Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood)
#1

 
01



পাঠকদের সুবিধার্থে প্রথমেই পরিবারের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি দেয়া হলো-

আমি সৌরভ রায় , আমার মা সীমা রায় , আমার বাবা সুজন রায় এবং আমার বড় ভাইয়ের নাম সোহাগ রায় আর আমার সবচেয়ে আদরের কুর্তি বোনটার নাম সীতা‌।

এটি একটি মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারের প্রতিদিনের দৃশ্যপট আর তার আড়ালে থাকা কিছু একান্ত ব্যক্তিগত অনুভূতির ছোঁয়া নিয়েই আমার গল্পের শুরু -


রায় পরিবারের এক চিলতে রোদ:
------------------------------
আমাদের ড্রয়িংরুমে বসে থাকলে মনে হয় জীবনটা একটা জ্যামিতিক ছকে বাঁধা। বাবা সুজন রায় হাই কলেজের গণিত শিক্ষক, তাই সবকিছুর মধ্যেই তিনি নিখুঁত সমীকরণ খোঁজেন। তার মেজাজটা সাধারণত x + y এর কঠিন কোনো সমাধান না মেলার মতোই চড়া থাকে। তবে আজ ছুটির বিকেলে সোফায় বসে যখন তিনি খবরের কাগজ পড়ছেন, তখন তার মেজাজে একটা অদ্ভুত শিথিলতা।
বাবা বেশ স্থূল শরীরের মানুষ, যার জন্য মা প্রায়ই মৃদু স্বরে অনুযোগ করেন। মা সীমা রায়ের বয়স ৪১ হলেও তাকে দেখলে যে কেউ ভুল করবে। তার শারীরিক গঠন তাকে এখনো অনেক তরুণীদের চেয়েও আকর্ষণীয় করে রেখেছে। ছিপছিপে কোমরের নিচে তার সুগঠিত নিতম্ব আর তলপেটের সামান্য মেদ তাকে এক ধরণের পূর্ণতা দেয়। মা যখন রান্নাঘর থেকে চা নিয়ে ঘরে ঢোকেন, তার গায়ের সেই পরিচিত ঘ্রাণ আর চলনবলন আমাকে অন্য এক জগতে নিয়ে যায়।

বিকেলের আড্ডা ও কিছু খুনসুটি:
------------------------------
বড় ভাই সোহাগ আজ বাসায় আছে। প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির চাপ আর টিউশনি সামলে সে ক্লান্ত। সে মায়ের হাতের চায়ে চুমুক দিয়ে বলল,
"মা, তোমার হাতের চা না খেলে মনে হয় দিনটাই শুরু হলো না।"
মা একটু হেসে বললেন, "আর কয়েকদিন পর যখন চাকরি করে বাইরে থাকবি, তখন কি আর এই বুড়ি মায়ের কথা মনে পড়বে?"
আমি সোফার এক কোণ থেকে মায়ের দিকে তাকালাম। আমার মনে মনে হলো, মাকে 'বুড়ি' বলাটা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মিথ্যা। একাদশ শ্রেণীতে পড়া ১৯ বছরের এক কিশোর হিসেবে আমার চোখ যখন মায়ের অবয়বে পড়ে, তখন কেবল মমতা নয়, এক ধরণের গভীর ভালো লাগা আর মুগ্ধতা কাজ করে। তার উন্নত বক্ষ আর সযত্নে লালিত শরীরের প্রতিটি ভাঁজ যেন কোনো শিল্পীর নিপুণ তুলিতে আঁকা। তাকে দেখে আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, তিনি কেবল আমার মা নন, তিনি এক চিরন্তনী নারী।
ছোট বোন সীতার প্রবেশ
সবচেয়ে আদরের ছোট বোন সীতা দৌড়ে এসে বাবার কোলে ঝাঁপিয়ে পড়ল।
"বাবা, সৌরভ দা আমার জ্যামিতি বক্সটা নিয়ে নিয়েছে!"
বাবা চশমার ওপর দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে ধমকের স্বরে বললেন, "কিরে সৌরভ, অংকের জিনিস নিয়ে কেন নাড়াচাড়া করিস? যা, ওটা ফেরত দিয়ে আয়।"
মা হাসিমুখে সীতাকে কাছে টেনে নিলেন। মা যখন সীতাকে আদর করছিলেন, তখন তার খোলা পিঠের ওপর ছড়িয়ে থাকা কালো চুলের বাহার আর তার শরীরের নমনীয়তা আমার কল্পনায় এক অন্য মাত্রার ছাপ ফেলে যাচ্ছিল। মা হয়তো জানেনও না, তার এই সাধারণ অস্তিত্বই আমার কাছে কতটা রহস্যময় আর মোহনীয়।
আমাদের পরিবারটা এভাবেই চলে। চড়া মেজাজের বাবা, দায়িত্বশীল বড় ভাই, আদুরে বোন আর তার মাঝে কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা আমার সুন্দরী মা—যিনি একই সাথে মমতাময়ী জননী এবং আমার কিশোর মনের একান্ত ভাবনার এক মানসী।

