পর্দার আড়ালের জীবন -
Bad Boy - 08-31-2026
By:majhabifatima
পর্ব ১ – গুপ্ত প্রণয়ের আরম্ভ
রাত গভীর হয়ে এসেছে। ঘরের ভেতর একটা নিস্তব্ধতা ছড়িয়ে আছে যেন পুরো পৃথিবী ঘুমিয়ে পড়েছে। শুধু দেওয়ালে ঝোলানো পুরনো ঘড়িটার টিকটিক শব্দ নিয়মিত ভেঙে দিচ্ছে সেই নিস্তব্ধতা। দূরের কোনো মহল্লায় একটা কুকুর ডাকছে মাঝে মাঝে। জানালার বাইরে চাঁদের আলো সাদা চাদরের মতো বিছানো। মুরসালিন চৌধুরী নিজের ঘরে শুয়ে আছে। চোখ বন্ধ করে রেখেছে অনেকক্ষণ ধরে, কিন্তু ঘুম আসছে না। বুকের ভেতর একটা অদ্ভুত চাপ কাজ করছে। সেই চাপটা কখনো ভারী হয়ে উঠছে, কখনো আবার হালকা হয়ে যাচ্ছে। ছয় মাস আগে বাবা চলে গেছেন। হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকে। সেই রাতের কথা মনে পড়লেই তার বুকের ভেতরটা শক্ত হয়ে যায়। বাবা চলে যাওয়ার পর থেকে মা একা হয়ে গেছেন। আর সেই একা মায়ের কান্না এখন প্রায় প্রতি রাতেই শোনা যায় এই বাড়িতে।
মুরসালিন পাশ ফিরল। বালিশটা চেপে ধরল দুই হাতে। তার মনে পড়ছে বাবার মুখ। বাবা যখন বেঁচে ছিলেন তখন এই বাড়িতে একটা ভিন্ন রকমের উষ্ণতা ছিল। এখন সেই উষ্ণতা নেই। শুধু মায়ের নিঃশ্বাসের শব্দ আর কান্নার আওয়াজ বাকি আছে। মুরসালিন নিজেকে মনে করিয়ে দিল সে একজন আলেম। সারা দেশে ওয়াজ করে। মসজিদে ইমামতি করে। খুব শীঘ্রই একটা মাদ্রাসার মুফতি হবে। মানুষকে হারাম থেকে বাঁচার কথা বলে। কুরআনের আয়াত দিয়ে উপদেশ দেয়। অথচ আজ রাতে তার নিজের মনটাই যেন এক অন্ধকার পথে হাঁটতে চাইছে। সে জানে এটা পাপ। সে জানে এটা নিষিদ্ধ। তবুও তার বুকের ভেতরটা ছটফট করছে।
সে ধীরে ধীরে উঠে বসল। বিছানার চাদরটা সরিয়ে দিল। পা দুটো মেঝেতে নামিয়ে রাখল। মেঝে ঠান্ডা। শীতের শুরুর রাত। তার পায়ের তলায় সেই ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছিল। সে জুতা পরল না। শুধু সাদা পায়জামা আর পাতলা গেঞ্জি পরেই উঠে দাঁড়াল। ঘরের দরজা খুলে করিডোরে বেরিয়ে এল। করিডোর অন্ধকার। শুধু জানালার ফাঁক দিয়ে চাঁদের আলো একটা সরু রেখা হয়ে পড়ে আছে মেঝেতে। সে সেই আলোর রেখা ধরে হাঁটতে লাগল মায়ের ঘরের দিকে। প্রতিটা পদক্ষেপে তার বুকের ভেতর ধুকপুক বাড়ছে। সে নিজেকে বলছে ফিরে যাও। নিজের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়ো। কিন্তু পা দুটো থামছে না। যেন কেউ টেনে নিয়ে যাচ্ছে।
মায়ের ঘরের দরজা আধখোলা। ভেতর থেকে হালকা কান্নার শব্দ আসছে। মুরসালিন দরজার পাশে দাঁড়িয়ে শুনল। নাজনীন চৌধুরী বিছানায় শুয়ে কাঁদছেন। কান্নাটা চেপে রাখার চেষ্টা করছেন, কিন্তু বুকের ভেতর থেকে উঠে আসা শ্বাসের শব্দ আটকানো যাচ্ছে না। মুরসালিন ধীরে করে দরজা ঠেলল। কব্জাটা একটু শব্দ করল। সে ভেতরে ঢুকল। ঘরের ভেতর আলো নেই। শুধু জানালার কাছে ঝোলানো পর্দার ফাঁক দিয়ে চাঁদের আলো পড়ে আছে বিছানার ওপর। সেই আলোতে মায়ের শরীরের আকৃতি দেখা যাচ্ছে। কালো *টা খুলে একপাশে রাখা। শুধু সাদা সালোয়ার কামিজ পরে আছেন। চুলগুলো এলোমেলো হয়ে বালিশের ওপর ছড়িয়ে আছে। কাঁধ দুটো কাঁপছে। বালিশে মুখ গুঁজে কাঁদছেন।
মুরসালিনের গলা শুকিয়ে গেল। সে কাছে গিয়ে বিছানার কিনারে বসল। মায়ের কাঁধে হাত রাখল। হাতটা কেঁপে উঠল স্পর্শের সাথে সাথে। মায়ের শরীর গরম। কাপড়ের ওপর দিয়ে সেই উষ্ণতা তার হাতের তালুতে ছড়িয়ে পড়ল।
