রাগি বউয়ের পরিণতি -
X Man - 09-10-2026
By:Xhup2772
ভূমিকা
সবাইকে শুভেচ্ছা।
এটি একটি বিশুদ্ধ কাকওল্ড গল্প। যারা এই ধরনের ফ্যান্টাসিতে অ্যালার্জি রাখেন, তারা এখুনি সরে যান। এখানে কোনো রোমান্স নেই, কোনো মিষ্টি প্রেমের গল্প নেই। এখানে আছে একজন ভদ্র, গৃহবধূর জীবন কীভাবে তার নিজের মুখের তেজালো কথার কারণে একদম নরকে নেমে যায়। স্বামীর সামনেই তার শরীরকে কীভাবে পুরুষেরা হিংস্রভাবে ব্যবহার করে, সেই নির্মম ছবিই দেখানো হবে।
গল্পের মূল নারী চরিত্রের নাম শিমু। বয়স ৩১। একজন গৃহবধূ। স্বামী মনিরুল একটা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি করে। শিমু দেখতে অসাধারণ সুন্দরী। বিশেষ করে তার বুক — ৩৬ কে কাপ। এত বড় আর ভারী দুধ যে জামায় ঢাকলেও লোকের চোখ আটকে যায়। কিন্তু চেহারায় ভদ্রতা, কথায় তেজ। সে কাউকে ছাড়ে না। যাকে খুশি তাকে তুলে কথা বলে। সেই তেজালো মুখই তার সর্বনাশ ডেকে আনবে।
সূচনা
আমার নাম মনিরুল। বয়স ৩৪। একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি। বাসায় আমার স্ত্রী শিমু। বিয়ের আট বছর হয়ে গেছে।
শিমুর বয়স ৩১। একজন ভদ্র, গৃহবধূ। ঘর সংসার, রান্না — সবকিছু ঠিকঠাক রাখে। লোকজনের সামনে কথাবার্তায় ভদ্রতা বজায় রাখে। কিন্তু ওর একটা স্বভাব আছে যেটা আমাকে মাঝে মাঝে ভয় পায়।
শিমু খুব রাগি।
ছোটখাটো ব্যাপারেও তার মুখ থেকে কথা বেরিয়ে আসে ধারালো। আমাকেও ছাড়ে না।
একদিন অফিস থেকে একটু দেরি করে ফিরেছিলাম। দরজা খুলেই ও বলল—
“এত রাত করে আসার মানে কী? ফোনটাও ধরলে না। সংসারে একা বসে থাকতে আমার কি ভালো লাগে মনে হয়?”
আমি বললাম, “অফিসের কাজ ছিল শিমু, একটু দেরি হয়ে গেছে।”
ও তখনো রাগ চাপতে পারেনি—
“কাজের কথা বলে রোজ রোজ দেরি করা যায় না। আমি তো আর তোমার চাকরানী না। একটু খেয়াল রাখো।”
কথাগুলো শুনে আমি চুপ করে গেলাম। শিমু রাগ করলে কথা বলে সোজাসুজি। কিন্তু গালিগালাজ করে না, অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে না। শুধু তার গলার স্বর আর চোখের দৃষ্টি বলে দেয়, ও এখন খুব বিরক্ত।
আরেকদিন বাজার থেকে সবজি নিয়ে এসেছিলাম। একটা বেগুন একটু নরম হয়ে গিয়েছিল। শিমু রান্নাঘর থেকে বলে উঠল—
“এ কেমন সবজি কিনে আনলে? একটু খেয়াল করে কি কেনা যায় না? আমি তো আর খারাপ জিনিস রান্না করে খেতে রাজি না।”
এমন ছোটখাটো ব্যাপারেও ওর রাগ জন্মায়। আমি জানি, ও খারাপ মেয়ে না। সংসারের প্রতি দায়িত্বশীল, স্বামীর মান-সম্মানের প্রতি খেয়াল রাখে। শুধু মুখের এই তেজটাই ওর চরিত্রের একটা বড় অংশ।
লোকজনের সামনে ও কখনো অশালীন আচরণ করে না। ভদ্রভাবে কথা বলে। কিন্তু যদি কেউ ওর ধৈর্যের বাইরে চলে যায়, তাহলে শিমু চুপ থাকবে না। সোজাসুজি তার অসন্তোষ জানিয়ে দেবে।
এই রাগই একদিন ওর জীবনে বড় পরিবর্তন নিয়ে আসবে — সে কথা এখনো আমি জানতাম না।
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি -
Bad Boy - 09-10-2026
শিমু ঘরের মধ্যে সাজগোজ করছে। বান্ধবীর বিয়ের দাওয়াত। সন্ধ্যায় স্বামীর সাথে যেতে হবে।
ড্রেসিং টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। এখনো শুধু লাল সায়া পরেছে। উপরটা খালি। অফ-হোয়াইট ব্রাটা হাতে নিয়ে পেছন ফিরে স্বামীকে ডাকল—
“তুমি এসো তো একটু। এটা আটকে দাও।”
মনিরুল বিছানা থেকে উঠে এল। শিমুর পেছনে দাঁড়াল। শিমুর দুটো বিশাল দুধ সামনের দিকে ঝুলে আছে। নিপল দুটো ঘন বাদামি। ব্রাটা তুলতে গিয়ে মনিরুলের হাত কাঁপছে। মনে মনে ভাবছে— এত ভারী দুধ। হাত দিয়ে ধরলেই যেন পুরোটা মুঠোয় আসে না। ওর গা থেকে হালকা গন্ধ আসছে।
মনিরুল হুক আটকাতে গিয়ে একটু সময় নিয়ে ফেলল। হাতটা দুধের গায়ে লেগে গেল। শিমু পেছন ফিরে তাকাল না। শুধু আদরের সুরে বলল—
“তাড়াতাড়ি করো তুমি। দেরি হয়ে যাচ্ছে।”
মনিরুল আবার চেষ্টা করল। হুকটা একবার আটকাল, আবার খুলে গেল। শিমুর ধৈর্য্য চলে গেল।
শিমু সোজা পেছন ফিরে তাকিয়ে বলল—
“কী হচ্ছে তোমার? কোনো কাজই কি ঠিকমতো করতে পারো না? কামলার জাত। ক্ষেতের লোক। এতক্ষণ ধরে একটা হুক আটকাতে পারছ না?”
মনিরুল কিছু বলল না। মুখ বুজে আবার হুকটা ধরল। ভেতরে ভেতরে তার পুরুষাঙ্গ শক্ত হয়ে উঠেছে। শিমুর এই রাগ, এই তুচ্ছতাচ্ছিল্য ওকে আরও বেশি উত্তেজিত করছে। মনে মনে বলছে— এই মেয়েটা আমাকে কামলা বলে গাল দিচ্ছে, অথচ এর দুধ দুটো আমার হাতের মধ্যে।
অবশেষে হুকটা আটকে গেল। শিমু ব্রা ঠিক করে নিল। তারপর বাসন্তি রঙের লং হাতা ব্লাউজটা পরল। গলার দিকটা একটু নিচু কাটা। দুধের উপরের সাদা মাংস উঁকি দিচ্ছে। শিমু আঁচল দিয়ে সেটা ঢেকে দিল।
এবার লাল শাড়িটা জড়াতে শুরু করল। আধুনিক বাঙালি বউদের মতো— কোমরে শক্ত করে পেচিয়ে, পাছার উপর একটু উঁচু করে তুলে, আঁচলটা বাঁ কাঁধ দিয়ে সামনে এনে বুকের উপর আলতো করে ফেলল। কানে সোনালি দুল, হাতে চুড়ি, কালো ভ্যানিটি ব্যাগ টেবিলের উপর। মুখে হালকা মেকআপ। ঠোঁটে গাঢ় লাল লিপস্টিক। কপালে কালো টিপ।
শিমু আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে শাড়ির ভাঁজ ঠিক করতে করতে বলল—
“তুমি গিয়ে শার্টটা পরে নাও। দেরি করো না।”
মনিরুল মাথা নেড়ে সরে গেল। পেছনে শিমুর লাল শাড়ির কাপড়ের শব্দটা তার কানে বাজছিল। শিমু আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে শাড়ির ভাঁজ ঠিক করতে করতে হঠাৎ পেছন ফিরে বলল—
“তুমি এসো তো। এ ভাঁজটা আমার ঠিক হচ্ছে না। একটু ধরে দাও।”
মনিরুল বিছানার ধারে দাঁড়িয়ে শার্টের বোতাম আটকাচ্ছিল। শিমুর কথা শুনে থেমে গেল। একটুক্ষণ চুপ থেকে বলল—
“আমি তো কোনো কাজই পারি না। তুমি নিজে নিজেই করো।”
কথাটা শুনে শিমুর ভুরু কুঁচকে গেল। গলাটা একটু চড়া করে বলল—
“কী বলছো তুমি? এসো এসো। তাড়াতাড়ি।”
মনিরুল আর কিছু না বলে এগিয়ে গেল। শিমুর পেছনে দাঁড়িয়ে শাড়ির ভাঁজ ধরল। কোমরের কাছ থেকে পাছার দিকটা টেনে একটু উঁচু করে দিল। হাতটা শিমুর কোমর আর পাছার গায়ে লেগে গেল। মনিরুলের মনে মনে আবার সেই উত্তেজনা চাপলো। এত নরম গা। শাড়ির নিচে লাল সায়া। আর তার নিচে ওর গোল পাছা। হাত দিয়ে একটু চাপ দিলেই যেন সব মুঠোয় চলে আসে।
শিমু আয়নায় তাকিয়ে দেখতে দেখতে বলল—
“আরও একটু টাইট করো। আলগা হয়ে আছে।”
মনিরুল আবার টেনে ধরল। এবার একটু বেশি জোরে। শিমুর শরীরটা সামনের দিকে হালকা ঝুঁকে গেল। দুধ দুটো ব্লাউজের ভেতর থেকে কেঁপে উঠল।
একটুক্ষণ পর শিমু আয়নায় নিজেকে দেখে না সন্তুষ্ট হয়ে বলল—
“এ কী করেছো? একদম বাঁকা হয়ে গেছে। হাত দিয়ে কাজ করার শক্তিটুকুও নেই তোমার। কামলার জাত। ক্ষেতের লোক। যাও, সরে যাও। তোমার হাতে পড়লে সব নষ্ট হয়ে যায়।”
মনিরুল চুপ করে হাত সরিয়ে নিল। কিছু বলল না। শুধু পেছনে সরে দাঁড়াল। মুখ বুজে সয়ে নিল।
যাইহোক সাজগোজ শেষ হলো।
শিমুর রূপ দেখলে এখন চোখ ফেরানো যায় না।
দীর্ঘ কালো চুল দু’কাঁধ বেয়ে ঢেউ খেয়ে নেমেছে। চুলগুলো ঘন, মসৃণ, একটু আলগা করে রাখা। হাওয়ায় উড়লেই গলা আর বুকের উপর ছড়িয়ে পড়ে। কপালের মাঝখানে একটা কালো টিপ গভীর করে বসানো। টিপটা তার ফর্সা কপালে আরও বেশি জ্বলজ্বল করছে।
মুখখানা ডিম্বাকৃতির। চোখ দুটো বড়, কালো, একটু টানা। চোখের পাতায় হালকা কাজল। ঠোঁট দুটো পাতলা নয়, মাঝারি মোটা আর রসালো। গাঢ় লাল লিপস্টিক লাগানো। লিপস্টিকটা এতটাই লাল যে দেখলেই মনে হয় ঠোঁট দুটো সদ্য কেউ চুষে খেয়েছে। হাসি দিলে দাঁতের সাদা দাগ দেখা যায়, কিন্তু সেই হাসিটাও যেন একটু কামুক।
গায়ে পরছে লাল শাড়ি। শাড়ির কাপড়টা পাতলা, সামান্য স্বচ্ছ। সোনালি ফুলের নকশা ছড়ানো আর কানায় সোনালি পাড়। শাড়িটা এমনভাবে জড়ানো যে ওর শরীরের ভাঁজগুলো স্পষ্ট। বিশেষ করে বুকের অংশ।
ব্লাউজটা বাসন্তি রঙের, হাতা ছোট। ব্লাউজটা এতটাই টাইট যে ওর ৩৬ কে কাপের দুধ দুটো যেন ব্লাউজের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছে। দুধের ভাঁজ স্পষ্ট, ব্লাউজের নিচে অফ-হোয়াইট রঙের ব্রা। ব্রাটাও টাইট, দুধ দুটোর ভার সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। নিচের দিকে লাল রঙের সায়া। সায়ার কাপড়টা শাড়ির সাথে মিলিয়ে লাল, কিন্তু একটু মোটা। হাটার সময় লাল সায়ার ভাঁজ দেখা যায়।
কোমরটা সরু। শাড়ির ভাঁজ দিয়ে কোমরের বাঁকটা পরিষ্কার বোঝা যায়। তারপর পাছার দিকে শাড়িটা একটু উঁচু হয়ে উঠেছে। পাছা দুটো গোল, ভারী, শাড়ির নিচেও তাদের আকার লুকানো যায়নি। হাঁটার সময় পাছা দুটো হালকা দুলতে থাকে।
শিমুর নাকে সোানার নাক ফুল, গলায় একটা সোনালি হার।। হারের দুলটা দুধের ফাঁকের ঠিক উপর পর্যন্ত নেমে এসেছে। হারটা প্রতিবার শ্বাস নিলেই দুধের উপর উঠানামা করে।
পুরো শরীরটা যেন যৌবনে ভরপুর। ফর্সা ত্বক, মসৃণ। রোদে একটু ঘামলেই গলা আর বুকের উপর ঘামের দানা জমবে। তখন শাড়ির আঁচল দিয়ে বুক মুছতে গেলে দুধ দুটো আরও বেশি কেঁপে ওঠেবে।
শিমু পুরোপুরি সাজগোজ শেষ করে দরজার সামনে এসে দাঁড়াল। কালো ভ্যানিটি ব্যাগ হাতে। মনিরুল শার্টের আস্তিন গুটিয়ে দরজা খুলে দিল।
নিচের তলায় নামতে নামতে সিঁড়ির আলোয় শিমুর লাল শাড়ি আরও জ্বলজ্বল করছিল। প্রতিবার পা ফেলার সঙ্গে সঙ্গে তার পাছা দুটো শাড়ির নিচে দুলছিল। বুকের ভারী দুধ দুটো ব্লাউজের ভেতর থেকে সামনে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছিল। মনিরুল পেছন পেছন হাঁটছিল। তার চোখ বারবার শিমুর পেছনের দিকে যাচ্ছিল।
নিচের গেটে দারোয়ান আক্তার চাচা বসেছিল। বয়স আটষট্টি। সাদা চুল, কুঁজো হয়ে যাওয়া শরীর, চোখ দুটো গভীর কোটরে বসানো। শিমুকে দেখেই সে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল। মুখে একটা কৃত্রিম ভদ্র হাসি।
“আসসালামু আলাইকুম বউমা। এত সাজগোজ করে কোথায় যাচ্ছেন?”
শিমু সংক্ষেপে জবাব দিল, “একটা দাওয়াতে।”
আক্তার চাচা দরজা খুলে দিতে দিতে তার চোখ শিমুর বুকের দিকে গিয়ে আটকে গেল। মনে মনে বলল—
“শালার পুতের বউ। এত বড় দুধ নিয়ে বেরিয়েছে। ব্লাউজটা যেন ফেটে যাবে। এই বয়সেও এমন মাংস দেখলে লোভ হয়। শাড়ির নিচে পাছা দুটো যেন দুটো নরম বালিশ। একবার হাত দিয়ে চেপে দেখার ইচ্ছে হয়। এই বয়সেও লণ্ডভণ্ড করে দিতাম যদি সুযোগ পেতাম। শালা মনিরুলের কপাল ভালো। এমন জিনিস পেয়েছে।”
শিমু আর মনিরুল গেট পার হয়ে রাস্তায় নামল। আক্তার চাচা পেছন থেকে তাকিয়ে রইল যতক্ষণ না তারা মোড় ঘুরে গেল। তার পুরনো শরীরে একটা অদ্ভুত গরম অনুভূতি খেলে গেল।
রাস্তায় হাঁটতে শুরু করল। সন্ধ্যার আলোয় শিমুর লাল শাড়ি আরও বেশি চোখে পড়ছিল। দু’পাশে দোকান, চায়ের স্টল, রিকশাওয়ালা, হকার। প্রায় প্রত্যেকের চোখ শিমুর দিকে ঘুরে যাচ্ছিল।
একজন চায়ের দোকানের মালিক, বয়স পঁয়তাল্লিশের মতো, চুমুক দিতে দিতে মনে মনে বলল—
“ও মাগো, কী দুধ নিয়ে বেরিয়েছে মেয়েটা। ব্লাউজের ভেতর থেকে যেন টপকে পড়বে। শাড়িটা পাতলা, পাছার ভাঁজ পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। এই রূপ দেখলে দিনের কাজকর্ম ভুলে যেতে হয়। একবার যদি রাতে পেতাম…”
পাশ দিয়ে যাওয়া এক যুবক রিকশাওয়ালা হ্যান্ডেল শক্ত করে ধরে মনে মনে গজরাল—
“শালীর দুধ দেখে ল্যাজ শক্ত হয়ে গেল। এত বড় বড়। হাঁটলেই দুলছে। পেছনের মালটাও কম না। শালা স্বামীটা পাশে হাঁটছে, কিছুই বুঝছে না। এই মেয়েটাকে একবার অন্ধকার গলিতে পাইলে…”
আরেকজন বয়স্ক ভদ্রলোক, হাতে ছাতা, চশমা ঠিক করতে করতে মনে মনে বলল—
“আজকালকার বউয়েরা এভাবে সাজে। লজ্জাশূন্য। এত মাংস প্রদর্শন করে হাঁটে। দুধের ফাঁকটা পর্যন্ত আঁচল দিয়েও ঢাকতে পারেনি পুরোপুরি। এই শরীর দেখে মনে হয় একেবারে ব্যবহারের জন্য তৈরি।”
মনিরুল সবকিছু টের পাচ্ছিল। লোকজনের চাপা চাপা দৃষ্টি, ফিসফিসানি। তার বুকের ভেতর একটা অদ্ভুত মিশ্র অনুভূতি— রাগ, অপমান, আর তার সঙ্গে এক ধরনের গোপন উত্তেজনা। শিমু কিন্তু কোনো কিছুতেই ভ্রুক্ষেপ করছিল না। সোজা হাঁটছিল। তার পায়ের প্রতিটি পদক্ষেপে পাছা দুটো দুলছিল, বুকের ভারী বোঝা সামনে সামনে নড়ছিল।
মেইন রোডে এসে তারা সিএনজির জন্য দাঁড়াল। রাস্তার ধারে কয়েকটা সিএনজি অপেক্ষা করছিল। চালকদের চোখ একসঙ্গে শিমুর দিকে ঘুরে গেল।
সবচেয়ে সামনের সিএনজির চালক, বয়স ত্রিশের কোঠায়, সিগারেটের শেষ টান দিয়ে মনে মনে বলল—
“ওরে বাপরে, কী জিনিস নামিয়েছে আজ। দুধ দুটো যেন দুটো বড় বড় নারকেল। ব্লাউজ ফাটিয়ে বেরিয়ে আসবে এখনই। পাছা দেখে মনে হচ্ছে একবার চোদলে আর ছাড়তে ইচ্ছে করবে না। শালা স্বামীটা পাশে দাঁড়িয়ে আছে, হাত পা গুটিয়ে। এই মেয়েটাকে যদি রাতে গাড়িতে তুলতে পারতাম…”
পাশের আরেক চালক, মোটা স্বাস্থ্য, গোঁফওয়ালা, জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে মনে মনে গালি দিল—
“শালী এত সাজগোজ করে বেরিয়েছে মানে রাতে কেউ না কেউ ব্যবহার করবে। এত বড় মাল পড়ে থাকবে না। লাল শাড়ি পরে আরও বেশি গরম লাগছে। নিপল দুটো ব্লাউজের উপর দিয়েই উঁচু হয়ে আছে মনে হচ্ছে। একবার মুখে নিয়ে চুষে দেখার ইচ্ছে হচ্ছে।”
তৃতীয় এক চালক, কমবয়সী, হেলমেট খুলে রেখে হাত দিয়ে মুখ মুছতে মুছতে ভাবল—
“এই বউয়ের স্বামী নিশ্চয়ই নরম। নাহলে এত খোলাখুলি শরীর নিয়ে বেরোতে দিত না। দুধের ফাঁকটা দেখে ল্যাজ উঠে গেল। শাড়ির নিচে সায়া লাল, আরও উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। একবার যদি এই শরীরটা বিছানায় পাই…”
মনিরুল সিএনজি ডাকতে ডাকতে শিমুর পাশে দাঁড়িয়েছিল। তার কান লাল হয়ে গিয়েছিল। লোকজনের দৃষ্টি যেন শিমুর শরীরকে খুলে ফেলছে। শিমু কিন্তু শান্ত। শুধু একবার মনিরুলের দিকে তাকিয়ে বলল—
“কী হলো? সিএনজি ডাকো তো। দেরি হয়ে যাচ্ছে।”
মনিরুল গলা পরিষ্কার করে একটা সিএনজি ডাকল। চালকটা গাড়ি এগিয়ে দিতে দিতে শিমুর বুকের দিকে আরেকবার তাকাল। মনে মনে বলল—
“উফফ… এত মাল। আজকের যাত্রাটা মনে থাকবে।”
শিমু সিএনজিতে উঠল। শাড়ির আঁচলটা একটু সরে গেল। দুধের উপরের সাদা অংশ আরেকবার উঁকি দিল। চালকের চোখ আয়নায় সেই দৃশ্য ধরে রাখল।
মনিরুল পাশে বসল। জানালা দিয়ে বাইরের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে রইল। ভেতরে ভেতরে তার মনটা অদ্ভুতভাবে উত্তেজিত। শিমুর শরীর আজ সবার চোখে, সবার মনে। আর সে নিজে চুপ করে সব সহ্য করছে।
সিএনজি ছাড়ল। রাস্তার আলো আর অন্ধকারের মধ্যে শিমুর লাল শাড়ি আর বাসন্তি ব্লাউজের ছায়া গাড়ির ভেতরেও পড়ছিল।
সিএনজি ছাড়ার পর চালকটা একটু পর পর ব্রেক কষতে শুরু করল। প্রথমে মনে হয়েছিল রাস্তার অবস্থা খারাপ। কিন্তু মনিরুল যখন আয়নায় চালকের চোখ দেখল, বুঝতে পারল ব্যাপারটা অন্যরকম।
চালকটা সামনের আয়নায় চোখ রেখেই গাড়ি চালাচ্ছে। প্রতিবার জোরে ব্রেক কষলে শিমুর শরীরটা সামনের দিকে ঝুঁকে যায়। তার ৩৬ কে কাপের ভারী দুধ দুটো ব্লাউজের ভেতর থেকে সজোরে দুলতে থাকে। উপরে উঠে আবার নেমে যায়। ব্লাউজের কাপড় টানটান হয়ে যায়। দুধের ভাঁজ আরও গভীর দেখায়।
চালক মনে মনে বলছিল—
“উফফ… কী দুধ নিয়ে বসে আছে মাগিটা। প্রতিবার ব্রেক দিলেই নাচছে। এত ভারী যে ব্লাউজ ফাটিয়ে বেরিয়ে আসবে এখনই। শালা স্বামী পাশে বসে আছে, কিছুই করছে না। এই মাগির দুধ একবার মুঠোয় নিয়ে চেপে ধরতে পারলে…”
আবার জোরে ব্রেক। শিমুর শরীরটা আরেকবার সামনে ঝুঁকল। দুধ দুটো সজোরে দুলল। আঁচলটা একটু সরে গেল। দুধের উপরের সাদা অংশ আরও বেশি দেখা গেল।
চালক আয়নায় তাকিয়ে মনে মনে গজরাল—
“দেখ শালা, কীভাবে দুলছে। লাল শাড়ি পরে আরও গরম লাগছে। পাছাও নিশ্চয়ই কম না। এই শরীর নিয়ে বিয়ের দাওয়াতে যাচ্ছে? রাতে কেউ না কেউ তো চোদবেই। এত মাল পড়ে থাকবে না।”
মনিরুল পাশে বসে সবকিছু দেখছিল। তার বুকের ভেতর রাগ আর উত্তেজনা একসঙ্গে কাজ করছিল। শিমু কিন্তু কোনো অভিযোগ করছিল না। শুধু একবার চালকের দিকে তাকিয়ে বলল—
“ভাই, একটু আস্তে চালাও। এত জোরে ব্রেক কষছ কেন?”
চালক মুখে বলল, “রাস্তা খারাপ আপা, মাফ করেন।”
কিন্তু আয়নায় চোখ রেখেই আবার ব্রেক কষল। শিমুর দুধ আবার নাচল। চালকের মনে মনে খিস্তি চলতে থাকল—
“মাগিটা কথা বলছে। গলাটাও নরম। এই গলায় যদি একবার ধরে চোদাই… দুধ দুটো মুখে নিয়ে চুষতে চুষতে। শালা স্বামীটা পাশে বসে শুধু তাকিয়ে আছে। নরম পুরুষ। এত খোলাখুলি বউ নিয়ে বেরিয়েছে।”
এভাবে প্রায় পনেরো-কুড়ি মিনিট চলল। চালক ইচ্ছে করেই বারবার ব্রেক কষছিল। প্রতিবার শিমুর ভারী বুক দুলছিল। ব্লাউজের নিচে অফ-হোয়াইট ব্রার চাপ স্পষ্ট হচ্ছিল। নিপলের উঁচু অংশ পর্যন্ত আঁচলের ফাঁক দিয়ে টের পাওয়া যাচ্ছিল।
শেষে চালক একটা বড় কমিউনিটি সেন্টারের সামনে গাড়ি থামাল। সামনে বড় গেট, আলো-ঝলমলে হল। অনেক লোকজন ঢুকছে।
চালক আয়নায় শিমুর দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলল—
“নামিয়ে দিলাম মাগিটাকে। এতক্ষণ দুধের নাচ দেখলাম। এখন অন্য কেউ দেখবে। এই শরীর নিয়ে হলে ঢুকলে চোখ ফেরানোর উপায় নেই। পাছা দুলিয়ে হাঁটবে। দুধ নিয়ে সবাইকে পাগল করে ছাড়বে। শালা স্বামীটা যদি একটু পুরুষ হত তাহলে এভাবে বউকে বেরোতে দিত না।”
শিমু নামতে গিয়ে শাড়ির আঁচল ঠিক করল। বুকের দিকটা আবার একটু খুলে গেল। চালক আয়না দিয়ে সেই দৃশ্যটা শেষবারের মতো ধরে রাখল। মনে মনে শেষ খিস্তিটা দিল—
“যা শালী, যা। আজকের মতো দুধের নাচ দেখে তৃপ্ত হলাম। রাতে কেউ চোদলে যেন ভালো করে চোদে। এত মাল নষ্ট হওয়ার নয়।”
মনিরুল ভাড়া মেটাতে গিয়ে চালকের চোখের দিকে তাকাল। চালক মুখে ভদ্র হাসি হেসে বলল, “আসুন স্যার, ভালো থাকুন।”
কিন্তু তার চোখে অন্য কিছু ছিল।
শিমু আর মনিরুল কমিউনিটি সেন্টারের গেটের দিকে হাঁটতে শুরু করল। পেছনে সিএনজিটা হর্ন দিয়ে চলে গেল। চালকটা শেষবারের মতো আয়নায় শিমুর পেছনের পাছা দুটোর দুলন দেখে নিল।কমিউনিটি সেন্টারের গেট দিয়ে ঢুকতেই ভেতরের আলো আর শব্দ এসে লাগল। হলঘর ভর্তি লোকজন। মেয়েরা রঙ-বেরঙের শাড়ি আর লেহেঙ্গায়, পুরুষেরা পাঞ্জাবি-পাজামায়। বিয়ের আমেজ।
শিমু সোজা হাঁটছিল। লাল শাড়ির আঁচলটা একটু একটু করে সরে যাচ্ছিল হাওয়ায়। প্রতিবার পা ফেলার সঙ্গে সঙ্গে তার পাছা দুটো দুলছিল আর বুকের ভারী দুধ দুটো সামনে সামনে নড়ছিল। মনিরুল পাশে পাশে হাঁটছিল। তার চোখ বারবার চারপাশের লোকজনের দিকে যাচ্ছিল।
হলের ভেতরে ঢোকার মুখেই কয়েকজন যুবক দাঁড়িয়ে কথা বলছিল। শিমুকে দেখে তাদের কথা থেমে গেল। একজন মনে মনে বলল—
“ও মাগো… কী দুধ নিয়ে এসেছে মেয়েটা। ব্লাউজ ফাটিয়ে বেরিয়ে আসবে এখনই। লাল শাড়ি পরে আরও গরম লাগছে। পাছা দেখে মনে হয় একবার ধরলে ছাড়তে ইচ্ছে করবে না।”
আরেকজন চোখ না সরিয়ে ভাবল—
“স্বামীটা পাশে আছে। শালা নরম পুরুষ নিশ্চয়ই। এত খোলাখুলি বউ নিয়ে বিয়েবাড়িতে এসেছে। এই শরীর দেখে ল্যাজ শক্ত হয়ে গেল।”
শিমু তাদের দৃষ্টি টের পেল। ভুরু কুঁচকে একবার তাকিয়ে বলল—
“কী দেখছো?”
