মা আর ছারপোকা (By:Bokachele) -
Bad Boy - 10-20-2026
১. ছারপোকা আসছে:
কমলাপুর রেল স্টেশনের পাবলিক বেঞ্চে বসে আছি কতক্ষণ হলো তার হিসাব নেই, অথচ ট্রেনের আসার কোনো নামগন্ধ নেই। শালা জীবনটাই একটা যন্ত্রণা। আবাসিক কলেজে বিছানায় ছারপোকার কামড়ে যেমন বিশ্রী জ্বালা হয়, ঠিক তেমনই একটা খিটখিটে যন্ত্রণা হচ্ছে মনের ভিতর।
আমি রানা। নাখালপাড়ার একটা আবাসিক কলেজের একাদশ কেলাসের ছাত্র। আমি পড়ালেখায় খুব ভালো—তাই এই আবাসিকে থাকি, এ কথা ভাবলে কিন্তু ভুল করবেন। আসল কথা হলো, আমার আব্বা ক্লাস টেনে উঠে বখে গিয়েছিলেন। তাই আর মেট্রিক দেওয়া হয় নাই। সেই জেদের ঠেলায় উনি আমাকে নবম কেলাসে ওঠার পরই জোর করে এই ঢাকার আবাসিকে এনে রেখে গেছেন।
তবে আজকের ব্যাপারটা অন্যরকম। পকেটে হাত দিয়ে দেখি বাড়ি যাওয়ার পর্যাপ্ত টাকা ভালোভাবে আছে। সালটা ২০১০, আমার হাতে আব্বার কুয়েত থেকে পাঠানো এক বন্ধু দিয়ে যাওয়া একটা নোকিয়া E5 মোবাইল। আব্বা কুয়েত থেকে টাকা আর এই মোবাইলটা পাঠিয়েছিলেন বাড়ি যাওয়ার জন্য। সামনেই কোরবানির ঈদের ছুটি, কলেজ একেবারে ১৫ দিনের বন্ধ। অনেক দিন পর এই বন্দিশালার কড়া নিয়ম আর রুটিনের চাপ থেকে মুক্তি পেয়ে সোজা খুলনার গ্রামের বাড়ির দিকে যাচ্ছি।
কোরবানির ঈদের ছুটির কারণে ট্রেনের ভেতরটা ছিল একেবারে গাদাগাদি মানুষে ঠাসা। জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ়ের অসহ্য ভ্যাপসা গরম, তার ওপর কামরার ভেতর ফ্যান ঘুরলেও বের হচ্ছিল আগুনের মতো বাতাস। গায়ের জামাকাপড় ঘামে ভিজে একদম চটচটে হয়ে শরীরের সাথে সেঁটে ছিল। পকেটে হাত দিয়ে নোকিয়া E5 সেটটা বের করলাম। এর কোয়ার্টি কিপ্যাডে আঙুল চালিয়ে বারবার সময় দেখছিলাম আর স্নেক গেম খেলে মন ভুলানোর চেষ্টা করছিলাম, কিন্তু অতিরিক্ত গরমে মাথার রগ ফুলে যেন বমি আসার মতো অবস্থা হচ্ছিল।
ট্রেনটা যখন ঈশ্বরদী জংশনে এসে অন্তত মিনিট ১৫-এর মতো থামল, তখন আর সহ্য করতে না পেরে একটু ফ্রেশ বাতাসের আশায় নোকিয়া E5-টা পকেটে পুরে ট্রেন থেকে নিচে নেমে এলাম। প্ল্যাটফর্মে নেমেই দেখি এক লোক খাঁচাভর্তি ডাব নিয়ে বসে আছে। গলার ছাতি একদম কাঠ হয়ে আসছিল। পকেট থেকে টাকা বের করে একটা ডাব কাটতে বললাম। ডাবওয়ালা দা দিয়ে কোপ মেরে কচি ডাবের পানিশুদ্ধ হাতে দিতেই এক নিঃশ্বাসে তা গিলে খেলাম। পেটের ভেতর ঠাণ্ডা পানিটা পৌঁছাতেই যেন শরীরে প্রাণ ফিরে এলো।
তারপর ট্রেনে উঠে বাকি বিচ্ছিরি জার্নিটা কোনোমতে সহ্য করে অবশেষে যখন খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছালাম, তখন ক্লান্তি যেন ভেঙে পড়ছিল। ট্রেন থেকে নেমে হুলস্থুল ভিড় ঠেলে স্টেশন চত্বরে এসে পৌঁছালাম। প্ল্যাটফর্মে এসে পকেট থেকে নোকিয়া E5 বের করে মায়ের নম্বরে কল করলাম।
ফোনটা ধরতেই ওপাশ থেকে মায়ের হাঁপ ধরা গলায় বলে উঠলেন, "ও রানারে! নেমে গেছিস বাপ? আমার তো চিন্তা হতে হতে বুক শুকিয়ে যাচ্ছিল! কতবার যে তোর আব্বারে কুয়েতে ফোন দিয়ে বলতিছিলাম, ছেলেটা রওনা হলো কি না খোঁজ নাও! রাস্তাঘাটে ভিড় কেমন? কিছু খাইছিস বাপ?"
