Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood)
#3

03 



নিঝুম দুপুরে আলসেমির আড়ালে
সেদিন ছিল শনিবার। বাবার কলেজে হাফ-ডে থাকলেও একটা মিটিংয়ের কারণে তাঁর ফিরতে দেরি হবে। সীতা বাড়ান্দায় ওর বান্ধবীর সাথে খেলছে। বাড়িতে আমি আর মা—একেবারে একা। বৃষ্টির রেশ কেটে গিয়ে কড়া রোদ উঠেছে, আর সেই রোদে চরাচর খাঁ খাঁ করছে।

আমি আমার ঘরে শুয়ে একটা গল্পের বই পড়ছিলাম, কিন্তু বারবার কান পাতছিলাম পাশের ঘরের দিকে। হঠাৎ মায়ের ঘর থেকে একটা মিহি ডাক এল, "সৌরভ, একটু এদিকে আসবি বাবা?"
আমি যেন এই ডাকটার জন্যই ওত পেতে ছিলাম। তড়িঘড়ি করে মায়ের ঘরে ঢুকতেই আমার নিশ্বাস আটকে গেল। মা বিছানায় আধশোয়া হয়ে বসে আছেন। পরনে হালকা ঘি রঙের একটা সুতির শাড়ি, পাড়টা গাঢ় লাল। জানালার পর্দাটা টেনে দেওয়া থাকলেও রোদের একটা চিকন রেখা এসে ঠিক মায়ের কোলের ওপর পড়েছে। শাড়ির আঁচলটা অবিন্যস্তভাবে বিছানায় লুটিয়ে আছে, আর মায়ের সেই সুপুষ্ট বুকের ডৌল ব্লাউজের বাঁধন ছাপিয়ে এক অদ্ভুত মাদকতা তৈরি করেছে।
মা কপালে হাত দিয়ে বললেন, "মাথাটা খুব দপদপ করছে রে। মনে হয় রোদে কাজ করে একটু সর্দি বসেছে। তুই কি একটু বাম লাগিয়ে দিবি?"
আমি কোনো কথা না বলে আলমারির ওপর থেকে বামের কৌটোটা নিয়ে মায়ের মাথার কাছে বসলাম। মা চোখ বন্ধ করে শুয়ে পড়লেন। মায়ের গায়ের সেই সুবাস—যাতে চন্দনের সাবান আর ঘামের একটা মিশ্র গন্ধ আছে—তা আমাকে মাতাল করে দিচ্ছিল।
আমি আঙুলে একটু বাম নিয়ে মায়ের কপালে আর রগে মালিশ করতে শুরু করলাম। মায়ের চামড়া এতোটা মসৃণ আর নরম যে আমার হাত কাঁপছিল। মালিশ করতে করতে আমার দৃষ্টি বারবার নিচের দিকে চলে যাচ্ছিল। শোয়া অবস্থায় মায়ের শাড়িটা পেট থেকে একটু সরে গিয়েছিল, আর সেখানে মায়ের সেই ফর্সা তলপেটের মেদযুক্ত ভাঁজটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। হালকা ঘামে ভিজে থাকা সেই অংশটুকুতে রোদের আলো পড়ে ঝিলিক দিচ্ছিল।
মা চোখ বন্ধ রেখেই বললেন, "আহ্, কী আরাম! তোর হাতের ছোঁয়াটা বড় শান্ত রে সৌরভ। তোর বাবা তো ধরলে যেন কুস্তি লড়ে।"
মায়ের এই সহজ তুলনা আমাকে মনে মনে হাসাল। আমি আরও নিবিষ্ট হয়ে মালিশ করতে লাগলাম। সাহসে ভর করে আমার হাতের আঙুলগুলো একটু নিচের দিকে, মায়ের কানের লতির পাশ দিয়ে ঘাড়ের দিকে নিয়ে গেলাম। মা একটু নড়ে উঠলেন, কিন্তু চোখ খুললেন না। বরং এক গভীর তৃপ্তির নিঃশ্বাস ফেলে বললেন, "ঘাড়ের দিকটাও একটু টিপে দে তো বাবু, ভীষণ টান ধরেছে।"
আমি যখন মায়ের ঘাড়ের নিচের অংশটা টিপছিলাম, তখন আমার হাতের আঙুল বারবার ব্লাউজের ফিতার কাছে ঘষা খাচ্ছিল। আর মনে হচ্ছিলো, কবে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আসবে যখন এই ফিতে ধরেই টান দিয়ে নিজ হাতে মায়ের ব্লাউজ খুলবো!! ৪১ বছরের এক সম্ভ্রান্ত নারী, যাঁর শরীরে মাতৃত্ব আর কামনার এক অদ্ভুত মিশেল। মা হয়তো এটাকে স্রেফ ছেলের সেবা ভাবছেন, কিন্তু আমার মনে হচ্ছিল আমি এক নিষিদ্ধ স্বর্গের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।


