09-10-2026, 05:24 AM
পর্ব ২৯
সবে বাড়িতে ফিরলো সুদর্শন বাবু। সেই সকালে বেরিয়েছিল। পারিবারিক জমির কাগজে নাকি একটা সই করতে হবে। উকিল বাবু রেজিস্টার অফিসে যেতে বলেছিল 10 মিনিটের জন্য। কিন্তু সেটা করে বাড়িতে ফিরতে সময় লাগলো 4 ঘণ্টা। সকাল থেকে এই 3 পর্যন্ত প্রায় না খেয়েই আছে সে। এই হবে এই হবে করে এতক্ষণ সময় লাগিয়ে দিলো রেজিস্টার অফিসে। ভীষণ বিরক্ত। ফ্ল্যাটে ঢুকে সারাদিন এর ঘামে ভেজা শরীর আর ক্লান্তি দুর করতে প্রথমেই স্নান করবে ভাবলো। গায়ের সব জামা কাপড় খুলে টাওয়াল পরে স্নানে যাবে এমন সময় দরজায় নক।
ভীষণ বিরক্ত ভাবে দরজা খুলেই সুদর্শন বাবু অবাক। কারণ সামনে স্লিভলেস ব্লাউজ আর শাড়ি পরে দাঁড়িয়ে আছে মধুজা দেবী। মন টা একটু ভালো লাগলেও বিরক্তি ভাব টা কমলো না। তবুও যথেষ্ঠ বিনয়ের সাথে বললো, এসো এসো ঘরে এসো।
ঘরে ঢুকে চারপাশ টা দেখে নিলো মধুজা। মেয়ের মতো সেও অবাক হলো সু সজ্জিত ঘর দেখে।
সুদর্শন মধুজা কে বললো, তুমি বসো। আমি আসছি।
সুদর্শন বাবু সজ্জন ব্যক্তি। মাথায় সবসময় গুদের চিন্তা , এরম তো নয়। তাই বাইরের একজন মহিলা এসেছে দেখে ভেতরের ঘরে যাচ্ছিল পোশাক চেঞ্জ করতে।
মধুজা খালিগায়ে সুদর্শন বাবুকে দেখেই তলপেটে ভারী ভাব টা অনুভব করতে লাগলো। পেশী বহুল , মেদ হীন শরীরটা মধুজাকে চুম্বকের মতো কাছে টানতে লাগল।কিন্তু মধুজা কোনো মতেই আর সময় নষ্ট করতে রাজি না। মেয়েদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এসেছে। তার পারিবারিক শিক্ষা, সামাজিক অবস্থার কথা ভেবে এসেছে।আর একটুও সময় দিতে সে রাজি না। ইতিমধ্যে অনেক টা দেরি হয়ে গেছে।
মধুকে একটু কড়া গলায় - আমি এখানে বসতে আসি নি। আপনাকে দুটো কথা বলতে এসেছি।
সুদর্শন - বলো।
মধুজা - দেখুন। আমার মনেহয়। আমাদের স্বাভাবিক দূরত্ব বজায় রাখা উচিত। আপনি আমার যথেষ্ঠ কাছে চলে এসেছেন। আমি জ্ঞানত, এতটা কাছে কাউকে আসতে দেই নি।
সুদর্শন - হঠাৎ এরম বলছো ।
মধুজা - হঠাৎ ই তো আমার জীবনে আপনার উদয় হলো। দেখুন আমার সংসার আছে। আমার মেয়েদের ভবিষ্যৎ আছে। সেগুলো কোনো টাই আমি নষ্ট হতে দিতে পারিনা।
সুদর্শন এরম কিছু আশা করেনি, তবুও বললো, আমিও তো চাই না নষ্ট হোক।
মধুজা অধৈর্য্য হয়ে উঠছে। ভেবেছে একবারেই উনি বুঝবে বা মেনে নেবে। কিন্তু ....