“আম্মা…” তার গলা কেঁপে উঠল। শব্দটা খুব আস্তে বেরোল।
নাজনীন হঠাৎ মুখ তুললেন। চোখ দুটো লাল হয়ে আছে। গাল বেয়ে জলের দাগ। চোখের পাতা ফুলে আছে। তিনি উঠে বসতে গিয়েও পারলেন না। মুরসালিন আরও কাছে সরে গিয়ে মাকে জড়িয়ে ধরল। নাজনীন ছেলের বুকে মুখ লুকিয়ে কাঁদতে লাগলেন। মুরসালিনের গেঞ্জির কাপড় ভিজে যাচ্ছে মায়ের চোখের জলে। তার বুকের ওপর মায়ের গরম নিঃশ্বাস পড়ছে। একটার পর একটা। সেই নিঃশ্বাসের উষ্ণতা তার ত্বকে ছড়িয়ে পড়ছে। মায়ের চুলের গন্ধ নাকে আসছে। হালকা গোলাপ জলের গন্ধ মেশানো সেই পরিচিত গন্ধ। ছোটবেলা থেকে এই গন্ধ তার পরিচিত। মা যখন তাকে কোলে নিয়ে ঘুম পাড়াতেন তখনও এই গন্ধ থাকত। কিন্তু আজ রাতে সেই গন্ধ অন্য রকম মনে হচ্ছে। যেন নিষিদ্ধ কোনো ফলের ঘ্রাণ।
মুরসালিনের হাত আপনা থেকেই মায়ের পিঠে চলে গেল। আলতো করে ঘষতে লাগল। কাপড়ের ওপর দিয়ে। মায়ের পিঠের হাড়গুলো অনুভূত হচ্ছিল। তিনি একটু রোগা হয়ে গেছেন এই কয়েক মাসে। অথচ বুকের অংশটা এখনও ভারী। মুরসালিনের হাত ঘষতে ঘষতে কোমরের দিকে নামতে লাগল। নাজনীন আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরলেন ছেলেকে। তার দুই হাত মুরসালিনের কোমর ঘিরে ধরেছে। মুরসালিনের গেঞ্জির ওপর মায়ের বুকের নরমতা চেপে আছে। সেই নরম উঁচু অংশ দুটো তার বুকের ওপর চাপ খেয়ে আছে। মুরসালিন গিলল। তার গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে। সে জানে এটা ঠিক নয়। সে জানে আল্লাহ দেখছেন। তবুও তার হাত থামছে না।
সে মায়ের কপালে চুমু দিল। আলতো করে। ঠোঁটের স্পর্শ মায়ের কপালের গরম চামড়ায় লাগল। তারপর গালে চুমু দিল। একবার। দুবার। নাজনীন প্রতিবাদ করলেন না। বরং আরও কাছে সরে এলেন। মুরসালিনের বুকের ভেতর পাপবোধ জেগে উঠছে। সে নিজেকে বলছে—এটা মা। এটা হারাম। এটা জাহান্নামের আগুন। কুরআনে যেসব আয়াত আছে নিষিদ্ধ সম্পর্কের ব্যাপারে, সেগুলো তার মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। সে মসজিদে দাঁড়িয়ে মানুষকে এইসব কথা বলে। আর আজ নিজেই সেই পাপের দিকে এগোচ্ছে। কিন্তু তার শরীর অন্য কথা বলছে। মায়ের গরম শরীর তার বুকের ওপর চেপে আছে। মায়ের হাত তার কোমর ঘিরে ধরে আছে। মায়ের চুলের গন্ধ তার নাকে ঢুকে যাচ্ছে।
মুরসালিন আবার কপালে চুমু দিল। এবার চুমু একটু লম্বা হলো। তার ঠোঁট মায়ের কপালে লেগে রইল কয়েক মুহূর্ত। নাজনীনের নিঃশ্বাস ভারী হয়ে উঠল। মুরসালিনের কানে মায়ের হৃদস্পন্দনের শব্দ শোনা যাচ্ছে। দ্রুত। বুকের ভেতর থেকে উঠে আসা সেই ধুকপুক তার কানে বাজছে। সে মায়ের গালে আরেকবার চুমু দিল। এবার চোয়ালের কাছে। নাজনীন চোখ বন্ধ করে রেখেছেন। তার ঠোঁট কেঁপে উঠছে। মুরসালিনের হাত ধীরে ধীরে মায়ের পিঠ থেকে সামনে চলে এল। বুকের ওপর। কাপড়ের ওপর দিয়ে। সে অনুভব করল সেই নরম উঁচু অংশ। ৩৬ ইঞ্চির সেই বুক। তার হাত কেঁপে উঠল। সে হাত সরাতে পারল না। আলতো করে চাপ দিল। কাপড়ের নিচে সেই নরম মাংসল অংশের উষ্ণতা তার তালুতে ছড়িয়ে পড়ল।
