09-05-2026, 06:04 AM
ছবিটা খুলতেই রাহুলের বুকের ভেতর সেই পুরনো, চেনা আগ্নেয়গিরিটা সজোরে ফেটে পড়ল। এপ্রিলের সেই প্রথম ছবিটা দেখে ওর যে তীব্র উষ্ণতা আর শিহরণ হয়েছিল, এই মুহূর্তের অনুভূতিটা তার চেয়ে অন্তত দশ গুণ বেশি শক্তিশালী, দশ গুণ বেশি মাদকতাময়। ওর মগজের শিরা-উপশিরাগুলো যেন এক প্রবল উত্তেজনায় ফেটে যাওয়ার উপক্রম হলো। ওর চোখদুটো ছবিটার প্রতিটা ইঞ্চিতে আটকে গেল। শরীরের সমস্ত রক্ত যেন নিমেষে নেমে এল ওর তলপেটে। অবচেতনভাবেই ওর হাতদুটো চলে গেল ওর ট্র্যাকপ্যান্টের ওপর। কাপড়ের ওপর দিয়েই ও নিজের সেই ঋজু, স্পন্দনশীল, এবং চরম উত্তপ্ত হয়ে ওঠা পৌরুষটিকে শক্ত করে চেপে ধরল।
ঠিক দু-তিন মিনিট পর, ছবির নিচে ইন্দিরার একটা লম্বা মেসেজ ফুটে উঠল। মেসেজটা আদ্যোপান্ত এক মায়ের তার ছেলের প্রতি অন্ধ, নিঃশর্ত এবং সর্বগ্রাসী ভালোবাসায় মোড়ানো।
**ইন্দিরা:** "রাহুল, এটা শুধুই তোর জন্য। আবার বলছি সোনা, প্লিজ সাবধানে রাখিস এটা, বাইরের কারও চোখে যেন না পড়ে। তুই তো জানিস মা তোকে কতটা ভালোবাসে, তাই না? আমার বাচ্চা, আমার সোনা, আমার বাবু, আমার পুচু... মা তোকে ছাড়া এক মুহূর্তও থাকতে পারে না রে। তুই-ই মায়ের সব, মায়ের গোটা পৃথিবী। মা তার বাবুর জন্য সবকিছু করতে পারে, সব..."
মেসেজটা পড়তে পড়তেই রাহুলের শরীরের ভেতরের ওই দাবানলটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেল। ও ট্র্যাকপ্যান্টের দড়িটা টেনে আলগা করে দিল এবং নিজের ওই উত্তপ্ত, কাঁপতে থাকা স্পন্দনটিকে সরাসরি হাতের মুঠোয় বের করে আনল। স্ক্রিনের ওপর জ্বলজ্বল করতে থাকা মায়ের ওই মোহময় রূপের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থেকেই ওর হাতটা চলতে শুরু করল। হাতের ওই ওঠানামার ছন্দে ওর মগজে বিদ্যুতের মতো খেলে গেল সেই এপ্রিলের দুপুরের স্মৃতিটা। বাথরুমের সেই ঠান্ডা জলের নিচে মায়ের নরম, ফর্সা আঙুলগুলো ঠিক এভাবেই তো ওকে ধরেছিল! মায়ের হাতের সেই জাদুকরী, পিচ্ছিল ছন্দের কথা মনে করে রাহুল নিজের হাতের মুঠোটাকে ঠিক সেইভাবেই চালাতে লাগল, যেন ওর নিজের হাত নয়, স্বয়ং মা-ই ওকে আদর করে দিচ্ছে।
ও মেসেজের পরের অংশটা পড়তে শুরু করল:
**ইন্দিরা:** "প্লিজ আর একটুও মন খারাপ করে থাকিস না। আমার ছবিটার দিকে তাকা সোনা, আর ভাব যে মা তোর একদম পাশেই আছে। মা তোকে শান্ত করে দিচ্ছে, ঠিক যেমনটা মা সবসময় করে। মা তোকে নিজের বুকের মধ্যে শক্ত করে পিষে ধরে আছে, যেন আর কোনোদিন তোকে ছেড়ে দেবে না। তোর সারা মুখে, কপালে হাজার হাজার চুমু খাচ্ছে মা। আর হ্যাঁ... ঠোঁটেও খাচ্ছে সোনা... ওই যে... তোর যেরম ভাল লাগে... ঠিক ওইভাবেও চুমু খাচ্ছে সোনা... জিভ দিয়ে... ঠিক সেই দিনের মতো... শুধুই তোর জন্য।"
রাহুলের হাতের ওঠানামার গতি এবার বন্য, রাক্ষুসে হয়ে উঠল। স্ক্রিনের ছবিটার দিকে অপলক তাকিয়ে থেকে ওর মুখ দিয়ে ছিটকে বেরিয়ে আসতে লাগল অস্ফুট, ঘোরে-থাকা কিছু শব্দ। "ওহ্ মা... আমার মা... আমার সুন্দরী মা... বড্ড ভালোবাসি তোমায়..."
ও হাঁপাতে হাঁপাতে মেসেজের পরের অংশটা পড়তে লাগল:
**ইন্দিরা:** "তোর কি এখন একটু ভালো লাগছে, সোনা? আমার মিষ্টি বাবুটা... মা যখন তোর কাছেই আছে, তখন তুই কী করে এত কষ্ট পাস বল তো... মা তো আছেই..."
