09-09-2026, 04:49 AM
পর্ব ১৩
করবী কে এ প্রশ্ন টা ঘুরপাক খাচ্ছে তো। বলছি করবী ৩০-৩২ বছরের একটি বউ।বছর ১০ আগে প্রেম করে বিয়ে করেছিল রাজুকে। রাজু তেমন কোনো কাজ করে না,নেশা করে, একবার একটি বাজে কাজে পুলিশি খপ্পরে পড়েছিল। ছাড়িয়ে এনেছে এই সুদর্শন বাবু। করবী এখানেই কিছু ফ্ল্যাটে কাজ করে। তাছাড়া এখানে অনেক ফ্ল্যাটেই ওর জোগাড় করে দেওয়া মেয়ে বউ রা কাজ করে। তাই কোন এপার্টমেন্ট কোনো ফ্ল্যাটে কি চলছে সে খবর করবী খুব ভালো ভাবেই পায়। আর সেটা সুদর্শন বাবুর কাছে পৌঁছে দিতে একটুও সে দেরি করে না। আসলে সুদর্শন বাবুর শখ আলহাদ সম্পর্কে সে একটু আধটু অবগত। সুদর্শন বাবু এই করবী, এই লিফটের গার্ড, ফ্ল্যাটের আটেন্ডেন্ট এদের কাছে ভগবানের মতো।এদের বিপদে আপদে সুদর্শন বাবু ঝাপিয়ে পরে। পাশে থাকা থেকে আর্থিক সাহায্য কোনো কিছুতেই সে পিছপা হ্য় না। তাই তারাও সুদর্শন বাবুর কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে।
তা যাইহোক। এরপর প্রায় দু দিন পেরিয়ে যাবার পর মধুজা তার মেয়ে মৌলি কে বলছে। - শোন, ভাবছি নিচের আঙ্কেল কে খেতে বলবে । সেদিন রাতে অত কিছু করলো। আজ তো তোর বাবা বাড়িতে থাকছে না। তাই আজ না হয় একটু ডিনার করে যাক উনি।
মৌলির কথা টা শুনে ভিতরে ভিতরে জ্বলে ওঠে।ওর মার মুখে সুদর্শন বাবুর নাম শুনলেই মাথা গরম হয়ে যায় ওর। মৌলির শুধু মনেহয়, সুদর্শন একান্তই ওর। তবুও নিজেকে সংযত করে সে বললো - ঠিক আছে মা , বলো।
যথা রীতি সেরম কোনো কাজ না থাকায়। সুদর্শন বাবু সন্ধ্যায় মৌলি দের ফ্ল্যাটে চলে যায়।
মৌলি একটা শর্ট প্যান্ট আর একটা টপ পরে দরজা খুললো। সৌজন্যতা বশত সুদর্শন একটি গোলাপ ফুলের তোড়া নিয়ে এসেছিল। মৌলি দেখে প্রথমে ভেবেছিল, ফুলের তোড়া টি তাকে দেবে, কিন্তু স্বাভাবিক নিয়মে সেটা সুদর্শন বাবু বাড়ির গৃহকর্তী কে দেয়। ব্যাস আর যাবে কোথায়। জেলাসি , কাছের মানুষ কে কাছে না পাওয়া সমস্ত কিছু মিলিয়ে মৌলি ভীষণ ক্ষেপে যায়। তাই দরজা খোলার পর ওখানে আর বেশি না দাঁড়িয়ে গট গট করে চলে যায় নিজের ঘরে।
সুদর্শন বাবু এক পলকে দেখে মৌলির ভরাট পাছায় ছোট্ট শর্ট প্যান্ট টি চেপে বসে আছে।পরা মেয়েটি নিজের পাছা দুলিয়ে চলে গেলো কোনো কথা না বলেই।
মৌলির যে মুড অফ সেটা আর বুঝতে বাকি রইলো না।
মধুজা - আসুন আসুন। আপনার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম।
সুদর্শন - আসলে একটু আগেই চলে এলাম। ভাবলাম একাই আছি। যাই একটু গল্প করে আসি।
মধুজা - ভালো করেছেন। আমিও ভীষণ বোর হই জানেন। মাঝে মাঝে ভীষণ ক্লান্ত লাগে। মনে হয়, কিছু বা কেউ একজন যদি থাকতো।
সুদর্শন - আপনার কর্তা কে তো বলতে পারেন সঙ্গ দেবার কথা।
মধুজা - হাসালেন। কি যে বলেন । ওর কথা আর তুলবেন না।
সুদর্শন - আচ্ছা আচ্ছা।
এভাবে হাসি ঠাট্টা চলতে থাকে আরো কিছুক্ষণ। সৌমি তো সৌমির ঘরে পড়ছে। কিন্তু মৌলি, তার কাছে এ হাসির আওয়াজ যেনো আরও বিরক্তির কারণ মনে হচ্ছে। সে সুদর্শন আর মা কে একসাথে সহ্যই করতে পারছে না।
মধুজা - একটু চা খাবেন তো।
সুদর্শন - না না, চা আমি সেরম খাই না। তাই ব্যস্ত হবেন না।
মধুজা - অল্প করে খান....
