চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) -
Erotic Lovers - 09-23-2026
চারুলতা
লেখক - কামসম্রাট
পর্ব - ১
সকালে ঘুম থেকে উঠে জানালা দিয়ে বাইরের বয়ে চলা নদীটার দিকে চোখ পড়লো। বর্ষার জলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তার বুক, কুল কুল করে তার উপর দিয়ে জলরাশি ছুটে চলেছে সাগরের সন্ধানে। কত কি মনে পড়ে এই জানালায় বসে! একদিন আমার স্ত্রী এইখানেই, এই বিছানায় আমার সঙ্গে বসে এই নদীর দিকে তাকিয়েই কত কথা শোনাতো আমায়, কত কত বার তার রূপে মোহিত হয়ে আমি বিছানায় তার পাশে শুয়ে তার ঠোঁটজোড়া নিজের ঠোঁটে ছুঁইয়ে তার তরল আমার শরীরে শুষে নিয়েছি তার বড় বড় ডাগর দুখানি চোখের দিকে চেয়ে! আজ সেসব দিন কত দূরে! যেন কত শতক আমি বৃদ্ধাবস্থায় এখানটায় বসে আছি... একলা!
আমার নাতিটা এইসময় হঠাৎ পড়া ছেড়ে আমার কাছে এসে কোলের ওপর উঠে বায়না ধরলো,
- দাদু দাদু, আমায় ঠাম্মার গল্প বলো না... কতদিন শুনিনি!
আমি বললাম, শুরু করলাম আমার স্ত্রীর কথা...নাতির ছোটো ছোটো কৌতুহল ভরা উৎসুক দুই চোখে তাকিয়ে তার ঠাম্মার কাহিনী তাকে বলে যেতে লাগলাম।
কিন্তু সেই কাহিনী যে অসম্পূর্ণ! আমার আর আমার স্ত্রীর সম্পূর্ণ কাহিনী যে বলা যায় না কারোকে! আমার ছেলে, বউমা, বন্ধু, সবাই আমাদের কাহিনীর এক ভাগ জানে, অন্য ভাগ বলার সাহস আমার আর নেই! এইকথা আমার হৃদয়েই গোপনে জমা ছিল এতকাল। তাই ভাবলাম, আজ তোমাদের বলে যাই আমাদের কাহিনীর অন্য ভাগ-টা। কাহিনী সম্পূর্ণতা পেলে নাকি মন হালকা হয়! তাই যে ভাগ আমার হৃদয়ে এতোকাল চাপা পড়ে ছিল, যে ভাগ এই জগৎ সংসারের কাছে অজানা, যে ভাগ এই সমাজে নিষিদ্ধ, যে ভাগ আমায় প্রেমের অর্থ শিখিয়েছিল একদিন, আজ সেই ভাগ তোমাদের বলে আমার হৃদয়কে আমি খালি করবো!
এই কাহিনী আমার আর আমার স্ত্রীর, আমার স্ত্রী....চারুলতার এবং চারুলতা....আমার....মা!
আমাদের ছোট্ট গ্রাম, নাম গোবাদা। এখানকার সবাই চাষবাসের সঙ্গে যুক্ত। চারপাশে যেদিকেই চোখ যায় শুধু সবুজ মাঠ আর ফসলের চাষ। একটা নদী বয়ে গেছে গ্রামের পাশ দিয়েই। সেখানে এই গ্রামের সকলেই যায় স্নান, বাসন ধোয়া, কাপড় কাঁচার জন্য। পানীয় জল পুকুর থেকে নেওয়া হয়। এখানকার মানুষজন বেশ সাদাসিধে, সরল প্রকৃতির। শহর থেকে অনেক দূরে এই ছোট্ট গ্রামে চাষবাস করে নিজেদের জীবন সুখে দুঃখে অতিবাহিত করে যায় সবাই।
আমাদেরও চাষবাস করেই সংসার চলে। বাড়িতে বাবা নয়ন, মা চারুলতা, আমি চয়ন আর আমার বোন লতা। আমাদের চারজনের ছোট্ট সংসার।
বাবার বয়স ৫৮। রোগা, লম্বা, জীর্ণ চেহারা। কম বয়স থেকেই অতিরিক্ত পরিশ্রমের জন্য শরীরে একটা বুড়োটে ভাব চলে এসেছে এই বয়সেই। তার মুখে একটা বদমেজাজি রাগী খিটখিটে ভাব সর্বদাই। যৌবন থেকেই বাবা চাষবাস করেই জীবন জীবিকা নির্বাহ করে এসেছে এবং একা আমাদের সকলকে মানুষ করেছে। কথা খুব কম বলে, যেটা বলে, তাও মায়ের সঙ্গে, আমাদের সঙ্গে খুব কম, প্রয়োজন পড়লে তবেই। আমরা এখনও রীতিমতো ভয় পায় বাবার সামনে পর্যন্ত যেতে। বাবা মা-কে সাধারণ কথাও ধমকে বলে, মা একটু ভীতু ও লাজুক স্বভাবের, তাই প্রায়ই বাবার কথায় নির্জনে বসে কাঁদতে থাকে। বাবা এমনই, কারোকে ঠিক সহ্য করতে পারে না!
মায়ের বয়স ৩৫, ঘোর শ্যামবর্ণ গায়ের রঙ, মুখের চেহারায় এমন এক মিষ্টি শ্রী রয়েছে, তা না দেখলে অক্ষরে প্রকাশ করা মুশকিল, এককথায় অনন্য সুন্দরী আমার মা চারুলতা। মা স্বাস্থ্যবতী ও আদর্শ গৃহিণী। সন্তানদের প্রকৃতভাবে বড়ো করা এবং সংসারের প্রতিটি দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়া, এই সংকল্প নিয়েছিল আজ থেকে একুশ বছর আগে যখন এই বাড়িতে প্রথম বউ হয়ে এসেছিল। মায়ের মুখে সর্বদাই একটা মন ভোলানো হাসি, যেন সেই হাসির মাঝেই লুকিয়ে আছে এই জগতের সব সৌন্দর্য্য! যখন কোনো কারণে কষ্ট পায়, মায়ের কাছে গিয়ে বসি, মা আদর করে মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়, গল্প করে, আমার মন দুঃখ ভুলে মায়ের সঙ্গে গল্পে মেতে ওঠে। কখন কি খাবো, কি করলে এই সংসারে মঙ্গল হবে, কি করা উচিত নয়, কোন সময়ে কি চাষ করলে ফলন ভালো হতে পারে, কোন সময় বাবার কাছে আমাদের যাওয়া উচিৎ নয়, মা সব জানে। কিন্তু একটাই তার ভুল, সে অতি সরল প্রকৃতির, যে যা বলে সহ্য করে নেয়। তাই এই সংসারে মায়ের কোনো গুরুত্ব নেই, না বাবা তাকে ভালোবাসা দেয়, না বোন সম্মান। সত্যি বলতে একমাত্র আমিই মায়ের খোঁজ রাখি, মায়ের কাছে বসে তার দুটো মনের কথা শুনি, মায়ের চোখের জলের গুরুত্ব দিই! কিন্তু তবুও এই একুশ বছরের দীর্ঘ অভাবের সংসার মাকে যেন এক সবজান্তা মঙ্গলময়ী করুণাময়ী এক নারীতে পরিণত করেছে, আর সেই নারীর-ই সন্তান আমি!
আমি চয়ন, বয়স ২০, সবে কলেজ শেষ করে বসে আছি বাড়িতে। চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি আর বাবাকে চাষবাসে সাহায্য করছি। আমি বেশ লম্বা বাবার মতো, প্রায় ৬'১ ফুট, গায়ের রঙ মায়ের মতোই শ্যামবর্ণ। মুখে একটা পুরুষালি সৌন্দর্য্য ও ব্যাক্তিত্ব রয়েছে আমার, সবাই বলে, বিশেষ করে মা বলে। চাষবাসের কাজ, ব্যায়াম করে আমার শরীর তাগড়া হয়ে উঠেছে এই বয়সেই। এককথায় পেশীবহুল পেটানো শরীর আমার। প্রেম কোনোদিন করিনি, একটা মেয়ে আমায় বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল কলেজের ফাইনাল ইয়ারে, এই বছরেই, কিন্তু আমি না বলে দিয়েছিলাম। বাইরের কোনো মেয়ের প্রতি আকর্ষণ আমি অনুভব করি না, কেন করিনা তা আমি নিজেও বুঝে উঠতে পারিনি। মেয়েটার স্বাস্থ্য ভালো, দেখতেও বেশ মিষ্টি, নাম রুমা। কলেজে না গেলে সে আমায় সেদিনকার নোটস দিতো, আমাদের অভাবের কারণে অনেক বই প্রয়োজন থাকলেও কিনতে পারিনি, সেসব বই সে আমায় পড়তে দিতো ভালোবেসে। কিন্তু আমি স্রেফ বন্ধু ভেবেই তার সব সাহায্য নিয়ে এসেছিলাম। তাই বলে এই নয় যে যৌন মিলন কি তা জানি না। আমি সব জানি, এতোটাই যে যারা এসব করে বেড়াই, তাদের চেয়েও গভীর আমার মন। কিন্তু ওই একটাই সমস্যা, মেয়েদের প্রতি আকর্ষণ আসেনি আমার এখনও। হয়তো আসবে পরে। সবার তো সব জিনিস এক হয়না। তবে আমার ব্যাপারে একটা কথা বলতে হয় যে, আমি আজ পর্যন্ত কোনোদিন বীর্যপাত করিনি, মানে হাতে ধরে খেঁচিনি, স্বপ্নদোষ হয় মাঝে মাঝে, কিন্তু নিজে করিনি। জানি না, বোধহয় তারও উপযুক্ত সময় আসেনি আমার জীবনে!
আমার বোন লতা, আমার থেকে মাত্র এক বছরের ছোটো, এবছর ১৯ -এ পড়লো, দেখতে অসম্ভব সুন্দরী। বাবার গৌরবর্ণ আর উচ্চতা পেয়ে বেশ দেখতে হয়েছে সে। পড়াশোনায় ভালো। কলেজে এই সেকেন্ড ইয়ার তার, ইতিহাসে অনার্স নিয়ে পড়ছে। খোঁজ নিয়ে দেখেছি সে একজনকে পছন্দ করে, কিন্তু তার নাম জানতে পারিনি। আমাকে ও সব মনের কথা বলে না। একটু চাপা ও রাগী স্বভাবের। ওর এই ব্যাপারটা যদি জানতে পারে বাবা, মেরে পিঠের ছাল উঠিয়ে দেবে ওর। তাই ওকে আমি সুরক্ষা দিয়ে আসছি... গোপনে।
গ্রীষ্মের দুপুরবেলা। তখন আমাদের জমিতে আউশ ধান চাষ চলছে। বাবা মাঠে, আমি বাড়িতে চাকরির জন্য পড়াশোনা করছি, লতা কলেজে আর মা বারান্দায় বসে আমার একটা পুরনো জামা সেলাই করছে আর গুন গুন করে গাইছে একটা মধুর অথচ বেদনাভরা গান। তা শুনে মনটা কেমন উদাস হয়ে যায়! বই ফেলে জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকি দূরের মাঠের শেষে আকাশ প্রান্তে...মনটা কেমন হয়ে ওঠে!
আমাদের বাড়িটা মাটির, খড়ের ছাউনি, তিনটি ঘর, একটায় বাবা মা, একটায় আমি, আরেকটায় লতা থাকে। বাড়ির সামনে লম্বা বারান্দা, সেখানেই একপাশে রান্না করে মা। পাঁচিল দেওয়া উঠোন। উঠোনটা অনেকটা বড়ো। উঠোনের একদিকে ফুলগাছ অনেকগুলো, অন্যদিকে আম, পেয়ারা, পেঁপে, আর কাঁঠাল গাছের জঙ্গল। এদের ছায়া আমাদের বাড়ির খড়ের ছাউনিতে পড়ে এই গ্রীস্মকালে বেশ আরাম দেয়।
মা জামা সেলাই করতে করতেই আমায় ডাক দেয়,
- চয়ন, এদিকে আয় বাবা।
আমি বই ফেলে বাইরের বারান্দায় গিয়ে দেখি মা হাসিমুখে হাতের জামা তুলে আমায় দেখাচ্ছে। মায়ের হাতের গুণে আমার পুরনো ছেঁড়া জামা যেন নতুনভাবে সেজে উঠেছে। এই জামা পরেই আমি কাল যাবো একটা ইন্টারভিউ দিতে। আমরা গরীব, আমরা এতেই অনেক খুশি থাকি!
- ছেঁড়া টা কোথায় গেল মা? এটা তো নতুনের মতো লাগছে গো একেবারে!
বলে আমি জামাটা হাতে তুলে দেখতে লাগলাম এদিক ওদিক করে। সত্যিই মায়ের হাতে জাদু আছে! আমি মাকে বলিওনি সেলাই করতে, শুধু বলেছিলাম এই জামাটা পরে যাবো। মা জামা দেখে বুঝেছিল জামার সেলাই ছিঁড়ে গেছে অনেক জায়গায়, দুপুরের কাজ সেরে বসে আমার সমস্যা মা মিটিয়ে দিলো! মা মা-ই হয়! আমি জামাটা দেখে খুশি হয়ে মাকে বসা অবস্থায় জড়িয়ে ধরলাম। মা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বললো,
- তোর এই চাকরিটা হয়ে যাবে দেখিস....!
যদি জানতাম অদৃষ্ট কি বস্তু, যদি জানতাম একটা সামান্য কথা কত কি বয়ে আনতে পারে আমাদের জীবনে, যদি জানতাম এই কথায় সবকিছু ওলট পালট হয়ে যাবে, তাহলে হয়তো মায়ের পায়ে সেদিন আমি কান্নায় লুটিয়ে পড়তাম আর প্রার্থনা করতাম এমনটা যেন না হয়! কিন্তু আজ যখন নিজের ঘরের জানালায় বসে বয়ে চলা নদীর জলরাশির দিকে নিঃশব্দে চেয়ে থাকি, ভাবি আমার জীবন কথা, বুঝতে পারি, যা হয়েছিল, ভালোর জন্যই হয়েছিল। মায়ের সেই একটা কথা আমার জীবনে কি ঘটিয়ে দিলো, তা সময়-ই বলে যাবে!
মায়ের কথায় আনন্দে আবেগে মায়ের কোলে শুয়ে পড়লাম। চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়লো মায়ের। মা হয়তো মনে মনে ভাবছে,
- চাষবাস করে চারজনের পেট চলে, কিন্তু সামান্য এক টুকরো শখ-ও মেটাতে পারিনা ছেলে মেয়েটার। আজ এই চাকরিটা যদি হয়ে যায়! আমি জানি হয়ে যাবে...তাহলেই আমার মুক্তি! ছেলেটা নিজের জীবনের শখ পূরণ করতে পারবে, লতার বিয়ে দেবে, আমাদের বুড়ো বুড়িকে দেখতে হবে না। ওরা ভালো থাকুক, যেখানেই থাকুকনা কেন, আমরা খুশিই থাকবো। চয়ন....আমার সোনা মানিক....বাবার সঙ্গে চাষবাস, তারপর চাকরির জন্য কত রাত জেগে পড়াশোনা করা.... তোর এবার চাকরিটা হয়ে যাবে বাবা!
আমার দুই চোখেও জল ভরে এলো। মায়ের কোলে শুয়ে মায়ের কোমর জড়িয়ে কিছুক্ষণ মায়ের আদর খেলাম। তারপর উঠে গিয়ে মাঠে চলে গেলাম। বিকেলে অনেক কাজ থাকে জমিতে। মা আমার জামা আমার ঘরের তারে ঝুলিয়ে রেখে বিকেলের চা বানাতে বসলো।
যখন মাঠ থেকে ফিরলাম, সন্ধ্যা হয়ে গেছে। লতা নিজের ঘরে পড়ছে। মা বারান্দায় চা মুড়ি সাজিয়ে আমাদের বাপ বেটার মাঠ থেকে ফেরার অপেক্ষায় বসে আছে। তখনকার সময়ে গ্রামে বিদ্যুৎ থাকেনি। লন্ঠন, হ্যারিকেন জ্বেলেই আমরা সব কাজ করতাম। ওটাই তো তখন আমাদের কাছে স্বাভাবিক ব্যাপার ছিল। সবই অভ্যাস!
আমি আর বাবা ঘরের পেছনের পুকুরে গেলাম হাত পা ধুতে, মা পুকুরপাড়ে লন্ঠন ও গামছা হাতে দাঁড়িয়ে ছিল হাসিমুখে।
কাল আমার ইন্টারভিউ শহরে, ভোরে বেরিয়ে ১৫ কিলোমিটার সাইকেলে করে গেলে স্টেশন, সেখান থেকে ট্রেন ধরে শহরে যেতে তিন ঘন্টা লাগবে। তারপর ইন্টারভিউ দিয়ে বাড়ি ফিরতে রাত হয়ে যাবে। তাই মা আজ রাত জেগে পড়াশোনা না করে ঘুমিয়ে পড়তে বললো, ভোর চারটেই ওঠা আছে।
হাত মুখ ধুয়ে পাড়ে উঠতে যাবো, পা পিছলে গিয়ে পুকুরের জলে পড়ে গেলাম। মা লন্ঠন নামিয়ে রেখে ছুটে এসে হাত বাড়িয়ে তুললো আমায়। বাবা রেগে গিয়ে আমার দিকে না তাকিয়েই গজগজ করতে করতে পাঁচিলের দরজা দিয়ে উঠোনে চলে গেল। আমার মনটা খারাপ হয়ে গেল। বাবা রাগী জানি, কিন্তু আমাকে কি বাবা ভালোও বাসেনা! যাইহোক, মায়ের হাত ধরে পাড়ে উঠে বসলাম। লন্ঠনের আলোয় দেখলাম ডান পায়ের হাঁটুর নীচের চামড়া অনেকটা ছিঁড়ে গিয়েছে। মা আমায় ধরে সঙ্গে নিয়ে ঘরের বারান্দায় বসালো। তারপর পা মুছে দিয়ে তার শাড়ির আঁচলটা কাঁধ থেকে ফেলে ডগার দিকটা দু টুকরো করে ছিঁড়ে সেই কাপড় দিয়ে আমার পায়ে ব্যান্ডেজ করে দিলো। মায়ের চোখে জল, বললো,
- ব্যাথা হচ্ছে সোনা?
- না মা, কমে এসেছে।
বলার সময় লক্ষ্য করলাম মায়ের চোখের জল আমার ডান পায়ের হাঁটুর ওপর কয়েক ফোঁটা ঝরে পড়লো। মাকে কাঁদতে দেখলে আমার ভালো লাগে না, মনটা কেমন হুঁ হুঁ করে ওঠে। আমাদের কথা শুনে ঘর থেকে লতা ছুটে এসে আমার পা টা দেখে বললো,
- কি করে আর কাল যাবি? এতো বড়ো ছেলে, পুকুরপাড়ে পড়ে গেলি?
মা এই কথায় প্রতিবাদ করে বলে,
- লতা, ছেলেটা পড়ে গেছে, আর তোর একটুও কষ্ট হচ্ছে না? ওই ছেলেটাই তোর বিয়ে দেবে বলে রাত দিন জেগে পড়াশোনা করছে একটা চাকরির জন্য, বাবার সাথে মাঠে যাচ্ছে দুটো টাকার জন্য।
- সে আমি কি করবো মা? আমি তো আর দাদাকে ঠেলে ফেলিনি!
এমনসময় পাশ থেকে বাবা ঝাঁঝিয়ে উঠলো,
- এই ছেলের কিচ্ছু হবে না, না চাকরি না চাষবাস... শুধু বসে বসে বাপের অন্ন গিলবে!
এই কথায় আমি যত না কষ্ট পেলাম, মা পেলো শতগুণ বেশি। মা শাড়ির ছেঁড়া আঁচলে মুখ চেপে কাঁদতে কাঁদতে ঘরে চলে গেল, বলতে বলতে গেল,
- ওগো তোমরা সবাই মিলে ওকে এতো কষ্ট দিও না গো, আমি যে এই কষ্ট আর সহ্য করতে পারছি না!
আমার চোখেও জল ভরে এলো। আর রাতের খাবার মুখে তোলার কথা মাথায় এলো না। নিজের ঘরে গিয়ে দরজা ভেজিয়ে দিয়ে বিছানায় বসে বইগুলো নাড়াচাড়া করতে লাগলাম। সত্যিই কি আমার কিছু হবে না! সত্যিই কি আমি দূর্ভাগা!
কখন যে আমি এসব ভাবতে ভাবতে খালি পেটে বইয়ের ওপরে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েছি খেয়াল নেই, ঘুমটা ভাঙলো মায়ের হাতের ছোঁয়ায়। মা আমার পাশে ভাত ও সবজি ভর্তি থালা নিয়ে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে। আমি আবেগে মাকে জড়িয়ে ধরলাম। মা এক হাত দিয়ে আমার চুলে বিলি কাটতে কাটতে বললো,
- যখন খারাপ সময় আসে, তখন বুঝবি কেউ তোকে ভালোবাসবে না, সবাই দূরে ঠেলে দেবে....কিন্তু তোর ভালো সময় আসবে চয়ন, দেখবি সেদিন তোর যা স্বপ্ন আছে সব পূরণ হবে...সব!
মা...তুমি সত্যিই করুণাময়ী! মনে মনে মাকে বললাম,
- যখন খারাপ সময় এলো, তুমি তো আমায় দূরে ঠেলে দাওনি মা!
আমার দুচোখ বেয়ে অঝোর ধারায় জল গড়িয়ে পড়ে মায়ের কোমরের শাড়ি ভিজিয়ে দিচ্ছে। মা তার কোমর থেকে মুখ তুলে আমার কপালে স্নেহের চুম্বন এঁকে বললো,
- খেয়ে নে সোনা, সেই কখন দুপুরে দুটো ভাত খেয়েছিস!
বলে মা আমায় নিয়ে মেঝেতে বসলো। সবজি দিয়ে ভাত মেখে হাতে করে মা আমায় খাইয়ে দিতে শুরু করলো। মা এমন প্রায়ই করে। যখন খুব আনন্দে থাকে আর যখন খুব দুঃখে থাকে, এই দুই বিপরীত অবস্থায় মা আমায় খাইয়ে এসেছে। এটা চিরাচরিত এক রীতি হয়ে গেছে, আগেও দেখেছি....কিন্তু আজ ঘটলো অন্য কিছু....এলো এক নতুন অনুভূতি! জীবনে এই প্রথম...আমি এক নারীর.... স্বাদ পেলাম....সেই নারী....আর কেউ নয়....আমার নিজের মা.... চারুলতা!!!
আমার ডান পাশে আমার দিকে মুখ করে মা খাইয়ে দেওয়ার সময় মায়ের বাঁ দিকের নরম স্তন আমার ডান কনুইয়ে চাপ দিলো অল্প! এই ঘটনা আগেও ঘটেছে। খাওয়ানোর সময় বা সাধারণ আর পাঁচটা কাজ করার সময় মায়ের স্তন আমার অঙ্গে অঙ্গে স্পর্শ হয়েছে। ঘটনা একই, শুধু অনুভূতিটা ভিন্ন! আজ এই মুহূর্তে জীবনে এই প্রথমবার জেগে থাকা অবস্থায় যৌন অনুভূতি আমার গোটা শরীরে ছড়িয়ে পড়লো ধীরে ধীরে, কারণ এর আগে যে স্বপ্নদোষ কিছুবার হয়েছিল, তা জেগে থেকে হয়নি! এটা ঠিক তীব্র যৌন উত্তেজনা নয়, আবার তা স্নেহ-মমতাও নয়। যেন সেই অনুভূতিতে আরামের সঙ্গে মিশেছে খুব সূক্ষ্ম এক যৌনতার গন্ধ, যা আমার মাথা থেকে শুরু করে তলপেট বেয়ে আমার লিঙ্গের ডগায় সুড়সুড়ি দিলো অল্প!
মা খাইয়ে যাচ্ছে, কিন্তু আমার মনে উঠেছে আজ প্রবল ঝড়!
আমি শুরুতে এই অনুভূতির আনন্দে কিছুটা ঘোরাচ্ছন্ন থাকলেও, ধীরে ধীরে পাপবোধ আমায় গ্রাস করা শুরু করলো। ছিঃ, এগুলো আমি চিন্তা করছি? মা, সে আমার মা! আমায় জন্ম দিয়েছে! নেহাৎ চরিত্র অন্ধকার না হলে কারোর এমন চিন্তা মাথায় আসতেও পারে না। তাহলে কি আমার চরিত্র অন্ধকারে গ্রাস করা শুরু করলো? কই না তো...! আজ অবধি একজন নারীর দেহ স্পর্শও করিনি আমি, না তাদের নিয়ে কুচিন্তা করেছি। তবে? এটা কি ছিল? যে চিন্তা আমার পবিত্র হৃদয়ে মায়ের মাতৃত্বে অন্য রূপ দিতে এসেছিল, সেই চিন্তা কেন এলো? কেন?
মা কখন খাইয়ে নিজের ঘরে চলে গিয়েছিল, কখন আমি শুয়ে পড়েছিলাম, কখন শুয়ে শুয়ে চাকরি, ইন্টারভিউ ও ভোরের ট্রেনের কথা ভুলে জানালা দিয়ে বাইরের নক্ষত্রখচিত আকাশের দিকে চেয়ে থেকে মায়ের নিয়ে সেই কুচিন্তাকে নিয়ে চিন্তা করতে করতে আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম জানি না, তবে এটুকু আমার অবচেতনে মন সে রাতে ঘুমোবার আগে ফিসফিসিয়ে আমায় বলে গেল....
- মা-ই সব!
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) -
Erotic Lovers - 09-23-2026
পর্ব - ২
ইন্টারভিউ দিয়ে বাড়ি ফিরতে ফিরতে রাত ১১ টা বেজে গেল। সাইকেলটা উঠোনের এক কোনে রেখে দেখি মা বারান্দায় লন্ঠন জ্বালিয়ে মুখ নামিয়ে কাঁদছে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে। আমি উঠোনে অন্ধকারের দিকটায় সাইকেল রাখছিলাম বলে মা দেখতে পায়নি আমায়। বোধহয় বাবা আর লতা শুয়ে পড়েছে নিজেদের ঘরে। আমি কাছে যেতেই মা বারান্দা থেকে উঠে চোখের জল মুছে মুখে হাসি ফুটিয়ে আমার কাছে এসে জিগ্যেস করলো,
- ফিরেছিস সোনা....তোর পায়ের ব্যাথাটা আর নেই তো?
এই হলো আমার মা! ইন্টারভিউ কেমন হলো, চাকরি হবে কিনা, এসব নয়, নিজের সন্তান কেমন আছে, এই তার একমাত্র কৌতূহল! আমি আমার ইন্টারভিউয়ের জন্য আগে থেকেই উত্তেজিত হয়ে ছিলাম। তাই দুই হাতে মায়ের কাঁধ দুটো ধরে হেসে বললাম,
- মা আমার ব্যাথা নেই, তবে ইন্টারভিউ খুব খুব খুব ভালো হয়েছে মা.... খুব ভালো হয়েছে!
মায়ের চোখ জলে ভরে আসে। আমি মায়ের চোখের জল মুছিয়ে দিয়ে বললাম,
- আয় কেঁদো না মা, এই চাকরিটা হয়ে গেলে দেখবে আর আমাদের কোনো দুঃখ থাকবে না... তোমার মুখে আমি হাসি ফোটাবো।
বলে মাকে বুকে জড়িয়ে ধরে বললাম,
- সেই সকালের পর আর কিচ্ছু পেটে দিইনি মা, রান্না করেছো?
