Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood)
#4

04 




বৃষ্টির সেই রাতের পর থেকে আমাদের মধ্যে একটা অদৃশ্য সেতু তৈরি হয়ে গিয়েছিল। মা আগের মতোই গম্ভীর, আগের মতোই সম্ভ্রান্ত গৃহিণী; কিন্তু আমার জন্য তাঁর হুকুমগুলো এখন যেন অনেক বেশি নরম আর ব্যক্তিগত হয়ে উঠেছিল। আমি সুযোগের অপেক্ষায় ছিলাম, আর সেই সুযোগ এল ঠিক তিন দিন পর।

নির্জন দুপুরের সেই হাতছানি:
---------------------------
আজ বাবা কলেজে একটা বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার কাজে আটকে গিয়েছেন। ফিরতে বিকেল হবে। সীতা তার পাশের বাড়িতে একটি ছোট্ট মেয়ের সাথে খেলা করতে গিয়েছিল। বাড়িতে আমি আর মা—একেবারে একা। দুপুরের কড়া রোদ জানালার পর্দা ভেদ করে ঘরের ভেতর একটা গুমোট আবহাওয়া তৈরি করেছিল।


মা রান্নাঘরের কাজ শেষ করে নিজের ঘরে এসে ফ্যান ছেড়ে শুয়েছিলেন। আমি আমার ঘর থেকে মায়ের ঘরের দিকে পা বাড়ালাম। আমার হৃদপিণ্ড তখন কামারের হাপরের মতো ওঠানামা করছিল। দরজার পর্দা সরিয়ে ভেতরে ঢুকতেই দেখলাম, মা বিছানায় কাৎ হয়ে শুয়ে আছেন। পরনে সেই পাতলা নীল সুতির শাড়ি, যা তাঁর গায়ের ঘামে পিঠের সাথে লেপ্টে আছে। শাড়ির আঁচলটা অবিন্যস্তভাবে পায়ের কাছে পড়ে আছে, আর তাঁর সেই সুগঠিত ভারী নিতম্ব আর চিকন কোমরের ভাঁজটা এক অনন্য জ্যামিতি তৈরি করে রেখেছে।
আমি ধীরপায়ে বিছানার পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। মা চোখ বন্ধ করে ছিলেন, হয়তো তন্দ্রাচ্ছন্ন। আমি সাহস সঞ্চয় করে তাঁর গলার কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বললাম, "মা, তোমার কি আবার মাথাটা ব্যথা করছে?"
মা চমকে উঠে চোখ মেললেন। আমাকে দেখে তাঁর চোখে এক মুহূর্তের জন্য বিস্ময় ফুটে উঠলেও তিনি আবার শান্ত হলেন। একটু আড়মোড়া ভেঙে শুয়ে থেকেই বললেন, "না রে সৌরভ, শরীরটা কেমন যেন ম্যাজম্যাজ করছে। একটু পা দুটো টিপে দিবি?"
আমি আর দ্বিরুক্তি করলাম না। বিছানার নিচে বসে মায়ের পা দুটো নিজের কোলের ওপর তুলে নিলাম। মায়ের পায়ের পাতার নমনীয়তা আর আলতার লাল আভা আমাকে পাগল করে দিচ্ছিল। আমি যখন মালিশ করতে করতে ধীরে ধীরে তাঁর হাঁটুর দিকে উঠছিলাম, তখন আমার আঙুলগুলো বারবার শাড়ির ভাঁজ ছাড়িয়ে তাঁর সেই ফর্সা ও সুপুষ্ট উরুর কাছে পৌঁছাতে চাইছিল।
মা হঠাৎ একটু নড়ে উঠলেন। তাঁর শাড়িটা আরও একটু সরে গিয়ে তাঁর কোমরের সেই মেদযুক্ত আকর্ষণীয় অংশটা অনাবৃত হয়ে পড়ল। আমি সাহস করে আমার হাতটা পায়ের বদলে তাঁর কোমরের ওপর রাখলাম। মায়ের শরীরটা মুহূর্তের জন্য শক্ত হয়ে গেল।
মা আমার হাতটা সরিয়ে দিতে গিয়েও দিলেন না, শুধু নিচু স্বরে বললেন, "সৌরভ, ওটা কী করছিস? ওটা তো আর ব্যথার জায়গা না।"
মায়ের গলায় কোনো কঠোরতা ছিল না, বরং ছিল এক অদ্ভুত জড়তা। আমি আরও একটু সাহস সঞ্চয় করে মায়ের একদম কাছে ঘেঁষে বসলাম। তাঁর শরীরের সেই উত্তাপ আর গায়ের মাদকতাময় ঘ্রাণ আমার জ্ঞান হারিয়ে দিচ্ছিল। আমি তাঁর পিঠের ব্লাউজের নিচের খোলা অংশে হাত রেখে বললাম, "মা, তুমি তো জানো তোমার এই সৌরভ তোমার কত খেয়াল রাখে। তুমি একটু আরাম করো না।"
মা এবার আমার চোখের দিকে তাকালেন। তাঁর ৪১ বছরের অভিজ্ঞ চোখে এক ধরণের দোটানা—একদিকে তাঁর সম্ভ্রান্ত পরিবারের শিক্ষা আর মাতৃত্ব, অন্যদিকে একাকীত্বের অবচেতন তৃষ্ণা। তিনি আমার হাতটা আলতো করে সরিয়ে দিয়ে উঠে বসলেন। শাড়ির আঁচলটা গায়ে জড়িয়ে নিয়ে গম্ভীরভাবে বললেন, "অনেক হয়েছে, এখন যা তো। পড়াশোনা কর গিয়ে। বিকেলে তোর বাবা ফিরলে বাজারের ব্যাগ আনতে হবে।"
আমি বুঝতে পারলাম, মা পুরোপুরি সায় দিতে পারছেন না। তাঁর আভিজাত্যের দেয়ালটা এখনও শক্ত। কিন্তু তাঁর এই "যা তো" বলার মাঝে কোনো রাগ ছিল না, ছিল এক ধরণের প্রশ্রয়মাখা লজ্জা। আমি ঘর থেকে বেরিয়ে আসলাম ঠিকই, কিন্তু আমি জানতাম—বীজ বোনা হয়ে গেছে। মা আজ সরাসরি সায় না দিলেও, তাঁর শরীরের সেই মৃদু শিহরণ আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছিল যে তিনি আমার স্পর্শে একদম উদাসীন নন।
আমি মনে মনে হাসলাম। প্রথমবারেই কি আর সব পাওয়া যায়? আমি তাঁর সেই "হুকুমের গোলাম" হয়েই থাকব, যতক্ষণ না তিনি নিজেই আমাকে তাঁর কাছে টেনে নিচ্ছেন।



