Forums
ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - Printable Version

+- Forums (https://forum.xgossip.fun)
+-- Forum: Storeys Category (https://forum.xgossip.fun/forumdisplay.php?fid=1)
+--- Forum: Mature Stories 18% (https://forum.xgossip.fun/forumdisplay.php?fid=4)
+--- Thread: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) (/showthread.php?tid=77)

Pages: 1 2


ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - Erotic Lovers - 10-15-2026


                                          ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার




আজকের যুগে প্রায় প্রত্যেক মহিলাই নিজের জীবনের স্বাধীনতা বা স্বেচ্ছাচারিতার কারণে নিজের রোজগারের পথ বেছে নেয়। কারোর স্বামীর যদি অত্যাধিক টাকাও থাকে তবুও নিজেকে সাবলম্বী প্রমান করার জন্য, ইগোর লড়াই করার জন্য বেছে নেয় রোজগারের পথ। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে এটাই তাদের জীবনের সবচেয়ে বড়ো কাল হয়ে দাঁড়ায়। স্বামী, সন্তানের প্রতি দায়িত্ব, কর্তব্য থেকে তারা বঞ্চিত হয়। এই কারণে সংসার সামলানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। আর সেই সুযোগেই সেখানে জন্ম নেই বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্ক।


আমার এই গল্পটি আমার বাস্তব জীবনকে কেন্দ্র করে লেখা। যারা রোমান্টিক গল্প পড়তে ভালোবাসেন তাদের জন্য এই গল্পটি রইলো আমার তরফ থেকে। অনেক পাঠক বন্ধু আমার একঘেয়ে গল্প পড়ে পড়ে বিরক্ত হয়ে গেছেন। তাই একটু অন্য ভাবে গল্পটা লিখতে চলেছি।

গল্পের শুরুতে আরো একবার বলে নিচ্ছি সেক্স সিনে কতটা ভিন্নতা আনতে পারবো জানি না। কারণে গল্পটা বাস্তব হলেও সেক্স সিনে কিছু কল্পনার জিনিস মেশানো থাকবে। তবে গল্পটা আপনাদের ভালো লাগবে এই আশা করি।

তবে আরেকটা কথা গল্পটা কেমন হচ্ছে সে বিষয়ে অবশ্যই কমেন্ট করবেন তবে দয়া করে কেউ পার্সোনাল অ্যাটাক করবেন না।





RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - Erotic Lovers - 10-15-2026

পর্ব -১




আজ যে গল্পটা আমি লিখতে চলেছি সেটা একদম বাস্তব একটা গল্প। মাত্র কয়েকদিন আগেই ঘটনাটা ঘটে আমার জীবনে। গল্পটা যেহেতু আমার, তাই গল্পটা শুরু করি আমার নিজের একটু পরিচয় দিয়েই। আমি সমুদ্র সিংহ, পেশায় আমি একজন ব্যবসায়ী। আর্থিক অবস্থা আমার ভালোই, আগে আমার বাবা পুরো পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আমাদের ব্যবসাটা পরিচালনা করতেন, আমি সেটাকে গোটা ভারতে ছড়িয়ে দিয়েছি। পশ্চিমবঙ্গের মূল শহরগুলো ছাড়াও ভারতের একাধিক বড়ো বড়ো শহরে আমার বিজনেস ইউনিট রয়েছে। আপনারা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন যে এতো বড়ো ব্যবসা আমার একার পক্ষে চালানো সম্ভব না, তাই প্রতিটা বিজনেস ইউনিটেই আমার ম্যানেজার রয়েছে। ব্যবসা পত্র সব ওরাই দেখে, আমার কাজ শুধু ফাইলে সই করা আর ডিসিশন নেওয়া। এতে অবশ্য আমার বেশি সময় যায় না, তাই দিনের বেশিরভাগ সময় বাড়িতেই কেটে যায় আমার। বলতে গেলে সারাদিন সেরকম কাজ না করেও আমার উপার্জন যথেষ্ট ঈর্ষণীয়।

এইবার আমার যৌন জীবন সম্পর্কে একটু বলি। আমার বয়স এখন চৌত্রিশ। বছর পাঁচেক আগেই বিয়ে হয়েছে আমার। আমার স্ত্রীয়ের নাম শ্রীপর্ণা। হিসেবমত তখন আমার বয়স ঊনত্রিশ, শ্রীপর্ণা তখন সবে বাইশে পড়েছে। শ্রীপর্ণা যে খুব সুন্দরী সেটা আমি বলবো না, কিন্তু ওই বয়সে যৌবনের নতুন ছোঁয়ায় যে প্রতিটা মেয়েকেই ভীষন অপূর্ব লাগে দেখতে সেটা অবশ্য বলার অপেক্ষা রাখে না। শ্রীপর্ণার সাথে আমার বিয়ে হয়েছিল দেখাশোনা করেই। শ্রীপর্ণার সুন্দর সুশ্রী চেহারা, তবে আগেই বলেছি, সুন্দরী হলেও ওকে ঠিক সেক্সি বলা যায় না। তবে দেখতে যেরকমই হোক না কেন, শ্রীপর্ণা ছিল ভীষন বুদ্ধিমতী। আগাগোড়াই পড়াশোনায় ভীষন ভালো ছিল ও। বিয়েটা ওর করার কতটা ইচ্ছে ছিল আমি জানি না, নেহাত বাবা মায়ের জোরাজুরিতেই হয়তো বিয়ে করতে রাজি হয়েছিল শ্রীপর্ণা। কিন্তু তাই বলে আমাদের স্বামী স্ত্রীয়ের সম্পর্কে এতে কোনো সমস্যা হয়নি প্রথমে। বিশেষত বিয়ের প্রথম রাতে তো আমি একেবারে জমিয়ে চুদেছিলাম শ্রীপর্ণাকে। এমনিতেই শ্রীপর্ণার টলটলে দীঘির মতো মুখ, সুন্দর আকর্ষণীয় চোখ, পাতলা ঠোঁট, আর গোছা ভরা মাথার চুল যথেষ্ট আকৃষ্ট করতো আমায়। তাছাড়া বিয়ের রাতে প্রতিটা মেয়েকেই ভীষন সুন্দর করে সাজানো হয় থাকে, আর শ্রীপর্ণা তো আগে থেকে বেশ ভালোই সুশ্রী। তাই নতুন বউয়ের সাজে ওকেও বেশ সুন্দর লাগছিল সেই রাতে। ফুলশয্যার রাতে আমি শ্রীপর্ণাকে পেয়েই দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। শ্রীপর্ণাও উত্তেজিত ছিল ভীষন। আমি ধীর পায়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে গিয়েছিলাম শ্রীপর্ণার দিকে। টেবিলের ওপর দুটো গ্লাসে আমাদের দুজনের জন্য হলুদ মেশানো দুধ রাখা ছিল। আমি নিজের গ্লাসটা এক চুমুকে শেষ করে অন্য গ্লাসটা ধরেছিলাম শ্রীপর্ণার মুখে। শ্রীপর্ণা লজ্জিত নববধূর মতো স্বামীর হাত থেকে পান করেছিল দুধটুকু। তারপর আমি আর থাকতে পারিনি, শ্রীপর্ণাকে আমার শরীরের সাথে জড়িয়ে ধরে ঠোঁটে ঠোঁট চেপে কিস করতে শুরু করেছিলাম জোরে জোরে। শ্রীপর্ণার লিপস্টিক আর লিপগ্লোস লাগানো পাতলা ঠোঁটে কিস করতে আমার খুবই ভালো লাগছিল। শ্রীপর্ণা নিজেও খুব এনজয় করছিল জীবনের প্রথম চুম্বন। কারণ এর আগে শ্রীপর্ণা কখনোই কোনো পুরুষের সান্নিধ্য পায়নি। নিজে থেকেই ও এবার কিস করছিল আমাকে। বেশ কিছুক্ষন শ্রীপর্ণার ঠোঁটের মধু খেয়ে ওর ঠোঁট থেকে ঠোঁট সরিয়ে নিয়েছিলাম আমি। শ্রীপর্ণার ঠোঁটের লেগে থাকা লিপস্টিক তখন প্রায় নেই বললেই চলে। আমার সদ্য বিবাহিত স্ত্রীয়ের ঠোঁট দুটোকে ভোগ করার পর আমি তারপর আর অপেক্ষা করতে পারিনি। একটু একটু করে বিবস্ত্র করেছিলাম ওকে। শ্রীপর্ণার নতুন বেনারসি শাড়ি, ব্লাউজ, সায়া, ব্রা প্যান্টি খুলে একেবারে উলঙ্গ করে তুলেছিলাম ওকে আমার সামনে। শ্রীপর্ণা লজ্জা পেয়ে দুহাতে ওর ডবকা মাই দুটোকে ঢেকে রেখেছিল আমার থেকে। আমি নিজের হাতে সরিয়ে দিয়েছিলাম ওর হাতের আড়াল, ওর দুধের বোঁটাগুলো দৃশ্যমান হয়েছিল আমার সামনে। আমি দেরি করিনি, মুখ নামিয়ে নিয়েছিলাম শ্রীপর্ণার দুধের বোঁটায়, ছোট বাচ্চাদের মতো করে চুষতে শুরু করেছিলাম তারপর। শ্রীপর্ণা বাধা দেয়নি আর, ধীরে ধীরে উত্তেজিত হয়ে আমার মাথাটা চেপে ধরেছিল ওর মাইয়ের ওপর। আমি ইচ্ছেমতো শ্রীপর্ণার ডবকা মাই দুটোকে টিপে চুষে একাকার করে দিয়েছিলাম। তারপর শ্রীপর্ণার ঘাড়ে গলায়, বুকে, পেটে, নাভির ওপর অসংখ্য কিস করেছিলাম আমি। শ্রীপর্ণা উত্তেজনায় ছটফট করছিল, মুখ দিয়ে চাপা শিৎকার বের হয়ে আসছিল ওর। আমি সুযোগের অপেক্ষাতেই ছিলাম, সুযোগ পেয়েই শ্রীপর্ণার পা দুটোকে দুদিকে ফাঁক করে আমি মুখ দিয়েছিলাম ওর গুদে।

শ্রীপর্ণার বোধহয় কল্পনাতেও ছিল না যে একটা পুরুষ কখনও ওর ওই জায়গাটায় মুখ দিতে পারে। কিন্তু আমি ততদিনে পর্ন ভিডিও দেখে দেখে একেবারে এক্সপার্ট হয়ে গেছি। আমি ভালো মতোই জানি কিভাবে একটা মেয়ের গুদ চুষে তাকে সুখ দিতে হয়। তাই আমি আর দেরি না করে ভালো করে শ্রীপর্ণার গুদ চুষে দিয়েছিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই শ্রীপর্ণার গুদটা আমার মুখের লালায় ভিজে গিয়েছিল। ওর মুখ দিয়ে উত্তেজনার শিৎকার বের হচ্ছিলো ক্রমাগত। আমি বুঝতে পেরেছিলাম শ্রীপর্ণা এখন একেবারে তৈরি আমার ধোনটাকে গুদে নেওয়ার জন্য।

আমি এবার ধীরে ধীরে নিজেও একেবারে উলঙ্গ হয়ে পড়লাম। এক এক করে আমার শেরোয়ানি, চুড়ি প্যান্ট, গেঞ্জি আর জাঙ্গিয়াটাও খুলে ফেলেছিলাম আমি। আমি আমার জাঙ্গিয়াটা খুলে ফেলতেই আমার ধোনটা একেবারে ফণা তোলা গোখরো সাপের মতো ফুঁসে বের হয়ে এসেছিল। বলতে ভুলে গিয়েছি, আমার ধোনটা যে কোনো সাধারণ বাঙালি পুরুষের প্রায় দ্বিগুণ সাইজের। ৯ ইঞ্চির মতো লম্বা, মোটাও সেরকম। স্বাভাবিকভাবেই শ্রীপর্ণা জীবনেও ছেলেদের ধোন দেখেনি, তার ওপর প্রথমেই এতো বড়ো ধোন দেখে ও ভীষন ভয় পেয়ে গিয়েছিল। শ্রীপর্ণা অবাক হয়ে আমার ধোনটার দিকে তাকিয়ে বলেছিল, “এতো বড়ো?”

আমি বলেছিলাম,“হ্যাঁ সোনা, এই ধোনটাকে আমি তোমার জন্যই এতো বড়ো করেছি। নাও, এবার এটা তোমার গুদে ঢোকাও তুমি।”

শ্রীপর্ণা ভয় পেয়েছিল। ও বলেছিল, “এতো বড়ো জিনিসটা আমার ওখানে ঢুকবে কীকরে সমুদ্র!”

