নিষিদ্ধ খাঁচার পাখি (By:Emon295) -
Bad Boy - 09-19-2026
পাঠ - 1
মফস্বলের তপ্ত দুপুর। চারপাশ একদম নিঝুম। বাতাসে শুধু আমবাগানের পাতার খসখস শব্দ।
আকাশের বয়স এখন ত্রিশ। লম্বা, চওড়া কাঁধ, আর চোখে-মুখে শহরের কর্পোরেট জীবনের এক ধরণের পরিপক্ব ক্লান্তি। পিঠের ভারী ট্রাভেল ব্যাগটা নামিয়ে সে যখন কলিংবেলে হাত দিল, তার বুকটা অজানা এক উত্তেজনায় ঢিপঢিপ করছিল। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর সে নিজের বাড়িতে ফিরছে।
ভেতর থেকে চটি জুতোর চপচপ শব্দ এগিয়ে এল। দরজা খোলার হালকা আওয়াজ।
দরজাটা খুলতেই আকাশের চোখের পলক থমকে গেল। সামনে দাঁড়িয়ে মা—রাবেয়া বেগম।
পাঁচটা বছর অনেক দীর্ঘ সময়। আকাশ শেষ যখন মাকে দেখেছিল, তখন মায়ের চুলে দু-একটা পাক ধরেছিল মাত্র। কিন্তু আজ তার সামনে যে নারী দাঁড়িয়ে আছেন, তিনি যেন এক সম্পূর্ণ নতুন রূপ ধারণ করেছেন। মায়ের বয়স এখন আটচল্লিশ, কিন্তু এই বয়সেও তাঁর শরীরে এসেছে এক অদ্ভুত ভরা যৌবন। সুতির হালকা নীল শাড়িটা তাঁর ভারী ও পরিপক্ব শরীরের সাথে চমৎকারভাবে লেপ্টে আছে। শাড়ির আঁচলটা কাঁধ থেকে কিছুটা সরে গিয়ে তাঁর ফর্সা, চওড়া পিঠের অংশটা উন্মুক্ত করে রেখেছে।
রাবেয়া ক্ষণিকের জন্য স্তব্ধ হয়ে ছেলের দিকে তাকিয়ে রইলেন। তাঁর চোখের সামনে এখন আর সেই ছিপছিপে কিশোর ছেলেটি নেই। সামনে দাঁড়িয়ে এক পূর্ণাঙ্গ, শক্ত-সমর্থ জোয়ান পুরুষ। রাবেয়ার বুকটা কেমন যেন এক অচেনা শিহরণে কেঁপে উঠল।
"আকাশ! তুই..." রাবেয়ার কণ্ঠস্বর কিছুটা বুজে এল।
আকাশ চট করে মায়ের পায়ের ধুলো নিতে নিচু হলো। নিচু হতেই মায়ের শরীরের সেই চিরচেনা অথচ এখন আরও তীব্র হয়ে ওঠা সুবাস—ন্যাপথলিন, হালকা ঘাম আর সুবাসিত তেলের এক অদ্ভুত মাদকতাময় ঘ্রাণ আকাশের নাকে লাগল। তার মাথাটা মুহূর্তের জন্য ঝিমঝিম করে উঠল।
পা ছুঁয়ে ওঠার সময় আকাশের হাতটা অজান্তেই মায়ের পায়ের নরম গোড়ালিতে স্পর্শ করল। রাবেয়া আলতো করে শিউরে উঠলেন, এক কদম পিছিয়ে গেলেন।
"ভেতরে আয়, বাইরে প্রচণ্ড রোদ," রাবেয়া শাড়ির আঁচলটা তাড়াহুড়ো করে মাথায় টেনে দিতে দিতে বললেন। কিন্তু তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে আঁচলটা তাঁর কোমরের ডানদিকের ভাঁজকে আরও স্পষ্ট করে তুলল। আকাশের তৃষ্ণার্ত চোখ দুটো মায়ের অজান্তেই সেই ভাঁজে গিয়ে আটকে রইল।
বসার ঘরে ফ্যানটা ছেড়ে দিয়ে রাবেয়া রান্নাঘরের দিকে গেলেন। আকাশ সোফায় বসে হাত-পা এলিয়ে দিল, কিন্তু তার মন পড়ে রইল রান্নাঘরের দিকে।
কিছুক্ষণ পর রাবেয়া এক গ্লাস ঠান্ডা লেবুর শরবত নিয়ে ঘরে ঢুকলেন। রান্নাঘরের গরমে তাঁর কপালে এবং গলার নিচে হালকা ঘাম জমেছে। সুতির শাড়িটা বুকের কাছে ঘামে ভিজে শরীরের সাথে সেঁটে গেছে।
"নে, শরবতটা খেয়ে হাত-মুখ ধুয়ে নে। তোর বাবা তো সেই সকালে বেরিয়েছে, ফিরতে ফিরতে রাত হবে," রাবেয়া গ্লাসটা আকাশের দিকে বাড়িয়ে দিলেন।
গ্লাসটা নেওয়ার সময় আকাশের শক্ত আঙুলগুলো রাবেয়ার নরম ও ফর্সা আঙুলকে স্পর্শ করল। মাত্র এক সেকেন্ডের ছোঁয়া। কিন্তু সেই ছোঁয়ায় ডাইনিং রুমের বাতাস যেন ভারী হয়ে উঠল। রাবেয়া সঙ্গে সঙ্গে হাতটা সরিয়ে নিলেন, তাঁর Parental আদর ছাপিয়ে বুকটা দ্রুত ওঠানামা করতে লাগল।
আকাশ শরবতের গ্লাসে চুমুক দিয়ে মায়ের চোখের দিকে তাকাল। রাবেয়া চোখ নামিয়ে নিলেন, কিন্তু তাঁর কানের লতি দুটো ততক্ষণে লজ্জায় ও এক অদ্ভুত উত্তেজনায় লাল হয়ে উঠেছে।
"মা, তোমাকে কিন্তু আগের চেয়ে অনেক বেশি সুন্দর লাগছে," আকাশ গ্লাসটা টেবিলে রাখতে রাখতে একটু নিচু গলায় বলল। কণ্ঠস্বরে ছেলের চেয়ে এক পুরুষের মুগ্ধতা বেশি ছিল।
রাবেয়া থমকে দাঁড়ালেন। নিজের ত্রিশ বছরের জোয়ান ছেলের মুখ থেকে এই ধরণের প্রশংসা শুনে তাঁর শরীরের ভেতর এক নিষিদ্ধ বিদ্যুৎ খেলে গেল। তিনি উল্টো ঘুরে রান্নাঘরের দিকে হাঁটতে হাঁটতে বললেন, "ধুর পাগল! আটচল্লিশ বছর বয়সে আবার কিসের সুন্দর! তুই হাত-মুখ ধুয়ে আয়, আমি খাবার বাড়ছি।"
রাবেয়া যখন হেঁটে চলে যাচ্ছিলেন, আকাশ সোফায় বসে অপলক চোখে মায়ের ভারী নিতম্বের দুলুনি লক্ষ্য করছিল। তার শরীরের রক্ত তখন ফুটতে শুরু করেছে। সে বুঝতে পারল, এই বাড়িতে তার আগামী দিনগুলো খুব একটা সহজ হতে যাচ্ছে না।
দুপুরের কড়া রোদ পেরিয়ে বিকেল নামতে শুরু করেছে। মফস্বলের এই পুরোনো একতলা বাড়িটায় এখন অদ্ভুত এক নিস্তব্ধতা।
আকাশ হাত-মুখ ধুয়ে মায়ের হাতের গরম ভাত আর ইলিশ মাছের ঝোল খেয়ে নিজের ঘরে বিশ্রাম নিচ্ছিল। কিন্তু বিছানায় শুয়েও তার চোখ দুটো বারবার সিলিং ফ্যানের দিকে তাকিয়ে মায়ের সেই মোহময় রূপেরই হদিস খুঁজছিল। আটচল্লিশ বছরের রাবেয়া বেগমের শরীরের সেই ঘ্রাণ আর ভারী অবয়ব যেন আকাশের মগজে গেঁথে গেছে।
বিকেলের দিকে আকাশের একটু চায়ের তৃষ্ণা পেল। সে বিছানা থেকে উঠে পা টিপে টিপে বসার ঘরের দিকে এগোলো। মায়ের ঘরের দরজাটা সামান্য খোলা ছিল। ভেতর থেকে একটা দীর্ঘশ্বাসের শব্দ আর খসখস আওয়াজ পেয়ে আকাশ থমকে দাঁড়াল।
জানালার হালকা নীল পর্দাটা বাতাসের দোলায় সামান্য সরতেই ভেতরের দৃশ্যটা আকাশের চোখে পড়ল।
রাবেয়া বেগম ড্রেসিং টেবিলের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। ঘরের ভেতরের ভ্যাপসা গরমে তিনি তাঁর গায়ের সুতির শাড়িটা শরীর থেকে আলগা করে দিয়েছেন। ব্লাউজের পেছনের কয়েকটা হুক খোলা, যার ফলে তাঁর ফর্সা ও চওড়া পিঠের সিংহভাগ উন্মুক্ত হয়ে আছে। রাবেয়া একটা ছোট হাতপাখা দিয়ে নিজের ঘাড়ে আর পিঠে বাতাস করছেন, আর পরম তৃপ্তিতে চোখ বন্ধ করে আছেন।
আকাশ দরজার ফাঁক দিয়ে মায়ের এই অবাধ্য রূপ দেখে স্তব্ধ হয়ে গেল। তার বুকের ভেতর হাতুড়ির মতো শব্দ হতে লাগল। সে দেখল, আয়নায় মায়ের মুখটা বড্ড ক্লান্ত এবং বিষাদগ্রস্ত দেখাচ্ছে।
ঠিক তখনই টেবিলের ওপর রাখা রাবেয়ার মোবাইলটা বেজে উঠল। স্ক্রিনে ভেসে উঠল 'হাজব্যান্ড' নামটা। রাবেয়া চোখ খুলে ফোনটা ধরলেন।
"হ্যালো, হ্যাঁ বলো... রাতে ফিরবে না? আচ্ছা... না, আকাশ এসেছে... ও তো খেয়েদেয়ে ঘুমোচ্ছে... ঠিক আছে, সাবধানে থেকো।"
ওপাশ থেকে ফোনটা কেটে গেল। রাবেয়া ফোনটা নামিয়ে রেখে আয়নার দিকে তাকিয়ে আবার একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। তাঁর চোখ দুটো ছলছল করে উঠল। আকাশ দরজার আড়াল থেকে স্পষ্ট বুঝল, মায়ের স্বামী অর্থাৎ তার বাবা রাজ্জাক সাহেব ব্যবসার বাহানায় দিনের পর দিন এই পরিপক্ব সুন্দরীকে কতটা একাকী আর অবহেলিত করে রেখেছেন। বাবার কাছে মায়ের এই রূপের হয়তো কোনো মূল্য নেই, কিন্তু ৩০ বছরের আকাশের কাছে এটি এক দুর্লভ রত্ন।
রাবেয়া আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজের ব্লাউজের খোলা অংশটা হাত দিয়ে ধরার চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু পিঠের দিকে হাত পৌঁছাচ্ছিল না। তিনি কিছুটা বিরক্ত হয়ে আপন মনেই বিড়বিড় করলেন, "মানুষটার একটুও খেয়াল নেই... ঘরসংসার আর একা একটা শরীর নিয়ে কতদিন এভাবে থাকা যায়!"
