Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

পরিবারের সবার গোপন কথা প্রকাশ্যে
#3

আপডেট ৩

দিনের আলো ফুটতে শুরু করেছে। কিন্তু এই বাড়িতে রাতের খেলা শেষ হয়নি। সকালের আলোয় যারা ঘুম থেকে উঠবে, তারা হয়তো জানবেই না রাতে কী নোংরামি হয়েছে তাদের চারপাশে।
জাভেদ ঘুম থেকে উঠে দেখল ফাইজা তার ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে আছে। নাইটি পরা। কিন্তু নাইটিটা এত পাতলা যে ভেতরের সবই দেখা যাচ্ছে। ব্রা পরেনি, স্তনের বোঁটা দুটো উঁকি দিচ্ছে। প্যান্টিও পরেনি, গুদের চুল স্পষ্ট।
"এত সকালে?" জাভেদ বলল।
"সকাল নয়, দশটা বাজে। তাড়াতাড়ি উঠ। আজ কিছু হবে," ফাইজা শয়তানি হাসি হাসল।
"কী হবে?"
"বড় খালা আসছে। বাবা আর বড় খালার মধ্যে কিছু হবে। আমি জানি," ফাইজা ঘরে ঢুকে জাভেদের পাশে বসল।
"কীভাবে জানলি?"
"গতকাল রাতে শুনেছি। বাবা ফোনে কথা বলছিলেন। বলছিলেন—আজ সকালে আসো, ওরা সবাই বাইরে থাকবে। আমরা একা থাকব। তোমাকে ভালো করে চুদব," ফাইজা বলল।
জাভেদের লিঙ্গ শক্ত হয়ে উঠল। তার বড় খালা—বয়সে মাঁর সমান, কিন্তু দেহে আরও ভরাট। স্তন বড়, পাছা বড়, গুদ ফাকা কিন্তু রসালো।
"তাহলে দেখতে হবে," জাভেদ বলল।
"দেখব। কিন্তু তার আগে একটা কথা বলি," ফাইজা জাভেদের হাত ধরল। "আমার গুদ আজকে জ্বলছে। ছোট খালু অনেক জোরে চুদেছে। কিন্তু তবুও তোর লোহাটার কথা ভাবছি।"
"আমার লোহাটা তোর গুদে ঢুকলে তোর গুদ ফাটবে," জাভেদ বলল।
"ফাটুক। মজা পাব। ছোট খালুরটা মোটা ছিল, কিন্তু তোরটা লম্বা। আমার গুদের গভীরে যাবে," ফাইজা কামুক হয়ে বলল।
"আজ রাতে যদি সুযোগ পাই?"
"আজ রাতে আমি ছোট খালুর কাছে যাব। ওনার ইচ্ছা হয়েছে আবার। কিন্তু কাল... কাল তুই আমাকে চুদবি। আমি ওয়াদা দিচ্ছি," ফাইজা বলল।
"সত্যি?"
"সত্যি। কাল রাতে তোর ঘরে আসব। তুই আমার গুদ ভরিয়ে দিস," ফাইজা উঠে দাঁড়াল। তার নাইটিটা একদম উপরে উঠে গেল। তার গুদটা দেখা গেল। ভেজা, রসালো।
"দেখ, আমার গুদ কেমন ভিজে গেছে তোর কথা ভেবে," ফাইজা তার গুদে আঙুল ঢুকিয়ে দেখাল।
জাভেদ দেখল তার বোনের গুদ থেকে রস বের হচ্ছে। সে উঠে এলো। কিন্তু ফাইজা পিছিয়ে গেল। "না, আজ না। কাল। আজ দেখা যাক বাবা আর বড় খালা কী করে।"
---
সকাল এগারোটা। বড় খালা এসেছেন। শরীরে ভরাটness। শাড়ি পরা, কিন্তু ব্লাউজটা টাইট। স্তন দুটো ফুলে আছে ব্লাউজের ভেতরে।
বাবা তাকে দেখে চোখে এক অদ্ভুত আলো জ্বালালেন। মা বাইরে গেছেন মার্কেটে। ফারিয়া আপু কলেজে। ফাইজা আর জাভেদ ঘরে আছে, কিন্তু ওরা জানে কী হতে যাচ্ছে।
"আসুন," বাবা বড় খালাকে নিজের ঘরে নিয়ে গেলেন।
দরজা বন্ধ হলো। কিন্তু জাভেদ আর ফাইজা জানে, দরজার আড়াল থেকে দেখা যায়। তারা দুজনে দরজার কাছে গিয়ে দাঁড়ালো। চোখ রাখলো কিহোলের ফাঁক দিয়ে।
ভেতরে বাবা বড় খালাকে জড়িয়ে ধরলেন। "আজ কত দিন পর এলে?"