আমি শ্রীপর্ণাকে অভয় দিয়ে বলেছিলাম, “ঠিক ঢুকবে, তুমি কোনো চিন্তা কোরো না তো!” তারপর আমি আর দেরি করতে পারিনি, ওকে শুইয়ে দিয়েছিলাম আমাদের সুন্দর করে সাজানো ফুলশয্যার বিছানায়। তারপর মিশনারি পজিশনে ওর ওপর উঠে ওর গুদে ধোনটাকে সেট করেছিলাম আমি। শ্রীপর্ণা ভয়ে উত্তেজনায় চোখ বন্ধ করে ফেলেছিল। আমি শ্রীপর্ণার ভয়ার্ত মুখের ওপর কয়েকটা কিস করে ওর গুদ লক্ষ্য করে জোরে ঠেলে দিয়েছিলাম আমার ধোনটা।

আমার এক ঠাপেই আমার ধোনের অর্ধেকটা সোজা ঢুকে গিয়েছিল শ্রীপর্ণার গুদে। শ্রীপর্ণার সতীচ্ছদের পর্দা ফেটে তখনই চাপ চাপ রক্ত বের হয়ে এসেছিল। ব্যথায় চিৎকার করে উঠেছিল শ্রীপর্ণা। কিন্তু আমি ওকে কিস করতে করতেই ধীরে ধীরে অল্প অল্প করে ঠাপাতে শুরু করেছিলাম শ্রীপর্ণার গুদে। ধীরে ধীরে শ্রীপর্ণা ধাতস্থ হয়ে উঠেছিল, আমার চোদাচুদি ভালোই উপভোগ করেছিল ও।

ফুলশয্যার রাতেই আমি প্রায় পাঁচ রাউন্ড চুদেছিলাম আমার বউকে। শেষের দিকে শ্রীপর্ণা আমার এই কড়া চোদন আর নিতে পারছিল না, কেবল দুই পা ফাঁক করে শুয়ে শুয়ে চোদন খাচ্ছিলো ও। কিন্তু নতুন বউয়ের গুদ পেয়ে আমি তো আর ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নই। আমি ভালো করে শ্রীপর্ণার গুদ চুদে বীর্যপাত করেছিলাম ওর গুদের ভেতরে। 

 



RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - Erotic Lovers - 10-15-2026

পর্ব -২




যাইহোক, ওই সময় শ্রীপর্ণার সেফ পিরিয়ড চলছিল বলে ওর গুদের ভেতর বীর্যপাত করা সত্ত্বেও ও প্রেগন্যান্ট হয়ে যায়নি। তারপর বিয়ের পর একটার পর একটা দিন গড়াতে লাগলো, আমরা নিয়মিত সেক্স করতাম তখন। কিন্তু শ্রীপর্ণার কয়েকটা জিনিস আমার ঠিক পছন্দ ছিল না। বিয়ের পর আমাকে নিয়মিত চুদতে দিলেও আমি খেয়াল করেছিলাম শ্রীপর্ণা খুব একটা কামুকী নয়। চোদাচুদি জিনিসটাকে আমি যতটা উপভোগ করি, ও ততটা করে না। আমাকে যেন একপ্রকার জোর খাটিয়েই চোদাচুদি করার জন্য রাজি করাতে হতো শ্রীপর্ণাকে। যৌনতার দিক দিয়েও শ্রীপর্ণা বেশ দুর্বল ছিল। তাছাড়া আমি নিয়মিত শ্রীপর্ণার গুদ চুষে দিলেও কেন জানিনা আমার ধোনটা ও মোটেই চুষতে চাইতো না। শ্রীপর্ণা ভীষন ঘেন্না পেতো আমার ধোনটা চুষতে। অনেকসময় অবশ্য আমি জোর করলে আমাকে খুশি করার জন্যই শ্রীপর্ণা আমার ধোনটাকে মুখে নিয়ে ঠোঁট আর জিভ দিয়ে চুষে দিতো, কিন্তু তবুও ও কখনই আমাকে ওর মুখে বীর্যপাত করতে দিতো না। শ্রীপর্ণা বলতো ওর নাকি খুব ঘেন্না লাগে আমার বীর্য মুখে নিতে, জিনিসটা ভীষন নোংরা লাগে ওর। কিন্তু ধোন চুষিয়ে মুখের মধ্যে বীর্যপাত করাটা আমার খুবই পছন্দের ছিল। কয়েকবার শ্রীপর্ণার ইচ্ছের বিরুদ্ধেই আমি ওর মুখের ভেতরে আর মুখের ওপরে বীর্যপাত করেছিলাম। কিন্তু তাতে ভীষন রাগ করেছিল শ্রীপর্ণা। তাই আমিও আর ওর মুখের ওপরে বা ভেতরে বীর্যপাত করিনি। কিন্তু এটা ঠিক, শ্রীপর্ণার চরিত্র ছিল খুবই ভালো। তাই এইসব সত্ত্বেও আমি কোনরকমে মানিয়ে নিয়েই চলছিলাম।

কিন্তু আমাদের জীবনের মোড় ঘুরতে শুরু করে আমার বিয়ের কিছুদিন পর থেকে। আমি আগেই বলেছিলাম শ্রীপর্ণা ছিল ভীষন বুদ্ধিমতী আর পড়াশোনায় খুব ভালো। বিয়ের পরেও ও নিয়মিত চাকরির পরীক্ষা দিতো। দেখতে দেখতে বিয়ের এক বছরের মধ্যেই শ্রীপর্ণা রেলের একটা ভালো পোস্টে সিলেক্টেড হয়ে গেলো। শ্রীপর্ণা তখন আমার কাছে অনুমতি চাইলো চাকরি করার জন্য।

সত্যি বলতে গেলে বিয়ের পর বাড়ির বৌ যে বাইরে চাকরি করবে এই বিষয়টা আমার মোটেই পছন্দ ছিল না। কারণ প্রথমত আমার টাকা পয়সার কোনো অভাব নেই, তার ওপর আমাদের বাড়ির কোনো বৌ আজ পর্যন্ত বাড়ির বাইরে কাজ করেনি। বলতে গেলে আমাদের পরিবারের একরকম নিয়ম ছিল এটা। কিন্তু শ্রীপর্ণা ছিল ভীষণ রকমের আধুনিক মনষ্ক মেয়ে। প্রথম থেকেই শ্রীপর্ণা নিজের পায়ে প্রতিষ্ঠিত হতে চাইতো। তাছাড়া শ্রীপর্ণা এতটাই ভালো মেয়ে যে ওর চরিত্র সম্পর্কেও কোনো সন্দেহ ছিল না আমার। তাই না চাইলেও আমি ওকে বাধা দিতে পারলাম না। শ্রীপর্ণা চাকরিতে জয়েন করেই ছাড়লো।

আমাদের দাম্পত্য জীবনে সমস্যাটা শুরু হতে লাগলো এরপর থেকেই। শ্রীপর্ণা চাকরিতে জয়েন করার পর থেকেই বাড়ি ফিরতে অনেকটা রাত হতো ওর। সরকারি চাকরি হলেও শ্রীপর্ণার পোস্টটা ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ, তাই শারীরিক না হলেও বেশ ভালোই মানসিক চাপ সহ্য করতে হতো ওকে। ফলে সারাদিন কাজকর্ম করার পর বেশ ক্লান্তও থাকতো শ্রীপর্ণা। যেহেতু ঘরের কাজকর্ম করার মতো কিছুই ছিল না, প্রতিটি কাজের জন্যই চাকর রাখা ছিল আমার, তাই অফিস থেকে ফিরেই শ্রীপর্ণা সোজা চলে যেত বিছানায়। তারপর কোনরকমে খাওয়া দাওয়া করেই ঘুমিয়ে পড়তো শ্রীপর্ণা। দেখতে দেখতে আমাদের দুজনের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে শুরু করলো ক্রমশ। মাঝে মাঝে শ্রীপর্ণার কাজের প্রেসার এতটাই বেশি হতো যে উইকেন্ডেও ও বেশ ক্লান্ত থাকতো। এর মধ্যে যে আমরা সেক্স করতাম না সেটা নয়, কিন্তু তাতে কোনো আন্তরিকতা ছিল না। আমার মনে হতো শ্রীপর্ণা যেন আমার যৌন ইচ্ছাকে প্রশমিত করার জন্যই সেক্স করতো আমার সাথে। আমারও খুব বেশি ভালো লাগতো না, মাঝে মাঝে তো আমার মনে হতো আমি যেন কোনো মৃতদেহের সাথে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত রয়েছি।

যাই হোক, এভাবে কিছুদিন চলার পরেই শ্রীপর্ণা প্রেগন্যান্ট হয়ে যায়। তারপর, আমাদের বিয়ের দুবছরের মাথায় আমার স্ত্রী একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেয়। ছেলেটাকে পেয়ে আমরা স্বামী স্ত্রী ভীষন খুশি হয়েছিলাম। অন্তত আমার মনে হয়েছিল যে এইবার হয়তো আমার এবং আমার স্ত্রীয়ের মধ্যে দূরত্ব কমবে। এমনকি ছেলেকে মানুষ করার জন্য কয়েকবার আমি শ্রীপর্ণাকে চাকরি ছেড়ে দেবার প্রস্তাবও করেছিলাম। কিন্তু বলাই বাহুল্য, শ্রীপর্ণা আমার সেসব প্রস্তাবে কান দেয়নি। বরং ছেলে হওয়ার পর আমাদের দূরত্ব যেন আরো বেড়ে গেল। শ্রীপর্ণা সব সময় ওর চাকরি আর ছেলেকে নিয়েই ব্যস্ত থাকতো। আমাকে দেওয়ার মতো কোনো সময়ই ছিল না শ্রীপর্ণার কাছে। বলতে গেলে আমার ছেলের জন্মের পর আমাদের সেক্স করাটা প্রায় বন্ধই হয়ে গেল।

শ্রীপর্ণা যদিও ছেলে আর চাকরি নিয়ে ভীষণ সুখী ছিল, আমি কিন্তু মোটেও ভালো ছিলাম না। বলতে দ্বিধা নেই, পুরুষ হিসেবে আমি অত্যন্ত কামুক প্রকৃতির। সেক্স জিনিসটাই আমার কাছে বিনোদনের একটা চরম মাত্রা। তাই এই জিনিসটাই যখন আমার জীবন থেকে বিলুপ্ত হয়ে যেতে লাগলো তখন আমি ভেতরে ভেতরে একটু মুষড়ে পরলাম। প্রথম প্রথম যে আমি প্রতিবাদ করিনি তা নয়। আমাদের মধ্যে যৌনতা নিয়েও মাঝে মাঝেই ঝগড়া অশান্তি হতে লাগলো এরপর। কিন্তু শ্রীপর্ণার যেন এইসবে ভ্রুক্ষেপই ছিল না। নিজেকে ডিস্ট্র্যাক্ট করতে ব্যবসায় আরো বেশি করে সময় দিতে লাগলাম আমি। আর মাঝে মাঝে যখন আমার যৌন ক্ষুধা তীব্র হতো, তখন কোনরকমে পর্ন ভিডিও দেখে হ্যান্ডেল মেরে নিজের যৌন আকাঙ্ক্ষাকে নিবৃত্ত করতাম। এভাবেই দিন কাটতে লাগলো আমাদের।

দেখতে দেখতে আমাদের ছেলের তিন বছর বয়স হয়ে গেল। ছেলেটাকে একটা কলেজের নার্সারিতে ভর্তি করলাম আমরা। কিন্তু একদিক দিয়ে শ্রীপর্ণা নিজের অফিস নিয়ে ব্যস্ত, আর ততদিনে আমিও ব্যবসায় অনেকটা নিজেই সামলাচ্ছি, তাই দুজনের মধ্যে কারোরই আমাদের ছেলেকে পড়ানোর সময় হয়ে উঠতো না। এই ব্যাপারে অবশ্য শ্রীপর্ণাই সমাধান খুঁজে বের করলো। আমাদের ছেলেকে পড়ানোর জন্য ও একটা প্রাইভেট টিউটর এর খোঁজ করতে লাগলো। যদিও এসব নিয়ে আমার মোটেই মাথা ব্যথা ছিল না, আমি নিজের ব্যবসা নিয়েই ব্যস্ত থাকতাম।

এরকমই একদিন আমি একটু তাড়াতাড়িই বাড়ি ফিরেছি সন্ধ্যা বেলা, হঠাৎ দেখি একটা অপূর্ব সুন্দরী মেয়ে এসে ঢুকলো আমাদের ঘরে। মেয়েটার হাঁটাচলার ভঙ্গিতে কোনো বাধকতা নেই, যেন ওর অনেকদিন থেকেই যাতায়াত আছে আমাদের বাড়িতে। দিনটা ছিল শনিবার, আমার বউ হাফডে করে বাড়িতে চলে এসেছিল। আমি একটু অবাক হয়েই শ্রীপর্ণাকে জিজ্ঞেস করলাম, “এই মেয়েটা কে গো?”

শ্রীপর্ণা একটু অবাক হয়েই বললো, “ও তোমাকে তো বলা হয়নি গো, বুবাইয়ের জন্য আমি একটা টিচার ঠিক করেছি। ও হলো ইন্দ্রাণী, খুব ভদ্র পরিবারের মেয়ে। এখন বি.এ. ফাইনাল ইয়ার দিচ্ছে। বাড়িতে একটু সমস্যা আছে তাই পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনও পরাচ্ছে আরকি। ও পড়াশোনায় বেশ ভালো, ভালোই পরাচ্ছে দেখছি। বুবাইও ম্যাডামের কাছে বাধ্য ছেলের মতো পড়তে বসছে।”

আমি বললাম, “আচ্ছা, তুমি বেশ ভালোই করেছো বুবাইয়ের জন্য টিচার রেখে। আমাদের কারোরই তো ওকে পড়ানোর সময় হয়ে ওঠে না।”

শ্রীপর্ণা কথা না বাড়িয়ে চলে গেল। কিন্তু আমি বেশ বুঝতে পারলাম ভেতরে ভেতরে আমার অবস্থা বেশ খারাপ হচ্ছে। ইন্দ্রাণী.. উফফফ.. নামটা যেন আমার মাথায় গেঁথে গেল। তার সাথে ওর চেহারাটা.. আমি চোখ বুজেই যেন দেখতে পেলাম ইন্দ্রাণীর সেক্সি শরীরটাকে। আমার ধোনটা যেন ইন্দ্রাণীর কথা ভেবেই এবার কলাগাছের মতো ফুলে উঠতে শুরু করেছে। আর আমার ধোনেরই বা কি দোষ! একে তো আমার বাঁড়া আজকাল মাসে ২৯ দিনই উপোষ করে থাকে। তার ওপর যদি এরকম হঠাৎ করে অপ্রত্যাশিতভাবে ইন্দ্রাণীর মতো সুন্দরী যুবতী মেয়ে চোখের সামনে চলে আসে, তাহলে তো যেকোনো পুরুষের চোখের ঘুম উড়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক!



RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - Erotic Lovers - 10-15-2026

পর্ব -৩



সত্যি বলতে গেলে ইন্দ্রাণীকে দূর থেকে এক ঝলক দেখেই ওর পুরো শরীরটাকে একেবারে মেপে নিয়েছিলাম আমি। ইন্দ্রাণীর বুকের সাইজ চৌত্রিশ ইঞ্চি, কোমরের সাইজ আঠাশ ইঞ্চি আর পাছার সাইজ ঠিক চৌত্রিশ ইঞ্চি। ইন্দ্রাণীর উচ্চতা পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি মতো হবে আর ওর ওজন বাহান্ন কেজি মতো। মারকাটারি ফিগার যাকে বলে। উফ... একেবারে বালিঘড়ির মতো যেন!

