2 hours ago
পরদিন সকালের আলো যখন গ্রামে পড়ল, প্রকৃতিতে কোনো পরিবর্তন নেই—পাখির ডাক, ধানের শিষের দোলা, সবই স্বাভাবিক। কিন্তু রবি আর ফাতেমার পৃথিবীটা যেন চিরতরে বদলে গেছে। রবি তার পরিচিত অন্দরমহলে ফিরেছে, কিন্তু তার চোখের কোণে লেগে আছে সেই রাতের অমাবস্যার অন্ধকার আর ফাতেমার কামনার স্মৃতি।
বাড়িতে সখিনা বেগম আজ বেশ সতর্ক। তিনি লক্ষ্য করছেন রবির অস্থিরতা। রবি আজ সখিনার সাথে কোনো কথা বলছে না, বরং সে যেন তার মনের গহীনে নতুন এক তৃপ্তির রেশ নিয়ে ডুবে আছে। সখিনা রবির গলার কাছে একটা সামান্য দাগ দেখলেন—যা হয়তো ফাতেমার নখের আঁচড়। তিনি বুঝে গেলেন, অন্দরমহলের বাইরে কোথাও একটা ঝড় উঠেছে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রবি। কিন্তু তিনি মুখ ফুটে কিছুই বললেন না, শুধু তার দৃষ্টিতে এক রহস্যময় সতর্কতা খেলে গেল।
ওদিকে মফিজের বাড়িতে দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। ফাতেমা আজ অন্য এক নারী। সে এখন আর আগের মতো ভীতু নয়, তার চোখের দৃষ্টিতে একটা গভীর চাউনি, যা তাকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। দুপুরে মফিজ যখন মাঠে গেল, ফাতেমা ঘরের বারান্দায় বসে এক মনে তাকিয়ে রইল সেই মেঠো পথের দিকে, যেখান দিয়ে রবি গতকাল রাতে এসেছিল। সে অনুভব করছে, রবির সেই পৌরুষ এখনো তার প্রতিটি অঙ্গে মিশে আছে। তার শরীরের প্রতিটি ভাঁজে রবির স্পর্শ যেন এক স্থায়ী চিহ্ন হয়ে রয়ে গেছে।
রবি আজ আর বাজারে গেল না। সে অন্দরমহলের তিন নারীকে নিয়ে আজ এক অন্য ধরনের খেলায় মত্ত হলো। সে আজ রানি, সখিনা আর টুকটুকিকে এমনভাবে আদেশ দিচ্ছে যে তারা প্রত্যেকেই একে অপরের প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়ছে। সে যেন ফাতেমার সাথে মিলনের সেই উত্তাপটাকে অন্দরমহলের এই তিন নারীর মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে এক পৈশাচিক আনন্দ পেতে চাইছে।
টুকটুকি রবির পায়ের কাছে এসে বসে তার পা টিপে দিচ্ছিল। রবি তার চুলের মুঠি ধরে তাকে নিজের কাছে টেনে নিল, কিন্তু তার নজর ছিল রানির দিকে, যে আড়চোখে সখিনার দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করছিল। রবি জানে, এই ঈর্ষার আগুন যত জ্বলবে, তার প্রভাব তত বাড়বে।
ফাতেমা কি বুঝতে পারছে যে সে রবির জন্য এখন এক নতুন নেশার খোরাক মাত্র? নাকি রবি নিজেই এই নতুন নেশার জালে জড়িয়ে পড়ছে? অন্দরমহলের ভেতরের এই টানাপোড়েন আর বাইরের সেই নিষিদ্ধ উত্তাপ মিলে রবিকে কি শেষ পর্যন্ত এক চূড়ান্ত বিপদের দিকে নিয়ে যাচ্ছে?
বাড়িতে সখিনা বেগম আজ বেশ সতর্ক। তিনি লক্ষ্য করছেন রবির অস্থিরতা। রবি আজ সখিনার সাথে কোনো কথা বলছে না, বরং সে যেন তার মনের গহীনে নতুন এক তৃপ্তির রেশ নিয়ে ডুবে আছে। সখিনা রবির গলার কাছে একটা সামান্য দাগ দেখলেন—যা হয়তো ফাতেমার নখের আঁচড়। তিনি বুঝে গেলেন, অন্দরমহলের বাইরে কোথাও একটা ঝড় উঠেছে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রবি। কিন্তু তিনি মুখ ফুটে কিছুই বললেন না, শুধু তার দৃষ্টিতে এক রহস্যময় সতর্কতা খেলে গেল।
ওদিকে মফিজের বাড়িতে দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। ফাতেমা আজ অন্য এক নারী। সে এখন আর আগের মতো ভীতু নয়, তার চোখের দৃষ্টিতে একটা গভীর চাউনি, যা তাকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। দুপুরে মফিজ যখন মাঠে গেল, ফাতেমা ঘরের বারান্দায় বসে এক মনে তাকিয়ে রইল সেই মেঠো পথের দিকে, যেখান দিয়ে রবি গতকাল রাতে এসেছিল। সে অনুভব করছে, রবির সেই পৌরুষ এখনো তার প্রতিটি অঙ্গে মিশে আছে। তার শরীরের প্রতিটি ভাঁজে রবির স্পর্শ যেন এক স্থায়ী চিহ্ন হয়ে রয়ে গেছে।
রবি আজ আর বাজারে গেল না। সে অন্দরমহলের তিন নারীকে নিয়ে আজ এক অন্য ধরনের খেলায় মত্ত হলো। সে আজ রানি, সখিনা আর টুকটুকিকে এমনভাবে আদেশ দিচ্ছে যে তারা প্রত্যেকেই একে অপরের প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়ছে। সে যেন ফাতেমার সাথে মিলনের সেই উত্তাপটাকে অন্দরমহলের এই তিন নারীর মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে এক পৈশাচিক আনন্দ পেতে চাইছে।
টুকটুকি রবির পায়ের কাছে এসে বসে তার পা টিপে দিচ্ছিল। রবি তার চুলের মুঠি ধরে তাকে নিজের কাছে টেনে নিল, কিন্তু তার নজর ছিল রানির দিকে, যে আড়চোখে সখিনার দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করছিল। রবি জানে, এই ঈর্ষার আগুন যত জ্বলবে, তার প্রভাব তত বাড়বে।
ফাতেমা কি বুঝতে পারছে যে সে রবির জন্য এখন এক নতুন নেশার খোরাক মাত্র? নাকি রবি নিজেই এই নতুন নেশার জালে জড়িয়ে পড়ছে? অন্দরমহলের ভেতরের এই টানাপোড়েন আর বাইরের সেই নিষিদ্ধ উত্তাপ মিলে রবিকে কি শেষ পর্যন্ত এক চূড়ান্ত বিপদের দিকে নিয়ে যাচ্ছে?

