Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

গল্প:ভীমরতি
#6

পর্ব ২০




মৌলির কলেজের খুব কাছেই শপিং মল। সেখানে পৌঁছে মৌলি অপেক্ষা করতে থাকে সুদর্শন বাবুর। সে সময় দুজন ছেলে বন্ধুর সাথে ওর দেখা হয়। কলেজের কাছে হওয়ায় কলেজ থেকে প্রায় সবাই কারণে অকারণে এখানে ঢু মারে। ছেলে দুটি আজ মৌলিকে একা পেয়ে গল্প করতে শুরু করে। একটি ছেলে মৌলি কে আইসক্রিম অফার করে। মৌলি ও রাজি হয়ে খেতে শুরু করে। অপর একটি ছেলে মৌলির সাথে মস্করা করতে শুরু করে।মৌলি হাসি হাসি মুখে উত্তর দিতে থাকে।
সুদর্শন বাবু যখন গাড়ি নিয়ে ঢোকে। তখন বিষয় টি খেয়াল করে। গাড়ি পার্কিং এ রেখে মলের ভিতরে ঢুকে মৌলি কে ফোন করে। মৌলি আসছি বলেও 10 মিনিট লাগিয়ে দেয়।
সুদর্শন বাবু বুঝতে পারে ছেলে দুটির সাথে গল্প করছে। ঠিক জেলাস না কিন্তু রাগ হয় ওনার। যে ইরিটেশন পানিশমেন্ট দিতে চেয়েছিল। সেটা মৌলির মধ্যে নেই। গুদের জল খসাতে না পারার জন্য একটা ছটফটানি লক্ষ্য করতে চেয়েছিল, সেটা নেই। সুদর্শন বাবুর চোয়াল শক্ত হয়। সে মৌলির জন্য অপেক্ষা করতে থাকে।
মৌলি বন্ধুদের সাথে গল্প করতে করতে তলপেটের অস্বস্তি টা আর অনুভব করে না। উফফফ যেনো হাফ ছেড়ে বাঁচলো সে। খুশি খুশি মনে মৌলি সুদর্শন বাবুর কাছে পৌঁছলো।
সুদর্শন - কি ব্যাপার এতো দেরি হলো। আমি তো ভাবলাম আমার ই দেরি হলো।
মৌলি -  দুজন বন্ধুর সাথে দেখা হলো। তাই কথা বলছিলাম।
সুদর্শন - ঠিক আছে চলো । কেনাকাটি শেষ করা যাক ।
মৌলি - হ্যাঁ, আমি একটু ওয়াশ রুম থেকে আসি একটু।
সুদর্শন - পরে যেও। আমার তারা আছে।
মৌলি - আমার একটু টয়লেটের প্রেসার এসেছে । তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে।
সুদর্শন মৌলির হাত ধরে শপের দিকে নিয়ে যায়, আর বলে, একটু আটকে রাখো। কেনাকাটি আরও তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে।
অজ্ঞতা মৌলি আটকে রাখে। সুদর্শন মনে মনে ভাবে ফোন না করলে আরও তো দিব্যি গল্প করে যেতে। তখন কি টয়লেটের চাপ থাকতো না। ওয়েট বেবী ওয়েট। আগে আগে দেখো কি হয়।