মায়ের সেই একঘেয়ে চিন্তার ঝুড়ি খুলে বসা কথাগুলো শুনে বুকের ভেতরটা ভারী হয়ে এলো। আমি রিকশায় বসেই হাসিমুখে বললাম, "সব ঠিক আছে মা, ঈশ্বরদীতে নেমে ডাব খেয়েছিলাম, পেট ভরা আছে। তুমি ভাবিও না, আর আধা ঘণ্টার মধ্যে আমি বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছি।"
ওপাশ থেকে মায়ের তৃপ্তির একটা দীর্ঘশ্বাস শোনা গেল, "আচ্ছা বাপ, সাবধানে আয়। তোর জন্য তোর পছন্দের হাঁসের মাংসটা আর গরম ভাত রান্না কইরা রাখছি। আসার সময় রাস্তার মোড় থেকে মিষ্টি বা অন্য কিছু কেনা লাগবে না, সোজা বাড়ি চলে আয়।"
ফোনটা কেটে নোকিয়া E5-টা পকেটে রেখে স্টেশন পার হয়ে সোজা চলে এলাম নিরালার মোড়ে। নিরালার সামনে বেশ কিছু ব্যাটারিচালিত রিকশা দাঁড়িয়ে ছিল। এক চালকের সাথে দরদাম করে একটা রিকশায় ব্যাগটা তুলে উঠে বসলাম। রিকশাটা যখন নিরালার পিচঢালা পথ ছাড়িয়ে গ্রামের মেঠো রাস্তা আর খালের ধার ঘেঁষে এগোতে লাগল, তখন সাঁঝের খোলা বাতাস সরাসরি এসে গায়ে লাগল। দুপাশের সবুজ ধানক্ষেত আর মেঠো গন্ধ পেরিয়ে রিকশা আমাকে বাড়ির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। পকেটে রাখা নোকিয়া E5-এ কিছু ছবি তুলে রাখলাম এই সুন্দর প্রকৃতির। কানে হেডফোন লাগিয়ে গুরুর "তেরো নদী - সাত সমুদ্দুর" গান ছেড়ে দিয়ে শান্ত হয়ে বসলাম। ঢাকার কড়া নিয়ম আর ট্রেনের সেই নারকীয় জার্নি পেছনে ফেলে অবশেষে নিজের গ্রামে পৌঁছানোর আনন্দটা যে কী, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।
আমাদের পরিবারের সদস্য সংখ্যা বাবা, মা, আমি, ভাই আর বোনসহ মোট ৫ জন। আমি সবার বড়—নাম রানা। আমার চেয়ে ছোট ভাই রাজু, সে এখন গ্রামে ক্লাস ফোর এ পড়ে, আর সবার ছোট বোন রুমা, তার বয়স মাত্র দুই বছর। আমার আব্বুরা চার ভাই ও চার বোন, সবাই বিবাহিত। তবে আমি ছোটবেলা থেকে জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই দেখে আসছি আমরা সবাই যার যার মতো আলাদা, একদম একক পরিবার। দাদা-দাদি দুজনই অনেক আগে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। আমার বাবা ছিলেন দাদার ৬ নম্বর সন্তান।
আমরা একই ভিটায় থাকি বটে, তবে চার ভাইয়ের সংসার সম্পূর্ণ আলাদা। উঠানটা একটাই হলেও চাল-ডাল আর হাঁড়ি-পাতিল একদম ভিন্ন। বাড়িতে মোট চারটে আলাদা রান্নাঘর। তবে গ্রামের মানুষগুলো এখনও বেশ সহজ-সরল আর ধার্মিক, আধুনিকতার হাওয়া আমাদের চালচলনে খুব একটা লাগেনি। আমাদের দাদার আমলের মূল বাড়িটি বেড়া আর দোতলা বিশিষ্ট টিনের চাল দিয়ে তৈরি। সেই ভিটার জমিটাই চার ভাগ করে একেকজন দুটো করে ঘর নিয়ে থাকেন।
বাড়ির একদম সামনের দিকে থাকেন বড় জেঠা, তাঁর পরেই মেঝো জেঠা, তারপর সেজো জেঠা, আর সবার শেষে গিয়ে আমাদের বসতি। আমাদের ঘর আর রান্নাঘরটা ঠিক বাড়ির একদম শেষ সীমানায়, প্রায় বাঁশঝাড় আর ঘন জঙ্গলঘেঁষা জায়গায়। পেছনে জঙ্গল বলে দিনের বেলাতেও ওদিকটায় বেশ ঠাণ্ডা একধরনের ছায়া পড়ে থাকে। তবে আব্বার দূরদর্শিতায় আর মায়ের দিনরাত এক করা পরিশ্রমে আমাদের অংশের সুবিধা অনেক। ঘরের সাথেই রয়েছে নিজস্ব চাপকল আর পাকা বাথরুম, ফলে রাতের বেলা বা দরকারের সময় বাড়ির বাইরে অন্ধকার জঙ্গলের দিকে বা অন্যের ভিটায় যেতে হয় না।
আজ আমাদের এই গুছানো রূপটা কিন্তু একদিনে হয়নি। একসময় আব্বার দেশে যা আয় ছিল, তা দিয়ে সংসারের খরচ আর আমাদের পড়ালেখা চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। বাধ্য হয়েই আজ থেকে প্রায় সাত বছর আগে আব্বা কুয়েতের পথ ধরেন। বাবা যখন প্রথম বিদেশে যান, তখন আমার বয়স মাত্র ১১ বছর আর ছোট ভাই রাজুর বয়স ছিল ৪ বছর। সেই থেকে আব্বা টানা পরবাস খাটছেন—প্রতি দুই বছর পর পর মাত্র দুই মাসের ছুটি নিয়ে দেশে আসেন।
বিদেশে আব্বার যেমন হাড়ভাঙা খাটুনি, ঠিক তেমনই দেশে তিনটে সন্তানকে একা হাতে সামলানো আর সংসার গুছিয়ে রাখার পেছনে মায়ের পরিশ্রমটাও কম ছিল না। আব্বা প্রবাসে যাওয়ার পর থেকে মা একাই সংসারের সব ঝড়ঝাপটা সামলেছেন। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত হাঁস-মুরগি পোষা, রান্নাবান্না, ছোট দুটো ভাই-বোনকে সামলানো আর আমার পড়াশোনার দেখভাল—সব মা এক হাতেই করে গেছেন। আব্বা কুয়েত থেকে যে টাকা পাঠাতেন, মা তা তিল তিল করে জমিয়ে আর হিসাব করে খরচ করে সংসারের রূপটাই বদলে দিয়েছেন।
আজ আমাদের ঘরে যেটুকু স্বাচ্ছন্দ্য দেখছেন, তার সবটুকুই আব্বার গায়ের ঘাম রক্ত পানি করা কষ্ট আর মায়ের এই নিঃশব্দ ত্যাগের ফসল। কুয়েত থেকে পাঠানো টাকা দিয়ে মা নিজ তদারকিতে ঘরটা শক্তপোক্ত করিয়েছেন, সাথেই চাপকল আর বাথরুম বসিয়েছেন। এমনকি আমাদের বাড়িতে এখন সরকারি বিদ্যুৎ সংযোগও আছে। গ্রামের দিকে হরহামেশাই লোডশেডিং হয় বলে আব্বা দেশে এসে চালের ওপর একটা সুন্দর সৌর বিদ্যুতের (সোলার প্যানেল) ব্যাটারিসহ সেটআপও বসিয়ে দিয়ে গেছেন, যা মা প্রতিদিন পরম যত্নে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রাখেন। ফলে কারেন্ট চলে গেলেও আমাদের ঘরে এমার্জেন্সি লাইট আর ফ্যান ঠিকই চলে, অন্ধকার নেমে আসে না।
আজ এত বছর পর, সেই কুয়েতের রোজগারে কেনা নোকিয়া E5 মোবাইলটা পকেটে নিয়ে যখন নিরালার মোড় থেকে রিকশায় চেপে বাঁশবাগান আর মেঠো পথ ধরে বাড়ির দিকে এগোচ্ছি, তখন মনে হচ্ছিল—আব্বার দূরদেশের রক্ত পানি করা কষ্ট আর মায়ের এই পরম মমতাময় সংসার সামলানোর ত্যাগের কারণেই আজ আমি এমন একটা নিবিড়, আলোকিত ও শান্তির নীড়ে ফিরে যেতে পারছি।
রিকশা থেকে বাড়ির উঠানে পা রাখতেই চারপাশের চেনা ঘ্রাণ আর মেঠো হাওয়া যেন আমাকে জড়িয়ে ধরল। কুয়েতের টাকা আর মায়ের পরিশ্রমে গড়ে তোলা আমাদের সেই ছোট্ট গুছানো ঘরের দাওয়ায় পা দিতেই মা দৌড়ে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। এতদিন পর মায়ের সেই পরম মমতাময় পরশ পেয়ে বুকের ভেতরের সব ক্লান্তি আর ঢাকার কড়া নিয়মের যন্ত্রণা এক লহমায় উধাও হয়ে গেল।
পায়ের শব্দ শুনে ঘর থেকে ছুটে এলো ছোট ভাই রাজু আর পিছু পিছু হেঁটে এলো দুই বছরের ছোট বোন রুমা। রাজু ক্লাস টু-তে পড়ে, আমার এই হঠাৎ বাড়ি ফেরায় তার আনন্দের যেন সীমা নেই! সে একগাল হেসে ব্যাগ ধরে টানাটানি শুরু করে দিল। আর ছোট বোন রুমা প্রথমে একটু লাজুক চোখে দূরে মায়ের শাড়ি ধরে দাঁড়িয়ে তোতলা মুখে চেয়ে রইল—যেন ঢাকা থেকে কোনো নতুন অচেনা মেহমান এসেছে!
