09-10-2026, 05:34 AM
[quote pid="6308469" dateline="1788817464"]
[/quote]
মায়ের হাত আমার হাতের ভিতর গরম। তার উরুর উষ্ণতা তালুর নিচে লাগছে। আমরা পাশাপাশি বসে আছি। কথা নেই। শুধু শ্বাস আর পাখার শব্দ। বাসাটা খালি। বাবা নেই। এই নীরবতাটাই এখন সবচেয়ে ভারী মনে হচ্ছে।
আমি তার দিকে একটু হেলান দিলাম। মায়ের কাঁধ আমার কাঁধের সাথে মিশে গেল। তার চুলের গন্ধ নাকে এসে লাগল। বাইরের রোদের গন্ধ মিশে আছে। আমি চোখ বন্ধ করে সেই গন্ধটা নিলাম। মনটা বলছে আরও কাছে যেতে। হাত সরিয়ে তার কোমর জড়িয়ে ধরতে। কিন্তু আমি থেমে আছি। শুধু তার হাত ধরে আছি। আঙুল আলতো করে ঘষছি।
মা আমার হাতটা একটু চেপে ধরলেন। তারপর আস্তে করে আমার কবজিতে আঙুল রাখলেন। নাড়ির ছন্দ অনুভব করছেন যেন। তার আঙুলের ডগা আমার ত্বকে গরম লাগছে। আমি শ্বাস নিলাম গভীর করে। শরীরের ভিতরটা অস্থির। ধোন লুঙ্গির ভিতর শক্ত হয়ে উঠেছে। কিন্তু আমি নড়ছি না। শুধু অনুভব করছি।
কিছুক্ষণ পর মা আমার কাঁধে মাথা রাখলেন। তার চুল আমার গালে লাগল। আমি অন্য হাত দিয়ে তার চুল আলতো করে সরিয়ে দিলাম। মায়ের কানের পেছনের নরম চামড়া আঙুলের নিচে এল। তিনি একটু কেঁপে উঠলেন। কিন্তু সরলেন না। তার শ্বাস আমার গলার কাছে এসে পড়ছে। গরম। নিয়মিত। কখনো একটু দ্রুত হয়ে যাচ্ছে।
আমি মনে মনে ভাবছিলাম। গত কয়েকদিনের কথা। মামার বাড়িতে যে অপূর্ণতা নিয়ে ফিরেছিলাম। বাবার সামনে নিজেকে চেপে রাখা। রাতে একা শুয়ে শরীরের অস্থিরতা। আর আজ এই খালি বাসা। মা আমার পাশে। তার শরীরের উষ্ণতা আমার শরীরের সাথে মিশছে। তবুও পুরোপুরি এগোচ্ছি না। নিজেই নিজেকে আটকে রাখছি। যেন এই ধীরলয়ের ভিতর দিয়েই সবকিছু আরও গভীর হয়ে উঠছে।
মা আস্তে করে আমার হাতটা তুলে নিজের গালে রাখলেন। তার গালের চামড়া নরম। একটু গরম। আমি আঙুল দিয়ে আলতো করে বুলিয়ে দিলাম। মা চোখ বন্ধ করে রইলেন। তার ঠোঁটের কোণ একটু কেঁপে উঠল। আমি আর কিছু করলাম না। শুধু হাত রেখে দিলাম। তার গালের উষ্ণতা তালুতে ছড়িয়ে পড়ছে।
সময় কাটছে। বাইরে রাস্তার কোনো শব্দ ভেসে আসছে। দূর থেকে কোনো গাড়ির হর্ন। ঘরের ভিতরটা যেন আলাদা একটা জায়গা হয়ে গেছে। শুধু আমরা দুজন। আর এই নীরব স্পর্শ। মা আমার হাতটা ধরে নিজের গাল থেকে নামিয়ে নিলেন। তারপর আমার কবজিতে রেখে দিলেন। আঙুল দিয়ে আলতো করে ঘষতে লাগলেন। কোনো কথা নেই। শুধু এই ছোট ছোট স্পর্শ।
আমি তার দিকে তাকালাম। মায়ের চোখ বন্ধ। মুখ শান্ত। কিন্তু তার বুকের উঠানামা দেখে বোঝা যাচ্ছে তিনিও অস্থির। শাড়ির আঁচল সামান্য সরে তার গলার নিচের অংশ দেখা যাচ্ছে। ঘামের একটা সূক্ষ্ম রেখা। আমি হাত বাড়িয়ে সেই জায়গাটা ছুঁতে চাইলাম। কিন্তু থেমে গেলাম। নিজেকে বললাম, আস্তে। আরও আস্তে।