দোকানে ঢুকে মৌলির চোখ ছানাবড়া। কত ধরনের ব্রা প্যান্টি সাজানো। কত সুন্দর সুন্দর ডিজাইন। ব্রা প্যান্টির যে এতো ভ্যারাইটি থাকতে পারে, মৌলির ধারণা ছিলো না। ফাঁকা দোকান। একটি মাত্র এটেনডেন্ট মেয়ে রয়েছে।
সুদর্শন দোকানের মেয়ে টিকে বললো - যা যা পছন্দ করে দিয়ে দাও।
মেয়েটি - ওকে স্যার।
কিন্তু মৌলি কি নেবে ভেবেই পাচ্ছে না। আসলে এভাবে তো কোনো দিন দোকানে এসে কেনেনি। যখন যা লাগতো। ওর মার বুটিক এ থাকতো। প্রয়োজন মতো ওর মা ই নিয়ে আসতো। কিন্তু এখানে....বুঝে উঠতে পারছে না কি করবে।
মেয়েটি - ম্যাডাম , আপনার সাইজ বলবেন।
মৌলি অপ্রস্তুত হয়ে বলে 32
মেয়েটি - আর কাপ সাইজ?
মৌলি- সেটা তো জানি না।
মেয়েটি - সরি ম্যাডাম। কাপ সাইজ না জানলে তো ভালো ফিটিং হলো কিনা বুঝতে পারবেন না।
মৌলি - যা খুশি একটা দিয়ে দিন....
মেয়েটি - ম্যাডাম সরি, একচুয়ালি আন্দরগারমেন্ট চেঞ্জ হয় না।তাই এখানে ফিটিং চেক  করেই আপনাকে যেতে হবে।
সুদর্শন পুরো ব্যাপারটা বুঝতে পারে, ইটস ওকে, সব ধরনের দিয়ে দাও। আমি চেক করে নিচ্ছি ফিটিং হলো কিনা।
মেয়েটি মনে মনে হাসলো, এতক্ষণ ভাবছিল লোকটি হয়তো মেয়েটির বাবা / কাকা । এখন বুঝলো গল্প অন্য। বড়লোক দের বলিহারি শখ , মনে মনে বলে বিভিন্ন কাপ সাইজের ব্রা বের করে দিলো।
মৌলি সেগুলো নিয়ে ট্রায়াল রুমের দিকে গেলো।
মৌলির ভীষণ লজ্জা লাগছে। সুদর্শন কে বললো- আমি বুঝতে পারবো। প্লিজ আপনি দেখবেন না।
সুদর্শন - কোনো কথা না , একটা একটা করে পরে আমাকে দেখাবে।
মৌলি তলপেটের নিচে শিরশিরানি টা আবার অনুভব করে। একদিকে হিশু চেপে রাখা। অন্য দিকে .....উফফফ
ট্রায়াল রুমের দরজা বন্ধ করে মৌলি প্রথমে নিজের টপ খুললো। তারপর ব্রা।
মৌলি দেরি করতে চাইলো না। ঝটফট একটা ব্রা তুলে নিয়ে পরে নিলো। কালো রঙের ব্রা। মৌলি ফরসা শরীরের ওর দুধ গুলো ঢেকে রাখলো।
দরজা খুলে প্রথমে মুখ বের করে খুজলো সুদর্শন বাবুকে তারপর চোখের ইশারায় ডেকে নিলো ।
সুদর্শন বাবু দরজার কাছে গিয়ে দেখলো। ট্রায়াল রুমের ভেতরে ঢোকা ঠিক হবে না। তাই হাত বাড়িয়ে ব্রায়ের ফিতে কাপ এগুলো টেনে টেনে দেখতে লাগলো।
মৌলির অবস্থা যেনো শেষ। এমনিতেই শরীরের এই অবস্থা তারমধ্যে বুকে গলায় পিঠে সুদর্শন বাবুর শক্ত হাত যেভাবে ঘোড়া ফেরা করছে। উফফফ কোনো ভাবে নিজেকে আটকানো যেনো মুশকিল হয়ে পড়ছে।
সুদর্শন - তোমার দুধ গুলোতে এই ব্রা বেশি টাইট মনে হচ্ছে।
মৌলির কান যেনো গরম হচ্ছে।খোলামেলা এই কথা গুলো শরীরের উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলছে।
সুদর্শন , এটার কাপ সাইজ কতো দেখি। বলে পেছনের স্ট্র্যাপ টা খুলে দিলো। মৌলি এ ঘটনায় হকচকিয়ে গিয়ে হাত দুটি সামনে দিয়ে নিজের দুধ চেপে ধরলো।
সুদর্শন - ও B। তুমি এক কাজ করো 32 D ট্রাই করে দেখো।
মৌলি এবার লাল রঙের ব্রা টা পরে দেখে। তার দুধের ওপর দারুণ ফিট হয়েছে। মৌলি ভাবছে , এটা ফাইনাল করে নিয়ে গেলেই শান্তি। খুব বাথরুম পেয়েছে। আর উনি যা শুরু করেছে, পারা যাচ্ছে না।
দরজা খুলে দেখে সুদর্শন বাবু সামনেই দাঁড়িয়ে।
মৌলি লাল ব্রা পরে ওনার সামনে দাঁড়িয়ে।
লাল ব্রা য়ে একেবারে কচি বউয়ের মতো লাগছে ওকে।
সুদর্শন ও চোখ সরাতে পারছে না। ওর বাড়া সারা দিচ্ছে।জেগে উঠছে আস্তে আস্তে।
সুদর্শন লক্ষ্য করে, ডানদিকের ব্রায়ে নিপিল টা সেট হয় নি। তাই মৌলি কে কিছু না বলার সুযোগ দিয়েই ব্রা টা একটু উঠিয়ে এক আঙুল ঢুকিয়ে নিপিল টা কে জায়গা মতো সেট করে।
নিপিল টাচ করার সাথে সাথে মৌলির অবস্থা আরও খারাপ হয়। সে কুকরে যায়। বসে পরে।
সুদর্শন - কি হলো
মৌলি - কিছু না। আপনি বিল করুন। আমাকে বাথরুমে যেতে হবে।
সুদর্শন - সবে তো মাপ ঠিক হলো। এখনও ব্রা গুলোর কালার পছন্দ করো। প্যান্টি নাও।
মৌলি - ওগুলো আপনি নিয়ে নিন। আমি ওয়াশরুমে যাবো। আমার খুব পেয়েছে।
সুদর্শন হাসতে হাসতে বলে, কি যে বলো।তোমার জিনিস তুমি পছন্দ করে নাও।
মৌলি - প্লিজ ,আপনার পায়ে পড়ি, আমাকে টয়লেটে যেতে দিন।
সুদর্শন - শোনো, ওয়াশরুম এই মল এর উল্টো দিকে। তোমাকে একটু ওয়েট করতেই হবে।
মৌলি কাদো কাদো ভাবে বললো -আচ্ছা একটু তাড়াতাড়ি করুন।
সুদর্শন - তুমি পোশাক পরে বেরিয়ে এসো।
বাইরে এসে মৌলি দেখে দোকানের মেয়েটি অনেক ব্রা আর প্যান্টি বের করে রেখেছে। আর বলছে - ম্যাডাম, স্যার এগুলো আপনার জন্য বের করতে বলেছে।
মৌলির আর দেখার সময় নেই। একদিকে প্রচণ্ড হিশু পেয়েছে আর অন্যদিকে গুদ খাবি খাচ্ছে, জল খসানোর জন্য।
মৌলি - ঠিক আছে , দিয়ে দিন।
এ কথা বলে দরজার দিকে এগোলো। সুদর্শন বিল মিটিয়ে সাথে সাথে বের হলো।
দুটো দোকান ক্রস করেই লিফট । সুদর্শন মৌলিকে ধরে লিফটে ঢুকে যায়।
মৌলি - এদিকে কেন ? আমি ওয়াশরুমে যাবো।
সুদর্শন - চলো আমার সাথে, সেই ব্যবস্থা করছি।
লিফট একেবারে পার্কিং এ নেমে আসে।
মৌলি - এ কোথায় নামলাম।
সুদর্শন এসো আমার সাথে বলে ও নিজের গাড়ির পিছনে নিয়ে যায়। তারপর বলে দেখো পার্কিং ফাঁকা। গাড়ির পেছনে কেউ কিছু দেখবে না। তুমি এখানেই করে নাও । টয়লেট অনেক দূর ছিলো। অত দুর যেতে যেতে তুমি প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলতে।
মৌলি - কিন্তু এখানে?
শেষ পর্যন্ত পার্কিং এর মতো খোলা জায়গায়। যতই লোক কম থাকুক, লোক আসতে কতক্ষণ । তাছাড়া সামনে আঙ্কেল দাঁড়িয়ে। এখানে কি করে করবো।
সুদর্শন - দেরি করছো কেন। জিন্স খুলে বসে পরো।
মৌলি চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকে।
সুদর্শন ওর পিছনে যায়। জিন্সের বোতাম টা খুলে দিয়ে নামিয়েও দেয়।
মৌলি কিছু বলার সুযোগ পায় না। জিন্স ধরে ওপর দিকে ওঠাতে থাকে।
সুদর্শন - কি হলো ওঠাচ্চ কেন আবার। এই যে বললে খুব টয়লেট পেয়েছে।
মৌলি এখানে হবে না। আপনি টয়লেটে এ নিয়ে যান।
সুদর্শন এখানেই হবে দেখো বলে....
মৌলির জিন্স নামিয়ে দেয় তারপর প্যান্টি। মৌলি হাত দিয়ে গুদ ঢাকে।
সুদর্শন এরপর মৌলি কে কোলে তুলে নেয়। মৌলির পিঠ সুদর্শন বাবুর বুক আর পেটের দিকে। সুদর্শন বাবু মৌলির থাই ধরে আছে। তারপর বলছে কি হলো শি করো।
এরম অদ্ভুত ভাবে কোনো মেয়ে টয়লেট করেছে কিনা জানি না। কিন্তু মৌলি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। আবার লজ্জায় আর এই ভঙ্গিতে শি বেরোচ্ছে ও না।
সুদর্শন কি হলো করো। যে কেউ চলে আসবে তো।
মৌলি - হচ্ছে না তো ।
সুদর্শন আর দেরি করে না। হাত একটু কাছে নিয়ে এসে গুদের পাপড়ি টা নাড়িয়ে দেয়। সাথে সাথে বাঁধ ভাঙ্গা পেচ্ছাব সুদর্শন হাত ভিজিয়ে পিচকারীর মতো দেওয়াল ভেজাতে থাকে। সুদর্শন হাসতে হাসতে বলে ,,,, দিলে তো আমার হাত ভিজিয়ে। আমার কোলে চরে পেচ্ছাব করছো। আর আমার ই হাতে....
কথা গুলো শুনে মৌলী সত্যিই লজ্জা পায়। ছি ছি এমন ভাবে অপ্রস্তুত হতে হবে ভাবতে পারেনি।
পেচ্ছাব শেষ করে মৌলি বলে আমাকে নামান। হয়ে গেছে।
সুদর্শন দুষ্টুমি করে ওই ভেজা আঙুল দিয়ে আবার গুদের পাপড়ি নাড়িয়ে দেয়। আর বলে , হুম শেষ হয়েছে ।
কিন্তু এই নাড়ানোতে মৌলির শরীরে যেনো কারেন্ট এর শক লাগে।
সুদর্শন বাবুর কোল থেকে নেমে প্যান্টি আর জিন্স পরে নেয়।
সুদর্শন গাড়ি থেকে জল নিয়ে হাত ধুয়ে মৌলি কে বলে গাড়িতে ওঠো।
মৌলি মনে মনে ভাবছে ইসস আর যদি একটু ওখানে টাচ করে রাখতো। তাহলেই যেনো শান্তি পেতাম। ব্যাঙ। আঙ্কেল বোঝেও না।
সুদর্শন সব বোঝে। সুদর্শন জানে ও ঠিক মতোই এগোচ্ছে। সুদর্শন এরম একজন কে চায় যে মন ও শরীর দুদিক থেকেই ওর বশ্যতা স্বীকার করবে।
সুদর্শন - কি বির বির করছো। চলো গাড়িতে ওঠো।
তারপর দুজনে নিজের নিজের ফ্ল্যাটে ঢোকে।
মৌলি ফ্ল্যাটে ঢুকে নিজেকে ঠাণ্ডা করবার জন্য স্নান করতে ঢোকে।