আমার সাথে কথা শেষ করে শ্রীপর্ণা নিজের কাজে চলে গিয়েছিল। কিন্তু আমার চোখের সামনে তখনও ইন্দ্রাণীর ফিগারটা ভাসছে, কেন জানিনা ওই মুহূর্তে আমার আরো একবার ওকে দেখতে ভীষণ ইচ্ছে হলো। উত্তেজিত অবস্থায় আমি তখনই ইন্দ্রাণী যে ঘরে আমার ছেলেকে পড়াচ্ছিল ওই ঘরে ঢুকে পড়লাম। ইন্দ্রাণী একটা চেয়ারে বসে ছিল। আমি ঢুকতেই ইন্দ্রাণী একবার মুখ তুলে তাকালো আমার দিকে, তারপর আবার পড়ানোয় মন দিলো। আমি সোজাসুজি ইন্দ্রাণীর চেয়ারের সামনে বিছানায় গিয়ে বসলাম। এতে অবশ্য অপরাধের কিছু নেই, যে মেয়েটা আমার ছেলেকে পরাচ্ছে, তার সাথে ভদ্রতার খাতিরে একটু আলাপ করা যেতেই পারে। তাছাড়া, বাবা হিসেবে ছেলের টিচারকে পরখ করে নেওয়াটাও তো আমার কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে।

আমি এবার সোজা তাকালাম ইন্দ্রাণীর দিকে। ও তখনও আমার ছেলেকেই রাইমস পরাচ্ছে। উফফফফ.. ইন্দ্রাণীর মুখের দিকে তাকিয়েই যেন আমার শরীরের রক্ত সঞ্চালন বেড়ে গেল অনেকটা। ইন্দ্রাণীর মুখটা পুরো পান পাতার মতো, মুখশ্রীও খুব সুন্দর। আমি খুব ভালো করে দেখতে লাগলাম ইন্দ্রাণীর মুখটা। ইন্দ্রাণীর মাথায় একরাশ ঘন কালো কোঁকড়া কোঁকড়া চুল, ওর পুরো কোমর অবধি নেমে এসেছে মাথার কোঁকড়ানো চুলগুলো। মেয়েদের এরম চুল আমার ভীষণ পছন্দের। আমি এবার ইন্দ্রাণীর চোখের দিকে তাকালাম। একেবারে টানা টানা পটলচেরা চোখ ইন্দ্রাণীর। যেন একটা আলাদাই আকর্ষণ করার ক্ষমতা আছে ওর দুচোখে। ইন্দ্রাণী তখনই একবার তাকালো আমার দিকে। কিন্তু ইন্দ্রাণীর চোখে চোখ পড়তেই ইন্দ্রাণী ওর চোখটা লজ্জায় নামিয়ে নিলো। উফফফ.. সত্যি বলছি, ইন্দ্রাণীর ওই সুন্দর চোখ দুটো আমায় ভীষন মুগ্ধ করেছিল সেদিন। আমার চোখ এবার ইন্দ্রাণীর দুটো চোখকে অনুসরণ করে নিচে নামতে লাগলো। চোখের নিচেই ইন্দ্রাণীর টিকালো নাক, আর নাকের পাশেই ইন্দ্রাণীর দুটো ফর্সা টুকটুকে গাল। সত্যি ইন্দ্রাণীর গাল দুটো এতটাই টুকটুকে আর ফর্সা লাগছিল যেন মনে হচ্ছিলো দুটো কাশ্মীরের আপেল লাগানো আছে ওর গালে। এরপর আমার চোখ গেল ইন্দ্রাণীর ঠোঁট দুটোর ওপর। উফঃ! ইন্দ্রাণীর ঠোঁট তো না যেন দুটো সেক্সি দার্জিলিংয়ের কমলালেবুর কোয়া! দেখেই বোঝা যাচ্ছে ওই ঠোঁট দুটো কতটা নরম আর সেক্সি! উফ! আমার মনে হলো ইন্দ্রাণীর নরম ভেজা ঠোঁট দুটো যেকোনো বয়সের পুরুষকে যে কোনো মুহূর্তে ঘায়েল করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। আমি তো সব থেকে বেশি আকৃষ্ট হয়েছিলাম ইন্দ্রাণীর ঠোঁট দুটো দেখে। ঠিক ওই মুহূর্তেই বুবাই ওর আধো আধো স্বরে কি যেন একটা বললো ইন্দ্রাণীকে, আর ইন্দ্রাণী তখনই বুবাই এর কথা শুনে হেসে ফেললো। সেই সুযোগে ইন্দ্রাণীর দাঁতগুলো দেখতে পেলাম আমি। একেবারে মুক্তোর মতো সাদা ঝকঝকে দাঁত.. একেবারে সারিবদ্ধভাবে সাজানো, কোনো খুঁত নেই যেন ওতে। আমার নজর আরও নিচের দিকে নামতে শুরু করলো। আমার এবার নজর পড়লো ইন্দ্রাণীর বুকের ওপর। উফঃ.. ঠিকই ভেবেছিলাম আমি। একেবারে চৌত্রিশ সাইজের ডবকা দুটো মাই ইন্দ্রাণীর। সত্যি বলতে গেলে ইন্দ্রাণীর ভারী ভারী ডবকা স্তন দুটো দেখে তো আমার তখনই ইচ্ছা করছিলো ওর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তে। আমি একদৃষ্টে ইন্দ্রাণীর মাইদুটোর দিকে তাকিয়ে রইলাম। ততক্ষনে ইন্দ্রাণীর আজকের মতো পড়ানো শেষ। ইন্দ্রাণী এবার উঠে চলে গেল আমার সামনে দিয়েই। তখন সেই সুযোগে ইন্দ্রাণীর পাছা দুটোকে ভালো করে দেখার সুযোগ হলো আমার। উফফফ.. ইন্দ্রাণীর পাছাটা যেন উল্টানো তানপুরার মতো! কি ভীষণ সেক্সি আর সুন্দরী দেখতে ইন্দ্রাণীকে! আমি বেশ বুঝতে পারছিলাম ইন্দ্রাণীর প্রতি আমার মনে একটা প্রেমভাব জেগে উঠছে ধীরে ধীরে।

ঘর থেকে বেরিয়েই ইন্দ্রাণী চলে গেল না। ও আমাদের ড্রয়িংরুমে গিয়ে দেখা করলো আমার বউ শ্রীপর্ণার সাথে। শ্রীপর্ণা ওকে বসতে বলে বললো, “তোমার পড়ানোর পদ্ধতি আমার বেশ ভালই লেগেছে ইন্দ্রাণী। আসলে বুবাইকে তো আমি বা তোমার দাদা কেউই পড়ানোর সময় পাই না, তাই তোমাকে রাখা। তাও রবিবারটা অন্তত আমি ওকে একটু ধরতে পারি। তুমি তাহলে রবিবারটা বাদ দিয়ে সপ্তাহের বাকি ছয়টা দিন ওকে পড়িও, কেমন?”

ইন্দ্রাণী তখনই সম্মতি দিয়ে বললো, “আচ্ছা বৌদি, আমি তাহলে সোমবার থেকেই আসবো।”

শ্রীপর্ণা বললো, “দেখো আজ তো আমার হাফ ডে ছিল, তাই আমি বাড়ি ছিলাম। কিন্তু সামনের দিন থেকে হয়তো আমি বাড়িতে থাকতে পারবো না। অবশ্য তোমার দাদা বাড়িতেই থাকবে, আর যদি দাদা নাও থাকে তবে আমাদের বাড়িতে যে কাজ করে লতিকাদি সে থাকবে। যাইহোক, তুমি কোনো চিন্তা করবে না, একদম ছটায় চলে আসবে পড়াতে।”

ইন্দ্রাণী বললো, “আচ্ছা বৌদি।”

আমি ওই মুহূর্তেই মনে মনে হিসাব করে নিলাম। শ্রীপর্ণার বাড়ি ফিরতে আটটা থেকে সাড়ে আটটা বাজে। আর আমি ফিরলে লতিকাদি বাড়ি চলে যায়। মানে আমি যদি একটু আগে আগে চলে আসি, তাহলে এই সুন্দরীর সাথে একান্তে সময় কাটানোর জন্য অনায়াসে অনেকটা সময় বের করে ফেলতে পারবো। অবশ্য বুবাই থাকবে, কিন্তু ও এখন ছোট, এসবের কিছুই বুঝবে না।

আমার চিন্তার সুতো ছিঁড়ে শ্রীপর্ণা একটা অপ্রত্যাশিত কাজ করলো এবার। ও সরাসরি ইন্দ্রাণীকে আমার মোবাইল নম্বরটা দিয়ে বললো, “আমি তো বাড়ি থাকি না, এটা তোমার দাদার নম্বর, রাখো। কোনো দরকার লাগলে ওকে ফোন কোরো।” ইন্দ্রাণী তখনই আমার নম্বরটা মোবাইলে সেভ করে চলে গেল। 

সেদিন রাতে উত্তেজনায় দু চোখের পাতা এক করতে পারলাম না আমি। উফফফ.. কি সেক্সি আর সুন্দরী দেখতে মেয়েটাকে! চোখের পাতা বন্ধ করলেই সারাক্ষন যেন শুধু ইন্দ্রাণীকেই দেখছি আমি। উফঃ! এতো সেক্সি কীভাবে দেখতে হতে পারে একটা মেয়ে! ইন্দ্রাণীর চোখ, মুখ, নাক, ঠোঁট, গাল, চুল, কান.. ওর প্রতিটা অঙ্গ যেন নিপুন হাতে তৈরী করেছে কোনো শিল্পী।

আমার খালি মনে হতে লাগলো, ইন্দ্রাণীকে যদি আমি আমার বউ হিসেবে পেতাম তাহলে কি ভালোই না হতো! দিন রাত এক করে আমি ভোগ করতাম আমার সুন্দরী বউকে। ইশ! ঈশ্বর যে কেন শ্রীপর্ণার জায়গায় ইন্দ্রাণীকে আমার বৌ করে পাঠালো না! একটা নিষ্ফল ব্যর্থতায় কোলবালিশ আঁকড়ে ধরলাম আমি। আমার মনের মধ্যে নানারকম চিন্তা ঘুরতে লাগলো ইন্দ্রাণীকে নিয়ে। আমার খালি মনে হতে লাগলো, ইন্দ্রাণী কি সিঙ্গেল? নাকি কারোর সাথে রিলেশনে আছে ওর! ওর মতো সুন্দরী মেয়েকে সিঙ্গেল মনে হয় পাওয়া যাবে না। নিশ্চই কারোর না কারোর সাথে রিলেশন রয়েছে ওর।

কিন্তু ওই মুহূর্তেই একটা কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম আমি। আমি ঠিক করলাম, যার সাথেই ইন্দ্রাণীর রিলেশন থাকুক না কেন, ওকে আমায় পেতেই হবে। গোল পোস্টেও তো গোল কিপার থাকেই, তাই বলে কি গোল হবে না?? যেভাবেই হোক আমি পটাবো ইন্দ্রাণীকে। ইন্দ্রাণীর শরীরের সাথে সাথে ওর মনটাকেও জয় করা দরকার আমার। শ্রীপর্ণাকে নিয়ে আমি সুখী নই। ও একদম সময় দেয় না আমাকে। তারপর নিত্য নতুন ঝগড়া অশান্তি তো লেগেই আছে! এসব আমার পছন্দ না একদম। দরকার পড়লে শ্রীপর্ণাকে ডিভোর্স দিয়ে ইন্দ্রাণীকে নতুন করে বিয়ে করবো আমি। এতে আমার কোনো ক্ষতি নেই, কারণ ইন্দ্রাণীর রূপের কাছে শ্রীপর্ণা কিছুই নয়। আমার জীবন হয়তো অন্য খাতে বইতে শুরু করবে ইন্দ্রাণীকে বৌ হিসাবে পেলে।

আমি বিছানায় শুয়ে শুয়েই প্ল্যান করতে লাগলাম কীভাবে ইন্দ্রাণীকে পটানো যায়। এমনিতে এরকম কচি একটা মেয়েকে পটানো সহজ কাজ নয় আমার জন্য, কিন্তু কিছু না কিছু একটা উপায় তো আমি বের করবোই। আমার হঠাৎ মনে পড়লো, ইন্দ্রাণী যখন টিউশন পরাচ্ছে, ওর পরিবার নিশ্চই অর্থনৈতিক দিক দিয়ে একটু দুর্বল হবে। যদি আমি ওদিক দিয়ে একটু টার্গেট করি ওকে, তাহলে হয়তো কিছু একটা হতে পারে।



RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - Erotic Lovers - 10-15-2026

পর্ব -৪




পরের সোমবার ইন্দ্রাণীর পড়াতে আসার দিন। আমি তৈরিই ছিলাম, ছটার আগেই আমি বাড়ি এসে লতিকাদিকে ছেড়ে দিলাম। লতিকাদি বেশ খুশি মনেই চলে গেল বাড়িতে। ঠিক ছটার সময় ইন্দ্রাণী এলো বুবাইকে পড়াতে। বাড়িতে তখন শুধু আমি আর আমার ছেলে বুবাই। দরজায় কলিং বেলের শব্দ শুনতেই আমি গিয়ে দরজাটা খুলে দিলাম।

ইন্দ্রাণী আজ একটা সবুজ রঙের সালোয়ার পরেছিল। উফফফ.. আমি যেন মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে রইলাম ওর দিকে, যদিও বেশিক্ষন না। কারণ বেশি তাকালে ও আবার অন্য কিছু ভাবতে পারে আমার সম্পর্কে। আসলে ইন্দ্রাণী এতটাই সুন্দরী যে, ও যেই পোশাকই পরুক না কেন ওকে সুন্দর লাগবে। যাইহোক, আমি ইন্দ্রাণীকে ভেতরে নিয়ে এসে পড়ার ঘরে বসালাম। তারপর বুবাইকে নিয়ে এলাম ওর কাছে।

ইন্দ্রাণী পড়াতে শুরু করলো। আমারও প্ল্যান তৈরি। ঠিক আধঘণ্টা পর আমি নিজের হাতে চা তৈরি করে সাথে প্লেটে করে কিছু খাবার সাজিয়ে নিলাম ইন্দ্রাণীর জন্য। তারপর চা আর খাবারের প্লেটটা নিয়ে ইন্দ্রাণীর সামনে ধরে বললাম, “নাও ধরো।”

ইন্দ্রাণী এতো খাবার দেখে আঁতকে উঠলো। ও বললো, “ওরে বাবা! এতো খাবার আমি খেতে পারবো না সমুদ্র দা!”

আমি ইন্দ্রাণীর কথা শুনে হেসে বললাম, “ধুর, কি যে বলো না! এইটুকু খেতে পারবে না?” একটু জোর করেই ওর হাতে প্লেটটা ধরিয়ে দিলাম আমি। বাধ্য হয়ে প্লেটটা নিলো ইন্দ্রাণী। নেওয়ার সময় ওর হাতের আঙুলগুলো আমার হাতে স্পর্শ করলো একবার। উফফফফ.. কি নরম ইন্দ্রাণীর হাতের আঙুল গুলো! ইন্দ্রাণীর হাতের স্পর্শে যেন কারেন্টের শক লাগলো আমার। আমি প্লেটটা ইন্দ্রাণীর হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললাম, “এমা তুমি তো ঘামছো ইন্দ্রাণী! এই গরমের মধ্যে বসে আছো কেন??”

