উপার্জন (By:Mymomindian) -
Bad Boy - 09-19-2026
আমার নাম শুভ। শুভ দাশগুপ্ত। সবাই ডাকে শুভ বলেই। কলকাতার টালিগঞ্জের সরু গলির ভেতর আমাদের ছোট্ট ভাড়াবাড়ি। বাবা মার্কেটিং এর কাজে, মা সীমা গৃহবধূ, আর আমি ক্লাস টুয়েলভ-এ পড়ি। বয়স সবে আঠারো। ব্যাস, এইটুকুই আমাদের সংসার।
সেদিন ছিল বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বরের কুয়াশা-মাখা বিকেল। টিউশন থেকে ফিরছি। মাথায় হুডি টানা, নাক দিয়ে সাদা ধোঁয়া বেরোচ্ছে। কিন্তু অবাক কাণ্ড, টিউশন ক্লাসটা ছুটি হয়ে গেছে। স্যার মেসেজ দিয়েছিলেন বটে, আমি সেটা দেখিনি। এখন ভাবুন, ফিরতে হবে আবার বাড়ি।
বাড়ির সামনে এসে দেখি দরজার বাইরে দুজোড়া চটি পড়ে আছে।
একটা পুরুষের, কালো স্ট্র্যাপ-ওয়ালা। আরেকটা মেয়েদের, লাল ফিতে দেওয়া। আমি ভুরু কুঁচকে তাকিয়ে থাকি। আমাদের তো অতিথি বলতে কেউ আসে না প্রায়। জয়া মাসি ছাড়া। কিন্তু পুরুষটা কে?
খটকা লাগল।
আমি খুব সাবধানে দরজা ঠেললাম। কব্জা থেকে কোনও শব্দ নয়—খুব ধীরে ধীরে। ভেতরে ঢুকেই থমকে গেলাম। প্যাসেজটা অন্ধকার, কিন্তু বেডরুমের দরজা আধখোলা। ভেতর থেকে মায়ের গলা ভেসে আসছে।
আমার বুকটা ধপ করে উঠল। পায়ের পাতা দুটো মেঝেতে আটকে গেল যেন। শরীরের সমস্ত রক্ত তলায় নামছে আর মাথাটা ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়ালাম। নিঃশ্বাস বন্ধ করে কান পাতলাম।
"না, জয়া... আমি পারছি না... এটা ঠিক হচ্ছে না..."
ওটা মায়ের গলা। নরম, কাঁপা কাঁপা।
"আহা, কী যে বলো তুমি সীমা," জয়া মাসির গলা চিনতে অসুবিধে হল না। "একবার ভেবেই দ্যাখো। তোর এই কষ্ট দেখে আমার ঘুম হয় না। সংসার চলে না, শুভর পড়ার খরচ, ওষুধের দাম—বল না, সামলাচ্ছিস কী করে?"
কোনও উত্তর নেই। শুধু হালকা ফিসফিসানি।
আমি আস্তে করে এক কদম এগোলাম। দরজার ফাঁকটা বড় করে ধরলাম আঙুল দিয়ে। ভেতরে বিছানার এককোণায় মা বসে আছে, পরনে সবুজ পাড়ের টাঁট লাল শাড়ি। আঁচলটা মাথায় তোলা ছিল, এখন নেমে গেছে ঘাড়ে। পাশে জয়া মাসি, সাধারণ পরিবারের মহিলা, কিন্তু পাড়াতে ওনাকে নিয়ে হাল্কা ফিসফিসানি হয়। আরেকজন পুরুষ—সে জানলার পাশে চুপ করে দাঁড়িয়ে। লম্বা, ফরসা, গায়ে সাদা পাঞ্জাবি। চোখে চশমা। বয়স পঞ্চাশের আশপাশ। অচেনা। তবে বেশ সম্ভ্রান্ত ঘরের পুরুষ মনে হল।
ওই লোকটাকে দেখেই মনে হল যেন রক্ত জমাট বেঁধে গেল। আঙুলগুলো কেঁপে উঠল। দরজার কাঠ শক্ত করে চেপে ধরলাম।
জয়া মাসি মায়ের পিঠে হাত রাখল। বড় দিদির মতো। "একদম ভয় নেই মা। অজয় বাবু খুব ভালো মানুষ। শুধু একটু সঙ্গ চান, শুধু একটু সময় কাটাতে চান। নিজের মতো করে। তোর কোনও ক্ষতি হবে না। আর আমি তো এই ঘরেই থাকছি বসে। তুই একদম চিন্তা করিস না।"
মা মুখ নামিয়ে রইল। তার ঠোঁটের কোণ কাঁপছে। চোয়ালটা কেমন শক্ত হয়ে রয়েছে।
জয়া মাসি বলেই চলেছে, "দেখ, এ কিন্তু কোনও অন্যায় কাজ না। তোর নিজের ইচ্ছাই আসল। কেউ জোর করছে না। অজয় বাবু নিজে চান যাতে তুই রাজি হোস, খুশি থাকিস। তিনি মহিলাদের খুব সম্মান করেন। কত মেয়ের সঙ্গে মিশেছেন, কেউ কোনওদিন অভিযোগ করেনি।"
অজয় বাবু এতক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়েছিলেন। এই প্রথম কথা বললেন, "আমি আসলে..."
মৃদু গলা। ধীর, থেমে থেমে।
"আমি চাই আপনি আরামে থাকেন। স্বাচ্ছন্দ্যে থাকেন। কিছু নিয়ে তাড়াহুড়ো নয়। যদি খারাপ লাগে, সরাসরি বলে দেবেন। আমি উঠে চলে যাব।"
মা মুখ তুলে দেখল ওঁকে। তারপর আবার চোখ নামিয়ে নিল। ঠোঁট দুটো সামান্য ফাঁক হল, কিন্তু কোনও কথা বেরোল না।
জয়া মাসি ফের বলতে লাগল, "অজয় বাবু পূর্ণিমার রাতের গল্প বলবেন তোকে, গান শোনাবেন। তিনি কিন্তু বেশ ভালো ক্ল্যাসিক্যাল জানেন। শুধু সময় কাটাবেন একটু। নিজের ভালো লাগার জন্য। আর পনেরো হাজার টাকা—একেবারে অ্যাডভান্স। কাল সকালেই বায়না পাঠিয়ে দেবে। তোর শুভর পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপ হবে, বাকিটা দিয়ে ওষুধপত্তর..."
মায়ের চোখেমুখে তখন যা দেখলাম, সেটা ভাষায় বোঝানোর নয়। বিভ্রান্তি। দ্বিধা। কৌতূহলের আভাস। আর তার নিচে কোথাও—হয়তো বা স্বস্তি? নিজের একটা সিদ্ধান্তের ভার অন্য কারও কাঁধে ছেড়ে দেওয়ার এক ধরনের আরাম?