মা হঠাৎ চোখ খুলে আমার দিকে তাকালেন। তাঁর সেই ডাগর চোখে এক মুহূর্তের জন্য কী যেন একটা ঝিলিক দিয়ে গেল। তিনি আমার হাতটা নিজের হাতের মুঠোয় নিলেন। মায়ের হাতের সেই শীতল কিন্তু দৃঢ় স্পর্শে আমার শরীর জমে গেল।
মা মৃদু স্বরে বললেন, "তুই না থাকলে এই শরীরটা যে কবে ভেঙে পড়ত! কেউ তো একটু ছুঁয়েও দেখে না।"
কথাটা বলেই মা যেন একটু সচেতন হয়ে গেলেন। দ্রুত নিজের হাতটা সরিয়ে নিয়ে শাড়ির আঁচলটা ঠিকঠাক করে উঠে বসলেন। "আচ্ছা থাক, এখন অনেকটা ভালো লাগছে। তুই যা, নিজের পড়া কর গে।"
আমি ঘর থেকে বেরিয়ে এলাম ঠিকই, কিন্তু আমার হাতের আঙুলে তখনও মায়ের গায়ের সেই উত্তাপ আর মসৃণতার রেশ লেগে ছিল। আমি বুঝতে পারলাম, মা তাঁর গাম্ভীর্যের আড়ালে কতটা নিঃসঙ্গ, আর সেই নিঃসঙ্গতার সুযোগ নিয়েই আমি তাঁর হৃদয়ের সবচেয়ে আপন জায়গায় নিজের আসন করে নিচ্ছি।

এভাবেই আমাদের দিন কাটছিলো। এইতো আজ আবার -বিকেলে আকাশটা ছিল একদম পরিষ্কার। বাবা কলেজের একটা কাজে জেলা শহরে গিয়েছেন, ফিরতে রাত হবে। সীতা টিভি দেখছে আর খেলছে। বাড়িতে সীতা, আমি আর মা। মা রান্নাঘরের কাজ সেরে ড্রয়িংরুমে বসে বিকেলের নাস্তা হিসেবে কিছু মুড়ি আর চপ তৈরি করেছেন।

মা সোফায় বসে পায়ের ওপর পা তুলে আয়েশ করে মুড়ি খাচ্ছিলেন। তাঁর সেই পরিচিত চওড়া নিতম্ব আর শাড়ির ভাঁজে ঢাকা পড়া কোমরের গঠনটা সোফায় এক ধরণের রাজকীয়তা তৈরি করেছিল। আমি তাঁর ঠিক উল্টো দিকের চেয়ারে বসে বই পড়ছিলাম।
মা হঠাৎ বললেন, "সৌরভ, তোর পড়া শেষ হতে কত দেরি? একটু গল্প কর না আমার সাথে। বাড়িটা তো একদম ভূতুড়ে হয়ে থাকে এখন।"
আমি বইটা বন্ধ করে তাঁর পাশে গিয়ে বসলাম। মা একটা চপ আমার মুখের সামনে ধরে বললেন, "নে, খেয়ে দেখ কেমন হয়েছে।"
আমি যখন মুখ বাড়ালাম, মায়ের আঙুলগুলো আমার ঠোঁটে সামান্য ছুঁয়ে গেল। মা খুব সহজভাবে নিজের আঁচল দিয়ে আমার ঠোঁটের কোণের তেলটুকু মুছে দিলেন। এই যে মায়ের সহজ মমতা, এর ভেতরেই আমি তাঁর সেই লুকানো সৌন্দর্য খুঁজে পাই। মা হাসলে তাঁর গালের সেই ভাঁজ আর ৪১ বছরের ত্বকের টানটান আভা আমাকে মুগ্ধ করে রাখে।
মা বললেন, "জানিস সৌরভ, মাঝে মাঝে খুব ভয় হয়। তুইও যখন সোহাগের মতো বড় হয়ে বাইরে চলে যাবি, তখন আমার কী হবে? এই অংক পাগল লোকটার সাথে দিনরাত আমি কথা বলব কী করে? সোহাগের জন্য আমার খুব একটা কষ্ট হয় না, কিন্তু তোকে ছাড়া আমি কি করে থাকবো।"