ইন্দ্রাণী অবাক হয়ে বললো, “কই গরম সমুদ্র দা! ফ্যান চলছে তো ঘরে!”

আমি আরো অবাক হওয়ার ভান করে বললাম, “কই! একটা মাত্র ফ্যান চলছে ঘরে। দাঁড়াও আমি এসিটা চালিয়ে দিই।”

ইন্দ্রাণী তখনই বাধা দিয়ে আমায় বললো, “না না সমুদ্র দা, এসি চালাতে হবে না আপনাকে। আমার বাড়িতে তো এসি নেই, আমার অভ্যেস নেই এসবে।”

আমি তখন সোজাসুজি ইন্দ্রাণীর দিকে তাকিয়ে জোরের সাথে বললাম, “কিন্তু এখন তো তুমি তোমার নিজের বাড়িতে নেই ইন্দ্রাণী। তুমি এখন আমার বাড়িতে আছো। আর আমি চাইনা এই গরমে তোমার কষ্ট হোক।”

আমার কথায় ইন্দ্রাণী কি ভাবলো জানিনা, তবে ও এবার একটু মুচকি হেসে বললো, “আচ্ছা আপনি যখন এতো করে বলছেন তাহলে চালিয়ে দিন।”

আমিও হেসে এসিটা চালিয়ে দিয়ে চলে আসলাম। প্রথম দিন এর থেকে বেশি মাখামাখি না করাই ভালো। কিন্তু এরপর থেকে রোজই আমি একবার করে ইন্দ্রাণীর সাথে দেখা করে আসতাম জলখাবার দেওয়ার বাহানায়। সাথে একটু আধটু গল্প গুজব করেও আসতাম। তবে সেটা খুব বেশী সময়ের জন্য নয়। ইন্দ্রাণীও দেখতাম বেশ ভালোই কমফোর্টেবল ফিল করতো আমার সাথে। আর সবথেকে বড়ো ব্যাপার, বুবাই নিজেও বেশ এনজয় করতো ইন্দ্রাণী ম্যামের পড়ানো। এমনিতেও অন্যদের তুলনায় আমি একটু বেশিই বেতন দিতাম ইন্দ্রাণীকে, তাই ইন্দ্রাণীও ভীষন যত্ন করে পরাতো বুবাইকে। তাছাড়া আমি খেয়াল করেছি, পড়ানোর বাইরেও ইন্দ্রাণী দারুণ সামলাতে পারে বুবাইকে। শিশুদের মনস্তত্ব নিয়ে মনে হয় বেশ ভালোই জ্ঞান আছে ওর। কয়েকদিনের মধ্যেই বুবাই একেবারে ইন্দ্রাণী ম্যামের ফ্যান হয়ে গেছে। ইন্দ্রাণী ম্যামকে ছাড়া মোটেই পড়তে বসতে চায় না বুবাই। এমনকি এসবের বাইরেও বুবাই একটু থাকতে চায় ইন্দ্রাণীর সাথে, সময় কাটাতে চায়। আমিও জলখাবার দেওয়ার সময় এসব কথা বলে প্রশংসা করতাম ইন্দ্রাণীর। বুঝতে পারতাম ইন্দ্রাণী লজ্জা পাচ্ছে, সাথে বেশ ভালোও লাগছে ওর।

দেখতে দেখতে কয়েকমাস কেটে গেল। এর মধ্যে ফার্স্ট টার্ম এক্সাম হয়ে গেছে বুবাইয়ের কলেজে। রেজাল্টও বেরিয়ে গেছে। তাই সেদিন ইন্দ্রাণী পড়াতে আসতেই ওকে বসিয়ে আমি বললাম, “বুবাইয়ের কলেজের রেজাল্ট বেরিয়েছে আজ।”

“কেমন রেজাল্ট হয়েছে ওর?” ইন্দ্রাণী একটু উৎকন্ঠিত স্বরেই জিজ্ঞেস করলো।

আমি বললাম, “বুবাই ফার্স্ট হয়েছে কলেজে।"

ইন্দ্রাণীর সেক্সি মুখটার মধ্যে সঙ্গে সঙ্গে হাসি খেলে গেলো। আমি বললাম, “তুমি সত্যিই আমার ছেলেকে খুব যত্ন নিয়ে পড়াচ্ছ, আমি সত্যিই তোমার কাজে খুব খুশি। বুবাই এই বয়সেই অনেক কিছু শিখে ফেলেছে। ওর মায়ের সাথে কথা বলেছি আমি, এরপরের মাস থেকে তোমার বেতন আমরা আরও এক হাজার টাকা বাড়িয়ে দেবো।”

ইন্দ্রাণীর মুখ খুশিতে ঝলমল করে উঠলো। এমনিতেই ওকে দুই হাজার টাকা বেতন দিতাম আমি, সেটা বেড়ে এখন দাঁড়ালো তিন হাজার। নার্সারির বাচ্চাকে পড়ানোর পরিপ্রেক্ষিতে এটা অনেকটাই বেশি, ওর খুশি হওয়াই স্বাভাবিক। কিন্তু আমার মোক্ষম অস্ত্রটা এখনও বের করিনি। আমি এবার আমার পেছন থেকে একটা দামি নতুন মোবাইল বের করে ওকে দিয়ে বললাম, “আর এটা আমার তরফ থেকে তোমার জন্য উপহার। আমার ছেলেকে এতো ভালো করে দেখাশোনা করার জন্য।”

আমার হাতে এই দামি সেটটা দেখে ইন্দ্রাণী একেবারে হতচকিয়ে গেল। ও অবাক হয়ে বললো, “এসব কি সমুদ্র দা? এতো দামি মোবাইল ব্যবহার করার অভ্যেস নেই আমার। এ আমি নিতে পারবো না!”

আমি এবার একপ্রকার জোর করেই মোবাইলটা ইন্দ্রাণীর হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললাম, “এটা তো আমি তোমাকে উপহার দিচ্ছি ইন্দ্রাণী। তুমি জানো না উপহার ফেরাতে নেই? আর তুমি বলছো এসব ব্যবহার করার অভ্যেস নেই তোমার? তুমি স্মার্ট, শিক্ষিতা একটা মেয়ে, ব্যবহার করতে করতে ঠিক তোমার অভ্যেস হয়ে যাবে।”

মোবাইলটা দিতে গিয়ে ইন্দ্রাণীর নরম হাতে আমার হাতটা চেপে বসে যাচ্ছিলো। উত্তেজনায় যেন আমার বুকটা ফেটে যাচ্ছিলো একেবারে। ইন্দ্রাণী অবশেষে আমার জোরের সামনে হার মানলো, একপ্রকার বাধ্য হয়েই আমার দেওয়া মোবাইলটা নিলো ও।

এরপর ইন্দ্রাণীর সাথে আমার সম্পর্কটা আরও সহজ হয়ে গেল। ওর জড়তা ভাবটা একেবারে কেটে গেল আমার সাথে। প্রায় রোজ দিনই ইন্দ্রাণীর সাথে আমি গল্প করতাম অনেকক্ষণ। তাছাড়া ইউটিউব দেখে নিত্য নতুন জিনিস বানিয়ে খাওয়াতাম আমি ইন্দ্রাণীকে। ধীরে ধীরে ইন্দ্রাণীর কাছে একটা ভালো ইমেজ তৈরি হয়ে গেল আমার। ইন্দ্রাণীও এরপর থেকে মন খুলে নানা বিষয় শেয়ার করতো আমার সাথে। বুবাই এসবের কিছুই বুঝতো না, ও একমনে ম্যামের দেওয়া টাস্ক করতো।

এরকমই একদিন আমি ইন্দ্রাণীর সাথে গল্প করছি, বুবাই টাস্ক করছে একমনে। আমি এবার একটু আত্মবিশ্বাসী সুরে ইন্দ্রাণীকে বললাম, “আচ্ছা ইন্দ্রাণী, তোমাকে তো খুব সুন্দর দেখতে, তুমি প্রেম করো না?”

ইন্দ্রাণী আমার কথাটা শুনে ভীষন লজ্জা পেলো। ওর গালটা একেবারে লাল হয়ে গেল লজ্জায়। ইন্দ্রাণী আমাকে ধন্যবাদ জানিয়ে মাথা নিচু করে বললো, “না না সমুদ্র দা, এখনও কোনরকম প্রেম ভালোবাসার সম্পর্কে নিজেকে জড়াইনি আমি।”

ইন্দ্রাণীর উত্তর শুনে আমি সত্যি সত্যিই অবাক হয়ে গেলাম। এতো সুন্দরী একটা মেয়ের বয়ফ্রেন্ড নেই? আমি অবাক হওয়ার ভাবটা ওর কাছে না লুকিয়ে বললাম, “কি বলছো কি তুমি ইন্দ্রাণী! তুমি যেরকম সুন্দরী, তোমার রূপের গুণেই তো তোমার পেছনে প্রেম করার জন্য লম্বা লাইন থাকবার কথা! জীবনে কী একবার প্রেম করার প্রস্তাবও পাওনি তুমি?”

আমার মুখে এরকম প্রশংসা শুনে ইন্দ্রাণী একেবারে টমেটোর মতো লাল হয়ে গেল লজ্জায়। ইন্দ্রাণী কোনরকমে আমার চোখে চোখ রেখে বললো, “না, প্রেম প্রস্তাব তো আমি অনেক পেয়েছি সমুদ্র দা। কিন্তু কোনোটাতেই আমি রাজি হইনি।”

আমি কৌতূহলি হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “কেন? কোনো ছেলেকেই পছন্দ হয়নি তোমার?”



RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - Erotic Lovers - 10-15-2026

পর্ব -৫




ইন্দ্রাণী মুচকি হাসলো আমার কথা শুনে। ও বললো, “ব্যাপারটা ওরকম না সমুদ্র দা। আমাদের পরিবারে কেউ আজ পর্যন্ত প্রেম ভালোবাসা করেনি। আর আমরা তো থাকতাম না এখানে, গ্রাম থেকে এসেছি বছর তিনেক হলো। আমাদের গ্রামের পরিবেশও অন্যরকম। প্রেম করলে লোকজনের জানাজানির ব্যাপার থাকে। লোকেরাও ভালো চোখে দেখে না বিষয়গুলো।”

আমি বললাম, “তা আমাদের শহরে তো এরকম ব্যাপার নেই, লোকজনও বেশ খোলামেলা। এখানে তো তুমি একটা প্রেম করতেই পারো!”

ইন্দ্রাণী হেসে ফেললো আমার কথা শুনে। ও বললো, “ঠিক বলেছো, তবে কলেজটা পাশ করে নিই তারপর এসব ব্যাপারে ভাববো। বিয়ে-টিয়ের ব্যাপারও তো রয়েছে!”

আমি বুঝলাম ইন্দ্রাণীর নিজেরও প্রেম করার ইচ্ছে আছে অল্প অল্প, শুধু পারিবারিক আর সামাজিক বাধার জন্য ও ঠিক সাহস পায় না। যাক, আমার লাইন তাহলে পরিষ্কারই রয়েছে। একটু চেষ্টা করলেই ইন্দ্রাণীকে ঠিক পটিয়ে ফেলতে পারবো আমি। আমি নিজেও এবার আমার ছেলের শিক্ষিকা ইন্দ্রাণীর সঙ্গে বিবাহ বহির্ভুত প্রেমের সম্পর্কের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে শুরু করলাম।

এর মধ্যেই ইন্দ্রাণীর সাথে গল্পের ছলে ওর সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য সংগ্রহ করে নিলাম আমি। তাছাড়া ইন্দ্রাণী কখন কোথায় যায়, কাদের সাথে মেলামেশা করে সেইসব সম্পর্কেও যথেষ্ট খবরাখবর নিয়ে নিলাম আমি। এমনকি বাইরেও আমার সোর্স লাগিয়ে ইন্দ্রাণীর সম্পর্কে বেশ কিছু খবর নিয়ে নিলাম। ইন্দ্রাণীর সম্পর্কে যা যা তথ্য পেলাম তা মোটামুটি এই, ওরা আগে থাকতো নদীয়া জেলার একটা গ্রামে। এমনিতেও পরিবার হিসেবে ওদের পরিবার ভীষন ভদ্র সভ্য। গ্রামেও যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। ইন্দ্রাণী নিজেও ভীষন ভালো একটা মেয়ে। স্বভাব চরিত্রও ভীষন ভালো। গ্রামের বাড়িতে ওদের যৌথ পরিবার, তবে এখানে ওর বাবা আর মা থাকে ওর সাথে।

ইন্দ্রাণীর সম্পর্কে পুরোপুরি খোঁজ নেওয়ার পর আমি যেন একটু দ্বন্দ্বে পড়ে গেলাম। আমার মনে হতে লাগলো এই মেয়েকে আগে কেন চোখে পড়লো না আমার। যেন এই মেয়ে আমার জন্যই তৈরি। ঈশ্বর আমার জন্যই সৃষ্টি করেছে ওকে। সত্যি বলতে গেলে আমার বিয়ের আগে যদি আমার ইন্দ্রাণীর সাথে পরিচয় থাকতো তাহলে আমি শ্রীপর্ণাকে নয়, ইন্দ্রাণীকেই বিয়ে করতাম। কিন্তু এখন যা হওয়ার হয়ে গেছে। আমার যেকোনো মূল্যে ইন্দ্রাণীকে চাই এখন।

কিন্তু এইসব ভাবনার সাথে সাথে আরও কয়েকটা ভাবনা আমার মাথায় এলো। ইন্দ্রাণী যখন এতো ভালো একটা মেয়ে, ও তাহলে আমাকে আদেও পাত্তা দেবে তো? যদি আমি অবিবাহিত হতাম তাহলে আমি নিশ্চিত ইন্দ্রাণী আমাকে ফিরিয়ে দিতো না। কিন্তু যেহেতু আমার বিয়ে হয়ে গেছে, আবার একটা সন্তানও আছে তাই আমার মনে হচ্ছে ইন্দ্রাণী যেন ধাতব্যের মধ্যেই ধরবে না আমায়। আমার মতো বিবাহিত একটা পুরুষের সাথে কি আদেও ইন্দ্রাণী একটা রিলেশনে জড়াতে চাইবে? কিন্তু আমি মনে মনে এটুকু স্থির করলাম যে যাই হোক না কেন, ইন্দ্রাণীকে আমি নিজের করে পাওয়ার একেবারে চূড়ান্ত চেষ্টা করে তবেই ছাড়বো। ইন্দ্রাণীর মতো সুন্দরী নারীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা করবো আমি।