মধুজা - শুনুন , আমি এতো কথা বলতে পারবো না। শুধু এতো টুকু মাথায় রাখবেন, আমার আসে পাশে আসবেন না।
মেয়েদের ঝাঁঝালো গলা কোনোদিন সহ্য করতে পারে না সুদর্শন বাবু। ভেতরে ভেতরে যে বিরক্তি ভাব টা ছিলো সেটা এখন রাগে পরিণত হলো।
সুদর্শন - আমি আসছি শুধু। বলতে পারলে।তুমি আসো নি। সেদিন যখন তোমার বর তোমাকে মাগি, খানকি বলে ডাকছিল। তুমি মানসিক ভাবে আমার বুকে আশ্রয় নেও নি।
মধুজা - সেদিন আমি ভেঙে পড়েছিলাম । বাইরের লোকের সামনে এরম অপমান ।
সুদর্শন - ভেঙে পড়েছিলে বলে, বুকে এসেছিলে। বাহ কি যুক্তি। নিজের প্রয়োজনে পরপুরুষের বুকে যেতে কোনো বাধা নেই। আর পরপুরুষ এগিয়ে আসলে সমস্যা।
মধুজা - হ্যাঁ হ্যাঁ সমস্যা।
সুদর্শন - মুখেই তোমার সমস্যা। আমি যতবার তোমাকে ছুঁয়েছি। তোমার শরীর কি ভেজে নি, বলো।
মধুজা - মানে।
সুদর্শন - আমি স্পর্শে কি তোমার গুদে জল আসে নি। প্যান্টি কি তুমি ভেজাও নি। এই তো সেদিন, রাতে ডিনার করতে ডাকলে। সেদিন ও তো ব্যালকনিতে , ঘরে আমার কাছে তুমি এসেছিলে। ভুলে গেছো।
মধুজা - চুপ করুন। আমি আর কিছু শুনতে চাই না।আমি যা বলার বলে দিয়েছি।
এই বলে দরজা খুলে বেরোতে চায় সে।
সুদর্শন মধুজার হাত ধরে টেনে নিজের কাছে নিয়ে আসে। মধুজা টাল সামলাতে না পেরে সুদর্শন বাবুর বুকে এসে পরে।
সুদর্শন - শুনতে চাই না বললে তো হবে না সোনা।
শুনতে তোমায় হবে।
তারপর কানের কাছে মুখ নিয়ে বলে, আর কাল, কিরকম মাগিদের মতো পোশাক পরে মদ খেয়ে আমাকে কাছে আসতে বলেছিলে।
মধুজা নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে আর বলে , আমি কাছে আসতে বলিনি।
সুদর্শন - মাগিরা কখনও মুখে খদ্দের ডাকে না। তারা ইশারায় ডাকে।
মধুজা ছটফট করে ওঠে, একদম বাজে কথা বলবেন না। আমাকে ও নামে ডাকবেন না।
মধুজা ছটফট করলেও ওর শক্তি আস্তে আস্তে কমে আসছে। সুদর্শন বাবুর শরীরে ঘামের গন্ধ। ওনার শক্ত পেশী । গরম নিঃশ্বাস। মধুজার বর্ম ভেঙে দিচ্ছে।
সুদর্শন - এটা ঠিক যে তুমি অন্য খানকি দের মতো পুরুষ দেখলেই ঢলে পরো না। কিন্তু আমি জানি, তোমার ভিতরে খানকিপনা আছে। ভিতরে ভিতরে তুমি একটা মাগি। তোমার গুদের খিদে প্রচণ্ড। পয়সার খিদে না তোমার । গুদের খাই খাই এর জন্য তুমি পাক্কা মাগি।
মধুজা - না, এমন বলবেন না।
মধুজার গলার স্বর কমে আসছে। সুদর্শন ওকে এভাবে ধরেছে যে একটা হাত মধুজার পেটের ওপর। আস্তে আস্তে সে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে পেটে, নাভিতে।আরেকটা হাত দিয়ে চুল গুলো সরিয়ে ঘাড়ের কাছে মুখ।
মধুজা ভেঙে পড়ছে। ভেতরে ভেতরে সুদর্শন বাবুর উষ্ণতায় ও ঘামছে। বুক টা ওপর নিচ করছে। নিপিল শক্ত হয়ে আসছে।
সুদর্শন - আমি তো কিছু বলতে চাই না মধু রানি। আমি তো তোমার গুদের খিদে মেটাতে চাই। তুমি নিজেও জানো। তোমার গুদে অপরিসীম খিদে।