হাত-মুখ ধুয়ে রান্নাঘরের পাশে গিয়ে বসতেই মা প্লেটে গরম ভাত আর আমার প্রিয় হাঁসের মাংস বেড়ে দিলেন। কতদিন পর যে এমন পেট পুরে তৃপ্তি নিয়ে খেলাম, তা বলে বোঝানো যাবে না। খাওয়ার সময় পাশে বসে রাজু একের পর এক প্রশ্ন ছুড়ে দিচ্ছিল—ঢাকা শহর কেমন, আবাসিক কলেজে কী খেলা হয়, আর তার জন্য কী এনেছি! রাজুর কথা শুনে রুমাও মিষ্টি হেসে তোতলা মুখে কী যেন বলার চেষ্টা করছিল।
খাওয়া-দাওয়া শেষ করে মা বললেন, "বাপ, এবার জেঠা-জেঠীদের সালাম করে আয়। বাড়ি ফিরেছিস, দেখা দিয়ে আসা ভালো।"
মায়ের কথা মতো উঠান পার হয়ে একে একে বড় জেঠা, মেঝো জেঠা আর সেজো জেঠার ঘরে গেলাম। বড় জেঠা মাথায় হাত রেখে দোয়া করে দিলেন, জেঠীরাও খোঁজখবর নিলেন—পড়াশোনা কেমন চলছে, ঢাকার কড়া নিয়মে কোনো কষ্ট হচ্ছে কি না। সবার ঘর ঘুরে, সালাম ঠুকে আর কিছুক্ষণ টুকটাক কথা বলে আবার আমাদের ঘরের দিকে ফিরে এলাম। ঘরে ঢুকে খাটে পা ছড়িয়ে বসতেই রাজু আর রুমা আবার এসে আমাকে ঘিরে ধরল। রুমা সব লজ্জা ভুলে আমার কোলজুড়ে এসে বসল আর রাজু খাটে পা তুলে বসে বায়না ধরল গল্প শোনার।
এবারে বাগ থেকে ওদের জন্যে আমার বন্ধুর নিয়ে আসা সব কিছু এক এক করে খুলে দিলাম। রাজুর জন্যে কয়েকটা জমা, রুমার জন্যেও। আর কিছু সাবান শ্যাম্পু, লোশন। মা বললো " তোর আব্বা ৫০ হাজার টাকা পথাইসে। ২০ হাজার কোরবানির জন্যে, তোর বড় জেঠারে দিয়ে দিসি। সংসারের হবে ১৫ হাজার আর তোদের সবার জন্যে ৫ হাজার করে ঈদের বাজার করতে বলসে।" আমি বললাম "তাইলে আপনের জন্যে?" মা একটা হাসি দিয়া বললো "আরে কুরবানির ঈদে আমি আর কি কিনমু?" আমি "না তাইলে আমিও কিছু কিনুম না", মা আবার হাসি দিয়া বললো "আচ্ছা দেখা যাক।"
সন্ধ্যা নেমে আসতে আমাদের টিনের চালে থাকা সৌর বিদ্যুতের আলোটা পুরো ঘরকে বেশ সুন্দর উজ্জ্বল করে তুলল। পকেট থেকে আব্বার কুয়েত থেকে পাঠানো সেই নোকিয়া E5 সেটটা বের করে নকিয়ার গেমটা চালু করতেই রাজু আর রুমা দুজনই মন্ত্রমুগ্ধের মতো ফোনের রঙিন ডিসপ্লের দিকে চেয়ে রইল।
বাঁশঝাড়ের পাশ থেকে ঠান্ডা বাতাস ঘরে আসছে। আব্বার দূরদেশের কষ্ট আর মায়ের দিনরাত এক করা পরিশ্রমে গড়ে ওঠা এই শান্ত নীড়ে ছোট ভাই-বোনের এমন নিষ্পাপ হাসি দেখে মনে হলো—ঢাকার কড়া নিয়ম আর ট্রেনের সেই নারকীয় জার্নির সব ক্লান্তি যেন মুহূর্তেই ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার হয়ে গেল।
আমি বোনকে কোলে তুলে নিলাম। দু’বছরের রুমা ছোট্ট নরম দুটো হাত দিয়ে আমার গলাটা জড়িয়ে ধরে কাঁধে গালটা ঠেকাল। এতক্ষণ যে অচেনা ভাবটা ছিল, আমার বুকের ওমে এসে সেটা যেন এক নিমেষে গলে জল হয়ে গেল। ওর গা থেকে একটা মিষ্টি ছোট বাচ্চার ঘ্রাণ আসছিল।
আমি খাটে বসে রুমাকে কোলে চেপে ধরে একহাতে পকেট থেকে নোকিয়া E5 ফোনটা বের করলাম। লাল-নীল কোয়ার্টি কিপ্যাডের আলো জ্বলতেই রাজু কাছে সরে এসে আমার উরুতে চড়ে বসল।
"ভাইয়া, এই মোবাইলটা আব্বা পাঠাইছে না? এতে কি গেম আছে?"—রাজুর চোখে যেন কৌতূহলের ফোয়ারা ফুটল।
আমি ফোনের মেনু খুলে স্নেক গেমটা চালু করে রাজুর হাতে দিলাম। ৯ বছরের রাজু একদম মনোযোগ দিয়ে বাটন টিপে সাপটাকে খাবার খাওয়াতে লাগল, আর কোলে বসা রুমা ছোট ছোট আঙুল বাড়িয়ে ফোনের স্ক্রিনটা ছুঁতে গিয়ে খিলখিল করে হেসে উঠল।
বাইরে তখন বাঁশঝাড় বেয়ে সাঁঝের অন্ধকার নেমে এসেছে। কিন্তু আমাদের ঘরে টিনের চালে থাকা সৌর বিদ্যুতের ডাবল টিউবলাইটটা জ্বলতেই চারপাশটা আলোয় ঝলমল করে উঠল। গ্রামের অন্য সব ঘরে কারেন্ট চলে গেলে যখন অন্ধকার বা কুপি বাতি জ্বলত, তখন আব্বার কুয়েত থেকে পাঠানো টাকায় বসানো এই সোলার প্যানেলটার বদৌলতে আমাদের ঘরটা এমন উজ্জ্বল হয়ে থাকত।