মা হাসতে হাসতে আমায় নিয়ে গেল বারান্দায়। তারপর বললো,
- আমি তোর জন্য পুকুর থেকে জল এনে রেখেছি বালতিতে ওখানে, হাত মুখ ধুয়ে আয়, আমি খেতে দিচ্ছি।
এই মায়ের কোলে যেন বারে বারে ফিরে আসি! কাল পুকুরে পড়ে গিয়েছিলাম বলে আজ আমি বাড়ি ফেরার আগেই মা আমার জন্য জল এনে রেখেছে যাতে আমায় পুকুরের পিচ্ছিল ঘাটে আর না যেতে হয়। কত কিছু নিয়ে মা তুমি ভাবনায় থাকো.... সংসারের দারিদ্র, স্বামীর অপমান, মেয়ের কুকথা আর ছেলের চিন্তা! এই এক শরীরে আর কত কি বয়ে বেড়াবে মা তুমি!
আমি ব্যাগ রেখে খালি গায়ে একটা গামছা পরে গেলাম উঠোনে। সেখানে মায়ের আনা বালতি ভর্তি জল নিয়ে হাত মুখ ধোয়া নয়, একেবারে স্নান-ই করে নেবো ভাবলাম। এই গরমে সারাদিনের ঘাম বসে আছে শরীরে, তার ওপর স্নান করে গা ঠান্ডা না করলে ঘুম আসবে না আমার। আমি গায়ে সাবান ঘষতে ঘষতে মাকে দেখতে লাগলাম। মা তখন বারান্দায় বসে দুটো থালায় ভাত তরকারি সাজাচ্ছে। বুঝলাম মাও খায়নি এখনও। আজ অবধি কোনোদিন দেখলাম না আমায় খাওয়াবার আগে মা খেয়ে নিয়েছে। মায়ের স্নেহ যে এমনই! আমি মায়ের দিকে তাকিয়েই ছিলাম, মা একবার আমার দিকে চেয়ে হাসলো , তারপর আবার খাবারে মন দিলো।
মা একটা হালকা হলুদ রঙের শাড়ি পরেছে আজ। ঘোর শ্যামাঙ্গিণী মা, তাই এই হলুদ রঙের শাড়িতে মাকে সামান্য লন্ঠনের আলোয় অসম্ভব সুন্দরী দেখাচ্ছে। যেন এক ডানা কাটা পরী আকাশ ছেড়ে গাঁয়ের এক ছোট্ট মাটির ঘরে নেমে এসে এক বাঙালী নারী রূপে এই সংসার সামলাচ্ছে, অবিরাম, কোনো প্রতিবাদ ছাড়াই। চুল খোলা রেখেছে মা, সেগুলো পিঠ ও বুকের ওপর এদিক ওদিক দুলছে মায়ের নড়াচড়ায়। মায়ের মুখে যে দুঃখী ভাবটা বাড়ি ফিরে দেখছিলাম, তা যেন অদৃশ্য হয়ে এক সারল্য ভরা প্রশান্তি ফুটে উঠেছে মায়ের সারা মুখমন্ডলে। এই মাকেই আমি দেখতে চাই, চোখের জলে নয়, দুঃখের বন্ধনে নয়, সুখ ও হাসির পরশে মায়ের জীবনকে আমি পরিপূর্ণ রূপ দিতে চাই....দেবো, আমি দেবো একদিন!
যখন খাওয়া শেষ হলো, দেখলাম মা নিজের ঘরে না গিয়ে বারান্দার এক কোনে বসে আছে। আমার দিকে চেয়ে বললো,
- সোনা তুই গিয়ে ঘুমিয়ে পড়, এই ক্লান্ত শরীরে আর দাঁড়িয়ে থাকিস না।
আমি বললাম,
- তুমি ঘুমোবে না? এইখানে যে বসে গেলে?
মা মাথা নীচু করে আনমনে কি ভাবতে ভাবতে বললো,
- নারে, আমার আজ ঘুম পাচ্ছে না। মাথাটা ধরে আছে, একটু বসি, কমে গেলেই চলে যাবো।
আমি বুঝলাম মায়ের এই কথা সত্যি নয়। মাকে এভাবে আমি এর আগেও বহুবার সবার আড়ালে সরে এসে একলা নির্জনে বসে থাকতে দেখেছি, বসে বসে অন্যকে দোষ না দিয়ে নিজের দোষকে খুঁজতে দেখেছি। তাই কাছে গিয়ে মায়ের পাশে বসে বললাম,
- কি হয়েছে সত্যি করে বলোতো মা....।
মা চুপচাপ। আমি আবার এক কথা জিগ্যেস করাতে মায়ের চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়লো তার কোলের ওপর। আমি এবার মায়ের হাত ধরে বললাম,
- আমি তো তোমার ছেলে মা, আমিই তো সব, তুমি আমাকেই বলবে না?
তারপর মায়ের ঠোঁটে কথা ফুটলো। যা বললো তা সংক্ষেপে এরকম, আজ বিকেলে লতা কলেজ থেকে বাড়ি ফেরেনি দেখে বাবা গিয়েছিল খুঁজতে। কিছুদূর গিয়ে বাবা দেখতে পায় সেখানে একটা নির্জন বড়ো দীঘির পাড়ে গাছতলায় লতা একটা ছেলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় বসে। ব্যস্। পাশেই একটা ছোটো খেজুর গাছ ছিল। তার ডাল ভেঙে পাতা ছাড়িয়ে মারতে মারতে তাকে বাড়ি নিয়ে আসে বাবা। তারপর তাকে তার ঘরে ঢুকিয়ে দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে দেয়। এখানেই শেষ নয়, বাবার রাগ এবার সবে শুরু হয়। লতার ওপর থেকে সব দোষ তুলে বাবা মায়ের ওপর তা চাপিয়ে দিয়ে অত্যন্ত খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করে মাকে একটা চড় মারে এই বলে যে, মা নাকি নিজের মেয়েকে মানুষ করতে পারেনি, মা নাকি 'মা' হওয়ার যোগ্যই নয়! তারপর থেকে বাবা তার ঘরে মাকে আর ঢুকতে দেয়নি। মা...সে তো আর রাগ করে থাকতে পারে না স্বামীর ওপরে, না মেয়েকে না খাইয়ে শাস্তি দিতে পারে! সম্পূর্ণ বিনা দোষে বাবার কথার আঘাত ও চড় সহ্য করেও মা রান্না করেছিল, বাবার ঘরে গিয়ে খাবার দিয়ে এসেছিল, লতার ঘরে তাকে মাথায় হাত বুলিয়ে খাইয়ে দিয়ে এসেছিল। তারপর থেকেই ওভাবে বারান্দায় আমার অপেক্ষায় বসেছিল। সেই বিকেলের পর থেকে বাবা আর একটাও কথা বলেনি মায়ের সঙ্গে।
যা ভেবেছিলাম তাই হলো, লতার সব কান্ড বাবা জেনে গেলো। এই ঘটনা আমায় আঘাত দেয়নি, লতা বড়ো হয়েছে, প্রেম করছে, আর তা একদিন জানাজানি হবেই, এটা স্বাভাবিক, আঘাত পেলাম মায়ের অপমানে! এই সংসারের সব ভুল, সব খারাপ আর সব দূর্ভাগ্যের জন্য মাকেই দোষী হতে হয় বারবার। আমি আর সহ্য করতে পারলাম না! কতোবার, কতোবার আমি আমার প্রাণপ্রিয় মায়ের চোখের জল দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবো! কতোবার তাকে মিথ্যা সান্তনা দেবো যে সব ঠিক হয়ে যাবে, বাবা শুধরে যাবে! কতোবার তার দুঃখে পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে বলবো চোখের জল তোমার এতো অল্প মূল্যের নয় মা! আমার রাগ প্রবল, শুধু প্রকাশটা কম হয় মাত্র, কিন্তু যখন হয়, তখন এর তাপ যে কেউ সহ্য করতে পারে না!
আমি মাকে ওখানে বসিয়ে রেখে বাবার ঘরের দরজা সজোরে ধাক্কা দিয়ে দড়াম করে খুলে ভেতরে ঢুকে 'বাবা' বলে চিৎকার করে উঠলাম। বাবা ঘুমিয়ে ছিল। ঘুমের মধ্যে এতো চিৎকারে ভয়ে ধড়মড়িয়ে উঠে বসলো। আমার চোখ দিয়ে তখন আগুনের হলকা বেরিয়ে আসছে। আমি ক্রুদ্ধ স্বরে বললাম তাকে,
- তুমি মায়ের গায়ে হাত তুলেছো?
বাবার ঘুমের ঘোর তখন আমার চিৎকারে ভঙ্গ হয়ে রেগে গিয়ে উত্তর দিলো,
- তুলেছি। ভুল করলে আরও মারবো।
এই কথায় আমার মাথায় আগুন জ্বলে উঠলো। মা কি কোনো ভৌত বস্তু নাকি যে রাগ হলেই তাকে ছুঁড়ে ফেলা যায়! এই তার ভালোবাসা নিজের স্ত্রীর জন্য! নাকি নিজের যৌবন শেষ হয়ে গেছে বলে মাকে একজন সংসার চালানো দাসী ভেবে ফেলেছে সে! আমি গর্জে উঠলাম,
- না, আর নয়, আর একটা আঘাতও নয়। এই শেষ!
বলে দরজা টা আবার দড়াম করে ভেজিয়ে দিয়ে বেরিয়ে এলাম বাবার ঘর থেকে। বাইরে এসে দেখি মা চোখে জল নিয়ে বারান্দায় দাঁড়িয়ে বাবার ভয়ে থরথর করে কাঁপছে। আমি মায়ের কাছে গিয়ে মায়ের হাতটা ধরে বললাম,
- চলো, আজ থেকে তুমি আমার কাছে শোবে। বাবার সঙ্গে তোমায় আমি আর থাকতে দেবো না।
মা আমায় আটকায়, কাঁদতে কাঁদতেই বলে,
- ওরকম বলিসনা বাবা, আমি দোষ করেছি বলেইতো মেরেছে। বারে, ভুল করলে তো তাকে শাস্তি দিতে হবে, নয়তো যদি আমি বারে বারে ভুল করি!
- না মা, ভুল তুমি নিজে করোনি, শুধু তোমার একটাই ভুল....সরল মন নিয়ে সবার কথা মেনে নেওয়া আর সব.... সবকিছু সহ্য করে নেওয়া! তবে আর, আর আমি তোমায় কষ্ট পেতে দেবোনা মা!
- এরকম করিস না বাবা, আমি আজ রাতে তোর বাবার কাছে না গেলে যে তোকে ও মেরে শেষ করে দেবে কাল!
আমি থামলাম। শুধু থামলাম না, আমি অবাক হলাম। মায়ের 'রাতে বাবার কাছে যাওয়া' - এই কথাটা ঠিক স্বাভাবিক ভাবে আমার মনে প্রবেশ করলো না। রাতে যাওয়া মানে? রাতে মা বাবার কাছে গেলে বাবা আর আমায় মারবে না? কেন? মা কোন পথে বাবার রাগ ঠান্ডা করবে? মা কি করতে চলেছে?
মা শাড়ির আঁচল দিয়ে চোখের জল মুছে নিঃশব্দে বাবার ঘরে ঢুকে দরজাটা ভেতর থেকে বন্ধ করে দিলো। আমি নিজের ঘরে চলে এলাম।
আর কি চিন্তা করবো? কিইবা বাকি আছে চিন্তা করার? লন্ঠনের আলো নিভিয়ে দিয়ে জানালার কাছটায় এসে শুয়ে পড়লাম। জানালা দিয়ে দেখা যাচ্ছে আজ পূর্ণিমার পূর্ণ চাঁদ। তার রূপোলী আলো আমার ঘরে ঢুকে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে এক মায়াবী আবহ সৃষ্টি করেছে। আমি ওই চাঁদের দিকে চেয়ে কত কি ভাবতে লাগলাম!
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) -
Erotic Lovers - 09-23-2026
পর্ব - ৩
বিছানায় শুয়ে শুয়ে মায়ের কথা ভাবছি, এমনসময় আমার পাশের ঘর থেকে বাবার গলার স্বর কানে এলো। আমাদের ৩ টা ঘর পাশাপাশি, প্রথমে আমার ঘর, মাঝে বাবার আর তার পাশেই শেষের ঘরটা লতার। এই নিস্তব্ধ নির্জন জ্যোৎস্নালোকিত রাতে একটা বাদুড়ের ডানা ঝাপটানোর আওয়াজও কানে তালা ধরায়, সেই তুলনায় বাবার গর্জন যেন এই রাতের অন্ধকারকে খান খান করে দিল!
- দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কি তাকিয়ে আছিস গাভী? এতো বড়ো দুধ নিয়ে ব্লাউজ পরে স্বামীর সামনে কি সারা রাত দাঁড়িয়ে থাকতে দেবো নাকি তোকে? এদিকে আয়....!
আমি কান খাড়া করে বাবা মার ঘর থেকে আসা শব্দে কৌতুহলী হয়ে সজাগ হয়ে শুয়ে রইলাম চুপচাপ। হঠাৎ ফড় ফড় ফড় ফড় করে কিছু একটা ছেঁড়ার আওয়াজ এলো। সঙ্গে সঙ্গেই,
- আহ্....!
মায়ের আওয়াজ কানে এলো। বুঝলাম বাবা হয় মায়ের কাপড় ছিঁড়ছে বা ব্লাউজ!
মায়ের ব্লাউজের কথাটা মনে আসতেই স্তনের কল্পনায় গতকালের সেই অপরিসীম আনন্দের তীব্র অনুভূতিটা আমার সারা শরীরকে ধীরে ধীরে অবশ করে ফেললো! আমার পাপবোধ লুপ্ত হয়ে হাত উঠে এলো আমার পুরুষালি লিঙ্গের উপরে। ওপাশ থেকে ভেসে এলো বাবার কন্ঠস্বর,
- এতো বড়ো দুধ বানিয়েছিস যে হুক খুলতে গিয়ে ব্লাউজটাই ছিঁড়লো.... গাভী কোথাকার!
পাপবোধ, মায়ের প্রতি সন্তানের সামাজিক সম্পর্ক ও মাতৃপ্রেম মুছে গিয়ে আমার সারা শরীরকে এক অদম্য বন্য আদিম রিপু ধীরে ধীরে গ্রাস করা শুরু করলো....মায়ের শরীরী সৌন্দর্য্য আমায় হাতছানি দিলো.... গতকালের মায়ের সেই নরম স্তনের স্পর্শ আমার দেহমনে আগুন ধরিয়ে দিল! ওদিক থেকে ভেসে আসছে বাবার ভোগের শব্দ....!
- বেশ্যা মাগী....না মেয়েকে মানুষ করতে পারলি, না ছেলেকে বড়ো করতে পারলি....দুটোই আমার গলার কাঁটা.... নে....খা এবার....!
- আমার লাগছে ......ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্....!
- মাগী এই বড়ো বড়ো দুধ যে তোর হয়েছে....এগুলো টিপে টিপে তোকে না খেয়ে আমি তোকে ছাড়বো না....তুই আমার বাঁধা মাগী.... আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্.....!
আমি এবার এই জগৎ থেকে হারিয়ে গিয়ে প্রবেশ করলাম এক অন্ধকারে ঢাকা নিষিদ্ধ জগতের রসসিক্ত নির্জন ঘরে, যে ঘরের প্রতিটি দেয়ালে পাশাপাশি সাজানো রয়েছে অসংখ্য আয়না.... যে আয়নাগুলোতে মায়ের অপরূপ দেহের প্রতিবিম্ব ফুটে উঠছে। তার দুই ডাগর চোখ, নরম পুরু ঠোঁট, চর্বিতে ভরা ভারী দুটো স্তন, চওড়া কোমর, উন্নত ফোলা নিতম্ব আমার শিরা উপশিরাতে ভালোবাসার রং ছড়িয়ে দিলো! আমি প্যান্ট খুলে হাতের মুঠোয় নিজের লিঙ্গ ধরে ঝাঁকুনি শুরু করলাম। আজ প্রথমবার আমি হস্তমৈথুন করবো... জীবনে প্রথমবার আমি জাগ্রত অবস্থায় বীর্যপাত করবো.... নিজের মায়ের স্বাদ কল্পনা করে!
ওদিক থেকে ভেসে এলো মায়ের স্বর,
- ওগো..... আসতে.....আমার লাগছে..... ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্!
বাবার আওয়াজ,
- লাগবে সোনা....এত বড়ো দুধ বানায় যে মাগী....তাকে না ব্যাথা দিলে যে মনে সুখ আসেনা.... ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্!
সত্যিই, মায়ের স্তন....না মায়ের দুধ বেশ বড়ো বড়ো আর পাঁচজনের চেয়ে। দেহটা মোটাসোটা, একটু বেঁটের দিকেই, তার তুলনায় মায়ের দুধ দুটো খুব বড়ো, বুকের দুদিকে দুটো ঝুলছে। বেশ বড়ো আকারের এক একটা দুধ! ভাবতে ভাবতেই আমি আমার লিঙ্গ, না...আমার বাড়া ধরে তার চামড়া আগু পিছু করতে লাগলাম কল্পনায় মায়ের দুই বড়ো বড়ো দুধের দিকে চেয়ে! আহ্....মা আমার এতো বড়ো দুধের অধিকারী! আহ্....মা.....মা গো.....তোমার দুধে একটিবার স্পর্শ করতে দাও মা.....!
- ছেলেটাকে কি ভাতার বানিয়ে ফেলছিস নাকি? সব কথা ওর কাছে আজকাল বলছিস দেখছি....নে খা..... আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্... আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্....!
- ওরকম কথা মুখেও আনতে নেই গো..... বোলো না....আমার যে মাটিতে মিশে যেতে ইচ্ছে করছে.....আমায় কি তুমি কোনো দিন বাঁচতে দেবে না....ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্!
বাবার মুখে আমার সঙ্গে মায়ের ঘনিষ্ঠতার শব্দ কানে যেতেই আমার হাতের জোর বৃদ্ধি পেলো। আমার দেহে বাঘের শক্তি! মজবুত শক্ত হাতের মুঠোয় বাড়া ধরে জোরে জোরে মায়ের রসের কথা অবচেতনে কল্পনা করতে গিয়ে প্রি-কাম বেরোতে শুরু করলো বাড়ার মুন্ডির ছিদ্র দিয়ে। বাড়াটা আমার প্রায় ১০ ইঞ্চি লম্বা, ঘেরে চার ইঞ্চি মোটা.....! চোখ বন্ধ করলাম। চোখের কোনো প্রয়োজন নেই আর, কান ও মনেই সুখ নিংড়ে নেওয়া যায় এখন! যেন মায়ের হাত স্পর্শ করলো আমার বাড়ায়, মা আমার দিকে চেয়ে বললো,
- সোনা.... অনেক ধকল গেছে সারাদিন....আয় আমি তোকে খাইয়ে দিই...!
এমনসময় কাল রাতে মায়ের খাইয়ে দেওয়ার সময় মায়ের বাঁদিকের নরম লদলদে মোটা দুধ আমার হাতের কনুইয়ে স্পর্শের স্বাদে আমি চেপে চেপে আমার বাড়াটা উপর নিচ করতে থাকি। বাবা মার আওয়াজ আসতে থাকে,
- ওগো.... আস্তে গো.....আমার কেমন লাগছে..... ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্.....ভেতরটা কেমন করছে.......!
- আস্তে নয় মাগী, জোরে ভরবো তোকে....এতেই যে প্রকৃত সুখ....আমি বুড়ো হয়েছি....তোর এই যুবতী নধর শরীরের মধু আমি না পারি খেতে, না পারি তোকে সন্তুষ্ট করতে..... এতোক্ষণ ধরে ভরছি.....তবুও তুই রস ছাড়লি না....!
- না গো.....এমন কথা বোলো না....তোমার সবেতেই আমি সন্তুষ্ট..... ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্.....ওগো.....!
- মিথ্যা বলিসনা মাগী.....তোর শরীরে খিদে খুব....কি ভাবছিস.....বুড়ো হয়েছি? বাড়া বড়ো হলেও দম শেষ হয়ে গেছে.....তাই বলে আমি তোর খিদে টের পাইনা? আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্..... সেদিন যখন কেউ ছিলনা বাড়িতে, আমার চোখের সামনে ঘুরঘুর করছিলি....কি ভাবলি, আমি কিছু বুঝিনি.....? তোর গুদে যে রস কাটে সবসময়, ছেলেমেয়েদের সামনে বোঝাতে পারিসনা আমায়। যখনই ওরা ঘরের বাইরে গেল, অমনি আমার কাছে কাছে পোঁদ দুলিয়ে দুলিয়ে হাঁটা শুরু করলি? টানা ১ ঘন্টা ধরে অনেক কষ্টে তোকে ঠাপিয়েই গেলাম.....কই, কোথায় তোর রস? এখনও বল্ বলে দিচ্ছি.....তুই আমার ঠাপে সন্তুষ্ট নোস?
- ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্.....বিশ্বাস করো সেদিন আমি একটা কথা বলার জন্য তোমার কাছে বার বার যাচ্ছিলাম....ওসবের জন্য নয়!
- তোর দুধ টিপে ফাটিয়ে দেবো আমি, সত্যি করে বল মাগী, তুই তোর ভাতারের কাছে সন্তুষ্ট নোস?
- তোমার সঙ্গে সহবাস করে তোমায় দুই সন্তান দিয়েছি.....তোমার বকুনি সহ্য করেও তোমার রাগ ভাঙাতে তোমারই কাছে নিজের দেহকে সঁপে দিয়েছি বারে বারে .....এখনও কি এই প্রশ্নের উত্তর পাওনি তুমি? তুমিই আমার সব গো..... ওহ্ ওহ্ আহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্!
- আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্.....তুই ভালো মেয়েছেলে, তুই ভালো মা, তুই ভালো বউ, তুই সতী নারী..... স্বামীর সুখেই বাঁচতে চাস্...... কিন্তু তোর দেহের....আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্....অসীম খিদে রে....হয়তো এখনও তুই বুঝিস নি......... আমি বুঝতে পারি মাগী..... যতই ঘোমটা টেনে ঘোর... শাড়ির ভেতরে যে গতরটা তোর ফুলে উঠেছে, তার রস যে কতখানি....তা কেবল যে চেখে দেখেছে সে-ই বলতে পারবে, যেমন আমি..... আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্.....!
- অমন কথা বোলোনা গো.....আমি যে আর শুনতে পারছি না!
- আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্.....মাগী তুই আমার থেকে ২৩ বছরের ছোটো....আমায় বোকা বানাস না....তোর শরীরে এখন ভরা বান.... সেখানে আমার বয়স্ক বাড়া খড়কুটোর মতো ভেসে যাচ্ছে!
- তুমিই আমার সব...... ওহ্ ওহ্ আহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্..... উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্ উফ্......
- দেখছিস..... দেখছিস মাগী..... আমার ছাড়ার সময় হয়ে এলো.... কিন্তু তোর গুদ এখনও জল ছাড়া শুরু করেনি...... উত্তর দে.....
- আমি কি করবো বলো......এখানেও আমার দোষ.....আমার ভুল.....তুমি কি আমায় শান্তি দেবে না গো.....?
- তোকে বলে রাখছি....যদি কাল থেকে দেখি ছেলের প্রতি তখনও আদর রয়েছে....তাহলে ছেলেটাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ঘর থেকে বের করে দেবো.....মনে থাকবে?
- এ কি কথা বলছো তুমি....?
- মনে থাকবে?
- সব মনে থাকবে গো....আমার....সব মনে থাকবে.....!
- তোর শরীরের খিদে মেটানো আর আমার হলো না রে মাগী.....তুই ভালো মেয়ে, তুই নিজেও জানিস না যে তোর ভেতরে কত খিদে জমা আছে.....হয়তো একদিন জানতে পারবি..... আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্.....ছাড়ছি আমি ছাড়ছি........ওহহহহহহহহহহহহহহহহহ্......আর যেদিন জানতে পারবি, সেদিন তুই অন্য কারোর হয়ে যাবি রে.........মাগী...... নে......নে......খিদে তো মিটবে না তোর......নে.......তোর আরও জোরে চায় না?......নে.......মাগী বেশ্যা কোথাকার.......গুদে বাড়া ঢুকিয়ে ঘা খাচ্ছে.....তারপরেও রস ছাড়ার নাম নেই...... স্বামীর দেহ দিয়ে খিদে মিটছে না মাগীর......নে....... আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্।
- ওগো.....এমন কথা বোলো না গো..... ওহ্ ওহ্ ওহ্ আহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্ ওহ্!
সঙ্গমে লিপ্ত থাকা নিজের মায়ের কান্না ও আনন্দ ভেজানো গলার আওয়াজ শুনতে শুনতে আমার মোটা বাড়াটা মুঠোয় নিয়ে জোরে জোরে চাপ দিয়ে ভলকে ভলকে আমার বীর্যপাত ঘটলো।
- মা........আমায় একটিবার জড়িয়ে ধরো মা.......তোমার ওই নরম নরম দুধ দুটোকে আমার হাত দিয়ে মুচড়ে মুচড়ে যে লাল করে দেবো মা....তোমার ওই ভরা দুধ দুটোকে যে মধুতে আরও ফুলিয়ে তুলবো মা.......তোমার ওই মোটা গতরের রসে যে আমি স্নান করবো মা......তোমার ওই ফোলা গুদের গর্তে যে আমি আমার বাড়া ঢুকিয়ে ঢুকিয়ে তোমায় সুখ দেবো মা......তোমার রসালো ভারী পোঁদ দুহাতে টিপতে টিপতে তোমার দুধের বোঁটা চুষতে চুষতে তোমার গুদে আমার বীর্য ঢালবো মা........ও.........মা.................….... আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্!!!!!!!!
প্রায় দু মিনিট ধরে ভলকে ভলকে আমার বাড়া থেকে বীর্য বেরিয়ে দূরে ছিটকে গিয়ে মেঝেতে ঝরে পড়তে লাগলো। আমি এমন এক আবেশের মধ্যে প্রবেশ করলাম, মনে হল এই সুখ জীবনের সমস্ত সুখের চাইতে অনেক বড়ো, অনেক মূল্যবান! মায়ের সঙ্গে রতি ক্রিয়ার কথায় আমার বাড়া এতো শক্ত হয়ে গিয়েছিল যে মুন্ডিটার দিকটায় ব্যাথা করে টনটন করে উঠলো। এই তাহলে হস্তমৈথুন....এতে এতো সুখ! তাহলে সত্যিই যদি একটা দেহ পেয়ে যায়, তবে কত সুখ! আর তা যদি হয় নিজের মায়ের....চারুলতার? আর সেখানে যদি দেহের সঙ্গে হৃদয়ের সংমিশ্রণ ঘটে....যদি দেহের জন্যই দেহ নয়, প্রেমের পরিণতিতে দেহভোগ ঘটে....তবে? নিজের মনেই বলে উঠলাম,
- মা গো.....!
