আবছায়া কুয়াশাভেজা শীতের সকাল হোক কিংবা ভ্যাপসা গরমের দুপুর—রূপসা চক্রবর্তীর উপস্থিতি যে কোনো জায়গাতেই এক অন্যরকম আবহ তৈরি করত। বয়স সবেমাত্র ৩৯ ছুঁয়েছে, কিন্তু তাঁর শরীরের প্রতিটি রেখা, চামড়ার টান এবং রূপের জৌলুস দেখলে যে কেউ বয়সকে ভুল বলতে বাধ্য। বাংলার ঐতিহ্যবাহী এক কুলীন * ', পরিবারের ঐতিহ্য আর আধুনিকতার এক অসম্ভব সুন্দর মিশ্রণ তাঁর চালচলন। রূপগড় হাই কলেজের ইংরেজি সাহিত্যের শিক্ষিকা তিনি। ক্লাসরুমে যখন ব্ল্যাকবোর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে শেক্সপিয়র কিংবা ওয়ার্ডসওয়ার্থ পড়াতেন, তখন ছাত্রছাত্রীদের মন পঠনপাঠনের চেয়ে বেশি আটকে থাকত তাঁর ব্যক্তিত্ব এবং রূপের মোহে। শিক্ষকতার গাম্ভীর্য এবং এক শরীরী আবেদন মিলে তাঁকে এক অনন্য উচ্চতা দিয়েছিল।
রূপসার রূপের বর্ণনা করতে গেলে প্রথমেই আসে তাঁর ত্বকের কথা। গায়ের রং কেবল ফর্সা নয়, একেবারে ধবধবে দুধসাদা। রোদ লাগলে মনে হয় যেন খাঁটি কাঁচের ওপর আলো প্রতিফলিত হচ্ছে। এহেন নিখুঁত ফর্সা ত্বকের অধিকারিণী রূপসা জন্ম থেকেই রূপসী, কিন্তু সেই রূপকে তিনি তিলে তিলে এমন এক মানে নিয়ে গেছেন যা বাংলা বা ভিনদেশি যেকোনো প্রথম সারির রূপবতী অভিনেত্রীকেও অনায়াসে হার মানাতে পারে। তাঁর গায়ের রঙে এতটুকু বিন্দুমাত্র কালচে ছোপ, বা কোনো ধরনের ক্ষত বা দাগের লেশমাত্র নেই। তাঁর সারা শরীরটি যেন এক টুকরো নিখুঁত মার্বেল পাথরের মূর্তি, যাকে বহু যত্নে কোনো দক্ষ ভাস্কর নিজ হাতে খোদাই করেছেন। রোদের আলোয় তাঁর গায়ের চামড়া আলাদা একটা দ্যুতি ছড়ায়।
তাঁর মুখের অবয়ব দেখলে যে কারও চোখের পলক পড়তে চাইবে না। তীক্ষ্ণ নাক, টানা টানা দু'টি চোখ যা ঘন কাজল ও মাসকারায় আরও বেশি রহস্যময়ী করে তোলেন, আর পাতলা নরম ঠোঁট—সব মিলিয়ে এক ধ্রুপদী সৌন্দর্য। মুখের সেই অতুলনীয় লাবণ্য যেন তাঁর ব্যক্তিত্বের মুকুট। তবে তাঁর রূপের সবথেকে বড় অস্ত্র ছিল তাঁর শরীরের নিখুঁত মাপ এবং গঠন। ছত্রিশ-ত্রিশ-আট (৩৬-৩০-৩৮) মাপের এই ফিগারটি তিনি এমন নিখুঁতভাবে মেইনটেইন করে চলেছিলেন যা দেখে মনে হতো বয়স তাঁর কাছে কেবলই একটা সংখ্যা। নিয়মিত জিম, ইয়োগা এবং খাদ্য তালিকার কড়াকড়ি তাঁকে এই পারফেক্ট ফিগার উপহার দিয়েছিল। তাঁর এই সুগঠিত চেহারার মধ্যে একটা অদ্ভুত মাদকতা বা কামুকতা লুকিয়ে ছিল, যা তাঁর চালচলনে, দাঁড়ানোর ভঙ্গিতে কিংবা সামান্য হাসিতেও স্পষ্ট হয়ে উঠত।
