্ড ভারী লাগছে। মনে হয় তোর সেই ১৯ বছরের তেজ বড্ড বেশিই শক্তিশালী ছিল।"
মায়ের কথা শুনে আমার বুকের ভেতরটা গর্বে ভরে উঠল। আমি বুঝতে পারলাম, আমাদের এই নিষিদ্ধ মোড় আমাদের দুজনকে এক অলিখিত চুক্তিতে বেঁধে ফেলেছে। মা এখন আর আমার ওপর কোনো হুকুম চালান না, বরং প্রতি পদে পদে আমার মত নিতে চান।
বিকেলে যখন মা চা নিয়ে এলেন, তখন বাবাও বাড়ি ফিরেছেন। বাবা যখন মায়ের হাতের চায়ের কাপটা নিতে যাচ্ছিলেন, মা খুব সন্তর্পণে বাবার স্পর্শ এড়িয়ে গিয়ে কাপটা টেবিলের ওপর রাখলেন। বাবার অজান্তেই মা আমার দিকে তাকিয়ে একবার চোখ টিপলেন।
সেই চোখের ভাষায় পরিষ্কার লেখা ছিল—"এই শরীরটা এখন শুধুই তোর আমানত।"
রাতে খাওয়ার পর যখন আমরা সবাই ড্রয়িংরুমে বসে আছি, মা হঠাৎ করেই বাবার সামনে বললেন, "শোনো, আমার শরীরটা ইদানীং ভালো যাচ্ছে না। ডাক্তার দেখাতে হবে ভাবছি। আর এখন থেকে আমি নিজের ঘরেই একটু আলাদা শুতে চাই, আমার ঘুমের খুব ব্যাঘাত হচ্ছে।"
বাবা নির্বিকারভাবে মাথা নাড়লেন, কিন্তু আমি জানি মায়ের এই 'আলাদা শোয়ার' আসল উদ্দেশ্য কী। মা আসলে বাবার থেকে নিজেকে পুরোপুরি সরিয়ে নিয়ে আমার জন্য নিজেকে অবারিত করে রাখছেন।

রাতের অন্ধকারে মা যখন আবার আমার ঘরে এলেন, আজ আর তাঁর চোখে কোনো তাড়াহুড়ো ছিল না। তিনি আমার বিছানায় শুয়ে পড়ে আমার হাতটা টেনে নিয়ে নিজের নাইটির ভেতর ঢুকিয়ে দিলেন।
"সৌরভ, তোর বাবা এখন নাক ডাকছে। কিন্তু আমি জানতাম তুই জেগে আছিস। দেখ তো, আমার বুক দুটো কেমন পাথরের মতো শক্ত হয়ে আছে। মনে হচ্ছে তোর সেই অবাধ্য দানের ফল এখন থেকেই ফলতে শুরু করেছে।"
আমি মায়ের সেই তপ্ত স্তনে মুখ ঘষতে ঘষতে বললাম, "মা, এই মোড়টা কি আমাদের কোনো বিপদে ফেলবে না তো?"
মা আমার মাথাটা নিজের বুকের গভীরে চেপে ধরলেন। "বিপদ আসুক বা না আসুক, এই তৃপ্তিটা তো সত্যি। তুই আমার শরীরকে যেভাবে জাগিয়েছিস, তেমনটা আর কেউ পারেনি। এখন থেকে আমাদের প্রতিটা মিলন হবে এক একটা প্রাণের প্রার্থনা। তুই আজ আমায় আবার সেই বুনোভাবে শাসন করবি তো?"
আমি বুঝতে পারলাম, মা এখন থেকে আমার কাছে শুধু একজন নারী নন, তিনি আমার সেই 'আশ্রয়' যে নিজের মাতৃত্বকে বাজি রেখে আমার পৌরুষকে চিরস্থায়ী করতে চায়।




এরপর এইতো সেদিন সকালে নাস্তার টেবিলে এক অদ্ভুত দৃশ্য তৈরি হলো। বাবা খবরের কাগজটা হাতে নিয়ে চশমাটা ঠিক করতে করতে বারবার মায়ের দিকে তাকাচ্ছিলেন। তাঁর চোখেমুখে এক গভীর বিভ্রান্তি। আমি আড়চোখে মায়ের দিকে তাকালাম, মা তখন খুব নিপুণ হাতে পাউরুটিতে মাখন লাগাচ্ছেন।
বাবা গলাটা একটু পরিষ্কার করে বললেন, "সীমা, আচ্ছা কাল রাতে কি আমি তোমার ঘরে গিয়েছিলাম? মানে... আমার কেন জানি মনে হচ্ছে আমরা খুব কাছাকাছি ছিলাম, কিন্তু পরক্ষণেই মনে হচ্ছে আমি তো খাওয়ার পরেই বিছানায় পড়ে গিয়েছিলাম। মাথাটা বড্ড গোলমাল করছে ইদানীং।"
মা তখন আমার দিকে একবার চোরা চাহনি দিয়ে বাবার দিকে তাকিয়ে খুব শান্ত গলায় বললেন:
"কী যে বলো না! কাল রাতে তো তুমি ভাত খেয়েই বললে তোমার বড্ড ঘুম পাচ্ছে। আমি তো পাশের ঘরে সীতার সাথে কতক্ষণ কথা বলে এসে দেখলাম তুমি অঘোরে ঘুমোচ্ছ। তুমি কি কোনো স্বপ্ন-টপ্ন দেখলে নাকি?"
বাবা নিজের কপালে হাত দিয়ে বিড়বিড় করতে লাগলেন, "স্বপ্ন? হতে পারে। কিন্তু স্পর্শগুলো এত জীবন্ত মনে হচ্ছিল কেন? উফ, আমার এই মেমোরিটা একদম গেছে। কিছুই মনে রাখতে পারছি না।"



বাবার কলেজে যাওয়ার পর বাড়ির পরিবেশটা একদম শান্ত হয়ে গেল। মা সদর দরজাটা লাগিয়েই আমার দিকে ফিরে এক তৃপ্তির হাসি হাসলেন। তিনি আমার খুব কাছে এসে আমার শার্টের কলারটা ঠিক করে দিতে দিতে বললেন:
"দেখেছিস সৌরভ? বেচারা নিজের স্মৃতি নিয়েই এখন সন্দেহে আছে। তোর ওই বুনো শাসনের স্বাদ আমি আমার সারা শরীরে অনুভব করছি, আর সে ভাবছে ওটা নাকি স্বপ্ন! এখন থেকে এটাই আমাদের ঢাল। সে যদি ইদানীং কোনোদিন আমার ঘরে এসে শুয়েও থাকে, পরদিন সকালে আমি তাকে উল্টো বুঝিয়ে দেব যে সে আসলে আসেইনি। আর তুই যখন আমার গভীরে থাকবি, তখন যদি সে জেগেও যায়, আমি তাকে বিশ্বাস করিয়ে দেব যে সে আসলে ভ্রম দেখছে।"
আমি মায়ের সেই ভরাট কোমরটা দুহাতে জাপটে ধরে বললাম, "মা, তুমি তো দস্তুরমতো একজন অভিনেত্রী হয়ে উঠলে! কিন্তু বাবার এই স্মৃতিভ্রমের সুযোগ নিয়ে আমি যদি আজ সকালেই তোমাকে আবার সেই টেবিলের ওপর পেতে চাই?"
মা সলজ্জ অথচ তীব্র এক কামুক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকালেন। তিনি তাঁর নাইটির ওপর থেকে তাঁর সেই ভারী স্তনযুগল আমার বুকের সাথে চেপে ধরে বললেন:
"আয় তবে... বাবার ওই ভুলে যাওয়া স্মৃতিগুলো আমি আজ তোর ১৯ বছরের জ্যান্ত তেজ দিয়ে ধুয়ে দেব। সে ভুলে যাক সব, কিন্তু আমি চাই তুই আমাকে আজ এমনভাবে নিংড়ে নিবি যেন প্রতিটি ধাক্কায় আমার ভোদা চিৎকার করে বলে ওঠে যে—তুই-ই আমার একমাত্র অধিপতি, একমাত্র গুদরাজ!!"
আমরা দুজনে মিলে বাবার এই অসহায়ত্বকে আমাদের পরম সুখে রূপান্তর করলাম। ড্রয়িংরুমের সেই সোফাতেই আমি যখন মায়ের শাড়িটা সরিয়ে তাঁর সেই দুগ্ধশুভ্র উরুর মাঝে আমার নগ্ন দণ্ডটি গেঁথে দিলাম, তখন মনের কোণে এই জয়ী হওয়ার আনন্দটা সঙ্গমের চেয়েও বেশি মাদকতা ছড়াচ্ছিল। মা চোখ বুজে আমার প্রতিটি ধাক্কা উপভোগ করছিলেন, আর আমি অনুভব করছিলাম কীভাবে বাবার স্মৃতিভ্রম আমাদের এই নিষিদ্ধ পৃথিবীকে প্রতিদিন আরও বেশি নিরাপদ করে তুলছে।
মা ফিসফিস করে আমার কানে বললেন, "সৌরভ, আজ আর কোনো ভয় নেই রে। তোর বাবা যত বেশি ভুলে যাবে, আমি তত বেশি করে তোর এই ১৯ বছরের তেজে নিজেকে সঁপে দেব। তুই শুধু আমাকে এভাবেই তোর শাসনে রাখিস।"