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) -
Erotic Lovers - 09-23-2026
পর্ব - ৪
পরের দিন থেকে আমার প্রতি মায়ের ব্যবহার সম্পূর্ণ বদলে গেল। সবই করে, রান্না করে, খেতে দেয়, ঘরও পরিস্কার করে দেয়, কিন্তু আমার মা যেন ঠিক আগের মতো আর নেই! এই দুঃখের সংসারে যতটুকু হাসি অবশিষ্ট ছিল, তাও যেন চলে গেল মায়ের মুখ থেকে। আমি কাছে গেলে, জড়িয়ে ধরলে বা সাধারণ কথা ছাড়া অন্য কোনো কথা বলতে গেলেই মা কথা ঘুরিয়ে সেখান থেকে নিঃশব্দে চলে যেতো। বুঝলাম কাল রাতের বাবার কথার প্রভাব। আমার সঙ্গে বেশি কথা বললে আমায় বাবা ঘাড় ধাক্কা দিয়ে নাকি বের করে দেবে, এই ভয়েই আমাকে হারিয়ে ফেলার চিন্তাতেই মা আমার থেকে দূরে দূরে থাকছে। এই ঘরের প্রতি আমার কোনো মোহ নেই, না লোভ আছে, শুধুমাত্র মায়ের কথা ভেবেই, মায়ের এই অসহায় সরল চোখদুটো দেখলেই মনটা কেমন হু হু করে ওঠে। আমি চলে গেলে মায়ের কষ্ট, মায়ের ওপর বাবা অত্যাচার, বোনের কথার আঘাত যে আরোও বেড়ে যাবে। এ আমি কিছুতেই হতে দেবো না!
এই হল মায়ের জন্য চিন্তা, তার সঙ্গে এসে জুড়েছে আরেক চিন্তা!
কাল রাতে আমি মায়ের গলার আওয়াজ শুনে, মায়ের উলঙ্গ দেহ কল্পনা করতে করতে আমি আমার জীবনের প্রথম বীর্যপাত করেছিলাম! কি করে ফেললাম আমি এটা! যে মাকে আমি নিজের প্রাণের চাইতেও বেশি ভালোবাসি, সম্মান করি, তার মাতৃত্বের প্রভাবে মাথা নত করি তার পায়ের কাছে, আজ সেই মায়ের কথা ভেবেই আমি বাড়ায় হাত দিলাম, সেই মায়ের শরীর কল্পনা করে আমি আমার থকথকে সাদা রস ছলকে ছলকে মেঝেতে ফেললাম? ছিঃ!
এমনসময় চোখ পড়লো মায়ের দিকে। তখন বাবা মাঠে, লতা নিজের ঘরে, আর মা উঠোনে দুটো গরুকে জল দেওয়ার জন্য একটা বড়ো পাত্রে জল ভরে গোরু দুটোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি বারান্দা থেকে দেখলাম মায়ের রূপ.....এটাও জীবনে প্রথমবারই ঘটলো! এর আগে মাকে কোনোদিন আমি এই দৃষ্টিতে দেখিনি, কিন্তু আজ....দেখলাম! মাতৃরূপে নয়, একজন নারী রূপে আমার মা চারুলতার দেহের সৌন্দর্য্যের স্বাদ নিলাম।
কি অপরূপ তার সৌন্দর্য্য! শ্যামাঙ্গিণী সে, এর জন্যেই যেন তাকে আরো বেশি সুন্দরী দেখাচ্ছে। তার মুখের লাবণ্য তার ঘন কালো চুল, দুই ডাগর চোখ ও নরম গোলাপী ঠোঁটের আভায় প্রকাশ পাচ্ছে! নজর পড়লো মায়ের বুকের কাছটায় যখন মা নীচু হয়ে গোরুগুলোকে জল দিচ্ছিল। মায়ের এতো বড়ো বড়ো দুধ....! দুধ দুটো ব্লাউজ ভেদ করে শাড়ির ওপর দিকেই উঁকি মেরে আমার সঙ্গে কথা বলছে গোপনে। যেমন বড়ো, তেমনি টাইট হয়ে বুকে এঁটে বসেছে। ভেতরে ব্রা গ্রামের মেয়েরা ভাবতেই পারে না। ব্রা ছাড়াই মায়ের দুই দুধ একটুও না ঝুলে বুকের সঙ্গেই জমাট বেঁধে আছে। মা নীচু হওয়ার সময় দেখলাম শাড়ির আঁচল বুক থেকে সরে গিয়ে ব্লাউজের উপরের দিক ফাঁক করে যেন বাইরে উপচে পড়তে চাইছে। এতো বড়ো....ও মা.....এতো বড়ো তোমার দুধ! যখন মা গোরুগুলোকে জল দিয়ে উঠোনের অন্যদিকে নতুন খড় আনতে গেল গোরুগুলোর জন্য তখন দেখতে পেলাম তার পোঁদ। এ কি মা! এতো ভারী? একেক দিকে এক একটা বড়ো কুমড়ো বসিয়ে দিলে যতোটা ফুলে ওঠে, তার চাইতেও বড়ো হয়ে ফুলে আছে মায়ের পেছনের শাড়ির তলায় পোঁদের দুই মাংসপিন্ড! মা যখন নতুন খড় নেওয়ার জন্য মাটিতে ঝুঁকলো, মায়ের পোঁদের মাংস আরও ফুলে গিয়ে বিরাট আকার ধারণ করেছে! তারপর সোজা হয়ে দাঁড়াতেই আমার চোখ আটকে গেল আমার মায়ের পোঁদের দুই দাবনার মধ্যিখানের চেরায়। মায়ের শাড়ি সেখানকার গভীর চেরার অন্ধকারে ঢুকে গেছে। আহ্....এ কি অপরূপ দেহ মায়ের! এই ৩৫ বছরের বিবাহিত এক নারীর শরীরের আনাচে কানাচে কামনার নেশা ছুটে বেড়াচ্ছে যেন....তাকে ধরতে পারলেই কাজ হাসিল হবে!
হঠাৎ এমনসময় মা আমার দিকে তাকালো। আমি তৎক্ষণাৎ মুখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করলাম। মা বোধহয় অত গুরুত্ব দিয়ে আমায় দেখেনি। সে আপনমনেই নিজের কাজ সারতে লাগলো। আর আমার মনে সেই পাপবোধ আবার ঘুরে এলো।
আমি এসব কি করছি? শুরু হয়েছিল মায়ের স্পর্শে একটা অনুভূতি দিয়ে, সেই অনুভুতিই বদলে গিয়ে কামের নেশায় মায়ের সঙ্গমরত আওয়াজ শুনে আমায় দিয়ে জীবনের বড়ো অপরাধ ঘটালো, আমার বীর্যপাত হলো, সেখানেও সে থেমে থাকলো না, আজ মায়ের শরীরে তার নিজের পেটের সন্তানের কু দৃষ্টি পড়লো! আমি কুনজরে মায়ের দেহ এই দুই চোখ দিয়েই যেন ভোগ করলাম। না , আর না। আমার জনম দুঃখী মা, আমার সরল মা, আমার অসহায় মা....সে আমার মা.... তাকে নিয়ে আর কোনো কুচিন্তা নয়....এই মুহূর্ত থেকে!
এরপর মাকে অনেকবার জিগ্যেস করেছি যে সে কেন আমার সঙ্গে কথা বলছে না, জানি আমি সবটাই, তবুও মায়ের মুখ থেকেই শুনতে চাইছিলাম, যাতে নিজের মুখে মা মনের কথা খুলে বলে নিজের মন হালকা করতে পারে। দেখলাম তাতেও মায়ের নিস্তব্ধতা ভঙ্গ হলো না! তারপর আমি আর এগোয়নি, কারণ এরপর এগোলে অর্থাৎ বাবা সেই রাতে মাকে কি বলেছিল, এটা যে আমি জানি, এটা বলে দিলে মা লজ্জায় পড়ে যাবে, কারণ বাবা এসব বলেছিল মায়ের সঙ্গে যৌন মিলনের সময়। তাই আর এই বিষয়ে কথা তুললাম না।
দিন কাটতে লাগলো। মা যতটা না বললেই নয়, ততটাই কথা বলে এখন। যদিও মা এভাবেই কথা বলছে, মনে মনে বুঝতে পারি যে তার ভেতরটা ফেটে যাচ্ছে তার প্রাণের ছেলের সঙ্গে ভালোভাবে কথা না বলার যন্ত্রনায়। মায়ের চোখ দিয়ে কতবার আমি জল ঝরতে দেখেছি, কিন্তু কিছু বলতে গেলেই চোখ মুছে অন্যদিকে চলে যায়। এদিকে আমার ইন্টারভিউয়ের কোনো ফলাফলই পেলাম না আর। চাকরিটা আদৌ হবে কি না, তাও জানিনা, হয়তো আমায় বাদ দিয়ে তারা অন্য কারোকে নিয়ে নিয়েছে। চাকরিটা পোস্ট অফিসের কেরানির চাকরি। বেতন ভালো। কিন্তু বুঝলাম যে আমার ভাগ্যটা সত্যিই খারাপ! এদিকে চাকরির ব্যাপারেও নিশ্চিত নই, অন্যদিকে মাও কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছে! এই দুই কারণে নিজের প্রতি রাগ হতে লাগলো। এই জীবনকে অর্থহীন মনে হতে লাগলো। এই অবস্থায় একজনের মনের জোর কমে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। আমি চাকরির জন্য পড়াশোনা করা ছেড়ে দিলাম আর চাষের কাজে পুরোমাত্রায় লেগে পড়লাম।
একদিন সকালে মাঠে বেরোবো, বাবা ভোরেই চলে গেছে, দেখি বোন এসে আমার ঘরে ঢুকলো। কি ব্যাপার! ও তো কারণ ছাড়া আমার কাছে আসে না! কি কারণ হতে পারে? লতা আমার ঘরে ঢুকে দরজা ভেজিয়ে দিয়ে বিছানায় আমার পাশে এসে বসলো। আমি বললাম,
- কি রে, কিছু বলবি?
লতা একটু চাপা স্বভাবের। বাবা তাকে কলেজের পড়াশোনা বন্ধ করে দিয়েছে। ভয়ে সে বাবাকে কিছু বলতে পারেনি। সে আমাকে মোটেও সহ্য করতে পারে না, তবুও আজ আমার কাছে এসেছে দেখে বুঝলাম খুব জরুরী কোনো ব্যাপার রয়েছে। সে একটু ফিসফিসিয়ে বললো,
- আমায় একটা সাহায্য কর দাদা।
- কি করতে হবে বল?
- সেই ছেলেটা, মানে যাকে আমি ভালোবাসি, তার নাম নিশীথ। আমি ওকে ছাড়া বাঁচবো না। তুই বাবার সঙ্গে কথা বলেওর সঙ্গে আমার বিয়ের ব্যবস্থা কর। নিশীথ চাষবাস করে। ওর মা বাবা নেই। ওই চাষবাসের উপার্জনে আমাদের দুজনের ভালোভাবে চলে যাবে। আজ রাতেই তুই কথা বলবি বাবার সঙ্গে। নয়তো এর পরিণাম খুব খারাপ হবে...এই বলে রাখলাম!
বলে সে দরজা খুলে বেরিয়ে গেল। আমি উঠে বাইরে এসে দেখি মা রান্না চাপাচ্ছে। মায়ের কাছে গিয়ে বললাম,
- মা, একটা কথা আছে।
মা কিছুক্ষন চুপ থেকে একটু শান্ত গলায় বললো,
- বল।
- লতার ব্যাপারে।
মা দেখলাম একটু চিন্তিত হলো, কিছুক্ষণ কি যেন ভাবলো, তারপর বললো,
- লতার ওই ছেলেটার ব্যাপারে?
বুঝলাম এর আগে লতা মাকেও এই ইঙ্গিত দিয়েছিল। আমি ঘাড় নেড়ে বললাম,
- হ্যাঁ মা। ছেলেটার নাম নিশীথ। আমাদেরই মতো চাষী, মা বাবা নেই, একা থাকে। বিয়ে দিলেও কোনো সমস্যা নেই, ভালো থাকবে লতা।
- আমি কি বলবো চয়ন, তোর বাবাকে বলে দেখিস!
আমি বুঝলাম মা রাজি, কিন্তু বাবার কথাই শেষ কথা! তাই রাতে বাবার সঙ্গে এই নিয়ে কথা বলবো ঠিক করে আর কিছু না ভেবে কাঁধে গামছা আর হাতে একটা কোদাল নিয়ে মাঠে বেরিয়ে গেলাম।
বাড়ি থেকে বেরোবার আগে দেখলাম....মায়ের সৌন্দর্য্য! কি অপরূপ সুন্দরী সে! কথা বন্ধ হওয়ার পর থেকে তার সৌন্দর্য্য যেন আমায় আরো বেশি করে আকর্ষণ করছে! যে যতদূরে ঠেলতে চায়, তার প্রতি মোহ তত বেশি বাড়ে! যত মা আমায় দূরে ঠেলার চেষ্টা করার অভিনয় করছে বাবার আদেশে, তত বেশি করে আমি যেন মায়ের লাবণ্যময়ী সৌন্দর্য্যের ঘোরে তার আরও কাছে চলে যাচ্ছি। সেই কুচিন্তাগুলো আসছে! আমি তাদের গুরুত্ব না দেওয়ার চেষ্টা করছি, কিন্তু ধীরে ধীরে তা গুরুত্ব পেয়েই যাচ্ছে....দিন দিন যেন তার প্রভাব বাড়ছে!
যত বেশি ভাবি মায়ের নিয়ে এসব চিন্তা করবো না, এসব পাপ, এই সমাজে নিষিদ্ধ, তত বেশি করে এই পাপ কাজকেই ভালো লাগছে আমার! বারে বারে এই পাপে আমি লিপ্ত হচ্ছি, হয়ে চলেছি! যেন আমার মনে সেই 'পাপবোধ' শব্দের যে ক্ষমতা এতদিন ছিল, তা ক্রমে কমে আসছে আর মায়ের প্রতি এই অনুভূতির যে সূচনা হয়েছিল, তার ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পেতে অসীমে গিয়ে ঠেকছে। আগে তো মায়ের দিকে তাকালে এই নিষিদ্ধ ভালো লাগার উদয় হলে একটু হলেও খারাপ লাগতো, কিন্তু এখন? এখন যে আর তাও লাগেনা.... শুধু এই নিষিদ্ধ অনুভূতির পুজো করে চলেছি গোপনে.... আমার মনের অন্তরালে...!
ধীরে ধীরে আমি এমন হয়ে যাচ্ছি যে নিজেকেই নিজে চিনতে পারি না মাঝে মাঝে!
এইতো কদিন আগেই সকালে মা উঠোনে বসে গোরুর দুধ দুইছিল একটা বালতিতে। দুহাতে দুটো বাঁট ধরে উপর থেকে নিচ অবধি নিংড়ে নিংড়ে দুধ বের করে বালতি ভরে তুলছিল। আমি ঘুম থেকে উঠে দাঁতন দিয়ে দাঁত পরিস্কার করছিলাম তার সামনেই। মা একমনে গোরুর দুধ দুইছে। আমি আড়চোখে তাকিয়ে দেখলাম মায়ের বুকের কাছটায় কাপড় সরে গিয়ে বড়ো বড়ো দুধ দুটো ব্লাউজের ভেতর থেকেই দেখা যাচ্ছে। এমনসময় গোরুর দুধ দুইতে গিয়ে গোরুটা একটু নড়ে ওঠায় তার দুধের বাঁট থেকে পিচকিরির মতো দুধ গিয়ে মায়ের মুখ, হাত আর ব্লাউজের ওপরে ছিটকে পড়লো। আর এতেই আমি পাগল হয়ে গেলাম। ব্লাউজের ঠিক মাঝখানে যেখানে মায়ের দুধের বোঁটা রয়েছে, সেখানেই গোরুর দুধ ছিটকে লেগেছে আর তাতে ব্লাউজ ভিজে গিয়ে মায়ের দুটো দুধের বোঁটা ফুটে উঠল। কি দৃশ্য দেখালে আমায় মা! ফোলা ফোলা বড়ো বোঁটা মায়ের দুটো দুধের মধ্যিখানে স্পষ্ট হয়ে ব্লাউজ থেকে মুখ উঁচিয়ে ফুলে আছে বাইরের দিকে। মায়ের সেদিকে খেয়াল নেই। আমি দাঁতন ছেড়ে আরো কাছে এগিয়ে গিয়ে মাকে গোরুর দুধ দুইতে সাহায্য করার নাম করে গোরুটার পা দুটো শক্ত হাতে ধরলাম মায়ের বিপরীত দিকে মায়ের দুধের দিকে মুখ করে। মা তাকিয়ে আছে গোরুর দুধের বাঁটে, আমি তাকিয়ে আছি মায়ের দুধের বোঁটায়। মা যেভাবে দুধ দুইছে, আমি কল্পনা করতে লাগলাম আমিও একদিন ঠিক এইভাবেই তোমার ওই দুটো বড়ো ভারী নরম থলথলে দুধকে দুইবো মা! তোমায় হামাগুড়ি দিয়ে বসিয়ে তোমার দুধের পাশে বসে নিচে ছোটো হাঁড়ি রেখে প্রথমে তোমার বাঁদিকের বড়ো দুধটা দুইবো, তারপর সেখানকার দুধ শেষ হলে ডানদিকের দুধে হাত দেবো....ঠিক এইভাবেই। বালতি ধরে থাকতে থাকতে আমার বাড়া প্যান্টের ভেতরেই ফুলে উঠে দাঁড়িয়ে গেল।
মা গোরুর দুধের বাঁট থেকে চোখ সরিয়ে যদি আমার দিকে একবারের জন্যেও চেয়ে দেখতো, তবে মা বুঝতে পারতো, তার নিজের পেটের ছেলে তাকে গোরুর দুধ দুইতে দেখে তার মায়ের বড়ো বড়ো দুধের বোঁটা দেখতে দেখতে কল্পনায় তার দুধ দোয়াবার কথা ভেবে ভেবে নিজের লম্বা বাড়া শক্ত করে ফেলেছে। কিন্তু মা তাকায়নি আমার দিকে। মা ভাবতেও পারে না যে একথা! নিজের পেটের ছেলে হয়ে যে নিজের মায়ের নিয়ে এমন কুরুচিকর নোংরা চিন্তা করতে পারে, চারুলতা তা ভাবতেও পারেনা!
আমি মাঝে মাঝে ভাবি, আমি যেমন মায়ের কথা শোনার জন্য ছটফট করছি, মাকে আগের রূপে দেখার জন্য যন্ত্রনা পাচ্ছি, মাকে আবার আগের মতো করে পাওয়ার জন্য আমার প্রাণ ওষ্ঠাগত, মায়েরও কি সেই অবস্থা হয়নি ভেতরে ভেতরে? বুঝতে পারিনা। নারীর মুখ আর মন দুই ভিন্ন ধাতু দিয়ে গড়া, ভেতরে ধ্বংসাত্মক ঝড়ে তোলপাড় চললেও মুখে মধ্যসমুদ্রের জলরাশির মতো শান্ত ভাব এরা তৈরি করতে জানে! এইজন্যই এরা নারী! এদের মনের কথা পড়া অসম্ভব!
সেদিন সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে এলাম বাবার একটু পরে। বাবা একটু আগেই ফিরে গেছে। আমি বাকি চাষীদের সঙ্গে কথাবার্তা শেষ করে মাঠের সব কাজ সেরে বাড়ি ঢুকলাম। তারপর ঘরে গিয়ে সারাদিনের ঘামে ভেজা জামাকাপড় ছেড়ে রেখে ভাবলাম পুকুরের জল এনে স্নান করবো , তাই গামছা হাতে ঘর থেকে বেরোতে যাবো, দেখি মা লন্ঠন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে আমার ঘরের বাইরে। মা এমন রোজ করে। আমি আর বাবা বাড়ি ফিরে এলে লন্ঠন হাতে করে পুকুরে আমাদের সঙ্গে যায় আলো দেখিয়ে। মায়ের মুখে তাকিয়ে দেখলাম। চোখের দিকে তাকিয়ে কিচ্ছু বোঝার উপায় নেই মা মনে মনে কি ভাবছে। আজ আমার ভয়ঙ্কর রাগ হলো মায়ের ওপর আর আমার ভেতরে একটা শুরু হলো প্রবল ঝড়....! তাই নিজের মনে মনেই মাকে বলে উঠলাম,
আমি কি দোষ করেছি যে তুমি আমার সঙ্গে কথা বন্ধ করে প্রতিনিয়ত আমার বুকে ছুরি মারছো? তুমি জানো যে ছোটো থেকেই তোমার সঙ্গে মন খুলে গল্প না করলে, তোমার হাতে না খেলে, তোমার সঙ্গে দুদন্ড বসে না থাকলে আমার কষ্ট হয়! তুমি জানো না বুঝি এগুলো? নাকি স্বামীর কথাই তোমার জীবনের সব? আমি কি তোমার কেউ নই? আমি কি সংসারের জন্য, তোমার জন্য কিছুই করিনি?
এসব ভাবতে ভাবতে আমার চোখ ফেটে জল বেরিয়ে এলো, কাঁদলাম না, কিন্তু মায়ের কাছে দাঁড়িয়েও থাকতে পারলাম না আর। মুখে কড়াভাবেই মাকে বলে ফেললাম,
- দাও, তোমায় আমার সঙ্গে পুকুরে যেতে হবে না, তোমার স্বামীকে চা দাও গিয়ে।
এই কথাটা কি বললাম আমি! তোমার স্বামী? সে তো আমার বাবা হয়! এই কথাটা সাধারনভাবে শুনলে সাধারণ মনে হতে পারে, কিন্তু অবস্থাবিশেষে কথার অর্থ বদলে যায়। আমি ঠিক ওই সাধারনভাবে এই কথা বলিনি। এই 'তোমার স্বামী' কথার মধ্যে লুকোনো ছিল বাবার প্রতি এক নারীর জন্য হিংসা, জ্বলন ও মায়ের জন্য অভিমান। জানিনা মা এর অর্থ কি বের করলো, কিন্তু আমি এই অর্থেই কথাটা বলেছিলাম মাকে। তারপর আর সেখানে দাঁড়ায়নি, মায়ের হাত থেকে একপ্রকার জোরেই লন্ঠন কেড়ে নিয়ে উঠোন থেকে একটা বালতি তুলে দ্রুতপদে পুকুরে চলে গেলাম।
লন্ঠনটা নেওয়ার সময় মায়ের চোখের দিকে একবার চোখ পড়েছিল আমার, সেই অল্প মুহূর্তের জন্যেই দেখেছিলাম মায়ের দুই চোখে কষ্ট, যন্ত্রনা ও তার মনের তীব্র ছটফটানি....এক অসহ্য ব্যাথা যেন তার শরীর ও মনকে এফোঁড় ওফোঁড় করে এই রাতের অন্ধকারে হাহাকার করে উঠলো!
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) -
Erotic Lovers - 09-23-2026
পর্ব - ৫
রাতের খাওয়া শেষ করে আমি ভাবলাম এবার লতার কথাটা বলবো, দেখি বাবা রাজি হয় কিনা। বাবা বারান্দায় বসে একটা বিড়ি টানছিল। আমি কাছে যেতে একবার আমাকে দেখে আবার সামনের উঠোনের অন্ধকারে তাকিয়ে একমনে বিড়ি টানতে লাগলো। আমি বাবাকে বললাম,
- লতাকে নিয়ে কথা বলার আছে তোমার সঙ্গে।
বাবা ভ্রু কুঁচকে আমার দিকে তাকিয়ে রইল কিছুক্ষন। কিছু বললো না। তারপর আবার সামনে তাকিয়ে বিড়ি টানতে লাগলো। আমি বললাম,
- লতা যে ছেলেটাকে ভালোবাসে, তার নাম.....।
- চুপ। একটা কথাও আমি তোর মুখ থেকে শুনতে চাই না। বেরিয়ে যা এখান থেকে।
সবকিছুর একটা সীমা থাকে! মায়ের আমার সঙ্গে কথা বলা বন্ধ, মাকে রোজ রোজ উঠতে বসতে অপমান, রাগে তার গায়ে হাত তোলা, আমার ওপর অকারণে ঝাঁঝিয়ে ওঠা, লতাকে ঘরে বন্ধ করে রাখা, এই সবকিছু মিলে আমার ভেতরে সবকিছু তোলপাড় হয়ে যাচ্ছিল। কন্ঠস্বর গম্ভীর করে শুধু বললাম,
- নিজের কথাকে সংযত করো বাবা। এই বাড়িতে আমার থাকার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই, না তোমার সাথে থাকার ইচ্ছা আছে। নেহাৎ মাকে ছেড়ে যেতে পারবো না, নইলে আমি কবে চলে যেতাম।
বাবা এবার আমার দিকে ঘুরে বিকৃত মুখে নোংরা ভাষায় বললো,
- তা মা-টাকে সঙ্গে করেই বিদায় হ না এখান থেকে, গিয়ে একসাথে সংসার বাঁধ।
বলে মুখে এক অশ্লীল হাসি হেসে বিড়ি টানতে লাগলো।
তার এই কথায় আমি এক নতুন জীবনের পথ আজ যেন দেখতে পেলাম....এতদিন যা অন্ধকারে ঢাকা পড়েছিল বা হয়তো আমি এই পথকে খুঁজতেই চাইনি কোনোদিন! এখান থেকে, এই নরক থেকে, এই নরপিশাচটার কাছ থেকে মাকে নিয়ে চলে যাবার চিন্তা আমার মাথায় এর আগে আসেনি। ভাবতাম রোজগার করে পয়সা আনবো, কিন্তু থাকবো এই ঘরেই এই লোকটার সঙ্গেই। কিন্তু এত গভীরে গিয়ে ভাবিনি যে, এই লোকটার সংস্পর্শে মাকে সুখে রাখা সম্ভব নয়, না আমি সুখে থাকবো। এই লোক যতদিন বাঁচবে, মাকে ততদিন খুবলে খুবলে খেয়ে যাবে! ভালো জীবন পেতে হলে এর থেকে নিষ্কৃতি চায় সবার আগে। আর তার শেষ কথাটা...? 'গিয়ে একসাথে সংসার বাঁধ ' মানে বাবা কি মাকে বিয়ে করে সংসার করার ইঙ্গিত দিলো নাকি স্রেফ মাকে নিয়ে অন্য জায়গায় বাঁচার? বেশি ভাবতে হল না, তার মুখের ওই অশ্লীল হাসিই বুঝিয়ে দিল মাকে বিয়ে করে সুখে রাখার কথাই আমাকে বাবা বলেছে। আমার ভেতরে এক সুপ্ত গোপন পবিত্র অনুভূতি নিজেকে যেন আনন্দে প্রকট করে আমায় বলতে লাগলো,
- যে মাকে এতো ভালোবাসিস, যে মায়ের মন ও শরীর - এই দুটোতেই তোর অদম্য আকাঙ্ক্ষা, তাকে বিয়ে করে নিজের স্ত্রী বানিয়ে জীবন কাটানো তো পরম সৌভাগ্যের বিষয় চয়ন....কেড়ে নে, তোর মাকে এই পশুটার কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে চলে যা দূরে.... অনেক দূরে!
বাবার কথায় আগে হলে রাগ করতাম, কিন্তু এখন রাগের বদলে হেসে বললাম,
- ধন্যবাদ।
বাবা একটু অবাক হয়ে বললো,
- কিসের জন্য?
- কিছু না।
- তা যদি নিয়ে যাস ভালোই হবে, ওর খিদে আমি মেটাতে পারিনা....যা খিদে চারুর!