মা রান্নাঘর থেকে কাজ শেষ করে ঘরে ঢুকে এই দৃশ্য দেখে মৃদু হেসে বললেন, "তিন ভাই-বোনের মেলবন্ধন তো ভালোই জমেছে! রানা, সারাদিনের ধকলে তুই ক্লান্ত, ভাই-বোনকে নিয়ে বেশি রাত করিস নে, তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়িস।"
ছোট দুটি ভাই-বোনের এই অনাবিল আনন্দ আর সোলারের আলোয় আলোকিত শান্ত ঘরটার দিকে তাকিয়ে আমার মনটা এক গভীর তৃপ্তিতে ভরে গেল। মনে হলো—ঢাকার বন্দিশালা, ট্রেনের সেই দুর্বিসহ ধকল আর সারা রাস্তার সব ক্লান্তি যেন এই দুটি নিষ্পাপ মুখ আর ঘরের উষ্ণ আলোয় হারিয়ে গেল।
রাতে আমরা সবাই এক খাটেই ঘুমালাম। মা দেখি একটু পাশ ফিরে বোনকে বুকের দুধ দিতেসে। মার শরীরটা বেশ হইসে। আমার মনে পড়ে গেল আমার তখন অল্প বয়স, আব্বা কুয়েতে কোলে গেছে মাত্র। তখনও রাজু মার দুধ খায়। এক রাতে আমি বায়না ধরি আমিও দুধ খামু। মা হাসতে হাসতে মরে গেলো। কিন্তু আমি ছিলাম নাছোড়... কান্নাকাটি করতে লাগলাম।
RE: মা আর ছারপোকা (By:Bokachele) -
Bad Boy - 10-20-2026
২. ছারপোকা ঘরে
মা আমাকে অনেক বোঝাতে চেয়েছেন, বললেন:
মা: ছি বাবা, তুই বড় হয়ে গেছিস। মার দুধ কি আর খাওয়া যায়? আর তুই ঝাল বেশি খাস, তুই মার দুধ খাইলে রাজুর তো ঝাল লাগবো। তহন কি হইব... চিন্তা কর।
আমি: আইচ্ছা আমি পানি দিয়া কুলি কইরা অহি, তাইলে আর লাগবো না রাজুর ঝাল।
মা আবার হাসতে লাগলো। এরকম নানা বাহানায় আর আমার কান্না কাটিতে মা পেরেশান হয়ে এক পর্যায় আমারে প্রায় বাধ্য হয়েই বুকের দুধ দেয়। আমি মারে জড়াইয়া ধইরা দুধ খাই। অনেক দিন খাইসি। আমি যখন মার ওলান এর বোঁটায় মুখ লাগাইয়া চোষণ দিতাম, মাঝে মইধ্যে মায় দেখতাম কোকাইয়া উঠতো উঃ আঃ আসতে চোষ, আর বইলাই আমারে তার বুকের মইধ্যে ভইরা নিতো। দেখতাম মায় আমার দুই পা তার শাড়ির মধ্যে নিয়া পেচাইয়া নিয়া আমার মাথায় চুমু দিয়ে দিয়ে আমার মাথা তার দুধের ভিতরে আরো ঢুকিয়ে বলতো "আমার সোনা বাপ, খা মন ভইরা খা" । এখন বুঝি মা তখন ভোঁদার রস খোসাইতো আমারে জাপটাইয়া।
যাক, আজকে দেখি মায় আমারে পাশ দিয়ে অন্য পাশে রুমাকে দুধ দিচ্ছে। আমি প্রায় কয়েক বার ম্যাগি লাগাইছি ইংলিশ রোডের এক হোটেলে। বংসালের সেই হোটেল টার সেই দুই দিন ছিল আমার এক স্মরণীয় দিন। আমি এখনও দ্বিতীয় মেয়েটারে ভাইবা হাত মারি। সে কি এক মাল ছিল। মেয়েটার নাম ছিল আশা। তার দুই দুধ ছিল বিশাল। কোমর ছিল অনেক চিকন, একটু শ্যামলা বরণ গায়ের রং আর পড়া ছিল সাদা রঙের সালোয়ার আর কামিজ। আমি যেন পাগল হয়ে যাই। ৩০০ টাকা দিয়া এক শর্ট মারি। আর কি বলি, সেই যে আরাম আর মজা পাইছি, আমি ভোঁদার জন্যে পাগল হয়ে থাকি। ভোঁদার ভেতরে ধণ ভরে, আর দুই হাতে দুধ খাঁমচে ধরে কোমর দিয়ে কোপানোর মজাই আলাদা। আচ্ছা ঠিক সেই মুহূর্তে দুধ চুষে চুষে ভোঁদার ভেতরে ধণ ঢুকানোর কি রকম মজা হতে পারে? সাথে সাথে লাল ডিম লাইটের আলোয় মার পাশ ফিরে রুমা রে দুধ দেয়ার দিতে তাকিয়েই মায়ের চেপ্টা কোমর এর পাহাড় দেখে আমার ধণ লুঙ্গির ভেতর ফট করে তাতিয়ে উঠলো। দেখি রাজু মোবাইল মাথা পাশে রেখেই মুখ হালকা হা করে গভীর ঘুমে। আমি আমার কোমর আর ফোলা পাস দেখে হঠাৎ ভাবলাম, ইস মা তার ওই বড় বড় দুধ রুমার খাওয়াচ্ছে, আরে আমি যদি একবার খেতে পারতাম আর মার দুই দুধ একবার টিপতে পারতাম........ একসময় মনে হলো ...ছি.. ছি.. আমি আমার মায়ের নিয়া কি ভাবতাছি? আবার ভাবলাম, সেই ছোট বেলায় মায় তো আমারে দুধ চোসাইয়া ভোঁদার পানি খোসাইত, তাইলে আমি ভাবলে ক্ষতি কি??
