3 hours ago
প্রতিটি ধাক্কায় শাশুড়ি বেগম তৃপ্তির আর্তনাদ করছিলেন। রবি তার পিঠের চামড়া খামচে ধরছিল। শাশুড়ির শরীরের ভাঁজে ভাঁজে রবির প্রবল গতি যেন এক আদিম যুদ্ধের মতো। রবি দেখল, বয়সের ছাপ থাকলেও শাশুড়ির যোনি অত্যন্ত উষ্ণ ও আঁটসাঁট, যা রবির উত্তেজনাকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছিল। তারা দুজন যেন এক নিষিদ্ধ খেলায় মেতে উঠেছে, যেখানে কোনো নিয়ম বা সম্পর্ক টিকে থাকার ক্ষমতা রাখে না।
শাশুড়ির সারা শরীর একবার দুলে উঠল এবং তার মুখ দিয়ে একটা দীর্ঘ, তীব্র গোঙানির শব্দ বেরিয়ে এল যা পাশের ঘরে রানীর কানে যাওয়ার উপক্রম হলো। রবি থামল না; সে এক অদ্ভুত তালে, এক আদিম ছন্দে শাশুড়ির ওপর ধাক্কা দিতে দিতে চুদতে লাগল।
প্রতিটি ধাক্কায় শাশুড়ির স্তনযুগল রবির বুকের ওপর আছড়ে পড়ছে, আর শাশুড়ি তার নখ দিয়ে রবির পিঠে গভীর আঁচড় বসিয়ে দিচ্ছেন। রবির হাতের তালু শাশুড়ির নিতম্বের ওপর পড়ে প্রতিবার মাংসের ওপর এক শব্দ তৈরি করছে। তাদের শরীরের ঘর্মাক্ত ঘর্ষণে তৈরি হওয়া সেই রগরগে শব্দ পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ল। রবি অনুভব করল, শাশুড়ির যোনির পেশিগুলো তার পুরুষাঙ্গকে প্রতিবারই যেন নিংড়ে নিচ্ছে আর কামরে ধরছে—প্রতিটি ঘর্ষণে সে যেন নতুন নতুন উত্তেজনার সাগরে ভাসছে।
"আহ... রবি, তুমি তো আমাকে শেষ করে দিচ্ছ!" শাশুড়ি নিজের শরীরের প্রতিটি ভাঁজ রবির শরীরের সাথে মিলিয়ে দিতে চাইলেন। রবি তখন এক উন্মাদনা নিয়ে চুদে যাচ্ছে। সে শাশুড়ির কোমর শক্ত করে চেপে ধরে তাকে শূন্যে তুলে বারবার আছড়ে ফেলছে। শাশুড়ির চোখ দিয়ে তখন আনন্দের অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে। তিনি রবির কানের কাছে মুখ নিয়ে কামাতুর গলায় বলতে লাগলেন, "রানি জানেও না সে কী হারিয়েছে... তুমি শুধু আমার, শুধু আমার!"
রবির কাছে শাশুড়ির এই অধিকারবোধ এক চরম উত্তেজনার রসদ জোগাল। সে শাশুড়ির স্তনবৃন্তগুলো খামচে ধরে প্রচণ্ড বেগে ধাক্কা দিতে শুরু করল। শাশুড়ি বেগমের শরীর তখন আর তার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেই; তিনি রবির দাপটের কাছে পুরোপুরি নতজানু। ঘরের বাতাস এখন ঘাম, কামনার গন্ধ আর তাদের শরীরের মিলনস্থলের সেই রগরগে শব্দে ভারী।
সবশেষে, রবি এক প্রচণ্ড ঝটকায় শাশুড়ির গভীরতম স্তরে পৌঁছে গেল। তার সারা শরীরের সমস্ত স্নায়ু তখন এক বিন্দুতে এসে স্থির হয়েছে। শাশুড়ি বেগমের যোনি তখন রবির পুরুষাঙ্গকে এতটাই শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছে যে রবির শরীর থেকে সমস্ত বীর্য এক প্রবল স্রোতে তার জরায়ুর ভেতর বিচ্ছুরিত হতে লাগল। শাশুড়ি এক অস্ফুট চিৎকার করে রবির বুকে এলিয়ে পড়লেন, তার শরীর তখনও কামনার চরম শিখর থেকে নিচে নামার সময় ছোট ছোট ঝটকায় কাঁপছে।
তারা দুজন কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে শুয়ে রইল।
শাশুড়ির শরীরে তখনো রবির শরীরের উষ্ণতা, আর রবির মনে শাশুড়ির সেই তৃপ্তির নীরবতা। অন্দরমহলের এই অভিশপ্ত রাত্রে, রানি পাশের ঘরে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায়, তার মা নিজের মেয়ের জামাইয়ের বাহুতে এমন এক সুখ খুঁজে পেলেন যা কোনো সামাজিক নিয়ম বা পবিত্রতার মাপকাঠিতে পড়ে না। রবি বুঝতে পারল, তার অন্দরমহলের সাম্রাজ্য এখন সীমান্ত ছাড়িয়ে বহুদূর বিস্তৃত। এই শ্বশুরবাড়িও এখন তার কামনার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। লন্ঠনের আলোয় তাদের সেই ঘর্মাক্ত, নগ্ন শরীরগুলো যেন এক অমোঘ নিষিদ্ধ সত্যের প্রতীক হয়ে রইল।
ঘরের ভেতর তখনো কামনার ধোঁয়াটে পরিবেশ। শাশুড়ি বেগমের শরীর থেকে তখনো ঘাম ঝরছে, কিন্তু রবির পৌরুষ তখনো তার প্রচণ্ড শক্তিতে দাঁড়িয়ে আছে। প্রথম দফার সেই আদিম মিলনের পর শাশুড়ি বেগম নিজেকে সম্পূর্ণ রবির চরণে সমর্পণ করে দিয়েছেন। তিনি জানেন, রবি এখন আর কেবল একজন জামাই নয়, সে তার শরীরের ঈশ্বর।
তারপর শাশুড়ি বেগম খুব ধীরগতিতে বিছানায় উপুড় হলো। তার নিতম্ব দুটো চাঁদের আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠল। তিনি রবির দিকে তাকিয়ে এক আবেদনময়ী দৃষ্টি নিক্ষেপ করলেন, যেন বলছেন—"এখন আমাকে পুরোপুরি তোমার করে নাও।" রবি শাশুড়ির নিতম্বের ওপর হাত রাখল, তার চামড়া মসৃণ এবং উত্তপ্ত। শাশুড়ি বেগম নিজের মাথাটা রবির কোলের কাছে নিয়ে এলেন এবং রবির শক্ত পুরুষাঙ্গটিকে নিজের হাতের মুঠোয় নিলেন।
শাশুড়ি তার জিভ দিয়ে রবির পুরুষাঙ্গের প্রতিটি শিরার ওপর দিয়ে আলতো করে চাটতে শুরু করলেন। তারপর খুব ধীরে, অত্যন্ত পারদর্শীতার সাথে তিনি রবির লিঙ্গটি নিজের গরম ও লালাযুক্ত মুখের ভেতর পুরে নিলেন। তার ঠোঁট আর জিভের সেই ঘূর্ণন রবিকে এক চরম উন্মাদনার দিকে ঠেলে দিল। শাশুড়ি বেগম অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে রবির পুরুষাঙ্গের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত চুষতে শুরু করলেন, মাঝে মাঝে তার দাঁতের আলতো স্পর্শ রবির ভেতরে বিদ্যুতের মতো শিহরণ তুলছিল। রবির দুই হাত তখন শাশুড়ির চুলের মুঠি শক্ত করে ধরেছিল। শাশুড়ি একসময় নিজের গভীর গলার ভেতর রবির পুরো পুরুষাঙ্গটিকে ঢুকিয়ে দিলেন, আর রবি তখনো তার চুলের ওপর হাত বুলিয়ে শাশুড়িকে আরও গভীরে যাওয়ার উৎসাহ দিচ্ছিল।
রবির শ্বাস তখন ভারী হয়ে উঠেছে। শাশুড়ি বেগমের গরম মুখ তার পুরুষাঙ্গকে পুরোপুরি গ্রাস করে রেখেছে। প্রতিবার তিনি যখন নিচের দিকে নামছেন, রবির লিঙ্গের অগ্রভাগ তার গলার গভীরে ঠেকছে। শাশুড়ির গলা সংকুচিত হয়ে রবির শিরাগুলোকে চেপে ধরছে, আর সেই চাপ রবির শরীরে এক তীব্র শিহরণ ছড়িয়ে দিচ্ছে।
শাশুড়ি বেগম একটুও তাড়াহুড়ো করছেন না। তিনি ধীরে ধীরে উপরে উঠে আসছেন, জিভ দিয়ে নিচের দিক থেকে উপর পর্যন্ত চেটে নিচ্ছেন, তারপর আবার গভীরে নামিয়ে দিচ্ছেন। মাঝে মাঝে তিনি শুধু অগ্রভাগটা মুখে রেখে জিভ দিয়ে বৃত্তাকার গতিতে ঘোরাচ্ছেন, আর হাত দিয়ে নিচের অংশটা মুঠো করে আলতো করে চেপে ধরছেন। রবির আঙুলগুলো শাশুড়ির চুলে আরও শক্ত হয়ে গেছে।
“এভাবেই… আরও গভীরে…” রবি গর্জে উঠল।
শাশুড়ি তার কথা শুনে দুই হাত দিয়ে রবির নিতম্ব চেপে ধরলেন এবং নিজেই আরও গভীরে নামিয়ে দিলেন। রবির পুরুষাঙ্গ এবার সম্পূর্ণ তার গলার ভেতর চলে গেল। শাশুড়ির নাক রবির তলপেটে ঠেকছে। তিনি কয়েক সেকেন্ড সেভাবেই রেখে দিলেন, গলা দিয়ে গলগল শব্দ বেরোচ্ছে। তারপর আস্তে আস্তে উপরে উঠে এসে লালায় ভেজা লিঙ্গটা জিভ দিয়ে পরিষ্কার করতে লাগলেন।
রবি আর সহ্য করতে পারছিল না। সে শাশুড়ির চুলের মুঠি শক্ত করে ধরে নিজেই কোমর নাড়াতে শুরু করল। শাশুড়ি কোনো বাধা দিলেন না। তিনি মুখ খুলে রেখে দিলেন, আর রবি তার মুখের ভেতর ধীরে ধীরে ঢোকাতে লাগল মুখ চোদা করতে লাগলো। প্রতিবার গভীরে যাওয়ার সময় শাশুড়ির চোখ আধবোজা হয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু তিনি থামছিলেন না।