আমার বাড়ায় একটা সুড়সুড়ি লাগলো এই কথায়। চারুলতার খিদে! আমার মায়ের খিদে! কি সুন্দর -ই না লাগছে এই কথাটা আজ! হ্যাঁ মা...আমি তোমার খিদে মেটাবো....দেখবে একদিন তোমায় বিয়ে করে তোমায় আমার স্ত্রীর সম্মান দেবো আর তুমি...? তুমি আমার ঘর করবে!
এগুলো ভাবছিলাম, হঠাৎ পেছনে কান্নার আওয়াজ পেয়ে তাকিয়ে দেখি মা আমার সামনে বাবার এইরূপ কথা শুনে অপমানে ও লজ্জায় মুখে শাড়ির আঁচল ঢেকে কাঁদতে কাঁদতে চলে গেল ঘরের ভেতরে।
আজ এই মুহূর্তে আমার সামনে বসে থাকা মানুষটাকে ঠিক নিজের বাবা বলে মনে হচ্ছিল না, মনে হচ্ছিল একজন পুরুষ, আর তার নারীকে তার নিষ্ঠুর বেড়াজাল থেকে মুক্ত করে ছিনিয়ে নিয়ে যাবো আমি। তাকে দেখে আমার কেবলই মনে হতে লাগলো, যেন আমার নারীর শরীরে ওর স্পর্শও আমি আর সহ্য করতে পারবো না! এই রাতের এই ক্ষণে আমি আমার মা চারুলতার সন্তান আর নই, আমি তার পুরুষ, আর সে আমার নারী!
পাশ থেকে এমনসময় দরজা ধাক্কা দিয়ে বেরিয়ে এলো লতা। এতক্ষনে আমি তার কথা ভুলেই গিয়েছিলাম। তার কথা দিয়ে বাবার সঙ্গে কথাবার্তা শুরু করেছিলাম ঠিকই, কিন্তু মাঝে চারুলতার কথা, আমার নারীর কথা এসে পড়ায় লতার কথা মন থেকে কখন মুছে গেছে টেরই পাইনি। দেখলাম লতা বাবার কাছে এসে ক্রুদ্ধ গলায় গর্জে উঠলো,
- যদি তুমি আমার সঙ্গে নিশীথের বিয়ে না দাও, আমি এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাবো কালকেই।
বাবা বিড়ি ফেলে উঠে দাঁড়িয়ে তার মুখের ওপর কথা বলার সাহস দেখাবার জন্য মেয়ের গালে সজোরে একটা চড় বসিয়ে দিল। লতা ঘুরে গিয়ে বারান্দার মেঝেতে আছড়ে পড়লো। বাবা তার কাছে গিয়ে তার চুলের মুঠি ধরে টানতে টানতে তার ঘরে ঢুকিয়ে দিয়ে বাইরে থেকে শেকল তুলে দিল। তারপর রাগে কাঁপতে কাঁপতে বিড়বিড় করে বললো,
- মাগীর গুদে সুড়সুড়ি জেগেছে....রাত কাটছে না তার নাগরের বাড়া ছাড়া...যা না, ওর গুদটা মেরে দিয়ে ওর খিদে মিটিয়ে দে না!
শেষের কথাগুলো বাবা আমায় উদ্দেশ্য করে বললো। আমার হাত উঠতে যাচ্ছিল, কিন্তু থামিয়ে নিলাম। মনে মনে বললাম,
- এই গোটা জগতে আমি শুধু একজন নারীর পুরুষ, সে হলো চারুলতা! আর তোমায় আমি এর জবাব দেবো....আজ? নাহ্ আজ নয়....আজ এই রজনীতে হয়নি সময়!
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) -
Erotic Lovers - 09-23-2026
পর্ব - ৬
জ্যোৎস্নালোকিত রাতে নদীর বুক চিরে আমাদের নৌকা এগিয়ে চলেছে। নৌকায় আমি আর মা দুজনে বসে আছি পাশাপাশি । মা আমার কাঁধে মাথা রেখে সামনের দিকে চেয়ে রয়েছে। কোনো কথা বলার প্রয়োজন আজ নেই, শুধু একে অপরের সান্নিধ্যেই আমরা মুগ্ধ। আজ যে সে আমার স্ত্রী হয়ে, আমার অর্ধাঙ্গিনী হয়ে আমার ঘর করবে বলে আমার সঙ্গে পালিয়ে এসেছে, আমার সন্তান নিজের গর্ভে নিয়ে আমার সন্তানের মা হবে বলে লজ্জায় রাঙা হয়ে আড়চোখে আমার পানে চেয়ে চেয়ে দেখছে, আমার বুকে আশ্রয় নেবে বলে তার সমস্ত অতীতকে এই নদীর বুকে বিসর্জন করে আমার বুকে সে মাথা রেখেছে একটুখানি সম্মান, আশ্রয় ও ভালোবাসার আশায়! আমি তাকে আমার সঙ্গে জড়িয়ে ধরে রেখেছি, যাতে আর তার অভাব কোনোদিন বোধ না হয় আমার! চারুলতা শুধু আমার, আমার জন্যেই এই মায়াবী রূপ নিয়ে ধরিত্রীর বুকে তার জন্ম হয়েছিল! পেছন দিক দিয়ে তার বাঁ কাঁধ ধরে আমি তাকে আমার শরীরে চেপে ধরেছি....আজ কত শতক, কত যুগ পরে আমি তোমায় পেলাম চারুলতা! কত ধ্যান, কত অনুপস্থিতি, কত ছলনার জালে জড়িয়ে শেষে তোমায় নিজের করে পেলাম।
আমরা চলেছি দূরে। দূরের পুব আকাশে ঊষার ক্ষণ উপস্থিত হয়েছে লাল ছটার স্বল্প আভা প্রকাশ করে। মাঝি বলে উঠলো,
- দাদাবাবু, আমরা অনেকটা এসে পড়েছি। এবার বৌদিমনিকে নিয়ে তবে ওই ঘাটটায় নামুন।
মাঝির মুখে 'বৌদিমনি' কথাটা শুনে মা চারুলতার মুখ লজ্জায় নত হলো। আমি মাঝিকে জিগ্যেস করলাম,
- তারপর কি আমাদের নামিয়ে তুমি চলে যাবে?
মাঝি একটু হেসে বলে,
- কি যে বলেন দাদাবাবু! ওই ঘাটে জঙ্গলের মধ্যে একটা মন্দির রয়েছে, ওখানে পুরোহিত থাকেন। ওখানেই আপনাদের বিয়েটা সেরে পুবদিকে রওনা দেবো আবার!
আমার সঙ্গে বিয়ে শুনে আমার মাকে আর দেখে কে! ঘোমটা দিয়ে তার অবশিষ্ট মুখটুকুও ঢেকে নিয়ে আমার বুকে মুখ লুকালো। আমি আরও ভালোভাবে জড়িয়ে ধরে আমার চারুলতার চিবুক ধরে তার মুখখানা আমার দিকে ঘুরিয়ে তার চোখে চোখ রেখে জিগ্যেস করলাম,
- বিয়ে করবে তো আমায় মা?
মা চোখ বন্ধ করে দিলো লজ্জায়। নিজের ছেলেকে বিয়ে করার জন্য, তার সঙ্গে সংসার বাঁধার জন্য, তার সন্তানকে নিজের গর্ভে ধারণ করে একটা ঘর বাঁধার জন্য সে আজ এসেছে! নিজের সন্তানকেই বিয়ে করে তাকে এক সন্তান উপহার দিতে চলেছে সে! এ যে এই জগতের একইসঙ্গে জটিল ও মধুর মুহূর্ত! চারুলতার মাতৃত্ব জটিলতার জালে, সামাজিক রীতিনীতির বন্ধনে, এই দুনিয়ার নিষিদ্ধ ও অনুমোদিত ঘটনার জাঁতাকলে পিষে ছারখার হয়ে যাচ্ছে এই শেষ মুহূর্তে এসে, এই শুভ লগ্নের মুখে এসে....! অবশেষে মাতৃত্বই হার স্বীকার করলো নারীত্বের পদতলে! সন্তানের পুরুষত্বের প্রেমে পড়ে গিয়ে, চারুলতা চোখ খুলে আমার দিকে, নিজের পেটের সন্তানের দিকে লজ্জা ভরা চোখে তাকিয়ে উপর নীচে মাথা নেড়ে সায় দিল....! সে, আমার মা, চারুলতা আমায় বিয়ে প্রস্তাবে সম্মতি জানালো।
মাঝিকে আর কিছু বলতে হলোনা, হাসতে হাসতে নৌকার মুখ ঘোরালো সেই ঘাটের দিকে!
আজ এই ব্রহ্মান্ড সাক্ষী থাকলো বিবাহ, যা কিনা এক পবিত্র রীতি, তা একজন মা ও তার নিজের সন্তানের মধ্যেও ঘটতে পারে, এই প্রকৃতি, এই নদী, জলরাশি, এই নৌকা, এই মাঝি ভাই সাক্ষী থাকলো দুই হৃদয় জোড়া লাগলে সামাজিক রীতিনীতিকে টলানো যায়, এই মন্দিরটা সাক্ষী থাকবে, যদি কারোকে প্রকৃতই ভালোবাসা যায়, তার সঙ্গে ঘর বাঁধাও একদিন হবে, হবেই!
পুব আকাশে তখন সূর্যের উপরিভাগ তার পবিত্র আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে এই জগত সংসারে। আমি মাকে বিয়ে করতে চলেছি এই নদীতীরের জঙ্গলাকীর্ণ এক পুরনো মন্দিরে। তারপর? তারপর আবার এই নৌকায় করে আমার নববধূ, আমার চারুলতাকে নিয়ে পাড়ি দেবো দূরে, অনেক দূরে... যেখানে আমরা জীবন কাটাবো দুই প্রাণ এক হয়ে গিয়ে!
ঘুমটা ভেঙে গেল। ধড়মড়িয়ে বিছানায় উঠে বসলাম। এটা কি দেখলাম.... স্বপ্ন? এইতো মা আমার পাশেই বসেছিল, মাঝি হাসতে হাসতে আমাদের নৌকায় ভাসিয়ে নিয়ে চলেছিল নদীর ঘাটের এক মন্দিরে, 'দাদাবাবু, আমরা অনেকটা এসে পড়েছি, এবার বৌদিমনিকে নিয়ে তবে ওই ঘাটটায় নামুন'...এই কথাগুলো যেন মাঝির মুখ থেকে স্পষ্ট আমার কানে এখনই স্পর্শ করলো, এই সবকিছুই স্বপ্ন? জানালা দিয়ে দেখলাম ভোর হয়েছে, পুবদিকের আকাশ লাল হয়ে আহ্বান করছে এক নতুন জীবন শুরু করার! আমি এই ভোরে স্বপ্ন দেখছিলাম! কিন্তু এতো বাস্তব মনে হলো এটা! এইতো আমি যেন এখনও নদীগর্ভে দুলছি! স্বপ্নের এই বাস্তবায়ন, এই অনুভূতি, এই নিবিড়তা আমি জীবনে এই প্রথমবার উপলব্ধি করলাম। শুনেছি ভোরের স্বপ্ন নাকি সত্যি হয়!
মনটা কেমন হয়ে গেল। এক পরম প্রাপ্তির সুখ থেকে হঠাৎ বঞ্চিত হয়ে নিজেকে এক দিশেহারা পথিক মনে হতে লাগলো। দরজা খুলে বাইরে এসে দাঁড়ালাম। ভোরের আলো এখনও সেভাবে ফোটেনি। পাখিরা বাসা ছেড়ে এর মধ্যেই বেরিয়ে পড়েছে। ভোরের এই নির্জনতা, এই শীতল বাতাস, এই আধো অন্ধকারে ঢাকা চারপাশ আমায় মুগ্ধ করলো!
মা বাবা এখনও ঘুম থেকে ওঠেনি। লতাও না। হঠাৎ কাল রাতের কথা মনে পড়লো, বাবা লতাকে ঘরে ঢুকিয়ে বাইরে থেকে দরজায় শেকল তুলে দিয়েছে, ঠিক এমনসময় লতার দরজায় মৃদু করাঘাত আর ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কান্নার আওয়াজ! আমি লতার কষ্ট আর যে দেখতে পারছি না। শেকল নামিয়ে তার ঘরের দরজা খুলে দিলাম। ভেতরে তাকিয়ে দেখলাম, লতা চোখ মুখ ফুলিয়ে বসে আছে দরজার কাছে, কাঁদছে, বোঝাই যায় সারা রাত ঘুমোইনি বেচারি। আমি তার কাছে হাঁটু মুড়ে বসলাম। সে যে অসহায় আজ! সে তার ভালোবাসার মানুষটার কাছে ছুটে যেতে চায়! কিন্তু এক বিরাট বাধা যে তাকে শেকলে আটকে ধরে রেখেছে পেছন থেকে, কিছুতেই সামনে এগোতে দিচ্ছে না। আমার বুকটা ফেটে গেল লতার এই অবস্থা দেখে। সে এত কেঁদেছে যে তার চোখ দুটো লাল হয়ে গেছে। সে একদৃষ্টিতে আমার দিকে শুধু তাকালো, কিছু বললো না মুখে। বুঝলাম এবার আমার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে!
আমি যে ভুক্তভোগী! মায়ের কাছে যতবার যেতে চাইছি, বাবার আদেশে মা ততই আমার থেকে দূরে চলে যাচ্ছে। মাকে যত কাছে পেতে চাইছি, ততই যেন তাকে হারিয়ে ফেলছি....এই বেদনা সে-ই বোঝে যে ভোগ করে! আমি ধীরে ধীরে মাকে ভালোবেসে ফেলেছি....তার সারল্য, তার এড়িয়ে চলা, তার স্নেহ, তার ভালোবাসা, তার সবকিছুই আমি নিজের প্রাণের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে নিয়েছি। তার সব আমার! কিন্তু তাকে পাওয়ার জন্য যে প্রথমে বাবার আধিপত্যকে মায়ের মন থেকে ভেঙে চুরমার করতে হবে, তারপর মায়ের হৃদয়ে আমার ভালোবাসার বীজ বপন করতে হবে, তারপর শেষে গিয়ে একদিন আমরা মিলিত হবো, আমরা ছেলে-মা হবো স্বামী-স্ত্রী!
আমি যে জানি নিজের কাছের মানুষের কাছে ছুটে যাওয়ার এক অদম্য ইচ্ছা কতখানি প্রবল, আমি দেখেছি নিজের আপন-জনকে সামনে আছে জেনেও তার থেকে দূরে থাকার অন্তর্দ্বন্দ্ব, আমি যে শুনেছি জগতের কাঠিন্য, সংসারের ষড়যন্ত্র আমাকে আমার মা চারুলতার কাছ থেকে দূরে রেখে তার দাঁত বের করা অট্টহাসির কান ফাটানো উচ্ছাস! তাই আর কোনো বাধা আমায় আজ বাধা দিতে পারলো না!
আমি লতার দুই অসহায় চোখের দিকে চেয়ে বললাম,
- তুই চলে যা, তুই ছুটে চলে যা এখান থেকে এক্ষুনি তোর প্রেমের কাছে, গিয়ে তার বুকে আছড়ে পড়, নিজের ভালোবাসাকে স্বীকৃতি দে....যা চলে যা! বাবা এক্ষুনি উঠে পড়বে, আর দেরি করিস না!
লতার মুখে মুক্তির আনন্দ ফুটে উঠলো, তার কাঁপা হাত দুটো দিয়ে আমার গালে হাত বুলিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো,
- দাদা......!
আমি তার মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করলাম,
- তুই সুখী হ।
বেলা এগোরোটা বেজে গেছে। মাঠে যাইনি আজ। নিজের ঘরেই প্রস্তুত হয়ে বসে ছিলাম। কারণ আজ যে আমাদের বাড়িতে বড়ো একটা কান্ড ঘটেছে! দরজায় জোরে জোরে ধাক্কার শব্দে ঘুমের ঘোর কেটেছে এই ভাব মুখে এনে দরজা খুলতেই দেখি বাবা লাল চোখে ফুঁসতে ফুঁসতে আমার দিকে তাকিয়ে। আমি স্বাভাবিক গলায় জিগ্যেস করলাম,
- কি হয়েছে?
বাবা রাগে ফেটে পড়লো, তার ডান হাত দিয়ে আমার গালে চড় বসাতে গেল, কিন্তু পারলো না। আমি আমার শক্ত মজবুত হাতে তার হাত ধরে ফেলে একটু হেসে বললাম,
- মুখে বলো।
এই সংক্ষিপ্ত এবং একইসঙ্গে তার প্রতি আমার এক জ্বালা ধরানো হাসিমুখ দেখে সে গর্জে উঠলো,
- কি হয়েছে! লতার ঘরের দরজাটা কে খুলেছিল?
- আরে কি হয়েছে সেটা তো বলো, লতা কোথায়....দেখি সরো।
বলে বাইরের বারান্দায় গিয়ে লতার ঘরে উঁকিঝুঁকি মেরে অবাক হওয়ার অভিনয় করলাম। তাকিয়ে দেখলাম মা বারান্দার দাওয়ায় বসে কাঁদছে, চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে তার আঁচল ভিজিয়ে দিচ্ছে। আমার মন গোপনে মায়ের মনকে কথা বলে গেল,
- মা গো....তোমার মেয়েকে আমি মুক্ত করেছি তার ভালোবাসার মানুষটাকে নিয়ে জীবন কাটানোর জন্য! তুমি কেঁদোনা মা। সে ভালো থাকবে!
আমার ভাবনায় আঘাত পড়লো বাবার ক্রুদ্ধ গর্জনে,
- কোথায় লতা?
- আমি কিভাবে জানবো? তবে যেখানেই যাক, খুঁজে বের করতে হবে।
- থাক। আমি খুঁজে আনবো ওকে, তারপর ঘরে তালা বন্ধ করে রেখে দেবো বেশ্যাটাকে।
মনে মনে বললাম,
- লতা যে তোমার নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে বাবা!
আমাদের গোবাদা থেকে দুটো গ্রাম পেরিয়ে তারপর পড়ে বনদুলি গ্রাম, সেই গ্রামেই লতা নিশীথের ঘরে উঠেছে। ওই গ্রামে বাবা যায় না। বলা ভালো যেতে পারে না। কারণ বাবার বদমেজাজ, মুখের ভাষা ও খারাপ মানসিকতার জন্য ওখানকার চাষীদের সঙ্গে বাবার কিছু বছর আগে একবার হাতাহাতি হয়ে গিয়েছিল। দোষ বাবার-ই ছিল। ফসল ওঠানোর পর তার ন্যায্য পাওনা তাদের মেটাইনি বাবা, উল্টে তাদের অপমান করে বিদায় দিয়েছিল। সেই কারণেই তারা ক্ষেপে আছে বাবার ওপর। একবার ওদের গ্রামে বাবার পা পড়লে একটা লাঠির ঘা-ও মাটিতে পড়বে না। তাই বাবা ওদিকে ভয়ে কখনো যায়নি তারপর থেকে, আজও যাবে না, কারণ বাবা জানে তার নিজের ইতিহাস!
আমি তাই নিশ্চিন্তে একটু মজা করেই বাবাকে পরীক্ষা করার জন্য বললাম,
- বনদুলি একবার ঘুরে আসতে পারো!
- তোর মুখের কথায় লাগাম টান চয়ন, ভুলে যাসনা তুই বাবার সঙ্গে কথা বলছিস।
বুঝলাম বাবা সেখানে যাবে না। নিশ্চিত হলাম। তারপর পেছন ফিরে সাইকেল নিয়ে একবার মায়ের দিকে বাবা তাকালো, তারপর মায়ের কান্না দেখে ঝাঁঝিয়ে উঠে বললো,
- রান্নাটা কে করবে মাগী? এরকম বসে বসে মড়া কান্না কাঁদলে মেয়ে ফিরবে না!
বাবা রাগে গজগজ করতে করতে বেরিয়ে গেল। আমি ভাবলাম, সত্যিই, এই হল এক স্বামী! যে ভালো সময়েও স্ত্রীকে ভোগ করে দেহ সুখ নিয়ে, আবার খারাপ সময়েও ভোগ করে তার দিকে নোংরা কথার বুলি ছুঁড়ে। আর এই নারীরা, আমার চারুলতা-রা চিরকাল নির্জনে বসে চোখের জল ফেলে যায়! কেউ দেখতে আসে না, কেউ পড়তে আসে না তার মনের কথা!
আমি মায়ের কাছে গিয়ে তার হাত দুটো নিজের হাতে আলতো করে ধরলাম। বললাম,
- মা, লতা ভালো থাকবে, নিশীথ ভালো ছেলে। তুমি কেঁদো না মা, আমার যে তোমার কান্না দেখে খুব কষ্ট হচ্ছে গো!
মায়ের কান্না থামলো, সজল চোখে মায়াবিনী আমার মুখের দিকে কিছুক্ষন তাকালো, তারপর মৃদু স্বরে বলল,
- ও আমায় একবারও বললো না.... জানেনা যে তার মা তার সন্তানদের ছেড়ে এক মুহূর্তও বাঁচতে পারে না! জানেনা যে তারা এক মুহূর্তও চোখের আড়াল হলে আমার ভেতরটা ফাঁকা হয়ে যায়...আমার কষ্ট কি কেউ বুঝলো না!
আমার বুকটা হু হু করে উঠল। মায়ের এই অঝোর অশ্রুজলে আমার হৃদয় যেন সিক্ত হয়ে গলে গলে ঝরে পড়তে লাগলো বেদনার অনন্ত সাগরে! আমি মায়ের হাত দুখানি নিজের হাতে শক্ত করে ধরে বললাম,
- মা....লতা তোমায় ভালোবাসে মা, সে তোমার কষ্ট বোঝে! আর আমি.....!
মা আমার চোখের দিকে তখনো তাকিয়ে আছে, আমি থামতে মা চোখের জল মুছে জিগ্যেস করল,
- আর তুই....? কি রে....থামলি কেন? আর তুই....?
আমি মায়ের হাত জোড়া নিজের বুকে স্পর্শ করে স্থির দৃষ্টিতে তার চোখে চেয়ে দৃঢ় অথচ কোমল কন্ঠে বললাম,
- আমি তোমায় ভালোবাসি মা।
মা কিছুক্ষন তাকিয়ে রইল আমার দুই চোখে! এই কথা এর আগেও আমি বহুবার বহুভাবে মাকে বলে এসেছি। কিন্তু সেই সময় এর অর্থ ছিল অন্য, আজ অন্য! অর্থ বদলে গেলে মানুষের কথা বলার ভাবেও নাকি বদল আসে! মা কি সেই বদলটাই দেখলো আমার চোখে? মা কি আমার কথার অর্থ বুঝলো কিছু? মা কি শুনতে পেলো আমার ভেতরের কথা?
মা আমার বুক থেকে তার হাতদুটো টেনে নিয়ে উঠে নিজের ঘরে চলে গেল। আমি সেদিকেই তাকিয়ে আমার মাকে মনে মনে প্রশ্ন করলাম,
- ও মা, মা....শুনেছি মায়েরা অন্তর্যামী, তুমি কি আমার অন্তরের বাক্য পড়তে পেরেছো মা? তুমি কি আমার বুকে হাত রেখে তোমার স্পর্শে আমার হৃদয় স্পন্দনের তীব্রতা অনুভব করেছো মা? তুমি কি আমার দুই চোখে চারুলতার প্রতি প্রকৃত ভালোবাসার আলো দেখতে পেয়েছো? পেয়েছো মা? পেয়েছো.....?
উত্তর দিয়ে যাও মা....
না বলে চলে যেও না মা.....
বলে যাও মা!!!
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) -
Erotic Lovers - 09-23-2026
পর্ব - ৭
লতা যাবার আগে নিশীথের বাড়ির ঠিকানা আমায় দিয়ে গিয়েছিল। তাকে আমি বলেছিলাম আমি নিজে গিয়ে তোর বিয়ে দিয়ে আসবো। তাই এসেছি বনদুলিতে। এই গ্রাম বেশ সুন্দর ও নির্জন। নিশীথের বাড়িটা দেখলাম বেশ ছোটো, মাটির বাড়ি, খড়ের ছাউনি, মাত্র একটাই ঘর। পাঁচিল ঘেরা উঠোন নেই, তবে বাড়ির সামনে কিছুটা ফাঁকা জায়গা আছে।
সেখানে যখন ঢুকলাম, তখন দেখি নিশীথ সবকিছু আয়োজন করেই রেখেছিল আগে থেকে। আমি বাড়িতে ঢুকতেই লতা আমায় জড়িয়ে ধরে কেঁদে উঠলো। আমি তার মাথায় হাত বুলিয়ে পরম স্নেহে বললাম,
- কাঁদছিস কেন বোকা মেয়ে! বাবা এদিকে আসবেনা, মাকে আমি বুঝিয়ে দেবো, তুই নিশ্চিন্তে স্বামীর ঘর কর।
সে কেঁদে উঠে বললো,
- আমি সেজন্য কাঁদছি না রে দাদা, তোকে আমি কতবার কতভাবেই না কটু কথা শুনিয়ে এসেছি বলতো....আর আজ দ্যাখ তুই-ই আমায় আমার ভালোবাসাকে পাইয়ে দিলি....এই পৃথিবীতে সব মেয়েরা যেন তোর মতো দাদা পায়!
- ধুর পাগলী, তোর কটু কথাও যে আমার বেশ লাগতো শুনতে, তুই যে আমার বোন রে, নিজের মায়ের পেটের বোন!
কথায় কথায় মায়ের কথা উঠে আসতে মায়ের মুখটা ভেসে উঠলো। কি জানি সে এখন কি করছে একলাটি! বাবাও বাড়িতে নেই, আমিও এখানে, মা বাড়ির কাজ করতে করতেই না জানি কত অশ্রু ঝরিয়ে চলেছে নিজের অজান্তেই! মায়ের এই কান্না ভরা মুখখানি দেখতে বড্ড কষ্ট হয়!
