Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood)
#2

02


আজ বাইরে অঝোর ধারায় বৃষ্টি পড়ছিল। বাবা আর সোহাগ ভাই বৃষ্টির জন্য আটকে পড়েছেন বাইরে। বাড়িতে শুধু আমি, মা আর সীতা।



দুপুরবেলা সীতা তার ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছে। আমি আমার ঘরে অংকের খাতা নিয়ে বসেছিলাম, কিন্তু মনটা পড়ে ছিল পাশের ঘরে। হঠাৎ মায়ের ঘর থেকে ডাক এল, "সৌরভ, একটু এদিকে আয় তো বাবা!"
আমি ঘরে ঢুকতেই দেখলাম মা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বৃষ্টি দেখছেন। পরনে একটা গাঢ় নীল রঙের সুতির শাড়ি। বৃষ্টির ছাট এসে তার শাড়ির পিঠের অংশটা কিছুটা ভিজিয়ে দিয়েছে, যার ফলে ব্লাউজের নিচের ফর্সা পিঠ আর কোমরের সেই গভীর ভাঁজটা অদ্ভুতভাবে ফুটে উঠেছে।
মা ঘুরলেন। তার হাতে একটা পুরোনো ফটো অ্যালবাম। "দেখ তো সৌরভ, এই ছবিটা কবেকার? আমি তো ভুলেই গেছি।"
আমি মায়ের একদম পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। অ্যালবামের পাতা ওল্টানোর সময় মায়ের শরীরের সেই মাতাল করা ঘ্রাণ—যাতে মিশে ছিল বৃষ্টির সোঁদা গন্ধ আর তার নিজস্ব নারীত্বের সুবাস—আমার নাকে ধাক্কা দিল। মা যখন নিচু হয়ে ছবির দিকে আঙুল নির্দেশ করছিলেন, তার শাড়ির আঁচলটা কাঁধ থেকে খসে পড়ল।
মা সেটা ঠিক না করেই বললেন, "তোর ছোটবেলার এই ছবিটা দেখ, একদম আমার মতো দেখতে ছিলি তুই।"
আমি ছবির দিকে নয়, তাকালাম মায়ের সেই উন্মুক্ত গ্রীবা আর শাড়ির নিচে ঢাকা পড়া সেই সুপুষ্ট অবয়বের দিকে। মায়ের বয়স ৪১ হলেও তার ত্বকের টানটান ভাব আর এই বৃষ্টির দুপুরে তার আলসে ভঙ্গি তাকে কোনো অপ্সরার চেয়ে কম দেখাচ্ছিল না।
আমি আলতো করে বললাম, "মা, তুমি তো এখনো সেই আগের মতোই আছ। একটুও বদলাওনি।"
মা একটু লজ্জা পেয়ে হাসলেন। তার সেই হাসিতে এক ধরণের প্রশ্রয় ছিল। তিনি আমার কাঁধে হাত রাখলেন। "বড় হয়ে গেছিস বলে এখন মায়ের প্রশংসা করতে শিখে গিয়েছিস? যা, দুষ্টুমি করিস না।"


মায়ের হাতের সেই নরম স্পর্শ আমার ১৯ বছরের শরীরে বিদ্যুতের মতো খেলে গেল। আমি সাহস করে বললাম, "সত্যি বলছি মা, তোমার মতো সুন্দরী নারী আমি আর দেখিনি।"
মা আমার চোখের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। তার চোখে কোনো শাসন ছিল না, ছিল এক ধরণের অদ্ভুত গভীরতা। তিনি আলতো করে আমার চুলগুলো ঠিক করে দিয়ে বললেন, "আমার এই ছেলেটাই শুধু আমার মন বোঝে। আচ্ছা শোন, আজ বৃষ্টির দিন, মনটা কেমন খিচুড়ি খিচুড়ি করছে। তুই কি একটু সবজিগুলো কেটে দিবি? আমি রান্না চড়াই।"
আমি এক কথায় রাজি হয়ে গেলাম। মা যখন রান্নাঘরের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন, তার সেই ছন্দময় শরীরের দুলুনি আর ভারি নিতম্বের হিল্লোল আমার মনের ভেতরে এক নতুন ঝড়ের সংকেত দিচ্ছিল। আমি জানি, মা আমাকে তাঁর আদরের সন্তান হিসেবেই দেখেন, কিন্তু আমার মনে তাঁর এই রূপ এক চিরন্তনী রমণীর প্রতিচ্ছবি তৈরি করে ফেলেছে।