জয়া মাসি হাত বাড়ালো। "আরে তোর শাড়ির আঁচলটা একটু ঠিক করে দিই। পাড়টা বেরিয়ে আছে। একদম বউদি সেজেছিস।"
মা হেসে ফেলল। কী জানি কী মনে করে। হাসিটা একটু নার্ভাস, একটু লাজুক।
RE: উপার্জন (By:Mymomindian) -
Bad Boy - 09-19-2026
"ধুর, তুইও..." বলল মা, "বিয়ে তো নয়।"
"বিয়ে নয় মানে! অজয় বাবুর সামনে বসেছিস যখন, হা হা হা। দেখ, কেমন মিষ্টি লাগছে তোকে। অমন ফরসা মুখ, সিঁদুরটাও জ্বলজ্বল করছে।" বলল জয়া মাসি
মা আর কিছু বলল না। শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
তারপর যা ঘটল, তা আমার চোখের সামনে আগাগোড়া ফুটে উঠল। কিন্তু বোঝার ক্ষমতা আমার ছিল না। মা ধীরে ধীরে নিজের হাত দুটো নিজের ব্লাউজের দিকে নিয়ে গেল। আঙুলগুলো কাঁপছিল। একটা করে হুক খুলতে লাগল। টপ... টপ...
ব্লাউজটা ধীরে ধীরে আলগা হয়ে এল। মায়ের বুকের ফাঁকা জায়গাটা বেরিয়ে পড়ল—সেখানে কালো ব্রা-টা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। 36C-র ওই স্তনযুগল খুব শক্ত করে আটকে রয়েছে কাপড়ের ভেতর। সাদা চামড়ার উপর কালো রঙটা যেন একটা বিদ্যুতের ছটাক এনে দিয়েছে।
জয়া মাসি আস্তে করে চেয়ারের দিকে সরে গিয়ে বসল। তার পা-দুটো ক্রস করা, শাড়ির নিচে হাঁটুর সাদা চামড়াটা সামান্য দৃশ্যমান।
চশমাটা ঠেলে বলল, "বেশ, সীমা। খুব সুন্দর। তুই তো অপরূপ। অজয় বাবু, বলেন কিছু।"
অজয় বাবু বললেন, "দেখতে পাচ্ছি। খুব সুন্দরী।"
মা আরেকটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। মার বুক ওঠানামা করছে। ব্রা-এর উপর থেকে বোঝা যাচ্ছে স্তনের বোঁটা দুটো জেগে উঠছে একটু একটু করে। ঘামের গন্ধটা ভেসে আসছে, পাউডার আর গরম চামড়ার মিষ্টি ঘ্রাণ।
জয়া মাসি আবার বলল, "এবার শাড়িটা একটু সরা, সীমা। ব্লাউজটা ফেল পুরো। দেখা না অজয় বাবুকে, কী চমৎকার গড়ন তোর।"
মায়ের ঠোঁট দুটো ফাঁক হল। দাঁতের ডগা দিয়ে নিচের ঠোঁট চাপল। আস্তে করে ব্লাউজটা পুরো খুলে ফেলল। পেটের নরম ভাঁজ, কোমড়ের বাঁক, কালো ব্রা-তে ঢাকা স্ফীত স্তন—সব একসঙ্গে ঘরের আবছা আলোয় ফুটে উঠল। তার নিঃশ্বাসের শব্দটাই যেন ঘরময় ছড়িয়ে পড়ছে।
জয়া মাসি ফিসফিস করে বলল, "তোর জন্য এই প্রথম। বেশ তো? কতদিন বাদে একটু নিজেকে সময় দিচ্ছিস বল, নিজের জন্য বাঁচ। দেখ, অজয় বাবু কিন্তু তোর দিকেই তাকিয়ে, কেমন ধীর, কেমন স্থির।"
অজয় বাবু সত্যিই তাকিয়ে। তাঁর চোখ দুটো স্থির, গভীর। কোনও লালসা নয়, বরং এক ধরনের পূজার ভাব। ঠোঁটের কোণে হালকা হাসি। সত্যি ভদ্রলোক যাকে বলে।
আমার নিজের অবস্থা তখন কাহিল। পা দুটো যেন পাথর। শিরদাঁড়া বেয়ে ঠাণ্ডা জল গড়াচ্ছে। অথচ চোখ ফেরাতে পারছি না। দরজার ফাঁক দিয়ে পুরো ঘরটা যেন এক অন্য জগৎ, আর আমি তার বাইরে দাঁড়িয়ে এক অদৃশ্য দর্শক।
মা তার হাত দুটো কোলে জড়ো করে রাখল। তার নাভির ওপর পেটে একটা ছোট্ট তিল। সেটা এতদিন দেখিনি কখনও। অথচ এই লাজুক আলোয় তিলটা যেন টিপটিপ করে জ্বলছে।
আমার সারা গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠছিল। শিউরে উঠছিলাম বারবার। বুঝতে পারছিলাম, এই দৃশ্য দেখার অধিকার আমার নেই; অথচ চোখ সরানোর মতো শক্তিও আর শরীরে নেই। শুধু দেখছি আর দেখছি, আর ভেতরে ভেতরে শুকিয়ে যাচ্ছি।
RE: উপার্জন (By:Mymomindian) -
Bad Boy - 09-19-2026
দরজার ফাঁক দিয়ে দেখছিলাম একটার পর একটা ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। বুকের ভেতর ধকধকানি থামছেই না। মা তখন বিছানার কোণে বসে, ব্লাউজটা পুরো খোলা, কালো ব্রা-টা ওর সাদা শরীরে যেন পোড়া দাগের মতো বসে আছে। ওর শাড়িটা তখনও কোমরে জড়ানো, কিন্তু আঁচলটা ঘাড় থেকে নেমে গেছে।
অজয় বাবু ধীর পায়ে মায়ের দিকে এগোলেন।
জয়া মাসি চেয়ারে বসে হাসলেন। "অজয় বাবু, ওর খুব ভয় পাচ্ছে এখনও। আপনি একটু ধীরে সুস্থে এগোন। যেভাবে ফুল ছোঁয় মানুষ, সেভাবে।"
অজয় বাবু ঘাড় নাড়লেন। "জানি।"
একটা শব্দ; শুধু দুটো অক্ষর। কিন্তু ভারী, গভীর। জানলা দিয়ে বিকেলের নরম রোদ এসে তাঁর চশমার কাচে চিকচিক করছিল।
মা মুখ নিচু করে রইল। হাত দুটো কোলে পাকানো। ওর নাভির ওপর তিলটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। পেটের ভাঁজে একটু ঘাম জমেছে। ঘরের ভেতর এক ধরনের গন্ধ; না শুধু পাউডার নয়, না শুধু ঘাম, বরং অপেক্ষার একটা তীব্র গন্ধ।
অজয় বাবু মায়ের সামনে গিয়ে থামলেন। তারপর আস্তে করে হাঁটু মুড়ে বসলেন। মায়ের মুখ বরাবর তাঁর মুখ। ওঁর আঙুলগুলো কাঁপছিল না, একদম স্থির।
জয়া মাসি ফিসফিস করলেন, "দ্যাখ, সীমা, কেমন ভদ্রতা। তোর জন্যই হাঁটু পেতে বসলেন।"
মা ঠোঁটের কোণ সামান্য বাঁকালো। কিছু বলল না।
অজয় বাবু তাঁর ডান হাতটা তুললেন। আঙুলের ডগা দিয়ে মায়ের কপাল ছুঁলেন—প্রথমে খুব হালকা। তারপর আস্তে করে কপালের মাঝ বরাবর নিচের দিকে নামতে থাকলেন। নাকের ডগা, গালের হাড়, তারপর থামলেন।
মায়ের শ্বাসের শব্দ বদলে যাচ্ছিল। আগে যেটা কাঁপা কাঁপা ছিল, সেটা এখন একটু গভীর হচ্ছে ... শোঁ... শোঁ... শোঁ...