বাবার স্মৃতিভ্রম আর আমাদের এই বুনো উল্লাসের মাঝে ক্যালেন্ডারের পাতাগুলো খুব দ্রুত উল্টে গেল। প্রায় দেড় মাস হতে চলল। ড্রয়িংরুমের সেই সোফা থেকে শুরু করে রান্নাঘরের সেলফ—বাড়ির প্রতিটি কোণ আমাদের সেই বর্মহীন মিলনের সাক্ষী হয়ে আছে।

সেদিন সকালে আমি তখনো ঘুমে আচ্ছন্ন। হঠাৎ পাশের বাথরুম থেকে মায়ের বমি করার শব্দে আমার ঘুমটা ভেঙে গেল। শব্দটা শুনেই আমার বুকের ভেতরটা কেমন ধক করে উঠল—তবে কি সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্তটা চলে এল?
কিছুক্ষণ পর মা আমার ঘরে ঢুকলেন। মুখে পানির ছিটা দেওয়া, চুলগুলো অবিন্যস্ত, কিন্তু তাঁর সেই ৪১ বছরের পরিণত মুখে আজ এক অদ্ভুত দীপ্তি। আমি বিছানায় উঠে বসতেই মা এসে আমার একদম কোল ঘেঁষে বসলেন। দরজার খিল মা নিজ হাতে লাগিয়ে আসলেন। তাঁর শরীরের সেই পরিচিত ঘ্রাণ আর বাথরুমের সিক্ততা মিলেমিশে একাকার।

ফ্যাকাশে মুখ, কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম, কিন্তু তাঁর চোখেমুখে এক অদ্ভুত প্রশান্তি।
আমি ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "মা, খুব শরীর খারাপ লাগছে? কী হয়েছে?"
মা দীর্ঘ একটা নিশ্বাস ফেলে আমার হাতটা শক্ত করে চেপে ধরলেন। তারপর আমার চোখের দিকে তাকিয়ে নিচু কিন্তু স্থির গলায় বললেন:

"শরীর খারাপ নয় রে সৌরভ... মনে হচ্ছে কাজ হয়ে গেছে। গত কয়েকদিন ধরেই সকালবেলা এমন গা-গোলাচ্ছে। আজ বমির সাথে সাথে বুকটা কেমন হালকা হয়ে গেল। তুই তো সেই দেড় মাস আগে থেকেই সুরক্ষাকবচ ছাড়াই আমার ভেতরে তোর সব তেজ ঢালছিস। আজ শরীরের এই সিগন্যাল বলে দিচ্ছে, তোর ওই অবাধ্য দান বিফলে যায়নি। তোর বীজ আমার ভেতরে ধরে গেছে রে।"
মায়ের এই সোজাসাপ্টা কথাগুলো শুনে আমার বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল। খুশিতে না ভয়ে, আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না। মা আমার কাঁধে মাথা রেখে একটু হাঁপাতে হাঁপাতে আবার বললেন:
"তোর বাবা বাইরে জিজ্ঞেস করছিল কী হয়েছে। আমি শুধু বললাম—'বোধহয় তোমার অবহেলার দিন শেষ হলো, ঘরে বোধহয় নতুন কেউ আসছে।' শুনে সে এমনভাবে মাথা চুলকাল যেন সে কত বড় কাজ করে ফেলেছে! তার ওই স্মৃতিভ্রমের সুযোগ নিয়ে আমি তাকে বিশ্বাস করিয়ে দিয়েছি যে কোনো এক রাতে সে আমার ঘরে এসেছিল। বেচারা এখন খুশিতে ডগমগ।"




মা হঠাৎ আলমারিটা খুললেন। ভেতরে থাকা সেই কনডমের প্যাকেটগুলোর দিকে তাকিয়ে এক অবজ্ঞার হাসি হাসলেন।
"দেখ, ওগুলো কেমন অবহেলায় পড়ে আছে। তোর তোশোকের তলায় যেগুলো ছিল, সেগুলোও তো বের করিসনি কতদিন। আজ থেকে ওগুলো আবর্জনা সৌরভ। আমাদের আর ওসব দরকার নেই। তুই আমাকে পুরোটা দখল করে নিয়েছিস, আর তার প্রমাণ এখন আমার পেটে।"
মা আমার হাতটা নিজের পেটের ওপর রাখলেন। সুতির পাতলা শাড়ির ওপর দিয়ে মায়ের সেই ৪১ বছরের ভরাট ও উষ্ণ পেটের পরশ পেয়ে আমি এক রাজকীয় গর্ব অনুভব করলাম। মা ফিসফিস করে বললেন, "এখন থেকে তুই আমার আরও কাছে থাকবি। এই প্রাণের ভাগিদার শুধু আমি আর তুই।"



ঠিক সেই মুহূর্তেই বাইরে কলিংবেলের আওয়াজ হলো। সীতা তার নতুন কলেজ থেকে মাত্র ফিরেছে। বাবার সেই আকাশছোঁয়া খুশি আর মায়ের এই আকস্মিক পরিবর্তন দেখে ছোট্ট সীতার প্রতিক্রিয়া কী হবে, সেটা নিয়ে আমরা দুজনেই একটু চিন্তিত হলাম। মা তড়িঘড়ি করে নিজের শাড়িটা ঠিক করে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন সীতাকে খবরটা দিতে।



RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - Bad Boy - 09-14-2026

19



আচ্ছা গল্পের এই পর্যায়ে এসে একটি কথা মনে করিয়ে দিতে হচ্ছে। আপনাদেরকে একটি খুশির খবর দিতে ভুলে গিয়েছিলাম, সেটা হচ্ছে আমার দাদা interne শেষ করার পরে উচ্চশিক্ষা অর্জনের জন্য বিদেশে পাড়ি জমায়।
কিন্তু, মা আর আমার কেমিস্ট্রির মধ্যে দাদার এই খবরটা দিতে আপনাদেরকে ভুলে গিয়েছিলাম!.


চলুন এবার গল্পে ফিরি-
সীতা যেহেতু কেজি-১ এর ছোট্ট শিশু, তার কাছে এই জটিল হিসেব-নিকেশের কোনো মূল্যই নেই। সে শুধু এটুকুই বুঝল যে তার খেলার জন্য একজন ছোট্ট সঙ্গী আসছে। বাবার ওই স্মৃতিভ্রমের গল্প বা মায়ের শরীরের পরিবর্তন—সবকিছুই তার কাছে এক অদ্ভুত জাদুকরী আনন্দের মতো। সে খুশিতে হাততালি দিয়ে সারা বাড়ি মাথায় তুলল, আর বাবাও তার সেই খুশিতে সায় দিয়ে নিজের ভুলে যাওয়া স্মৃতি নিয়ে আর কোনো প্রশ্ন তুললেন না। কলেজের গণিত শিক্ষক হিসেবে বাবা মানুষটা বরাবরই একটু গম্ভীর আর ধরাছোঁয়ার বাইরে। তাঁর সারাটা দিন কাটে জ্যামিতি আর বীজগণিতের জটিল সমীকরণের মধ্যে। যোগ-বিয়োগের হিসেবে তিনি যতটা দক্ষ, জীবনের বা সম্পর্কের সমীকরণে ততটাই ভোলা। এমনকি শেষ কবে তিনি মায়ের ঘরের চৌকাঠ পেরিয়েছিলেন, সেই হিসেবও তাঁর মাথার নিউরন থেকে মুছে গেছে। তাঁর এই 'স্মৃতিভ্রম' আসলে কোনো রোগ নয়, বরং তাঁর ওই সারাক্ষণের ডুবে থাকা নিস্পৃহতারই একটা অংশ। তবে তাতে কি! বাবা এখন মায়ের গর্ভে থাকা সন্তান নিজের ঔরসের চিহ্ন হিসেবেই ধরে নিয়েছেন।
তবে দিন যত এগোতে লাগল, মায়ের শরীর আর মনের পরিবর্তনগুলো আমাদের এই নিষিদ্ধ সম্পর্কের এক নতুন মাত্রা যোগ করল।