মায়ের মুখের এই আকুলতা আর একাকীত্বের স্বীকারোক্তি আকাশের ভেতরের পুরুষটিকে আরও সাহসী করে তুলল। সে আর লুকিয়ে না থেকে ইচ্ছা করেই দরজায় একটা হালকা ধাক্কা দিল।
"মা, একটু চা হবে?" আকাশ স্বাভাবিক হওয়ার অভিনয় করে ঘরে ঢুকল।
রাবেয়া আচমকা ছেলেকে ঘরে ঢুকতে দেখে চমকে উঠলেন। তিনি তাড়াহুড়ো করে শাড়ির আঁচল দিয়ে নিজের পিঠ আর বুক ঢাকার চেষ্টা করলেন, কিন্তু ব্লাউজের খোলা হুকের কারণে শাড়িটা ঠিকমতো বসছিল না। তাঁর মুখটা লজ্জায় লাল হয়ে গেল।
"আ-আকাশ! তুই কখন এলি? দরজায় নক না করে..." রাবেয়া আমতা আমতা করে বললেন।
"এই তো মাত্র এলাম মা। তোমার ব্লাউজের হুকটা তো খোলা, আটকে দেব?" আকাশ এক কদম এগিয়ে গিয়ে খুব শান্ত কিন্তু গভীর গলায় বলল।
রাবেয়া স্তব্ধ হয়ে গেলেন। নিজের জোয়ান ছেলের মুখে এই কথা শুনে তাঁর সারা শরীরে এক নিষিদ্ধ রোমাঞ্চের ঢেউ খেলে গেল। তিনি না পারলেন 'হ্যাঁ' বলতে, না পারলেন শক্ত করে বারণ করতে। তাঁর অবহেলিত মনটা অনেকদিন পর এক পুরুষের এত কাছাকাছি উপস্থিতি পেয়ে কাঁপতে শুরু করল।
RE: নিষিদ্ধ খাঁচার পাখি (By:Emon295) -
Bad Boy - 09-19-2026
পাঠ - 2
পরদিন দুপুর। মফস্বলের আকাশ ভেঙে কড়া রোদ নেমেছে। বাবা রাজ্জাক সাহেব ব্যবসার কাজে আজকেও শহরের বাইরে, বাড়ি ফিরবেন আরও দুদিন পর। পুরো বড় বাড়িটায় শুধু মা আর ছেলে একা।
আকাশ সকাল থেকেই নিজের ঘরে ল্যাপটপ নিয়ে বসার ভান করছিল, কিন্তু তার পুরো মনোযোগ ছিল রান্নাঘরের দিকে। সেখান থেকে ভেসে আসছিল মশলা বাটার শিল-নোড়ার শব্দ আর কড়াইয়ের ছ্যাঁক-ছোকা আওয়াজ। দুপুরের ভ্যাপসা গরমে রান্নাঘরের ভেতরে তাপমাত্রা আরও বেড়ে গেছে।
আকাশ পা টিপে টিপে নিজের ঘর থেকে বের হলো। বসার ঘর পেরিয়ে রান্নাঘরের দরজার ঠিক এক হাত দূরে দেওয়ালের আড়ালে গিয়ে দাঁড়াল সে। বুকটা তার দুরুদুরু কাঁপছে, ধরা পড়ে যাওয়ার তীব্র ভয় অথচ তার চেয়েও তীব্র এক অবাধ্য কৌতুহল।
দেওয়ালের আড়াল থেকে উঁকি দিতেই আকাশের চোখের মণি স্থির হয়ে গেল।
রাবেয়া বেগম বঁটি পেতে নিচু হয়ে মাছ কাটছেন। রান্নাঘরের প্রচণ্ড গরমে তাঁর পিঠের সুতির শাড়িটা একদম ঘামে ভিজে গায়ের সাথে লেপ্টে আছে। ব্লাউজের নিচের ফর্সা পিঠের অংশটা ঘামের ফোঁটায় চকচক করছে। নিচু হয়ে বঁটিতে চাপ দেওয়ার কারণে তাঁর শরীরের পরিপক্ব ও ভারী ভাঁজগুলো শাড়ির পাতলা কাপড়ের নিচ থেকে একদম স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।
আকাশের নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হলো। আটচল্লিশ বছরের মায়ের এই ভরপুর ও পরিপক্ব রূপ ৩০ বছরের আকাশের শিরায় শিরায় এক নিষিদ্ধ আগুন জ্বালিয়ে দিল। সে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল মায়ের কোমরের সেই উন্মুক্ত অংশের দিকে।
রাবেয়া হাতের উল্টো পিঠ দিয়ে কপালের ঘাম মুছলেন। গরমের চোটে তিনি শাড়ির আঁচলটা কোমর থেকে আলগা করে মেঝেতে ফেলে রেখেছেন। তিনি আপন মনেই বিড়বিড় করলেন, "উফ, আজ যা গরম পড়েছে! শরীরটা আর চলছে না।
"ঠিক তখনই রাবেয়া কেমন যেন একটা অস্বস্তি অনুভব করলেন। কেউ যেন খুব তীক্ষ্ণ নজর দিয়ে তাঁকে দেখছে—এই নারীসুলভ ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় তাঁকে সতর্ক করে তুলল। তিনি মাছ কাটার হাতটা থামিয়ে আচমকা দরজার দিকে ঘুরে তাকালেন।
আকাশ চট করে সরে যাওয়ার সুযোগ পেল না। দুজনের চোখাচোখি হয়ে গেল।
আকাশের কামার্ত ও তৃষ্ণার্ত চোখ দুটো তখন সরাসরি মায়ের ভিজে থাকা কোমরের ওপর নিবদ্ধ ছিল। রাবেয়া প্রথমে থতমত খেয়ে গেলেন। তিনি বুঝতে পারলেন, তার নিজের জোয়ান ছেলে তার এই অসাবধান অবস্থার দিকে এক পুরুষের দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। লোকলজ্জা আর মাতৃত্বের এক অদ্ভুত দ্বন্দ্বে রাবেয়ার সারা শরীর কেঁপে উঠল।
কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, রাবেয়া এবার চিৎকার করে উঠলেন না বা ছেলেকে বকলেন না। তাঁর অবহেলিত ও একাকী মনে অনেকদিন পর এক যুবকের এই লোলুপ দৃষ্টি এক তীব্র ও নিষিদ্ধ ভালো লাগার জন্ম দিল। তিনি তাড়াহুড়ো করে মেঝে থেকে আঁচলটা তুলে শরীর ঢাকলেন, কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে।
"আ-আকাশ? তুই এখানে এভাবে দাঁড়িয়ে কী দেখছিস?" রাবেয়া গলার স্বর যতটা সম্ভব স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে বললেন, যদিও তাঁর বুকটা তখন দ্রুত ওঠানামা করছিল।
আকাশ একটুও ঘাবড়ে গেল না। সে মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে একটু হাসল। তার কণ্ঠস্বর ছিল গভীর ও মাদকতাময়, "কিছু না মা। দেখছিলাম রান্নাঘরের গরমে তোমার কত কষ্ট হচ্ছে। তুমি বরং ঘরে গিয়ে ফ্যানের নিচে বসো, বাকি কাজটা আমি এসে করে দিচ্ছি।"
রাবেয়া ছেলের এই যত্ন আর একই সাথে তার চোখের ভেতরের তীব্র আকাঙ্ক্ষা দেখে ভেতরে ভেতরে একদম গলে গেলেন। তিনি চোখ নামিয়ে নিয়ে ভেজা শাড়িটা একটু টেনে বললেন, "না রে, লাগবে না। তুই ঘরে যা, আমার আর সামান্য কাজ বাকি।"
আকাশ যখন রান্নাঘর থেকে চলে যাচ্ছিল, সে বুঝতে পারল তাদের মধ্যকার লুকোচুরির খেলাটা এখন আর একতরফা নেই। মা-ও জেনে গেছেন যে ছেলে তাঁর পরিপক্ব রূপের দিওয়ানা।
রান্নাঘরের সেই মুহূর্তটার পর বাড়ির ভেতরের বাতাস যেন আরও ভারী আর মাদকতাময় হয়ে উঠল। আকাশ নিজের ঘরে গিয়ে বিছানায় শুয়ে ছটফট করছিল, আর রাবেয়া বেগমের মনে চলছিল এক তুমুল ঝড়। নিজের ৩০ বছরের জোয়ান ছেলের চোখের সেই তীব্র পুরুষালি চাহনি ৪৮ বছরের রাবেয়াকে আয়নার সামনে দাঁড়াতে বাধ্য করল।
বিকেলের নরম আলো তখন ঘরের জানালায়। রাবেয়া রান্নাঘরের কাজ শেষ করে গা ধুয়ে ঘরে এসেছেন। আলমিরা থেকে বের করেছেন একটি হালকা বেগুনি রঙের সুতির শাড়ি। শাড়িটি পুরোনো হলেও একটু পাতলা, যা শরীরের সাথে চমৎকারভাবে লেপ্টে থাকে।
রাবেয়া ঘরের বড় ড্রেসিং টেবিলের আয়নার সামনে এসে দাঁড়ালেন। ব্লাউজটা পরে তিনি যখন শাড়িটা জড়াতে যাবেন, ঠিক তখনই তাঁর মনে হলো—আকাশ কি এখনো তাকে দেখছে? এই ভাবনাটা মাথায় আসতেই তাঁর বুকের ভেতর একটা অজানা কাঁপন তৈরি হলো। তিনি ইচ্ছা করেই তাঁর ঘরের কাঠের দরজাটা পুরোটা বন্ধ না করে সামান্য ফাঁক করে রাখলেন।
দরজার ওপাশে, আকাশ তখন পা টিপে টিপে এসে দাঁড়িয়েছে। দরজার সেই ইঞ্চিখানেকের ফাঁক দিয়ে ভেতরের দৃশ্যটা দেখতেই আকাশের চোখের মণি স্থির হয়ে গেল।
রাবেয়া আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে শাড়ির কুঁচি ধরছেন। হাত দুটো ওপরে তোলার কারণে তাঁর ব্লাউজের নিচের ফর্সা কোমর আর পিঠের পরিপক্ব ভাঁজগুলো একদম স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। রাবেয়া আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজের শরীরকে নতুন করে আবিষ্কার করছেন। তিনি বুঝতে পারছেন, তাঁর এই আটচল্লিশ বছরের শরীরে এখনও যে কামুক আবেদন আছে, তার আসল দিওয়ানা এখন এই বাড়ির অন্য ঘরেই বসে আছে।
হঠাৎ রাবেয়া আয়নার কাঁচের ওপর চোখ রাখলেন। ড্রেসিং টেবিলের আয়নাটি এমন কোণে সেট করা ছিল, যেখান থেকে দরজার ফাঁকটি পরিষ্কার দেখা যায়। আর সেই আয়নাতেই ধরা পড়ল আকাশের চুরির নজর!