নাজনীন একটু শিউরে উঠলেন। শরীরটা কেঁপে উঠল। কিন্তু সরিয়ে দিলেন না। মুরসালিন কপালে আরেকবার চুমু দিল। তারপর গালে। এবার চুমু আরও লম্বা। তার ঠোঁট মায়ের গালের নরম চামড়ায় লেগে রইল। নাজনীনের একটা হালকা আওয়াজ গলা দিয়ে বেরোল। শ্বাসের মতো। মুরসালিনের মনে দোলা লাগছে। একদিকে কুরআনের আয়াতগুলো ঘুরছে। মায়ের সাথে এমন আচরণের শাস্তির কথা মনে পড়ছে। অন্যদিকে মায়ের শরীরের উষ্ণতা, গন্ধ, স্পর্শ তাকে পাগল করে তুলছে। সে নিজেকে বলছে থামো। কিন্তু থামতে পারছে না। তার হাত এখন মায়ের বুকের ওপর আরও একটু চাপ দিচ্ছে। কাপড়ের ফাঁক দিয়ে ত্বকের উষ্ণতা অনুভব করছে। তার নিজের শরীরেও পরিবর্তন হচ্ছে। পায়জামার ভেতর শক্ত হয়ে উঠছে। সে লজ্জিত হলো। মায়ের সামনে এমন অবস্থা। কিন্তু সরাতে পারল না নিজেকে।
তারা এভাবেই জড়িয়ে রইল। কতক্ষণ জানে না মুরসালিন। সময় যেন থেমে গেছে। ঘরের ভেতর শুধু তাদের নিঃশ্বাসের শব্দ। মুরসালিনের হাত এখনও মায়ের বুকের ওপর। কখনো চাপ দিচ্ছে, কখনো শুধু স্পর্শ করে রাখছে। সে অনুভব করছে সেই নরম অংশের ওঠানামা। মায়ের নিঃশ্বাসের সাথে সাথে সেই অংশটা সামান্য উপরে উঠছে নামছে। মুরসালিন আবার মায়ের কপালে চুমু দিল। এবার দুই হাত দিয়ে মায়ের মুখ ধরে। গালে চুমু। চোয়ালে চুমু। গলার কাছে আলতো চুমু। নাজনীন চোখ বন্ধ করে রেখেছেন। তার শরীরটা একটু একটু করে মুরসালিনের দিকে ঢলে পড়ছে।
মুরসালিনের মনে পড়ছে বাবার কথা। বাবা বেঁচে থাকতে মায়ের সাথে কেমন ছিলেন। দুজনেরই শারীরিক চাহিদা অনেক বেশি ছিল। সে কথা মা কখনো বলেননি, কিন্তু মুরসালিন বুঝতে পারত। এখন বাবা নেই। মা একা। আর সেই একা মায়ের শরীর যেন আগুন হয়ে আছে। মুরসালিন সেই আগুনের কাছে গিয়ে পুড়ছে। সে জানে এটা পাপ। সে জানে এটা নিষিদ্ধ ফল। তবুও সে কামড়াচ্ছে সেই ফলে।
নাজনীন হঠাৎ ফিসফিস করে বললেন, “মুরসালিন… এটা… এটা ঠিক না… আল্লাহ দেখছেন…”
কিন্তু তার গলায় কোনো শক্তি নেই। শব্দগুলো কেঁপে কেঁপে বেরচ্ছে। মুরসালিন মায়ের কপালে কপাল রাখল। তাদের নিঃশ্বাস মিশে যাচ্ছে। “আমি জানি আম্মা। আমি জানি। কিন্তু আমি… আমি আর সহ্য করতে পারছি না তোমার কান্না। তোমার একা থাকা। আমি… আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি।”
তারা আবার জড়িয়ে ধরল একে অপরকে। মুরসালিনের হাত এখন মায়ের পিঠে। আলতো করে নামিয়ে আনছে কোমরের দিকে। নাজনীন শরীরটা একটু কেঁপে উঠলেন। কিন্তু বাধা দিলেন না। মুরসালিনের শ্বাস মায়ের গলায় পড়ছে। সে গলায় আলতো চুমু দিল। নাজনীন একটা হালকা আওয়াজ করলেন। গলা দিয়ে। মুরসালিনের হাত আবার সামনে চলে এল। বুকের ওপর। এবার দুই হাত দিয়েই চেপে ধরল আলতো করে। কাপড়ের ওপর দিয়ে সেই নরম উঁচু অংশ দুটোর উষ্ণতা অনুভব করছে। তার তালুতে সেই নরমতা ছড়িয়ে পড়ছে। মুরসালিনের শরীর আরও শক্ত হয়ে উঠছে। পায়জামার ভেতর চাপ বাড়ছে। সে লজ্জায় চোখ বন্ধ করে রাখল। কিন্তু হাত সরাল না।
এভাবেই রাত কেটে যেতে লাগল। তারা শুধু জড়িয়ে রইল। চুমু দিল কপালে, গালে, চোয়ালে, গলার কাছে। মুরসালিনের হাত মায়ের বুকের ওপর রইল। কখনো চাপ দিল, কখনো শুধু স্পর্শ করে রাখল। পূর্ণ সঙ্গম হলো না। কোনো কাপড় খোলা হলো না। শুধু এই নিষিদ্ধ স্পর্শ আর চুমু। আর পাপবোধ। আর তীব্র উত্তেজনা। মুরসালিনের মনে একদিকে জাহান্নামের আগুনের কথা ঘুরছে, অন্যদিকে মায়ের শরীরের উষ্ণতা তাকে টেনে রাখছে। সে নিজেকে প্রশ্ন করছে—আমি কী করছি? আমি তো আলেম। মানুষকে পথ দেখাই। আর নিজেই পথ হারাচ্ছি। কিন্তু মায়ের কান্নার শব্দ, তার গরম নিঃশ্বাস, তার নরম বুকের স্পর্শ—সবকিছু তাকে উত্তর দিতে দিচ্ছে না।