পর্ব ২১





পরদিন সকালে মৌলি ঘুম থেকে উঠে দেখলো ওর পিরিয়ড হয়েছে। কোথায় ভাবলো আজ ২৪ ঘণ্টা হলে গুদের জল খসিয়ে একটু শান্তি পাবে। তা আর হলো না। মোবাইল টা হাতে নিয়ে দেখলো সুদর্শন বাবুর ম্যাসেজ। 'আজ আন্ডার গার্মেন্টে গুলো নিয়ে আমার ঘরে এসো, সব গুলো ট্রায়াল দিয়ে দেখাবে।'
মৌলি মনে মনে মুখটা বেকিয়ে বলে, শখ কত দেখাচ্ছি দাঁড়াও। আমাকে শুধু জ্বালাবে। আর উনি শুধু দেখবে। হবে না।
ম্যাসেজের রিপ্লাই দেয়, 'শরীর খারাপ হয়েছে। আগামী ৫ দিন আর কোনো চান্স নেই।'

দুপুরে লাঞ্চ সেরে সুদর্শন বের হয় মধুজার বরের অফিসে।অফিসের পাশাপাশি এটা সুজয়ের দ্বিতীয় বাড়ি। দিনে রাতে বিভিন্ন সময়ে মাল লোড আনলোড হয়। তাই বাড়ি যাবার কথা সে আর ভাবে না। তাছাড়া বাড়িতে গিয়ে করবেই বা কি। শারীরিক ভাবে তো দূরের পাশাপাশি মানসিক ভাবেও এখন অনেক দূরে মধুজা। তাই বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাড়িমুখো আর সে হয় না।
সুদর্শন যখন অফিসে পৌঁছায়। তখন বিকেল হয় হয় আর কি। সুজয় দেখেই আপ্যায়ন করে সুদর্শন বাবুকে। সে ও জানায়, এদিক দিয়ে বিশেষ কাজে যাচ্ছিলাম, তাই ভাবলাম একবার দেখা করেই যাই।
দুজনের এ গল্প সে গল্প শুরু হয়। সুদর্শন অপেক্ষা করে আসল গল্পের জন্য।
সন্ধ্যে হতেই সুজয় মদের বোতল আর জল নিয়ে বসে পরে। একটি গ্লাস সুদর্শন বাবুর দিকেও এগিয়ে দেয়। সুদর্শন মনে মনে ভাবে, হুম এখন আস্তে আস্তে গল্পে ঢোকা যাক।
সুদর্শন - সব ই ঠিক আছে । কিন্তু সেদিন আপনি যা শুরু করলেন।
সুজয় - কবে বলুন তো।
সুদর্শন - সেদিন রাতে যে আপনার সাথে আপনার ফ্ল্যাটে গেলাম।
সুজয় - আর বলবেন না। ওই একটু বেশি খাওয়া হয়ে গিয়েছিল।
সুদর্শন ভণিতা না করে সরাসরি বলে, তাই বলে নিজের বউ কে মাগি বলবেন। খানকি বলবেন।
সুজয় - আরে না। মানে.....
সুদর্শন - আরে সরি সরি । আপনার বউকে আমিও মাগি বলে ফেললাম। আপনি বলতেই পারেন, তাই বলে আমার ওনাকে খানকি বলা উচিত হয় নি। তাই না সরি সরি। আমি মাগি বললাম, তাতে আপনি খারাপ পাবেন না।প্লিজ।
সুজয় - আচ্ছা ঠিক আছে। মানে কি বলবো....
সুদর্শন যেনো মধুজাকে মাগি বলার অনুমতি পেয়ে গেলো।সুজয় রেগে যখন যায় নি , তখন খোলা মেলা আলোচনা করা যেতেই পারে, তারপর সে বললো, মানে যাই হোক। আপনার কি মনে হয় আপনার বউ অন্য পুরুষের সামনে গুদ মেলে ধরে।
সুজয় সত্যিই ভীষণ অপ্রস্তুত হয়। আসলে কী যে বলি।
সুদর্শন - আরে বলুন না। ভিতরের কথা খুলে বলুন। একটু হালকা হন।
সে চাইছে সুজয়ের মুখ খোলাতে।
সুজয় ঢক ঢক করে আরেক পেগ খেয়ে নেয়।
সুদর্শন - হ্যাঁ এই তো এবার বলুন। আপনার বউ কি সত্যিই মাগি । আপনি দেখেছেন কাউকে দিয়ে চোদাতে।
সুজয় - শালা আমি দেখলে তো মাগীর বারোটা বাজাতাম।
সুদর্শন মনে মনে বলে, ব্যাস লাইনে এসে গেছে। তারপর বলে, তাহলে যে সেদিন জোর গলায় মাগি খানকি কত কী বললেন।
সুজয় - বলবো না। আপনি জানেন মাগীর কি খিদে।
সুদর্শন - মানে কিসের খিদে।
সুজয় - আমার বউ এর গুদ মারানোর সেই খিদে। বিয়ের পর থেকে মাগি সব সময় আমার সামনে গুদ মেলে রাখতো।
সুদর্শন - কি বলেন.
সুজয় - তাহলে আর কি, জানেন এমন ও রাত গেছে আমাকে দিয়ে এক রাতে তিনবার চুদিয়েছে। আর নিজে যে কতবার জল খসিয়েছে ঠিক নেই।
সুদর্শন - আসলে বোঝা তো যায় না।
সুজয় - সেটাই , মাঝে মাঝে মনে হতো তখন জানেন মাগীকে একসঙ্গে চার পাঁচজন মিলে চুদলেও বুঝি মাগীর খাই মিটতো না।
সুদর্শন লাইন টাকে ধরে নিয়ে বলে, কি বলেন দাদা , চান নাকি আপনার বউ কে অন্য কেউ চুদবে।
সুজয় - চাই কি মাগি ঠিক চোদায়। না হলে এতো যার গুদের কুটকুটানি সে গুদ না মাড়িয়ে আছে কি করে।
সুদর্শন - সত্যি ই তো। তা আপনি করেন না কেন।
সুজয় - কি বলবো আর , ছোটো মেয়ে হবার সময় আমি তো অনেকদিন না চুদে ছিলাম।হঠাৎ একদিন, বাড়ির কাজের মহিলা কে পটিয়ে চুদে ফেলি। আর সেটা ও দেখে ফেলে। তারপর আমাকে কত কি বললো আর তখন থেকেই ও আমাকে আর ছুঁতে দেয় না।
সুদর্শন - হুম সেটা তো ভারী অন্যায়।
সুজয় - কি অন্যায় , গুদ মারানো ছাড়া মাগীর কোনো কাজ ছিলো। আমি যখন গুদ পাগল হয়ে গেলাম। তখন ছোটো মেয়ে হয়েছে বলে আমাকে আর চুদতে দেয় না। আপনি বলুন কেমন লাগে ।
সুদর্শন - হুম ঠিক ই তো। আপনার বউ যা মাল। আপনার বউ এর যা ফিগার। আমার তো দেখেই দাঁড়িয়ে যায়। আর সে যদি চুদতে না দেয়। সত্যিই খুব খারাপ লাগে।
সুজয় - অ্যা
সুদর্শন - বলেন আমি কি ভুল বললাম।আপনার বউ এর ফিগার কি সেক্সী না।
সুজয় - সেক্সী মানে পুরা সেক্সী। মাগীর পুরো খিদে।
সুদর্শন মনে মনে ভাবে ঠিক মতো কাজ হচ্ছে। সে ভাবেই এগিয়ে বলে , শোনেন দাদা, আমি আপনাকে হেল্প করতে পারি। আসল বিষয় টা কি জানার জন্য।তাছাড়া , আপনি জেনেই বা কি করবেন। মদ খেয়ে শুধু গালাগালি করেন। বউ এর একটুও খোঁজ রাখেন।
সুজয় - কি খোঁজ দাদা.
সুদর্শন - জানেন তো আমি ফিজিও থেরাপিস্ট। সেদিন আপনার বউ কে দেখে আর কথা বলে জেনেছি ওনার কোমড়ে ভীষণ ব্যথা।
সুজয় - মাঝে মাঝে তো বলে শুনি।
সুদর্শন - জানেন যখন কেয়ার নিয়েছেন। আমাকে না বলুন যে কোনো ফিজিও কে বলুন। একটু থেরাপি দিলেই উনি ঠিক হয়ে যাবে।
সুজয় - সেটা ঠিক বলছেন। কিন্তু মাগি আমার কথা কি শুনবে।
সুদর্শন - এই যে আগেই মাগি ভাবলে কি করে শুনবে , বুঝিয়ে বলুন।
সুজয় - তাহলে কাজ হবে।
সুদর্শন - একশোবার হবে ।
সুজয় - তাহলে দাদা আপনার থেকে বড় ফিজিও আর কে আছে।আপনি দায়িত্ব নিন। অন্য মানুষ আমার বউ কে ধরবে সেটা ভালো লাগে।
সুদর্শন -  হা হা হা হা.... তাহলে বলছেন আমি ধরবো। আপনি রাগ করবেন না তো।
সুজয় - না না
সুদর্শন  - ভেবে বলুন, আপনার বউ এর যা সেক্সী ফিগার। আমি এই শক্ত হাতে ধরবো টিপবো । রাগ করবেন না তো।
সুজয় চোখ বন্ধ করে কি ভাবলো, তারপর বললো, আরে না। আপনি হলেন নিজেদের লোক। যা করবেন আপনি করবেন।কিন্তু দাদা শুধু দেখবেন আমাকে যেনো একবার চুদতে দেয়।
সুদর্শন - সেটা কি আর আমার হাতে। তবে আমি চেষ্টা তো করবো।
সুজয় সুদর্শন এর হাত ধরে বলে, আপনি পারবেন দাদা ,আপনি পারবেন।
সুদর্শন - ঠিক আছে। আজ আসি। পরে তো কথা হবেই।
সুদর্শন হাসতে হাসতে বেরিয়ে গেলো। যে কারণে এসেছিল তা সফল। ব্যাস এখন নিশ্চিন্তে সে এগোবে। লক্ষ্য একটাই, মধুজা কে বাড়ার দাসি করে রাখবে।