মা হঠাৎ আমার দিকে মুখ ঘোরালেন। চোখ খুলে আমার চোখের সাথে মিলল। কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। তারপর আস্তে করে আমার কাঁধে মাথা রাখলেন আবার। তার এক হাত আমার পেটের উপর এসে পড়ল। লুঙ্গির উপর দিয়ে। আঙুল আলতো করে নড়ছে। আমি শ্বাস নিলাম। শরীরের ভিতরটা আরও গরম হয়ে উঠল। কিন্তু আমি তার হাত সরালাম না। শুধু বসে রইলাম। তার স্পর্শ অনুভব করতে থাকলাম।
এভাবেই বিকেলটা কেটে যাচ্ছে। কোনো জোরে কিছু নেই। কোনো তাড়া নেই। শুধু পাশাপাশি বসে থাকা। হাতের স্পর্শ। শ্বাসের উষ্ণতা। আর আমার মনের ভিতর যে অস্থিরতা জমে আছে, সেটা তার কাছাকাছি থাকার কারণে একটু একটু করে গলছে। তবুও পুরোপুরি মিলছে না। যেন এই না-মিলিয়ে রাখাটাই এখন সবচেয়ে বেশি টান তৈরি করছে। আমি জানি না আর কতক্ষণ এভাবে বসে থাকব। শুধু এটুকু জানি যে এখনো থামছি না। আর সেও সরছে না। দুজনেই এই নীরব কাছাকাছির ভিতর ডুবে আছি। ধীরে ধীরে। নিষিদ্ধভাবে। কিন্তু থেমে নেই।
মায়ের হাত আমার পেটের উপর থেকে সরল না। আঙুল আলতো করে নড়ছিল। লুঙ্গির কাপড়ের উপর দিয়ে। আমি শ্বাস নিলাম গভীর করে। শরীরের ভিতরটা টানটান। ধোন পুরো শক্ত হয়ে উঠেছে। তবু আমি নড়ছি না। শুধু তার স্পর্শ অনুভব করছি।
মা আমার কাঁধ থেকে মাথা তুললেন। আমার দিকে তাকালেন। চোখে একটা স্থির আগুন। তিনি আমার হাতটা ধরে নিজের কোমরের দিকে নিয়ে গেলেন। শাড়ির উপর দিয়ে। আমার আঙুল তার কোমরের ভাঁজে লাগল। গরম। নরম। মা আমার হাত চেপে ধরলেন সেখানে। সরালেন না।
আমি তার দিকে হেলান দিলাম। এবার আর দূরত্ব রাখলাম না। আমার বুক তার কাঁধের সাথে লাগল। মায়ের চুল আমার ঠোঁটের কাছে এসে পড়ল। আমি মাথা নিচু করে তার কানের কাছে মুখ রাখলাম। শুধু শ্বাস ছাড়লাম। গরম শ্বাস তার কানে লাগল। মায়ের শরীর একবার কেঁপে উঠল। তার হাত আমার হাত আরও শক্ত করে চেপে ধরল।
আমি হাত সরিয়ে তার পিঠের দিকে নিয়ে গেলাম। শাড়ির আঁচলের নিচে। কোমরের উপর দিয়ে আঙুল বুলিয়ে দিলাম। মা আমার দিকে আরও একটু ঢলে এলেন। তার বুক আমার হাতের সাথে লাগল। শাড়ি আর ব্লাউজের কাপড়ের ফাঁক দিয়ে তার উষ্ণতা পাচ্ছিলাম। আমি আঙুল দিয়ে সেই জায়গাটা আলতো করে ঘষলাম। মায়ের শ্বাস ভারী হয়ে গেল। তিনি আমার গলায় মুখ রেখে একটা ভাঙা শ্বাস ছাড়লেন।
এবার আমি তার মুখের দিকে তাকালাম। মাও তাকালেন। দুজনের চোখ মিলল। আমি মাথা নিচু করলাম। আমার ঠোঁট তার কপালে লাগল। হালকা। উষ্ণ। মা চোখ বন্ধ করে রইলেন। আমি আরেকটু নিচে নামলাম। তার চোখের পাতায় চুমু রাখলাম। তারপর গালে। মায়ের হাত আমার চুলে এসে আটকে গেল। তিনি আমাকে আরও কাছে টানলেন।