ফজরের আজান ভেসে এল দূরের মসজিদ থেকে। আজানের আওয়াজ ঘরের ভেতর ঢুকে পড়ল। মুরসালিন শিউরে উঠল। যেন কেউ তাকে জাগিয়ে দিল। সে ধীরে ধীরে সরে গেল। নাজনীনও উঠে বসলেন। চোখে এখনও জল। কিন্তু মুখে একটা অদ্ভুত শান্তি। তারা দুজনেই ওজু করল। একই বাথরুমে। কথা হলো না। শুধু পানির শব্দ আর তাদের নিঃশ্বাসের শব্দ। মুরসালিন মায়ের দিকে তাকাল। নাজনীনও তাকালেন। তাদের চোখের দৃষ্টি বদলে গেছে। আগের মতো মা-ছেলের দৃষ্টি আর নেই। এখন অন্য কিছু। নিষিদ্ধ কিছু।
তারপর নামাজ পড়ল। মুরসালিন ইমামতি করল ঘরেই। নাজনীন পেছনে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়লেন। রুকুতে গিয়ে মুরসালিনের মনে পড়ল মায়ের বুকের উষ্ণতা। তার হাতের তালুতে এখনও সেই নরমতার অনুভূতি রয়ে গেছে। সিজদায় গিয়ে তার শরীর কেঁপে উঠল। কপাল মাটিতে ঠেকিয়ে সে আল্লাহর কাছে মাফ চাইল। কিন্তু মনে মনে জানে সে আর থামতে পারবে না। নামাজ শেষ করে সে দোয়া করল। হাত তুলে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করল। কিন্তু তার মনের গভীরে অন্য প্রার্থনা কাজ করছে। মায়ের শরীরের নেশা যেন তাকে ছাড়ছে না।
নামাজ শেষে নাজনীন কাছে এলেন। মুরসালিনকে জড়িয়ে ধরলেন। কানে কানে ফিসফিস করে বললেন, “আল্লাহ মাফ করুক…”
মুরসালিন মায়ের পিঠে হাত রাখল। চোখ বন্ধ করে বলল, “আমীন।”
সেই রাত থেকে সবকিছু বদলে গেল। মুরসালিন প্রায় প্রতিদিনই মাকে জড়িয়ে ধরতে লাগল। কপালে চুমু দিতে লাগল। গালে চুমু দিতে লাগল। নামাজের পর তাদের চোখের দৃষ্টি বদলে যেতে লাগল। পাপবোধ আর উত্তেজনা একসাথে বুকের ভেতর নাচতে লাগল। তারা জানে এটা হারাম। তারা জানে এটা নিষিদ্ধ। তবুও থামছে না। মুরসালিন রাতে বিছানায় শুয়ে ভাবে—আমি আলেম। আমি মানুষকে হারাম থেকে বাঁচার কথা বলি। আর নিজেই ডুবে যাচ্ছি। কিন্তু মায়ের শরীরের গন্ধ, তার নরম বুকের স্পর্শ, তার কান্নার শব্দ—সবকিছু তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। সে জানে সামনে আরও গভীর অন্ধকার অপেক্ষা করছে। তবুও সে এগোচ্ছে।
নাজনীনও রাতে একা শুয়ে ভাবেন। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে তার শরীর যেন আগুন হয়ে আছে। ছেলের স্পর্শ সেই আগুনকে আরও জ্বালিয়ে দিচ্ছে। তিনি জানেন এটা পাপ। তিনি জানেন আল্লাহর সামনে জবাবদিহি করতে হবে। তবুও যখন ছেলে তাকে জড়িয়ে ধরে, কপালে চুমু দেয়, বুকের ওপর হাত রাখে, তখন তিনি প্রতিরোধ করতে পারেন না। তার শরীর যেন অন্য কথা বলে। নিষিদ্ধ ফলের স্বাদ যেন তাকেও পাগল করে তুলেছে।
এভাবেই শুরু হলো তাদের গুপ্ত প্রণয়। পর্দার আড়ালে। নামাজের পর। কুরআন তেলাওয়াতের ফাঁকে। পাপবোধ আর নেশার মাঝখানে। মুরসালিনের মনে গভীর পাপবোধ আর তীব্র উত্তেজনা একসাথে কাজ করতে লাগল। সে জানে এটা শেষ নয়। এটা শুধু শুরু। আর সেই শুরুর ভেতরেই লুকিয়ে আছে এক অন্ধকার ভবিষ্যৎ। তবুও সে
এগিয়ে চলল। মায়ের দিকে। নিষিদ্ধ ফলের দিকে।
---
RE: পর্দার আড়ালের জীবন -
Bad Boy - 09-07-2026
পর্ব ২ – শীত কাল