তবে ইদানিং মাঝে মাঝে বাবা কলেজ থেকে ফিরে ড্রয়িংরুমে বসে চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে মায়ের দিকে তাকান। গর্ভাবস্থার এই তিন মাসে মায়ের শরীর যখন অনেকটা ভরাট হয়ে এসেছে, তখন বাবার ভেতরের সেই সুপ্ত অধিকারবোধটা মাঝেমধ্যে একটু জেগে ওঠে।
সেদিন বিকেলে বাবা একটু কাছে এগিয়ে এলেন। মায়ের সেই উষ্ণ ও স্ফীত পেটে হাতটা রাখতে গিয়ে(রাখলেন না) বললেন, "সীমা, সাবধানে থেকো। ভেতরে কি ও লাথি মারছে? খাতার অংকের মতো ওর নড়াচড়াও কি নিয়মিত?"
মা মুহূর্তের মধ্যে, পেটে হাত রাখার আগেই বাবার হাতটা সরিয়ে দিলেন। তাঁর চোখেমুখে একরাশ বিরক্তি। মা খুব শীতল গলায় বললেন:
"এখন এসব আদিখ্যেতা করতে হবে না। আমার প্রচন্ড বমি বমি পাচ্ছে। আর এখন আমার শরীরটা এমনিতেই ভার্তিক হয়ে আছে, তাই একটু দূরে থাকো। তোমার স্পর্শ আমার সহ্য হচ্ছে না।"

বাবাও তার সেই গুরুগম্ভির স্বভাব ধরে রেখে, বরাবরের মতই, তবে একটু অপ্রস্তুত হয়ে চশমাটা ঠিক করতে করতে আবার নিজের ঘরে ফিরে গেলেন। হয়তো মনে মনে কোনো জ্যামিতিক উপপাদ্য মেলাতে শুরু করলেন। আর আমি মনে মনে ভাবলাম, বাবার এই উদাসীনতাই মাকে আমার এতটা কাছে এনে দিয়েছে। সত্যিই তাই। বাবা উদাসীন না হলে মা কখনোই আমার এতটা কাছে এসে ধরা দিতেন না.!! আহ..


বাবা চলে যেতেই আমি মায়ের ঘরে ঢুকলাম। দরজার খিলটা পড়তেই মা যেন একদম অন্য মানুষ হয়ে গেলেন। সেই গম্ভীর আর বিরক্ত মুখটা এক নিমেষে রোমান্টিক আর আদুরে হয়ে উঠল। আমি মায়ের পেছনে গিয়ে বসলাম, মা আমার বুকের ওপর গা এলিয়ে দিলেন।
আমি মায়ের সেই ভরাট ও আলগা নাইটির ভেতর দিয়ে আসা পেটে হাত রাখতেই মা আমার হাতটা নিজের হাতের ওপর চেপে ধরলেন। তাঁর সারা শরীরে এক তৃপ্তির শিহরণ বয়ে গেল। মা আমার দিকে ফিরে আমার ঘাড়ে মুখ ঘষতে ঘষতে ফিসফিস করে বললেন:
"জানিস সৌরভ, তোর বাবা যখন ওই খসখসে হাতটা আমার পেটে রাখার জন্য বাড়ায়, তখনই আমার বমি পায় রে। অথচ তুই হাত ছোঁয়ালেই মনে হয় আমার ভেতরের এই প্রাণটা তোর ছোঁয়া পেয়ে শান্ত হয়ে গেল। তুই যখন কাছে আসিস, তখন আমি সব ভুলে যাই। মনে হয় আমি আবার সেই ১৯ বছর আগের সেই সীমা হয়ে গেছি, যে তোকে প্রথমবার পেটে ধরেছিল।"

মা আমার শার্টের বোতামগুলো আলতো করে খুলতে খুলতে খুব মায়াবী চোখে আমার দিকে তাকালেন। তারপর আমাকে টেনে নিয়ে তাঁর সেই সুপিষ্ট ও ভরাট বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরলেন। আমার মাথাটা তখন মায়ের সেই চিরচেনা উষ্ণ আশ্রয়ে। মা আমার চুলে বিলি কাটতে কাটতে খুব আদুরে গলায় ফিসফিস করে বলতে লাগলেন:
"জানিস সৌরভ, আজ তুই কত বড় হয়ে গেছিস! অথচ আমার মনে হয় এই তো সেদিন, তুই একদম ছোট্টটি ছিলি। ঠিক এই জায়গাটায় মাথা রেখে পরম নিশ্চিন্তে ঘুমতিস। আমার গায়ের গন্ধ না পেলে তোর ঘুম আসত না। আজ যখন তুই আমার এই শরীরের সবচেয়ে গোপন আর গভীর অধিকারটুকু কেড়ে নিলি, তখন আমার ভেতরটা এক অদ্ভুত সুখে ভরে যায় রে। তুই যখন তোর ওই বিশাল বাড়াটা দিয়ে আমাকে খুবলে খুবলে ছোবল মারিস, তখন আমার মাতৃত্ব পূর্ণ হয়ে যায় রে,বাবা..!! তখন নিজেকে সত্যিকারের রমণী মনে হয়..!!"

মা আমার পিঠে হাত রেখে কপালে একটা দীর্ঘ চুমু খেয়ে একটু দুষ্টুমিভরা হাসিতে বললেন:
"সেই ছোট্ট ছেলেটা আজ আমার পেটে নিজের বীজ বুনে দিল! আর কোত্থেকে বুনে দিলো!? একদম মায়ের গুদের ভেতরে নিজের বাড়াটাকে ঢুকিয়ে বীজ বুনে দিলো! প্রতিটা ধাক্কায় ধাক্কায় একটা একটা বীজ বুনেছে, বাঁদরটা..! ভাবলেই অবাক লাগে, তাই না? তোর বাবা যখন অংকের খাতা নিয়ে পড়ে থাকে, তখন তুই আমার কাছে এসে আমার এই মাতৃত্বকে নতুন করে জাগিয়ে তুলিস। এই যে আমার পেটটা ধীরে ধীরে ভারী হচ্ছে, এটা তো শুধু একটা প্রাণ নয় রে, এটা আমাদের সেই নিষিদ্ধ আর গভীর ভালোবাসার চিহ্ন। তুই যখন আমার উপরে উঠিস, এরপর মৃদুলায়ে গুতো দেওয়া শুরু করিস, তখন আমি ভুলে যাই আমি তোর মা, মনে হয় আমি শুধুই তোর সেই প্রিয়তমা যে তোর জন্য নিজেকে সঁপে দিয়েছে।"

মায়ের সেই উষ্ণ আলিঙ্গনের মাঝে মুখ গুঁজে থাকা অবস্থায় আমি তাঁর কথাগুলো শুনছিলাম। তাঁর প্রতিটি শব্দ আমার বুকের ভেতরে স্পন্দনের মতো আছড়ে পড়ছিল। আমি মায়ের কোমরটা আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম এবং মুখ তুলে তাঁর চোখের দিকে তাকালাম। আমার চোখে তখন শুধু শ্রদ্ধা নয়, এক আদিম অধিকারবোধ।
আমি খুব ধীর অথচ গভীর গলায় বললাম:


"মা, তুমি যখন সেই ছোটবেলার কথা বলো, তখন আমার মনে হয়—সৃষ্টির সেই শুরু থেকেই হয়তো আমি তোমার হৃদস্পন্দনের দখল নিয়ে বসেছিলাম। বাবা তাঁর গণিতের খাতায় জীবনের হিসেব মেলান, কিন্তু তিনি কি জানেন—কিছু সমীকরণ কোনোদিন মেলাবার জন্য তৈরি হয় না? তিনি ভাবছেন তিনি দায়িত্ব পালন করছেন, কিন্তু সত্য তো এই যে—তোমার এই পবিত্র শরীরের প্রতিটি ভাঁজে, তোমার ওই নিভৃত জঠরের প্রতিটি স্পন্দনে, তোমার ওই রস সিক্ত যোনির গহ্বরে কেবল আমারই নাম খোদাই করা আছে।"



আমি মায়ের সেই উষ্ণ ও স্ফীত পেটে ঠোঁট ছুঁইয়ে অনুভব করলাম ভেতরে বেড়ে ওঠা আমার আর মায়ের বীর্য রসে গড়ে ওঠা হৃদ স্পন্দনকে। তারপর আবার তাঁর চোখের দিকে তাকিয়ে ধীরস্থিরভাবে বললাম:
"মা, তুমি যখন বলো তুমি আমার 'প্রিয়তমা' হয়ে গেছ, তখন আমার বুকের ভেতর এক অদ্ভুত অহংকার গর্জে ওঠে। মনে হয় যেন তোমার এই সুন্দর গুদ খানাকে ধাক্কায় ধাক্কায় থেতলে ফেলি।"
প্রতি উত্তরে মা বলল-
" যাহ..! অসভ্য.... "
মাকে আরেকটু শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললাম-
" তোমার ভেতরে যে প্রাণটা বড় হচ্ছে, ও যখন প্রথম আলো দেখবে, পৃথিবী তাকে বাবার নামে চিনবে। কিন্তু আমরা তো জানি মা, সেই রক্তে বইছে আমারই ১৯ বছরের অবাধ্য তেজ। সে আমাদের সেই বর্মহীন যুদ্ধের এক জীবন্ত দলিল। তুমি শুধু নিজেকে সঁপে দাওনি মা, তুমি আমাকে আমার অস্তিত্বের সেই চরম সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছ, যেখানে মা আর প্রিয়তমা একাকার হয়ে গেছে।"
আমার কথাগুলো শুনে মায়ের চোখের পাতা ভিজে এল। তিনি আমাকে আরও জোরে নিজের বুকের সাথে জাপটে ধরলেন। পরক্ষণেই মা আমার মুখটা দুহাতে তুলে ধরে কপালে আবার একটা চুমু খেলেন। তাঁর ঠোঁটটা তখন কাঁপছিল। মা ফিসফিস করে বললেন, "সৌরভ... তোর এই কথাগুলো শুনলে মনে হয়, এই নিষিদ্ধ পথে হেঁটে আমি কোনো ভুল করিনি রে। তুই আমাকে মা থেকে পূর্ণ এক নারীতে রূপান্তর করেছিস।"





