9 hours ago
আড়াল হওয়ার খেলা
এভাবেই অন্দরমহলের দেয়ালগুলো এখন রবির জন্য এক মায়াবী বৃত্ত। সখিনা, রানি আর টুকটুকি—তিনজনেই এখন রবির প্রতিটি ইশারা চিনে নিয়েছে। তাদের জীবন আবর্তিত হয় রবির ইচ্ছাকে কেন্দ্র করে। কিন্তু রবি এখন নিজের অজান্তেই একঘেয়েমি অনুভব করছে। সে এমন কিছু খুঁজছে যা অন্দরমহলের এই পরিচিত গণ্ডির বাইরের, যেখানে কোনো পূর্ব-অভিজ্ঞতা নেই।
গ্রামের বাজারে যাওয়ার পথটা রবি আজ একটু অন্যভাবে ব্যবহার করতে শুরু করল। এতদিন সে সোজা পথে বাজার যেত, কিন্তু এখন সে বেছে নিল মাঠের মাঝখানের ওই মেঠো পথটা, যেটার পাশেই মফিজের বাড়ি। মফিজ মানুষটা সহজ-সরল, দিনমজুরের কাজ করে দিনভর বাড়ির বাইরে থাকে। তার বৌ, ফাতেমা, সারাদিন ঘরের আনাচে-কানাচে আর উঠোনেই কাটিয়ে দেয়।
ঘটনাটা ঘটল এক দুপুরের রোদে। রবি বাজার থেকে ফেরার পথে তৃষ্ণার্ত হয়ে মফিজের বাড়ির সামনের কুয়োর পাড়ে থামল। কুয়োর ধারের সেই পুরোনো আমগাছটার ছায়ায় ফাতেমা দাঁড়িয়ে ছিল, হাতে একটা কাঁসার ঘটি। রবিকে দেখে সে কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে পড়ল। তার পরনের সাধারণ শাড়িতে ঘামের দাগ, কপালে ছোট ছোট বিন্দু বিন্দু জল। ফাতেমার চোখের কোণে একধরনের গ্রাম্য লাজুকতা, যা রবির অন্দরমহলের নারীদের মধ্যে এখন আর নেই।
"রবি ভাই, এই ভরদুপুরে মেঠো পথে? বড় রোদ লেগেছে মনে হয়," ফাতেমা মৃদু স্বরে বলল।
রবি ঘটিটা হাতে নিয়ে জল খেতে খেতে ফাতেমার দিকে তাকাল। তার চাহনিটা সাধারণ নয়, তীক্ষ্ণ।
"তৃষ্ণাটা একটু বেশিই ছিল ফাতেমা। রাস্তাটা আজ বড্ড বড় মনে হচ্ছে।"
ফাতেমা আলতো হেসে ঘটিটা নিল। তার হাতের কঙ্কন ঝনঝন করে উঠল। রবি লক্ষ্য করল, ফাতেমার কব্জিটা সরু হলেও তার শরীরের গঠন বেশ ঋজু। ফাতেমা কোনো তাড়াহুড়ো করল না। সে কুয়োর পাড় থেকে জল টেনে রবির দিকে এগিয়ে দিল। এই সামান্য আদান-প্রদানটুকুর মধ্যে এক অদ্ভুত নীরবতা কাজ করছিল।
"মফিজ তো বিকেলে ফেরে?" রবি প্রশ্ন করল, যেন সাধারণ আলাপচারিতা।
"হ্যাঁ, সূর্য ডোবার ঠিক আগে আগে," ফাতেমা নিচের দিকে তাকিয়ে উত্তর দিল।
রবি একটু এগিয়ে এল আমগাছটার ছায়ায়। ফাতেমার শরীরের কাছাকাছি আসতেই তার নাকে ভেসে এল মাটির সোঁদা গন্ধ আর ঘামের এক চিমটি লোনা সুবাস। এটা অন্দরমহলের নারীদের সেই গদবাধা সুগন্ধ নয়, এটা এক আলাদা জীবনের ঘ্রাণ। রবি কোনো অশালীন কথা বলল না, কোনো সরাসরি স্পর্শও করল না। সে শুধু কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকল, ফাতেমার দিকে তাকিয়ে একটা হালকা হাসল।
"আবার দেখা হবে ফাতেমা," বলে রবি ধীর পায়ে নিজের বাড়ির দিকে হাঁটা দিল।
পেছনে দাঁড়িয়ে ফাতেমা দেখছিল রবির চলে যাওয়া। তার মনের মধ্যে এক অস্থিরতার ঢেউ খেলে গেল, সে নিজেও জানে না কেন। আর রবি? অন্দরমহলের পথে হাঁটতে হাঁটতে সে ভাবছিল ফাতেমার চোখের সেই ভীরু চাহনিটার কথা। সে জানে, এই বীজটা আজ কেবল বোনা হলো। অন্দরমহলের খবর সখিনা, রানি বা টুকটুকি বিন্দুমাত্র পেল না, তারা ঘরে তখন নিজেদের কাজে ব্যস্ত। রবির মনের গহীন কোণে এখন নতুন এক শিকারের পরিকল্পনা দানা বাঁধছে।
পরের কয়েকদিন রবি ঠিক একই সময়ে ওই পথ দিয়ে যাওয়া শুরু করল। কখনো জলের বাহানায়, কখনো বা মাঠের আলপথের খবর নেওয়ার অছিলায়। তাদের মধ্যে কথা বাড়ল, চোখের চাহনি গভীর হলো। রবি তার পৌরুষের এক নতুন খেলা শুরু করল—যেখানে শিকারি খুব ধীরস্থির, আর শিকার ধীরে ধীরে নিজের অজানতেই সেই মোহময়ী ফাঁদে পা দিচ্ছে।
পরপর তিনদিন রবি ঠিক একই সময়ে মফিজের বাড়ির পাশ দিয়ে যাতায়াত করেছে। প্রতিটি দিন তাদের কথোপকথন একটু একটু করে দীর্ঘ হচ্ছে। প্রথম দিন ছিল শুধু কুশল বিনিময়, দ্বিতীয় দিন রবি তাকে জিজ্ঞেস করল মাঠের ফসলের অবস্থা কেমন, আর আজ, চতুর্থ দিনে এসে রবি থামল একদম মফিজের বাড়ির বারান্দার খুব কাছে।
ফাতেমা আজ শাড়িটা একটু অগোছালোভাবে জড়িয়েছে। রবির উপস্থিতি যেন তাকে একটু নার্ভাস করে তুলেছে, আবার একইসাথে এক গোপন ভালো লাগার আবেশে জড়িয়ে ফেলেছে। সে রবির দিকে তাকাল, এবার আর মাথা নিচু করে নয়, বরং তার চোখে এক অদ্ভুত কৌতূহল।
"রবি ভাই, বাড়ির সবাই কি ভালো আছে? আপনার ঘরের কোনো আওয়াজই তো বাইরে আসে না," ফাতেমা হঠাৎ প্রশ্নটা করে বসল।
রবি মৃদু হাসল, তার চোখে এক রহস্যময় দ্যুতি। সে বারান্দার খুঁটিতে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে বলল,