এবার আসুন, আপনাদেরকে বলি কবে থেকে মায়ের প্রতি আমার এই ভাবনার পরিবর্তন হয়েছে।
সেই অমোঘ মুহূর্তের স্মৃতি
পরিবারের সবার মাঝে থেকেও আমার মনে সেই দিনটির ছবি একদম গেঁথে আছে। ঘটনাটা ছিল খুব সাধারণ, কিন্তু আমার ১৯ বছরের কিশোর মনে তা এক আমূল পরিবর্তন এনে দিয়েছিল। সেদিন বাড়িতে বাবা আর সোহাগ দা কেউই ছিল না।
মা গোসল সেরে বাথরুম থেকে বের হচ্ছিলেন। হয়তো ভেবেছিলেন ঘরে কেউ নেই, তাই খুব একটা সাবধানতা অবলম্বন করেননি। পরনে ছিল শুধু কালো রঙের একটি অন্তর্বাস (ব্রা) আর সাদাটে একটা পাতলা সুতির পাজামা। বাথরুমের ভ্যাপসা গরমে আর গোসলের পানিতে মায়ের শরীরটা তখনো বিন্দু বিন্দু ঘামে ভেজা।
হঠাৎ আমি যখন তার সামনে পড়লাম, আমাদের চার চোখ এক হলো। মা কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে থমকে দাঁড়ালেন। কিন্তু সেই কয়েক সেকেন্ডে আমার চোখের সামনে যে দৃশ্যটি ভেসে উঠল, তা আমি কোনোদিন ভুলতে পারব না।


///এক মায়াবী রূপের হাতছানি:///

দৃষ্টির কেন্দ্রবিন্দু: ভেজা চুলের জল গড়িয়ে পড়ছিল তার সুপুষ্ট স্তন যুগলের খাঁজে। অন্তর্বাসের ওপর দিয়ে ফুটে ওঠা সেই বাঁধন না মানা অবয়ব আমাকে প্রথমবারের মতো বুঝিয়ে দিয়েছিল মা কতটা মোহময়ী।
কোমরের ভাঁজ: তার হালকা মেদযুক্ত কোমরের সেই গভীরতা, যা পাজামার বাঁধনের ওপর দিয়ে এক ধরণের নমনীয়তা তৈরি করেছিল, তা ছিল অবিশ্বাস্য রকমের সুন্দর।
সেই শিহরণ: গোসলের পর শরীরের ভিজে যাওয়া পাজামাটা যখন তার ভারি নিতম্বের (পাছা) সাথে লেপ্টে ছিল, তখন শরীরের প্রতিটি বাঁক একেবারে স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। সেই প্রথম আমার মনে হলো, তিনি কেবল আমাকে শাসন করা বা খাওয়ানো মা নন—তিনি একজন আকর্ষণীয় রমণী, যার শরীর জুড়ে রয়েছে আদিম এক মাদকতা।
মা দ্রুত নিজেকে সামলে নিয়ে ঘরে ঢুকে গেলেন, কিন্তু আমার ভেতরে এক অদ্ভুত আলোড়ন তৈরি হয়ে গেল।

কিছুক্ষণ পর ড্রয়িংরুমে যখন মা স্বাভাবিক হয়ে এলেন, তখন পরিস্থিতির মেজাজটা ছিল কিছুটা অন্যরকম।