এভাবেই দিন গরাচ্ছিলো।
বাবার সেই খাতা-কলমের হিসেব আর গাণিতিক নির্লিপ্ততা আমাদের জন্য এক অভেদ্য দেওয়াল হয়ে দাঁড়াল। তিনি যত বেশি তাঁর জ্যামিতিক উপপাদ্যে ডুবে থাকেন, আমরা ততটাই বেপরোয়া হয়ে উঠি। এখন তো আর শুধু আড়ালে নয়, বাবার চোখের সামনেই মা শুরু করলেন এক দুর্দান্ত মনস্তাত্ত্বিক খেলা।
সেদিন রাতে খাবার টেবিলে বাবা চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে ডাল দিয়ে ভাত মাখছেন। তাঁর মাথায় হয়তো তখনো কলেজের কোনো জটিল অংক ঘুরছে। মা তখন আমার ঠিক পাশেই বসেছেন।
মা হঠাৎ বাবার দিকে তাকিয়ে খুব স্বাভাবিক গলায় বললেন, "ওগো, শুনছো? আজ বিকেলের দিকে সৌরভ বলছিল, এই নতুন অতিথি আসার পর বাড়ির সব হিসেব নাকি বদলে যাবে। ও বলছিল, বড় হওয়ার সাথে সাথে নাকি অধিকারও বেড়ে যায়।"
বাবা মুখ না তুলেই বললেন, "হিসেব তো বদলাবেই। নতুন একজনের যোগ মানেই তো পুরোনো অনেক অভ্যেসের বিয়োগ। সৌরভ ঠিকই বলেছে।"
মা তখন টেবিলের নিচে নিজের পা দিয়ে আমার পায়ে এক অদ্ভুত সোহাগী চাপ দিলেন। তাঁর সেই ভার্তিক শরীরের উষ্ণতা আমি টেবিলের নিচ দিয়ে অনুভব করছিলাম। মা মুচকি হেসে আমার দিকে তাকিয়ে বাবাকে বললেন:
"সেটাই তো ওকে বোঝাচ্ছিলাম। ও তো এখন নিজের অধিকার নিয়ে খুব সচেতন। এমনকি বলছে—এই সন্তানের ওপর নাকি সব থেকে বেশি হক ওর, কারণ ও ইদানীং সারাক্ষণ আমার খেয়াল রাখছে। তুমি তো তোমার ওই কলেজ আর অংক নিয়েই থাকো! তাই ও বলছিল, তোমার স্মৃতি যদি এভাবে কমে যায়, তবে ও-ই নাকি এই বাড়ির 'প্রধান পুরুষ' হয়ে উঠবে।" "
বাবা তাঁর ডাল-ভাত মাখা শেষ করে চশমাটা টেবিলের ওপর রাখলেন। মায়ের কথা শুনে তিনি হালকা একটু হেসেই আবার গম্ভীর হয়ে বললেন:
"আগে ও নিজের পায়ে দাঁড়াক সীমা। তারপর না হয় এই বাড়ির প্রধান কর্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখবে। এখন থেকেই যদি ওকে সব দায়িত্ব দিয়ে দাও, তবে তো ওর পড়াশোনার ক্ষতি হবে। আগে প্রতিষ্ঠিত হোক, তারপর বাড়ির সব ভার ওকেই বুঝিয়ে দেব।"
বাবার এই সাদামাটা কথার পিঠে মা আমার দিকে তাকিয়ে এক মায়াবী আর বাঁকা হাসি হাসলেন।
মা টেবিলের নিচে নিজের পা দিয়ে আমার পায়ে এক গভীর চাপ দিলেন এবং বাবার দিকে তাকিয়ে দ্ব্যর্থবোধক স্বরে বললেন:
"সেটাই তো ও করছে গো! তুমি তো কেবল বাইরের প্রতিষ্ঠা দেখছো। কিন্তু আমি তো দেখছি ও ইদানীং নিজের পায়ে দাঁড়াতে খুব ভালোভাবেই শিখে গেছে। ও যখন আমার সামনে এসে দাঁড়ায়, ওর ওই শক্ত সামর্থ্য উপস্থিতি দেখে আমি বুঝতে পারি—এই সংসারের ‘ভার’ নেওয়ার ক্ষমতা ওর তৈরি হয়ে গেছে।  তুমি খাতা দেখা নিয়ে ব্যস্ত থাকো বলে ওর এই বেড়ে ওঠা আর ওর এই ‘দাঁড়িয়ে থাকা’ তেজটা ঠিক লক্ষ্য করতে পারো না।"
বাবা একটু অবাক হয়ে মায়ের দিকে তাকালেন। মা তখন অবলীলায় আবার বললেন:
"নিজের পায়ে দাঁড়ানো মানে তো শুধু টাকা রোজগার নয়। ও এখন জানে কীভাবে একটা উর্বর জমি আগলে রাখতে হয়, কীভাবে নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হয়। এমনকি ও যখন আমার এই অসুস্থতার দিনে আমার হাত ধরে মাঝে মধ্যে আনা-নেওয়া করে, তখন আমি অনুভব করি ওর পা দুটো এখন কতটা মজবুত আর স্থির।
বাবা মাথা নেড়ে বললেন, "তা হয়তো ঠিক। সৌরভের মধ্যে এখন দায়িত্ববোধ বাড়ছে। ভালো, খুব ভালো।"
তারপর আমি আর নিজেকে আটকে রাখতে পারলাম না। বাবা রুমে চলে যেতেই মায়ের পিছে পিছে রান্না ঘরে চলে গেলাম।

বাবার খাতা ওল্টানোর খসখস শব্দটা পাশের ঘর থেকে আসছিল, আর এখানে রান্নাঘরের স্তিমিত আলোয় আমি মায়ের আরও কাছে সরে গেলাম।

রান্নাঘরের হালকা হলদেটে আলোয় মায়ের সেই পাতলা সুতির শাড়িটা তাঁর শরীরে লেপ্টে আছে। আঁচলটা কাঁধ থেকে কিছুটা সরে যাওয়ায় তাঁর পিঠের মসৃণতা আর কোমরের সেই গভীর খাঁজটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। পাশের ঘরে বাবা তখনো খাতার হিসেবে মগ্ন। আমি ধীরপায়ে মায়ের পেছনে গিয়ে দাঁড়ালাম।
আমি এক হাতে মায়ের সেই উষ্ণ ও ভরাট কোমরটা জড়িয়ে ধরে তাঁকে নিজের শরীরের সাথে একদম লেপটে নিলাম। শাড়ির পাতলা আবরণ ভেদ করে মায়ের শরীরের উত্তাপ আমার বুকের ভেতর আছড়ে পড়ছিল। আমার অন্য হাতটা ধীরে ধীরে ওপরের দিকে উঠে এল। শাড়ির ওপর দিয়েই আমি মায়ের সেই স্ফীত ও ভারী স্তনযুগলের পূর্ণতা অনুভব করলাম। গর্ভাবস্থার কারণে সেগুলো আজ আগের চেয়েও অনেক বেশি টানটান আর সংবেদনশীল। আমি হাতের মুঠোয় সেই নিটোল উষ্ণতা অনুভব করে আলতো করে চাপ দিতেই মা একটা অস্ফুট আদুরে শব্দ করে আমার কাঁধে মুখ লুকালেন।
মা ফিসফিস করে কাঁপাকাঁপা গলায় বললেন:
"ওরে পাগল... করছিস কী! তোর বাবা যদি এই ঘরে চলে আসে? সব শেষ হয়ে যাবে তো!"
আমি থামলাম না। আমার ডান হাতটা এবার নেমে গেল নিচে, ঠিক যেখানে কোমরের পাশে শাড়ির কুচিগুলো গুজে রাখা আছে। সেই ভাঁজের ফাঁক দিয়ে আমি আমার হাতটা সরাসরি মায়ের শরীরের ভেতরে ঢুকিয়ে দিলাম। কোনো কাপড় নেই, কেবল মায়ের সেই উষ্ণ ও নিটোল মাংসল নিতম্বের মসৃণ স্পর্শ। আমি পরম তৃপ্তিতে সেই মাংসপিণ্ডটা জোরে চেপে ধরতেই মা আমার চুলে শক্ত করে মুঠি পাকালেন। তাঁর সারা শরীর ধনুকের মতো বেঁকে আমার সাথে মিশে গেল।
আমি মায়ের কানের লতিতে দাঁত দিয়ে একটু কুটকুট করে কামড় দিয়ে বললাম:
"বাবা তো খাতার জ্যামিতির দৈর্ঘ্য প্রস্থ মাপতে ব্যস্ত, মা। কিন্তু আমি তো তোমার এই শরীরের জ্যামিতি নিজের হাতে নতুন করে মাপছি। এই যে তোমার বুকটা আজ আমার ছোঁয়ায় এত ভারী, এই যে তোমার কোমরের এই উত্তপ্ত মাংস—এসবের ওপর তো শুধু আমারই রাজত্ব। বাবা তো কেবল ওপর ওপর দেখেন, কিন্তু আমি তো তোমার প্রতিটি ভাঁজে গিয়ে দৈর্ঘ্য প্রস্থ আর পরিধি মেপে আসি"


