Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

মা থেকে ভাবি
#3

"হঠাৎ মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলো, আমার ধোন বাবাজি টনটন করতেছে, আমি শুয়ে ছাটাছাটি করতে লাগলাম,রাত তখন ১টার উপর। আম্মুর সেক্সি ছেনালিপনা আমার চোখে ভাসতেছিলো, দরজার সামনে গেলাম আম্মুর বোঝা যায় কথা বলতেছে কারো সাথে, হাসাহাসিও চলতেছে, কি কথা শোনার ট্রাই করেই ফেল, আমি কিছুই বোঝা যায় না।
আমার মন ছটফট করতে থাকে, মাথায় আসলো রাজের হোয়াটসঅ্যাপে ঢুকি, শান্তি মনে পড়বো, যে ভাবা সেই কাজ। ঢুকে উপরে যেতে লাগলাম, দেখলাম আম্মুর ওইদিনের বিয়ের অনুষ্ঠানের আপত্তিকর পিকও রাজের সাথে শেয়ার করছে আবীর ভাই। আমি অবাক! আমার বন্ধু আম্মুকে কামিনী রূপেই দেখে, আরো অবাক হলাম এটা দেখে যে ওদের প্ল্যান—রাজ আবীর ভাইয়াকে সব রকমের হেল্প করবে আমার সুন্দরী *ী আম্মুকে পটাতে, আর তার বিনিময়ে ফার্স্ট রুম ডেট কমপ্লিট হলে তাকে আবীর ভাই একটা নতুন আইফোন গিফট করবে। যদি আবীর ভাই... আমার তো আর মাথায় কাজ করতেছে না! তারা তলেতলে অনেক দূর এগিয়ে গেছে।
রাজ: আবীর ভাই, তোমার সেক্সি হাসনা মাগী কি আজকে পিক দিছে?
আবীর: নাহ দেয় নাই, বলছিলাম, বললো আজকে টায়ার্ড, কালকে দিবে। আর ওই এসব কি বলিস, হাসনা মাগী কি! আজ থেকে ভাবী ডাকবি।
রাজ: কি বলো, আমার তো আন্টি হয়, ভাবী কেন?
আবীর: আন্টি ওটা আগে ছিল, এখন তোর আবীর ভাইয়ের জিএফ। এখন ভাবীই ডাকবি।
রাজ: আচ্ছা ঠিক আছে, বাট পিক দিলে আমাকে দেখাইও ভাইয়া।
আবীর: ওকে। বাই, এখন তোর ভাবী কল দিচ্ছে।
বলে লাস্টের চ্যাট এখানে সমাপ্ত।
আমি এসব পড়ে উত্তেজিত হয়ে বাথরুমে যেয়ে হাত মেরে আবার শুয়ে পড়লাম।
এরকম নরমাল ডে লাইফ চলতেছিলো আমার কলেজ আর বাসার মধ্যে। রাজের চ্যাট হোয়াটসঅ্যাপ চেক নরমালই চলতেছে, আম্মু তো আর এখন রেগুলার অ্যান্ড খুল্লমখুল্লাই অডিও-ভিডিওতে আবীর ভাইয়ের সাথে কথা বলতেছে। বন্ধু রাজের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাক্সেস থাকায় জানতে পারি আম্মু ভিডিওতে কিস-টিসও দেয় তার নতুন প্রেমিককে, আর রাজ তো আবীর ভাইয়ের সাথে আমার মাকে 'হাসনা ভাবী' বলে সম্বোধন করতেছে।
একদিন কলেজ থেকে এসে হঠাৎ রাজের হোয়াটসঅ্যাপ চেক করতেই আটকে উঠলাম! একটা সেলফি, আবীর ভাই আর আম্মুর অনেক ক্লোজ অবস্থায়। আবীর ভাই আম্মুকে ডান হাত দিয়ে টাইট করে জড়িয়ে ধরে আছে নিজের শরীরের সাথে, আম্মুর বামপাশের দুধটা আবীর ভাইয়ের বুকের সাথে লেপ্টে আছে। সে নিশ্চয়ই আমার আম্মুর তুলতুলে নরম দুধ ভালো করেই অনুভব করতেছিলো।
চ্যাট পড়ে জানতে পারলাম আজকে আবীর ভাই আমাদের বাসায় আসছিলো।
রাজ আস্ক করলো: কি ভাইয়া, ভাবীর সাথে কি জাস্ট একটা পিকই নিলা? আর কিছু নাই?