এই কামুক রূপের মুকুটে সবচেয়ে বড় মানিক ছিল তাঁর বক্ষযুগল। তাঁর ব্লাউজ বা কুর্তির ওপর দিয়েই স্পষ্ট বোঝা যেত তাঁর স্তনযুগলের পূর্ণতা। ৩৬ সাইজের এই ভারী ও সুগঠিত বুক তাঁর শরীরের আবেদনকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। তিনি জানতেন তাঁর এই রূপের জাদুকরি আকর্ষণ কোথায়। তাই তিনি সাধারণ আটপৌরে বাঙালি মহিলাদের মতো গা ঢাকা পোশাক পরতেন না। বরং তিনি একটু খোলামেলা বা একটু ডিপ নেক পোশাক পরতে ভালোবাসতেন। বিশেষ করে হালকা Cleavage উন্মুক্ত রাখা ছিল তাঁর অন্যতম পছন্দ। শাড়ির আঁচল হোক কিংবা সালোয়ারের গলার ছাঁট—সামান্য ক্লিভেজ যখনই তাঁর শরীরের নড়াচড়ায় উঁকি দিত, তখন তাঁর নিজেরও আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বেড়ে যেত। তিনি জানতেন রুমের সমস্ত পুরুষ কিংবা আশেপাশে থাকা যে কারও চোখ তাঁর এই সুনিপুণ শরীরের সেই বিশেষ অংশের ওপর আটকে যেতে বাধ্য। আর সেই চোখের ভাষা তিনি উপভোগও করতেন এক অদ্ভুত অহংকার নিয়ে।
রূপসার এই ধবধবে ফর্সা ও আকর্ষণীয় শরীরের পেছনে ছিল এক বিশাল যত্নের ইতিহাস। তিনি নিজেকে নিয়ে অত্যন্ত সচেতন ছিলেন। তাঁর রূপের নিখুঁত সৌন্দর্য বজায় রাখার জন্য তিনি নিয়ম করে মাসে অন্তত দু'বার স্থানীয় বা শহরের কোনো নামী পার্লারে যেতেন। পার্লারে গিয়ে ফেশিয়াল, ওয়াক্সিং, ম্যানিকিউর এবং পেডিকিওর—এই রুটিনগুলো তাঁর জীবনের অঙ্গ ছিল। রূপসার কাছে শরীর মানে এক পবিত্র মন্দির, যেখানে এক ফোঁটা মলিনতাও সহ্য করা যায় না।
বিশেষ করে শরীরের লোম নিয়ে রূপসা ছিলেন ভীষণ রকম খুঁতখুঁতে। তাঁর ফর্সা ও মসৃণ গায়ে একটি সামান্য লোমও তাঁর পছন্দ ছিল না। নিজের ধবধবে ফর্সা ত্বককে সর্বদা লোমহীন, সিল্কের মতো মসৃণ রাখতে তিনি পার্লারে গিয়ে নিয়মিত ফুল বডি ওয়াক্সিং করাতেন। মুখের সামান্য ফেসিয়াল হেয়ার থেকে শুরু করে হাত, পা কিংবা শরীরের অন্য অংশের প্রতিটি ইঞ্চি লোমহীন এবং নিখুঁতভাবে পরিষ্কার রাখাই ছিল তাঁর প্রধান শর্ত। ওয়াক্সিং করানোর পর যখন পার্লার থেকে সুগন্ধি লোশন বা ময়েশ্চারাইজার মেখে তিনি বের হতেন, তখন তাঁর শরীর থেকে এক ধরনের মোহিত করা সুবাস ছড়াত। সেই লোমহীন, দুধসাদা ত্বক হাত দিয়ে ছুঁলে মনে হতো যেন কোনো নরম তুলতুলে রেশমি কাপড় ছুঁয়ে আছেন।
