পর্ব:০৫
দীপ্তি এক মায়াবী সুন্দরী, (বয়স ৩৫) বুড়ো থেকে তার ছেলের বয়েসি কচি ছোকরা গুলো হা করে তাকিয়ে থাকে তার রুপ যৌবন দেখে। যেমন তার শরীরের গঠন তেমন তার মায়াবী পোদঁ (পাছা)।দীপ্তির চিকন কোমর যতাকে আকর্ষণীয় করে তোলে পুরুষদের কাছে। গুদের কথা বর্ণনা করে শেষ হবেনা, কি ভোদা মায়রি , দীপ্তির গুদের (ভোদার) গোলাপি ঠোঁট দুটো সবচেয়ে বেশি দৃষ্টিকর, ঠোটের দুই পাপঁড়ি দেখার মতো ,দেখলেই পাঠকদের চাটতে আর চুষে খেতে মনে চাইবে সিউর আমি। স্তনের কথা আর কি বলবো, আগের চেয়ে একটু বড় হয়েছে , খাড়া খাড়া বোটা দুটো খুব টান টান, স্বামী তার স্তনের উপর অনেক দুর্বল ছিল , তেমন হয়েছে তার একমাত্র ছেলে , সেও কম না বাবার থেকে, মায়ের স্তনের দুধ অনেক বছর খেয়েছে সে, এমন মা কয়জনের ভাগ্যে জোটে, এটা তার ছেলের সৌভাগ্য বলতেই হবে, ছেলে-বাবা মিলে দুধ খেয়ে খেয়ে অনেক বছর দীপ্তির স্তন চটকিয়েছে।
আট বছরে দীপ্তি আগের চেয়েও অনেক সুন্দরী হয়েছে, সে তার শারীরিক ও মানসিক দুটোই খেয়াল রাখে। তার একমাত্র ছেলে সৃষ্টিকর্তার কাছে অনেক বড় পাওয়া ছিল। তার স্বামী শারীরিক ভাবে কেমন তা পাঠকেরা ভালো করেই জানেন, দীপ্তিকে শারীরিক সুখ দিলেও অনির্বাণ কখনোই যৌন মিলন করতে পারতো না সে খুবই দুর্বল, লিঙ্গের মাল বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারতো না। অনেক কষ্টের ফলে জন্ম হয়েছিল তার একমাত্র রাজকুমার তা আপনারা আগেই পড়েছিলেন। তাই দীপ্তি নিজের জীবনের চেয়েও বেশি তার ছেলেকে ভালোবাসে। ছেলে তার সব , এই আট বছরে দীপ্তি নিজের সুখ বিলিয়ে দিয়েছে তার ছেলের জন্য , কয়জন মা পারে এটা। দীপ্তি কখনোই পরকিয়া নামক শব্দটা পছন্দ পছন্দ করতো না। ছেলে- স্বামী কে কখনোই কষ্ট দিতে চাইতো না, দীপ্তি এক পবিত্র গৃহবধূ, স্বামী - সন্তান তার কাছে ভালোবাসার এক মায়াবী বন্দন।অনির্বাণ আগের চেয়েও এখন দুর্বল, আগের মত দীপ্তিকে শারীরিক বা যৌন কোনটাই দিতে পারে না, দীপ্তি কখনোই তার স্বামীকে দোষারোপ করতো না, কপালে এটাই হয়তো লেখা ছিলো , অনেক ডাক্তার কবিরাজ দেখিয়ে ও কাজ হয়নি। দীপ্তি খুবই কামুকে মেয়ে যা পাঠকদের চিন্তার বাইরে, যৌন কামনা তার শিরাঁয় শিরাঁয়, যৌন কমনা সকলের রয়েছে দীপ্তি তার ব্যত্রক্রম না, দীপ্তির একমাত্র সম্বল তার বাথরুম তার শারীরিক যৌন কামনা ওখানেই করে থাকে কখন বিছানায় এগুলো করে না দীপ্তি। আমরা এখন যেটা চিনি যেমন প্লাস্টিক বা রাবারের বাড়া (ধোন) এগুলো দীপ্তি কখনোই চিনতো না, তার একমাএ প্রিয় দুটি সঙ্গী হলো শঁশা বেগুন যা দিয়ে দীপ্তি যৌন ক্ষুদা মিটাতো , কখন কখন আসল বাড়ার(ধোনের) স্বাদ নিতে মনে চাইতো, তখনি স্বামী সন্তানের কথা মনে পড়ে যেতো, তখনি আসহায় এর মতো দু চোখেঁর পাতা এক করে বেগুন শশা নিজের হাতে তার গুদের (ভোদার) গদন চালাতে থাকতো।