পর্ব ২২




অনেক ভোর বেলায় ঘুম ভাঙে সুজয়ের। রাতে মদ খেয়ে সেই যে ঘুমিয়েছে। তারপর হঠাৎ করেই এই ভোরে ঘুম ভাঙে। আস্তে আস্তে গতকাল বিকেলে সুদর্শন বাবুর কথা গুলো মনে পরে। উনি কি অবলীলায় মধুজা কে মাগি বলে সম্বোধন করছেন। সুজয়ের রাগ হয়, কেন সুদর্শন বাবু এসব বলবে। কেন তার বউ এর ফিগার সেক্সী এসব কথা বলবে। সুজয় এপাশ ওপাশ করতে থাকে। মন আর শরীর কোথাও যেনো একটু অশান্ত বোধ হয়। সুদর্শন বাবুর ও কথা টা মনে পড়ে, আপনার বউ কে দেখলে আমারই দাঁড়িয়ে যায়। সুজয় ক্ষেপে ওঠে, মনে মনে বলে, সাহস কতবড় ওনার, আমার সামনে আমার বউ কে নিয়ে এসব বলে। হঠাৎ সুজয় খেয়াল করে সে এক হাতে নিজের বাড়া চেপে আছে। বাড়া শক্ত হচ্ছে। সুজয় অবাক হয়। কোথায় সুদর্শন এর ওপর রাগ হবে, কিন্তু তার বদলে বাড়া শক্ত হচ্ছে।
সুদর্শন তার বউ কে মাগি বলছে,, খানকি বলছে... উফফফ বাড়া যেনো আরও শক্ত হচ্ছে। সুজয় ভীষণ অবাক হয়। ইসসসস সুদর্শন শক্ত হাত দিয়ে মধুজার সারা শরীর হাতাচ্ছে। এটা ভাবতেই খুব উত্তেজিত হয়ে পড়ে সুজয়। হাত দিয়ে বাড়া খিচতে থাকে। চোখের সামনে শুধু ভাসছে সুদর্শন তার বউ এর শরীরের দিকে লোলুপ দৃষ্টি তে দেখছে। আর সুযোগ বুঝে সারা শরীরে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। বাড়া শক্ত হয়ে গেছে। হাত জোরে জোরে ওপর নিচ করছে।
হঠাৎ ফোনের রিং বেজে ওঠে। একবার দুবার। সুজয় বিরক্ত হয়। ফোন ধরে।
সুজয় জানতে পারে, গোডাউনে ট্রাক চলে এসেছে। মাল আনলোড হবে। তাকে তাড়াতাড়ি যেতে হবে।
অনিচ্ছা সত্ত্বেও ফ্রেশ হয়ে প্রতিদিনের কাজে লেগে পরে।কিন্তু সারাদিন ধরে সুদর্শন বাবুর কথা গুলো তার মাথায় ঘোরাঘুরি করে। কখনও রাগ হচ্ছে সুজয়ের। আবার কখনও উত্তেজনা বোধ করছে। সারাটা দিন ধরে মনের দোলাচলে ভুগছে সে। সুজয় সারাদিন কাজ সেরে মদের বোতল নিয়ে বসেছে। কিন্তু সুদর্শন বাবুর কথা গুলো মাথা থেকে কোনো ভাবেই আর যাচ্ছে না।একবার ভাবলো দীপা মানে তার এই অফিসের সঙ্গীকে ডাকবে। ইচ্ছে মতো চুদবে। কিন্তু পরে মুহূর্তে ভাবলো, না। মধুজার বিকল্প ও হতে পারে না। আজ আর মদ খাবো না। বাড়িতে যাই। দেখি একটু চেষ্টা করে। তাছাড়া সুদর্শন বাবুর উপস্থিতি কি আমার রাগের কারণ নাকি উত্তেজনার। সেটাও তো বুঝতে হবে।
অফিসের কর্মচারী দের ডেকে বললো, দুদিন অন্য কাজে ব্যস্ত থাকবো। এদিক টা যেনো , সব সামলে নেয় তারা।


রাত সাড়ে ৮-৯ টা । কলিংবেলের শব্দে দরজা খোলে মধুজা। হাতে দুটো প্যাকেট নিয়ে সুজয় হাসি মুখে সামনে দাঁড়িয়ে।
মধুজা - কি ব্যাপার। হঠাৎ ফোন না করেই যে।
সুজয় - ফোন করে এলে কি সারপ্রাইজ হতো।
মধুজা - সারপ্রাইজের চোটে তো আমাকে আবার রান্না ঘরে ঢুকতে হবে।
সুজয় - তুমি ব্যস্ত হও না তো। যা আছে সব , ফ্রিজে রাখো। চলো বাইরে গিয়ে খেয়ে আসি।
ইতিমধ্যে মেয়েরাও বেরিয়ে আসে। তারাও ভীষণ খুশি হয়। তারাও বলে - চলো চলো , বাইরে খাবো আজ।
মধুজা- থাক, আর আদিখ্যেতা দেখাতে হবে না। কোনো বাইরে যাওয়া নেই। যা আছে, তাই হয়ে যাবে।
মধুজার ওপরে কে আর কথা বলবে। তবুও সুজয় বললো, আচ্ছা ঠিক আছে বাইরে যাবো না। কিন্তু বাড়িতে তো অর্ডার করে খাওয়া আনাই যায়। সেটা তুমি না করতে পারবে না।  মৌলি , এই নে তো মোবাইল, অর্ডার কর পছন্দ মতো খাবার।
মৌলি সৌমি খুশি হয়।
পুরো বিষয় টা তে মধুজা ভীষণ অবাক হয়। সেই ঘটনার পর থেকে বেশ ঝামেলা হয়েছিল। কিন্তু সুজয় কে কোনো ভাবেই নিজের কাছে আসতে দেয় নি। কেন দেবে? এতো অধঃপতন কেন হবে ওর। বাড়ির কাজের মহিলার সাথে ছি ছি। সুজয় ও বেশ কয়েকবার চেষ্টা করে, যখন বিফল হয়েছে। তখন রাগ করে অফিসে গিয়ে থাকতে শুরু করলো। এরপর থেকে যখনই রাতে বাড়ি আসতো , সেই মদ খেয়েই। মুখে অশ্রাব্য ভাষা নিয়ে। কিন্তু সুজয়ের আজ কি হলো। পুরো মুড ভালো। এই সুজয়কে তো সে অনেক দিন দেখেনি।
যাইহোক, খাবার  ডেলিভারি হলে, সবাই হৈ হুল্লোড় করে খেয়ে নেয়।
যে যার মতো নিজেদের ঘরে শুয়েছে। সুজয় মধুজাকে ডাকতে শুরু করলো।
মধুজা - কি হলো কি
সুজয় - আরে বিরক্ত হও কেন। ভাবলাম দুটো গল্প করি।
মধুজা- আমার মনে এক্সট্রা কোনো ফুর্তি নেই যে গল্প করবো। কিছু বলার থাকলে বলো। এখন ঘুমাবো।
সুজয় বেশি ঘাটায় না, আস্তে করে বলে, শোনো শোনো। এই যে তোমার জন্য নাইটি আনছি দুটো। এগুলো ঘরে পরে থেকো। ভালো কোয়ালিটির, বিদেশি প্রোডাক্ট।
মধুজা মুখ বেঁকিয়ে বলে, ভালোবাসা উথলে উঠছে দেখি।
সুজয় - তুমি সব সময় এমন করে বলো কেন বলোতো। দুদিন কাজের চাপ কম। ভাবলাম বাড়িতে পরিবারের সাথে ভালো করে কাটাই। আর তুমি কেমন করে কথা বলছো।
মধুজা- বুঝছি। নাও এখন ঘুমাও। আমিও ঘুমাবো। কাল আবার সকালে উঠতে হবে।
সুজয় - ঠিক আছে যাও ঘুমাও। কাল কিন্তু দেখিও নাইটি টা কেমন লাগছে।
মধুজা- দেখা যাবে। গুড নাইট।
মধুজা ছোটো মেয়ের কাছে এসে শুয়ে পড়ে। আর মনে মনে ভাবছে। অদ্ভুত লোক তো। মতলব কি। হাতে করে আবার নাইটি এনেছে। মনে মনে খুশি হয়। কারণ অনেকদিন পর কেউ তাকে কিছু উপহার দিলো। মনে মনে ভাবলো কাল সন্ধ্যে বেলা নাইটি টা পরবে।