রাহুলের হাতের মুঠো আরও শক্ত, আরও দ্রুত হয়ে উঠল। "হ্যাঁ মা... আমার বড্ড ভালো লাগছে... খুব খুব ভালো লাগছে... শুধু তোমার জন্য মা... আমার মা... আহ্..." ওর গলা দিয়ে এখন কেবলই কিছু অবাধ্য, স্যাঁতসেঁতে গোঙানি বেরিয়ে আসছিল।
**ইন্দিরা:** "সোনা, আর মাত্র দুটো সপ্তাহ... দেখতে দেখতে কেটে যাবে। তারপরই তুই বাড়ি ফিরে আসবি... তোর মায়ের কাছে ফিরে আসবি। মা তোর জন্য অপেক্ষা করে থাকবে সোনা। তুই বাড়ি ফিরলে, আমি তোকে আগের সব বারের চেয়ে আরও অনেক বেশি শক্ত করে জড়িয়ে ধরব... আমি তোকে এমনভাবে আদর করব, এমনভাবে চুমু খাব যা তুই আগে কোনোদিন পাসনি। সেদিন তুই যেভাবে মায়ের ঘাড়ে আর গলায় তোর জিভ দিয়ে আদর করছিলি... তুই ফিরে এলে আবার ওভাবেই করবি সোনা, যতক্ষণ তোর মন চায়। মা তোকে একটুও বাধা দেবে না। আর মায়ের ওই তিলটা... মা তো জানে মায়ের বাবুসোনা ওই ছোট তিলটা কত ভালোবাসে। তুই ওটাতেও তোর ঠোঁট ছোঁয়াবি, জিভ দিয়ে চাটবি, যেভাবে খুশি আদর করবি। মায়ের বগলের ওই যে গন্ধটা তোকে পাগল করে, ওই যে ছোট ছোট চুলগুলোতে মুখ গুঁজে তুই চুমু খেতে ভালোবাসিস... তুই ফিরে আয় সোনা, মা তোর জন্য ওগুলো আর শেভ করবে না কথা দিয়েছে না? তুই ওখানে যত খুশি মুখ ঘষবি, নাক ঘষবি, চুমু খাবি, চাটতে ইচ্ছে করলে চাটবি... আর সেদিনের মতো যদি দু-একটা চুল তোর মুখে চলেও যায়, তুই একদম চিন্তা করবি না, মা নিজের হাতে তোর মুখ থেকে সেগুলো বের করে দেবে। ওসব তো শুধু তোর জন্যই রে... আর... সোনা... তোর যখনই দরকার হবে... আমি তোকে... তোকে খাওয়াব... মায়ের ঠিক ওইখান থেকে... যেটা তুই এখন ছবিতে দেখছিস..."
মায়ের এই কথাগুলো—অক্ষরের পর অক্ষরে বোনা এক আদিম, সর্বগ্রাসী সমর্পণের প্রতিশ্রুতি—যখন স্ক্রিনে ভাসতে থাকা সেই মোহময়, অনাবৃত দৃশ্যপটের সাথে মিশে গেল, রাহুলের অবচেতন মন আর শরীরের মাঝের শেষ বাঁধটুকুও নিমিষে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল। ওর চোখের তারায় তখন এক ঘোরলাগা, উন্মত্ত নেশা। নিশ্বাসের শব্দগুলো ততক্ষণে এক রুদ্ধশ্বাস, ভারী গোঙানিতে পরিণত হয়েছে।
নিচে নেমে যাওয়া ট্র্যাকপ্যান্টের বাঁধন থেকে আগেই মুক্ত হওয়া ওর উন্মুক্ত, ঘর্মাক্ত তলপেট আর নিম্নাঙ্গ এক অপ্রতিরোধ্য, চূড়ান্ত স্পন্দনে টানটান হয়ে গেল। হাতের মুঠোটার শেষ, মরিয়া ওঠানামার সাথে সাথে ওর পুরো শরীরটা শূন্যে একটা ধনুকের মতো প্রবলভাবে বেঁকে এল। মগজের কোষে কোষে আছড়ে পড়া সেই অবর্ণনীয় আবেগের জলোচ্ছ্বাসকে ও আর এক মুহূর্তের জন্যও আটকে রাখতে পারল না।
"আআআহহহহ মাআআআআআআ!!!!"
হস্টেলের ওই ফাঁকা, নিস্তব্ধ ঘরে ওর গলা চিরে একটা বন্য আর্তনাদ বেরিয়ে এল। আর তার সাথেই ওর শরীর থেকে এক উষ্ণ, ঘন, তপ্ত স্রোত প্রবল বেগে ছিটকে বেরিয়ে এসে আছড়ে পড়ল ওর নিজেরই পেটের ওপর, ওর হাতের আঙুলগুলোর ফাঁকে। একটা নিবিড়, অন্ধকারী তৃপ্তি আর তারপর ধেয়ে আসা এক চূড়ান্ত ক্লান্তির ঝলকানি ওর সমস্ত চেতনাকে আচ্ছন্ন করে দিল।
কয়েক মিনিট পর।
রাহুলের বুকটা তখন হাপরের মতো দ্রুত ওঠানামা করছে। সারা শরীর ঘামে ভিজে জবজবে। ও কোনোমতে, ওই ঝাপসা, অশ্রুসজল চোখদুটো দিয়ে মেসেজের একদম শেষ লাইনগুলো পড়ল:
ইন্দিরা: "আর তো মোটে দুটো সপ্তাহ, সোনা। প্লিজ নিজের খেয়াল রাখিস। মন দিয়ে পড়াশোনা করিস, একদম ফোকাস হারাবি না। মায়ের ভালোবাসা আর আশীর্বাদ সবসময় তোর সাথে আছে।"