আমি মায়ের হাতের ওপর হাত রাখলাম। মা হাতটা সরিয়ে নিলেন না। আমি বললাম, "আমি তো বলেছি মা, আমি তোমাকে ছেড়ে কোথাও যাব না। তোমার হুকুম তামিল করার জন্য তো আমাকে থাকতেই হবে।"
মা হো হো করে হেসে উঠলেন। তাঁর হাসির সাথে সাথে তাঁর শরীরটাও একটু দুলে উঠল, আর সেই দোলনে তাঁর স্তনের ওপরের শাড়িটা একটু সরে গেল। তিনি হেসে বললেন, "পাগল ছেলে! হুকুমের গোলাম হতে হবে না, আমার পাশে থাকলেই হবে।"
সেই সাধারণ বিকেলে আমরা অনেকক্ষণ সাধারণ গল্প করলাম। পূজা আসছে, নতুন কী শাড়ি কেনা যায়, ইতিমধ্যে সীতার পড়াশোনা—সবকিছু।
কিন্তু এই সাধারণ গল্পের ফাঁকেই আমি লক্ষ্য করছিলাম মায়ের আলসে ভঙ্গি, তাঁর পায়ের নখের আলতা আর তাঁর শরীরের সেই মায়াবী ঘ্রাণ। মা হয়তো বুঝতেও পারছিলেন না, তাঁর এই অতি সাধারণ সান্নিধ্যই আমাকে ক্রমশ তাঁর দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
মা যখন উঠে গিয়ে চায়ের কাপগুলো নিয়ে রান্নাঘরের দিকে যাচ্ছিলেন, আমি পেছন থেকে তাঁর সেই ছন্দময় চলন দেখছিলাম। মনে মনে ভাবলাম, এই সাধারণ মুহূর্তগুলোই তো আমাকে সাহস জোগাবে আরও বড় কিছুর জন্য।
মায়ের এই সহজ হাসি আর স্পর্শ আমাকে অনেকটাই নির্ভার করে দিয়েছে।

আজ রাতে, বাইরে যখন আকাশ ভেঙে বৃষ্টি পড়ছে। টিনের চালের ওপর বৃষ্টির সেই তীব্র আওয়াজ ঘরের ভেতরের নির্জনতাকে আরও গভীর করে তুলেছে। রাত তখন প্রায় একটা। বাবা আর সীতা পাশের ঘরে অঘোরে ঘুমাচ্ছে। বাবার নাক ডাকার আওয়াজ বৃষ্টির শব্দের সাথে পাল্লা দিচ্ছে। আমি আমার ঘরে শুয়ে জানালার দিকে তাকিয়ে বৃষ্টির ছাঁট দেখছিলাম, আর মনের কোণে ভাসছিল মায়ের সেই আকর্ষণীয় অবয়ব।
হঠাৎ আমার ঘরের দরজায় একটা মৃদু টোকা পড়ল। অন্ধকারেও আমি চিনতে পারলাম সেই পরিচিত ছায়া। মা।