সুদর্শন - না না, আমি একবারে ডিনার করবো। ডিনার দেবার আগে একটু জানাবেন, আমি ফ্ল্যাট থেকে ঘুরে আসবো। আসলে ডিনার এর আগে সামান্য একটু খাওয়ায় অভ্যেস আছে।
মধুজা- আপনারা পুরুষ মানুষেরা সব এক। ফ্ল্যাটে যেতে হবে না, বাড়িতেই ওর বাবার স্টক আছে। যদি চান খেতে পারেন।
সুদর্শন - উত্তম প্রস্তাব । কিন্তু মেয়েরা আছে। কি ভাববে বলুন তো।
মধুজা - আপনি ব্যালকনি তে যান, ওখানেই আপনাকে ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।
সুদর্শন - বেশ বেশ
মধুজা একটা হলুদ রঙের লেগীস পড়েছে । আর কালো রঙের স্লিভলেস কুর্তা। কোমরের পর থেকে কুর্তার দু পাশ কাটা। হলুদ লেগিস পাছা আর থাই এর সাথে পুরো চেপে বসে আছে।
মধুজার ফিগার ভীষণ ভরাট। যেমন লম্বা তেমনি শরীরে মাংস। দুধ পাছা পেট থাই সব কিছুই ভরা ভরা।
এরম একটা ভরাট শরীর দেখে যে কোনো পুরুষের এই মন আনচান করে। সুদর্শন বাবুও তার ব্যতিক্রম না। বিশেষ করে সেদিন যখন জানলো, দীর্ঘদিনের আচোদা গুদের মালকিন এই মাগি।সুদর্শন মনে মনে ঠিক করেই রেখেছে এই মাগীকে সেই বিশেষ ঘরে নিয়ে যাবে। যেখানে মধুজা তার দাসী হয়ে থাকবে।
মধুজা গ্লাস জলের বোতল হুইস্কি আর সাথে স্ন্যাকস নিয়ে বারান্দায় রাখলো। তারপর চোখের ইশারায় ব্যালকনি তে ডাকলো।
ওদিকে মৌলি রাগ করে থাকলেও মা ও সুদর্শন এর সমস্ত গতি বিধির ওপর নজর রাখছে। তারা কি গল্প করছে শোনার চেষ্টা করছে।মৌলি বুঝেছে, সুদর্শন এখন ড্রিংকস করবে।সাথে কি মাও করবে। ইএসসসসস মা কেন যে এত গায়ে পরে। আর কোনো ছেলে পায় না। শুধু শুধু ওনার পিছনে।আরো হাবি যাবি কথা ভাবছে।
সুদর্শন বাবু অল্প অল্প করে সুরা খাচ্ছেন। আর মধুজার সাথে গল্প করছে....
জল শেষ হতেই মধুজা যখন উঠতে গেলো কোমরে হালকা ব্যথা অনুভব করলো।
সুদর্শন - কি হলো দেখি দেখি.....
মধুজা - না না, কিছু হয় নি। এই বলে জল নিয়ে এলো।
মৌলি নিজেকে আর ঘরে রাখতে পারছে না। খুব উৎসাহ নিয়ে জানতে চাইছে। কি হচ্ছে ওদিকে। চুপিসারে ব্যালকনির সাথে লাগোয়া ঘরে সে গেলো। এদিকে সুদর্শন মধুজা কে বললো কোমরে ব্যথা নিয়ে একদম হেলাফেলা করতে নেই। আমি ফিজিওথেরাপিস্ট জানেন তো নিশ্চই। আমাকে একটু দেখতে দিন। বলেই মধুজা ঘুরিয়ে দার করালো। সুদর্শন বসে আর সামনে পিছন দিয়ে দাঁড়িয়ে মধুজা।
সুদর্শন মধূজার শরীর হাতানোর এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইলো না।
দু হাত দিয়ে পাছার ওপরের অংশে বুড়ো আঙুল দিয়ে টিপে দেখতে লাগলো।
মধুজার শরীর কেঁপে উঠলো। এতদিন পর একজন পরপুরুষের হাত।
সুদর্শন আস্তে আস্তে খেলতে শুরু করলো। প্রথমে বুড়ো আঙুল থেকে ভেতর থেকে বাইরের দিকে টানছে....
মধুজা - আহহহহ আহহহ
সুদর্শন আস্তে আস্তে চাপ বাড়াচ্ছে।
মধুজা - আহহহহ আহহহহ
সুদর্শন -আরাম লাগছে।
মধুজা - হুূম
সুদর্শন দেখুন আরও ভালো লাগবে বলে কুর্তি ওপর দিকে উঠিয়ে দেয়। তারপর পাছার খুব কাছে মাথা নিয়ে খোলা কোমরে হাত ঘসতে লাগলো।
মধুজা কিছু বলতে যাবার আগেই এরম একটা কাণ্ড করবে সুদর্শন ভাবতে পারেনি। করেই যখন ফেলেছে, তাই আর কথা বাড়ালো না। বেশ কিছু দিন ধরেই কোমড়ের সমস্যা টা খেয়াল করছে।
সুদর্শন এর হাত আস্তে আস্তে নিচের দিকে নামছে।
মধুজা আরাম পাচ্ছে। ওর চোখ বন্ধ হয়ে আসছে। মনে মনে ভাবছে সুদর্শন বাবুর হাতে জাদু আছে।
সুদর্শন ফিজিও হিসেবে যথেষ্ট অভিজ্ঞ। সে খুব সহজেই বোঝে জানে, কোথায় কীভাবে স্পর্শ করলে ব্যথার উপশম হয়। পাশাপাশি এও জানে কোথায় কীভাবে স্পর্শ করলে শরীরের উত্তেজনা বাড়ে।
সুদর্শন বাবু কুর্তি টি আরও উপরে উঠিয়ে ব্রায়ের স্ট্রাপে গুঁজে দেয়। মধুজা কিছু বলতে যাবে ঠিক তখনই সুদর্শন বাবুর হাতের কায়দায় দু বুড়ো আঙুল দিয়ে কোমর হয়ে পাছার খাজ বরাবর নিচে নামতে থাকতে।
মধুজা - উফফফফফ আহহহহ আহহহহহহ আহহহহ
অন্তর্বাসে হাত দেবার মতো সাহসী পদক্ষেপ নিতে একবার ও পিছপা হয় নি সুদর্শন। ভিতরে হুইস্কির প্রভাব আর মধূজার শরীরের গরমে তার বাড়া লোহার মতো শক্ত হচ্ছে।
[size=মিডিয়াম মধুজা বুঝতে পারছে অনেক বাড়াবাড়ি হচ্ছে তবুও কিছু বলতে পারছে না আরামে।[/size]
সুদর্শন পাছার খাজ বরাবর আরও কয়েকবার হাত ঘসে উপর থেকে নিচে.....
মধুজা আরামে শিৎকার দিয়ে ওঠে.....
