2 hours ago
ভোরবেলার আবছা আলো কুঠুরির ভাঙা জানালার ফাঁক দিয়ে যখন ভেতরে ঢুকল, তখন দৃশ্যটা ছিল এক অদ্ভুত বিষণ্ণ অথচ কামনার আবেশে ভরা। রাতে যে মহাপ্রলয় ঘটে গেছে, তার সাক্ষী হয়ে আছে বিছানার চাদর আর তাদের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কাপড়গুলো। রানি, সখিনা আর টুকটুকি—তিনজন নারী তখনো রবির শরীরের চারপাশ ঘিরে উলঙ্গ হয়ে ঘুমিয়ে আছে। তাদের মুখগুলোতে এক ধরনের ক্লান্ত তৃপ্তি, যা কেবল রবির কামনার শিকার হওয়ার পরেই পাওয়া সম্ভব।
রবি চোখ মেলল। বাইরে গ্রামের কোলাহল শুরু হয়েছে। পাখিদের ডাক শোনা যাচ্ছে, মানুষজন ক্ষেতে যাচ্ছে। পৃথিবীর স্বাভাবিক নিয়ম চলছে নিজের গতিতে। কিন্তু এই অন্দরমহলের ভেতরে সময় যেন থমকে আছে। রবি উঠে বসল এবং নিজের শরীর থেকে নারীর ঘামের গন্ধটা অনুভব করল। তার পৌরুষ তখনো শান্ত হয়নি, মনে হচ্ছে যেন এই তিন নারীর শরীরের উষ্ণতা তার রন্ধ্রে রন্ধ্রে গেঁথে গেছে।
সে প্রথমে সখিনা বেগমের দিকে তাকাল। সখিনার পরিপক্ক দেহে রাতের সেই মিলনের দাগগুলো পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। রবি আলতো করে সখিনার পিঠের ওপর হাত রাখল। সখিনা কেঁপে উঠে চোখ খুললেন। তার দৃষ্টিতে এখন আর কোনো লজ্জা নেই, আছে এক তীব্র আসক্তি।
টুকটুকি পাশ ফিরে শুল, তার নগ্ন শরীরটা রবির পায়ের ওপর পড়ল। রবি তার পা দিয়ে টুকটুকির নিতম্ব আলতো করে ঠেলল। টুকটুকি অস্ফুট শব্দ করে জেগে উঠল। সে রবির দিকে তাকিয়ে এক অদ্ভুত বন্য হাসি দিল। তার কিশোরী সুলভ সারল্য যেন চিরতরে হারিয়ে গেছে। সে এখন রবির কামনার এক অংশীদার, যে এই অশুভ খেলার নেশায় পুরোপুরি মত্ত।
রানি সবার শেষে জেগে উঠল। সে উঠে বসতেই তার শরীরের ব্যথা আর গত রাতের স্মৃতি তাকে আবার সেই অতল গহ্বরে টেনে নিল। সে দেখল তার শাশুড়ি আর মেয়ের সাথে সে নিজেও রবির চারপাশে শুয়ে আছে—এই দৃশ্যটি যে কোনো স্বাভাবিক মানুষের বিবেককে কাঁপিয়ে দেওয়ার মতো। কিন্তু রানীর মনে আজ আর কোনো ঘৃণা নেই। রবির দাপট আর তাদের তিনজনের মিলিত সেই নিষিদ্ধ খেলার পর, রানি যেন তার নিজের অস্তিত্বের সীমানা হারিয়ে ফেলেছে।
রানি রবির দিকে তাকিয়ে নিচু স্বরে বলল, "তুমি আমাদের কী করলে রবি? আমরা কি আর কোনোদিন স্বাভাবিক হতে পারব?"
রবি রানীর চিবুক ধরে বলল, "স্বাভাবিকতা তো সাধারণ মানুষের জন্য। আমরা এখন এক ভিন্ন জগতে বাস করছি। এই অন্দরমহল আমাদের সব পাপ আর সব আকাঙ্ক্ষাকে নিজের বুকে আগলে রাখবে।"
রবি জানে, আজকের দিনটি গত রাতের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক। বাইরে গ্রামের মানুষ, সামাজিক নিয়ম—সবকিছু তাদের নজর রাখছে। কিন্তু এই কুঠুরির ভেতরে রবির আইনই শেষ কথা। সে শাড়ি আর কাপড়গুলো তাদের দিকে ছুঁড়ে দিয়ে আদেশ দিল, "সবকিছু গুছিয়ে নাও। কিন্তু মনে রেখো, আজকের রাত আবার আসবে। আর সেই রাতে আমি চাই তোমরা এর চেয়েও বেশি প্রস্তুত থাকবে।"
সখিনা, টুকটুকি আর রানি—তিনজনেই মাথানিচু করে রবির আদেশ মাথা পেতে নিল। তারা যখন কাপড় পরছিল, তখন তাদের চোখেমুখে এক অদ্ভুত আচ্ছন্নতা। রানি যখন রবির সামনে শাড়ি পরছিল, তখন সে জানত, এই শাড়ির ভেতরে তার শরীর আর আগের মতো পবিত্র নেই—সে এখন রবির কামনার এক চিরস্থায়ী দাসী। অন্দরমহলের এই অভিশপ্ত সকালটি কোনো মুক্তির বার্তা নিয়ে আসেনি, বরং তা নিয়ে এসেছে এক দীর্ঘস্থায়ী অন্ধকার, যা এই চারটি মানুষকে এক অমোঘ পরিণতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। রবি ঘর থেকে বেরিয়ে গেল, তার পেছনে রেখে গেল তিন নারী, যারা এখন আর নিজেদের ভাগ্যর মালিক নয়—তারা এখন রবির সাম্রাজ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
**
অন্দরমহলের রাতের নিস্তব্ধতা এখন আর তাদের জন্য ভয়ের নয়, বরং এক দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। দিনের আলোয় যে স্বাভাবিকতার মুখোশ তারা পরে থাকে, সন্ধ্যার প্রদীপ জ্বলার সাথে সাথেই সেই মুখোশগুলো আলগা হতে শুরু করে। রবি যখন কুঠুরির দরজার খিলটা আটকায়, তখন সখিনা, রানি আর টুকটুকি—তিনজনের চোখেই এক অদ্ভুত প্রশান্তি খেলা করে। এটি এখন আর রবির একতরফা শাসন নয়; এটি এক অলিখিত সম্মতির খেলা, যা তারা প্রত্যেকেই ভেতরে ভেতরে উপভোগ করছে।
সখিনা বেগম আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের চুলে হাত বোলাচ্ছিলেন। তার বয়স বেড়েছে, কিন্তু রবির স্পর্শে তিনি যেন নিজের যৌবনকে পুনরায় খুঁজে পেয়েছেন। তিনি রানীর দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বললেন, "রানি, তুই কি লক্ষ্য করেছিস? দিনের বেলা আমাদের চারজনের মধ্যে যে একঘেয়েমি কাজ করে, রাতের এই নেশা আমাদের সেই ক্লান্তি ধুয়ে দেয়।"
রানি সখিনার কথার সাথে মাথা নাড়াল। সে জানাল যে, সারাদিনের সংসারের কাজ আর তোমাদের সাথে এই নিষিদ্ধ সম্পর্কের টানাপোড়েন তাকে মানসিকভাবে এক অদ্ভুত তৃপ্তি দিচ্ছে। রানি বলল, "মা, প্রথমে ভয় লাগত, কিন্তু এখন মনে হয়—বাইরের পৃথিবীর কোনো নিয়মই আমাদের এই সুখ দিতে পারবে না। রবি আমাদের শুধু শরীর নয়, আমাদের মনেও এক অমোঘ অধিকার কায়েম করেছে।"
টুকটুকি, যে কি না ১৮ বছরের প্রাণশক্তিতে ভরপুর, সে বিছানার এক কোণে বসে এক অদ্ভুত আবেশে নিজের নখগুলো কামড়াচ্ছিল। সে যোগ করল, "আমি তো এখন দিনের বেলাতেই রাতের কথা ভেবে উত্তেজিত হই। বাবা যখন আমার দিকে সাধারণ দৃষ্টিতে তাকায়, তখনো আমার মনে হয় সে আমার প্রতিটি রোমকূপকে চিনে নিয়েছে।"
রবি তখন ঘরের কোণে দাঁড়িয়ে তাদের এই কথোপকথন শুনছিল। তার ঠোঁটে এক বাঁকা হাসি। সে জানত, তার এই তিন নারী এখন আর তার ভয়ে এখানে নেই; তারা আছে তাদের নিজেদের অতৃপ্ত আকাঙ্ক্ষার টানে। সে ধীর পায়ে তাদের দিকে এগিয়ে এল। রবি সখিনার কাঁধে হাত রাখল, রানীর কোমর জড়িয়ে ধরল, আর টুকটুকির কপালে একটা আলতো চুমু খেল।
তাদের এই সম্পর্কটা এখন এক অদ্ভুত রসায়নের ওপর দাঁড়িয়ে। সেখানে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই, আছে কেবল এক বিকৃত অথচ তীব্র উপভোগের আকুতি। সখিনা বেগম রবির হাতের ওপর নিজের হাত রেখে বললেন,
"রবি, গ্রামের মানুষ জানলে হয়তো আমাদের ঘৃণা করবে। কিন্তু তারা কি আমাদের মতো করে একে অপরের শরীরের উষ্ণতায় বেঁচে থাকতে পারে? আমরা তো চারজন মিলে একটা সম্পূর্ণ জগতের জন্ম দিয়েছি।"
রবি উত্তর দিল, "ঠিক তাই। আমাদের অন্দরমহলের দেয়ালগুলো বাইরের পৃথিবীর মতো সংকীর্ণ নয়। এখানে আবেগ, শরীর আর কামনা বাসনা—সবই একই সুতোয় গাঁথা।"
সেই রাতে আর কোনো জোরজবরদস্তি হলো না। তারা চারজন মিলে শুরু করল এক যৌথ জীবনের উদযাপন, যেখানে প্রতিটি স্পর্শই ছিল একে অপরের সম্মতির বহিঃপ্রকাশ। রানি রবির বুকে মাথা রেখে সখিনা আর টুকটুকির দিকে তাকিয়ে এক অশুভ তৃপ্তির শ্বাস ফেলল। তারা চারজনই এই পঙ্কিল জগতকে তাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে মেনে নিয়েছে। এটি এখন তাদের নেশা, এটিই তাদের অস্তিত্ব।
বাইরের গ্রাম ঘুমিয়ে আছে, কিন্তু এই অন্দরমহলে চলছে জীবনের এক ভিন্ন আখ্যান। তারা জানে না এই পথের শেষ কোথায়, কিন্তু তারা চারজনই এই পথের প্রতিটি বাঁক—প্রতিটি নিষিদ্ধ মুহূর্ত—এক অসাধারণ গভীরতায় উপভোগ করে যাচ্ছে। রবির রাজত্ব এখন কেবল কামনার নয়, রবির রাজত্ব এখন তাদের সবার মনের গোপন কোঠায় গেঁথে গেছে।