আকাশ জানত না যে আয়নার মাধ্যমে মা তাকে দেখে ফেলেছেন। সে একদৃষ্টিতে মায়ের শরীরের সেই মোহময় বাঁকগুলো গিলছিল। অন্যদিকে, রাবেয়া আয়নাতেই দেখলেন তাঁর ছেলের চোখ দুটো কীভাবে তাঁর কোমরের ওপর আটকে আছে।
এই চরম মুহূর্তে রাবেয়া দরজা বন্ধ করলেন না বা সরে গেলেন না। এক তীব্র নিষিদ্ধ রোমাঞ্চ তাঁর সারা শরীরে বিদ্যুৎ তরঙ্গের মতো ছড়িয়ে পড়ল। তিনি আয়নার দিকে তাকিয়েই আলতো করে নিজের শাড়ির আঁচলটা কাঁধ থেকে একটু নিচে নামিয়ে দিলেন, যেন আকাশকে দেখার আরও সুযোগ করে দিচ্ছেন। আয়নাতেই দুজনের চোখের মিলন হলো—মুখে কোনো কথা নেই, কিন্তু চোখের সেই ইশারায় লুকোচুরি খেলাটা এক নতুন মাত্রা পেল।
রাবেয়া আলতো করে ঠোঁট কামড়ে ধরে আয়নার দিকে তাকিয়েই শাড়িটা পরা শেষ করলেন। তারপর ঘরের আলমিরা থেকে একটু সুবাসিত পাউডার নিয়ে নিজের গলায় আর পাহাড়ে মাখতে লাগলেন। তাঁর প্রতিটি চলন ছিল অত্যন্ত ধীর এবং কামুক, যা দরজার ওপাশে থাকা আকাশের নিশ্বাসের গতিকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছিল।
সাজগোজ শেষ করে রাবেয়া যখন দরজার দিকে ঘুরলেন, আকাশ চট করে সরে নিজের ঘরে চলে গেল। রাবেয়া দরজার কাছে এসে ফাঁকটি দিয়ে আকাশের ঘরের দিকে তাকালেন। তাঁর বুকটা তখন দুরুদুরু কাঁপছে, আর মুখে ফুটে উঠেছে এক তৃপ্তির হাসির রেখা। তিনি মনে মনে বুঝলেন, ছেলের এই চুরির নজর এখন তাঁর একাকী জীবনের সবচেয়ে বড় নেশা হয়ে উঠেছে।
RE: নিষিদ্ধ খাঁচার পাখি (By:Emon295) -
Bad Boy - 09-19-2026
পাঠ - 3
বিকেলের সেই আয়নার ইশারার পর থেকে বাড়ির ভেতরের নীরবতা যেন আরও বেশি বাচাল হয়ে উঠেছে। রাত তখন সাড়ে নয়টা। ডাইনিং রুমের হালকা হলুদ আলোয় চারপাশটা কেমন যেন মায়াবী দেখাচ্ছে। বাবা আজকেও ফিরবেন না। পুরো বাড়িতে শুধু তারা দুজন।
রাবেয়া বেগম রাতের খাবার টেবিল গুছিয়ে আকাশকে ডাকলেন, "আকাশ, আয় রে। খাবার দেওয়া হয়েছে।"
আকাশ নিজের ঘর থেকে বের হয়ে ডাইনিং টেবিলে এসে বসল। তার চোখে তখনও বিকেলের সেই দৃশ্য ভাসছে। সে লক্ষ্য করল, মা শাড়িটা বেশ পরিপাটি করে পরেছেন। বিকেলের সেই পাতলা বেগুনি সুতির শাড়িটার আঁচল এবার কায়দা করে বুকের ওপর টানা, কিন্তু ব্লাউজের হাতাটা ছোট হওয়ায় তাঁর ফর্সা ও ভরাট হাত দুটি ডাইনিংয়ের আলোয় চকচক করছে। মায়ের গা থেকে ভেসে আসছে সেই সুবাসিত পাউডারের মিষ্টি ঘ্রাণ, যা আকাশের মগজে নেশা ধরিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
রাবেয়া প্লেটে গরম ভাত বেড়ে দিয়ে বাটি থেকে মাংসের ঝোল দিতে গেলেন। ঠিক তখনই ঘটল সেই কাঙ্ক্ষিত আকস্মিক ঘটনা।
বাটিটা বেশ গরম ছিল। তরকারি ঢালতে গিয়ে রাবেয়া আলতো করে চ্যাঁক করে উঠলেন। চামচটা তাঁর হাত থেকে ফসকে টেবিলের ওপর পড়ে গেল। আকাশ একটুও সময় নষ্ট না করে মায়ের হাতটা ধরার জন্য নিজের ডান হাতটা বাড়িয়ে দিল।
পরের মুহূর্তেই টেবিলের ওপর তৈরি হলো এক পিনপতন নীরবতা।
আকাশের ৩০ বছরের শক্ত, চওড়া তালুটা সরাসরি গিয়ে জড়িয়ে ধরল রাবেয়ার ৪৮ বছরের নরম, মাখন-কোমল ফর্সা হাতকে। শুধু হাত ধরা নয়, আকাশ মায়ের কবজিটা আলতো করে চেপে ধরে নিজের দিকে একটু টেনে নিল, যেন সে মায়ের ছ্যাঁকা লাগা জায়গাটা দেখতে চাইছে।
এক সেকেন্ড। দুই সেকেন্ড। তিন সেকেন্ড।
সময় যেন থমকে গেল। মায়ের হাতের সেই ওম আর অদ্ভুত নরম ছোঁয়া আকাশের পুরো শরীরে এক তীব্র বৈদ্যুতিক তরঙ্গ বইয়ে দিল। রাবেয়া স্তব্ধ হয়ে গেলেন। নিজের জোয়ান ছেলের হাতের এই পুরুষালি ও শক্ত স্পর্শ তাঁর পিঠ বেয়ে এক তীব্র অবাধ্য শিহরণ নামিয়ে আনল। তাঁর গায়ের লোমগুলো খাড়া হয়ে উঠল, বুকটা এত দ্রুত ওঠানামা করতে লাগল যে সুতির শাড়ির আঁচলটা সেই কম্পন আর লুকিয়ে রাখতে পারছিল না।
"মা... খুব লেগেছে?" আকাশ মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে একদম নিচু, ফিসফিসানি গলায় জিজ্ঞেস করল। তার কণ্ঠস্বরে ছেলের উদ্বেগের চেয়ে এক প্রেমিকের অধিকার বোধ বেশি ছিল।
রাবেয়া আকাশের চোখের দিকে তাকালেন। সেই চোখে কোনো লুকোচুরি নেই, আছে এক তীব্র তৃষ্ণা আর আদিম কামনা। রাবেয়ার শরীর অবশ হয়ে আসছিল, তাঁর হাতটা সরিয়ে নেওয়ার মতো শক্তি যেন তিনি হারিয়ে ফেলেছিলেন। একজন অবহেলিত নারী হিসেবে দীর্ঘ বছর পর এই ধরণের তীব্র পুরুষালি স্পর্শ তাঁর ভেতরের সুপ্ত আকাঙ্ক্ষাকে এক নিমেষে জাগিয়ে তুলল।
তিনি ঢোক গিলে কাঁপানো গলায় বললেন, "না... না রে, ঠিক আছি। হাতটা ছাড়..."
কিন্তু মুখে 'ছাড়' বললেও রাবেয়া তাঁর হাতটা নিজের থেকে টেনে সরিয়ে নেওয়ার কোনো চেষ্টা করলেন না। বরং আকাশের আঙুলের চাপটা তিনি যেন নিজের শরীরের ভেতর পর্যন্ত অনুভব করছিলেন। আকাশ মায়ের এই নীরব সম্মতিটুকু ধরে ফেলল। সে বুড়ো আঙুল দিয়ে মায়ের হাতের তালুর নরম অংশে আলতো করে একটা ঘষা দিল।
এই সামান্য অতিরিক্ত ছোঁয়াটুকু রাবেয়াকে পুরো কাঁপিয়ে দিল। তিনি একরকম জোর করেই হাতটা টেনে নিলেন এবং আঁচলটা ঠিক করতে করতে রান্নাঘরের দিকে প্রায় ছুটে চলে গেলেন। যাওয়ার আগে তাঁর কান আর গলা লজ্জায় ও উত্তেজনায় একদম লাল হয়ে উঠেছিল।
টেবিলে বসে আকাশ নিজের হাতের তালুটার দিকে তাকাল। সেখানে তখনও মায়ের শরীরের ওম আর পাউডারের সুবাস লেগে আছে। সে মনে মনে হাসল। লুকোচুরি আর চুরির নজরের অধ্যায় শেষ—আজ থেকে শুরু হলো স্পর্শের এক নতুন এবং নিষিদ্ধ খেলা।
রাতের সেই প্রথম আকস্মিক স্পর্শের পর বাড়ির ভেতরের বাতাস যেন আরও ঘন এবং তীব্র হয়ে উঠেছে। পরদিন দুপুর। বাইরে কড়া রোদ আর ভ্যাপসা গরম। বাবা রাজ্জাক সাহেব আরও দুদিন বাড়ি ফিরবেন না। পুরো বড় বাড়িটায় শুধু মা আর ছেলে একা।
রাবেয়া বেগম রান্নাঘরের কাজ শেষ করে দুপুরের দিকে গোসল করতে ঢুকলেন। আকাশ নিজের ঘরে বিছানায় শুয়ে ছিল, কিন্তু তার কান দুটো সজাগ ছিল বাথরুমের দিকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেতরের কল ছাড়ার এবং জলের ছলাৎ-ছল শব্দ আকাশের কানে এসে পৌঁছাল। সেই জলের শব্দের সাথে সাথে আকাশের বুকের ধড়ফড়ানিও বহুগুণ বেড়ে গেল। সে আর বিছানায় স্থির থাকতে পারল না।
পা টিপে টিপে, একদম নিঃশব্দে আকাশ নিজের ঘর থেকে বের হলো। করিডোর পেরিয়ে সে এসে দাঁড়াল বাথরুমের দরজার ঠিক সামনে। পুরোনো কাঠের দরজাটির নিচে এবং মাঝখানের জোড়াতালিতে সামান্য ফাঁক ছিল।
আকাশ বুক চেপে নিচু হয়ে সেই ফাঁক দিয়ে ভেতরে উঁকি দিল। ভেতরের দৃশ্যটা দেখামাত্রই তার চোখের মণি স্থির হয়ে গেল, নিশ্বাস যেন গলায় আটকে গেল।
রাবেয়া বেগম সবেমাত্র গোসল শেষ করেছেন। তিনি তাঁর ভেজা ও পরিপক্ব শরীরটা ঢাকতে একটি পাতলা সুতির লাল শাড়ি জড়িয়েছেন, কিন্তু কোনো ব্লাউজ বা সায়া পরেননি। বাথরুমের ভ্যাপসা গরমে আর জলের ছোঁয়া পেয়ে শাড়িটি তাঁর আটচল্লিশ বছরের চওড়া পিঠ, ভরাট কোমর আর শরীরের প্রতিটি কামুক ভাঁজের সাথে একদম সেঁটে গেছে। তাঁর ভেজা লম্বা চুল থেকে টপটপ করে জল ঝরে পড়ছে পিঠের ফর্সা চামড়ার ওপর দিয়ে।
আকাশ একদৃষ্টিতে মায়ের এই রূপ দেখতে লাগল। তার ৩০ বছরের যুবকের রক্ত তখন ফুটন্ত লাভার মতো শিরায় শিরায় ছুটছে।
ঠিক তখনই রাবেয়া আয়নার দিকে তাকালেন। বাথরুমের ভেতরের আয়নাটি এমন কোণে ছিল, যেখান থেকে দরজার নিচের ফাঁক দিয়ে আসা আকাশের ছায়া আর তার তৃষ্ণার্ত চোখের নজর পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছিল। রাবেয়া শিউরে উঠলেন। তিনি স্পষ্ট বুঝতে পারলেন, তাঁর নিজের জোয়ান ছেলে দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে তাঁর এই ভেজা ও উন্মুক্ত রূপ দেখছে।
লজ্জা এবং লোকলজ্জার এক তীব্র ভয় রাবেয়াকে গ্রাস করার কথা ছিল, কিন্তু তাঁর একাকী ও অবহেলিত অবদমিত নারীত্ব আজ অন্য এক অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নিল। তিনি চিৎকার করে উঠলেন না, বা ছেলেকে সরে যেতে বললেন না। দীর্ঘ বছর পর নিজের এই পরিপক্ব শরীরের প্রতি এক জোয়ান পুরুষের এই তীব্র আদিম কামনা রাবেয়াকে এক নিষিদ্ধ ও অবাধ্য আনন্দ দিল।
রাবেয়া আয়নার দিকে তাকিয়েই আলতো করে একটু হাসলেন। তারপর তিনি ইচ্ছা করেই খুব ধীরগতিতে হাত দুটো ওপরে তুলে তাঁর ভেজা চুলগুলো পিঠের ওপর মেলতে লাগলেন। এই চলনের ফলে তাঁর কোমরের শাড়িটা আরও কিছুটা সরে গেল এবং শরীরের কামুক আবেদন আকাশের সামনে আরও স্পষ্টভাবে উন্মোচিত হলো। তিনি আয়নাতেই আকাশের সেই চুরির নজরের দিকে তাকালেন, যেন মুখে না বলেও ইশারায় বুঝিয়ে দিলেন—আমি জানি তুই দেখছিস, আরও দেখ।
বাথরুমের গরম বাষ্প আর সুগন্ধি সাবানের সুবাসের মাঝে মা ও ছেলের এই নীরব লুকোচুরি খেলা এক চরম কামুক উত্তেজনায় রূপ নিল। আকাশ দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে নিজের ভারী নিশ্বাস আর ধরে রাখতে পারছিল না। সে বুঝতে পারল, মা শুধু তাঁর রূপের দিওয়ানা বানাননি, বরং এই নিষিদ্ধ খেলায় মা এখন সমানভাবে অংশ নিচ্ছেন।
RE: নিষিদ্ধ খাঁচার পাখি (By:Emon295) -
Bad Boy - 09-21-2026
পাঠ - 4
দুপুরের বাথরুমের সেই উত্তপ্ত মুহূর্তের পর বাড়ির ভেতরের নীরবতা যেন এক অসহ্য রূপ ধারণ করল। মা কিংবা ছেলে—কেউ কারও মুখোমুখি হওয়ার সাহস পাচ্ছিল না। রাতে খাবার টেবিলে রাবেয়া বেগম যখন থালা নামিয়ে দিচ্ছিলেন, তখন দুজনেই সাবধানে চোখ নিচু করে রেখেছিল। কিন্তু সেই না-তাকানোর ভেতরেও জড়িয়ে ছিল দুপুরের সেই ভেজা লাল শাড়ির তীব্র স্মৃতি।
রাত এখন বারোটা। সারা মফস্বল শহর ঘুমে মগ্ন। কিন্তু আকাশের ঘরের ফ্যানটা পূর্ণ গতিতে ঘুরলেও তার ভেতরের আগুন শান্ত হচ্ছিল না। সে বিছানায় শুয়ে এপাশ-ওপাশ করে ছটফট করছিল। চোখ বন্ধ করলেই তার চোখের সামনে ভেসে উঠছিল বাথরুমের দরজার ফাঁক দিয়ে দেখা মায়ের সেই আটচল্লিশ বছরের পরিপক্ব, ভেজা শরীর আর আয়নায় দেখা মায়ের সেই অর্থপূর্ণ হাসি।
"উফ, আমি কী করছি!" আকাশ নিজের চুল খামচে ধরল। তার ৩০ বছরের ম্যাচিউর বিবেক তাকে ধিক্কার দিচ্ছিল। সমাজ, পরিবার আর রক্তের পবিত্র সম্পর্কের দেয়ালগুলো তার মনের ভেতর হাতুড়ি পেটাচ্ছিল। সে নিজেকে নিজেই বোঝানোর চেষ্টা করছিল, "উনি আমার মা। আমার জন্মদাত্রী। আমি কীভাবে ওঁর শরীর নিয়ে এমন অবাধ্য চিন্তা করতে পারি? এটা পাপ, চরম পাপ!"