হাত ও পায়ের নখের যত্ন নেওয়ার জন্য ম্যানিকিউর ও পেডিকিওর ছিল তাঁর মাসিক তালিকার আবশ্যিক অংশ। তাঁর হাতের লম্বা ও সুডৌল আঙুলগুলোতে যখন নান্দনিক রঙের নেলপলিশ থাকত, তখন ইংরেজি খাতা দেখার সময় সেই হাতগুলো আরও বেশি সুন্দর লাগত। পা দু'টিও ছিল সমানভাবে আকর্ষণীয় ও দাগহীন। পার্লারে গিয়ে ফেসিয়ালের মাধ্যমে তিনি তাঁর মুখের ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেননি। তিরিশ পেরিয়ে উনচল্লিশে এসেও তাঁর মুখের স্কিন টোন ছিল পঁচিশ বছরের তরুণীর মতো টানটান এবং উজ্জ্বল। ফেসিয়ালের স্টিম ও মাসাজের পর তাঁর গালের গোলাপি আভা যেন তাঁর সৌন্দর্যকে এক অন্য স্তরে নিয়ে যেত।
রূপগড় হাই কলেজের বারান্দা দিয়ে যখন তিনি হাঁটতেন, তাঁর হাই হিলের খটখট শব্দ আর তাঁর সুগন্ধীর মোহময়ী ঘ্রাণ চারপাশের বাতাসকে ভারী করে তুলত। পরনে কটন সিল্কের শাড়ি বা মার্জিত সালোয়ার কামিজ—যেকোনো পোশাকেই তাঁর এই ৩৬-৩০-৩৮ এর শরীরের কার্ভগুলো খুব স্পষ্ট হয়ে ধরা দিত। ব্লাউজের পেছনটা একটু নিচু এবং সামনে হালকা ক্লিভেজ—এই স্টাইলটি ছিল তাঁর সিগনেচার। নিজের শরীরের এই ভৌত সৌন্দর্য নিয়ে তাঁর মনে এক গভীর অহংকার ও আত্মতুষ্টি কাজ করত। তিনি জানতেন সমাজের চোখে তিনি একজন সম্মানিতা শিক্ষিকা হলেও, পুরুষের কামুক দৃষ্টির কেন্দ্রবিন্দুতেও তিনিই একমাত্র রানি।
তাঁর এই ধবধবে ফর্সা শরীরের প্রতি ইঞ্চি যেন কথা বলত। পার্লারের নিয়মিত পরিচর্যা, জন্মগত নিখুঁত ত্বক, এবং শরীরের সেই গঠন মিলে রূপসা চক্রবর্তী হয়ে উঠেছিলেন এক জীবন্ত শিল্পকর্ম। তাঁর দিকে তাকালে নিছক একজন শিক্ষককে দেখা যেত না, দেখা যেত এক পরিপূর্ণ কামুক নারীর রূপের আগুন, যা আশেপাশের সব কিছুকে পুড়িয়ে ছাই করে দিতে পারে। তাঁর এই রূপের আগুনে কেই বা না পুড়ে মরতে চাইত? রূপসার এই বাহ্যিক আবেদন ও শারীরিক সৌন্দর্য তাঁর ব্যক্তিত্বের মূল চাবিকাঠি ছিল।
পরের পার্টে রূপসার পারিবারিক জীবন, অর্থাৎ তাঁর স্বামী এবং একমাত্র ছেলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের টানাপোড়েন ও ভেতরের গল্প নিয়ে আলোচনা করা হবে। প্রথম পার্ট টা কেমন লাগলো জানান ও সবাই like করবেন।
[quote pid="6302659" dateline="1788328293"]
রূপসা চক্রবর্তীর এই যে ঝলমলে, আবেদনময়ী এবং নিখুঁত রূপ—তার আড়ালে লুকিয়ে ছিল এক অন্য জীবন, এক নিঃসঙ্গতার গল্প। রূপগড় হাই কলেজের অনিন্দ্যসুন্দরী ইংরেজি শিক্ষিকা হিসেবে সবাই তাঁকে সমীহ করত, তাঁর রূপের জাদুতে মুগ্ধ থাকত ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে সহকর্মীরাও। কিন্তু ঘরের অন্দরে রূপসা ছিলেন এক অন্য মানুষ। তাঁর বিশাল একতলা-দোতলা মিলিয়ে সাজানো গোছানো বাড়িতে বাইরের জাঁকজমকের চেয়ে বেশি ছিল এক অদ্ভুত শূন্যতা। এই শূন্যতার প্রধান কারণ তাঁর স্বামী রথীন চক্রবর্তী।