***
ঋতু বদলের সাথে সাথে অন্দরমহলের আবহাওয়াও যেন বদলাতে শুরু করেছে। রবি এখন আর সবাইকে একসাথে জড়ো করে না। সে বুঝতে শিখেছে, প্রতিটি শরীরের চাহিদা ভিন্ন, আর সেই চাহিদার তৃপ্তি আলাদাভাবে মেটানোর মধ্যেই লুকিয়ে আছে প্রকৃত আদিম নেশা।
মেঘলা আকাশ থেকে ঝুপঝাপ বৃষ্টির শব্দ শুরু হয়েছে। অন্দরমহলের নিস্তব্ধতাকে ভেঙে বৃষ্টির সেই ছন্দ যেন বাতাসের আর্দ্রতা বাড়িয়ে দিয়েছে। ঘরের ভেতর হারিকেনের শিখাটা অল্প আলো দিচ্ছে, যা টুকটুকির শরীরের ভাঁজগুলোতে ছায়ার খেলা তৈরি করেছে। রবি দরজার কাছে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ মেয়েটার দিকে তাকিয়ে রইল। টুকটুকি বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে ছিল, পরনের পাতলা সুতির শাড়িটা তার কোমর থেকে নিচে নেমে গেছে, পিঠের মসৃণ ত্বক অন্ধকারেও যেন চিকচিক করছে।
রবি নিঃশব্দে এগিয়ে গেল। তার প্রতিটি পদক্ষেপ বন্য শিকারি বাঘের মতো স্থির। বিছানার পাশে গিয়ে রবি হাত বাড়াল। তার শক্ত হাত টুকটুকির কোমরের ভাঁজে স্পর্শ করতেই মেয়েটা আধো-ঘুমে কেঁপে উঠল। তার নিশ্বাসের গতি বেড়ে গেল। রবি কথা বলল না, শুধু তার ডান হাত দিয়ে টুকটুকির শাড়ির গেরোটা এক হ্যাঁচকা টানে আলগা করে দিল। কাপড়টা খসে পড়তেই টুকটুকির দুধের মতো সাদা শরীরের উন্মুক্ত সৌন্দর্য লন্ঠনের আলোয় ভেসে উঠল।
টুকটুকি চোখ মেলল, তার চোখের কোণে ঘুমের আবেশ আর রবির উপস্থিতির তীব্র উত্তেজনার এক অদ্ভুত মিশ্রণ। সে উঠে বসার চেষ্টা করতেই রবি তাকে দুহাতে জাপটে ধরে বিছানায় চেপে ধরল। রবির হাতের চাপ ছিল বেশ ভারী—যেন সে কোনো মূল্যবান সম্পদকে আয়ত্তে নিচ্ছে। রবি তার মুখ নামিয়ে আনল টুকটুকির ঘাড়ের কাছে, কামুক এক চুম্বনে টুকটুকির শরীরের প্রতিটি লোমকূপ খাড়া হয়ে উঠল। মেয়েটার মুখ দিয়ে একটা অস্ফুট কাতানি বেরিয়ে এল।
রবি তার শরীরের পুরো ভার টুকটুকির ওপর ছেড়ে দিল। টুকটুকির তরুণ, টানটান শরীরটা রবির শক্ত পেশিবহুল শরীরের নিচে একেবারে অসহায় হয়ে পড়ল। রবি তার হাত দিয়ে টুকটুকির স্তনযুগল খামচে ধরল, আঙুলের চাপে সেই নরম মাংসপিণ্ড যেন থরথর করে কাঁপছে। টুকটুকি রবির পিঠে নখ বসিয়ে দিল, তার শরীরটা যেন রবির পৌরুষের প্রতিটা ধাক্কার সাথে সাথে ছটফট করে উঠছে। বাইরের বৃষ্টির শব্দের সাথে টুকটুকির দীর্ঘশ্বাসের তাল মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল।
রবি তার পৌরুষের তীব্রতা কোনোভাবেই কমাচ্ছিল না। প্রতিটা ধাক্কায় সে টুকটুকির শরীরের গভীরে নিজের অস্তিত্বকে গেঁথে দিচ্ছিল। টুকটুকির মুখটা হাঁ হয়ে আছে, জিভ দিয়ে সে ঠোঁট চাটছে আর রবির নামের নেশায় বুঁদ হয়ে আছে। তার দুপায়ের মাঝখানে রবির এই পৈশাচিক অথচ আনন্দদায়ক আক্রমণ তাকে চূড়ান্ত মাত্রায় নিয়ে যাচ্ছিল। টুকটুকির নিতম্বের ওপর রবির হাতের আঙুলের স্পষ্ট ছাপ পড়ছে প্রতিটা ঠোকায়।
একসময় টুকটুকির শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে উঠল, তার গলা দিয়ে বেরিয়ে আসা গোঙানিটা বৃষ্টির শব্দকেও ছাড়িয়ে গেল। রবির পেশিগুলো তখন টানটান, সে যেন শেষবারের মতো নিজেকে টুকটুকির ভেতরে উজাড় করে দিতে চাইল। এক প্রচণ্ড কম্পনে টুকটুকির সারা শরীর নেতিয়ে পড়ল, রবি তখনো তার ওপরে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে তার তৃপ্তির দম্ভ অনুভব করছে। টুকটুকির সেই অসহায়, তৃপ্ত চাহনি রবির ভেতরের সেই আদিম পুরুষকে এক অদ্ভুত বিজয়ীর তৃপ্তি দিল।
ঘরের বাতাস তখন ঘামের গন্ধে ভারী। বৃষ্টির ঝাপটা তখন আরও জোরদার হয়েছে, কিন্তু সেই অন্দরমহলের ভেতরে তখন ঝড়ের চেয়েও বড় এক কামনার আগুন নিভেছে। রবি টুকটুকির ঘামে ভেজা চুলগুলো সরিয়ে দিয়ে তার কপালে একটা আলতো চুমু খেল, কিন্তু তার চোখের চাহনিতে এখনো সেই শিকারি ভাব—যেন এই তৃপ্তি কেবল শুরুর ইঙ্গিত মাত্র।
পরেরদিন….
দুপুরের তপ্ত রোদে চারদিক যেন ঝিমিয়ে আছে। বাইরের মাঠের মাটি ফেটে চৌচির, কিন্তু অন্দরমহলের ভেতরটা আজ অস্বাভাবিক রকমের থমথমে। রবি নিঃশব্দে এগিয়ে চলল রানীর ঘরের দিকে। দরজায় খিল দেওয়া, কিন্তু রবি জানে এই অন্দরমহলে তার প্রবেশের জন্য কোনো অনুমতির প্রয়োজন নেই। ধীর পায়ে ভেতরে ঢুকতেই দেখল, রানি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের লম্বা চুলগুলো হাতে গুছিয়ে নিচ্ছে। তার পরনের পাতলা শাড়িটা শরীরের সাথে সেঁটে আছে, ঘামে ভেজা পিঠের রেখাগুলো আয়নায় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।
রবি কোনো শব্দ করল না। একেবারে রানীর পেছনে গিয়ে দাঁড়াল সে। তার দীর্ঘশ্বাস রানীর ঘাড়ের কাছে এসে পড়তেই রানি এক মুহূর্তের জন্য থমকে গেল, আয়নায় রবির স্থির দৃষ্টি দেখে তার ঠোঁট দুটো কেঁপে উঠল। রবি কোনো ভূমিকা ছাড়াই দুই হাত বাড়িয়ে রানীর শাড়ির আঁচলটা এক ঝটকায় কাঁধ থেকে নামিয়ে দিল। এরপর রানীর কোমরের গিঁটটা তার আঙুলের কারসাজিতে মুহূর্তে আলগা হয়ে গেল। রানি এক মুহূর্তের জন্য চমকে পেছনে তাকাল, কিন্তু রবির পৌরুষদীপ্ত চেহারা দেখে তার সমস্ত জড়তা ধুয়ে গেল। সে কোনো বাধা দিল না, বরং রবির বুকের ওপর তার তপ্ত শরীরটা এলিয়ে দিল।
রবি রানিকে দুহাতে জড়িয়ে ধরল। রানীর শরীরের প্রতিটি ভাঁজ, প্রতিটি উত্তাপ যেন রবির নখদর্পণে। রবি তার মুখ নামিয়ে আনল রানীর উন্মুক্ত পিঠে। সেখানে আলতো করে দাঁতের চাপ দিতেই রানীর মুখ থেকে একটা চাপা গোঙানি বেরিয়ে এল। রবি তার বড় হাতের তালু দিয়ে রানীর স্তনযুগল খামচে ধরল—রানি তার চোখের পাতা বন্ধ করে দিয়ে মাথাটা পেছনের দিকে এলিয়ে দিল। রবির শক্ত হাতের চাপে রানীর সেই নরম মাংসপিণ্ডগুলো তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছিল, আর রানি রবির পিঠে নিজের নখগুলো গভীরভাবে বসিয়ে দিচ্ছিল। নখের দাগে রবির পিঠে যেন কামনার মানচিত্র তৈরি হচ্ছিল।
রবি রানিকে ঘুরিয়ে তার মুখোমুখি দাঁড় করাল। রানি এখন পুরোপুরি নগ্ন। দুপুরের তীব্র রোদের একটা ফালি জানালা দিয়ে এসে পড়েছে রানীর শরীরের ওপর, যা তার মসৃণ ত্বককে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে। রবি তার আঙুলগুলো রানীর কোমরের সেই গভীর খাঁজে ডুবিয়ে দিল। রানীর শরীরটা তখন রবির প্রতিটি স্পর্শে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের মতো কেঁপে উঠছে। রানি এবার নিজেই রবির পোশাকের দিকে হাত বাড়াল।
তার আঙুলগুলো কাঁপছিল। সে রবির জামার বোতাম একে একে খুলতে লাগল। প্রতিটি বোতাম খোলার সাথে সাথে রবির বুকের চওড়া, ঘামে চকচকে ত্বক উন্মোচিত হচ্ছিল। রানি হাত বাড়িয়ে সেই বুকে স্পর্শ করল। রবির হৃদযন্ত্রের দ্রুত স্পন্দন তার হাতের তালুতে লাগল। রানি মাথা নিচু করে রবির বুকের মাঝখানে জিভ বুলিয়ে দিল—আলতো করে, ধীরে ধীরে নিচের দিকে নামতে লাগল।
রবি আর ধৈর্য রাখতে পারল না। সে রানির চুল ধরে মাথা তুলে দিল এবং জোরে চুমু খেল। তাদের জিভ একে অপরের মুখের ভেতর ঢুকে গেল। রবির হাত রানির নিতম্ব চেপে ধরে তুলে নিল। রানি রবির কোমর জড়িয়ে ধরল। দুজনের নগ্ন শরীর একে অপরের সাথে সেঁটে গেল। রবির শক্ত পুরুষাঙ্গ রানির পেটে ঠেকছিল—গরম, স্পন্দিত।