যুবকগুলো চুপ করে সরে গেল। কিন্তু তাদের চোখ পেছন থেকেও শিমুর পাছার দুলন অনুসরণ করছিল।
ভেতরে ঢুকে শিমু তার বান্ধবীকে খুঁজতে লাগল। মনিরুল পেছনে পেছনে যাচ্ছিল। হলের এক কোণে কয়েকজন বয়স্ক পুরুষ চেয়ারে বসে আড্ডা দিচ্ছিল। শিমুকে দেখে তাদের মধ্যে একজন, পঞ্চাশের কোঠার, সিগারেট হাতে নিয়ে মনে মনে গজরাল—
“এই বয়সেও এমন মাংস দেখিনি। দুধ দুটো যেন দুটো নরম বালিশ। হাঁটলেই দুলছে। শাড়ির নিচে পাছার ভাঁজ পর্যন্ত পরিষ্কার। এই মেয়েটাকে একবার রাতে পেলে…”
আরেকজন পাশ থেকে বলল মনে মনে—
“স্বামীটা পাশে হাঁটছে। মুখটা দেখে মনে হচ্ছে কিছুই বুঝছে না। অথবা বুঝেও চুপ করে আছে। এমন বউ পেয়েও নরম হয়ে আছে শালা।”
শিমু একটা খালি চেয়ার দেখে বসল। শাড়ির আঁচলটা ঠিক করতে গিয়ে বুকের দিকটা একটু খুলে গেল। সামনের কয়েকজন পুরুষের চোখ সেই ফাঁকে আটকে গেল।
মনিরুল পাশে বসল। তার কান লাল হয়ে গিয়েছিল। চারদিক থেকে চাপা চাপা দৃষ্টি আসছিল শিমুর শরীরের দিকে। কেউ কেউ ফিসফিস করে কথা বলছিল। শিমু কিন্তু কোনো কিছুতেই ভ্রুক্ষেপ করছিল না। শুধু একবার মনিরুলের দিকে তাকিয়ে বলল—
“কী হলো তোমার? এমন মুখ করে বসে আছো কেন? জল আনো তো একটু।”
মনিরুল উঠে জলের টেবিলের দিকে গেল। যেতে যেতে শুনতে পেল দুই যুবকের কথা—
“দেখেছো দুধ? এত বড়… একবার মুঠোয় নিয়ে চেপে ধরার ইচ্ছে হচ্ছে।”
“পাছাও কম না। লাল শাড়ি পরে আরও ফুটেছে। রাতে কেউ না কেউ তো ব্যবহার করবেই।”
মনিরুল জল নিয়ে ফিরে এল। শিমু হাত বাড়িয়ে গ্লাস নিল। তার বুকের দিকটা আবার একটু নড়ল। পাশের এক মধ্যবয়সী লোক চেয়ার থেকে উঠে যেতে যেতে মনে মনে বলল—
“উফ… কী জিনিস। এই শরীর নিয়ে ঘরে বউ হয়ে আছে। স্বামীটা যদি একটু পুরুষ হত তাহলে এভাবে ছাড়ত না।”
হঠাৎ শিমুর বান্ধবী এসে হাজির হল। দুজনে কোলাকুলি করল। বান্ধবী শিমুর সাজগোজ দেখে বলল—
“কী সুন্দর সাজগোজ করেছো তুমি! লাল শাড়িটা গায়ে খুব মানানসই হয়েছে।”
শিমু হাসল। কিন্তু তার হাসির ফাঁকেই চারপাশের পুরুষদের চোখ তার বুক আর পাছার দিকে ঘুরছিল।
মনিরুল চেয়ারে বসে শুধু দেখছিল। তার মনের ভেতর একটা অদ্ভুত অনুভূতি চাপছে— অপমান, রাগ, আর তার সঙ্গে এক ধরনের গোপন উত্তেজনা। শিমুর শরীর আজ সবার নজরে। আর সে নিজে চুপ করে সব সহ্য করছে।
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি -
Bad Boy - 09-10-2026
হলের ভেতরের ভিড় ক্রমেই বাড়ছিল। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হতে এখনো সময় বাকি। লোকজন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কথা বলছে, কেউ কেউ চেয়ারে বসে আড্ডা দিচ্ছে। শিমু তার বান্ধবীর সঙ্গে কথা বলছিল। মনিরুল একটু দূরে চেয়ারে বসেছিল।
একটু পর শিমু উঠে দাঁড়াল। বান্ধবীকে বলল, “একটু ওয়াশরুমে যাচ্ছি।”
মনিরুলও উঠে পড়ল। শিমু হলের পাশের করিডোর দিয়ে হাঁটতে শুরু করল। লাল শাড়ির আঁচলটা হাওয়ায় সামান্য উড়ছিল। প্রতিবার পা ফেলার সঙ্গে সঙ্গে তার পাছা দুটো দুলছিল আর বুকের ভারী দুধ দুটো সামনে সামনে নড়ছিল।
করিডোরে কয়েকজন যুবক দাঁড়িয়ে ছিল। শিমুকে দেখে তাদের চোখ আটকে গেল। একজন মনে মনে বলল—
“দেখ শালা, কীভাবে দুলিয়ে হাঁটছে। দুধ দুটো যেন আলাদা প্রাণ নিয়ে নাচছে। ব্লাউজের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসবে এখনই।”
আরেকজন চোখ না সরিয়ে ভাবল—
“পাছাটাও কম না। লাল শাড়ি পরে আরও ফুটেছে। এই মাগিটাকে একবার পেছন থেকে ধরতে পারলে…”
শিমু তাদের দৃষ্টি টের পেল। থেমে গিয়ে সোজা তাদের দিকে তাকাল। গলা চড়া করে বলল—
“কী দেখছো হারামজাদারা? চোখ ফাটিয়ে দেব এখন।”
যুবকগুলো চুপ করে সরে গেল। কিন্তু তাদের মধ্যে একজন পেছন থেকে মনে মনে গজরাল—
“শালী মুখের ওপর গালি দিচ্ছে। রাগি মাগি। এত রাগ থাকলে রাতে চোদার সময় আরও মজা পাওয়া যায়।”
মনিরুল পেছন পেছন যাচ্ছিল। শিমুর এই তেজ দেখে তার শরীরে আবার সেই অদ্ভুত উত্তেজনা চাপল। মেয়েটা কাউকে ছাড়ে না। অথচ তার শরীরটা সবার চোখে।
ওয়াশরুমের সামনে এসে শিমু থামল। মনিরুলকে বলল—
“তুমি এখানে দাঁড়িয়ে থাকো। আমি এসেই যাচ্ছি।”
শিমু ভেতরে ঢুকে গেল। মনিরুল করিডোরে দাঁড়িয়ে রইল। একটু পর পাশের একটা দরজা দিয়ে কয়েকজন পুরুষ বেরিয়ে এল। তাদের মধ্যে একজন, বয়স চল্লিশের মতো, শিমুর দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলল—
“এই যে মাগিটা ওয়াশরুমে ঢুকল। এত বড় দুধ নিয়ে। ভেতরে গিয়ে নিশ্চয়ই ব্লাউজ ঠিক করছে। একবার যদি দরজা খোলা পেতাম…”
আরেকজন পাশ থেকে যোগ দিল—
“স্বামীটা বাইরে দাঁড়িয়ে আছে। শালা পাহারা দিচ্ছে। অথচ বউয়ের শরীর দেখে সবাই পাগল। এই মেয়েটাকে একবার বিছানায় পেলে ছাড়ত না।”
শিমু বেরিয়ে এল। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আঁচলটা ঠিক করেছিল। বুকের দিকটা আবার একটু খুলে গিয়েছিল। করিডোরের লোকজনের চোখ সেই দৃশ্য ধরে রাখল।
শিমু মনিরুলের দিকে তাকিয়ে বলল—
“চলো। অনেকক্ষণ হয়ে গেছে।”
তারা আবার হলের দিকে হাঁটতে শুরু করল। পেছন থেকে কয়েকজনের চাপা চাপা মন্তব্য ভেসে আসছিল—
“দেখ পাছা দুলিয়ে যাচ্ছে…”
“দুধের নাচ দেখে ল্যাজ উঠে গেল…”
“এই শরীর নিয়ে রাতে কেউ না কেউ তো মাল ফেলবেই…”
মনিরুল সবকিছু শুনছিল। তার মুখ লাল হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সে কিছু বলছিল না। শিমু সোজা হাঁটছিল। তার তেজালো চোখ চারপাশের দৃষ্টিগুলোকে উপেক্ষা করছিল।
হলে ফিরে এসে শিমু আবার বান্ধবীর পাশে বসল। মনিরুল একটু দূরে গিয়ে দাঁড়াল। তার মনের ভেতর একটা কথা ঘুরপাক খাচ্ছিল—
এই মেয়েটা আজ সবার নজরে। সবাই তার শরীর দেখে পাগল হচ্ছে। আর আমি শুধু চুপ করে দেখছি। হলের ভেতর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার আগের ব্যস্ততা চলছিল। মঞ্চের দিকে লোকজন জড়ো হচ্ছিল। শিমু তার বান্ধবীর পাশে বসে কথা বলছিল। মনিরুল একটু দূরে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছিল।
একটু পর খাবার পরিবেশন শুরু হল। লোকজন লাইনে দাঁড়াতে লাগল। শিমু উঠে দাঁড়িয়ে মনিরুলের দিকে তাকিয়ে বলল—
“চলো, খাবার নাও।”
তারা লাইনের দিকে এগোল। ভিড়ের মধ্যে শিমুর শরীর বারবার অন্য পুরুষদের গায়ে ঠেকে যাচ্ছিল। প্রতিবার ঠেকা লাগলে তার বুকের ভারী দুধ দুটো সামান্য নড়ত। পাছার দিকটাও শাড়ির নিচে চাপ খেত।
লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা এক যুবক শিমুর পেছনে এসে দাঁড়াল। ইচ্ছে করেই একটু কাছাকাছি। তার বুক শিমুর পিঠে প্রায় লেগে যাচ্ছিল। মনে মনে বলছিল—
“উফ… কী নরম গা। পেছন থেকে দুধের চাপ অনুভব করা যাচ্ছে। একটু আর কাছে গেলেই মুঠোয় চলে আসবে। শালা স্বামী সামনে দাঁড়িয়ে আছে, কিছুই দেখছে না।”
শিমু হঠাৎ পেছন ফিরে তাকাল। যুবকটার মুখের দিকে তাকিয়ে গলা চড়া করে বলল—
“একটু সরে দাঁড়াও। গায়ে গায়ে লেগে থাকার কী দরকার?”
যুবকটা ভদ্রতার ভান করে সরে গেল। কিন্তু মনে মনে গজরাল—
“শালী রাগি। মুখের ওপর ধমক দিচ্ছে। এত রাগ থাকলে চোদার সময় আরও জোর পাওয়া যায়। এই মাগির দুধ একবার চেপে ধরতে পারলে ছাড়ত না।”
মনিরুল সামনে থেকে সবকিছু দেখছিল। তার মুঠি শক্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সে কিছু বলল না। শিমু আবার সোজা হয়ে দাঁড়াল। তার চোখে সেই পরিচিত তেজ।
খাবার নিয়ে তারা একটা টেবিলে বসল। শিমু খাচ্ছিল। প্রতিবার হাত বাড়ালে তার বুকের দিকটা নড়ছিল। পাশের টেবিল থেকে কয়েকজন পুরুষের চোখ আটকে ছিল।
একজন মধ্যবয়সী লোক মনে মনে বলছিল—
“দেখ কীভাবে খাচ্ছে। দুধ দুটো থালায় প্রায় ছুঁয়ে যাচ্ছে। এত বড় মাল। এই শরীর নিয়ে ঘরে বউ হয়ে আছে। স্বামীটা যদি একটু পুরুষ হত…”
আরেকজন পাশ থেকে যোগ দিল—
“লাল শাড়ি পরে আরও ফুটেছে। পাছার ভাঁজ পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে বসার সময়। রাতে কেউ না কেউ তো এই মাল ব্যবহার করবেই।”
শিমু হঠাৎ মাথা তুলে তাদের দিকে তাকাল। চোখ কুঁচকে বলল—
“কী দেখছো বারবার? চোখের কোনো লজ্জা নেই?”
লোকগুলো চুপ করে মুখ ঘুরিয়ে নিল। কিন্তু তাদের মধ্যে একজন নিচু গলায় বলল—
“শালী সাহস দেখাচ্ছে। এতক্ষণ পর মুখ খুলেছে। সাহস থাকলে রাতে দেখা যাক কে কাকে চোদে।”
মনিরুলের কান লাল হয়ে গিয়েছিল। সে চুপচাপ খাচ্ছিল। ভেতরে ভেতরে তার শরীরটা গরম হয়ে আসছিল। শিমুর এই তেজ, এই গালমন্দ— চারপাশের পুরুষদের আরও বেশি উত্তেজিত করছিল। আর সে নিজে শুধু দেখছিল।
খাবার শেষ করে শিমু উঠে দাঁড়াল। শাড়ির আঁচলটা ঠিক করতে গিয়ে বুকের দিকটা আবার একটু খুলে গেল। চারপাশের কয়েকজনের চোখ সেই ফাঁকে আটকে রইল।
শিমু মনিরুলের দিকে তাকিয়ে বলল—
“চলো, একটু বাইরে যাই। গরম লাগছে।”
তারা হলের পেছনের বারান্দার দিকে হাঁটতে শুরু করল। পেছন থেকে চাপা চাপা মন্তব্য ভেসে আসছিল—
“যা শালী, যা… দুধ দুলিয়ে…”
“পাছা দেখে ল্যাজ উঠে গেল…”
মনিরুল সবকিছু শুনছিল। তার মনের ভেতর একটা কথা বারবার ঘুরছিল—
বারান্দায় এসে শিমু রেলিংয়ে হাত রেখে দাঁড়াল। সন্ধ্যার হাওয়া একটু একটু করে বইছিল। লাল শাড়ির আঁচলটা হাওয়ায় উড়ে তার বুকের উপর দিয়ে সরে যাচ্ছিল। প্রতিবার হাওয়া লাগলেই দুধ দুটো সামান্য নড়ত।
মনিরুল পাশে দাঁড়িয়ে সিগারেট ধরাল। তার চোখ বারবার শিমুর দিকে যাচ্ছিল। চারপাশে আরও কয়েকজন পুরুষ বারান্দায় এসে জড়ো হয়েছিল। কেউ কেউ সিগারেট খাচ্ছে, কেউ কথা বলছে।
একজন লম্বাচেঁচা যুবক শিমুর দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলল—
“দেখ শালা, হাওয়ায় আঁচল উড়ছে। দুধের উপরের সাদা অংশ উঁকি দিচ্ছে। এত বড় মাল। একবার যদি হাত দিয়ে চেপে ধরতে পারতাম…”
আরেকজন পাশ থেকে যোগ দিল—
“পাছাটা রেলিংয়ের ওপর প্রায় বসানো। শাড়ির ভাঁজ দিয়ে গোলাকার অংশ স্পষ্ট। এই মাগিটাকে পেছন থেকে একবার ধরলে ছাড়ত না।”
শিমু তাদের দৃষ্টি টের পেল। পেছন ফিরে সোজা তাকিয়ে বলল—
“কী দেখছো বারবার? চোখের পানি নেই নাকি? সরে যাও এখান থেকে।”
যুবকগুলো একটু সরে গেল। কিন্তু তাদের মধ্যে একজন নিচু গলায় বলল—
“শালী আবার গাল দিচ্ছে। রাগি বউ। এত রাগ দেখালে আরও ইচ্ছে হয় চোদার। এই দুধ একবার মুখে নিয়ে চুষতে পারলে…”
মনিরুল সিগারেটের শেষ টান দিয়ে নিভুল। তার মুঠি শক্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সে কিছু বলল না। শিমুর তেজ দেখে তার শরীরে আবার সেই গোপন উত্তেজনা চাপছিল।
হঠাৎ বারান্দার অন্য প্রান্ত থেকে একজন লোক এগিয়ে এল। বয়স ত্রিশের কোঠায়। স্মার্ট পোশাক। মুখে ভদ্র হাসি। শিমুর দিকে তাকিয়ে বলল—
“আপা, আপনি কি রুমানার বান্ধবী? আমি রুমানার ভাইয়ের বন্ধু। একটু কথা ছিল।”
শিমু সোজা তাকিয়ে বলল—
“কী কথা? সংক্ষেপে বলুন।”
লোকটা একটু কাছাকাছি এসে বলল, “রুমানা আপনাকে খুঁজছিল। ভেতরে আসবেন?”
কথা বলতে বলতে তার চোখ শিমুর বুকের দিকে কয়েকবার গিয়ে পড়ল। মনিরুল সবকিছু দেখছিল। লোকটার চোখের দৃষ্টি লুকোনো যাচ্ছিল না।
শিমু একটু রেগে গিয়ে বলল—
“চোখ তুলে কথা বলুন। বুকের দিকে তাকিয়ে কথা বলার দরকার নেই।”
লোকটা ভদ্রতার ভান করে হাসল। মনে মনে বলল—
“শালী সাহস দেখাচ্ছে। মুখের ওপর ধমক। এত বড় দুধ নিয়ে এত রাগ। এই মাগিটাকে একবার বিছানায় পেলে রাগ গুঁড়িয়ে দিতাম।”
শিমু মনিরুলের দিকে তাকিয়ে বলল—
“চলো ভেতরে। এখানে দাঁড়িয়ে লাভ নেই। লোকজনের চোখের পানি নেই।”
তারা বারান্দা ছেড়ে হলের দিকে হাঁটতে শুরু করল। পেছন থেকে লোকটার চাপা মন্তব্য ভেসে এল—
“যা শালী… দুধ দুলিয়ে যা… পরে দেখা হবে।”
মনিরুল সবকিছু শুনছিল। তার বুকের ভেতর রাগ আর উত্তেজনা একসঙ্গে জ্বলছিল। শিমু সোজা হাঁটছিল। তার পাছা দুটো শাড়ির নিচে দুলছিল। চারপাশের পুরুষেরা আবার তাকিয়ে ছিল।
হলের ভেতরে ঢুকতেই শিমু থেমে গিয়ে মনিরুলকে বলল—
“আজকের এই লোকজনগুলো খুব বাড়াবাড়ি করছে। আর একবার কেউ তাকালে আমি মুখের ওপর গালি দিয়ে ছাড়ব।”
মনিরুল চুপ করে মাথা নাড়ল। ভেতরে ভেতরে তার মন বলছিল—
হলের ভেতরে ফিরে এসে শিমু তার বান্ধবীর পাশে গিয়ে বসল। মনিরুল একটু দূরে দাঁড়িয়ে রইল। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা প্রায় শেষের দিকে। লোকজন আবার ব্যস্ত হয়ে উঠেছিল।
একটু পর শিমু উঠে দাঁড়াল। বান্ধবীকে বলল, “একটু গরম লাগছে। বাইরে হাওয়া খাব।”
মনিরুল আবার পেছন পেছন গেল। তারা হলের অন্য দিকের একটা খোলা জায়গায় এল। সেখানে কয়েকজন পুরুষ সিগারেট ধরিয়ে দাঁড়িয়েছিল। শিমুকে দেখে তাদের কথা থেমে গেল।
একজন মোটাসোটা লোক, বয়স পঁয়তাল্লিশের মতো, শিমুর দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলল—
“আবার এসেছে মাগিটা। দুধ দুটো আগের চেয়েও বেশি দুলছে মনে হচ্ছে। লাল শাড়ি পরে যেন আরও গরম হয়েছে।”
আরেকজন পাশ থেকে যোগ দিল—
“পাছা দেখে ল্যাজ শক্ত হয়ে গেল। এই শরীর নিয়ে ঘরে বউ হয়ে আছে। স্বামীটা পাছে পাছে ঘুরছে। শালা নরম পুরুষ।”
শিমু তাদের দৃষ্টি টের পেল। এবার আর চুপ রইল না। সোজা তাদের দিকে এগিয়ে গিয়ে গলা চড়া করে বলল—
“কী দেখছো হারামজাদারা? চোখ কুঁচকে তাকিয়ে আছো কেন? মায়ের বোন লজ্জা নেই?”
লোকগুলো একটু অবাক হয়ে তাকাল। মোটাসোটা লোকটা হাসতে হাসতে বলল—
“কী বলছেন আপনি? আমরা তো কিছু বলিনি।”
শিমু আরও রেগে গিয়ে বলল—
“চোখ দিয়ে সব বলে দিচ্ছো। এই শরীর দেখে লোভী নজর দিয়ে তাকিয়ে আছো। সরে যাও এখান থেকে। নাহলে এখনই চেঁচিয়ে সবাইকে ডাকব।”
মোটাসোটা লোকটার মুখের হাসি মিলিয়ে গেল। তার চোখে একটা ঠান্ডা দৃষ্টি এল। মনে মনে বলল—
“শালী সাহস দেখাচ্ছে। মুখের ওপর গালি দিচ্ছে। এত বড় দুধ নিয়ে এত তেজ। এই মাগিটাকে একবার পেলে মুখ বন্ধ করে দিতাম।”
পাশের আরেকজন নিচু গলায় বলল—
“রাগি মাগি। এত রাগ দেখালে চোদার সময় আরও মজা পাওয়া যায়। এই শরীর একবার বিছানায় পেলে…”
মনিরুল সামনে এগিয়ে এসে শিমুর হাত ধরল। বলল, “চলো ভেতরে। এদের সঙ্গে কথা বলে লাভ নেই।”
শিমু মনিরুলের হাত সরিয়ে দিয়ে বলল—
“তুমি চুপ করো। আমি কাউকে ছাড়ব না। এই হারামজাদারা ।”
মোটাসোটা লোকটা সিগারেটের শেষ টান দিয়ে নিভুল। তারপর শিমুর দিকে তাকিয়ে একটু হেলে বলল—
“আপা, রাগ করবেন না। ভুল হয়ে থাকলে মাফ করবেন। কিন্তু এত রেগে গেলে শরীর গরম হয়ে যায় জানেন তো?”
কথাটার অর্থ পরিষ্কার ছিল। শিমুর চোখ আরও রক্তবর্ণ ধারণ করল। সে এগিয়ে গিয়ে বলল—
“কী বললে? আবার বলো দেখি?”
মনিরুল তাড়াতাড়ি শিমুর হাত ধরে টানল। “চলো এখান থেকে। ঝামেলা হবে।”
শিমু অনিচ্ছা সত্ত্বেও পেছনে হটল। কিন্তু যাওয়ার আগে শেষবারের মতো তাকিয়ে বলল—
“তোদের মতো লোকজনের জন্যই মেয়েদের বাইরে বেরোনো কঠিন। কুত্তার বাচ্চা।”
মোটাসোটা লোকটা চুপ করে তাকিয়ে রইল। তার চোখে আর হাসি ছিল না। মনে মনে বলল—
“শালী গালি দিয়ে গেল। কুত্তার বাচ্চা পর্যন্ত বলল। এই মাগিটাকে একদিন শেখাতে হবে। এত তেজ থাকলে চোদার সময় আরও জোর পাওয়া যায়।”
তারা হলের ভেতরে ঢুকল। মনিরুলের বুক দুরুদুরু করছিল। শিমুর এই তেজ আজ সীমা ছাড়িয়ে গেছে। চারপাশের পুরুষদের চোখে যে দৃষ্টি, তাতে ভালো কিছু দেখাচ্ছিল না।
শিমু হলের ভেতরে ঢুকেই মনিরুলকে বলল—
“আজকের এই লোকগুলোকে আমি ছাড়ব না। আর একবার কেউ তাকালে দেখে নেব।”
মনিরুল চুপ করে মাথা নাড়ল। ভেতরে ভেতরে তার মন বলছিল—
এই তেজ এখন শুধু গালমন্দে সীমাবদ্ধ নেই। এটা বড় বিপদের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
হলের ভেতরে ফিরে এসে শিমু আর মনিরুল একটা কোণে দাঁড়াল। শিমুর মুখ এখনো রাগে লাল। মনিরুল বারবার চারপাশের দিকে তাকাচ্ছিল। সেই মোটাসোটা লোকটা আর তার সঙ্গীরা হলের অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে কথা বলছিল। মাঝে মাঝে তাদের চোখ শিমুর দিকে যাচ্ছিল।
একটু পর শিমু বান্ধবীর কাছে গিয়ে বলল, “আমি যাই তো। অনেকক্ষণ হয়ে গেছে।”
বান্ধবী একটু অবাক হয়ে বলল, “এত তাড়াতাড়ি? এখনো গানবাজনা বাকি।”
শিমু সংক্ষেপে বলল, “গরম লাগছে। আর লোকজনের চোখের পানি নেই।”
মনিরুল দরজার দিকে এগোতেই দেখল সেই মোটাসোটা লোকটা আর দুইজন তার সঙ্গে ধীরে ধীরে তাদের দিকেই আসছে। মনিরুলের বুক ধড়ফড় করে উঠল। সে শিমুর হাত ধরে একটু তাড়াতাড়ি হাঁটতে লাগল।
বাইরের খোলা জায়গায় এসে শিমু থেমে গেল। পেছন ফিরে তাকিয়ে দেখল লোকগুলোও বাইরে বেরিয়ে এসেছে। মোটাসোটা লোকটা সিগারেট ধরিয়ে হাসছিল। তার চোখে সেই ঠান্ডা দৃষ্টি।
শিমু আর সহ্য করতে পারল না। এগিয়ে গিয়ে বলল—
“এখনো পেছন পেছন আসছো কেন? কী চাও?”
মোটাসোটা লোকটা ধীরে ধীরে এগিয়ে এল। গলা নিচু করে বলল—
“আপা, রাগ করবেন না। আপনার মুখের কথাগুলো একটু কড়া হয়ে গিয়েছিল। আমরা তো কিছু বলিনি। শুধু দেখেছি।”
শিমু গলা চড়া করে বলল—
“দেখারও লজ্জা নেই তোদের? চোখ কুঁচকে তাকিয়ে থেকে লোভী নজর দিচ্ছো। কুত্তার বাচ্চারা।”
কথাটা বলার সঙ্গে সঙ্গে আশেপাশের কয়েকজন লোক থেমে গিয়ে তাকাল। মোটাসোটা লোকটার মুখ শক্ত হয়ে গেল। তার সঙ্গীরাও এগিয়ে এল।
মোটাসোটা লোকটা মনে মনে বলল—
“শালী আবার কুত্তার বাচ্চা বলল। এত লোকের সামনে। এই মাগিটাকে আজ শেখাতেই হবে। এত তেজ, এত গালমন্দ। দুধগুলো এত বড় করে নিয়ে বেড়াচ্ছে, আর মুখের ওপর গালি দিচ্ছে।”
তার এক সঙ্গী নিচু গলায় বলল—
“ভাই, একেবারে ছাড়ার মতো না। এত সাহস। রাতে যদি পাই…”
মনিরুল শিমুর হাত শক্ত করে ধরল। বলল, “চলো এখান থেকে। ঝামেলা বাধবে।”
শিমু হাত ছাড়িয়ে নিয়ে বলল—
“তুমি চুপ করে থাকো। আমি কাউকে ভয় পাই না। এই হারামজাদারা…”
মোটাসোটা লোকটা হঠাৎ এক ধাপ এগিয়ে এসে শিমুর কথা কেটে বলল—
“আপা, একটু আস্তে কথা বলুন। এত গালিগালাজ ভালো লাগছে না। আপনার স্বামীও তো চুপ করে আছে। উনি কিছু বলছেন না দেখছেন?”