শীত পুরোদমে নেমে এসেছে। রাতের বাতাস এত ঠান্ডা যে জানালার কাঁচের ওপর পাতলা কুয়াশা জমে সাদা হয়ে যাচ্ছে। ঘরের ভেতরও সেই ঠান্ডা ঢুকে পড়েছে কারণ বিদ্যুৎ চলে গেছে অনেক আগে। সারা বাড়ি অন্ধকারে ডুবে আছে। শুধু একটা মোমবাতির ক্ষীণ হলুদ আলো টেবিলের ওপর জ্বলছে। সেই আলোয় দেয়ালে লম্বা লম্বা ছায়া নড়ছে। মুরসালিন চৌধুরী মায়ের ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে আছে। তার বয়স তেইশ। দেহের রং কালো। উচ্চতা ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি। শরীরটা সামান্য রোগা হলেও কাঁধ চওড়া। সে একজন আলেম। নাম করা বক্তা। সারা দেশে ওয়াজ করে। মসজিদের ইমাম। খুব শীঘ্রই একটা মাদ্রাসার মুফতি হবে। অথচ আজ রাতে তার মন অন্য পথে হাঁটছে। আজ আর নিজের ঘরে একা শোয়ার কথা ভাবেনি। বিদ্যুৎ নেই, ঠান্ডা তীব্র, আর মা একা। সে জানে এটা শুধু অজুহাত। তার মনের গভীরে অন্য একটা টান কাজ করছে। আগের রাতের কথা মনে পড়ছে। মায়ের বুকের ওপর হাত রাখার অনুভূতি, কপালে চুমু, গালে চুমু। সেই নিষিদ্ধ স্পর্শের নেশা এখনও কাটেনি। তবুও সে এসেছে।
নাজনীন বিছানায় শুয়ে আছেন। পুরু কম্বলটা গায়ে জড়িয়ে। মাথা বালিশে রেখে চোখ খোলা। তিনিও ঘুমাতে পারছেন না। তার বয়স ৩৯। একজন হাফেজা আলিমা। আগে মাদ্রাসায় শিক্ষিকা ছিলেন। সন্তান হওয়ার ৫ বছর পর শিক্ষকতা ছেড়ে দিয়েছেন। এক ছেলে আর এক মেয়ে। মেয়ে গত বছর বিয়ে হয়েছে। নাজনীন ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন, সোমবার রোজা রাখেন, তাহাজ্জুদ পড়েন, প্রতিদিন ফজরের পর কুরআন তেলাওয়াত করেন, হাদিসের বই পড়েন। বাইরে গেলে কালো * আর * পরেন। বাইরে থেকে কেউ বোঝে না এই পর্দার ভেতরে কী লুকিয়ে আছে। তার দুধের সাইজ ৩৬ ইঞ্চি, কোমর ৩৪ ইঞ্চি, পাছা ৪০ ইঞ্চি। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে সেই শরীর যেন আগুন হয়ে আছে।
মুরসালিন ধীরে করে ভেতরে ঢুকল। দরজা বন্ধ করল। মোমবাতির আলোয় মায়ের মুখ দেখা যাচ্ছে। চোখ দুটোয় একটা অদ্ভুত অস্থিরতা। মুরসালিন কাছে গিয়ে বিছানার কিনারে বসল। কম্বলের এক কোণ তুলে নিজেকে ঢুকিয়ে নিল। মায়ের শরীরের উষ্ণতা সঙ্গে সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ল তার কালো ত্বকে। দুজনের শরীর কাছাকাছি। কম্বলের নিচে তাদের হাঁটু প্রায় ছুঁয়ে আছে। ঠান্ডা রাতের মধ্যে এই উষ্ণতা যেন আগুনের মতো জ্বলছে।
মুরসালিনের বুকের ভেতর ধুকপুক বাড়ছে। মায়ের গন্ধ নাকে আসছে তীব্রভাবে। গোলাপ জল আর গরম ত্বকের মিশ্রণ। সেই গন্ধ আজ আরও গভীর মনে হচ্ছে। কম্বলের নিচে অন্ধকার। শুধু তাদের নিঃশ্বাসের শব্দ আর দূরের কোনো কুকুরের ডাক। মুরসালিন আস্তে করে হাত বাড়াল। মায়ের কোমরের কাছে রাখল। কাপড়ের ওপর দিয়ে। নাজনীন সরে গেলেন না। বরং একটু কাছে সরে এলেন। তাদের শরীর আরও ঘনিষ্ঠ হলো। মুরসালিনের বুক মায়ের পিঠে লাগল। মায়ের গরম নিঃশ্বাস তার গলায় পড়ছে একটার পর একটা। সেই নিঃশ্বাসের উষ্ণতা তার কালো ত্বকে ছড়িয়ে পড়ছে।
ঠান্ডা রাত। কম্বলের নিচে উষ্ণতা ক্রমে বাড়ছে। মুরসালিনের হাত ধীরে ধীরে উপরে উঠল। মায়ের বুকের দিকে। কাপড়ের ওপর দিয়ে আলতো করে স্পর্শ করল। সে অনুভব করল সেই নরম উঁচু অংশ। ৩৬ ইঞ্চির সেই ভারী দুধ। আগের রাতের মতোই। কিন্তু আজ আরও সাহস জন্মেছে তার ভেতর। সে আলতো করে চাপ দিল। নাজনীন একটা হালকা শ্বাস ফেললেন। শরীরটা কেঁপে উঠল সামান্য। কিন্তু বাধা দিলেন না। মুরসালিনের হাত আরও চাপ দিল। কাপড়ের নিচে সেই নরম মাংসল অংশের উষ্ণতা তার তালুতে ছড়িয়ে পড়ছে। তিনি দুই হাতেই চেপে ধরলেন আলতো করে। সেই ভারী দুধ এখন তার হাতের মুঠোয়। আঙুল দিয়ে আলতো করে মুচড়ে ধরছে। নাজনীনের নিঃশ্বাস ভারী হয়ে উঠল।