এরপর এইতো সেদিন, সোমবার বিকেলে বাবা কলেজে বাড়তি ক্লাসের জন্য আটকে গিয়েছিলেন, আর সীতা গিয়েছিল পাশের বাড়িতে থাকা ওর ছোট্ট বান্ধুবির বাসায়। আমি ড্রয়িংরুমে বসে টিভির রিমোট ঘোরাচ্ছিলাম, এমন সময় রান্নাঘর থেকে একটা কাঁচ ভাঙার শব্দ এল।
আমি এক দৌড়ে রান্নাঘরে গিয়ে দেখি, মা মেঝেতে বসে পড়েছেন। আলমারি থেকে কাঁচের বয়াম নামাতে গিয়ে সেটা হাত থেকে পড়ে ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। মা খুব বিব্রত মুখে কাঁচের টুকরোগুলো সরানোর চেষ্টা করছেন।
"মা, সরো! হাত কেটে যাবে তো!" আমি ব্যস্ত হয়ে তাঁর হাতটা ধরে ফেললাম।
মা আমার দিকে তাকিয়ে একটু মলিন হাসলেন। "দেখ তো সৌরভ, বয়স হচ্ছে বোধহয়। হাত থেকে জিনিস ফসকে যাচ্ছে।"
আমি মায়ের হাতটা ছাড়লাম না। উল্টো তাঁর পাশে মেঝেতে বসে পড়লাম। মায়ের সেই আকর্ষণীয় শরীরটা এখন আমার খুব কাছে। শাড়ির আঁচলটা কোমরে গোঁজা থাকায় তাঁর শরীরের প্রতিটি ভাঁজ আমার চোখের সামনে একেবারে স্পষ্ট। আমি কাঁচ সরাতে সরাতে লক্ষ্য করলাম, মায়ের পায়ের বুড়ো আঙুলের পাশ দিয়ে ফিনকি দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছে। একটা ছোট কাঁচের টুকরো ঢুকে গেছে।
"মা, রক্ত বেরোচ্ছে! তুমি একদম নড়বে না।"
আমি একরকম জোর করেই মাকে পাঁজাকোলা করে তুলে নিলাম। পায়ের মসৃণ পেটটা আমার সামনে উন্মুক্ত হয়ে আছে। আমি মাকে পাঁজাকোলে নিয়ে ড্রয়িংরুমের সোফায় বসালাম। ৪১ বছরের সেই সুপুষ্ট শরীরের ভার যখন আমার দুই হাতের ওপর পড়ল, তখন আমার ভেতরটা তোলপাড় হয়ে যাচ্ছিল। মায়ের গায়ের সেই চন্দন সাবানের ঘ্রাণ আর তাঁর নিশ্বাসের উষ্ণতা আমার ঘাড়ের ওপর আছড়ে পড়ছিল। মা কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে আমার কাঁধটা ধরেছিলেন। তাঁর সেই ধরায় কোনো বাধা ছিল না, ছিল এক ধরণের অসহায় নির্ভরতা।
সোফায় বসিয়ে আমি ফার্স্ট এইড বক্স নিয়ে এলাম। আমি হাঁটু গেড়ে মায়ের পায়ের কাছে বসলাম। আলতো করে তাঁর পা-টা নিজের কোলের ওপর তুলে নিলাম। মা প্রথমে একটু পা-টা সরিয়ে নিতে চাইলেন।
"সৌরভ, থাক না। আমি নিজেই পারব।"
আমি তাঁর চোখের দিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বললাম, "মা, বাবার তো খেয়াল নেই, অন্তত আমাকে তো নিজের কাজটা করতে দাও।"
আমার কথায় মা চুপ হয়ে গেলেন। তাঁর চোখে এক ধরণের বিচিত্র অনুভূতি খেলে গেল। আমি খুব সাবধানে চিমটা দিয়ে কাঁচের টুকরোটা বের করলাম। মা যন্ত্রণায় একটা অস্ফুট শব্দ করে আমার মাথাটা তাঁর দুই হাত দিয়ে চেপে ধরলেন। তাঁর হাতের আঙুলগুলো যখন আমার চুলে বিলি কাটছিল, তখন আমার মনে হচ্ছিল আমি কোনো পরম স্বর্গে আছি।
রক্ত বন্ধ করার জন্য আমি যখন ডেটল দিচ্ছিলাম, মা মৃদু স্বরে বললেন, "তোর হাতের ছোঁয়াটা বড় অদ্ভুত রে সৌরভ। খুব জ্বলে, কিন্তু আরামও লাগে।"
আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু তাঁর পায়ের নখ থেকে হাঁটু পর্যন্ত জমে থাকা ধুলো নিজ হাতে মুছে দিলাম। মা কোনো বাধা দিলেন না। বরং এক গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে সোফায় হেলান দিলেন। এই সাধারণ একটা চোট আমাদের মাঝখানের সেই অদৃশ্য দেয়ালটাকে আরও পাতলা করে দিল। মা হয়তো বুঝছিলেন যে এই ছেলেটা এখন আর কেবল ছেলে নেই, সে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় অবলম্বন হয়ে উঠছে।
বিকেলে বাবা যখন ফিরলেন, মা কিছুই বললেন না। শুধু আমার দিকে তাকিয়ে একবার হাসলেন। সেই হাসিতে এক ধরণের গোপন স্বীকৃতি ছিল।
মায়ের এই ছোট ছোট নির্ভরতাগুলোই আমাকে প্রতিদিন একটু একটু করে সাহসী করে তুলছিল। আমি বুঝতে পারছিলাম, মা তাঁর নিজের গণ্ডির ভেতরে থেকেও আমার জন্য দরজাটা একটু একটু করে খুলে দিচ্ছেন।