পরদিন সন্ধ্যায় বুটিক থেকে এসে ফ্রেস হয় মধুজা। তারপর সে প্যাকেট টা খুলে নাইটি বের করে । নাইটি দেখে তো সে আরও বেশি অবাক হয়ে যায়। কি রকম নাইটি এটা। একটা নাইটি যেমন পাতলা ফিনফিনে ট্রান্সপারেন্ট। তেমনি হাঁটু পর্যন্ত। গলাটা অনেক বেশি বড়।  আরেকটা নাইটি কাঁধে ফিতে দেওয়া। হাঁটুর নিচ অব্দি হবে। বুকে ইনবিল্ড কাপ দেওয়া। যেটা দিয়ে মধজার দুধের শুধু নিপিল টা হয়তো ঢাকবে।
ট্রান্সপারেন্ট নাইটি এখন আর পরা যাবে না। ম্যাচিং ইনার কে খুঁজবে। তার থেকে ভালো , দ্বিতীয় নাইটিই পরে নেওয়া যাক। কফি কালারের নাইটি টা পরে নেয় সে।আয়নার সামনে দাঁড়ায়। কাঁধের ফিতে গুলো বাঁধে। তারপর নিজের বড় বড় দুধ গুলো নাইটির কাপে সেট করে। একটু বিরক্তও হয়। এগুলো কি বাড়িতে পড়া যায় এ বয়সে। মধুজার দুধ এমনিতেই বড় ও ভারী। নাইটির কাপ দুধ কে ভালো করে ধরে রাখতে পারছে না। একবার ভাবলো মধুজা, একটা ব্রা পরে নেবে। পরক্ষণেই ভাবলো। এই সন্ধ্যে বেলায় আর কে আসবে। থাক এমন ই।
বাইরে বেরিয়ে আসতেই সুজয় বেশ খুশি হয়। বাহ খুব সুন্দর লাগছে।
মধুজা মুখ বেঁকিয়ে বলে , সুন্দর না ছাই।
তারপর আবার শাসনের ভঙ্গিতে বলে, দেখো এতো আলগা ভালোবাসা দেখানোর কোনো দরকার নেই। বাড়িতে এসেছো, মেয়েরা বাবাকে নিয়ে ভীষণ খুশি। মেয়েদের খুশিতেই আমার ভালোলাগা ।
সুজয় - বুঝলাম বুঝলাম। ঠিক আছে , আজ রাতে কি খাবে বলো। অর্ডার দেবো কি।
মধুজা - সমস্ত রান্না আছে। বাইরের খাবার দরকার নেই।আমি মৌলি আর সৌমি কে দেখি ওরা কি করছে।
সুজয় ব্যালকনিতে গিয়ে সিগারেট ধরায় আর অপেক্ষা করে সুদর্শন বাবু আসার।
দুপুরেই সুজয় সুদর্শন বাবুকে জানিয়েছে যে সে ফ্ল্যাটে এসেছে। তারপর দু চারটা কথা হয়েছে। তখন কথা বলে বুঝতে পেরেছ, সুদর্শন বাবু ঠিক সন্ধ্যায় আসবে।
আসলে সুজয় দেখতে চেয়েছে, সুদর্শন বাবু আসাতে ওর নিজের প্রতিক্রিয়া কেমন হয়। ভেতরে ভেতরে সেই রাগ টা জন্মায় নাকি উত্তেজনা টা ফিরে আসে.......

পর্ব - ২৩




সুদর্শন বাবু উপসনা কমপ্লেক্সের বোর্ড মেম্বারের মধ্যে একজন। সুজয়ের ফোন পাবার পর থেকেই সুদর্শন ফন্দি খুঁজতে থাকে ওদের ফ্ল্যাটে যাবার। আসলে সুদর্শন বুঝতে পেরেছে, যতই সুজয় সরাসরি যেতে না বলুক ,ফ্ল্যাটে আসার তথ্য দিয়ে একপ্রকার সে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তাই সে কমপ্লেক্সের অফিসে গিয়ে পুরোনো কাগজ বের করে , তারপর রওনা দেয় মৌলীদের ফ্ল্যাটে।