আমাদের ঠোঁট লাগল। শুকনো। কাঁপছে। আমি চাপ দিলাম একটু। মা সাড়া দিলেন। তার ঠোঁট আলতো করে খুলল। জিহ্বার ডগা ছুঁল আমার ঠোঁট। গরম। আমি আরও গভীরে গেলাম। চুমুটা ভেজা হয়ে উঠল। মায়ের হাত আমার পিঠে চাপ দিল। আমি তার কোমর শক্ত করে ধরলাম। দুজনের শরীর একেবারে মিশে গেল বিছানার উপর।
চুমু ভাঙল ধীরে। মায়ের কপাল আমার কপালে ঠেকল। দুজনের শ্বাস গরম হয়ে মিশছে। আমি তার গলার দিকে মুখ নিয়ে গেলাম। ঠোঁট রাখলাম কণ্ঠা হাড়ের উপর। জিহ্বা দিয়ে আলতো করে চাটলাম। মায়ের শরীর বেঁকে গেল। তার হাত আমার লুঙ্গির কোমরবন্দ পর্যন্ত নেমে এল। আঙুল দিয়ে টানল একটু। আমি থামলাম না। তার গলা থেকে আরও নিচে নামলাম। শাড়ির আঁচল সরিয়ে ব্লাউজের কিনারায় ঠোঁট রাখলাম। মায়ের বুকের উপরের সাদা চামড়া। ঘামের স্বাদ। আমি জিহ্বা দিয়ে সেখানে রেখা টানলাম।
মা আমার মাথা তুলে ধরলেন। চোখে কোনো দ্বিধা নেই। তিনি আমার হাত ধরে নিজের ব্লাউজের বোতামের দিকে নিয়ে গেলেন। আমি একটা বোতাম খুললাম। তারপর আরেকটা। ব্লাউজ আলগা হয়ে গেল। মায়ের ব্রা-এর উপরের অংশ দেখা গেল। আমি হাত ঢুকিয়ে দিলাম ভিতরে। তার দুধের নরম উষ্ণতা তালুতে এসে লাগল। বোটা শক্ত। আমি আঙুল দিয়ে মুচড়ে দিলাম। মায়ের মুখ বেঁকে গেল। তিনি আমার গলায় দাঁত বসিয়ে হালকা কামড় দিলেন।
আমি তাকে বিছানার উপর শুইয়ে দিলাম। শাড়ি উঠিয়ে তার উরু পর্যন্ত নিয়ে গেলাম। পেটিকোটের কিনারা। আমি হাত ঢুকিয়ে দিলাম ভিতরে। তার উরুর ভিতরের নরম চামড়া। আরও উপরে। ভোদার কাছে গরম অনুভূতি। মায়ের পা একটু ফাঁক হয়ে গেল। আমি আঙুল দিয়ে তার ভেজা ভাঁজ ছুঁলাম। মায়ের শরীর কেঁপে উঠল। তিনি আমার হাত চেপে ধরলেন। সরালেন না। শুধু চাপ দিলেন।
বাইরে হঠাৎ একটা গাড়ির শব্দ শোনা গেল। দুজনেই থমকে গেলাম। শব্দটা দূরে চলে গেল। কিন্তু মুহূর্তটা ভেঙে গেল। মা আমার হাত সরিয়ে দিলেন। উঠে বসলেন। ব্লাউজের বোতাম আবার লাগাতে লাগলেন। তার হাত কাঁপছিল। আমিও উঠে বসলাম। লুঙ্গি ঠিক করলাম। দুজনের শ্বাস এখনো ভারী। ঘরের ভিতরটা গরম।
মা আমার দিকে তাকালেন। চোখে আগুন আর একটা সতর্কতা। তিনি আস্তে করে বললেন, “এখন নয়। বাবা যেকোনো সময় ফোন করতে পারে। বা কেউ এসে যেতে পারে।”
আমি মাথা নাড়লাম। শরীরের অস্থিরতা এখনো গায়ে লেগে আছে। ধোন শক্ত। মায়ের স্পর্শের অনুভূতি ত্বকে জ্বলছে। তিনি উঠে দাঁড়ালেন। দরজার দিকে এগোলেন। পেছন ফিরে একবার তাকালেন। তার ঠোঁট ফোলা। চুল এলোমেলো। তারপর বেরিয়ে গেলেন।
আমি বিছানায় শুয়ে পড়লাম। ছাদের দিকে তাকিয়ে রইলাম। হাতের তালুতে এখনো তার দুধের নরমতা। আঙুলে তার ভেজার গরম। চুমুর স্বাদ মুখে। আজ আরও কাছে গিয়েছিলাম। আরও খোলা। তবু শেষ পর্যন্ত থেমে গেছি। সেই থেমে যাওয়াটাই এখন বুকের ভিতর কামড়ে ধরেছে। বাসা খালি ছিল। সুযোগ ছিল। তবু থামতে হয়েছে। আর সেই অপূর্ণতা নিয়েই আমি অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে রইলাম। শরীর চাইছে আরও। মনও চাইছে। কিন্তু এখন শুধু অপেক্ষা। আবার। ধীরে ধীরে জমে ওঠা আগুন নিয়ে।