"তোমার গালের রং ঠিক যেন গোলাপী শাঁখের মতো," অজয় বাবু বললেন খুব আস্তে। "এত নরম, এত উষ্ণ।"
মা মুখ তুলল না, কিন্তু গাল দুটো সত্যিই গোলাপী হয়ে উঠছিল। রক্তের আলো চামড়ার নিচ দিয়ে উঁকি মারছে।
অজয় বাবু এবার ওঁর ঠোঁট দুটো এগিয়ে দিলেন। কপালে রাখলেন—একটা চুমু। চুম... শব্দটা একদম ছোট্ট, ভিজে ভিজে। মা চোখ বুজে ফেলল।
তারপর দ্বিতীয় চুমু। বাঁ গালে। চুম...
তৃতীয় চুমু। ডান গালে। চুম...
মায়ের ঠোঁট ফাঁক হল সামান্য। যেন কী বলতে চাইছে, কিন্তু বলতে পারছে না। ওর নিঃশ্বাসের গতি আরও গাঢ় হচ্ছে, শ্বাসগুলো এখন টেনে টেনে নিচ্ছে যেন।
জয়া মাসি চেয়ারে পা বদল করলেন। শাড়ির তলায় হাঁটু সরানোর মরমর শব্দ
"আহা রে, কী মিষ্টি দৃশ্য," জয়া মাসি বিড়বিড় করলেন। "অজয় বাবু, ওর আরাম হচ্ছে তো?"
অজয় বাবু ঘাড় নাড়লেন। "আরাম দিতেই তো এসেছি।"
উনি পিছু হটলেন একটু। মাকে বসতে দিলেন একা একা। মায়ের চোখ খুলল ধীরে, মনে হল যেন স্বপ্ন থেকে জেগেছে। নিজের হাত দুটো আবার কোলে রাখল।
আমি দরজার ফাঁক দিয়ে দেখছি আর ভাবছিঃ এই দৃশ্যটা আমার চোখে জল এনে দিচ্ছে কেন? ভয় পাচ্ছি না, অপমান বোধ করছি না, বরং কী যেন একটা অন্যরকম অনুভূতি হচ্ছে। মা যে এত সুন্দরী, এ আমি জানতাম? জানতাম না। আর এই পুরুষটা ... ওঁর প্রতিটা স্পর্শে যেন ফুল ফোটাচ্ছেন, ছিঁড়ছেন না কিছুই।
অজয় বাবু আবার এগোলেন। এবার ওঁর বাঁ হাতটা উঠল। আঙুলের ডগা দিয়ে মায়ের কপাল থেকে গাল বেয়ে থুতনিতে নামলেন। তারপর ঘাড়, ঘাড়ের কোমল চামড়ায় আঙুলগুলো ঘুরল একবার। আঙুলের ডগা যেন বরফের টুকরো, কিন্তু গরম চামড়ায় ঠাণ্ডা দাগ কাটছে।
মায়ের মাথাটা একটু কাত হয়ে গেল। ডান কাঁধের দিকে হেলল। ঘাড়টা আরও খোলা হয়ে গেল অজয় বাবুর আঙুলের জন্য। এটা কি মায়ের অজান্তে? নাকি জেনেশুনেই ঘাড় পাতছে?
জয়া মাসি তখন আস্তে করে বললেন, "বেশ করছিস সীমা। তোর তো খুব ভালো লাগছে, তাই না? বল, লাগছে না?"
মা জবাব দিল না। কিন্তু ওর ঠোঁট আরও ফাঁক হল। সামান্য মাথা নাড়ল - ওপর থেকে নিচে। হ্যাঁ।
"বল," জয়া মাসির গলায় একটু রস, "বল না মুখ ফুটে। তোর জন্যই তো এতো আয়োজন। বল, ভালো লাগছে।"
মা ফিসফিস করল, "হ্যাঁ... ভালো লাগছে।"
শব্দটা এত চাপা, এত লাজুক, আমার কানেই সবে পৌঁছল।
অজয় বাবু মুচকি হাসলেন। ওঁর চোখের কোণে ভাঁজ পড়ল। তারপর ওঁর আঙুলগুলো মায়ের ঘাড়ের পাশ থেকে নেমে এল ব্রা-এর স্ট্র্যাপ বরাবর। কালো স্ট্র্যাপের উপর দিয়ে আঙুল বুলিয়ে গেলেন ডান কাঁধে
মায়ের বুক কেঁপে উঠল। 36C-র ওই স্তন কালো ব্রা-র ভেতর ফুলে ফুলে উঠছে আর নামছে। ব্রা-টার ওপরের লেসের পাড়ে একটু দানা বেঁধেছে চামড়া।
অজয় বাবু এবার ওঁর পুরো হাতের তালু রাখলেন মায়ের বাঁ স্তনের ওপর, মানে ব্রা-র ওপর দিয়েই। আলতো করে। যেন ঘুঘু পাখির বাচ্চা ধরা আছে, চাপ দিলেই মরে যাবে।
স্পর্শটা এত নরম ছিল যে মা প্রথমে টেরই পেল না বোধহয়। তারপর টের পেল। ওর পেটের পেশি শক্ত হয়ে উঠল একবার, তারপর আবার ছেড়ে দিল।
"আরাম করো, সীমা," অজয় বাবু ফিসফিস করলেন। "আরাম করো। তোমাকে কিছুই করতে হবে না। শুধু বসে বসে অনুভব করো।"
ওঁর বুড়ো আঙুলটা ধীরে ঘুরতে লাগল ব্রা-র কাপড়ের ওপর। যেখানে বোঁটা থাকার কথা—ঠিক সেখানটায়। বৃত্ত এঁকে গেল। গোল গোল গোল গোল...
মায়ের নিঃশ্বাস থেকে শব্দ বেরোতে লাগল— হুউ... হুউউ... হুউউউ...