রবি রানিকে তুলে বিছানায় শুইয়ে দিল। দুপুরের রোদ এখন রানির নগ্ন শরীরের ওপর এসে পড়েছে। রবি তার দুই পা আলাদা করে ধরল। তার আঙুল রানির যোনির মুখে এসে লাগল—ভিজে, গরম। সে দুই আঙুল ঢুকিয়ে দিল। রানির কোমর উপরে উঠে এল। গোঙানি বেরিয়ে এল তার গলা দিয়ে।
রবি আঙুল বের করে নিজের পুরুষাঙ্গটা রানির যোনির মুখে বসাল। এক মুহূর্ত তাকিয়ে রইল রানির চোখের দিকে। তারপর ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিল—ইঞ্চি ইঞ্চি করে, যতক্ষণ না পুরোপুরি গভীরে চলে যায়। রানির মুখ হাঁ হয়ে গেল। তার নখ রবির পিঠে ফুটে বসল।
রবি এবার নড়তে শুরু করল। প্রথমে ধীরে, গভীরে। প্রতিটি আঘাতে রানির স্তন দুটো দুলছিল। রোদের আলোয় তার ঘামে ভেজা ত্বক চকচক করছিল। রবি রানির এক পা কাঁধের ওপর তুলে দিল। আরও গভীরে ঢুকতে লাগল। রানির যোনি রবির পুরুষাঙ্গকে চেপে ধরছিল—ভেজা শব্দ হচ্ছিল প্রতিটি ধাক্কায়।
“জোরে…” রানি ফিসফিস করে উঠল। তার চোখ বন্ধ। মুখ লাল। রবি তার কথা শুনে গতি বাড়িয়ে দিল। এখন আর ধীর নয়। জোরে, গভীরে, একটানা। বিছানা কেঁপে উঠছিল। রানির গোঙানি চিৎকারে পরিণত হচ্ছিল। তার পা দুটো রবির কোমর জড়িয়ে ধরেছিল। নখ দিয়ে পিঠে দাগ কেটে যাচ্ছিল।
রবি রানির দুই হাত মাথার ওপর চেপে ধরল। তার বুক রানির স্তনের ওপর চেপে গেল। মুখ নিচু করে রানির বোঁটা মুখে নিল—চুষতে লাগল, কামড়াতে লাগল। রানির শরীর কেঁপে উঠল। তার যোনি রবির পুরুষাঙ্গকে আরও জোরে চেপে ধরল।
রবি এবার সম্পূর্ণভাবে রানির ওপর ছেড়ে দিল নিজেকে। প্রতিটি ধাক্কায় তার পুরুষাঙ্গ পুরোপুরি বেরিয়ে এসে আবার গভীরে ঢুকে যাচ্ছিল। রানির রস গড়িয়ে উরু বেয়ে বিছানায় পড়ছিল। দুপুরের গরমে দুজনের শরীর ঘামে ভিজে এক হয়ে যাচ্ছিল। রবির শ্বাস রানির কানে এসে লাগছিল—গরম, ভারী।
রানির শরীর হঠাৎ শক্ত হয়ে উঠল। তার চোখ বেড়ে গেল। এক তীব্র কম্পন তার গোটা দেহে ছড়িয়ে পড়ল। সে চিৎকার করে উঠল—দীর্ঘ, অপ্রতিরোধ্য। তার যোনি রবির পুরুষাঙ্গকে জোরে চেপে ধরে কাঁপতে লাগল। রস গড়িয়ে পড়ছিল।
রবি থামল না। সে রানির সেই কাঁপুনির ভেতর দিয়েই চুদতে থাকল। আরও জোরে, আরও গভীরে। তার নিজের শরীরও শক্ত হয়ে উঠছিল। শেষ পর্যন্ত সে রানির গভীরে গরম বীর্য ঢেলে দিল—একটার পর একটা তীব্র ধাক্কায়। তার শরীর কেঁপে উঠল। তারপর রানির ওপর ঢলে পড়ল—হাঁপাতে হাঁপাতে, ঘামে ভেজা।
দুপুরের রোদ এখনো জানালা দিয়ে এসে পড়ছিল তাদের জড়ানো নগ্ন শরীরের ওপর। রবির পুরুষাঙ্গ এখনো রানির ভেতর ছিল। দুজনেই নিঃশব্দে হাঁপাচ্ছিল। বাইরে মাঠের মাটি ফেটে চৌচির, কিন্তু এই ঘরের ভেতর শুধু তাদের শ্বাস আর ঘামের গন্ধ ভাসছিল।
রবির পৌরুষ যখন রানীর শরীরকে পূর্ণ করতে শুরু করল, তখন রানি রবির কোমর জড়িয়ে ধরে নিজের শরীরকে তার সাথে একাত্ম করে নিল।
ঘরটা যেন রানীর কান্নায় আর কামনার আর্তনাদে ভরে উঠল। রবি রানিকে তার শরীরের নিচে বিছানায় চেপে ধরল। রানীর পা দুটো রবির কোমর জড়িয়ে রইল। তাদের শরীরের ঘর্ষণ যত বাড়ছিল, রানীর দীর্ঘশ্বাস তত ভারী হয়ে আসছিল। রবির প্রতিটি ধাক্কা রানীর শরীরের গভীরে গিয়ে যেন এক আদিম যুদ্ধের উন্মাদনা তৈরি করছিল। রানি তার সমস্ত অস্তিত্ব দিয়ে রবিকে গ্রহণ করছিল, রবির প্রতিটি পেশি তখন উত্তেজনায় টানটান। রানীর মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসা প্রতিটি গোঙানি আর দীর্ঘশ্বাস রবির ভেতরের দহনকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছিল। ঘামে ভেজা তাদের শরীরগুলো যখন একে অপরের সাথে লিপ্ত ছিল, তখন মনে হচ্ছিল তারা শরীরের সীমানা ছাড়িয়ে একে অপরের রক্তের সাথে মিশে যাচ্ছে। রানীর সেই তৃপ্তিময় চাহনি আর রবির অমানুষিক ক্ষমতা—দুপুরের সেই নির্জনতা যেন এক চরম কামনার পূর্ণতায় মূর্ত হয়ে উঠল।
রবি চোখ মেলল। বাইরে গ্রামের কোলাহল শুরু হয়েছে। পাখিদের ডাক শোনা যাচ্ছে, মানুষজন ক্ষেতে যাচ্ছে। পৃথিবীর স্বাভাবিক নিয়ম চলছে নিজের গতিতে। কিন্তু এই অন্দরমহলের ভেতরে সময় যেন থমকে আছে। রবি উঠে বসল এবং নিজের শরীর থেকে নারীর ঘামের গন্ধটা অনুভব করল। তার পৌরুষ তখনো শান্ত হয়নি, মনে হচ্ছে যেন এই তিন নারীর শরীরের উষ্ণতা তার রন্ধ্রে রন্ধ্রে গেঁথে গেছে।
সে প্রথমে সখিনা বেগমের দিকে তাকাল। সখিনার পরিপক্ক দেহে রাতের সেই মিলনের দাগগুলো পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। রবি আলতো করে সখিনার পিঠের ওপর হাত রাখল। সখিনা কেঁপে উঠে চোখ খুললেন। তার দৃষ্টিতে এখন আর কোনো লজ্জা নেই, আছে এক তীব্র আসক্তি।
টুকটুকি পাশ ফিরে শুল, তার নগ্ন শরীরটা রবির পায়ের ওপর পড়ল। রবি তার পা দিয়ে টুকটুকির নিতম্ব আলতো করে ঠেলল। টুকটুকি অস্ফুট শব্দ করে জেগে উঠল। সে রবির দিকে তাকিয়ে এক অদ্ভুত বন্য হাসি দিল। তার কিশোরী সুলভ সারল্য যেন চিরতরে হারিয়ে গেছে। সে এখন রবির কামনার এক অংশীদার, যে এই অশুভ খেলার নেশায় পুরোপুরি মত্ত।
রানি সবার শেষে জেগে উঠল। সে উঠে বসতেই তার শরীরের ব্যথা আর গত রাতের স্মৃতি তাকে আবার সেই অতল গহ্বরে টেনে নিল। সে দেখল তার শাশুড়ি আর মেয়ের সাথে সে নিজেও রবির চারপাশে শুয়ে আছে—এই দৃশ্যটি যে কোনো স্বাভাবিক মানুষের বিবেককে কাঁপিয়ে দেওয়ার মতো। কিন্তু রানীর মনে আজ আর কোনো ঘৃণা নেই। রবির দাপট আর তাদের তিনজনের মিলিত সেই নিষিদ্ধ খেলার পর, রানি যেন তার নিজের অস্তিত্বের সীমানা হারিয়ে ফেলেছে।
রানি রবির দিকে তাকিয়ে নিচু স্বরে বলল, "তুমি আমাদের কী করলে রবি? আমরা কি আর কোনোদিন স্বাভাবিক হতে পারব?"
রবি রানীর চিবুক ধরে বলল, "স্বাভাবিকতা তো সাধারণ মানুষের জন্য। আমরা এখন এক ভিন্ন জগতে বাস করছি। এই অন্দরমহল আমাদের সব পাপ আর সব আকাঙ্ক্ষাকে নিজের বুকে আগলে রাখবে।"
রবি জানে, আজকের দিনটি গত রাতের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক। বাইরে গ্রামের মানুষ, সামাজিক নিয়ম—সবকিছু তাদের নজর রাখছে। কিন্তু এই কুঠুরির ভেতরে রবির আইনই শেষ কথা। সে শাড়ি আর কাপড়গুলো তাদের দিকে ছুঁড়ে দিয়ে আদেশ দিল, "সবকিছু গুছিয়ে নাও। কিন্তু মনে রেখো, আজকের রাত আবার আসবে। আর সেই রাতে আমি চাই তোমরা এর চেয়েও বেশি প্রস্তুত থাকবে।"
সখিনা, টুকটুকি আর রানি—তিনজনেই মাথানিচু করে রবির আদেশ মাথা পেতে নিল। তারা যখন কাপড় পরছিল, তখন তাদের চোখেমুখে এক অদ্ভুত আচ্ছন্নতা। রানি যখন রবির সামনে শাড়ি পরছিল, তখন সে জানত, এই শাড়ির ভেতরে তার শরীর আর আগের মতো পবিত্র নেই—সে এখন রবির কামনার এক চিরস্থায়ী দাসী। অন্দরমহলের এই অভিশপ্ত সকালটি কোনো মুক্তির বার্তা নিয়ে আসেনি, বরং তা নিয়ে এসেছে এক দীর্ঘস্থায়ী অন্ধকার, যা এই চারটি মানুষকে এক অমোঘ পরিণতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। রবি ঘর থেকে বেরিয়ে গেল, তার পেছনে রেখে গেল তিন নারী, যারা এখন আর নিজেদের ভাগ্যর মালিক নয়—তারা এখন রবির সাম্রাজ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