-----------------------------
দীপ্তির খুব সখ ছিলো একটা ফুট ফুটে বাচ্চা মেয়ে নিবে তার গর্বে কিন্তু তা আর সম্ভব হলো না তার স্বামীর জন্য, যখন ভাবতো খুব কষ্ট হতো।
দীপ্তি মাঝে মধ্যে খুব চিন্তায় থাকতো, তার একমাত্র রাজকুমারকে নিয়ে। ছেলে কি তার বাবার মতো হবে, শারীরিক দুর্বলতায় ভুগবে তার স্বামীর মতো।
দীপ্তি : না এ কি ভাবছি ভগবান, আমার একমাত্র ছেলে, তার উপর আমার ভরসা আছে , সে পারবে পুরুষের মতো পুরুষ হতে, আমার দৃঢ় বিশ্বাস আছে ছেলের উপর।
দীপ্তি কখনোই তার ছেলেকে দুর্বল মনে করতো না , তার ছেলে খুবি বুদ্ধিমান এবং লেখাপড়া পারদর্শী।
ছেলেকে মানুষের মতো মানুষ করে গড়ে তুলবে এটাই দীপ্তির চাওয়া পাওয়া, নিজের সুখ দুংখ ছেলেকে বিলিয়ে দিতে এক পা ও পিছু হবে না দীপ্ত। ছেলেকে তার মতো তৈরি করতে যা করার সবটা দীপ্তি করতে পরবে। ছেলের এখন বুঝার বয়স হয় নায় দীপ্তি তাই মনে করে, ছেলের যেকোন আবদার দীপ্তি পুরন করে। দীপ্তি আরো ভাবতে লাগলো স্বামী তাকে যৌন মিলনের সুখ দিতে পারলো না, এমন স্বামী করো যেন না হয় ,
ছেলে কি আদো বাবার মতো হয়েছে , না মোটেই না। অনির্বাণ লিঙ্গ মাত্র ২ ইঞ্চি যা কোন কাজের না, ভবিষ্যতে কি হবে?
দীপ্তির ছেলে অরণ্য শিশুবেলা থেকেই তার লিঙ্গ একটু বড় ছিলো সেটা আপনারা আগেই পড়েছিলেন। অরণ্যের মাঝে মধ্য বাথরুম বা হিসু করতে গেলে ভাবতে থাকে আর দেখতে থাকে তার লিঙ্গ, দেখার মতো হয়েছে প্রায় ৬ ইঞ্চি লম্বা। ইকলেজে বন্ধু জুটিয়েছে কিছু , বন্ধুদের থেকেও তার লিঙ্গ লম্বায় অনেক বড় , বন্ধুরা তাকে হিংসা করে তার লিঙ্গের জন্য।
অরণ্যের এ ব্যাপারে তার মা সবি যানে তার ছেলের লিঙ্গ স্বাভাবিকের চাইতেও বড়। ছেলেকে দীপ্তি এখন গোসল করিয়ে দেয় লেংটো করে , এটা স্বাভাবিক দীপ্তির কাছে , ছেলেকে কখন খারাপ বা কামনা নজরে দেখে নি, মা হয়ে ছেলেকে কামনা করা যা ধর্মীয় পাপ, যা কোনভাবেই সম্ভব না। মা-ছেলের পবিত্র ভালোবাসা যা দীপ্তি সম্মানের সাথে পালন করে, ছেলে তার কাছে রাজকুমার।
মা-ছেলের বন্ধন এখনো একি রকম আছে, " শুধু দুধ খায় না " মজা করলাম পাঠকদের সাথে (সরি)
------------------------------------------
অনির্বাণের বয়স অনুযায়ী শরীর খুবই দুর্বল, শহরে তার দোকান আছে। নিজ বাড়িতে আসা জাওয়া সপ্তাহে শুক্রবার, কিন্তু দীপ্তিকে আর তৃপ্ত দিতে পারে না। কিছুদিন যাবৎ অনির্বাণ ভাবছিলো তার একার পক্ষে দোকান সামলানো সম্ভব না, একজন লোক রাখা তার খুব জরুরি, কি করবে কোথায় পাবে বিশ্বস্ত লোক? ভাবতে লাগলো অনির্বাণ।
অনিবর্ন : একবার গিন্নিকে বলে দেখবো কি বলে সে।