আমি উঠে বসতেই মা ধীরপায়ে ভেতরে ঢুকলেন। তাঁর পরনে ছিল সেই পাতলা সুতির নাইটিটা, যা রাতের আঁধারে তাঁর শরীরের প্রতিটি বাঁককে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। মা আমার বিছানার এক কোণে বসলেন। তাঁর চুলগুলো এলোমেলো, চোখে একটা কষ্টের আভাস।
মা খুব নিচু স্বরে বললেন, "সৌরভ, জেগে আছিস বাবা? আমার পিঠের ব্যথাটা আজ আবার খুব বেড়েছে। তোর বাবাকে ডাকলাম, কিন্তু উনি তো অঘোরে ঘুমাচ্ছেন। আমার দিকে ফিরেও তাকালেন না।"
মায়ের গলার স্বরে একটা অভিমান ছিল। আমি বুঝতে পারলাম, বাবা তাঁর দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন বলেই মা আজ নিরুপায় হয়ে আমার কাছে এসেছেন। আমি বললাম, "মা, তুমি চিন্তা করো না। আমি আছি তো।"
মা আমার দিকে পেছন ফিরে বসলেন। নাইটির ওপর দিয়েও তাঁর সেই চওড়া পিঠ আর কোমরের গভীর ভাঁজটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। মা বললেন, "একটু মালিশ করে দে তো বাবু, ব্যথায় সোজা হয়ে বসতে পারছি না।"
আমি ড্রয়ার থেকে মালিশের তেলটা বের করলাম। ঘরের ডিম লাইটের আবছা আলোয় মায়ের সেই ৪১ বছরের সুগঠিত শরীরটা এক অদ্ভুত মাদকতা ছড়াচ্ছিল। আমি যখন মায়ের পিঠে হাত রাখলাম, আমার আঙুলগুলো শিহরিত হয়ে উঠল। নাইটির পাতলা কাপড়ের নিচ দিয়ে মায়ের শরীরের উষ্ণতা সরাসরি আমার হাতের তালুতে এসে লাগছিল।
মালিশ করতে করতে আমি সাহসে ভর করে নাইটির নিচের দিকটা একটু ওপরে তুললাম, যাতে সরাসরি চামড়ায় মালিশ করতে পারি। মা বাধা দিলেন না, বরং এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে বিছানায় একটু ঝুঁকে পড়লেন। তাঁর সেই উন্নত বক্ষ তখন বিছানার ওপর চ্যাপ্টা হয়ে এক অনন্য দৃশ্যের সৃষ্টি করেছিল। আমি মায়ের কোমরের সেই মেদযুক্ত ভাঁজ আর পিঠের মসৃণ ত্বকে আঙুল চালাতে চালাতে ক্রমশ নিচে নামছিলাম।
মা হঠাৎ ফিসফিস করে বললেন, "তোর হাতের ছোঁয়াটা খুব আরামের সৌরভ। তোর বাবার হাত তো পাথরের মতো শক্ত, কোনো মমতা নেই।"
আমি মায়ের ঘাড়ের কাছে মুখ নিয়ে গেলাম। তাঁর গায়ের সেই পরিচিত ঘ্রাণ আর বৃষ্টির শীতল হাওয়ায় আমার মস্তিষ্ক কাজ করা বন্ধ করে দিচ্ছিল। আমি যখন ঘাড়ের নিচের হাড়ের কাছটায় চাপ দিচ্ছিলাম, মা এক ধরণের অস্ফুট শব্দ করলেন, যা যন্ত্রণার না কি তৃপ্তির—তা বোঝা দায়।
মা আমার দিকে একটু ঘুরে তাকালেন। আবছা আলোয় তাঁর সেই কামনাময়ী ডাগর চোখ আর ভেজা ঠোঁট আমার ১৯ বছরের কিশোর রক্তে দাবানল জ্বালিয়ে দিচ্ছিল। মা আমার হাতটা ধরলেন। তাঁর হাতের আঙুলগুলো আমার হাতের ওপর কাঁপছিল।
মা বললেন, "সৌরভ, তুই সারাজীবন আমাকে এভাবেই আগলে রাখবি তো? তোর বাবা তো আমার শরীরের খবরই রাখে না।"
আমি মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে বললাম, "আমি তো সবসময়ই তোমার পাশে আছি মা। তুমি যা বলবে, আমি তাই করব।"
মায়ের সেই চাহনিতে আজ যেন মাতৃত্বের চেয়ে এক নারীর আর্তি বেশি ফুটে উঠেছিল। বৃষ্টির এই রাতে, বাবার নাক ডাকার আওয়াজকে উপেক্ষা করে, মা আর আমার মধ্যে এক নতুন, গোপন সমীকরণ তৈরি হতে শুরু করল। আমি বুঝতে পারলাম, মা ধীরে ধীরে তাঁর গাম্ভীর্যের খোলস ছেড়ে আমার কাছে আশ্রয় খুঁজছেন। আর আমি? আমি তো তাঁর এই রূপের নেশায় অনেক আগেই ডুবে আছি।