কিন্তু মানুষের আদিম কামনা কোনো নৈতিকতার তোয়াক্কা করে না। নিজের ওপর তীব্র রাগ আর ঘৃণা সত্ত্বেও আকাশের শরীর ও মন মায়ের সেই মোহময় সুবাসের কাছে বারবার হেরে যাচ্ছিল।
একই সময়ে, পাশের ঘরের বিছানায় শুয়ে রাবেয়া বেগমও এক তীব্র মানসিক যুদ্ধের মুখোমুখি হচ্ছিলেন। বিছানার চাদরটা বুকের কাছে শক্ত করে চেপে ধরে তিনি সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। তাঁর চোখ বেয়ে দু-ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ল। লোকলজ্জা আর মাতৃত্বের মহিমা তাঁকে ভেতর থেকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছিল। তিনি ভাবছিলেন, "আমি কেমন মা? নিজের জোয়ান ছেলে আমার ভেজা শরীরের দিকে কামনার চোখে তাকাচ্ছে জেনেও আমি তাকে বকলাম না? উল্টো নিজের শরীর প্রদর্শন করে তাকে প্রশ্রয় দিলাম? সমাজ জানলে আমায় থুতু দেবে।"
কিন্তু দীর্ঘ বছরের একাকীত্ব, স্বামীর অবহেলা আর এক নারী হিসেবে নিজের হারিয়ে যাওয়া যৌবনের শেষবেলায় এসে ছেলের ওই তৃষ্ণার্ত নজর রাবেয়াকে এক অদ্ভুত জীবনাবোধ দিচ্ছিল। তিনি বুঝতে পারছিলেন, এই নিষিদ্ধ পাপবোধের ভেতরেও এক চরম উত্তেজনা ও বেঁচে থাকার আনন্দ লুকিয়ে আছে।
অস্থিরতা যখন চরমে পৌঁছাল, তখন রাবেয়া আর বিছানায় শুয়ে থাকতে পারলেন না। প্রচণ্ড গরমে আর ভেতরের ছটফটানিতে তাঁর গলা শুকিয়ে আসছিল। তিনি আলতো করে শাড়ির আঁচলটা গায়ে জড়িয়ে ঘর থেকে বের হলেন ডাইনিংয়ের জলের জগের খোঁজে।
পা টিপে টিপে যাওয়ার সময় তিনি লক্ষ্য করলেন, আকাশের ঘরের লাইটটা নেভানো কিন্তু দরজাটা সামান্য খোলা। কৌতূহল আর অবাধ্য টানে রাবেয়া নিজেকে আটকে রাখতে পারলেন না। তিনি অন্ধকারের মাঝে আকাশের ঘরের দরজার সামনে এসে দাঁড়ালেন।
অন্ধকারে আকাশের ভারী নিশ্বাসের শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল। সেও ঘুমাতে না পেরে বিছানায় উঠে বসে ছিল। ঠিক তখনই দরজার বাইরে আবছা আলো-ছায়ায় মায়ের শরীরের পরিচিত অবয়ব আর সেই সুবাসিত পাউডারের ঘ্রাণ আকাশ টের পেল।
সে অন্ধকারের মাঝেই ফিসফিস করে ডেকে উঠল, "মা? তুমি ঘুমাওনি?"
রাবেয়া দরজার চৌকাঠে হাত রেখে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন। তাঁর বুকটা দুরুদুরু কাঁপতে লাগল। অপরাধবোধের সমস্ত দেয়াল ভেঙে মা ও ছেলের এই গভীর রাতের নীরব কথোপকথন যেন এক নতুন ঝড়ের পূর্বাভাস দিচ্ছিল।
অন্ধকারের মাঝে রাবেয়া বেগম যখন দরজার চৌকাঠে দাঁড়িয়ে কাঁপছিলেন, আকাশের ৩০ বছরের পুরুষালি মন তখন সমস্ত দ্বিধা ঝেড়ে ফেলেছে। সে বিছানা থেকে নেমে আলতো পায়ে মায়ের সামনে এসে দাঁড়াল। ঘরের ভেতরের ভ্যাপসা অন্ধকারে দুজনের ভারী নিশ্বাসের শব্দ যেন একে অপরের সাথে মিশে যাচ্ছিল।
"মা, ভেতরে এসো..." আকাশ একদম নিচু, ফিসফিসানি গলায় বলল। তার হাতটা আলতো করে গিয়ে বসল রাবেয়ার কাঁধের ওপর।
আকাশের হাতের সেই শক্ত ও উষ্ণ ছোঁয়া লাগতেই রাবেয়ার আটচল্লিশ বছরের শরীরে এক তীব্র কাঁপন ধরে গেল। তিনি না পারলেন পিছিয়ে যেতে, না পারলেন নিজের মাতৃত্বের দোহাই দিয়ে ছেলেকে বকতে। দীর্ঘ বছর ধরে স্বামীর অবহেলা আর একাকীত্বে তাঁর ভেতরের যে নারীটি মরে গিয়েছিল, আজ নিজের জোয়ান ছেলের এই নিষিদ্ধ স্পর্শে সে যেন নতুন করে বেঁচে উঠল। রাবেয়া এক পা এগিয়ে আকাশের অন্ধকার ঘরে ঢুকলেন।
আকাশ আলতো করে ঘরের দরজাটা ভেজিয়ে দিল। বাইরে চাঁদের আলো জানালার পর্দা গলে এসে পড়েছে খাটের ওপর, আর বাকি ঘরটায় এক মায়াবী অন্ধকার।
"তুই... তুই এখনও ঘুমাওনি আকাশ?" রাবেয়া নিজের গলাটাকে যতটা সম্ভব সামলে নিয়ে বললেন, কিন্তু তাঁর কণ্ঠস্বরের কাঁপন লুকাতে পারলেন না।
"কীভাবে ঘুমাব মা? দুপুরের পর থেকে আমার চোখের ঘুম তো তুমি কেড়ে নিয়েছ," আকাশ মায়ের আরও এক কদম কাছে এসে দাঁড়াল। তার গা থেকে আসা পুরুষালি সুবাস আর রাবেয়ার শরীরের সেই পাউডারের মিষ্টি ঘ্রাণ মিলেমিশে এক মাতাল করা পরিবেশ তৈরি করল।
রাবেয়া লজ্জায় ও এক তীব্র কামুক শিহরণে চোখ বন্ধ করে ফেললেন। তিনি ডাইনিংয়ের জলের জগের কথা পুরোপুরি ভুলে গেছেন। আকাশ সাহস বাড়িয়ে মায়ের দুই চওড়া কোমর দুহাতে আলতো করে স্পর্শ করল। সুতির শাড়ির ওপর দিয়েও মায়ের শরীরের পরিপক্ব ও মাখন-কোমল অবয়ব টের পেয়ে আকাশের শিরদাঁড়া বেয়ে এক আদিম উত্তেজনা নেমে গেল।
"আকাশ... ছিঃ, এটা ভুল। আমি তোর মা..." রাবেয়া খুব দুর্বলভাবে বললেন, কিন্তু তাঁর হাত দুটি ততক্ষণে আকাশের চওড়া কাঁধের ওপর গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। মুখে 'ভুল' বললেও তাঁর শরীর বলছিল অন্য কথা। আটচল্লিশ বছর বয়সে এসেও একজন জোয়ান পুরুষের কাছে নিজের এই শরীরটা যে কতটা কাঙ্ক্ষিত, এই উপলব্ধি রাবেয়ার ভেতরের নারীত্বকে এক চরম তৃপ্তি দিচ্ছিল।
"তুমি শুধুই এক রূপসী নারী, মা। বাবা তোমাকে কোনোদিন বোঝেনি, কিন্তু আমি বুঝি," আকাশ ফিসফিস করে বলে মায়ের গলার কাছে নিজের মুখটা নিয়ে গেল। মায়ের উষ্ণ নিশ্বাস তখন আকাশের গালে এসে আছড়ে পড়ছে।
রাবেয়া এক অদ্ভুত অবশতায় নিজের শরীরটাকে আকাশের শক্ত বুকের ওপর ছেড়ে দিলেন। অপরাধবোধের দেয়ালগুলো এই গভীর রাতের অন্ধকারে কর্পূরের মতো উড়ে গেল। মায়ের ভেতরের অবদমিত নারীত্ব আজ সমস্ত সামাজিক নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ছেলের বাহুবন্ধনে এক নিষিদ্ধ স্বস্তি খুঁজে পেল।
RE: নিষিদ্ধ খাঁচার পাখি (By:Emon295) -
Bad Boy - 09-21-2026
পাঠ - 5
রাতের সেই অন্ধকারের মায়াবী ও নিষিদ্ধ আলিঙ্গনের পর পরদিন সকালের আলো যখন ফুটল, বাড়ির ভেতরের সমীকরণটা পুরোপুরি বদলে গেল। মা ও ছেলের মধ্যকার সম্পর্কের চিরাচরিত পর্দাটা যেন চিরতরে সরে গেছে। দুজনের মনেই এখন আর লুকোচুরি করার ভানটুকু নেই, বরং রয়ে গেছে এক তীব্র ও অবাধ্য কামনার হাতছানি।
সকাল পেরিয়ে দুপুর গড়াতে চলল। রাবেয়া বেগম আজ একটু অন্যরকমভাবে সেজেছেন। আলমিরা থেকে বের করেছেন তাঁর সবচেয়ে প্রিয় এবং কিছুটা পাতলা সুতির ফিরোজা রঙের শাড়ি। আটচল্লিশ বছরের রাবেয়া আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের খোঁপাটা আলতো করে বাঁধলেন, যাতে ঘাড়ের ফর্সা চামড়াটা উন্মুক্ত থাকে। তিনি খুব ভালো করেই জানেন, তাঁর এই রূপ এখন আর অবহেলিত নয়, এই রূপের একজন তীব্র পূজারী এই বাড়িতেই আছে।
দুপুরের রান্নার সময় রাবেয়া ইচ্ছা করেই রান্নাঘরের দরজাটা পুরোটা খোলা রাখলেন। তিনি জানতেন, আকাশ তার ঘর থেকে ঠিকই নজর রাখছে।
আকাশ পা টিপে টিপে বসার ঘর দিয়ে যাওয়ার সময় রান্নাঘরের দিকে তাকাতেই তার নিশ্বাস থমকে গেল। সে দেখল, মা বঁটি পেতে নিচু হয়ে তরকারি কাটছেন। কিন্তু এবার আর তা অসাবধানতাবশত নয়। রাবেয়া ইচ্ছা করেই শাড়ির আঁচলটা কাঁধ থেকে নামিয়ে কোমরের কাছে গুঁজে রেখেছেন। নিচু হয়ে কাজ করার কারণে তাঁর পিঠের চওড়া ও মসৃণ অংশ এবং ব্লাউজের ভেতরের পরিপক্ব অবয়ব একদম স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল।
আকাশের ৩০ বছরের যুবকের রক্তে আবার আগুন ধরে গেল। সে আর আড়ালে না থেকে সরাসরি রান্নাঘরের ভেতরে ঢুকে মায়ের একদম পেছনে গিয়ে দাঁড়াল।
রাবেয়া আকাশের পায়ের আওয়াজ পেয়েও ঘুরে তাকালেন না। তাঁর বুকটা দুরুদুরু কাঁপতে শুরু করল, কিন্তু তিনি তরকারি কাটা থামালেন না। বরং ইচ্ছা করেই শরীরটাকে একটু দোলালেন, যাতে শাড়ির কুঁচি আর কোমরের ভাঁজ আকাশের চোখের সামনে আরও বেশি উন্মোচিত হয়। এই "ইচ্ছাকৃত অসাবধানতা" রান্নাঘরের ভ্যাপসা গরমকে এক মুহূর্তে বহুগুণ বাড়িয়ে দিল।
"মা, রান্নাঘরে তো বড্ড গরম," আকাশ মায়ের পিঠের ঠিক এক ইঞ্চি দূরত্বে দাঁড়িয়ে ফিসফিস করে বলল। তার গলার তপ্ত নিশ্বাস রাবেয়ার ঘাড়ের খোলা চামড়ায় গিয়ে আছড়ে পড়ল।
রাবেয়া শিউরে উঠলেন। তাঁর হাতের বঁটিটা আলতো করে কেঁপে উঠল। তিনি ঘাড় ঘুরিয়ে আকাশের চোখের দিকে তাকালেন। সেই চোখে কোনো ছেলের মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা নেই, আছে এক তৃষ্ণার্ত পুরুষের আদিম ও কদর্য লোলুপতা। রাবেয়া ঠোঁট কামড়ে ধরে নিচু গলায় বললেন, "গরম তো লাগবেই রে... তোর বাবা থাকলে তো একটু হাতপাখা দিয়ে বাতাস করত। কিন্তু তার তো সময় নেই..."