কথাটার মধ্যে একটা ইশারা ছিল। মনিরুলের মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল। শিমু কিন্তু আরও রেগে গিয়ে বলল—
“আমার স্বামীকে তুই টেনে আনছিস কেন? তোদের মতো লোকজনের সঙ্গে কথা বলার যোগ্যও না সে। তোরা সরে যা। নাহলে পুলিশ ডাকব।”
মোটাসোটা লোকটা হাসল। এবার তার হাসিটা অন্যরকম। মনে মনে বলল—
“পুলিশ ডাকবে? এত সাহস। এই মাগিটাকে আজ একটু অন্যভাবে শেখাতে হবে। দুধগুলো এত নাচাচ্ছে, আর মুখ দিয়ে গালি বেরোচ্ছে। একবার যদি সুযোগ পাই…”
আশেপাশে লোকজন জড়ো হতে শুরু করেছিল। কেউ কেউ ফিসফিস করছিল। মনিরুল শিমুর হাত আবার ধরে জোরে টানল।
“চলো এখনই। আর নয়।”
শিমু অনিচ্ছা সত্ত্বেও পেছনে হটল। কিন্তু যাওয়ার আগে শেষবারের মতো তাকিয়ে বলল—
“তোদের মুখ চিনে রাখলাম। দেখে নেব।”
মোটাসোটা লোকটা চুপ করে তাকিয়ে রইল। তার সঙ্গীরাও। তাদের চোখে আর ভদ্রতার ছাপ ছিল না।
মনিরুল শিমুকে নিয়ে দ্রুত গেটের দিকে হাঁটতে শুরু করল। পেছন থেকে মোটাসোটা লোকটার গলা ভেসে এল—
“আপা, রাত এখনো বাকি। তাড়াহুড়ো করবেন না।”
মনিরুলের গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। শিমু কিন্তু পেছন ফিরেও তাকাল না। তার পায়ের শব্দ জোরে জোরে বাজছিল। লাল শাড়ির আঁচলটা হাওয়ায় উড়ছিল। বুকের ভারী দুধ দুটো সামনে সামনে দুলছিল। গেটের দিকে হাঁটতে হাঁটতে মনিরুলের হাত শিমুর কবজিতে শক্ত হয়ে আটকে ছিল। শিমু একবার হাত ছাড়ানোর চেষ্টা করল, পারল না।
“এত জোরে টানছ কেন?” শিমু বিরক্ত গলায় বলল। “আমি তো আর পালাচ্ছি না।”
মনিরুল পেছন ফিরে তাকাল। সেই মোটা লোকটা আর তার দুই সঙ্গী এখনো দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে তাদের দৃষ্টি অনুসরণ করছিল। মনিরুল গলা নিচু করে বলল,
“এখন কথা বলার সময় না। চলো বাইরে উঠি আগে।”
শিমু মুখ বেঁকিয়ে হাঁটতে লাগল। লাল শাড়ির আঁচলটা হাওয়ায় একটু একটু করে সরে যাচ্ছিল। বুকের দিকটা আবার খোলাখুলি হয়ে উঠছিল, কিন্তু এখন আর কেউ ভদ্র ভদ্র তাকাচ্ছিল না। যে দৃষ্টিগুলো আসছিল, তাতে অন্য কিছু ছিল।
গেট পার হয়ে রাস্তায় নামতেই মনিরুল একটা সিএনজির দিকে হাত তুলল। গাড়িটা কাছে আসতেই পেছন থেকে ডাক শোনা গেল।
“আপা…”
মোটা লোকটা হেঁটে এগিয়ে আসছিল। তার দুই সঙ্গী পাশে। মনিরুল দ্রুত গাড়ির দরজা খুলে শিমুকে ধাক্কা দিয়ে ওঠাতে চাইল। শিমু প্রতিবাদ করে বলল,
“কী করছো? আমি নিজে উঠতে পারি।”
মোটা লোকটা কাছে এসে গাড়ির সামনে দাঁড়াল। হাসি মুখে বলল,
“এত তাড়াহুড়ো কেন আপনার? রাত তো এখনো অনেক বাকি। একটু গল্প করা যায় না?”
শিমু জানালা দিয়ে মাথা বাড়িয়ে বলল,
“গল্প করার মতো লোক তোমাকে মনে হয় না। সরে যাও।”
লোকটা হাসল। এবার তার হাসিটা আগের চেয়েও ছোট। বলল,
“আপনার মুখের কথাগুলো শুনে মনে হচ্ছে আপনি খুব সাহসী। ভালো কথা। সাহসী মেয়েদের আমরা পছন্দ করি।”
তার এক সঙ্গী পাশ থেকে যোগ দিল,
“স্বামীসাহেব তো চুপচাপ। উনি কিছু বলছেন না দেখে।”
মনিরুল গাড়ির ভেতর থেকে বলল, “ভাই, আমাদের যেতে দিন। ঝামেলা করতে চাই না।”
মোটা লোকটা গাড়ির বনেটের উপর হাত রেখে বলল,
“ঝামেলা কে করছে? আমরা তো শুধু কথা বলছি। আপনার বউ তো খুব মুখর। একটু কথা শুনলে ক্ষতি কী?”
শিমু আর থাকতে না পেরে দরজা খুলে নামতে গেল। মনিরুল তাকে আটকাতে গিয়েও পারল না। শিমু রাস্তায় নেমে সোজা লোকটার দিকে তাকিয়ে বলল,
“আমার মুখের কথা শুনতে এত ইচ্ছে হয় তোমার? তাহলে শোনো— তোদের মতো লোকজনের জন্যই রাস্তাঘাট অনিরাপদ। চোখের লোভ সামলাতে পারো না, তার ওপর কথা শোনার সাহস দেখাও। সরে যাও এখন।”
মোটা লোকটার চোখের পাতা একবারও কাঁপল না। সে ধীরে করে বলল,
“আপনি খুব গরম মেয়ে। গরম মেয়েদের একটু ঠান্ডা করতে হয় কখনো কখনো।”
কথাটার সঙ্গে সঙ্গে তার দুই সঙ্গী দু’দিক থেকে একটু কাছাকাছি এল। মনিরুল গাড়ি থেকে নেমে শিমুর সামনে এসে দাঁড়াল। গলা কাঁপিয়ে বলল,
“ভাই, প্লিজ… আমরা চলে যাই। কোনো ঝামেলা নয়।”
মোটা লোকটা মনিরুলের দিকে তাকিয়ে একটু হাসল।
“আপনি খুব ভদ্র মানুষ। ভদ্র মানুষেরাই সবচেয়ে বেশি অসুবিধায় পড়ে।”
এই সময় রাস্তা দিয়ে আরও কয়েকটা লোক হেঁটে যাচ্ছিল। কেউ কেউ থেমে তাকিয়েছিল। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে কেউ কাছে আসছিল না।
শিমু মনিরুলের হাত ধরে টানল।
“উঠো গাড়িতে। এদের সঙ্গে কথা বলে সময় নষ্ট করার দরকার নেই।”
তারা দুজন গাড়িতে উঠল। চালকটা ভয় পেয়ে দ্রুত গাড়ি ছাড়ল। পেছনে মোটা লোকটা হাত তুলে বিদায় জানাল। তার মুখে সেই একই হাসি।
গাড়ি মোড় ঘুরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত মনিরুল পেছন ফিরে তাকিয়েছিল। লোকটা তখনো দাঁড়িয়ে আছে। তার সঙ্গীরাও।
শিমু জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে বলল,
“এদের সাহস দেখ। এত লোকের সামনে এভাবে কথা বলে। আমি যদি পুরুষ হতাম…”
মনিরুল চুপ করে বসে রইল। তার হাত কাঁপছিল। গাড়ির আয়নায় তার নিজের মুখটা ফ্যাকাশে দেখাচ্ছিল।
রাত তখনো পুরোপুরি নামেনি। রাস্তার দু’পাশে আলো জ্বলছিল। শিমুর লাল শাড়িটা গাড়ির জানালা দিয়ে একটু একটু করে উড়ছিল। বুকের দিকটা আবার হাওয়ায় খুলে যাচ্ছিল।
সিএনজির ভেতরটা একটু অন্ধকার। চালক সামনে তাকিয়ে গাড়ি চালাচ্ছে। শিমু জানালার দিকে মুখ করে বসে আছে। মনিরুল পাশে। দুজনের কেউই প্রথমে কথা বলছে না।
একটু পর শিমুই কথা খুলল।
“দেখেছো ওদের সাহস? এত লোকের সামনে এসে দাঁড়িয়ে গল্প করতে চায়। লজ্জাশূন্য।”
মনিরুল সিগারেটের প্যাকেট বের করে আবার রেখে দিল। গলাটা একটু নিচু করে বলল,
“আর কথা বাড়াইয়ো না। ওরা খারাপ লোক মনে হচ্ছে। এখন বাড়ি যাই।”
শিমু পেছন ফিরে তাকাল।
“তুমি তো সবসময় এমনই। কেউ কিছু বললে চুপ করে সয়ে যাও। আমি পারিনা। চোখের সামনে লোভী নজর দিয়ে তাকিয়ে থাকবে, আর আমি কিছু বলব না? তা হয় না।”
মনিরুল হালকা করে বলল,
“বললেই তো হয় না সবসময়। ওরা তো আর ভদ্রলোক না। তুমি গালি দিলে ওরা আরও খেপে যায়। আজকের মতো থাক।”
শিমু বিরক্ত হয়ে মুখ ঘোরাল।
“থাক মানে? আমি ভয় পাই না ওদের। কী করবে বলতো? রাস্তার মাঝখানে?”
মনিরুল জবাব দিল না। গাড়ির জানালা দিয়ে বাইরের রাস্তা দেখছিল। মাঝে মাঝে পেছন ফিরে তাকাচ্ছিল, কেউ ফলো করছে কিনা। রাস্তা ভালোই ফাঁকা। তেমন কেউ নেই।
একটু পর শিমু আবার বলল,
“তুমি ওদের ভয় পাচ্ছো না কি? মুখ দেখে মনে হচ্ছে ভয় পেয়েছো।”
মনিরুল একটু বিরক্ত হয়েই বলল,
“ভয় না, বুদ্ধি। তোমার মতো মুখ খুলে গালি দিয়ে পার পাওয়া যায় না সবসময়। আজকে ওরা অনেকগুলো ছিল। আমি একা। তুমিও একা।”
শিমু চুপ করে গেল। কিছুক্ষণ পর আস্তে করে বলল,
“আমি জানি তুমি চিন্তা করছো। কিন্তু আমি সত্যিই সহ্য করতে পারিনা এসব নজর। আমার শরীর নিয়ে কী ভাবে ওরা…”
কথাটা শেষ না করেই থেমে গেল। মনিরুল তার দিকে তাকাল। শিমুর গাল একটু লাল। রাগ এখনো কাটেনি।
গাড়িটা তাদের বাসার দিকে মোড় নিল। মনিরুল চালককে ঠিকানা বলল। তারপর শিমুর দিকে তাকিয়ে বলল,
“বাড়ি গিয়ে গোসল করে ঘুমাও। আজকের কথা আর মনে রেখো না। কালকে অফিস আছে আমার।”
শিমু জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে বলল,
“আমি মনে রাখব। ওদের মুখ চিনে রেখেছি।”
মনিরুল আর কিছু বলল না। গাড়ি ধীরে ধীরে তাদের গলির মুখে এসে থামল।
নামার সময় মনিরুল আগে নামল। চারদিকটা একবার ভালো করে দেখল। কেউ নেই। তারপর শিমুকে নামতে দিল। শিমু শাড়ির আঁচলটা টেনে বুকের দিকটা ঢাকল। দুজনে গলির ভেতর ঢুকে গেল।
পেছনে সিএনজিটা হর্ন দিয়ে চলে গেল। রাস্তা আবার ফাঁকা হয়ে গেল। গেটের সামনে এসে দেখা গেল আক্তার চাচা চেয়ারে বসে আছে। হাতে চায়ের গ্লাস। শিমুকে দেখেই সে ধীরে করে উঠে দাঁড়াল।
… এত তাড়াতাড়ি ফিরে এলেন বউমা?” আক্তার চাচার গলায় স্বাভাবিক ভদ্রতা। কিন্তু চোখ দুটো শিমুর বুক আর কোমরের দিকে একটু বেশিক্ষণ থেকে গেল।
শিমু সংক্ষেপে বলল, “হ্যাঁ, চাচা। গরম লাগছিল।”
আক্তার চাচা দরজা খুলে দিতে দিতে মনে মনে বলল—
“গরম লাগছিল বলে এত তাড়াতাড়ি? নাকি কোথাও গিয়ে ঝামেলায় পড়েছে? শাড়িটা তো আগের মতোই ফুলেফেঁপে আছে। দুধগুলো এত বড় করে নিয়ে বেড়ায়, আর মুখ দেখে মনে হয় কেউ কিছু বললেই গালি দেবে। এই বয়সেও এমন জিনিস দেখলে লোভ হয় ভাই।”
মনিরুল চাবি বের করতে করতে বলল, “রাত হয়ে গেছে চাচা। আপনিও উঠে যান।”
আক্তার চাচা হাসল।
“আমি তো আছিই। আপনারা উঠে যান।”
কথা বলতে বলতে তার চোখ আবার শিমুর পাছার দিকে গিয়ে পড়ল। শিমু সিঁড়ি দিয়ে উঠতে শুরু করেছে। লাল শাড়ির ভাঁজটা হাঁটার সঙ্গে সঙ্গে দুলছিল। আক্তার চাচা নিচু গলায় নিজের মনেই বলল—
“উফ… পাছাটাও তো কম যায় না। এই শরীর নিয়ে রাতের বেলা বেরোয়। স্বামীটা পাছে পাছে থাকে, অথচ চোখের নজর সামলাতে পারে না কেউ।”
মনিরুল পেছন ফিরে একবার তাকাল। আক্তার চাচা তখনো দাঁড়িয়ে আছে। মুখে সেই ভদ্র হাসি, চোখে অন্য কিছু।
তারা সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে মনিরুল একবার থেমে পেছন ফিরে তাকাল। নিচের রাস্তায় কেউ ছিল না। তবুও তার বুকের ভেতর একটা অস্বস্তি রয়ে গেল।
শিমু চাবি ঘুরিয়ে দরজা খুলল। ভেতরে ঢুকে জুতো খুলতে খুলতে বলল,
“হাত-মুখ ধুয়ে আসো। চা বানাবো।”
মনিরুল দরজা বন্ধ করে কব্জা দিয়ে আটকাল। তারপর একটু দাঁড়িয়ে রইল। বাইরের দিকটা আবার একবার শুনল। কোনো শব্দ নেই।
শিমু রান্নাঘরের দিকে যেতে যেতে বলল,
“কী হলো? এখনো দাঁড়িয়ে আছো কেন?”
মনিরুল মাথা নাড়ল।
“কিছু না। যাও, চা বানাও।”
শিমু রান্নাঘরের দিকে যাচ্ছিল। হঠাৎ থেমে গিয়ে পেছন ফিরে বলল—
“একটু অপেক্ষা করো। এই শাড়িটা খুলে ফেলি। গরম লাগছে খুব।”
আমি দরজার কাছে দাঁড়িয়েছিলাম। চাবিটা এখনো হাতে। শিমু বলার সঙ্গে সঙ্গেই আঁচলটা খুলে ফেলল। লাল কাপড়টা তার বাঁ কাঁধ থেকে সরে এসে হাতে মুঠো হয়ে গেল। ব্লাউজের উপরের অংশ পুরোপুরি খুলে গেল। বাসন্তি রঙের ব্লাউজটা এতটাই টাইট ছিল যে দুধ দুটোর ভাঁজ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। নিপলের উঁচু অংশ কাপড়ের উপর দিয়েই টের পাওয়া যাচ্ছিল।
শিমু কোমরের দিকে হাত নিয়ে শাড়ির পেটানো অংশ খুলতে লাগল। আঙুল দিয়ে কাপড়ের ভাঁজ খুঁজে বের করে একটু একটু করে আলগা করতে লাগল। শাড়ির কাপড়টা ধীরে ধীরে তার কোমর থেকে খুলে নিচে নামতে শুরু করল। প্রথমে কোমরের সরু অংশটা বেরিয়ে এল। তারপর লাল সায়ার উপর দিয়ে শাড়িটা নিচে নামতে লাগল। পাছার গোল অংশটা সায়ার কাপড়ের ভেতর থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠল। শাড়িটা হাঁটু পর্যন্ত নেমে এলে শিমু একপাশে সরিয়ে রাখল।
এবার ব্লাউজের পেছনের হুক খুলতে হাত নিয়ে গেল। একটা… দুটো… তিনটে হুক। ব্লাউজটা আলগা হয়ে গেল। শিমু কাঁধ থেকে ব্লাউজটা টেনে খুলে ফেলল। সামনে থেকে খুলে গেল পুরোপুরি। অফ-হোয়াইট রঙের ব্রা এখনো লাগানো। ৩৬ কে কাপের দুধ দুটো ব্রার কাপ ভরে টানটান করে রেখেছিল। ব্রার উপরের অংশ দিয়ে দুধের সাদা মাংস উঁকি দিচ্ছিল।
শিমু ব্রার পেছনের হুক খুলল। এক টানে খুলে গেল। ব্রাটা সামনে থেকে খুলে হাতে নিল। দুধ দুটো মুক্ত হয়ে সামনে ঝুলে পড়ল। ভারী। গোল। নিপল দুটো ঘন বাদামি, একটু শক্ত হয়ে উঠেছিল। হাঁটার সময় যেভাবে দুলত, এখন দাঁড়িয়ে থাকলেও হালকা দুলছিল শ্বাসের সঙ্গে।
শিমু মেঝে থেকে একটা নীল গেঞ্জি তুলে নিল। ব্রা ছাড়াই গেঞ্জিটা মাথার উপর দিয়ে টেনে পরল। গেঞ্জিটা একটু ঢিলেঢালা। কিন্তু দুধ দুটোর ভারে সামনের দিকটা টানটান হয়ে গেল। নিপলের দাগ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল নীল কাপড়ের উপর দিয়ে। গেঞ্জির নিচ দিয়ে পেটের সাদা অংশ উঁকি দিচ্ছিল।
এবার সায়া খুলল। লাল কাপড়টা পায়ের কাছে পড়ে গেল। শিমু বাদামি রঙের পাজামাটা তুলে একপা একপা করে পরল। কোমরে দড়ি বেঁধে নিল।
শিমু এবার আয়নার সামনে একবার তাকাল। নীল গেঞ্জি আর বাদামি পাজামায় তার শরীর আরও বেশি খোলাখুলি লাগছিল। দুধ দুটো গেঞ্জির ভেতর থেকে সামনে বেরিয়ে থাকছিল। কোনো ব্রা নেই। কোনো শাড়ির আঁচল নেই।
সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“এখন ভালো লাগছে। গরম কমছে। তুমি হাত-মুখ ধুয়ে এসো। চা বানাচ্ছি।”
আমি চুপ করে মাথা নাড়লাম। শিমু রান্নাঘরের দিকে হেঁটে গেল। নীল গেঞ্জির ভেতর দিয়ে তার দুধ দুটো দুলছিল। বাদামি পাজামার ভেতর পাছা দুটো হালকা নড়ছিল।
আমি দরজার কাছে দাঁড়িয়ে সেই দৃশ্য দেখছিলাম। আজকের পুরো দিনের সব নজর, সব গালি, সব উত্তেজনা যেন এই মুহূর্তে ঘরের ভেতরে এসে জমা হয়েছে।
শিমু রান্নাঘরে ঢুকে গেল। আমি এখনো দরজার কাছে দাঁড়িয়ে। বাইরের তালাটা আবার একবার হাত দিয়ে চেপে দেখলাম। শক্ত আছে। তারপর ধীরে করে হাত-মুখ ধুতে গেলাম।
বাথরুম থেকে বেরিয়ে এসে দেখি শিমু চুলার সামনে দাঁড়িয়ে। নীল গেঞ্জিটা তার গায়ে এতটাই হালকা যে আলোর ছায়ায় দুধ দুটোর আকার স্পষ্ট। নিপল দুটো কাপড়ের উপর দিয়ে উঁচু হয়ে আছে। গেঞ্জির নিচ দিয়ে পেটের সাদা চামড়া দেখা যাচ্ছে। বাদামি পাজামাটা কোমরে আলতো করে বাঁধা। পাছার উপর কাপড়টা টানটান।
শিমু চাপাতি চা বানাচ্ছিল। এক হাতে চিনি দিচ্ছিল, অন্য হাতে চামচ ঘোরাচ্ছিল। প্রতিবার হাত নাড়ালেই তার বুক দুটো নীল কাপড়ের ভেতর দুলছিল। কোনো ব্রা নেই। দুধ দুটো সম্পূর্ণ মুক্ত। ভারী। নিচের দিকে ঝুলে আছে। হাঁটলে দুলত, এখন দাঁড়িয়ে চা বানাতে গিয়েও হালকা নড়ছিল।
আমি চেয়ারে বসলাম। শিমু আমার দিকে তাকাল না। শুধু বলল—
“আজকের ওই লোকগুলোর সাহস দেখেছো? এত লোকের সামনে এসে দাঁড়িয়ে কথা বলে। লজ্জাশূন্য।”
আমি চুপ করে ছিলাম। শিমু চামচ ঘোরাতে ঘোরাতে আবার বলল—
“তুমি তো কিছুই বললে না। পাশে দাঁড়িয়ে শুধু দেখছিলে। আমি যদি না গালি দিতাম তাহলে ওরা আরও বেপরোয়া হয়ে যেত।”
কথাগুলো বলার সময় তার গলায় সেই পরিচিত তেজ। নীল গেঞ্জির ভেতর দিয়ে নিপল দুটো আরও একটু শক্ত হয়ে উঠেছে মনে হচ্ছিল। রাগে তার শরীর গরম হয়ে আছে।
আমি আস্তে করে বললাম, “ওরা খারাপ লোক ছিল শিমু। আর কথা বাড়াইও না। এখন রাত হয়েছে।”
শিমু চুলা থেকে কেটলি নামিয়ে চা ঢালতে ঢালতে বলল—
“খারাপ লোক হলেই চুপ করে থাকতে হবে? আমার শরীরের দিকে লোভী নজর দিয়ে তাকিয়ে থাকবে, আর আমি কিছু বলব না? তা হয় না। আমি কাউকে ছাড়ি না।”
চায়ের কাপ দুটো হাতে নিয়ে আমার দিকে এগিয়ে এল। নীল গেঞ্জিটা হাঁটার সঙ্গে সঙ্গে তার বুকের ভারে সামনে সামনে নড়ছিল। দুধ দুটো কাপড়ের ভেতর থেকে যেন বেরিয়ে আসতে চাইছে। নিপলের দাগ এখন আরও স্পষ্ট।
কাপটা আমার হাতে দিয়ে শিমু আমার সামনেই দাঁড়িয়ে গেল। গেঞ্জির কাছ থেকে তার শরীরের গরম অনুভব করা যাচ্ছিল। দুধ দুটো আমার চোখের সামনে দুলছিল। কোনো আঁচল নেই, কোনো ব্লাউজ নেই, কোনো ব্রা নেই। শুধু পাতলা নীল কাপড়।
শিমু আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল—
“তুমি কি ওদের ভয় পেয়েছিলে?”
আমি চায়ের কাপ হাতে নিয়ে নিচু দৃষ্টিতে বললাম, “ভয় না। বুদ্ধি। ওরা অনেকগুলো ছিল।”
শিমু একটু হাসল। সেই হাসিটা রাগের হাসি।
“বুদ্ধি। সবসময় বুদ্ধি। আমি পারিনা তোমার মতো চুপ করে সয়ে যেতে। আমার শরীর নিয়ে কেউ লোভী নজর দিলে আমি গালি দেবই। কে কী করে দেখি।”
কথা বলে শিমু আমার পাশের চেয়ারে বসল। পাজামায় তার পা দুটো ভাজ করে রাখল। গেঞ্জির নিচ দিয়ে পেটের অংশ আরও খুলে গেল। দুধ দুটো এখন বসার অবস্থায় আরও ভারী হয়ে সামনে এগিয়ে এসেছে। কাপড়টা প্রায় স্বচ্ছ মনে হচ্ছিল আলোর ছায়ায়।
আমি চা চুমুক দিলাম। গরম চা গলায় নামল। কিন্তু আমার শরীরের ভেতর অন্য একটা গরম চাপছিল। আজ সারাদিন যত নজর, যত মনের কথা, যত গালি— সবকিছু যেন এই নীল গেঞ্জির ভেতরের শরীরটার উপর এসে জমা হয়েছে। শিমু আমার সামনে বসে চা খাচ্ছে। ব্রা ছাড়া। কোনো সংকোচ নেই।
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি -
Bad Boy - 09-10-2026
শিমু চায়ের কাপ হাতে নিয়ে এক চুমুক দিল। গেঞ্জির কাপড়টা তার বুকের উপর এতটাই হালকা যে নিপল দুটোর আকার স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। বসার অবস্থায় দুধ দুটো আরও ভারী হয়ে সামনে এগিয়ে এসেছে। নীল কাপড়টা দুধের নিচের গোল অংশটুকু ঠিকমতো ঢাকতে পারছে না। একটু একটু করে সাদা মাংস উঁকি দিচ্ছে।
আমি চা খাচ্ছিলাম। কিন্তু চোখ বারবার তার বুকের দিকে চলে যাচ্ছিল। শিমু টের পেল। ভুরু কুঁচকে আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“কী দেখছো বারবার?”
কথাটা বলার সঙ্গে সঙ্গেই তার গলায় সেই তেজ চলে এল। আজ সারাদিন যত গালি দিয়েছে, ততটাই এখন ঘরের ভেতরেও সেই সুর।
আমি দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে বললাম, “কিছু না। চা খাও।”
শিমু কাপটা টেবিলে রেখে বলল—
“কিছু না মানে? চোখ তো সরাচ্ছো না। আজকে বাইরে যারা তাকিয়েছিল, তারাও তো এমনই করছিল। তুমিও কি তাদের মতো?”
কথাগুলো তীক্ষ্ণ। আমি চুপ করে গেলাম। শিমু আমার চুপ দেখে আরও একটু এগিয়ে এল। চেয়ারটা আমার দিকে সরাল। তার হাঁটু আমার হাঁটুর কাছে এসে লাগল। নীল গেঞ্জির ভেতর থেকে দুধ দুটো এখন আরও কাছে। শ্বাস নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাপড়টা উঠানামা করছে। নিপল দুটো স্পষ্ট উঁচু।
শিমু গলা নিচু করে বলল—
“বলো তো। তুমি কি ওদের মতো আমার শরীর দেখে উত্তেজিত হচ্ছো? সারাদিন সবাই তাকিয়েছিল। তুমিও কি তাকিয়েছিলে?”
আমি চায়ের কাপ নামিয়ে রেখেছিলাম। গলা শুকিয়ে আসছিল। বললাম, “শিমু, এখন রাত হয়েছে। এসব কথা বলে কী হবে?”
শিমু হাসল। সেই হাসিটা মিষ্টি নয়। রাগের হাসি।
“এসব কথা বলে কী হবে? আজকে আমি যত গালি দিয়েছি, ততবার ওদের চোখে দেখেছি কী চায় ওরা। তুমি পাশে দাঁড়িয়ে শুধু দেখেছো। একবারও মুখ খুলোনি। এখন ঘরে এসেও চুপ?”