ধীরে ধীরে বাবার খাতা ওল্টানোর শব্দটা যেন বহুদূর থেকে ভেসে আসা কোনো অস্পষ্ট ধ্বনি মনে হচ্ছিল। আমার সমস্ত ইন্দ্রিয় তখন শুধু মায়ের সেই শাড়ির ভেতরের গোপন উষ্ণতায় আটকে আছে। আমি শাড়ির সেই আলগা কুচির ফাঁক দিয়ে হাতটা আরও নিচে, একদম গভীরে নামিয়ে নিয়ে গেলাম।
মায়ের সেই পুষ্ট ও মাংসল নিতম্বের মসৃণতা ছাড়িয়ে আমার আঙুলগুলো যখন মায়ের উষ্ণ ও রেশমি উরুর খাঁজে ভোদার মুখে গিয়ে পৌঁছল, মা তখন সজোরে আমার কাঁধটা খামচে ধরলেন। তাঁর সারা শরীর থরথর করে কাঁপছে। আমি অনুভব করলাম, গর্ভাবস্থার এই তিন মাসে মায়ের পুষ্ট ভোদাটা অনেক বেশি সংবেদনশীল আর আর্দ্র হয়ে উঠেছে।
আমি আঙুলের ডগা দিয়ে আলতো করে সেই গোপন মখমলের মত মসলিম ভোদাটা ছুঁতেই মা একটা দীর্ঘ, গভীর শ্বাস ফেললেন—যা কামনায় ভারী হয়ে আমার কানের পাশে আছড়ে পড়ল। তাঁর চোখ দুটো বুজে এল, কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমেছে। আমি আরও কিছুটা গভীরে গিয়ে যখন তাঁর উত্তপ্ত ও নিভৃত রসালো যোনিটি নিজের হাতের তালুতে অনুভব করলাম, তখন মা আমার চুলে আঙুল চালিয়ে নিজেকে আরও পেছনে ঠেলে দিলেন, যেন তিনি চাইছেন আমি তাঁকে পুরোটা শাসন করি।
আমি মায়ের কানের লতিতে মুখ ঘষতে ঘষতে ফিসফিস করে বললাম:
"মা, বাবা তো অংকের হিসেবে শূন্য আর এক গোনে, কিন্তু আমি তো তোমার এই শরীরের সবচেয়ে গোপন রহস্যটা নিজের হাতের মুঠোয় ধরে আছি।"  বলে গুদের উপর আমার হাতের চাপটা একটু বাড়ালাম।




মা তখন আধো-বোজা চোখে আমার দিকে তাকালেন। তাঁর সেই নেশাতুর চাউনি আর ঠোঁটের কোণে লেগে থাকা এক চিলতে হাসি আমাকে পাগল করে দিচ্ছিল। তিনি অত্যন্ত ক্ষীণ অথচ কাঁপাকাঁপা গলায় বললেন:
"উহ্ সৌরভ... থামিস না রে। তোর এই অবাধ্য হাতের ছোঁয়া যখন আমার এই সবচেয়ে সংবেদনশীল জায়গায় গিয়ে পৌঁছায়, তখন আমার মনে হয় আমি সত্যি তোরই সেই প্রিয়তমা যাকে তুই নিজের মতো করে গড়ে নিয়েছিস। আজ আমার এই পেটে তোর বীজ বড় হচ্ছে বলেই কি এই জায়গাটা এত বেশি তৃষ্ণার্ত হয়ে আছে? তুই যখন এভাবে আমায় ছুঁস, তখন প্রতিবারই আমার মনে হয়, আমার এই মাতৃত্ব আজ তোর কামনার কাছে হার মেনে সার্থক হয়েছে।"
মা হঠাৎ আবার ভাবুক কণ্ঠে বললো-
জানিস সৌরভ, তোর বাবা যখন আজ সকালে বলছিল যে আমার পেটটা নাকি আগের চেয়েও বেশি ভরাট হয়েছে, তখন আমার মনে মনে খুব হাসি পাচ্ছিল। আমি বলতে চাইছিলাম—এটা তো তোমার ওই জরাজীর্ণ হাতের ছোঁয়ায় হয়নি গো, এটা হয়েছে ১৯ বছরের এক জেদি যুবকের অবাধ্য সোহাগে! কিন্তু বলিনি। আমি চাই এই রহস্যটা শুধু আমাদের দুজনের মাঝেই থাকুক। তুই যখন আমার কাছে থাকিস, তখন আমার এই গর্ভটাও যেন শান্ত হয়, ঠিক যেমন তুই ছোটবেলায় আমার কোলে শান্ত হতিস।"



আমার হাত যখন মায়ের উষ্ণ ও নিভৃত উরুর খাঁজে ভোদার ঠোঁটে নিজের জয়গান লিখছে, মা তখন কেবল নুইয়ে পড়ছিলেন না—তিনিও চাইছিলেন আমার এই অবাধ্য পৌরুষকে নিজের হাতের মুঠোয় অনুভব করতে। বাবা ড্রয়িংরুমে ঘড়ির পেন্ডুলামের মতো খাতা ওল্টাচ্ছেন, আর এখানে মা হঠাৎ একদম আমার গায়ের ওপর লেপটে এলেন।
মা তাঁর এক হাত দিয়ে আমার ঘাড় জড়িয়ে ধরলেন, আর অন্য হাতটা শাড়ির আঁচলের আড়াল দিয়ে খুব দ্রুত নেমে এল নিচে। আমার প্যান্টের ওপর দিয়েই মা যখন আমার সেই উত্তপ্ত ও পাথরের মতো শক্ত লিঙ্গটা নিজের হাতের তালুতে চেপে ধরলেন, আমার শিরদাঁড়া দিয়ে এক বৈদ্যুতিক শিহরণ বয়ে গেল।
মা আমার চোখের গভীরে এক অদ্ভুত কামুক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ফিসফিস করে বললেন:
"শুধু তুই আমাকে শাসন করবি সৌরভ? আমারও তো দেখতে হবে আমার এই ১৯ বছরের রাজা তার সিংহাসন দখল করার জন্য কতটা প্রস্তুত! উফ্... এই কাঠিন্যই তো আমাকে পাগল করে দেয় রে।
মা থামলেন না। তাঁর আঙুলগুলো আমার সেই উত্তপ্ত অণ্ডকোষের ওপর দিয়ে এক মায়াবী ছন্দে খেলা করতে শুরু করল। প্যান্টের কাপড়ের ওপর দিয়েই তিনি আমার সেই পৌরুষের ভার আর উত্তাপ অনুভব করে এক দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। তাঁর ঠোঁট দুটো তখন আমার কানের একদম কাছে। তিনি কামনায় ভারী গলায় বললেন:
"জানিস সৌরভ, এই যে তুই আজ আমার ভেতরে এক নতুন প্রাণের স্পন্দন দিয়েছিস—তোর এই থলেটাতে ভর্তি গরম আর ঘন রসই তার একমাত্র কারণ। তোর এই অবাধ্য আর অবুঝ তেজ যখন আমার শরীরের গভীরে আছড়ে পড়ে, তখন আমি ভুলে যাই আমি তোর মা, মনে হয় আমি কেবল তোরই জন্য তৈরি হওয়া এক তৃষ্ণার্ত জমি।
আমি মায়ের স্ফীত ও ভরাট স্তনযুগলে মুখ ঘষতে ঘষতে বললাম, "মা, এই যে তুমি আমাকে এভাবে অনুভব করছো—এটাই তো আমার সবচেয়ে বড় পুরস্কার।

মা এবার আমার প্যান্টের জিপারটা নামানোর জন্য হাতটা একটু নিচে নামাতেই পাশের ঘর থেকে বাবার কাশির শব্দ এল। মা চমকে গিয়ে হাতটা সরিয়ে নিলেন, কিন্তু তাঁর চোখে তখন এক বিজয়ী তৃপ্তি। এরপর মা আঁচলটা ঠিক করতে করতে আমার কানে কানে বললেন:
"আর নয়... এখন যা। তোর এই আগ্নেয়গিরির আসল অগ্ন্যুৎপাত তো আমি আজ রাতে দেখব। রাতে যখন তুই আমার ঘরে আসবি, তখন কোনো কাপড় বা বর্ম আমাদের মাঝে থাকবে না। তুই আমাকে পুরোটা উন্মুক্ত করে দেখবি—তোর দেওয়া এই মাতৃত্বের জোয়ারে আমি কতটা বদলে গেছি।"