মা ঘর থেকে শাড়িটা ঠিকঠাক জড়িয়ে বেরিয়ে এলেন। ভেজা চুলগুলো পিঠের ওপর ছড়ানো, যার কয়েকটা গোছা তার গলার ভাঁজে লেপ্টে আছে। আমি তখন সোফায় বসে বই পড়ার ভান করছিলাম, কিন্তু আমার মনের ভেতর তখনও সেই ব্রা আর পাতলা পাজামায় আবৃত মায়ের কামনাময়ী শরীরের প্রতিচ্ছবিটা ভাসছিল।
মা রান্নাঘরের দিকে যাওয়ার সময় থমকে দাঁড়ালেন। আমার দিকে তাকিয়ে মৃদুস্বরে বললেন,
"সৌরভ, তুই এখনো এখানেই বসে আছিস? কলেজ যাওয়ার প্রস্তুতি নিবি না?"
আমি বই থেকে চোখ না তুলেই বললাম, "নিচ্ছি মা, শরীরটা একটু ম্যাজম্যাজ করছে।"
মা কাছে এগিয়ে এলেন। তার শাড়ির আঁচলটা একটু আলগা হয়ে কাঁধ থেকে নেমে যাচ্ছিল, যা থেকে তার স্তনের উপরিভাগ আর ফর্সা চামড়ার আভা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। মা আমার কপালে হাত রেখে জ্বর দেখার চেষ্টা করলেন। তার হাতের সেই নরম স্পর্শ আর শরীরের সুবাস আমাকে মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ করে দিল।
মা বললেন, "জ্বর তো নেই। তবে মুখটা এমন শুকনো দেখাচ্ছে কেন? কোনো সমস্যা?"
মায়ের চোখের দিকে তাকাতেই আমার মনে হলো, তিনি কি বুঝতে পারছেন আমার চোখের এই অন্যরকম দৃষ্টি? আমি আমতা আমতা করে বললাম, "না মা, এমনি। আসলে ওই যে একটু আগে তোমাকে..."
কথাটা শেষ না করতেই মা একটু লজ্জিত হাসলেন। তার গালের টোল আর ঠোঁটের কোণের সেই হাসি তাকে আরও বেশি সুন্দরী করে তুলল। তিনি নিচু স্বরে বললেন,
"ওসব মনে রাখতে নেই রে পাগল। আমি তো জানতাম না তুই ঘরে আছিস। যা, এখন একটু খেয়ে নে।"

মা যখন ঘুরে রান্নাঘরের দিকে যাচ্ছিলেন, শাড়ির নিচে তার সেই ভারি নিতম্বের দুলুনি আর কোমরের ভাঁজগুলো আমার কিশোর মনের কল্পনাকে আবার উসকে দিচ্ছিল। মা হয়তো তার মাতৃত্বের আড়ালে নিজের নারীত্বকে লুকিয়ে রাখেন, কিন্তু আমার কাছে তিনি এখন কেবল একজন মমতাময়ী মা নন—বরং এক পরম আকাঙ্ক্ষিত রমণী।

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই বাড়ির আবহাওয়া বদলে গেল। বাবা কলেজ থেকে ফিরে ড্রয়িংরুমে পা ছড়িয়ে বসেছেন, তার মেজাজ যথারীতি সপ্তম আসমানে। সোহাগ ভাই তখনও ফেরেনি, আর সীতা নিজের ঘরে কার্টুন দেখতে ব্যস্ত।
রান্নাঘর থেকে মায়ের গলা ভেসে এল, "সোহাগ, একটু বাজারে যাবি? লবন আর চিনি ফুরিয়ে গেছে।"
সোহাগ ভাই ঘর থেকে চিৎকার করে উত্তর দিল, "মা, এখন পারব না, অনেক টায়ার্ড আমি!"
বাবা পত্রিকা থেকে মুখ না তুলেই বললেন, "আমাকে এসব ফরমাস করবে না সীমা, জানোই তো সারাদিন খাটনি যায়।"
মা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে দরজায় এসে দাঁড়ালেন। শাড়ির আঁচলটা কোমরে গোঁজা, কপালে হালকা ঘামের বিন্দু। তার সেই ভারী নিতম্ব আর চিকন কোমরের ভঙ্গিটা দরজার চৌকাঠে এক অপূর্ব জ্যামিতি তৈরি করেছিল। মা আমার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসলেন। সেই হাসিতে এক ধরণের প্রশ্রয় আর অধিকার ছিল।
"সৌরভ, তুই কি যাবি বাবা?"
আমি এক মুহূর্ত দেরি না করে উঠে দাঁড়ালাম। "হ্যাঁ মা, বলো কী কী আনতে হবে।"
মা আমার কাছে এগিয়ে এলেন। তার গায়ের সেই পরিচিত ঘ্রাণ—যাতে মিশে আছে রান্নার মশলা আর তার শরীরের নিজস্ব সুবাস—আমাকে মাতাল করে তুলছিল। মা আলতো করে আমার কাঁধে হাত রাখলেন। তার হাতের স্পর্শে আমার শিরদাঁড়া দিয়ে একটা মৃদু শিহরণ বয়ে গেল।
মা নিচু স্বরে বললেন, "আমার এই ছেলেটাই শুধু কাজের। বাকিরা তো সব নবাবজাদা। তুই না থাকলে যে আমার কী হতো!"
মায়ের এই প্রশংসা আমাকে এক অদ্ভুত আনন্দ দেয়। আমি যখন বাজারের ব্যাগ হাতে নিয়ে বেরোচ্ছি, আয়নায় দেখলাম মা তাকিয়ে আছেন আমার দিকে। তার সেই ডাগর চোখ আর পুষ্ট শরীরের ভাঁজগুলো আমার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। আমি জানি, মা আমাকে তার সবচেয়ে আদরের এবং বাধ্য সন্তান মনে করেন, কিন্তু আমার এই আনুগত্যের মূলে রয়েছে তাকে খুশি রাখা এবং তার সান্নিধ্যে থাকার এক তীব্র ব্যাকুলতা।