আমি লুঙ্গির ভিতরে হাত দিয়া আসতে আসতে হাত মারতে লাগলাম। খুব আস্তে আস্তে, যাতে মায় না বোঝে। মনে কু বুদ্ধি। মার সাথে কথা কমু আর হাত মারমু। উত্তেজনায় আমি বেঁহুশ। একবার আসতে করে মারে ডাক দিলাম। মা দেখি বলে উঠলো
মা: কিরে তুই ঘুমাস নাই?
আমি: না মা ... ঘুম আহেনা।
মা: কেন রে? সারা দিন এতো দৌড়ঝাঁপ কইরা এহনও ঘুম আসেনা কেন? মনে হয় বিছানা বদলাইসে তো তাই।
আমি: (আস্তে আস্তে হাত মারতে মারতে) মা রুমা এহনও দুধ খায়?
মা: হো... কেন?
আমি: না এমনি... আইচ্ছা মা আপনের মনে আসে রাজু যখন দুধ খাইতো, তখন আমিও খাইতাম।
মা: ছি বাপ, ওই সব সরমের কথা। তুই এখন বড়, অনেক বড়, কলেজে যাইস। এহন মার লগে এই সব কথা কওয়া সরম।
আমি মার এই সরম কথা শুইনা একেবারে উত্তেজনায় পাগল হইয়া গেলাম। কি উত্তেজক... মার সাথে তার দুধ খাওয়া কথা বলতে বলতে হাত মারা। আমি আর পারলাম না, ধণ লুঙ্গির উপর দিয়া ধইরা খেঁচতে লাগলাম। দুই চোখ বন্ধ করে আহ্ আহ্ করে মাল বের করে দিলাম। আমি যেন আর এই পৃথিবীতে নাই। দুই চোখ বুজে মাথার চারপাশে তারা ঘুরা ঘুরি করছে অনুভব হলো। হঠাৎ গায়ে একটা হালকা ধাক্কা পেলাম, আর একটা আস্তে করে আওয়াজ...
"রানা... রানা.... ওই কি করিস... তুই এইসব... রানা"
আমি চোখ খুললাম। আমার ধণ লুঙ্গির উপর দিয়া ধরা। মাল বাইর হইয়া লুঙ্গির অনেকটাই ভিজা। হঠাৎ মনে হলো আমি কি করছি.... ভাবতেই হাতে ধণ ধরেই উঠে বসলাম। মা দেখি আমার দিকে তাকিয়ে। আমি লজ্জায় ধণ আর লুঙ্গি ছেড়ে দিলাম। সাথে সাথে আমার দুই রানে একাকার হয়ে গেলো মালে। মা কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে বলে উঠলো...
মা: ছি ... ছি... তুই এই সব কি কর্তাসোস.... এই হইলো শহরে পড়ার নমুনা। হয় রে সব মাটি আমার, তোর বাপের কষ্ট সব শেষ। আমি ভয়ে লজ্জায় মাথা নিচু করে রাখলাম। মা দেখি কান্না শুরু করেছে। আমি আর সাত পাঁচ না ভেবে এক অনিচ্ছা সত্ত্বেও অনুশোচনা নিয়ে কাত হয়ে শুয়ে পড়লাম। আমি শুতেই দেখি মা আমার প্রায় কানের কাছে মুখ এনে বলছে...
মা: ওই রানা... শয়তান... যা যা কল পাড়ে যা, গোসল করে আয় আর এই লুঙ্গি ভিজাইয়া রাখ। আমি চুপ করে থাকলাম। মা দেখি আবার বলছে... কিরে ওই কি বলি... যা... না পাক শরীর নিয়া খাটে থাকতে নাই। যা কইতাসি...
আমি আর কিছু না বলে, সোজা উঠে কলপাড়ে গিয়া লুঙ্গিটা একপাশে খুইলা রাইখা একেবারে নেংট হইয়া গেলাম। আগেই বলেছি আমাদের চাপকল আর সাথে বাথরুম সব বাসার ভেতরই, তাই বাইরে থেকে কেউ দেখার টেনশন নাই। আমি কল চেপে চেপে বালতি তে পানি ভরবো এই ভাবছি, আর ভাবছি কি হলো এটা?? মা তেমন একটা বকাবকি করলো না কেন?? এটা তো মার একটা প্রায় নাটক ছিল!! হ্যাঁ ঠিক তাই, কিন্তু কারণ টা কি?? ভাবছি আর চাপকলে এক চাপ দিতেই বুঝলাম কামসারছে, কলে হওয়া ধরছে, এখন কলের মুখে পানি দিয়ে চাপতে হবে... তবেই পানি আসবে। আশেপাশে দেখলাম, কোথাও পানি আছে কিনা। না নাই। হঠাৎ মার গলা শুনলাম পিছে।
মা: কলে হওয়া ধরছে, খারা পানি অন্তাছি। হায় হায়... কিরে তোর কি লাজ সরম সব গেছে ঢাকায় থাইকা? দামড়া বেড়া নেন্টো হইয়া আসে। আমি আমার ধণ দুই হাত দিয়া ঢেকে বললাম...
আমি: লুঙ্গি তো নষ্ট এর ভিজা তাই খুইলা রাখছি। আর আপনি আসবেন টা কি আমি জানি?
মা: না তুই টা জানবি না... কি সব আকাম কুকাম শিক্ষা আইসে ঢাকা থেইকা.... হায়রে....
বলেই মা ঘরের ভিতরে চলে গেলো। আমি দুই হাতে ধণ ঢেকে ঠাঁই দাঁড়িয়ে। একটু পরে মা আসলো হাতে এক পাতিল পানি। মা বললো...
মা: এই চাপকলের ওয়াসার বদলাইতে হইব। আইজ ২দিন থেইক্কা এইরকম করতাসে। সকাল বেলা মিয়া ভাইরে কইয়া বশির মিস্তিরিতে ডাকতে হইব।
দেখি মায় এসে আমার পাশে দাঁড়িয়ে। আবার বলল...
মা: ওই তুই কলের মুখটা হাত দিয়া বন্ধ কর, আমি গোড়া দিয়া পানি ঢালী। আমি তবুও ধনের উপর থেকে হাত সরালাম না। আমি মার মুখের দিকে তাকিয়ে দেখলাম। মা বুঝলো আমি কি বলতে চাইছি। মা বলে উঠলো...