সন্ধ্যা হওয়ার পর থেকেই বাড়িতে এক ধরণের গভীর নিস্তব্ধতা। আমি আমার ঘরে বসে পড়ছিলাম, এমন সময় পাশের ঘর থেকে মায়ের কণ্ঠস্বর ভেসে এল।
"সৌরভ, একটু ভেতরে আয় তো বাবা। একটা খুব বিপদে পড়েছি।"
আমি তড়িঘড়ি করে মায়ের ঘরে ঢুকলাম। দেখলাম মা আলমারির সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। আলমারির পাল্লাগুলো খোলা, আর মেঝেতে শাড়ি-ব্লাউজ সব অগোছালো হয়ে ছড়িয়ে আছে। মা পরনে একটি বাসন্তী রঙের শাড়ি পরেছিলেন, যাতে তাঁর গায়ের ফর্সা বর্ণ আরও উজ্জ্বল দেখাচ্ছিল।
মা আমাকে দেখে বিরক্তির সুরে বললেন, "দেখ তো সৌরভ, এই আলমারির উপরের লকারটা কিছুতেই খুলছে না। বোধহয় চাবিটা ভেতরে আটকে গেছে। আমার সব দরকারি গয়না আর নথিপত্র ওখানে। ভেবেছিলাম আজকে একটু গুছিয়ে রাখবো"