 



RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - Bad Boy - 09-14-2026

20





রাত তখন প্রায় একটা। সারা বাড়ি নিস্তব্ধতায় মোড়া। পাশের ঘর থেকে বাবার সেই পুরনো টেবিল ফ্যানের একঘেয়ে আওয়াজ আর মাঝেমধ্যে খাতা ওল্টানোর শব্দ আসছিল। বাবা হয়তো এখন কোনো জটিল জ্যামিতিক উপপাদ্যের শেষ ধাপে আটকে আছেন। কিন্তু তিনি কি জানেন, তাঁর এই নিস্পৃহ গাণিতিক জগতের ঠিক পাশেই জীবনের এক পরম নিষিদ্ধ ও জীবন্ত জ্যামিতি রচিত হতে চলেছে?
আমি পা টিপে টিপে মায়ের ঘরের দরজায় হাত রাখলাম। দরজাটা ভেজানো ছিল—এক নীরব আমন্ত্রণ। ভেতরে ঢুকতেই এক অদ্ভুত মায়াবী গন্ধে আমার ইন্দ্রিয়গুলো সজাগ হয়ে উঠল। ঘরে একটা হালকা নীল রঙের ডিম লাইট জ্বলছে, যা পরিবেশটাকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। মা বিছানায় আধশোয়া হয়ে আমার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তাঁর পরনে সেই পাতলা সুতির শাড়িটা এখন কেবল শরীরটাকে জড়িয়ে আছে।

ঘরের নীল আলোয় মায়ের সেই ভার্তিক শরীরের আবেদন আজ অন্য সব রাতের চেয়ে আলাদা। আমি মায়ের ঠিক সামনে বসলাম। মা একটা গভীর শ্বাস নিলেন, তাঁর বুকের ওঠা-নামায় ব্লাউজের বোতামগুলো যেন ছিঁড়ে বেরিয়ে আসতে চাইছে।
আমি প্রথমে হাত বাড়ালাম মায়ের কোমরের দিকে। সেখানে সুতির শাড়ির কুচিগুলো সায়ার ফিতায় খুব শক্ত করে গোঁজা ছিল। আমি যখন ধীরে ধীরে সেই কুচিগুলো টেনে বের করতে শুরু করলাম, মা তখন দুহাতে আমার কাঁধ আঁকড়ে ধরলেন। কুচিগুলো একে একে খসে পড়তেই মায়ের উষ্ণ ও ভরাট নাভি আর পেটের নিচটা আমার চোখের সামনে উন্মুক্ত হতে শুরু করল।
মা খুব নিচু স্বরে কাঁপাকাঁপা গলায় বললেন:
"উহ্ সৌরভ... আজ তোর হাতগুলো বড্ড বেশি কাঁপছে রে! কী দেখছিস ওভাবে? নিজের হাতেই তো এই জমি উর্বর করেছিস। খোল... আজ কোনো আড়াল রাখিস না।"
শাড়িটা এবার কেবল মায়ের কাঁধে আর সায়ার ফিতায় আলগা হয়ে ঝুলে আছে। আমি এবার হাত দিলাম মায়ের ব্লাউজের সামনের বোতামগুলোতে। একটা একটা করে বোতাম খোলার সময় আমার আঙুল যখন মায়ের সেই উষ্ণ ও ভরাট বুকের ত্বকে লাগছিল, মা তখন এক অদ্ভুত আবেশে চোখ বুজে ফেললেন। শেষ বোতামটা খুলতেই ব্লাউজটা দুপাশে সরে গেল। আমি ধীর হাতে মায়ের কাঁধ থেকে ব্লাউজ আর শাড়ির আঁচলটা একসাথে সরিয়ে দিলাম।
মায়ের সেই স্ফীত ও ভারী স্তনযুগল এখন কেবল পাতলা অন্তর্বাসের আড়ালে বন্দি। গর্ভাবস্থার কারণে সেগুলো আজ আগের চেয়ে অনেক বেশি নিটোল আর টানটান হয়ে উঠেছে। আমি সেই দৃশ্য দেখে স্তব্ধ হয়ে রইলাম। মা আমার মুগ্ধতা দেখে একটু হেসে বললেন:
"তোর এই অপলক চেয়ে থাকাটাই তো আমার সবচেয়ে বড় প্রশংসা রে। তোর বাবা তো কলেজের অংক নিয়েই ব্যস্ত, সে কি আর জানে, পাশের রুমেই তার ছেলে নতুন অংক কসছে? দেখ তো সৌরভ, তোর দেওয়া ঘন বীর্যের ঘনত্বে, আমার এই শরীর আজ কতটা পূর্ণ!"
শাড়ি আর ব্লাউজের বাধন ছিঁড়ে মা এখন আমার সামনে এক অর্ধনগ্ন দেবী। তাঁর শরীরের প্রতিটি ভাঁজে এখন মাতৃত্ব আর কামনার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ। নীল আলোয় তাঁর সেই দুগ্ধশুভ্র ও ভরাট বুকের ওঠা-নামা দেখে আমার তৃষ্ণা যেন কয়েক গুণ বেড়ে গেল।
আমি এবার হাত বাড়ালাম মায়ের সায়ার সেই শক্ত করে বাঁধা ফিতাটার দিকে। ফিতাটা টান দিতেই সায়াটা আলগা হয়ে মায়ের ভারী নিতম্বের পাশ দিয়ে পিছলে মেঝের ওপর স্তূপ হয়ে পড়ল। মা এখন সম্পূর্ণ নিরাবরণ। গর্ভাবস্থার এই তিন মাসে মায়ের শরীরটা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি রসালো আর আবেদনময়ী হয়ে উঠেছে। মায়ের এই উষ্ণ ও স্ফীত পেটটা যেন এক উর্বর ভূখণ্ড, যেখানে আমারই বীজ এখন শিকড় ছড়াচ্ছে।


আমি হাঁটু গেড়ে বসে মায়ের ভরাট পেটে ঠোঁট ছোঁয়ালাম। নাভির চারপাশটা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি টানটান। আমি আলতো করে মায়ের মসৃণ ত্বকে চুমু খেতে খেতে বললাম:
"মা, দেখো তো—বাবার ওই ক্যালকুলাস কি কোনোদিন এই ঘনত্বের হিসেব মেলাতে পারবে? এই যে তোমার পেটটা আজ আমার জন্য এভাবে ভারী হয়ে উঠেছে, এই যে তোমার শরীরের প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে আমার অধিকারের ঘ্রাণ—এসবের ওপর তো শুধু আমারই রাজত্ব।

মা আমার মাথায় দুহাত দিয়ে নিজের পেটের সাথে আরও জোরে চেপে ধরলেন। তাঁর সারা শরীরে তখন এক আদিম শিহরণ। তিনি আবেগে বুজে আসা গলায় বললেন:
"তোর এই নিবিড় করে দেখাটাই তো আমাকে সার্থক করে রে সৌরভ। তোর বাবা তো কেবল কর্তব্যের অংক কষে, কিন্তু তুই... তুই তো আমার এই পরিবর্তনের প্রতিটি ইঞ্চি নিজের ভেতরে শুষে নিচ্ছিস। দেখ তো, তোর ওই ১৯ বছরের উত্তপ্ত বীর্যের তেজে আমার শরীরটা আজ কতটা পূর্ণ আর ভারী হয়ে গেছে! তোর ওই অবাধ্য ছোঁয়া না পেলে এই বয়সে আমি এমন যৌবন কোথায় পেতাম?"