মুরসালিন মায়ের কানে ফিসফিস করে বলল, “আম্মা… ঠান্ডা লাগছে খুব।”
নাজনীন কোনো জবাব দিলেন না। শুধু পেছন দিকে আরও একটু সরে এলেন। মুরসালিনের শরীর মায়ের শরীরের সাথে পুরোপুরি মিশে গেল। কম্বলের নিচে তাদের পা দুটো জড়িয়ে গেল। মুরসালিনের হাত এখন মায়ের বুকের ওপর স্থির। দুই হাতেই চেপে ধরেছে। সে অনুভব করছে সেই নরমতার ওঠানামা। মায়ের নিঃশ্বাসের সাথে সাথে সেই অংশটা সামান্য উপরে উঠছে নামছে। মুরসালিনের নিজের শরীরও শক্ত হয়ে উঠছে। পায়জামার ভেতর তার ইঞ্চি লম্বা ধোন শক্ত হয়ে টানটান হয়ে উঠেছে। সে লজ্জায় চোখ বন্ধ করে রাখল। কিন্তু হাত সরাল না। তার মনে পাপবোধ জেগে উঠছে। সে নিজেকে বলছে—এটা মা। এটা হারাম। এটা জাহান্নামের আগুন। কুরআনের আয়াতগুলো মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। সে মসজিদে দাঁড়িয়ে মানুষকে হারাম থেকে বাঁচার কথা বলে। আর আজ নিজেই মায়ের বুকে হাত রেখেছে। কিন্তু থামতে পারছে না।
কিছুক্ষণ এভাবেই কাটল। শুধু নিঃশ্বাসের শব্দ আর কম্বলের নিচে শরীরের উষ্ণতা। তারপর মুরসালিন ধীরে করে মায়ের কাপড়ের বোতাম খুলতে লাগল। একটা। দুটো। তিনটে। নাজনীন শিউরে উঠলেন। শরীরটা একটু কেঁপে উঠল। কিন্তু হাত আটকালেন না। মুরসালিনের হাত কাপড়ের ভেতর ঢুকে গেল। সরাসরি ত্বকের স্পর্শ। গরম। নরম। সেই ছত্রিশ ইঞ্চির ভারী দুধ এখন তার হাতের তালুতে খোলাখুলি। তিনি আলতো করে চেপে ধরলেন। আঙুল দুটো সেই নরম অংশের চারপাশে ঘুরছে। চাপ দিচ্ছে। আলতো করে মুচড়ে ধরছে। নাজনীনের নিঃশ্বাস ভারী হয়ে উঠল। গলা দিয়ে একটা হালকা আওয়াজ বেরোল। যেন ব্যথা আর আনন্দের মিশ্রণ।
মুরসালিন মায়ের দিকে ঘুরল। মুখোমুখি হলো। কম্বলের নিচে অন্ধকার। শুধু তাদের নিঃশ্বাস মিশে যাচ্ছে। সে মায়ের কপালে চুমু দিল। দীর্ঘক্ষণ ধরে। তারপর গালে চুমু দিল। চোয়ালে চুমু দিল। গলার কাছে আলতো চুমু দিল। নাজনীন চোখ বন্ধ করে রেখেছেন। তার ঠোঁট কেঁপে উঠছে। মুরসালিন ধীরে করে নিচু হলো। মায়ের বুকের কাছে মুখ নিয়ে গেল। প্রথমে কাপড়ের ওপর দিয়ে চুমু দিল। তারপর কাপড় সম্পূর্ণ সরিয়ে সরাসরি ত্বকে মুখ রাখল। গরম ত্বকের স্বাদ তার জিভে লাগল। নোনতা আর মিষ্টির মিশ্রণ। তিনি আলতো করে চুষতে শুরু করলেন। জিভ দিয়ে ঘষতে লাগলেন। চাপ দিতে লাগলেন। নাজনীন শরীরটা কেঁপে উঠলেন তীব্রভাবে। দুই হাত দিয়ে মুরসালিনের মাথা চেপে ধরলেন। প্রতিবাদ করলেন না। বরং আরও কাছে টেনে নিলেন। যেন বলছেন থামো না। আরও করো।
মুরসালিনের জিভ সেই নরম অংশের চারপাশে ঘুরছে অনবরত। চুষছে, চাপ দিচ্ছে। আলতো করে দাঁত দিয়ে কামড়াচ্ছে। নাজনীনের বুকের ভেতর থেকে একটা গভীর শ্বাস বেরোল। তার হাত মুরসালিনের চুল আঁকড়ে ধরেছে শক্ত করে। মুরসালিন একপাশ থেকে অন্য পাশে গেল। দুই দিকই সমান যত্ন নিয়ে চুষছে। তার নিজের শরীর আরও শক্ত হয়ে উঠছে। পায়জামার ভেতর ১০ ইঞ্চি লম্বা ধোন টানটান হয়ে ফুলে উঠেছে। কম্বলের নিচে তার হাত মায়ের কোমরে। আলতো করে ঘষছে। তারপর আরও নিচে নামল। কাপড়ের ওপর দিয়ে সেই নরম অংশ স্পর্শ করল। আলতো করে চাপ দিল। ঘষতে লাগল। নাজনীনের শরীর একটু একটু করে নড়ছে। নিঃশ্বাস দ্রুত হয়ে উঠছে। গলা দিয়ে হালকা আওয়াজ বেরোচ্ছে বারবার।