"ঘরের ভেতরটা অন্দরমহল, ফাতেমা। বাইরের কোলাহল সেখানে পৌঁছায় না। আর অন্দরমহল সব সময় শান্ত হয় না, কখনো কখনো তা আগ্নেয়গিরির চেয়েও উত্তপ্ত থাকে।"
ফাতেমার গায়ের লোম খাড়া হয়ে উঠল রবির কথার গভীরতায়। সে বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা রবির দিকে এক পা এগিয়ে এল। রবির শরীরের পুরুষালি গন্ধটা ফাতেমার নাকে ধাক্কা মারল। রবির পরনের পাঞ্জাবির হাতাটা গোটানো, তার শক্ত পেশিবহুল হাতগুলো ফাতেমার দৃষ্টি কেড়ে নিল। ফাতেমা নিজের আঁচলটা হাতের আঙুলে পেঁচাতে পেঁচাতে বলল,
"আমার জীবনটা কত সাধারণ, রবি ভাই। তুমি এই কয়েকটা দিন আমাকে সময় দিচ্ছো, কথা বলছেন, এটা খুবই ভালো লাগে আমার। আপনি যখন চলে যান, আমার মনে হয় যেন বড় কোনো কিছু মিস করছি।"
রবি ফাতেমার দিকে এক পা এগিয়ে এল। এবার তাদের মাঝখানে খুব কম দূরত্ব। রবি ফাতেমার চোখের দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল,
"সাধারণ জীবন তো শুধু অভ্যাসের দাস, ফাতেমা। সেই অভ্যাসের খাঁচা ভাঙার ক্ষমতা কিন্তু তোর হাতের মুঠোতেই আছে।"
রবি তার হাতের আলতো স্পর্শ রাখল ফাতেমার কাঁধের ওপর। কাপড়টা খুব পাতলা। স্পর্শের সাথে সাথে ফাতেমার সারা শরীর শিউরে উঠল। এটা শারীরিক স্পর্শের চেয়েও বেশি ছিল এক মানসিক দোলাচল। ফাতেমা পিছু হটল না, বরং রবির হাতের স্পর্শের তীব্রতায় তার নিশ্বাস ঘন হয়ে এল।
ঠিক সেই মুহূর্তে রাস্তার ওপার থেকে কারো হাঁটার শব্দ পাওয়া গেল। ফাতেমা দ্রুত রবির থেকে এক হাত দূরে সরে গেল। রবি খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে নিজের জামা ঠিক করতে করতে বলল,
"আগামীকাল বাজারে যাওয়ার সময় আমি একটু তাড়াতাড়ি ফিরব। তখন সময় পাওয়া যাবে।"
ফাতেমা কোনো কথা বলল না, শুধু মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল। রবি যখন সেখান থেকে বেরিয়ে এল, তার মনে এক অমোঘ জয়ের হাসি। অন্দরমহলের সখিনা, রানি বা টুকটুকি—কেউই জানে না রবি এখন অন্দরমহলের বাইরে এক নতুন কামনার সাম্রাজ্য গড়ার ভিত্তি স্থাপন করছে।
বাড়িতে ফেরার সময় রবির মনে হলো, এই যে নিষিদ্ধ কিছু পাওয়ার সম্ভাবনা, তা অন্দরমহলের তৃপ্তির চেয়েও অনেক বেশি নেশার। সন্ধ্যা নামার আগে রবি বাড়িতে পৌঁছাল। ঘরের ভেতরে সখিনা রান্নায় ব্যস্ত, রানি কলপাড়ে জল তুলছে। তাদের চেনা রূপ, চেনা ঘ্রাণ। রবি তাদের দিকে একবার তাকিয়েই নিজের ঘরে ঢুকে পড়ল। তার মন পড়ে আছে মফিজের বাড়ির সেই বারান্দায়, যেখানে ফাতেমার ভীরু চাহনি এখন তার পৌরুষের নতুন লক্ষ্য। অন্দরমহলে এখন শান্তি, কিন্তু রবির ভেতরের সেই আগ্নেয়গিরিটা যেন বাইরে নতুন চারণভূমি খুঁজছে।
**
পরদিন বিকেলের আকাশটা ছিল অদ্ভুত রকমের লাল। মফিজের বাড়িটা তখন বেশ নির্জন, কারণ মফিজ মাঠ থেকে ফিরতে এখনো দেরি আছে। রবি আজ বাজারের পথে নয়, সোজা মফিজের বাড়ির পেছনের বাগানটার দিকে এগিয়ে গেল। ঝোপঝাড়ের আড়ালে দাঁড়িয়ে সে একটা শব্দ করল—পাখির ডাকের মতো, যা ফাতেমার সাথে তাদের গোপন সংকেত।
ফাতেমা দেরি করল না। সে যেন রবির ডাকের অপেক্ষাতেই ছিল। ঘর থেকে বেরিয়ে সে যখন বাগানটার কোণায় এল, তার পরনের কাপড়টা আজ কিছুটা অগোছালো। সে রবির দিকে তাকাতেই তার চোখের কোণে এক দারুণ অস্থিরতা ফুটে উঠল।
"আপনি এত ঝুঁকি কেন নেন, রবি ভাই?" ফাতেমা নিচু স্বরে বলল, কিন্তু তার কণ্ঠস্বরে ভয়ের চেয়েও বেশি ছিল উত্তেজনা।
রবি কোনো কথা বলল না। সে ধীরে ধীরে ফাতেমার দিকে এগিয়ে গিয়ে ঝোপের আড়ালে একটা পুরনো কাঠের গুঁড়ির ওপর তাকে বসিয়ে দিল। এরপর সে ফাতেমার একদম কাছে দাঁড়িয়ে তার চুলের বিনুনি নিয়ে খেলতে শুরু করল। রবির স্পর্শ আজ আগের চেয়ে অনেক বেশি সাহসী, অনেক বেশি অধিকারপূর্ণ।
"ঝুঁকি না থাকলে কি আর তৃপ্তি পাওয়া যায়, ফাতেমা?" রবি ফিসফিস করে বলল। সে ফাতেমার কানের কাছে মুখ নিয়ে তার নিশ্বাসের উষ্ণতা ছড়িয়ে দিল। ফাতেমার সারা শরীর শিউরে উঠল, সে নিজের দুহাতে নিজের বুক চেপে ধরল, যেন রবির এই ক্রমবর্ধমান উত্তাপ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে চাইছে।
রবি তার হাতের আঙুলগুলো ফাতেমার গলার কাছে আলতো করে বোলাল। "তোর এই সহজ-সরল জীবনটা কি তোকে কখনো সুখ দিয়েছে? নাকি শুধু সংসারের জাঁতাকলে পিষ্ট হতে হতে নিজের আসল রূপটাকেই ভুলে গেছিস?"