ঘরে ঢুকতে ঢুকতেই সুদর্শন বলে - আরে সুজয় বাবু, আপনার কাছেই এলাম। পুরোনো কিছু অফিসিয়াল কাগজে সই নেই আপনার। ব্যস্ত মানুষ আপনি। আজ যখন শুনলাম। আপনি বাড়িতে আছেন। তখন ভাবলাম সই গুলো করিয়ে নিয়ে যাই।
সুজয় - আসুন আসুন। বসুন। এখন বাড়িতেই আছি। ভালোই হলো এসেছেন যখন একটু গল্প করা যাবে। মধুজা মৌলি একসাথে ঘর থেকে বেরিয়ে আসে। মধুজার চোখে বিরক্তিভাব স্পষ্ট আর মৌলির চোখে খিদে। সুদর্শন দুজন কেই ভালো ভাবে পরখ করে দেখছেন। মৌলি চোখ মুখ শুকনো। গল্প গুজবের মাঝেই একফাঁকে আস্তে করে সুদর্শন কে বললো, আজ সেকেন্ড ডে, আমি যাই , একটু শুয়ে থাকি।
সুদর্শন সম্মতি জানিয়ে মধুজার দিকে নজর দিলো। সুদর্শন বাবুর বাড়া যে টনটন করছে মধুজার গুদ কে দাসী বানানোর জন্য। আজ মধুজাকে লাগছেও সেই। নাইটি টা সুন্দর
প্রায় পুরো কাধ খোলা। ব্রা নেই । দুধ গুলো হালকা ঝুলে আছে। উফফফ।নিচে পড়ে থাকা কাপড় ওঠানোর জন্য যখন মধুজা ঝুকলো,,,, উফফফ নাইটি টা পাছায় যেনো চেপে বসে আছে।পরিষ্কার প্যান্টি লাইন দেখা যাচ্ছে।
মধুজার বিরক্তিবোধ কমে না। মনে মনে সুদর্শন বাবুকে বলে অসভ্য লোক একটা। হ্যাংলার মতো তাকিয়ে আছে। মনে হয় যেনো , কোনো দিন মেয়ে দেখে নি। আর আজ ই আসতে হলো। এরম একটা নাইটি পরলাম।
পুরো বিষয় টা সুজয় বাবু উপভোগ করছে। বিষয় টা কতদূর এগোতে পারে একটু দেখা যাক, এই ভেবে সুজয় বললো, ও হো, আমার একটা কথা মনে পড়ে গেলো। আমার তো কিছু বিল সাবমিট করতে হবে। মধুজা তোমরা ১০ মিনিট গল্প করো। আমি জাস্ট ল্যাপটপে কাজ সেরে আসছি।
মধুজা - মানে ,, আমি কি....
সুজয় - একটু একটু....আসছি আমি।
মধুজা মনে মনে সুজয়ের ওপর বেশি বিরক্ত হয়।
সুদর্শন বিষয় টা সহজ করার জন্য বলে, মধুজা দেবী আজ আমাকে দেখে মনে হয় বেশি বিরক্ত। ঠিক আছে , যদি বলেন তো আমি চলে যাই, আপনারা দুজনে ভালো সময় কাটান তবে।
খোঁচা টা কাজে লাগলো। মধুজা হাসি হাসি মুখে বলে উঠলো, ছি ছি, এসব কি বলছেন। বিরক্ত কেন হবো। আমি তো খুশি....
ব্যাস আর যায় কোথায়। সুদর্শন বাবু কথার রেশ ধরেই শুরু করলো, তাহলে খুশি, বাহ, আমার বিশ্বাস ছিলো, খুশি না হবার কোনো কথা তো নেই।
মধুজা মন রাখার জন্য বললো- হুম
সুদর্শন - সেটাই তো ভাবছি, সেদিন যে কোমরে হাত বুলিয়ে দিলাম , তখন তো খুশি ই মনে হলো।
মধুজার যেনো সব মনে পড়তে লাগলো।
সুদর্শন আরও বলতে লাগলো,তোমার শরীর তো সারা দিচ্ছিল। তোমার মন যে খুশি হচ্ছিল , সেটাও বোঝা যাচ্ছিল।
মধুজা ভাবছে কেন আবার সে সব দিন গুলোর কথা উঠাচ্ছে উনি।
সুদর্শন ওনার কোমড়ে হাত দিয়ে বলে, এখানেই তো হাত দিয়েছিলাম না।
মধুজার শরীর কেঁপে উঠছে। আবার সেই শক্ত হাতের স্পর্শ। উফফফ।
মধুজা ও ঘরের দিকে একবার দেখে, সুদর্শন বাবুর হাত টা সরিয়ে দেয়, আর বলে, কি করছেন কি, বাড়িতে ও আছে।
সুদর্শন - জানি তো। ও না থাকলে তো সমস্যা হবার কথা না। তবুও, চিন্তা কোরো না। আমি আড়াল করে একটু হাতিয়ে দিচ্ছি।
মধুজা - না একদম দরকার নেই। ....এই বলে উঠতে যায়।
সুদর্শন হাত ধরে নিজের কোলে ওপরে বসিয়ে বলে আরে শোনো না, ভয় পাচ্ছ কেন। আমি তো আছি।
এই বলে কোমরে পেতে হাত দিতে থাকে। ঘাড়ে মুখ ঘসতে থাকে। তারপর বলে, সত্যি করে বলো, সেদিন ভালো লাগে নি।
মধুজা ভয় আর ভালোলাগায় একসাথে শরীর যেনো ঠান্ডা রক্তস্রোত বয়ে যায়।
সুদর্শন কোমরে হাতাতে হাতাতে বলে,  কি হলো বলো, সেদিন ভালো লাগে নি।
মধুজা ভাবলো এখন উত্তর না দিলে ছাড়বে না,তাই বললো,হুম লেগেছে।
মধুজার সব উত্তরের সাথে যেনো আরও ও জড়িয়ে যাচ্ছে সুদর্শন এর সাথে ।
সুদর্শন আরও সাহসী হয়ে ওঠে, পেটের থেকে হাত উঠিয়ে সরাসরি বুকে হাত দিয়ে দেয়। আর কানের কাছে বলে, উফফফ তোমার বুক কি সফট।
মধুজা শরীরএর ভালো লাগা উপেক্ষা করতে পারে না। তবুও বলে ওঠে, এসব কি করছেন আপনি।
সুদর্শন - চুপ করে উপভোগ করো। দেখো ভালো লাগবে।