দেখতে দেখতে আরও কয়েক মাস কেটে গেল। বুবাই এর মধ্যে অনেক কিছুই শিখে ফেলেছে। ওর সেকেন্ড টার্ম পরীক্ষাও হয়ে গেছে এর মধ্যে। আমি নিশ্চিত বুবাই এইবারও দারুণ রেজাল্ট করবে। কারণ ইন্দ্রাণী সত্যিই দারুণভাবে তৈরি করছে আমার ছেলেকে। অবশেষে কয়েকদিনের মধ্যেই আবার রেজাল্ট আউট হলো, বুবাই আবার ফার্স্ট হয়েছে। পেরেন্ট টিচার মিটিংয়ে আমার সামনেই ওর শিক্ষক শিক্ষিকারা দারুণ প্রশংসা করলো ওর। এতগুলো ছেলে মেয়ে আর গার্জেনের সামনে নিজের ছেলের প্রশংসা শুনতে আমার নিজেরও ভীষণ গর্ব বোধ হচ্ছিলো।

সেদিন রেজাল্ট নিয়ে কলেজ থেকে ফিরে আমি সত্যিই ভীষন খুশি ছিলাম। আমার ভীষন ইচ্ছে করছিল ইন্দ্রাণীকে একটা দারুণ কোনো উপহার দিয়ে আবার চমকে দিতে। কারণ আমার ছেলের এই সাফল্যের পেছনে যদি কারোর হাত থাকে সেটা শুধুমাত্র ইন্দ্রাণীর। ওই আমার ছেলেকে বাকি পাঁচটা ছেলের থেকে আলাদা তৈরি করে দিয়েছে। কিন্তু ইতিমধ্যে ইন্দ্রাণীকে একটা দামী মোবাইল উপহার দিয়ে দিয়েছি আমি। আর কি গিফট দেওয়া যায় ওকে? কারণ শুধুমাত্র উপহার দেওয়াই তো আমার উদ্দেশ্য নয়, ওর মন পাওয়াও একটা বিশেষ উদ্দেশ্য আমার। আমি ভাবতে বসলাম।

ভাবতে ভাবতেই আমার হঠাৎ মনে পড়লো, ইন্দ্রাণী সাজগোজ করতে খুব ভালোবাসে। পড়াতে আসার সময় ইন্দ্রাণী সবসময়ই কোনো না কোনো প্রসাধনী মেখে আসে প্রতিদিন। কিন্তু সেগুলো যে খুবই সাধারণ মানের সেটা দেখেই বুঝতে পারি আমি। কারণ বাজার চলতি কসমেটিক্স এর যা দাম তাতে ওর পক্ষে হয়তো সেসব কিছু কেনা সম্ভব হয় না। আমার হঠাৎ মনে হলো, ইন্দ্রাণীর মতো সুন্দরী মেয়ে যদি এরকম দামী ব্র্যান্ডেড কোম্পানির কসমেটিক্স পায় তাহলে হয়তো ও খুব খুশি হবে। আমি তখনই মার্কেটে গিয়ে ইন্দ্রাণীর জন্য নামি দামী কোম্পানির সাজগোজ আর প্রসাধনের জিনিস কিনে ফেললাম। কিন্তু সবকিছু কিনেও আমার যেন তৃপ্তি হচ্ছিলো না। তখন হঠাৎ আমার একটা শাড়ির দোকানে চোখ পড়লো। দোকানের বাইরে একটা ডামির ওপর নীল রঙের একটা ভীষন সুন্দর সিল্কের শাড়ি জড়ানো ছিল। শাড়িটা দেখেই ইন্দ্রাণীর কথা মনে হলো আমার। আমার মনে হলো ওই শাড়িটাতে ইন্দ্রাণীকে দারুণ মানাবে, দারুণ সেক্সি দেখতে লাগবে ওকে। আমি সঙ্গে সঙ্গে ওই শাড়িটাও কিনে নিলাম ইন্দ্রাণীর জন্য।

সবকিছু নিয়ে আমি এবার সুন্দর করে প্যাক করে রেডি করলাম ইন্দ্রাণীর জন্য। এমনিতেও সামনে পুজো আসছে, ইন্দ্রাণী নিশ্চই দারুণ খুশি হবে এইগুলো পেয়ে। আমি এবার গিফট গুলো নিয়ে অপেক্ষা করতে লাগলাম ইন্দ্রাণীর জন্য।

সেদিনও ঠিক ছটার সময় ইন্দ্রাণী এলো বুবাইকে পড়াতে। আমি এবার ইন্দ্রাণীকে পড়ানোর ঘরে বসিয়েই গিফটের প্যাকেটটা এনে রাখলাম ওর সামনে। ইন্দ্রাণী এতো বড়ো প্যাকেট দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেল। ইন্দ্রাণী বড়ো বড়ো চোখ করে আমার দিকে তাকিয়ে বললো, “এসব কি সমুদ্র দা?”

আমি হেসে বললাম, “বুবাইয়ের রেজাল্ট বেরিয়েছে আজ। পেরেন্ট টিচার মিটিংও ছিল। বুবাই এই টার্মেও ফার্স্ট হয়েছে। ওর টিচাররাও আমার কাছে ভীষন প্রশংসা করেছে ওর। কিন্তু আমি জানি এই সব কৃতিত্ব বুবাইয়ের একার নয়, তোমারও। তুমি না থাকলে বুবাই কখনই এই জায়গায় পৌঁছাতে পারতো না। তাই তোমার জন্য আমি সামান্য কিছু উপহার কিনেছি ইন্দ্রাণী। তুমি প্লীজ খুলে দেখো এগুলো।”

ইন্দ্রাণী তখনই এক এক করে খুলে দেখলো সব। ইন্দ্রাণী জিনিসগুলো দেখে খুবই অবাক হয়ে গেল। কারণ ওকে আমি প্রায় সব রকমেরই কসমেটিকস কিনে দিয়েছি। আর প্রত্যেকটা জিনিসই নামি ব্র্যান্ডের, ভীষন দামী। ইন্দ্রাণী হয়তো জীবনেও এইসব জিনিস ব্যবহার করার সুযোগ পায়নি। তার ওপর ওই নীল রঙের শাড়িটা দেখে ইন্দ্রাণী তো একেবারে বিষ্ময়ে হতবাক হয়ে গেল। ইন্দ্রাণী অবাক হয়ে আমায় বললো, “এসব কি সমুদ্র দা? এগুলো তো খুবই দামি জিনিস! আপনি আমার জন্য এতো খরচ করতে গেছেন কেন?”

আমি মুচকি হেসে বললাম, “কোথায় দামি ইন্দ্রাণী, তুমি আমার ছেলেকে যেভাবে তৈরি করে দিচ্ছ তার তুলনায় এগুলো খুবই সামান্য জিনিস। তুমি কিন্তু একদম এগুলো ফিরিয়ে দেবে না। তুমি যদি এগুলো নাও তাহলে আমি খুবই খুশি হবো।”

ইন্দ্রাণী এবার মুচকি হাসলো মাথা নিচু করে। তারপর বললো, “ঠিক আছে সমুদ্র দা, আপনি যখন ভালোবেসে আমায় দিচ্ছেন তখন আমি এগুলো না করবো না। আমি নিলাম এই জিনিসগুলো।”

আমি তখন বললাম, “তোমার বেতনও আমি মাসে আরও পাঁচশো করে বাড়িয়ে দিলাম। আর পুজোর জন্য দু হাজার টাকা বোনাস দিলাম তোমাকে। তুমি আরও মন দিয়ে পড়াও আমার ছেলেকে।”



RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - Erotic Lovers - 10-15-2026

পর্ব -৬



দেখতে দেখতে বছর ঘুরে গেল। বুবাই এখন নার্সারি থেকে কেজি ওয়ান এ উঠেছে। অ্যানুয়াল এক্সামেও দারুণ রেজাল্ট করেছে ও। তাছাড়া ইন্দ্রাণীরও গ্রাজুয়েশন এর পড়া শেষ হয়ে গেছে এর মধ্যে। ইন্দ্রাণীকে এখন আমি আমার বাড়ির সদস্যের মতোই ট্রিট করি। ওর সুবিধা অসুবিধার খবর নিই। ইন্দ্রাণীও সবকিছুই শেয়ার করে আমার সাথে। যাইহোক, ইন্দ্রাণীর গ্র্যাজুয়েশন এর রেজাল্ট বেরোলে আমি এবার ওকে জিজ্ঞেস করলাম, “তোমার পড়াশোনা তো শেষ আপাতত, এরপর কী করবে কিছু ভেবেছো?”

ভবিষ্যতের কথা বলতেই ইন্দ্রাণীর মুখে যেন অন্ধকার নেমে আসলো। ইন্দ্রাণী মুখ কালো করে বললো, “এরপর হয়তো চাকরি বাকরির চেষ্টা করবো আমি।”

আমি এবার একটু দরদ দেখিয়ে বললাম, “এখনই চাকরির চিন্তা কেন করছো তুমি ইন্দ্রাণী? তুমি তো পড়াশোনায় ভীষন ভালো! তুমি আরও পড়াশোনা করছো না কেন?”

ইন্দ্রাণী মনখারাপ করে বললো, “আমার নিজেরও তো আরও পড়াশোনা করার ইচ্ছে ছিল সমুদ্র দা, এরপর মাস্টার্স করার ইচ্ছে ছিল আমার। কিন্তু কী করবো বলুন। বাবা অনেক কষ্টে আমাকে এতদূর পড়িয়েছে। এমনিতেও আমার খরচ তো আমিই চালাই, তাছাড়া সংসারেও বেশ ভালোই টাকা দিতে হয় আমাকে। কিন্তু এই অবস্থায় তো আমি আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবো না। কারণ মাস্টার্স পড়তে আরোও বেশি খরচ, আর সংসার চালিয়ে এতো টাকা আমি কোথায় পাবো বলুন!”

ইন্দ্রাণীর এই অবস্থা শুনে আমার মাথায় একটা শয়তানি বুদ্ধি খেলে গেলো। ওই মুহূর্তেই আমি একটা টোপ দিলাম ইন্দ্রাণীকে। আমি বললাম, “ধুর, আমি থাকতে তুমি সংসার চালানোর চিন্তা করছো কেন ইন্দ্রাণী! আমি তো আছিই তোমার জন্য? তুমি যদি আমাকে সুযোগ দাও আমি তাহলে তোমার সমস্ত দায়িত্ব নিতে পারি।”

ইন্দ্রাণী যেন আমার কথাটা ঠিক বুঝতে পারলো না। ইন্দ্রাণী একটু হতবাক হয়েই আমায় জিজ্ঞাসা করলো, “মানে? আপনি ঠিক কী বলতে চাইছেন সমুদ্র দা?”

আমি এবার একটু সোজা হয়ে বসলাম ইন্দ্রাণীর সামনে। তারপর ওর চোখে চোখ রেখে বললাম, “তুমি চাইলে তোমার পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারো ইন্দ্রাণী, খরচের চিন্তা করতে হবে না তোমায়। আমি তোমার সব খরচ চালাবো। তোমার পড়াশোনার সাথে সাথে যত রকমের খরচ আছে সবকিছু আমি চালাবো গো ইন্দ্রাণী! এবার বলো তুমি রাজি কিনা?”

এই কয়দিনে ইন্দ্রাণীর সাথে আমার একটা দারুণ সম্পর্ক তৈরি হয়ে গিয়েছিল। তাই ইন্দ্রাণীর এটা বিশ্বাস করতে একটুও কষ্ট হলো না যে আমি সত্যিই ওর সমস্ত দায়িত্ব নিতে চলেছি। ইন্দ্রাণী আনন্দে সঙ্গে সঙ্গে হঠাৎ করে আমার বুকে ওর মাথাটা রেখে আমায় জড়িয়ে ধরলো। আমার বুকে মাথা গুঁজে ইন্দ্রাণী বললো, “আপনি আমায় বাঁচালেন সমুদ্র দা, আমার খুব পড়াশোনা করার ইচ্ছে ছিল, কিন্তু আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবো না বলে ভীষন মনখারাপ হচ্ছিলো আমার। আজ আপনি আমায় ভরসা দিলেন বলে আমি আবার আমার পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবো।”

কিন্তু সত্যি বলতে গেলে ইন্দ্রাণীর এই কথাগুলো কিছুই আমার মাথায় ঢুকছিল না। কারণ ইন্দ্রাণীর স্পর্শে আমার শরীরে যেন বিদ্যুতের প্রবাহ বইছিল রীতিমতো। উফফফফ.. কি নরম তুলতুলে ইন্দ্রাণীর শরীরটা! যেন একটা মোমের পুতুল আঁকড়ে ধরে রয়েছে আমাকে! আমিও সুযোগ বুঝে ইন্দ্রাণীকে একহাতে আলতো করে জড়িয়ে ধরে অন্য হাতে হাত বোলাতে লাগলাম ওর মাথায়। ইন্দ্রাণীর ঘন কোঁকড়ানো চুলে বিলি কেটে আমি সান্ত্বনা দিতে লাগলাম ওকে। কিন্তু আমাদের এই আলিঙ্গন বেশিক্ষন স্থায়ী হলো না। ইন্দ্রাণী এবার আমার বাহুবন্ধ থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে বললো, “সরি, সমুদ্র দা। আমি আবেশে নিজেকে সামলাতে না পেরে আপনাকে এভাবে স্পর্শ করে ফেলেছি। কিন্তু বিশ্বাস করুন আমার কোনো খারাপ অভিসন্ধি ছিল না। আপনি যে বিবাহিত একথা মাথাতেই ছিল না আমার। আমার ভুল হয়ে গেছে সমুদ্র দা, আপনি কিন্তু কিছু মনে করবেন না প্লীজ।”

আমি খেয়াল করলাম ইন্দ্রাণীর মুখটা লজ্জায় একেবারে লাল হয়ে গেছে পুরো। আমি এবার ইন্দ্রাণীকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য অল্প হেসে বললাম, “না না, খারাপ ভাববো কেন ইন্দ্রাণী, আমি তো জানি তুমি খুবই ভদ্র একটা মেয়ে। হঠাৎ এরকম খবর পেলে নিজেকে ধরে রাখতে না পারাটাই স্বাভাবিক। আমি কিছু মনে করিনি, তুমি নিশ্চিন্তে থাকতে পারো।”