**Part 35**
মা বেরিয়ে যাওয়ার পর ঘরটা আবার খালি হয়ে গেল। আমি বিছানায় শুয়ে রইলাম। শরীরের উত্তাপ এখনো নামেনি। হাতের তালুতে তার দুধের নরমতা, আঙুলে তার ভেজার গরম অনুভূতি এখনো জ্বলছে। চুমুর স্বাদ মুখে লেগে আছে। ধোন লুঙ্গির ভিতর পাথরের মতো শক্ত। আমি চাপ দিলাম একবার। তারপর হাত সরিয়ে নিলাম। আজ আর নিজে নিজে শেষ করতে চাইছি না। সেই অপূর্ণতা নিয়েই থাকতে চাই।
বাইরে মায়ের পায়ের শব্দ আসছিল। তিনি রান্নাঘরে গেছেন। থালাবাসন সরানোর শব্দ। স্বাভাবিক জীবন যেন আবার শুরু হয়ে গেছে। অথচ কিছুক্ষণ আগেই তার শরীর আমার হাতের নিচে ছিল। ব্লাউজ খোলা। শাড়ি উঠানো। আমার আঙুল তার ভোদার কাছে। সেই ছবিটা চোখ বন্ধ করলেই ভেসে ওঠে। মনটা অস্থির। শরীর আরও বেশি।
আমি উঠে জানালার পাশে দাঁড়ালাম। বাইরে সন্ধ্যা নামছে। রাস্তায় লোকজন হেঁটে যাচ্ছে। সাধারণ জীবন। আর এই বাসার ভিতর নিষিদ্ধ একটা আগুন জ্বলছে। আমি ভাবছিলাম কতবার এভাবে থেমে যেতে হবে। কতবার কাছাকাছি গিয়ে ফিরে আসতে হবে। প্রতিবারই শরীর আরও বেশি করে দাবি করছে। মনও। তবু পরিস্থিতি বারবার আটকে দিচ্ছে।
কিছুক্ষণ পর মা আমার রুমের দরজায় এসে দাঁড়ালেন। হাতে এক গ্লাস পানি। তিনি গ্লাসটা টেবিলে রেখে আমার দিকে তাকালেন। চোখে এখনো সেই আগুনের ছাপ। ঠোঁট সামান্য ফোলা। তিনি দরজাটা হালকা করে লাগিয়ে দিলেন। এগোলেন আমার দিকে।
আমি জানালা ছেড়ে ঘুরে দাঁড়ালাম। মা আমার সামনে এসে থামলেন। দূরত্ব খুব কম। তার শাড়ির গন্ধ আবার নাকে এল। আমি হাত বাড়িয়ে তার কোমর ধরলাম। এবার আর দ্বিধা করলাম না। মা আমার বুকে মুখ রেখে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। তার হাত আমার পিঠে এসে লাগল। দুজনে জড়িয়ে ধরলাম একে অপরকে। শক্ত করে। শরীরের উষ্ণতা মিশে গেল।
মা আমার গলায় মুখ রেখে ফিসফিস করলেন, “বাবা আজ দেরিতে ফিরবে। ফোন করেছে। রাত নয়টার আগে নয়।”
কথাটা শুনে আমার বুকের ভিতরটা কেঁপে উঠল। সময় আছে। কয়েক ঘণ্টা। আমি তার মুখ তুলে ধরলাম। চোখের দিকে তাকালাম। মাও তাকালেন। আমি চুমু রাখলাম তার ঠোঁটে। এবার আর হালকা নয়। গভীর। ভেজা। মা সাড়া দিলেন পুরোপুরি। তার জিহ্বা আমার মুখে ঢুকে এল। হাত আমার চুলে জড়িয়ে গেল। আমি তার কোমর আরও শক্ত করে ধরলাম। শাড়ির আঁচল মুঠোয় এল।
আমরা বিছানার দিকে সরে গেলাম। মা বসলেন। আমি তার সামনে হাঁটু গেড়ে বসলাম। শাড়ি উঠিয়ে তার উরু পর্যন্ত নিয়ে গেলাম। পেটিকোটের কিনারা ধরে টানলাম। মা উঠে সাহায্য করলেন। কাপড়টা সরে গেল। তার উরুর সাদা চামড়া সন্ধ্যার আলোয় উজ্জ্বল। আমি দুই হাত দিয়ে তার উরু ধরলাম। মাথা নিচু করে ভিতরের দিকটায় চুমু রাখলাম। মায়ের শরীর কেঁপে উঠল। তার হাত আমার মাথায় চাপ দিল।