আজ বৃহস্পতিবার নিয়ম অনুযায়ী দোকান বন্ধের পালা, অনেক কষ্টে দোকানটা বন্ধ করে বাড়ির পথে হাটতে লাগলো অনির্বাণ। যাওয়া আসা প্রায় ঘাড়িতে ১ ঘন্টার মতো লাগে, ঘাড়ি থেকে নেমে বাড়ির কিনারায় এসে পৌছালো অনির্বাণ।
অনির্বাণ : এই শুনছো দরজাটা খোলো,
দীপ্তি : আসছি বাবা সবুর করো খুলছি।
অরণ্য : এ বাবা এসেছে, বাবা এসছে
দীপ্তি : আরে বাবু তোর বাবাকে বসতে দে আগে,
অনির্বাণ : এসো বাবু কাছে এসো, লেখাপড়া চলতেছে তো নাকি শুধু দুষ্টুমি করো।
অরণ্য : বাবা কি যে বলো, ক্লাসে আমি ফাস্ট বয়।
অনির্বাণ : সাবাস বয় , একদিন তুমি অনেক বড় হবে।
দীপ্তি : হয়েছে হয়েছে ,, প্রতিদিনের এই এক কথা। চলো চলো হাত মুখ ধুয়ে নেও।
কমলা রান্নাবান্নার এবং যাবতীয় কাজ শেষ করে
বিকালে চলে গেছে ""
ও একটা কথা বলা হয়নি.... এই গল্পের প্রথম হিরো কামাল আজ ২ মাসের মতো নিজ বাড়িতে এসেছে, কামাল কমলাকে ব্যবহার করে দীপ্তিকে জয় করাই তার আসল উদ্দেশ্য। এই দুই মাসে কমলা দীপ্তি কে ভালোই ব্রেনওয়াশ করিয়েছে ,
অতীত :
কামালের বসয় যখন ১০-১১ ছিলো তখন মাঝে মধ্যে ছেলেটাকে তার বাড়ির আশে পাশে দেখতো দীপ্তি , ভালোই লাগতো ছেলেটাকে তার একদম কচি। চেহারা একবারে হিরোদের মতো, লম্বা চওরা দেখতে , . ধর্মের নামটা শুনলে দীপ্তির মনের ভিতরটা একটা টান অনুভব হয়, কেন হয় তা জানা নেই তার,
দীপ্তি যখন ছেলেটার চোখে চোখ রাখতো তখনি ছেলেটা লজ্জায় দৌড়ে পালিয়ে যাতো, আর দীপ্তি হাসতে হাসতে পাগল হয়ে যেতো ,একদিন এমন হয়েছে যে দীপ্তি তার বাড়ির পুকুরে গোসল করতেছিল , সমস্ত শরীরের সবান মাখতে ছিলো দীপ্তি , হাত দিয়ে বুকে স্তনে সাবান মাখামাখি চলতেছে, ভিতরে কিছু পরে কখনো গোসল করতো না দীপ্তি , আর একটা কথা দীপ্তি সবসময়ই পুকুরে গোসল করে। সাবান মেখে মেখে তার স্তনে হাতবুলাতে লাগলো, কি মনে করে দীপ্তি সামনে তাকালো, যা দেখলো দীপ্তি তা জিবনে ও ভুলতে পারবে না , এতে টুকু একটা কচি ছেলে নাক চাপদিলে দুধ বের হয় সে এটা কি করছে, দীপ্তি অবাক হয়ে দেখতে লাগলো পিচ্চি কামালে কান্ড , যা দেখে কামতারনায় শিহরণ দীপ্তি। কামাল নিজ হাতে প্যান্টের চেইন খুলে সম্পন্ন ধোন টা আগা পিছু করতে লাগলো, তাও প্রায় ৬ ইঞ্চি হবে, কি মোটা রে বাবা দীপ্তির শরীর কামনায় ব্যাকুল হয়ে যাচ্ছিলো। দীপ্তি ভাবতে লাগলো কতো বড় বদমাশ এতেটুকু পিচ্চি তাকে নগ্নভাবে দেখে হাত মারতেছে , দীপ্তি কি করবে বুজতে পারতেছে না, হটাৎ দীপ্তি বলে উঠলো এই ওখানে কে "" কথাটা কামালের কান পর্যন্ত পৌঁছালো, কামাল ভয় পেয়ে তার হাত সরে গেলো ধোন থেকে , চোখ মেলে দীপ্তির দিকে চেয়ে একটু সময় ও নষ্ট না করে দিলো এক দৌড়, দীপ্তি বুজতে পারলো না তার মুখ থেকে কথাটা বেরিয়ে গেলো কিভাবে ,
মনে মনে হাসলো , বাচ্চা ছেলে হয়ে এরকম বাড়া কেমনে হয় , বড় হলে কি হবে ভগবান যানে।