ব্যালকনির লাগোয়া ঘরে আলমারির আড়ালে দাঁড়িয়ে মৌলি বুঝে উঠতে পারছে না কি করবে। বার বার মনে হচ্ছে ওর মা সুদর্শন এর কাছে শরীরের সুখ নিচ্ছে। বারবার ভাবছে কি করে সুদর্শন পারছে ওর মায়ের সাথে এসব করতে।
রাগের পাশাপাশি ভাবছে মা কি করে পারলো এতো কিছু করতে এতো সহজে। আমি কি মায়ের কাছে তবে হেরে গেলাম। নাহ আমাকে জিততেই হবে।
মধুজা অনেক ক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সুদর্শন এর হালকা চাপে মধুজা ওর কোলে বসে পরে।সাথে সাথে সে বুঝতে পারে তার পাছার নিচে সুদর্শন বাবুর শক্ত বাড়া। তার সম্বিৎ ফেরে। কি হতে যাচ্ছে এসব। সাথে সাথে সে উঠে পড়ে আর ব্যালকনি থেকে বেরিয়ে ঘরে ঢোকে।
ঘরে মৌলি দেখে তার মার শরীরে পিছন দিকটা উন্মুক্ত। কুর্তি পিঠের কাছে ব্রায়ের স্ট্র্যাপ এ গোজা। লেগিস , প্যান্টি কোমরের নিচে নামানো।
তার মা ঘর থেকে বেরিয়ে বাথরুমে ঢুকে যায়। পিছন পিছন মৌলি বেরিয়ে নিজের ঘরে যায়। আর ভাবে মা তাহলে শরীর দিয়ে সুদর্শন কে দখল করছে। আর সুদর্শন কি তবে শরীরের জন্যই শুধু। মনের কি কোনো দাম নেই। ঠিক আছে তবে তাই হোক। শরীর দিয়েই আমি ওকে জয় করবো। যেভাবেই হোক সুদর্শন শুধু আমার ই থাকবে।
পর্ব ১৪
টেবিলে একসাথে সবাই খেতে বসেছে। মধুজা একটু চুপচাপ। মৌলি ও তেমন কথা বলছে না। শুধু সৌমি বক বক করেই যাচ্ছে। সুদর্শন বাবু অজ্ঞতা সৌমির সাথেই কথা বলে যাচ্ছে। মধুজা দেবী চুপচাপ পরিবেশন করছে সাথে নিজেও খেয়ে নিচ্ছে। ভেবেছিল একবার সবাইকে খেতে দিয়ে পরে খাবে। কিন্তু বেশি রাত হয়ে যাবে ভেবে বসেই পরলো। একসাথে খেতে বসলেও তার মুখে কথা নেই। সে শুধু ভাবছে, কি হতে যাচ্ছিল। এতদিন ধরে নিজেকে আটকে রাখার পর , এই অধঃপতন। যেখানে মেয়েরা বড় হচ্ছে, উফফফ না। আমাকে ঠিক থাকতেই হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে মধুজা দেবী।
সুদর্শন বাবু হঠাৎ খেয়াল করলো, কারো পা তার পায়ের মাঝখানে এসে কিছু খুঁজছে ।প্রথমে একটু হকচকিয়ে গেলেও পরে সে বুঝতে পারলো , মৌলি তাকে টিজ করছে। সে পা দিয়ে সুদর্শন বাবুর বাড়া কে স্পর্শ করবার চেষ্টা করছে। পুরোপুরি সফল হয়তো হচ্ছে না । কিন্তু খোঁচা খুচি করবার চেষ্টা সে করে যাচ্ছে।
সুদর্শন বাবু বা হাত দিয়ে পা সরানোর চেষ্টা করছে, কখনও চোখের ইশারায় এসব করতে না করছে কিন্তু মৌলি থামছে না। সুদর্শন বিব্রত বোধ করছে। প্রচণ্ড অস্বস্তি নিয়ে সে খাওয়া কমপ্লিট করলো। দু একবার মধুজা দেবীও লক্ষ্য করেছে তার অস্বস্তি।
সুদর্শন - খুব ভালো খেলাম। সব রান্নাই ভীষণ ভালো হয়েছে।
মধুজা একটু ভারী গলায় বললো ধন্যবাদ
মৌলি হাত ধুয়ে নিজের ঘরে যাবার সময় একটু যেনো চোখের ইশারা করলো।
সুদর্শন বাবু চেষ্টা করছে মৌলির সাথে কথা বলার কিন্তু হচ্ছে না।কারণ মধুজা দেবী সেই স্পেস দিচ্ছে না। কিন্তু রঙিন নেশা ও মধুজা আর মৌলির স্পর্শ সুদর্শন বাবুর ভিতরে উত্তেজনার পারদ বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই মেয়েরা যখন নিজের ঘরে।তখন মাকেই নিয়েই একটু খেলা যাক। মধুজা কিচেন যখন বাসন নামাচ্ছে। সুদর্শন পেছন থেকে গিয়ে মধুজার কোমরে হাত দিলো।
মধুজা আতকে উঠে বললো,এসব করছেন কি, আপনার খাওয়া হয়ে গিয়েছে, এখন আসুন।
সুদর্শন মুখ টা ঘাড়ের কাছে নামিয়ে বললো - আমাকে তাড়িয়ে দিচ্ছ। অনেকক্ষণ ধরে দেখছি, আমাকে এড়িয়ে চলছো।বলছি ব্যথা কমেছে।
সুদর্শন বাবুর স্পর্শে তার শরীর শিউরে ওঠে।মধুজা বুঝতে পারে আবার তার শরীর কথা শুনছে না। সুদর্শন তার হাত কোমর হয়ে কুর্তির ভেতর দিয়ে পেটের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, ,,,, নাক ঘষে দিচ্ছে ঘাড়ে গলায় । আর নিজের শক্ত বাড়া দিয়ে চাপ দিচ্ছে পাছায়।