রবির পুরুষাঙ্গ এখন শাশুড়ির লালায় পুরোপুরি ভিজে চকচক করছে। শাশুড়ি মাঝে মাঝে মুখ সরিয়ে শুধু জিভ দিয়ে নিচ থেকে উপর পর্যন্ত চেটে যাচ্ছেন, তারপর আবার গভীরে নিয়ে যাচ্ছেন। রবির শরীরটা কেঁপে উঠছে। সে জানে, আর বেশিক্ষণ নিজেকে ধরে রাখতে পারবে না।
শাশুড়ি বেগম যেন সেটা বুঝতে পেরে আরও জোরে চুষতে শুরু করলেন। তার ঠোঁট শক্ত করে রবির লিঙ্গকে আঁকড়ে ধরেছে, জিভ দ্রুত দ্রুত নাচছে। রবির হাত শাশুড়ির মাথায় চেপে ধরেছে, আর সে গভীর থেকে গভীরে ঢুকতে থাকল…
---
শাশুড়ির মুখ থেকে বেরিয়ে আসা সেই রগরগে শব্দ আর রবির পুরুষাঙ্গের ওপর তার জিভের ঘর্ষণে ঘরটা যেন এক কামনার আবর্তে রূপ নিল। রবি যখন দেখল শাশুড়ি বেগম আর স্থির থাকতে পারছেন না, তখন সে তার পুরুষাঙ্গ শাশুড়ির মুখ থেকে বের করে নিল। শাশুড়ি এবার হাঁটু গেড়ে বসে তার পশ্চাৎদেশ উঁচিয়ে ধরলেন—এক অমোঘ হাতছানি।
রবি এবার শাশুড়ির পেছনে গিয়ে দাঁড়াল। শাশুড়ির নিতম্বের ভাঁজ দুটোকে দুহাতে ফাঁক করে রবি নিজের শক্ত পুরুষাঙ্গটিকে সরাসরি তার মলদ্বারের প্রবেশপথে স্থাপন করল। শাশুড়ি বেগম একটি দীর্ঘ নিশ্বাস নিয়ে নিজের শরীরকে রবির জন্য শিথিল করে দিলেন। রবি খুব ধীরে, কিন্তু দৃঢ়ভাবে তার পুরুষাঙ্গটি শাশুড়ির মলদ্বারের গভীরে ঠেলে দিতে শুরু করল।
প্রথম ধাক্কাতেই শাশুড়ি বেগম পিঠ বাঁকিয়ে চিৎকার করে উঠলেন। তার মলদ্বারের আঁটসাঁট পেশিগুলো রবির পৌরুষকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরল। রবি তখন কোনো করুণা করল না। সে একটার পর একটা প্রবল ধাক্কায় শাশুড়ির পশ্চাৎদেশের গভীরে নিজের অস্তিত্বের জানান দিতে লাগল আর চুদতে লাগলো। শাশুড়ির শরীর তখন রবির প্রতিটি ধাক্কায় সামনের দিকে দুলছে। রবির প্রতিটা ধাক্কায় শাশুড়ির মলদ্বার দিয়ে এক অদ্ভুত শব্দ বের হচ্ছিল, যা পুরো ঘরে এক রগরগে সুর তৈরি করছিল।
"আহ... রবি! সোনা! আমাকে পুরোপুরি ছিঁড়ে ফেলো!" শাশুড়ি বেগম উন্মাদিনীর মতো নিজের নিতম্ব রবির পুরুষাঙ্গের ওপর ঘষতে লাগলেন। রবি তখন এক পৈশাচিক শক্তিতে শাশুড়ির নিতম্ব ধরে প্রবল গতিতে আঘাত করে চুদে চলেছে। মলদ্বারের সেই গভীর আঁটসাঁট ভাব রবির পৌরুষকে এমন এক সুখের সাগরে ভাসাল, যা সখিনা বা টুকটুকির শরীরের সাথে মিলনেও সে পায়নি।
রবি এক হাত এগিয়ে শাশুড়ির যোনিতে আঙুল ঢুকিয়ে দিল। ভেতরটা এত ভেজা যে আঙুল সহজেই গভীরে চলে গেল। সে একসঙ্গে মলদ্বার ও যোনি দুটোকেই চুদতে লাগল। শাশুড়ির শরীরটা কাঁপতে শুরু করল।
শাশুড়ি বেগম এবার মাথা তুলে পেছন ফিরে তাকালেন। তার চোখ আধবোজা, মুখ খোলা, লালা ঝরছে।
“এভাবেই চুদো… রবি… আমাকে এভাবেই ভেঙে ফেলো… থামো না…”
রবি তার চুলের মুঠি শক্ত করে ধরে মাথাটা একটু পেছনে টানল আর আরও গভীরে, আরও জোরে ঠাপাতে থাকলো।
রবি শাশুড়ির চুলের মুঠি আরও শক্ত করে ধরে টানল। তার মাথাটা পেছনে বাঁকিয়ে গেল, গলা ফুলে উঠল, আর মুখ দিয়ে এক দীর্ঘ, ভাঙা আওয়াজ বেরিয়ে এল—
“আহ্... রবি... আরও... আরও জোরে...”
রবি কোনো কথা বলল না। শুধু তার কোমর আরও দ্রুত, আরও গভীর ছন্দে নাচতে লাগল। প্রতিটা ধাক্কায় শাশুড়ির নিতম্ব কেঁপে উঠছিল, আর মলদ্বারের সেই আঁটসাঁট পেশিগুলো তার পুরুষাঙ্গকে এমনভাবে চেপে ধরছিল যে রবির চোখও মুহূর্তের জন্য বন্ধ হয়ে আসছিল। সে আঙুলগুলো শাশুড়ির যোনির ভেতর আরও গভীরে ঠেলে দিয়ে দুই আঙুল দিয়ে ঘোরাতে লাগল। ভেতরটা এতটাই ভেজা আর গরম যে আঙুলগুলো সহজেই ঢুকে যাচ্ছিল, আর শাশুড়ির শরীর প্রতিবারেই কেঁপে উঠছিল।
শাশুড়ি বেগম দুই হাত দিয়ে বিছানার চাদর মুঠো করে ধরেছিলেন। তার কোমর নিজে থেকেই পেছনের দিকে ঠেলে দিচ্ছিল, যেন রবির পুরুষাঙ্গ আরও গভীরে নেওয়ার জন্য ব্যাকুল। রবির প্রতিটা আঘাতে তার মলদ্বার দিয়ে সেই ভেজা, চটচটে শব্দ বেরোচ্ছিল—প্লপ... প্লপ... প্লপ...—যা ঘরের নিস্তব্ধতা ভেঙে রগরগে সুর তৈরি করছিল।
রবি হঠাৎ থেমে গেল। শাশুড়ির নিতম্ব দুটো দুই হাতে চেপে ধরে সে তার পুরুষাঙ্গ প্রায় পুরোটাই টেনে বের করল, শুধু অগ্রভাগটা রেখে। তারপর এক প্রবল, নিষ্ঠুর ধাক্কায় আবার পুরোটা ঢুকিয়ে দিল।
“উম্ফ্—!” শাশুড়ির মুখ থেকে চিৎকার বেরিয়ে এল। তার শরীরটা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ল, আর রবি তার চুল টেনে আবার সোজা করে দিল।
শাশুড়ির শরীরটা এখন কাঁপছিল। তার পা দুটো কেঁপে কেঁপে যাচ্ছিল, আর গলার স্বর ভাঙা ভাঙা হয়ে আসছিল।
“রবি... আমি... আমি আর পারছি না... এভাবে... আহ্...”
রবি তার কানে ঝুঁকে ফিসফিস করে বলল, “পারবে। তুমি পারবে। আমি থামব না।”
এবং সে থামল না। আরও জোরে, আরও গভীরে, আরও নির্দয়ভাবে চুদতে লাগল।
রবি হঠাৎ থেমে গেল। তার পুরুষাঙ্গ এখনও শাশুড়ির মলদ্বারের গভীরে পুরোপুরি ঢোকা ছিল। সে এক মুহূর্ত স্থির থেকে তারপর ধীরে ধীরে, প্রায় নিষ্ঠুর ধৈর্যের সাথে টেনে বের করতে লাগল। শাশুড়ির আঁটসাঁট পেশিগুলো যেন তার লিঙ্গকে ছাড়তে চাইছিল না—প্রতি ইঞ্চি বেরোনোর সাথে সাথে সেই ভেজা, চটচটে শব্দ বেরোচ্ছিল, আর শাশুড়ির শরীর কেঁপে উঠছিল।
পুরোপুরি বেরিয়ে আসার পর রবির লিঙ্গটা চকচকে ভেজা, শক্ত, আর রক্তে ভরা অবস্থায় দাঁড়িয়ে ছিল। শাশুড়ি বেগম হাঁপাচ্ছিলেন। তার নিতম্ব এখনও সামান্য কেঁপে উঠছিল, মলদ্বারের মুখটা সামান্য খোলা আর লাল হয়ে ছিল।
রবি কোনো কথা না বলেই শাশুড়ির কাঁধে হাত দিয়ে তাকে ঘুরিয়ে দিল।। তার দুই পা স্বাভাবিকভাবেই দুদিকে সরে গেল। রবি তার দুই হাঁটুর মাঝে জায়গা করে নিয়ে উঁচু হয়ে বসল। তার চোখ এখন শাশুড়ির বুকের দিকে—দুটো ভারী, নরম স্তন, স্তনের অগ্রভাগ শক্ত হয়ে উঠেছে, লালচে গোলাপি রঙে।
রবি এক হাত দিয়ে নিজের লিঙ্গ ধরে শাশুড়ির যোনির মুখে ঠেকাল। ভেজা, গরম ছিদ্রটা তার অগ্রভাগকে সহজেই গ্রহণ করল। সে একটু চাপ দিল—আর লিঙ্গটা ধীরে ধীরে, ইঞ্চি ইঞ্চি ঢুকে যেতে লাগল। শাশুড়ির যোনি এতটাই ভেজা ছিল যে কোনো বাধাই পেল না। রবি এক প্রবল ঠেলায় পুরোটাই ভেতরে ঢুকিয়ে দিল।
“আহ্...!” শাশুড়ির মুখ থেকে দীর্ঘ স্বস্তির মতো চিৎকার বেরিয়ে এল। তার চোখ বন্ধ হয়ে গেল, মাথাটা পেছনে বাঁকিয়ে গেল।
রবি এবার দুই হাত শাশুড়ির দুপাশে রেখে মিশনারি পজিশনে শুরু করল। প্রথমে ধীর, গভীর ঠাপ দিতে লাগলো। প্রতিটা ঠাপে ঢোকানোয় তার কোমর শাশুড়ির নিতম্বে ঠেকে যাচ্ছিল, আর বেরোনোর সময় যোনির ভেজা দেওয়ালগুলো তার লিঙ্গকে চেপে ধরছিল। তারপর গতি বাড়ল। ধাক্কাগুলো আরও জোরে, আরও ছন্দময় হয়ে উঠল চোদার তালে তালে।