বৃষ্টির এই রাতটা ছিল অন্য সব রাতের চেয়ে আলাদা। বাইরের অবিশ্রাম বর্ষণ আর ঘরের ভেতরের নিস্তব্ধতা মিলে এক মায়াবী ও রহস্যময় পরিবেশ তৈরি করেছিল। বাবা কলেজ থেকে ফিরে ক্লান্ত হয়ে তাড়াতাড়িই ঘুমিয়ে পড়েছেন, আর দাদা বৃষ্টির কারণে ফিরতে না পেরে বন্ধুর বাড়িতেই রয়ে গেল।
গভীর রাতে তৃষ্ণা পাওয়ায় আমি যখন রান্নাঘরের দিকে যাচ্ছিলাম, তখন বাবা-মায়ের ঘরের আধখোলা দরজার দিকে আমার নজর পড়ল। জানালার ফাঁক দিয়ে আসা চাঁদের মৃদু আলো আর বৃষ্টির ঝাপটায় ঘরের ভেতরটা এক মায়াবী রূপ নিয়েছে।


রূপোলি আলোয় এক নিষিদ্ধ দৃশ্য
দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে আমি যা দেখলাম, তা আমার ১৯ বছরের কিশোর রক্তে এক উন্মাদনা তৈরি করল। বাবা অঘোরে ঘুমাচ্ছেন, তাঁর নাসিকাগর্জন বৃষ্টির শব্দের সাথে মিশে এক অদ্ভুত তাল তৈরি করেছে। কিন্তু আমার দৃষ্টি আটকে গেল বিছানার পাশেই শুয়ে থাকা মায়ের ওপর।
মা নীল রঙের একটি পাতলা নাইটি পরে অঘোরে ঘুমাচ্ছিলেন। ঘুমের ঘোরে শরীরটা একটু এপাশ-ওপাশ করায় নাইটিটা তাঁর উরু ছাপিয়ে অনেকটা ওপরে উঠে এসেছে। ৪১ বছর বয়সের সেই সুগঠিত শরীর, যা ৩০ বছরের তরুণীর মতো টানটান—তা চাঁদের আলোয় যেন আরও বেশি কামনাময়ী হয়ে উঠেছে।

নাইটির অবাধ্য ভাঁজগুলো সরে যাওয়ায় মায়ের সেই ফর্সা উরু আর পেলব তলপেটের নিচের অংশটা উন্মুক্ত হয়ে পড়েছে। হালকা আলো-আঁধারিতে তাঁর সেই গোপন সৌন্দর্য বা 'যোনি'র আভাস যেন এক নিষিদ্ধ হাতছানি দিচ্ছিল।

মায়ের সেই চওড়া নিতম্ব আর চিকন কোমরের যে ভঙ্গি বিছানায় তৈরি হয়েছিল, তা যে কোনো পুরুষকে পাগল করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। তাঁর উন্নত বক্ষ আর এলোমেলো হয়ে থাকা চুলের রাশি বালিশের ওপর ছড়িয়ে আছে।