আবীর ভাই কিছুই পাত্তা দিতেছিলো না। পরে রাজ একটু ফোর্স করায় আবীর ভাই বললো: রে তেমন কিছু না, জাস্ট হাসনাকে একটু কিস করলাম লিপস, ঘাড়ে, গালে। আর দুধগুলা টিপলাম কাপড়ের উপর দিয়ে, ইশ কি নরম দুধ তোর ভাবীর!
রাজ: ইশশ ভাইয়া, তাইলে তো তুমি অনেক এগিয়ে গেছো! আমার গিফট কবে পাচ্ছি?
আবীর: রে পাবি, তোর হাসনা ভাবীকে আগে তোর ভাইয়ের ধনের স্বাদ নিতে দে। যেদিন হাসনাকে চুদবো ওইদিনই চুদা শেষে তোর গিফট কিনে আনবো।
আমি আর নিতে পারলাম না। অনেক আগে থেকেই আমার হাত ধনে ছিল, আমি মনের অজান্তে খ্যাঁচতে খ্যাঁচতে মাল আউট করে ফেললাম।
আম্মু আমাকে ডাকতেছে খাবো বলে, আমি রেসপন্স করে বললাম—১০ মিনিট পরে আসতেছি। আমি ফ্রেশ হয়ে খেতে চলে গেলাম। দেখলাম আজকে আম্মুকে একটা আলাদা লাগতেছে, একটু নিজেকে গুছিয়ে রাখছিলো। ভাবলাম ভাতারের (মানে নতুন প্রেমিক) আসছিলো বাসায়, টিপাটিপি খেলো, ভাতারের আকর্ষণ সিক করতেই এতো আয়োজন হবে।
আম্মুর কল আসছে, এটা আব্বু। আম্মু ইগনোর করার ট্রাই করতেছে আর দেখলাম মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেছে উনার কল পেয়ে। কল রিসিভ করছে আম্মু, বাট একই সুর—আব্বু অ্যাজ ইউজুয়াল রাগান্বিত সুরেই কথা বলতেছে। আম্মু নিতে না পেরে কল কেটে দিছে। আমি আস্ক করলাম—কি হইছে?
আম্মু: কত কি! তোর বাপের তো আর জানোস, হুদাই ইস্যু বানায়, আমাকে ব্লেম করে আসছে আজীবন। আমাকে ব্লেম দিতো আমি নাকি পরপুরুষের সাথে সময় কাটাতে পছন্দ করি। মানুষটা আর ঠিক হবে না।
আমি: হ্যাঁ, কি আর করবা, জন্মের পর থেকেই তো তাকে এমনই দেখতেছি। বাট তুমি একটু কনভিন্স করে চলার ট্রাই করো।
আম্মু আর কিছুই না বলে ফোন হাতে নিয়ে চলে গেলো, অ্যান্ড রুমে গিয়ে কথা বলতে লাগলো—এবার নিশ্চয়ই আবীর হবে।
আমিও রুমে এসে রাজকে কল দিলাম।
আমি: রাজ কি করস?
রাজ: এইতো রেস্ট নিচ্ছি! তুই?
আমি: খেয়া আসলাম মাত্র, তোর সঙ্গে কথা আছে।
আমি: তোর আবীর ভাইয়ের ব্যাপারে—উনি কি আম্মুকে ডিস্টার্ব করে নাকি বা ফলো করে নাকি?
রাজ: না তা কেন হবে, উনি বিজনেস করে, এতো টাইম কই উনার?
আমি: রাজ, তুমি আমার কাছে হাইড করার ট্রাই করিস না। আমরা বন্ধু অ্যান্ড বেস্ট বাডি এভার, সো পরে আমাদের সম্পর্কে ফাটল ধরে এমন কাজ করিস না। উনি যদি তা না-ই করে, তাইলে আম্মু যেখানে সেখানে যায় উনি কিভাবে যায়?
রাজ: রে, কোনসিডেন্স হতে পারে।
আমি: দেখ রাজ, আমি বুঝতেছি এগুলা তোর চালাকি। আমি কিন্তু তোর আম্মু-আব্বুকে জানিয়ে দিবো, পরে আমাকে বলিস না কিছু।
রাজ: রে, ফায়ার হচ্ছিস কেন? যা হচ্ছে তুই নিতে পারবি না, বাট আমি তো চাই তোকে জানাতে। এটা আমার জন্য আরো ভালো।
আমি: কি নিতে পারবো না? কি এমন করছিস তুই, বল না! না হলে আমি সব বলে দিচ্ছি তোর আম্মু-আব্বুকে যে, এই দেখেন আপনাদের ছেলে অন্যের সংসার নষ্ট করতেছে।
রাজ: রে, আমি কই কি করলাম! ওটা তো আবীর ভাই-ই। আমি ফার্স্টে কিছুই করি নাই, তুই তো জানস বয়সে বড় হলেও আমরা দুজন অনেক ফ্রি আর ফ্রেন্ডলি। তোর মনে আছে না আমাদের বাসায় আমার বার্থডেতে তোর আম্মু আসছিলো একদিন, লাস্ট ইয়ার?