ফাতেমা রবির চোখের দিকে তাকাল। সেই চোখে তখন কোনো লজ্বা নেই, আছে শুধু এক তীব্র তৃষ্ণা। সে রবির বুকের পাঞ্জাবিটা মুঠো করে ধরল। "আমি... আমি জানি না। আপনি এলে আমার মনে হয়, আমি অন্য কোনো জগতে আছি।"
রবি জানে ফাতেমা এখন পুরোপুরি তার হাতের মুঠোয়। সে তার হাতের তালু ফাতেমার গালের ওপর রাখল। স্পর্শের তীব্রতায় ফাতেমার চোখ দুটো বন্ধ হয়ে এল। রবি জানে, এখনই শরীরী মিলনের তাড়াহুড়ো করলে এই নেশাটা বেশিদিন স্থায়ী হবে না। সে ফাতেমাকে আরও একটু তৃষ্ণার্ত রাখতে চায়, যাতে ফাতেমা নিজেই রবির পৌরুষের কাছে আত্মসমর্পণ করার জন্য পাগল হয়ে ওঠে।।।
রবি তার মুখ সরিয়ে নিল, কিন্তু হাতটা ফাতেমার কাঁধে রাখল। "কাল রাতে মফিজের বাজার থেকে ফিরতে দেরি হবে, তাই না?"
ফাতেমা রবির দিকে তাকাতে তাকাতে ধীর গলায় বলল, "হ্যাঁ... সে রাতে একা থাকে না। সে ঘরেই ফিরবে।"
"ভালো," রবি একটা চুরমার করা হাসি হাসল। "আমি আসব তখন, যখন তোর শরীর আর মন—দুটোই আমার জন্য ছটফট করবে।"
রবি পেছন ফিরে হাঁটা দিল। ফাতেমা অনেকক্ষণ সেই ঝোপের আড়ালে দাঁড়িয়ে রইল, রবির রেখে যাওয়া স্পর্শটুকু নিজের শরীরে অনুভব করতে করতে। তার প্রতিটি দীর্ঘশ্বাসে তখন কেবল রবির নাম।
বাড়িতে ফিরে রবি দেখল সখিনা বেগম বারান্দায় বসে একা এক মনে কী যেন ভাবছেন। তাকে দেখে রবি মৃদু হাসল, কিন্তু তার মনের অন্দরমহল তখন পুরোপুরি ফাতেমার শরীর ও তার কামনার নেশায় বুঁদ। অন্দরমহলের তিন নারী এখন রবির কাছে কেবল অভ্যাসের সঙ্গী, কিন্তু বাইরের ফাতেমা—যে তাকে দিনের পর দিন অসম্পূর্ণ রেখে তীব্রতর করে তুলছে—সে এখন রবির আসল নেশা।।
ফাতেমার এই মনস্তাত্ত্বিক ছটফটানি আর রবির এই ঠান্ডা মাথার শিকারি চাল—এই দুইয়ের মেলবন্ধন অন্দরমহলের বাইরে এক নতুন কামনার ইতিহাস তৈরি করছে।
পরের দিনগুলোতে গ্রামের ওই মেঠো পথটা যেন রবি ও ফাতেমার জীবনের এক অদ্ভুত উপন্যাসের পাতা হয়ে উঠল। রবি তার শিকারি মনস্তত্ত্বে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। সে বুঝতে পেরেছিল, ফাতেমা এখন আর কেবল ভীরু এক গিন্নি নয়; সে রবির ছোঁয়া পাওয়ার জন্য নিজের অজান্তেই ছটফট করছে।
সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে গ্রামের আকাশটা মেঘে ঢাকা পড়ে গেল। চারপাশে ঘুটঘুটে অন্ধকার। মফিজ যে রাতে বাজারে যাবে এবং ফিরতে দেরি হবে, সেই সুযোগের অপেক্ষায় রবি আগের থেকেই সব হিসাব কষে রেখেছিল। ফাতেমার ঘরের পেছনের দিকের দরজাটা যে সবসময় আলগা থাকে, তা রবি ভালো করেই জানত।
অন্দরমহলে তখন অন্য চিত্র। সখিনা ও রানি রাতের রান্নার আয়োজনে ব্যস্ত। টুকটুকি উঠানে মাদুর পেতে চাল ঝাড়ছে। রবি ঘরের কোণে বসে নিজের লুঙ্গি ও পাঞ্জাবিটা ঠিক করতে করতে বলল, "একটু দরকার আছে, বাজারে যাচ্ছি। ফিরতে একটু রাত হতে পারে।"
সখিনা বা রানির মনে বিন্দুমাত্র সন্দেহ জাগল না। রবি সবসময়ই একটু অন্যরকম স্বভাবের, তাই তার রাতের এই যাতায়াত কেউ অস্বাভাবিক মনে করল না। রবি ঘর থেকে বেরিয়ে সোজা হাঁটতে শুরু করল মফিজের বাড়ির দিকে।
রাত তখন গভীর। ঝিঁঝি পোকার ডাকে চারপাশটা থমথমে। মফিজের বাড়ির পেছনের বাগানের ঝোপঝাড় পেরিয়ে রবি যখন বারান্দার কাছে পৌঁছাল, তখন ফাতেমা যেন তার জন্যই দরজায় দাঁড়িয়ে ছিল। বৃষ্টির ফোঁটা পড়তে শুরু করেছে। ফাতেমার পরনে একটা নীল রঙের নতুন শাড়ি, চুলে কোনো বিনুনি নেই—খোলা চুলে বৃষ্টির প্রথম ছাঁটে সে কিছুটা ভিজে গেছে।
রবি ঘরে পা রাখতেই ফাতেমা দরজাটা দ্রুত বন্ধ করে দিল। ঘরের এক কোণে হারিকেনের মিটিমিটি আলোয় ফাতেমার মুখটা স্পষ্ট হয়ে উঠল। তার বুকের ভেতর তখন তীব্র হৃদস্পন্দন, যা রবির কান পর্যন্ত পৌঁছাল।
"আপনি... আপনি সত্যিই এলেন, রবি ভাই?" ফাতেমার কণ্ঠে ভয় আর থরথর করে কাঁপা উত্তেজনার এক অদ্ভুত মিশ্রণ।
রবি কোনো কথা না বলে এক পা এগিয়ে ফাতেমার ভেজা কাঁধে হাত রাখল। কাপড়ের আড়ালে ফাতেমার শরীরটা যেন থরথর করে কেঁপে উঠল। রবি তার মুখটা ফাতেমার কানের কাছে নিয়ে এসে ফিসফিস করে বলল, "তোর এই ছটফটানিটাই তো দেখতে চেয়েছিলাম, ফাতেমা। বল, এখন কি তোর সব ভয় কেটে গেছে?"