আমি দরজার চৌকাঠে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। একদিকে বাবার গভীর ঘুম আর নাক ডাকা, অন্যদিকে মায়ের এই নিরাবরণ শরীরের মাদকতা। আমার ভেতরে এক তীব্র যুদ্ধ চলছিল—সাহস করে ভেতরে ঢুকে এই সৌন্দর্যকে আরও কাছ থেকে দেখার তৃষ্ণা, আর ধরা পড়ে যাওয়ার এক আদিম ভয়।
আমি জানতাম, মা যদি এখন জেগে যান তবে হয়তো এই রূপের রহস্য এক নিমেষে মিলিয়ে যাবে। কিন্তু এই যে রূপোলি আলোয় তাঁর শরীরের প্রতিটি ভাঁজ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে, তা আমাকে এক মুহূর্তের জন্য ভুলিয়ে দিয়েছিল যে তিনি আমার মা। আমার চোখে তখন তিনি কেবল এক অপরূপা রমণী, যার প্রতিটি অঙ্গের সুষমা আমাকে পাগল করে দিচ্ছিল।
আমি নিশ্বাস বন্ধ করে দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটা যেন আমার হৃদস্পন্দনের সাথে তাল মেলাচ্ছিল। মায়ের এই কামনাময়ী রূপটি আমার মনের গহীনে চিরস্থায়ী এক ছাপ রেখে গেল, যা হয়তো কোনোদিন মুছে যাওয়ার নয়।