ত্রিমুখী আক্রমণ যে হতে পারে মধুজা আশা করে নি। মধুজা বলছে ছাড়ুন , এসব কি করছেন, এটা ঠিক না।
সুদর্শন - কি করছি বলো । কেন ঠিক না বলছো।
মধুজা - আপনি প্লিজ সরে যান। আমাকে একা ছাড়ুন।
সুদর্শন পেট হাতাতে আঙুল নাভির চারপাশে ঘোরাতে থাকে সাথে পাছায় চাপ বাড়াতে থাকে।
সুদর্শন - কেন ? আমার সাথে সময় কাটাতে তোমার ভালো লাগছে না।
মধুজা - না ভালো লাগছে না।
সুদর্শন জিভ বের করে ঘাড়ে গলায় চাটতে থাকে. মধুজার শরীর কেঁপে ওঠে। মধুজা হাত পিছনে দিয়ে ঠেলে সরাতে চায় । সুদর্শন সেই হাত এর দিকে বাড়া এগিয়ে দেয়। ফলে না চাইতেও , মধুজা সুদর্শন বাবুর বাড়া স্পর্শ করে ফেলে।
সাথে সাথে মধুজা দেবীর শরীরের সমস্ত বাঁধ ভেঙে যায়। কতদিন পর পরপুরুষের বাড়া স্পর্শ পেলো সে। উফফফ। এ বয়সেও কত শক্ত আর বড়। মধুজার শরীর ছেড়ে দেয় কিন্তু শেষ শক্তি দিয়ে বলে ওঠে, প্লিজ আপনি এখন যান, এসব ঠিক না।
সুদর্শন ওর আঙুল মধুজার নাভির ভেতর ঢুকিয়ে দিয়ে বলে কেন ঠিক না বলো।
মধুজা - বাড়িতে মেয়েরা আছে এখন যান।
সুদর্শন - মেয়েরা না থাকলে কোনো সমস্যা নেই তাই তো।
মধুজা বুঝতে পারে কি ভুল বলে ফেলেছে। মধুজা কোনো ভাবেই আর প্রতিরোধ করতে পারছে না।
সুদর্শন আস্তে করে পাজামা আর প্যান্টির ভেতরে সামান্য হাত ঢুকিয়ে দেয়।
মধুজা বলে প্লিজ আর হাত নামাবেন না।
সুদর্শন পাকা খেলোয়াড় , সে বোঝে , মধুজার প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কমে এসেছে।
ঠিক এই সময় , সৌমি মা মা বলে ঘর থেকে ডাকতে থাকে।
মধুজার যেনো হুশ ফেরে , সরিয়ে দিতে চায় সুদর্শন কে।বলে, এখন আর না, আপনি যান...সৌমি এসে পড়বে।
সুদর্শন হাত টা আরও ভেতরে ঢোকায়। গুদের ওখানে অবিন্যস্ত চুল গুলো স্পর্শ করে। তারপর বলে , তাহলে বলো , যখন একা থাকবে আমাকে ডাকবে। ঘাড়ে গলায় নাক মুখ ঘসতে ঘসতে থাকে।
মধুজা - প্লিজ আপনি এখন যান।
আগে বলো, ডাকবে।
মধুজা - না
সুদর্শন - তবে আসুক তোমার মেয়ে, দেখুক এতো রাতে কীভাবে তার মা আঙ্কেল এর কাছে শরীরের সুখ নিচ্ছে।
মধুজা - না , আমার কিছু হচ্ছে না।
সৌমি - মা ও মা.....
মৌলি - মা....
সুদর্শন বাড়া মধুজার পাছায় ঠেসে আরও হাত নিচের দিকে নামাতে থাকে....
মধুজা আর পেরে ওঠে না, বলে ঠিক আছে, এখন ছাড়ুন পরে ডাকবো আপনাকে।
সুদর্শন - thats like a good girl .
মধুজা কাপা কাপা গলায় বলছে,, কি হয়েছে কি আসছি তো।
মৌলি ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে দেখছে তার মা রান্না ঘর থেকে বের হলো, পেছন পেছন সুদর্শন আঙ্কেল। তাহলে প্রায় 10 মিনিট ধরে এই হচ্ছে। মৌলি মনে মনে ক্ষেপে উঠেছে। ভাবছে, আমি ইশারা করলাম। আর উনি আমাকে পাত্তা না দিয়ে মায়ের সাথে। কি আছে ওই মাগীর....বাবা ঠিক ই বলে, আমার মা একটা মাগি।
সুদর্শন বাবু কথা না বাড়িয়ে চলে যায়। অনেক রাত এখন প্রায় সাড়ে 11 টা বাজে।
পর্ব ১৫
পরদিন সকাল 11 টা নাগাদ মৌলি সুদর্শন বাবুর ফ্ল্যাটে আসে।
বলে আমি আজ কলেজ যাবো না। এখানে থাকবো। মা কে বলে এসেছি , কলেজে যাচ্ছি।
সুদর্শন - মানে এটা হয় নাকি। কলেজে যাও।
মৌলি আজ সুদর্শন বাবু কে একা ছাড়বেই না, তাই বলে, আপনার wifi এর পাসওয়ার্ড দিন আমি কলেজের খুব প্রয়োজনীয় এসাইনমেন্ট কমপ্লিট করবো।
সুদর্শন আর না করতে পারে না। কিন্তু কিছুক্ষণ লক্ষ্য করবার পর সে বুঝতে পারলো। মৌলি র উদ্দেশ্য অন্য।
সুদর্শন একটু বাজিয়ে দেখার জন্য বললো, মৌলি আমি বের হবো। ফাঁকা বাড়িতে একা না থেকে তুমি কলেজ যাও।
মৌলি - না আমি কলেজ যাবো না।
সুদর্শন - তুমি মুখের ওপর কথা বলছো, আর একটা কথা শুনবো না। তুমি কলেজে যাও।
মৌলি - মায়ের সাথে কথা হবার পর থেকে দেখছি আমাকে ইগনোর করছো। কেন?
সুদর্শন - মানে?