শাশুড়ির স্তন দুটো প্রতিটা ধাক্কায় উপরে-নিচে দুলতে লাগল। রবি মাথা নিচু করে এক স্তন মুখে তুলে নিল। তার গরম জিভ স্তনের অগ্রভাগ ঘিরে ধরল, চুষতে লাগল। এমনভাবে চুষছিল যেন দুধ বের করে আনতে চায়। দাঁত দিয়ে হালকা কামড় দিয়ে টেনে ধরল, তারপর আবার জিভ দিয়ে ঘষতে লাগল। এক হাত দিয়ে অন্য স্তনটা চেপে ধরল—আঙুলগুলো নরম মাংসে ডুবে গেল, স্তনের অগ্রভাগ দুই আঙুলের ফাঁকে চেপে টিপতে লাগল।
“রবি... আহ্... আমার দুধ... এভাবেই খাও...” শাশুড়ি বেগমের গলা ভাঙা ভাঙা হয়ে উঠল। তার দুই হাত রবির চুল মুঠো করে ধরে তার মাথা আরও জোরে স্তনের ওপর চেপে ধরল।
রবি চুষতে চুষতেই কোমর নাচাচ্ছিল। প্রতিটা ধাক্কায় তার লিঙ্গ শাশুড়ির যোনির গভীরে ঢুকে যাচ্ছিল, আর বেরোনোর সময় সেই ভেজা শব্দ—প্লপ... প্লপ... প্লপ...—ঘরে প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল। সে এক স্তন ছেড়ে অন্য স্তনে মুখ লাগাল। জিভ দিয়ে স্তনের অগ্রভাগ ঘোরাতে ঘোরাতে চুষতে লাগল, আর অন্য হাত দিয়ে আগের স্তনটা শক্ত করে টিপতে লাগল। আঙুলগুলো স্তনের নরম মাংস চেপে ধরে এমনভাবে চুদে চলেছে যে শাশুড়ির শরীর কেঁপে উঠছিল।
শাশুড়ির পা দুটো এখন রবির কোমর জড়িয়ে ধরেছে। সে নিজে থেকেই নিতম্ব তুলে রবির ধাক্কার সাথে মিলিয়ে দিচ্ছিল তল ঠাপ দিচ্ছে। প্রতিবার রবি ঢোকাচ্ছিল, শাশুড়িও সামনে ঠেলছিল—যেন আরও গভীরে নিতে চায়।
রবির ঠাপ এখন আরও দ্রুত। তার কোমর এমন গতিতে নাচছিল যে শাশুড়ির পুরো শরীর বিছানায় দুলছিল। যোনির ভেতর থেকে ভেজা শব্দ আরও জোরে হয়ে উঠেছে। রবি মাঝে মাঝে লিঙ্গ প্রায় পুরোটা বের করে আবার এক ঝটকায় পুরোটা ঢুকিয়ে দিচ্ছিল—প্রতিবারেই শাশুড়ির মুখ থেকে চিৎকার বেরোচ্ছিল।
“আহ্... রবি... এভাবেই... আমার দুধ খাও... আরও জোরে চুদো...” শাশুড়ি বেগম উন্মাদিনীর মতো কথা বলছিলেন। তার চোখ আধবোজা, মুখ খোলা, লালা গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ছিল।
রবি এক স্তন ছেড়ে আবার অন্য স্তনে মুখ লাগাল। এবার আরও জোরে চুষল। এমনভাবে যে শাশুড়ির স্তনের অগ্রভাগ তার মুখের ভেতর পুরোপুরি ঢুকে গিয়েছিল।আর কোমর দিয়ে নির্মম গতিতে চুদছিল। তার লিঙ্গ প্রতিটা ধাক্কায় শাশুড়ির যোনির গভীরে আঘাত করছিল, আর শাশুড়ির ভেজা দেওয়ালগুলো তাকে চেপে ধরে সুখের সাগরে ভাসাচ্ছিল।
রবি থামল না। সে চুষতে চুষতে, টিপতে টিপতে, আর গভীরে গভীরে চুদতেই থাকল—প্রতি মুহূর্ত আরও রগরগে, আরও নিষ্ঠুর, আরও কামনাভরা।
রবির কোমরের গতি এখন আরও ঘন হয়ে উঠেছে। প্রতিটা ধাক্কায় তার শাশুড়ির নিতম্বে শক্ত করে ঠেকে যাচ্ছে। লিঙ্গটা যোনির ভেতর দিয়ে পুরোপুরি ঢুকছে, বেরোচ্ছে—ভেজা দেওয়ালগুলো তাকে শক্ত করে চেপে ধরছে। শাশুড়ির স্তন দুটো প্রতিটা আঘাতে উপরে-নিচে দুলছে। রবির মুখ এখন আর স্তনে নেই; সে দুই হাত দিয়ে শাশুড়ির কোমর চেপে ধরে আরও গভীরে ঠেলে ঠেলে চুদছে।
শাশুড়ির পা দুটো রবির কোমরের দুপাশে শক্ত করে জড়ানো। তার নখ রবির পিঠে আঁচড় কেটেছে—লাল দাগ উঠেছে। যোনির ভেতর থেকে ভেজা শব্দ আরও জোরে হয়ে উঠেছে। রবির লিঙ্গ প্রতিবার ঢোকানোর সময় শাশুড়ির গর্ভাশয়ের মুখে আঘাত করছে। শাশুড়ির পেটের নিচের অংশটা কেঁপে উঠছে। তার যোনির পেশিগুলো অনিয়ন্ত্রিতভাবে সংকুচিত হতে শুরু করেছে—একবার, দুবার, তারপর দ্রুত।
রবির শ্বাস এখন ভারী। তার কপালে ঘাম জমেছে, বুকের লোম ভেজা। সে আরও জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। শাশুড়ির শরীর বিছানায় দুলছে। তার স্তনের অগ্রভাগ শক্ত, লালচে। যোনির ভেতরটা এতটাই ভেজা যে রবির লিঙ্গ সহজেই পুরোটা ঢুকে যাচ্ছে, আর বেরোনোর সময় সাদা সাদা ফেনা জমে উঠছে।
শাশুড়ির পেশিগুলো এখন আরও শক্ত হয়ে সংকুচিত হচ্ছে। তার নিতম্ব নিজে থেকেই উপরে উঠছে। যোনির ভেতরটা রবির লিঙ্গকে এমনভাবে চেপে ধরছে যে রবির কোমর এক মুহূর্তের জন্য থেমে গেল। তারপর সে আরও কয়েকটা দ্রুত, গভীর ধাক্কা দিল। শাশুড়ির শরীরটা প্রচণ্ডভাবে কেঁপে উঠল। তার যোনি দ্রুত দ্রুত সংকুচিত হতে লাগল—একটার পর একটা ঢেউয়ের মতো। ভেতর থেকে গরম রস বেরিয়ে রবির লিঙ্গ ভিজিয়ে দিল।
রবিরও আর ধরে রাখার ক্ষমতা রইল না। তার কোমর শক্ত হয়ে গেল। সে পুরোপুরি ভেতরে ঢুকিয়ে ধরে রাখল। লিঙ্গটা স্পন্দিত হতে লাগল। গরম বীর্যের ঘন ঝাপটা একটার পর একটা শাশুড়ির যোনির গভীরে ছড়িয়ে পড়ল। রবির শরীর কেঁপে উঠছে। তার পেশির সংকোচন চলতেই থাকল—কয়েক সেকেন্ড ধরে।
দুজনের শরীর এখনও জোড়া লাগানো। রবির লিঙ্গ এখনও ভেতরে, স্পন্দন ধীরে ধীরে কমছে। শাশুড়ির যোনির পেশিগুলোও এখনও মাঝে মাঝে সংকুচিত হচ্ছে, রবির লিঙ্গ থেকে শেষের কয়েক ফোঁটা বীর্য বের করে নিচ্ছে। তাদের শ্বাস দ্রুত, বুক ওঠানামা করছে। ঘামে দুজনের শরীর চকচকে। রবির বুক শাশুড়ির স্তনের ওপর চেপে আছে। শাশুড়ির হাত এখনও রবির পিঠে রাখা, কিন্তু আর আঁচড় কাটছে না—শুধু হালকা করে ধরে আছে।
রবি ধীরে ধীরে কোমর সরিয়ে লিঙ্গটা টেনে বের করল। বেরোনোর সময় শাশুড়ির যোনি থেকে সাদা বীর্যের ধারা গড়িয়ে নিতম্বের ফাঁক দিয়ে বিছানায় পড়ল। লিঙ্গটা এখনও সামান্য স্পন্দিত, চকচকে ভেজা। রবি শাশুড়ির পাশ দিয়ে শুয়ে পড়ল। দুজনেরই শরীর এখনও কাঁপছে, নিঃশ্বাস এখনও মিলছে না।
এই অভিশপ্ত রাতে, পাশের রুমে স্ত্রী রানিকে ফেলে রেখে রবি প্রমাণ করল যে এই বাড়ির প্রতিটি নারীর শরীরের অলিগলি এখন তার নিজের অধিকার। অন্দরমহলের এই নতুন ও অন্ধকার অধ্যায়টি আজ এক চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাল, যেখানে রবির কামনা আর শাশুড়ির অবদমিত তৃষ্ণা একাকার হয়ে গেল।
শাশুড়ির সারা শরীর একবার দুলে উঠল এবং তার মুখ দিয়ে একটা দীর্ঘ, তীব্র গোঙানির শব্দ বেরিয়ে এল যা পাশের ঘরে রানীর কানে যাওয়ার উপক্রম হলো। রবি থামল না; সে এক অদ্ভুত তালে, এক আদিম ছন্দে শাশুড়ির ওপর ধাক্কা দিতে দিতে চুদতে লাগল।
প্রতিটি ধাক্কায় শাশুড়ির স্তনযুগল রবির বুকের ওপর আছড়ে পড়ছে, আর শাশুড়ি তার নখ দিয়ে রবির পিঠে গভীর আঁচড় বসিয়ে দিচ্ছেন। রবির হাতের তালু শাশুড়ির নিতম্বের ওপর পড়ে প্রতিবার মাংসের ওপর এক শব্দ তৈরি করছে। তাদের শরীরের ঘর্মাক্ত ঘর্ষণে তৈরি হওয়া সেই রগরগে শব্দ পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ল। রবি অনুভব করল, শাশুড়ির যোনির পেশিগুলো তার পুরুষাঙ্গকে প্রতিবারই যেন নিংড়ে নিচ্ছে আর কামরে ধরছে—প্রতিটি ঘর্ষণে সে যেন নতুন নতুন উত্তেজনার সাগরে ভাসছে।
"আহ... রবি, তুমি তো আমাকে শেষ করে দিচ্ছ!" শাশুড়ি নিজের শরীরের প্রতিটি ভাঁজ রবির শরীরের সাথে মিলিয়ে দিতে চাইলেন। রবি তখন এক উন্মাদনা নিয়ে চুদে যাচ্ছে। সে শাশুড়ির কোমর শক্ত করে চেপে ধরে তাকে শূন্যে তুলে বারবার আছড়ে ফেলছে। শাশুড়ির চোখ দিয়ে তখন আনন্দের অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে। তিনি রবির কানের কাছে মুখ নিয়ে কামাতুর গলায় বলতে লাগলেন, "রানি জানেও না সে কী হারিয়েছে... তুমি শুধু আমার, শুধু আমার!"