আমি এবার হাত বাড়ালাম মায়ের সেই উষ্ণ ও আর্দ্র উরুর গোপন অরণ্যে। কোনো কাপড়ের বাধা নেই, কেবল মায়ের সেই মখমলের মতো তপ্ত চামড়া। আমি যখন আঙুল দিয়ে মায়ের সংবেদনশীল ও উত্তপ্ত কেন্দ্রবিন্দুটি স্পর্শ করলাম, গুদের ঠোঁট দুটো রসে টয়টুম্বুর। মা সজোরে আমার পিঠ খামচে ধরলেন। গর্ভাবস্থার কারণে মায়ের ভোদাটা আজ অনেক বেশি আর্দ্র আর তৃষ্ণার্ত হয়ে আছে।

মা ব্যাকুল হয়ে আমার প্যান্টের জিপারটা নামিয়ে দিলেন। আমার সেই উত্তপ্ত ও পাথরের মতো শক্ত পৌরুষকে নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে মা এক অদ্ভুত বিজয়ী হাসি হাসলেন। গর্ভাবস্থার কারণে মায়ের শরীরের তাপমাত্রা এখন এমনিতেই বেশি, আর সেই তপ্ত হাতের ছোঁয়ায় আমার ধোনটা যেন আরও বেশি ফুলে-ফেঁপে উঠল। মা তাঁর আঙুলগুলো দিয়ে আমার সেই উত্তপ্ত শিরার খাঁজে খাঁজে খেলা করতে শুরু করলেন। মা আমার বাড়ার সেই শক্তিমত্তা আর কাঠিন্য নিজের তালুতে অনুভব করে এক অদ্ভুত বিজয়ী হাসি হাসলেন। তাঁর চোখ দুটো তখন কামনায় আচ্ছন্ন, ঠোঁট দুটো সামান্য ফাঁক হয়ে আছে। তিনি খুব নিচু স্বরে, প্রায় আমার ঠোঁটের ওপর ফিসফিস করে বললেন:
"উফ সৌরভ... এই তেজটাই তো আমাকে প্রতিদিন তিলে তিলে ধ্বংস করে আবার নতুন করে গড়ে তোলে রে! তোর বাবা তো কেবল বইয়ের পাতায় শক্তির সমীকরণ পড়ে, কিন্তু তোর এই শিরদাঁড়া খাড়া করা তেজী বাঁড়াটা আজ আমার হাতের মুঠোয়। দেখ তো, সে কি কোনোদিন কল্পনা করতে পেরেছে তার নিজের ছেলে তার চোখের আড়ালে এতটা ভয়ংকর আর প্রবল হয়ে উঠেছে? তোর এই আগ্নেয়গিরির উত্তাপই তো আজ আমার এই পেটটাকে ধন্য করেছে।"
মা এবার তাঁর হাতের মুঠোটা একটু ওপর-নিচ করতে শুরু করলেন। তাঁর হাতের সেই ছন্দময় ঘর্ষণে আমি প্রায় দিশেহারা হয়ে পড়ছিলাম। মা আমার সেই উত্তপ্ত মস্তকটি নিজের আঙুল দিয়ে আলতো করে টিপে দিয়ে আবার বললেন:
"জানিস সৌরভ, আজ যখন তুই আমাকে একটু পরেই এই গুদ বীর্যপূর্ণ করবি, তখন আমি ভুলে যাব যে আমি তোর জন্মদাত্রী। আমার শুধু মনে হবে আমি এক তৃষ্ণার্ত জমি, যে তার যোগ্য অধিপতির জন্য অপেক্ষা করছে। তোর ওই ১৯ বছরের রক্তে যে অবাধ্যতা আছে, সেটাই তো আমার সবচেয়ে বড় নেশা। তোর বাবা অংকের শূন্য আর একের হিসেব কষুক, তুই এসে আমার এই যোনিপথের উষ্ণতায় তোর রাজকীয় অধিকারের প্রমাণ রেখে যা। আজ কোনো আড়াল নয়, আজ শুধু তোর এই কাঠিন্য আর আমার এই নারীত্বের একীভূত হওয়ার রাত।"
আমি আর নিজেকে সামলাতে না পেরে মায়ের সেই স্ফীত ও ভারী নিতম্ব দুটো জাপটে ধরলাম। মা তাঁর হাতের মুঠোটা আরও শক্ত করে ধরলেন এবং আমার লিঙ্গের সেই তপ্ত ও আর্দ্র অগ্রভাগটিতে নিজের ঠোঁট ছোঁয়ালেন। সেই স্পর্শে আমার সারা শরীর ধনুকের মতো বেঁকে গেল। মা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে এক মায়াবী স্বরে বললেন:
"আয় সৌরভ... তোর এই সবটুকু তেজ আমার গভীরে আছড়ে ফেল, যাতে এই বাড়ির প্রতিটি কোণ আমাদের এই নিষিদ্ধ ভালোবাসার গন্ধে ভরে যায়।"
এবার মাকে বিছানায় আধশোয়া করে শুয়িয়ে দিলাম।
মা বিছানায় দুপা ছড়িয়ে আধশোয়া হয়ে আছেন, তাঁর সেই নিরাবরণ ও ভার্তিক শরীরটা নীল আলোয় এক অপার্থিব সৌন্দর্যে ঝলমল করছে। আমি সরাসরি মূল পর্বে না গিয়ে মায়ের সেই উর্বর শরীরের প্রতিটি ইঞ্চি পূজা করার সিদ্ধান্ত নিলাম।

আমি বিছানার পায়প্রান্তে হাঁটু গেড়ে বসলাম। মায়ের সেই দুগ্ধশুভ্র ও নরম পায়ের পাতা দুটো নিজের হাতের মুঠোয় তুলে নিলাম। মায়ের পায়ের আঙুলগুলো এখন গর্ভাবস্থার কারণে কিছুটা ফোলা আর তপ্ত। আমি প্রতিটি আঙুলের ডগায় গভীর করে চুমু খেতে শুরু করলাম। মা এক দীর্ঘ তৃপ্তির শ্বাস ফেলে বিছানার চাদরটা মুঠো করে ধরলেন।
আমি ধীরে ধীরে ওপরের দিকে উঠতে থাকলাম। মায়ের সেই উজ্জ্বল ও মাংসে ঠাসা নলি এবং মসৃণ উরু দুটোর খাঁজে খাঁজে আমার ঠোঁট আর জিব যখন বিচরণ করছিল, মা তখন কামনায় কুঁকড়ে যাচ্ছিলেন।
আমি যখন তাঁর সেই উষ্ণ ও আর্দ্র উরুর সন্ধিস্থলে অর্থাৎ মাতৃযোনীর নিকটে এসে পৌঁছলাম, মা তাঁর পা দুটো আরও চওড়া করে ছড়িয়ে দিয়ে আমাকে তাঁর সেই রাজকীয় সিংহাসনের পথে আমন্ত্রণ জানালেন।



আমিও আর দেরী না করে আমার উত্তপ্ত ও প্রস্তরীভূত ধোনটাকে নিয়ে মায়ের অতি সংবেদনশীল ও তৃষ্ণার্ত যোনিপথের মুখে এসে দাঁড়ালাম। গর্ভাবস্থার এক বিশেষ রসে মায়ের ভোদাটা এখন একদম সিক্ত। আমি ধীরে ধীরে প্রবেশের পথ খুঁজতেই মা আমার চোখের দিকে সরাসরি তাকালেন। তাঁর চোখে তখন এক আদিম শিকারির তৃপ্তি।

আমি আমার লিঙ্গের অগ্রভাগটা একটু ভেতরে ঢুকিয়েই থেমে গেলাম। সরাসরি মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে অত্যন্ত নিচু ও তপ্ত স্বরে বললাম:
"কি গো মা... বুঝতে পারছো? দেখো তো, তোমার ওই ১৯ বছরের অবাধ্য ছেলেটা আজ কতটা গভীরে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে আছে? বলো তো মা, তোমার ওই ছোট ছেলেটার কতখানি অংশ আজ তোমার এই তৃষ্ণার্ত ভোদাটায় সেঁধিয়ে গেল?"
মা আমার এই অশ্লীল ও গভীর প্রশ্নে শিউরে উঠলেন। তাঁর ঠোঁট দুটো থরথর করে কাঁপছে। তিনি আমার ঘাড় জড়িয়ে ধরে আরও কাছে টেনে নিলেন এবং আমার চোখে চোখ রেখে বুঁদ হয়ে থাকা গলায় বললেন:
"উহ্ সৌরভ... তুই তো কেবল অর্ধেকের মতো ঢুকেছিস রে! কিন্তু ওইটুকুর তেজেই আমার ভেতরটা কেমন আগুনের মতো জ্বলছে।তুই আরও আয়.... তোর এই আস্ত রাজদণ্ডটা আমার জঠরের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত গেঁথে দে। আমাকে তোর ওই অশ্লীল ভালোবাসায় তছনছ করে দে রে।"
আমি আর দেরি করলাম না। একটা জোরালো ধাক্কায় আমি যখন আমার বাঁড়ার সবটা নিয়ে মায়ের জরায়ুর গভীরে আছড়ে পড়লাম, মা এক তীব্র আর্তনাদ করে আমাকে জাপটে ধরলেন। আমি মায়ের উপর থেকে একটু উঠে আমার হাত দুটো মায়ের সেই স্ফীত ও কোমল পেটের ওপর রাখলাম। আমি অনুভব করছিলাম, প্রতিটা ধাক্কায় মায়ের পেটের ভেতরে থাকা সেই নতুন প্রাণটাও যেন আমাদের এই নিষিদ্ধ উল্লাসে দুলছে।
আমি ধাক্কা দিতে দিতে আবার মায়ের চোখে চোখ রেখে বললাম:
"দেখো মা, তোমার এই পেটটা আমার প্রতিটি ধাক্কায় কেমন কাঁপছে! বলো না মা, তোমার এই জঠর আজ কার অধিকারে কাঁপছে?"
মা তখন এক চরম আবেশে মাথা নাড়াতে নাড়াতে ফিসফিস করে বললেন:
"সব তোর... সব তোর সৌরভ! এই শরীর, এই পেট, আর তোর বাড়া ঢুকিয়ে রাখা গর্তটা, আর ভেতরে বড় হওয়া এই প্রাণটাও—সবই আজ তোর ওই অবাধ্য তেজের গোলাম। তুই আজ আমাকে মা থেকে তোর পরম প্রিয়তমা করে নেরে, বাপ...!।"