মৌলি - মা র যা আছে আমিও তা সব দিতে পারবো।
সুদর্শন বুঝে গেলো সবকিছু। কেন গতকাল ওর মুড অফ ছিলো। কেন ডেসপারেট লি পা দিয়ে খোচাছিল। কেন এখন ও এসেছে।
সুদর্শন মৌলির কাছে গেলো। নিচু হয়ে একেবারে মৌলির ঠোঁটের কাছে ঠোঁট নিয়ে গেলো। তারপর বললো না, তোমার মার তুলনা হয় না। বলে সরে গেলো।
মৌলি ভীষণ ডেসপারেট। নিজের টপ একবারে খুলে ফেললো। লাল রঙের লেসের ৩২ সাইজের ব্রা তার দুধের ওপর । সুদর্শন এর বাড়া নড়ে উঠলো।কিন্তু নিজেকে শক্ত করে বললো। এসব করে লাভ নেই। তুমি তোমার মার মতোন নও। সে অন্য জিনিস।
মৌলি চিৎকার করে উঠলো - আমি মার থেকে ভালো।।।।। আমি মায়ের থেকে বেশি আনন্দ দিতে পারবো।
সুদর্শন আরো জোরে চিৎকার করে বললো - একদম চুপ। কতবার বলেছি মুখে মুখে কথা বলবে না।তোমার সাহস কতবড়, এতো লাউড হচ্ছ। এখন তুমি পানিশমেন্ট পাবে।নাও , তোমার স্কার্ট টা খোলো।
মৌলি এবার ভয়ে কেঁপে ওঠে, তারপর সুদর্শন এর আদেশ মতন স্কার্ট খুলে ফেলে। আর মনে মনে ঠিক করে যেমন ভাবে খুশি আজ সুদর্শন যেনো তাকে পানিশ করে। তবুও সে কিছু অন্তত তো পাবে।
লাল প্যানটি আর লাল ব্রা পরে সুদর্শন এর সামনে দাঁড়িয়ে আছে। সুদর্শন ওকে কোলে করে নিজের বেডরুমে নিয়ে গেলো। তারপর ড্রয়ার থেকে কুকুরের কলার বেল্ট ও মুখে গ্যাগ করার একটি বল বের করলো। তারপর মৌলি কে ও দুটো পরালো। আর বললো, আজ সারাদিন মুখে এটা পরে থাকবে, আমি তোমার কোনো কথা শুনতে চাই না। আর ঘরের মধ্যে কুকুরের মতো এভাবে চার পায়ে ঘুরবে। মাটিতে বসবে।
মৌলি ভীষণ অপমানিত বোধ করে। কিন্তু তবুও কিছু না বলে সম্মতি জানায়।সে শুধু সুদর্শন এর কাছে থাকতে চায়।
সুদর্শন টিভি চালিয়ে একটা খেলা দেখতে থাকে। মৌলি লাল ব্রা প্যান্টি পরে সারা ঘরে কুকুরের মতো ঘুরে বেড়াচ্ছে।
মৌলি বার বার ভাবছে, আমি শুধু ভালোবেসেছি বলে আমাকে এতো শাস্তি পেতে হচ্ছে। আমিও দেখবো কত শাস্তি উনি দিতে পারে।
সুদর্শন ফ্রিজ থেকে একটা বিয়ার নিয়ে এসে আবার সোফায় বসলো। তারপর বললো, যাও বিয়ার ওপেনার টা নিয়ে এসো।
মৌলি আস্তে আস্তে চার হাতপায়ে গিয়ে ওপেনার টা নিয়ে আসলো।
মৌলি সুদর্শন কে মন আর শরীর দুদিক থেকেই ভালোবাসে। মৌলি সুদর্শন আঙ্কেল কে নিজের করে পেতে চায়। কোনো ভাবেই আঙ্কেল এর ভাগ মা কে ও দেবে না। মা গতকাল হয়তো অনেক কিছু আঙ্কেল কে দিয়েছে। মা সুদর্শন আঙ্কেল কে নিজের করে নিতে চায়। সে জন্যই বাবা বাড়িতে না থাকা অবস্থায় মা আঙ্কেল কে নিমন্ত্রণ করেছে।আমি সব বুঝি।
মৌলির পাছায় ঠাস করে একটা শ্লাপ করলো।মৌলি গ্যাগ পরা অবস্থাতেই জোরে গুঙিয়ে উঠলো।
সুদর্শন - কি ভাবছো, কখন থেকে ডাকছি। শুনতে পাচ্ছ না।
মৌলি এতো জোরে যে মার খাবে বোঝে নি। ওর চোখ দিয়ে জল বেরিয়ে গেলো। একদিকে কুকুরের মতো থাকার অপমান অন্যদিকে ব্যথা। তবুও কিছু বলার নেই।সে আরও সহ্য করতে চায়।
সুদর্শন জানে মৌলি ব্যথায় কাদছে। কিন্তু ও আরো এগোতে চায়।
-মৌলি আমার সামনে এসো।
মৌলি কে উল্টো করে নিজের কোলে শোয়ায়। প্যান্টি টা নামিয়ে ওর ফরসা পাছা উন্মুক্ত করে। মুখ থেকে গ্যাগ বল টা খুলে দেয়।তারপর পাছায় একটা চর মারে। আবার মারে। ফরসা পাছা লাল হয়ে যায়।
সুদর্শন কাউন্ট করো কত গুলো মারলাম.....
আবার ঠাস.....
আবার....