ফাতেমা আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। সে নিজের সব দ্বিধা ভুলে রবির বুক জড়িয়ে ধরে ফুঁপিয়ে উঠল, যেন বহুদিনের জমানো এক অচেনা তৃষ্ণা আজ তার পূর্ণতা পাওয়ার সময় হয়েছে। বাইরের ঝুম বৃষ্টির শব্দ আর ভেতরের রবির এই আদিম অধিকারবোধ—দুটো মিলে ঘরের বাতাসকে ভারী করে তুলল।
রবি এক ঝটকায় ফাতেমার শরীরের ওপর ঝুলে পড়ল। কোনো ভূমিকা ছাড়াই সে ফাতেমার ঠোঁটে নিজের ঠোঁট চেপে ধরল। ফাতেমার মুখ থেকে এক অদ্ভুত গুঞ্জন বেরিয়ে এল। রবি তার হাত দুটো ফাতেমার পোশাকের ভেতর ঢুকিয়ে দিল। ফাতেমার শরীরের মসৃণ ত্বকের প্রতিটি ভাঁজে রবির হাতের স্পর্শ লাগতেই ফাতেমা রবির চুলে হাত চালিয়ে তাকে আরও কাছে টেনে নিল। রবি ফাতেমার বক্ষযুগলকে দুহাতে জাপটে ধরে এমন জোরে টিপতে শুরু করল যে, ফাতেমার মুখ দিয়ে এক তীব্র আর্তনাদ বেরিয়ে এল।
রবি তার মাথা নামিয়ে ফাতেমার স্তনযুগলের দিকে মুখ বাড়াল। তার জিভ দিয়ে সে ফাতেমার স্তনের বোঁটাগুলোকে এমনভাবে চাটতে লাগল, যেন কোনো তৃষ্ণার্ত প্রাণী জলের সন্ধান পেয়েছে। ফাতেমা রবির পিঠে নখ বসিয়ে দিয়ে ছটফট করে উঠল। এরপর রবি ফাতেমার শাড়িটা পুরোপুরি সরিয়ে তাকে সম্পূর্ণ বিবস্ত্র করে ফেলল। ফাতেমার প্রতিটি অঙ্গে তখন কামনার এক অন্যরকম উত্তাপ।
রবি তার পোশাক খুলে নিজের পৌরুষকে বের করে আনল। ফাতেমা রবির দিকে তাকিয়ে এক মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেল, তারপর সে নিজেই রবির কোমর জড়িয়ে ধরে তাকে বিছানায় টেনে নিল। ফাতেমা তার মাথা নিচু করে রবির পৌরুষকে নিজের জিভ দিয়ে চাটতে শুরু করল। সে এমন নিপুণভাবে রবির লিঙ্গ চোষা শুরু করল যে, রবি তার নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলল। ফাতেমার গরম মুখের ভেতর রবির পৌরুষের সেই চরম দহন যেন এক নতুন জগতের দ্বার খুলে দিল। ফাতেমা বারবার রবির লিঙ্গটি চুষে চুষে তাকে আরও উত্তেজিত করে তুলছিল, আর তার জিভের ডগা রবির সংবেদনশীল স্থানে আঘাত করে তাকে চূড়ান্ত উন্মাদনার পথে নিয়ে যাচ্ছিল।।
**
সে এমন নিপুণভাবে রবির লিঙ্গ চোষা শুরু করল যে, রবি তার নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলল। ফাতেমার গরম মুখের ভেতর রবির পৌরুষের সেই চরম দহন যেন এক নতুন জগতের দ্বার খুলে দিল। ফাতেমা বারবার রবির লিঙ্গটি চুষে চুষে তাকে আরও উত্তেজিত করে তুলছিল। তার জিভের ডগা রবির সংবেদনশীল স্থানে আঘাত করে তাকে চূড়ান্ত উন্মাদনার পথে নিয়ে যাচ্ছিল। কখনো গভীরে নিয়ে গলায় ঠেকাচ্ছিল, কখনো বের করে এনে জিভ দিয়ে চাটছিল। লালা গড়িয়ে রবির পুরুষাঙ্গ বেয়ে নামছিল।
রবি ফাতেমার চুল দুই হাতে মুঠো করে ধরল। তার কোমর আপনা থেকেই সামনে এগিয়ে যাচ্ছিল। ফাতেমার গলা দিয়ে ভেজা গুঞ্জন বেরোচ্ছিল—চোষার শব্দ আর শ্বাসের শব্দ মিশে এক রগরগে আওয়াজ তৈরি করছিল। রবির শরীর কেঁপে উঠছিল। সে আর বেশিক্ষণ এইভাবে থাকতে পারছিল না।
হঠাৎ রবি ফাতেমার মাথা তুলে দিল। সে ফাতেমাকে চিত করে শুইয়ে তার দুই পা আলাদা করে ধরল। ফাতেমার যোনি তখন পুরোপুরি খোলা, ভিজে, কামনায় স্পন্দিত। রবি নিজের পুরুষাঙ্গটা সেখানে বসিয়ে এক গভীর ধাক্কায় ঢুকিয়ে দিল। ফাতেমার মুখ দিয়ে এক তীব্র চিৎকার বেরিয়ে এল। তার নখ রবির পিঠে ফুটে বসল।
রবি থামল না। সে জোরে জোরে আঘাত করতে শুরু করল। প্রতিটি ধাক্কায় ফাতেমার স্তন দুটো দুলছিল। লন্ঠনের টিমটিমে আলোয় তাদের ঘামে ভেজা শরীর চকচক করছিল। ফাতেমা রবির কোমর জড়িয়ে ধরে নিজেই উঠে আসছিল প্রতিটি আঘাতে মিলতে। তার যোনি রবির পুরুষাঙ্গকে চেপে ধরছিল—ভেজা শব্দ ঘর ভরিয়ে দিচ্ছিল।
অমাবস্যার অন্ধকারে শুধু তাদের শ্বাস, গোঙানি আর মাংসের ধাক্কার শব্দ ভাসছিল।