রথীন চক্রবর্তী পেশায় একজন সফল ব্যবসায়ী। তাঁর ব্যবসা শুধু স্থানীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা রাজ্য তথা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে। এই বিশাল ব্যবসার তদারকি এবং নিত্যনতুন ডিল ফাইনাল করার জন্য রথীনকে মাসের বেশিরভাগ সময়ই বাড়ির বাইরে কাটাতে হয়। কখনো কলকাতা, কখনো মুম্বাই, আবার কখনো উত্তর ভারতের বিভিন্ন বড় শহরে তাঁর যাতায়াত লেগেই থাকে। মাসে হয়তো বড় জোর আট থেকে দশ দিন তিনি রূপসার সঙ্গে এক ছাদের নিচে কাটার সুযোগ পান। রথীনের এই দীর্ঘ অনুপস্থিতি রূপসার বিশাল ও অভিজাত বাড়িটিতে এক অদ্ভুত শূন্যতা তৈরি করে। কিন্তু সেই শূন্যতা কখনো রূপসাকে দুর্বল করে না, বরং তাঁর স্বাধীনচেতা ও আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তিত্বকে আরও বেশি শানিত করে তোলে। রথীন যখন বাড়িতে থাকেন, তখন তাদের দাম্পত্য জীবনে এক ধরণের পরিপক্ব ও উষ্ণ টান থাকে, কিন্তু যখন রথীন দূরে থাকেন, তখন রূপসা নিজের মতো করে নিজের সাম্রাজ্য চালান। সুশ্রী, ধবধবে ফর্সা এবং ৩৬-৩০-৩৮ ফিগারের এই নারী জানেন কীভাবে নিজের শরীর ও মনকে তরতাজা রাখতে হয়।
স্বামীর এই দীর্ঘ অনুপস্থিতি রূপসার জীবনে এক অদ্ভুত দ্বৈততা তৈরি করেছিল। একদিকে যেমন তিনি পেয়েছিলেন স্বাধীন জীবন, যেখানে কেউ তাঁকে কোনো কিছু নিয়ে বারণ করার ছিল না, অন্যদিকে তেমনি একজন স্বামীর সান্নিধ্য এবং শারীরিক উষ্ণতা থেকে তিনি ছিলেন বঞ্চিত। এই দীর্ঘ বঞ্চিত জীবন রূপসার ভেতরের কামুকতাকে যেন আরও বেশি উসকে দিত। রথীন যখন বাড়ি আসতেন, তখন একটা সাময়িক ঝড় বইত সেই ঘরে। কিন্তু সেই ক’টা দিনের রুটিন ফুরোলেই আবার সেই চিরচেনা নিঃসঙ্গতা। রথীন ভালোবাসতেন নিজের ব্যবসা আর টাকা কামানোর নেশাকে। রূপসার রূপের অহংকার, তাঁর ওই ৩৬-৩০-৩৮ এর শরীরের জৌলুস, তাঁর ৩৯ বছরের যৌবনের জোয়ার—সবকিছু যেন রথীনের কাছে অনেক সময় গৌণ হয়ে দাঁড়াত ব্যবসার ব্যস্ততার ভিড়ে। তবে রথীন যখনই আসতেন, রূপসা তাঁর শরীরের সমস্ত পারফেকশন দিয়ে তাঁকে কাছে টানার চেষ্টা করতেন। কিন্তু রথীনের ক্লান্তি ভরা শরীর আর ব্যবসায়িক চিন্তা সেই উত্তাপের পুরোটা উপভোগ করতে পারত কি না, তা নিয়ে রূপসার মনে এক ধরনের অভিমানও কাজ করত।