মধুজা মনে মনে তা অস্বীকার করতে পারে না। কিন্তু ভেঙে পড়লে হবে না। শরীরের সমস্ত জোর এক করে নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে।
মধুজা - ছাড়ুন আমাকে ছাড়ুন। আমাকে যেতে দিন।
এই হুড়োহুড়িতে সুদর্শন বাবুর টাওয়াল খুলে গেলো। মধুজার শরীর কে এতো কাছে পেতেই ওর যন্ত্র দাঁড়াতে শুরু করছে।
সুদর্শন বাবু এবার আরও শক্ত করে ধরলো। একটি হাত কোমড়ে যেখানে শাড়ি গোজা থাকে নাভির নিচে। সেখানে ঢুকিয়ে দিলো। আরেকটি হাত দিয়ে আঁচল ফেলে দিয়ে বুকে রাখলো।
মধুজা - প্লিজ ছাড়ুন আমাকে। আমাকে সংসার করতে দিন। আমাকে মেয়েদের মানুষ করতে দিন।
সুদর্শন - সে করবেই সোনা। তাই বলে নিজের গুদের কথা ভাববে না।
মধুজা যতবার এসব গুদ মাগি শুনছে, ততবার ভেতরে ভেতরে কাপছে।সে নিজেও ভাবছে, সুজয় যখন মদ খেয়ে কথা গুলো বলে, তখন ভীষণ রাগ ওঠে, খারাপ লাগে। কিন্তু অদ্ভুত, সুদর্শন বাবুর এসব কথা ভেতরে তলপেটে মোচড় দেয়। কেন যে এমন হচ্ছে।
সুদর্শন হাত আরেকটু নিচে ঢুকিয়ে প্যান্টির লাইনে রাখে। আর ব্লাউজের ওপর দিয়ে বা দিকের বুকে হাত ঢুকিয়ে দেয়। ব্রা সরিয়ে নিপিল খুঁজতে থাকে।
মধুজার প্যান্টি ভিজে উঠছে। তলপেটে , বুকে সুদর্শন বাবুর শক্ত হাত শরীরে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। সে আরও অনুভব করছে, সুদর্শন বাবুর বিশেষ অঙ্গ তার পাছার কাছে খোঁচা বাড়ছে।
সুদর্শন বাবু সম্পূর্ণ নগ্ন। একটু জেদি মাগীকে পোষ মানাতেই তো মজা। সেই মজায় বাড়া দাঁড়াতে শুরু করেছে।
মধুজা আর নিজেকে আটকে রাখতে পারছে না। আর একটু দেরি হলেই সুদর্শন বাবু সব বুঝে যাবে। ওনার চোখ প্রখর। এর আগেও উনি কীভাবে যেনো সব বুঝে যেতো। না, যেভাবেই হোক আমাকে আটকাতেই হবে।কোনো ভাবেই বুঝতে দেওয়া যাবে না যে সে গরম হয়ে আছে।
মধুজা এবার শেষ অস্ত্র প্রয়োগ করলো, আপনি ছাড়বেন, নাকি আমি চিৎকার করবো।
সুদর্শন বাবু এসব ভয় দেখানোতে কোনো দিন ভয় পায় নি,বরং ওনার রাগ ওঠে। মেয়েদের ছেনালি গিরি একদম পছন্দ করে না। এদিকে মাগিদের মতো নাইটি পরে মদ খেয়ে ছেনালী গিরি করবে, আর অন্যদিকে মুখে সতী সাজবে....
বিরক্তি তো ছিলই এখন রাগে গজগজ করতে লাগলো সুদর্শন বাবু। এক ধাক্কা মেরে মধুজাকে সোফায় ফেলে দেয়।
আর বলে, চিৎকার করে কি বলবি মাগি। আমি কি তোকে ঘরে ডেকে এনেছে, নাকি তুই এসেছিস। এই দুপুর বেলা একজন পুরুষের ফ্ল্যাটে কি মারাতে এসেছিস যদি বলি। সিসিটিভি তে নিশ্চই সব রেকর্ড আছে। তোর বর , তোর মেয়েরা কি জানে, এসময় একজন পরপুরুষের বাড়িতে এসেছিস।
মধুজা একেবারে উলঙ্গা সুদর্শন বাবু কে সামনে দেখে হাত দিয়ে চোখ ঢেকে নেয়। এভাবে ওনাকে দেখবে আশা করেনি। লজ্জায় হোক বা যে কারণেই, চোখ তুলে তাকাতে পারে না।আর ওনার কথায় কোনো উত্তর ও দিতে পারে না। সত্যি ই তো , কিছু তো বলার নেই। চিৎকার করলেও লোকে ওকেই খারাপ বলবে।সুদর্শন বাবু কাছে যায়, চুলের মুঠি ধরে কাছে টানে....