আমি: হ্যাঁ, তো?
রাজ: সেদিন ছিলো আবীর ভাইও ওখানে। তোর আম্মুকে ফার্স্ট দেখসে আর ফিদা, যাকে লাভ এট ফার্স্ট সাইট বলে আর কি। সেদিন লাস্ট মুহূর্তে আর তেমন কথা বলাই দিতে পারি নাই, উনিও ফ্রেন্ডের মা শোনার পর আর তেমন সাহস করতে পারে নাই। বাট আমাকে প্রায়ই হাসনা ভাবি (কলে প্রায়ই ভাবি বলে ফেলতেছিল রাজ আম্মুকে) আন্টির কথা বলতো, আর ধীরে ধীরে ইজি হতে লাগলো। আর লাস্ট আপুর বিয়েতে দেখে উনি আর কন্ট্রোল করতে পারে নি, তাই আমাকে রিকুয়েস্ট করতে লাগলো। আমিও পরিচয় করিয়ে দিলাম।
আমি: আর তুই বিনিময়ে কি পেলি?
রাজ: আমি আবার কি পাবো? ভাবলাম ভাইয়া অনেক পছন্দ করসে আন্টিকে, আর আঙ্কেলও দেশে নাই, দুজনেরই খিদে, তাই মহৎ কাজ করতে গেলাম।
আমি: তুই কিছুই নেস নাই বিনিময়ে??? ভেবে বল!
রাজ: রে, কিছুই নেই নাই, বাট ভাইয়া বলছে আন্টিকে পটাতে পারলে লেটেস্ট আইফোন গিফট করবে আমাকে।
আমি: ছিঃ রে আবীর! তুই একটা আইফোনের জন্য নিজের বিবেক বিক্রি করে দিলি? আমার ভাবা আসে না, আর একটা সংসার ভাঙ্গার উপক্রম করে দিলি! কি হবে চিন্তা ও করলি না?
রাজ: রে, কিচ্ছু হবে না। এগুলা আজকাল হয়। আন্টির আর বয়স কত হইসে, যৌবন এখনো ভরপুর।
আমি: চুপ কর শালা হারামী! যত নষ্টের মূল!
রাজ: বন্ধু, ভুলে যা সব। আন্টিকে এনজয় করতে দে, তুইও এনজয় কর।
আমি: হারামী, বন্ধ কর তোর আবুল তাবুল!
রাজ: না রে বন্ধু, তোর আম্মু অনেক সুন্দরী।
আমি: শালা, তুই কেমনে জানলি বদমাইশ?
রাজ: না মানে... (আমতা আমতা করলো)।
আমি তো আর জানি হারামীর বাচ্চা কেমনে জানে আমার আম্মুর ব্যাপারে।
আমি: কি ঢং করস কেন?
রাজ: না মানে, আবীর ভাই এজ এ ফ্রেন্ড আর কৃতজ্ঞতার সহিত আমার সাথে অনেক কিছুই শেয়ার করে আন্টির ব্যাপারে।
আমি: তা কি কি শেয়ার করে? এই যে কখন কি কথা বার্তা হইছে, মিট করসে এগুলা?
আমি: তাই নাকি? আর কিছুই না? কখন কোথায় মিট করসে আর মিট করলে নিশ্চয়ই নতুন প্রেম, সেলফি পিক ডেফিনেটলি নিছে? এগুলাও দেখস বুঝি?
রাজ: মmm হ্যাঁ রে, ওইযে ওইদিন তোদের বাসায় গেছে আবীর ভাই, আমরা কলেজে ছিলাম। ওইদিনের একটা পিক দিছে সেলফি, দেখবি তুই?
আমি: না থাক, লাগবে না।
রাজ: রে দেখ না, আরো কিছু আছে। দেখলে তুই মজা পাবি।
বলে ওই সেলফিসহ আম্মুর ওই বিয়ের দিনের যে নাভির পিক, ওইগুলাও দিল। আমার হাত ধনে চলে গেল।
রাজ: হাসনা আন্টির তুলনা নাই স্যাম, অনেক দেখলে বোঝাই যায় না তোর মতো একটা ধামড়া ছেলে আছে, কি গোটর!