তবে রথীনের অনুপস্থিতি রূপসাকে গৃহকোণে একা করে রাখেনি, কারণ তাঁর জীবনে ছিল তাঁর একমাত্র সম্বল ও অহংকার—তাঁর ছেলে রাজ। রাজ তখন ক্লাস নাইনে পড়ে। বয়স সবে পনেরোর কোঠায় পা দিয়েছে। বয়ঃসন্ধির সেই ঝোড়ো হাওয়ায় ভাসমান এক কিশোর রাজ। কৈশোরের দুরন্ত কৌতূহল আর বয়ঃসন্ধিজনিত হরমোনের পরিবর্তনের জেরে রাজের চোখে তার মায়ের রূপ একটা অন্য মাত্রা নিয়েছিল। ক্লাসের বাকি দশটা ছেলের মায়ের মতো রূপসা ছিলেন না। রূপসার ধবধবে ফর্সা ত্বক, তাঁর গা থেকে ভেসে আসা পার্লারের সুগন্ধী লোশনের মোহময়ী ঘ্রাণ, তাঁর পরিপাটি মেকআপ রাজের কিশোর মনে এক অদ্ভুত শিহরণ জাগাত। রাজ নিজের মাকেই যখন এতটা আধুনিক, গ্ল্যামারাস এবং আকর্ষণীয় রূপে দেখত, তখন তার মনের মধ্যে এক জটিল মানসিক দ্বন্দ্ব ও মায়ের প্রতি এক অস্বাভাবিক মুগ্ধতা তৈরি হতো।
মা এবং ছেলের এই বন্ধন ছিল অত্যন্ত গভীর, কারণ রথীন না থাকায় রূপসা তাঁর সমস্ত মনোযোগ ও সময় ঢেলে দিয়েছিলেন রাজের ওপর। রাজের পড়াশোনা, তার খাওয়া-দাওয়া, তার পছন্দ-অপছন্দ—সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন রূপসা নিজে। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে কলেজ যাওয়ার প্রস্তুতি—সবকিছুর পেছনে থাকে রূপসার নিখুঁত হাতছোঁয়া। শীত-গ্রীষ্ম নির্বিশেষে রূপসা প্রতিদিন সকালে নিজে হাতে রাজের জন্য টিফিন তৈরি করেন, তার ইউনিফর্ম প্রেস করে দেন। আর তারপর শুরু হয় তাদের প্রতিদিনের সেই রোমাঞ্চকর ও দৃষ্টিনন্দন রুটিন—স্কুটি রাইড।
সকাল সাড়ে নটা বাজলেই রূপসা চক্রবর্তী রূপগড় হাই কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হন। কলেজে যাওয়ার আগে তিনি নিজেকে আরও একবার আয়নার সামনে গুছিয়ে নেন। গায়ে হালকা কটন সিল্কের শাড়ি বা মার্জিত কুর্তি, চুলে পরিপাটি করে বাঁধা খোঁপা, চোখে রোদচশমা ,তাঁর সেই ধবধবে ফর্সা মুখাবয়ব, কপালে ছোট একটি লাল টিপ, আর পার্লারে নিয়মিত ওয়াক্সিং করা মসৃণ হাত-পা তাঁকে করে তোলে অনন্য। এই রূপ নিয়ে যখন তিনি স্কুটি চালাতেন, তখন তাঁর ৩৬-৩০-৩৮ এর শরীরের কার্ভগুলো স্কুটির সিটের সঙ্গে এমন এক ভঙ্গিতে আটকে থাকত যা রাস্তার যে কারও নজর কাড়তে বাধ্য । তিনি বাড়ির গ্যারেজ থেকে তাঁর উজ্জ্বল রঙের স্কুটিটি বের করেন। রাজ তখন কলেজ ব্যাগ কাঁধে নিয়ে স্কুটির পেছনে বসার জন্য অপেক্ষা করে।