মধুজা - উফফফ লাগছে
সুদর্শন - তোর মতো মাগি এর থেকে অনেক বেশি ব্যথা সহ্য করতে পারে।চোখ খোল , চোখ খুলে দেখ, আমার ঠাটানো বাড়া। এই বয়সে এতো বড় আর শক্ত বাড়া কারো হয় না।
মধুজা চোখ খুলে তাকাতে এখন ভয় পাচ্ছে। এক ওনার রুদ্রমূর্তি ,দুই একপলকে যতটুকু দেখেছে, ওনার বাড়া সত্যিই বিশাল বড়।
সুদর্শন ওর খুব কাছে গিয়ে ঠাটানো বাড়া টা মধুজার ঠোঁটে, মুখে গালে ঘসতে থাকে। আর বলে, দেখ মাগি , অনুভব কর, আমার এই বাড়ার জন্য গুদের অভাব হবে না। কিন্তু তোর কি হবে। গত ১৫ বছর ধরে গুদ মারাস না। গুদের জল খসাস না। তোর যা ফিগার , আরো মিনিমাম ৮-১০ বছর ঠিক গুদ মারাতে পারতিস।
মধুজা কিছু বলতে পারে না। বলবে কি, সুদর্শন বাবু যা বলছে, সব ই তো সত্যি।
সুদর্শন আরও বলে, যতই সতী সাজার চেষ্টা করিস, সংসারের কথা বলিস, তোর মনের ভিতর যে খানকি মাগি টা বসে আছে, সেটা বের করবি কি করে। তোর বর, বাইরে ঠিক জোগাড় করে নিয়েছে, তোর মেয়েরাও এক সময় বড় হবে , নিজের টা বুঝে নেবে, কিন্তু তোর কি হবে। এতো ১৫ বছর ধরে তো গুদের উপোস করে আছিস, তবুও বরের কাছে, খানকি, মাগি ডাক শুনতে হয়, তাও মেয়েদের সামনে, ওরা কিছু বোঝে না ভাবছিস। যত বোঝানোর চেষ্টা করছি, মাগি তত ফোস ফোস করছে। শালি খানকি.....
কথা গুলো এক নিশ্বাসে বলে সুদর্শন বাবু , টাওয়াল টা মাটির থেকে উঠিয়ে পরে নেয়। তারপর ফ্রিজ থেকে জল বের করে গলায় ঢক ঢক করে ঢালে। কিছু ক্ষণ , চুপ করে থেকে আবার মধুজার কাছে যায়।
হাত ধরে , টেনে তোলে। আর বলে, অনেক হয়েছে, আর না। তুমি যখন বিষয় টা নিয়ে এগোতে চাও না। আর দরকার নেই এগোনোর। অনেক কথা বলে ফেলেছি, তার জন্য সরি।
মধুজার ঠোঁটে ঠোঁট দিয়ে চুমু খায় দুমিনিট। তারপর ছেড়ে দিয়ে বলে, এটা আমার তরফ থেকে শেষ চুমু ছিলো। আমি আর তোমাকে ছুঁয়েও দেখবো না। তুমি তোমার নিজের জীবন নিয়ে খুশি থাকো
দরজা খুলে । সুদর্শন বাবু বললো, এসো এখন।
মধুজা এক লহমায় যেনো আকাশ থেকে পড়লো। ও নিজেই শুনতে পারলো হৃদয়ের হাহাকার।পা নড়ছে না। দু চোখে জল। শরীরে কোনো শক্তি যেনো আর অবশিষ্ট নেই ।
সুদর্শন - কি হলো এসো এখন।
মধুজা আর দাঁড়াতে পারে না। দ্রুতপায়ে এগিয়ে যায় নিজের ফ্ল্যাটে।
সুদর্শন বাবু হাসতে হাসতে স্নানে যায়। সুদর্শন বাবু জানে, আজ যা হলো, তাতে পাখি এরপর নিজে থেকেই ধরা দেবে।
কিন্তু সত্যিই কি তাই, মধুজা কি আর দশটা মহিলার মতো, নিজে থেকে শরীরের কাছে হেরে যাবে। সে তো ভবিষ্যৎ ই বলবে।
পর্ব - ৩০
পরদিন ঘুম থেকে উঠেই মৌলি সুদর্শন বাবুকে ম্যাসেজ করলো। আঙ্কেল, তুমি কি আজ ফ্রী আছো।আমি আজ কলেজ যাবো না। তোমার সাথে থাকবো।
সুদর্শন ম্যাসেজ টা পেয়ে হাসে। নিজে নিজেই বলে, আহা রে, অনেক দিন হলো জল খসাতে পারেনি। আর দেরি করাবো না। ম্যাসেজের রিপ্লাই দেয়, ঠিক আছে। বাড়ি থেকে বেরিয়ে আমার ফ্ল্যাটে চলে এসো।