নিশীথের সঙ্গে পরিচয় হলো আজ ভালো করে। ও আমারই বয়সী, তবে দেহের গড়ন একটু রোগাটে। এর আগে ওর ব্যাপারে যতটা জেনেছিলাম, আজ জানলাম অন্যকিছু! তার বাড়িতে গ্রামের অনেকেই এসেছে নিমন্ত্রণ পেয়ে, গ্রামের দাদা বৌদি, কাকু কাকিমারা এসে বিয়ের তোড়জোড় করছে, সাহায্য করছে নিশীথ ও লতার বিয়ের আয়োজনে। একটা লতার বয়সীই মেয়েকে দেখলাম লতাকে একটা লাল শাড়ি পরিয়ে তার মুখে চন্দন ফোঁটা দিয়ে সাজাচ্ছে। লতা, আমার বোন, আজ পরের ঘরে এসেছে, সে এবার পরের হয়ে যাচ্ছে। এইসব ভাবতে ভাবতে আমি ভিড়ের জন্য বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এলাম।
বাইরে এসে দাঁড়াতেই একটা হাসির আওয়াজ পেলাম। বাড়ির পেছন দিক থেকে নিশীথের গলার আওয়াজ আসছে। সেদিকে নিঃশব্দে একটু এগিয়ে গিয়ে যা দেখলাম, তাতে আমার পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেল।
দেখলাম নিশীথ গ্রামেরই এক মধ্যবয়সী ফর্সা ধবধবে কাকিমাকে জড়িয়ে ধরে ঝোপের মধ্যে ঢুকে বসে সেই কাকিমার শাড়ি ব্লাউজের ওপর দিয়েই তার দুটো দুধকে হাতের মুঠোয় নিয়ে টিপে চলেছে আর কাকিমাটা এলোপাথাড়ি নিশীথের গলায় ঘাড়ে মুখে ঠোঁটে চুমু খাচ্ছে। কাকিমার বয়স ৪০ এর কাছাকাছি হবে। দেখতে গৌরবর্ণা ও স্বাস্থ্যবতী হলেও মুখের মধ্যে সেই শ্রী-টা নেই, যা আমার মায়ের মুখে দেখেছি। তবে এনার মধ্যে একটা কামুকি ভাব উগ্র হয়ে ফুটে আছে দেখলাম, যেটা মায়ের মধ্যেও আছে, তবে এতো উগ্র নয়, সূক্ষ্ম। তবে মায়ের দুধগুলো এর থেকে বড়ো ভরাট, কিন্তু ঝোলেনি একফোঁটাও। কিন্তু এই কাকিমার দুধ তুলনামূলক ছোটো কিন্তু ঝুলে গেছে পেটের কাছে। এর মধ্যে একটা মাগী মাগী ভাব আছে। এর চোখে এমন নেশা, যা আমাদের পুরুষদের কাছে টানার জন্য উপযুক্ত। মায়ের কথা মনে পড়লো, মায়ের দুধ ও পোঁদের গড়ন এর থেকেও মায়াবী। কিন্তু সমগ্র পুরুষ জাতিকে টানার ছল তার চোখে নেই, সে যে চরিত্রহীন নয়! সেই টান কেবল আমিই অনুভব করি। এর দুধ দুটো দেখতে দেখতে মায়ের দুধ দুটো চোখের সামনে ভেসে উঠলো আর অনুভব করলাম আমার বাড়া শক্ত হয়ে প্যান্টের ভেতর থেকেই দাঁড়িয়ে ফুলে ফেঁপে উঠেছে।
কাকিমাটা চোখ বুজে গুঙিয়ে উঠছে উত্তেজনায় আর নিশীথ তার দুধ টিপতে টিপতেই শাড়ি সরিয়ে ব্লাউজের ওপর থেকেই তার দুধ চাটছে পাগলের মতো। নিশীথ ও কাকিমাটার কামঘন কথোপকথন শুরু হলো এবার,
- নিশীথ, উফফফফফফ্....তোমার যে আজ বিয়ে! তুমি পরনারীর দেহ নিয়ে মজে আছো?
- কথা বোলো না এখন, আজ সকাল থেকে অনেক খাটুনি গেছে, তেষ্টায় বুক ফেটে যাচ্ছে আমার, আমায় তোমার দুধ আকন্ঠ পান করতে দাও গো কাকিমা, তোমার দুধেই আমার তেষ্টা মেটাবো এখন!
- ইস্, আস্তে টেপো, ছিঁড়ে ফেলবে নাকি! তা বলি, তোমার বউ যে তোমার বাড়া নিজের টাইট গুদে নেওয়ার জন্য ছটফট করছে গো?
- আর ওর কথা বাদ দাও দেখি....লতার গুদ কি আমি কম মেরেছি নাকি! চুদে চুদে ওর পেট বাঁধিয়ে দিয়েছি বলেই তো মাগী তাড়া দিচ্ছিল বিয়ের জন্য।
বলে কি নিশীথ! আমার বোন পোয়াতি? লতা কারোকে কিচ্ছু বলেনি এই ব্যাপারে। আর বললেও বা কি হতো, জুটতো কেবল বাবার হাতে মার।
- কি বলছো....বিয়ের আগেই পোয়াতি..... উফফফফফফফফ্....আসতে টেপো সোনা....এই এই কি করছো... খুলতে দেবোনা....আজ খুলতে দেবোনা.... লক্ষীটি, কেউ এসে পড়বে।
আমি জীবনে প্রথমবার কোনো নারীকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখা শুরু করলাম আজ...এতো সৌন্দর্য্য নারীর এই শরীরে!
নিশীথ কাকিমার ব্লাউজ খুলে মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে তার দুই দুধকে হাতের মুঠোয় নিয়ে ডানদিকের দুধে মুখ দিলো। তার দুধ কত নরম, অথচ জমাট বেঁধে শক্তভাব তৈরি করে রেখেছে। নিশীথ ঠোঁট বসালো এবার ডানদিকের দুধের বোঁটায়। বোঁটাটাকে ঘিরে রেখেছে একটা চকোলেট রঙের বলয়। নিশীথ যখন তার ডানদিকের দুধের বোঁটা চুষছে, তখন তার বাঁ দিকের দুধটা ধরে নিশীথের খাবলানোর সময় দেখলাম কাকিমাটার দুধের বোঁটা দিয়ে চিরিক চিরিক করে দুধ ছিটকে এসে নিশীথের বুকের কাছের জামাটা ভিজিয়ে দিচ্ছে। কি দুধ ভরে আছে কাকিমার বুকে। এই দৃশ্য দেখে আমার বাড়া প্যান্টের ভেতরেই ছটফট করতে শুরু করলো। নিশীথ যত কাকিমার দুধ টিপছে, তত দুধ বেরিয়ে আসছে।
আমি একদৃষ্টিতে কাকিমার বাঁ দিকের বুকটা থেকে বেরিয়ে আসা সাদা দুধের ঝর্নার দিকে তাকিয়ে আছি, এমনসময় হঠাৎ কাকিমার চোখের দিকে চোখ পড়ায় দেখি কাকিমা আমার দিকে চেয়ে হাসছেন। আমি লজ্জায় দ্রুত সেখান থেকে সরে পড়লাম।
লতার কাছে বসে আছি। লতা পোয়াতি! বিয়ের আগেই পোয়াতি! তার মুখে খুশির ছটা দেখে আমি যতটা না খুশি হলাম, তার থেকেও বেশি দুঃখ পেলাম এটা ভেবে যে সে যাকে ভালোবাসে, সে এক দুঃশ্চরিত্র লম্পট। বিয়ের দিনে যে বাড়ির পেছনে ঝোপের অন্ধকারে বসে গ্রামের দুগ্ধবতী কাকিমার ব্লাউজ খুলে বুকের দুধ খায়, তাকে আর কিইবা বলা যায়! লতার চোখের দিকে চেয়ে বড়ো মায়া হল! বেচারি! আমি নিশীথকে ওই অবস্থায় দেখে প্রথমে ভেবেছিলাম লতাকে সব জানিয়ে দেবো। কিন্তু পরে ভেবে দেখলাম, যদি নিশীথের সঙ্গে তার বিয়ে ভেঙে যায়, তবে লতার এই মুহূর্তে আর কোনো যাবার জায়গা থাকবে না। এখানেও থাকতে পারবে না, বাবাও এসব জানার পর আর তাকে বাড়িতে ঢুকতে দেবে না। তাই কথাটা আর বললাম না লতাকে। শুধু নিজের মনে এই ভেবে সান্তনা পেলাম যে, হয়তো বিয়ের পরে স্ত্রীর স্পর্শে নিশীথ শুধরে যাবে। কিন্তু তখন কি জানতাম যে নিশীথ-ই কত বড়ো কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে আমার জীবনে....হায় রে কপাল.... যদি জানতাম তবে সেদিনই তাকে গ্রামের সকলের সামনে মাথার ওপর তুলে আছড়ে ফেলতাম মাটিতে। আমার এই তাগড়া শরীর তার ওই রোগাটে শরীরের সব হাড়কে মড়মড়িয়ে ভেঙে দিতো!
রাত তখন প্রায় দশটা। আমি এখানে এসে আটকে পড়েছি। ওদিকে বাড়িতে মা কি করছে, কেমন আছে, বাবা তার ওপর কোনো অত্যাচার করছে কি না, এসব চিন্তা আমার ভেতরে ভেতরে চলতে লাগলো। কিন্তু বোনকে কথা দিয়েছিলাম ওর বিয়ে শেষ না করে যাবো না। তাই বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর যখন ফুলসজ্জার আয়োজন শুরু হলো, আমি লতার কাছে গিয়ে তাকে বিদায় জানালাম। ও আমায় জড়িয়ে ধরে আমার বুকে মুখ গুঁজে কাঁদতে শুরু করলো। মেয়েরা এমনই হয়! আমি কোনোপ্রকার তাকে বুঝিয়ে তাকে রেখে এলাম শ্বশুরবাড়িতে।
নিশীথের বাড়ি থেকে বেরিয়ে কয়েকটা বাড়ি পাশাপাশি, তারপরেই মাটির রাস্তা চলে গেছে আরও দুটো গ্রাম পেরিয়ে গোবাদায়,আমাদের গ্রামের দিকে। সাইকেলে চড়ে কয়েকটা ঘর পেরিয়েছি মাত্র, পাশ থেকে খুব অল্প স্বরে একটা নারীকন্ঠ ভেসে এলো,
- এই যে, এদিকে....এই যে পালোয়ান।
আমি বাঁদিকে তাকিয়ে দেখি সেখানে একটা বাড়ির পাশের ফাঁকা গোয়ালঘরের মুখে অন্ধকারে একটা নারীমূর্তি দাঁড়িয়ে আমার দিকে চেয়ে হাসছে। আমি সাইকেল থেকে নেমে কাছে গেলাম। কাছে যেতেই চিনতে পারলাম তাকে...সকালে নিশীথের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা সেই কাকিমাটা। এই ফাঁকা নির্জন জায়গায় রাতের অন্ধকারে এইভাবে এক অচেনা মহিলার কাছে যেতে কেমন জানি একটা লাগলো আমার। তবুও গেলাম। কাছে গিয়ে দাঁড়াতে সে হেসে বললো,
- কি গো....তখন অমন করে দেখছিলে যে আমায়?
এই কথায় আমার এক অন্যরকম অনুভূতি মনে কাজ করা শুরু করলো। এ যেন আর পাঁচজন সাধারণ নারীর কন্ঠস্বর নয়, এই কন্ঠস্বর যেন এক কামিনীর, যার ডাকে দেহের অঙ্গে অঙ্গে কামের ঝড় শুরু হয়! আমি বললাম,
- আপনি এই গ্রামেই থাকেন?
কাকিমাটা আমার কোমরের নিচে বাড়ার কাছটায় একবার চোখ বুলিয়ে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বললো,
- আমার একটা নাম আছে, মালতী, আপনি আপনি করবে না আমায়। নাম ধরে ডাকবে। হ্যাঁ আমি এই গ্রামেই থাকি, এই বাড়িটাই আমার। তবে একা। বরটা মারা গেছে অনেক বছর।
যে বাড়ির এটা গোয়ালঘর, মালতীর হাতের ইশারায় বুঝলাম এই বাড়িটাই তার। তাহলে মালতী একজন বিধবা আর স্বামীর সোহাগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার জন্যেই পরপুরুষের প্রতি আগ্রহ এতো তীব্র। এখন এর সঙ্গে পরিচয় হওয়ার চাইতে মায়ের কাছে যাওয়া বেশি জরুরি, তাই বললাম,
- বুঝলাম। ভালো থাকবেন। আমি এবার যাই।
- কি বলছো চয়ন! এর মধ্যেই ফিরে যাবে? এখনো তো ফুলসজ্জাই শুরু হলো না.... মানে তোমার বোনের।
কথার ইঙ্গিত ভালো লাগলো না। নারীদেহের প্রতি আকর্ষণ আমার আছে, কিন্তু তা সব নারীদেহের জন্য নয়... শুধুমাত্র একজন নারীর জন্য...আর সে আমার চারুলতা!
- এসো, ভেতরে এসো...এই গ্রামে অতিথি এলে তাকে না খাইয়ে ফিরতে দেওয়া হয়না.... বুঝলে!
আমার কিছু বুঝে ওঠার আগেই মালতী আমার হাত ধরে গোয়ালঘরটা ছাড়িয়ে নিয়ে গেল তার বাড়ির ভেতরে, তারপর ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দিল। আমি অবাক হয়ে বললাম,
- কি করছেন আপনি? আপনি একা থাকেন, এই রাতে আপনার ঘরে আমার প্রবেশ করা ঠিক নয়!
- একলা থাকলেই তো প্রবেশে সুবিধা হয় চয়ন!
- আপনার কথার মাথামুন্ডু কিছু বুঝতে পারছি না। আমার তাড়া আছে, আমি আসছি।
তার হাত থেকে নিজের হাত ছাড়িয়ে পেছন ফিরে দরজা খুলতে যাবো এমনসময় পেছন থেকে মালতী আমায় দুহাতে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে শুরু করলো,
- চয়ন, আমি বেশ্যা নই। আমি জানি তুমি আমায় তাই ভাবছো। কিন্তু বিশ্বাস করো আমি বেশ্যা নই। আমি যে স্বামীহারা এক নিঃসঙ্গ স্ত্রী, যে তার এক সঙ্গীর আশায় বসে ছিল এতো কাল!
কথাগুলো শুনে মনটা উদাস হয়ে গেল। মালতী যেন আমার মনের কথা পড়তে পেরেছে। আমি তাকে বেশ্যাই ভেবেছিলাম। কিন্তু তার এই কথায় কেন জানি না মনে হলো সে মিথ্যা বলছে না! আমি তার বাহুবন্ধন থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে পেছন ফিরে তার দিকে তাকিয়ে দাঁড়ালাম। মালতীর দুচোখ থেকে জল ঝরে পড়ছে, আমায় বললো,
- স্বামীটা ছেড়ে গেল পাঁচ বছর হলো। তারপর থেকেই একলা ঘুরে ঘুরে বেড়িয়েছি জানো। প্রথমে ভাবলাম একাই থাকবো। কিন্তু এই শরীর বাঁধ সাধল। এত ক্ষুধার্ত করে তুললো আমায়। আমার অবস্থাটা বোঝো, স্বামী নেই, ঘরে আর কোনো লোক নেই, এইভাবে একা একা কতদিন বাঁচতে পারে একটা মানুষ.... বিশেষ করে একজন মহিলা! আমি বেশ্যা তখনও থাকি নি, আজও নই। আমি নাগর খুঁজিনি, স্বামী খুঁজছিলাম। একজনকে পেয়েছিলাম জানো, পাশের গাঁয়ে থাকে, বয়সটা আমার চাইতে অনেকটা বেশি। কাছে এলো, কথা বললো, আমি ভাবলাম আমায় নিজের বুকে আশ্রয় দেবে। তারপর দেখলাম সবাই এক। এক রাতে ডেকে আমায় পোয়াতি বানিয়ে ছেড়ে দিল। ভাগ্য দেখো, মরা বাচ্চার জন্ম দিলাম। না পেলাম স্বামীর সুখ, না পেলাম সন্তান সুখ। কিছুই পেলাম না। শেষে এই নিশীথের সঙ্গে পরিচয় হলো। ও অনেকদিন থেকেই আমার দিকে এভাবে তাকাতো। শেষে ভেবে দেখলাম আমার ভাগ্যে বোধহয় আর স্বামীর ঘর জুটবে না। বুকে যন্ত্রনা নিয়ে আর কতদিন একজন মেয়ে বাঁচতে পারে বলো! তাই শেষে একদিন রাতে ঠিক করলাম, কিছুই তো পেলাম না, অন্তত দেহ সুখ পেয়েই জীবন কাটাবো আমি! সেদিন থেকেই নিশীথের সঙ্গে সঙ্গম শুরু করি। কিন্তু আজ....তুমি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে দেখো, বুঝবে যে আমি মিথ্যে বলছি না এক ফোঁটাও, আজ তোমায় দেখে, তোমার ওই বিশ্বস্ত মুখখানা দেখে আমার মনে আবার স্বামীর ঘর করার স্বপ্ন জাগলো, প্রেমের স্বপ্ন জাগলো। তাই....!
মালতী থামলো। আমি কিছু বলতে যাবো, তার সুযোগ না দিয়ে সে দ্রুত তার পোশাক খোলা শুরু করলো। তাকে আটকাতে গেলাম, পারলাম না। সে একাকীত্বের জ্বালায়, স্বামীর অভাবে আজ এই রাতে এক পাগলীতে পরিণত হয়েছে যেন...দেহরস না পেলে তার মুক্তি মিলবে না! মালতী একে একে তার শাড়ি, শায়া, ব্লাউজ খুলে মাটিতে ছুঁড়ে ফেললো। তারপর সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে আমার কাছে এগিয়ে এসে আমার বাঁ হাতটা ধরে তার ডান দুধের ওপর বসিয়ে দিল। আমি চোখ বন্ধ করলাম। হাত ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টাও করলাম, কিন্তু মালতী আমার হাত ছাড়লো না। আমার হাত তার হাতের মুঠোয় ধরে চাপ দিয়ে তার ডানদিকের দুধের ওপর চেপে চেপে বসিয়ে দিল। তারপর মালতী আমার আরও কাছে এগিয়ে এসে দাঁড়ালো। আমি চোখ বন্ধ করেই আছি। এমনসময় মুখে চোখে একটা তরল পদার্থের স্পর্শ পাওয়ায় চোখ খুলে দেখি মালতী আমার সামনে দাঁড়িয়েই দুই হাতে তার ডানদিকের দুধ চেপে চেপে ধরে টিপছে, আর সেখান থেকেই ফিনকি দিয়ে তরল দুধ বেরিয়ে এসে আমার সারা মুখ ভিজিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। আমি পাথরের মতো দাঁড়িয়ে রইলাম। এমন ঘটনা আমার জীবনে এর আগে কখনও ঘটেনি, হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে পড়ে কি করতে হয় আমি ঠিক জানি না। মালতী একইভাবে দাঁড়িয়ে থেকে তার দুধ দিয়ে আমার মুখ চোখ ভিজিয়ে চলেছে। এমনসময় তার বুকের দুধ শেষ হয়ে এলো। আর সে আমায় অবাক করে দিয়ে আমার পায়ের কাছে হাঁটু মুড়ে বসে পড়ে আমার প্যান্টের চেইন টেনে নামিয়ে আমার শক্ত হয়ে থাকা বাড়াটাকে নিজের হাত দিয়ে প্যান্ট থেকে টেনে বের এনে আমার বাধা দেবার আগেই তার মুখে পুরে চুষতে শুরু করলো। আমার বাড়ায় তার জিভ লাগার সঙ্গে সঙ্গেই আমার সারা শরীরে জমে থাকা সুখ এসে যেন ওই বাড়ার ডগায় জমা হতে লাগলো।
এতো সুখ! আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্.... মালতী.... তুমি থেমে যাও.....আমি যে এটা করতে পারবো না তোমার সঙ্গে!!!
মালতীর হাতের মুঠোয় আমার বাড়া ধরছে না, ১০ ইঞ্চি লম্বা আর ৪ ইঞ্চি মোটা বাড়া যেকোনো নারীর পক্ষে ধরা সম্ভবও নয়। কিন্তু তাতেও সে কোনোভাবে তার দু হাত দিয়ে আমার বাড়াটাকে ধরে মুন্ডিটা মুখের ভেতরে ঢুকিয়ে চুষতে লাগলো।
আমি যে আর কিচ্ছু ভাবতে পারছিনা! এই গোটা জগৎ, এই গ্রাম, আমার বাড়ি, লতা, বিয়ে, মালতী সবকিছু অদৃশ্য হয়ে আমার চোখে ভেসে উঠলো চারুলতার মুখ। হ্যাঁ আমার মা চারুলতাই তো বসে রয়েছে আমার পায়ের কাছে। আমার মা আমার বাড়ার মুন্ডিটা সহ আরও অনেকটা নিজের মুখের ভেতরে ঢুকিয়ে ঢুকিয়ে আমার বাড়ার রস চুষে চেটে খেতে লাগলো তৃষ্ণার্ত এক নারীর মতো। আমার বাড়ার গায়ে শিরাগুলো ফুলে উঠেছে যেন এই উত্তেজনা তার সীমা লঙ্ঘন করার চেষ্টা করছে। মা আমার বিচি দুটোকে হাতে নিয়ে তার নখ দিয়ে খুঁটতে খুঁটতে আমার কোমরের কাছে বসে আমার বাড়া একমনে চুষে যেতে লাগলো আমার চোখের দিকে তাকিয়েই।
আমি এবার আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলাম না। নীচু হয়ে মায়ের মুখ থেকে বাড়াটাকে বের করে নিয়ে মাকে কোলে তুলে বিছানায় নিয়ে গেলাম, তারপর দুহাতে ছুঁড়ে ফেললাম বিছানায়। আমিও ঝাঁপ দিলাম তার ওপরে। সে বিছানায় শুয়ে আমাকেই ইশারা করছিল, ডাকছিল আরও কাছে। আমি বুঝলাম মাগীর বড়ো খিদে...বাবা বলছিল না, এই মাগীর খিদে সে মেটাতে পারে না! সত্যিই তাই, এর খিদে বড়ো বেশি! আমি তার বুকে উঠে তার দুটো বড়ো বড়ো দুধ ধরে টিপতে লাগলাম আমার পেশীবহুল শক্ত হাত দিয়ে। আমার তাগড়া শরীর তার নরম তুলতুলে শরীরকে চেপ্টে দিয়ে যেন বিছানায় ঠেসে রেখেছে। এতো জোরে তার দুধ টিপতে লাগলাম যে মা আমার জোরে জোরে চিৎকার শুরু করে দিয়েছে,
- কি করছো গো....আমায় কি মেরে ফেলবে আজ.....এতো জোরে টেপো না..... আহহহহহহহহহহ্ আহহহহহহ্ আহহহহহহ্ আহহহহহহ্..... আস্ত...... আস্তে....... উফফফফফফফফ্......মা.....গো......!!!!!
- মাগী এতো বড়ো দুধ তোর, এই দুধেই আমি আমার দেহকে পুষ্ট করবো। নে এবার...... ভালো লাগছে ????
- আহহহহহ্..... আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্ আহ্......দুধ কিছুটা রেখে দিও গো.....সব শেষ করে দিওনা...!!!
মা এতো বড়ো দুধ বানিয়েছে যে দুহাত দিয়ে একটা দুধ ধরা যায়। দুহাতে তার বাঁ দুধটা ধরে এবার জোরে জোরে টিপতে লাগলাম, আর পিচকিরির মতো তরল দুধ এসে আমার ঠোঁট দিয়ে মুখে ঢুকতে লাগলো। আমি এবার মায়ের দুধে ঠোঁট বসিয়ে দিয়ে চুক চুক করে তার সব দুধ আকন্ঠ পান করা শুরু করলাম। কি মিষ্টি স্বাদ এই দুধের। মেয়েদের দুধ বুঝি এমনই হয়! কিছুক্ষনের মধ্যেই তার দুধ শেষ করে খালি দুধটা ছেড়ে দিয়ে উঠে বসলাম তার মুখের ওপর। তারপর তাকে ভাবার সুযোগ না দিয়েই তার মুখে আমার মোটা লকলকে ১০ ইঞ্চির বাড়াটা ওক্ করে ঢুকিয়ে দিলাম। মাগীর চোখ উল্টে গেল। তার হাতদুটো দিয়ে আমার বাড়া মুখ থেকে বের করার চেষ্টা করেও পারলো না। শেষে আমার বুকে দুহাতে ঘুষি মারতে শুরু করলো। আমি তার মাথাটা আমার বাঁ হাতের থাবায় ধরে রেখে ডান হাত দিয়ে তার চুলের মুঠি ধরে তার মাথা উঠিয়ে উঠিয়ে আমার বাড়াটাকে তার মুখে পুরে দিতে লাগলাম। মাগী গুঙিয়ে উঠলো,
- ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্ ওক্.....আর... ওক্.... পারছি..... ওক্.....না..... ওক্......!
আমি কোনো কথা শুনলাম না। মায়ের মুখে বাড়া আরও ভেতরে গলার মধ্যে ঠেসে ধরলাম। তার চোখ মুখ লাল হয়ে গেল। দম বন্ধ হয়ে আসছে যেন। প্রায় একঘন্টা ধরে তার মুখে আমার বড়ো মোটা লম্বা বাড়ার গাদন দিয়ে শেষে তার গলার ভেতরে আমার থকথকে সাদা বীর্য ঢেলে দিলাম। মুখ থেকে বাড়াটা ততক্ষণ বের করলাম না, যতক্ষণ না আমার মাল বেরোনো শেষ হচ্ছে। তার গলায় বাড়া ঠেসে ধরায় সে আমার মাল গিলতে বাধ্য হলো। পুরো মাল মায়ের গলার গভীরে ঢেলে দিয়ে তার পাশেই শুয়ে পড়লাম।
- আহহহহহহহহহহহহহ্!
এতো আরাম! মায়ের ভেতরেই এতো সুখ! পাশে তাকালাম।
- মালতী? তুমি?
- যাহ্, এতোক্ষণ সব দুধ খেয়ে গলায় মাল ঢেলে শেষে আমাকেই ভুলে গেলে যে? নাও এবার আমার খিদে আরো বেড়েছে.....আর যে পারছিনা সোনা....আমায় এবার গেঁথে দাও তোমার ওই জাদু কাঠি দিয়ে!
- না না না না.....! তুমি কিভাবে হবে! আমি তো মায়ের দুধ খেয়ে মায়ের গলায় আমার বীর্য ঢেলেছি....!
- হ্যাঁ? তুমি নিজের মাকে ভেবে আমার সঙ্গে..... মানে তুমি নিজের মাকে....!
আমি উঠে পড়লাম তৎক্ষণাৎ। আর একটা কথা ভাবারও সময় নেই! আমার মাথা আর কাজ করছে না। আমি একজন বাইরের মেয়ের সঙ্গে এগুলো কি করে বসলাম! ছিঃ! নিজের ওপরেই রাগে ঘৃণায় বাইরে এসে সাইকেলে চেপে রওনা দিলাম বাড়ির দিকে! মনে একটাই চিন্তা ঘুরপাক খেতে লাগলো,
- মা এখন কোন পরিস্থিতিতে আছে কে জানে!
তখনও পেছনের অন্ধকার থেকে ভেসে আসছে মালতীর অট্টহাসির শব্দ,
- তুমি নিজের মাকে ভেবে আমার দুধ খেলে....আমার মুখে.....হাঁ হাঁ হাঁ হাঁ....!!!
কন্ঠস্বরটা ধীরে ধীরে ঝাপসা হয়ে এলো! এখনও অনেকটা পথ বাকি! তাড়াতাড়ি বাড়ি পৌঁছানো দরকার!
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) -
Erotic Lovers - 09-23-2026
পর্ব - ৮
বাড়িতে ঢুকতেই দেখি বাবা শুয়ে পড়েছে নিজের ঘরে আর মা বারান্দায় দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে সামনে দুপা ছড়িয়ে বোধহয় ঘুমিয়ে পড়েছে। আমি সাইকেলটা রেখে কাছে গিয়ে দেখি মায়ের চুল এলোমেলো, শাড়ির আঁচল মাটিতে পড়ে, আর তার দেহের ভঙ্গিমা অস্বাভাবিক ঠেকলো! মায়ের কপালে হাত ঠেকিয়ে বুঝলাম গা জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে!
- মা!
আমার ডাক মায়ের কানে পৌঁছালো, চোখ মেলে মুখে কিছুটা হাসি এনে আমার দিকে অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। তার চোখে জল। আমার বুকটা হু হু করে উঠল। মাকে এই অবস্থায় বাইরে ফেলে রেখে ওই নরপিশাচটা ঘরে ঘুমোচ্ছে! রাগে মাথা বনবন করতে শুরু করলো আমার। নিজেকে সংযত করে মাকে দুহাত দিয়ে কোলে তুলে নিলাম। মা আমার কানের কাছে মৃদু স্বরে জিগ্যেস করলো,
- আমায় তোর বাবার ঘরে একটু দিয়ে আসবি সোনা?