বাজার থেকে ফিরে আসতেই দেখলাম মা দরজার কাছেই দাঁড়িয়ে ছিলেন, যেন আমার ফেরারই অপেক্ষা করছিলেন। বাইরে তখন ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক শুরু হয়েছে, আর ঘরের ভেতর বাবার টেলিভিশনের সংবাদের আওয়াজ। আমি ঘামতে ঘামতে ব্যাগটা ডাইনিং টেবিলে রাখলাম।


মা তড়িঘড়ি করে এগিয়ে এলেন। ব্যাগটা হাতে নিতে গিয়ে আমাদের আঙুলের সামান্য ছোঁয়া লাগল। মায়ের হাতের সেই শীতল পরশ আমার তপ্ত শরীরের শিরায় শিরায় এক অদ্ভুত কম্পন তুলে দিল।
মা ব্যাগের ভেতর উঁকি দিয়ে বললেন, "সব এনেছিস তো? চিনি, লবণ... আরে, তুই ইলিশ মাছও নিয়ে এসেছিস? আমি তো শুধু লবণের কথা বলেছিলাম!"
আমি হাঁপাতে হাঁপাতে হাসলাম। "তুমি কাল রাতে বলছিলে না তোমার ইলিশ খেতে ইচ্ছে করছে? তাই গোপাল দা'কে বলে আনালাম।"(গোপাল দা আমাদের পরিচিত জেলে। আমরা তার কাছ থেকেই মাছ খাই। মাস শেষে বাকি টাকা বাবাই দেয়!)
মা আমার দিকে এক পলক তাকালেন। তার সেই গভীর কালো চোখের দৃষ্টিতে এক ধরণের তৃপ্তি আর ভালোবাসা খেলে গেল। তিনি তার শাড়ির আঁচলটা তুলে আমার কপাল আর গলার ঘাম মুছিয়ে দিতে শুরু করলেন। মা এতোটাই কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন যে, তার শরীরের উষ্ণতা আর সেই বিশেষ সুবাস আমাকে আচ্ছন্ন করে ফেলছিল। শাড়ির আঁচল যখন আমার মুখে ঘষা খাচ্ছিল, আমি খুব কাছ থেকে তার ব্লাউজের ভাঁজে লুকানো সেই সুগঠিত অবয়ব আর উন্মুক্ত গ্রীবা দেখছিলাম।
মা নিচু স্বরে বললেন, "তোর মতো এতোটা খেয়াল তো কেউ রাখে না রে সৌরভ। এই বয়সে ছেলেরা কত আড্ডা দেয়, আর তুই আমার একটা কথা বললেই ছুটে যাস।"
আমি শুধু অপলক দৃষ্টিতে মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। তার ঠোঁটের পাশের তিলটা আর ঘামে ভেজা নাকের ডগা তাকে এক অপরূপা রমণীর মতো দেখাচ্ছিল।
মা ব্যাগ থেকে মাছটা বের করতে করতে বললেন, "শোন, তুই এখনই গিয়ে একটা ফ্রেশ হয়ে আয়। আমি তোর জন্য এই ইলিশটা খুব যত্ন করে রাঁধব। তোর বাবা আর সোহাগ তো শুধু খেতে জানে, আমার এই লক্ষ্মী ছেলেটার জন্য আজ স্পেশাল কিছু হবে।"

আমি বাথরুমের দিকে পা বাড়ালাম, কিন্তু আমার মনটা তখনও সেই টেবিলেই পড়ে রইল। মা যখন ঝুঁকে ব্যাগ থেকে বাকি জিনিসগুলো গুছাচ্ছিলেন, তখন শাড়ির নিচ দিয়ে তার সেই ভারি নিতম্ব আর কোমরের ডৌল এক মোহনীয় দৃশ্যের জন্ম দিচ্ছিল। আমি মনে মনে ভাবলাম, মা হয়তো আমাকে তাঁর সবচেয়ে অনুগত সন্তান ভাবেন, কিন্তু আমার এই আনুগত্যের প্রতিটি পদক্ষেপে মিশে আছে তাঁর এই অনিন্দ্য রূপের প্রতি আমার এক গোপন ও গভীর মুগ্ধতা।


এই দিনগুলোর পর থেকে মা আর আমার মধ্যকার রসায়নটা যেন আরও গাঢ় হয়েছে। মা এখন প্রায়ই ছোটখাটো হুকুমের জন্য আমাকেই ডাকেন, আর আমিও যেন ওত পেতে থাকি সেই ডাক শোনার জন্য।



 
Reply


Messages In This Thread
মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:02 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:03 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:04 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:05 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:06 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:07 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:42 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:43 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:44 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:45 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:46 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:48 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:49 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:50 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:51 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:53 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:55 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:02 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)