রাজ যখন স্কুটির পেছনে বসে, তখন তাকে মায়ের ঠিক পিঠের সঙ্গে লেপটে থাকতে হয়। স্কুটির চাবি ঘুরিয়ে রূপসা যখন এক্সিলারেটর মোচড় দেন, তখন সামান্য ঝাঁকুনিতে রাজের বুক গিয়ে ধাক্কা খায় রূপসার নরম ও ভারী পিঠের সঙ্গে। রূপসার সেই ধবধবে ফর্সা শরীর থেকে ভেসে আসা মৃদু সুবাস এবং তাঁর পারফিউমের ফ্রেগ্রেন্স রাজের সমস্ত ইন্দ্রিয়কে আচ্ছন্ন করে ফেলে। স্কুটি যখন রূপগড়ের মেঠো পথ পেরিয়ে পিচঢালা হাইওয়ে ধরে ছুটতে থাকে, তখন বাতাসের বেগে রূপসার লম্বা চুলগুলো উড়তে থাকে এবং মাঝে মাঝে তা এসে রাজের মুখে ও চোখে লাগে। সেই চুলে থাকে চন্দনের মতো সুবাস। রাস্তার কোনো স্পিডব্রেকার বা মোড় ঘোরার সময় যখন স্কুটি একটু বাঁক নেয়, তখন রাজকে সাময়িকভাবে মায়ের কোমর জড়িয়ে ধরতে হয়। মায়ের সেই নরম ও সুগঠিত কোমরের স্পর্শে রাজের শরীরে এক অজানা শিহরণ বয়ে যায়। মাত্র পনেরো মিনিটের এই স্কুটি যাত্রা রাজের কাছে প্রতিদিন এক চরম উত্তেজনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। সে আচ্ছন্ন হয়ে থাকে তার মার শরীরী গন্ধে ও সান্নিধ্যে।
রাজ লম্বায় প্রায় মায়ের সমান হয়ে এসেছে। বয়ঃসন্ধির কোঠায় থাকা রাজের কাছে প্রতিদিন সকালে মায়ের এই স্কুটির পেছনে বসাটা শুধু কলেজে যাওয়া ছিল না, ছিল এক অদ্ভুত শারীরিক নৈকট্যের শিহরণ। রূপসাও বিষয়টি বুঝতে পারতেন। ছেলের এই স্পর্শে তাঁর মাঝেও এক অদ্ভুত মাতৃত্ব আর নারীর মিশ্র অনুভূতি কাজ করত।
কলেজে পৌঁছানোর পর রূপসা যখন স্কুটি থেকে নামেন, তখন কলেজের গেটে দাঁড়িয়ে থাকা অন্যান্য ছাত্র বা শিক্ষকরাও এক পলক দেখার জন্য থমকে দাঁড়ান। ক্লাসের ফাঁকে বা টিফিনের সময়ে রাজ যখন কলেজ করিডোরে হাঁটে, তখন সে দেখতে পায় তার বন্ধুরা বা জুনিয়ররা আড়ালে ফিসফিস করে বলে—“দেখ, রূপসা ম্যাডাম কত সুন্দর!” রাজের বুকের ভেতর তখন এক অদ্ভুত গর্ব এবং একই সঙ্গে এক অজানা অধিকারবোধ জন্ম নেয়। সে মনে মনে জানে, এই রূপসী নারী কেবল রূপগড় কলেজের সেরা শিক্ষিকাই নন, তিনি এই দুনিয়ার সবচেয়ে আকর্ষণীয় মা । রাজের বন্ধুরা প্রায়ই ঈর্ষার সুরে বলত, “কিরে রাজ, তোর মা তো কোনো হিরোইনের চেয়ে কম নয়! মনে হয় কোনো সিনেমার নায়িকা কলেজ ড্রপ করতে এসেছে।