**
অন্দরমহলের রাতের নিস্তব্ধতা এখন আর তাদের জন্য ভয়ের নয়, বরং এক দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। দিনের আলোয় যে স্বাভাবিকতার মুখোশ তারা পরে থাকে, সন্ধ্যার প্রদীপ জ্বলার সাথে সাথেই সেই মুখোশগুলো আলগা হতে শুরু করে। রবি যখন কুঠুরির দরজার খিলটা আটকায়, তখন সখিনা, রানি আর টুকটুকি—তিনজনের চোখেই এক অদ্ভুত প্রশান্তি খেলা করে। এটি এখন আর রবির একতরফা শাসন নয়; এটি এক অলিখিত সম্মতির খেলা, যা তারা প্রত্যেকেই ভেতরে ভেতরে উপভোগ করছে।
সখিনা বেগম আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের চুলে হাত বোলাচ্ছিলেন। তার বয়স বেড়েছে, কিন্তু রবির স্পর্শে তিনি যেন নিজের যৌবনকে পুনরায় খুঁজে পেয়েছেন। তিনি রানীর দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বললেন, "রানি, তুই কি লক্ষ্য করেছিস? দিনের বেলা আমাদের চারজনের মধ্যে যে একঘেয়েমি কাজ করে, রাতের এই নেশা আমাদের সেই ক্লান্তি ধুয়ে দেয়।"
রানি সখিনার কথার সাথে মাথা নাড়াল। সে জানাল যে, সারাদিনের সংসারের কাজ আর তোমাদের সাথে এই নিষিদ্ধ সম্পর্কের টানাপোড়েন তাকে মানসিকভাবে এক অদ্ভুত তৃপ্তি দিচ্ছে। রানি বলল, "মা, প্রথমে ভয় লাগত, কিন্তু এখন মনে হয়—বাইরের পৃথিবীর কোনো নিয়মই আমাদের এই সুখ দিতে পারবে না। রবি আমাদের শুধু শরীর নয়, আমাদের মনেও এক অমোঘ অধিকার কায়েম করেছে।"
টুকটুকি, যে কি না ১৮ বছরের প্রাণশক্তিতে ভরপুর, সে বিছানার এক কোণে বসে এক অদ্ভুত আবেশে নিজের নখগুলো কামড়াচ্ছিল। সে যোগ করল, "আমি তো এখন দিনের বেলাতেই রাতের কথা ভেবে উত্তেজিত হই। বাবা যখন আমার দিকে সাধারণ দৃষ্টিতে তাকায়, তখনো আমার মনে হয় সে আমার প্রতিটি রোমকূপকে চিনে নিয়েছে।"
রবি তখন ঘরের কোণে দাঁড়িয়ে তাদের এই কথোপকথন শুনছিল। তার ঠোঁটে এক বাঁকা হাসি। সে জানত, তার এই তিন নারী এখন আর তার ভয়ে এখানে নেই; তারা আছে তাদের নিজেদের অতৃপ্ত আকাঙ্ক্ষার টানে। সে ধীর পায়ে তাদের দিকে এগিয়ে এল। রবি সখিনার কাঁধে হাত রাখল, রানীর কোমর জড়িয়ে ধরল, আর টুকটুকির কপালে একটা আলতো চুমু খেল।
তাদের এই সম্পর্কটা এখন এক অদ্ভুত রসায়নের ওপর দাঁড়িয়ে। সেখানে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই, আছে কেবল এক বিকৃত অথচ তীব্র উপভোগের আকুতি। সখিনা বেগম রবির হাতের ওপর নিজের হাত রেখে বললেন,
"রবি, গ্রামের মানুষ জানলে হয়তো আমাদের ঘৃণা করবে। কিন্তু তারা কি আমাদের মতো করে একে অপরের শরীরের উষ্ণতায় বেঁচে থাকতে পারে? আমরা তো চারজন মিলে একটা সম্পূর্ণ জগতের জন্ম দিয়েছি।"
রবি উত্তর দিল, "ঠিক তাই। আমাদের অন্দরমহলের দেয়ালগুলো বাইরের পৃথিবীর মতো সংকীর্ণ নয়। এখানে আবেগ, শরীর আর কামনা বাসনা—সবই একই সুতোয় গাঁথা।"
সেই রাতে আর কোনো জোরজবরদস্তি হলো না। তারা চারজন মিলে শুরু করল এক যৌথ জীবনের উদযাপন, যেখানে প্রতিটি স্পর্শই ছিল একে অপরের সম্মতির বহিঃপ্রকাশ। রানি রবির বুকে মাথা রেখে সখিনা আর টুকটুকির দিকে তাকিয়ে এক অশুভ তৃপ্তির শ্বাস ফেলল। তারা চারজনই এই পঙ্কিল জগতকে তাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে মেনে নিয়েছে। এটি এখন তাদের নেশা, এটিই তাদের অস্তিত্ব।
বাইরের গ্রাম ঘুমিয়ে আছে, কিন্তু এই অন্দরমহলে চলছে জীবনের এক ভিন্ন আখ্যান। তারা জানে না এই পথের শেষ কোথায়, কিন্তু তারা চারজনই এই পথের প্রতিটি বাঁক—প্রতিটি নিষিদ্ধ মুহূর্ত—এক অসাধারণ গভীরতায় উপভোগ করে যাচ্ছে। রবির রাজত্ব এখন কেবল কামনার নয়, রবির রাজত্ব এখন তাদের সবার মনের গোপন কোঠায় গেঁথে গেছে।
***
ঋতু বদলের সাথে সাথে অন্দরমহলের আবহাওয়াও যেন বদলাতে শুরু করেছে। রবি এখন আর সবাইকে একসাথে জড়ো করে না। সে বুঝতে শিখেছে, প্রতিটি শরীরের চাহিদা ভিন্ন, আর সেই চাহিদার তৃপ্তি আলাদাভাবে মেটানোর মধ্যেই লুকিয়ে আছে প্রকৃত আদিম নেশা।
মেঘলা আকাশ থেকে ঝুপঝাপ বৃষ্টির শব্দ শুরু হয়েছে। অন্দরমহলের নিস্তব্ধতাকে ভেঙে বৃষ্টির সেই ছন্দ যেন বাতাসের আর্দ্রতা বাড়িয়ে দিয়েছে। ঘরের ভেতর হারিকেনের শিখাটা অল্প আলো দিচ্ছে, যা টুকটুকির শরীরের ভাঁজগুলোতে ছায়ার খেলা তৈরি করেছে। রবি দরজার কাছে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ মেয়েটার দিকে তাকিয়ে রইল। টুকটুকি বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে ছিল, পরনের পাতলা সুতির শাড়িটা তার কোমর থেকে নিচে নেমে গেছে, পিঠের মসৃণ ত্বক অন্ধকারেও যেন চিকচিক করছে।
রবি নিঃশব্দে এগিয়ে গেল। তার প্রতিটি পদক্ষেপ বন্য শিকারি বাঘের মতো স্থির। বিছানার পাশে গিয়ে রবি হাত বাড়াল। তার শক্ত হাত টুকটুকির কোমরের ভাঁজে স্পর্শ করতেই মেয়েটা আধো-ঘুমে কেঁপে উঠল। তার নিশ্বাসের গতি বেড়ে গেল। রবি কথা বলল না, শুধু তার ডান হাত দিয়ে টুকটুকির শাড়ির গেরোটা এক হ্যাঁচকা টানে আলগা করে দিল। কাপড়টা খসে পড়তেই টুকটুকির দুধের মতো সাদা শরীরের উন্মুক্ত সৌন্দর্য লন্ঠনের আলোয় ভেসে উঠল।
টুকটুকি চোখ মেলল, তার চোখের কোণে ঘুমের আবেশ আর রবির উপস্থিতির তীব্র উত্তেজনার এক অদ্ভুত মিশ্রণ। সে উঠে বসার চেষ্টা করতেই রবি তাকে দুহাতে জাপটে ধরে বিছানায় চেপে ধরল। রবির হাতের চাপ ছিল বেশ ভারী—যেন সে কোনো মূল্যবান সম্পদকে আয়ত্তে নিচ্ছে। রবি তার মুখ নামিয়ে আনল টুকটুকির ঘাড়ের কাছে, কামুক এক চুম্বনে টুকটুকির শরীরের প্রতিটি লোমকূপ খাড়া হয়ে উঠল। মেয়েটার মুখ দিয়ে একটা অস্ফুট কাতানি বেরিয়ে এল।
রবি তার শরীরের পুরো ভার টুকটুকির ওপর ছেড়ে দিল। টুকটুকির তরুণ, টানটান শরীরটা রবির শক্ত পেশিবহুল শরীরের নিচে একেবারে অসহায় হয়ে পড়ল। রবি তার হাত দিয়ে টুকটুকির স্তনযুগল খামচে ধরল, আঙুলের চাপে সেই নরম মাংসপিণ্ড যেন থরথর করে কাঁপছে। টুকটুকি রবির পিঠে নখ বসিয়ে দিল, তার শরীরটা যেন রবির পৌরুষের প্রতিটা ধাক্কার সাথে সাথে ছটফট করে উঠছে। বাইরের বৃষ্টির শব্দের সাথে টুকটুকির দীর্ঘশ্বাসের তাল মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল।
রবি তার পৌরুষের তীব্রতা কোনোভাবেই কমাচ্ছিল না। প্রতিটা ধাক্কায় সে টুকটুকির শরীরের গভীরে নিজের অস্তিত্বকে গেঁথে দিচ্ছিল। টুকটুকির মুখটা হাঁ হয়ে আছে, জিভ দিয়ে সে ঠোঁট চাটছে আর রবির নামের নেশায় বুঁদ হয়ে আছে। তার দুপায়ের মাঝখানে রবির এই পৈশাচিক অথচ আনন্দদায়ক আক্রমণ তাকে চূড়ান্ত মাত্রায় নিয়ে যাচ্ছিল। টুকটুকির নিতম্বের ওপর রবির হাতের আঙুলের স্পষ্ট ছাপ পড়ছে প্রতিটা ঠোকায়।
একসময় টুকটুকির শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে উঠল, তার গলা দিয়ে বেরিয়ে আসা গোঙানিটা বৃষ্টির শব্দকেও ছাড়িয়ে গেল। রবির পেশিগুলো তখন টানটান, সে যেন শেষবারের মতো নিজেকে টুকটুকির ভেতরে উজাড় করে দিতে চাইল। এক প্রচণ্ড কম্পনে টুকটুকির সারা শরীর নেতিয়ে পড়ল, রবি তখনো তার ওপরে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে তার তৃপ্তির দম্ভ অনুভব করছে। টুকটুকির সেই অসহায়, তৃপ্ত চাহনি রবির ভেতরের সেই আদিম পুরুষকে এক অদ্ভুত বিজয়ীর তৃপ্তি দিল।
ঘরের বাতাস তখন ঘামের গন্ধে ভারী। বৃষ্টির ঝাপটা তখন আরও জোরদার হয়েছে, কিন্তু সেই অন্দরমহলের ভেতরে তখন ঝড়ের চেয়েও বড় এক কামনার আগুন নিভেছে। রবি টুকটুকির ঘামে ভেজা চুলগুলো সরিয়ে দিয়ে তার কপালে একটা আলতো চুমু খেল, কিন্তু তার চোখের চাহনিতে এখনো সেই শিকারি ভাব—যেন এই তৃপ্তি কেবল শুরুর ইঙ্গিত মাত্র।
পরেরদিন….