মধুজা - আমার ভালোলাগা দরকার নেই। আমাকে ছাড়ুন।
সুদর্শন দুধ টেপে, নিপিল টা খুঁজে বের করে, আস্তে করে নিপিল টা টুইস্ট করে বলে, সত্যি বলছো দরকার নেই । নাকি এমনি এমনি বলছো।
মধুজার শ্বাস দীর্ঘ হয়।
সুদর্শন ঘাড়ের কাছে মুখ নিয়ে একপাশের নাইটির ফিতে দাঁত দিয়ে টেনে খুলে দেয়। তারপর বলে , কি হলো বলো, সত্যিই কি ভালো লাগছে না।
মধুজা- না,ভালো লাগছে না।
সুদর্শন সরাসরি মধুজার গুদে হাত দিয়ে কানের কাছে বলে, প্যান্টি নিশ্চই ভিজে গেছে দেখো।
মধুজা শরীরের বাঁধ ভাঙে, কেঁপে ওঠে, তবুও সর্বস্ব শক্তি দিয়ে সুদর্শন বাবুর কোল থেকে উঠে দাঁড়ায়।
দূরে রান্না ঘরে চলে যায়।
সুদর্শন পেছন পেছন যায়।
মধুজা তেড়ে ওঠে, আপনি কি শুরু করেছেন বলুন তো। বাড়িতে ওদের বাবা আছে। আর আপনি ....
সুদর্শন মধুজার ঠোঁটে মুখ ডুবিয়ে দেয়। ঠোঁট চুষতে থাকে। হাত গুলো দিয়ে দুধ টিপতে থাকে। মধুজা ছটফট করে ওঠে, নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে। কিন্ত সে চেষ্টায় বিন্দু মাত্র জোর নেই।
সুদর্শন 5 মিনিট ধরে মধুজার ঠোঁট চুষতে থাকে, মুখের ভেতর জিভ ঢুকিয়ে চুষতে থাকে। দুধ গুলো ময়দা মাখার মতো.....
মধুজা যখন ছাড়া পায় তখন রান্না ঘরের স্ল্যাব ধরে হাঁফাতে থাকে.....
সুজয় ও হাঁফাতে থাকে, নিজের চোখে বউ কে অন্য একজনের হাতে এভাবে একপ্রকার মলেস্ট হতে দেখে, বাড়া এভাবে দাঁড়িয়ে যাবে, ভাবতে পারে নি।নিজের অজান্তে কখন যে বাড়া খিচতে শুরু করেছে, তার হুশ নেই। হুশ ফিরলো, যখন ফিনকি দিয়ে বাড়া থেকে মাল বের হলো।
সুজয় এর যেনো হুশ ফিরলো, এখন ই আটকানো দরকার, নইলে সুদর্শন বাবু হয়তো তার বউকে চুদে দেবে।
সুজয় - মধু.....
সুদর্শন মধুজার পাছায় হাতাতে হাতাতে বলে ওই যে তোমার স্বামী ডাকছে।
সুজয় আবার - মধু
মধুজা রান্না ঘর থেকে বের হতে চায়, সুজয় আসছে শুনে ভয় পায়।সুদর্শন মধুজা কে শক্ত করে ধরে বলে , দাঁড়াও । আসতে দাও ওকে।
মধুজা নাইটির ফিতে বাঁধতে বাঁধতে বলে আমার সর্বনাশ করবেন না। সংসার ভাঙবেন না।
সুদর্শন পাছার মধ্যে জোরে একটা থাপড় মারে।
মধুজা আহহহহ করে ওঠে, ওর ঠোঁট গুলো কাপতে থাকে।
সুদর্শন নাইটির ওপর দিয়ে গুদ হাতিয়ে বলে, দেখো এখন প্যানটি টা ভিজে গেছে।
মধুজা সুদর্শন বাবুর হাত টা গুদে চেপে ধরে....
আর মুখে বলতে থাকে, ওখান থেকে হাত সরান।
সুজয় - মধু তুমি কি রান্না ঘরে
মধুজা জোর করে ছাড়া পেতে চায়। ভয়ে সুজয় কে বলে হ্যাঁ আমি এখানে।
আর সুদর্শন কি বলে , প্লিজ ছাড়ুন এখন।
সুদর্শন বলে, খুব সত্যি করে বলো, কেমন লাগলো আমার সান্নিধ্য তোমার। আচ্ছা মুখে বলতে হবে না, যদি ভালো লাগে, তাহলে আমার ঠোঁটে একটা চুমু খাও, আর যদি খারাপ লাগে, তোমার গুদে যে হাত টা রেখেছি, সেটা সরিয়ে দাও।
সুজয় - কি করছো তুমি এখানে ....
মধুজা কিছু ভাবতে পারে না, ভয় আর ভালো লাগার মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় মনের কথা শুনে , আপনা আপনি সুদর্শন বাবুর ঠোঁটে চুমু খায়।
সুদর্শন বাবু যা বোঝার বুঝে যায়।
গুদ থেকে হাত সরাতে সরাতে সুজয় রান্না ঘরে ঢোকে।
সুদর্শন - আরে সুজয় বাবু, একটু তো বউ এর খেয়াল রাখবেন। এই দেখুন , রান্না ঘরে এসে কোমরে ব্যথায় প্রায় বসে পড়েছিল। আমি ধরে ওঠালাম।
মধুজা যে ভয় টা পেয়েছিল তা কেটে যায়, সুদর্শন বাবুর উপস্থিত বুদ্ধিতে খুশি হয়।
সুজয় ওদের মিথ্যে কথা কে প্রশ্রয় দেয়,সাথে সাথে বলে ওঠে, তাই নাকি। এসো এসো সোফায় বসো আগে।
সুজয় মধুজাকে ধরে সোফায় বসায়। তারপর বলে, কাল ই চলো, ডাক্তার দেখাবো।
মধুজা - না থাক দরকার নেই।
সুজয় - আরে সুদর্শন দা, আপনি তো ফিজিওথেরাপি করেন। তো আমার গিন্নির সু চিকিৎসার দায়িত্ব টা আপনিই নিন।
আচ্ছা আচ্ছা দেখছি কি করা যায়। আপনি এক কাজ করুন ওনাকে নিয়ে আগে ঘরে  শোয়ান।
সুজয় -তাই ভালো ঘরে চলো।
Reply