কথা বলতে বলতে শিমু উঠে দাঁড়াল। আমার সামনে দাঁড়িয়ে গেল। নীল গেঞ্জিটা তার গায়ে এতটাই আঁটসাঁট হয়ে গেছে বুকের ভারে যে দুধ দুটোর ভাঁজ পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। নিপল দুটো কাপড় ঠেলে বাইরে বেরোতে চাইছে। বাদামি পাজামার কোমরের দড়ি একটু আলগা। পাজামার ভেতর দিয়ে পাছার গোল অংশ স্পষ্ট।
শিমু আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল—
“তুমি যদি পুরুষ হতে, তাহলে আজকে ওই লোকগুলোকে কিছু একটা বলতে। কিন্তু তুমি চুপ করে সয়ে গেছো। আর এখন আমার সামনে বসে আমার শরীর দেখছো।”
আমি উঠে দাঁড়াতে গেলাম। শিমু হাত বাড়িয়ে আমার বুকে চাপ দিয়ে আটকে দিল। তার হাতের ছোঁয়া গরম। গেঞ্জির ভেতর থেকে তার দুধ দুটো আমার বুকের কাছে এসে ঠেকছে প্রায়। কোনো দূরত্ব নেই।
শিমু গলা আরও নিচু করে বলল—
“বলো তো মনিরুল। তুমি কি চাও আমি ওদের মতো লোকের সামনে গালি দেওয়া বন্ধ করি? নাকি তুমিও চাও আমাকে এভাবে দেখতে?”
আমার গলা দিয়ে কোনো কথা বেরোচ্ছিল না। শিমুর দুধ দুটো নীল কাপড়ের ভেতর থেকে আমার চোখের সামনে দুলছিল। নিপলের উঁচু দাগ। সাদা মাংসের ভাঁজ। আর তার চোখে সেই পরিচিত তেজ।
শিমু আমার চুপ দেখে আরেকটু এগিয়ে এল। তার বুক প্রায় আমার বুকে লেগে গেল। গেঞ্জির কাপড়ের ভেতর দিয়ে তার নিপলের শক্ত অনুভূতি পাওয়া যাচ্ছিল।
সে আস্তে করে বলল—
“চুপ করে আছো কেন? বলো না কী চাও।”শিমুর বুক আমার বুকের প্রায় গায়ে লেগে গেছে। নীল গেঞ্জির পাতলা কাপড়ের ভেতর দিয়ে তার দুধ দুটোর নরম আর ভারী অনুভূতি স্পষ্ট। নিপল দুটো শক্ত হয়ে আমার শার্টের উপর চাপ খেয়েছে। শিমু একটুও সরেনি। বরং আরও একটু এগিয়ে এসেছে।
আমার শ্বাস দ্রুত হয়ে গেছে। নিচের দিকে একটা চাপ অনুভব করছিলাম। শিমু যেন টের পেয়ে গেল। তার চোখ আমার চোখ থেকে নামিয়ে নিচে নামল। একটুক্ষণ তাকিয়ে থেকে আবার চোখ তুলে বলল—
“এই তো চাও তুমি।”
কথাটা বলার সঙ্গে সঙ্গে তার গলায় একটা বিদ্রূপের সুর এল। সে হাত বাড়িয়ে আমার প্যান্টের উপর হালকা চাপ দিল। ঠিক সেই জায়গায় যেখানে আমার শরীর সাড়া দিয়ে উঠেছে।
আমি হাত সরিয়ে দিতে গেলাম। শিমু সরতে দিল না। বরং আঙুল দিয়ে আরেকটু চেপে ধরল।
“সারাদিন সবাই আমার শরীর দেখেছে। তুমি চুপ করে সয়েছো। এখন ঘরে এসে এই অবস্থা। লজ্জা নেই তোমার?”
কথাগুলো তীক্ষ্ণ। কিন্তু তার হাত সরছে না। আমার প্যান্টের কাপড়ের উপর দিয়ে আঙুলগুলো আস্তে আস্তে নড়ছিল। আমি গলা দিয়ে কোনো কথা বের করতে পারছিলাম না। শুধু শ্বাস নিচ্ছিলাম দ্রুত।
শিমু হঠাৎ হাত সরিয়ে নিল। এক পা পেছনে সরে দাঁড়াল। নীল গেঞ্জিটা তার বুকের উপর টানটান। দুধ দুটো শ্বাসের সঙ্গে উঠানামা করছে। নিপল দুটো কাপড়ের উপর দিয়ে স্পষ্ট উঁচু। বাদামি পাজামার কোমরের দড়ি আগের চেয়ে আরও আলগা হয়ে গেছে। পাজামার ভেতর দিয়ে কালো ত্রিভুজের আভাস পর্যন্ত টের পাওয়া যাচ্ছিল।
সে দু’হাত বুকে আড়াআড়ি করে দাঁড়াল। বুকের উপর হাত রাখতেই দুধ দুটো আরও উপরে উঠে এল। গেঞ্জির কাপড়টা প্রায় ফেটে যাওয়ার জোগাড়।
“বলো তো মনিরুল,” শিমু বলল। “তুমি কি চাও আমি ওই লোকগুলোর সামনে চুপ করে থাকি? নাকি তুমি চাও ওরা আমাকে এভাবে দেখুক আর তুমি পাশে দাঁড়িয়ে মজা পাও?”
আমি দেয়ালে পিঠ ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম। গলা শুকনো। বললাম, “শিমু… এসব কী বলছো? আজকের কথা আর তোলো না।”
শিমু একটু হাসল। হাসিটা ঠান্ডা।
“আর তুলব না? আজকে আমি যতবার গালি দিয়েছি, ততবার ওদের চোখে দেখেছি কী চায় ওরা। আর তুমি? তুমি শুধু দেখেছো। এখন ঘরে এসে আমার গায়ে হাত বুলোতে চাও। লজ্জা করে না?”
কথা বলে সে আবার কাছে এল। এবার আর বুক ঠেকাল না। শুধু আমার খুব কাছে দাঁড়িয়ে গলা নিচু করে বলল—
“তুমি যদি সত্যি পুরুষ হতে, তাহলে আজকে ওই মোটা লোকটাকে একটা কথা বলতে। কিন্তু তুমি চুপ। আর এখন আমার সামনে দাঁড়িয়ে তোমার এই অবস্থা।”
তার চোখ আমার প্যান্টের দিকে আরেকবার নামল। তারপর আবার চোখ তুলে বলল—
“যাও, গোসল করে এসো। গরম লেগেছে তোমার। আর আমার গায়ে হাত দিয়ো না আজকে। মন নেই।”
কথা বলে শিমু পেছন ঘুরল। বাদামি পাজামার ভেতর দিয়ে তার পাছা দুটোর গোল আকার স্পষ্ট দুলছিল হাঁটার সঙ্গে। নীল গেঞ্জির নিচ দিয়ে পেটের সাদা অংশ উঁকি দিচ্ছিল। সে রান্নাঘরের দিকে না গিয়ে সোজা বেডরুমের দিকে হেঁটে গেল।
দরজার কাছে গিয়ে থেমে একবার পেছন ফিরে তাকাল। নীল গেঞ্জির ভেতর তার দুধ দুটো এখনো ভারী হয়ে দুলছিল।
“চা ঠান্ডা হয়ে যাবে,” সে বলল। “খেয়ে নিয়ো। আমি শুয়ে পড়ছি।”
এরপর দরজাটা খুলে ভেতরে ঢুকে গেল। পুরোপুরি বন্ধ করল না। একটু ফাঁক রেখে দিল।
আমি চেয়ারে বসে পড়লাম। হাত দুটো পায়ে রাখলাম। নিচের দিকের চাপ এখনো যায়নি। নীল গেঞ্জির ভেতরের সেই ভারী দুধ দুটো, শক্ত নিপল, আর শিমুর তেজালো কথাগুলো বারবার মনে পড়ছিল।
আমি চেয়ারে বসে রইলাম। চায়ের কাপটা টেবিলে ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছিল। ঘরের ভেতরটা নিস্তব্ধ। শুধু ফ্যানের শব্দ। বেডরুমের দরজাটা একটু ফাঁকা। ভেতর থেকে কোনো আওয়াজ আসছিল না।
আমি উঠলাম। ধীরে করে দরজার কাছে গেলাম। ফাঁক দিয়ে উঁকি মারলাম।
শিমু বিছানার উপর বসে আছে। নীল গেঞ্জিটা এখনো গায়ে। বাদামি পাজামা। সে চুল খুলে ফেলেছে। লম্বা কালো চুল দু’কাঁধ বেয়ে নেমেছে। এক হাতে চুল আঁচড়াচ্ছে। অন্য হাতে মোবাইল নিয়ে কিছু দেখছে।
গেঞ্জিটা বসার অবস্থায় আরও উপরে উঠে গেছে। পেটের সাদা অংশ পুরোপুরি বেরিয়ে আছে। দুধ দুটো নীল কাপড়ের ভেতর ভারী হয়ে ঝুলে আছে। নিপলের দাগ স্পষ্ট। চুল আঁচড়ানোর সময় হাত ওঠানামা করলেই বুক দুটো দুলছে। কোনো ব্রা নেই। কোনো সংকোচ নেই।
শিমু হঠাৎ মাথা তুলে আমার দিকে তাকাল। ফাঁক দিয়ে আমাকে দেখে ফেলল। ভুরু কুঁচকে গেল।
“কী চাও?” গলার সুরে বিরক্তি। “উঁকি মেরে কী দেখছো?”
আমি দরজাটা আরেকটু ঠেলে খুলে ভেতরে ঢুকলাম। বললাম, “কিছু না। দরজাটা খোলা ছিল বলে…”
শিমু মোবাইলটা পাশে রেখে দিল। চুলের আঁচড়টা হাতে নিয়ে আরেকবার চুলের মধ্যে দিয়ে টানল। গেঞ্জির ভেতর দিয়ে নিপল দুটো আরও একটু শক্ত হয়ে উঠেছে মনে হচ্ছিল।
“দরজা খোলা থাকলেই উঁকি মারতে হবে?” সে বলল। “আজকে সারাদিন যথেষ্ট দেখেছো। এখন আর কী দেখবে?”
আমি বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে রইলাম। শিমু আমার দিকে তাকিয়ে আছে। তার চোখে এখনো সেই তেজ। আজকের গালিগুলো, ওই মোটা লোকটার হাসি, রাস্তার সেই মুখোমুখি— সবকিছু যেন এখনো তার গলায় লেগে আছে।
শিমু হঠাৎ গেঞ্জির কাপড়টা একটু টেনে নিচের দিকে নামিয়ে দিল। কিন্তু দুধ দুটোর ভারে কাপড়টা আবার উপরে উঠে এল। নিপলের উঁচু অংশ আরও স্পষ্ট হয়ে গেল।
সে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল—
“বলো তো। তুমি কি সত্যিই চাও আমি ওদের সামনে চুপ করে থাকি? নাকি তুমি মজা পাও যখন ওরা আমার দিকে তাকায় আর আমি গালি দিই?”
আমি কোনো উত্তর দিতে পারলাম না। গলা শুকনো। নিচের দিকের চাপ আগের চেয়ে বেড়েছে।
শিমু বিছানা থেকে নেমে দাঁড়াল। আমার সামনে এসে দাঁড়াল। এবার আর বুক ঠেকাল না। একটু দূরত্ব রেখেই বলল—
“তুমি যদি আজকে ওই লোকটাকে একটা কথাও বলতে, তাহলে আমি হয়তো এত রাগ করতাম না। কিন্তু তুমি চুপ। আর এখন এখানে দাঁড়িয়ে আমার গায়ে তাকিয়ে আছো।”
কথা বলে সে আমার শার্টের বোতামের দিকে হাত বাড়াল। একটা বোতাম খুলল। তারপর আরেকটা। হাতটা আমার বুকের উপর রাখল। গরম হাত।
“তুমি গরম,” সে বলল। “আমিও গরম। কিন্তু আজকে তোমার ছোঁয়া লাগবে না আমার গায়ে। মন নেই।”
হাত সরিয়ে নিল। পেছন ঘুরে আবার বিছানায় উঠে বসল। পাজামায় পা দুটো ভাজ করে নিল। গেঞ্জির নিচ দিয়ে উরু পর্যন্ত সাদা চামড়া দেখা গেল। দুধ দুটো এখন বসার অবস্থায় দু’দিকে সামান্য সরে গেছে। কাপড়টা প্রায় স্বচ্ছ।
সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“যাও, অন্য ঘরে গিয়ে শোও। অথবা এখানেই শোও। কিন্তু গায়ে হাত দিয়ো না। আজকে নয়।”
আমি দাঁড়িয়ে রইলাম। শিমু চুল আবার একবার আঁচড়ে নিল। তারপর লাইটটা কমিয়ে দিল। ঘরটা আধো অন্ধকার হয়ে গেল। শুধু জানালার বাইরের আলোতে তার নীল গেঞ্জির ভেতরের শরীরটার আদল দেখা যাচ্ছিল।
আমি ধীরে করে বিছানার অন্য পাশে গিয়ে বসলাম। শিমু পেছন ফিরে শুয়ে পড়ল। গেঞ্জির কাপড়টা পেছন দিক থেকে উঠে তার কোমরের উপরের সাদা চামড়া উঁকি দিচ্ছিল। পাজামার ভেতর পাছা দুটোর গোল আকার অন্ধকারেও স্পষ্ট।
আমি শুয়ে পড়লাম। চোখ বন্ধ করলাম। কিন্তু ঘুম আসছিল না। নীল গেঞ্জির ভেতরের সেই ভারী দুধ, শক্ত নিপল, আর শিমুর তেজালো কণ্ঠস্বর বারবার মনে পড়ছিল।
আমি পাশ ফিরে শিমুর দিকে তাকিয়েছিলাম। আধো অন্ধকারে তার শরীরের আদল স্পষ্ট। নীল গেঞ্জিটা পেছন দিক থেকে একটু উপরে উঠে গেছে। কোমরের সাদা চামড়া জানালার আলোয় ঝিলিক দিচ্ছিল। বাদামি পাজামাটা পাছার উপর টানটান হয়ে আছে। দুটো গোল অংশ আলাদা করে বোঝা যাচ্ছিল। শিমু পা দুটো একটু ভাজ করে শুয়েছিল। শ্বাস নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার পিঠটা হালকা ওঠানামা করছিল।
আমার শরীর এখনো শান্ত হয়নি। নিচের দিকের চাপ কমেনি। শিমুর গা থেকে হালকা গন্ধ আসছিল— সাবান আর ঘামের মিশ্রণ। আজ সারাদিনের গরম, রাগ, আর লোকজনের নজর— সবকিছু যেন তার শরীরে লেগে আছে।
আমি একটু নড়লাম। বিছানাটা কর্কশ শব্দ করল। শিমু নড়ল না। মনে হচ্ছিল ঘুমিয়ে পড়েছে। কিন্তু একটু পর তার গলার ভেতর থেকে আস্তে করে কথা বেরোল—
“ঘুমাও। তাকিয়ে থেকে কী হবে?”
কণ্ঠস্বর ঘুমন্ত নয়। পরিষ্কার। বিরক্ত।
আমি চুপ করে গেলাম। শিমু পাশ ফিরে আমার দিকে তাকাল। অন্ধকারে তার চোখ দুটো জ্বলজ্বল করছিল। নীল গেঞ্জিটা সামনের দিকে সরে গেছে। একপাশের দুধটা কাপড়ের ভেতর থেকে প্রায় বেরিয়ে আসছিল। নিপলের উঁচু অংশ আলোর ছায়ায় স্পষ্ট।
সে আস্তে করে বলল—
“আজকে আর নয়। মন নেই। সারাদিনের গালিগালাজ আর লোকজনের চোখের নজর— সবকিছু মাথায় ঘুরছে। তোমার ছোঁয়া এখন সহ্য হবে না।”
কথা বলে সে আবার পাশ ফিরে শুয়ে পড়ল। এবার গেঞ্জিটা আরও একটু উপরে উঠে গেল। পিঠের নিচের দিকটা পুরোপুরি খুলে গেছে। পাজামার কোমরের দড়ি আলগা। পাছার উপরের দুটো গভীর ভাঁজ পর্যন্ত দেখা যাচ্ছিল অন্ধকারে।
আমি হাঁটু ভাজ করে শুয়ে রইলাম। হাত দুটো বুকের উপর রাখলাম। শরীরটা গরম। শিমুর শরীরের গন্ধ নাকে আসছিল। তার শ্বাসকষ্টের আওয়াজও শোনা যাচ্ছিল— ধীর, গভীর।
একটু পর শিমু আবার নড়ল। পাজামাটা একটু টেনে নিচে নামিয়ে দিল। কোমর থেকে আরও একটু কাপড় সরে গেল। এবার তার পাছার উপরের অংশ পুরোপুরি খোলা। গেঞ্জির নিচ দিয়ে পেটের দিকটাও উঁকি দিচ্ছিল।
সে আস্তে করে বলল, ঘুমের ভান করে না—
“তুমি যদি আজকে ওই লোকগুলোর সামনে একটা কথাও বলতে… তাহলে হয়তো এখন অন্যরকম হত। কিন্তু তুমি চুপ করেছিলে। এখন আমার গায়ে হাত দিয়ে কী হবে?”
কথাগুলো শুনে আমার বুকের ভেতরটা কেমন যেন চাপল। অপমান আর উত্তেজনা একসঙ্গে। শিমুর পেছনের খোলা চামড়া, পাছার গোল অংশ, আর নীল গেঞ্জির ভেতরের ভারী বুক— সবকিছু চোখের সামনে।
আমি হাত বাড়িয়ে তার কোমরের দিকে নিয়ে গেলাম। ছোঁয়ার আগ মুহূর্তে শিমু সজোরে পাশ ফিরে আমার হাত ধরে আটকে দিল।
“না।” গলার সুর কঠিন। “আজকে না। সরিয়ে নাও হাত।”
আমি হাত সরিয়ে নিলাম। শিমু আমার দিকে তাকিয়ে রইল কিছুক্ষণ। তারপর আস্তে করে বলল—
“ঘুমাও। কালকে কথা হবে। আজকের মতো আর নয়।”
এরপর সে আবার পেছন ফিরে শুয়ে পড়ল। এবার আর নড়ল না। শ্বাস ধীর হয়ে এল। মনে হচ্ছিল সত্যিই ঘুমালোর চেষ্টা করছে।
আমি চোখ খোলা রেখে ছিলাম। জানালার বাইরের আলোতে তার শরীরের আদল দেখা যাচ্ছিল। নীল গেঞ্জির ভেতর দুধ দুটোর ভারী অস্তিত্ব, পাজামার নিচে পাছার গোল রেখা, আর কোমরের খোলা সাদা চামড়া।
আজকের দিনের সব নজর, সব গালি, সব অপমান— সবকিছু এখন এই অন্ধকার ঘরটার ভেতর জমা হয়ে আছে। শিমু ঘুমাচ্ছে। আর আমি জেগে আছি।
শিমু একসময় সত্যিই ঘুমিয়ে পড়ল। তার শ্বাস ধীর ও নিয়মিত হয়ে এল। নীল গেঞ্জির ভেতর দিয়ে বুক ওঠানামা করছিল মৃদু ছন্দে। পাজামার উপর পাছা দুটোর গোল আকার অন্ধকারে স্থির হয়ে ছিল। আমি পাশে শুয়ে তার দিকে তাকিয়ে রইলাম অনেকক্ষণ।
হাত বাড়িয়ে তার কোমরে ছুঁতে ইচ্ছে করছিল। কিন্তু সে ঘুমাচ্ছে। আজকে স্পষ্ট বলেছে— না। মন নেই।
আমার ভেতরে একটা রাগ জন্মাল। ধীরে ধীরে।
সারাদিন আমি পাশে ছিলাম। ওই সব লোকজনের নজর সহ্য করেছি। শিমু গালি দিয়েছে, আমি চুপ করেছি। বাড়ি ফিরে এসেও সে আমাকে ছুঁতে দেয়নি। এখন ঘুমিয়ে পড়েছে। আর আমি জেগে থেকে তার শরীর দেখছি।
রাগটা বুকের ভেতর জমে উঠল। তার সঙ্গে উত্তেজনাও।
চোখ বন্ধ করলাম। কিন্তু অন্ধকারের ভেতরেই ভেসে উঠতে লাগল আজকের মুখগুলো।
সিএনজির চালক— যে বারবার ব্রেক কষে শিমুর দুধ দুটো নাচিয়েছিল।
কমিউনিটি সেন্টারের সেই যুবকরা— যারা করিডোরে দাঁড়িয়ে শিমুকে দেখে মনে মনে গজরাতে গজরাতে বলেছিল।
আর সেই মোটাসোটা লোকটা। তার ঠান্ডা হাসি। তার চোখের লোভ।
মনে মনে কল্পনাটা জন্মাল নিজেও বুঝতে না পেরে।
ওই মোটা লোকটা শিমুকে ওয়াশরুমে টেনে নিয়ে গেছে। দরজা বন্ধ করে দিয়েছে। শিমু রাগে গালি দিচ্ছে— “হারামজাদা, ছাড়ো!” কিন্তু লোকটা তার দুই হাত চেপে ধরেছে। বাসন্তি রঙের ব্লাউজের উপর দিয়ে হাত বুলিয়েছে। তারপর ব্লাউজের নিচ দিয়ে হাত ঢুকিয়ে অফ-হোয়াইট রঙের ব্রার কাপ সরিয়ে দিয়েছে। শিমুর ঝুলে থাকা ভারী দুধ দুটো বের করে এনেছে। দু’হাতে চেপে ধরেছে। শিমু গালি দিচ্ছে, কিন্তু লোকটা নিপল দুটো আঙুল দিয়ে চিপে ধরে আরও জোরে নিংড়েছে। “রাগি মাগি, এত তেজ…” বলে গজরাতে গজরাতে দুধ দুটো মুখে নিয়ে চুষেছে। শিমুর গালি আরও বাড়ছে, আর লোকটার হাত আরও নির্মম হচ্ছে।
কল্পনাটা এতটাই পরিষ্কার হয়ে উঠল যে আমার শ্বাস দ্রুত হয়ে গেল। নিচের দিকটা শক্ত হয়ে উঠেছে।
আমি সাবধানে বিছানা থেকে উঠলাম। শিমু নড়ল না। ঘুমন্ত।
ধীরে করে বেডরুমের বাইরে এলাম। আলোটা জ্বাললাম না। অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে আজকের পোশাকের স্তূপটা খুঁজে পেলাম। শিমুর অফ-হোয়াইট ব্রাটা হাতে এল। কাপ দুটো এখনো তার দুধের আকার ধরে আছে। একটু ভারী মনে হচ্ছিল।
আমি বাথরুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করলাম। লাইট জ্বাললাম না। অন্ধকারেই বসলাম কমোডের উপর। ব্রাটা নাকে তুলে নিলাম। গভীর করে শ্বাস নিলাম। শিমুর গায়ের গন্ধ— হালকা ঘাম, সাবান, আর তার শরীরের নিজস্ব গন্ধ। ব্রার কাপের ভেতরটা এখনো সামান্য স্যাঁতসেঁতে।
আমার হাত নিজে নিজেই প্যান্টের ভেতর ঢুকে গেল। শক্ত হয়ে থাকা অংশটা বের করে হাতে নিলাম। ব্রাটা অন্য হাতে নাকে চেপে ধরে রেখেছিলাম। চোখ বন্ধ করে আবার সেই কল্পনায় ডুবে গেলাম।
ওয়াশরুমে শিমু। বাসন্তি ব্লাউজ খোলা। অফ-হোয়াইট ব্রা সরে গেছে। দুধ দুটো লোকটার হাতে। শিমু গালি দিচ্ছে—“কুত্তার বাচ্চা… ছাড়ো…” আর লোকটা আরও জোরে নিংড়েছে। অন্য লোকগুলোও এসে জড়ো হয়েছে। কেউ পাছা চেপে ধরছে, কেউ চুল ধরে মুখ নিচু করে দিচ্ছে। শিমুর তেজালো গালি আরও বাড়ছে, আর ওরা আরও হিংস্র হয়ে উঠছে।
আমার হাত দ্রুত কাজ করছিল। শ্বাস ফুলে উঠেছে। ব্রার গন্ধ নাকে নিয়ে আমি আরও জোরে নাড়লাম। একসময় সারা শরীরটা টানটান হয়ে গেল। তারপর একটানা ঢেউয়ের মতো বেরিয়ে এল সব। হাত ভিজে গেল। কমোডের মেঝেতে কিছুটা পড়ে গেল।
কয়েক মুহূর্ত আমি শুধু হাঁপাতে লাগলাম। ব্রাটা এখনো হাতে। গন্ধটা এখনো নাকে।
তারপর ধীরে ধীরে মাথাটা পরিষ্কার হতে শুরু করল।
আমি কী করলাম?
নিজের স্ত্রীর ব্রা হাতে নিয়ে… ওই সব লোকের সঙ্গে শিমুকে কল্পনা করে… মাল ফেললাম।
বুকের ভেতর একটা অদ্ভুত লজ্জা আর ঘৃণা চাপল। এটা ঠিক হয়নি। শিমু আমার বউ। আজকে সে রাগে গালি দিয়েছে, কিন্তু সে তো আমারই। আমি কীভাবে এমন ভাবা শুরু করলাম?
ব্রাটা জায়গায় রেখে হাত ধুয়ে ফেললাম। অন্ধকারেই। তারপর বাথরুম থেকে বেরিয়ে এলাম।
বেডরুমে ঢুকে আবার শিমুর পাশে শুয়ে পড়লাম। সে এখনো ঘুমোচ্ছে। নীল গেঞ্জির ভেতর তার বুক মৃদু ওঠানামা করছে।
আমি চোখ বন্ধ করলাম। লজ্জাটা বুকে চেপে আছে। কিন্তু কল্পনার ছবিগুলো এখনো পুরোপুরি মুছে যায়নি।
ধীরে ধীরে ক্লান্তি এল। লজ্জার ভেতরেই ঘুম নামতে শুরু করল।
সকাল হয়ে এল ধীরে ধীরে। জানালার বাইরে হালকা আলো। আমি চোখ খুললাম। মাথাটা ভারী। রাতের ঘুম গভীর হয়নি। লজ্জা আর অদ্ভুত একটা অনুভূতি বুকে চেপে আছে এখনো।
পাশ ফিরে তাকালাম। শিমু এখনো ঘুমাচ্ছে। নীল গেঞ্জিটা রাতারাতি আরও একটু উপরে উঠে গেছে। একপাশের দুধটা কাপড়ের বাইরে প্রায় বেরিয়ে আছে। নিপলটা ঘুমের মধ্যে শিথিল। বাদামি পাজামাটা কোমর থেকে সরে একপাশের পাছাটা পর্যন্ত খুলে গেছে। সাদা চামড়া সকালের আলোয় পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে।
আমি উঠে বসলাম। শরীরটা ভারী লাগছিল। রাতের কথা মনে পড়তেই বুকের ভেতর আবার সেই লজ্জাটা চাপল। বাথরুমে বসে শিমুর ব্রা হাতে নিয়ে যা করেছি… নিজের স্ত্রীর ব্যাপারে এমন কল্পনা… এটা ঠিক হয়নি। তবু সেই ছবিগুলো মাথা থেকে পুরোপুরি যায়নি।
শিমু নড়ল। চোখ খুলল। আমার দিকে তাকিয়ে একটুক্ষণ চুপ করে থাকল। তারপর আস্তে করে বলল—
“কখন জাগলে?”
গলার সুর ঘুমঘুম। রাগ নেই। শুধু ক্লান্তি।
আমি বললাম, “একটু আগে।”
শিমু উঠে বসল। গেঞ্জিটা টেনে নিচে নামিয়ে নিল। কিন্তু দুধ দুটোর ভারে কাপড়টা আবার জায়গায় ফিরে গেল না। নিপল দুটো সকালের আলোয় স্পষ্ট। সে চুল একটু আঁচড়ে নিল। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“রাতের বেলা উঠে কোথায় গিয়েছিলে?”