আমার চোখ জলে ভরে উঠলো। এখনও....মা এখনও ওই লোকটার ঘরে যেতে চাইছে...! এই অবস্থায় কোনো তর্ক না করে মায়ের কথামতোই আমি বাবার ঘরের দরজা পা দিয়ে ধাক্কা দিয়ে খুলে মাকে কোলে করে নিয়ে ঘরে ঢুকে বিছানায় বাবার পাশে শোয়াতে যাবো, বাবা উঠে বসে ঝাঁঝিয়ে উঠলো,
- দূর দূর দূর দূর.....দূরে রাখ্ ওটাকে.... মেয়েটা গেছে....তোরা সবাই বিদায় হ এবার....এর শরীরে রোগ এসেছে....এই রোগী টাকে আমার বিছানায় তুলবো না.... বেরিয়ে যা এখান থেকে ওটাকে নিয়ে।
এই মাটির ওপর দাঁড়িয়ে বলছি, যদি সেদিন মা আমার কোলে না থাকতো, আমি আমার ডান হাতের থাবা দিয়ে ওই জানোয়ারটার গালে এমন চড় কষাতাম, ওর দাঁতগুলো বিছানায় গড়িয়ে পড়তো। আমার শরীর রাগে থরথর করে কাঁপছে, চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে মায়ের পেটের ওপর পড়ছে। আমার এই লোকটার ঘরে নিঃশ্বাস নিতেও যেন কষ্ট হচ্ছে। তাকিয়ে দেখলাম মায়েরও দুচোখ জলে ভিজে উঠেছে। আর এক মুহূর্তও দাঁড়ালাম না আমি সেখানে। মাকে নিয়ে বেরিয়ে এলাম ওখান থেকে। মনে মনে ওই জানোয়ারটাকে বললাম,
- একদিন এমন আসবে, যেদিন তোমার আমাদেরকে খুব প্রয়োজন পড়বে.... কিন্তু আর আমাদের সাড়া মিলবে না...!
মাকে নিয়ে এলাম আমার ঘরে। তারপর বিছানায় তাকে শুইয়ে দিয়ে তার গায়ে আমার একটা মোটা কাঁথা ঢাকা দিয়ে দিলাম। কপালে হাত দিয়ে বুঝলাম মাকে এখুনি জলপট্টি না দিলে বিপদ ঘটে যাবে....মায়ের গা যেন আগুনে পুড়ে যাচ্ছে! ভয়ঙ্কর জ্বর এসেছে মায়ের! কিছুক্ষণের জন্য মোটে চোখের আড়াল করেছি, আর কি অবস্থা করেছে নিজের! আমি তক্ষুনি জলপট্টির ব্যবস্থা করতে বাইরে আসছি, পেছন থেকে মা আমার হাত চেপে ধরলো, মৃদু স্বরে বললো,
- সোনা, তোর বাবার কাছে আমায় দিয়ে আয়, বিছানায় না হলেও ওর ঘরেই মাটিতে রেখে আয়....।
আমি আর নিজেকে আটকাতে পারলাম না। এর আগেও শুধুমাত্র মায়ের কথা রেখে আমি অনেক কাজ অনিচ্ছা সত্ত্বেও করে এসেছি, কিন্তু আজ আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ! আমি শক্ত কন্ঠে বললাম,
- মা, তুমি এখানেই থাকবে, আমার পাশেই ঘুমোবে। ওর কি করার আছে করে নিক।
বলে আর না দাঁড়িয়ে বাইরে এসে উনুনে জল গরম করে ন্যাকড়া নিয়ে মায়ের মাথায় জলপট্টি দেওয়া শুরু করলাম। কিছুক্ষণ দেওয়ার পর কপালের উষ্ণতা কিছুটা কমলো। আমার কাছে জ্বরের কিছু ওষুধ ছিল। তা এনে মাকে খাইয়ে মায়ের মাথার কাছটায় বসলাম। মনে মনে ভাবলাম, মা এখানে জ্বরের ঘোরে নিজের স্বামীর অবহেলা ও অপমানে বারান্দায় প্রায় অচৈতন্য হয়েই পড়েছিল। আর আমি ওখানে....! ছিঃ....এ কি করলাম আমি! তারপর মায়ের মাথায় পরম ভালোবাসায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগলাম। মা আমার দিকে চেয়ে কাঁদছে। তারপর সে আমার হাতটা নিজের দুহাতে নিয়ে নিজের বুকে চেপে আমার দিকে তাকিয়ে বললো,
- সোনা....আমি কতদিন তোর সঙ্গে কথা বলিনি বাবু....আমার বুকটা ফেটে যাচ্ছিল রে.... আর সেই তুই আমার সেবা করছিস!
- কেঁদো না মা, মায়ের সেবা যে অনেক ভাগ্য না থাকলে করা যায় না... তোমায় আমি কথা দিলাম কোনোদিন আমি আর তোমায় একা ফেলে রেখে কোথাও যাবো না মা।
মা তার দুহাতে আমার মাথাটা নিজের বুকে টেনে নিলো। আমি শুয়ে পড়লাম মায়ের বুকেই মাথা রেখে।
ঘুমটা ভাঙলো একটা আওয়াজ পেয়ে, বাজ পড়ার আওয়াজ। বিকট শব্দে একটা বাজ পড়লো আশেপাশে কোথাও। ঝড় আসছে। চোখ খুলে দেখলাম বিছানায় মা আমার দিকেই পাশ ফিরে শুয়ে আছে। কপালে হাত দিয়ে দেখলাম জ্বর নেই। মা ঘুমোচ্ছে। এমনসময় বাইরে ঝড় শুরু হলো, সঙ্গে প্রবল বৃষ্টি। পাশের জানালাটা খোলা ছিল। আমি বন্ধ করে দিলাম। ঘরের লন্ঠন কখন নিভে গেছে কে জানে! অন্ধকার ঘরেও চোখ সয়ে গিয়েছে, সবকিছুই পরিস্কার দেখতে পাচ্ছি....ওইতো দেয়ালের তারে ঝোলানো আমার জামা প্যান্ট, ওইতো মাটির কলসীটা, তার ওপরে গ্লাসটা রাখা, এই তো আমার পাশেই মা শুয়ে আছে....এই তো মায়ের চোখ...নাক......ঠোঁট..........!
আমার বিছানাটা খুব ছোটো, এতে দুজন মানুষ পাশাপাশি শুলে চাপাচাপি হয়ে শুতে হয়। আমার শরীর মায়ের শরীরের সঙ্গে চেপে রয়েছে। মা এতোই কাছে রয়েছে আমার যে তার প্রশ্বাসের বাতাস আমার চিবুকে পড়ছে। মা আমার দিকে ফিরে শুয়ে আছে আমার ডান পাশে। তার ডানহাত আমার কোমরের ওপর রাখা। ভালোভাবে তাকিয়ে দেখলাম তার বুক ও পেট থেকে শাড়ি সরে গিয়ে শুধু মায়ের ব্লাউজ ও সায়া দেখা যাচ্ছে। আর মা ঘুমের মধ্যেই কাঁথাটা নামিয়ে তার পায়ের কাছে ফেলে রেখেছে। মা আমার থেকে এখন ১ ইঞ্চিও দূরে নয়, শরীরে শরীর লেগে রয়েছে দুজনের। এতো কাছ থেকে, এতো ঘনিষ্ঠতায় মায়ের শরীরের গন্ধ আমায় মাতাল করে তুললো!
ঝড় উঠেছে বাইরে, সঙ্গে মুষলধারায় বৃষ্টি হচ্ছে। মাঝে মাঝে বাজ পড়ছে, কিন্তু তার আওয়াজ বৃষ্টির আওয়াজে ঢাকা পড়ে ফিকে হয়ে এসেছে। বাতাসের গরম গুমোট ভাব কেটে গিয়ে শীতল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এই ঠান্ডায় উষ্ণতা চায় আমার শরীর! মা নিশ্চিন্তে অঘোরে ঘুমাচ্ছে আমার শরীরে তার শরীর ছুঁইয়ে রেখে। আমি মুখটা মায়ের আরো কাছে নিয়ে গেলাম...এবার মায়ের প্রশ্বাস আমার ঠোঁটে ধাক্কা লাগলো। আরও কাছে এগিয়ে গেলাম আমি....মায়ের দুই কোমল পুরু ঠোঁটে আমার ঠোঁট স্পর্শ করল। আমি কেঁপে উঠলাম সেই স্পর্শে। ঠিক এমনসময় বাজ পড়লো কাছেই। সেই শব্দে মা নড়ে উঠলো। আমি মুখ সরিয়ে স্বাভাবিকভাবে চোখ বন্ধ করে ঘুমের ভান করে চুপচাপ শুয়ে থাকলাম। না, মায়ের ঘুম ভাঙেনি। বাজের ডাকে একটু নড়ে উঠেছিল মাত্র। তারপর যেমনভাবে শুয়েছিল আবার ঠিক তেমনভাবেই শুয়ে রইল আর আমিও ঠিক তেমনভাবেই আমার ঠোঁট মিশিয়ে দিলাম মায়ের ঠোঁটে। বিদ্যুৎ, ঝড় ও বৃষ্টির এই উদ্দাম নৃত্য আমার মনেও আজ আগুন ধরিয়ে দিল! আমি নিজের জিভ বের করে ঢুকিয়ে দিলাম মায়ের দুই ঠোঁটের ফাঁকে। প্রথমে জিভ গিয়ে তার দাঁতে ধাক্কা খেলেও মা ঘুমের মধ্যেই দাঁত ফাঁক করে ধরলো, আমি প্রবেশ করলাম মায়ের মুখগহ্বরে, পেলাম জিভের স্পর্শ। আমি আমার পুরো জিভ ভেতরে ঢুকিয়ে ধীরে ধীরে মায়ের লালা মিশ্রিত জিভ খানা চেটে পুটে সাফ করতে লাগলাম। কি অপরূপ এই স্বাদ! মায়ের মুখের ভেতরের সুগন্ধে আমি চোখ বন্ধ করে মায়ের স্বাদ আস্বাদন করে চললাম।
কিছুক্ষণ পর দেখি মা সামান্য কেঁপে কেঁপে উঠছে। আমি মায়ের মুখের ভেতর থেকে জিভ বের করে এনে ভাবলাম জ্বর এসেছে আবার। কপালে হাত ছুঁইয়ে দেখলাম, না জ্বর নয়, হয়তো মনের অবচেতনে মায়ের শরীর তার স্বাভাবিক ঘুমের মধ্যেই এরকমটা করছে। আমি ধীরে ধীরে কেমন হয়ে গেলাম! এই পরিবেশে বেশ ঠান্ডা লাগছিলো। তাই উষ্ণতা পাওয়ার আশায় মায়ের কাঁথাটা পায়ের কাছ থেকে তুলে নিজেকে ও মাকে দুজনকেই ঢেকে নিলাম সম্পূর্ণভাবে। আজ মাকে এতো কাছ থেকে পেয়ে তার মধু সংগ্রহের জন্য আমি যে ডুব দিতে চাই যৌবনের জোয়ারে....!
কাঁথার নিচেই আমাদের দুজনের শরীর পা থেকে মাথা অবধি ঢাকা রয়েছে। এই অবস্থায় মায়ের গায়ের সুগন্ধ কাঁথার ভেতরে চারপাশে ছড়িয়ে পড়লো আর আমি আমার ঠোঁট মায়ের গলায় স্পর্শ করালাম। মায়ের গলা চাটতে শুরু করার পর দেখলাম মা একবার কেঁপে উঠলো। আমার ঠোঁট ধীরে ধীরে নামাতে নামাতে তার শাড়ি সরে যাওয়া ব্লাউজ ঢাকা দুধের উপরটায় এসে থামালাম। দেখলাম মায়ের গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠছে, তার গায়ের লোমকূপগুলো ফুলে উঠেছে.... অর্থাৎ মায়ের অজান্তেই মায়ের শরীরে শিহরন জেগেছে! এতো কাছ থেকে মায়ের ব্লাউজ ঢাকা এই বড়ো বড়ো দুধগুলোর দিকে চেয়ে আমার আর তর সইছে না....আমার বাঁ হাতটা তার ডানদিকের ব্লাউজে ঢাকা দুধটার ওপরে বসিয়ে দিলাম আর বসানোর সঙ্গে সঙ্গেই চমকে উঠলাম!
- মা....! তোমার এতো নরম দুধ....? তোমার এতো বড়ো এতো ভারী দুধ মা....? এই দুধ খেয়েই আমি বড়ো হয়েছি মা....? এই দুধ আমার শরীরে পুষ্টির উপাদান ছড়িয়েছে....? আজ যে আমি আরও পুষ্ট হতে চাই মা.....! আমায় কি তোমার এই দুধ খেতে দেবে মা.....?
মায়ের ডানদিকের দুধের ওপরে আমার বাঁ হাতের থাবা বসানো ছিলো। কিন্তু দেখলাম আমার হাতের থাবায় মায়ের পুরো দুধটা ঢাকা পড়েনি, থাবার বাইরেও মায়ের দুধ ভেদকে গিয়ে দুইদিকে অনেকটা জায়গা নিয়ে ছড়িয়ে আছে, যেন আমার তিনটা থাবা একসাথে মায়ের ডান দুধটা ধরলে তবেই ভালোভাবে পুরো দুধটা মুঠোয় আঁটবে। আমি অবাক হলাম মায়ের দুধের এই সাইজ দেখে। আগে শাড়ির ওপর দিয়ে দেখেছি, শাড়ির আঁচল সরে গিয়ে শুধু ব্লাউজের উপর দিয়েও দেখেছি, দুধ বড়ো দেখাতো, কিন্তু এতো বড়ো নয়। আজ কাছ থেকে মায়ের দুধের ওপর হাত বসিয়ে মায়ের দুধের সঠিক পরিমাপ পেলাম! মা শাড়ির আঁচলের ভেতর এগুলো নিয়ে ঘোরে? এই শরীরে কাপড়ের আড়ালে এত বড়ো মধুর ভান্ডার মা লুকিয়ে রেখেছিল এতোদিন! আমি যতটা সম্ভব আঙুলগুলো সবদিকে ছড়িয়ে দিয়ে দুধটা ধরার চেষ্টা করলাম। তারপর থাবায় যতটা মাংস ওঠে, ততটা ধরে হালকা চাপ দিলাম মায়ের দুধে। একবার.... দুবার....তিনবার। এই তিনবার মায়ের দুধে হালকা চাপ দিয়ে টিপতেই মা তিনবারই কেঁপে কেঁপে উঠলো। আমি মুখটা মায়ের গলার খাঁজে নিয়ে গিয়ে নাক দিয়ে তার গলার কাছের ঘামের গন্ধ নিতে নিতে জিভ দিয়ে তার গলা চাটতে লাগলাম আর মায়ের দুধের মাংসে আমার হাতের চাপ বাড়িয়ে দিলাম। এবার আরো একটু জোরে। হাতের মুঠোর চাপে মায়ের বড়ো মোটা দুধ ভেদকে গিয়ে দুদিকে ছড়িয়ে যাচ্ছে, আবার যখন মুঠো খুলে দিচ্ছি, তখন দুধটা আবার মুঠোয় এসে জমাট বাঁধছে। কাঁথার নিচে মায়ের দেহের উষ্ণতায় আমি পাগল হয়ে গিয়ে মায়ের গলা চাটতে চাটতে এবার জোরে জোরে মায়ের দুধ টিপতে শুরু করলাম...আর আমার টেপন খেয়ে ঘুমের মধ্যেই মা কেঁপে কেঁপে উঠতে লাগলো। হঠাৎ একবার খুব জোরে দুধটা টিপে ধরায় মা তার ডানহাত দিয়ে আমার কোমর আরও চেপে ধরে আমার আরো কাছে সরে এলো।
- ও মা গো....! কি গন্ধ তোমার শরীরে....! কি উষ্ণতা তোমার গলায়, তোমার দুধের মাংসে.... ! মা তোমার এই লদলদে শরীর শুধু আমার .... শুধু আমারই....! আজ আমায় তোমার শরীরকে ভোগ করতে দাও মা.... ! একটুখানি শান্তি পেতে দাও, একটুখানি সুখে বাঁচতে দাও তোমার এই মাংসের ভেতরে!!!
মা আমার কোমর শক্ত করে জড়িয়ে ধরে রাখায় আমার ৪ ইঞ্চি মোটা বাড়াটা তখন তার ১০ ইঞ্চির লম্বা রূপ ধারণ করে প্যান্টের ভেতর থেকেই মায়ের পেটে ঘষা খাচ্ছে। আমি মায়ের দুধ থেকে হাত সরিয়ে এনে আমার প্যান্টের বোতাম টেনে চেইন খুলে হাঁটু পর্যন্ত নামিয়ে দিলাম। তারপর আমার খোলা লকলকে মোটা বাড়াটা মায়ের শাড়ি সরে যাওয়া খোলা পেটের গভীর নাভিতে ঢুকিয়ে দিলাম।
- আহ্.... মা গো....! তোমার সব স্থানেই কি স্বর্গসুখ! কি গভীর নাভি তোমার....আমার প্রিয় মা!
আমি মায়ের নাভিতে ঠাপ দিতে শুরু করলাম ধীরে ধীরে। এই প্রথম কোনো নারী শরীরকে নিজের মতো করে সজ্ঞানে সচেতন হয়ে আমি ভোগ করছি...আর সেই শরীর আমার নিজের মায়ের....! তাই আমি একটা ঘোরের মধ্যে এই জগৎ ছেড়ে কামনার আগুনে পুড়তে পুড়তে অন্য এক অজানা জগতে পৌঁছে গেছি.... যেখানে শুধু ভোগের খেলা চলে!
মায়ের থলথলে পেটের নাভিতে আমার বাড়ার ধাক্কা দিতে দিতে আমি কাঁথার নিচেই আমার মায়ের ডানদিকের দুধটা আবার খামচে ধরলাম, তারপর জোরে জোরে টিপতে টিপতে তার গলা চাটতে লাগলাম। নাভিতে বাড়ার ধাক্কায়, দুধে হাতের চাপে আর গলায় ভিজে জিভের স্পর্শে মা আমায় আরো নিজের কাছে টেনে নিতে লাগলো। আমি তখন জ্ঞান হারিয়ে দুধ টেপা বন্ধ করে মায়ের ব্লাউজের হুকে হাত দিলাম। দেখলাম মায়ের দুধ এতো বড়ো বড়ো যে হুকগুলো ব্লাউজের সঙ্গে টাইট হয়ে দুধের ওপর চেপে বসে গেছে। বাবা সেই রাতে ঠিকই বলেছিল....মায়ের দুটো দুধ বড্ড বড়ো! আজ নিজের হাতে টিপে তার প্রমাণ পেলাম। অনেক কষ্টে কোনোরকমে নিচের দুটো হুক খুলতে পারলাম, তাতেই আমার কাজ হাসিল করতে হবে। বাঁ হাতটা ওই খোলা হুকের দিক দিয়ে ব্লাউজের ভেতরে গলিয়ে মায়ের ডানদিকের দুধটা হাতের মুঠোয় ধরে বের করে আনলাম।
- মা....! কি দুধ বানিয়েছো মা....! এতো বড়ো কিভাবে বানিয়েছো মা!!!!
আর দেরি নয়। দুধটা যতটা বের করতে পেরেছি, তাতে বোঁটাও বেরিয়ে এসেছে। এতো ফোলা ফোলা বড়ো আঙুরের মতো বোঁটা....! ঠোঁটটা বসিয়ে দিলাম মায়ের দুধের বোঁটায়। তারপর চুক চুক করে চুষে খেতে লাগলাম মায়ের দুধ। এই দুধ খেয়েই একদিন বড়ো হয়েছি, আর আজ এই দুধ খেয়েই বাকি জীবনটা কাটিয়ে দিতে চাই আমি। নরম বোঁটাটা আমার জিভের লালা রসে ভিজে উঠে বেশ পিচ্ছিল হয়ে উঠেছে। মায়ের বাঁদিকের দুধটা এতো বড়ো হওয়ায় তার এপাশ ঘুরে শুয়ে থাকার জন্য বাঁদিকে পেটের নিচে বিছানার সঙ্গে চাপা পড়ে গেছে। আমি ডান দুধেই মগ্ন থাকলাম তখন। মায়ের ডানদিকের দুধটা দুহাতে ধরে টিপতে টিপতে বোঁটা চুষতে লাগলাম। চুক চুক আওয়াজে কাঁথার ভেতরটা ভরে উঠল।
আমি মায়ের দুধ খাচ্ছি আজ! আমার জীবনের একটা স্বপ্ন আজ পূরণ হলো। এতো কাছ থেকে মাকে পেয়ে মায়ের পাশে শুয়ে মায়ের দুধটা হাতে ধরে দুধ খাবো....এ আমার কল্পনারও অতীত ছিল!
এমনসময় কাছেই আবার কোথাও বাজ পড়ল। হঠাৎ মা কেঁপে উঠে চোখ খুললো আর আমি মায়ের দুধের বোঁটা থেকে মুখ সরিয়ে আর আমার বাড়াটা মায়ের নাভি থেকে বের করে এনে বাঁ হাত দিয়ে সেটাকে থাইয়ের সঙ্গে নিচের দিকে চেপে রাখলাম সাবধানে। তারপর চুপচাপ সেখানেই পড়ে রইলাম। অপেক্ষা করতে লাগলাম পরের ঘটনার। মা জেগে গেছে। কিন্তু তখনও বুঝতে পারেনি যে তার দুধ ব্লাউজের বাইরে অনেকটা বেরিয়ে আছে। ঘুমের মধ্যেই মা আমার গা থেকে হাত সরিয়ে নিজের শাড়ি ঠিক করতে গেল, আর ঠিক তখনই বুকের কাছে হাত পড়তেই.... কিছুক্ষণ তার হাত থেমে রইল, তারপর তার ডানদিকের দুধটা ব্লাউজের ভেতরে চেপে চেপে ঢুকিয়ে হুকগুলো আটকে দিল। তারপর মা চুপচাপ কিছুক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে কি যেন ভাবলো, আমি চোখ বন্ধ রাখলেও মায়ের প্রশ্বাস আমার মুখে লাগায় আমি বুঝতে পারলাম। তারপর আমার বাঁ গালে তার ডান হাতের আঙ্গুল বুলিয়ে দিয়ে বললো,
- চয়ন.... এদিকে তাকা....আমি জানি তুই জেগে আছিস।
আমি বুঝলাম....আজ সব শেষ! নিজের উত্তেজনাকে আমি দমন করতে না পেরে তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে সব ভেস্তে দিলাম....এবার না মাকে পাবো...না মায়ের শরীরের কাছাকাছি আর আসতে পারবো! আমি চোখ মেলে তাকালাম মায়ের দিকে। ততক্ষণে মা আমাদের দুজনের মাথা থেকে কাঁথা নামিয়ে এনেছে। মা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললো,
- তুই আমার বুক চুষছিলি চয়ন?
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) -
Erotic Lovers - 09-23-2026
পর্ব - ৯
- কি রে চয়ন?
- মা....!
- বল চুষছিলি?
- আমি...!
- হুম বল....।
- আমার খুব ইচ্ছা হয়েছিল ছোটবেলার মতো করে আবার তোমার দুধ খেয়ে ঘুমোনোর....!
চোখ বন্ধ করে এক নিঃশ্বাসে কথাগুলো বলে আমি থামলাম। মায়ের কাছে হাতেনাতে ধরা পড়ার কথা যেন আমার বিশ্বাস হচ্ছে না এখনও। এত বোকামি করে ফেললাম আমি? এবার মা আমায় কোন চোখে দেখছে কে জানে? ভাবছে যে এমন ছেলের জন্ম সে দিয়েছে যে এই দূর্যোগের রাতে অন্ধকারে তার ঘুমোনোর সময় তারই পেটের ছেলে তারই ব্লাউজ খুলে তার দুধ খেয়েছে.... ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ....ছিঃ!
এমনসময় আবার বিকট শব্দে বাজ পড়লো, চারপাশে তার আলো ছড়িয়ে দিয়ে গেল সেকেন্ডের জন্য। ঝড়বৃষ্টির বেগ আরও বেড়ে উঠলো। মা বললো ,
- চয়ন একবার গোরুগুলোকে দেখে আয়...এই বাজ পড়ার শব্দে ওরা খুব ভয় পায়!
আমার এটা মাথাতেই নেই। দূর্যোগ শুরু হলে সবার আগে আমিই এই গরুগুলোর জন্য চিন্তা করি! কিন্তু আজ....আজ নিজের মায়ের উষ্ণ আলিঙ্গনে আমি হারিয়ে গিয়েছিলাম! কাঁথার তলায় আমার প্যান্ট হাঁটুর কাছে পড়ে আছে, সেটাকে তুলে মায়ের অজান্তেই কোনোভাবে পরে নিলাম। তারপর বিছানা থেকে নেমে দরজা খুলে বাইরে এলাম।
বাইরে যেন আজ ধ্বংসের খেলায় মেতে উঠেছে এই প্রকৃতি! প্রকৃতির এই রুদ্র রূপে গোরুগুলো গোয়ালঘরের ভেতর থেকে ডাকছে। বৃষ্টির শব্দে তাদের ডাক অল্প শুনতে পাচ্ছি। বারান্দায় দাওয়ায় বৃষ্টির ছাঁট এসে ভিজিয়ে কাদা করে ফেলেছে। পাশে তাকিয়ে দেখলাম বাবার ঘরের দরজা বন্ধ, ঘুমোচ্ছে। আমি জামা প্যান্ট ছেড়ে গামছাটা পরে বারান্দা থেকে নেমে উঠোনে এসে দাঁড়ালাম। যেদিকে বড়ো গাছগুলো রয়েছে, ওর কাছেই গোয়ালঘর।
গোয়ালঘরের টিনের পাতের দরজা ঝড়ের ঝাপটায় খুলে গেছে আর সেখান দিয়ে বৃষ্টি ঢুকছে আর ঝড়ের সন্ সন্ আওয়াজ আর বাজ পড়ার আওয়াজে গোরুগুলো ভয়ে ডাকছে। আমি দরজা বন্ধ করে তাদের কাছে গিয়ে দুটোকেই মাথায় গায়ে হাত বুলিয়ে দিলাম। একজন টান মেরে খুঁটি থেকে দড়ি খুলে ঘরের মধ্যে বজ্রপাতের শব্দে ভয়ে ছোটাছুটি শুরু করে দিয়েছে। তার গায়ে ভালো করে হাত বুলিয়ে আবার তার দড়িটা খুঁটিতে বেঁধে দিলাম। তারপর দুজনকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে বললাম,
- আর ভয় নেই, ঝড় কমে যাবে তাড়াতাড়ি। লক্ষী সোনা আমার। আমি আসি, তোরা থাক্।
ওরা সব বুঝতে পারে! নিজের লোককে দেখে ওদের মন শান্ত হলো আর চুপচাপ বসে পড়ে আমার দিকে বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে রইল। বড্ড মায়া হল ওদের দেখে। ওদের একজনের নাম রিনু আর একজনের নাম মিনু। রিনুটা বড্ড ভীতু। দুটোকেই হাত বুলিয়ে বেরিয়ে এলাম বাইরে। তারপর বাইরে থেকে দরজাটা দড়ি দিয়ে ভালোভাবে বেঁধে দিলাম যাতে আর খুলে না যায়।
বারান্দায় এসে উঠলাম বৃষ্টি ভেজা সপসপে গায়ে। এখানে কেউ নেই। বাবা ঘুমোচ্ছে নিজের ঘরে, আর মা আমার ঘরে শুয়ে। তাই আমি গা মোছার জন্য গামছাটা খুলে নিয়ে উলঙ্গ হলাম আর ঠিক তক্ষুনি আমার ঘর থেকে মা বেরিয়ে এলো.... একইসঙ্গে প্রকৃতি বোধহয় আমার সঙ্গে রসিকতায় মেতে উঠলো... কাছাকাছি কোথাও বাজ পড়লো, আর তার আলোয় আমার উলঙ্গ শরীর মায়ের চোখে স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠল। হঠাৎ এই ঘটনায় আমি একরকম ভ্যাবলার মতো দাঁড়িয়ে রইলাম হাতে গামছা নিয়েই। মাকে দেখেও মায়ের সঙ্গে কিছুক্ষণ আগের ঘনিষ্ঠতায় আমার বাড়া শক্ত হয়ে ফুলে খাড়া হয়ে দাঁড়িয়েই ছিল, মা দেখলাম সেই বিদ্যুতের আলোর ওই কিছু সময়ের মধ্যেই আমার বাড়াটার দিকে একবার তাকিয়ে মুখ ফিরিয়ে অন্যদিকে তাকালো। আমি সঙ্গে সঙ্গে ভিজে গামছাটা আবার পরে নিলাম। তারপর মায়ের কাছে এগিয়ে গিয়ে দাঁড়ালাম। হাত দিয়ে তার কপাল ছুঁয়ে দেখলাম না জ্বর নেই। মাকে জিগ্যেস করলাম,
- তুমি কেন বেরোলে মা? রিনু দড়ি খুলে দিয়েছিল। ওর দড়ি বেঁধে আমি দরজাটা ভালো করে বেঁধে দিয়ে এসেছি। ঝড় দেখছো, ঝড়ের ঝাপটায় দরজা খুলে হা হয়েছিল। কিন্তু তুমি কেন উঠেছো আবার এই জ্বর অবস্থায়?