মৌলির আর তর সইছে না। মা বেরিয়ে যেতেই ব্যাগে জামা কাপড় নিয়ে চলে এসেছে সুদর্শন বাবুর ফ্ল্যাটে।
সুদর্শন বাবু তো দেখে অবাক , তারপর মৌলি কে বললো, কি ব্যাপার। এসব পোশাক পরে কলেজ যাও নাকি তুমি।ছোট্ট শর্টস প্যান্ট। আর এই টপ।
মৌলি - আসলে আমদের বাথরুম এ জল আটকে যাচ্ছে। তাই এখানে স্নান করবো। এখান থেকেই রেডি হয়ে যাবো।
মৌলি গত পাঁচদিন ধরে অপেক্ষা করছে। আর না , ওনার কথা মতো, ওখানে হাত দেয় নি। খুব খুব রিলিজ হতে ইচ্ছে করছিলো, সেটাও হয় নি। তারপর তো পিরিয়ড।
সুদর্শন বুঝতে পারে ওর মনের অবস্থা। পিরিয়ড হলে ভিতরের খাই খাই টা একটু বেড়ে যায়।
সুদর্শন মৌলি কে গিয়ে বলে, তারপর বলো, আমার সাথে সারাদিন কাটাতে চাও কেন। আমি তো ভুল করলে পানিশমেন্ট দেই।
মৌলি - ভুল করলে তো পানিশমেন্ট পেতেই হবে।
সুদর্শন -মনে আছে, লাস্ট পানিশমেন্ট কি দিয়েছিলাম।
মৌলি হুম বলে মাথা নাড়ায়।
সুদর্শন -বলো শুনি।
মৌলি চুপ করে থাকে।
সুদর্শন - আমাকে কি দ্বিতীয় বার জিজ্ঞেস করতে হবে।
মৌলি - না। মানে। বলছি...... নিজে নিজে রিলিজ হতে না বলেছিলেন।
সুদর্শন একটু ভারী গলায় - তা হও নি তো।
মৌলি - না।
সুদর্শন - good girl। চলো, তোমার একটা গিফট প্রাপ্য।
মৌলি খুশি হয়।
সুদর্শন - চলো, তোমার সাথে আমি স্নান করবো।
মৌলির পেট টা গুড়গুড় করে ওঠে আনন্দে।এতটা ও আশা করেনি। বাড়িতে একা একা আর থাকতে চায়নি। প্রস্তাব যখন পেয়েছে কিছু না ভেবেই ছুটে চলে এসেছে সুদর্শন বাবুর কাছে। ওনার সাথে ওনার কাছে থাকতে মৌলির ভালো লাগে। সেই ভালো লাগাটা নিতেই আসা। কিন্তু উনি যে এতো বড় একটা উপহার দিতে চলেছে , ভাবতে পারেনি। মৌলি এক মুহূর্তে কত কিছু ভেবে নিলো যেনো। এর আগের দিনের সেই এই রুমে ওনার দেওয়া পানিশমেন্ট তারপর ব্রা প্যান্টি কেনা থেকে ওভাবে হিশু করা। উফফফ । ভেতরে ভেতরে ভীষণ উত্তেজনা বোধ করছে মৌলি।
সুদর্শন - কি হলো চলো।
এই বলে হাত ধরে বাথরুমে নিয়ে গেলো। তুমি জামা ছাড়ো আমি আসছি।
মৌলি বাথরুমের ভিতরে কি করবে বুঝে উঠতে পারছে না।ওর মন চাইছে ,সব কিছু খুলে সুদর্শন বাবুর সামনে দাঁড়াতে। কিন্তু মাথায় যেনো লজ্জা গ্রাস করছে।
সুদর্শন টাওয়াল পরে ওর সামনে দাঁড়ায়।
কি হলো,এগুলো পরেই স্নান করবে নাকি।
মৌলি ভেবে পায় না কি বলবে।
সুদর্শন অপেক্ষা করে না। মৌলি কে স্বাভাবিক করতে হবে। ওকে একটু ফ্রী করতে হবে। তাই কাছে টেনে ওর ঠোঁটে ঠোঁট ভরে ।
মৌলির অবাক হবার পালা যেনো শেষ হচ্ছে না। সুদর্শন বাবুর চুমু তে ওর সারা শরীর যেনো হালকা হয়ে গেলো।
৫৮ বছরের সুদর্শন বাবু তার প্রায় নাতনির মতো বয়সী একটি মেয়ের মুখে কায়দা করে জীভ ভরে দিলেন। আর আস্তে আস্তে টপ ওপরে ওঠাতে লাগলেন।পেতে পিঠে হাত বুলিয়ে দিতে লাগলেন।
মৌলি ভীষণ ভাবে গরম হতে লাগলো।