আমার কথা শুনে ইন্দ্রাণী একটু স্বাভাবিক হলো এবার। আমি বললাম, “তোমার কোনো কিছুই চিন্তা করতে হবে না ইন্দ্রাণী। তুমি ভালো করে তোমার পড়াশোনা শেষ করো। তোমার যা যোগ্যতা রয়েছে, তাতে চাকরি বাকরি করার জন্য অন্য কোথাও ছোটাছুটি করতে হবে না তোমাকে। তোমার পড়াশোনা শেষ হলে আমিই তোমাকে আমার কোম্পানিতে একটা ভালো পদের চাকরি দিয়ে দেবো, তাতে তোমার সংসার খুব ভালো করে চলে যাবে।”

ইন্দ্রাণী কৃতজ্ঞতায় মাথা নিচু করে রইলো। তারপর থেকে আমি দেখলাম ইন্দ্রাণী আরও বেশি করে খেয়াল রাখছে আমার ছেলের। আরো বেশি করে যত্ন নিয়ে পরাচ্ছে ওকে। এমনকি ইন্দ্রাণী বুবাইকে রীতিমতো নিজের সন্তানের মতোই দেখতে লাগলো, ওর প্রতিটা খুঁটিনাটি জিনিসের খেয়াল রাখতে লাগলো ও। এমনকি এখন এরকম হয়ে গেছে যে আমার কোনো দরকার পড়লে আমি অনায়াসে ইন্দ্রাণীর কাছে বুবাইকে রেখে চলে যেতাম দরকারে। বাড়িতে বুবাই ওর ম্যামের কাছেই একাই থাকতো। আমার বউ শ্রীপর্ণার অবশ্য এসবে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। এর মধ্যে শ্রীপর্ণার প্রমোশন হয়েছে, কাজের দায়িত্বও বেড়েছে। নিজের কাজ নিয়েই ও ভীষন ব্যস্ত। আমাকে বা আমার ছেলেকে দেওয়ার মতো সময় শ্রীপর্ণার একেবারেই নেই।

এরকম ভাবেই একদিন অফিস থেকে ফিরতে একটু দেরি হয়ে গেছিলো আমার। পিক সিজন চলছে তখন, আমাকেই দেখতে হচ্ছে অনেকটা। তাও ইন্দ্রাণীর সাথে সময় কাটানোর জন্য সাড়ে ছয়টার মধ্যেই বাড়ি চলে আসতাম আমি। কিন্তু সেদিন বাড়ি এসে আমি দেখলাম ইন্দ্রাণী তখনো পড়াতে আসেনি বুবাইকে। লতিকাদির কাছেই বুবাই খেলা করছে তখনও। আমার একটু খটকা লাগলো দেখে। ইন্দ্রাণী এতদিন পরাচ্ছে বুবাইকে, এর মধ্যে একদিনও এরকম দেরি করে আসেনি ও। মাঝে মধ্যে পরীক্ষার প্রয়োজনে ছুটি নিয়েছে ইন্দ্রাণী, কিন্তু তখন ও আগে থেকেই জানিয়ে দিয়েছে যে ও আসবে না। তাও শিওর হতে আমি লতিকা দিকে জিজ্ঞেস করলাম, “কিগো লতিকা দি! ইন্দ্রাণী আজ বুবাইকে পড়াতে আসে নি?”

লতিকা দি এর উত্তরে আমায় বললো, “না দাদাবাবু, দিদিমনি তো আজ পড়াতে আসেনি এখনও। তাই বুবাই সোনাকে নিয়ে আমিই বসে আছি।”

আমি একবার ভাবলাম হয়তো ইন্দ্রাণীর কোনো কাজ পরে গেছে কোনো, তাই আসেনি। কিন্তু পরক্ষণেই কি যেন মনে হলো আমার। ইন্দ্রাণীর ফোন নম্বর আমার কাছেই ছিল। আমি তখনই ফোন করলাম ইন্দ্রাণীকে। দুবার রিং হয়েই ফোনটা রিসিভ করলো ইন্দ্রাণী। ফোনের ওপাশ থেকে কাঁপা গলায় আওয়াজ এলো, “হ্যালো!”

ইন্দ্রাণীর গলাটা শুনেই কেমন যেন লাগলো আমার। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “কি হলো ইন্দ্রাণী, তুমি আজ এলেনা পড়াতে? আর তোমার গলাটা এরকম লাগছে কেন? কি হয়েছে?”

ইন্দ্রাণী ফোনের ওপাশ থেকে কোনরকমে বললো, “আমাকে হঠাৎ করেই একটু হাসপাতালে আসতে হয়েছে সমুদ্র দা। তাই বুবাই কে পড়াতে যেতে পারিনি আমি, আপনাকেও ফোন করে বলা হয়নি কিছু।”

আমি শঙ্কিত গলায় বললাম, “কি হয়েছে তোমার ইন্দ্রাণী? হঠাৎ হাসপাতালে যেতে হলো কেন তোমায়? কি হয়েছে শিগগিরই আমায় খুলে বলো।”

ইন্দ্রাণী এবার কেঁদে ফেললো আমার কথা শুনে। কোনরকমে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাদতে কাদতে ও বললো, “আমার কিছু হয়নি সমুদ্র দা। আমার বাপির..”

আমি উৎকন্ঠিত গলায় বললাম, “কি হয়েছে তোমার বাপির?”



RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - Erotic Lovers - 10-15-2026

পর্ব -৭



ইন্দ্রাণী কাঁদতে কাঁদতেই বললো, “বাপির ব্রেনে টিউমার আছে। অনেকদিন আগেই ধরা পড়েছে। কিন্তু পয়সার অভাবে ভালো করে চিকিৎসা করতে পারছিলাম না। কিন্তু আজ বিকেলেই হঠাৎ অবস্থা খুব খারাপ হতে শুরু করলো বাপির। তাই বাপিকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছি। এখন ডাক্তার বলছে তাড়াতাড়ি একটা অপারেশন করাতে হবে বাপিকে। এদিকে আমার কাছে তো অপারেশন করানোর মতো এতো টাকা নেই! কিন্তু অপারেশন না করলে বাপিকে মনে হয় বাঁচাতে পারবো না। কি করবো কিছুই বুঝতে পারছি না আমি।” ইন্দ্রাণী কান্নায় ভেঙে পড়লো এবার।

আমি ফোনের মধ্যেই ব্যস্ত হয়ে বললাম, “তোমায় কিচ্ছু চিন্তা করতে হবে না ইন্দ্রাণী। আমি এখনি আসছি, আমি থাকতে তোমার বাপির কিচ্ছু হবে না। যা করার সব ব্যবস্থা করবো আমি। তুমি কোথায় আছো শুধু বলো এটুকু।

ইন্দ্রাণী মনে হয় একটা আশার আলো পেলো আমার কথা শুনে। ইন্দ্রাণী কান্না ভেজা গলাতেই বললো, “সিটি হাসপাতাল।”

আমি দৃঢ় গলায় ইন্দ্রাণীকে সান্ত্বনা দিয়ে বললাম, “ঠিক আছে, তুমি আর একটু অপেক্ষা করো ইন্দ্রাণী। আমি এখনই আসছি ওখানে। তোমার বাবাকে অনেক ভালো হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা করাবো আমি।

ফোনটা কেটেই আমি লতিকা দিকে বললাম, “আজ তোমার বাড়ি যেতে একটু দেরি হবে লতিকা দি। আমাকে এখনই হাসপাতাল যেতে হবে। অবশ্য শ্রীপর্ণাকে আমি বলে দিচ্ছি, ও আটটার মধ্যেই চলে আসবে বাড়িতে। তুমি প্লীজ ততক্ষণ বুবাইকে একটু দেখে রাখো। শ্রীপর্না এসে গেলে তবেই বাড়ি যেও তুমি।

লতিকা দি সম্মতি জানালো আমার কথায়। আমি তখন এক মুহূর্তও দেরি করলাম না। ছুটে বাইরে বেরিয়ে আসলাম আমি। তারপর সঙ্গে সঙ্গে আমার পার্সোনাল গাড়ি বের করে ছুটলাম সিটি হসপিটালের দিকে। মাঝে ড্রাইভ করতে করতেই শ্রীপর্ণাকে ফোন করে সবটা বললাম আমি। শ্রীপর্ণা বললো, “ঠিক আছে, তুমি যাও। আমি তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে আসছি আজকে। বাড়িতে আমিই সামলে নেবো বাকিটা।” আমিও নিশ্চিন্ত মনে ড্রাইভ করতে লাগলাম শ্রীপর্ণার কথা শুনে।

হাসপাতালে পৌঁছেই প্রথমে ইন্দ্রাণীকে খুঁজতে লাগলাম আমি। বেশি খোঁজাখুঁজি করতে হলো না আমায়, কেবিনেই বসে ছিল ইন্দ্রাণী। পাশেই একজন মাঝবয়স্কা ভদ্রমহিলা। বুঝলাম, ওটাই ওর মা। আমাকে দেখেই ইন্দ্রাণী ছুটে এলো আমার দিকে। আমি বললাম, “তোমার বাপি কি অবস্থায় আছে?”

ইন্দ্রাণী জলভরা চোখে বললো, “বাপিকে এখন জেনারেল বেডে রেখেছে। টাকা দিলে তবে অপারেশন শুরু হবে।"

আমি ইন্দ্রাণীর হাত শক্ত করে ধরে বললাম, “এখানে টাকা দিতে হবে না, তোমার বাপিকে এখানে রাখবো না। বরং এর থেকে ভালো কোনো জায়গায় অপারেশন করানো ভালো হবে ওনার জন্য। তুমি এসো, এখনই তোমার বাপিকে ডিসচার্জ করতে হবে।"

ইন্দ্রাণী আমার কথার ওপর কোনো কথা বললো না। আমরা তখনই কাউন্টারে গিয়ে ওর বাপিকে ডিসচার্জ করিয়ে আনলাম। এর মধ্যেই ভালোই বিল হয়ে গেছিলো ওদের। আমি সঙ্গে সঙ্গে আমার ক্রেডিট কার্ড দিয়ে পুরো বিল মিটিয়ে দিলাম। তারপর ওখান থেকেই একটা অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে ইন্দ্রাণীর বাবাকে তুলে দিয়ে ওর মাকে বললাম ওনার সাথে থাকতে। ইন্দ্রাণীর মাও যেন বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেছিলো। উনি আমার কথামত অ্যাম্বুলেন্সে উঠে পড়লেন। আমি ড্রাইভারকে বললাম, “মনিপাল এ চলো, আমি আসছি পেছনে।”

আমি আর ইন্দ্রাণী এবার আমার গাড়িতে করে অ্যাম্বুলেন্সের পেছন পেছন আসলাম। তারপর ওনাকে ভর্তি করালাম হাসপাতালে। যেহেতু মণিপাল মাল্টি স্পেশালিটি হসপিটাল তাই গোটা প্রসেসটাই খুব দ্রুততার সাথে সম্পন্ন হলো। ডাক্তার চেকাপ করেই বললেন, এমনার্জেন্সি অপারেশন করতে হবে। ইন্দ্রাণী সঙ্গে সঙ্গে ফর্মে সই করে দিলো। ডাক্তারবাবুরা তখনই ওর বাবাকে অপারেশন থিয়েটারে অ্যাডমিট করে নিলেন। তবে ডাক্তারবাবু আমায় আলাদা করে বললেন, “অনেকটা দেরি করে ফেলেছেন আনতে। লাইফ রিস্ক আছে, তবে আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করবো।” বলে ডাক্তারবাবু ঢুকে গেলেন ভেতরে।

আমি ইন্দ্রাণীকে নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসলাম। মাসিমা মানে ইন্দ্রাণীর মা চিন্তিত মুখে ওয়েটিং রুমে বসে রইলেন। ইন্দ্রাণী আমাকে একা পেয়ে একটু ইতস্তত করে বললো, “এটা তো খুব বড়ো হাসপাতাল সমুদ্র দা। এখানে তো আরোও বেশি বিল হবে মনে হচ্ছে। আমার কাছে তো এই মুহূর্তে এতো টাকা নেই। আমি সামাল দেবো কীকরে এসব?”

আমি এবার ইন্দ্রাণীর দিকে সোজাসুজি তাকিয়ে বললাম, “তুমি এইসব ব্যাপারে কেন চিন্তা করছো ইন্দ্রাণী, আমি তো আছি তোমার সাথে! তোমার বাবার যত বিল হয় সব আমি দেবো। তোমায় এক টাকাও খরচ করতে হবে না।”

ইন্দ্রাণীর মানসিক অবস্থা ভীষন খারাপ ছিল। ইন্দ্রাণী হঠাৎ আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো, “আমার কিচ্ছু ভালো লাগছে না সমুদ্র দা। কিচ্ছু বুঝতে পারছি না কি করা উচিত। আমার বাপি বাঁচবে তো সমুদ্র দা? বাপির যদি কিছু হয়ে যায় তাহলে আমি নিজেকে ঠিক রাখতে পারবো না।” ইন্দ্রাণী ডুকরে কেঁদে উঠলো আমার বুকে মাথা রেখে।

আমিও তখন ইন্দ্রাণীকে নিজের বুকের মধ্যে চেপে জড়িয়ে ওর মাথার চুলে, পিঠে হাত বোলাতে বোলাতে বললাম, “কিচ্ছু হবে না তোমার বাপির, সব ঠিক হয়ে যাবে। তোমার বাপিকে আমি কলকাতার সবথেকে ভালো হসপিটালে নিয়ে এসেছি। তোমার বাপি আর কিছুক্ষণের মধ্যেই বিপদ কাটিয়ে উঠবেন।”

ইন্দ্রাণী আমাকে আরও জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলো সমানে। ইন্দ্রাণী যেন খেয়ালই করেনি যে ও আমায় এতটা দৃঢ়ভাবে জড়িয়ে ধরে রয়েছে। আসলে কোনো অসহায় মানুষ যখন জলে ভেসে যায় তখন সামনে একটা কাঠের গুঁড়ি পেলে সেটাকেও আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চায়। সত্যি বলতে ওই মুহূর্তে আমারও তখন ইন্দ্রাণীর শরীরের প্রতি কোনো টান ছিল না, কিন্তু ইন্দ্রাণীকে আমি মন থেকে ভালোবাসতে শুরু করেছিলাম তখন। তাই সত্যি সত্যিই ইন্দ্রাণীর প্রতি আমার সহানুভূতি প্রকাশ পাচ্ছিলো ওই মুহূর্তে। আমার খালি মনে হচ্ছিলো, ইন্দ্রাণীর মতো এরকম মিষ্টি সুন্দরী একটা মেয়েকে কেন আমি নিজের বৌ হিসাবে পেলাম না। যদি আমি ওকে নিজের স্ত্রী রূপে পেতাম, তাহলে তো আমি রানীর মতো করে রাখতাম ওকে। আমি মনে মনে ভগবানকে প্রশ্ন করতে লাগলাম, “তিনি কি আমায় সুযোগ দেবেন ইন্দ্রাণীকে নিজের স্ত্রী হিসেবে রাখার?”