মা একটু ইতস্তত করতে লাগলো আমার কথায়। তারপর বললো,
- তুই ঘরে যা, গামছাটা খুলে জামা প্যান্ট পর, সর্দি বাঁধাবি নয়তো। আমি একটু বাইরে থেকে আসছি।
বুঝলাম মা পেচ্ছাপ করতে উঠেছে। আমাদের গ্রামে সেই সময় বাথরুম বলে কিছু ছিলোনা। পায়খানা করতে যেতে হতো ওই নদীর তীরেই জঙ্গলের মতো জায়গাটায়। পায়খানা সেরে সবাই নদীতে স্নান করে নিত। আর বাড়ির বাইরে গাছপালার ঝোঁপের মধ্যেই পেচ্ছাপ করতাম আমরা। তাই মাকে এখন পেচ্ছাপ করতে হলে বাড়ির উঠোন পেরিয়ে বাইরে গিয়ে পেচ্ছাপ করতে হবে। কিন্তু মা যদি এই জ্বর গায়ে এই বৃষ্টিতে ভেজে, তাহলে মায়ের শরীর এতো অসুস্থ হয়ে উঠবে যে...আমি আর ভাবতে পারলাম না! মাকে বললাম,
- শোনো, এই বৃষ্টিতে তুমি ভিজবে না। এই দাওয়ার ওদিকটাতেই সেরে ফেলো, বৃষ্টির জলে ধুয়ে যাবে।
অবাক হয়ে মা আমার দিকে চেয়ে আমার কথা শুনে লজ্জায় মাথা নিচু করে বললো,
- চয়ন....তুই ঘরে যা....তোর মুখে কিছুই আটকায় না!
- না মা, তুমি বাইরে যাবে না, আমি নিষেধ করছি।
- কিন্তু এইভাবে এইখানে এই বারান্দায় বসে আমি পে....ওটা করতে পারবো না....! একটু ভিজলে কিচ্ছু হবে না। আর যদি কিছু হয়...তুই তো আছিস আমার দেখভাল করার জন্য!
মায়ের মুখে একথা শুনে মনটা আমার ভরে উঠলো। একটু আগের ঘটা ঘটনা আমি বেমালুম ভুলে গিয়ে মনে হলো দুহাতে মাকে জড়িয়ে ধরে বুকের মধ্যে চেপে রাখি তার মুখটা। কিন্তু এসব স্বপ্ন দেখা বন্ধ করে আমি মায়ের দুই কাঁধ ধরে তার মুখের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে বললাম,
- মা, আমি মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তোমার সেবা করে যাবো...! তোমার কিছু হলে যে আমি সইতে পারি না গো....!
মা আমার ঠোঁট আঙুল দিয়ে চেপে ধরে বললো,
- এই কথা যদি আর কখনো বলিস, পরের দিন আমার মরা মুখ দেখবি তুই চয়ন.....!
বলে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো। আমার মা....! চারুলতা আমায় এতো ভালোবাসে! আমার চলে যাওয়া, আমার অভাব মা এতো অনুভব করে! মা....মাগো....এভাবেই যে আমি তোমার কাছে রয়ে যেতে চাই মা....তোমায় আমার বুকে চেপে ধরে! বলে মাকে আমি আমার দুই শক্ত হাতে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরলাম আর মায়ের দুধ দুটো আমার বুকে ঠেসে গেল। মা আমার বুকের মধ্যে মুখ গুঁজে কাঁদছে। আমি মায়ের মাথায় একটু চুমু খেলাম। আহ্....কি এক সুগন্ধি মায়ের চুল থেকে এসে আমায় পাগল করে তুলছে! আমার ভেতরের সন্তান সত্তাটা অদৃশ্য হয়ে পুরুষ সত্তার জাগরণ ঘটলো। আমি বাঁ হাতে মায়ের পিঠ ধরে রেখে ডান হাত ধীরে ধীরে নিচে নামিয়ে এনে মায়ের কোমরের উপরিভাগের নরম পেলব মাংসে হাত রাখলাম। তারপর মায়ের কোমরটা হাতের থাবায় একটু চেপে ধরলাম আমার শরীরে। মা আমার বুকে মুখ গুঁজেই একটু কেঁপে উঠলো যেন! মাকে আমার শরীরের সঙ্গে ওইভাবেই চেপে ধরে রেখে বললাম,
- তোমার অভাব যে আমি নিতে পারবো না মা...! আমি সবকিছু সইতে পারি, দুবেলা না খেয়ে খালি পেটেও ঘুমোতে যেতে পারি, কিন্তু মা, দুবেলা তোমার এই সুন্দর মুখখানি না দেখলে যে আমার মন ভরে ওঠে না মা....! তোমায় যে আমার খুব প্রয়োজন...!
মায়ের কান্না বেড়ে যায়। আমার বুক মায়ের চোখের জলে ভিজে উঠলো। মা কাঁদতে কাঁদতেই বললো,
- তোর বাবা আমায় সহ্য করতে পারে না, সবকিছুর জন্যই আমি দায়ী! আমি কি ভুল করেছি চয়ন....তুই বল?
- ভুল তোমার নয় মা, ভুল এই সমাজের...! যে সমাজ নারীদেরকে একটা খেলনা হিসেবে দেখে, তাকে যেকোনো অবস্থায় ভেঙে মুচড়ে তারা এক পৈশাচিক আনন্দ পায়। বাবা তোমায় ভালোবাসে না, বিয়ের পর থেকে তোমাকে শুধু ভোগ করেই এসেছে মা!
এই কথাগুলো আবেগের বশে বলে ফেলে ভাবলাম আমি মায়ের একটু বেশিই গোপন জায়গায় ঢুকে পড়লাম। ভোগ করার কথাটা না বললেই হতো! মা দেখলাম সেরকমভাবে কথাটা নিলনা। মা যে খুব সরল। জটিলতার ভিড়ে সে নিজেকে হারিয়ে ফেলে। মা আমার বুকের মধ্যে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে বললো,
- কিন্তু আমি তো আমার দিক থেকে সবকিছু দিয়ে এসেছি....! একদিনের জন্যেও ওকে আমি কষ্ট দিইনি....!
আমার ভোলা মা! এই জগৎ যে তোমার এতো সারল্য ভরা হৃদয়টাকে এফোঁড় ওফোঁড় করার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে গো....সুযোগ পেলেই তোমায় ব্যাথা দিতে ছাড়বে না! মায়ের কোমরটা ডান হাতের থাবায় আরও আমার শরীরে চেপে ধরলাম। বললাম,
- তুমি কষ্ট দাওনি, কারণ তুমি তুমি-ই, আর সে কষ্ট দেবে, কারণ সে সে-ই...! যার ভেতরটা যেরকম সে সবার সঙ্গে তেমনটাই করবে গো মা!
- তোর বোন আমায় কষ্ট দিয়ে এভাবে চলে যেতে পারলো? আমি কি না বলেছিলাম এই বিয়েতে....? শুধু তোর বাবার জন্য মুখ ফুটে কিছু বলতে পারি নি...! লতা ...আমার মেয়ে হয়ে এতো কষ্ট দিয়ে গেল আমায়! এখন সে কোথায় আছে....এই দূর্যোগের রাতে সে কি করছে!
আমি জানি সে কি করছে এখন! মুচকি হেসে মাকে এবার সবটা খুলে বললাম,
- মা...আমায় ক্ষমা কোরো, আমিই লতাকে বাড়ি থেকে পালাতে সাহায্য করেছিলাম....! নিজের ভালোবাসার মানুষটার কাছে তাকে যেতে দিয়েছিলাম...!
কিছুক্ষণ থেমে মায়ের কপালে একটা চুমু খেয়ে বললাম,
- নিজের ভালোবাসার মানুষটার কাছে না যেতে পাওয়ার কষ্ট কত যে হয়, তা আমি জানি!
এমনসময় মা দেখি মুখ তুলে একটু মায়ের সারল্য ভরা সহজ রসিকতায় মুচকি হেসে আমায় জিগ্যেস করলো,
- তুই বুঝি কারো প্রেমে পড়েছিস!
আমি বুঝলাম মা যেমন সরল, তেমনভাবেই সবকিছু দেখতে পায়। বুকের মধ্যে তাকে চেপে ধরে রেখে আনমনে বাইরের প্রবল ঝড় বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে মায়ের কথার উত্তর দিলাম,
- হ্যাঁ মা....আমি একজনের প্রেমে পড়েছি....! শুধু দিন রাত তার চিন্তাই আমায় কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে। তার দুঃখ যে আমি সইতে পারি না মা!
- বল আমায় সে কে... কিসের দুঃখ তার!
- বলবো তোমায় একদিন... নিশ্চয়ই বলবো!
- আমি তোর মা। আমায় বলবি না তো কাকে বলবি তুই! আমার চোখের দিকে তাকা সোনা....বল সে কে?
আমি মায়ের চোখের দিকে তাকালাম। এমনসময় বিদ্যুতের ঝলকানি ও বিকট কান ফাটানো শব্দে চারপাশ কেঁপে উঠলো। মাও কেঁপে উঠে আমায় জড়িয়ে ধরলো আরও জোরে....! আমার বুকের মধ্যে তার মুখটা আরও ভেতরে গুঁজে দিলো ভয়ে... ! এতে মায়ের দুধ আমার বুকে আরও চেপে বসে লেপ্টে গেলো। আমি বাঁ হাতে তার পিঠ ধরে ডানহাত আরও নিচে নামিয়ে এনে মায়ের নরম তুলতুলে বড়ো পোঁদটাকে খাবলে ধরে আমার শরীরে তাকে মিশিয়ে দিলাম। এই ঝড় বৃষ্টির রাতে...এই ঘুটঘুটে অন্ধকারে...এই প্রকৃতির উন্মত্ত খেলায় দুই নরনারী একে অপরকে আলিঙ্গন করে দাঁড়িয়ে আছে একটি খড়ের ছাউনি দেওয়া মাটির বাড়ির বারান্দায়! মা এই প্রশ্নের উত্তর কি পেলো না? সে যে এখনও আমার চোখের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে! আমি মায়ের চোখের দিকে চেয়ে মনে মনে এই ঝড় বৃষ্টি অন্ধকারকে বিদীর্ণ করে চিৎকার করে বলে উঠলাম,
- তুমিই সেই নারী মা....তুমিই সেই নারী...!
আমি মুখে কিছু বললাম না। মা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে কি বুঝলো, আমার কল্পনায় তা ধরতে পারলাম না। আমি যে নিজের মাকে এই রাতের অন্ধকারে এইভাবে জড়িয়ে ধরে রেখে বলতে পারি না,
- মা....আমি যে শুধুমাত্র তোমাকেই ভালোবাসি..... তোমাকেই আমার স্ত্রী রূপে পেয়ে ধন্য হতে চাই....আমার ঘর করবে মা???
মুখে বলতে না পারলেও এই শীতল রাতের অন্ধকারে দুই দেহ এক হয়ে এক হৃদয় থেকে অন্য হৃদয়ে কি বাক্য বিনিময় হলোনা? এই উত্তাল প্রকৃতি কি গোপনে আমার কথা, আমার মনের কথা আমার মায়ের মনে সঞ্চার করে করে দিলো না? জানি না, কিচ্ছু জানি না আমি। শুধু জানি মাকে এভাবেই জড়িয়ে ধরে রাখতে হবে! কোত্থাও যেতে দেবো না....! মনে মনে হেসে মাকে বললাম,
- তোমায় আমি নিজের সঙ্গে বেঁধে নিলাম মা....আর তোমায় আমি ছাড়ছি না!
মা তখনও আমার দিকেই চেয়ে দাঁড়িয়ে আছে আমার বুকের মধ্যে। আমি বিদ্যুতের আলোয় মায়ের স্নিগ্ধ মুখখানি হাতে করে তুলে আনলাম আমার মুখের কাছে। তারপর বললাম,
- বলবো....খুব শীঘ্রই!
মা কি বুঝলো জানি না....! তারপর আমার দুই কাঁধে তার দুই হাত রেখে আমার বুকের ভেতর থেকেই বললো,
- লতা ভালো আছে?
- হ্যাঁ মা....আমি নিজে গিয়ে তার বিয়ে দিয়ে এসেছি। আজ যে তাদের ফুলসজ্জা!
মা লজ্জায় আমার চোখ থেকে চোখ নামিয়ে নিল। তারপর বুকের মধ্যে মুখ গুঁজে দিয়ে বললো,
- ধুর বোকা ছেলে! মায়ের সামনে কি এমন কথা বলতে আছে!
আমি মাকে আরও চেপে ধরে মায়ের বড়ো বড়ো দুধ দুটোকে নিজের বুকে লেপ্টে দিয়ে তার চোখের দিকে তাকিয়ে পুরুষালি কন্ঠে বললাম,
- ফুলসজ্জা তো পবিত্র বস্তু মা, বলতে বাধা কোথায়?
মা মুখ নিচু করে আমার বুকে মুখ গুঁজে বললো,
- সেইজন্য না, আমার যে লজ্জা করে নিজের ছেলের মুখে এমন কথা শুনে।
আমি মায়ের শরীরের উষ্ণতায় আর তার এই কথায় আরও উত্তেজিত হয়ে উঠলাম। ডান হাতে তার পোঁদের লদলদে মাংস খাবলে ধরে একবার টিপে দিয়ে বললাম,
- ভারী লাজুক মা আমার!
মা আবার কেঁদে ফেললো আমার বুকে মুখ গুঁজে। বললো,
- চয়ন...বাবু তুই খুব কষ্ট পেয়েছিস বল এই কটা দিন? তোর সঙ্গে আমি কথা বলিনি ভালো করে! আমি যে....আমি যে তোর বাবার কথায় এই কাজ করেছিলাম চয়ন....! যে ছেলে আমার কষ্ট দেখতে পারে না, যে ছেলে নিজের অসুস্থ মাকে সেবা করে, যে ছেলে নিজের মাকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে আগলে রাখে....আমি যে সেই ছেলেকেই স্বামীর কথায় দূরে ঠেলে দিয়েছিলাম! আমি যে খুব নিষ্ঠুর রে....!
মায়ের কান্না ভরা চোখ দুটো মুছে মায়ের মুখটা আমার মুখের খুব কাছে নিয়ে এসে অল্প স্বরে ফিসফিসিয়ে বললাম,
- হ্যাঁ মা খুব কষ্ট পেয়েছি আমি! কিন্তু তুমি নিষ্ঠুর নও...তুমি যে করুনাময়ী ...আমার মা! তোমার চোখের এই জলই তার প্রমাণ! কিন্তু এত কিছু করেও বাবা কি তোমাকে আমার থেকে দূরে রাখতে পারলো?
এই কথায় মা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠে বললো,
- আর তোকে আমি দূরে ঠেলে রাখবো না....এই জগৎ সংসার সাক্ষী রইল আজ!
আমি মায়ের কপালে নিজের কপালটা ঠেকিয়ে দিলাম। মায়ের নাকে আমার নাক লেগেছে। মায়ের ঠোঁটের এক আঙ্গুল দূরেই আমার কম্পিত ঠোঁট! বললাম,
- আমি যে আর দূরে যেতে পারবো না তোমাকে ছেড়ে!
ঝড়ের বেগ কমে বৃষ্টির বেগ আরও তীব্র হয়ে উঠলো। মা আমার এই কথায় আমার কপালে নিজের ছোট্ট কপাল ঘষে দিল। আর এতে আমরা দুজনেই অল্প হেসে উঠলাম। আহ্। কি আনন্দ পেলাম মায়ের এই কান্ডে! মায়েল কোমল কপালের ঘষা খেয়ে আমি যে আরও মায়ের শরীরে সেঁধিয়ে গেলাম। হঠাৎ মনে পড়লো মায়ের পেচ্ছাপ করার কথা। মায়ের ঠোঁটের কাছে ঠোঁট এনে বললাম ,
- তুমি সারবে না মা?
- কি সারবো?
বলেই পরক্ষণে মায়ের মনে পড়লো পেচ্ছাপ করতে সে বেরিয়েছিল কত সময় আগে! কিন্তু এই প্রকৃতির সান্নিধ্যে এই মা-ছেলে দুজন প্রেমিক-প্রেমিকার মতো একে অপরের আলিঙ্গনে নিজেদের সুখ দুঃখের কথা বলায় ও অঙ্গে অঙ্গের স্পর্শে এক আদিম বন্য খেলায় তারা মেতে উঠেছে.... ! সেখানে এই সামান্য বর্জ্য পদার্থ নিয়ে কে মাথা ঘামায়! মা আমার দিকে তাকিয়ে লজ্জা পেয়ে বললো,
- তুই ঘরে যা।
আমি হাসতে হাসতে তাকে ছেড়ে, আমার মায়ের নধর অপরূপ শরীরটাকে আমার শরীর থেকে আলাদা করে, ঘরে ঢুকলাম। তারপর গামছা দিয়ে ভালোভাবে নিজের শরীরটা মুছতে লাগলাম। এমনসময় মনে হল দেখি মা কোথায় গেল...উঠোনের বাইরে নাকি আমার আদেশ মতো বারান্দার এক প্রান্তেই পেচ্ছাপ করতে বসলো! ঘর থেকে মুখ বাড়ালাম, আর বিদ্যুতের আলোয় যা দেখলাম, তাতে আমার সারা দেহে এক রোমাঞ্চ ভরা শিহরণ বয়ে গেল! মা আমার আদেশ মতোই বারান্দার ওদিকটায় গিয়ে হাঁটু মুড়ে শাড়ি সায়া কোমরের উপর তুলে পেচ্ছাপ করছে আর এই বিদ্যুতের ঝলকানিতে আমি মায়ের লদলদে পোঁদটা পরিস্কার দেখতে পেলাম। আহ্! কি বড়ো মায়ের পোঁদ! মায়ের সবকিছুই বড়ো বড়ো...যেন সৃষ্টিকর্তা জগতের সব মধু মায়ের প্রতিটি অঙ্গে ভরে পরিপূর্ণ করে তাকে এই গোবাদার এই ছোট্ট বাড়িতে এক জননী রূপে পাঠিয়েছেন....তার সন্তানের তৃষ্ণা মেটাতে! আমি প্যান্ট তখনও পরি নি। বাড়া শক্ত হয়েই খাড়া হয়ে শূন্যে তার সঙ্গীনিকে অন্ধকারে হাতড়াচ্ছে। আমি বাড়ায় হাত দিয়ে ঘরের ভেতর থেকে মাথা বের করে মায়ের পোঁদের দিকে তাকিয়ে উত্তেজনায় বাড়ার চামড়া ধরে আগু পিছু করা শুরু করলাম। মা আমার দিকে পেছন ফিরে বসে তার তলপেটে জমে থাকা ঝাঁঝালো তরল পিচকিরির মতো সামনের বৃষ্টির জলে কাদা হয়ে যাওয়া উঠোনের ওপর ছেড়ে দিচ্ছে। এই দৃশ্য দেখে মাথা ঠিক থাকার কথা নয়। এক ছেলে মাঝরাতে অন্ধকার ঘরের ভেতর থেকে মুখ বাড়িয়ে দেখছে যে তার কমবয়সী যুবতী রসালো শান্ত সরল করুনাময়ী পবিত্র মা তার ঘরের বাইরেই বারান্দার ধারটায় বসে তার বড়ো লদকা পোঁদের ওপর শাড়ি তুলে ছরছর করে পেচ্ছাপ করছে আর তার বেগ এতো বেশি যে পেচ্ছাপ পিচকিরির মতো দূরে গিয়ে মাটির কাঁদায় গর্ত করে দিচ্ছে। আমার বাড়ার মুন্ডি কামরসে স্যাঁতসেঁতে হয়ে পিচ্ছিল হয়ে উঠলো। আমি জোরে জোরে বাড়ার চামড়া আগু পিছু করতে লাগলাম।
আহ্ মাগো....এই পোঁদ নিয়েই তুমি আজ আমার বিছানায় আমার সঙ্গীনি হয়েছো? এই বড়ো পোঁদ যে সবাই পায় না মা! এই পোঁদ যে কেবল পরম সৌভাগ্যবতীর কপালেই জোটে গো...! তুমি যে সবদিক দিয়েই উপরে মা....! তুমি করুনাময়ী, তুমি সরল, তুমি অপরূপা, তুমিই তরল মধুর ভান্ডার বয়ে বেড়াচ্ছো এই দেহের আনাচে কানাচে ভরে নিয়ে। তোমার এই রূপ, এই মাধুর্য্য আমার অন্ধ চোখ কেন আগে দেখতে পেলো না মা! কেন তোমার প্রেমে আমি আগেই পড়িনি মা?
আমার বাড়ার শিরা উপশিরা শক্ত হয়ে ফুলে ফেঁপে উঠেছে, যেন সে তার একাকীত্ব আর সহ্য না করতে পেরে চিৎকার করে গর্জে উঠলো,
- না না না....আজ আমি একা শোবো না....এক উষ্ণ মাংসের গহ্বরের গভীরে আজ আমার নিশ্চিত জায়গা হওয়া চায়!
মা পেচ্ছাপ সেরে উঠে শাড়ি সায়া নামিয়ে দিল। আমি ভেতরের অন্ধকারে সরে এসে গামছাটা আবার পরে নিলাম। মা আমার ঘরে ঢুকে বললো,
- তুই এখনও ওই ভিজে গামছা পরে দাঁড়িয়ে আছিস? এক্ষুনি ওটা খুলে জামা প্যান্ট পর। আমি বাইরে গিয়ে দাঁড়াচ্ছি।
আমি বললাম,
- না। তুমি ঘরে বিছানায় শুয়ে পড়ো। আমি বদলে নিচ্ছি।
মা কিছুটা লজ্জায় বিছানায় শুয়ে পড়ে কাঁথাটা গায়ে ঢাকা নিয়ে ওপাশ ফিরে শুলো যাতে সে আমার গামছা খোলার দৃশ্য দেখতে না পায়। আমি দরজাটা ভেতর থেকে ছিটকানি লাগিয়ে গামছার গিঁট খুলে ফেললাম। গামছাটা কোমর থেকে খসে মাটিতে পড়ে গেল। আমি উলঙ্গ দেহেই শক্ত লকলকে বাড়াটা ঝুলিয়ে ঝুলিয়ে মায়ের কাছে এগিয়ে গেলাম। এই প্রবল বৃষ্টির শব্দে তার কাছে আসার বা কাছ থেকে আমার নিঃশ্বাসের শব্দ মা পেলো না! মা বুঝলো না যে তারই পেটের ছেলে সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে তারই ঠিক পেছনে দাঁড়িয়ে তার শরীরটাকে নিজের কামার্ত চোখ দিয়ে গিলতে গিলতে শক্ত মোটা লম্বা লকলকে বাড়াটা ধরে আগু পিছু করছে। মায়ের সঙ্গে এতো কথাবার্তায় ততক্ষণে আমি মায়ের সঙ্গে অনেক স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছিলাম। এতদিন ধরে মায়ের থেকে দূরে থাকার কারণে মায়ের জন্য তৈরি হওয়া খিদে আজ মেটাবার জন্য আমি মরিয়া হয়ে উঠলাম। আমার সাহস বেড়ে গেল। বাইরে বিদ্যুতের সঙ্গে মুষলধারায় বৃষ্টি ঝরছে আর আমি মায়ের শায়িত কিন্তু জেগে থাকা দেহের ঠিক এক হাত দূরেই দাঁড়িয়ে মায়ের কাঁথা মোড়া শরীর ও মায়ের চুলের গন্ধ নাক দিয়ে টেনে নিতে নিতে নিজের শক্ত ১০ ইঞ্চি লম্বা ৪ ইঞ্চি মোটা বাড়াটা ধরে কচলাতে লাগলাম। অদ্ভূত অশ্লীল দৃশ্য! নোংরামির চরম পর্যায়ে পৌঁছালে এই ঘটনা এক ছেলে তার মায়ের সঙ্গে ঘটাতে পারে! বাড়া খিঁচতে খিঁচতে বাড়ার ডগায় মাল এসে গেছে, কিন্তু বেরোচ্ছে না। আমার যে আরও অনেক সময় চাই নিজেকে সম্পূর্ণ খালি করার জন্য! সাহসে ভর দিয়ে আমি এবার ঝুঁকে পড়ে পেছন দিক থেকেই মায়ের চুলের মধ্যে নিজের নাক ডুবিয়ে দিলাম। মা খোঁপা করে নি, খুলে রেখেছে চুল। চুল বালিশের চারপাশে ছড়িয়ে আছে। আমি এতো কাছ থেকে মায়ের চুলের মিষ্টি সুগন্ধি তেলের ঘ্রাণ নিতে নিতেই বুঝলাম মায়ের অতি কাছে এসে পড়েছি। মাত্র পাঁচ আঙুল দূরেই মায়ের পিঠটা। আমি মায়ের কাছে, মায়ের আরো কাছে মুখটা এগিয়ে দিলাম....এগিয়ে একেবারে মায়ের ব্লাউজের উপরের দিকের খালি পিঠের গন্ধ শুঁকতে লাগলাম। আহ্....কি সুগন্ধ যে তোমার দেহের সর্বত্র ছড়িয়ে রয়েছে মা, যদি তুমি জানতে!
এমনসময় মা বলে উঠলো,
- চয়ন তোর হলো?