সুদর্শন এক হাত নামিয়ে পাছা টা খামচে ধরলো। আরেক হাত দিয়ে টপের ভেতরে ব্রা এর স্ট্র্যাপ কাছে বুলিয়ে দিতে লাগলো।
মৌলী ফিল করছে ওর শরীর যেনো এখন বাতাসের থেকেও হালকা।
সুদর্শন স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে ঠাস করে একটা চর মারলো মৌলির পাছায়।তারপর মুখ থেকে জিভ সরিয়ে নিলো।
মৌলির সারা শরীর যেনো কেঁপে উঠলো।
সুদর্শন - নাও এবার সব জামা কাপড় খোলো।মৌলি আস্তে করে টপ টা ওঠায়। ভেতরে বেবী পিঙ্ক কালারের ডিজাইনার ব্রা। দুধ গুলোর ওপর সুন্দর করে বসে আছে। মৌলি দু হাত ক্রস করে বুক ঢাকে।
সুদর্শন মৌলির হাত দুটো টেনে নামিয়ে দিয়ে বলে, এবার নিচের টা খোলো।
মৌলি কথা বাড়ায় না। বাধ্য মেয়ের মতো, ঘুরে দাঁড়ায়।তারপর আস্তে আস্তে শর্টস নামাতে থাকে। প্রথমে ম্যাচিং কালারের প্যান্টি সমেত পাছা টা চোখের সামনে ভেসে ওঠে। তারপর পুরো শর্টস টা খুলে ফেলে।
সুদর্শন টাওয়াল এর নিচে বাড়া শক্ত হয়ে গেছে অনুভব করে।
সুদর্শন কমোডের ওপর বসে বললো, নাও, তোমাকে ৫ মিনিট দিলাম। তুমি যদি চাও, নিজে নিজে রিলিজ করতে পারো। তারপর কিন্তু আর রিলিজ করার সুযোগ পাবে না।
মৌলি এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চায় না। যেভাবেই হোক। অন্তত একবার রিলিজ করতে চায়। রাতের অন্ধকারে বিছানায় যেভাবে সুদর্শন বাবুর কথা ভেবে গুদের জল ঝরায়। ঠিক তেমনি।
কিন্তু ভাবছে তো অনেক কথা , পারছে কোথায়। এভাবে অন্য একজনের বাথরুমে, অন্য একজনের সামনে নিজে নিজে করবে কি করে। সারা রাজ্যের লজ্জা যেনো ওকে গ্রাস করছে।
সুদর্শন - কি হলো । অলরেডি 2 মিনিট শেষ।
মৌলীর যেনো সম্বিৎ ফেরে। না আর দেরি করা যাবে না। ও শুরু করে।
সুদর্শন চোখ বড় বড় করে দেখতে থাকে । এমন কিছু ও আগে দেখেনি।
মৌলি বাথরুমের ফ্লোরে বসে পরে। তারপর দু পা ফাঁক করে বসে। আস্তেকরে প্যান্টি টা একদিকে সরিয়ে একটা আঙুল দিয়ে গুদের পাপড়ি নাড়াতে থাকে। চোখ বন্ধ করে মুখ দিয়ে আহহ আহহ বলে শিৎকার দিয়ে ওঠে।
মৌলি আঙুলের স্পিড বাড়ার। এক হাত দিয়ে দুধ টিপতে থাকে ব্রা সমেত।
মুখে বিড়বিড় করতে করতে আঙুল ঢুকিয়ে দেয়। জোরে জোরে ভেতর বাইরে করতে থাকে।
সুদর্শন - আর একমিনিট।
মৌলীর স্পিড বারে। মুখ থেকে আহহ আহহ উফফ উফফফফ শীতকার বেরোতে থাকে। ওর পুরো শরীর কুঁকড়ে যায়।
জোরে জোরে আঙুল নাড়াতে থাকে। আর কাকুতি মিনতি করে বলে, হচ্ছে হচ্ছে না।প্লিজ আমাকে আরেকটু সময় দিন। আরেকটু।
সুদর্শন পুরো বিষয় টা দেখে পুরো গরম হয়ে যায়। তারপর ওকে বেসিনের টেবিলে বসায়। আস্তে করে প্যান্টি টেনে নামায়। উফফফ দেখেই বোঝা যায় সদ্য কমানো গুদ। পুরো ফর্সা। দু আঙুল দিয়ে গুদের পাপড়ি টা মেলে ধরলো।ভেতর টা লাল।
মৌলি এতটা আশা করেনি। এখন প্রতি স্পর্শে কেঁপে কেঁপে উঠছে।
সুদর্শন মুখ নামিয়ে আনলো গুদে। কচি গুদে জিভ দিয়ে স্পর্শ করলো।
মৌলি পাছা উঠিয়ে বললো, আহহহহ মা .....