আমার গলা শুকিয়ে গেল। বললাম, “বাথরুমে। একটু পানি খেতে।”
শিমু কিছুক্ষণ আমার মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর মাথা নেড়ে বলল, “চা বানাবো। উঠে যাও।”
সে বিছানা থেকে নামল। পাজামাটা টেনে কোমরে বাঁধল। নীল গেঞ্জিটা তার গায়ে এখনো আগের মতোই। কোনো ব্রা নেই। হাঁটার সময় দুধ দুটো সামনে সামনে দুলছিল। সকালের আলোয় কাপড়টা আরও পাতলা মনে হচ্ছিল।
আমি উঠে দাঁড়ালাম। শিমু রান্নাঘরের দিকে চলে গেল। আমি পায়খানায় গেলাম। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের মুখ দেখলাম। চোখের নিচে কালো দাগ। মুখ ফ্যাকাশে। রাতের কথা আবার মনে পড়ল। লজ্জাটা নতুন করে চাপল।
হাত-মুখ ধুয়ে বেরিয়ে এলাম। রান্নাঘরে শিমু চা বানাচ্ছে। নীল গেঞ্জির পেছন দিকটা একটু উপরে উঠে আছে। কোমরের সাদা চামড়া দেখা যাচ্ছে। পাজামার ভেতর পাছা দুটো হাঁটার সঙ্গে নড়ছিল।
সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“কালকের কথা আর মনে করো না। ওই লোকগুলো খারাপ ছিল। আমি গালি দিয়েছি ঠিকই করেছি। কিন্তু তুমি চুপ করে থাকো বলেই ওরা এত বেপরোয়া হয়েছিল।”
কথাটা বলার সময় তার গলায় আগের তেজটা নেই। শুধু একটা ক্লান্ত অভিযোগ। আমি চুপ করে মাথা নাড়লাম।
শিমু চায়ের কাপ হাতে নিয়ে আমার দিকে এগিয়ে এল। গেঞ্জির ভেতর দিয়ে তার দুধ দুটো কাছ থেকে আরও স্পষ্ট। নিপল দুটো কাপড়ের উপর ছোট ছোট দাগ হয়ে আছে। সে কাপটা আমার হাতে দিল। আঙুলগুলো আমার আঙুলে লাগল এক মুহূর্তের জন্য।
“খেয়ে নাও,” সে বলল। “অফিস যাবে তো?”
আমি মাথা নাড়লাম। চা চুমুক দিলাম। গরম চা গলায় নামল। কিন্তু বুকের ভেতরের অনুভূতিটা গরম চায়েও গলল না।
শিমু আমার পাশে দাঁড়িয়ে নিজেও চা খাচ্ছিল। নীল গেঞ্জি আর বাদামি পাজামায় তার শরীর সকালের আলোয় খোলাখুলি। আর আমি জানি— রাতের বেলা আমি কী ভেবেছি তার সম্পর্কে। কী করেছি তার ব্রা হাতে নিয়ে।
লজ্জাটা চুপচাপ বসে রইল বুকের ভেতর।
আমি তাড়াতাড়ি খেয়ে উঠে পড়লাম। শার্ট পরে, প্যান্ট পরে, টাই বাঁধতে বাঁধতে দেখি শিমু আমার পিছনে দাঁড়িয়ে। হাতে আমার অফিসের ব্যাগ।
সে ব্যাগটা আমার হাতে দিয়ে বলল—
“যাও। দেরি কোরো না। আর সন্ধ্যায় যেন তাড়াতাড়ি আসো। আজকে আমি ওই দোকানের ম্যানেজারকে জিজ্ঞেস করব— এত দামি দোকানে এত খারাপ কাপড় কেন?”
কথা বলে সে আমার দিকে একবার তাকাল। চোখে সেই পুরনো তেজ। তারপর রান্নাঘরের দিকে হেঁটে গেল। গেঞ্জির ভেতর তার দুধ দুটো দুলছিল। পাছার গোল অংশ টানটান।
আমি দরজার কাছে দাঁড়িয়ে একবার পেছন ফিরে তাকালাম। শিমু চুলার সামনে দাঁড়িয়ে বাসন মাজছে। গৃহিণীর মতো। যেন গতকাল রাতের কিছুই হয়নি। যেন সে শুধু একজন রাগি বউ, যে স্বামীর অফিস যাওয়ার আগে খাবার পরিবেশন করেছে।
আমি দরজা খুলে বেরিয়ে গেলাম। সকালের রোদ চোখে লাগল।
অফিসের কাজ শেষ করে বাসায় ফিরলাম। দরজা খুলে ঢুকতেই চোখে পড়ল শিমু।
সে ড্রয়িং রুমের মাঝখানে দাঁড়িয়ে। গোলাপি কুর্তি আর কালো লেগিংস পরে প্রস্তুত। কুর্তিটা এতটাই পাতলা আর টাইট যে নিচের গোলাপি ব্রার ফিতার সেপ পুরোপুরি বোঝা যাচ্ছে। কাঁধের উপর দিয়ে দুটো পাতলা গোলাপি স্ট্র্যাপ স্পষ্ট উঁকি দিচ্ছে। পিঠের দিকে তাকালে ব্রার হুক আর ক্রস ফিতা কুর্তির কাপড়ের উপর দিয়ে আঁকাবাকা দাগ হয়ে দেখা যাচ্ছে। বুকের অংশটা কুর্তির ভেতর থেকে প্রায় ফেটে বেরিয়ে আসার জোগাড়। ৩৬ কে সাইজের দুধ দুটো ভারী হয়ে সামনে ঝুলে আছে। নিপল দুটোর শক্ত উঁচু দাগ গোলাপি ব্রার কাপড় ভেদ করে কুর্তির উপর স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। শ্বাস নিলেই দুধ দুটো ওঠানামা করে, ব্রার ফিতা একটু একটু করে টান খায়।
কোমরের নিচে কালো লেগিংস এতটাই আঁটসাঁট যে পাছার দুটো গোল অংশ আলাদা করে বোঝা যায়। পাছার ভাঁজ পর্যন্ত কাপড় লেগে আছে। হাঁটলেই সেই দুটো নরম মাংসের গোলাকার অংশ দুলবে— এটা চোখে না দেখলেও বোঝা যায়। সামনে উরু পর্যন্ত লেগিংসের কাপড় টানটান। কুর্তির নিচ দিয়ে পেটের সাদা চামড়া একটু উঁকি দিচ্ছে। গলায় একটা হালকা গোলাপি উড়না ঝুলছে। উড়নাটা এতটাই পাতলা যে বুকের উপর দিয়ে পড়লেও নিচের দৃশ্য ঢাকে না। বরং উড়নার ফাঁক দিয়ে দুধের উপরের অংশ আরও বেশি চোখে পড়ে।
শিমু আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“এসো। দেরি কোরো না। ওই শালা দোকানদারকে আজকে জিজ্ঞেস করতে হবে কেন এত খারাপ কাপড় দিয়েছে।”
আমি শার্টের বোতাম খুলতে খুলতে বললাম, “একটু হাত-মুখ ধুয়ে নিই।”
“তাড়াতাড়ি করো। আমি রেডি। তোমার জন্য অপেক্ষা করছি না।”
সে কথা বলে আয়নার সামনে গিয়ে উড়নাটা একটু ঠিক করল। উড়না সরাতেই বুকের উপর গোলাপি ব্রার উপরের অংশ আরও খুলে গেল। দুধ দুটোর গভীর ভাঁজ স্পষ্ট। নিপল দুটো ব্রার কাপড় ঠেলে বাইরে বেরোতে চাইছে। পিঠ ফেরালে ব্রার হুক দুটো কুর্তির পাতলা কাপড়ের নিচে উঁচু হয়ে দেখা যাচ্ছে।
আমি বাথরুম থেকে বেরিয়ে এসে দেখি শিমু দরজার কাছে দাঁড়িয়ে। হাতে কালো হ্যান্ডব্যাগ। লেগিংসের ভেতর পাছার গোল অংশ এতটাই টানটান যে হাঁটার আগে থেকেই দুলতে শুরু করেছে। কুর্তির কাঁধের স্ট্র্যাপ একটু সরে গেছে। গোলাপি ব্রার ফিতা আরও বেশি বেরিয়ে আছে।
রাস্তায় নামলাম। গেটের সামনে দারোয়ান আক্তার চাচা বসেছিল। বয়স আটষট্টি। সাদা চুল, কুঁজো শরীর। শিমুকে দেখেই সে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল। চোখ সরাসরি শিমুর বুকের উপর গিয়ে আটকে গেল।
“আসসালামু আলাইকুম বউমা। এত সাজগোজ করে কোথায় যাচ্ছেন?”
শিমু সংক্ষেপে বলল, “দোকানে। একটু কাজ আছে।”
আব্দুল চাচার চোখ এখন শিমুর পিঠের দিকে। কুর্তির উপর দিয়ে গোলাপি ব্রার হুক আর ফিতা স্পষ্ট। তারপর দৃষ্টি নামল পাছার উপর। কালো লেগিংসের ভেতর দুটো গোল মাংস যেন হাত বাড়ালেই মুঠোয় চলে আসবে। সে মনে মনে গজরাল—
“শালার পুতের বউ। এত বড় দুধ নিয়ে বেরিয়েছে। ব্রা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। এই বয়সেও এমন মাংস দেখলে লোভ হয়। একবার হাত দিয়ে চেপে দেখার ইচ্ছে হয়...”
আমরা গেট পার হয়ে রাস্তায় নামলাম। শিমু সোজা হেঁটে যাচ্ছে। প্রতি পদক্ষেপে তার পাছার দুটো গোল অংশ কালো লেগিংসের ভেতর দুলছে। বুকের ভারী ৩৬ কে দুধ দুটো গোলাপি কুর্তির ভেতর সামনে সামনে নড়ছে। উড়নাটা হাওয়ায় উড়লেই ব্রার ফিতা আর নিপলের উঁচু দাগ আরও স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
রিকশা ডাকলাম। একটা রিকশা এসে থামল। চালকটা তিরিশের কোঠায়, শক্তপোক্ত শরীর। শিমুকে দেখেই চোখ বড় হয়ে গেল। সে হ্যান্ডেল শক্ত করে ধরে মনে মনে বলল—
“ওরে বাপরে... কী জিনিস নামিয়েছে আজ। দুধ দুটো যেন দুটো ভারী নারকেল। কুর্তির উপর দিয়ে ব্রার ফিতা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। নিপল উঁচু। পাছা দেখে ল্যাজ শক্ত হয়ে গেল। শালা স্বামীটা পাশে দাঁড়িয়ে আছে...”
শিমু রিক্সায় উঠল। উঠতে গিয়ে কুর্তিটা একটু উপরে উঠে গেল। পেটের সাদা চামড়া আর লেগিংসের কোমরের অংশ দেখা গেল। বসার সময় পাছার গোল অংশ রিক্সার সিটে চেপে গেল। কালো কাপড় আরও টানটান হয়ে দুটো ভাঁজ স্পষ্ট করে দিল। উড়নাটা সামনে এনে বুক ঢাকতে গেল, কিন্তু গোলাপি ব্রার উপরের অংশ আর নিপলের দাগ ঢাকল না।
আমি পাশে বসলাম। রিকশা ছাড়ল। চালক আয়নায় চোখ রেখেই চালাচ্ছে। প্রতিবার সামান্য ব্রেক বা মোড় ঘোরালে শিমুর শরীরটা একটু নড়ে যায়। তখন দুধ দুটো গোলাপি কুর্তির ভেতর সজোরে দোলে। ব্রার ফিতা কাঁধের উপর দিয়ে একটু সরে যায়। পিঠের দিকে ব্রার হুক কুর্তির কাপড় ঠেলে উঁচু হয়ে ওঠে।
চালক মনে মনে গজরাচ্ছে—
“উফফ... কী দুধ নিয়ে বসে আছে। প্রতিবার নড়লেই নাচছে। ব্রা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। এই শরীর নিয়ে দোকানে যাচ্ছে? রাতে কেউ না কেউ তো ব্যবহার করবেই...”
শিমু আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“তুমি চুপচাপ বসে আছো কেন? ওই দোকানদারকে আজকে ভালো করে জিজ্ঞেস করব। এত দামি দোকানে এত বাজে কাপড় কেন দিয়েছে।”
আমি মাথা নাড়লাম। কথা বলতে পারলাম না। চোখ বারবার শিমুর বুকের দিকে যাচ্ছে। গোলাপি কুর্তির ভেতর ৩৬ কে দুধ দুটো ভারী হয়ে দুলছে। নিপল দুটো ব্রার কাপড় ভেদ করে উঁচু। পিঠের দিকে ব্রার ফিতা স্পষ্ট। কালো লেগিংসের ভেতর পাছার গোল অংশ রিক্সার কম্পনে হালকা নড়ছে।
রিকশা এগোচ্ছে। রাস্তার দুপাশের লোকজনের চোখ শিমুর দিকে ঘুরে যাচ্ছে। কেউ কেউ থেমে তাকিয়ে আছে। শিমু কোনো কিছুতেই ভ্রুক্ষেপ করছে না। সোজা বসে আছে। উড়নাটা একটু সরিয়ে নিজের চুল ঠিক করছে। তাতে বুকের উপর আরও খুলে গেল। গোলাপি ব্রার উপরের অংশ আর দুধের গভীর ভাঁজ পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে।
আমার বুকের ভেতর রাগ আর উত্তেজনা একসঙ্গে চাপছে। শিমু পাশে বসে আছে— আর আমি চুপ করে সব সহ্য করছি।
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি -
Bad Boy - 09-10-2026
রিকশা দোকানের সামনে এসে থামল। শিমু নামল। নামতে গিয়ে কুর্তিটা আবার একটু উপরে উঠে গেল। পেটের সাদা চামড়া আর কালো লেগিংসের কোমরবন্ধ স্পষ্ট দেখা গেল। পাছার গোল অংশ লেগিংসের ভেতর টানটান হয়ে দুলল একবার। উড়নাটা সামনে এনে বুক ঢাকতে গেল, কিন্তু গোলাপি ব্রার ফিতা আর নিপলের উঁচু দাগ ঢাকল না।
দোকানের ভেতরে ঢুকলাম। বেশ বড় শোরুম। এসি চলছে। কয়েকজন কর্মচারী কাউন্টারের কাছে দাঁড়িয়ে। পেছনে মালিক— চল্লিশাংকোর একজন, মোটা স্বাস্থ্য, চোখে লোভের ছাপ। শিমুকে দেখেই সবাইয়ের দৃষ্টি একসঙ্গে তার শরীরে গিয়ে আটকে গেল।
শিমু সোজা কাউন্টারের দিকে এগোল। প্রতি পদক্ষেপে কালো লেগিংসের ভেতর পাছার দুটো গোল মাংস দুলছে। গোলাপি কুর্তির ভেতর ৩৬ কে দুধ দুটো ভারী হয়ে সামনে নড়ছে। কাঁধের উপর গোলাপি ব্রার পাতলা ফিতা স্পষ্ট। পিঠ ফেরালে ব্রার হুক আর ক্রস ফিতা কুর্তির পাতলা কাপড়ের উপর দিয়ে আঁকাবাকা দাগ হয়ে দেখা যাচ্ছে।
সে কাউন্টারে হাত রেখে জোরে বলল—
“এই যে ! কালকে যে জামাটা দিয়েছিলেন, সেটা নিয়ে এসেছি। দেখুন।”
মালিক এগিয়ে এল। চোখ সরাসরি শিমুর বুকের উপর। গোলাপি কুর্তির ভেতর দুধ দুটোর ভাঁজ আর নিপলের শক্ত দাগ পরিষ্কার ফুটে আছে। সে গলা পরিষ্কার করে বলল—
“আপা, কী সমস্যা? দেখান তো।”
শিমু ব্যাগ থেকে জামাটা বের করে টেবিলে রাখল। জামাটা পুরোপুরি ভালো। কোনো সেলাই নষ্ট নেই, কাপড়ও ঠিক আছে। কিন্তু শিমু গলা উঁচু করে বলল—
“সমস্যা নেই? গলার কাজটা দেখুন। একদম বাঁকা। সোজা না। এত দামি দোকানে এমন বাঁকা গলার কাজ দিয়েছেন? লজ্জা করে না?”
কর্মচারীরা একসঙ্গে ঘিরে এল। সবার চোখ শিমুর শরীরে। কেউ কুর্তির উপর দিয়ে ব্রার ফিতা দেখছে, কেউ কালো লেগিংসের ভেতর পাছার গোল অংশ। মালিক জামাটা হাতে নিয়ে না দেখেই বলল—
“আপা, একটু ভুল হয়ে থাকতে পারে... আমরা নতুন দিয়ে দিচ্ছি।”
শিমু দাঁড়িয়ে রইল। কুর্তিটা শ্বাসের সঙ্গে ওঠানামা করছে। দুধ দুটো গোলাপি ব্রার ভেতর ভারী হয়ে দুলছে। নিপল দুটো কাপড় ঠেলে উঁচু। উড়নাটা একটু সরে গেছে। বুকের উপরের সাদা অংশ আর ব্রার উপরের কাপড় স্পষ্ট।
সে জোরে বলল—
“নতুন দিয়ে দিলেই হবে? এত বাঁকা কাজ দিয়ে দোকানের বদনাম করছেন। লোকজন জানলে বলবে এই দোকান বাজে । আমি তো এখানে এসে দাঁড়িয়ে চিৎকার করতে পারি। গলার কাজ বাঁকা, সেলাই আলগা— সব বলব।”
মালিকের মুখ বিবর্ণ। কিন্তু চোখ সরছে না শিমুর বুক থেকে। এক কর্মচারী পেছন দিক থেকে তাকিয়ে মনে মনে বলল—
“শালী কী দুধ নিয়ে এসেছে। ব্রা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে। পাছাও কম না। এই শরীর নিয়ে এত গালি দিচ্ছে...”
শিমু আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“তুমি চুপ করে দাঁড়িয়ে আছো কেন? কিছু বলো তো। এরা এত বাজে কাজ দিয়েছে।”
আমি গলা শুকিয়ে বললাম, “শিমু... জামাটা তো দেখে মনে হচ্ছে ঠিক আছে...”
শিমুর ভুরু কুঁচকে গেল। গলা আরও চড়া করে বলল—
“ঠিক আছে? গলার কাজ বাঁকা দেখতে পাচ্ছো না?
কথাটা বলার সঙ্গে সঙ্গে সে উড়নাটা একটু সরিয়ে দিল। ইচ্ছে করে। গোলাপি কুর্তির ভেতর দুধ দুটো আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল। ব্রার ফিতা কাঁধের উপর দিয়ে টানটান। নিপলের উঁচু দাগ এতটাই পরিষ্কার যে কর্মচারীদের চোখ বড় হয়ে গেল।
মালিক তাড়াহুড়ো করে বলল—
“আপা, মাফ করবেন। আমরা এখনই নতুন জামা দিয়ে দিচ্ছি। আর কোনো অভিযোগ রাখবেন না।”
শিমু জামাটা হাতে নিয়ে না দেখেই ফেলে দিল।
“নতুন দিয়ে দাও। আর মনে রেখো— আবার এমন বাঁকা কাজ দিলে আমি এখানে এসে দোকানের বদনাম করে ছাড়ব। সবাইকে বলে বেড়াব এই দোকানে মেয়েদের জামা নষ্ট করে দেয়।”
মালিক নিজে হাতে নতুন জামা এনে দিল। শিমু সেটা নিয়ে ব্যাগে রাখল। তারপর সোজা আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“চলো। কাজ শেষ।”
বেরোনোর সময় পিঠ ফেরাল। কুর্তির পাতলা কাপড়ের উপর দিয়ে গোলাপি ব্রার হুক আর ফিতা স্পষ্ট দেখা গেল। কালো লেগিংসের ভেতর পাছার দুটো গোল অংশ দুলতে দুলতে দোকান থেকে বেরিয়ে গেল। কর্মচারীরা আর মালিক সবাই পেছন থেকে তাকিয়ে রইল। কেউ কেউ মনে মনে গজরাচ্ছে—
“এত বড় দুধ নিয়ে এত গালি। ব্রা দেখা যাচ্ছে, পাছা টানটান। শালা স্বামীটা পাশে দাঁড়িয়ে শুধু দেখছে...”
রাস্তায় এসে শিমু আমার কানে কানে বলল—
“দেখলে? গলার কাজ বাঁকা না থাকলেও আমি বলেছি। ওরা ভয় পেয়ে গেছে। তুমি যদি সত্যি পুরুষ হতে, তাহলে ওদের সামনে একটা কথা বলতে। কিন্তু তুমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে দেখছিলে। লজ্জা করে না?”
আমার গলা দিয়ে কোনো কথা বেরোল না। শিমু সোজা হেঁটে যাচ্ছে। গোলাপি কুর্তির ভেতর ৩৬ কে দুধ দুটো দুলছে। ব্রার ফিতা স্পষ্ট। কালো লেগিংসের ভেতর পাছার গোল অংশ টানটান। আর আমি পাশে পাশে হাঁটছি— চুপ করে।
রিকশায় উঠলাম। শিমু আগে উঠল। উঠতে গিয়ে গোলাপি কুর্তিটা আবার একটু উপরে উঠে গেল। কালো লেগিংসের কোমরবন্ধ আর পেটের সাদা চামড়া দেখা গেল। বসার সময় পাছার গোল অংশ সিটে চেপে গেল। লেগিংসের কাপড় আরও টানটান হয়ে দুটো ভাঁজ স্পষ্ট করে দিল।
রিকশা ছাড়ল। চালক আয়নায় চোখ রেখেই চালাচ্ছে। প্রতিবার মোড় ঘোরালে শিমুর শরীর একটু নড়ে যায়। গোলাপি কুর্তির ভেতর ৩৬ কে দুধ দুটো সজোরে দোলে। ব্রার ফিতা কাঁধের উপর দিয়ে একটু সরে যায়। নিপলের উঁচু দাগ আরও পরিষ্কার হয়ে ওঠে।
বাসায় পৌঁছে গেটের সামনে নামলাম। আব্দুল চাচা আবার তাকিয়ে রইল। শিমুর পিঠের দিকে— কুর্তির উপর দিয়ে গোলাপি ব্রার হুক স্পষ্ট। পাছার দুলন দেখে তার চোখ গভীর হয়ে গেল।
দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলাম। শিমু জুতা খুলে রেখে সোজা বেডরুমের দিকে হেঁটে গেল।
“আমি কাপড় বদলাই,” সে বলল। “গরম লাগছে।”
আমি ড্রয়িং রুমে । একটু পর শিমু বেরিয়ে এল।
এবার গোলাপি কুর্তি নেই। কালো লেগিংস নেই। গায়ে একটা ছাপা গেঞ্জি— হালকা নীল রঙের উপর সাদা ফুলের ছাপ। কাপড়টা এতটাই পাতলা আর টাইট যে নিচের সবকিছু স্পষ্ট। কোনো ব্রা নেই। শিমু বাসায় সচরাচর ব্রা পরে না। দুধ দুটো সম্পূর্ণ মুক্ত। ৩৬ কে সাইজের ভারী দুধ দুটো গেঞ্জির ভেতর থেকে সামনে ঝুলে আছে। নিপল দুটো শক্ত হয়ে কাপড় ঠেলে বাইরে বেরিয়ে আসার জোগাড়। গেঞ্জির পাতলা কাপড় নিপলের চারপাশের গাঢ় রঙ পর্যন্ত দেখিয়ে দিচ্ছে। শ্বাস নিলেই দুধ দুটো ওঠানামা করে, গেঞ্জির কাপড় টানটান হয়ে যায়। নিচের দিকে পেটের সাদা চামড়া উঁকি দিচ্ছে।
নিচে কালো প্লাজো। কোমরে আলতো করে বাঁধা। প্লাজোর কাপড় পাছার উপর টানটান নয়, কিন্তু হাঁটলেই দুটো গোল অংশ আলাদা করে দোলে। প্লাজোর ভেতর দিয়ে পাছার ভাঁজ পর্যন্ত আভাস পাওয়া যায়। কোমরের দড়ি একটু আলগা। গেঞ্জির নিচ দিয়ে কোমরের সাদা চামড়া আর নাভির দিকটা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে।
শিমু আয়নার সামনে একবার তাকাল। ছাপা গেঞ্জির ভেতর তার শরীর আরও খোলাখুলি লাগছে। দুধ দুটো সম্পূর্ণ মুক্ত। কোনো ব্রা নেই। কোনো সংকোচ নেই।
সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল—
“এখন ভালো লাগছে। গরম কমছে। তুমি হাত-মুখ ধুয়ে এসো। চা বানাচ্ছি।”
কথা বলে সে রান্নাঘরের দিকে হেঁটে গেল। ছাপা গেঞ্জির ভেতর দিয়ে তার দুধ দুটো দুলছিল— ভারী, নরম, সম্পূর্ণ মুক্ত। নিপল দুটো কাপড়ের উপর দিয়ে উঁচু। কালো প্লাজোর ভেতর পাছার গোল অংশ হালকা নড়ছিল। গেঞ্জির নিচ দিয়ে পেটের সাদা অংশ উঁকি দিচ্ছিল।
আমি দরজার কাছে দাঁড়িয়ে সেই দৃশ্য দেখছিলাম। আজকের পুরো দিনের সব নজর, সব গালি, সব উত্তেজনা যেন এই মুহূর্তে ঘরের ভেতরে এসে জমা হয়েছে। শিমু ব্রা ছাড়া। শুধু পাতলা ছাপা গেঞ্জি আর কালো প্লাজো। আর আমি চুপ করে তাকিয়ে আছি
শিমু রান্নাঘর থেকে চা নিয়ে এল। ছাপা গেঞ্জির ভেতর তার দুধ দুটো দুলছিল। কোনো ব্রা নেই। নিপল দুটো কাপড়ের উপর দিয়ে শক্ত উঁচু। কালো প্লাজোর কোমরের দড়ি ঝুলে আছে। সে আমার সামনে কাপ রেখে বসল।
একটুক্ষণ চুপ করে চা চুমুক দিল। তারপর হঠাৎ গলা চড়া করে বলল—
। বিয়ের অনুষ্ঠানে আমি যেভাবে কথা বলেছি, তাতে তোমার কী মনে হয়েছে?”
আমি চায়ের কাপ হাতে নিয়ে নিচু দৃষ্টিতে বললাম, “শিমু, এখন রাত হয়েছে। এসব নিয়ে আর কথা বাড়াবার দরকার নেই।”
শিমুর ভুরু কুঁচকে গেল। গেঞ্জির ভেতর দুধ দুটো শ্বাসের সঙ্গে ওঠানামা করতে লাগল।
“দরকার নেই? তুমি সবসময় এটাই বলো। আজকে অনুষ্ঠানে সেই মোটা লোকটা আমার বুকের দিকে তাকিয়ে হাসছিল। আমি গালি দিয়েছি। তুমি পাশে দাঁড়িয়ে শুধু দেখেছো। একটা কথাও বলোনি।”
আমি চুপ করে গেলাম। শিমু কাপটা টেবিলে রেখে আমার দিকে আরও এগিয়ে এল। ছাপা গেঞ্জির পাতলা কাপড়ের ভেতর নিপল দুটো এখন আরও স্পষ্ট।
“আর দোকানে? আমি মালিকের সামনে গলার কাজ বাঁকা বলেছি। দোকানের বদনাম করেছি। তুমি তখনও চুপ। শুধু আমার বুক আর পাছার দিকে তাকিয়েছিলে। বলো তো— তুমি কি সত্যিই আমার স্বামী
কথাগুলো তীক্ষ্ণ। আমার গলা শুকিয়ে আসছিল। বললাম, “শিমু, তুমি অনেক কথা বলে ফেলো। লোকজনের সামনে এত তেজ দেখানো ঠিক না। পরে সমস্যা হয়।”
শিমু হঠাৎ উঠে দাঁড়াল। আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে গেল। গেঞ্জির ভেতর দুধ দুটো প্রায় আমার বুকের কাছে এসে ঠেকল। কোনো দূরত্ব নেই। নিপল দুটোর শক্ত অনুভূতি পর্যন্ত টের পাওয়া যাচ্ছিল।
“সমস্যা হয়? আমার শরীরের দিকে লোভী নজর দিয়ে তাকিয়ে থাকবে, আর আমি চুপ করে সয়ে যাব? তা হয় না। আমি কাউকে ছাড়ি না। তুমি যদি পুরুষ হতে, তাহলে আজকে অনুষ্ঠানে সেই লোকটাকে একটা কথা বলতে। দোকানে মালিককে ধমকাতে। কিন্তু তুমি চুপ করে সয়ে গেছো।
আমি উঠে দাঁড়াতে গেলাম। শিমু হাত বাড়িয়ে আমার বুকে চাপ দিয়ে আটকে দিল। তার হাতের ছোঁয়া গরম। গেঞ্জির পাতলা কাপড়ের ভেতর দিয়ে তার দুধ দুটোর নরম আর ভারী অনুভূতি স্পষ্ট।
“বলো তো মনিকুল,” সে গলা নিচু করে বলল। “তুমি কি চাও আমি লোকজনের সামনে চুপ করে থাকি?”