আমি নিজেকে বাধা দিলাম। নিজের উত্তেজনাকে সংযম করতে শিখে গেলাম আমি। নিঃশব্দে মায়ের পিঠ থেকে মুখ সরিয়ে এনে জামা প্যান্ট পরে বিছানায় উঠলাম, তারপর মায়ের পাশে শুয়ে কাঁথাটা দুজনের গায়ে বূক অবধি টেনে নিলাম। মনে মনে ভাবলাম,
- মায়ের দুধ খাওয়ার কথা কি মা ভুলেই গেলো? কই তারপর থেকে তো আর মা সেই বিষয়ে কথা বললো না...মায়ের আচরনেও আমার ওই কাজে দুঃখ পাওয়ার কোনো আভাস পেলাম না। তাহলে কি আমি তার দুধ ব্লাউজ থেকে বের করে খেয়েছি জেনেও মা কষ্ট পায়নি? তাই হবে! আর যদি তাই হয়, আমার দুধ খাওয়ায় যদি মায়ের কোনো আপত্তি সত্যিই না থাকে, তবে এরপর যে আমি কি করবো তা আমি নিজেও জানি না! মায়ের দুধ যে অতি পুষ্টিকর!!!
RE: চারুলতা (লেখক:কামসম্রাট) -
Erotic Lovers - 09-23-2026
পর্ব - ১০
রাত অনেক হয়েছে। বৃষ্টির ঝমঝম শব্দে চারপাশ ঢেকে গেছে। বাবা পাশের ঘরে ঘুমিয়ে রয়েছে। আমি তার স্ত্রীকে আমার ঘরে আমার বিছানায় আমার কাঁথার তলায় ঢুকিয়ে তার কোমরের কাছটায় ধরে আমার বুকে তার দুধ দুটোকে ঠেসে রেখেছি। এই প্রথমবার মনে হল বাবার কাছ থেকে তার নারীকে আমি আমার কাছে কিছুটা ছিনিয়ে আনতে পেরেছি। ওই জানোয়ারটার দম্ভ ভেঙে চুরমার করে আমি জয়ের আনন্দে নিজের মাকে নিজের শরীরে চেপে ধরে রেখেছি। মুখের কাছে মুখ এনে কথা বলছি। মা আমার চোখের দিকে চেয়ে জিগ্যেস করলো,
- চয়ন....তুই আমার বুক টানতে ভালোবাসিস?
হঠাৎ মায়ের এইরকম প্রশ্নে আমি অবাক হয়ে মায়ের দিকে চেয়ে রইলাম। মায়ের দুধ যে আমার জীবনের অমৃত সুধা...ভালোবাসারও উর্ধ্বে ! মাকে কি বলে এই ভাব বোঝানো যায়, তা বুঝে উঠতে পারলাম না। মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে তাই সংক্ষেপে উত্তর দিলাম,
- হ্যাঁ মা।
মা একটু ভেবে বললো,
- কিন্তু এটা যে হয়না বাবু!
এবার শুরু হলো আমার ও মায়ের কথোপকথন, যেখানে আমি মায়ের দুধ খাওয়ার জন্য মাকে রাজি করাতে লাগলাম আমার কথার প্যাঁচে, আর আমার সরল মা সরল মনেই আমার জালে ধরা পড়তে লাগলো ধীরে ধীরে...!
- কেন হয়না মা....মায়ের দুধ তো সন্তানের প্রথম অধিকার?
- আমি জানি। কিন্তু তুই যে বড়ো হয়ে গেছিস এখন! এই ২০ বছরের দামড়া ছেলেকে কিভাবে বুক টানতে দেবো আমি?
- তুমিই তো বলো মা, সন্তানেরা সবসময়ই মায়ের কাছে ছোটোই থাকে!
- তুই এখনও আমার কাছে ছোটো। কিন্তু তাই বলে তোর এই আবদার কি ঠিক চয়ন?
- ঠিক মা। আমি তোমার ছেলে, তুমি আমার মা। ছেলে যদি চায় তাহলে মা কেন তাকে নিজের দুধ হাতে করে ধরে তার ছেলের মুখে ভরে দেবেনা বলো?
- কিন্তু এ যে ঠিক নয় বাবু!
- কেন ঠিক নয় মা?
- এতো বড়ো ছেলেকে কোনো মা বুক চোষায়না!
- তুমি কোন বাড়িতে দেখতে গেছো মা? ঘরের মধ্যে বসে কোন মা তার ছেলেকে দুধ খাওয়াচ্ছে, তা আমরা এখানে বসে বুঝতে পারবো না।
- কিন্তু!
এবার আমি ব্রহ্মাস্ত্র ছুঁড়লাম....এতেই লক্ষ্যভেদ হবে!
- আর কোনো কিন্তু নয় মা। যদি তোমার মনে এখনও কোনো কিন্তু জেগে থাকে তাহলে এটা বুঝতে হবে যে আমাদের মধ্যে ভালোবাসার ঘাটতি আছে.... যেটা সন্তান হয়ে আমি পূরণ করে উঠতে পারিনি!
মা আমার ঠোঁটে নিজের হাত চাপা দিয়ে আমার বুকে নিজের মুখ গুঁজে দিয়ে বলে উঠলো,
- এমন কথা বলিস না বাবু। আমাদের ভালোবাসায় কোনো কমতি নেই রে!
- আছে। আমি তোমার ভালোবাসা পাওয়ার হয়তো যোগ্য নই মা!
মা কেঁদে উঠলো আমার এই কথা শুনে! এতো সরল আমার মা! সন্তানের এই সামান্য কথায় এক মায়ের কেঁদে ওঠা ইঙ্গিত দিলো মায়ের ভেতরে ঠিক কতটা স্থান জুড়ে আমি বাস করছি, আর আমার মা কোনো কিছুর বিনিময়েই সেই স্থান থেকে আমায় সরাতে রাজি নয়! আমার এই কথায় মা আমার ঠোঁট থেকে নিজের হাত সরিয়ে এনে কাঁদতে কাঁদতে বললো,
- আমায় তুই আর কত কষ্ট দিবি বাবু....? তুই আমার ভালোবাসার যোগ্য নোস্? তুই এই কথা বলতে পারলি তোর মাকে? ঠিক আছে, তোর প্রমাণ চাই না....নে প্রমাণ!!!!
বলে মা কাঁদতে কাঁদতেই নিজের দুহাত দিয়ে ব্লাউজের হুক খুলতে শুরু করলো। মায়ের দুধ এতো বড়ো বড়ো যে হুকগুলো খুলতে মায়েরও অসুবিধা হচ্ছিল। শেষে কষ্ট সহ্য করতে না পেরে দুহাত দিয়ে নিজেই তার ব্লাউজের হুকগুলো পট পট করে ছিঁড়ে ফেলে দিয়ে ব্লাউজের কাপড় তার বড়ো ভারী মোটা ছড়ানো দুধ দুটোর দুপাশে মেলে ধরে আমার মাথাটা ধরে তার ডানদিকের দুধের বোঁটায় চেপে ধরলো। তারপর কাঁদতে কাঁদতেই বললো,
- নে নে....এবার তুই প্রমাণ পেলি আমার ভালোবাসার??? পেলি প্রমাণ??? শান্তি হয়েছে তোর???
আমি দেখলাম, হ্যাঁ আমি দেখলাম মায়ের ব্লাউজ ছাড়া এই নগ্ন দুধের রূপ! এতো বড়ো? ব্লাউজের কাপড় পুরোটা খুলে দিতে আমি অন্ধকারের মধ্যেই মায়ের মোটা মোটা ডানদিকের বড়ো দুধের বোঁটায় মুখ ঢুকিয়ে চুষতে চুষতে চোখ মেলে মায়ের দুধের আকার এতো কাছ থেকে নগ্নাবস্থায় এই প্রথম উপলব্ধি করলাম। আমি নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছি না আজ! ব্লাউজের কাপড়ে দুধ যেভাবে চেপে জমাট বেঁধে থাকে, তার আবরণ সরে যেতেই মায়ের দুধ তার স্বরূপ ধারণ করলো। একেবারে ছড়িয়ে চারপাশে নিজেকে মেলে ধরলো ওই এক দলা মাংসপিন্ড! মা আমার ডান দিকে আমার দিকে মুখ করে ফিরে শোয়ায় তার ডানদুধটা আমি ডানপাশে তার দিকে ফিরে শুয়ে চুক চুক আওয়াজ করে চুষতে লাগলাম। মায়ের দুধ এতো বড়ো যে ডান দুধটা লদকে গিয়ে মায়ের ডানদিকের বুক থেকে বিছানায় গড়িয়ে পড়েছে। আর বাঁ দিকের দুধটা মায়ের পেটের নিচে বাঁ পাশে বিছানার সঙ্গে চেপে রয়েছে। যদি মায়ের এই এক দুধেই এতো জায়গা নেয়, তবে দুই দুধ নগ্ন রূপে একসাথে থাকলে কতটা জায়গা নেবে, আমি মনের মধ্যে সেই হিসাবনিকাশ করতে লাগলাম। মায়ের দুধ খেতে খেতেই মায়ের কথার জবাব দিলাম,
- মা....ও মা....আজ প্রমাণ পেয়েছি তোমার ভালোবাসার...কি শান্তি তোমার বুকে মাগো....!!!!
মা দেখি তখনও ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে উঠছে, ওভাবেই বললো,
- আর কখনো যদি আমায় এরকম বলিস, তাহলে.....!!!
আমি এক হাত তুলে মায়ের ঠোঁট চেপে ধরে বললাম,
- আমার মা....আমি যা খুশি বলতে পারি.... যা খুশি করতে পারি!!!
মায়ের মুখে এবার দেখি হাসি ফুটলো। কাঁদতে কাঁদতেই হেসে ফেললো মা। তারপর স্নেহভরে আমার মাথাটাকে তার দুহাত দিয়ে আরো কাছে টেনে নিয়ে বললো,
- পাগল একটা! মায়ের বুক তোর এই বয়সেও ভালো লাগে চয়ন?
মায়ের দুধের বোঁটায় জিভ বোলাতে বোলাতে মনে মনে মাকে বললাম,
- এখনই তো ছেলেদের মায়েদের দুধ ভালো লাগে মা!!! ছোটোতে তো প্রয়োজনে খেতে হতো, ভালো খারাপ বোঝার কিছু ছিলনা! আর এখন যে প্রয়োজন আর ভালো লাগা দুই-ই এসে মিশেছে গো মা! আমি যে তোমার দুধেই বাঁচতে চাই গো মা....এই নরম চর্বি ভরা দুই মাংসেই যে আমি আমার ঘর বানাতে চাই!
মনের সব কথা কি নিজের মাকে মুখে বলা যায়! গেলেও এখনও সেই মুহুর্ত আমার জীবনে আসেনি। তবে তা ধীরে ধীরে আসছে কাছে! মায়ের দুধের বোঁটায় এবার একটা দাঁত দিয়ে একটা ছোট্ট কামড় দিয়ে বললাম,
- হ্যাঁ মা....তোমার দুধ আমি খুব ভালোবাসি।
মেয়েদের কোনো কিছু নিয়ে প্রশংসা করলে মেয়েরা আকৃষ্ট হয় তীব্র ভাবে, এটা জগতের চিরাচরিত নিয়ম। এই নিয়ম চলে এসেছে....চলছে....চলবে! এটাই মেয়েদের দূর্বলতা! আমি মায়ের এই দূর্বলতার সুযোগ নিলাম! আমি মায়ের দুধটা খাচ্ছি, আর মা তার দুধের বোঁটায় আমার দাঁতের কামড় খেয়ে চিৎকার করে উঠল,
- ও মাগো..... আস্তে বাবু....কামড়াস না....লাগছে চয়ন!!!
আমি মায়ের এই চিৎকারে আরও একবার মজা করে মায়ের দুধের বোঁটা কামড়ে দুই দাঁতের মাঝে চিপে ধরে রাখলাম। মা আবারো আমায় শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললো,
- উফ্.... উফ্....ছেড়ে দে বাবু....ওটা ছেড়ে দে.... দাঁতটা বসে যাচ্ছে....ও মাগো....ছাড় রে বাবু....লাগছে তোর মায়ের!!!
মায়ের কথা শুনে কেমন একটা লাগলো, কষ্ট হলো! ছেড়ে দিলাম মায়ের বোঁটা। তারপর ঠোঁট ডুবিয়ে মায়ের দুধ চুষতে লাগলাম প্রাণভরে। মা হেসে আমার চুলে বিলি কাটতে কাটতে বললো,
- জানিস বাবু, ছোটোবেলায় তুই আমার দুধ এতো ভালোবাসতিস যে আমি তোকে সাত বছর পর্যন্ত দুধ খাইয়ে এসেছি। এই গ্রামের বউয়েরা হাসতো তোর এই কান্ড দেখে, তোর বাবাও খুব বকতো আমায়! কিন্তু আমি কি করবো! আমার ছেলে যে মায়ের দুধ ভালোবাসে...!
এবার আমি আরও কিছুটা এগোলাম। এতোক্ষণ হাত স্পর্শ না করে শুধু মুখ ডুবিয়ে মায়ের ডান দুধটা খাচ্ছিলাম। এবার আমি মায়ের দুধ আমার হাত দিয়ে ধরার জন্য তার অনুমতি নিলাম। জানি এই মুহূর্তে মায়ের অনুমতির আর কোনো প্রয়োজন নেই। দুধে হাত বসিয়ে দিলে সরল মা আমার কিচ্ছুটি ভাববে না। তবুও তার মনে নিজেকে স্বচ্ছ রাখতেই এটা করলাম।
- মা, তোমার দুধটা হাতে করে ধরে দেখবো....কি নরম তোমার দুধ গো মা!!!!!
মা হেসে নিজে থেকে হাত বাড়িয়ে আমার বাঁ হাতটা তার ডানদিকের দুধটার ওপর বসিয়ে দিল। যেন আমার কথাটা সে শোনেইনি, এমন ভাবে সে ছেলেবেলার স্মৃতিতে ডুব দিলো। আর আমি মায়ের এই নগ্ন লদলদে বড়ো ডানদিকের দুধটায় বাঁ হাতে হালকা চাপ দিলাম। আহহহহহ্.....উফফফফ্......কি নরম ব্লাউজ ছাড়া মায়ের এই বড়ো দুধ! সাধারণ অবস্থায় শক্ত হয়ে জমাট বাঁধা, কিন্তু টিপলেই নরম। মেয়েরা সত্যিই অসাধারণ! আমার বাঁ হাতটা মায়ের দুধের পেলবতায় যেন ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে ধীরে ধীরে! আমি মায়ের দুধের বোঁটায় ঠোঁট ডুবিয়ে উপরে মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে মায়ের কথা শুনতে লাগলাম।
- ঠিক এভাবেই তুই হাত দিয়ে বুক ধরে আমার দুধ খেতিস! আমি মজা করে হাত ছাড়িয়ে নিলে, তুই আবার হাত দিয়ে আমার বুক ধরতিস।
- আবার একবার তেমন মজা করো না মা!
মা হেসে তার ডান হাত দিয়ে আমার বাঁ হাতটাকে তার ডানদিকের দুধটা থেকে আলতো ভাবে ছাড়িয়ে নিয়ে তার কোমরের ওপর রাখলো। আমি তৎক্ষণাৎ আমার হাতটাকে আবার তার দুধের ওপর প্রতিস্থাপন করলাম। মা তার সুন্দর দাঁত বের করে অপরূপ ভঙ্গিমায় হাসতে লাগলো। এই ছোট্ট ঘটনাই আমার এই সরল গ্রাম্য মায়ের মনকে আনন্দে ভরে তুললো! সত্যিই কত সরল আমার মা টা....!
- আমি তোমার দুধ এতো ভালোবাসতাম মা?
- হ্যাঁ। তুই প্রথম থেকেই আমার দুধ অন্যান্য খাবারের চাইতে বেশি ভালোবাসতিস। একবার কি হয়েছিল তাহলে শোন। তখন তুই ১ বছরের, আমার তখন শরীর অসুস্থ কিছুদিন ধরে। আমার মা, মানে তোর দিদা আমায় বললো, এখন তোকে দুধ না দিতে, যাতে তোর শরীর খারাপ না হয়। কিন্তু তাহলে তুই খাবি কি! তখন পাশের বাড়ির নীলা দি, তোর নীলা কাকিমার বাচ্চা হয়েছে। তাকে আমার কথা বলতে সে তোকে দুধ খাওয়ানোই রাজি হয়ে যায়। কিন্তু তুই এতো দুষ্টু ছিলি যে ও যখনই তোর মুখ ওর বুকের কাছে নিয়ে যেতো, তুই ঠোঁট বন্ধ করে রেখে দিতিস। আমার মুখ না দেখলে তুই ওর বুক মুখে নিতিসই না। শেষে আমি কাছে গিয়ে দাঁড়াতে তুই মুখ খুলতিস আর নীলা তোকে খাইয়ে দিত। তুই প্রথম থেকেই আমার ছাড়া কারোর দুধ খেতিস না আর কান্নাকাটি করে আমায় রান্না পর্যন্ত করতে দিতিস না। আমার বুকেই সারাক্ষণ মুখ গুঁজে পড়ে থাকতিস তুই....দামড়া ছেলে একটা!
বাইরে বৃষ্টি তখন ধরে এসেছে। এখন ঝম ঝম করে নয়, ঝিরি ঝিরি করে ঝরছে। মায়ের ডানদিকের দুধটা চুষতে চুষতে আমার জিভের লালায় তার বোঁটা একেবারে পিচ্ছিল হয়ে গেলো। মায়ের দুধ খেতে খেতেই এই ঘটনাটা শুনে আমার বাড়াটা শক্ত হয়ে আমার দুপায়ের ফাঁকে ফোঁস ফোঁস করতে লাগলো। আমি ছোটো থেকেই মায়ের দুধকেই পছন্দ করতাম? মায়ের মুখ না দেখে হা করতাম না? মায়ের দুধ না পেলে কাঁদতাম? এই কথাগুলো ভাবতে ভাবতে আমার মন চিৎকার করে মাকে শোনাতে চাইলো,
- মা গো...আমি যে আজও তোমার দুধেই বেঁচে থাকতে চাই মা! আমি যে তোমার দুধ ছাড়া আর অন্য কোনো মেয়ের দুধে মুখ দিতে পারবো না মা! আমি যে এই দুটো দুধেই আমার প্রাণশক্তি খুঁজে পেয়েছি মা!!!
মায়ের দুধ বাঁ হাত দিয়ে মুঠো করে একটু চেপে ধরে দুধটা যতটা হা করে মুখে ঢোকানো যায়, ঢুকিয়ে নিলাম, এতে মা তার দুধটায় আমার দাঁতের খোঁচা পেয়ে চেঁচিয়ে উঠলো,
- চয়ন.... আস্তে বাবু....এতোটা ঢোকাস না, তোর কষ্ট হবে!!!!
- ও মা, তোমার এতো বড়ো দুধ যে আমার মুখে ঢুকছে না গো মা?
- আমার বুক প্রথম থেকেই বড়ো। ছোটোতে যখন তুই দুধ খেতিস, আমার বুকের নিচে তোর গোটা মাথাটা ঢাকা পড়তো। আমি ভয় পেতাম, যদি আমি তোর মুখে বেশি ঝুঁকে দুধ দিই, তবে তোর নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হবে। তাই আমাকে সবসময় পিঠ সোজা রেখে বসতে হতো আর হাতে করে বুকটা ধরে রাখতে হতো!
- তোমার বুকে দুধ নেই কেন মা?
- ধুর বোকা ছেলে, এখন কি দুধ থাকে? যতদিন সন্তান দুধ টানে, ততদিন বুকে দুধ থাকে। তোর বেলায় আমার সাত বছর পর্যন্ত দুধ ছিল বুকে। এতো বছর বয়স পর্যন্ত এই গ্রামের কোনো ছেলে মেয়ে তার মায়ের দুধ খাইনি। তুই সবার উপরে। আমার দুধ তোর চিরকালের পছন্দের খাবার!
মা তার কথায় যতবার 'দুধ' কথাটা উল্লেখ করছে, ভালো করে লক্ষ্য করলে বোঝা যায়, প্রত্যেকবারই মা কিন্তু 'দুধ' বলতে তরল দুধের কথা বলছে, যেখানে কোনো যৌনতার আবেদন নেই, শুধুমাত্র স্নেহ ও মমতার সীমারেখা রয়েছে। দুধকে দুইভাবে প্রকাশ করা যায়। যে ব্যক্তি 'দুধ' মানে তরল দুধকে বোঝায়, তার মনে কোনোপ্রকার যৌনতার আভাস নেই। কিন্তু যে ব্যক্তি 'দুধ' মানে বুক বা স্তনকে বোঝায়, তার মনে যৌনতার আভাস পরিপূর্ণ। আমরা দুজনেই বলছি একই শব্দ, কিন্তু অর্থটা ভিন্ন ভিন্ন। মা যখন 'দুধ' -এর কথা বলছে, তখন তাকে স্রেফ তরল দুধ আর স্তনকে বুক বলে উল্লেখ করে নিজের মাতৃত্বকে সম্মান জানাচ্ছে, কারণ আমার মায়ের মন খুব সরল। মায়ের ভেতরেও যা, বাইরেও তাই। সরল মনেই সে তার ২০ বছরের জোয়ান ছেলেকে দুধ খাওয়াচ্ছে। কিন্তু আমি, আমি যে সরল নই! আমি যতবার 'দুধ' শব্দের উল্লেখ করছি, ততবারই মায়ের স্তনকে উল্লেখ করছি , সেখানে কেবল যৌন উত্তেজনারই সুড়সুড়ি বিদ্যমান! ভালোভাবে বললে, এখানে মা নিজের তাগড়া ছেলেকে দুধ খাওয়াচ্ছে ঠিকই, কিন্তু সরল মনে তার মাতৃত্ব ভরে আছে, মাতৃ সত্তাই তার মনকে ঘিরে রেখেছে। সেখানে আর অন্য কোনো অনুভূতির স্থান নেই! আর আমার দিক থেকে বললে, আমি মায়ের দুধ খাচ্ছি, এখানে আমার সন্তান সত্তা লুপ্ত হয়ে পুরুষ সত্তা জেগে উঠেছে এবং শুধুমাত্র কামের নেশাতেই আমি মায়ের দুধ টেনে চলেছি অবিরাম।
আমি বাঁ হাত দিয়ে মায়ের ডানদিকের দুধটা নিজের মুখে আরও ঢুকিয়ে নিয়ে মায়ের সঙ্গে কথা হতে লাগলো। আসলে এই ধরনের কথা মায়ের মুখ থেকে শুনতে শুনতে মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে মায়ের দুধ খেতে বেশ লাগছিল। বেচারি সরল সাদাসিধে এক গ্রাম্য বধূ....যে তার পবিত্র মনে নিজের জোয়ান ছেলের পাশে শুয়ে তাকে নিজের দুধ খাওয়াচ্ছে। সে বুঝতেই পারছে না তার নিজের পেটের ছেলে তার ডান দুধটা নিজের মুখে পুরে নিয়ে চুক চুক শব্দে নিজের মায়ের দুধের বোঁটা দিয়ে মায়ের দেহ রস পান করছে!
- তুই ছোটোতেও এমনভাবেই আমার দিকে চেয়ে চেয়ে আমার দুধ খেতিস, আজও খাচ্ছিস। তবে তখন দুধ খেতিস, এখন শুধু বুক চুষছিস।
- তাই মা?
- হ্যাঁ। বাবু আমায় কথা দে, তুই যে এই বয়সে নিজের মায়ের বুক টানছিস, এই কথা তুই কারোকে বলবি না!
- কেন মা? ছেলে হয়ে মায়ের দুধ খাবে, এটাই তো স্বাভাবিক! এতে লোকে জানলে কি হবে?
আমি সবই জানি কেন মা মানা করছে। যদি কেউ এই ঘটনা জেনে যায়, তবে সবাই মা ছেলের মধ্যে এক নিষিদ্ধ সম্পর্কের জাল বোনা শুরু করবে আর তাতে মায়ের মতো একজন সরল মেয়ের পক্ষে এই গ্রামে টিকে থাকা দায় হয়ে পড়বে। তার ওপর বাবার অত্যাচার তো আছেই। তবুও মায়ের মুখের ওই পবিত্র সরল কথাগুলো শুনতে বেশ ভালো লাগছে।
- না বাবু....এই কথা জানাজানি হয়ে গেলে মরা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা থাকবে না রে আমার!
আমি এই কথায় রেগে গিয়ে মায়ের বড়ো দুধের বোঁটা দাঁতে করে জোরে কামড়ে ধরলাম। এতো জোরে যে মা আমার চুলগুলো হাতের মুঠোয় নিয়ে শক্ত করে ধরে কেঁদে ফেললো,
- ও মাগো.......বাবু....আমার ভুল হয়ে গেছে....আর হবে না রে....আমি মরবো না রে....আমি বেঁচে থাকবো....আমি আর কখনো এরকম কথা বলবো না রে.....আমায় ছেড়ে দে....আমার কষ্ট হচ্ছে বাবু!!!
আমি মায়ের বোঁটা কামড়ে না ধরে মুখেও এই কথা বলতে পারতাম। কিন্তু কামড়ালাম এটা পরীক্ষা করতে, মা আমার ইশারা বুঝতে পারে কিনা দেখার জন্য! মা এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলো। তাহলে শেষ পর্যন্ত মা আমার মুখের কথা ছাড়াও আমার ইশারাও বোঝা শুরু করে দিয়েছে! আমাদের মধ্যেকার ঘনিষ্টতা বাড়ছে! আমার যে আরও ঘনিষ্টতা চাই মা!
মায়ের দুধ ছেড়ে দিতেই মা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে কোমল কন্ঠে স্নেহভরে জিগ্যেস করলো,
- হ্যাঁ রে....তুই আমায় এতো ভালোবাসিস?
বোধহয় রাত তখন প্রায় শেষের দিকে। বৃষ্টির ঝিরি ঝিরি শব্দে চারপাশ মুখর হয়ে উঠেছে। হঠাৎ কাছেই কোথাও আবার একটা বাজ পড়লো। আর তার শব্দে মা ভয় পেয়ে আমার মাথাটা তার ডানদিকের দুধের মাংসে ঠেসে ধরল। আমার দম বন্ধ হয়ে গেল। মায়ের এই একটা দুধের ভেতরেই আমার গোটা মাথাটা ডুবে অদৃশ্য হয়ে গেলো। মায়ের দুধ আমার মুখে ঠাসা থাকায় আমি আর মায়ের কথার উত্তর দিতে পারলাম না! এই ঠান্ডায় আমার ঘরের খাটে কাঁথার তলায় আমার নিজের মায়ের পাশে শুয়ে বাঁ হাত দিয়ে মায়ের ডান দুধটা মুখে নিয়ে মায়ের দিকে চেয়ে চেয়ে চুষে চললাম মায়ের বড়ো লদকা মাংসালো দুধটা....আর মায়ের দুধ চোষার শব্দে গোটা ঘর মেতে উঠলো,
- চুক চুক চুক চুক চুক চুক চুক চুক..........।
এই দূর্যোগের রাতে গ্রামের একটি ঘরের অন্ধকারে এক সরল গ্রাম্য মা, চারুলতা, ছেলের ঘরের বিছানায় কাঁথার তলায় নিজের জোয়ান ছেলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে শুয়ে ছেলেকে তার দুধ খাওয়াচ্ছে!