গুদের চেরা বরাবর জিভ দিয়ে চাটতে শুরু করলো।
মৌলি - আহ আহ আহ আহ উফফফফ মা গো....
সুদর্শন অনেক দিন গুদে মুখ দেয়নি। আজ কচি আচোদা গুদের লোভ সামলাতে পারলো না।
মৌলির গুদের হালকা সোদা গন্ধে সুদর্শন এর যেনো নেশা ধরে যাচ্ছে।
সুদর্শন গুদে মুখ ডুবিয়ে চুষে যাচ্ছে চেটে যাচ্ছে। নিচ থেকে উপরে।উপর থেকে নিচে।
মৌলি হাত টা দিয়ে সুদর্শন বাবুর মাথা চেপে ধরেছে। পাছা উঁচু করে সুদর্শন বাবুর মুখে গুদ ঠেসে দিচ্ছে। তারপর প্রায় চিৎকার করে কোমর বেঁকিয়ে সুদর্শন বাবুর মুখে রস ছেড়ে দিলো।
সুদর্শন বাবু কচি গুদের রস জিভ দিয়ে লকলক করে চেটে খেলো। সুদর্শন বাবুর মুখ ঠোঁট সব ভিজে আছে।
সুদর্শন বাবু মুখ তুলে দুধ গুলো দেখলো। হাত বাড়িয়ে পেছনে ব্রা এর হুক খুলে দিলো। উফফফফফ কি পারফেক্ট শেপ। ভালো সাইজের কমলালেবু। একেবারে খারা খারা। সুদর্শন হালকা করে নিপিল এ চুমু খেলো আর একটা আঙুল মৌলির ক্লিটোরিস এ রাখলো।
জল ঝরিয়ে মৌলির শরীর টা হালকা হয়ে গেছে। হাঁফাতে হাঁফাতে ভাবছে আহহহহ শান্তি। কিন্তু নিপিলে চুমু আর ক্লিটোরিস এ আঙুল পড়তেই ভেতর থেকেই যেনো শরীর টা মোচড় দিয়ে যেনো মোচড় দিয়ে উঠলো।
মৌলি - আহহহহ উফফফ মা .....
সুদর্শন ক্লিটোরিস নাড়াতে নাড়াতে বলছে....মা কে ডাকছো কেন শুধু। মা এসে কি করবে।
মৌলি - কিছু নাহ.....
সুদর্শন ক্লিটোরিস ও গুদে হাতাতে হাতাতে বলতে থাকে, তাহলে ডাকছো যে। এখন যদি তোমার মা চলে আসে কি হবে জানো।
মৌলি - আমি কিছু জানি না....আহহহ অহহহহহহ
সুদর্শন - আমি জানি, তোমার মা ও শাড়ি খুলে আমাদের সাথে বাথরুমে চলে আসবে।
মৌলি - উমমমম নাহহহহহ কেউ নাহহহহ
সুদর্শন - তুমি তো ডাকছো। তোমার মা এসে আমাকে জড়িয়ে ধরবে। তোমার মা আমার সামনে এসে গুদ মেলে ধরবে।
মৌলি - প্লিজ মা কে না....আমি আপনাকে কারো সাথে শেয়ার করতে পারবো না।
সুদর্শন গুদের ফুটো তে আঙুল টা সামান্য ঢোকায়....