দুপুরের তপ্ত রোদে চারদিক যেন ঝিমিয়ে আছে। বাইরের মাঠের মাটি ফেটে চৌচির, কিন্তু অন্দরমহলের ভেতরটা আজ অস্বাভাবিক রকমের থমথমে। রবি নিঃশব্দে এগিয়ে চলল রানীর ঘরের দিকে। দরজায় খিল দেওয়া, কিন্তু রবি জানে এই অন্দরমহলে তার প্রবেশের জন্য কোনো অনুমতির প্রয়োজন নেই। ধীর পায়ে ভেতরে ঢুকতেই দেখল, রানি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের লম্বা চুলগুলো হাতে গুছিয়ে নিচ্ছে। তার পরনের পাতলা শাড়িটা শরীরের সাথে সেঁটে আছে, ঘামে ভেজা পিঠের রেখাগুলো আয়নায় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।
রবি কোনো শব্দ করল না। একেবারে রানীর পেছনে গিয়ে দাঁড়াল সে। তার দীর্ঘশ্বাস রানীর ঘাড়ের কাছে এসে পড়তেই রানি এক মুহূর্তের জন্য থমকে গেল, আয়নায় রবির স্থির দৃষ্টি দেখে তার ঠোঁট দুটো কেঁপে উঠল। রবি কোনো ভূমিকা ছাড়াই দুই হাত বাড়িয়ে রানীর শাড়ির আঁচলটা এক ঝটকায় কাঁধ থেকে নামিয়ে দিল। এরপর রানীর কোমরের গিঁটটা তার আঙুলের কারসাজিতে মুহূর্তে আলগা হয়ে গেল। রানি এক মুহূর্তের জন্য চমকে পেছনে তাকাল, কিন্তু রবির পৌরুষদীপ্ত চেহারা দেখে তার সমস্ত জড়তা ধুয়ে গেল। সে কোনো বাধা দিল না, বরং রবির বুকের ওপর তার তপ্ত শরীরটা এলিয়ে দিল।
রবি রানিকে দুহাতে জড়িয়ে ধরল। রানীর শরীরের প্রতিটি ভাঁজ, প্রতিটি উত্তাপ যেন রবির নখদর্পণে। রবি তার মুখ নামিয়ে আনল রানীর উন্মুক্ত পিঠে। সেখানে আলতো করে দাঁতের চাপ দিতেই রানীর মুখ থেকে একটা চাপা গোঙানি বেরিয়ে এল। রবি তার বড় হাতের তালু দিয়ে রানীর স্তনযুগল খামচে ধরল—রানি তার চোখের পাতা বন্ধ করে দিয়ে মাথাটা পেছনের দিকে এলিয়ে দিল। রবির শক্ত হাতের চাপে রানীর সেই নরম মাংসপিণ্ডগুলো তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছিল, আর রানি রবির পিঠে নিজের নখগুলো গভীরভাবে বসিয়ে দিচ্ছিল। নখের দাগে রবির পিঠে যেন কামনার মানচিত্র তৈরি হচ্ছিল।
রবি রানিকে ঘুরিয়ে তার মুখোমুখি দাঁড় করাল। রানি এখন পুরোপুরি নগ্ন। দুপুরের তীব্র রোদের একটা ফালি জানালা দিয়ে এসে পড়েছে রানীর শরীরের ওপর, যা তার মসৃণ ত্বককে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে। রবি তার আঙুলগুলো রানীর কোমরের সেই গভীর খাঁজে ডুবিয়ে দিল। রানীর শরীরটা তখন রবির প্রতিটি স্পর্শে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের মতো কেঁপে উঠছে। রানি এবার নিজেই রবির পোশাকের দিকে হাত বাড়াল।
তার আঙুলগুলো কাঁপছিল। সে রবির জামার বোতাম একে একে খুলতে লাগল। প্রতিটি বোতাম খোলার সাথে সাথে রবির বুকের চওড়া, ঘামে চকচকে ত্বক উন্মোচিত হচ্ছিল। রানি হাত বাড়িয়ে সেই বুকে স্পর্শ করল। রবির হৃদযন্ত্রের দ্রুত স্পন্দন তার হাতের তালুতে লাগল। রানি মাথা নিচু করে রবির বুকের মাঝখানে জিভ বুলিয়ে দিল—আলতো করে, ধীরে ধীরে নিচের দিকে নামতে লাগল।
রবি আর ধৈর্য রাখতে পারল না। সে রানির চুল ধরে মাথা তুলে দিল এবং জোরে চুমু খেল। তাদের জিভ একে অপরের মুখের ভেতর ঢুকে গেল। রবির হাত রানির নিতম্ব চেপে ধরে তুলে নিল। রানি রবির কোমর জড়িয়ে ধরল। দুজনের নগ্ন শরীর একে অপরের সাথে সেঁটে গেল। রবির শক্ত পুরুষাঙ্গ রানির পেটে ঠেকছিল—গরম, স্পন্দিত।
রবি রানিকে তুলে বিছানায় শুইয়ে দিল। দুপুরের রোদ এখন রানির নগ্ন শরীরের ওপর এসে পড়েছে। রবি তার দুই পা আলাদা করে ধরল। তার আঙুল রানির যোনির মুখে এসে লাগল—ভিজে, গরম। সে দুই আঙুল ঢুকিয়ে দিল। রানির কোমর উপরে উঠে এল। গোঙানি বেরিয়ে এল তার গলা দিয়ে।
রবি আঙুল বের করে নিজের পুরুষাঙ্গটা রানির যোনির মুখে বসাল। এক মুহূর্ত তাকিয়ে রইল রানির চোখের দিকে। তারপর ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিল—ইঞ্চি ইঞ্চি করে, যতক্ষণ না পুরোপুরি গভীরে চলে যায়। রানির মুখ হাঁ হয়ে গেল। তার নখ রবির পিঠে ফুটে বসল।
রবি এবার নড়তে শুরু করল। প্রথমে ধীরে, গভীরে। প্রতিটি আঘাতে রানির স্তন দুটো দুলছিল। রোদের আলোয় তার ঘামে ভেজা ত্বক চকচক করছিল। রবি রানির এক পা কাঁধের ওপর তুলে দিল। আরও গভীরে ঢুকতে লাগল। রানির যোনি রবির পুরুষাঙ্গকে চেপে ধরছিল—ভেজা শব্দ হচ্ছিল প্রতিটি ধাক্কায়।
“জোরে…” রানি ফিসফিস করে উঠল। তার চোখ বন্ধ। মুখ লাল। রবি তার কথা শুনে গতি বাড়িয়ে দিল। এখন আর ধীর নয়। জোরে, গভীরে, একটানা। বিছানা কেঁপে উঠছিল। রানির গোঙানি চিৎকারে পরিণত হচ্ছিল। তার পা দুটো রবির কোমর জড়িয়ে ধরেছিল। নখ দিয়ে পিঠে দাগ কেটে যাচ্ছিল।
রবি রানির দুই হাত মাথার ওপর চেপে ধরল। তার বুক রানির স্তনের ওপর চেপে গেল। মুখ নিচু করে রানির বোঁটা মুখে নিল—চুষতে লাগল, কামড়াতে লাগল। রানির শরীর কেঁপে উঠল। তার যোনি রবির পুরুষাঙ্গকে আরও জোরে চেপে ধরল।
রবি এবার সম্পূর্ণভাবে রানির ওপর ছেড়ে দিল নিজেকে। প্রতিটি ধাক্কায় তার পুরুষাঙ্গ পুরোপুরি বেরিয়ে এসে আবার গভীরে ঢুকে যাচ্ছিল। রানির রস গড়িয়ে উরু বেয়ে বিছানায় পড়ছিল। দুপুরের গরমে দুজনের শরীর ঘামে ভিজে এক হয়ে যাচ্ছিল। রবির শ্বাস রানির কানে এসে লাগছিল—গরম, ভারী।
রানির শরীর হঠাৎ শক্ত হয়ে উঠল। তার চোখ বেড়ে গেল। এক তীব্র কম্পন তার গোটা দেহে ছড়িয়ে পড়ল। সে চিৎকার করে উঠল—দীর্ঘ, অপ্রতিরোধ্য। তার যোনি রবির পুরুষাঙ্গকে জোরে চেপে ধরে কাঁপতে লাগল। রস গড়িয়ে পড়ছিল।
রবি থামল না। সে রানির সেই কাঁপুনির ভেতর দিয়েই চুদতে থাকল। আরও জোরে, আরও গভীরে। তার নিজের শরীরও শক্ত হয়ে উঠছিল। শেষ পর্যন্ত সে রানির গভীরে গরম বীর্য ঢেলে দিল—একটার পর একটা তীব্র ধাক্কায়। তার শরীর কেঁপে উঠল। তারপর রানির ওপর ঢলে পড়ল—হাঁপাতে হাঁপাতে, ঘামে ভেজা।
দুপুরের রোদ এখনো জানালা দিয়ে এসে পড়ছিল তাদের জড়ানো নগ্ন শরীরের ওপর। রবির পুরুষাঙ্গ এখনো রানির ভেতর ছিল। দুজনেই নিঃশব্দে হাঁপাচ্ছিল। বাইরে মাঠের মাটি ফেটে চৌচির, কিন্তু এই ঘরের ভেতর শুধু তাদের শ্বাস আর ঘামের গন্ধ ভাসছিল।
রবির পৌরুষ যখন রানীর শরীরকে পূর্ণ করতে শুরু করল, তখন রানি রবির কোমর জড়িয়ে ধরে নিজের শরীরকে তার সাথে একাত্ম করে নিল।
ঘরটা যেন রানীর কান্নায় আর কামনার আর্তনাদে ভরে উঠল। রবি রানিকে তার শরীরের নিচে বিছানায় চেপে ধরল। রানীর পা দুটো রবির কোমর জড়িয়ে রইল। তাদের শরীরের ঘর্ষণ যত বাড়ছিল, রানীর দীর্ঘশ্বাস তত ভারী হয়ে আসছিল। রবির প্রতিটি ধাক্কা রানীর শরীরের গভীরে গিয়ে যেন এক আদিম যুদ্ধের উন্মাদনা তৈরি করছিল। রানি তার সমস্ত অস্তিত্ব দিয়ে রবিকে গ্রহণ করছিল, রবির প্রতিটি পেশি তখন উত্তেজনায় টানটান। রানীর মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসা প্রতিটি গোঙানি আর দীর্ঘশ্বাস রবির ভেতরের দহনকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছিল। ঘামে ভেজা তাদের শরীরগুলো যখন একে অপরের সাথে লিপ্ত ছিল, তখন মনে হচ্ছিল তারা শরীরের সীমানা ছাড়িয়ে একে অপরের রক্তের সাথে মিশে যাচ্ছে। রানীর সেই তৃপ্তিময় চাহনি আর রবির অমানুষিক ক্ষমতা—দুপুরের সেই নির্জনতা যেন এক চরম কামনার পূর্ণতায় মূর্ত হয়ে উঠল।
পরদিন রাতে।
গভীর রাতের স্তব্ধতা অন্দরমহলকে যেন এক মায়াবী অন্ধকারে ঢেকে দিয়েছে। লন্ঠনের শিখাটা বাতাসের ঝাপটায় মাঝে মাঝে কেঁপে উঠছে, আর সেই কাঁপাকাঁপি সখিনা বেগমের ঘরের দেয়ালে দীর্ঘ ছায়ার জন্ম দিচ্ছে। রবি আজ নিঃশব্দে সখিনার কুঠুরিতে এসে দাঁড়িয়েছে। সখিনা একা, তার শয়নকক্ষ থেকে নির্গত হচ্ছে এক মাতাল করা ঘ্রাণ—যা যেন দীর্ঘদিনের জমানো তৃষ্ণার নির্যাস।