জয়া মাসি বললেন, "বোঁটা দেখা যাচ্ছে কিন্তু সীমা। তোর বোঁটা ফুলে উঠছে। লজ্জা করিস না। এইটাই স্বাভাবিক। তুই তো জীবিত মানুষ।"
মা নিজের ঠোঁট কামড়াল। ওর ডান হাতটা শাড়ির ভাঁজ চেপে ধরল শক্ত করে। বাঁ হাতটা অসাড় হয়ে কোলেই পড়ে রইল।
অজয় বাবু আরেকটু চাপ দিলেন। এ বার স্তনের নিচের গোলাইটা নিজের হাতের তালুতে ভরে নিলেন। পুরো স্তনটা ওঁর হাতের মধ্যে এল না ... ওঁর হাতই বা কত বড়? কিন্তু যা এল, তাতেই মায়ের মুখের রেখা বদলে গেল। ভুরু দুটো কুঁচকে এল, কিন্তু রাগের ভঙ্গিতে নয়। যেন কোনও পরিচিত সুর কানে আসছে অনেকদিন বাদে।
"তোমার স্তনের ভার খুব সুন্দর," অজয় বাবু আবার ফিসফিস করলেন। "ঠিক যেন পুজোর ঘট - - - টইটম্বুর। অথচ এত নরম।"
মা চোখ বুজে রইল।
RE: উপার্জন (By:Mymomindian) -
Bad Boy - 09-19-2026
অজয় বাবু এবার নিজের বুড়ো আঙুল আর তর্জনীর মাঝে মায়ের বোঁটা-ঢাকা ব্রা-র কাপটা ধরলেন। আস্তে করে টিপলেন - হাল্কা চিমটির মত... তারপর ছেড়ে দিলেন। আবার টিপলেন এবার একটু জোরে।
মায়ের কোমরটা একবার মোচড় খেল।
জয়া মাসি সোজা হয়ে বসলেন চেয়ারে। "অজয় বাবু, ও কিন্তু খুব সেনসিটিভ দেখছি। আপনি আস্তে আস্তে করুন। ও এই প্রথম কারও সঙ্গে এমন..."
অজয় বাবু ঘাড় নাড়লেন। "জানি। তাড়াহুড়ো নেই মোটেই।" বলেই ওঁর হাত সরিয়ে নিলেন একদম।
পিছু হটলেন। হাঁটুর ওপর ভর দিয়ে দাঁড়ালেন। তারপর পাশে বসা চেয়ারটায় গিয়ে বসলেন। মায়ের থেকে দূরত্ব তৈরি করলেন দু হাত মতো।
মা চোখ খুলল। যেন ভোজবাজি দেখল। ওই লোকটা এখন ওর থেকে দূরে বসে। ঠিক যেমনটা বিয়ের রাতে বর বসে থাকে কনের অপেক্ষায়, তেমনই এক ভঙ্গি।
"এখন তুমি আরাম করো খানিক," অজয় বাবু বললেন। "আমার কোনও তাড়া নেই। যতক্ষণ না তুমি নিজে থেকে চাও, আমি এক কদমও এগোব না।"
জয়া মাসি উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠলেন, "বাহ্! কী সুন্দর বললেন অজয় বাবু। সীমা, তোর ভাগ্য ভালো যে এমন মানুষ পেয়েছিস। তোর কথা ভাবছে, তোর আরামের কথা ভাবছে। নিজের কথা ভাবছে না কিছু।"
মা ওঁর দিকে তাকাল। চোখে ঠিক কী ভাবনা, বোঝা গেল না। কিন্তু ঠোঁটের কোণে সামান্য হাসি দেখা দিল। যতটুকু দেখা যায় সন্ধ্যার আঁধারে, ঠিক ততটুকুই।
মা তখনও পর্যন্ত একটা কথাও বলেনি। কিন্তু ওর শরীর যেভাবে ক্রমাগত নরম হয়ে আসছিল, গলার পেশিগুলো ঢিলে হয়ে আসছিল, তাতে বোঝা যাচ্ছিল, ভেতরে ভেতরে রাজি হয়ে গেছে। আর অজয় বাবুর এই থামা, এই বিশ্রাম দেওয়া - মাকে আরও বেশি করে নিশ্চিন্ত করছে।
জয়া মাসি বললেন, "এখন তোর ইচ্ছে কী সীমা? অজয় বাবুকে কি আরেকটু এগোতে দিবি? নাকি আরেকটু সময় চাস?"
মা চুপ করে রইল কয়েক সেকেন্ড। তারপর নিজের বাঁ হাতটা তুলে অজয় বাবুর দিকে বাড়িয়ে দিল। আঙুলগুলো একটু কাঁপছিল, কিন্তু হাত তোলার সিদ্ধান্তটা নিয়েছে নিজেই। এই প্রথম মা নিজে থেকে কিছু করল।
অজয় বাবু ওঁর উল্টোদিক থেকে নিজের হাত বাড়ালেন। ওঁর আঙুলগুলো মায়ের আঙুল ছুঁল; প্রথমে তর্জনী, তারপর মধ্যমা, তারপর অনামিকা, তারপর কড়ে আঙুল। আঙুলের পোরে পোর মিলে গেল। টুপ... টুপ... টুপ... টুপ... যেন পিয়ানোর কি-তে আঙুল পড়ছে একটার পর একটা।
জয়া মাসি ফিসফিস করে বললেন, "এই তো। এই তো চাইছিলাম আমি। তোরাই তো চেয়েছিস। কেউ জোর করেনি।"
আমি দরজার পেছনে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম ওই দুটো হাতের মিলন। আলো-আঁধারির মধ্যে ওই আঙুলগুলো জড়িয়ে গেল ধীরে ধীরে। অজয় বাবু কিছু বললেন না। মাও কিছু বলল না। শুধু হাতটা ধরে রইল অনেকক্ষণ।
মায়ের শ্বাসের গতি কমে আসছিল ধীরে ধীরে। অজয় বাবুর বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ মায়ের আঙুলের পিঠে গোল গোল ঘুরছিল --
একটু পর অজয় বাবু আবার উঠে এলেন। কিন্তু তখন আর ওঁকে অচেনা মনে হচ্ছে না। নিজের বাড়ির কেউ যেন বহুদিন বাদে ফিরেছে - সেই ভাব। ওঁর হাতটা ছাড়লেন না একবারও। হাঁটতে হাঁটতে আবার মায়ের সামনে এসে দাঁড়ালেন।
এবার মা নিজেই মুখ তুলে চাইল ওঁর দিকে।
RE: উপার্জন (By:Mymomindian) -
Bad Boy - 09-19-2026
আমি দরজার ফাঁক দিয়ে দেখছিলাম আর মনে হচ্ছিল চোখের পাতা পিটপিট করছে কি না, জানি না। বুকের ভেতরটা যেন কেউ শক্ত মুঠোয় চেপে ধরেছে। মা তখনও অজয় বাবুর দিকে তাকিয়ে। আর ওনার দৃষ্টি স্থির - মুখে সেই শান্ত হাসি, যেন পুজোর মণ্ডপে বসে আছেন প্রদীপ হাতে।
জয়া মাসি পা বদল করলেন। "অজয় বাবু, আপনি এবার যা করবেন, একটু গভীর করে করুন। ও একদম কাঁচা, কিন্তু শিখতে চাইছে দেখুন।"
অজয় বাবু ঘাড় কাত করলেন। ওঁর ডান হাতটা পিছলে এল মায়ের ঘাড়ের পেছনে। আঙুলগুলো জড়িয়ে গেল চুলের গোড়ায়। তারপর ধীরে টান -- না, জোরে নয়, কিন্তু যথেষ্ট যাতে মায়ের মাথা পিছন দিকে হেলে যায় আর মুখটা ওপর দিকে ওঠে। ঠোঁট দুটো ফাঁক হয়ে গেল আপনাআপনি।
আর সেই ফাঁকা ঠোঁটের মাঝে অজয় বাবু নামিয়ে দিলেন নিজের ঠোঁট।
প্রথমে উপরের ঠোঁটে, তারপর নিচের ঠোঁটে। স্লুপ... স্লুপ .. তারপর পুরো মুখটা চেপে ধরলেন। প্রথমে বন্ধ ঠোঁটে চুমু, তারপর আস্তে করে ঠোঁট খুলে জিহ্বার ডগা দিয়ে মায়ের নিচের ঠোঁট টিপে ধরলেন। শ্লপ্পপ্পপ... ভিজে শব্দটা দরজার কাঠ ফুঁড়ে সোজা আমার কানে এল।
মায়ের গলা দিয়ে আওয়াজ বেরোল— মম্উমমউউউ...