মা: (একটু ফিক করে হাসি দিয়ে) হইসে আর সরম পাইতে হইব না। মার কাছে পোলা সব সময় ছোড ই থাকে। আমি ও একটু হেসে আমার দুই হাত ধণ থেকে সরিয়ে কলের মুখে ভালো করে দুই হাত দিয়ে বন্ধ করলাম, না কলের গোড়ায় আস্তে আস্তে পানি ঢালতে লাগলো। আমি একটু নুয়ে পড়ে কলের মুখে হাত চেপে আছি, তাই আমার ধণ একেবারে বিচী সহ নীচে ঝুলে আছে। আমার ধণ আমার মতে অনেক বড়। আমি আমার আরও দুই বন্ধুর ধণ হাতে নিয়া দেকসি। ওদের ধণ আমার প্রায় অর্ধেক। আর ওই আশা মেয়েটারে করার সময় ও বোলসে তোমার ধণ অনেক বড়, আমার ভোঁদার ফাইটা যাইতাছিলো। যাক বর্তমানে ফিরি....
আমি মনে প্রাণে কলের মুখে চাইপা আছি। হঠাৎ আমি মার মুখের দিকে তাকালাম। দেখি মা আমার ধনের দিকে তাকিয়ে হা করে আছে। দুজনের চোখাচুখি হতেই দুজনেই চোখ সরিয়ে নিলাম। মা একটু মিস্কি হাসি দিয়া বললো...
মা: তরে তো তাড়াতাড়ি বিয়া দিতে হইব। আমি কিছু না বলে চুপ করে রইলাম। মা পাতিলের সব পানি কলের গোড়ায় ঢেলে দিয়ে, এবার আস্তে আসতে কলের হাতলে চাপ দিতে লাগলো। দেখলাম কলের মুখে দিয়া পানি পড়তাছে। মা এবার বললো নে বালতি টা পাত আর তুই মগ দিয়া গায়ে পানি দে। আমি বললাম....
আমি: মা আপনে যান, আমি এবার পারমু।
মা: আইচ্ছা, তাড়াতাড়ি শরীরে পানি ঢাইলা আয়, বেশি পানি দিস না। আবার জ্বর ঠান্ডা লাগবো। বলেই মা চলে যেতে লাগলো। আমি আস্তে করে বললাম...
আমি: মা গামছা টা দিয়েন। মা দেখি কিছু না বলেই চলে গেলো। বুঝলাম মা আমাকে অনেকটাই তাচ্ছিল্য করেছে। যাক কি আর করা, হাত মারি যেই মজা পাইসি, তাতে এইসব ডাল ভাত। আমি একমনে গায়ে ঠান্ডা চালকলের পানি ঢেলে যাচ্ছি আর শরীর ঘষছি। জ্যৈষ্ঠের শুরু, এর গরমে বেশ আরাম হচ্ছে। হঠাৎ দেখি মায়ের গলা....
মা: কিরে এখনও পানি ঢালিশ?
আমি: না মা গায়ে অনেক ময়লা, তাই ঘষছি।
মা: থাক এই রাইত কইরা আর ঘোষা ঘোষি করতে হইবোনা। কাইল দুপুরে আমি তরে গা ডইলা গোসল করাইয়া দিমু। এইবার খেমা দে। নে গামছা নে, তাড়াতাড়ি আইসা সুইয়া পড়। বলেই দেখি মা আমার ধনের দিকে একবার আড় চোখে তাকিয়ে ঘরের মধ্যে চলে গেলো। আমি সারা গা মুছে গামছা পড়ে ঘরের মধ্যে আসলাম। আমার ব্যাগ থেকে একটা লুঙ্গি আর সান্ডু গেঞ্জি নিয়ে পড়লাম। বালিশ এ মাথা কি লাগাবো... হঠাৎ মার বলে উঠলো...
মা: সুন কাল থেইক্কা তুই তোর ঘরেই থাকিস। এইখানে চাপাচাপি হয়। আমি মনের মধ্যে একটা আঘাত পেলাম। মানে না আমাকে তার সাথে এক বিছানায় শুতে চায়না, এই তো.... ওরে আমার সতী নারী.... আমি আমার এক মরণাস্রো প্রয়োগ করলাম। আমি বেশ জানি আমার মা কতটা সতী মহিলা। আমি মা কে বললাম...
আমি: মা... মিলন মামা কি ছুটিতে আসছে দেশে??
আমার মায়ের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল। মা একেবারে ভীষণ খেয়ে আমার দিকে ফিরে বললো....
মা: মিলন... নাতো আমি জানি না... কেন তোর কাছে ফোন দিস নাকি?
আমি: না মা, এমনই। ৮/৯ বছর আগে উনি প্রায় আসতো, এখন সৌদি চলে গেছে, দেশে আসলে এখানে আসে নাকি তাই জিজ্ঞাস করলাম আরকি।
মা: না... ওর খবর জানি না। যোগাযোগ নাই।
আমার মা এর চাচাতো ভাই আমার মিলন মামা। আমার মার থেকে প্রায় ৬/৭ বছরের ছোট। অনেক দিন আগের কথা:
মিলন মামা তখন আমাদের কাছের খুলনা শহরে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স পড়ত। হলেই থাকত। প্রায় আমাদের বাসায় এসে দুপুরে ভাত খেয়ে যেতো। আব্বা উনাকে খুব স্নেহ করত। মাস্টার্স এর স্টুডেন্ট আর আব্বা উন্ডার মেট্রিক, আর আমার আম্মা ইন্টার ফার্স্ট ইয়ার পড়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। তাই শিক্ষিত সালাকে আমার আব্বা একপ্রকার ভালোই বাসতো।
দুর্ভাগ্য কাকে বলে... রাজনীতিতে জড়িয়ে মামলায় গ্রেপ্তার হন মিলন মামা। আর তাই উনার আব্বা জামিনে বের করে সৌদি পাঠিয়ে দেন। তবে এখানে আমার মারণাস্ত্র একটু ভিন্ন।
একদিন আমার কলেজে হাফ ছুটি দেয় এক স্যারের মারাত্মক এক্সিডেন্ট হওয়াতে। তাই দুপুর ২টা এর বদলে বাসায় প্রায় সকল ১০ টায় আসি। আমার সব চাচা আর জেঠারা আমাদের সও মিলে। আব্বা তখন মংলায় মাছের ব্যবসা করে। মেঝ আর বড় জেঠি গেছে আমার বড় দিদির জামাই বাড়ি ছোট চাচা কে নিয়ে। আর ছোট চাচি তখন প্রায় ৭/৮ মাসের প্রেগন্যান্ট, শরীর খুব খারাপ থাকে, তাই তার ঘরেই সুয়ে থাকে। আমি একটা নারিকেলের পাতা দিয়ে হাত ঘড়ি বানাতে বানাতে ব্যস্ত। কাঁধে কলেজের ব্যাগ নিয়ে প্রত্যেকদিন বাড়ি এসে আমাদের ঘরের মূল দরজায় দাঁড়িয়ে আমার পাছা দিয়ে ধাক্কা দেই, আর তাতে দরজা আস্তে করে খুলে যায়। একবার চিল্লাইতে চিল্লাইতে ঘরে ঢুকি আর আমার ছোট ভাই ঘুম থেকে উঠে কান্না করে, সেই কি কান্না। আব্বা অনেক মারসে আমারে ওই দিন রেণ্ডীর ডাল দিয়ে। সারা জীবন মনে থাকবো। তাই আমি আর বাসায় আসলে আওয়াজ করিনা।