রবির কাছে শাশুড়ির এই অধিকারবোধ এক চরম উত্তেজনার রসদ জোগাল। সে শাশুড়ির স্তনবৃন্তগুলো খামচে ধরে প্রচণ্ড বেগে ধাক্কা দিতে শুরু করল। শাশুড়ি বেগমের শরীর তখন আর তার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেই; তিনি রবির দাপটের কাছে পুরোপুরি নতজানু। ঘরের বাতাস এখন ঘাম, কামনার গন্ধ আর তাদের শরীরের মিলনস্থলের সেই রগরগে শব্দে ভারী।
সবশেষে, রবি এক প্রচণ্ড ঝটকায় শাশুড়ির গভীরতম স্তরে পৌঁছে গেল। তার সারা শরীরের সমস্ত স্নায়ু তখন এক বিন্দুতে এসে স্থির হয়েছে। শাশুড়ি বেগমের যোনি তখন রবির পুরুষাঙ্গকে এতটাই শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছে যে রবির শরীর থেকে সমস্ত বীর্য এক প্রবল স্রোতে তার জরায়ুর ভেতর বিচ্ছুরিত হতে লাগল। শাশুড়ি এক অস্ফুট চিৎকার করে রবির বুকে এলিয়ে পড়লেন, তার শরীর তখনও কামনার চরম শিখর থেকে নিচে নামার সময় ছোট ছোট ঝটকায় কাঁপছে।
তারা দুজন কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে শুয়ে রইল।
শাশুড়ির শরীরে তখনো রবির শরীরের উষ্ণতা, আর রবির মনে শাশুড়ির সেই তৃপ্তির নীরবতা। অন্দরমহলের এই অভিশপ্ত রাত্রে, রানি পাশের ঘরে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায়, তার মা নিজের মেয়ের জামাইয়ের বাহুতে এমন এক সুখ খুঁজে পেলেন যা কোনো সামাজিক নিয়ম বা পবিত্রতার মাপকাঠিতে পড়ে না। রবি বুঝতে পারল, তার অন্দরমহলের সাম্রাজ্য এখন সীমান্ত ছাড়িয়ে বহুদূর বিস্তৃত। এই শ্বশুরবাড়িও এখন তার কামনার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। লন্ঠনের আলোয় তাদের সেই ঘর্মাক্ত, নগ্ন শরীরগুলো যেন এক অমোঘ নিষিদ্ধ সত্যের প্রতীক হয়ে রইল।
ঘরের ভেতর তখনো কামনার ধোঁয়াটে পরিবেশ। শাশুড়ি বেগমের শরীর থেকে তখনো ঘাম ঝরছে, কিন্তু রবির পৌরুষ তখনো তার প্রচণ্ড শক্তিতে দাঁড়িয়ে আছে। প্রথম দফার সেই আদিম মিলনের পর শাশুড়ি বেগম নিজেকে সম্পূর্ণ রবির চরণে সমর্পণ করে দিয়েছেন। তিনি জানেন, রবি এখন আর কেবল একজন জামাই নয়, সে তার শরীরের ঈশ্বর।
তারপর শাশুড়ি বেগম খুব ধীরগতিতে বিছানায় উপুড় হলো। তার নিতম্ব দুটো চাঁদের আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠল। তিনি রবির দিকে তাকিয়ে এক আবেদনময়ী দৃষ্টি নিক্ষেপ করলেন, যেন বলছেন—"এখন আমাকে পুরোপুরি তোমার করে নাও।" রবি শাশুড়ির নিতম্বের ওপর হাত রাখল, তার চামড়া মসৃণ এবং উত্তপ্ত। শাশুড়ি বেগম নিজের মাথাটা রবির কোলের কাছে নিয়ে এলেন এবং রবির শক্ত পুরুষাঙ্গটিকে নিজের হাতের মুঠোয় নিলেন।
শাশুড়ি তার জিভ দিয়ে রবির পুরুষাঙ্গের প্রতিটি শিরার ওপর দিয়ে আলতো করে চাটতে শুরু করলেন। তারপর খুব ধীরে, অত্যন্ত পারদর্শীতার সাথে তিনি রবির লিঙ্গটি নিজের গরম ও লালাযুক্ত মুখের ভেতর পুরে নিলেন। তার ঠোঁট আর জিভের সেই ঘূর্ণন রবিকে এক চরম উন্মাদনার দিকে ঠেলে দিল। শাশুড়ি বেগম অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে রবির পুরুষাঙ্গের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত চুষতে শুরু করলেন, মাঝে মাঝে তার দাঁতের আলতো স্পর্শ রবির ভেতরে বিদ্যুতের মতো শিহরণ তুলছিল। রবির দুই হাত তখন শাশুড়ির চুলের মুঠি শক্ত করে ধরেছিল। শাশুড়ি একসময় নিজের গভীর গলার ভেতর রবির পুরো পুরুষাঙ্গটিকে ঢুকিয়ে দিলেন, আর রবি তখনো তার চুলের ওপর হাত বুলিয়ে শাশুড়িকে আরও গভীরে যাওয়ার উৎসাহ দিচ্ছিল।
রবির শ্বাস তখন ভারী হয়ে উঠেছে। শাশুড়ি বেগমের গরম মুখ তার পুরুষাঙ্গকে পুরোপুরি গ্রাস করে রেখেছে। প্রতিবার তিনি যখন নিচের দিকে নামছেন, রবির লিঙ্গের অগ্রভাগ তার গলার গভীরে ঠেকছে। শাশুড়ির গলা সংকুচিত হয়ে রবির শিরাগুলোকে চেপে ধরছে, আর সেই চাপ রবির শরীরে এক তীব্র শিহরণ ছড়িয়ে দিচ্ছে।
শাশুড়ি বেগম একটুও তাড়াহুড়ো করছেন না। তিনি ধীরে ধীরে উপরে উঠে আসছেন, জিভ দিয়ে নিচের দিক থেকে উপর পর্যন্ত চেটে নিচ্ছেন, তারপর আবার গভীরে নামিয়ে দিচ্ছেন। মাঝে মাঝে তিনি শুধু অগ্রভাগটা মুখে রেখে জিভ দিয়ে বৃত্তাকার গতিতে ঘোরাচ্ছেন, আর হাত দিয়ে নিচের অংশটা মুঠো করে আলতো করে চেপে ধরছেন। রবির আঙুলগুলো শাশুড়ির চুলে আরও শক্ত হয়ে গেছে।
“এভাবেই… আরও গভীরে…” রবি গর্জে উঠল।
শাশুড়ি তার কথা শুনে দুই হাত দিয়ে রবির নিতম্ব চেপে ধরলেন এবং নিজেই আরও গভীরে নামিয়ে দিলেন। রবির পুরুষাঙ্গ এবার সম্পূর্ণ তার গলার ভেতর চলে গেল। শাশুড়ির নাক রবির তলপেটে ঠেকছে। তিনি কয়েক সেকেন্ড সেভাবেই রেখে দিলেন, গলা দিয়ে গলগল শব্দ বেরোচ্ছে। তারপর আস্তে আস্তে উপরে উঠে এসে লালায় ভেজা লিঙ্গটা জিভ দিয়ে পরিষ্কার করতে লাগলেন।
রবি আর সহ্য করতে পারছিল না। সে শাশুড়ির চুলের মুঠি শক্ত করে ধরে নিজেই কোমর নাড়াতে শুরু করল। শাশুড়ি কোনো বাধা দিলেন না। তিনি মুখ খুলে রেখে দিলেন, আর রবি তার মুখের ভেতর ধীরে ধীরে ঢোকাতে লাগল মুখ চোদা করতে লাগলো। প্রতিবার গভীরে যাওয়ার সময় শাশুড়ির চোখ আধবোজা হয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু তিনি থামছিলেন না।
রবির পুরুষাঙ্গ এখন শাশুড়ির লালায় পুরোপুরি ভিজে চকচক করছে। শাশুড়ি মাঝে মাঝে মুখ সরিয়ে শুধু জিভ দিয়ে নিচ থেকে উপর পর্যন্ত চেটে যাচ্ছেন, তারপর আবার গভীরে নিয়ে যাচ্ছেন। রবির শরীরটা কেঁপে উঠছে। সে জানে, আর বেশিক্ষণ নিজেকে ধরে রাখতে পারবে না।
শাশুড়ি বেগম যেন সেটা বুঝতে পেরে আরও জোরে চুষতে শুরু করলেন। তার ঠোঁট শক্ত করে রবির লিঙ্গকে আঁকড়ে ধরেছে, জিভ দ্রুত দ্রুত নাচছে। রবির হাত শাশুড়ির মাথায় চেপে ধরেছে, আর সে গভীর থেকে গভীরে ঢুকতে থাকল…
---
শাশুড়ির মুখ থেকে বেরিয়ে আসা সেই রগরগে শব্দ আর রবির পুরুষাঙ্গের ওপর তার জিভের ঘর্ষণে ঘরটা যেন এক কামনার আবর্তে রূপ নিল। রবি যখন দেখল শাশুড়ি বেগম আর স্থির থাকতে পারছেন না, তখন সে তার পুরুষাঙ্গ শাশুড়ির মুখ থেকে বের করে নিল। শাশুড়ি এবার হাঁটু গেড়ে বসে তার পশ্চাৎদেশ উঁচিয়ে ধরলেন—এক অমোঘ হাতছানি।
রবি এবার শাশুড়ির পেছনে গিয়ে দাঁড়াল। শাশুড়ির নিতম্বের ভাঁজ দুটোকে দুহাতে ফাঁক করে রবি নিজের শক্ত পুরুষাঙ্গটিকে সরাসরি তার মলদ্বারের প্রবেশপথে স্থাপন করল। শাশুড়ি বেগম একটি দীর্ঘ নিশ্বাস নিয়ে নিজের শরীরকে রবির জন্য শিথিল করে দিলেন। রবি খুব ধীরে, কিন্তু দৃঢ়ভাবে তার পুরুষাঙ্গটি শাশুড়ির মলদ্বারের গভীরে ঠেলে দিতে শুরু করল।
প্রথম ধাক্কাতেই শাশুড়ি বেগম পিঠ বাঁকিয়ে চিৎকার করে উঠলেন। তার মলদ্বারের আঁটসাঁট পেশিগুলো রবির পৌরুষকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরল। রবি তখন কোনো করুণা করল না। সে একটার পর একটা প্রবল ধাক্কায় শাশুড়ির পশ্চাৎদেশের গভীরে নিজের অস্তিত্বের জানান দিতে লাগল আর চুদতে লাগলো। শাশুড়ির শরীর তখন রবির প্রতিটি ধাক্কায় সামনের দিকে দুলছে। রবির প্রতিটা ধাক্কায় শাশুড়ির মলদ্বার দিয়ে এক অদ্ভুত শব্দ বের হচ্ছিল, যা পুরো ঘরে এক রগরগে সুর তৈরি করছিল।
"আহ... রবি! সোনা! আমাকে পুরোপুরি ছিঁড়ে ফেলো!" শাশুড়ি বেগম উন্মাদিনীর মতো নিজের নিতম্ব রবির পুরুষাঙ্গের ওপর ঘষতে লাগলেন। রবি তখন এক পৈশাচিক শক্তিতে শাশুড়ির নিতম্ব ধরে প্রবল গতিতে আঘাত করে চুদে চলেছে। মলদ্বারের সেই গভীর আঁটসাঁট ভাব রবির পৌরুষকে এমন এক সুখের সাগরে ভাসাল, যা সখিনা বা টুকটুকির শরীরের সাথে মিলনেও সে পায়নি।
রবি এক হাত এগিয়ে শাশুড়ির যোনিতে আঙুল ঢুকিয়ে দিল। ভেতরটা এত ভেজা যে আঙুল সহজেই গভীরে চলে গেল। সে একসঙ্গে মলদ্বার ও যোনি দুটোকেই চুদতে লাগল। শাশুড়ির শরীরটা কাঁপতে শুরু করল।
শাশুড়ি বেগম এবার মাথা তুলে পেছন ফিরে তাকালেন। তার চোখ আধবোজা, মুখ খোলা, লালা ঝরছে।
“এভাবেই চুদো… রবি… আমাকে এভাবেই ভেঙে ফেলো… থামো না…”
রবি তার চুলের মুঠি শক্ত করে ধরে মাথাটা একটু পেছনে টানল আর আরও গভীরে, আরও জোরে ঠাপাতে থাকলো।
রবি শাশুড়ির চুলের মুঠি আরও শক্ত করে ধরে টানল। তার মাথাটা পেছনে বাঁকিয়ে গেল, গলা ফুলে উঠল, আর মুখ দিয়ে এক দীর্ঘ, ভাঙা আওয়াজ বেরিয়ে এল—
“আহ্... রবি... আরও... আরও জোরে...”