আমি: তো উনাদের সম্পর্ক কতটুকু গভীর?
রাজ: বেশ ডিপে।
আমি: কতটুকু?
রাজ: মানে একদিন পার্কে মিট করসে ওইদিনের ব্যাপারে জানি না, বাট যেদিন তোর বাসায় গেছিলো ওইদিন আন্টিকে লিপ কিস করসে, সাথে আন্টির দুধ টিপসে।
আমি: আম্মু অ্যালাউ করসে এগুলা?
রাজ: আরে বোকাচোদা, তোর মা এখন আবীর ভাইয়ের প্রেমিকা। এগুলা তো ট্রেইলার, এখন আরও কত ডিপে যাবে দেখিস! সামনের সপ্তাহে আবার রেস্টুরেন্টে মিট আছে তাদের, আবীর ভাই রুমও বুক করবে। হাসনা আন্টিকে ম্যানেজ করতে পারলে রুমে নিবে।
আমি: কি বলিস?
রাজ: হ্যাঁ, বাট তোর হেল্প লাগবে।
আমি: কেমনে?
রাজ: আবীর ভাইয়ের প্ল্যান—ডিিনার শেষে তোর আম্মুকে রুমে নিবে, তার জন্য আমার সাথে তোর ট্যুরে যেতে হবে ওই রাতের জন্য। না হলে তোর মা সুখ নিতে পারবে না।
আমি কিছু বললাম না। রাজ বললো—আমি তোকে জানাবো কোনদিন।
আমি আস্ক করলাম: তাইলে ওইদিনের ব্যাপারে তুই কিছুই জানবি না? শেয়ার করবে না তোর রাজ ভাই? আর তুই সাথেও থাকবি না, সো জানবি কেমনে কি হইছে?
রাজ: আরে ছাগল! আমি কি তোর মতো বোঁদাই? রাজ ভাইকে বলছি ভিডিও করতে আর আমাকে দিতে। উনি একটা ক্যামেরা আর উনার ফোনে রেকর্ড করবে তোর মায়ের পারমিশন নিয়ে।
পরে রাজ "রাখি" বলে সেদিনের মতো কথা শেষ।
আমি নিজেকে পুরোদমে মাম কাকোল্ড (mom cuckold) হিসেবে আবিষ্কার করলাম। আমার কোনো রিঅ্যাকশন নাই, আমি যেন এনজয় করতে লাগলাম! আমারই বন্ধু আমার সম্ভ্রান্ত ঘরের মাকে নিয়ে প্ল্যান করতেছে কিভাবে আমার মাকে পরপুরুষ চুদবে... উফ! এই রাতে আমি আম্মুর পিকগুলা দেখে আচ্ছা মতো হাত মেরে ঘুমিয়ে পড়লাম।
২/৪ দিন পর কলেজে ক্লাস শেষে রাজ আমার পাশে আর দুধ টিপে দিয়ে বললো: স্যাম, খুশির খবর! আমরা কালকে যাচ্ছি শহরের বাইরে একটা রিসোর্টে, আর তোর আম্মুকে নিয়ে আবীর ভাই শহরের নামীদামী ৫ তারকা হোটেলে। আর সব কিছুই স্পন্সর করতেছে আবীর ভাই।
আমি: আবীর ভাই কেমনে?
রাজ: স্যাম ব্রো, তুই আসলে এত নাইভ নাকি? তোর মা যে কিনা যৌবনের চরম পর্যায়ে আছে, এমন একটা ডবকা ঘরেলু মহিলাকে আবীর ভাই খাটে তুলতেছে কোনো রকম টাকা ইনভেস্ট না করেই! এরকম কনজারভেটিভ মহিলা পাওয়া যায় না, পেলেও অনেক টাকাই খরচ করা লাগে, বাট সে কাইন্ড অব ফ্রিতে তোর মাকে ভোগ করবে।
আমি: দেখিস, ভুলেও আমার আর তোর বিষয় এগুলা বলিস না আবীর ভাইকে, নাইলে পরে আম্মুও জানবে। হুদাই একটা প্রবলেম হবে।
রাজ: আরে ওগুলা নিয়ে টেনশন নাই! আর বলেই বা কি, আর তোর মা জানলেই বা কি?
আমি: রে ভাই, উনি যদি আম্মুকে বলে দেয় আমি উনাদের ব্যাপারে জানি, আম্মু অনেক লজ্জা পাবে। আর আমার ব্যাপারে কি ভাববে?