আমার শ্বাস দ্রুত হয়ে গেল। নিচের দিকে একটা চাপ অনুভব করছিলাম। শিমু যেন টের পেয়ে গেল। তার চোখ আমার চোখ থেকে নামিয়ে নিচে নামল। একটুক্ষণ তাকিয়ে থেকে আবার চোখ তুলে বলল—
কথা বলে সে হাত সরিয়ে নিল। এক পা পেছনে সরে দাঁড়াল। ছাপা গেঞ্জির ভেতর দুধ দুটো শ্বাসের সঙ্গে ওঠানামা করছে। নিপল দুটো কাপড়ের উপর দিয়ে স্পষ্ট উঁচু। কালো প্লাজোর কোমরের দড়ি আগের চেয়ে আরও আলগা। প্লাজোর ভেতর দিয়ে পাছার গোল আভাস পর্যন্ত টের পাওয়া যাচ্ছিল।
সে দুহাত বুকে আড়াআড়ি করে দাঁড়াল। বুকের উপর হাত রাখতেই দুধ দুটো আরও উপরে উঠে এল। গেঞ্জির কাপড়টা প্রায় ফেটে যাওয়ার জোগাড়।
“বলো,” শিমু বলল। “তুমি কি চাও আমি ওই লোকগুলোর সামনে চুপ করে থাকি? নাকি তুমি চাও ওরা আমাকে এভাবে দেখুক আর তুমি পাশে দাঁড়িয়ে মজা পাও?”
আমি দেয়ালে পিঠ ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম। গলা শুকনো। বললাম, “শিমু... এসব কী বলছো? আজকের কথা আর তোলো না।”
শিমু একটু হাসল। হাসিটা ঠান্ডা।
“আর তুলব না? আজকে আমি যতবার গালি দিয়েছি, ততবার ওদের চোখে দেখেছি কী চায় ওরা। আর তুমি? তুমি শুধু দেখেছো। এখন ঘরে এসে আমার গায়ে হাত বুলাতে চাও। লজ্জা করে না?”
কথা বলে সে আবার কাছে এল। এবার আর বুক ঠেকাল না। শুধু আমার খুব কাছে দাঁড়িয়ে গলা নিচু করে বলল—
“তুমি যদি সত্যি পুরুষ হতে, তাহলে আজকে ওই মোটা লোকটাকে একটা কথা বলতে। দোকানের মালিককে ধমকাতে। কিন্তু তুমি চুপ। আর এখন আমার সামনে দাঁড়িয়ে তোমার এই অবস্থা।”
তার চোখ আমার প্যান্টের দিকে আরেকবার নামল। তারপর আবার চোখ তুলে বলল—
“যাও, গোসল করে এসো। গরম লেগেছে তোমার। আর আমার গায়ে হাত দিয়ো না আজকে। মন নেই।”
কথা বলে শিমু পেছন ঘুরল। কালো প্লাজোর ভেতর দিয়ে তার পাছার দুটোর গোল আকার স্পষ্ট দুলছিল হাঁটার সঙ্গে। ছাপা গেঞ্জির নিচ দিয়ে পেটের সাদা অংশ উঁকি দিচ্ছিল। সে রান্নাঘরের দিকে না গিয়ে সোজা বেডরুমের দিকে হেঁটে গেল।
দরজার কাছে গিয়ে থেমে একবার পেছন ফিরে তাকাল। গেঞ্জির ভেতর তার দুধ দুটো এখনো ভারী হয়ে দুলছিল।
“চা ঠান্ডা হয়ে যাবে,” সে বলল। “খেয়ে নিয়ো। আমি শুয়ে পড়ছি।”
এরপর দরজাটা খুলে ভেতরে ঢুকে গেল। পুরোপুরি বন্ধ করল না। একটু ফাঁক রেখে দিল। আমি চেয়ারে বসে পড়লাম। হাত দুটো পায়ে রাখলাম। নিচের দিকের চাপ এখনো যায়নি। ছাপা গেঞ্জির ভেতরের সেই ভারী দুধ দুটো, শক্ত নিপল, আর শিমুর তেজালো কথাগুলো বারবার মনে পড়ছিল।
আমি চেয়ার থেকে উঠে বেডরুমের দরজাটা ঠেলে ঢুকলাম। শিমু বিছানার উপর শুয়ে। ছাপা গেঞ্জিটা এখনো গায়ে। কোনো ব্রা নেই। দুধ দুটো একপাশে হেলে পড়েছে। নিপল দুটো কাপড়ের উপর দিয়ে শক্ত। কালো প্লাজোর কোমরের দড়ি আলগা হয়ে গেছে।
আমি বিছানার পাশে বসলাম। আস্তে করে বললাম—
“শিমু, একটা কথা বলি। বাইরে লোকজনের সামনে এভাবে তেজ দেখিয়ো না। গালিগালাজ করো না। দোকানে মালিকের সামনে দোকানের বদনাম করো না। এসব ভালো দেখায় না। পরে সমস্যা হতে পারে। লোকজন ভুল বুঝবে। আমিও অপ্রস্তুত হই।”
শিমু চোখ খুলে আমার দিকে তাকাল। চোখে ঘুম নেই। শুধু তেজ।
“অপ্রস্তুত হও? তুমি অপ্রস্তুত হও? আমি আমার শরীরের দিকে লোভী নজর সহ্য করতে পারি না বলে তুমি অপ্রস্তুত হও? তুমি তো পাশে দাঁড়িয়ে শুধু দেখো। একটা কথাও বলো না। এখন এসে আমাকে নিষেধ করছো?”
আমি গলা নামিয়ে বললাম, “আমি বলছি তোমার ভালোয়। এভাবে রোজ রোজ লোকজনের সামনে গলাবাজি করলে সম্মান থাকে না। সংসারের কথাও ভাবো।”
শিমু হঠাৎ উঠে বসল। গেঞ্জির ভেতর দুধ দুটো সজোরে দুলল। নিপল দুটো কাপড় ঠেলে উঁচু হয়ে উঠল। সে আমার দিকে আঙুল তুলে বলল—
“সংসারের কথা তুমি ভাবো? তুমি তো পুরুষই না। আজকে অনুষ্ঠানে সেই মোটা লোকটা আমার বুক দেখে হেসেছে, তুমি চুপ। দোকানে মালিক আমার দিকে তাকিয়ে কথা বলেছে, তুমি চুপ। এখন এসে আমাকে বুঝাচ্ছো? তুমি আমার যোগ্য না, মনিকুল। তুমি শুধু আমার শরীর দেখার লোক। পুরুষ তুমি না।”
কথাগুলো তীক্ষ্ণ। আমার বুকের ভেতরটা কেমন যেন চাপল। বললাম, “শিমু, এসব কথা বলো না। আমি তোমার স্বামী। তোমার ভালো চাই বলেই বলছি।”
শিমু হাসল। হাসিটা বিদ্রূপাত্মক।
“স্বামী? স্বামী হলে আজকে একটা কথা বলতে। কিন্তু তুমি চুপ করে সয়েছো। এখন বিছানায় এসে আমাকে নিষেধ করছো। যাও, অন্য ঘরে গিয়ে শোও। আমার মন নেই তোমার কথা শোনার।”
আমি উঠে দাঁড়ালাম। কিছু বলতে গিয়ে থেমে গেলাম। শিমু পাশ ফিরে শুয়ে পড়ল। গেঞ্জির কাপড়টা পেছন দিক থেকে উঠে তার কোমরের উপরের সাদা চামড়া উঁকি দিচ্ছিল। প্লাজোর ভেতর পাছার গোল অংশ অন্ধকারেও স্পষ্ট।
আমি অন্য বিছানার পাশে শুয়ে পড়লাম। চোখ বন্ধ করলাম। কিন্তু ঘুম আসছিল না। শিমুর তেজালো কণ্ঠস্বর বারবার মনে পড়ছিল।
শিমু চোখ খোলা রেখে শুয়ে রইল। মনে মনে ভাবছিল—
“এই লোকটা আমার যোগ্য না। সারাদিন লোকজন আমার শরীর দেখে, আমি গালি দিই, আর এ শুধু তাকিয়ে থাকে। পুরুষমানুষ হয়ে একটা কথাও বলতে পারে না। বিয়ের অনুষ্ঠানেও চুপ, দোকানেও চুপ। এখন এসে আমাকে নিষেধ করে। আমি কেন এমন লোকের সঙ্গে সংসার করি? আমার শরীর, আমার তেজ— এসব ওর ধার ধারে না। পুরুষ তো নয়।”
রাত গভীর হতে লাগল। শিমু পাশ ফিরে আমার দিকে তাকাল একবার। তারপর আবার পেছন ফিরল। গেঞ্জির ভেতর দুধ দুটো একপাশে হেলে পড়েছে। নিপল শক্ত। মনে মনে আরও ভাবছিল—
“কালকেও যদি কেউ আমার দিকে তাকায়, আমি আবার গালি দেব। এ লোকটা কিছুই করবে না। আমি একাই সামলাব। ও আমার যোগ্য না।”
রাত প্রায় সাড়ে তিনটার দিকে শিমুর শ্বাস ধীর হয়ে এল। সে ঘুমিয়ে পড়ল। আমি তখনও জেগে ছিলাম। তার শরীরের আদল অন্ধকারে দেখা যাচ্ছিল— ছাপা গেঞ্জির ভেতর ভারী দুধ, কালো প্লাজোর নিচে পাছার গোল রেখা।
সকালে অ্যালার্ম বাজল। আমি উঠে পড়লাম। শিমু এখনও গভীর ঘুমে। গেঞ্জিটা আরও একটু উপরে উঠে গেছে। কোমরের সাদা চামড়া পুরোপুরি বেরিয়ে আছে। দুধ দুটো একপাশে চাপা পড়ে আছে। আমি চুপচাপ শার্ট-প্যান্ট পরে অফিসের ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে গেলাম। দরজা আস্তে করে বন্ধ করে দিলাম।
শিমু ঘুম থেকে উঠল দুপুর প্রায় দুটোর দিকে। রোদ জানালা দিয়ে ঢুকে পড়েছে। সে বিছানায় বসে একবার চারদিকে তাকাল। আমি নেই। গেঞ্জির ভেতর দুধ দুটো স্বাভাবিকভাবে ঝুলে আছে। কোনো ব্রা নেই। সে আস্তে করে উঠল।
শিমু দুপুর দুটোর দিকে ঘুম থেকে উঠল। বিছানায় বসে একবার শরীর মোচড় দিল। ছাপা গেঞ্জিটা আরও উপরে উঠে গেছে। দুধ দুটো সম্পূর্ণ মুক্ত অবস্থায় একপাশে হেলে আছে। নিপল দুটো কাপড়ের উপর দিয়ে শিথিল। কালো প্লাজোর কোমরের দড়ি খুলে গেছে প্রায়।
সে উঠে সোজা বাথরুমে গেল। গোসল করতে গিয়ে গেঞ্জি আর প্লাজো খুলে ফেলল। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের শরীরটা একবার দেখল— ৩৬ কে দুধ দুটো ভারী হয়ে ঝুলে আছে। কোনো ব্রা নেই বলেই নিপল দুটো স্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে আছে। পানি গায়ে পড়লে দুধ দুটো আরও চকচকে হয়ে উঠল।
গোসল শেষ করে তোয়ালে জড়িয়ে বেডরুমে এল। মোবাইল হাতে নিয়ে তার কলেজ জীবনের বান্ধবী এনির নাম্বারে কল দিল।
এনি কল তুলতেই শিমু বলল—
“এনি, কেমন আছিস? একটু কথা ছিল।”
এনি উৎসাহের সঙ্গে বলল, “বল না শিমু। কী হয়েছে?”
শিমু গেঞ্জির বদলে একটা পাতলা নাইটি গায়ে দিয়ে বলল—
“মনিকুলের কথা। গতকাল বিয়ের অনুষ্ঠানে আর দোকানে আমি তেজ দেখিয়েছি। লোকজন আমার শরীরের দিকে তাকিয়েছিল, আমি গালি দিয়েছি। রাতে এসে সে আমাকে নিষেধ করল। বলল বাইরে এভাবে কথা বলতে না। আমি ওকে বলে দিয়েছি— তুমি আমার যোগ্য না। পুরুষমানুষ হয়ে একটা কথাও বলতে পারো না।”
এনি একটুক্ষণ চুপ থেকে বলল—
“তুই ঠিকই বলেছিস। ওরকম নরম পুরুষের সঙ্গে থেকে কী হবে? কয়েকদিন বাড়িতে চলে যা। গিয়ে ঘুরে আয়। মনিকুলকে না জানিয়ে। একলা চলে যা। মনটা হালকা হবে।”
শিমু একটু ভেবে বলল, “একলা? ওকে না বলে?”
“হ্যাঁ। তুই কয়েকদিন দূরে থাক। না হয় আমি আছি চলে আয়।”
কল কেটে শিমু একটুক্ষণ বিছানায় বসে রইল। মনে মনে ভাবছিল— মনিকুল সত্যিই তার যোগ্য না। সারাদিন লোকজন তার দুধ আর পাছা দেখে, সে গালি দেয়, আর মনিকুল শুধু তাকিয়ে থাকে। এখন এনির কথাই ঠিক। কয়েকদিন দূরে থাকা দরকার।
সে ঘরের কাজ সেরে ফেলল। বাসন মাজা, রান্নাঘরে একটু গুছানো। তারপর সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাগ বের করল। কয়েকটা কাপড়, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস প্যাক করল।
কাপড় বদলাতে গিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়াল। বেগুনি রঙের ব্রা পরল আগে। ব্রাটা টাইট। ৩৬ কে দুধ দুটো ব্রার ভেতর চেপে বসেছে। নিপল দুটো ব্রার কাপড় ঠেলে উঁচু। তারপর কালো ছাপা লেডিস শার্ট পরল। শার্টটা একটু লুজ, কিন্তু বুকের অংশটা ব্রার উপর দিয়ে টানটান। । নিচে জিন্স প্যান্ট। জিন্সটা আঁটসাঁট। পাছার গোল অংশ টানটান হয়ে ফুটে উঠেছে। হাঁটলেই দুলবে। গলায় একটা হালকা ওড়না দিল। ওড়নাটা বুকের উপর পড়লেও ব্রার রঙ আড়াল করছে না।
শিমু আয়নায় নিজেকে দেখল একবার। মনে মনে বলল— “মনিকুল যদি এখন দেখত, আবার চুপ করে তাকিয়ে থাকত। পুরুষ না সে।”
ব্যাগ হাতে নিয়ে দরজা বন্ধ করল। চাবি লুকিয়ে রাখল। সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে জিন্সের ভেতর পাছার দুটো গোল অংশ দুলছিল। শার্টের ভেতর বেগুনি ব্রার উপর দুধ দুটো ভারী হয়ে নড়ছিল। রাস্তায় এসে একটা রিকশা ডাকল।
রিকশাওয়ালা তাকিয়ে রইল তার বুকের দিকে। শিমু কোনো ভ্রুক্ষেপ করল না। রিক্সায় উঠে বসল। ঠিকানা দিল এনির বাসার।
রিকশা ছাড়ল। শিমু পেছন ফিরে একবার বার দিকে তাকাল। মনে মনে বলল— “কয়েকদিন থাকি। দেখি মনিকুল কী করে।”
শিমু দুপুর দুটোর দিকে ঘুম থেকে উঠল। বিছানায় বসে একবার শরীর মোচড় দিল। ছাপা গেঞ্জিটা আরও উপরে উঠে গেছে। দুধ দুটো সম্পূর্ণ মুক্ত অবস্থায় একপাশে হেলে আছে। নিপল দুটো কাপড়ের উপর দিয়ে শিথিল। কালো প্লাজোর কোমরের দড়ি খুলে গেছে প্রায়।
সে উঠে সোজা বাথরুমে গেল। গোসল করতে গিয়ে গেঞ্জি আর প্লাজো খুলে ফেলল। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের শরীরটা একবার দেখল— ৩৬ কে দুধ দুটো ভারী হয়ে ঝুলে আছে। কোনো ব্রা নেই বলেই নিপল দুটো স্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে আছে। পানি গায়ে পড়লে দুধ দুটো আরও চকচকে হয়ে উঠল।
গোসল শেষ করে তোয়ালে জড়িয়ে বেডরুমে এল। মোবাইল হাতে নিয়ে তার কলেজ জীবনের বান্ধবী এনির নাম্বারে কল দিল।
এনি কল তুলতেই শিমু বলল—
“এনি, কেমন আছিস? একটু কথা ছিল।”
এনি উৎসাহের সঙ্গে বলল, “বল না শিমু। কী হয়েছে?”
শিমু গেঞ্জির বদলে একটা পাতলা নাইটি গায়ে দিয়ে বলল—
“মনিকুলের কথা। গতকাল বিয়ের অনুষ্ঠানে আর দোকানে আমি তেজ দেখিয়েছি। লোকজন আমার শরীরের দিকে তাকিয়েছিল, আমি গালি দিয়েছি। রাতে এসে সে আমাকে নিষেধ করল। বলল বাইরে এভাবে কথা বলতে না। আমি ওকে বলে দিয়েছি— তুমি আমার যোগ্য না। পুরুষমানুষ হয়ে একটা কথাও বলতে পারো না।”
এনি একটুক্ষণ চুপ থেকে বলল—
“তুই ঠিকই বলেছিস। ওরকম নরম পুরুষের সঙ্গে থেকে কী হবে? কয়েকদিন বাড়িতে চলে যা। গিয়ে ঘুরে আয়। মনিকুলকে না জানিয়ে। একলা চলে যা। মনটা হালকা হবে।”
শিমু একটু ভেবে বলল, “একলা? ওকে না বলে?”
“হ্যাঁ। তুই কয়েকদিন দূরে থাক। না হয় আমি আছি চলে আয়।”
কল কেটে শিমু একটুক্ষণ বিছানায় বসে রইল। মনে মনে ভাবছিল— মনিকুল সত্যিই তার যোগ্য না। সারাদিন লোকজন তার দুধ আর পাছা দেখে, সে গালি দেয়, আর মনিকুল শুধু তাকিয়ে থাকে। এখন এনির কথাই ঠিক। কয়েকদিন দূরে থাকা দরকার।
সে ঘরের কাজ সেরে ফেলল। বাসন মাজা, রান্নাঘরে একটু গুছানো। তারপর সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাগ বের করল। কয়েকটা কাপড়, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস প্যাক করল।
কাপড় বদলাতে গিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়াল। বেগুনি রঙের ব্রা পরল আগে। ব্রাটা টাইট। ৩৬ কে দুধ দুটো ব্রার ভেতর চেপে বসেছে। নিপল দুটো ব্রার কাপড় ঠেলে উঁচু। তারপর কালো ছাপা লেডিস শার্ট পরল। শার্টটা একটু লুজ, কিন্তু বুকের অংশটা ব্রার উপর দিয়ে টানটান। । নিচে জিন্স প্যান্ট। জিন্সটা আঁটসাঁট। পাছার গোল অংশ টানটান হয়ে ফুটে উঠেছে। হাঁটলেই দুলবে। গলায় একটা হালকা ওড়না দিল। ওড়নাটা বুকের উপর পড়লেও ব্রার রঙ আড়াল করছে না।
শিমু আয়নায় নিজেকে দেখল একবার। মনে মনে বলল— “মনিকুল যদি এখন দেখত, আবার চুপ করে তাকিয়ে থাকত। পুরুষ না সে।”
ব্যাগ হাতে নিয়ে দরজা বন্ধ করল। চাবি লুকিয়ে রাখল। সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে জিন্সের ভেতর পাছার দুটো গোল অংশ দুলছিল। শার্টের ভেতর বেগুনি ব্রার উপর দুধ দুটো ভারী হয়ে নড়ছিল। রাস্তায় এসে একটা রিকশা ডাকল।
রিকশাওয়ালা তাকিয়ে রইল তার বুকের দিকে। শিমু কোনো ভ্রুক্ষেপ করল না। রিক্সায় উঠে বসল। ঠিকানা দিল এনির বাসার।
রিকশা ছাড়ল। শিমু পেছন ফিরে একবার বার দিকে তাকাল। মনে মনে বলল— “কয়েকদিন থাকি। দেখি মনিকুল কী করে।”
রিকশা এনির বাসার গলিতে ঢুকল। সন্ধ্যার আলো মিলিয়ে আসছে। শিমু নামল। জিন্সের ভেতর পাছার গোল অংশ একবার দুলল। কালো ছাপা শার্টের ফাঁক দিয়ে বেগুনি ব্রার উপরের অংশ উঁকি দিচ্ছে। ওড়নাটা কাঁধে আলতো করে রাখা।
এনির বাসা তৃতীয় তলায়। ব্যাচেলর মেয়েদের ফ্ল্যাট। দরজায় কলিং বেল চাপতেই এনি নিজে এসে খুলল। এনির বয়স ৩০। এখনও বিয়ে হয়নি। চাকরি করে। ফ্ল্যাটে আরও চারজন মেয়ে থাকে— সবাই চাকরিজীবী বা ছাত্রী।
এনি শিমুকে দেখেই জড়িয়ে ধরল।
“আরে শিমু! এতদিন পর। চলে আয় ভেতরে।”
শিমু ব্যাগ নিয়ে ঢুকল। ফ্ল্যাটটা ছোট। দুটো বেডরুম, একটা হল, রান্নাঘর। হলে তিনজন মেয়ে বসে গল্প করছিল। সবাই শিমুর দিকে তাকাল। শিমুর জিন্স-আঁটসাঁট শার্ট আর বেগুনি ব্রার ফিতা চোখে পড়ল তাদের। কেউ কেউ চোখের কোণ দিয়ে দেখল।
এনি বলল, “এরা সবাই আমার রুমমেট। রুম একটা খালি আছে। তুই আমার সঙ্গে থাকবি।”
শিমু মাথা নাড়ল। মনে মনে ভাবল— এখানে গোলমাল বেশি।
সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে মনিরুল অফিস থেকে বাসায় ফিরল। দরজা খুলেই অদ্ভুত নীরবতা। সাধারণত শিমু রান্নাঘরে থাকে বা টিভি চালিয়ে রাখে। আজ কিছু নেই।
“শিমু?” ডাকল। কোনো সাড়া নেই।
বেডরুমে গেল। বিছানা এলোমেলো। শিমুর গেঞ্জি আর প্লাজো ফেলে রাখা। আলমারির দরজা খোলা। কিছু কাপড় নেই। ব্যাগও নেই।
মনিরুলের বুকটা ধক করে উঠল। মোবাইল বের করে শিমুর নাম্বারে কল দিল।
একবার... দুবার... তিনবার রিং দিয়ে শিমু কল তুলল।
“হ্যালো।” শিমুর গলা ঠান্ডা।
“শিমু? তুমি কোথায়? বাসায় নেই তো?”
“বান্ধবীর বাসায় এসেছি। এনির কাছে। কাল বাবার বাড়ি যাব। তুমি চিন্তা কোরো না।”
“এনি? কেন হঠাৎ? আমাকে না বলে?”
শিমু কেটে দিল।
মনিরুল আবার কল দিল। শিমু কেটে দিল। আবার দিল। ব্যস্ত ধ্বনি। আবার দিল— কেটে গেল। পাঁচ-ছয়বার চেষ্টা করল। শিমু আর ধরল না।
মনিরুল চেয়ারে বসে পড়ল। মাথায় হাজার কথা ঘুরতে লাগল। গতকাল রাতের ঝগড়া, শিমুর তেজালো কথা— “তুমি আমার যোগ্য না”— সব মনে পড়ছে। বুকের ভেতর একটা অদ্ভুত খালি খালি অনুভূতি।
এনির ফ্ল্যাটে শিমু এনির রুমে ব্যাগ রাখল। রুমটা ছোট। দুটো সিঙ্গেল বেড। এনি একটা বেড ছেড়ে দিল।
“তুই আরাম কর। আমি রান্না করি। আজ তোর জন্য ডিম আর রুটি করাচ্ছি।”
শিমু জিন্স আর শার্ট পরেই বসে রইল। বেগুনি ব্রাটা শার্টের ভেতর চেপে আছে। দুধ দুটো ভারী। নিপলের দাগ শার্টের উপর দিয়ে হালকা ফুটে আছে। ওড়নাটা খুলে একপাশে রাখল।
হল থেকে অন্য মেয়েদের গল্পের আওয়াজ আসছে। কেউ গান গাইছে, কেউ মোবাইলে রিল দেখছে। শিমুর মনটা কেমন যেন অস্থির লাগছে। এখানে সবকিছু খোলামেলা। বাসায় মনিরুলের চুপচাপ উপস্থিতি যেমন বিরক্ত করত, এখানে মেয়েদের কলরবও ভালো লাগছে না।
এনি রান্নাঘর থেকে ডাকল, “শিমু, এদিকে আয়। চা খাবি?”
শিমু গেল। রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে চা খেতে খেতে এনি বলল—
“মনিরুলকে বলেছিস তো?”
“একবার বলেছি। আর ফোন ধরছি না। ও আমাকে নিষেধ করতে এসেছিল গতকাল। আমি ওর কথা শুনব না।”
এনি হাসল। “ঠিক করেছিস। কয়েকদিন থাক। মন হালকা হবে।”
রাত নয়টা বাজে। ফ্ল্যাটে অন্য মেয়েরা কেউ কেউ বেরিয়ে গেছে। কেউ রুমে ঢুকে গেছে। এনি শিমুর পাশে বসে গল্প করছে।
শিমু জিন্স খুলে ফেলেছে। শার্টটা গায়ে। নিচে শুধু বেগুনি প্যান্টি। শার্টের নিচ দিয়ে উরুর সাদা চামড়া দেখা যাচ্ছে। বেগুনি ব্রাটা এখনও গায়ে। দুধ দুটো ব্রার ভেতর চেপে আছে, কিন্তু শার্টের পাতলা কাপড়ের জন্য আকার স্পষ্ট।
এনি বলল, “তোর শরীর তো আগের মতোই আছে। বরং আরও... টানটান।”
শিমু একটু হাসল। “সংসারের কাজ আর রাগ— এতেই শরীর টিকে আছে।”
হঠাৎ মোবাইল বাজল। মনিরুল। শিমু কেটে দিল। আবার বাজল। আবার কেটে দিল। তিনবার। চারবার। শিমু ফোনটা সাইলেন্ট করে রাখল।
এনি বলল, “ওরকম করলে ও পাগল হয়ে যাবে।”
“হোক। আমি এখন ওর কথা শুনব না। ও আমাকে বুঝতে পারে না।”
রাত দশটা বাজে। এনি চাকরির কথা বলতে বলতে ঘুমের ঘোরে চোখ বন্ধ করে ফেলল। শিমু জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বাইরের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে রইল। শার্টের ভেতর বেগুনি ব্রার ফিতা কাঁধে চাপছে। দুধ দুটো ভারী। মনে মনে ভাবছে— এখানে ভালো লাগছে না ঠিক। মেয়েদের কলরব, ছোট রুম, অন্যদের চোখ। কিন্তু মনিকুলের বাসায় ফিরে গিয়ে আবার সেই চুপচাপ মুখ দেখে কী হবে? ও তো আমার যোগ্য না।
ফোনটা একবার দেখল। মনিরুলের মিসড কল— বারোবার। শিমু ফোনটা উল্টো করে রাখল। বিছানায় শুয়ে পড়ল। শার্টটা গায়ে। বেগুনি ব্রা খুলে ফেলল না।
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি -
Bad Boy - 09-10-2026
রাত প্রায় সাড়ে বারোটা। এনির রুমে হালকা আলো জ্বলছিল। শিমু বিছানার কিনারায় বসেছিল। কালো ছাপা শার্টটা গায়ে, নিচে শুধু বেগুনি প্যান্টি। বেগুনি ব্রাটা এখনো পরার ছিল। শার্টের বোতামগুলো সব বন্ধ। তবুও বুকের ভারী দুধ দুটোর চাপে শার্টের কাপড় টানটান হয়ে উঠেছিল। নিপলের দাগ কাপড়ের উপর দিয়ে হালকা উঁচু হয়ে দেখা যাচ্ছিল।
শিমু হঠাৎ করে এনির দিকে তাকাল।
“এনি, আমি আজ রাতেই বাবার বাড়ি চলে যাচ্ছি।”
এনি বিছানায় শুয়ে মোবাইল দেখছিল। কথাটা শুনে উঠে বসল।
“কী বললি? রাত সাড়ে বারোটা বেজে গেছে। এখন কোথায় যাবি?”