রবি কোনো কথা বলল না। শুধু তার কোমর আরও দ্রুত, আরও গভীর ছন্দে নাচতে লাগল। প্রতিটা ধাক্কায় শাশুড়ির নিতম্ব কেঁপে উঠছিল, আর মলদ্বারের সেই আঁটসাঁট পেশিগুলো তার পুরুষাঙ্গকে এমনভাবে চেপে ধরছিল যে রবির চোখও মুহূর্তের জন্য বন্ধ হয়ে আসছিল। সে আঙুলগুলো শাশুড়ির যোনির ভেতর আরও গভীরে ঠেলে দিয়ে দুই আঙুল দিয়ে ঘোরাতে লাগল। ভেতরটা এতটাই ভেজা আর গরম যে আঙুলগুলো সহজেই ঢুকে যাচ্ছিল, আর শাশুড়ির শরীর প্রতিবারেই কেঁপে উঠছিল।
শাশুড়ি বেগম দুই হাত দিয়ে বিছানার চাদর মুঠো করে ধরেছিলেন। তার কোমর নিজে থেকেই পেছনের দিকে ঠেলে দিচ্ছিল, যেন রবির পুরুষাঙ্গ আরও গভীরে নেওয়ার জন্য ব্যাকুল। রবির প্রতিটা আঘাতে তার মলদ্বার দিয়ে সেই ভেজা, চটচটে শব্দ বেরোচ্ছিল—প্লপ... প্লপ... প্লপ...—যা ঘরের নিস্তব্ধতা ভেঙে রগরগে সুর তৈরি করছিল।
রবি হঠাৎ থেমে গেল। শাশুড়ির নিতম্ব দুটো দুই হাতে চেপে ধরে সে তার পুরুষাঙ্গ প্রায় পুরোটাই টেনে বের করল, শুধু অগ্রভাগটা রেখে। তারপর এক প্রবল, নিষ্ঠুর ধাক্কায় আবার পুরোটা ঢুকিয়ে দিল।
“উম্ফ্—!” শাশুড়ির মুখ থেকে চিৎকার বেরিয়ে এল। তার শরীরটা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ল, আর রবি তার চুল টেনে আবার সোজা করে দিল।
শাশুড়ির শরীরটা এখন কাঁপছিল। তার পা দুটো কেঁপে কেঁপে যাচ্ছিল, আর গলার স্বর ভাঙা ভাঙা হয়ে আসছিল।
“রবি... আমি... আমি আর পারছি না... এভাবে... আহ্...”
রবি তার কানে ঝুঁকে ফিসফিস করে বলল, “পারবে। তুমি পারবে। আমি থামব না।”
এবং সে থামল না। আরও জোরে, আরও গভীরে, আরও নির্দয়ভাবে চুদতে লাগল।
রবি হঠাৎ থেমে গেল। তার পুরুষাঙ্গ এখনও শাশুড়ির মলদ্বারের গভীরে পুরোপুরি ঢোকা ছিল। সে এক মুহূর্ত স্থির থেকে তারপর ধীরে ধীরে, প্রায় নিষ্ঠুর ধৈর্যের সাথে টেনে বের করতে লাগল। শাশুড়ির আঁটসাঁট পেশিগুলো যেন তার লিঙ্গকে ছাড়তে চাইছিল না—প্রতি ইঞ্চি বেরোনোর সাথে সাথে সেই ভেজা, চটচটে শব্দ বেরোচ্ছিল, আর শাশুড়ির শরীর কেঁপে উঠছিল।
পুরোপুরি বেরিয়ে আসার পর রবির লিঙ্গটা চকচকে ভেজা, শক্ত, আর রক্তে ভরা অবস্থায় দাঁড়িয়ে ছিল। শাশুড়ি বেগম হাঁপাচ্ছিলেন। তার নিতম্ব এখনও সামান্য কেঁপে উঠছিল, মলদ্বারের মুখটা সামান্য খোলা আর লাল হয়ে ছিল।
রবি কোনো কথা না বলেই শাশুড়ির কাঁধে হাত দিয়ে তাকে ঘুরিয়ে দিল।। তার দুই পা স্বাভাবিকভাবেই দুদিকে সরে গেল। রবি তার দুই হাঁটুর মাঝে জায়গা করে নিয়ে উঁচু হয়ে বসল। তার চোখ এখন শাশুড়ির বুকের দিকে—দুটো ভারী, নরম স্তন, স্তনের অগ্রভাগ শক্ত হয়ে উঠেছে, লালচে গোলাপি রঙে।
রবি এক হাত দিয়ে নিজের লিঙ্গ ধরে শাশুড়ির যোনির মুখে ঠেকাল। ভেজা, গরম ছিদ্রটা তার অগ্রভাগকে সহজেই গ্রহণ করল। সে একটু চাপ দিল—আর লিঙ্গটা ধীরে ধীরে, ইঞ্চি ইঞ্চি ঢুকে যেতে লাগল। শাশুড়ির যোনি এতটাই ভেজা ছিল যে কোনো বাধাই পেল না। রবি এক প্রবল ঠেলায় পুরোটাই ভেতরে ঢুকিয়ে দিল।
“আহ্...!” শাশুড়ির মুখ থেকে দীর্ঘ স্বস্তির মতো চিৎকার বেরিয়ে এল। তার চোখ বন্ধ হয়ে গেল, মাথাটা পেছনে বাঁকিয়ে গেল।
রবি এবার দুই হাত শাশুড়ির দুপাশে রেখে মিশনারি পজিশনে শুরু করল। প্রথমে ধীর, গভীর ঠাপ দিতে লাগলো। প্রতিটা ঠাপে ঢোকানোয় তার কোমর শাশুড়ির নিতম্বে ঠেকে যাচ্ছিল, আর বেরোনোর সময় যোনির ভেজা দেওয়ালগুলো তার লিঙ্গকে চেপে ধরছিল। তারপর গতি বাড়ল। ধাক্কাগুলো আরও জোরে, আরও ছন্দময় হয়ে উঠল চোদার তালে তালে।
শাশুড়ির স্তন দুটো প্রতিটা ধাক্কায় উপরে-নিচে দুলতে লাগল। রবি মাথা নিচু করে এক স্তন মুখে তুলে নিল। তার গরম জিভ স্তনের অগ্রভাগ ঘিরে ধরল, চুষতে লাগল। এমনভাবে চুষছিল যেন দুধ বের করে আনতে চায়। দাঁত দিয়ে হালকা কামড় দিয়ে টেনে ধরল, তারপর আবার জিভ দিয়ে ঘষতে লাগল। এক হাত দিয়ে অন্য স্তনটা চেপে ধরল—আঙুলগুলো নরম মাংসে ডুবে গেল, স্তনের অগ্রভাগ দুই আঙুলের ফাঁকে চেপে টিপতে লাগল।
“রবি... আহ্... আমার দুধ... এভাবেই খাও...” শাশুড়ি বেগমের গলা ভাঙা ভাঙা হয়ে উঠল। তার দুই হাত রবির চুল মুঠো করে ধরে তার মাথা আরও জোরে স্তনের ওপর চেপে ধরল।
রবি চুষতে চুষতেই কোমর নাচাচ্ছিল। প্রতিটা ধাক্কায় তার লিঙ্গ শাশুড়ির যোনির গভীরে ঢুকে যাচ্ছিল, আর বেরোনোর সময় সেই ভেজা শব্দ—প্লপ... প্লপ... প্লপ...—ঘরে প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল। সে এক স্তন ছেড়ে অন্য স্তনে মুখ লাগাল। জিভ দিয়ে স্তনের অগ্রভাগ ঘোরাতে ঘোরাতে চুষতে লাগল, আর অন্য হাত দিয়ে আগের স্তনটা শক্ত করে টিপতে লাগল। আঙুলগুলো স্তনের নরম মাংস চেপে ধরে এমনভাবে চুদে চলেছে যে শাশুড়ির শরীর কেঁপে উঠছিল।
শাশুড়ির পা দুটো এখন রবির কোমর জড়িয়ে ধরেছে। সে নিজে থেকেই নিতম্ব তুলে রবির ধাক্কার সাথে মিলিয়ে দিচ্ছিল তল ঠাপ দিচ্ছে। প্রতিবার রবি ঢোকাচ্ছিল, শাশুড়িও সামনে ঠেলছিল—যেন আরও গভীরে নিতে চায়।
রবির ঠাপ এখন আরও দ্রুত। তার কোমর এমন গতিতে নাচছিল যে শাশুড়ির পুরো শরীর বিছানায় দুলছিল। যোনির ভেতর থেকে ভেজা শব্দ আরও জোরে হয়ে উঠেছে। রবি মাঝে মাঝে লিঙ্গ প্রায় পুরোটা বের করে আবার এক ঝটকায় পুরোটা ঢুকিয়ে দিচ্ছিল—প্রতিবারেই শাশুড়ির মুখ থেকে চিৎকার বেরোচ্ছিল।
“আহ্... রবি... এভাবেই... আমার দুধ খাও... আরও জোরে চুদো...” শাশুড়ি বেগম উন্মাদিনীর মতো কথা বলছিলেন। তার চোখ আধবোজা, মুখ খোলা, লালা গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ছিল।
রবি এক স্তন ছেড়ে আবার অন্য স্তনে মুখ লাগাল। এবার আরও জোরে চুষল। এমনভাবে যে শাশুড়ির স্তনের অগ্রভাগ তার মুখের ভেতর পুরোপুরি ঢুকে গিয়েছিল।আর কোমর দিয়ে নির্মম গতিতে চুদছিল। তার লিঙ্গ প্রতিটা ধাক্কায় শাশুড়ির যোনির গভীরে আঘাত করছিল, আর শাশুড়ির ভেজা দেওয়ালগুলো তাকে চেপে ধরে সুখের সাগরে ভাসাচ্ছিল।
রবি থামল না। সে চুষতে চুষতে, টিপতে টিপতে, আর গভীরে গভীরে চুদতেই থাকল—প্রতি মুহূর্ত আরও রগরগে, আরও নিষ্ঠুর, আরও কামনাভরা।
রবির কোমরের গতি এখন আরও ঘন হয়ে উঠেছে। প্রতিটা ধাক্কায় তার শাশুড়ির নিতম্বে শক্ত করে ঠেকে যাচ্ছে। লিঙ্গটা যোনির ভেতর দিয়ে পুরোপুরি ঢুকছে, বেরোচ্ছে—ভেজা দেওয়ালগুলো তাকে শক্ত করে চেপে ধরছে। শাশুড়ির স্তন দুটো প্রতিটা আঘাতে উপরে-নিচে দুলছে। রবির মুখ এখন আর স্তনে নেই; সে দুই হাত দিয়ে শাশুড়ির কোমর চেপে ধরে আরও গভীরে ঠেলে ঠেলে চুদছে।
শাশুড়ির পা দুটো রবির কোমরের দুপাশে শক্ত করে জড়ানো। তার নখ রবির পিঠে আঁচড় কেটেছে—লাল দাগ উঠেছে। যোনির ভেতর থেকে ভেজা শব্দ আরও জোরে হয়ে উঠেছে। রবির লিঙ্গ প্রতিবার ঢোকানোর সময় শাশুড়ির গর্ভাশয়ের মুখে আঘাত করছে। শাশুড়ির পেটের নিচের অংশটা কেঁপে উঠছে। তার যোনির পেশিগুলো অনিয়ন্ত্রিতভাবে সংকুচিত হতে শুরু করেছে—একবার, দুবার, তারপর দ্রুত।
রবির শ্বাস এখন ভারী। তার কপালে ঘাম জমেছে, বুকের লোম ভেজা। সে আরও জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। শাশুড়ির শরীর বিছানায় দুলছে। তার স্তনের অগ্রভাগ শক্ত, লালচে। যোনির ভেতরটা এতটাই ভেজা যে রবির লিঙ্গ সহজেই পুরোটা ঢুকে যাচ্ছে, আর বেরোনোর সময় সাদা সাদা ফেনা জমে উঠছে।