একটা গোঙানি। গভীর। ঘরের বাতাস কেঁপে উঠল যেন। মা দুহাতে অজয় বাবুর পাঞ্জাবির বুক চেপে ধরল। চাপল, তারপর ছেড়ে দিল, তারপর আবার চাপল। আঙুলগুলো কুঁকড়ে যাচ্ছিল আর খুলে যাচ্ছিল। যন্ত্রণায় নয়, বরং কী করা উচিত বুঝতে না পেরে।
ওনার জিভটা মায়ের মুখে ঢুকে পড়ল। আমি স্পষ্ট দেখলাম - মায়ের গাল ফুলে উঠছে, নড়ছে, যেন ভেতরে দুটো প্রাণী কুস্তি লড়ছে। মমউ... ম্মম্মম... মমমম... ওর ঠোঁট মায়ের ঠোঁট চুষে নিচ্ছে, ছাড়ছে, আবার চুষছে - ঠিক যেন পাকা আমের শাঁস চুষে খাওয়ার মতো।
আমার নিজের প্যান্টের ভেতর কী যেন শক্ত হয়ে উঠছিল। সেটা ঠেলে চেপে ধরলাম ডান হাতে। কিন্তু চোখ সরল না। লজ্জা পাচ্ছিলাম? পাচ্ছিলাম বইকি। কিন্তু তার থেকেও বড় কথা—এই দৃশ্যটা দেখার মধ্যে একটা অদ্ভুত টান ছিল। মা যে এমনভাবে কাউকে কাছে পেতে পারে, এ আমি কোনওদিন ভাবিনি।
অজয় বাবু মাকে টেনে নিলেন আরও কাছে। ওনার বাঁ হাতটা মায়ের কোমর জড়িয়ে ধরে পিঠে এসে পৌঁছল। ব্রা-র হুকের নিচে আঙুলগুলো থিরথির করছে। কিন্তু ওনার আসল চালাকিটা দেখলাম ডান হাতে।
মায়ের ডান স্তনের ওপর থেকে ব্রা-র কাপটা সরিয়ে দিলেন এক ঝটকায় ... সট্... লেসের কাপড়টা এক পাশে সরে গেল, আর বেরিয়ে এল গোলাপী-ফরসা একটা স্তন। বোঁটাটা তামাটে রঙের, কুচকে আছে, অথচ একটু একটু ফুলে উঠছে বাতাসের ছোঁয়ায়। চারপাশের অ্যারিওলা বাদামি-গোলাপী মেশানো, ঠিক যেন চায়ের কাপে দুধ পড়ার আগের রঙ। স্তনের চামড়ায় নীল শিরা দেখা যাচ্ছে, সাপের জিভের মতো এঁকেবেঁকে নামছে নিচের দিকে। ওজনটা বোঝা যায় কাপ থেকে বেরোনো মাংসপিণ্ডের গোলাটা দেখে - নিচের দিকে নামছে অল্প, কিন্তু ঠিক যেন ঢালু পাহাড়ের মতো গড়ন।
অজয় বাবু চুমু খেতে খেতে একবার চোখ নামালেন ওই উন্মুক্ত স্তনের দিকে। তারপর একটা হাসি - বিজয়ীর হাসি। ঠোঁটের কোণে বিজলি চমকাল।
মা তৎক্ষণাৎ নিজের বাঁ হাত দিয়ে স্তনটা ঢাকতে গেল। কব্জিটা দ্রুত উঠে এল বুকের কাছে। অজয় বাবু ওর চুমু না ভেঙেই বাঁ হাতটা ছেড়ে দিয়ে মায়ের ওই হাতের কব্জি চেপে ধরলেন শক্ত করে।
"না," উনি ফিসফিস করলেন ঠোঁট সরিয়ে।
একটা শব্দ। কিন্তু তার মানে -- এতক্ষণ সব ধীরে চলেছে, এবার নিয়ম বদলাবে। এবার তিনিই নেতৃত্ব দেবেন।
মা আর কোনও প্রতিবাদ করল না। ওর হাত অসাড় হয়ে পড়ে রইল অজয় বাবুর মুঠোয়। আর ওই একটা স্তন, আমার মায়ের ডান স্তন, টইটম্বুর হয়ে ঝুলছে বাইরে। বোঁটাটা আগের থেকে দ্বিগুণ ফুলে উঠেছে, কুচকানো ভাব গায়েব, এখন শক্ত। টানটান। যেন গরমে পাকা কুল।
জয়া মাসি পা বদল করলেন। চেয়ারের হাতল শক্ত করে ধরলেন। "বেশ, অজয় বাবু, আপনি তো জব্বর। কিন্তু আস্তে। ওকে কষ্ট দেবেন না যেন।"
অজয় বাবু কিছু বললেন না। উনি আবার মায়ের ঠোঁটে ঠোঁট রাখলেন। কিন্তু এবার চুমু গভীরতর— মউউউ... শ্লপ... শ্ল্প... শ্লপ্পপ... জিভ দুটো ভিজে শব্দ তুলছে। ওনার লালা মায়ের ঠোঁটের কোণে জমা হচ্ছে। এক ফোঁটা গড়িয়ে নেমে আসছে থুতনিতে।
তারপর হঠাৎ করেই ঠোঁট সরিয়ে নিলেন। মা চোখ খুলল, দৃষ্টি ঝাপসা। বোঝা যাচ্ছে সে এখন অন্য এক জগতে। কেমন একটা মদের নেশার মতো।
অজয় বাবু নেমে গেলেন ঘাড়ে। চুমমম... চু্মম্ম... চুমম... ঘাড়ের কোমল জায়গায় চুমু ফোলাচ্ছেন যেন—ঠোঁট দিয়ে চামড়া টেনে ছেড়ে দিচ্ছেন। চ্মপ... চ্পপ... লাল দাগ পড়ছে চামড়ায়।
তারপর কলারবোনের হাড় বরাবর জিভ টেনে নামলেন। স্লর্ স্লপ... জিভের ডগা ভিজে পথ কাটছে। ওঁর লালায় চিকচিক করছে মায়ের চামড়া। বিদ্যুতের আলোয় যেমন নদী চকচক করে, তেমনই।
এবং শেষ পর্যন্ত ------ স্তনে।
ওঁর ঠোঁট এগিয়ে নামল বোঁটার ওপর। প্রথমে খুব হালকা চুমু — চুপসসস... যেন পরীক্ষা নিচ্ছেন প্রতিক্রিয়া কেমন হয়। মায়ের পেট ভেতরের দিকে ঢুকে গেল—শ্বাস টেনে নিল প্রচণ্ড জোরে। হুউউসসসউউ...