মৌলি কাদতে কাদতে বলে ৫
৬
৭
এভাবে একের পর এক চর মারতে থাকে পাছায়।
মৌলি - ১৯
মৌলি - আআআআআ ২০
সুদর্শন থেমে যায়। মৌলির পাছা লাল হয়ে গেছে পুরো। পাছায় হাতের ছাপ পড়েছে। চোখে জল।
সুদর্শন - কাদছ কেন ? বলো । ব্যথা লেগেছে।
মৌলি - মাথা ঝাঁকিয়ে বলে হুম
সুদর্শন ওর হাত টা নিচে নিয়ে গিয়ে গুদের ওপর আঙুল দিয়ে ঘষে।তারপর বের করে ওকে দেখায়।আর বলে , দেখো, তুমি হয়তো উপরে ব্যথা পেয়েছো। কিন্তু এই ব্যথাতেই তোমার সুখ। চোখের জল তোমার মিথ্যে, রসে ভরা আঙুল দেখিয়ে বলে এটাই সত্যি।
তারপর কচি আনকোরা গুদের রসে ভেজা আঙুল নিজের মুখে ঢুকিয়ে নেয়। সোদা গন্ধের স্বাদ পায়। মৌলি এটা দেখে চোখ বন্ধ করে ফেলে।
মৌলি সুদর্শন বাবুর কথা মোহিত হয়ে শোনে। মন থেকে বিশ্বাস করতে চায়।
সুদর্শন মৌলি ওঠায়। ওর প্যান্টি ঠিক করে পরিয়ে দেয়। বলে আমি এরমই , আমি এভাবেই পানিশমেন্ট দেই। তুমি এসব নিতে পারবে না।
সামনের থেকে টপ আর স্কার্ট টা নিয়ে আসে। ওটা মৌলীর হাতে দিয়ে আরও বলে, এগুলো পরে নাও। আর এসো এখন। আর জেনে রেখো। তুমি আমার ড্রিম গার্ল। তোমাকে নিয়ে আমি স্বপ্ন দেখি।তুমি আমার কাছে সবার থেকে আলাদা। কিন্তু মানুষ হিসেবে আমি সহজ না। দরজা খোলা আছে, এসো এখন। আর যদি আমার পেছন পেছন আমার বেডরুমে আসো, তবে মনে রেখো অনেক শর্ত নিয়ে তোমাকে থাকতে হবে। পিছন ফিরে যাবার সুযোগ নেই।
এই বলে সুদর্শন নিজের বেডরুমের ভেতরে ঢুকে যায়।
মৌলি একমিনিট এর মতন দাঁড়িয়ে থাকে। নিজের জামা কাপড় বুকের কাছে ধরে। তারপর যেনো সম্বিৎ ফেরে। এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে সুদর্শন বাবুর পিছন গিয়ে ওর বেডরুমে দাঁড়ায়।
সুদর্শন জানতো ও ফিরে আসবে। ওকে দুহাতে উঠিয়ে বিছানায় শোয়ার। আর মৌলির ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে দেয়। মৌলির ঠোঁট চুষে জিভ চুষে চুমু খেতে থাকে।
মৌলি এতো যন্ত্রণার পর এই চুমুতে যেনো স্বর্গসুখ পায়। সুদর্শন বাবুর বিছানায় ওনার বুকের নিচে উফফফ উফফফফফ মৌলি যেনো শান্তি খুঁজে পায়।
সুদর্শন বাবু কে জড়িয়ে ধরেছে মৌলি। ওনার পিঠ খামচে ধরেছে।
সুদর্শন মৌলি কে বিছানার ওপর বসিয়ে বলে, আমার শর্ত গুলো না শুনেই যে এ ঘরে এলে।
মৌলি হাঁফাতে হাঁফাতে বলে আমি সবকিছুতে রাজি।
সুদর্শন আগে শুনে নাও। আমার শর্ত.....
এক, আমার কোনো কিছুতে তুমি বাধা দিতে পারবে না। বরং আমাকে সাহায্য করবে।
দুই, আমাকে কোনো প্রশ্ন করতে পারবে না।
তিন , আমার কথা না শুনলে কিংবা ভুল করলে পানিশমেন্ট পেতে হবে।
মৌলি রাজি রাজি রাজি বলে সুদর্শন বাবুকে জড়িয়ে ধরলো।
সুদর্শন - সত্যি তো, এই ধরো তোমার মায়ের সাথে যদি সেক্স করি।তুমি রাজি তো।
মৌলির মুখ টা আবার একটু কালো হয়ে যায়। মাথা নামিয়ে হুম বলে। সুদর্শন বাবু হেসে ওঠে। আর বলে, ঠিক আছে, চলো একটু ঘুরে আসি। তোমার মা নিশ্চই বুটিক এ। এখন বেরোলে নিশ্চই অসুবিধে হবে না।
মৌলির চোখ খুশিতে চক চক করে। হুম আমি রাজি। কোনো সমস্যা নেই।
পর্ব ১৬
বুটিকে বসে মধুজা নিজেকে নিয়ে ভীষণ অসন্তুষ্ট। বার বার ভাবছে, কেন এমন হচ্ছে। কেন সুদর্শন বাবুর স্পর্শে নিজের ওপর সমস্ত নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায়। মেয়েরা বড় হচ্ছে। আর আমি কিনা .... ছি।
সামনের দিকে তাকাতেই বুটিকের ভেতরের আয়নায় নিজেকে দেখে মধুজা। সে অবাক হয়, আয়নার প্রতিবিম্ব যেনো তাকে বলছে, এতদিন তো নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করলে, মেয়েদের সেই ছোটো থেকে প্রায় এক হাতে বড় করলে, এখন একটু নিজের কথা ভাবো।
মধুজা- না না। অসম্ভব। যখন সময় ছিলো তখন ই কারো দিকে চোখ তুলে তাকায় নি। আর এখন, অসম্ভব।
প্রতিবিম্ব - অন্তত এবার নিজেকে দেখো। নিজের শরীর কে দেখো। এতো সুন্দর ফিগার কে দেখো। নিজের ভেতরের চাপা আগুন টাকে নেভাও।
মধুজা - আর আগুন। কত রাত ছটফট করেছি। কখনও আঙুল কখনও শসা বেগুন দিয়ে নিজেকে শান্ত করেছি। প্রলোভন তো কম ছিলো না। তবুও মেয়ে দুটোর মুখের দিকে তাকিয়ে চুপ করে থেকেছি। ওর বাবা তো থেকেও নেই। দিনের পর দিন না মেয়েদের না স্ত্রীর কোনো দায়িত্ব নেয় নি। টাকা দিয়েই সব দায়িত্ব শেষ করেছে।
প্রতিবিম্ব - অনেক আদর্শের কথা হয়েছে। মেয়েরা তো এখন বড় হয়েছে। এখন অন্তত নিজের চিন্তা করো। সুদর্শন বাবুর ডাকে সাড়া দাও ।
মধুজা - একদম না, দুদিন পর মেয়ের বিয়ে দিতে হবে, আর এই বুড়ি বয়সে আমি।
প্রতিবিম্ব - কাকে বুড়ি বলছো। সুদর্শন বাবুর স্পর্শে তোমার গুদ কি ভেজে নি। সুদর্শন বাবুর বাড়া যখন ধরলে তখন তোমার শরীর কি কেঁপে ওঠেনি।কখনও কি মনে হয় নি, সুদর্শন বাবু যা করছে, আরো করুক.....