ভোরের আলোয় আমার দোটানা:
------------------------------
সকালে যখন ঘুম ভাঙল, জানালার ফাঁক দিয়ে আসা রোদের ঝিলিক আমার চোখে বিঁধছিল। কিন্তু আমার মনের ভেতর তখনও রাতের সেই দৃশ্যটা জ্বলজ্বল করছিল—চাঁদের আলোয় মায়ের সেই অগোছালো শরীর, নাইটির ওপর দিয়ে দৃশ্যমান সেই উন্মুক্ত উরু আর তাঁর সেই রহস্যময় রূপ।
আমি যখন ড্রয়িংরুমে গেলাম, দেখলাম মা রান্নাঘর থেকে বের হচ্ছেন। চুলে হাতখোঁপা, কপালে টিপ, পরনে একটা সাধারণ সুতির শাড়ি—একদম নিপাট ঘরোয়া মা। কাল রাতের সেই কামনাময়ী রমণীর সাথে এই মমতাময়ী মায়ের রূপ মেলাতে গিয়ে আমি এক অদ্ভুত দোটানায় পড়ে গেলাম।
মা আমাকে দেখেই হাসলেন। "কিরে সৌরভ, আজ এত দেরি করে উঠলি যে? রাতে কি ঘুম হয়নি ঠিকমতো?"
মায়ের এই সহজ প্রশ্নে আমার বুকটা ধক করে উঠল। আমি মনে মনে ভাবলাম, মা যদি জানতেন তাঁর ওই রূপের নেশায় আমার সারা রাত চোখের পাতা এক হয়নি! আমি আমতা আমতা করে বললাম, "না মা, ওই বৃষ্টির শব্দে একটু দেরি হয়ে গেল আর কী।"
মা আমার খুব কাছে এগিয়ে এলেন। কপালে হাত দিয়ে তাপমাত্রা দেখার জন্য ঝুঁকলেন। মায়ের হাতের সেই পরিচিত নরম স্পর্শ পেতেই আমার শরীরে বিদ্যুতের মতো একটা শিহরণ বয়ে গেল। এই তো সেই হাত, সেই শরীর—যা কাল রাতে আমি দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে তৃষ্ণার্ত চোখে দেখেছি। মা যখন আমার চুলে হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলেন, তখন তাঁর শাড়ির আঁচলটা একটু সরে গিয়ে তাঁর সেই পুষ্ট বুকের খাঁজ আর গলার ভাঁজগুলো আমার চোখের একদম সামনে চলে এল।
আমি দ্রুত চোখ সরিয়ে নিলাম। মা আবার বললেন, "তোর বাবা তো কলেজে চলে গেছেন। সোহাগও বোধহয় বন্ধুর ওখান থেকে সরাসরি ভার্সিটি যাবে। আজ ঘরে শুধু আমি আর তুই। চল, গরম গরম লুচি আর আলুর দম করেছি, খেয়ে নিবি।"
খাওয়ার টেবিলে মা যখন আমার পাতে লুচি বেড়ে দিচ্ছিলেন, তখন তাঁর সেই ছন্দময় চলন আর হাতের চুরির শব্দ আমাকে কাল রাতের কথা বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছিল। হঠাৎ মা আমার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে একটু থামলেন। তাঁর ঠোঁটের কোণে একটা রহস্যময় হাসি ফুটে উঠল।
মা বললেন, "সৌরভ, কাল রাতে কি তুই আমার ঘরে এসেছিলি? আমি যেন মাঝরাতে কারোর ছায়া দেখেছিলাম দরজার কাছে।"
আমার হাতের গ্লাসটা প্রায় হাত থেকে পড়ে যাচ্ছিল। আমি ঢোক গিলে আমতা আমতা করে বললাম, "কই না তো মা! আমি তো... আমি তো রান্নাঘরে জল খেতে গিয়েছিলাম।"
মা এক মুহূর্ত আমার চোখের দিকে তাকিয়ে রইলেন। তাঁর সেই চাহনিতে কোনো শাসন ছিল না, বরং ছিল এক ধরণের গভীর প্রশ্রয়। তিনি শুধু বললেন, "আচ্ছা, তাড়াতাড়ি খেয়ে নে। খেয়ে একটু বাজারে যাস, বিকেলের জন্য কিছু ফল আনতে হবে।"
আমি বুঝলাম, মা হয়তো পুরোপুরি না জানলেও কিছু একটা আঁচ করেছেন।