মায়ের এই দ্ব্যর্থবোধক সংলাপ আকাশের ভেতরের পুরুষকে আরও উসকে দিল। সে বুঝল, মা তাকে আরও কাছে আসার সবুজ সংকেত দিচ্ছেন। আকাশ আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। সে এক কদম এগিয়ে মায়ের ঠিক পেছনে নিজের শক্ত শরীরটা চেপে ধরল। তরকারি কাটার বাহানায় রাবেয়াও নিজের ভারী শরীরটাকে পেছনের দিকে ঠেলে দিলেন। মা ও ছেলের এই দুপুরের প্রকাশ্য অবাধ্যতা রান্নাঘরের চার দেওয়ালে এক চরম কামুক উত্তেজনার জন্ম দিল।
রান্নাঘরের সেই দমকা হাওয়ার মতো উত্তেজনার পর বিকেল নামল। বাইরের রোদের তেজ কমে এসেছে, কিন্তু মফস্বলের এই পুরোনো বাড়ির চার দেওয়ালে যে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তার আঁচ এতটুকু কমেনি।
রাবেয়া বেগম বিকেলবেলা বারান্দার লাগোয়া ছোট টেবিলটায় দু-কাপ চা আর কিছু বিস্কুট এনে রাখলেন। তাঁর পরনে এখনও সেই ফিরোজা রঙের পাতলা সুতির শাড়িটা, তবে এবার আঁচলটা বেশ গুছিয়ে পিঠে ফেলা। আকাশ নিজের ঘর থেকে বের হয়ে এসে মুখোমুখি বসল।
দুজনের মাঝখানে ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপ। চারপাশটা নিঝুম। ঠিক এই সময়ে রাবেয়ার মোবাইলটা টেবিলে কেঁপে উঠল। স্ক্রিনে ভেসে উঠল রাজ্জাক সাহেবের নাম। রাবেয়া ফোনটা তুলে কানে দিলেন, কিন্তু তাঁর চোখ রইল আকাশের ৩০ বছরের জোয়ান ও তৃষ্ণার্ত মুখের ওপর।
"হ্যালো... হ্যাঁ, বলো। না, আমরা ভালো আছি... আকাশের খাওয়া-দাওয়া হয়েছে। তোমার ফিরতে আর কতদিন লাগবে? আচ্ছা... সাবধানে থেকো, রাখছি।"
রাবেয়া ফোনটা কেটে টেবিলে রাখলেন। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে চায়ের কাপে চুমুক দিলেন তিনি। তাঁর আটচল্লিশ বছরের পরিপক্ব মুখের বিষাদটুকু আকাশের চোখ এড়াল না।
"বাবা কি আরও দেরি করে ফিরবে, মা?" আকাশ চায়ের কাপটা হাতে নিয়ে খুব ধীর ও গভীর গলায় জিজ্ঞেস করল।
রাবেয়া আকাশের চোখের দিকে তাকালেন। সেই চোখে এখন আর কোনো লুকোচুরি নেই। তিনি চায়ের কাপটা নামিয়ে রেখে একটু ম্লান হেসে বললেন, "তোর বাবার তো ব্যবসার কাজ কোনোদিন শেষ হয় না রে আকাশ। এই বড় বাড়িতে একা একটা মানুষের কেমন লাগে, সে খোঁজ কি ও রাখে? খাঁচার পাখি খাঁচায় পড়ে থাকে, শুধু দেখভাল করার কেউ থাকে না।"
আকাশ মায়ের এই দ্ব্যর্থবোধক কথার আসল গভীরতা এক মুহূর্তেই ধরে ফেলল। সে নিজের কাপটা নামিয়ে রেখে একটু সামনের দিকে ঝুঁকে বসল। তার কণ্ঠস্বর এখন আরও নিচু এবং মাদকতাময়, "খাঁচার পাখি যদি ডানা মেলতে চায়, তবে কি তাকে আটকে রাখা উচিত মা? আর দেখভাল করার মানুষ তো এখন এই খাঁচাতেই আছে। সে যদি পাখির সব দায়িত্ব নিতে চায়, পাখি কি তাকে বাধা দেবে?"
মায়ের ভেতরের অবদমিত নারীত্বকে উসকে দেওয়ার জন্য এই সংলাপই যথেষ্ট ছিল। রাবেয়ার বুকটা দুরুদুরু কাঁপতে লাগল। তিনি খুব ভালো করেই বুঝলেন, আকাশ এখানে শুধু দেখভালের কথা বলছে না, সে মায়ের এই একাকী ও পরিপক্ব শরীরের পূর্ণ অধিকার চাইছে।
রাবেয়া আলতো করে ঠোঁট কামড়ে ধরলেন। তাঁর কানের লতি দুটো লজ্জায় ও এক তীব্র কামুক শিহরণে লাল হয়ে উঠল। তিনি আঁচলটা একটু টেনে নিয়ে নিচু গলায় বললেন, "পাখি যদি খাঁচার নিয়ম ভেঙে বাইরে বের হয় আকাশ, তবে যে সমাজের চোখে সে অপরাধী হয়ে যাবে। এই নিষিদ্ধ লোভ কি সামলানো এত সহজ?"
"লোভ যখন তীব্র হয় মা, তখন কোনো নিয়ম আর কাজ করে না। আর এই ঘরের ভেতরের খবর বাইরে যাওয়ার তো কোনো পথ নেই," আকাশ টেবিলের ওপর দিয়ে নিজের হাতটা বাড়িয়ে রাবেয়ার ফর্সা কবজির খুব কাছাকাছি নিয়ে গেল। স্পর্শ করল না, কিন্তু তাদের মাঝখানের শূন্যতাটুকু এক চরম উত্তেজনায় কাঁপতে লাগল।
রাবেয়া চোখ বন্ধ করে ফেললেন। ছেলের এই অবাধ্য যুক্তি আর না-বলা কথার অন্তরালে থাকা আদিম কামনা তাঁর ভেতরের সমস্ত প্রতিরোধকে এক নিমেষে গুঁড়িয়ে দিচ্ছিল। তিনি চায়ের কাপটা তুলে নিয়ে উঠে দাঁড়াতে দাঁড়াতে বললেন, "তোর সাথে কথায় আর পারা যায় না রে আকাশ... ঘরে আয়, আমার আলমারির ওপর একটা ভারী বাক্স আছে, ওটা নামাতে একটু সাহায্য করবি।"
রাবেয়া যখন নিজের শোবার ঘরের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন, আকাশ তাঁর ভারী নিতম্বের দুলুনি দেখে মনে মনে হাসল। সে বুঝতে পারল, সংলাপের আড়ালের এই খেলা এবার শেষ হতে চলেছে। মা তাকে নিজের শোবার ঘরে ডেকে নিয়েছেন—যেখানে অপেক্ষা করছে এক নতুন এবং তীব্র দৃশ্য।
RE: নিষিদ্ধ খাঁচার পাখি (By:Emon295) -
Bad Boy - 09-21-2026
পাঠ - 6
রাবেয়া বেগম যখন পা ফেলে তাঁর শোবার ঘরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, আকাশের চোখ জোড়া তখন তাঁর ভারী শরীরের ছন্দময় চলনের ওপর আটকে ছিল। ডাইনিং রুমের হালকা হলুদ আলোয় মায়ের সেই রূপ আকাশের বুকের ভেতরের ধড়ফড়ানিকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছিল। আকাশ আর এক মুহূর্তও নষ্ট না করে মায়ের পিছু পিছু সেই ঘরে গিয়ে ঢুকল।
ঠিক সেই মুহূর্তেই প্রকৃতির বুকেও যেন এক অদ্ভুত পরিবর্তন এল। এতক্ষণের ভ্যাপসা গরম আর গুমোট ভাবটা কেটে গিয়ে বাইরে আচমকা এক দমকা হাওয়া বয়ে গেল। জানালার পুরোনো কাঠের পাল্লা দুটো সশব্দে আছড়ে পড়ল। মফস্বলের আকাশজুড়ে কালো মেঘের ঘনঘটা, আর দেখতে দেখতেই শুরু হয়ে গেল ঝুম বৃষ্টি।
ঘরের ভেতর তখন এক মায়াবী অন্ধকার নেমে এসেছে। শুধু জানালার ফাঁক দিয়ে বৃষ্টির ছাঁট আর বিদ্যুতের ক্ষণিকের আলো এসে পড়ছে ঘরের মেঝেতে।
রাবেয়া আলমারির সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আলমারির ওপরের ভারী বাক্সটার দিকে হাত বাড়াতে গিয়েও তিনি যেন জমে গেলেন। বাইরে ঝড়ের গর্জন আর ঘরের ভেতরের এই নিস্তব্ধতা—দুটো মিলে এক অবশ করা পরিবেশ তৈরি করেছে। আকাশ কোনো কথা না বলে মায়ের ঠিক পেছনে গিয়ে দাঁড়াল। তাঁর গা থেকে আসা সেই সুবাসিত পাউডারের মিষ্টি ঘ্রাণ আর বৃষ্টির মাটির সোঁদা গন্ধ মিলে এক মাতাল করা অনুভূতির সৃষ্টি করল।
"বাক্সটা কি নামিয়ে দেব, মা?" আকাশ একদম কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বলল। তার তপ্ত নিশ্বাস রাবেয়ার ঘাড়ের খোলা চামড়ায় গিয়ে আছড়ে পড়ল।
রাবেয়া শিউরে উঠলেন। তিনি আলমারির ওপর থেকে হাত নামিয়ে আস্তে করে ঘুরলেন। এখন আর কোনো আলমারি বা বাক্সের বাহানা অবশিষ্ট নেই। বিদ্যুতের এক ঝলক আলোয় রাবেয়া দেখলেন আকাশের ৩০ বছরের জোয়ান ও তৃষ্ণার্ত মুখটা তাঁর ঠিক কত কাছে দাঁড়িয়ে আছে। রাবেয়ার বুকটা এত দ্রুত ওঠানামা করতে লাগল যে তাঁর ফর্সা গলার চারপাশের চামড়া ঘামে আর উত্তেজনায় চকচক করছিল।
"বাইরে বড্ড ঝড় উঠেছে রে আকাশ..." রাবেয়া খুব নিচু ও কাঁপানো গলায় বললেন। মুখে ঝড়ের কথা বললেও তাঁর চোখ দুটো আকাশের ঠোঁটের দিকে নিবদ্ধ ছিল।
"উদ্বেগ কোরো না মা, এই ঘরের ভেতর কোনো ঝড় আমাদের স্পর্শ করতে পারবে না," আকাশ এক কদম এগিয়ে মায়ের দুই চওড়া কোমর দুহাতে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল।
সুতির পাতলা শাড়ির ওপর দিয়েও মায়ের শরীরের পরিপক্ব ও মাখন-কোমল অবয়ব নিজের হাতের তালুতে অনুভব করতেই আকাশের শিরায় শিরায় এক নিষিদ্ধ আগুন জ্বলে উঠল। সে রাবেয়াকে নিজের শক্ত বুকের সাথে একদম লেপ্টে ধরে চেপে ধরল।
রাবেয়া প্রথমে মৃদু একটু আপত্তি করার চেষ্টা করলেন, "আকাশ... ছিঃ, ছাড়... কেউ দেখে ফেলবে..." কিন্তু তাঁর কণ্ঠস্বরে কোনো জোর ছিল না, বরং তাঁর নিজের হাত দুটি ততক্ষণে অবাধ্য হয়ে আকাশের চওড়া কাঁধ আর পিঠ শক্ত করে খামচে ধরেছে। দীর্ঘ বছর ধরে স্বামীর অবহেলা আর একাকীত্বে পুড়তে থাকা এই আটচল্লিশ বছরের অবদমিত নারীত্ব আজ এই ঝড়-বৃষ্টির বিকেলে সমস্ত সামাজিক নিয়ম ও অপরাধবোধকে চুরমার করে দিল।
রাবেয়া এক অদ্ভুত অবশতায় নিজের চোখ দুটো বন্ধ করে ফেললেন এবং নিজের মাথাটা আকাশের চওড়া বুকে সঁপে দিলেন। বাইরে বৃষ্টির শব্দ যত বাড়ছিল, ঘরের ভেতরের দুই নিষিদ্ধ হৃদয়ের নিশ্বাসের গতিও তত তীব্র হয়ে উঠছিল।