সখিনা বিছানায় অর্ধশায়িত অবস্থায় ছিল। তার পরনের পাতলা সুতির কাপড়টি শরীরের বাঁকগুলোকে কোনোভাবেই লুকাতে পারছে না। রবি কাছে যেতেই সখিনা তার দিকে তাকাল; সেই চাহনিতে কোনো লজ্জা নেই, বরং আছে এক অতল অভিজ্ঞতার হাতছানি। রবি কোনো ভূমিকা ছাড়াই সখিনার ওপর ঝুঁকে পড়ল। সখিনার শরীরের প্রতিটি ভাঁজ, প্রতিটি ভাঁজে জমে থাকা উষ্ণতা যেন রবির হাতের অপেক্ষায় ছিল।
রবি তার শক্ত হাত দিয়ে সখিনার বক্ষযুগলকে চেপে ধরল। সখিনার স্তনযুগল রানীর মতো টানটান নয়, কিন্তু তার মধ্যে আছে এক গভীর পরিপক্বতা—যেখানে আঙুলের চাপ দিলে মাংসের গভীরতা অনুভব করা যায়। সখিনা রবির মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে ফিসফিস করে বলল,
"রবি, তোর এই নেশা আমাদের শরীরকে না, বরং আমাদের আত্মাকে তিলে তিলে পুড়িয়ে দিচ্ছে।"
রবি উত্তর দিল না। সে সখিনার কাপড়টা এক ঝটকায় টেনে খুলে ফেলল। সখিনার নগ্ন শরীর লন্ঠনের আলোয় উন্মোচিত হলো—বড় বড়, ভারী, সামান্য ঝুলে পড়া স্তন দুটো। রবি সেগুলো দুই হাতে তুলে চেপে ধরল। আঙুলের ফাঁক দিয়ে নরম মাংস বেরিয়ে আসছিল। সে মাথা নিচু করে এক বোঁটা মুখে নিল। জিভ দিয়ে ঘষতে ঘষতে চুষতে লাগল। সখিনার গলা দিয়ে গভীর গোঙানি বেরিয়ে এল।
সখিনা রবির চুল ধরে তার মাথা নিচের দিকে ঠেলল। রবি ধীরে ধীরে নামতে লাগল—পেটের ওপর জিভ বুলিয়ে, নাভির গর্তে চুমু খেয়ে। তারপর সখিনার দুই উরুর মাঝখানে মুখ রাখল। কিন্তু সখিনা তাকে থামিয়ে দিল। সে নিজেই উঠে বসল এবং রবিকে চিত করে শুইয়ে দিল।
সখিনা রবির পায়জামা নামিয়ে দিল। তার শক্ত পুরুষাঙ্গ বেরিয়ে এল—গরম, স্পন্দিত। সখিনা দুই হাতে ধরে মুখের কাছে নিয়ে এল। প্রথমে জিভ দিয়ে মাথাটা চাটল, তারপর ধীরে ধীরে পুরো মুখে নিয়ে নিল। তার ঠোঁট শক্ত করে চেপে ধরে আস্তে আস্তে চুষতে লাগল। রবির কোমর কেঁপে উঠল। সখিনা গভীরে নিয়ে গলায় ঠেকাতেন, আবার বের করে জিভ দিয়ে ঘষতেন। লালা গড়িয়ে পুরুষাঙ্গ বেয়ে নামছিল।
রবি মাথা তুলে দেখছিল—তার মায়ের মুখ তার পুরুষাঙ্গ চুষছে। সখিনার চোখ বন্ধ, ঠোঁট ভেজা, গাল দুটো ফুলে আছে। তিনি কখনো দ্রুত চুষছিলেন, কখনো আস্তে আস্তে জিভ ঘষছিলেন। রবির হাত সখিনার মাথায় গিয়ে পড়ল। সে হালকা করে কোমর উঁচু করে সখিনার মুখে আরও একটু ঢুকিয়ে দিল।
কিছুক্ষণ পর সখিনা পুরুষাঙ্গটা মুখ থেকে বের করে নিল। সে রবির দুই পাশে হাঁটু গেড়ে বসল এবং নিজের বড় বড় স্তন দুটো দুই হাতে তুলে এনে রবির পুরুষাঙ্গের দুইপাশে চেপে ধরল। নরম, উষ্ণ মাংসের ভেতর রবির শক্ত লিঙ্গ আটকে গেল। সখিনা স্তন দুটো জোরে চেপে ধরে উপরে-নিচে নাড়াতে লাগলেন।
রবির পুরুষাঙ্গ সখিনার স্তনের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে আসছিল আবার ঢুকে যাচ্ছিল। সখিনা মাঝে মাঝে মাথা নিচু করে বেরিয়ে আসা অংশটা জিভ দিয়ে চাটছিল। তার স্তনের ত্বক ঘামে ভিজে চকচক করছিল। রবির পুরুষাঙ্গ সেই নরম মাংসের চাপে কেঁপে উঠছিল। সখিনা আরও জোরে চেপে ধরলেন। তার স্তন দুটো রবির লিঙ্গকে পুরোপুরি ঢেকে ফেলছিল—শুধু মাথাটা মাঝে মাঝে বেরিয়ে আসছিল।
রবি কোমর উঁচু করে সখিনার স্তনের ফাঁকে ধাক্কা দিতে লাগল। প্রতিটি ধাক্কায় সখিনার স্তন কেঁপে উঠছিল। সখিনা নিজেই স্তন দুটো চেপে ধরে রবির আঘাতকে সাহায্য করছিলেন। তার মুখ দিয়ে গোঙানি বেরোচ্ছিল। লন্ঠনের আলোয় সেই দৃশ্য রগরগে মনে হচ্ছিল—মায়ের বড় বড় স্তনের ফাঁকে ছেলের পুরুষাঙ্গ ঢোকা-বেরোনো করছে।
রবির শ্বাস দ্রুত হয়ে উঠল। সে সখিনার স্তন দুটো আরও জোরে চেপে ধরতে বলল। সখিনা দুই হাতে নিজের স্তন চেপে ধরে রবির পুরুষাঙ্গকে পুরোপুরি আটকে ফেললেন। রবি শেষ কয়েকটা জোরে ধাক্কা মারল। তার শরীর শক্ত হয়ে উঠল। গরম বীর্যের ধারা সখিনার স্তনের ফাঁক দিয়ে গড়িয়ে পড়ল—স্তনের ত্বকে, বোঁটায়, পেটে।
সখিনা সেই বীর্য আঙুল দিয়ে তুলে মুখে নিল। তারপর রবির পুরুষাঙ্গটা আবার মুখে নিয়ে বাকিটা চুষে নিল। রবি হাঁপাতে হাঁপাতে বিছানায় শুয়ে রইল। সখিনা তার বুকে মাথা রেখে শুয়ে পড়লেন। লন্ঠনের শিখা এখনো কাঁপছিল। ঘরের বাতাসে শুধু তাদের শ্বাস আর কামনার গন্ধ ভাসছিল।
***
রবির শ্বাস দ্রুত হয়ে উঠল। সে সখিনার স্তন দুটো আরও জোরে চেপে ধরতে বলল। সখিনা দুই হাতে নিজের স্তন চেপে ধরে রবির পুরুষাঙ্গকে পুরোপুরি আটকে ফেললেন। রবি শেষ কয়েকটা জোরে ধাক্কা মারল। তার শরীর শক্ত হয়ে উঠল। গরম বীর্যের ধারা সখিনার স্তনের ফাঁক দিয়ে গড়িয়ে পড়ল—স্তনের ত্বকে, বোঁটায়, পেটে।
সখিনা সেই বীর্য আঙুল দিয়ে তুলে মুখে নিল। তারপর রবির পুরুষাঙ্গটা আবার মুখে নিয়ে বাকিটা চুষে নিল। রবি হাঁপাতে হাঁপাতে বিছানায় শুয়ে রইল। সখিনা তার বুকে মাথা রেখে শুয়ে পড়লেন। লন্ঠনের শিখা এখনো কাঁপছিল। ঘরের বাতাসে শুধু তাদের শ্বাস আর কামনার গন্ধ ভাসছিল।
কিছুক্ষণ নীরবতা। তারপর রবির হাত সখিনার পিঠ বেয়ে নামতে লাগল। সে সখিনার নিতম্ব চেপে ধরল। সখিনা মাথা তুলে রবির চোখের দিকে তাকাল। সেই চাহনিতে আর কোনো দ্বিধা ছিল না। রবি সখিনাকে চিত করে শুইয়ে দিল। তার দুই হাঁটু দিয়ে সখিনার উরু আলাদা করে ধরল। সখিনার যোনি তখনও ভিজে ছিল—আগের উত্তেজনার রসে চকচক করছিল।
রবি নিজের পুরুষাঙ্গটা সখিনার যোনির মুখে এনে ঘষতে লাগল। মাথাটা দিয়ে উপরের নরম মাংস আলতো করে চাপ দিচ্ছিল। সখিনার কোমর আপনা থেকেই উঁচু হয়ে উঠল। রবি আর অপেক্ষা করল না। সে এক গভীর ধাক্কায় পুরোপুরি ঢুকিয়ে দিল।
সখিনার গলা দিয়ে একটা দীর্ঘ, ভাঙা গোঙানি বেরিয়ে এল। “আহ্… রবি…” তাঁর দুই হাত রবির পিঠে গিয়ে পড়ল। নখ দিয়ে চামড়া কেটে যাচ্ছিল। রবি স্থির হয়ে রইল কিছুক্ষণ—পুরোপুরি গভীরে ঢোকানো অবস্থায়। সখিনার যোনির গরম, ভেজা দেয়াল তার পুরুষাঙ্গকে চারপাশ থেকে চেপে ধরেছিল। যে জায়গা থেকে সে একদিন বেরিয়ে এসেছিল, আজ সেখানেই সে পুরোপুরি ডুবে আছে।
তারপর রবি নড়তে শুরু করল। প্রথমে ধীরে। লম্বা লম্বা টান—পুরোপুরি বের করে আবার গভীরে ঢুকিয়ে দেওয়া। প্রতিটি আঘাতে সখিনার বড় স্তন দুটো দুলছিল। রবি এক হাত দিয়ে সেই স্তন চেপে ধরল, আঙুল দিয়ে বোঁটা মোচড় দিচ্ছিল। অন্য হাত দিয়ে সখিনার কোমর চেপে ধরে আরও জোরে টানছিল নিজের দিকে।
সখিনার চোখ বন্ধ। মুখ হাঁ। প্রতিটি ধাক্কায় তাঁর গলা দিয়ে অস্ফুট আওয়াজ বেরোচ্ছিল—“আহ্… আহ্… আরও… আরও গভীরে…”। রবি গতি বাড়িয়ে দিল। এখন আর ধীর নয়। জোরে, দ্রুত, একটানা। বিছানার কাঠ কেঁপে উঠছিল। সখিনার উরু রবির কোমরে জড়িয়ে ধরছিল। তাঁর পায়ের গোড়ালি রবির নিতম্বে ফুটে বসছিল।
রবি সখিনার এক পা তুলে কাঁধের ওপর রাখল। কোণ বদলে গেল। এবার পুরুষাঙ্গ আরও গভীরে ঢুকছিল—সখিনার পেটের ভেতর পর্যন্ত যেন। সখিনা চিৎকার করে উঠলেন। তাঁর যোনি রবির পুরুষাঙ্গকে জোরে চেপে ধরছিল। রস গড়িয়ে উরু বেয়ে বিছানায় পড়ছিল। লন্ঠনের আলোয় সেই ভেজা শব্দ আরও রগরগে শোনাল।
রবি এবার সখিনাকে উল্টে উপুড় করে শুইয়ে দিল। পেছন থেকে হাঁটু গেড়ে বসল। সখিনার কোমর দুই হাতে চেপে ধরে আবার ঢুকিয়ে দিল। এবার আরও জোরে। প্রতিটি ধাক্কায় সখিনার নিতম্ব রবির উরুর সাথে ধাক্কা খাচ্ছিল। সখিনার মুখ বালিশে চাপা পড়ে গোঙাচ্ছিল। রবি এক হাত এগিয়ে সখিনার চুল ধরে টানল। অন্য হাত দিয়ে তাঁর স্তন চেপে পিষতে লাগল।