রবি ফাতেমার যোনির ভেতর পুরোপুরি ঢুকে গিয়ে কিছুক্ষণ স্থির হয়ে রইল। ফাতেমার গরম, ভেজা মাংস তার পুরুষাঙ্গকে চারপাশ থেকে চেপে ধরেছিল। ফাতেমার বুক দ্রুত ওঠানামা করছিল। তার চোখ বড় হয়ে আছে, মুখ হাঁ, গলা দিয়ে অস্ফুট গোঙানি বেরোচ্ছে। রবি দুই হাতে ফাতেমার উরু শক্ত করে ধরল এবং ধীরে ধীরে পুরুষাঙ্গটা বের করতে লাগল—প্রায় পুরোটা বেরিয়ে এল, শুধু মাথাটা ভেতরে রেখে। তারপর এক জোরে ধাক্কায় আবার গভীরে ঢুকিয়ে দিল।
ফাতেমা চিৎকার করে উঠল। তার নখ রবির পিঠে গভীর দাগ কেটে দিল। রবি এবার গতি বাড়িয়ে দিল। লম্বা লম্বা টান—প্রতিবার পুরোপুরি বের করে আবার শেষ পর্যন্ত ঢুকিয়ে দেওয়া। ফাতেমার স্তন দুটো প্রতিটি আঘাতে দুলছিল। লন্ঠনের টিমটিমে আলোয় তার ঘামে ভেজা ত্বক চকচক করছিল। রবি মাথা নিচু করে এক বোঁটা মুখে নিল। জিভ দিয়ে ঘষতে ঘষতে চুষতে লাগল, দাঁত দিয়ে আলতো করে কামড়াল। ফাতেমার কোমর উপরে উঠে এল।
“আরও জোরে… চুদো আমাকে…” ফাতেমা ভাঙা গলায় বলল। রবি তার কথা শুনে পাগলাটে হয়ে উঠল। সে ফাতেমার দুই পা কাঁধের ওপর তুলে দিল। কোণ বদলে যাওয়ায় পুরুষাঙ্গ আরও গভীরে ঢুকতে লাগল। ফাতেমার যোনি থেকে রস গড়িয়ে উরু বেয়ে বিছানায় পড়ছিল। প্রতিটি ধাক্কায় ভেজা শব্দ হচ্ছিল—থপ থপ থপ। রবির উরু ফাতেমার নিতম্বে ধাক্কা খাচ্ছিল।
রবি এক হাত দিয়ে ফাতেমার গলা হালকা চেপে ধরল। অন্য হাত দিয়ে তার ভগাঙ্কুর আঙুল দিয়ে ঘষতে লাগল। ফাতেমার শরীর কেঁপে উঠল। তার চোখ বুলিয়ে গেল। গোঙানি চিৎকারে পরিণত হলো। রবি এবার সম্পূর্ণভাবে ছেড়ে দিল নিজেকে। জোরে, দ্রুত, একটানা আঘাত। বিছানা কেঁপে উঠছিল। ফাতেমার মাথা দুপাশে দুলছিল। তার চুল বিছানার ওপর ছড়িয়ে গিয়েছিল।
হঠাৎ ফাতেমার শরীর শক্ত হয়ে উঠল। তার যোনি রবির পুরুষাঙ্গকে এমন জোরে চেপে ধরল যে রবির শ্বাস আটকে গেল। ফাতেমা দীর্ঘ চিৎকার করে উঠল—তার গোটা শরীর কেঁপে কেঁপে কাঁপছিল। রস গড়িয়ে রবির পুরুষাঙ্গ বেয়ে নামছিল। রবি থামল না। সে ফাতেমার সেই তীব্র কাঁপুনির ভেতর দিয়েই চুদতে থাকল। আরও জোরে, আরও গভীরে।
সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে গ্রামের আকাশটা মেঘে ঢাকা পড়ে গেল। চারপাশে ঘুটঘুটে অন্ধকার। মফিজ যে রাতে বাজারে যাবে এবং ফিরতে দেরি হবে, সেই সুযোগের অপেক্ষায় রবি আগের থেকেই সব হিসাব কষে রেখেছিল। ফাতেমার ঘরের পেছনের দিকের দরজাটা যে সবসময় আলগা থাকে, তা রবি ভালো করেই জানত।
অন্দরমহলে তখন অন্য চিত্র। সখিনা ও রানি রাতের রান্নার আয়োজনে ব্যস্ত। টুকটুকি উঠানে মাদুর পেতে চাল ঝাড়ছে। রবি ঘরের কোণে বসে নিজের লুঙ্গি ও পাঞ্জাবিটা ঠিক করতে করতে বলল, "একটু দরকার আছে, বাজারে যাচ্ছি। ফিরতে একটু রাত হতে পারে।"
সখিনা বা রানির মনে বিন্দুমাত্র সন্দেহ জাগল না। রবি সবসময়ই একটু অন্যরকম স্বভাবের, তাই তার রাতের এই যাতায়াত কেউ অস্বাভাবিক মনে করল না। রবি ঘর থেকে বেরিয়ে সোজা হাঁটতে শুরু করল মফিজের বাড়ির দিকে।
রাত তখন গভীর। ঝিঁঝি পোকার ডাকে চারপাশটা থমথমে। মফিজের বাড়ির পেছনের বাগানের ঝোপঝাড় পেরিয়ে রবি যখন বারান্দার কাছে পৌঁছাল, তখন ফাতেমা যেন তার জন্যই দরজায় দাঁড়িয়ে ছিল। বৃষ্টির ফোঁটা পড়তে শুরু করেছে। ফাতেমার পরনে একটা নীল রঙের নতুন শাড়ি, চুলে কোনো বিনুনি নেই—খোলা চুলে বৃষ্টির প্রথম ছাঁটে সে কিছুটা ভিজে গেছে।
রবি ঘরে পা রাখতেই ফাতেমা দরজাটা দ্রুত বন্ধ করে দিল। ঘরের এক কোণে হারিকেনের মিটিমিটি আলোয় ফাতেমার মুখটা স্পষ্ট হয়ে উঠল। তার বুকের ভেতর তখন তীব্র হৃদস্পন্দন, যা রবির কান পর্যন্ত পৌঁছাল।
"আপনি... আপনি সত্যিই এলেন, রবি ভাই?" ফাতেমার কণ্ঠে ভয় আর থরথর করে কাঁপা উত্তেজনার এক অদ্ভুত মিশ্রণ।
রবি কোনো কথা না বলে এক পা এগিয়ে ফাতেমার ভেজা কাঁধে হাত রাখল। কাপড়ের আড়ালে ফাতেমার শরীরটা যেন থরথর করে কেঁপে উঠল। রবি তার মুখটা ফাতেমার কানের কাছে নিয়ে এসে ফিসফিস করে বলল, "তোর এই ছটফটানিটাই তো দেখতে চেয়েছিলাম, ফাতেমা। বল, এখন কি তোর সব ভয় কেটে গেছে?"