মধুজা এসব কিছুই অস্বীকার করতে পারে না। কাল রাতের সব কিছু মনে পড়ে যাচ্ছে ওর। উফফফ । শরীরে উত্তেজনা অনুভব করতে লাগলো। এই বয়সেও সুদর্শন বাবু কত হ্যান্ডসাম। শরীর কে বশ করার কায়দা জানে। আর ওটা।ইসসসস কি বড়। তলপেটে মোচড় দিয়ে ওঠে ।
তখন এক কাস্টমার ঢোকে.....
মধুজা ভাবনা থেকে বের হয়ে বলে, নাহ, দুর্বল হলে চলবে না। মেয়েদের কথা ভাবতে হবে। নিজের কথা না।
তারপর কাস্টমার দের আটেন্ড করতে থাকে।
এদিকে মৌলি আজ ভীষণ এক্সসাইটেড। সে ফাইনালি সুদর্শন বাবুর সাথে বেরিয়েছে। গাড়ির সামনের সিটে বসে সে সুদর্শন বাবুকে দেখছে।সুদর্শন বাবু ব্ল্যাক শার্ট আর হোয়াইট প্যান্ট পড়েছে। চোখে সানগ্লাস । পুরো হিরোর মতো লাগছে।
প্রথমে তারা গঙ্গার ধারে যায়। সেখানে বসে। মৌলি গল্পের ভান্ডার খুলে বসে। সুদর্শন অবাক হয় যে মৌলি এতো কথা বলতে পারে জেনে। মৌলি একটার পর একটা ছবি তুলে যাচ্ছে। সুদর্শন ও ধৈর্য্য ধরে ছবি তুলে দিচ্ছে।
সুদর্শন মৌলির মধ্যে কিছু একটা আবিষ্কার নিশ্চই করেছে। তাই সেও ভীষণ খুশি।বয়সের দিকে তাকালে মৌলি সুদর্শন বাবুর থেকে অনেক অনেক ছোটো। কিন্তু সুদর্শন বাবুকে দেখলে যেমন ১০ বছর বয়স কম মনে হয়। তেমনি স্কার্ট আর টপেও মৌলি কে ভীষণ ম্যাচিউর লাগে। সুদর্শন মনে মনে ভাবে, মৌলি কে শাড়িতে আরো ভালো লাগবে নিশ্চই।
সুদর্শন বাবুর একটা ফোন আসে।দূর্বা দেবীর মানে নীলের মা এর।
মৌলি কে এখানেই থাকতে বলে সে ফোনে কথা বলতে শুরু করে।
দূর্বা - হেলো দাদা। আমি একটু সমস্যায় পড়েছি। নীলের বাবার অফিসে একটু সমস্যা হয়েছে। আপনি যদি একটু দেখতেন
সুদর্শন - কি সমস্যা.....
দূর্বা দেবী সবিস্তারে বলেন।
সুদর্শন - ঠিক আছে চিন্তা কোরো না। আমি তো আছি। দেখছি কি করা যায়।
দূর্বা - হ্যাঁ দাদা , আপনি ই ভরসা।
সুদর্শন - ঠিক আছে, সমস্যা মিটিয়ে সন্ধ্যায় কফি খেতে আসবো।
দূর্বা হেসে বলে , আপনার কফি খাওয়া মানে আমি বুঝি না ভেবেছেন। ঠিক আছে। আসুন। আমি অপেক্ষা করবো।
তারপর ফোন টি কেটে। আরো দু একটি ফোন করে সুদর্শন বাবু।
সুদর্শন বাবুর এটা বড় গুণ। কাউকে সাহায্য করার সুযোগ পেলে সে আর তা ছাড়ে না। মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে, কখনও টাকা পয়সা দিয়ে। কখনও নিজের যোগযোগ কাজে লাগিয়ে, কখনও হাসপাতালে নার্সিংহোমে এডমিশন করিয়ে মানুষ কে সাহায্য করতে পিছপা হয় না। তাই অনেক দোষ থাকার পরও সবাই তাকে ভালোবাসে খাতির করে।
দুটো ছেলে সম্ভবত সিগারেট গাজা ভরে নেশা করছিল। মৌলি ওদের সামনে গিয়ে সেলফি তুলছে নিজের খেয়ালে।
একটি ছেলে - উফফফ সুন্দরী। আমার কাছে এসো। তোমাকে ল্যাংটো করে ছবি তুলে দিবো।
দ্বিতীয় ছেলে - দুর বাড়া, বল ল্যাংটো করে চুদবো।
প্রথম ছেলে দাঁত কেলিয়ে হে হে হে হে ঠিক বলছিস। শালীর গতর দেখেছিস।
দ্বিতীয় ছেলে - সুন্দরী এসো । সেই আরাম পাবে।
মৌলি - অসভ্য জানোয়ার
প্রথম ছেলে মৌলির হাত ধরে বলে, সাইডে চলো সোনামুনি। তোমাকে জানোয়ারের মতো চুদবো।
ঠাসসসসস......
এক চড়ে প্রথম ছেলেটি ঘুরে মাটিতে পড়ে গেলো। ঠোঁটের কোনায় রক্ত....