“মা…” রবি গোঙিয়ে উঠল। কথাটা বেরিয়েই গেল। সখিনার শরীর সেই ডাকে কেঁপে উঠল। তিনি পেছন দিকে হাত বাড়িয়ে রবির উরু চেপে ধরলেন। “চুদো… আমার ভেতর চুদো…” বলে তিনি নিজেই কোমর পেছনে ঠেলতে লাগলেন।
রবি পাগলের মতো আঘাত করতে লাগল। ঘামে দুজনের শরীর ভিজে যাচ্ছিল। সখিনার যোনি থেকে রস গড়িয়ে রবির পুরুষাঙ্গ বেয়ে নামছিল। হঠাৎ সখিনার শরীর শক্ত হয়ে উঠল। তাঁর যোনি রবির পুরুষাঙ্গকে এমনভাবে চেপে ধরল যে রবির শ্বাস আটকে গেল। সখিনা দীর্ঘ চিৎকার করে উঠলেন—তাঁর গোটা শরীর কেঁপে কেঁপে কাঁপছিল। রস গড়িয়ে পড়ছিল।
রবি থামল না। সে সখিনার সেই কাঁপুনির ভেতর দিয়েই চুদতে থাকল। আরও কয়েকটা জোরে ধাক্কা। তারপর তার নিজের শরীরও শক্ত হয়ে উঠল। সে সখিনার গভীরে গরম বীর্য ঢেলে দিল—একটার পর একটা তীব্র স্পন্দনে। তার কোমর কেঁপে উঠল। বীর্য সখিনার যোনির ভেতর গড়িয়ে পড়ছিল।
রবি সখিনার ওপর ঢলে পড়ল। দুজনের ঘামে ভেজা শরীর একে অপরের সাথে লেগে ছিল। রবির পুরুষাঙ্গ এখনো সখিনার ভেতর ছিল—নরম হয়ে আসছিল, কিন্তু বেরোচ্ছিল না। সখিনা পেছন দিকে হাত বাড়িয়ে রবির মাথা ছুঁয়ে দিলেন। লন্ঠনের শিখা কাঁপছিল। ঘরের অন্ধকারে শুধু তাদের ভারী শ্বাস আর মায়ের যোনিতে ছেলের বীর্যের উষ্ণতা ভাসছিল।
##
সখিনার আর্তনাদ আর রবির গম্ভীর গোঙানির শব্দ ঘরের নিস্তব্ধতাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিচ্ছিল। সখিনা রবির পৌরুষের প্রচণ্ড উত্তাপ নিজের ভেতরে অনুভব করছিল। রবির প্রতিটা ধাক্কা ছিল পৈশাচিক শক্তির মতো—সে সখিনাকে বিছানায় পিষে ফেলছিল, আর সখিনা তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার সমস্ত কৌশল দিয়ে রবির সেই দহনকে নিজের ভেতর শুষে নিচ্ছিল। সখিনার শরীরের প্রতিটি উত্তপ্ত ভাঁজ রবির পৌরুষকে ঘিরে ধরে এমনভাবে দুলছিল যে, রবি তার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলল।
ঘরটা তখন ঘামের তীব্র গন্ধে ভারী হয়ে উঠেছে। লন্ঠনের আলোটা তাদের শরীরের ছায়ার নৃত্যে আরও অস্থির হয়ে উঠেছে। রবি সখিনাকে এমন ভঙ্গিতে ভোগ করছিল যে সখিনার সারা শরীর তখন আড়ষ্ট হয়ে আসছে, তার চোখ দুটো উল্টে যাচ্ছে। রবির শরীরের প্রতিটি পেশি যখন সখিনার ওপর আছড়ে পড়ছে, সখিনা তখন তার সমস্ত শরীর দিয়ে রবির কোমর আঁকড়ে ধরে আছে। সখিনার সেই পরিপক্ব স্তনগুলো রবির বুকের ওপর আছড়ে পড়ে এক বিচিত্র ছন্দের জন্ম দিচ্ছিল। চূড়ান্ত তৃপ্তির মুহূর্তে রবি যখন সখিনার ভেতরে নিজেকে বিলিয়ে দিল, সখিনা দীর্ঘ এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে রবির ঘাড়ে মুখ লুকাল। তাদের সেই আদিম মিলন রাতের নিস্তব্ধতাকে এমনভাবে কাঁপিয়ে দিল, যা বাইরের অন্ধকারকেও হার মানায়। সখিনা বুঝতে পারল, এই নেশা কেবল শরীর নয়, তার অস্তিত্বের শেষ বিন্দু পর্যন্ত শুষে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
।
প্রতিটি আলাদা সময়, প্রতিটি আলাদা শরীর—রবির কাছে এখন একেকটি অভিজ্ঞতার মতো। সে জানে, এই তিন নারীকে সে যখন যেভাবে ব্যবহার করছে, তাতে অন্দরমহলের রহস্য কোনোদিন শেষ হওয়ার নয়। টুকটুকির তারুণ্য, রানীর আত্মসমর্পণ, আর সখিনার সেই আদিম তৃষ্ণা—রবি এখন এই তিন তৃষ্ণার সওদাগর। সে এখন প্রতিটি নারীর আলাদা নেশায় নিজেকে বিলিয়ে
দিয়ে অন্দরমহলকে এক অভিশপ্ত যৌনতার মানচিত্রে পরিণত করেছে।
গভীর রাতের স্তব্ধতা অন্দরমহলকে যেন এক মায়াবী অন্ধকারে ঢেকে দিয়েছে। লন্ঠনের শিখাটা বাতাসের ঝাপটায় মাঝে মাঝে কেঁপে উঠছে, আর সেই কাঁপাকাঁপি সখিনা বেগমের ঘরের দেয়ালে দীর্ঘ ছায়ার জন্ম দিচ্ছে। রবি আজ নিঃশব্দে সখিনার কুঠুরিতে এসে দাঁড়িয়েছে। সখিনা একা, তার শয়নকক্ষ থেকে নির্গত হচ্ছে এক মাতাল করা ঘ্রাণ—যা যেন দীর্ঘদিনের জমানো তৃষ্ণার নির্যাস।
সখিনা বিছানায় অর্ধশায়িত অবস্থায় ছিল। তার পরনের পাতলা সুতির কাপড়টি শরীরের বাঁকগুলোকে কোনোভাবেই লুকাতে পারছে না। রবি কাছে যেতেই সখিনা তার দিকে তাকাল; সেই চাহনিতে কোনো লজ্জা নেই, বরং আছে এক অতল অভিজ্ঞতার হাতছানি। রবি কোনো ভূমিকা ছাড়াই সখিনার ওপর ঝুঁকে পড়ল। সখিনার শরীরের প্রতিটি ভাঁজ, প্রতিটি ভাঁজে জমে থাকা উষ্ণতা যেন রবির হাতের অপেক্ষায় ছিল।
রবি তার শক্ত হাত দিয়ে সখিনার বক্ষযুগলকে চেপে ধরল। সখিনার স্তনযুগল রানীর মতো টানটান নয়, কিন্তু তার মধ্যে আছে এক গভীর পরিপক্বতা—যেখানে আঙুলের চাপ দিলে মাংসের গভীরতা অনুভব করা যায়। সখিনা রবির মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে ফিসফিস করে বলল,
"রবি, তোর এই নেশা আমাদের শরীরকে না, বরং আমাদের আত্মাকে তিলে তিলে পুড়িয়ে দিচ্ছে।"
রবি উত্তর দিল না। সে সখিনার কাপড়টা এক ঝটকায় টেনে খুলে ফেলল। সখিনার নগ্ন শরীর লন্ঠনের আলোয় উন্মোচিত হলো—বড় বড়, ভারী, সামান্য ঝুলে পড়া স্তন দুটো। রবি সেগুলো দুই হাতে তুলে চেপে ধরল। আঙুলের ফাঁক দিয়ে নরম মাংস বেরিয়ে আসছিল। সে মাথা নিচু করে এক বোঁটা মুখে নিল। জিভ দিয়ে ঘষতে ঘষতে চুষতে লাগল। সখিনার গলা দিয়ে গভীর গোঙানি বেরিয়ে এল।
সখিনা রবির চুল ধরে তার মাথা নিচের দিকে ঠেলল। রবি ধীরে ধীরে নামতে লাগল—পেটের ওপর জিভ বুলিয়ে, নাভির গর্তে চুমু খেয়ে। তারপর সখিনার দুই উরুর মাঝখানে মুখ রাখল। কিন্তু সখিনা তাকে থামিয়ে দিল। সে নিজেই উঠে বসল এবং রবিকে চিত করে শুইয়ে দিল।
সখিনা রবির পায়জামা নামিয়ে দিল। তার শক্ত পুরুষাঙ্গ বেরিয়ে এল—গরম, স্পন্দিত। সখিনা দুই হাতে ধরে মুখের কাছে নিয়ে এল। প্রথমে জিভ দিয়ে মাথাটা চাটল, তারপর ধীরে ধীরে পুরো মুখে নিয়ে নিল। তার ঠোঁট শক্ত করে চেপে ধরে আস্তে আস্তে চুষতে লাগল। রবির কোমর কেঁপে উঠল। সখিনা গভীরে নিয়ে গলায় ঠেকাতেন, আবার বের করে জিভ দিয়ে ঘষতেন। লালা গড়িয়ে পুরুষাঙ্গ বেয়ে নামছিল।
রবি মাথা তুলে দেখছিল—তার মায়ের মুখ তার পুরুষাঙ্গ চুষছে। সখিনার চোখ বন্ধ, ঠোঁট ভেজা, গাল দুটো ফুলে আছে। তিনি কখনো দ্রুত চুষছিলেন, কখনো আস্তে আস্তে জিভ ঘষছিলেন। রবির হাত সখিনার মাথায় গিয়ে পড়ল। সে হালকা করে কোমর উঁচু করে সখিনার মুখে আরও একটু ঢুকিয়ে দিল।
কিছুক্ষণ পর সখিনা পুরুষাঙ্গটা মুখ থেকে বের করে নিল। সে রবির দুই পাশে হাঁটু গেড়ে বসল এবং নিজের বড় বড় স্তন দুটো দুই হাতে তুলে এনে রবির পুরুষাঙ্গের দুইপাশে চেপে ধরল। নরম, উষ্ণ মাংসের ভেতর রবির শক্ত লিঙ্গ আটকে গেল। সখিনা স্তন দুটো জোরে চেপে ধরে উপরে-নিচে নাড়াতে লাগলেন।
রবির পুরুষাঙ্গ সখিনার স্তনের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে আসছিল আবার ঢুকে যাচ্ছিল। সখিনা মাঝে মাঝে মাথা নিচু করে বেরিয়ে আসা অংশটা জিভ দিয়ে চাটছিল। তার স্তনের ত্বক ঘামে ভিজে চকচক করছিল। রবির পুরুষাঙ্গ সেই নরম মাংসের চাপে কেঁপে উঠছিল। সখিনা আরও জোরে চেপে ধরলেন। তার স্তন দুটো রবির লিঙ্গকে পুরোপুরি ঢেকে ফেলছিল—শুধু মাথাটা মাঝে মাঝে বেরিয়ে আসছিল।
রবি কোমর উঁচু করে সখিনার স্তনের ফাঁকে ধাক্কা দিতে লাগল। প্রতিটি ধাক্কায় সখিনার স্তন কেঁপে উঠছিল। সখিনা নিজেই স্তন দুটো চেপে ধরে রবির আঘাতকে সাহায্য করছিলেন। তার মুখ দিয়ে গোঙানি বেরোচ্ছিল। লন্ঠনের আলোয় সেই দৃশ্য রগরগে মনে হচ্ছিল—মায়ের বড় বড় স্তনের ফাঁকে ছেলের পুরুষাঙ্গ ঢোকা-বেরোনো করছে।