আবার চুমু। একটু জোরে। চুম্পসস... বোঁটাটা ঠোঁটের চাপে দেবে গেল আর উঠল। মায়ের কোমর মোচড় খেল — পায়ের আঙুলগুলো কুঁকড়ে গেল শাড়ির নিচে।
অজয় বাবু জিভ দিয়ে পুরো অ্যারিওলাটা ঘিরে দিলেন একবার। স্লর্প্প... স্লর্প্প... জিভটা ঘুরছে গোল গোল, ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে। মায়ের স্তনটা জিভের সঙ্গে সঙ্গে নড়ছে, দুলছে। বোঁটার চারপাশে ছোট ছোট দানা জেগে উঠেছে আর অ্যারিওলা কুঁচকে যাচ্ছে জিভের ছোঁয়ায়। মায়ের ফরসা স্তনের চামড়া লাল হতে শুরু করেছে জিভের চাপে আর লালার উষ্ণতায়। ঠিক যেন সাদা ক্যানভাসে গোলাপী কালি ছড়িয়ে পড়ছে।
"আহ্হহ..." মায়ের গলা থেকে বেরোল। এই প্রথম সে নিজে থেকে শব্দ করল; না জয়া মাসির কথায়, না কারও চাপে। নিজের শরীরের প্রতিক্রিয়া কণ্ঠ পর্যন্ত তাড়িয়ে নিয়ে এল।
জয়া মাসি সোজা হয়ে বসলেন। "হুঁ... এই তো। এই তো চাই।"
অজয় বাবু ঠোঁটে পুরো বোঁটা নিয়ে নিলেন, তারপর চুষতে শুরু করলেন। শ্লকসস... শ্লকস... শ্লক... ওঁর গাল বসে যাচ্ছে ভেতরের দিকে। টানছেন যেন স্তন্যপান করছেন।
মায়ের মুখ কেমন হয়ে গেল তখন। চোখ দুটো আধবোজা, ঠোঁট ফাঁক, দাঁতের ফাঁকে জিভ দেখা যাচ্ছে। ভুরু দুটো কুঁচকে আছে—কিন্তু কষ্টের ভঙ্গি নয়, বরং কী যেন একটা চেনা অনুভূতি ফিরে পাওয়ার মতো। হাত দুটো আর প্রতিরোধ করছে না, বরং অজয় বাবুর মাথার পেছনে গিয়ে পৌঁছল ধীরে ধীরে। আঙুলগুলো ওঁর চুলে আটকে গেল।
আমি দেখলাম মায়ের ওই আঙুলগুলো - নখে টুকটুকে লাল রং, কালচে হয়ে আসছে একটু একটু। সেগুলো অজয় বাবুর চুল জড়িয়ে ধরে আছে। জড়িয়ে ধরে টানছে না, বরং ধরে রেখেছে। যেন এই মানুষটাই এখন তার একমাত্র ভরসা।
চুমসস... চুমস... চুম... অজয় বাবু চুমু বদল করছেন — কখনও বোঁটায়, কখনও স্তনের নিচের কোমল গোলা তে। প্রতিটা চুমু শব্দ করে বসছে, আর সেই শব্দ মায়ের স্তন থেকে উঠে এসে ঘরের বাতাসে মিলিয়ে যাচ্ছে।
মায়ের ফরসা স্তনের ওপর লাল লাল দাগ পড়েছে যেন ঠোঁটের ছাপ। কিছু জায়গায় জিভের ডগার গোল দাগ, কিছু জায়গায় চোষার দাগ। সাদা চামড়া আর গোলাপী-লাল ছোপের খেলা যেন এক অদ্ভুত শিল্প হয়ে ফুটে উঠেছে।
আর মা!! মা তখন সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করেছে। ওর নিঃশ্বাস চলছে ছোট ছোট ফাঁকে— হোঁসস... হোঁস... হোহ ... বুক ওঠানামা করছে দ্রুত। একটা স্তন অজয় বাবুর মুখে, আরেকটা এখনও কালো ব্রা-তে ঢাকা—সেটাও ফুলে উঠছে, টানটান হচ্ছে।
আমার নিজের পা দুটো কাঁপছিল। বাথরুম যাব? নাহ। কিন্তু শরীরের সমস্ত রক্ত যেন এক জায়গায় ছুটে যাচ্ছে। হাত দিয়ে দরজার ফ্রেম চেপে ধরলাম শক্ত করে।
ঠিক তখনই অজয় বাবু মুখ তুললেন। ঠোঁটে লালা লেগে আছে, চশমার কাচে কুয়াশা জমেছে। চোখ তুলে তাকালেন সোজা মায়ের দিকে।
"তোমার স্বাদ ঠিক যেন মধু," উনি ফিসফিস করলেন। "আর একটু পাব?"
মা চোখ মেলে তাকাল। ওর ঠোঁট কাঁপছে। তারপর আস্তে করে এত আস্তে যে কেউ শুনতে পাবে কি না সন্দেহ, মনে হল যেন বলল, "হ্যাঁ... হ্যাঁ, পাবেন।"
জয়া মাসি চেয়ার ছেড়ে উঠল ধীরে। আমি চমকে উঠে পিছু হটলাম।
RE: উপার্জন (By:Mymomindian) -
Bad Boy - 09-19-2026
আমি পেছাতে পেছাতে দেওয়ালের আড়ালে সরে গেলাম। বুকের ভেতর ঢিপঢিপ করছে। কানে ভেসে আসছে ঘরের ভেতর থেকে চোষার শব্দ, স্তনের মাংসের ভিজে শব্দ—শ্লরপ... শ্লরপ্পপ... শ্লপ্পপ... আর মাঝে মাঝে মায়ের গোঙানি ... মউউউ উউ ম্মম্মম্ম মম...