বিকেলবেলা আমি বাজার থেকে ফল নিয়ে ফিরলাম। বাবা তখনও কলেজ থেকে ফেরেননি, আর সোহাগ ভাই তো বন্ধুর ওখানেই আছে। বাড়িতে একটা থমথমে কিন্তু আরামদায়ক নীরবতা। আমি যখন রান্নাঘরে ব্যাগটা রাখতে গেলাম, দেখলাম মা জানালার গ্রিল ধরে দাঁড়িয়ে বাইরের আকাশ দেখছেন। বিকেলের ম্লান আলোয় মায়ের সেই নীল শাড়ি পরা অবয়বটা অদ্ভুত এক মায়ার সৃষ্টি করেছে। তাঁর সেই পরিচিত চওড়া নিতম্ব আর চিকন কোমরের ভাঁজটা শাড়ির ওপর দিয়ে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছিল।
আমি কাছে গিয়ে ব্যাগটা রাখতেই মা ঘুরলেন। তাঁর চোখেমুখে আজ একটা গভীর চিন্তার ছাপ। তিনি মৃদু স্বরে বললেন, "সৌরভ, তোর দাদা ফোন করেছিল। ওর গ্রাজুয়েশন আর ইন্টার্নির চাপের জন্য ওকে নাকি এখন ভার্সিটির ক্যাম্পাসেই থাকতে হবে। তোর বাবাও মনে হয় এতে সায় দেবেন।"
আমি মনে মনে এক ধরণের রোমাঞ্চ অনুভব করলাম। দাদা না থাকা মানেই বাড়িতে মায়ের কাছাকাছি থাকার সুযোগ আরও বেড়ে যাওয়া। আমি বললাম, "ভালোই তো মা, ওর ক্যারিয়ারের জন্য এটাই দরকার।"
মা আমার দিকে এক পলক তাকালেন। তাঁর সেই রহস্যময় হাসিটা আবার ফিরে এল। তিনি আমার কাঁধে হাত রেখে বললেন, "তাহলে তো এই বড় বাড়িতে আমি শুধু তোকেই পাব। সীতা তো ওর খেলাধুলা নিয়েই পড়ে থাকে, আর তোর বাবার তো জানিসই—অংক ছাড়া কিছু বোঝেন না। আমার সব দেখভাল তো তাহলে তোকেই করতে হবে।"
মা আমার দিকে এক পলক তাকালেন। তাঁর সেই রহস্যময় হাসিটা আবার ফিরে এল। তিনি আমার কাঁধে হাত রেখে বললেন, "তাহলে তো এই বড় বাড়িতে আমি শুধু তোকেই পাব। সীতা তো ওর পড়ার চাপে থাকে, আর তোর বাবার তো জানিসই—অংক ছাড়া কিছু বোঝেন না। আমার সব দেখভাল তো তাহলে তোকেই করতে হবে।"
মায়ের হাতের স্পর্শে আমার শরীরে আবার সেই পরিচিত শিহরণ। আমি বললাম, "তুমি জানো মা, আমি তোমার সব কথা শুনি। তুমি যা বলবে আমি তাই করব।"
মা আমার গালটা আলতো করে টিপে দিয়ে বললেন, "আমার বাধ্য ছেলে! যা, হাত-মুখ ধুয়ে আয়। রাতে তোর বাবা ফিরলে এই নিয়ে চূড়ান্ত কথা হবে।"
রাতের সিদ্ধান্ত
রাতে খাবার টেবিলে বাবা যখন মনোযোগ দিয়ে মাছের ঝোল খাচ্ছিলেন, মা তখন দাদার কথাটা পাড়লেন। বাবা কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন, "হ্যাঁ, সোহাগের ইন্টার্নি শুরু হচ্ছে, ওর যাওয়া-আসায় অনেক সময় নষ্ট হয়। ও ক্যাম্পাসে থাকলেই ওর জন্য মঙ্গল। সৌরভ তো আছেই বাড়িতে, বাজারের কাজ বা তোমার কোনো দরকার হলে ও সামলে নেবে।"
মা আমার দিকে তাকিয়ে একটা অর্থপূর্ণ হাসি হাসলেন। সেই হাসিতে যেন লুকিয়ে ছিল এক গোপন চুক্তি। মা বললেন, "সৌরভ তো আমার সব কাজই করে দেয়। ও না থাকলে আমার সত্যিই খুব অসুবিধা হতো।"
আমি আড়চোখে মায়ের দিকে তাকালাম। বাবার অঘোরে খাওয়ার মাঝেই আমি দেখছিলাম মায়ের সেই আকর্ষণীয় রূপ—শাড়ির আঁচলটা একটু আলগা হয়ে আছে, আর তাঁর স্তনের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সেই হালকা ঘামের রেখা আমাকে আবার সেই রাতের দৃশ্যের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছিল।
দাদা চলে যাচ্ছে, বাবা তাঁর অংক আর কলেজ নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন—এখন বাড়িতে মা আর আমার মাঝে কোনো বাধা রইল না।