তো পাছা দিয়ে দরজা ধাক্কা দেই, দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। আমি চিল্লাইতে ও পারিনা। দেখি জানালা দিয়া, রাজু ঘুমায়। রুমে মা নাই। তাইলে দরজা বন্ধ কেন। ওঃ... মানে মা গোসল করে। আমি আর কি করি, দুয়ারের সামনে সিঁড়িতে বসে হাত ঘড়ির বাকিটা শেষ করছি। হঠাৎ মনে হলো আরে আমি তো আজকে মিঠুর বসা থেকে চাচা চৌধুরী আর সাবুর নতুন কমিক টা আনতে যাওয়ার কথা। হায় হায়... কি করলাম? সিদ্ধান্ত নিলাম এখনই যেতে হবে। আম্মা তো জানে না আইজ ইকলেজ আগে আগে ছুটি। যাক মনে আর আনন্দ ধরে না। তবে এই ব্যাগ.... ভাবলাম পাশে আমার ঘরের জানালার একটা সিক বাঁকা। পাল্লা ও ঠিক মতো আটকায় না। ওটার পাশেই আমার পড়ার টেবিল। টেবিলে ব্যাগ টা রেখেই যাই। ভেবেই... আমি আস্তে আস্তে আমার রুমের পাশে এসে দেখি জানালা বন্ধ। আশ্চর্য... এই জানালা আবার বন্ধ কেন? ওঃ মা তো গোসল করে, তাই বিড়াল যাতে না আসে তাই। আমি আমার কায়দা মত ডান পাশের পাল্লা হালকা নিচ থেকে উপরে ধাক্কা দিতেই ফক করে জানালার ডান পাল্লাটা খুলে গেল। দেখি আমার খাটে মার উপরে মিলন মামা সোয়া, আর মার শাড়ি কোমর পর্যন্ত উঠানো। মিলন মামা শুধু সেন্ডো গেঞ্জি গায়ে। মা আর মিলন মামার পুরো পাছা দেখা যায়। মামা দেখি মার দুই পা এর গোড়ালি তার দুই হাতে ধরে মার দুই পা দু দিকে ফাঁক করে রেখে তার কোমর মার পাছায় নিয়ে দোলাচ্ছে। তখন বুঝি নি, কি হচ্ছে। আমি ঠিক এই পজিশনে প্রত্যেক মেয়েকে একবার করি, সত্যি এই পজিশনে অনেক মজা। যাক তারা তখন দৌড়ে উঠে যায়। আর মা আর মামা আমাকে বোঝায় যে মায়ের পায়ে অনেক ব্যথা তাই মামা মায়ের পায়ে মালিশ করছিল। নানা বাহানায় তারা আমাকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে নেয়। আমার অল্প বয়স, আর সাদা মনে কাদা নাই, আমিও তাদের বুঝ বুঝলাম। তবে মজার ব্যাপার হলো সন্ধ্যার সময় আমি আবিষ্কার করি আমার খাটের নীচে একটা সাদা বেলুনে ভরা সাদা সাদা আঠালো জিনিস। আব্বা সেই রাতে অনেক রাতে বাড়ি ফেরে। আমি জিনিসটা মাকে দেখাতেই, মা হায়রে এই তেল ই তো দিচ্ছিল তর মামা বললো মা। আমি মার হাতে দিয়ে দিলাম জিনিস টা। এই সব কিছু বুঝলাম আমি ঢাকায় গিয়ে।
যাক আবার বর্তমানে ফিরি:
আমি অনেকটা শক্তি আর সাহস নিয়ে মাকে বললাম -
আমি: না মনে, এখন আপনের পায়ে ব্যথা হলে কে তেল মালিশ করে?
মা নিশ্চুপ, একটু শব্দ নাই । আমি আবার বলতে শুরু করি...
আমি: হায়রে... আমারে দিয়া কণ্ডম ধরাইয়া, বলে কিনা মালিশের তেল।
মা দেখলাম এবার আমার দিকে ঘুরে শুলো, আর আস্তে আস্তে বললো:
মা: তুই কি বলতে চাস খোলসা করে বলদেখি?
আমি: খোলসা করে বলার কিছু নাই। আমি কি বলি তার আপনি সব জানেন।
মা: (অনেক্ষণ চুপ থেকে) বাবা জোয়ান কালে মানুষে অনেক ভুল করে, আর তুই এইসব মনে রাকসিস আজও? দেখ... তুই আজ কি করলি... আমি কি তোর কিসু বোলসি..?
আমি: না বলেন নাই, আর বলতে রাখেন ও নাই। আর জোয়ান বয়স... ঠিকই আজ আমি জোয়ান, আমার টা না হয় বুঝলাম, কিন্তু আপনে কেমনে পারলেন ২ ছেলের মা তখন আপনে, আর আব্বাও তখন বাড়ি থাকতো.... আপনে কেমনে পারলেন?
মার মুখে কোন জবাব নাই। আমি উঠে বসলাম। বললাম...
আমি: কাল থেকে কেন... আমি আজ থেকেই আমার ঘরে গিয়া সুইতেছি।
RE: মা আর ছারপোকা (By:Bokachele) -
Bad Boy - 10-20-2026
৩. ছারপোকার কাম
-
বলেই আমি উঠে বসে খাট থেকে নেমে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলাম। মা বলে উঠলো...
মা: আচ্ছা থাক তুই এই খাটেই শুইস। আর এতো রাতে তাল বাহানা করতে হইব না।
আমি: কি তাল বাহানা...
মা: তো তাল বাহানা না তো কি...?
আমি: (একেবারে নির্ঝরঝায় বললাম) আমি দুধ খামু।
মা: এতো রাইত করে দুধ পামু কই? কাইলকা হাসির মারে বইলা তোর জন্যেও আধা কেজি দুধ রাখমু। রাজুর জন্য তো আধা কেজি রোজ রাখি।
আমি: না, আমি আপনের দুধ খামু।
মা: আর না দিলে কি করবি?
আমি: কিসু না।
মা দেখি ভ্যাবাচেকা খেয়ে গেলো। আমার এই অবস্থা দেখে মা বললো....