রবির শ্বাস দ্রুত হয়ে উঠল। সে সখিনার স্তন দুটো আরও জোরে চেপে ধরতে বলল। সখিনা দুই হাতে নিজের স্তন চেপে ধরে রবির পুরুষাঙ্গকে পুরোপুরি আটকে ফেললেন। রবি শেষ কয়েকটা জোরে ধাক্কা মারল। তার শরীর শক্ত হয়ে উঠল। গরম বীর্যের ধারা সখিনার স্তনের ফাঁক দিয়ে গড়িয়ে পড়ল—স্তনের ত্বকে, বোঁটায়, পেটে।
সখিনা সেই বীর্য আঙুল দিয়ে তুলে মুখে নিল। তারপর রবির পুরুষাঙ্গটা আবার মুখে নিয়ে বাকিটা চুষে নিল। রবি হাঁপাতে হাঁপাতে বিছানায় শুয়ে রইল। সখিনা তার বুকে মাথা রেখে শুয়ে পড়লেন। লন্ঠনের শিখা এখনো কাঁপছিল। ঘরের বাতাসে শুধু তাদের শ্বাস আর কামনার গন্ধ ভাসছিল।
***
রবির শ্বাস দ্রুত হয়ে উঠল। সে সখিনার স্তন দুটো আরও জোরে চেপে ধরতে বলল। সখিনা দুই হাতে নিজের স্তন চেপে ধরে রবির পুরুষাঙ্গকে পুরোপুরি আটকে ফেললেন। রবি শেষ কয়েকটা জোরে ধাক্কা মারল। তার শরীর শক্ত হয়ে উঠল। গরম বীর্যের ধারা সখিনার স্তনের ফাঁক দিয়ে গড়িয়ে পড়ল—স্তনের ত্বকে, বোঁটায়, পেটে।
সখিনা সেই বীর্য আঙুল দিয়ে তুলে মুখে নিল। তারপর রবির পুরুষাঙ্গটা আবার মুখে নিয়ে বাকিটা চুষে নিল। রবি হাঁপাতে হাঁপাতে বিছানায় শুয়ে রইল। সখিনা তার বুকে মাথা রেখে শুয়ে পড়লেন। লন্ঠনের শিখা এখনো কাঁপছিল। ঘরের বাতাসে শুধু তাদের শ্বাস আর কামনার গন্ধ ভাসছিল।
কিছুক্ষণ নীরবতা। তারপর রবির হাত সখিনার পিঠ বেয়ে নামতে লাগল। সে সখিনার নিতম্ব চেপে ধরল। সখিনা মাথা তুলে রবির চোখের দিকে তাকাল। সেই চাহনিতে আর কোনো দ্বিধা ছিল না। রবি সখিনাকে চিত করে শুইয়ে দিল। তার দুই হাঁটু দিয়ে সখিনার উরু আলাদা করে ধরল। সখিনার যোনি তখনও ভিজে ছিল—আগের উত্তেজনার রসে চকচক করছিল।
রবি নিজের পুরুষাঙ্গটা সখিনার যোনির মুখে এনে ঘষতে লাগল। মাথাটা দিয়ে উপরের নরম মাংস আলতো করে চাপ দিচ্ছিল। সখিনার কোমর আপনা থেকেই উঁচু হয়ে উঠল। রবি আর অপেক্ষা করল না। সে এক গভীর ধাক্কায় পুরোপুরি ঢুকিয়ে দিল।
সখিনার গলা দিয়ে একটা দীর্ঘ, ভাঙা গোঙানি বেরিয়ে এল। “আহ্… রবি…” তাঁর দুই হাত রবির পিঠে গিয়ে পড়ল। নখ দিয়ে চামড়া কেটে যাচ্ছিল। রবি স্থির হয়ে রইল কিছুক্ষণ—পুরোপুরি গভীরে ঢোকানো অবস্থায়। সখিনার যোনির গরম, ভেজা দেয়াল তার পুরুষাঙ্গকে চারপাশ থেকে চেপে ধরেছিল। যে জায়গা থেকে সে একদিন বেরিয়ে এসেছিল, আজ সেখানেই সে পুরোপুরি ডুবে আছে।
তারপর রবি নড়তে শুরু করল। প্রথমে ধীরে। লম্বা লম্বা টান—পুরোপুরি বের করে আবার গভীরে ঢুকিয়ে দেওয়া। প্রতিটি আঘাতে সখিনার বড় স্তন দুটো দুলছিল। রবি এক হাত দিয়ে সেই স্তন চেপে ধরল, আঙুল দিয়ে বোঁটা মোচড় দিচ্ছিল। অন্য হাত দিয়ে সখিনার কোমর চেপে ধরে আরও জোরে টানছিল নিজের দিকে।
সখিনার চোখ বন্ধ। মুখ হাঁ। প্রতিটি ধাক্কায় তাঁর গলা দিয়ে অস্ফুট আওয়াজ বেরোচ্ছিল—“আহ্… আহ্… আরও… আরও গভীরে…”। রবি গতি বাড়িয়ে দিল। এখন আর ধীর নয়। জোরে, দ্রুত, একটানা। বিছানার কাঠ কেঁপে উঠছিল। সখিনার উরু রবির কোমরে জড়িয়ে ধরছিল। তাঁর পায়ের গোড়ালি রবির নিতম্বে ফুটে বসছিল।
রবি সখিনার এক পা তুলে কাঁধের ওপর রাখল। কোণ বদলে গেল। এবার পুরুষাঙ্গ আরও গভীরে ঢুকছিল—সখিনার পেটের ভেতর পর্যন্ত যেন। সখিনা চিৎকার করে উঠলেন। তাঁর যোনি রবির পুরুষাঙ্গকে জোরে চেপে ধরছিল। রস গড়িয়ে উরু বেয়ে বিছানায় পড়ছিল। লন্ঠনের আলোয় সেই ভেজা শব্দ আরও রগরগে শোনাল।
রবি এবার সখিনাকে উল্টে উপুড় করে শুইয়ে দিল। পেছন থেকে হাঁটু গেড়ে বসল। সখিনার কোমর দুই হাতে চেপে ধরে আবার ঢুকিয়ে দিল। এবার আরও জোরে। প্রতিটি ধাক্কায় সখিনার নিতম্ব রবির উরুর সাথে ধাক্কা খাচ্ছিল। সখিনার মুখ বালিশে চাপা পড়ে গোঙাচ্ছিল। রবি এক হাত এগিয়ে সখিনার চুল ধরে টানল। অন্য হাত দিয়ে তাঁর স্তন চেপে পিষতে লাগল।
“মা…” রবি গোঙিয়ে উঠল। কথাটা বেরিয়েই গেল। সখিনার শরীর সেই ডাকে কেঁপে উঠল। তিনি পেছন দিকে হাত বাড়িয়ে রবির উরু চেপে ধরলেন। “চুদো… আমার ভেতর চুদো…” বলে তিনি নিজেই কোমর পেছনে ঠেলতে লাগলেন।
রবি পাগলের মতো আঘাত করতে লাগল। ঘামে দুজনের শরীর ভিজে যাচ্ছিল। সখিনার যোনি থেকে রস গড়িয়ে রবির পুরুষাঙ্গ বেয়ে নামছিল। হঠাৎ সখিনার শরীর শক্ত হয়ে উঠল। তাঁর যোনি রবির পুরুষাঙ্গকে এমনভাবে চেপে ধরল যে রবির শ্বাস আটকে গেল। সখিনা দীর্ঘ চিৎকার করে উঠলেন—তাঁর গোটা শরীর কেঁপে কেঁপে কাঁপছিল। রস গড়িয়ে পড়ছিল।
রবি থামল না। সে সখিনার সেই কাঁপুনির ভেতর দিয়েই চুদতে থাকল। আরও কয়েকটা জোরে ধাক্কা। তারপর তার নিজের শরীরও শক্ত হয়ে উঠল। সে সখিনার গভীরে গরম বীর্য ঢেলে দিল—একটার পর একটা তীব্র স্পন্দনে। তার কোমর কেঁপে উঠল। বীর্য সখিনার যোনির ভেতর গড়িয়ে পড়ছিল।
রবি সখিনার ওপর ঢলে পড়ল। দুজনের ঘামে ভেজা শরীর একে অপরের সাথে লেগে ছিল। রবির পুরুষাঙ্গ এখনো সখিনার ভেতর ছিল—নরম হয়ে আসছিল, কিন্তু বেরোচ্ছিল না। সখিনা পেছন দিকে হাত বাড়িয়ে রবির মাথা ছুঁয়ে দিলেন। লন্ঠনের শিখা কাঁপছিল। ঘরের অন্ধকারে শুধু তাদের ভারী শ্বাস আর মায়ের যোনিতে ছেলের বীর্যের উষ্ণতা ভাসছিল।
##
সখিনার আর্তনাদ আর রবির গম্ভীর গোঙানির শব্দ ঘরের নিস্তব্ধতাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিচ্ছিল। সখিনা রবির পৌরুষের প্রচণ্ড উত্তাপ নিজের ভেতরে অনুভব করছিল। রবির প্রতিটা ধাক্কা ছিল পৈশাচিক শক্তির মতো—সে সখিনাকে বিছানায় পিষে ফেলছিল, আর সখিনা তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার সমস্ত কৌশল দিয়ে রবির সেই দহনকে নিজের ভেতর শুষে নিচ্ছিল। সখিনার শরীরের প্রতিটি উত্তপ্ত ভাঁজ রবির পৌরুষকে ঘিরে ধরে এমনভাবে দুলছিল যে, রবি তার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলল।
ঘরটা তখন ঘামের তীব্র গন্ধে ভারী হয়ে উঠেছে। লন্ঠনের আলোটা তাদের শরীরের ছায়ার নৃত্যে আরও অস্থির হয়ে উঠেছে। রবি সখিনাকে এমন ভঙ্গিতে ভোগ করছিল যে সখিনার সারা শরীর তখন আড়ষ্ট হয়ে আসছে, তার চোখ দুটো উল্টে যাচ্ছে। রবির শরীরের প্রতিটি পেশি যখন সখিনার ওপর আছড়ে পড়ছে, সখিনা তখন তার সমস্ত শরীর দিয়ে রবির কোমর আঁকড়ে ধরে আছে। সখিনার সেই পরিপক্ব স্তনগুলো রবির বুকের ওপর আছড়ে পড়ে এক বিচিত্র ছন্দের জন্ম দিচ্ছিল। চূড়ান্ত তৃপ্তির মুহূর্তে রবি যখন সখিনার ভেতরে নিজেকে বিলিয়ে দিল, সখিনা দীর্ঘ এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে রবির ঘাড়ে মুখ লুকাল। তাদের সেই আদিম মিলন রাতের নিস্তব্ধতাকে এমনভাবে কাঁপিয়ে দিল, যা বাইরের অন্ধকারকেও হার মানায়। সখিনা বুঝতে পারল, এই নেশা কেবল শরীর নয়, তার অস্তিত্বের শেষ বিন্দু পর্যন্ত শুষে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
।
প্রতিটি আলাদা সময়, প্রতিটি আলাদা শরীর—রবির কাছে এখন একেকটি অভিজ্ঞতার মতো। সে জানে, এই তিন নারীকে সে যখন যেভাবে ব্যবহার করছে, তাতে অন্দরমহলের রহস্য কোনোদিন শেষ হওয়ার নয়। টুকটুকির তারুণ্য, রানীর আত্মসমর্পণ, আর সখিনার সেই আদিম তৃষ্ণা—রবি এখন এই তিন তৃষ্ণার সওদাগর। সে এখন প্রতিটি নারীর আলাদা নেশায় নিজেকে বিলিয়ে
দিয়ে অন্দরমহলকে এক অভিশপ্ত যৌনতার মানচিত্রে পরিণত করেছে।