আমি আরও উপরে উঠলাম। তার ভোদার কাছে গরম অনুভূতি। আঙুল দিয়ে প্যান্টির কিনারা সরিয়ে দিলাম। ভেজা। গরম। আমি জিহ্বা দিয়ে আলতো করে ছুঁলাম। মায়ের কোমর উঠে গেল। আমি জিহ্বা শক্ত করে তার ক্লিটের উপর রাখলাম। ঘষতে লাগলাম। বৃত্তাকার। চাপ দিয়ে। মায়ের শ্বাস ভেঙে যাচ্ছিল। তিনি আমার চুল মুঠো করে ধরলেন। আমি দুই আঙুল ঢুকিয়ে দিলাম তার ভোদায়। গরম দেয়ালগুলো চেপে ধরল। আঙুল বাঁকিয়ে উপরের দিকটা ঘষতে লাগলাম। সাথে জিহ্বা দিয়ে ক্লিট চুষছিলাম।
মা হঠাৎ আমার মাথা তুলে ধরলেন। চোখ লাল। শ্বাস দ্রুত। তিনি আমাকে উপরের দিকে টানলেন। আমি উঠে তার উপর ঝুঁকলাম। দুজনের ঠোঁট মিলল আবার। গভীর। আমি তার ব্লাউজের বাকি বোতামগুলো খুলে দিলাম। ব্রা-এর হুক খুললাম। তার দুধ দুটো বেরিয়ে এল। আমি একটা মুখে নিলাম। জিহ্বা দিয়ে বোটা ঘষলাম। দাঁত দিয়ে হালকা টানলাম। মায়ের হাত আমার লুঙ্গি খুলে দিল। ধোন বেরিয়ে এল। তার হাত মুষ্ঠি করল। আলতো করে টানতে লাগল।
আমি তার পা ফাঁক করে মাঝখানে গেলাম। ধোন তার ভোদার মুখে রাখলাম। গরম। ভেজা। মা আমার পিঠে নখ গাড়লেন। আমি ধীরে করে ঠেললাম। মাথাটা ঢুকল। টানটান। মায়ের মুখ বেঁকে গেল। আমি আরও ঠেললাম। আস্তে আস্তে পুরোটা ঢুকে গেল। দুজনের শরীর মিলিত হলো। আমি একটু স্থির হলাম। তার ভিতরের স্পন্দন অনুভব করছিলাম। তারপর দুলতে শুরু করলাম। ধীর গতিতে। লম্বা স্ট্রোক।
মা আমার গলায় মুখ রেখে শ্বাস ছাড়ছিলেন। তার দুধ আমার বুকের সাথে ঘষা খাচ্ছিল। আমি গতি বাড়ালাম। জোরে। গভীরে। প্রতিটা ধাক্কায় তার ভোদা চটচট শব্দ করছিল। রস গড়িয়ে আমার উরু ভিজিয়ে দিচ্ছিল। আমি তার একটা দুধ মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম। অন্য হাত দিয়ে ক্লিট ঘষছিলাম। মায়ের শরীর টানটান হয়ে উঠল। তিনি আমার পিঠ জোরে চেপে ধরলেন। ভোদা আমাকে শক্ত করে আঁকড়ে ধরল। তিনি কাঁপতে কাঁপতে নামলেন। গরম রস ছড়িয়ে পড়ল। আমিও আর সামলাতে পারলাম না। তার গভীরে রস ঢেলে দিলাম। বারবার।
আমরা জড়িয়ে শুয়ে রইলাম। শ্বাসকষ্টে। ঘামে ভেজা। মায়ের ভিতরে এখনো আছি। তার হাত আমার পিঠে আলতো করে ঘষছে। বাইরে সন্ধ্যা ঘনিয়ে এসেছে। সময় আছে এখনো। আমি তার কানে মুখ রেখে শুধু শ্বাস নিলাম। মা আমার চুলে আঙুল বুলিয়ে দিলেন। কোনো কথা নেই। শুধু শরীরের উষ্ণতা আর মিলনের পরের শান্তি। তবু মনের ভিতরটা জানে এটা শেষ নয়। আবার হবে। যখনই সুযোগ পাব। ধীরে হোক বা দ্রুত। এই নিষিদ্ধ আগুন আর নিভবে না।
![[Image: JENDe.jpg]](https://i.ibb.co/S4WyKt9R/JENDe.jpg)
[/quote]