মা: কিছু না... তাইলে আর কি। যা তোর যেখানে মন চায় গিয়া শো।
আমি রাগ করে উঠে যেতেই দেখি মা আমার সাথে উঠে গিয়ে আমার হাত ধরল। বললো....
মা: সুন বাবা আমি বুঝি তুই কি চাস, কিন্তু কথা দে শুধু দুধ আর কিছু না।
আমি যেন আকাশের চাঁদ হাতে পেলাম। বললাম ....
আমি: না মা শুধু দুধ ই খাবো, আপনে যদি না দেন তেল মালিশ করবোনা।
মা: ওরে শয়তান... না বাবা মায়ে আর পোলায় এইসব করেনা। তুই দুধ খা।
আমি মার একটা দুদে হাত দিলাম, হালকা একটা চাপ দিলাম। দেখি মায় কিছু বলে না। আমার চেহারার দিকে তাকিয়ে বলল চল খাটে চল। বলেই মা রাজুর পাশে গিয়ে বসে শাড়ির আঁচল সরিয়ে ব্লাউজের বোতাম খুলতে লাগলো। আমার ধণ ঠাটিয়ে গেল সটান করে। একবার লুঙ্গির উপর দিয়ে ধণ মুঠ করে ধরে মার পাশে খাটে গিয়ে বসলাম। দেখি মা শুধু ব্লাউজের বোতাম খুলে আঁচল সরিয়ে আমার দিকে মুখ করে সুয়ে পড়ল। আমি মার ডান দুদের গোড়া মানে মার বগলের নিচ থেকে আমার বা হাত দিয়ে আসতে আসতে চাপ দিতে দিতে দুদের বোটার পর্যন্ত নিয়ে দুদের বোঁটায় দুই আঙুল দিয়ে একটা চাপ দিলাম। দেখি পিচকারি দিয়ে দুধ বেরিয়ে আমার লুঙ্গিতে পড়ল। মা কিছু বললো না। আমি মার কানের কাছে মুখ নিয়ে বললাম....
আমি: মা ব্লাউজ টা পুরো খোলেন।
মা: একটু বিরক্ত হয়ে.... কেন থাক না?
আমি: না খোলেন।
মা আবার বসে তার পুরো ব্লাউজ টা খুলে রাজুর মাথার পাশে রাখলো। আমি আর পারলাম না। আমার মাথাটা বাকিয়ে মার বিশাল ডান দুধ টাতে মুখ বসিয়ে চুষতে লাগলাম। সাথে সাথে মিষ্টি দুদের স্বাধে আমার মুখ ভরে গেল। আমি মায়ের বা দুধ টা ধরে মায়ের উপরে সুয়ে পড়লাম। মা আমার ঠাটানো ধণ ঠিক টের পাচ্ছে, যা তার পেটে গুতো দিচ্ছে। আমি কতক্ষণ দুধে মুখ লাগিয়ে আরেকটা টিপতে টিপতে মার পেটের উপর চোদার মতো ধাক্কা দিতে দিতে দুধ খাচ্ছি। খেয়াল হলো আমার ধণ শক্ত লোহা, আর মা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। আমি হঠাৎ মার কে বলে বসি....
আমি: মা একবার তেল মালিশ করি?
মা: হায় হায়.... না বাবা... না... তুই কথা দোসিস...
আমি: আমি তাইতো আপনারে বলতেসি, দেখেন এইটা... বলেই আমার লৌহ দণ্ড টা লুঙ্গির ভেতর থেকে তুলে ধরি মার মুখের সামনে। মা দেখি বলেই চলছে...
মা: না না.... বাবা
আমি: একবার শুধু আজকে একবার... নাইলে আমি এখন মরে যাব।
মা: না বাবা, ওই খানে দেওয়ার দরকার নাই, দে মা হাত দিয়া বাইর কইরা দেই।
আমি: না... কেন....? নিজের ছোট ভাইরে দেন... কিসু হয় না... আর আমি চাইলে... সমস্যা...??
মা: আমি কি কইসি সমস্যা, তুই বুঝ আমার মাসিক চলতাছে, তাই।
আমি: না আমি আপনারে বিশ্বাস করি না। আমি দেখমু।
মা: না আমি কইসি না। আচ্ছা ২/৩ দিন পরে, তুই যা চাস তাই দিমু
আমি: না, আমি একবার দেখমু।
মা: কি দেখবি তুই?
আমি: দেখি আপনে কাপড় রাখসেন কিনা ওইখানে।
মা: তুই এতসব কি করে জানিস?
আমি: সব জানি আমি, কই দেখি.... বলেই আমি মার শাড়ি পা থেকে কোমরের দিকে উঠাতে লাগলাম। মা ঠিক বসে পড়ল আর আমার আস্তে করে বললো....
মা: বিশ্বাস কর, আমার মাসিক চলতাছে, কিন্তু আমি কাপড় রাখি নাই
আমি: না... আমি সব বুঝি.... বলেই আমার সব শক্তি দিয়ে মাকে খাটে শুইয়ে তার শাড়ি কোমর পর্যন্ত উঠিয়ে দুই হাঁটু ফাঁক করলাম। দেখি একেবারে ফর্সা মোটা এক মাংশালি ভোঁদা। একটু বাল নাই। মানে ২/১ দিন আগে কামানে। আমি বুঝলাম, ২)১ দিন আগেই মার মাসিক বন্ধ হইসে, তাই ভোঁদা পরিষ্কার করছে। আমি মার চেহারার দিকে তাকালাম, মা বুঝলো আমি তার অভিনয় বুঝে গেছি। আমি আর দেরি না করে আমার ঠাটানো ধনের মুন্ডিটা মার ভোঁদার মুখে লাগিয়ে হালকা চাপ দিতেই মুন্ডিটা পোচ করে ভোঁদার ভিতরে ঢুকে গেলো। মা দেখলাম আহ্ করে উঠলো।
আমি এবার একটু উঠে মায়ের ফাঁক করে রাখা দুই হাঁটুর নিচ দিয়ে আমার দুই হাত নিয়ে মার দুই হাঁটু তার দুই কাঁধের বরাবর নিয়ে গেলাম। আমার মা তেমন মোটা না, তাই তার কোন কষ্ট হলো না। আমার ধণ এর মুন্ডি তখনও মায়ের ভোঁদার ভেতর ভরা। আমি আমার কোমর উঁচিয়ে রেখেই, মায়ের দুই পাশের কোমরের কাছে আমার হাঁটু নিয়ে মার বা গালে একটা কামড় দিয়ে ধরে এক ধাক্কায় ভোঁদার ভিতরে চালান করে দিলাম আমার ধণ। মা দেখি আআহ করে চিলইয়া উঠলো। আমি দেখলাম আমার ধণ যেন পর পর করে ঢুকে গেল মার ভোঁদার ভিতরে।