মুরসালিনের মনে পাপবোধ আরও তীব্র হয়ে উঠছে। সে নিজেকে বলছে—এটা মা। এটা হারাম। এটা জাহান্নামের আগুন। আমি আলেম। আমি মানুষকে পথ দেখাই। আর নিজেই এই পাপে ডুবছি। কুরআনের আয়াতগুলো মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। হারাম সম্পর্কের শাস্তির কথা মনে পড়ছে। কিন্তু থামতে পারছে না। মায়ের শরীরের উষ্ণতা, গন্ধ, স্বাদ তাকে পাগল করে তুলছে। নাজনীনও প্রতিরোধ করছেন না। বরং তার হাত মুরসালিনের মাথা আরও চেপে ধরেছে। যেন বলছেন চালিয়ে যাও। থামো না। মুরসালিনের হাত নিচে আরও সক্রিয় হয়ে উঠল। কাপড়ের ওপর দিয়ে ঘষছে। চাপ দিচ্ছে। আলতো করে বৃত্তাকারে ঘুরাচ্ছে। নাজনীনের শরীর আরও নড়ছে। কম্বলের নিচে তাদের শরীর ঘামছে। ঠান্ডা রাতের মধ্যেও উষ্ণতা তীব্র হয়ে উঠেছে। ঘামের গন্ধ মিশে যাচ্ছে তাদের নিঃশ্বাসের সাথে।
এভাবেই সময় কেটে যেতে লাগল অনেকক্ষণ। মুরসালিন মায়ের দুধ চুষছে একপাশ থেকে অন্য পাশে। হাত দিয়ে নিচের অংশ সেবা করছে অনবরত। নাজনীন চোখ বন্ধ করে রেখেছেন। দুই হাত দিয়ে ছেলের মাথা চেপে ধরে রেখেছেন। পাপবোধ আর আনন্দ একসাথে কাজ করছে তাদের বুকের ভেতর। মুরসালিনের মনে বাবার কথা মনে পড়ছে। বাবা বেঁচে থাকতে মায়ের সাথে কেমন ছিলেন। দুজনেরই শারীরিক চাহিদা অনেক বেশি ছিল। এখন সেই জায়গায় সে নিজে। নিষিদ্ধভাবে। তবুও থামছে না। সে জানে এটা শেষ নয়। এটা শুধু আরও এক ধাপ। নিষিদ্ধ ফলের আরও গভীর স্বাদ।
হঠাৎ দূরের মসজিদ থেকে ফজরের আজান ভেসে এল। আজানের আওয়াজ ঘরের ভেতর ঢুকে পড়ল স্পষ্টভাবে। মুরসালিন শিউরে উঠল তীব্রভাবে। মুখ সরিয়ে নিল মায়ের বুক থেকে। নাজনীনও চোখ খুললেন। তাদের চোখে লজ্জা আর উত্তেজনার মিশ্রণ। তারা ধীরে ধীরে উঠে বসলেন। কম্বল সরিয়ে দিলেন। কাপড় ঠিক করলেন হাত কাঁপিয়ে। কথা হলো না একটাও। শুধু নিঃশ্বাসের শব্দ আর মোমবাতির আলোর ছায়া।
তারা দুজনেই ওজু করল অন্ধকারে। পানির শব্দ ভেসে আসছে বাথরুম থেকে। ঠান্ডা পানি শরীরে লাগছে। মুরসালিনের হাত কাঁপছে। মায়ের বুকের স্বাদ এখনও জিভের ওপর রয়ে গেছে। নাজনীনের শরীরও অস্থির। তারপর নামাজ পড়ল। মুরসালিন ইমামতি করল ঘরেই। নাজনীন পেছনে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়লেন। রুকুতে গিয়ে মুরসালিনের মনে পড়ল মায়ের বুকের স্বাদ। জিভের ওপর এখনও সেই নরমতার অনুভূতি রয়ে গেছে। সিজদায় গিয়ে তার শরীর কেঁপে উঠল। কপাল মাটিতে ঠেকিয়ে সে আল্লাহর কাছে মাফ চাইল বারবার। কিন্তু মনে মনে জানে সে আর থামতে পারবে না। নামাজ শেষে দোয়া করল। হাত তুলে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করল। কিন্তু মনের গভীরে অন্য প্রার্থনা কাজ করছে। মায়ের শরীরের নেশা যেন তাকে ছাড়ছে না।
নামাজ শেষে তারা আবার বিছানায় গেল। কম্বলের নিচে ঢুকল। এবার আর কোনো দূরত্ব রাখল না। মুরসালিন মাকে জড়িয়ে ধরল শক্ত করে। মুখ মায়ের বুকের কাছে রাখল। আবার চুষতে শুরু করল। এবার আরও তীব্রভাবে। নাজনীন আবার মাথা চেপে ধরলেন দুই হাতে। মুরসালিনের হাত নিচে ঘষছে আলতো করে। চাপ দিয়ে। বৃত্তাকারে। নাজনীনের শরীর নড়ছে অনবরত। নিঃশ্বাস দ্রুত হয়ে উঠছে। গলা দিয়ে হালকা আওয়াজ বেরোচ্ছে। কম্বলের নিচে তাদের শরীর আরও ঘনিষ্ঠ। ঘাম আর উষ্ণতার মিশ্রণ ছড়িয়ে পড়ছে। মুরসালিন একপাশ থেকে অন্য পাশে যাচ্ছে বারবার। চুষছে। চাপ দিচ্ছে। হাত নিচে কাজ করছে থামছে না। তার ১০ ইঞ্চি লম্বা ধোন পায়জামার ভেতর টানটান হয়ে ফুলে আছে। মায়ের উষ্ণতার সাথে ঘষা খেয়ে আরও শক্ত হয়ে উঠছে।