"তোমারই তো ডাক পড়েনি। তোমার তো অনেক আছে। কাজের মেয়ে, আমার বোন, আর কে কে জানি," বড় খালা হাসলেন।
"তোমার মতো কেউ নেই। তোমার গুদ সেরা," বাবা বড় খালার শাড়ির আঁচল টেনে সরিয়ে দিলেন।
"নির্লজ্জ," বড় খালা লাজুক হয়ে বললেন। কিন্তু প্রতিরোধ করলেন না।
বাবা বড় খালার ব্লাউজের হুক খুলতে লাগলেন। এক এক করে সব হুক খুললেন। তারপর ব্রাটাও খুলে দিলেন। বড় খালার স্তন দুটো বেরিয়ে এলো—বড়, গোলাকার, বোঁটা কালচে।
বাবা সেগুলো জোরে জোরে চুষতে লাগলেন। বড় খালা কেঁদে উঠলেন, "আহহহ! জোরে চুষো না! ব্যথা লাগে!"
"লাগুক ব্যথা। তুমি তো আমার। তোমার সব আমার," বাবা বলে বড় খালার শাড়িটা একদম খুলে দিলেন। এখন বড় খালা শুধু পেটিকোট পরে আছেন।
বাবা পেটিকোটের নিচে হাত ঢুকিয়ে প্যান্টি সরিয়ে দিলেন। তারপর বড় খালার গুদে আঙুল ঢুকালেন। "আহহ! কেমন ভেজা! তুমি এসেই ভিজে গেছো?"
"তোমার জন্যই ভিজেছি। তুমি চুদবে বলে আমার গুদ পানি ছাড়ে," বড় খালা সত্যি কথা বললেন।
বাবা তার প্যান্ট খুললেন। তার লিঙ্গ বেরিয়ে এলো—শক্ত, মোটা, লম্বা। বড় খালা দেখে হতবাক হয়ে গেলেন। "বড়! অনেক বড়!"
"নাও," বাবা বড় খালাকে বিছানায় শুইয়ে দিলেন। তারপর তার দুই পা ফাঁক করে লিঙ্গটা গুদের মুখে ঠেসে ধরলেন।
"ধীরে ধীরে। আমার গুদ ছোট," বড় খালা অনুরোধ করলেন।
"তোমার গুদ ফাকা। কিন্তু আমার লোহাটা তোমার গুদ ভরে দেবে," বাবা এক ধাক্কায় পুরোটা ঢুকিয়ে দিলেন।
"আহহহহহ!" বড় খালা চিৎকার করে উঠলেন। "বড়! অনেক বড়! আমার গুদ ফাটিয়ে দিলে!"
বাবা ঠাপ মারতে লাগলেন। জোরে জোরে। বিছানা কেঁপে উঠছিল। বড় খালার স্তন দুটো লাফাচ্ছিল। বাবা মাঝে মাঝে ঝুঁকে সেগুলো চুষে নিতেন।
"তোমার গুদ সুন্দর। তোমার বোনের চেয়েও ভালো," বাবা ঠাপ দিতে দিতে বললেন।
"আমার বোন? তোমার বউ?" বড় খালা জিজ্ঞেস করলেন।
"হ্যাঁ। তোমার বোনের গুদ ভালো, কিন্তু তোমার গুদ আরও রসালো," বাবা জোরে ঠাপ মারলেন।
"আমার বোন জানে আমি তোমার সাথে চুদি?" বড় খালা জিজ্ঞেস করলেন।
"জানে। ওর কোনো অসুবিধা নেই। ও নিজেও অন্যের সাথে চুদে," বাবা বললেন।
বড় খালা কেঁদে উঠলেন। বাবার লিঙ্গ তার গুদে ঢুকছে আর বের হচ্ছে। সে নিজেও নিচ থেকে ঠেলা দিতে লাগলেন।
"আমি আসছি। তোমার গুদে বের করে দেব," বাবা বললেন।
"না! বাইরে! গর্ভধারণ হয়ে যাবে," বড় খালা ভয় পেয়ে বললেন।
"তোমার গুদে ওষুধ আছে। হবে না। নাও সবটা," বাবা জোরে ঠাপ মেরে বড় খালার গুদের ভেতরেই বীর্য ছেড়ে দিলেন।
বড় খালা কেঁদে উঠলেন। বাবার গরম বীর্য তার গুদ ভরে দিলো। সে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছে গেলেন।
বাইরে জাভেদ আর ফাইজা দেখছিল। দুজনেরই শ্বাস দ্রুত হয়ে গেছিল।
"বাবা অনেক জোরে চুদলেন," ফাইজা ফিসফিস করে বলল।
"বড় খালাও মজা পেলেন," জাভেদ বলল।
"চল, এখন আমরা ছাদে যাই। সেখানে বসে কথা বলি," ফাইজা জাভেদের হাত ধরে টেনে নিল।
---
ছাদে তারা বসল। সূর্য মাথার উপরে। গরম হাওয়া বইছিল।
"ভাইয়া, আমার গুদ এখনো জ্বলছে," ফাইজা বলল।
"কেন? ছোট খালু তো চুদেছে," জাভেদ জিজ্ঞেস করল।
"তোমার কথা ভেবে। তোমার লোহাটার কথা ভেবে। কত বড় তোমারটা? সত্যি বলো," ফাইজা জিজ্ঞেস করল।
"সাত ইঞ্চি। কিন্তু মোটা," জাভেদ বলল।
"ছোট খালুর চেয়েও মোটা?"