“ অন্য কেউ হলে হয়তো বন্ধুদের এই ধরণের কথা শুনে লজ্জা পেত বা বিরক্ত হতো। কিন্তু রাজের ক্ষেত্রে ব্যাপারটি ছিল সম্পূর্ণ উল্টো। বন্ধুদের মুখে মায়ের রূপের এই অকুণ্ঠ প্রশংসা শুনে রাজের বুক গর্বে ফুলে উঠত। সে মনে মনে এক আকাশ পরিমাণ অহংকার অনুভব করত। বন্ধুরা যখন বলত, “যাকে দেখলেই সবার মাথা ঘুরে যায়, সে তো তোর নিজের মা, রাজ!”, তখন রাজের চোয়াল সামান্য শক্ত হয়ে উঠত এক মধুর অহংকারে। সে বন্ধুদের সামনে বুক ফুলিয়ে হাসত এবং মনে মনে ভাবত, পৃথিবীর সবথেকে সুন্দরী নারী আজ তাঁর নিজের ঘরের মানুষ, তাঁর নিজের মা।
কলেজের কমনরুমে বা স্টাফ রুমে অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকারাও মাঝে মাঝে রূপসার সৌন্দর্যের প্রশংসা করতেন। কিন্তু রূপসা এসবে বিশেষ কান দিতেন না। তিনি ছিলেন নিজের কাজে কঠোর এবং ব্যক্তিত্বময়ী। ক্লাসে যখন তিনি ইংরেজি গ্রামার বা পোয়েট্রি পড়াতেন, তখন ব্ল্যাকবোর্ডের সামনে তাঁর সেই ছিপছিপে ৩০ ইঞ্চি কোমর আর ৩৮ ইঞ্চি হিপের অনুপাত এবং সামান্য উন্মুক্ত পেট শিক্ষার্থীদের ঘোর লাগিয়ে রাখত। রাজ ক্লাসের ঠিক পেছনের বেঞ্চে বা সামনের দিকে কোথাও বসে থাকত। শিক্ষক হিসেবে রূপসা ছিলেন বেশ কড়া, ক্লাসে সামান্য গোলমাল হলেই তাঁর চোখ রাঙানি দেখতে হতো। কিন্তু রাজ জানত, এই কঠোরতার আড়ালেও মা হিসেবে রূপসার মনটা কতটা কোমল।
কলেজ ছুটির পরেও ঠিক একই দৃশ্য দেখা যেত। দুপুরের দিকে যখন ছুটি হতো, রূপসা ক্লাসের খাতা গুছিয়ে বেরিয়ে এসে আবার স্কুটি স্টার্ট করতেন। রাজ ব্যাগ কাঁধে দৌড়ে এসে স্কুটির পেছনে বসে পড়ত। দুপুরের গরমের রোদে রূপসার ফর্সা মুখ সামান্য লালচে হয়ে উঠত, ঘামের ফোঁটায় তাঁর পারফেক্ট ফেসিয়ালের জেল্লা আরও বেড়ে যেত। রাজ দেখত, স্কুটির সাইড ভিউ মিরারে তার মায়ের সেই অপরূপ মুখখানা কেমন শান্ত অথচ কী এক অদ্ভুত আকর্ষণ ছড়িয়ে রয়েছে। ট্রাফিক সিগনালে স্কুটি থামলে পাশের রিকশা বা গাড়ির পুরুষ যাত্রীরা যখন রূপসার দিকে পলকহীন দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকত। স্কুটি চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে রাজ প্রায়ই বায়না করত কোনো আইসক্রিম বা কোল্ড ড্রিংকস খাওয়ার। রূপসাও হাসিমুখে রাজের সেই আবদার রাখতেন। রাস্তার ধারের কোনো দোকানে স্কুটি থামিয়ে যখন রূপসা নামতেন, তখন তাঁর হাই হিলের খটখট শব্দ আর তাঁর সুগঠিত ফিগারের দিকে এলাকার পথচারীদের লুব্ধ দৃষ্টি আটকে থাকত। রাজ সেটা খেয়াল করত এবং এক ধরনের অদ্ভুত পুরুষসুলভ অধিকারবোধ ও ঈর্ষা তার মনে কাজ করতো।