Messages In This Thread
গল্প:ভীমরতি - by Bad Boy - 09-09-2026, 04:36 AM
RE: গল্প:ভীমরতি - by Bad Boy - 09-09-2026, 04:43 AM
RE: গল্প:ভীমরতি - by Bad Boy - 09-09-2026, 04:46 AM
RE: গল্প:ভীমরতি - by Bad Boy - 09-09-2026, 04:49 AM
RE: গল্প:ভীমরতি - by Bad Boy - 09-09-2026, 04:56 AM
RE: গল্প:ভীমরতি - by Bad Boy - 09-09-2026, 04:58 AM
RE: গল্প:ভীমরতি - by Bad Boy - 09-09-2026, 05:01 AM
RE: গল্প:ভীমরতি - by Bad Boy - 09-10-2026, 05:22 AM
RE: গল্প:ভীমরতি - by Bad Boy - 09-10-2026, 05:24 AM
RE: গল্প:ভীমরতি - by Bad Boy - 09-10-2026, 05:25 AM
RE: গল্প:ভীমরতি - by Bad Boy - 09-10-2026, 05:27 AM
RE: গল্প:ভীমরতি - by Bad Boy - 09-10-2026, 05:28 AM
RE: গল্প:ভীমরতি - by Bad Boy - 09-10-2026, 05:28 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)