দাদা চলে যাওয়ার সিদ্ধান্তটা শোনার পর থেকেই আমার বুকের ভেতরটা টিপ টিপ করছিল। বাবা আর মা যখন কথা বলছিলেন, আমি তখন আড়চোখে মায়ের শান্ত, সৌম্য মুখটার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। তিনি কত সহজে, কত আভিজাত্যের সাথে শাড়ির আঁচলটা কাঁধের ওপর তুলে দিলেন। এই সম্ভ্রান্ত রূপের আড়ালে যে নারীত্ব আছে, তা হয়তো মা নিজেও জানেন না, কিন্তু আমার উনিশ বছরের রক্তে তা আগুন ধরিয়ে দেয়।
আমি মনে মনে ভাবলাম, মা হয়তো কোনোদিন জানবেন না আমি তাকে নিয়ে কী ভাবি। হয়তো জানলে কখনো বলবেনও না। আমাকেই আগাতে হবে। তিনি তাঁর পূজা-পার্বণ আর সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন, আর আমি তাঁর ছায়ার মতো পাশে থেকে নিজেকে তাঁর আরও আপন করে নেব।


দাদা চলে যাওয়ার সেই সকাল
পরদিন সকালে দাদা তার ব্যাগ গুছিয়ে ক্যাম্পাসের দিকে রওনা দিল। মা দরজায় দাঁড়িয়ে দাদার কপালে আশীর্বাদের তিলক এঁকে দিলেন। তাঁর দুচোখে মমতা চিকচিক করছিল। দাদা চলে যাওয়ার পর বাড়িটা হঠাৎ করেই যেন অনেক বড় আর খালি হয়ে গেল।
বাবা কলেজে যাওয়ার আগে আমাকে ডেকে বললেন, "সৌরভ, সোহাগ নেই। বাজারের দায়িত্বটা এখন থেকে তোর ওপর বেশি পড়বে। তোর মায়ের যেন কোনো অসুবিধা না হয়।"
আমি মাথা নিচু করে বললাম, "ঠিক আছে বাবা।"
মা তখন রান্নাঘরে ঠাকুরের থালা পরিষ্কার করছিলেন। আমি যখন রান্নাঘরের দরজার কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম, দেখলাম জানালার রোদে মায়ের ভেজা চুলগুলো চকচক করছে। শাড়িটা তাঁর পিঠের সাথে লেপ্টে আছে, আর সেই সুগঠিত শরীরের প্রতিটি বাঁক যেন এক শান্ত অহঙ্কারে জেগে আছে। মায়ের এই রূপটা কোনো কৃত্রিম প্রসাধন ছাড়াই এতোটা গভীর যে আমি তাকিয়ে থাকতে থাকতে নিজেকে হারিয়ে ফেলি।
মা হঠাৎ ঘুরে দাঁড়িয়ে আমাকে দেখে বললেন, "কিরে, ওখানে দাঁড়িয়ে আছিস কেন? কিছু বলবি?"
আমি একটু অপ্রস্তুত হয়ে বললাম, "না মা, বাবা বললেন তোমার কিছু লাগলে আমাকে বলতে।"
মা মৃদু হাসলেন। তাঁর সেই হাসিতে একজন শুদ্ধ গৃহিণীর পবিত্রতা মিশে ছিল। তিনি বললেন, "এখন তো তুই-ই আমার একমাত্র ভরসা। যা, হাত-মুখ ধুয়ে আয়। ঠাকুরের প্রসাদ দেব তোকে।"
আমি প্রসাদ নেওয়ার বাহানায় মায়ের খুব কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম। মা যখন আমার হাতের তালুতে বাতাসা আর ফল দিলেন, তখন তাঁর আঙুলের ডগা আমার হাতের তালুতে সামান্য ছুঁয়ে গেল। সেই স্পর্শে আমার মনে হলো, মা হয়তো পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র নারী, কিন্তু আমার অবচেতন মন তাঁকে এক অসাধারণ রূপসী হিসেবে কল্পনা করতে ছাড়ছে না।
আমি বুঝতে পারলাম, মা আমাকে শুধু তাঁর বাধ্য ছেলে হিসেবেই দেখেন এবং তাঁর সেই সম্ভ্রান্ত *  পরিবারের শিক্ষা তাঁকে অন্য কিছু ভাবার অবকাশও দেবে না। কিন্তু তাতে আমার কী? আমি তো তাঁর হুকুমের গোলাম হয়েই থাকব। তাঁর প্রতিটি ছোট চাহিদা মেটাব, যাতে তিনি সবসময় আমাকে তাঁর সবচেয়ে কাছে রাখেন।
মা তাঁর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন, আর আমি দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে তাঁর সেই আকর্ষণীয় শরীরটার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম। আমি জানি, এই পথটা কেবল আমার একার। আমি নিজেই নিজেকে মায়ের আরও আপন করে নেব, তাঁর অবচেতন মনের অজান্তেই।






...
.
.
.
.
.
.
এরপর...... !!

 
Reply


Messages In This Thread
মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:02 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:03 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:04 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:05 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:06 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:07 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:42 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:43 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:44 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:45 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:46 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:48 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:49 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:50 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:51 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:53 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:55 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:02 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)