আমার বুকের রক্ত কানে লাবডুব করছে। আঙুলগুলো কাঁপছে।
ভেতরে অজয় বাবু তখনও মায়ের ডান স্তন চুষছেন। কিন্তু এবার ওনার ডান হাতটা সরে যাচ্ছে নিচের দিকে, আঙুলগুলো মায়ের কোমরের শাড়ির ভাঁজে ঢুকে পড়েছে ধীরে। সররর.. স্ররস্রর. শাড়ির কাপড় সরে যাচ্ছে আলগা হয়ে। মায়ের নাভি দেখা যাচ্ছে পরিষ্কার একটা ছোট্ট তিল যেন চোখ মেলে তাকিয়ে আছে। কোমরের নরম চামড়ায় আঙুল বুলোচ্ছেন অজয় বাবু। ... গোল গোল ঘুরছে আঙুলটা।
"শাড়িটা খুলে ফেলি?" অজয় বাবু ফিসফিস করলেন মায়ের কানে। মা জবাব দিল না শব্দে, শুধু যেন মাথা নাড়ল , সেটা হ্যাঁ-সূচক।
ওনার আঙুলগুলো শাড়ির খুঁট ধরে টানল। একবার, দুইবার টান... তারপর গোটা শাড়িটা ঢিলে হয়ে গেল কোমরের চারপাশে। অজয় বাবু ধীরে ধীরে টেনে নামাতে লাগলেন শাড়িটা। সর সরর... সররসর... কাপড় নামছে পায়ের দিকে সবুজ পাড়ের তাঁতের লাল শাড়ি বিছানায় থুবড়ে পড়ল। পায়ের গোছায় জড়িয়ে রইল কিছুক্ষণ, তারপর অজয় বাবু এক টানে সরিয়ে ফেললেন পুরোটা।
পড়ে রইল মা, শুধু কালো ব্রা, আর সাদা পেটিকোট পরা শরীর। ব্রা-র ডান কাপটা তখনও সরে রয়েছে, বাঁ দিকটা ঠিকঠাক। সায়ার সাদা কাপড় হাঁটুর ওপর পর্যন্ত, নিচে পায়ের ফরসা চামড়া, উরুর মসৃণ বাঁক। ঘরের আবছা আলোয় গোটা শরীরটা যেন ঝকঝক করছে।
জয়া মাসি বিছানার পাশে এসে দাঁড়ালেন। "বাহ বেশ তো। এক্কেরে টিপটপ করছে ধবধবে চামড়া। অজয় বাবু, আপনি ভাগ্যবান।"
অজয় বাবু মুচকি হাসলেন ... চশমাটা খুলে পাশে রাখলেন। আমি দেখলাম, চোখ দুটো বেশ গভীর। পলক পড়ছে না। স্থির দৃষ্টিতে মায়ের শরীর মাপছেন যেন।
তারপর নেমে গেলেন মায়ের পেটের কাছে। ঠোঁট রাখলেন নাভিতে। চুমমম... পেটের চামড়ায় চুমু বসালেন, তিলটার ওপর দিয়ে জিভ বুলোলেন—স্লর্প্প স্লরপ... মায়ের পেট ভেতরের দিকে হট করে ঢুকে গেল তীব্রভাবে। পাঁজরের হাড় উঁকি মারল চামড়ার নিচ থেকে। শ্বাস নিচ্ছে খালি মুখ দিয়ে বড় হাঁ-করা মুখ। ঠোঁট ফাঁক, দাঁত দেখা যাচ্ছে। হউউউ... হাআআউউউ... নাক দিয়ে নয়, একেবারে গলা দিয়ে টেনে নিচ্ছে বাতাস।
অজয় বাবু নিচের দিকে নামছেন—পেট থেকে তলপেট। সায়ার কোমর-বাঁধনি বরাবর চুমু চুমমম... চুমম... চুম... পেটিকোটের সাদা সুতির কাপড়ে ঠোঁটের লালার ছাপ পড়ছে। মায়ের উরুর মাংসপেশি কেঁপে উঠছে স্পর্শে। পায়ের আঙুলগুলো কুঁকড়ে যাচ্ছে আর খুলে যাচ্ছে --
আমি দেখলাম, অজয় বাবুর ডান হাতটা ধীরে ধীরে মায়ের বাঁ পায়ের হাঁটুতে রাখা। আঙুলগুলো উরুর ভেতরের দিকে এগোচ্ছে ..... সায়ার সাদা কাপড়ের নিচ দিয়ে হাত ঢুকছে। কাপড় ওঠানামা করছে, বুদবুদের মতো ফুলে ফুলে উঠছে যেখানে যেখানে আঙুল যাচ্ছে।
আর সেই আঙুল এগোচ্ছে , পায়ের ভেতরের কোমল চামড়া বেয়ে, উরুর গোড়ার দিকে। মায়ের শ্বাসের গতি বদলে গেল। হোঁহহ... হোঁহ... হোঁ... চোখ দুটো কপালে উঠে গেল মায়ের। সায়ার নিচে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে ওনার হাতের মুঠো এগোচ্ছে উপরের দিকে।
জয়া মাসি ফিসফিস করলেন, "ঢুকিয়ে দিন আঙুল। আরে, ভয় নেই, ভয় নেই।"
আমি দেখলাম, অজয় বাবুর আঙুল যেখানে থামল, সেখানে একটা মৃদু চাপ। শপাশপ্পপ... সায়ার সাদা কাপড়ে ভিজে দাগ ধরেছে ছোট্ট একটুকু। মায়ের গলা থেকে এক বিকট শব্দ বেরোল গগ গগয় গগ্লর্... অক অহ ক্কক্ক... যেন বিদ্যুতের তারে হাত পড়েছে কারও। চারশো চল্লিশ ভোল্টের শক। সারা শরীর কেঁপে উঠল একবার মাথা থেকে পায়ের আঙুল পর্যন্ত থরথর থর...
মায়ের পিঠ ধনুকের মতো বেঁকে গেল। সায়ার ভেতর এখনও অজয় বাবুর আঙুল নড়ছে। আমি বোঝার চেষ্টা করলাম ঠিক কোথায়। কাপড়ের ওপর দিয়ে দেখলাম, ওনার বুড়ো আঙুল আর তর্জনীর মাঝে কী যেন নরম মাংসপিণ্ড ধরা আছে। তার ওপর দিয়ে আঙুল বুলোচ্ছেন গোল গোল গোল করে
মা তীব্রভাবে মুখ হাঁ করল। ঠোঁট কাঁপছে, জিভ দেখা যাচ্ছে, গলার ভেতরটা অন্ধকার। সায়ার সাদা কাপড় আরও ভিজে যাচ্ছে ক্রমাগত। এখন দাগটা বড় হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে।
"অ... অ... অই... অম্ম ক্ক ক আআক" মায়ের গলা থেকে বেরোচ্ছে খণ্ডিত স্বর। কোনও ভাষা নেই। শুধু শরীরের প্রতিক্রিয়া।
আমি বুঝলাম অজয় বাবুর আঙুল মায়ের যোনি স্পর্শ করছে। আমার মায়ের গোপন জায়গাটা। সেই জায়গাটা যেখানে আর কেউ কখনও হাত দেয়নি বাবা ছাড়া। আর এখন ওই অচেনা লোকটির আঙুল সেখানে ঢুকে পড়েছে। সায়ার কাপড়ের নিচ দিয়ে, কোনও প্রতিবাদ ছাড়াই। মা আর প্রতিরোধ করছে না—শুধু কেঁপে কেঁপে উঠছে, আর হাঁ করে শ্বাস নিচ্ছে ... হোউউউ... হাউউউ... হউউউ...