বাইরে বৃষ্টির বেগ আরও বাড়ল। টিনের চালে জলের একঘেয়ে ঝুমঝুম শব্দ আর জানালার বাইরে বাতাসের সাঁ সাঁ গর্জন যেন এই বড় বাড়িটাকে বাকি দুনিয়া থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দিল। কিন্তু শোবার ঘরের ভেতরে তখন অন্য এক ঝড় শুরু হয়েছে। অন্ধকারের মাঝে রাবেয়া বেগম যখন নিজের মাথাটা আকাশের চওড়া বুকে সঁপে দিয়েছেন, তখন দুজনের শরীরের দূরত্ব বলতে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।
আকাশের শক্ত বুকের ওঠানামার সাথে সাথে রাবেয়া তাঁর নিজের হৃদস্পন্দনের গতিও স্পষ্ট টের পাচ্ছিলেন। দীর্ঘ বছর ধরে যে শরীরটা কেবল অবহেলা আর একাকীত্ব চিনে এসেছে, আজ ৩০ বছরের এক যুবকের বাহুবন্ধনে এসে সেটি যেন মোমের মতো গলতে শুরু করেছে।
আকাশ তার এক হাত মায়ের চওড়া কোমর থেকে একটু ওপরে তুলে পিঠের খোলা অংশের ওপর রাখল। ব্লাউজের খোলা হুকের কারণে সেই ফর্সা চামড়া তখন উত্তেজনায় একদম তপ্ত হয়ে আছে। আকাশের শক্ত ও খসখসে হাতের তালুটা পিঠের ওপর স্লাইড করতেই রাবেয়া এক তীব্র কামুক শিহরণে শিউরে উঠলেন। তাঁর মুখ থেকে একটা অবশ দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে আকাশের বুকে আছড়ে পড়ল।
"মা..." আকাশ একদম নিচু, কাঁপা গলায় ডাকল। তার মুখটা তখন রাবেয়ার কানের লতির খুব কাছে।
রাবেয়া চোখ খুললেন না। তিনি শুধু আকাশের চওড়া কাঁধের শার্টটা নিজের আঙুল দিয়ে আরও শক্ত করে খামচে ধরলেন। এই না-বলা সম্মতির ভাষা আকাশ খুব ভালো করেই চেনে। সে নিজের অন্য হাতটা দিয়ে রাবেয়ার চিবুকটা আলতো করে ধরে মুখটা একটু ওপরে তুলল।
বিদ্যুতের আরেকটি ক্ষণস্থায়ী আলো জানালার পর্দা গলে ঘরের ভেতরে এসে পড়ল। সেই আলো-ছায়ায় আকাশ দেখল মায়ের আটচল্লিশ বছরের পরিপক্ব ফর্সা মুখটা লজ্জায় ও তীব্র কামনায় একদম থমথম করছে। ঠোঁট দুটো সামান্য আলগা, যেখান থেকে বের হচ্ছে গরম ও ঘন নিশ্বাস। তাদের দুজনের নিশ্বাসের দূরত্ব তখন এক ইঞ্চিরও কম।
"এটা খুব ভুল হচ্ছে আকাশ... আমরা বড় পাপ করছি..." রাবেয়া শেষবারের মতো তাঁর মাতৃত্বের শেষ দুর্বল দেওয়ালটুকু দিয়ে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেন। কিন্তু তাঁর কণ্ঠস্বরে কোনো জোর ছিল না, বরং তাঁর নিশ্বাস তখন আকাশের ঠোঁটকে ছুঁয়ে যাচ্ছিল।
"পাপ-পুণ্য সমাজ বুঝুক মা, এই ঘরের ভেতর এখন শুধু তুমি আর আমি," আকাশ আর কোনো কথা বলার সুযোগ দিল না। সে সমস্ত সামাজিক ও পারিবারিক ট্যাবুকে চুরমার করে নিজের ঠোঁট দুটো চেপে ধরল মায়ের সেই নরম, কামুক ঠোঁটের ওপর।
রাবেয়া প্রথমে চমকে উঠলেন, তাঁর পুরো শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল। কিন্তু পরের মুহূর্তেই দীর্ঘদিনের অবদমিত একাকীত্ব আর এই ঝড়-বৃষ্টির বিকেলের তীব্র মাদকতা তাঁকে পুরোপুরি পরাস্ত করল। তিনি নিজের সবটুকু প্রতিরোধ হারিয়ে আকাশের গলায় দু-হাত জড়িয়ে ধরলেন এবং এই নিষিদ্ধ চুম্বনের তীব্রতার কাছে নিজেকে সম্পূর্ণ সঁপে দিলেন। বাইরে বৃষ্টির শব্দ ছাপিয়ে ঘরের ভেতরের দুই নিষিদ্ধ হৃদয়ের দ্রুত নিশ্বাসের শব্দ তখন একাকার হয়ে গেছে।
RE: নিষিদ্ধ খাঁচার পাখি (By:Emon295) -
Bad Boy - 09-21-2026
পাঠ - 7
ঝড়-বৃষ্টির সেই উত্তাল বিকেলের পর প্রকৃতি শান্ত হলেও, রাবেয়া বেগম এবং আকাশের ভেতরের আগুন যেন আরও দ্বিগুণ হয়ে জ্বলে উঠেছিল। প্রথম সেই নিষিদ্ধ চুম্বনের পর দুজনের সম্পর্কের সমীকরণ এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে।
পরদিন সকাল। বাইরে মিষ্টি রোদ, তবে বাতাসে একটা ঠান্ডা আমেজ রয়ে গেছে। বাবা রাজ্জাক সাহেব আরও একটা দিন শহরের বাইরে থাকবেন। সকালে নাস্তা খাওয়ার পর থেকেই রাবেয়া বেগমকে একটু অন্যমনস্ক আর চঞ্চল দেখাচ্ছিল। তিনি কালকের ঘটনার পর আকাশের দিকে সরাসরি তাকাতে পারছিলেন না, কিন্তু তাঁর চোখের কোণে এক অদ্ভুত লজ্জা আর ভালো লাগার আভা স্পষ্ট ছিল।
দুপুরের দিকে আকাশ যখন নিজের ঘরে বসে ল্যাপটপে কাজ করছিল, তখন হঠাৎ তার ঘরের দরজায় মৃদু কড়া নড়ার শব্দ হলো।
আকাশ ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল, মা দরজার চৌকাঠে হাত রেখে দাঁড়িয়ে আছেন। রাবেয়ার পরনে আজ একটি ঘিয়ে রঙের নরম সুতির শাড়ি। চুলগুলো আলতো করে ক্লিপ দিয়ে ওপরে আটকানো, যার ফলে তাঁর ফর্সা ঘাড় আর পিঠের ওপরের অংশটা একদম উন্মুক্ত। তাঁর এক হাতে ওডোমসের একটি ছোট টিউব।
"আকাশ..." রাবেয়া খুব নিচু ও কাঁপানো গলায় ডাকলেন।
"কী হয়েছে, মা?" আকাশ সোজা হয়ে বসে জিজ্ঞেস করল। তার কণ্ঠস্বরে এক ধরণের প্রচ্ছন্ন অধিকারবোধ।
রাবেয়া একটু আমতা আমতা করে ঘরের ভেতরে এক পা এগোলেন। তাঁর ফর্সা মুখটা আলতো লাল হয়ে উঠল। তিনি বললেন, "কালকের ওই ঝড়-বৃষ্টির সময় জানালার পাল্লা আটকাতে গিয়ে পিঠের বাঁ-দিকের পেশিতে বড্ড চোট লেগেছে রে। প্রচণ্ড টান ধরেছে, হাতটা ঠিকমতো ওপরে তুলতে পারছি না। একটু... একটু এই মলমটা মালিশ করে দিবি?"
আকাশের ৩০ বছরের পুরুষালি মন মুহূর্তের মধ্যে মায়ের এই "বাহানা" ধরে ফেলল। সে খুব ভালো করেই জানে, চোট হয়তো লেগেছে, কিন্তু মা আসলে মলম লাগানোর নাম করে তার সেই শক্ত হাতের স্পর্শটাই আবার চাইছেন। আকাশ বিছানা থেকে নেমে মায়ের সামনে এসে দাঁড়াল।
"চল তোমার ঘরে," আকাশ খুব ধীর গলায় বলল।
রাবেয়া কোনো কথা না বলে নিজের শোবার ঘরের দিকে পা বাড়ালেন। ঘরের ভেতরে এসে তিনি বিছানার এক কোণে বসলেন। আকাশ আলতো করে ঘরের দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে মায়ের ঠিক পেছনে এসে বসল।
রাবেয়া একটু ইতস্তত করে তাঁর শাড়ির আঁচলটা কাঁধ থেকে নামিয়ে দিলেন। তারপর নিজের ব্লাউজের পেছনের প্রথম দুটি হুক আলতো করে খুলে দিলেন। ব্লাউজের খোলা অংশ দিয়ে মায়ের আটচল্লিশ বছরের পরিপক্ব, ফর্সা ও মসৃণ পিঠের চওড়া ক্যানভাসটা আকাশের চোখের সামনে ভেসে উঠল। রাবেয়ার গা থেকে আসা সাবান আর সেই সুবাসিত পাউডারের ঘ্রাণ আকাশের মগজে আবার নেশা ধরিয়ে দিল।
আকাশ টিউব থেকে কিছুটা মলম নিজের হাতের তালুতে নিল। তারপর তার শক্ত, চওড়া এবং উষ্ণ তালুটা সরাসরি গিয়ে বসল রাবেয়ার পিঠের সেই ফর্সা চামড়ার ওপর।
"আহ্..." আকাশের হাতের প্রথম স্পর্শটা লাগতেই রাবেয়ার মুখ থেকে এক অদ্ভুত অবশ দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে গেল। তাঁর পুরো শরীরটা মুহূর্তের জন্য ধনুকের মতো শক্ত হয়ে আবার আলগা হয়ে গেল।
আকাশ খুব ধীরগতিতে, আলতো চাপে মায়ের পিঠের ওপর হাতটা বোলাতে লাগল। তার বুড়ো আঙুলটা যখন রাবেয়ার মেরুদণ্ডের ওপর দিয়ে নিচের দিকে নামছিল, তখন রাবেয়ার পুরো শরীরটা কাঁপছিল। তিনি বিছানার চাদরটা দু-হাতে শক্ত করে খামচে ধরে চোখ বন্ধ করে ফেললেন। মাতৃত্বের শেষ প্রতিরোধটুকু এই দুপুরের নির্জনতায় মলমের তীব্র গন্ধের সাথে বাতাসে মিলিয়ে যাচ্ছিল।
"এখানে ব্যথা, মা?" আকাশ রাবেয়ার ঘাড়ের কাছে নিজের মুখটা নিয়ে ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল। তার তপ্ত নিশ্বাস রাবেয়ার গায় গিয়ে আছড়ে পড়ছিল।
"উফ... হ্যাঁ রে আকাশ... ওখানে বড্ড টান..." রাবেয়া কাঁপানো গলায় উত্তর দিলেন। কিন্তু তিনি খুব ভালো করেই জানতেন, এই টান পিঠের পেশির নয়, এই টান ৩০ বছরের জোয়ান ছেলের অবাধ্য কামনার প্রতি তাঁর আটচল্লিশ বছরের অবদমিত নারীত্বের আদিম টান। আকাশ আর হাত থামাল না, তার স্পর্শ এবার পিঠ ছাড়িয়ে মায়ের কোমরের দিকে এগোতে লাগল।
শোবার ঘরের নিঝুম দুপুরে এসি-র ঠান্ডা বাতাসও মা ও ছেলের শরীরের উত্তাপ কমাতে পারছিল না। আকাশের শক্ত হাতের আঙুলগুলো যখন রাবেয়ার কোমরের নরম ভাঁজে স্পর্শ করল, তখন রাবেয়ার মুখ থেকে এক অস্ফুট গোঙানি বের হয়ে এল। তিনি চোখ বন্ধ করে আকাশের এই অবাধ্য অধিকার একদম নিজের ভেতর অনুভব করছিলেন।
আকাশের হাত তখন শাড়ির সীমানা ছাড়িয়ে আরও গভীরে যাওয়ার জন্য ব্যাকুল। রাবেয়াও সমস্ত সামাজিক নিয়ম ভুলে নিজের শরীরটাকে পেছনের দিকে আকাশের শক্ত বুকের ওপর এলিয়ে দিচ্ছিলেন। ঠিক তখনই, পুরো বাড়ির নীরবতা চুরমার করে দিয়ে সশব্দে বেজে উঠল সদর দরজার কলিংবেল—টিং টং!