রাজ: রে খানকি মাগীর ছেলে রে! তোর মা পরপুরুষের বেশ্যা, তার আবার সম্মান! ২ দিন পর খাট কাঁপাবে একটা যুবকের।
আমি: রাজ, বেশি হইতেছে!
রাজ: ওকে ওকে, ওটা চিন্তা করিস না। তোর ডবকা আম্মু জানবে না।
আমরা পরে বিদায় নিয়ে বাসায় চলে আসলাম। এসে আম্মুকে বললাম আমাদের ব্যাপারে যে, কিছু ফ্রেন্ডস আমরা বেড়াতে যাচ্ছি ২ দিনের জন্য। আম্মু মনে হলো খুশিই হলো মনে মনে, বাট তখনও হয়তো জানতো না একই দিন তার নতুন ভাতার বা বিএফ-এর সাথে রুম ডেটে রাত কাটাতে যাবে। ওইদিন রাতে মেবি আবীর ভাই বলছে আম্মুকে যে দিনে ডেট আছে।
রাতে রাজকে জিজ্ঞেস করলাম, সে বললো—বলছে তোর মাকে, বাট বেশি ক্লিয়ার কথা হয় নাই, আবীর ভাই বিজি। কালকে তোর মাকে নিয়ে মার্কেট করবে আমরা কলেজে যাওয়ার পর।
এদিকে আব্বুর সাথে ঝগড়া হয়ে ২ দিন ধরে আর আব্বুও ফোন দিচ্ছে না, আম্মুও রিল্যাক্স, আমিও অনেকটাই।
পরের দিন রাতে আবীরের সাথে কথা বলে জানলাম আজকে মার্কেট করতে গিয়েও আম্মু আর আবীর ভাইয়ের রোমান্স হইছে—রেস্টুরেন্টে ফোরপ্লে আর কি!
আবীর ভাই রাজকে বলছে অনেক।
রাজ: বুঝলি স্যাম, হাসনা ভাবীর দুধ নাকি আবীর ভাইয়ের প্রথম আকর্ষণ! দুধ চুষছে আজকে তোর মায়ের।
আমি চোখ বুজে তার কথা এনজয় করতে লাগলাম আর ধোন নাড়তে লাগলাম। এক অবৈধ নোংরামিতে যৌন সুখ খুঁজতেছিলাম, তাও নিজের জন্মধাত্রী মায়ের ব্যাপারে নিজের বন্ধু নোংরা কথা বলতেছে, আমি এনজয় করে যৌন সুখ খুঁজতেছি!
রাজ বলতে থাকলো:
রাজ: মার্কেটে সেলসম্যানদের সামনে হাসনার পাছা টিপছে আজকে আবীর ভাই! উফফ, আমিও যদি তোর আম্মুর পাছার সাইজ হাত দিয়ে নিতাম আর অনুভব করতে পারতাম কত নরম ওই পাছাটা!
আমি কোনো কথা বলতেছি না।
রাজ: কি রে, আছিস নাকি? নিজে মাকে নিয়ে নিজেই কল্পনাত চলে গেলি?
আমি: দূর! আছি, যা মুখে আসে বলিস না।
রাজ: আমি ভাবলাম হাত মারতেছিস নাকি আন্টিকে ভেবে! যাই হোক, এই আর কি, রেস্টুরেন্টে প্রাইভেট কর্নারে নিয়ে গিয়ে তো আচ্ছামতো কিস করসে, দুধ টিপসে, চুষছে। একই গ্লাসে জুস খাইছে। আবীর ভাই তো ডন বের করে তোর আম্মুর হাতে দিয়ে দিছে—৭ ইঞ্চির ধোন! তোর আম্মু লজ্জা নিয়ে তাকাচ্ছিলো, ধরতে চাইতেছিলো না, আবীর ভাই ধরাই দিল। আর তোর মায়ের শাড়ির আঁচলের নিচ দিয়ে হাত ঢুকিয়ে বুদায় আঙুল দিয়ে ভিজা গুদের রস পরে নিজে খেয়ে নিছে।
আমি শুনে শুনে অলরেডি মাল আউট করে দিয়ে একটু অনুশোচনায় ভুগতেছি। পরে রাজকে বলে কল রেখে দিলাম।
Reply


Messages In This Thread
মা থেকে ভাবি - by X Man - 09-05-2026, 01:52 PM
RE: মা থেকে ভাবি - by X Man - 09-05-2026, 01:53 PM
RE: মা থেকে ভাবি - by X Man - 09-05-2026, 01:55 PM
RE: মা থেকে ভাবি - by X Man - 09-05-2026, 01:56 PM
RE: মা থেকে ভাবি - by X Man - 09-05-2026, 01:57 PM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)