এটা হওয়ারি কথা দীপ্তি নিজের শরীরের গঠন নিজেই বর্ননা করতে লাগলো , কি তার রুপ কি তার যৌবন,, কি আছে যে এতোটুকু কচি ছেলে তাকে দেখে বাড়া খাড়া করিয়ে হাত মারছিলো।
একদিন অনির্বাণ বাবু দীপ্তিকে যা বললো তাতে দীপ্তি অনেক কষ্ট পেলো মনে মনে, কামালের মা আগেই মার গেছিলো শুধু বাবা তার সবকিছু ছিলো হটাৎ বাবাকেও হারালো ছেলেটা,
অনির্বাণ বাবু বলতে লাগলো কামালকে তার বড় মামা নিয়ে গেছে। এরপর আর দেখা গেলো না দীপ্তি বাড়ির আশেপাশে কামালকে।
বর্তমান :
কমলা তাকে এই দুই মাসে কামালের কথা অনেক বার বলেছে , কামাল এখন কি করে, রান্নাবান্না যে নিজেই করে কামাল সেটাও বলেছে , বেচারা কামাল এতিম হয়ে গেলো, অনেক কষ্ট করে জমি চাষ করে, কমলার কাছ থেকে সবটাই শুনেছে দীপ্তি কিন্তু কখনো সামনা সামনি দেখা হয়নি এই ৮ বছর।এই দুইমাস হলো কামাল এলো কিন্তু দীপ্তির বাড়ির আশেপাশে কখনো আসেনি, এটা দীপ্তি ভাবতে লাগলো , তাহলে কি কামালের ছোটবেলার সেই দৃশ্য এখন মনে আছে তার জন্য কি কামাল আসে না বা দেখা হয় না।
প্রতি দিনের মতো যেমন হয়,,, খাওয়া দাওয়া সবার শেষ এবার ঘুমানোর পালা , দীপ্তি নিজেদের বিছানায় গুছাতে লাগলো সুন্দর করে ,
অরণ্য ঘুমাতে যাবে এমন সময় মনে পরলো কামাল দাদার কথা , বলছিলো নাকি কিসের খেলা তাও দুই দুইটা ফুটবল , কি আজব , সাত পাচ না ভেবে মায়ের ঘরে হাটতে লাগলে, দীপ্তি বিছানা গুছাতে ব্যাস্ত মায়াবী পাছাটা দরজার দিকে ফেরানো, অনির্বাণ ওয়াশরুমে,
অরণ্য দরজার কাছে এসে দাড়ালো দেখলো তার মা বিছানা ঠিক করতেছে ঘুমানের জন্য , মায়ের পাছাটা তার চোখের বরাবার পরলো, কি বুজলো অরণ্য ,, সে তার মায়ের পাছা দেখতে দেখতে দৌড়ে কোমরটা ধরলো , দীপ্তি প্রথমে ভাবছিলো তার স্বামী অনির্বাণ , কিন্তু না এতো কচি হাত তার কমর জরানো আর পাছায় চাপের অনুভব করলো দীপ্তি , তখনি বুজলো তার রাজকুমার তাকে পিছন থেকে জরিয়ে ধরছে।
দীপ্তি : কি রে বাবু ঘুমাস নি এখন,
অরণ্য : ঘুম আসছে না মা , তোমার সাথে ঘুমাবো।
দীপ্তি : বাবু আজ তোর বাবা আছে তো
অনির্বাণ : তা কি হয়েছে , ছেলে ঘুমাতে চাইছে ঘুমাবে সমস্যা কি , ছেলের সাথে অনেক দিন ঘুমাইনি, এখন আমারা একসাথে ঘুমাবো।
দীপ্তি সোজা হয়ে দাড়িয়ে কথা আর বাড়ালো না, স্বামী যখন বলছে তার বলার কি বা আছে , ছেলে বড় হইতেছে বাবা-মায়ের কাছে ঘুমানো ঠিক না। বিছানায় তিনজন শুয়ে আছে অরণ্য মাঝখানে মা-বাবার,
অনেক কথা হলো গল্প হলো যে যার ঘুমে, রাত ১:৩০ মিনিট
কিন্তু অরণ্যের চোখে ঘুম নেই।
লেখা কতটুকু বড় করতে পেরেছি জানি না তবে সামনে এর চেয়েও বড় আপডেট আসবে।
খুব তারাতাড়ি নতুন আপডেট আসতেছে (কামাল+দীপ্তি) রসালো মিলন আসছে...
Continue...