ফাতেমা আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। সে নিজের সব দ্বিধা ভুলে রবির বুক জড়িয়ে ধরে ফুঁপিয়ে উঠল, যেন বহুদিনের জমানো এক অচেনা তৃষ্ণা আজ তার পূর্ণতা পাওয়ার সময় হয়েছে। বাইরের ঝুম বৃষ্টির শব্দ আর ভেতরের রবির এই আদিম অধিকারবোধ—দুটো মিলে ঘরের বাতাসকে ভারী করে তুলল।
রবি এক ঝটকায় ফাতেমার শরীরের ওপর ঝুলে পড়ল। কোনো ভূমিকা ছাড়াই সে ফাতেমার ঠোঁটে নিজের ঠোঁট চেপে ধরল। ফাতেমার মুখ থেকে এক অদ্ভুত গুঞ্জন বেরিয়ে এল। রবি তার হাত দুটো ফাতেমার পোশাকের ভেতর ঢুকিয়ে দিল। ফাতেমার শরীরের মসৃণ ত্বকের প্রতিটি ভাঁজে রবির হাতের স্পর্শ লাগতেই ফাতেমা রবির চুলে হাত চালিয়ে তাকে আরও কাছে টেনে নিল। রবি ফাতেমার বক্ষযুগলকে দুহাতে জাপটে ধরে এমন জোরে টিপতে শুরু করল যে, ফাতেমার মুখ দিয়ে এক তীব্র আর্তনাদ বেরিয়ে এল।
রবি তার মাথা নামিয়ে ফাতেমার স্তনযুগলের দিকে মুখ বাড়াল। তার জিভ দিয়ে সে ফাতেমার স্তনের বোঁটাগুলোকে এমনভাবে চাটতে লাগল, যেন কোনো তৃষ্ণার্ত প্রাণী জলের সন্ধান পেয়েছে। ফাতেমা রবির পিঠে নখ বসিয়ে দিয়ে ছটফট করে উঠল। এরপর রবি ফাতেমার শাড়িটা পুরোপুরি সরিয়ে তাকে সম্পূর্ণ বিবস্ত্র করে ফেলল। ফাতেমার প্রতিটি অঙ্গে তখন কামনার এক অন্যরকম উত্তাপ।
রবি তার পোশাক খুলে নিজের পৌরুষকে বের করে আনল। ফাতেমা রবির দিকে তাকিয়ে এক মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেল, তারপর সে নিজেই রবির কোমর জড়িয়ে ধরে তাকে বিছানায় টেনে নিল। ফাতেমা তার মাথা নিচু করে রবির পৌরুষকে নিজের জিভ দিয়ে চাটতে শুরু করল। সে এমন নিপুণভাবে রবির লিঙ্গ চোষা শুরু করল যে, রবি তার নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলল। ফাতেমার গরম মুখের ভেতর রবির পৌরুষের সেই চরম দহন যেন এক নতুন জগতের দ্বার খুলে দিল। ফাতেমা বারবার রবির লিঙ্গটি চুষে চুষে তাকে আরও উত্তেজিত করে তুলছিল, আর তার জিভের ডগা রবির সংবেদনশীল স্থানে আঘাত করে তাকে চূড়ান্ত উন্মাদনার পথে নিয়ে যাচ্ছিল।।
**
সে এমন নিপুণভাবে রবির লিঙ্গ চোষা শুরু করল যে, রবি তার নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলল। ফাতেমার গরম মুখের ভেতর রবির পৌরুষের সেই চরম দহন যেন এক নতুন জগতের দ্বার খুলে দিল। ফাতেমা বারবার রবির লিঙ্গটি চুষে চুষে তাকে আরও উত্তেজিত করে তুলছিল। তার জিভের ডগা রবির সংবেদনশীল স্থানে আঘাত করে তাকে চূড়ান্ত উন্মাদনার পথে নিয়ে যাচ্ছিল। কখনো গভীরে নিয়ে গলায় ঠেকাচ্ছিল, কখনো বের করে এনে জিভ দিয়ে চাটছিল। লালা গড়িয়ে রবির পুরুষাঙ্গ বেয়ে নামছিল।
রবি ফাতেমার চুল দুই হাতে মুঠো করে ধরল। তার কোমর আপনা থেকেই সামনে এগিয়ে যাচ্ছিল। ফাতেমার গলা দিয়ে ভেজা গুঞ্জন বেরোচ্ছিল—চোষার শব্দ আর শ্বাসের শব্দ মিশে এক রগরগে আওয়াজ তৈরি করছিল। রবির শরীর কেঁপে উঠছিল। সে আর বেশিক্ষণ এইভাবে থাকতে পারছিল না।
হঠাৎ রবি ফাতেমার মাথা তুলে দিল। সে ফাতেমাকে চিত করে শুইয়ে তার দুই পা আলাদা করে ধরল। ফাতেমার যোনি তখন পুরোপুরি খোলা, ভিজে, কামনায় স্পন্দিত। রবি নিজের পুরুষাঙ্গটা সেখানে বসিয়ে এক গভীর ধাক্কায় ঢুকিয়ে দিল। ফাতেমার মুখ দিয়ে এক তীব্র চিৎকার বেরিয়ে এল। তার নখ রবির পিঠে ফুটে বসল।
রবি থামল না। সে জোরে জোরে আঘাত করতে শুরু করল। প্রতিটি ধাক্কায় ফাতেমার স্তন দুটো দুলছিল। লন্ঠনের টিমটিমে আলোয় তাদের ঘামে ভেজা শরীর চকচক করছিল। ফাতেমা রবির কোমর জড়িয়ে ধরে নিজেই উঠে আসছিল প্রতিটি আঘাতে মিলতে। তার যোনি রবির পুরুষাঙ্গকে চেপে ধরছিল—ভেজা শব্দ ঘর ভরিয়ে দিচ্ছিল।
অমাবস্যার অন্ধকারে শুধু তাদের শ্বাস, গোঙানি আর মাংসের ধাক্কার শব্দ ভাসছিল।
রবি ফাতেমার যোনির ভেতর পুরোপুরি ঢুকে গিয়ে কিছুক্ষণ স্থির হয়ে রইল। ফাতেমার গরম, ভেজা মাংস তার পুরুষাঙ্গকে চারপাশ থেকে চেপে ধরেছিল। ফাতেমার বুক দ্রুত ওঠানামা করছিল। তার চোখ বড় হয়ে আছে, মুখ হাঁ, গলা দিয়ে অস্ফুট গোঙানি বেরোচ্ছে। রবি দুই হাতে ফাতেমার উরু শক্ত করে ধরল এবং ধীরে ধীরে পুরুষাঙ্গটা বের করতে লাগল—প্রায় পুরোটা বেরিয়ে এল, শুধু মাথাটা ভেতরে রেখে। তারপর এক জোরে ধাক্কায় আবার গভীরে ঢুকিয়ে দিল।