হঠাৎ ইন্দ্রাণী আমাকে ছেড়ে একটু দূরে সরে গেল আমার থেকে। ইন্দ্রাণী একটু লজ্জিত হয়ে বললো, “আমার মাথার আসলে ঠিক নেই সমুদ্র দা, তাই আমি একটু অসংযত হয়ে পড়েছিলাম এখন। আপনি প্লীজ কিছু মনে করবেন না আমার আচরণে।”

আমি দেখলাম, ইন্দ্রাণীর চোখে তখনও জল চিকচিক করছে। চোখ দিয়ে অনেকটা জল বেরিয়েছে ওর। এমনকি আমার জামাটাও ইন্দ্রাণীর চোখের জলে ভিজে গেছে অনেকটা। আমি তখনই আমার প্যান্টের পকেট থেকে রুমাল বের করে ইন্দ্রাণীর চোখ দুটো মুছিয়ে দিলাম। তারপর ইন্দ্রাণীকে সান্ত্বনার সুরে বললাম, “তুমি এভাবে কেঁদো না ইন্দ্রাণী, সব ঠিক হয়ে যাবে। তোমার আচরনে আমি কিচ্ছু মনে করিনি। তুমি শক্ত হও।”

ইন্দ্রাণী তখন একটু সান্ত্বনা পেয়ে ওর পটলচেরা চোখ দুটো দিয়ে সোজাসুজি তাকালো আমার দিকে। উফফফ.. ইন্দ্রাণীর চোখের দিকে তাকিয়ে আমার সমস্ত ক্লান্তি যেন দুর হয়ে গেল। কি ভীষন মায়া জড়ানো ইন্দ্রাণীর চোখ দুটোয়। আমি ইন্দ্রাণীকে বললাম, “এখানে বসে আর কাঁদতে হবে না তোমাকে। চলো আমরা ওয়েটিং রুমে গিয়ে বসি।” ইন্দ্রাণী সম্মত হলো আমাকে কথায়। আমি, ইন্দ্রাণী আর ওর মা একসাথে গিয়ে বসলাম ওয়েটিং রুমে।

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে টানা অপারেশন চললো। আমরা রীতিমতো টেনশনে। মাসিমা মানে ইন্দ্রাণীর মা চোখ বন্ধ করে ঠাকুরকে ডাকছেন ক্রমাগত। আমরাও তীব্র উৎকন্ঠায় ভুগছি। অবশেষে একসময় ডাক্তার বাবু আমাদের ডেকে পাঠালেন। উনি বললেন, “ও.টি সাকসেসফুল হয়েছে। হি ইস আউট ওফ ডেঞ্জার নাউ। তবে কয়েকদিন রেস্টে থাকতে হবে।”



RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - Erotic Lovers - 10-15-2026

পর্ব -৮




ডাক্তারের কথায় আমার যেন ধরে প্রাণ আসলো। ইন্দ্রাণী আনন্দে আমার হাতটা শক্ত করে ধরে ফেললো আবার। মাসিমাও ডুকরে কেঁদে উঠলেন বিপদ কেটে যাওয়ার আনন্দে। ডাক্তার চলে যাওয়ার পর আমি এবার ভালো করে তাকালাম ইন্দ্রাণীর দিকে। ইন্দ্রাণীকে সাহস দিয়ে বললাম, “আমি বলেছি না সব ঠিক হয়ে যাবে, তোমার বাপি ঠিক সুস্থ হয়ে আসবে। এখন খুশি তো?”

ইন্দ্রাণীর দুচোখে তখন জল। টপটপ করে জল পড়ছে ইন্দ্রাণীর দুচোখ বেয়ে। ইন্দ্রাণী হঠাৎ এবার ঝুঁকে পড়ে আমার পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে বসলো। আমি সঙ্গে সঙ্গে ইন্দ্রাণীকে দুহাতে বুকের কাছে টেনে নিলাম। তারপর সামনে থাকা মহাদেবের মূর্তিটাকে দেখিয়ে ওকে বললাম, “কি করছো কি ইন্দ্রাণী! ঈশ্বরের সামনে তুমি পায়ে হাত দিচ্ছ আমার? আগে ভগবানকে প্রণাম করো তুমি।”

ইন্দ্রাণী তখন জলভরা চোখে বললো, “আজ থেকে আপনি আমার কাছে ভগবানের থেকেও বেশি সমুদ্র দা। আজ আপনার জন্যই আমার বাপি নতুন জীবন পেলো।” আমি সঙ্গে সঙ্গে ইন্দ্রাণীকে আমার বুকে জড়িয়ে ধরে বললাম, “ধুর পাগলী। এগুলো তো আমার কর্তব্য।”

ইন্দ্রাণী তখনো দুহাতে আঁকড়ে জড়িয়ে ধরে রইলো আমাকে। আমি হঠাৎ খেয়াল করলাম, ইন্দ্রাণীকে আমি এতো ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে ধরে আছি কিন্তু ও আমাকে একবারও বাধা দেয়নি এসবের জন্য। বরং আমাকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে আকঁড়ে ধরে রয়েছে ইন্দ্রাণী। দুর থেকে দেখলে যে কেউ ভাববে আমরা প্রেমিক প্রেমিকা। যেন অনেক দিনের রিলেশন রয়েছে আমাদের মধ্যে। আমার মাথায় কেমন যেন একটা খটকা লাগলো। ইন্দ্রাণী আমাকে এতটা সুযোগ দিচ্ছে কেন হঠাৎ! ও কি প্রেমে পরে গেছে আমার?

হঠাৎ আমার চিন্তায় ছেদ পড়লো, কারণ আমি দুর থেকেই দেখলাম ইন্দ্রাণীর মা আমাদের খোঁজে এদিকে আসছে। আমি এবার ইন্দ্রাণীকে আমার বাহুবন্ধ থেকে ছাড়িয়ে এগিয়ে গেলাম ওর মায়ের দিকে। ইন্দ্রাণীর মা বললেন, “ডাক্তারবাবুরা ডাকছেন আমাদের। এখনই যেতে বললেন।” আমরা গেলে ডাক্তারবাবু আমাদের ওষুধপত্র বুঝিয়ে দিয়ে বললেন, ওনাকে আরও কিছুদিন অবজার্ভেশনে রাখতে হবে। তাই অন্য একটা প্রাইভেট রুমে ইন্দ্রাণীর বাবাকে অ্যাডমিট করে দিলেন ওনারা।

এদিকে আমাদের তখনও কিছুই খাওয়া হয়নি টেনশনে। রাতও গভীর হয়ে গেছে। আমি ওদের বললাম, চলুন মাসিমা আমরা কিছু খেয়ে নিই। আমরা নিচে নেমে খাবারের দোকান খুঁজতে লাগলাম এবার। এতো রাতে বেশিরভাগ দোকানই বন্ধ হয়ে গেছে। তবুও দু একটা দোকান খোলা ছিল। আমরা ওখানেই রাতের খাওয়াদাওয়া সারলাম। তারপর হাসপাতালে বাকি কাজকর্ম সেরে আমি ইন্দ্রাণীকে বললাম, “এখানে তো আমাদের আর কিছুই করার নেই। তোমার বাপিও বিপদের বাইরে এখন। ওনাকে অবজার্ভেশন রুমে রাখা হয়েছে আলাদাভাবে। যা করার ওনারাই করবেন। চলো তাহলে আমরা বাড়ি যাই।”

ইন্দ্রাণীর তখন এমন অবস্থা আমি যা বলছি তাই ও শুনছে। ইন্দ্রাণী তখনই রাজি হয়ে গেল আমাদের কথায়। আমি ইন্দ্রাণীকে আর মাসিমাকে ওদের বাড়িতে ড্রপ করে দিয়ে বাড়ি ফিরে আসলাম। ততক্ষনে ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে আকাশে।

দেখতে দেখতে কয়েকদিনের মধ্যেই ইন্দ্রাণীর বাবা একেবারে সুস্থ হয়ে উঠলেন। এর মধ্যে আমিও কয়েকবার গিয়ে দেখে এসেছি ওনাকে, প্রয়োজন মতো জিনিসপত্রও কিনে দিয়েছি। এমনকি হাসপাতালেও ইনফর্মেশন দেওয়া ছিল যে ওনাদের যদি কিছু লাগে তাহলে যেন তখনই দেওয়া হয়, পরে আমি বিল দিয়ে দেবো। তাছাড়া প্রতিদিন ওনাকে দেখতে যাওয়া সম্ভব না হলেও আমি নিয়মিত ইন্দ্রাণীর সাথে ফোনে যোগাযোগ রাখতাম ওনার শরীর ও স্বাস্থ্য নিয়ে। যাইহোক, একটা সময় পর ওনারা বললেন, ইন্দ্রাণীর বাবা এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। ওনাকে হাসপাতাল থেকে যেন ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। আমি তখনই সমস্ত বিল মিটিয়ে ছাড়িয়ে এনেছিলাম ওনাকে।

এইসব কিছু মিলিয়ে আমার প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছিল, কিন্তু আমি ইন্দ্রাণীর থেকে এক পয়সাও নিইনি। কারণ আমার যা রোজগার তাতে পাঁচ লক্ষ টাকা খরচ করা আমার জন্য কিছুই নয়। সবকিছু মিটিয়ে আমি নিজের গাড়ি করে ওদের বাড়িতে ছেড়ে দিয়ে এসেছিলাম। ইন্দ্রাণীর বাবা মা দুহাত ভরে আশীর্বাদ করেছিলেন আমাকে।

সেই ঘটনার পর কয়েকদিন কেটে গেছে। ইন্দ্রাণীর সাথে আমার সম্পর্ক এখন অনেক ক্লোজ। ইন্দ্রাণী এখন শুধু বিশ্বাসই নয়, ভীষন ভরসাও করে আমাকে। আর তার সাথে সাথে বুবাইকেও অনেক যত্ন নিয়ে পড়ায় ইন্দ্রাণী, ঠিক যেন ওর মায়ের মতো। বিষয়টা আমার খুবই ভালো লাগে।

যাইহোক, একদিন আমি বুবাইয়ের জন্য বেশ দামী আর অন্যরকম খেলনা এনেছিলাম একটা। তেমন কিছু ভেবে বা পরিকল্পনা করে কিনিনি, জিনিসটা দেখে ভালো লেগেছিল বলেই কিনেছিলাম জিনিসটা, কারণ আমার মনে হয়েছিল বুবাইয়ের জিনিসটা খুব পছন্দ হবে। বুবাই তখন পড়ছিল ইন্দ্রাণীর কাছে। কিন্তু আমার তো ওদের পড়ানোর মাঝে যেতে কোনো বাধা নেই, তাই বাড়ি ফিরেই আমি সোজাসুজি বুবাইকে গিয়ে দেখালাম ওই খেলনাটা। বুবাই তো জিনিসটা দেখে ভীষন খুশি হলো। বুবাই তখনই জিনিসটাকে খুলে খেলতে শুরু করে দিলো। ইন্দ্রাণী তখন ওকে একটু বকা দিয়ে বললো পড়তে বসতে। কিন্তু বুবাই খেলনাটা দেখিয়ে ইন্দ্রাণীকে বললো ও একটু খেলতে চায় ওটা নিয়ে। যেহেতু নতুন জিনিস আর ওটা দেখে বুবাই এতো আনন্দে ছিল যে ইন্দ্রাণীও বেশি কিছু বললো না ওকে। ইন্দ্রাণী বুবাইকে বললো, ও আধ ঘণ্টা মতো খেলতে পারে খেলনাটা নিয়ে। বুবাই তো আনন্দে আত্মহারা। বুবাই তখনই জিনিসটা নিয়ে খেলতে শুরু করলো। আমি আর ইন্দ্রাণী দুজনেই ওর আনন্দ দেখে হাসতে লাগলাম। একটু পরেই বুবাই ওটা নিয়ে খেলতে খেলতে বাইরে বেরিয়ে গেলো।

এই মুহূর্তে আমি আর ইন্দ্রাণী একেবারে একা বসে রইলাম ঘরের মধ্যে। বুবাই যখন বাইরে বেরিয়েছে ওকে না ডাকলে ও আর আসবে না, তাছাড়া বুবাই বাইরে থাকলেও ভয় নেই, কারণ মেন গেট আমি শক্ত করে আটকেই এসেছি। ফলে বলা যায় আমার আর ইন্দ্রাণীর মধ্যে বিরক্ত করার মতো কেউ রইলো না আর।

কথাটা ভাবতেই আমার শরীরটা শিরশির করে উঠলো। ইন্দ্রাণীকে আমার মনের কথা বলার মতো এর থেকে ভালো সুযোগ আর হয়তো আসবে না। ঈশ্বর জেনে বুঝেই এই সুযোগটা দিয়েছেন আমায়। আমি আর দেরি করতে চাইলাম না। আমি ঠিক করলাম, আমি আজকেই ইন্দ্রাণীকে আমার মনের কথাটা বলবো।

ইন্দ্রাণী ঘরের মধ্যে মাথা নিচু করে চুপ করে বসে ছিল। আমি এবার ইন্দ্রাণীর ঠিক সামনে খাটের ওপর বসে বললাম, “বুবাই তো খেলছে, তুমি নিশ্চয়ই খুব বোর হচ্ছ ইন্দ্রাণী!”

ইন্দ্রাণী হেসে বললো, “না না সমুদ্র দা, আমার বোর লাগছে না। আপনি আছেন তো এখানে।”

ইন্দ্রাণীর কথা শুনে আমার মনটা তো আনন্দে নেচে উঠলো। আমি হেসে বললাম, “ঠিক আছে, তাহলে তোমার সাথে আজ একটু গল্প করলে তোমার কোনো সমস্যা নেই তো?”