শিমু শার্টের হাতা একটু টেনে বলল, “এখানে আর ভালো লাগছে না। মেয়েদের কলরব, ছোট রুম… মন বসছে না। আমি এখনই রওনা দেব।”
এনি উঠে এসে তার পাশে বসল।
“তুই পাগল নাকি? রাতের বেলা একা বাইরে বেরোবি? কাল সকালে গেলেই হয়। আমি তোকে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত পৌঁছে দেব।”
শিমু মাথা নাড়ল। গলায় সেই পুরনো তেজ চলে এল।
“না। আমি এখনই যাব। তোর কথা শুনব না। মনিরুলকেও শুনিনি, তোকেও শুনব না।”
এনি তার হাত ধরে বলল, “শিমু, শোন। রাতের বেলা গলি-রাস্তা ফাঁকা থাকে। তোর শরীর… তুই জানিস লোকজন কেমন তাকায়। দিনের বেলা যা। আমি রিক্সা ডেকে দেব সকালে।”
শিমু হাত ছাড়িয়ে নিল। উঠে দাঁড়াল। শার্টের ভেতর দুধ দুটো তার নড়াচড়ায় ভারী ভারী দুলল। বোতাম বন্ধ থাকা সত্ত্বেও বুকের উঁচু অংশ স্পষ্ট ফুটে উঠেছিল।
“আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি। তুই আমাকে আটকাতে পারবি না।”
এনি আরও কিছু বলতে গিয়ে থেমে গেল। শিমুর চোখের দৃষ্টি দেখে বুঝল ও আর মানবে না। শিমু ব্যাগটা হাতে নিল। জিন্স পরে নিল। শার্টের বোতামগুলো আবার একবার চেক করল— সব বন্ধ। ওড়নাটা কাঁধে দিল। তারপর এনির দিকে তাকিয়ে বলল,
“চাবিটা খুলে দে।”
এনি অনিচ্ছা সত্ত্বেও দরজা খুলে দিল। শিমু বেরিয়ে গেল। সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে তার জিন্সের ভেতর পাছার গোল অংশ দুলছিল। শার্টের ভেতর বেগুনি ব্রার উপর দুধ দুটো ভারী হয়ে নড়ছিল।
এনির ফ্ল্যাটের সামনের গলিটা রাতের বেলা প্রায় অন্ধকার। একপাশে উঁচু দেয়াল, অন্যপাশে বন্ধ দোকান। আলোর অভাব। শিমু দ্রুত হেঁটে মেইন রোডের দিকে যাচ্ছিল। শার্টের বোতাম সব বন্ধ থাকলেও বুকের ভারে কাপড় টানটান। দুধ দুটো হাঁটার সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট দুলছিল। নিপলের দাগ শার্টের উপর দিয়ে উঁচু হয়ে আছে।
গলিটার মাঝামাঝি এসে সে হঠাৎ থেমে গেল। সামনে থেকে তিনজন পুরুষ এগিয়ে আসছিল। বয়স কুড়ি থেকে ত্রিশের মধ্যে। একজনের গায়ে নোংরা গেঞ্জি, অন্য দুজনের শার্ট খোলা। হাতে সিগারেট। তারা শিমুকে দেখেই গতি কমিয়ে দিল। চোখ সোজা তার বুকের দিকে গিয়ে আটকে গেল।
একজন নিচু গলায় বলল, “ও মাগো… এত রাতে একা মাগি বেরিয়েছে নাকি?”
শিমু দ্রুত পা বাড়াল। কিন্তু লোকগুলো সামনে এসে রাস্তা আটকে দাঁড়াল। একজন সামনে, দুজন দুই পাশে।
“কই যাচ্ছিস এত রাতে মাগি? স্বামী ঘরে রেখে একা বেরিয়েছিস মানে কিচ্ছু একটা নেশা আছে।”
শিমু রাগে বলল, “সর। রাস্তা ছেড়ে দে। নাহলে চিৎকার করব।”
লোকটা হাসল। দাঁত বের করে বলল, “চিৎকার কর। এত রাতে কেউ আসবে না। আগে দেখি তোর এত বড় দুধগুলা আসল কিনা।”
কথা শেষ হতে না হতেই পেছন থেকে একজন এসে শিমুর দুই হাত শক্ত করে পেছন দিকে মোচড় দিয়ে ধরল। শিমু ছটফট করতে লাগল।
“ছাড় হারামজাদা! ছাড়!”
সামনের লোকটা দুই হাত বাড়িয়ে শিমুর বুকে চাপড় দিয়ে ধরল। শার্টের উপর দিয়েই দুটো বিশাল দুধ মুঠো করে চেপে ধরল। আঙুলের ফাঁকে দুধের মাংস বেরিয়ে আসছিল। সে জোরে চেপে বলল,
“উফ্ফো মাগি… কী দুধ পাল্লাইছোস। হাত ডুবে যাচ্ছে। এত ভারী দুধ নিয়ে একা হাঁটতিস কেন?”
শিমু চিৎকার করল। পেছনের লোকটা এক হাতে তার মুখ চেপে ধরল। অন্য হাতে কোমর জাপটে ধরল।
সামনের লোকটা এবার শার্টের বোতাম না খুলেই দুধ দুটোকে শার্টের উপর দিয়ে বেধড়ক টিপতে লাগল। আঙুল দিয়ে নিপলের দলাটাকে মোচড়াতে লাগল। উপরে-নিচে নাড়তে লাগল। অন্য একজন এসে অন্যদিকের দুধটা মুঠো করে চেপে ধরল। দুজনে মিলে শিমুর দুধ দুটোকে শার্টের কাপড়ের উপর দিয়েই চেপে, মোচড়িয়ে, টানতে লাগল।
“দেখ সালারা… কী নরম দুধ। শার্টের উপর দিয়েই বোঝা যাচ্ছে কতখানি ভারী।”
“এত বড় দুধ নিয়ে একা বেরিয়েছিস মানে স্বামী কি তোকে ঠিকমতো চোদে না নাকি? তাই নেশায় বেরিয়েছিস?”
শিমু ব্যথায় কেঁদে উঠছিল। পা দিয়ে লাথি মারার চেষ্টা করছিল। কিন্তু পেছনের লোকটা তার জিন্সের ভেতর হাত ঢুকিয়ে পাছা শক্ত করে চেপে ধরে রেখেছিল। আঙুল দিয়ে পাছার ফাঁক ঘষছিল।
তিনজনে মিলে শিমুর শরীর নিয়ে খেলছিল। একজন দুধ চেপে চেপে বলছিল,
“এই মাগির দুধ তো দুধ না, যেন দুইটা লম্বা কদু। চেপে ধরলে হাত ডুবে যায়। এত রাতে একা বেরোলে এমনই হয়।”
আরেকজন নিপল শার্টের উপর দিয়ে মুখে নেওয়ার চেষ্টা করল। শিমু মাথা ঘুরিয়ে দিল। লোকটা রেগে গিয়ে তার গালে জোরে চড় মারল।
“সোজা হয়ে দাঁড়া মাগি। দুধ চোষতে দিবি।”
এমনি সময় গলির মুখ থেকে রিকশার ঘণ্টি বেজে উঠল। একটা রিকশা আসছিল। হেডলাইটের আলো গলির ভেতর ঢুকে পড়ল। তাতে দুজন যাত্রী বসা।
তিনজন লোক হঠাৎ থেমে গেল। আলোর চোখে তাদের মুখ দেখা গেল। তারা দ্রুত শিমুর শার্ট ঠিক করে দিল। একজন বলল,
“চল সালারা… পরে দেখা হবে এই মাগির সঙ্গে। এত বড় দুধ এমনি ছাড়ব না।”
তারা দৌড়ে গলির অন্যদিক দিয়ে অন্ধকারে মিলিয়ে গেল।
রিকশাওয়ালা কাছে এসে থামল। “কী হয়েছে আপু? ওরা কিছু করেছে নাকি?”
শিমু কাঁপতে কাঁপতে ওড়না দিয়ে বুক চেপে ধরল। গলা দিয়ে কথা বেরোচ্ছিল না। তার দুধ এখনো ব্যথা করছিল। শার্টের কাপড় ভিজে গেছে ঘামে আর লোকগুলোর হাতের ছাপে। নিপল দুটো এখনো শক্ত হয়ে উঁচু হয়ে আছে।
রিকশাওয়ালা বলল, “উঠেন। কোথায় যাবেন?”
শিমু কাঁপা গলায় বলল, “বাসস্ট্যান্ড… দ্রুত নিয়ে চলুন।”
রিকশায় উঠে সে পেছন ফিরে তাকাল। গলি ফাঁকা। যারা তাকে ধরে দুধ চেপেছিল, তারা অন্ধকারে মিলিয়ে গেছে। রিকশা চলতে শুরু করল। শিমু ওড়না দিয়ে বুক চেপে ধরে বসে রইল। তার মনে হচ্ছিল ওই তিনজনের হাত এখনো তার দুধের উপর আছে— শার্টের উপর দিয়ে চেপে ধরে আছে, মোচড়াচ্ছে, টানছে।
রিকশা বাসস্ট্যান্ডের দিকে চলছিল। রাতের রাস্তা প্রায় ফাঁকা।
রিকশা বাসস্ট্যান্ডের সামনে এসে থামল। রাতের বেলা স্ট্যান্ডটা পুরোপুরি ফাঁকা নয়। কয়েকটা লং-ডিস্ট্যান্স বাস দাঁড়িয়ে আছে। হেলপার, ড্রাইভার, অপেক্ষমাণ যাত্রী—সব মিলিয়ে পনেরো-কুড়ি জন পুরুষ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে সিগারেট খাচ্ছে, গল্প করছে।
শিমু নামল। হাতে ব্যাগ। দুই হাত দিয়ে শার্টের উপর থেকে বুক চেপে ধরে আছে। কালো ছাপা শার্টের বোতাম সব বন্ধ থাকলেও ৩৬ কে দুধ দুটোর ভারে কাপড় এতটাই টানটান যে নিপল দুটোর শক্ত উঁচু দাগ পরিষ্কার ফুটে আছে। জিন্স আঁটসাঁট। পাছার গোল অংশ হাঁটার সঙ্গে সামান্য দুলছিল।
সে সোজা কাউন্টারের দিকে হাঁটা শুরু করল।
প্রথম যে জিনিসটা ঘটল, তা হলো চোখ।
একজন হেলপার সিগারেট হাতে দাঁড়িয়ে ছিল। শিমুকে দেখেই হাত থেমে গেল। চোখ সোজা তার বুকের উপর গিয়ে আটকে গেল। নিপলের দাগ, দুধের ভাঁজ, শার্টের টানটান অবস্থা—কিছুই ছাড়ল না। পাশের আরেকজন টিকিট চেকার চোখ না সরিয়ে নিচু গলায় বলল,
“দেখ শালা… এত রাতে একা। শার্টের উপর এত বড় দুধ…”
আরেকজন যুবক রিকশাওয়ালা হ্যাঁচকা টান দিয়ে বলল,
“পাছাটাও দেখ। জিন্সের ভেতর দুটো গোল মাংস যেন আলাদা করে দুলছে।
শিমু সব শুনতে পাচ্ছিল। সব টের পাচ্ছিল। তাদের চোখ যেন তার বুকের উপর, পাছার উপর আগুনের মতো লাগছিল। কিন্তু সে কোনো উত্তর দিল না। ভুরু একটু কুঁচকে শুধু নিজের গতিতে হাঁটতে থাকল। বুক চেপে ধরে, মাথা সামনের দিকে রেখে।
কাউন্টারের জানালায় পৌঁছে হাত দিয়ে টোকা দিল। ভেতরের লোকটা চোখ খুলেই শিমুর দিকে তাকাল। প্রথমে মুখ, তারপর সোজা বুক। চোখ আর সরল না। শার্টের উপর দিয়ে দুধ দুটোর ফোলা ফোলা অবস্থা, নিপলের উঁচু দাগ—সব দেখে নিয়ে ধীরে ধীরে বলল,
“কোথায় যাবেন?”
শিমু সংক্ষেপে বলল, “উত্তরবঙ্গ।”
লোকটা খাতায় চোখ বুলিয়ে মাথা নাড়ল।
“সব সিট বিক্রি হয়ে গেছে। রাতের বাসগুলোর একটাও খালি নেই। সকালের আগে কোনো বাস নেই।”
শিমু এক মুহূর্ত চুপ করে রইল। ভেতরে রাগ জ্বলছিল। কিন্তু মুখ খুলল না। শুধু ব্যাগ শক্ত করে ধরে কাউন্টার থেকে সরে এল।
স্ট্যান্ডের খোলা জায়গায় দাঁড়িয়ে রইল। চারদিক থেকে দৃষ্টি এসে জড়ো হচ্ছিল। কেউ কেউ থেমে তাকিয়ে আছে। একদল যুবক বাসের পাশে দাঁড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছিল। শিমুকে দেখে তাদের কথা থেমে গেল।
একজন সোজা বলে উঠল,
“এত রাতে একা? কোথায় যাবে?”
শিমু কোনো উত্তর দিল না। শুধু অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে নিল। কিন্তু তাদের চোখ সরছিল না।
একজন নিচু গলায় বলল,
“দেখ শার্টের উপর দিয়ে যেন ছিঁড়ে বেরিয়ে আসবে।
আরেকজন যোগ দিল,
“পাছাটা হাঁটলে দোলে। জিন্স এত আঁটসাঁট যে ভাঁজ পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে।
তৃতীয়জন চাপা গলায় বলল,
“মুখটা রাগি রাগি। কিন্তু শরীরটা তো অন্য কথা বলছে। একবার যদি হাত দিতে পারতাম…”
শিমু সব শুনছিল। প্রতিটা কথা তার কানে বাজছিল। তাদের দৃষ্টি যেন তার দুধের উপর, পাছার উপর, কোমরের উপর ঘষা খাচ্ছিল। কিন্তু সে কোনো গালি দিল না। কোনো জবাব দিল না। শুধু বুক আরও শক্ত করে চেপে ধরল দুই হাত দিয়ে। নিজের গতিতে স্ট্যান্ডের এক কোণে গিয়ে দাঁড়াল।
একজন হেলপার ধীরে ধীরে তার দিকে এগোল। সিগারেট হাতে। চোখ সোজা বুকের দিকে রেখে বলল,
“বাস পাবেন না আজ রাতে। কোথায় থাকবেন? আমার পরিচিত একটা জায়গা আছে কাছেই…”
শিমু তার দিকে তাকাল। চোখে রাগ। কিন্তু মুখ খুলল না। শুধু মাথা নাড়ল নেতিবাচকভাবে। হেলপার আর একটু কাছে এসে চোখ নামিয়ে শার্টের উপর দিয়ে নিপলের দাগ দেখতে লাগল। মনে মনে গজরাল,
“এত বড় দুধ… শার্টের বোতাম বন্ধ রেখেও এত ফুলে আছে। হাত দিয়ে চেপে দেখার ইচ্ছে হচ্ছে…”
পাশ থেকে আরেকজন এসে যোগ দিল। দুজনে মিলে শিমুর শরীরটাকে চোখ দিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে লাগল। একজন বলল,
“জিন্সের ভেতর পাছা এত গোল… হাত বাড়ালেই মুঠোয় চলে আসবে।”
শিমু তাদের কথা শুনেও নড়ল না। শুধু দাঁড়িয়ে রইল। বুকের ব্যথা এখনও যায়নি। প্রতিবার নিশ্বাস নিতেই দুধ দুটো শার্টের ভেতর সামনে সামনে নড়ছিল। নিপল দুটো কাপড় ঠেলে উঁচু। সে জানত—এরা দেখছে। সব দেখছে। কিন্তু সে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাবে না। নিজের গতিতেই থাকবে।
একটু পর আরেকটা বাসের হেলপার এসে কাউন্টারের লোকের সঙ্গে কথা বলল। তারপর শিমুর দিকে তাকিয়ে চোখ বড় করে ফেলল। নিচু গলায় তার সঙ্গীকে বলল,
“ঐ যে মাগিটা… সব সিট ফুরিয়ে গেছে শুনে দাঁড়িয়ে আছে। শার্টের উপর দিয়েই সব বোঝা যাচ্ছে। এত রাতে একা…”
শিমু চোখ বন্ধ করল এক মুহূর্তের জন্য। তারপর আবার খুলল। স্ট্যান্ডের অন্য প্রান্তে একটা চায়ের দোকান জেগে আছে। সে সেদিকে পা বাড়াল। হাঁটার সময় পাছার দুলুনি, বুকের নড়াচড়া—সবকিছুই চারদিকের চোখের সামনে পরিষ্কার।
কেউ কেউ পেছন পেছন হাঁটতে শুরু করল। নিচু গলায় কথা বলতে বলতে।
“এত রাগি মুখ নিয়েও উত্তর দিচ্ছে না… শরীরটা তো চুপ করে নেই।”
“দুধ দুটো যেন ডাকছে। একবার হাত দিলে চিৎকার করবে নাকি চুপ করে সহ্য করবে?”
শিমু সব শুনছিল। সব টের পাচ্ছিল। কিন্তু পা থামাল না। চায়ের দোকানের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। দোকানদার তাকিয়ে দেখল। চোখ সোজা তার বুকের দিকে গেল। চুপচাপ এক গ্লাস চা গরম করতে লাগল।
শিমু দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। দুই হাত দিয়ে বুক চেপে ধরে। চারদিকের চোখগুলো যেন তার শরীরটাকে খুবলে খুবলে খাচ্ছিল। আর সে—রাগ নিয়েও—কোনো উত্তর না দিয়ে শুধু দাঁড়িয়ে ছিল।
রাত গভীর হচ্ছিল। বাস নেই। সিট নেই। আর চারদিকে শুধু ক্ষুধার্ত চোখ।
শিমু আবার কাউন্টারের দিকে পা বাড়াল। হাঁটার সময় দুধ দুটো শার্টের ভেতর সামনে সামনে নড়ছিল। নিপল দুটো কাপড় ঠেলে উঁচু। পাছার গোল অংশ প্রতি পদক্ষেপে সামান্য দুলছিল। সে টের পাচ্ছিল—পেছন থেকে কয়েকজনের দৃষ্টি এখনও লেগে আছে। কিন্তু কোনো দিকে না তাকিয়ে সোজা কাউন্টারের সামনে গিয়ে দাঁড়াল।
কাউন্টারের লোকটা তাকিয়ে দেখল। চোখ আবার তার বুকের দিকে গেল। শিমু সংক্ষেপে বলল,
“সুপারভাইজার আছে?”
লোকটা একটু অবাক হয়ে মাথা নাড়ল। ভেতর থেকে একজনকে ডাকল। একটু পর একজন মধ্যবয়সী পুরুষ বেরিয়ে এল। গায়ে অফিসিয়াল শার্ট। চোখে চশমা। বয়স পঁয়তাল্লিশের কাছাকাছি। সে শিমুর দিকে তাকাল। প্রথমে মুখ, তারপর স্বাভাবিকভাবেই চোখ একটু নিচে নামল। শার্টের টানটান অবস্থা, দুধের ভাঁজ, নিপলের দাগ—সব দেখে নিয়ে আবার মুখের দিকে তুলল।
“কী চাই?” গলাটা ব্যবসায়িক।
শিমু বলল, “উত্তরবঙ্গ যেতে হবে। সব সিট বিক্রি হয়ে গেছে শুনলাম। কোনো উপায় আছে?”