শাশুড়ির পেশিগুলো এখন আরও শক্ত হয়ে সংকুচিত হচ্ছে। তার নিতম্ব নিজে থেকেই উপরে উঠছে। যোনির ভেতরটা রবির লিঙ্গকে এমনভাবে চেপে ধরছে যে রবির কোমর এক মুহূর্তের জন্য থেমে গেল। তারপর সে আরও কয়েকটা দ্রুত, গভীর ধাক্কা দিল। শাশুড়ির শরীরটা প্রচণ্ডভাবে কেঁপে উঠল। তার যোনি দ্রুত দ্রুত সংকুচিত হতে লাগল—একটার পর একটা ঢেউয়ের মতো। ভেতর থেকে গরম রস বেরিয়ে রবির লিঙ্গ ভিজিয়ে দিল।
রবিরও আর ধরে রাখার ক্ষমতা রইল না। তার কোমর শক্ত হয়ে গেল। সে পুরোপুরি ভেতরে ঢুকিয়ে ধরে রাখল। লিঙ্গটা স্পন্দিত হতে লাগল। গরম বীর্যের ঘন ঝাপটা একটার পর একটা শাশুড়ির যোনির গভীরে ছড়িয়ে পড়ল। রবির শরীর কেঁপে উঠছে। তার পেশির সংকোচন চলতেই থাকল—কয়েক সেকেন্ড ধরে।
দুজনের শরীর এখনও জোড়া লাগানো। রবির লিঙ্গ এখনও ভেতরে, স্পন্দন ধীরে ধীরে কমছে। শাশুড়ির যোনির পেশিগুলোও এখনও মাঝে মাঝে সংকুচিত হচ্ছে, রবির লিঙ্গ থেকে শেষের কয়েক ফোঁটা বীর্য বের করে নিচ্ছে। তাদের শ্বাস দ্রুত, বুক ওঠানামা করছে। ঘামে দুজনের শরীর চকচকে। রবির বুক শাশুড়ির স্তনের ওপর চেপে আছে। শাশুড়ির হাত এখনও রবির পিঠে রাখা, কিন্তু আর আঁচড় কাটছে না—শুধু হালকা করে ধরে আছে।
রবি ধীরে ধীরে কোমর সরিয়ে লিঙ্গটা টেনে বের করল। বেরোনোর সময় শাশুড়ির যোনি থেকে সাদা বীর্যের ধারা গড়িয়ে নিতম্বের ফাঁক দিয়ে বিছানায় পড়ল। লিঙ্গটা এখনও সামান্য স্পন্দিত, চকচকে ভেজা। রবি শাশুড়ির পাশ দিয়ে শুয়ে পড়ল। দুজনেরই শরীর এখনও কাঁপছে, নিঃশ্বাস এখনও মিলছে না।
এই অভিশপ্ত রাতে, পাশের রুমে স্ত্রী রানিকে ফেলে রেখে রবি প্রমাণ করল যে এই বাড়ির প্রতিটি নারীর শরীরের অলিগলি এখন তার নিজের অধিকার। অন্দরমহলের এই নতুন ও অন্ধকার অধ্যায়টি আজ এক চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাল, যেখানে রবির কামনা আর শাশুড়ির অবদমিত তৃষ্ণা একাকার হয়ে গেল।
ভোরের প্রথম আলো যখন জানালার ফাঁক দিয়ে উঁকি দিল, তখন সেই নিস্তব্ধ ঘরটিতে এক অদ্ভুত নিস্তেজতা বিরাজ করছিল। শাশুড়ি বেগম রবির বুকের ওপর মাথা রেখে পড়ে আছেন, তার শরীরের ভাঁজে ভাঁজে তখনো গত রাতের সেই নিষিদ্ধ মিলনের অবশিষ্টাংশ। তাদের এই অভিশপ্ত মিলনের সাক্ষী হয়ে আছে বিছানার এলোমেলো চাদর আর ঘরের ভারী বাতাস।
রবি বিছানা থেকে উঠে দাঁড়াল। তার শরীরে এখনো সেই অমোঘ তৃপ্তির রেশ, কিন্তু মনে জন্ম নিয়েছে এক নতুন অস্থিরতা। সে জানালার দিকে এগিয়ে গিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখল, গ্রামটি ধীরে ধীরে জেগে উঠছে। পাশের ঘর থেকে রানীর সামান্য নড়াচড়ার শব্দ পাওয়া গেল।
রানি হয়তো বাবার সেবা করার জন্য উঠতে যাচ্ছে। এই সামান্য শব্দটিও রবিকে এক মুহূর্তের জন্য সজাগ করে তুলল। সে এখনো এই বাড়ির জামাই, এই পরিচয়ের আড়ালে তার অশুভ কর্মকাণ্ডগুলো রানীর চোখের আড়ালে লুকিয়ে আছে।
শাশুড়ি বেগম চোখ মেললেন। রবির দিকে তাকিয়ে তার মুখে এক অদ্ভুত প্রশান্তি, যেন তিনি জীবনের সবচেয়ে বড় কোনো জয় পেয়ে গেছেন। তিনি কোনো কথা বললেন না, শুধু আলতো করে রবির হাতটা ধরে নিজের ঠোঁটের কাছে নিয়ে এলেন। তার এই আচরণ বুঝিয়ে দিচ্ছে, এখন থেকে এই বাড়ি আর শুধু রানীর বাবার বাড়ি নয়—এটি এখন রবির গোপন আস্তানা।
"রবি, তুমি কি চলে যাবে?" শাশুড়ি ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করলেন। তার গলায় এখন আর কোনো সংকোচ নেই, আছে এক গভীর অধিকারবোধ।
রবি শাশুড়ির চুলগুলো আলতো করে সরিয়ে দিয়ে বলল, "যেতে তো হবেই। তবে মনে রেখো, আমার এই উপস্থিতি শুধু এই ঘরের চার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এই বাড়ির প্রতিটি কোণ, প্রতিটি রহস্য এখন আমার জানা।"
রবি যখন করিডোর দিয়ে হাঁটছিল, তখন রানীর সাথে দেখা হলো। রানি তখনো ঘুমের ঘোরে চোখ ডলছে। সে রবিকে দেখে অবাক হয়ে হাসল। "এত সকালে উঠে পড়লে যে? বাবার শরীরটা আজ একটু ভালো মনে হচ্ছে।"
রবি রানীর হাতটা ধরে তার চোখের দিকে তাকিয়ে এক ধূর্ত হাসি হাসল। "হ্যাঁ, একটু কাজ ছিল।
রানির সরলতা রবির বুকে কোনো দয়া জন্ম দিল না, বরং সে আরও বেশি করে উপভোগ করল এই মিথ্যার আশ্রয় নেওয়াটা। সে বুঝতে পারল, সে এই বাড়ির প্রতিটি নারীর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্দরমহলের সেই গোপন কুঠুরির নিষিদ্ধ অভ্যাস এখন ছড়িয়ে পড়েছে শ্বশুরবাড়ির প্রতিটি কোণে। রবি জানে, সে এখন আর কোনো সাধারণ মানুষ নয়—সে এক অন্ধকার সম্রাট, যে তার ইচ্ছামতো এই নারীদের জীবন ও শরীর নিয়ে খেলছে।
বাইরের আকাশ তখন পরিষ্কার হয়ে এসেছে, গ্রাম্য পাখিদের কলকাকলিতে চারপাশ মুখরিত। কিন্তু রবির কাছে পৃথিবীটা এখন কেবলই এক বিশাল শিকারশালা। অন্দরমহলের সেই পুরোনো নেশা আর শ্বশুরবাড়ির নতুন এই জয়—রবি এক অদ্ভুত তৃপ্তির সাথে গ্রাম থেকে ফেরার প্রস্তুতি নিল। সে জানে, এই ফিরতি পথ তাকে নিয়ে যাবে তার সেই মূল অন্দরমহলে, যেখানে সখিনা আর টুকটুকি তার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুণছে। প্রতিটি পদক্ষেপ রবির মনে এক নতুন জয়ের আনন্দ নিয়ে আসছে। সে এখন অন্দরমহলের সেই রাজা, যার রাজত্বে কোনো নিয়ম নেই, আছে কেবল নিষিদ্ধ আকাঙ্ক্ষার সীমাহীন বিস্তার।
**
শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরার পথে ঘোড়ার গাড়ির চাকাগুলো ধুলো উড়িয়ে গ্রামের মেঠো পথ দিয়ে এগিয়ে চলল। রবির পাশে বসে আছে রানি। রানীর মুখে একরাশ তৃপ্তি, কারণ বাবার শরীর আগের চেয়ে অনেকটাই ভালো। সে রবির কাঁধে মাথা রেখে গুনগুন করে সুর ভাঁজছে, কিন্তু তার জানা নেই, তার শরীরের গভীরে রবি গত রাতে ঠিক কী ধরণের খেলা খেলে এসেছে।
রবি জানালার দিকে তাকিয়ে নির্বিকার। তার দৃষ্টি যদিও পথের দিকে, কিন্তু মনের ভেতর তখনো শাশুড়ি বেগমের সেই কামাতুর আর্তনাদ আর তার শরীরের উষ্ণতা। রবি রানিকে নিয়ে ফিরছে ঠিকই, কিন্তু সে এখন আর সেই আগের রবি নেই। তার পৌরুষের দাপট আর নিষিদ্ধ নেশা তাকে এক চরম অহংকারে পূর্ণ করে তুলেছে। সে জানে, এই রানি তার অন্দরমহলের এক নতুন অধ্যায়ের প্রথম সাক্ষী হতে যাচ্ছে।
গ্রামের সীমানায় পৌঁছাতেই অন্দরমহলের সেই চেনা চালচিত্র চোখে পড়ল। সখিনা বেগম আর টুকটুকি আগে থেকেই বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল। রানিকে দেখে সখিনার চোখেমুখে এক অদ্ভুত শীতলতা খেলে গেল, তবে পরক্ষণেই তিনি এক কৃত্রিম হাসি ফুটিয়ে তুললেন। "আরে রানি মা যে! কতদিন পর তোকে দেখলাম।"
টুকটুকি এগিয়ে এসে রানীর হাত ধরল, কিন্তু তার চোখের কোণে ছিল রবির দিকে তাকানো এক রহস্যময় চাহনি। রানিকে বরণ করে নেওয়ার এই আনুষ্ঠানিকতায় রবি যেন এক অদৃশ্য সিংহাসনে বসে আছে। সে দেখল, সখিনা আর টুকটুকি রানীর সাথে কেমন আচরণ করে, আর রানি নিজেও এই বাড়ির অন্দরমহলের গোপন ইঙ্গিতগুলো ধরতে পারে কি না।
ঘরে ঢোকার পর রানি তার ঘরের সব কিছু গোছাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল।
রানি ঘর থেকে বেরিয়ে এল। সে রবিকে সখিনা আর টুকটুকির সাথে দেখে একটু হেসে বলল, "তোমরা কী নিয়ে এত গল্প করছো?"