দ্বিতীয় ছেলে - কে বে। গায়ে হাত দিলি কেন ।
সুদর্শন ওর চুলের মুঠি ধরে বললো, আমার ও তো একই প্রশ্ন, মুখে যা বলছিলি বলছিলি। গায়ে হাত দিলি কেন? এই বলে দু চারটা চর আরও মারে।
মৌলি সুদর্শন এর পাশে এসে দাঁড়ায়। দু চারজন লোক ও দাঁড়িয়ে দেখছে।
সুদর্শন দ্বিতীয় ছেলেটিকে আবার বললো, দু সেকেন্ড এর মধ্যে তোর বন্ধুকে নিয়ে এখন থেকে ভাগ , নইলে তোর বন্ধুর মতো তুইও মাটিতে পড়ে থাকবি।
এরপর সম্ভবত দু সেকেন্ড ও লাগে নি।
সুদর্শন সবার উদ্দেশ্যে বললো অনেক মজা দেখেছেন, এখন আসুন। এই বলে মৌলি কে নিয়ে গাড়িতে উঠলো।
মৌলি সুদর্শন বাবুর অন্য একটা রূপ যেনো দেখলো। সুদর্শন বাবুর প্রতি ওর ভালোবাসা যেনো আরও বেড়ে গেলো। কিন্তু আচমকা একটা বাজে ছেলের হাত ধরে টানাটানিতে সে ভীষণ ঘাবড়ে আছে।
সুদর্শন - সিট বেল্ট লাগিয়ে নাও।
মৌলি এতই ঘাবড়ে আছে যে। সিট বেল্ট লাগাতে ঠিক মতো পারছে না।
সুদর্শন বিষয় টি বুঝলো, রিল্যাক্স হও। ভয়ের কিছু নেই।
তারপর নিজেই ওর দিকে ঝুঁকে সিট বেল্ট লাগিয়ে দেয়।
মৌলি এতো কাছে পেয়ে নিজেকে আর সংবরণ করতে পারে না। সুদর্শন বাবুর ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে দেয়। মিনিট খানেক চুমু খাবার পর। সুদর্শন বাবু বলে, আমার পারমিশন ছাড়া তুমি নিজে থেকে আমাকে কখনো টাচ করবে না। মনে থাকবে।
মৌলি মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলে। আর মনে মনে বলে , নিষ্ঠুর।
এরপর তারা একটি রেস্তোরাঁয় যায়।সেখানে খাবার অর্ডার করে। রেস্টুরেন্ট এর আম্বিয়ানস দারুন। অনেক জন একসাথে খাচ্ছে। কিন্তু লাইট এতো টাই কম যে একটা প্রাইভেসি ফিল করা যায়।
সুদর্শন এর বা দিকে বসে আছে মৌলি। টেবিলের নিচ দিয়ে ও
সুদর্শন বা হাত বাড়িয়ে দেয় মৌলির থাইয়ে। মৌলি থাইয়ে স্কার্টের ওপর দিয়েই হাতাতে থাকে । কখন হাত টা একটু ওপর এ নিয়ে গিয়ে কোমরে হাত দিচ্ছে।
মৌলি হকচকিয়ে যায়। কি করবে বুঝতে পারে না। তাই নিজেকে সুদর্শন বাবুর হাতে ছেড়ে দেয়। সুদর্শন বাবু টেবিলের তলায় আস্তে আস্তে স্কার্ট ওঠাতে থাকে। স্কার্টে হাঁটুর ওপর থাই এর কাছে আসে। সুদর্শন এবার হাত ওর ইনার থাইতে দেয়।এক হাত দিয়ে হাতাতে থাকে। গুদের খুব কাছে হাত নিয়ে যায়।কিন্তু গুদে হাত দেয় না। গুদের দুদিকে প্যান্টি লাইনে আঙুল দিতে থাকে।
মৌলি চোখ বন্ধ করে । মুখ থেকে অস্পষ্ট আহহ হ হ হ হ হ শব্দ বেরিয়ে আসে।
সুদর্শন আস্তে করে বলে, প্যান্টিটা খুলে আমার হাতে দাও।
মৌলি - এখানে। কিভাবে।
সুদর্শন - ইটস মাই অর্ডার।
মৌলি বুঝলো কথা বাড়িয়ে লাভ নেই। সে পাছাটা একটু উঠিয়ে চারিদিকে দেখে প্যান্টি টা নামাতে শুরু করলো।
এভাবে পাবলিক প্লেসে প্যান্টি খুলতে ভীষণ ইতঃস্তত বোধ করছে ও। স্কার্ট ওপরে ওঠা প্যান্টি হাঁটু পর্যন্ত নামানো।
সুদর্শন - কি হলো তাড়াতাড়ি দাও।
এমন সময় ওয়েটার খাবার নিয়ে এলো।
মৌলির হাত যেনো স্থির হয়ে গেলো।
ওয়েটার খাবার পরিবেশন করছে।
সুদর্শন - কোথায় দাও।
মৌলি ভীষণ বিব্রত। কি করবে বুঝতে পারছে না। সেদিন ফ্ল্যাটে তো খুলে দিতে সময় লাগে নি। কিন্তু এখন পাবলিক প্লেসে, একজন ওয়েটার এর সামনে।।।।।
সুদর্শন একটা চামচ নিচে ফেলে দেয়। আর ওয়েটার কে বলে খাবার সার্ভ করে উঠিয়ে দিতে।
মৌলি বুঝলো ইচ্ছে করেই সুদর্শন আঙ্কেল এটা করলো। ইসসসসস কি হবে। এখন লোক টি নিচু হলেই স্কার্ট ওঠানো প্যানটি অর্ধেক নামানো দেখতে পাবে।
মৌলি আর দেরি করে না। যা বোঝার বুঝুক । দেখার থেকে কিছু বোঝা ভালো। মৌলি হাত নামিয়ে প্যান্টি টা আরও নিচে নিয়ে গেলো। তারপর এক পা এক পা করে প্যানটি টা বের করলো।
ওয়েটার মুচকি মুচকি হাসছে। সে তো জানে, এখানে কাপল রা কি করে ।
মৌলি প্যান্টিটা হাতে নিয়ে টেবিলের নিচেই সুদর্শন বাবুর হাতে দিলো।
ওয়েটার তখন ই চামচ টা তুলে ওখান থেকে চলে গেলো।
সুদর্শন - ইসস ভিজিয়ে ফেলেছো একেবারে।
মৌলি চুপ করে চোখ নামিয়ে আনে। আর মনে মনে বলে , দুষ্ট নিষ্ঠুর শয়তান, জানে না মনে হয় সকাল থেকে আমার সাথে উনি কি করছে। শরীরের সাথে এসব করলে ভিজবে না তো কি।
সুদর্শন - তাড়াতাড়ি খেয়ে নাও। অনেক দেরি হয়ে গেছে। ফিরতে হবে।