আমি আবার আমার দুই হাতের তালু মায়ের স্ফীত ও কোমল পেটের ওপর খুব আলতো করে ছড়িয়ে দিলাম। আমি অনুভব করতে পারছিলাম, প্রতিটি ধাক্কার সাথে মায়ের পেটের ভেতরে থাকা সেই নতুন প্রাণটি যেন এক মৃদু ছন্দে দুলছে। আমি আমার গতির চেয়ে গভীরতার দিকে বেশি নজর দিচ্ছিলাম, যাতে মা কোনোভাবেই ব্যথা না পান বা তাঁর কোনো অস্বস্তি না হয়।
আমি একটু থেমে গিয়ে মায়ের চোখের মণির দিকে তাকালাম। তাঁর কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমেছে, গাল দুটো কামনায় টকটকে লাল। আমি খুব ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করলাম:
"মা, তোমার কি খুব কষ্ট হচ্ছে? তোমার এই পেটটা তো এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি নরম। আমার এই অধিকারের ভার কি তুমি সইতে পারছো তো?"
মা এক পরম মমতায় আমার ঘাড় জড়িয়ে ধরলেন। তাঁর চোখ দুটো তখন জলে চিকচিক করছে—সেটা ব্যথার নয়, বরং এক আদিম সার্থকতা আর ভালোবাসার জল। তিনি আমার কপালে একটা তপ্ত চুমু খেয়ে অত্যন্ত মৃদু স্বরে বললেন:
"না রে সৌরভ... কোনো কষ্ট হচ্ছে না। বরং তোর এই সর্তকতা, এই যে তুই আমার পেটের ওপর হাত রেখে এত যত্ন করে আমাকে নিজের করে নিচ্ছিস—এটাই তো আমাকে শান্ত করে দিচ্ছে। তুই যখন আমার জরায়ুর ভেতরে আছড়ে পড়িস, তখন আমার মনে হয় তোর বাবা সারাজীবনে আমাকে যেটুকু যত্ন দিতে পারেনি, তুই এই কয়েক মিনিটেই তার চেয়ে বেশি ভালোবাসা উজার করে দিলি। তোর এই শাসনটা বড্ড আদুরে রে।"
আমি মায়ের কথার রেশ ধরে আবার ধীরে ধীরে নড়াচড়া শুরু করলাম। এবার আমি লক্ষ্য করলাম, মা নিজেই তাঁর দুপা আমার কোমরের ওপর আরও শক্ত করে জড়িয়ে নিচ্ছেন, যেন তিনি চাইছেন আমি আরও গভীরে গিয়ে তাঁর সেই তৃষ্ণার্ত কেন্দ্রবিন্দুটি দখল করি। আমি মায়ের সেই স্ফীত ও ভরাট স্তনযুগলে নিজের মুখ ঘষতে ঘষতে বললাম:
"বাবা তো পাশের ঘরে অংকের কাটাকুটি করছে, কিন্তু সে কি জানে—আমি আজ কতটা যত্ন নিয়ে তোমার এই উর্বর ভোদাটার প্রতিটি ইঞ্চি শাসন করছি? মা, আমি চাই না তোমার বিন্দুমাত্র কোনো কষ্ট হোক। আমি শুধু চাই, তোমার ভোদাটা আজ আমার এই তেজের প্রতিটি স্পন্দন নিজের শরীরে অনুভব করুক।"
মা তখন এক চরম আবেশে চোখ বুজে ফেললেন। তাঁর দীর্ঘশ্বাসের তপ্ত বাতাস আমার কানে আছড়ে পড়ছিল। তিনি কোনোমতে বলতে পারলেন:
"তোর এই যত্নই তো আমাকে তোর চিরদাসী করে রাখল রে সৌরভ। তুই যখন এভাবে আমার পেটে হাত রেখে আমাকে শাসন করিস, তখন মনে হয় আমার ভেতরের এই প্রাণটাও তোর ছোঁয়ায় ধন্য হচ্ছে।



এভাবেই মাকে সঙ্গম করতে করতে অনেকটা সময় অতিবাহিত হয়ে গেলো।
মিলনের উত্তাল ঝড় এখন শান্ত হয়ে এসেছে। আমি মায়ের সেই উষ্ণ ও ভরাট শরীরের ওপর অবশ হয়ে পড়ে আছি। মা এক পরম তৃপ্তিতে আমার ঘাম ভেজা চুলে আঙুল চালাচ্ছিলেন। ঘরের সেই নীল আলোয় মায়ের চোখের মণি দুটো তখনো নেশাতুর। তিনি আমার কানের কাছে মুখটা আরও নিবিড়ভাবে নিয়ে এলেন। এবার তাঁর গলায় কোনো শুকনো প্রশংসা ছিল না, ছিল এক অদ্ভুত অধিকারের সুর।
মা ফিসফিস করে বললেন:
"জানিস সৌরভ, আজ থেকে আমার এই শরীরের প্রতিটি স্পন্দন তোর নামে লিখে দিলাম। তুই যখন আমার ভোদার ভেতরে তোর ওই উত্তপ্ত বীর্যের শেষ বিন্দুটা ঢেলে দিচ্ছিলি, তখন আমি অনুভব করছিলাম—এই বাড়িতে তোর বাবা কেবল একজন অতিথি, আর তুই-ই এই উর্বর সাম্রাজ্যের আসল অধিপতি। তোর বাবা তো চায় তুই 'নিজের পায়ে দাঁড়াস', সে কি আর জানে যে তুই তোর এই শক্ত ধোনটা দিয়ে কিভাবে নিজের জয়পতাকা আমার ভোদায় গেঁড়ে দিয়েছিস?"

মায়ের হাতের তালুটা এবার আমার পিঠ থেকে নেমে গিয়ে তাঁর নিজের সেই স্ফীত ও কোমল পেটের ওপর স্থির হলো। তিনি আমার চোখের দিকে সরাসরি তাকিয়ে এক রহস্যময় হাসি হাসলেন।
"শোন সৌরভ, কাল থেকে যখন তোর বাবা তোর হাতে তাঁর ওই জ্যামিতির বইগুলো তুলে দেবে, তুই তখন তাঁর চোখে চোখ রেখে হাসিস। মনে মনে বলিস—যাকে আপনি ঘরের লক্ষ্মী ভাবেন, সে আজ তার অবাধ্য ছেলের শাসনের দাসী হয়ে গেছে। আমি চাই, তুই এখন থেকে প্রতিটি মুহূর্ত আমাকে তোর অধিকারের কথা মনে করিয়ে দিবি। তুই যখন আমার সামনে দিয়ে হেঁটে যাবি, তোর চোখের চাউনি যেন বলে দেয়—এই শরীরটা কেবল তোর ভোগের জন্য তৈরি হয়েছে।"
আমি মায়ের সেই ভরাট ও স্ফীত স্তনযুগলে মুখ ঘষতে ঘষতে বললাম, "মা, বাবা তো কেবল দায়িত্বের কথা বলেছিলেন, কিন্তু আমি তো তোমাকে আমার অস্তিত্ব দিয়ে দখল করে নিয়েছি। কাল থেকে তোমার এই শরীরের প্রতিটি ভাঁজ আমার প্রতিটি নিশ্বাসের হিসেব দেবে।"
মা আমার মাথাটা নিজের বুকের সাথে আরও জোরে চেপে ধরে বললেন:
"একদম। আর শোন, এখন থেকে এই বাড়িতে কোনো কিছুই আর আগের মতো হবে না। সীতা যখন আমাদের দিকে তাকাবে, সে যেন তোর দাপট দেখে বুঝতে পারে যে এই বাড়ির চাবিকাঠি এখন কার হাতে। তুই বড় হয়েছিস সৌরভ, আর তোর এই বড় হওয়াটা আমি আমার প্রতিটা রক্তকণিকা দিয়ে অনুভব করছি। আজ থেকে এই শাড়ি, এই ব্লাউজ আর এই সায়া—সবই তোর আদেশের অপেক্ষায় থাকবে। তুই যখন চাইবি, তখনই আমি নিজেকে তোর সামনে উন্মুক্ত করে দেব।"
মায়ের এই নতুন রূপ আর এই নির্ভীক প্রতিজ্ঞা শুনে আমার ১৯ বছরের রক্তে আবার একটা শিহরণ বয়ে গেল। পাশের ঘর থেকে বাবার কাশির শব্দ এল, কিন্তু মা এবার আর ভয় পেলেন না। বরং তিনি আমাকে আরও জোরে জড়িয়ে ধরে নিজের সেই উষ্ণ ও ভার্তিক শরীরের গভীরতা আমাকে অনুভব করালেন।
এভাবেই একবারেই রাতের সঙ্গম শেষ হলো।
এরপর আমি আমার রুমে চলে এলাম।



পরদিন......