বাড়ি ফিরে আসার পর শুরু হতো তাদের অন্যরকম রুটিন। দুপুরের খাবার খাওয়ার পর রথীনের অনুপস্থিতিতে সেই বিশাল বাড়িটাতে নেমে আসত গভীর নীরবতা। রাজ তার পড়ার টেবিলে বসত, আর রূপসা নিজের রুমে গিয়ে একটু আরাম করতেন। মাঝে মাঝে রাজ অঙ্ক বা ইংরেজি হোমওয়ার্ক না পেরে সোজা মায়ের বেডরুমে চলে আসত। রূপসা তখন হয়তো একটু হালকা বা আরামদায়ক কোনো নাইটি বা ঢিলেঢালা পোশাকে শুয়ে থাকতেন। রাজ যখন মায়ের বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে বলত, “মা, এই গ্রামার টা একটু বুঝিয়ে দাও না,” তখন রূপসা উঠে বসতেন। তাঁর শরীরের সেই ভারী সাইজের বক্ষযুগলের মৃদু দোলা এবং সামান্য খোলামেলা পোশাকের ফাঁক দিয়ে উঁকি দেওয়া ফর্সা ক্লিভেজ রাজের সমস্ত মনোযোগ বইয়ের পাতা থেকে কেড়ে নিয়ে নিজের দিকে টেনে নিত। রাজের গলা শুকিয়ে আসত, সে পড়া ভুলে শুধু তার মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকত। রূপসা কি তা বুঝতে পারতেন না? অবশ্যই পারতেন। কিন্তু একজন মা হিসেবে তিনি রাজকে বকাও দিতে পারতেন না, সেই দৃষ্টির ভেতর লুকিয়ে থাকা এক অপ্রকাশিত পুরুষালি আকর্ষণকে তিনি ভেতরে ভেতরে বয়ঃসন্ধিজনিত সমস্যা বলে ছেড়ে দিতেন ।
রথীনের অনুপস্থিতি, সমাজে একজন নামকরা শিক্ষিকার মুখোশ, আর অন্যদিকে নিজের রূপের অহংকার ও একমাত্র ছেলের এই বয়ঃসন্ধিজনিত দৃষ্টি—সব মিলিয়ে রূপসা চক্রবর্তীর জীবনটা ছিল এক জটিল উপন্যাসের মতো। যেখানে একদিকে ছিল পার্লারের যত্নে গড়া নিখুঁত, লোমহীন, দুধসাদা শরীরের হাতছানি, আর অন্যদিকে ছিল এক অবহেলিত স্ত্রী ও এক মুগ্ধ কিশোর ছেলের মায়ের অদ্ভুত মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন। রূপসার এই জীবন শুধু একটা পরিবার বা কলেজের গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, এটি ছিল এক সুপ্ত আগ্নেয়গিরি, যা যেকোনো মুহূর্তে এক বিরাট বিস্ফোরণ ঘটাতে প্রস্তুত ছিল। রাজের বয়স বাড়ার সাথে সাথে এবং রথীনের ব্যবসার সুবাদে দূরে থাকার দীর্ঘ রাতে এই আগ্নেয়গিরির লাভা আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছিল, যার পরিণতি কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা কেবল সময়ের হাতেই ছেড়ে দেওয়া ছিল।
আর like খুব কম জন করেন দেখি। Like, রেটিং না পেলে বুঝবো কেমন করে যে আপনাদের ভালো লাগছে না খারাপ। কোনো পরামর্শ থাকলে comment করবেন।
[/quote]