মৌলি - আহহহহ আহহহহ মা আআআআ
সুদর্শন - আমি তো তোমার মায়ের গুদে আঙুল দেবো না। আমার শক্ত বাড়াটা দেবো।
মৌলি - উমমম নাহ প্লিজ।
সুদর্শন - ভালো তো আমি তোমাকেই বাসি। তোমার মাকে শুধু চুদতে চাই ....
তোমার মায়ের গতর সেই।
মৌলি - প্লিজ না ....আপনি আমার....
সুদর্শন - তোমার মা ও তো তোমাদের ই। কতদিন ধরে উপোষ করে আছে জানো। তুমি ভাবো 5 দিন গুদের রস না ঝরিয়ে তোমার কি অবস্থা। আর তোমার মা প্রায় ১৫ বছর ধরে....
মৌলি গুদের আঙুল ঢুকছে ফিল করে বলে......আহহহ আহহহ উফফফফফ
সুদর্শন আঙুল আরেকটু ভিতরে ঢুকিয়ে বললো.....চুদবো তোমার মা কে। তুমি রাজি....
মৌলি - আহহহ আহহহ আহহহহ আহহহ উমমমম উমমমম
তোমাকে আগেই বলেছি, আমার কোনো কিছুতেই তুমি না করতে পারবে না। যেহেতু তোমার মা, তাই তোমাকে জিজ্ঞেস করছি....
আঙুল আরেকটু ঢুকিয়ে বললো, কি হলো বলো....
মৌলি একদিকে জেলাস আরেকদিকে সুদর্শন বাবুকে না করার মতো শক্তি নেই....সুদর্শন বাবুকে কোনো ভাবেই সে রাগ করাতে চায় না।
আহহহহ আহহহহ মা মা আহহহহ ......
সুদর্শন আঙুল সরিয়ে বলে কি হলো , আবার জল খসাবে.....
আঙুল সরাতেই মৌলি চমকে উঠলো, চোখ বড় বড় করে তাকালো,,,,, তারপর চোখের ইশারাতেই বললো....প্লিজ আরেকটু.....
মৌলির খাড়া খাড়া দুধ হালকা করে চেপে ধরে ছুঁচলো নিপিল এ জিভ লাগিয়ে বলে , তুমি রাজি হলেই তোমার মায়ের সাথে সেক্স করবো। নইলে নয়।
মৌলি আর কিছু ভাবতে চায় না । উনি যখন বলেছেন ঠিক করবে। তাই এখন শুধু নিজের জল খসাতে চায়.....
মৌলি - হুম করুন। তার আগে.....
সুদর্শন আর ওকে ওকে কিছু বলতে দেয় না। সে জানে কি বলতে চাইছে।
দুপায়ের মাঝে মুখ নামিয়ে আনলো। তারপর দু আঙুল দিয়ে গুদের চেরা ফাঁকা করে জিভ দিয়ে গুদ চুদতে লাগলো।
মৌলি - উফফফফ আহহ আহহ আহহ
সুদর্শন যতটা পারছে গুদের ভেতর জিভ ঢোকাচ্ছে আর বের করছে।
মৌলি আহহহ আহহহ আহহ হবে হবে আহহহহ ওওওওহহহহহ মা গোওওওওও.....
সুদর্শন বুঝতে পারলো কিছু পাতলা জলের মতো পদার্থে মুখ ভরে গেলো।
কচি আচোদা গুদের রস খেয়ে মনে প্রাণে যেনো শান্তি।
মৌলি কে কোলে করে শাওয়ার এর নিচে নিয়ে এসে শাওয়ার চালিয়ে দিলো। তারপর শান্তিতে মৌলি কে জড়িয়ে স্নান করতে লাগলো।
মৌলি মনে মনে এই শান্তি টাই চাইছিল। গত এক ঘণ্টা সুদর্শন আঙ্কেল যতটুকু দিয়েছে তাতে ভীষণ খুশি। পরিবর্তে শুধু তো মা কে চেয়েছে.... ঠিক আছে। তাছাড়া উনি তো আমাকেই ভালোবাসে। আর সেটা সত্যি বলেই কি সুন্দর বুকে জড়িয়ে এখন স্নান করছে।