অজয় বাবুর আঙুল আরও গভীরে ঢুকল -- আমি আন্দাজ করলাম। সায়ার নিচে হাতের নড়াচড়া দ্রুত থেকে দ্রুততর হচ্ছে। শপশপ... শরল্প শ্রলপ... তরল কিছু একটা লেগে যাচ্ছে ওনার আঙুলে, সেটাই শব্দ তুলছে প্রতি নড়াচড়ায়। মায়ের নিজের শরীরের ভেতর থেকে তৈরি হয়েছে ওই সিক্ততা, না চাইলেও শরীর তৈরি করে এটা।
জয়া মাসি এক পা এগোলেন। হাত বাড়িয়ে মায়ের মাথায় রাখলেন ডান হাতের তালু। "বেশ হচ্ছে তোর, সীমা। খুব শান্ত হয়ে নে। তুই তো দারুণ সাহসী। তোর মতো মেয়ে পেলে যে কোনও পুরুষের ভাগ্য খোলে।"
আস্তে আস্তে হাত বোলাচ্ছেন মাথায়... মায়ের চুলগুলো ঘামে ভিজে জট পাকিয়ে আছে কপালে, ঘাড়ে, কানের পেছনে। জয়া মাসি সেগুলো সরিয়ে দিচ্ছে ধীরে ধীরে। "তুই পারবি। তোর ভয় কাটিয়ে উঠবি। এইটুকুই তো করলি আর কী? পুরোটা ঠিক করবি তুই।"
অজয় বাবুর আঙুল চলছেই। এখন ওনার হাতের তর্জনী আর মধ্যমা একসঙ্গে ঢুকে আছে, আমি বেশ দেখতে পাচ্ছি সায়ার সাদা কাপড়ের তলায় ওই দুই আঙুলের নড়াচড়া। ওনার বুড়ো আঙুলটা বাইরে কী যেন টিপছে গোল গোল করে।
মা হঠাৎ করে শব্দ করল তীব্র—"আআআহহহ... ম্মমা মা গো মাআআ"
জয়া মাসি আরও নিচু হয়ে এলেন মায়ের মুখের কাছে। "কী রে? কী? লাগছে তোর? বল।"
"চ... চ... চলছে... উম্মম মাআ আআআহ" মা ফিসফিস করল ভাঙা গলায়।
"চলছে না রে সীমা, আর বলে বলে দিতে হবে। তোর শরীর পাচ্ছে। তুইও পাচ্ছিস। শুধু মুখ ফুটে বলার দরকার। বল, 'আমি তৈরি।" বল।"
মায়ের চোখের পাতা কাঁপছে। চোখের মণি অজয় বাবুর দিকে, তারপর জয়া মাসির দিকে। ওর হাত দুটো বিছানার চাদর চেপে ধরেছে কুঁকড়ে। আঙুলের নখগুলো চাদরের কাপড়ে আটকে আছে।
"...আ... আমি... ত ত ... আ আ আমি... তৈরি..."
শব্দটা এত চাপা, এত ছোট, দমবন্ধ করা। অথচ পুরো ঘরটা যেন নিস্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল ওই শব্দে।
জয়া মাসি মুখ উজ্জ্বল করে বললেন, "শুনেছেন তো অজয় বাবু? ও তৈরি। এবার পুরোটা করুন।"
অজয় বাবু ধীরে হাত সরালেন পেটিকোটের ভেতর থেকে। তাঁর হাতের আঙুলগুলো বেরিয়ে এল ধীরে—শ্লররপ... আঙুলের ডগায় স্বচ্ছ তরল লেগে আছে, পিচ্ছিল, আঠালো। প্রদীপের আলোয় যেন চিকচিক করছে। মা তৎক্ষণাৎ চোখ বন্ধ করে ফেলল।
অজয় বাবু উঠে দাঁড়ালেন। ওনার পাঞ্জাবির বুকের কাপড়ে ঘামের দাগ ধরেছে। চোখ স্থির। হাসছেন না এবার, গম্ভীর মুখ। এবারের পর্ব আর চুমু-আলিঙ্গনের নয়। কিছু একটা গভীরতর ঘটতে চলেছে, সেটা ঐ মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে।
ওনার দুই হাত একসঙ্গে মায়ের সায়ার কোমর ধরল। পট্... কোমরের কাপড় টানটান করে ধরে টেনে নামালেন এক ঝটকায়—সরর রর... সায়াটা নেমে গেল পায়ের গোছা পর্যন্ত। এবার অজয় বাবু নিজেই এক পা সরিয়ে দাঁড়ালেন, সায়াটা টেনে পুরো বের করে ফেললেন।
মা এখন শুধু কালো ব্রা-তে। আর সম্পূর্ণ নগ্ন !!!!! নিচের দিক।
আমার দৃষ্টি আটকে গেল। সারা পৃথিবী থমকে দাঁড়াল যেন। ব্রা-র কালো রেখা, আর তার নিচে ফরসা পেট, তারপর দুই উরুর মাঝখানে—কালো কোঁকড়া চুলের আস্তরণ। মায়ের যোনি। প্রথমবার দেখছি। লোমগুলো ত্রিকোণাকৃতি, ছোট ছোট কুণ্ডলী পাকানো। পুরু নয়, বরং হালকা ঘন। তার নিচে ঠোঁটের মতো ভাঁজ, দুটো গোলাপী-বাদামি মেশানো মাংসের পর্দা মত। বাম ঠোঁটটা একটু বড়, ডানটা চাপা। মাঝখানে সরু রেখা, অন্ধকার ফাঁক, আর সেই ফাঁক থেকে চিকচিক করছে ওই একই তরল। এবার বুঝলাম, এটাই ওনার আঙুলের সিক্ততার উৎস।
মা দুই উরু চেপে ধরল তাড়াতাড়ি। ঠাস্... কিন্তু ততক্ষণে আমি দেখে ফেলেছি।
অজয় বাবু নিচু হয়ে উরুর ভেতরের চামড়ায় চুমু খেলেন চুমমম... চুমম... মায়ের পেশি শক্ত হয়ে গেল, তারপরই ছেড়ে দিল। ওনার হাত মুঠো করে উরুর গোড়া চেপে ধরলেন। "পা ছড়াও, সীমা। ভয় নেই।"
জয়া মাসি তখনও মায়ের মাথায় হাত বোলাচ্ছেন। "কিছু ভাবিস না মা। এবার তুই শুধু গ্রহণ কর। তোর ভেতর দিয়ে যেতে দে। তুই তো নদীর মতো ... আপনিই বয়ে যাবি।"
মা ধীরে ধীরে পা ছড়াল। দুটো পা ফাঁক হল -- একটু, একটু, আরেকটু, আরও একটু। উরু সরে যাচ্ছে, আর ভেতরটা খুলে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। অজয় বাবু একবার মায়ের উরুর চামড়ায় জিভ বোলালেন স্লর্প্প স্লরর স্লপ্পপ স্লপ্পপ...
"এবার পুরোটা তৈরি তো তুমি? শেষ ভালোবাসার জন্য?" ওনার গলা নিচু, কিন্তু গভীর।
মা চোখ বুজে রইল। মুখ দিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরোল, কিন্তু 'না' বলল না।
জয়া মাসি পিছু হটলেন ধীরে। এবার তিনিও বোঝেন, এই মুহূর্তটা ওদের মানে মা আর অজয় বাবুর। বাইরের কারোর নয়। উনি চেয়ারে বসতে বসতে ফিসফিস করলেন, "ভালোবেসে নে সীমা। ভেতরে নে।"
আমার হাত অসাড়। চোখ জ্বালা করছে পলক না ফেলার দরুন। কিন্তু শরীরের ভেতর কী যেন এক অন্ধ আগুন জ্বলছে, সেটা আর থামছে না। দেখতে হবে। শেষ পর্যন্ত দেখতে হবে।
অজয় বাবু নিজের পাঞ্জাবির বোতাম খুলতে শুরু করলেন। পট... পট... পট...