মালিশ করতে করতে আমি বুঝতে পারছিলাম মায়ের শরীরটা ধীরে ধীরে শিথিল হয়ে আসছে। নাইটির ওপর দিয়ে আমার হাতের প্রতিটি সঞ্চালন তাঁকে এক ধরণের প্রশান্তি দিচ্ছিল। মা একসময় বালিশে মাথা এলিয়ে দিলেন। তাঁর মুখটা ছিল আমার একদম কাছে। আবছা আলোয় আমি দেখছিলাম তাঁর ঠোঁটের কোণে লেগে থাকা সেই ম্লান হাসি আর শান্ত হয়ে আসা চোখের পাতা।
মা ফিসফিস করে বললেন, "ব্যথাটা যেন একদম নেই হয়ে গেল রে সৌরভ। তোর হাতদুটো জাদুর মতো।"
আমি সাহস করে জিজ্ঞেস করলাম, "মা, তুমি কি এখন ঘরে যাবে?"
মা জানালার বাইরে বৃষ্টির শব্দের দিকে তাকিয়ে একটু ইতস্তত করে বললেন, "এখন যেতে ইচ্ছে করছে না। তোর বাবা তো একবারও খবর নিল না, আর একা ওঘরে মরার মতো শুতে ভয় লাগছে। আমি কি কিছুক্ষণ এখানে থাকব?"
আমি মনে মনে এটাই চাচ্ছিলাম। আমি সরে গিয়ে জায়গা করে দিলাম। মা খুব সন্তর্পণে আমার বিছানার এক পাশে গা এলিয়ে দিলেন। ৪১ বছরের এক পূর্ণযৌবনা নারী, আমার মা, আজ আমারই বিছানায় আমার পাশে। তাঁর শরীরের সেই পরিচিত চন্দনের সুবাস আর বৃষ্টির সোঁদা গন্ধ মিলে এক নেশাতুর পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। আমি তাঁর ঠিক পাশেই শুয়ে ছিলাম, আমাদের শরীরের দূরত্ব ছিল মাত্র কয়েক ইঞ্চি। মায়ের নাইটির খসখস শব্দ আর তাঁর নিশ্বাসের ওঠানামা আমি স্পষ্ট অনুভব করছিলাম।
মা একসময় আমার হাতটা টেনে নিয়ে নিজের বুকের কাছে রাখলেন। "সৌরভ, তুই বড় হয়ে গেছিস, এখন তোকে দেখলে আমার খুব ভরসা হয়।"
আমি কোনো উত্তর দিতে পারলাম না, শুধু তাঁর সেই নরম হাতের ছোঁয়া অনুভব করতে লাগলাম। মায়ের সেই আকর্ষণীয় শরীর, তাঁর নিতম্বের ভাঁজ আর কোমরের সেই বিশেষ ভঙ্গি যা আমি অন্ধকারেই আন্দাজ করতে পারছিলাম—সব মিলিয়ে আমি এক ঘোরের মধ্যে তলিয়ে গেলাম। সে রাতে মা আর নিজের ঘরে ফিরে যাননি। ভোরের আলো ফোটার আগে পর্যন্ত আমরা ওভাবেই পাশাপাশি ছিলাম। মাঝরাতে কয়েকবার তাঁর শরীরের ঘর্ষণ আমার গায়ে লেগেছে, যা আমাকে ঘুমাতে দেয়নি।

ভোর হওয়ার ঠিক আগে, যখন পাখিরা ডাকতে শুরু করেনি, মা হঠাৎ জেগে উঠলেন। তিনি খুব সতর্কভাবে বিছানা থেকে নামলেন। তাঁর অগোছালো চুল আর রাতের সেই নাইটিটা ঠিক করে নিয়ে আমার দিকে একবার তাকালেন। মায়ের চোখে তখন এক ধরণের কৃতজ্ঞতা আর হয়তো কিছুটা অপরাধবোধ ছিল।
মা নিচু হয়ে আমার কপালে একটা চুমু খেয়ে বললেন, "আমি যাচ্ছি। তোর বাবা আর সীতা ওঠার আগেই ঘরে ফিরতে হবে। তুই ঘুমা।"
মা বিড়ালের মতো নিঃশব্দে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। আমি শুয়ে শুয়ে দরজার দিকে তাকিয়ে রইলাম। বিছানার যে পাশে মা শুয়ে ছিলেন, সেখানটা তখনও গরম হয়ে আছে আর মায়ের শরীরের সেই মায়াবী ঘ্রাণ সেখানে লেগে আছে।
সকালে যখন খাওয়ার টেবিলে সবার সাথে দেখা হলো, মা তখন একদম স্বাভাবিক। বাবার পাতে রুটি তুলে দিচ্ছেন, সীতার চুলের বিনুনি করে দিচ্ছেন। তাঁর সেই গাম্ভীর্য আর সম্ভ্রান্ত গৃহিণীর রূপটা আবার ফিরে এসেছে। কিন্তু খাওয়ার ফাঁকে মা যখন আমার দিকে তাকালেন, তাঁর চোখের সেই ক্ষণিকের ঝিলিক আমাকে মনে করিয়ে দিল—কাল রাতের সেই গোপন আশ্রয়টুকু আমাদের দুজনের এক একান্ত সম্পদ হয়ে রয়ে গেছে।
বাবার নাক ডাকা আর সীতার ঘুমের সুযোগে মা আর আমার এই এক রাতের সান্নিধ্য আমাকে অনেক বেশি সাহসী করে তুলেছে। আমি এখন শুধু অপেক্ষায় আছি সেই দুপুরের, যখন এই বিশাল বাড়িতে আমি আর মা সম্পূর্ণ একা থাকব।



.
.
.
এরপর...... !!
 
Reply


Messages In This Thread
মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:02 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:03 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:04 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:05 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:06 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:07 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:42 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:43 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:44 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:45 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:46 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:48 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:49 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:50 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:51 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:53 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:55 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:02 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)