মুহূর্তের মধ্যে যেন এক বালতি বরফ-শীতল জল এসে পড়ল দুজনের মাথায়।
রাবেয়া ঝটকা দিয়ে আকাশের থেকে দূরে সরে গেলেন। ভয়ে ও আতঙ্কে তাঁর ফর্সা মুখটা এক নিমেষে ফ্যাকাসে হয়ে গেল। কলিংবেলের ওই একটা শব্দে মাতৃত্বের অপরাধবোধ আর লোকলজ্জার চরম আতঙ্ক রাবেয়াকে গ্রাস করে ফেলল।
"আকাশ! সর্বনাশ হয়েছে! কে... কে এল এই দুপুরে?" রাবেয়া কাঁপতে কাঁপতে বিছানা থেকে উঠে দাঁড়ালেন। তাঁর হাত দুটো এতটাই কাঁপছিল যে ব্লাউজের খোলা হুক দুটো কিছুতেই লাগাতে পারছিলেন না। শাড়ির আঁচলটা কোনোমতে গায়ের ওপর টেনে দিয়ে তিনি ঘরের চারদিকে তাকাচ্ছিলেন, যেন এখনই কেউ ঘরের ভেতর ঢুকে সব দেখে ফেলবে।
আকাশের ৩০ বছরের পুরুষালি মনেও ক্ষণিকের জন্য ভয়ের এক ঠান্ডা স্রোত বয়ে গেল। কিন্তু সে চট করে নিজেকে সামলে নিল। সে বিছানা থেকে উঠে মায়ের কাঁধে হাত রেখে নিচু গলায় বলল, "মা, শান্ত হও। আগে ব্লাউজের হুকটা লাগাও। আমি গিয়ে দেখছি কে এসেছে। তুমি একটু পরে ঘর থেকে বের হবে।"
আকাশ নিজের হাত দিয়ে মায়ের ব্লাউজের হুক দুটো দ্রুত আটকে দিল। স্পর্শে তখনও এক তীব্র টান ছিল, কিন্তু এখন তার চেয়েও বড় হয়ে উঠেছে ধরা পড়ে যাওয়ার আতঙ্ক। আকাশ নিজের শার্টের বোতাম আর চুলগুলো একটু ঠিক করে নিয়ে ঘর থেকে বের হলো।
ডাইনিং রুম পেরিয়ে সে যখন সদর দরজার দিকে যাচ্ছিল, তার বুকের ভেতর হাতুড়ি পেটার শব্দ হচ্ছিল। মনে হাজারটা প্রশ্ন—বাবা কি তবে না জানিয়েই ফিরে এলেন? নাকি পাশের বাড়ির কোনো কাকিমা কিছু টের পেয়ে গেছেন?
আকাশ দরজার লকটা ঘুরিয়ে সাবধানে পাল্লাটা খুলল।
বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন পাশের বাড়ির লতিফ চাচা, হাতে একটা চাবির তোড়া। তিনি আকাশের দিকে তাকিয়ে একটু হাসলেন, "আরে আকাশ বাবাজি! কখন এলে শহর থেকে? তোমার বাবাকে তো ফোনে পাচ্ছি না, উনার গুদামের একটা চাবি আমার কাছে ছিল, ওটা দিতে এলাম। তোমার মা কোথায়?"
লতিফ চাচার সাধারণ এই প্রশ্নেও আকাশের বুকটা কেঁপে উঠল। সে মুখে এক কৃত্রিম হাসি ফুটিয়ে বলল, "ও আচ্ছা, লতিফ চাচা। মা... মা আসলে ভেতরে নামাজ পড়ছেন। চাবিটা আমাকে দিন, আমি বাবাকে দিয়ে দেব।"
"আচ্ছা আচ্ছা, ঠিক আছে। সাবধানে থেকো," লতিফ চাবিটা আকাশের হাতে দিয়ে চলে গেলেন।
আকাশ দরজাটা বন্ধ করে পিঠ ঠেকিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। তার কপাল বেয়ে তখন এক ফোঁটা ঘাম গড়িয়ে পড়ল। ঠিক তখনই শোবার ঘরের দরজার আড়ালে রাবেয়াকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখল সে। রাবেয়ার চোখে তখন এক তীব্র ভীতি আর একই সাথে এই চুরির খেলার এক আদিম রোমাঞ্চের অদ্ভুত মিশ্রণ। ধরা পড়ার এই চরম আতঙ্ক তাদের ভেতরের উত্তেজনাকে যেন আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিল।
RE: নিষিদ্ধ খাঁচার পাখি (By:Emon295) -
Bad Boy - 09-21-2026
পাঠ - 8
লতিফ চাচা চলে যাওয়ার পর যে আতঙ্কের মেঘ জমেছিল, তা যেন তাদের ভেতরের নিষিদ্ধ আকাঙ্ক্ষাকে আরও উসকে দিল। তবে সেই ঘটনার দুদিন পরেই বাড়িতে এক বড় পারিবারিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলো। রাজ্জাক সাহেব শহর থেকে ফিরে এসেছেন এবং তাঁর ব্যবসার উন্নতির জন্য বাড়িতে এক মিলাদ ও পারিবারিক ভোজের আয়োজন করেছেন। বাড়ি ভর্তি আত্মীয়-স্বজন, চাচা-কাকিমা আর পাড়াপ্রতিবেশীর ভিড়।
চারিদিকে মানুষের কোলাহল, রান্নাবান্নার শোরগোল। রাবেয়া বেগম আজকের অনুষ্ঠানের মূল চালিকাশক্তি। তাঁর পরনে একটি ভারী লাল জামদানি শাড়ি, কপালে ছোট টিপ, আর চুলে জড়ানো জুঁই ফুলের মালা। আটচল্লিশ বছরের রাবেয়াকে আজ এই ভরা মজলিসেও এক মায়াবী রানীর মতো লাগছিল। রাজ্জাক সাহেব মেহমানদের নিয়ে বসার ঘরে ব্যস্ত, আর রাবেয়া রান্নাঘর ও ভেতরের বারান্দায় তদারকি করছেন।
আকাশ ভিড়ের মাঝেই দূর থেকে মায়ের এই অপরূপ রূপ দেখছিল। এত মানুষের মাঝেও রাবেয়ার চোখ জোড়া বারবার আকাশের ৩০ বছরের শক্ত অবয়বকেই খুঁজছিল। যখনই তাদের চোখাচোখি হচ্ছিল, রাবেয়ার গালের লাল আভা জামদানির রঙকেও হার মানাচ্ছিল। ভরা মজলিসে এই চুরির নজর তাদের উত্তেজনাকে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে যাচ্ছিল।
দুপুরের দিকে মেহমানরা যখন খাওয়া-দাওয়ায় ব্যস্ত, তখন রাবেয়া ভেতরের অন্ধকার সিঁড়ির পাশের স্টোররুমে গেলেন অতিরিক্ত কিছু প্লেট আনতে। স্টোররুমটায় কোনো লাইট নেই, শুধু বাইরের হালকা আলো এসে পড়েছে। আকাশ লক্ষ্য রাখছিল। সে সুযোগ বুঝে একদম নিঃশব্দে মায়ের পিছু পিছু সেই অন্ধকার ঘরে ঢুকে পড়ল এবং আলতো করে দরজাটা চাপিয়ে দিল।
রাবেয়া প্লেট হাতে ঘোরার আগেই টের পেলেন পেছনে কেউ দাঁড়িয়ে আছে। সেই পরিচিত পুরুষালি সুবাস আর নিশ্বাসের উত্তাপ তাঁকে স্তব্ধ করে দিল।
"আকাশ! তুই এখানে? বাইরে সবাই আছে, তোর বাবা যদি..." রাবেয়া ভয়ে ফিসফিস করে উঠলেন, কিন্তু তাঁর কণ্ঠস্বরে আতঙ্কের চেয়ে বেশি ছিল এক আদিম ব্যাকুলতা।
"বাইরে সবাই থাক মা, এই অন্ধকারের ভেতর আমরা একদম একা," আকাশ আর কোনো কথা না বলে রাবেয়াকে সরাসরি স্টোররুমের দেওয়ালে চেপে ধরল।
ভারী জামদানি শাড়ির খসখসে স্পর্শ আর রাবেয়ার পরিপক্ব শরীরের উষ্ণতা আকাশের হাতের তালুতে আসতেই তার শিরায় শিরায় আগুন ধরে গেল। সে একহাতে মায়ের চওড়া কোমর জড়িয়ে ধরে অন্যহাতে তাঁর মুখটা আলতো করে চেপে ধরল, যাতে কোনো শব্দ বাইরে না যায়। রাবেয়ার জুঁই ফুলের তীব্র সুবাস আর সাবানের ঘ্রাণে স্টোররুমের বাতাস ভারী হয়ে উঠল।
বাইরে তখন আত্মীয়দের হাসির শব্দ, থালাবাসনের আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। আর সেই উৎসবের ঠিক এক হাত দূরে, অন্ধকারের আড়ালে রাবেয়া বেগম নিজের সমস্ত মাতৃত্বের অহংকার ভুলে ছেলের শক্ত বুকের ওপর নিজেকে সঁপে দিলেন। ধরা পড়ে যাওয়ার তীব্র ভয় তাদের এই মুহূর্তের উত্তেজনাকে কোটি গুণ বাড়িয়ে দিল। আকাশ মায়ের গলার নরম চামড়ায় নিজের ঠোঁট চেপে ধরল, আর রাবেয়া অবশ হয়ে আকাশের কাঁধের শার্টটা শক্ত করে খামচে ধরে চোখ বন্ধ করে ফেললেন।
স্টোররুমের সেই শ্বাসরুদ্ধকর অন্ধকারের ভেতর সেকেন্ডগুলো যেন একেকটা যুগের মতো কাটছিল। বাইরে লতিফ চাচার অট্টহাসি আর আত্মীয়দের কথাবার্তার আওয়াজ স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। এই সামান্য এক ইঞ্চি কাঠের দরজার ওপাশেই পুরো সমাজ দাঁড়িয়ে, আর এপাশে রাবেয়া বেগম তাঁর ত্রিশ বছরের জোয়ান ছেলের বাহুবন্ধনে অবশ হয়ে আছেন।
আকাশের ঠোঁটের উষ্ণতা যখন রাবেয়ার গলার নরম চামড়া ছুঁয়ে আরও নিচে নামতে চাইল, ঠিক তখনই বাইরে রাজ্জাক সাহেবের গলা শোনা গেল, "রাবেয়া! ও রাবেয়া! মিষ্টির বাটিগুলো কোথায় রাখলে? মেহমানদের দিতে হবে তো।"
বাবার গলার আওয়াজ পেতেই রাবেয়া যেন এক বড় ঝটকা খেলেন। ভয়ের এক হিমশীতল স্রোত তাঁর শিরদাঁড়া বেয়ে নেমে গেল। তিনি জোর করে আকাশের বুক থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিলেন। তাঁর ফর্সা মুখটা তখন লাল হয়ে উঠেছে, জুঁই ফুলের মালাটা চুলে কিছুটা আলগা হয়ে ঝুলছে।
"আ-আকাশ, তোর বাবা ডাকছে... ছাড়, আমায় যেতে হবে," রাবেয়া হাপাচ্ছেন, তাঁর বুকটা দ্রুত ওঠানামা করছে।
আকাশ এই চরম উত্তেজনার মাঝেও নিজেকে শান্ত রাখল। সে মায়ের ভারী জামদানি শাড়ির কুঁচি আর আঁচলটা নিজের হাতে একটু সোজা করে দিল। তারপর মায়ের কানের কাছে ফিসফিস করে বলল, "যাও মা। তবে মনে রেখো, আজ রাতে কিন্তু এই খেলা আরও জমবে।"
রাবেয়া দরজার লকটা আলতো করে খুলে বাইরে বের হওয়ার আগে আয়না ছাড়াই নিজের চুলটা হাত দিয়ে ঠিক করে নিলেন। তিনি যখন মিষ্টির বাটি নিয়ে মেহমানদের সামনে গেলেন, তাঁর চোখে-মুখে এক অদ্ভুত চুরির আনন্দ আর হৃদয়ে ধরা পড়ে যাওয়ার তীব্র ভয় তখন স্পষ্ট। আকাশও কিছুক্ষণ পর স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বসার ঘরে গিয়ে মেহমানদের সাথে গল্পে মাতল। পুরো বাড়ি জুড়ে উৎসব চলছে, কিন্তু মা আর ছেলের চোখের গোপন ইশারা তখন অন্য এক নিষিদ্ধ উৎসবের ইঙ্গিত দিচ্ছিল।