রবি এগিয়ে গিয়ে রানীর হাত ধরল। তার হাতের বাঁধনে এক অদ্ভুত কঠোরতা। "আমরা তোকে নিয়ে ঘর গোছানোর গল্প করছি, রানি। এই অন্দরমহলে তো দুদিন ধরে শুধু অন্ধকার ছিল, এবার তোমার আগমনে হয়তো নতুন কিছু শুরু হবে।"
রানী সেই কথার অন্তর্নিহিত অর্থ না বুঝলেও তার মন এক অজানিত আশঙ্কায় কেঁপে উঠল। সখিনা বেগম রান্নাঘরের দিকে চলে গেলেন, কিন্তু যাওয়ার আগে রবির দিকে এমন এক দৃষ্টি দিলেন, যা বুঝিয়ে দিল—এই অন্দরমহল এখন আর আগের মতো নেই। রানীর ফিরে আসা মানে এই বাড়ির সব খেলার সমাপ্তি নয়, বরং রবি এখন এক নতুন ছক কাটছে—যেখানে রানি হবে তার অন্দরমহলের এক প্রধান অংশীদার, আর সখিনা ও টুকটুকি হবে তার সঙ্গী। অন্দরমহলের সেই অভিশপ্ত কুঠুরি যেন রানীর আগমনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। রবি জানল, এই রাতটা হবে তার জীবনের সবচেয়ে দীর্ঘ এবং রোমাঞ্চকর রাত—যেখানে রানিকে সে তার কামনার বেদীমূলে আজ এক নতুন উপায়ে বরণ করে নেবে।
**
শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরার পর থেকেই অন্দরমহলের পরিবেশটা কেমন যেন ভারী হয়ে আছে। রানীর উপস্থিতিতে এতদিনকার জমে থাকা নীরবতা যেন আরও গাঢ় হয়ে উঠেছে। রানি এখন বাড়ির কাজে মনোযোগী, কিন্তু তার অজান্তেই অন্দরমহলের প্রতিটি কোণ থেকে এক অদ্ভুত দৃষ্টি তাকে অনুসরণ করছে। সে বুঝতে পারছে না যে, তার স্বামী রবি এবং বাড়ির অন্য দুই নারী—সখিনা ও টুকটুকি—তার অগোচরে এক অদৃশ্য দেয়াল তৈরি করে ফেলেছে।
রবি আজ আর আগের মতো নেই। রানীর চোখের সামনে সে এক আদর্শ স্বামী, কিন্তু আড়ালে তার প্রতিটি চাহনিতে এক শীতল অধিকারবোধ। সখিনা ও টুকটুকিও আজ রানীর সাথে খুব ঘনিষ্ঠ হওয়ার অভিনয় করছে, যেন তারা রানিকে তাদের এই নিষিদ্ধ বৃত্তের ভেতরে টেনে নিতে চাইছে।
রাত গভীর। রানি তার হারিকেনের আলোয় যখন রান্নাবান্নার হিসাব মেলাচ্ছে, তখন রবি ঘরে ঢুকল। রানীর ঘরের দরজার খিল খোলার শব্দটা আজ কেমন যেন ভারী শোনাল। রবি সোজা রানীর কাছে এসে দাঁড়াল। তার চোখে আজ কোনো বন্যতা নেই, আছে এক অস্বাভাবিক শান্ত ভাব। সে রানীর চিবুক ধরে ওপরের দিকে তাকাল।
"রানি, তুমি তো খুব লক্ষ্মী বউ," রবি নিচু স্বরে বলল। "কিন্তু এই বাড়িতে থাকতে হলে কিছু নতুন নিয়ম শিখতে হবে। নিয়মগুলো কি আজ রাতে শেখাবো"
তারপর খাওয়া দাওয়া শেষ করে ঘরে ডুকলো।
রানি কিছু বুঝে ওঠার আগেই দেখল সখিনা বেগম আর টুকটুকি নিঃশব্দে ঘরের ভেতর ঢুকেছে। সখিনা বেগম ঘরের বাতিটা একটু কমিয়ে দিলেন, যেন চারপাশটা ঝাপসা হয়ে আসে। টুকটুকি রানীর পেছনে দাঁড়িয়ে তার চুলগুলো বিলিয়ে দিল। রানীর সারা শরীর শিউরে উঠল, কারণ সে অনুভব করল সখিনা বেগমের হাতের এক অদ্ভুত ঠান্ডা স্পর্শ তার কাঁধে।
"রবি, তোমরা কী করছ?" রানি ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করল।
রবি কোনো উত্তর না দিয়ে রানীর সামনে এসে বসল। তার হাত দুটো রানীর শাড়ির পাড় ধরে আলতো করে টানল। "রানি, এই বাড়িটা আমার। আর এখানকার প্রতিটি নারী আমার নিয়মের অধীনে। তুমি এতদিন বাইরে ছিলে। আজ সখিনা আর টুকটুকি তোমাকে দেখাবে, এই অন্দরমহলে আনন্দ আর শৃঙ্খলা কীভাবে মিলেমিশে থাকে।"
সখিনা বেগম মুচকি হাসলেন। "রানি মা, ভয় পাস না। রবি তো তোরই স্বামী। আমরা তোকে কেবল দেখাচ্ছি, কীভাবে তোর এই সংসারকে আরও আপন করে নেওয়া যায়।"
টুকটুকি ফিসফিস করে বলল, "মা, আমাদের সাথে মিশে গেলে দেখবে, এই জীবনটা কত সহজ। এখানে কোনো লজ্জা নেই, কোনো ভয় নেই—আছে শুধু বাবার ইচ্ছের জয়গান আর অনাবিল সুখ।"
রানি দেখল, সখিনা আর টুকটুকি তার শাড়ির বাঁধন আলগা করে দিচ্ছে। সে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করল, কিন্তু রবির শক্ত হাতের চাপে সে যেন পাথর হয়ে গেল। রবি তার নিজের পৌরুষের গাম্ভীর্য নিয়ে রানীর দিকে তাকিয়ে রইল, যেন সে কোনো রাজকীয় আদালতের বিচারক। সখিনা ও টুকটুকি আজ যেন রবির সহকারী। তারা রানিকে তার নিজের ঘর থেকে বের করে নিয়ে গেল সখিনার সেই গোপন কুঠুরিতে।
কুঠুরির ভেতর ধূপের ধোঁয়া আর তেলের গন্ধে বাতাস ভারী। সেখানে কোনো আলো নেই, কেবল বাইরের চাঁদের আলো জানালার ফাঁক দিয়ে এসে পড়েছে। রানি বুঝল, আজ তাকে কোনো সাধারণ মিলনের জন্য আনা হয়নি, আনা হয়েছে এক অদ্ভুত আনুগত্যের পরীক্ষায়। রবি যখন কুঠুরির মাঝখানে দাঁড়িয়ে তাকে দেখল, তখন রানি অনুভব করল যে সে আজ কেবল রবির স্ত্রী নয়, সে আজ তাদের এই নিষিদ্ধ অন্দরমহলের এক নতুন মায়াজালে আটকা পড়া বন্দী। সখিনা ও টুকটুকি রানীর চারদিকে গোল হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল, আর রবির সেই রহস্যময় চাহনি রানীর প্রতিটি নিঃশ্বাসকে থমকে দিল। অন্দরমহলের এই নতুন পর্বে, রানি ধীরে ধীরে বুঝতে শুরু করল
যে তার স্বামী এখন আর কেবল একজন মানুষ নয়, সে এখন এক অন্ধকার নিয়তি।
রবি বিছানা থেকে উঠে দাঁড়াল। তার শরীরে এখনো সেই অমোঘ তৃপ্তির রেশ, কিন্তু মনে জন্ম নিয়েছে এক নতুন অস্থিরতা। সে জানালার দিকে এগিয়ে গিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখল, গ্রামটি ধীরে ধীরে জেগে উঠছে। পাশের ঘর থেকে রানীর সামান্য নড়াচড়ার শব্দ পাওয়া গেল।
রানি হয়তো বাবার সেবা করার জন্য উঠতে যাচ্ছে। এই সামান্য শব্দটিও রবিকে এক মুহূর্তের জন্য সজাগ করে তুলল। সে এখনো এই বাড়ির জামাই, এই পরিচয়ের আড়ালে তার অশুভ কর্মকাণ্ডগুলো রানীর চোখের আড়ালে লুকিয়ে আছে।
শাশুড়ি বেগম চোখ মেললেন। রবির দিকে তাকিয়ে তার মুখে এক অদ্ভুত প্রশান্তি, যেন তিনি জীবনের সবচেয়ে বড় কোনো জয় পেয়ে গেছেন। তিনি কোনো কথা বললেন না, শুধু আলতো করে রবির হাতটা ধরে নিজের ঠোঁটের কাছে নিয়ে এলেন। তার এই আচরণ বুঝিয়ে দিচ্ছে, এখন থেকে এই বাড়ি আর শুধু রানীর বাবার বাড়ি নয়—এটি এখন রবির গোপন আস্তানা।
"রবি, তুমি কি চলে যাবে?" শাশুড়ি ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করলেন। তার গলায় এখন আর কোনো সংকোচ নেই, আছে এক গভীর অধিকারবোধ।
রবি শাশুড়ির চুলগুলো আলতো করে সরিয়ে দিয়ে বলল, "যেতে তো হবেই। তবে মনে রেখো, আমার এই উপস্থিতি শুধু এই ঘরের চার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এই বাড়ির প্রতিটি কোণ, প্রতিটি রহস্য এখন আমার জানা।"
রবি যখন করিডোর দিয়ে হাঁটছিল, তখন রানীর সাথে দেখা হলো। রানি তখনো ঘুমের ঘোরে চোখ ডলছে। সে রবিকে দেখে অবাক হয়ে হাসল। "এত সকালে উঠে পড়লে যে? বাবার শরীরটা আজ একটু ভালো মনে হচ্ছে।"
রবি রানীর হাতটা ধরে তার চোখের দিকে তাকিয়ে এক ধূর্ত হাসি হাসল। "হ্যাঁ, একটু কাজ ছিল।
রানির সরলতা রবির বুকে কোনো দয়া জন্ম দিল না, বরং সে আরও বেশি করে উপভোগ করল এই মিথ্যার আশ্রয় নেওয়াটা। সে বুঝতে পারল, সে এই বাড়ির প্রতিটি নারীর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্দরমহলের সেই গোপন কুঠুরির নিষিদ্ধ অভ্যাস এখন ছড়িয়ে পড়েছে শ্বশুরবাড়ির প্রতিটি কোণে। রবি জানে, সে এখন আর কোনো সাধারণ মানুষ নয়—সে এক অন্ধকার সম্রাট, যে তার ইচ্ছামতো এই নারীদের জীবন ও শরীর নিয়ে খেলছে।