"হয়তো।"
"আমার গুদে ঢুকলে ফাটবে," ফাইজা বলল।
"ফাটুক। মজা পাবি," জাভেদ বলল।
"তুই কি জানিস, আমি আর কার সাথে চুদেছি?" ফাইজা হঠাৎ বলল।
"কার সাথে?"
"সেলিম ভাইয়ের সাথে।"
জাভেদ অবাক হয়ে গেল। "সেলিম ভাই? ফারিয়া আপুর সেলিম ভাই?"
"হ্যাঁ। গত মাসে। ফারিয়া আপু জানে। আপু নিজেই বলেছিল—তুই সেলিম ভাইকে চুদতে দে। ওর লোহাটা বড়। তুই মজা পাবি।"
"তুই দিয়েছিস?"
"দিয়েছি। সেলিম ভাই অনেক জোরে চুদেছে। ওরটা লম্বা। আমার গুদের গভীরে গেছে। কিন্তু তোমারটা আরও লম্বা মনে হয়," ফাইজা বলল।
"তুই সত্যি একটা মাগি হয়ে গেছিস," জাভেদ বলল।
"এই বাড়ির সবাই মাগি। তুই নাকি পুরুষাঙ্গ? যে রহিমা, ছোট খালা সবাইকে চুদিস?" ফাইজা হাসল।
"তোর গুদে কতটা রস বের হয়?" জাভেদ জিজ্ঞেস করল।
"অনেক। দেখতে চাস?" ফাইজা উঠে দাঁড়াল। তারপর নাইটিটা একদম উপরে তুলে দিল। প্যান্টি পরেনি। তার গুদটা বেরিয়ে এলো। ভেজা, রসালো।
ফাইজা তার গুদের ফাটলে আঙুল ঢুকিয়ে দেখাল। "দেখ, কেমন রস বের হচ্ছে।"
জাভেদ দেখল তার বোনের গুদ থেকে সাদা রস বের হচ্ছে। সে উঠে এলো। কিন্তু ফাইজা পিছিয়ে গেল। "না, এখানে না। কেউ দেখে ফেলবে। কাল রাতে। তোর ঘরে।"
"প্রমিস?"
"প্রমিস। আজ রাতে আমি ছোট খালুর কাছে যাব। কাল তোর কাছে," ফাইজা নাইটিটা ঠিক করে নিল।
"আর কী কী জানিস তুই?" জাভেদ জিজ্ঞেস করল।
"জানি। মা আর বাবার মধ্যে কিছু নেই এখন। দুজনেই আলাদা আলাদা চুদে। মা সেলিম ভাই আর সুবল কাকুর সাথে। বাবা ছবি, বড় খালা আর আরও অনেকের সাথে," ফাইজা বলল।
"আর ফারিয়া আপু?"
"ফারিয়া আপু শুধু সেলিম ভাইয়ের। আপু বলেছিল—সেলিম ভাই ছাড়া আর কারো সাথে চুদবে না। ওরা প্রেম করে," ফাইজা বলল।
"প্রেম? এই বাড়িতে প্রেম আছে?" জাভেদ অবাক হলো।
"আছে। গোপনে। সবাই জানে, কিন্তু কেউ বলে না," ফাইজা বলল।
তখনই ছাদের দরজা খুলল। ছোট খালা রিনা উঠে এলেন। তিনি দেখলেন জাভেদ আর ফাইজা একসাথে বসে আছে।
"তোরা এখানে কী করছিস?" ছোট খালা জিজ্ঞেস করলেন।
"গল্প করছিলাম," ফাইজা বলল।
"গল্প? নিশ্চই চোদাচুদির গল্প," ছোট খালা হাসলেন। "জাভেদ, তুই আমার কাছে আয়। আমার গুদে তোর ধনটা লাগবে।"
জাভেদ তাকালো ফাইজার দিকে। ফাইজা চোখ কঁচকালো। "যা, আমি পরে আসব।"
জাভেদ ছোট খালার সাথে চলে গেল। ফাইজা একা ছাদে বসে রইল। সে ভাবছিল, কাল রাতে জাভেদের লোহাটা তার গুদে ঢুকবে। সে কল্পনা করতে লাগল। তার গুদ আবার ভেজা হয়ে গেল।
---
চলবে
Reply


Messages In This Thread
পরিবারের সবার গোপন কথা প্রকাশ্যে - by X Man - 09-05-2026, 02:06 PM
RE: পরিবারের সবার গোপন কথা প্রকাশ্যে - by X Man - 09-05-2026, 02:07 PM
RE: পরিবারের সবার গোপন কথা প্রকাশ্যে - by X Man - 09-05-2026, 02:08 PM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)