মুরসালিন মায়ের কানে ফিসফিস করে বলল, “আমি আর থামতে পারছি না।”
নাজনীন কোনো জবাব দিলেন না। শুধু আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরলেন ছেলেকে। মুরসালিনের মুখ আবার মায়ের বুকে। চুষছে অনবরত। হাত নিচে সেবা করছে। পাপবোধ আর নেশা একসাথে তাদের গ্রাস করেছে পুরোপুরি। তারা জানে এটা হারাম। তারা জানে এটা নিষিদ্ধ। তবুও থামছে না। ফজরের নামাজ পড়েও আবার একসাথে শুয়েছে। আজানের পরও এই নিষিদ্ধ স্পর্শ চালিয়ে যাচ্ছে। মুরসালিনের মনে গভীর দ্বন্দ্ব চলছে। একদিকে আলেম হিসেবে তার দায়িত্ব। মসজিদের ইমামতি। ওয়াজ। কুরআন তেলাওয়াত। খুব শীঘ্রই মাদ্রাসার মুফতি হওয়ার কথা। অন্যদিকে মায়ের শরীরের নেশা। দুধের স্বাদ। নরমতার স্পর্শ। সে জানে সামনে আরও গভীর অন্ধকার অপেক্ষা করছে। তবুও সে এগোচ্ছে।
নাজনীনও একই দ্বন্দ্বে ভুগছেন। হাফেজা আলিমা। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ। সোমবার রোজা। তাহাজ্জুদ। ফজরের পর কুরআন তেলাওয়াত। হাদিসের বই পড়া। বাইরে গেলে খাস পর্দা। অথচ আজ ছেলের মুখ তার বুকে। ছেলের হাত তার শরীরে। তিনি প্রতিরোধ করতে পারছেন না। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে তার শরীর যেন আগুন হয়ে আছে। ছেলের স্পর্শ সেই আগুনকে আরও জ্বালিয়ে দিচ্ছে। তিনি জানেন এটা পাপ। তিনি জানেন আল্লাহর সামনে জবাবদিহি করতে হবে। তবুও যখন ছেলে তাকে চুষছে, হাত দিয়ে সেবা করছে, তখন তিনি থামতে বলতে পারছেন না।
এভাবেই শীতের সেই রাত কেটে গেল ধীরে ধীরে। বিদ্যুৎ আসেনি সারা রাত। কম্বলের নিচে উষ্ণতা আর ঘ্রাণ তাদের পাগল করে রেখেছে। মুরসালিন মায়ের দুধ চুষেছে বারবার। হাত দিয়ে সেবা করেছে অনবরত। পূর্ণ সঙ্গম হয়নি। শুধু এই মুখের কাজ আর হাতের কাজ। কিন্তু সেই কাজই তাদের আরও গভীরে টেনে নিয়েছে। পাপবোধ আর উত্তেজনা একসাথে বুকের ভেতর নাচছে তীব্রভাবে। তারা জানে এটা শেষ নয়। এটা শুধু আরও এক ধাপ। নিষিদ্ধ ফলের আরও গভীর স্বাদ। সকাল হয়ে এল আস্তে আস্তে। আলোর রেখা জানালা দিয়ে ঢুকল। তারা এখনও জড়িয়ে আছে। মুরসালিনের মুখ মায়ের বুকের কাছে। হাত কোমরে। নাজনীনের হাত ছেলের চুলে। তারা জানে দিনের আলোতে তাদের আবার মা-ছেলে হতে হবে। পর্দার আড়ালে লুকিয়ে রাখতে হবে এই রাতের কথা। কিন্তু রাত ফিরে এলে আবার এই নিষিদ্ধ উষ্ণতা তাদের ডাকবে। আর তারা সাড়া দেবে। আল্লাহর নাম নিয়ে। পাপবোধ নিয়ে। তবুও সাড়া দেবে।
মুরসালিন চোখ বন্ধ করে মায়ের গন্ধ শুঁকল গভীরভাবে। মনে মনে বলল—আমি আর থামতে পারছি না। সত্যিই পারছি না। আর নাজনীনও সেই কথাটাই অনুভব করছেন গভীরভাবে। তাদের গুপ্ত প্রণয় আরও এক ধাপ এগিয়ে গেছে। শীতের রাতে। বিদ্যুৎহীন অন্ধকারে। কম্বলের নিচে। পর্দার আড়ালে। নামাজ পড়েও থামেনি। আজান শুনেও থামেনি। পাপবোধ নিয়েও থামেনি। এভাবেই চলতে থাকবে তাদের নিষিদ্ধ জীবন। একসাথে। গোপনে। আল্লাহর দৃষ্টিতে পাপী হয়েও।
---