সুপারভাইজার খাতায় চোখ বুলিয়ে মাথা নাড়ল।
“রাতের বাসগুলোর সব সিট ফুরিয়ে গেছে। সকাল ছয়টার আগে কোনো বাস নেই।”
শিমু চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল। সুপারভাইজার তার দিকে আবার তাকাল। চোখটা একটু বেশি সময় ধরে তার বুকের উপর থাকল। তারপর ধীরে ধীরে বলল,
“একটা উপায় আছে… যদি আপত্তি না থাকে।”
শিমু তার দিকে তাকাল। কিছু বলল না। শুধু শুনতে থাকল।
সুপারভাইজার কাছের একটা বাসের দিকে ইশারা করে বলল,
“ঐ যে শেষের বাসটা… ঢাকা থেকে সরাসরি যাচ্ছে। পেছনের সিটের সামনে একটা জায়গা আছে। ইমার্জেন্সি টুল রাখা যায়। সিট না, টুল। পেছনের সিটের ঠিক সামনে। বসে যেতে পারবেন। অন্য কোনো উপায় নেই আজ রাতে।”
সে একটু থামল। চোখ আবার শিমুর শরীরের উপর দিয়ে বুলিয়ে নিল। শার্টের উপর দিয়ে দুধ দুটোর ফোলা অবস্থা, জিন্সের আঁটসাঁট পাছা। তারপর বলল,
“যদি আপনার আপত্তি না থাকে, তাহলে আমি ব্যবস্থা করে দিতে পারি। টুলটা পেছনের সিটের সামনে রাখা হবে। জায়গাটা একটু সঙ্কুচিত। পাশের সিটে যাত্রী থাকবে। কিন্তু অন্য কোনো খালি সিট নেই।”
শিমু কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। ভেতরে রাগ আর ক্লান্তি দুটোই কাজ করছিল। বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থেকে এই সব চোখের সামনে রাত কাটানোর চেয়ে টুল-এ বসে যাওয়াই ভালো। সে মাথা নাড়ল।
“ঠিক আছে।”
সুপারভাইজার একটু হাসল। চোখটা আবার তার বুকের দিকে নামল এক মুহূর্তের জন্য। তারপর হেলপারকে ডেকে বলল,
“পেছনের সিটের সামনে টুলটা লাগিয়ে দে। এই মেমসাহেব যাবে।”
হেলপার এসে শিমুর দিকে তাকাল। চোখ সোজা বুকের উপর গিয়ে আটকে গেল। নিপলের দাগ দেখে চোখ বড় করে ফেলল। তারপর তাড়াহুড়ো করে বাসের ভেতরে ঢুকে গেল।
সুপারভাইজার শিমুর দিকে তাকিয়ে বলল,
উঠে বসে থাকবেন। বাস এক ঘণ্টার মধ্যে ছাড়বে। পেছনের দিকে গিয়ে অপেক্ষা করুন।”
শিমু মাথা নাড়ল। কোনো ধন্যবাদ বলল না। শুধু ব্যাগ শক্ত করে ধরে বাসের দিকে হাঁটা শুরু করল।
হাঁটার সময় স্ট্যান্ডের কয়েকজন যুবক আবার তাকিয়ে দেখল। একজন নিচু গলায় বলল,
“টুল-এ বসবে পেছনে… এত দুধ নিয়ে। পেছনের সিটের লোকগুলো তো মজা পাবে।”
আরেকজন যোগ দিল,
“জিন্সের পাছা টুল-এ বসলে আরও ফুলে উঠবে। শার্টের নিপল তো দেখাই যাচ্ছে…”
শিমু সব শুনছিল। সব টের পাচ্ছিল। কিন্তু কোনো দিকে না তাকিয়ে সোজা বাসের দরজার কাছে গিয়ে দাঁড়াল। হেলপার ভেতর থেকে টুল লাগিয়ে বেরিয়ে এল। চোখ আবার তার শরীরের উপর দিয়ে বুলিয়ে নিল। তারপর ইশারা করে বলল,
“উঠে যান। পেছনের দিকে টুল রাখা আছে।”
শিমু বাসে উঠল। সরু গলি দিয়ে পেছনের দিকে এগোল। বাসের ভেতর অন্ধকার। বেশিরভাগ যাত্রী ঘুমাচ্ছে। পেছনের সিটের সামনে একটা সাধারণ কাঠের টুল রাখা আছে। জায়গাটা সত্যিই সঙ্কুচিত। দুই পাশের সিটের যাত্রীদের হাঁটুর কাছাকাছি।
সে টুল-এ বসল। ব্যাগ কোলে রাখল। দুই হাত দিয়ে আবার বুক চেপে ধরল। শার্টের উপর দিয়ে নিপল দুটো এখনও উঁচু। জিন্সের আঁটসাঁট কাপড়ে পাছা টুল-এর উপর চেপে আছে।
পেছনের সিটের একজন যাত্রী চোখ খুলে তাকাল। শিমুর দিকে। চোখ সোজা তার বুকের উপর গিয়ে আটকে গেল। আরেকজন পাশ থেকে তাকাল। কেউ কিছু বলল না। শুধু দেখতে থাকল।
শিমু মাথা নিচু করে বসে রইল। বাইরে সুপারভাইজারের গলা ভেসে আসছিল হেলপারের সঙ্গে কথা বলার—
“পেছনে টুল দিয়ে দিয়েছি। দেখো ঠিকমতো যায়। এত রাতে একা… শরীরটাও তো…”
কথাটা শেষ হলো না। বাসের দরজা বন্ধ হয়ে গেল। ইঞ্জিন গর্জে উঠল।
শিমু টুল-এ বসে রইল। চারদিকের অন্ধকারে কয়েকজোড়া চোখ যেন তার শরীরের উপর এখনও আটকে আছে।
বাস ছাড়ল।
ইঞ্জিনের গর্জনের সঙ্গে স্ট্যান্ডের আলো পেছনে ফেলে রাতের অন্ধকার রাস্তায় এগিয়ে গেল। বাসের ভেতর আলো খুবই ক্ষীণ। ছাদের দু-একটা ম্লান বাল্ব জ্বলছিল। বেশিরভাগ যাত্রী ঘুমিয়ে পড়েছে। কেউ মাথা হেলান দিয়ে, কেউ জানালায় মুখ গুঁজে। অন্ধকারটা এতটাই যে মুখও পরিষ্কার বোঝা যায় না, শুধু শরীরের বড়সড় আকৃতি আর নড়াচড়া টের পাওয়া যায়।
শিমু পেছনের টুল-এ বসেছিল। কাঠের টুল শক্ত। বসবামাত্র পাছায় চাপ পড়ল। জিন্সের আঁটসাঁট কাপড়ে দুটো গোল অংশ টুলের উপর চেপে গিয়ে আরও ভারী মনে হচ্ছিল। শার্টের কাপড় বুকের উপর টানটান। প্রতিবার বাস একটু ঝাঁকুনি খেলেই ভারী বুকটা সামনে সামনে দুলত। শার্টের কাপড় সেই দুলুনির সঙ্গে টান খেত।
টুলের জায়গাটা সঙ্কুচিত। পেছনের সিটের ঠিক সামনে। পেছনের সিটে তিনজন। মাঝেরজন ঘুমাচ্ছে। দুই পাশের দুজনের চোখ খোলা। অন্ধকারে তাদের মুখ পরিষ্কার না দেখা গেলেও শিমু টের পাচ্ছিল—তারা তার দিকে তাকিয়ে আছে।
বাস গতি বাড়াতেই ঝাঁকুনি বাড়ল। শিমুর শরীর টুলের উপর সামনে-পেছনে নড়তে শুরু করল। ভারী বুকটা শার্টের ভেতর দুলছিল। কাপড় টানটান হয়ে প্রতিবার দুলুনিতে বুকের আকৃতি আরও স্পষ্ট করে তুলছিল। জিন্সের ভেতর পাছা টুলের শক্ত কাঠে ঘষা খাচ্ছিল। প্রতিটা ঝাঁকুনিতে একটু একটু করে চাপ পড়ছিল।
পেছনের একজন যাত্রী একটু সোজা হয়ে বসল। অন্ধকারে শুধু শিমুর শরীরের নড়াচড়া দেখা যাচ্ছিল—বুকের ভারী দুলুনি, টুলের উপর পাছার চাপ। সে নিচু গলায় পাশেরজনকে বলল,
“দেখ… টুলের উপর বসে কীভাবে দুলছে। এত ভারী…”
পাশেরজন মাথা নাড়ল। চোখ সরছিল না। অন্ধকারে সূক্ষ্ম কিছু বোঝার উপায় নেই, কিন্তু বুকের আকৃতি আর নড়াচড়া পরিষ্কার টের পাওয়া যাচ্ছিল। শার্টের কাপড় প্রতিবার দুলুনিতে টান খেয়ে বুকের গোল অংশকে আরও ফুটিয়ে তুলছিল।
বাস একটা বাঁক নিল। শিমুর শরীর একপাশে কাত হল। টুলের উপর পাছা সরে গিয়ে একপাশে চাপ পড়ল। শার্টের কাপড় আরও টানটান হয়ে গেল। পেছনের দুজনের শ্বাস একটু ভারী হয়ে উঠল।
একজন আবার চাপা গলায় বলল,
“এত রাতে একা… শরীরের নড়াচড়া দেখেই বোঝা যাচ্ছে কতখানি…”
আরেকজন যোগ দিল,
“টুলের উপর পাছা এভাবে চেপে আছে। হাত দিয়ে যদি…”
কথাটা শেষ হল না।
শিমু সব শুনছিল। কানের পাশ দিয়ে তাদের কথাগুলো ভেসে আসছিল। সে টের পাচ্ছিল পেছন থেকে দুজোড়া চোখ তার শরীরের উপর আটকে আছে। বুকের দুলুনি, পাছার চাপ—অন্ধকারেও তারা সেই নড়াচড়া ধরে রেখেছে। কিন্তু সে কোনোদিকে তাকাল না। মাথা সামনের দিকে রেখে ব্যাগ কোলে শক্ত করে চেপে ধরল। দুই হাত দিয়ে বুকের নিচের অংশ চেপে রাখল যাতে দুলুনি একটু কম হয়। হাতের চাপে দুধ দুটোর ব্যথা একটু বেড়ে গেল, কিন্তু নড়াচড়া পুরোপুরি থামল না। বাসের প্রতিটা ঝাঁকুনিতে ভারী বুকটা শার্টের ভেতর সামনে সামনে ধাক্কা খাচ্ছিল।
সামনের দিক থেকে কেউ একজন তাকিয়ে দেখল। অন্ধকারে শুধু একটা নারী শরীরের আকৃতি টুলের উপর নড়ছে দেখা গেল। তারপর মুখ ঘুরিয়ে নিল।
বাস সোজা রাস্তায় গতি বাড়াল। ঝাঁকুনি কিছুটা কমল। তবু শিমুর বুকের ভার প্রতিবার নিশ্বাসের সঙ্গে সামান্য নড়ছিল। শার্টের কাপড় সেই নড়াচড়ার সঙ্গে টান খেত। পাছা টুলের উপর চেপে আছে, জিন্সের কাপড়ে চাপ লাগছে। আগের ঘটনার পর শরীরটা এখনও সংবেদনশীল। প্রতিটা নড়াচড়াই ব্যথার সঙ্গে মিশে যাচ্ছিল।
পেছনের দুজন এখনও চুপচাপ তাকিয়েছিল। অন্ধকারে তাদের চোখের কোনো অভিব্যক্তি বোঝা যাচ্ছিল না। শুধু শিমু টের পাচ্ছিল—তারা তার শরীরের প্রতিটা দুলুনি, প্রতিটা চাপ দেখছে। কেউ আর কথা বলল না। শুধু নীরব দৃষ্টি।
বাস রাতের অন্ধকারে এগিয়ে চলছিল। ভেতরে ম্লান আলো। আর শিমুর টুলের চারপাশে সেই নীরব, অন্ধকারাচ্ছন্ন দৃষ্টি।
RE: রাগি বউয়ের পরিণতি -
Bad Boy - 09-10-2026
বাস রাতের অন্ধকার রাস্তায় এগিয়ে চলছিল।
ভেতরে আলো এতটাই ক্ষীণ যে মুখের অভিব্যক্তি পরিষ্কার বোঝা যায় না। শুধু শরীরের বড় আকৃতি, নড়াচড়া আর ছায়ার খেলা টের পাওয়া যায়। বেশিরভাগ যাত্রী ঘুমিয়ে পড়েছে। কেউ নাক ডাকছে, কেউ মাথা হেলান দিয়ে আছড়ে পড়ে আছে।
শিমু পেছনের টুল-এ বসেছিল। কাঠের টুল শক্ত। পাছার দুটো গোল অংশ চাপ খেয়ে আরও ভারী মনে হচ্ছিল। জিন্সের আঁটসাঁট কাপড় টুলের উপর ঘষা খাচ্ছিল। শার্টের কাপড় বুকের উপর টানটান। আগের ঘটনার পর দুধ দুটো এখনও ব্যথাযুক্ত । প্রতিবার বাস একটু ঝাঁকুনি খেলেই ভারী বুকটা শার্টের ভেতর সামনে সামনে দুলত। কাপড় সেই দুলুনির সঙ্গে টান খেত।
পেছনের সিটের দুজন এখনও জেগে ছিল। মাঝবয়সীজন বাঁ পাশে, তরুণটা ডান পাশে। অন্ধকারে তাদের চোখ শিমুর দিকেই আটকে আছে। শিমু টের পাচ্ছিল। তাদের নীরব দৃষ্টি যেন তার পিঠের উপর, বুকের দুলুনির উপর, টুলের উপর চেপে থাকা পাছার উপর ঘষা খাচ্ছে।
বাস একটা ছোট গর্তে পড়ল। জোরে ঝাঁকুনি।
শিমুর শরীর সামনে ঝুঁকে গেল। ভারী বুকটা শার্টের ভেতর জোরে দুলল। টুলের উপর পাছা সরে গিয়ে একপাশে চাপ পড়ল। পেছনের মাঝবয়সী যাত্রীর হাঁটু “ভুল করে” শিমুর পিঠের নিচের দিকে লেগে গেল। একটু চাপ। শিমু টের পেল। শরীর একটু শক্ত হয়ে গেল। কিন্তু সে সরে গেল না। কোনো কথাও বলল না। শুধু ব্যাগটা কোলে আরও শক্ত করে চেপে ধরল।
মাঝবয়সীজন হাঁটু সরায়নি তৎক্ষণাৎ। এক মুহূর্ত রেখে দিল। তারপর আস্তে করে সরাল। পাশের তরুণটা চাপা গলায় বলল,
“সামনে সরে বসো না।”
মাঝবয়সীজন উত্তর দিল না। শুধু আবার তাকিয়ে রইল।
বাস আরেকটু এগোল। রাস্তা খারাপ। ঝাঁকুনি বারবার আসছে। প্রতিবারই শিমুর বুক শার্টের ভেতর দুলছে। কাপড় টানটান হয়ে বুকের আকৃতি আরও স্পষ্ট করে তুলছে। পেছন থেকে দুজনের চোখ সেই নড়াচড়া ধরে রেখেছে।
একটু পর আবার জোরে ঝাঁকুনি।
এবার তরুণটার হাঁটু শিমুর পিঠের মাঝখানে লেগে গেল। আগেরবারের চেয়ে একটু বেশি চাপ। শিমু টের পেল। গরম হাঁটুর ছোঁয়া কাপড়ের উপর দিয়ে। সে একটু সোজা হয়ে বসল, কিন্তু সরল না। চুপচাপ সহ্য করল। ভেতরে রাগ জ্বলছিল, কিন্তু মুখ খুলল না।
তরুণটা হাঁটু সরাল না। বরং বাসের ঝাঁকুনির অজুহাতে আরেকটু চাপ দিল। শিমুর পিঠের নিচের দিকে। জিন্সের উপর দিয়ে পাছার উপরের অংশে। শিমুর শরীর একটু শিউরে উঠল। ব্যথা আর অস্বস্তির মিশ্রণ। আগের রাতের ছাপ এখনও শরীরে আছে। এই নতুন স্পর্শ সেই ছাপকে জাগিয়ে দিচ্ছিল।
মাঝবয়সীজন নিচু গলায় বলল,
“এভাবে দুলছে দেখ…”
তরুণটা উত্তর দিল না। শুধু হাঁটু দিয়ে আরেকটু চাপ রাখল।
বাস একটা বাঁক নিল। শিমুর শরীর একপাশে কাত হল। এবার মাঝবয়সীজনের হাত “ভুল করে” শিমুর কোমরের দিকে চলে গেল। শার্টের উপর দিয়ে। আঙুলের ছোঁয়া। শিমু টের পেল। হাতটা এক মুহূর্তের জন্য কোমরে রইল। তারপর আস্তে করে সরল। কিন্তু পুরোপুরি সরল না। আঙুলের ডগা এখনও শার্টের কাপড়ে হালকা লাগা ছিল।
শিমু দাঁত কামড়ে বসে রইল। বুকের দুলুনি থামছিল না। প্রতিটা ঝাঁকুনিতে ভারী দুধ দুটো শার্টের ভেতর ধাক্কা খাচ্ছিল। পাছা টুলের উপর ঘষা খাচ্ছিল। আর পেছন থেকে এখন শুধু চোখ নয়—হাঁটু আর হাতের ছোঁয়াও যোগ হয়েছে।
আরও একটু সময় গেল। বাসের গতি একটু কমল। রাস্তা তুলনামূলক মসৃণ। তবু শিমুর শরীরের নড়াচড়া পুরোপুরি থামেনি।
এবার তরুণটা আরও সাহসী হল। বাসের একটা হালকা ঝাঁকুনির অজুহাতে হাত বাড়াল। শিমুর ডান কাঁধে হাত রাখল। শার্টের উপর দিয়ে। আঙুল দিয়ে একটু চাপ দিল। শিমুর শরীর শক্ত হয়ে গেল। সে টের পাচ্ছিল—হাতটা কাঁধে, আঙুলগুলো ধীরে ধীরে নিচে নামছে। কাঁধ থেকে সামান্য নিচে, শার্টের কাপড়ের উপর দিয়ে।
মাঝবয়সীজনও হাত বাড়াল। এবার শিমুর বাঁ কোমরে। শার্টের উপর দিয়ে পুরো হাত রাখল। আঙুল দিয়ে কোমরের মাংসে হালকা চাপ দিল। শিমু চোখ বন্ধ করল এক মুহূর্তের জন্য। রাগ আর অসহায়ত্ব একসঙ্গে চাপছিল। কিন্তু সে কোনো শব্দ করল না। সরেও গেল না। শুধু ব্যাগটা আরও শক্ত করে কোলে চেপে ধরল। দুই হাত দিয়ে বুকের নিচ চেপে রাখল যাতে দুলুনি কম হয়।
তরুণটার হাত কাঁধ থেকে আরও একটু নিচে নামল। শার্টের কাপড়ের উপর দিয়ে পিঠের দিকে। আঙুল দিয়ে মেরুদণ্ডের পাশ ঘেঁষে নিচে নামছিল। মাঝবয়সীজনের হাত কোমর থেকে সামান্য সামনে এগোল। শার্টের কাপড়ের উপর দিয়ে পেটের দিকে। আঙুলের ডগা শার্টের নিচের অংশে হালকা চাপ দিচ্ছিল।
বাস আবার একটা গর্তে পড়ল। জোরে ঝাঁকুনি।
শিমুর শরীর সামনে ঝুঁকে গেল। ভারী বুকটা শার্টের ভেতর জোরে দুলল। পেছনের দুজনের হাত সেই ঝাঁকুনির সুযোগে আরও একটু চাপ দিল। তরুণটার হাত পিঠের মাঝখানে চলে গেল। মাঝবয়সীজনের হাত কোমর থেকে পাছার উপরের অংশে গিয়ে ছুঁল। জিন্সের কাপড়ের উপর দিয়ে।
শিমু সব টের পাচ্ছিল। প্রতিটা আঙুলের চাপ, প্রতিটা হাতের উষ্ণতা। আগের রাতের ব্যথা এই নতুন স্পর্শের সঙ্গে মিশে যাচ্ছিল। ভেতরে জ্বলছিল। কিন্তু বাইরে সে চুপ। শুধু শ্বাস একটু ভারী হয়ে গিয়েছিল।
পেছনের দুজন আর কথা বলছিল না। শুধু হাতের চাপ রাখছিল। বাসের ঝাঁকুনির অজুহাতে আঙুল একটু একটু করে নড়াচড়া করাচ্ছিল। শিমুর শরীর তাদের হাতের নিচে শক্ত হয়ে আছে। কিন্তু সে সরছে না। কোনো প্রতিবাদও করছে না।
বাস রাতের অন্ধকারে এগিয়ে চলছিল।
ভেতরে ক্ষীণ আলো। আর শিমুর টুলের চারপাশে এখন শুধু দৃষ্টি নয়—হাতের ছোঁয়াও জড়িয়ে ধরেছে।
বাস এগিয়ে চলছিল। রাত গভীর। ভেতরে ক্ষীণ আলো আর ইঞ্জিনের শব্দ। শিমু টুল-এ বসে আছে।
পেছনের দুজনের হাত একটু আগেও তার শরীরে ছিল। তরুণটার হাত পিঠে, মাঝবয়সীজনের হাত কোমর ও পাছার দিকে। কিন্তু এবার দুজনেই হাত সরিয়ে নিল। আস্তে করে। যেন কিছুই হয়নি। শিমুর শরীর থেকে ছোঁয়া উঠে গেল। শুধু তাদের উপস্থিতি আর নীরব দৃষ্টি রয়ে গেল।
শিমু টের পেল হাত সরার অনুভূতি। শরীর একটু হালকা হল, কিন্তু অস্বস্তি গেল না। পেছন থেকে এখন শুধু দুজোড়া চোখ তার দিকে আটকে আছে। বুকের দুলুনি, টুলের উপর পাছার চাপ—সবকিছুই তারা দেখছে।
একটু পর ফিসফিসানি শুরু হল। এতটাই নিচু গলায় যে শুধু শিমুর কানে যাচ্ছে।
তরুণটা প্রথম বলল,
“দেখছো কী ভারী বুক… প্রতিবার ঝাঁকুনিতে এভাবে দোলে। শার্টের ভেতর পুরো আলাদা করে নড়ছে। হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখলাম, পাশটা কত নরম।”
মাঝবয়সীজন চাপা গলায় উত্তর দিল,
“হুম… আমি কোমরে হাত রেখেছিলাম। শার্টের উপর দিয়েই এত গরম লাগছিল। তারপর একটু নিচে নামিয়ে পাছার উপর চাপ দিয়েছি। জিন্সের কাপড়ের উপর দিয়েও এত গোল আর টানটান।”
তরুণটা আবার বলল,
“আমি তো পিঠের মাঝখান দিয়ে হাত নামিয়েছিলাম। কাঁধ থেকে শুরু করে নিচে পর্যন্ত। শরীরটা পুরো শক্ত করে ধরে রেখেছিল। কিন্তু সরল না। চুপ করে সহ্য করল।”
মাঝবয়সীজন হেসে ফিসফিস করল,
“পাছার উপর হাত দিয়ে মুঠো করার মতো চাপ দিয়েছিলাম। এত নরম আর গোল। একটু সামনে এগোলেই উরুর দিকে চলে যেত। এত রাতে একা বেরিয়েছে, শরীরটা যেন হাতের স্পর্শ চাইছিল।”
তরুণটা নিচু গলায় বলল,
“বুকের পাশটা ছুঁয়ে দেখলাম। শার্টের উপর দিয়েই বোঝা যায় কতখানি ভারী। আঙুল দিয়ে একটু চাপ দিয়েছিলাম, মাংস নরম হয়ে গিয়েছিল। যদি শার্টের ভেতর হাত ঢোকাতে পারতাম…”
মাঝবয়সীজন যোগ দিল,
“আমিও ভেবেছিলাম। কোমর থেকে সামনে হাত বাড়ালেই পেটের দিকে চলে যেত। শার্টের নিচ দিয়ে যদি একটু ঢুকিয়ে দিতাম… চুপ করে আছে বলেই তো এতটা ছুঁতে পেরেছি। যদি চিৎকার করত তাহলে অন্য কথা।”
তরুণটা আবার তাকিয়ে শিমুর দিকে। বুকের দুলুনি দেখতে দেখতে বলল,
“এত বড় দুধ নিয়ে টুল-এ বসে আছে। হাত দিয়ে চেপে ধরলে মুঠোয় আটকাবে না। শার্ট খুলে যদি একবার দেখতাম… নিশ্চয়ই দুধ দুটো আরও ভারী দেখায়।”
মাঝবয়সীজন চাপা গলায় বলল,
“পাছাটাও কম যায় না। টুলের উপর এভাবে চেপে আছে। জিন্স নামিয়ে যদি হাত দিয়ে সরাসরি ছুঁতাম… এত গোল পাছা হাতের মুঠোয় নিলে মজা লাগত। এতক্ষণ হাত রেখেও কিছু বলল না। শরীরটা তো পুরো গরম হয়ে গিয়েছিল।”
তরুণটা ফিসফিস করে হাসল,
“আমি পিঠে হাত দিয়েছিলাম, তুমি পাছায়। দুজনে মিলেই তো ছুঁয়ে দেখলাম। এত নরম শরীর। আগের কোনো লোক ভালো করে ব্যবহার করেনি মনে হয়। তাই এত রাতে একা বেরিয়ে শরীর দেখিয়ে বেড়াচ্ছে।”
মাঝবয়সীজন আরেকটু নিচু গলায় বলল,
“এখন হাত সরালেও মনে আছে কেমন লাগছিল। বুকের পাশ, কোমর, পাছা… সব জায়গাই নরম আর গরম। আবার যদি সুযোগ পাই…”
শিমু সব শুনছিল।
প্রতিটা কথা পরিষ্কার কানে বাজছিল। তারা নিজেদের মধ্যে বলে যাচ্ছিল—কে কোথায় হাত দিয়েছিল, কেমন লাগছিল, কী কী করতে চেয়েছিল। তাদের কণ্ঠে তৃপ্তি আর লোভ মিশে আছে।
শিমুর শরীর এখন আর কেউ ছুঁছে না। কিন্তু তাদের কথাগুলো যেন হাতের চেয়েও ভারী হয়ে তার উপর চেপে বসেছিল। বুকের দুলুনি থামছিল না। টুলের উপর পাছার চাপ লাগছিল। আর পেছন থেকে আসছিল শুধু ফিসফিসানি আর নোংরা মন্তব্য।
সে চুপচাপ বসে রইল। দাঁত কামড়ে। চোখ সামনের দিকে।
সব শুনেও কোনো জবাব দিল না।
বাস রাতের অন্ধকারে এগিয়ে চলছিল।
আর পেছনের দুজনের ফিসফিসানি শিমুর শরীরটাকে শব্দে শব্দে খুলে দিচ্ছিল।
বাস এগিয়ে চলছিল। পেছনের দুজনের ফিসফিসানি একটু কমল। মাঝে মাঝে এক-আধটা নোংরা কথা এখনও ভেসে আসছিল, কিন্তু শিমু আর সেদিকে মন দিল না।
চোখ সামনের দিকে রেখে বসে রইল। টুলের উপর পাছার চাপ, শার্টের ভেতর বুকের ভারী দুলুনি—সবকিছুই এখন পটভূমিতে চলে গেছে। মনের ভেতর অন্য একটা ছবি ভেসে উঠল।
মনিরুল।
এখন নিশ্চয় বাসায় ঘুমাচ্ছে। অফিস থেকে ফিরে বিছানায় কাত হয়ে পড়েছে। রাত গভীর। শিমু যখন বাসা থেকে বেরিয়েছিল, তখন সে অফিসে ছিল। বেরোনোর পর সে কয়েকবার ফোন দিয়েছিল। শিমু ধরেনি। এখন সব থেমে গেছে। সে একা ঘুমাচ্ছে।
শিমুর মনে পড়ল গত কয়েক মাসের কথা।
তার শরীর। এই ভারী বুক, এই গোল পাছা, এই সংবেদনশীল চামড়া। মনিরুল মুখে চায়। কথায় কথায় বলে। কিন্তু শরীরে জোর করে হাত দেয় না। কখনোই নিজে থেকে চেপে ধরে না। শিমু যদি নিজে না বলে, না ইঙ্গিত দেয়, তাহলে সে শুধু কাছে এসে শুয়ে থাকে। হাত দিয়ে বুকের উপর জোরালো চাপ দেয় না। পাছায় মুঠো করে ধরে না। যেন অপেক্ষা করে শিমু নিজেই সব খুলে দেবে।
শিমু চোখ বন্ধ করল।
মনে মনে বলল—আমি মুখে না বললেও তো বোঝার কথা। আমার শরীর তো বলে। এই দুধের ভার, এই পাছার টান, রাতে আমার শ্বাস… এগুলো দেখেও সে বোঝে না আমি কী চাই। সে শুধু মুখের কথায় থেমে থাকে। শরীরের ভাষা পড়ে না।
আর এখন?
এখন পেছনে দুজন অচেনা পুরুষ। একটু আগেই যারা হাত দিয়ে তার পিঠে, কোমরে, পাছায় ছুঁয়ে দেখেছে। যারা ফিসফিস করে বলছে তার শরীর কত নরম, কত ভারী, কত গোল। যারা তার চুপ থাকাকে সুযোগ হিসেবে নিয়েছে। তারা মুখের অপেক্ষা করেনি। শরীর দেখেই হাত বাড়িয়েছে।
মনিরুল কি কখনো এমন করেছে?
না। সে কখনো রাতে হঠাৎ করে জাগিয়ে হাত দিয়ে বুক চেপে ধরেনি। কখনো জিন্সের উপর দিয়ে পাছায় জোরালো চাপ দেয়নি। শিমু যখন নিজে থেকে কাছে যেত, তখন সে সাড়া দিত বটে, কিন্তু নিজে থেকে কখনো সেই ক্ষিদে নিয়ে এগোত না। শিমুর মনের কথা বোঝার চেষ্টাও করত না। শুধু মুখের কথায় সীমাবদ্ধ থাকত।
শিমুর বুকের ভেতর একটা পরিচিত জ্বালা ছড়িয়ে পড়ল।
রাগ। অথচ এই রাগ এখন মনিরুলের দিকেই বেশি।
সে ভাবল—আমার শরীর তো আছে। এই দুধ, এই পাছা, এই উষ্ণ চামড়া। আমি চাই যে কেউ এগুলোকে ভালো করে ব্যবহার করুক। জোর করে হোক, আস্তে করে হোক, ক্ষিদে নিয়ে হোক। আমি চাই কেউ আমার শরীর দেখে পাগল হোক। হাত দিয়ে মুঠো ভর্তি করে চাপ দিক। কিন্তু মনিরুল… সে বোঝেই না আমি কী চাই। সে আমার শরীরের ভাষা পড়ে না। মুখে চায়, শরীরে দেয় না।
বাস একটু ঝাঁকুনি দিল। শিমুর ভারী বুক শার্টের ভেতর দুলল। টুলের উপর পাছা চাপ খেল। পেছন থেকে আবার একটা ফিসফিসানি ভেসে এল—কেউ তার বুকের দুলুনি নিয়ে কিছু বলল। শিমু শুনল। কিন্তু এবার মন অন্য জায়গায়।
মনিরুল এখন ঘুমাচ্ছে।
অফিস থেকে ফিরে একা বিছানায়। আর এখানে তার বউ অচেনা দুজনের নোংরা কথার মাঝে বসে আছে। যারা একটু আগেই তার শরীর ছুঁয়ে দেখেছে। যারা এখনও চোখ দিয়ে তার শরীর খুবলে খাচ্ছে।
শিমু চোখ খুলল। সামনের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে রইল।
ভেতরে একটা শীতল উপলব্ধি জেগে উঠল। মনিরুল তাকে মুখে চায়। কিন্তু শরীরের যে চাওয়া, মনের যে ক্ষিদে—সেটা সে কখনো বোঝার চেষ্টা করেনি। আর সে নিজেও হয়তো আর সেই বোঝার অপেক্ষায় থাকবে না।
বাস রাতের অন্ধকারে এগিয়ে চলছিল।
আর শিমুর মনে মনিরুলের সীমাবদ্ধতা আরও পরিষ্কার হয়ে উঠছিল।
মনের ভেতর মনিরুলের ছবি আরও পরিষ্কার হয়ে উঠছিল।
শুধু তার মুখের কথা আর শরীরের উদাসীনতা নয়। বিছানার কথাও মনে পড়ছিল।
কতগুলো রাতের কথা।
মনিরুল যখন কাছে আসত। শিমু যদি নিজে থেকে শরীর খুলে দিত, তাহলে সে উত্তেজিত হত। মুখে বলত কত সুন্দর লাগছে। কিন্তু শরীরে হাত দিত তাড়াহুড়ো করে। তারপর নিজেই উপরে উঠে যেত।
পাঁচ মিনিটও টিকত না।
শিমু চোখ বন্ধ করল। মনে মনে হিসাব করল।
প্রবেশের পর দু-তিনটা জোরে ধাক্কা। তারপর আরও কয়েকটা দুর্বল। শ্বাস ভারী হয়ে উঠত তার। গলা দিয়ে একটা চাপা আওয়াজ বেরোত। আর তারপর… শেষ। গরম তরল বেরিয়ে যেত। সে ভারী হয়ে শিমুর উপর পড়ে থাকত এক-আধ মিনিট। তারপর সরে যেত।
শিমু তৃপ্তি পেত না।
শরীর উত্তেজিত হয়ে থাকত। ভেতরটা অপূর্ণ থেকে যেত। বুকের সংবেদনশীলতা জেগে থাকত, কিন্তু কেউ আর সাড়া দিত না। শরীরের ক্ষিদে নিয়ে শুয়ে থাকত। মনিরুল পাশ ফিরে ঘুমিয়ে পড়ত। শিমু তাকিয়ে থাকত ছাদের দিকে। তৃপ্তিহীন শরীর নিয়ে
শিমুর বুকের ভেতর জ্বালা তীব্র হল।
রাগ। শুধু রাগ। মনিরুলের প্রতি।
সে ভাবল—এত রাত আমি তার পাশে তৃপ্তিহীন শুয়ে থেকেছি। পাঁচ মিনিটের সেক্স দিয়ে সে আমাকে ছেড়ে দিয়েছে। আমার শরীর জেগে থেকেছে, আর সে ঘুমিয়ে পড়েছে। আমি মুখে না বললেও তো বোঝার কথা ছিল। কিন্তু সে বোঝেনি। কখনোই বোঝেনি।
আর এখন?
এখন পেছনে দুজন অচেনা পুরুষ। যারা একটু আগেই তার শরীর ছুঁয়ে দেখেছে। যারা ফিসফিস করে বলেছে তার বুক কত ভারী, পাছা কত গোল। আর মনিরুল… সে এখন বাসায় ঘুমাচ্ছে। অফিস থেকে ফিরে একা বিছানায়। যে বিছানায় সে শিমুকে পাঁচ মিনিটে শেষ করে দিয়েছে বারবার।
শিমুর দাঁত কামড়ে গেল।
রাগ আরও বেড়ে গেল। মনিরুলের প্রতি। তার তাড়াহুড়োর প্রতি। তার অক্ষমতার প্রতি। তার উদাসীনতার প্রতি।
বাস একটু ঝাঁকুনি দিল। শিমুর ভারী বুক শার্টের ভেতর দুলল। টুলের উপর পাছা চাপ খেল। শরীরের সেই পুরনো অপূর্ণতা আবার জেগে উঠল। যেন মনিরুলের পাঁচ মিনিটের ছাপ এখনও শরীরে লেগে আছে।
শিমু চোখ খুলল। সামনের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে রইল।
ভেতরে শুধু রাগ জ্বলছিল। মনিরুলের প্রতি। যে কখনোই তাকে তৃপ্ত করতে পারেনি।
বাস রাতের অন্ধকারে এগিয়ে চলছিল।