বিকেলের দিকে মেহমানরা একে একে বিদায় নিতে শুরু করল। রাজ্জাক সাহেবও ক্লান্ত হয়ে বসার ঘরের সোফাতেই ঘুমিয়ে পড়লেন। বাড়িটা আবার আগের মতো নিঝুম হয়ে এল।
রাবেয়া বেগম তখন রান্নাঘরে একা থালাবাসন গোছাচ্ছিলেন। হঠাৎ তিনি টের পেলেন কেউ একজন পেছন থেকে এসে তাঁর কোমরে হাত রেখেছে। রাবেয়া চমকে ঘুরে তাকাতেই দেখলেন আকাশ দাঁড়িয়ে আছে। মেহমানরা চলে যাওয়ার পর মায়ের এই ক্লান্ত অথচ পরিপক্ব রূপ আকাশকে আর ঘরে স্থির থাকতে দেয়নি।
"আকাশ! তুই আবার শুরু করলি? তোর বাবা যেকোনো সময় জেগে উঠতে পারেন," রাবেয়া নিচু গলায় ধমক দেওয়ার চেষ্টা করলেন, কিন্তু তাঁর চোখ দুটোতে তখন অবাধ্য কামনার হাতছানি।
"বাবা গভীর ঘুমে, মা। আর আমি তো বলেছি, আজ লুকোচুরি চরম সীমায় পৌঁছাবে," আকাশ এবার আরও সাহসী হয়ে রান্নাঘরের দরজার ছিটকিনিটা আলতো করে আটকে দিল। দিনের আলোর মাঝেই মা ও ছেলের এই অবাধ্য সাহসিকতা রান্নাঘরের ভ্যাপসা বাতাসকে এক মুহূর্তে কামুক উত্তেজনায় ভরিয়ে তুলল। রাবেয়া এবার আর না বলতে পারলেন না, তিনি নিজেই নিজের ভারী শরীরের সমস্ত ভার আকাশের শক্ত বুকের ওপর ছেড়ে দিলেন।
RE: নিষিদ্ধ খাঁচার পাখি (By:Emon295) -
Bad Boy - 09-21-2026
পাঠ - 9
রান্নাঘরের সেই বন্ধ দরজার ওপাশে দিনের আলোর মাঝেই যে অবাধ্য সাহসিকতার আগুন জ্বলে উঠেছিল, তা যেন তাদের চিরতরে এক নিষিদ্ধ বাঁধনে বেঁধে ফেলল। রাবেয়া বেগম যখন নিজের ভারী ও পরিপক্ব শরীরের সমস্ত ভার আকাশের শক্ত বুকের ওপর ছেড়ে দিয়েছিলেন, তখন সামাজিক নিয়মের শেষ সুতোটুকুও ছিঁড়ে গেছে।
পরদিন সকাল। রাতের সেই চরম উত্তেজনার রেশ কাটিয়ে ওঠার আগেই বাড়িতে এল এক নতুন এবং কাঙ্ক্ষিত সুযোগ।
বসার ঘরে সোফায় বসে রাজ্জাক সাহেব চা খাচ্ছিলেন, আর রাবেয়া বেগম দূর থেকে থমথমে মুখে তাঁকে লক্ষ্য করছিলেন। হঠাৎ রাজ্জাক সাহেবের মোবাইলে একটি ফোন এল। ওপাশ থেকে তাঁর ব্যবসায়িক পার্টনার জরুরি কিছু একটা বলল। ফোনটা রেখে রাজ্জাক সাহেব একটু চিন্তিত মুখে রাবেয়াকে ডেকে বললেন, "রাবেয়া, আমার ব্যাগটা একটু গুছিয়ে দাও তো। চিটাগংয়ের গুদামে একটা বড় ঝামেলা হয়েছে, আজ দুপুরের ট্রেনেই আমাকে বের হতে হবে। ফিরতে ফিরতে চার-পাঁচ দিন লেগে যেতে পারে।"
'চার-পাঁচ দিন!'—কথাটা শোনামাত্রই রাবেয়ার বুকটা এক অজানা আশঙ্কায় আর তার চেয়েও তীব্র এক গোপন আহ্লাদে ধক করে উঠল। তিনি রান্নাঘরের আড়ালে দাঁড়িয়ে থাকা আকাশের দিকে তাকালেন। আকাশও তখন দরজার পাশ থেকে বাপের কথাগুলো শুনছিল। তার ৩০ বছরের জোয়ান পুরুষের চোখে তখন এক আদিম শিকারীর হিংস্র ও তৃপ্ত আনন্দ। বাবা চার-পাঁচ দিনের জন্য ট্যুরে যাচ্ছেন, তার মানে এই বিশাল বাড়িটায় এখন আর কোনো বাধা নেই, কোনো কলিংবেলের ভয় নেই।
রাবেয়া বেগম স্বামীর ব্যাগ গুছিয়ে দেওয়ার সময় হাত দুটো কাঁপছিল। রাজ্জাক সাহেব যখন ব্যাগটা কাঁধে নিয়ে দরজার দিকে এগিয়ে গেলেন, রাবেয়া তাঁকে বিদায় জানাতে সদর দরজায় এসে দাঁড়ালেন।
"আকাশ, তোর মায়ের খেয়াল রাখিস। আমি আসি," রাজ্জাক সাহেব আকাশের পিঠ চাপড়ে দিয়ে সিঁড়ি বেয়ে নেমে গেলেন।
আকাশ দরজাটা বন্ধ করে লকটা ঘুরিয়ে দিল। ক্লিক করে লক হওয়ার সেই শব্দটা যেন এই বিশাল বাড়ির ভেতরের দুনিয়াটাকে বাইরের সমাজ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দিল। আকাশ ধীরপায়ে ঘুরে মায়ের দিকে তাকাল।
রাজ্জাক সাহেব চলে যাওয়ার পর রাবেয়া বেগম দরজার পিঠ ঠেকিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁর আটচল্লিশ বছরের শরীরে এখন আর কোনো ভয়ের আড়াল নেই। সুতির হালকা শাড়িটার আঁচল তাঁর কাঁধ থেকে নিচে নেমে গেছে, আর তাঁর ফর্সা ও চওড়া বুকের দ্রুত ওঠানামা স্পষ্ট বলে দিচ্ছিল যে তাঁর ভেতরের নারীটি এখন কতটা ব্যাকুল।
আকাশ এক কদম এক কদম করে মায়ের দিকে এগিয়ে এল। তার চোখ জোড়া তখন রাবেয়ার শরীরের প্রতিটি কামুক ভাঁজকে গিলে খাচ্ছিল।
"বাবা চলে গেছেন, মা। চার দিনের ট্যুর..." আকাশ মায়ের একদম মুখোমুখি দাঁড়িয়ে, তাঁর কানের লতির কাছে নিজের মুখটা নিয়ে ফিসফিস করে বলল। তার তপ্ত নিশ্বাস রাবেয়ার ঘাড়ের চামড়ায় এক তীব্র শিহরণের জন্ম দিল।
রাবেয়া চোখ বন্ধ করে ফেললেন। এই সম্পূর্ণ নির্জনতা এবং বাবার অনুপস্থিতি তাঁদের ভেতরের সমস্ত অপরাধবোধকে এক নিমেষে কর্পূরের মতো উড়িয়ে দিল। তিনি নিজের কাঁপতে থাকা হাত দুটি বাড়িয়ে আকাশের চওড়া পিঠ শক্ত করে জড়িয়ে ধরলেন। মুখে কোনো কথা নেই, কিন্তু এই প্রথম তারা কোনো তাড়া ছাড়া, ধরা পড়ার ভয় ছাড়া একে অপরের শরীরের উষ্ণতায় ডুবে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিল।
দুপুরের সেই গভীর আলিঙ্গন আর বাবার বিদায়ের পর পুরো বাড়িটায় এক অলৌকিক নিস্তব্ধতা নেমে এসেছিল। দেখতে দেখতে মফস্বলের আকাশ কালো করে রাত নামল। তবে আজকের রাতটা অন্যদিনের মতো ছিল না। বাতাস একদম বন্ধ, চারদিকে এক গুমোট অসহ্য গরম।
রাত তখন আনুমানিক একটা। আকাশের ঘরের সিলিং ফ্যানটা পুরো গতিতে ঘুরলেও ঘরটা যেন একটা তপ্ত উনুনে পরিণত হয়েছিল। গরমে শরীর ঘেমে একাকার, কিন্তু তার চেয়েও বড় আগুন জ্বলছিল আকাশের ৩০ বছরের জোয়ান শরীরে। সে বিছানায় শুয়ে এপাশ-ওপাশ করছিল। বাবা বাড়িতে নেই—এই একটা চিন্তা তার কামনার তীব্রতাকে কোটি গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছিল।
ঠিক তখনই হুট করে পুরো বাড়ির লাইট-ফ্যান এক নিমেষে বন্ধ হয়ে গেল। মফস্বলের চিরচেনা লোডশেডিং।
মুহূর্তের মধ্যে চারপাশ ঘুটঘুটে অন্ধকারে ডুবে গেল। ফ্যান বন্ধ হতেই ঘরের ভেতরের ভ্যাপসা গরম যেন আরও কয়েক গুণ বেড়ে গেল। আকাশ বিছানা থেকে উঠে জানালার পাশে এসে দাঁড়াল। বাইরে কোথাও সামান্য বাতাস নেই, চাঁদের আলো মেঘের আড়ালে ঢাকা। শরীর থেকে ঘামের ফোঁটাগুলো টপটপ করে মেঝেতে পড়ছিল। গরম সহ্য করতে না পেরে আকাশ নিজের শার্টের সবকটা বোতাম খুলে ফেলল।
পানির তৃষ্ণায় ছটফট করতে করতে সে যখন পা টিপে টিপে ডাইনিং রুমের দিকে এগোলো, ঠিক তখনই সে লক্ষ্য করল বারান্দার লাগোয়া কাঠের দরজাটা খোলা। আর সেই অন্ধকারের মাঝে চাঁদের এক ফালি আবছা আলোয় বারান্দার গ্রিলের পাশে দাঁড়িয়ে আছে এক মোহময় অবয়ব।
মা রাবেয়া বেগম।
অসহ্য গরমে রাবেয়াও নিজের শোবার ঘরে টিকতে না পেরে বারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছেন। অন্ধকারের আড়ালে তিনি তাঁর আটচল্লিশ বছরের পরিপক্ব শরীর থেকে সুতির পাতলা শাড়িটা একদম আলগা করে দিয়েছেন। শাড়ির আঁচলটা কোমর থেকে খসে মেঝেতে লুটোপুটি খাচ্ছে। ব্লাউজের ভেতরের ভরাট ও ফর্সা বুক দ্রুত ওঠানামা করছে, আর সারা শরীরের জমতে থাকা ঘাম অন্ধকারে হিরের টুকরোর মতো চকচক করছে।
আকাশ এই আদিম ও কামুক দৃশ্য দেখে স্তব্ধ হয়ে গেল। তার নিশ্বাসের গতি এক ধাক্কায় বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হলো। সে আর এক সেকেন্ডও অপেক্ষা না করে বিড়ালের মতো নিঃশব্দ পায়ে মায়ের ঠিক পেছনে গিয়ে দাঁড়াল।
রাবেয়া গ্রিল ধরে চোখ বন্ধ করে বাতাসের খোঁজ করছিলেন। আচমকা তাঁর সুবাসিত পাউডারের মিষ্টি ঘ্রাণের সাথে এক তীব্র পুরুষালি গায়ের গন্ধ আর তপ্ত নিশ্বাস তাঁর ঘাড়ে এসে আছড়ে পড়ল। তিনি চমকে চোখ মেললেন, কিন্তু ঘুরে তাকানোর আগেই আকাশের দু-হাতে তাঁর চওড়া এবং মাখন-কোমল কোমরটা পেছন থেকে শক্ত করে পেঁচিয়ে ধরল।
"আহ্... আকাশ!" রাবেয়ার মুখ থেকে এক অবশ, কাঁপা গোঙানি বের হয়ে এল।
আকাশের উদোম, চওড়া বুকটা যখন রাবেয়ার নগ্ন পিঠের ওপর শক্ত করে চেপে বসল, তখন দুজনের শরীরের ঘাম একাকার হয়ে গেল। এই ঘুটঘুটে অন্ধকার রাতে, কোনো ফ্যান-লাইটের আলো ছাড়া, চার দেওয়ালের মাঝে মা ও ছেলের এই চরম পুরুষালি আর নারীসুলভ আদিম ঘর্ষণ এক বিস্ফোরক কামুক উত্তেজনার জন্ম দিল। রাবেয়া আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না। তিনি মাথাটা পেছনের দিকে হেলিয়ে দিয়ে আকাশের কাঁধে নিজের মুখটা গুঁজে দিলেন। এই অসহ্য গরমের রাত তাঁদের মধ্যকার শেষ সামাজিক পর্দাটুকুও পুড়িয়ে ছাই করে দিল।