বাইরের আকাশ তখন পরিষ্কার হয়ে এসেছে, গ্রাম্য পাখিদের কলকাকলিতে চারপাশ মুখরিত। কিন্তু রবির কাছে পৃথিবীটা এখন কেবলই এক বিশাল শিকারশালা। অন্দরমহলের সেই পুরোনো নেশা আর শ্বশুরবাড়ির নতুন এই জয়—রবি এক অদ্ভুত তৃপ্তির সাথে গ্রাম থেকে ফেরার প্রস্তুতি নিল। সে জানে, এই ফিরতি পথ তাকে নিয়ে যাবে তার সেই মূল অন্দরমহলে, যেখানে সখিনা আর টুকটুকি তার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুণছে। প্রতিটি পদক্ষেপ রবির মনে এক নতুন জয়ের আনন্দ নিয়ে আসছে। সে এখন অন্দরমহলের সেই রাজা, যার রাজত্বে কোনো নিয়ম নেই, আছে কেবল নিষিদ্ধ আকাঙ্ক্ষার সীমাহীন বিস্তার।
**
শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরার পথে ঘোড়ার গাড়ির চাকাগুলো ধুলো উড়িয়ে গ্রামের মেঠো পথ দিয়ে এগিয়ে চলল। রবির পাশে বসে আছে রানি। রানীর মুখে একরাশ তৃপ্তি, কারণ বাবার শরীর আগের চেয়ে অনেকটাই ভালো। সে রবির কাঁধে মাথা রেখে গুনগুন করে সুর ভাঁজছে, কিন্তু তার জানা নেই, তার শরীরের গভীরে রবি গত রাতে ঠিক কী ধরণের খেলা খেলে এসেছে।
রবি জানালার দিকে তাকিয়ে নির্বিকার। তার দৃষ্টি যদিও পথের দিকে, কিন্তু মনের ভেতর তখনো শাশুড়ি বেগমের সেই কামাতুর আর্তনাদ আর তার শরীরের উষ্ণতা। রবি রানিকে নিয়ে ফিরছে ঠিকই, কিন্তু সে এখন আর সেই আগের রবি নেই। তার পৌরুষের দাপট আর নিষিদ্ধ নেশা তাকে এক চরম অহংকারে পূর্ণ করে তুলেছে। সে জানে, এই রানি তার অন্দরমহলের এক নতুন অধ্যায়ের প্রথম সাক্ষী হতে যাচ্ছে।
গ্রামের সীমানায় পৌঁছাতেই অন্দরমহলের সেই চেনা চালচিত্র চোখে পড়ল। সখিনা বেগম আর টুকটুকি আগে থেকেই বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল। রানিকে দেখে সখিনার চোখেমুখে এক অদ্ভুত শীতলতা খেলে গেল, তবে পরক্ষণেই তিনি এক কৃত্রিম হাসি ফুটিয়ে তুললেন। "আরে রানি মা যে! কতদিন পর তোকে দেখলাম।"
টুকটুকি এগিয়ে এসে রানীর হাত ধরল, কিন্তু তার চোখের কোণে ছিল রবির দিকে তাকানো এক রহস্যময় চাহনি। রানিকে বরণ করে নেওয়ার এই আনুষ্ঠানিকতায় রবি যেন এক অদৃশ্য সিংহাসনে বসে আছে। সে দেখল, সখিনা আর টুকটুকি রানীর সাথে কেমন আচরণ করে, আর রানি নিজেও এই বাড়ির অন্দরমহলের গোপন ইঙ্গিতগুলো ধরতে পারে কি না।
ঘরে ঢোকার পর রানি তার ঘরের সব কিছু গোছাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল।
রানি ঘর থেকে বেরিয়ে এল। সে রবিকে সখিনা আর টুকটুকির সাথে দেখে একটু হেসে বলল, "তোমরা কী নিয়ে এত গল্প করছো?"
রবি এগিয়ে গিয়ে রানীর হাত ধরল। তার হাতের বাঁধনে এক অদ্ভুত কঠোরতা। "আমরা তোকে নিয়ে ঘর গোছানোর গল্প করছি, রানি। এই অন্দরমহলে তো দুদিন ধরে শুধু অন্ধকার ছিল, এবার তোমার আগমনে হয়তো নতুন কিছু শুরু হবে।"
রানী সেই কথার অন্তর্নিহিত অর্থ না বুঝলেও তার মন এক অজানিত আশঙ্কায় কেঁপে উঠল। সখিনা বেগম রান্নাঘরের দিকে চলে গেলেন, কিন্তু যাওয়ার আগে রবির দিকে এমন এক দৃষ্টি দিলেন, যা বুঝিয়ে দিল—এই অন্দরমহল এখন আর আগের মতো নেই। রানীর ফিরে আসা মানে এই বাড়ির সব খেলার সমাপ্তি নয়, বরং রবি এখন এক নতুন ছক কাটছে—যেখানে রানি হবে তার অন্দরমহলের এক প্রধান অংশীদার, আর সখিনা ও টুকটুকি হবে তার সঙ্গী। অন্দরমহলের সেই অভিশপ্ত কুঠুরি যেন রানীর আগমনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। রবি জানল, এই রাতটা হবে তার জীবনের সবচেয়ে দীর্ঘ এবং রোমাঞ্চকর রাত—যেখানে রানিকে সে তার কামনার বেদীমূলে আজ এক নতুন উপায়ে বরণ করে নেবে।
**
শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরার পর থেকেই অন্দরমহলের পরিবেশটা কেমন যেন ভারী হয়ে আছে। রানীর উপস্থিতিতে এতদিনকার জমে থাকা নীরবতা যেন আরও গাঢ় হয়ে উঠেছে। রানি এখন বাড়ির কাজে মনোযোগী, কিন্তু তার অজান্তেই অন্দরমহলের প্রতিটি কোণ থেকে এক অদ্ভুত দৃষ্টি তাকে অনুসরণ করছে। সে বুঝতে পারছে না যে, তার স্বামী রবি এবং বাড়ির অন্য দুই নারী—সখিনা ও টুকটুকি—তার অগোচরে এক অদৃশ্য দেয়াল তৈরি করে ফেলেছে।
রবি আজ আর আগের মতো নেই। রানীর চোখের সামনে সে এক আদর্শ স্বামী, কিন্তু আড়ালে তার প্রতিটি চাহনিতে এক শীতল অধিকারবোধ। সখিনা ও টুকটুকিও আজ রানীর সাথে খুব ঘনিষ্ঠ হওয়ার অভিনয় করছে, যেন তারা রানিকে তাদের এই নিষিদ্ধ বৃত্তের ভেতরে টেনে নিতে চাইছে।
রাত গভীর। রানি তার হারিকেনের আলোয় যখন রান্নাবান্নার হিসাব মেলাচ্ছে, তখন রবি ঘরে ঢুকল। রানীর ঘরের দরজার খিল খোলার শব্দটা আজ কেমন যেন ভারী শোনাল। রবি সোজা রানীর কাছে এসে দাঁড়াল। তার চোখে আজ কোনো বন্যতা নেই, আছে এক অস্বাভাবিক শান্ত ভাব। সে রানীর চিবুক ধরে ওপরের দিকে তাকাল।
"রানি, তুমি তো খুব লক্ষ্মী বউ," রবি নিচু স্বরে বলল। "কিন্তু এই বাড়িতে থাকতে হলে কিছু নতুন নিয়ম শিখতে হবে। নিয়মগুলো কি আজ রাতে শেখাবো"
তারপর খাওয়া দাওয়া শেষ করে ঘরে ডুকলো।
রানি কিছু বুঝে ওঠার আগেই দেখল সখিনা বেগম আর টুকটুকি নিঃশব্দে ঘরের ভেতর ঢুকেছে। সখিনা বেগম ঘরের বাতিটা একটু কমিয়ে দিলেন, যেন চারপাশটা ঝাপসা হয়ে আসে। টুকটুকি রানীর পেছনে দাঁড়িয়ে তার চুলগুলো বিলিয়ে দিল। রানীর সারা শরীর শিউরে উঠল, কারণ সে অনুভব করল সখিনা বেগমের হাতের এক অদ্ভুত ঠান্ডা স্পর্শ তার কাঁধে।
"রবি, তোমরা কী করছ?" রানি ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করল।
রবি কোনো উত্তর না দিয়ে রানীর সামনে এসে বসল। তার হাত দুটো রানীর শাড়ির পাড় ধরে আলতো করে টানল। "রানি, এই বাড়িটা আমার। আর এখানকার প্রতিটি নারী আমার নিয়মের অধীনে। তুমি এতদিন বাইরে ছিলে। আজ সখিনা আর টুকটুকি তোমাকে দেখাবে, এই অন্দরমহলে আনন্দ আর শৃঙ্খলা কীভাবে মিলেমিশে থাকে।"
সখিনা বেগম মুচকি হাসলেন। "রানি মা, ভয় পাস না। রবি তো তোরই স্বামী। আমরা তোকে কেবল দেখাচ্ছি, কীভাবে তোর এই সংসারকে আরও আপন করে নেওয়া যায়।"
টুকটুকি ফিসফিস করে বলল, "মা, আমাদের সাথে মিশে গেলে দেখবে, এই জীবনটা কত সহজ। এখানে কোনো লজ্জা নেই, কোনো ভয় নেই—আছে শুধু বাবার ইচ্ছের জয়গান আর অনাবিল সুখ।"
রানি দেখল, সখিনা আর টুকটুকি তার শাড়ির বাঁধন আলগা করে দিচ্ছে। সে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করল, কিন্তু রবির শক্ত হাতের চাপে সে যেন পাথর হয়ে গেল। রবি তার নিজের পৌরুষের গাম্ভীর্য নিয়ে রানীর দিকে তাকিয়ে রইল, যেন সে কোনো রাজকীয় আদালতের বিচারক। সখিনা ও টুকটুকি আজ যেন রবির সহকারী। তারা রানিকে তার নিজের ঘর থেকে বের করে নিয়ে গেল সখিনার সেই গোপন কুঠুরিতে।
কুঠুরির ভেতর ধূপের ধোঁয়া আর তেলের গন্ধে বাতাস ভারী। সেখানে কোনো আলো নেই, কেবল বাইরের চাঁদের আলো জানালার ফাঁক দিয়ে এসে পড়েছে। রানি বুঝল, আজ তাকে কোনো সাধারণ মিলনের জন্য আনা হয়নি, আনা হয়েছে এক অদ্ভুত আনুগত্যের পরীক্ষায়। রবি যখন কুঠুরির মাঝখানে দাঁড়িয়ে তাকে দেখল, তখন রানি অনুভব করল যে সে আজ কেবল রবির স্ত্রী নয়, সে আজ তাদের এই নিষিদ্ধ অন্দরমহলের এক নতুন মায়াজালে আটকা পড়া বন্দী। সখিনা ও টুকটুকি রানীর চারদিকে গোল হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল, আর রবির সেই রহস্যময় চাহনি রানীর প্রতিটি নিঃশ্বাসকে থমকে দিল। অন্দরমহলের এই নতুন পর্বে, রানি ধীরে ধীরে বুঝতে শুরু করল
যে তার স্বামী এখন আর কেবল একজন মানুষ নয়, সে এখন এক অন্ধকার নিয়তি।