ফাতেমা চিৎকার করে উঠল। তার নখ রবির পিঠে গভীর দাগ কেটে দিল। রবি এবার গতি বাড়িয়ে দিল। লম্বা লম্বা টান—প্রতিবার পুরোপুরি বের করে আবার শেষ পর্যন্ত ঢুকিয়ে দেওয়া। ফাতেমার স্তন দুটো প্রতিটি আঘাতে দুলছিল। লন্ঠনের টিমটিমে আলোয় তার ঘামে ভেজা ত্বক চকচক করছিল। রবি মাথা নিচু করে এক বোঁটা মুখে নিল। জিভ দিয়ে ঘষতে ঘষতে চুষতে লাগল, দাঁত দিয়ে আলতো করে কামড়াল। ফাতেমার কোমর উপরে উঠে এল।
“আরও জোরে… চুদো আমাকে…” ফাতেমা ভাঙা গলায় বলল। রবি তার কথা শুনে পাগলাটে হয়ে উঠল। সে ফাতেমার দুই পা কাঁধের ওপর তুলে দিল। কোণ বদলে যাওয়ায় পুরুষাঙ্গ আরও গভীরে ঢুকতে লাগল। ফাতেমার যোনি থেকে রস গড়িয়ে উরু বেয়ে বিছানায় পড়ছিল। প্রতিটি ধাক্কায় ভেজা শব্দ হচ্ছিল—থপ থপ থপ। রবির উরু ফাতেমার নিতম্বে ধাক্কা খাচ্ছিল।
রবি এক হাত দিয়ে ফাতেমার গলা হালকা চেপে ধরল। অন্য হাত দিয়ে তার ভগাঙ্কুর আঙুল দিয়ে ঘষতে লাগল। ফাতেমার শরীর কেঁপে উঠল। তার চোখ বুলিয়ে গেল। গোঙানি চিৎকারে পরিণত হলো। রবি এবার সম্পূর্ণভাবে ছেড়ে দিল নিজেকে। জোরে, দ্রুত, একটানা আঘাত। বিছানা কেঁপে উঠছিল। ফাতেমার মাথা দুপাশে দুলছিল। তার চুল বিছানার ওপর ছড়িয়ে গিয়েছিল।
হঠাৎ ফাতেমার শরীর শক্ত হয়ে উঠল। তার যোনি রবির পুরুষাঙ্গকে এমন জোরে চেপে ধরল যে রবির শ্বাস আটকে গেল। ফাতেমা দীর্ঘ চিৎকার করে উঠল—তার গোটা শরীর কেঁপে কেঁপে কাঁপছিল। রস গড়িয়ে রবির পুরুষাঙ্গ বেয়ে নামছিল। রবি থামল না। সে ফাতেমার সেই তীব্র কাঁপুনির ভেতর দিয়েই চুদতে থাকল। আরও জোরে, আরও গভীরে।
হঠাৎ ফাতেমার শরীর শক্ত হয়ে উঠল। তার যোনি রবির পুরুষাঙ্গকে এমন জোরে চেপে ধরল যে রবির শ্বাস আটকে গেল। ফাতেমা দীর্ঘ চিৎকার করে উঠল—তার গোটা শরীর কেঁপে কেঁপে কাঁপছিল। রস গড়িয়ে রবির পুরুষাঙ্গ বেয়ে নামছিল। রবি থামল না। সে ফাতেমার সেই তীব্র কাঁপুনির ভেতর দিয়েই চুদতে থাকল। আরও জোরে, আরও গভীরে।
ফফফড
ফাতেমা এখনো কাঁপছিল। তার যোনি স্পন্দিত হচ্ছিল রবির পুরুষাঙ্গের চারপাশে। রবি ফাতেমাকে উল্টে উপুড় করে শুইয়ে দিল। পেছন থেকে হাঁটু গেড়ে বসল। ফাতেমার কোমর দুই হাতে চেপে ধরে আবার ঢুকিয়ে দিল। এবার আরও গভীর কোণ। প্রতিটি ধাক্কায় ফাতেমার নিতম্ব রবির উরুর সাথে ধাক্কা খাচ্ছিল। ফাতেমার মুখ বালিশে চাপা পড়ে গোঙাচ্ছিল। রবি এক হাত এগিয়ে তার চুল মুঠো করে টানল। অন্য হাত দিয়ে তার স্তন চেপে পিষতে লাগল।
“আহ্… আহ্… ভাঙে যাচ্ছে…” ফাতেমা বালিশে মুখ গুঁজে চিৎকার করছিল। রবি পাগলের মতো আঘাত করতে লাগল। ঘামে দুজনের শরীর পিছলে যাচ্ছিল। ফাতেমার যোনি থেকে রস গড়িয়ে রবির ঝোলানো বিট বেয়ে নামছিল। রবির শ্বাস ভারী হয়ে উঠেছিল। তার নিজের শরীরও শক্ত হতে শুরু করেছিল।
রবি ফাতেমাকে তুলে হাঁটু গেড়ে বসাল। ফাতেমা রবির দিকে পিঠ করে বসল। রবি নিচ থেকে জোরে জোরে ধাক্কা মারতে লাগল। এক হাত দিয়ে ফাতেমার স্তন চেপে ধরেছিল, অন্য হাত দিয়ে তার ভগাঙ্কুর ঘষছিল। ফাতেমা নিজেই উঠানামা করছিল—রবির পুরুষাঙ্গের ওপর নিজের যোনি বসিয়ে বসিয়ে চুদছিল। তার স্তন দুটো রবির হাতের ভেতর দুলছিল।
**
রবি আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। সে ফাতেমাকে বিছানায় উপুড় করে শুইয়ে দিল। ফাতেমার নিতম্বের ওপর হাত রেখে সে তার শরীরের গভীরে প্রবেশ করল। ফাতেমার মুখ থেকে এক বিকট আর্তনাদ বেরিয়ে এল—সেটা যন্ত্রণা নাকি আনন্দের তা বোঝার উপায় নেই। রবি একের পর এক প্রচণ্ড ধাক্কা দিতে শুরু করল। প্রতিটা ধাক্কায় ফাতেমার শরীর বিছানায় আছড়ে পড়ছে, আর ঘরজুড়ে তখন কেবল মাংসের সাথে মাংসের ঘর্ষণের শব্দ।
ফাতেমা তখন নেশায় বুঁদ। সে তার পা দুটো রবির কোমরের ওপর জড়িয়ে ধরে রবির প্রতিটি ধাক্কাকে নিজের ভেতর আহ্বান জানাচ্ছিল। রবির পৌরুষ যখন ফাতেমার একদম গভীরতম স্থানে আঘাত করছিল, ফাতেমা তখন রবির নাম ধরে চিৎকার করে উঠছিল। ঘামে ভেজা তাদের শরীরগুলো একে অপরের ওপর আছড়ে পড়ছে, রবির পিঠ বেয়ে ফাতেমার নখের দাগ রক্তের রেখা হয়ে নেমে আসছে।