ইন্দ্রাণী উত্তরে খিলখিল করে হেসে বললো, “না না কোনো সমস্যা নেই। বলুন না সমুদ্র দা কি বলবেন।”

আমি এবার একটু সময় নিলাম। তারপর ইন্দ্রাণীর দিকে তাকিয়ে একটু লজ্জা পেয়ে বললাম, “তোমাকে একটা কথা বলবো ভাবছিলাম ইন্দ্রাণী, কিন্তু কথাটা কীভাবে শুরু করবো, বুঝতে পারছি না।”

ইন্দ্রাণী একটু অবাক হলো আমাকে এভাবে কথা বলতে দেখে। তবে ইন্দ্রাণী আমাকে অভয় দিয়ে বললো, “এরকম কেন বলছেন সমুদ্র দা! আমি তো আপনাকে আমার খুব ভালো বন্ধু মনে করি, আর বন্ধু তো তার বন্ধুকে সব কথা শেয়ার করতে পারে তাই না! এখানে সংকোচের কি আছে! তাই কোনোরকম লজ্জা বা সংকোচ না করে আমাকে আপনার সব কথাই বলতে পারেন আপনি।”

ইন্দ্রাণীর কথা শুনে ওর অনুমতি পেয়ে আমি এবার মুহুর্তের মধ্যে ইন্দ্রাণীর নরম হাত দুটোকে আমার হাত দিয়ে চেপে ধরে কোনোরকমে ইন্দ্রাণীকে বললাম, “আমার তোমায় খুব পছন্দ ইন্দ্রাণী, আমি তোমায় নিজের করে পেতে চাই, অন্তরঙ্গ ভাবে পেতে চাই তোমায়। দেহ মন সবরকমের ভালোবাসা দিয়ে ভরিয়ে দিতে চাই তোমায়।”



RE: ইন্দ্রাণী তুমি শুধুই আমার (By:Subha@007) - Erotic Lovers - 10-15-2026

পর্ব -৯




ইন্দ্রাণী যেন প্রথমে বুঝতে পারলো না আমি কি বলছি। কিন্তু বুঝতে পেরেই ইন্দ্রাণী মুহুর্তের মধ্যে এক ঝটকায় আমার হাত দুটোকে সরিয়ে দিয়ে রেগে গিয়ে বললো, “ছিঃ ছিঃ ছিঃ সমুদ্র দা! এই ছিল আপনার মনে? আপনি একজন বিবাহিত পুরুষ, এক সন্তানের বাবা। তারপরেও আপনি এইসব করছেন। নিজের ছেলের গৃহ শিক্ষিকার সাথে আপনি অবৈধ সম্পর্কে জড়াতে চাইছেন!”

ইন্দ্রাণীকে এভাবে রেগে যেতে দেখে আমি একেবারে হতবুদ্ধি হয়ে গেলাম। আমার মাথা কাজ করছিল না। আমি কোনোভাবে ইন্দ্রাণীকে বললাম, “আমায় ভুল বুঝো না ইন্দ্রাণী, আগে আমার পুরো বিষয়টা শোনো। আমি আমার জীবনে একদম সুখী নই। আমার বিবাহিত জীবন বলে কিছুই নেই ইন্দ্রাণী। তুমি প্লীজ বিষয়টা বোঝার চেষ্টা করো একটু!”

ইন্দ্রাণী রেগে গিয়ে আমার সামনে বসা অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে বললো, “আমি আপনার কোনো কথা শুনতে চাই না সমুদ্র দা। আমি কল্পনাও করতে পারিনি আপনি এরকম একটা নোংরা মনের মানুষ। আপনার সামনে দাঁড়াতেও আমার গা ঘিনঘিন করছে। আমি আর থাকতে পারছি না সমুদ্র দা। আমি চললাম।” — এই বলেই ইন্দ্রাণী তখনই দরজার দিকে পা বাড়ালো। তারপর ইন্দ্রাণী চৌকাঠে দাঁড়িয়ে আমার দিকে রাগী চোখে তাকিয়ে বললো, “কাল থেকে আমি আর বুবাইকে পড়াতে আসতে পারবো না, বৌদিকে বলবেন ওর জন্য নতুন টিচার দেখে নিতে।”

ইন্দ্রাণীর এই প্রতিক্রিয়া দেখে আমি একেবারে হতভম্ব হয়ে গেলাম। একি বললো ইন্দ্রাণী? ও আর পড়াতে আসবে না বুবাইকে? তাহলে তো আমি আর দেখতে পাবো না ওকে! ইন্দ্রাণীর এই রূপ, যৌবন সবকিছু আমার অগোচরে চলে যাবে চিরকালের মতো। আমি তখনই ছুট্টে গিয়ে ইন্দ্রাণীর একটা হাত ধরে আমার নিজের দিকে টেনে নিয়ে বললাম, “আমার ভুল হয়ে গেছে ইন্দ্রাণী, আমি ভীষণ দুঃখিত এসবের জন্য। আমি বুঝতে পারছি আমার তোমাকে এগুলো বলা একদমই উচিত হয়নি। কিন্তু আমার শাস্তি তুমি আমার ছেলেকে দিও না ইন্দ্রাণী, প্লীজ ওকে পড়ানো ছেড়ো না। তুমি প্লিস কাল থেকে আবার পড়াতে এসো, আমি কথা দিচ্ছি, আমি আর একবারের জন্যও বিরক্ত করবো না তোমায়।”

কিন্তু ইন্দ্রাণী যেন আমার কথা শুনতেই চাইলো না। ইন্দ্রাণী তখনই একটা ঝাঁঝি মেরে আমার হাতটা ছড়িয়ে নিয়ে একটু ঝাঁঝিয়ে আমায় বললো, “আমার হাত ছেড়ে দিন সমুদ্র দা, বাজে লোক আপনি একটা। আপনার মনে যে এই ছিল এটা আমি মোটেই বুঝতে পারিনি, তাহলে আপনার এতো ঘনিষ্ঠ কোনোদিনও হতাম না আমি। ইশ.. আপনার সামনে দাঁড়াতেও আমার খুব ঘেন্না করছে। আপনি যদি এর থেকে বেশি কিছু করেন, আমি কিন্তু সবাইকে বলে দেবো আপনার এই কুৎসিত মনপ্রবৃত্তির কথা।” — এই বলেই ইন্দ্রাণী আমার ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে চাইলো।

ইন্দ্রাণীর কথায় আমি এবার রীতিমতো ভয় পেয়ে গেলাম। ইন্দ্রাণী যদি সত্যি সত্যিই এইসব কথা সবাইকে বলে দেয় তাহলে তো আমার সর্বনাশ হয়ে যাবে! আমার মান সন্মান সব চলে যাবে এই ব্যাপারে। এরপর তো আমি সমাজে আর মুখ দেখাতে পারবো না! আমি আমার ঘরের চৌকাঠে একেবারে পাথরের মূর্তির মতো হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। কোনরকমে আমার মুখ দিয়ে আওয়াজ বেরোলো, “আমার কথাটা একবার শোনো ইন্দ্রাণী...”

এরপর কী হলো আমি জানি না। ম্যাজিক বললেও হয়তো কম বলা হয়। আমি দেখলাম আমায় অবাক করে দিয়ে ইন্দ্রাণী হঠাৎ ছুট্টে এসে জড়িয়ে ধরলো আমাকে। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে ইন্দ্রাণী বললো, “বলুন সমুদ্র দা, কি বলতে চান আপনি?? আমি আপনার সব কথা শুনবো। আমি সব কথা শুনতে চাই আপনার।”

আমি অবাক হয়ে বললাম, “কিন্তু তুমি যে চলে যাচ্ছিলে ইন্দ্রাণী!”

ইন্দ্রাণী আমার দিকে তাকিয়ে বললো, “আপনাকে ছেড়ে আমি যেতে পারি বলুন সমুদ্র দা! আপনাকে অপমানিত করলে ভগবান আমায় ক্ষমা করবে না। আপনি আমাকে যা খুশি বলতে পারেন। আমাকে সবকিছু বলার অধিকার রয়েছে আপনার।”

ইন্দ্রাণীর কথাগুলো যেন আমি বিশ্বাস করতে পারলাম না। আমার মনে হলো আমি যেন স্বপ্ন দেখছি। আমি অবাক হয়ে বললাম, “তুমি আবার রাগ করে চলে যাবে না তো ইন্দ্রাণী?”

ইন্দ্রাণী এবার মুচকি হেসে বললো, “ধুর, ওটা তো আমি নকল রাগ দেখিয়েছিলাম আপনাকে। আপনি বোঝেন না নাকি বলুন তো? আপনার ওপর রাগ করতে পারি আমি?”

ইন্দ্রাণীর কথা শুনে এবার সত্যি সত্যিই আমার মন থেকে সব ভয় কেটে গেল। যাক, এবার আমি অন্তত আমার মনের সব কথা ইন্দ্রাণীকে খুলে বলতে পারবো। আমি এবার ইন্দ্রাণীকে আমার বিছানায় নিয়ে বসলাম আমার মুখোমুখি। ইন্দ্রাণী এবার আমার চোখে ওর সেক্সি চোখ দুটো রেখে বললো, “বলুন সমুদ্র দা কি বলতে চান আপনি আমায়।”

ইন্দ্রাণীর মুখ দেখে আমার মনে হলো ইন্দ্রাণী যেন অনেকদিন ধরেই আমার মুখ থেকে কিছু শোনার অপেক্ষা করে আছে। আসলে আমি প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ইন্দ্রাণীর মনটা পুরো জয় করে ফেলেছি, তাই এই জিনিসটা খুবই স্বাভাবিক আমাদের জন্য। এবার শুধু আমার আকাঙ্খিত ওর সেক্সি শরীরটা জয় করতে হবে আমাকে। তাহলেই ইন্দ্রাণী সম্পূর্ণ রূপে আমার হয়ে যাবে।

আমি এবার ইন্দ্রাণীকে বললাম, “আমার জীবনে অনেক দুঃখ বুঝলে ইন্দ্রাণী। জানি না তুমি কতটা বুঝতে পারবে, কতটা বোঝাতে পারবো আমি তোমাকে।”

ইন্দ্রাণী একটু অবাক হয়ে আমায় জিজ্ঞাসা করলো, “কিসের দুঃখ আপনার সমুদ্র দা? আপনার তো সবই আছে। কোনো কিছুর অভাব নেই আপনার! বাড়ি, গাড়ি, ব্যাংক ব্যালান্স, স্ত্রী, ছেলে। আপনার সংসার তো পুরো ভর্তি! একেবারে পরিপূর্ণ।”

আমি এবার একটু হাসলাম ইন্দ্রাণীর দিকে তাকিয়ে। বললাম, “শুধু এসব দিয়ে কি আর সংসার হয় ইন্দ্রাণী! তুমি অবশ্য ঠিকই বলেছো। বাড়ি, গাড়ি, ব্যাংক ব্যালান্স আমার আছে ঠিকই। এমনকি ছেলেও আছে আমার একটা। কিন্তু আমার স্ত্রী থেকেও নেই ইন্দ্রাণী, আর তাই জন্য আমার মনে হয়, আমার সংসারটাও অপূর্ণ একেবারে।”

ইন্দ্রাণী আমার কথাটা সেভাবে বুঝতে পারলো না। ইন্দ্রাণী একটু অবাক হয়ে বললো, “কেন সমুদ্র দা? বৌদি কি আপনাকে ভালোবাসে না?”

আমি বললাম, “তোমার বৌদি হয়তো ভালোবাসে আমাকে, কিন্তু তার নিজের থেকে বেশি না। ও তো নিজের কেরিয়ার নিয়েই ব্যস্ত! আমার জন্য আর ওর সময় কোথায়! ও তো আমাকে ঠিক করে সময়ই দিতে পারে না। ভালোবাসতে পারে না ঠিক করে। আমি আমার স্ত্রীর প্রেম, ভালোবাসা, যৌনতা সব দিক থেকেই বঞ্চিত ইন্দ্রাণী।”

ইন্দ্রাণী আমার দিকে চুপ করে তাকিয়ে রইলো। আমি বললাম, “আমার বৌ শুধুই নিজের স্বার্থটাই ভালো বোঝে ইন্দ্রাণী। আচ্ছা তুমিই বলোতো! আমার যা মাসিক রোজগার এরপর কি আমার বৌকে কাজে বেরোতে হতো? ওর কি উচিত আলাদা করে নিজের জন্য একটা কেরিয়ার বানানো? আর ওর যদি এতোই টাকা ইনকামের শখ তাহলে ও তো আমার সাথে আমার ব্যাবসায় সাহায্য করতে পারতো। আমার ব্যবসা তো কম বড়ো নয়। আচ্ছা, আমার কথা বাদই দাও, কিন্তু ওর এই কেরিয়ারের জন্য আমাদের একমাত্র ছেলেটাও ওর মায়ের ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হয়। ও সারাদিনে কতটুকু মায়ের ভালোবাসা পায় ইন্দ্রাণী! এভাবে কি সংসার চলে বলো?” আমি এক নিঃশ্বাসে ইন্দ্রাণীকে বলে ফেললাম কথাগুলো।

ইন্দ্রাণী একটু দুঃখিত হলো আমার কথা শুনে। ইন্দ্রাণী এবার আমায় শান্তনা দেওয়ার জন্য বললো, “আপনার কথা গুলো শুনে খুবই খারাপ লাগলো সমুদ্র দা। কিন্তু এখানে তো কিছু করার নেই আপনার! আচ্ছা, আমি কি আপনাকে কোনোভাবে সাহায্য করতে পারি সমুদ্র দা?”

ইন্দ্রাণীর মুখে এই কথাটা শোনার পর আমি যেন একটা আশার আলো দেখতে পেলাম। আমি ওকে বললাম, “তুমি আমাকে সাহায্য করতে পারবে ইন্দ্রাণী? তুমি কি সাহায্য করতে চাও আমাকে?”

ইন্দ্রাণী আমার প্রশ্নের উত্তরে বললো, “আমি জানি না আপনাকে আমি কতটা সাহায্য করতে পারবো সমুদ্র দা। তবে এটুকু কথা দিতে পারি আপনি আমার জন্য এই দেড় বছরের মধ্যে যা যা করেছেন তার জন্য আপনি যদি আমার প্রাণটাও চেয়ে নেন সেটাও আমি হাসতে হাসতে দিয়ে দেবো।”