অবশেষে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ এলো। রবির গতিবেগ তখন ঝড়ের মতো। ফাতেমা রবির বুকে মুখ গুঁজে দিয়ে তার কাঁধ কামড়ে ধরল। রবির শরীরটা তখন কামনার প্রচণ্ড দহনে কাঁপছে। সে তার পৌরুষের সবটুকু রস ফাতেমার শরীরের ভেতরে বিলিয়ে দিল। ফাতেমা তখন চূড়ান্ত তৃপ্তির চোরাবালিতে তলিয়ে যাচ্ছে, তার সারা শরীরে তখন এক আদিম কম্পন। দুজনেই তখন নিস্তেজ হয়ে বিছানায় পড়ে রইল। চারপাশ তখন নিস্তব্ধ, কিন্তু তাদের শরীরের প্রতিটি কোণ তখনো সেই নিষিদ্ধ মিলনের উত্তাপে পুড়ছে। ফাতেমার চোখে তখন এক তৃপ্তির জল, আর রবির মনে এক বিজয়ীর অহংকার। মফিজের বাড়ির সেই অন্ধকার ঘরে সেদিন রাতেই তৈরি হলো এক নতুন নেশার ইতিহাস।
এদিকে অনেক রাতে রবি যখন নিজের অন্দরমহলে ফিরল, তখন সখিনা আর রানি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। রবি নিজের বিছানায় শুয়ে ছাদের দিকে তাকিয়ে রইল। তার শরীরের কোষে কোষে তখন অন্য এক নারীর গন্ধ। সে বুঝতে পারল, অন্দরমহলের নিরাপত্তা আর বাইরের এই নিষিদ্ধ নেশা—দুটোই এখন তার জীবনে সমান্তরালভাবে চলবে। কিন্তু এই গোপন সম্পর্কের শেষ পরিণতি কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা কেবল সময় বলে দেবে।
ফফফড
ফাতেমা এখনো কাঁপছিল। তার যোনি স্পন্দিত হচ্ছিল রবির পুরুষাঙ্গের চারপাশে। রবি ফাতেমাকে উল্টে উপুড় করে শুইয়ে দিল। পেছন থেকে হাঁটু গেড়ে বসল। ফাতেমার কোমর দুই হাতে চেপে ধরে আবার ঢুকিয়ে দিল। এবার আরও গভীর কোণ। প্রতিটি ধাক্কায় ফাতেমার নিতম্ব রবির উরুর সাথে ধাক্কা খাচ্ছিল। ফাতেমার মুখ বালিশে চাপা পড়ে গোঙাচ্ছিল। রবি এক হাত এগিয়ে তার চুল মুঠো করে টানল। অন্য হাত দিয়ে তার স্তন চেপে পিষতে লাগল।
“আহ্… আহ্… ভাঙে যাচ্ছে…” ফাতেমা বালিশে মুখ গুঁজে চিৎকার করছিল। রবি পাগলের মতো আঘাত করতে লাগল। ঘামে দুজনের শরীর পিছলে যাচ্ছিল। ফাতেমার যোনি থেকে রস গড়িয়ে রবির ঝোলানো বিট বেয়ে নামছিল। রবির শ্বাস ভারী হয়ে উঠেছিল। তার নিজের শরীরও শক্ত হতে শুরু করেছিল।
রবি ফাতেমাকে তুলে হাঁটু গেড়ে বসাল। ফাতেমা রবির দিকে পিঠ করে বসল। রবি নিচ থেকে জোরে জোরে ধাক্কা মারতে লাগল। এক হাত দিয়ে ফাতেমার স্তন চেপে ধরেছিল, অন্য হাত দিয়ে তার ভগাঙ্কুর ঘষছিল। ফাতেমা নিজেই উঠানামা করছিল—রবির পুরুষাঙ্গের ওপর নিজের যোনি বসিয়ে বসিয়ে চুদছিল। তার স্তন দুটো রবির হাতের ভেতর দুলছিল।
**
রবি আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। সে ফাতেমাকে বিছানায় উপুড় করে শুইয়ে দিল। ফাতেমার নিতম্বের ওপর হাত রেখে সে তার শরীরের গভীরে প্রবেশ করল। ফাতেমার মুখ থেকে এক বিকট আর্তনাদ বেরিয়ে এল—সেটা যন্ত্রণা নাকি আনন্দের তা বোঝার উপায় নেই। রবি একের পর এক প্রচণ্ড ধাক্কা দিতে শুরু করল। প্রতিটা ধাক্কায় ফাতেমার শরীর বিছানায় আছড়ে পড়ছে, আর ঘরজুড়ে তখন কেবল মাংসের সাথে মাংসের ঘর্ষণের শব্দ।
ফাতেমা তখন নেশায় বুঁদ। সে তার পা দুটো রবির কোমরের ওপর জড়িয়ে ধরে রবির প্রতিটি ধাক্কাকে নিজের ভেতর আহ্বান জানাচ্ছিল। রবির পৌরুষ যখন ফাতেমার একদম গভীরতম স্থানে আঘাত করছিল, ফাতেমা তখন রবির নাম ধরে চিৎকার করে উঠছিল। ঘামে ভেজা তাদের শরীরগুলো একে অপরের ওপর আছড়ে পড়ছে, রবির পিঠ বেয়ে ফাতেমার নখের দাগ রক্তের রেখা হয়ে নেমে আসছে।
অবশেষে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ এলো। রবির গতিবেগ তখন ঝড়ের মতো। ফাতেমা রবির বুকে মুখ গুঁজে দিয়ে তার কাঁধ কামড়ে ধরল। রবির শরীরটা তখন কামনার প্রচণ্ড দহনে কাঁপছে। সে তার পৌরুষের সবটুকু রস ফাতেমার শরীরের ভেতরে বিলিয়ে দিল। ফাতেমা তখন চূড়ান্ত তৃপ্তির চোরাবালিতে তলিয়ে যাচ্ছে, তার সারা শরীরে তখন এক আদিম কম্পন। দুজনেই তখন নিস্তেজ হয়ে বিছানায় পড়ে রইল। চারপাশ তখন নিস্তব্ধ, কিন্তু তাদের শরীরের প্রতিটি কোণ তখনো সেই নিষিদ্ধ মিলনের উত্তাপে পুড়ছে। ফাতেমার চোখে তখন এক তৃপ্তির জল, আর রবির মনে এক বিজয়ীর অহংকার। মফিজের বাড়ির সেই অন্ধকার ঘরে সেদিন রাতেই তৈরি হলো এক নতুন নেশার ইতিহাস।
এদিকে অনেক রাতে রবি যখন নিজের অন্দরমহলে ফিরল, তখন সখিনা আর রানি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। রবি নিজের বিছানায় শুয়ে ছাদের দিকে তাকিয়ে রইল। তার শরীরের কোষে কোষে তখন অন্য এক নারীর গন্ধ। সে বুঝতে পারল, অন্দরমহলের নিরাপত্তা আর বাইরের এই নিষিদ্ধ নেশা—দুটোই এখন তার জীবনে সমান্তরালভাবে চলবে। কিন্তু এই গোপন সম্পর্কের শেষ পরিণতি কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা কেবল সময় বলে দেবে।