সন্ধ্যা হওয়ার পর থেকেই বাড়িতে এক ধরণের গভীর নিস্তব্ধতা। আমি আমার ঘরে বসে পড়ছিলাম, এমন সময় পাশের ঘর থেকে মায়ের কণ্ঠস্বর ভেসে এল।
"সৌরভ, একটু ভেতরে আয় তো বাবা। একটা খুব বিপদে পড়েছি।"
আমি তড়িঘড়ি করে মায়ের ঘরে ঢুকলাম। দেখলাম মা আলমারির সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। আলমারির পাল্লাগুলো খোলা, আর মেঝেতে শাড়ি-ব্লাউজ সব অগোছালো হয়ে ছড়িয়ে আছে। মা পরনে একটি বাসন্তী রঙের শাড়ি পরেছিলেন, যাতে তাঁর গায়ের ফর্সা বর্ণ আরও উজ্জ্বল দেখাচ্ছিল।
মা আমাকে দেখে বিরক্তির সুরে বললেন, "দেখ তো সৌরভ, এই আলমারির উপরের লকারটা কিছুতেই খুলছে না। বোধহয় চাবিটা ভেতরে আটকে গেছে। আমার সব দরকারি গয়না আর নথিপত্র ওখানে।"


অনেকদিন পর শুক্রবারের সকালে বাড়িতে দাদার প্রবেশ যেন এক নিস্তব্ধ পুকুরে ঢিল ছোড়ার মতো হলো। দাদা (সোহাগ) ঢুকেই এক হইচই শুরু করে দিল—তার ইন্টার্নি কেমন চলছে, ক্যাম্পাসের গল্প, আরও কত কী! বাবা তো গদগদ হয়ে ছেলের কথা শুনছেন। আর মা? মাকে দেখে আমার মেজাজটা আরও বিগড়ে গেল।


মা সকাল থেকেই রান্নাঘরে ব্যস্ত। দাদার পছন্দের ইলিশ মাছের মাথা দিয়ে কচুর শাক, খাসির মাংস আর পায়েস—সব আয়োজন তাঁর বড় ছেলের জন্য। অথচ গত কয়েকদিন আমি তাঁর কত সেবা করেছি, কত যত্ন নিয়েছি, সে সব যেন নিমিষেই ধুলোয় মিশে গেল। মা যখন ঘামতে ঘামতে বড় বড় বাটিগুলো ডাইনিং টেবিলে সাজাচ্ছিলেন, তখন তাঁর মুখে এক অদ্ভুত তৃপ্তির হাসি। সেই হাসিটা আজ আমার জন্য ছিল না।
আমি গম্ভীর হয়ে ড্রয়িংরুমের সোফায় বসে বইয়ের পাতায় মুখ গুঁজে ছিলাম। মা কয়েকবার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেন, "কিরে সৌরভ, মুখটা এমন হাঁড়ি করে আছিস কেন? দাদা এসেছে, ওর সাথে কথা বল।"
আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু একবার আড়চোখে মায়ের সেই আকর্ষণীয় অবয়বটার দিকে তাকালাম। শাড়ির আঁচলটা তাঁর কোমরে শক্ত করে প্যাঁচানো, রান্নাঘরের গরমে কপালে টিপটা একটু সরে গেছে। মা যখন বড় একটা গ্লাসে শরবত নিয়ে দাদার ঘরে গেলেন, তখন আমার ভেতরের হিংসাটা চরমে পৌঁছাল।
দুপুরে খাবার টেবিলে বসে আমি আরও স্পষ্ট করে আমার বিরক্তি বুঝিয়ে দিলাম। মা আমার পাতে মাংসের সেরা টুকরোটা তুলে দিতে গেলেন, আমি হাত দিয়ে সরিয়ে দিলাম।
"লাগবে না মা। তোমার বড় ছেলের পাতেই সব দাও, আমি এমনিই খাব।"
মা এক মুহূর্তের জন্য থমকে গেলেন। টেবিলের সবার সামনে তিনি কিছু বললেন না, কিন্তু তাঁর ডাগর চোখের চাহনিতে একটা বিষণ্ণতা ফুটে উঠল। তিনি বুঝতে পারলেন তাঁর ছোট ছেলেটা আজ অবাধ্য হচ্ছে। বাবা আর দাদা তখন গল্পে মশগুল, তাঁরা আমার এই নীরব যুদ্ধটা টেরই পেলেন না।
খাওয়া শেষ করে আমি যখন গটগট করে নিজের ঘরে চলে আসলাম, তখন মা পেছন থেকে ডাকলেন, "সৌরভ, শোন..." আমি শুনলাম না।
বিকেলে দাদা আর বাবা যখন ড্রয়িংরুমে বসে টিভিতে ক্রিকেট খেলা দেখছিলেন, আমি তখন জানালার গ্রিল ধরে বাইরের ধূসর আকাশ দেখছিলাম। হঠাৎ দরজার কাছে একটা ছায়া পড়ল। মা।
মায়ের হাতে একটা পিরিচে দু'ফালি করে কাটা আম আর একটু নুন-লঙ্কার গুঁড়ো। তিনি ধীরপায়ে আমার কাছে এসে দাঁড়ালেন। বাড়িতে হইচই থাকলেও এই ঘরটা এখন একদম শান্ত।
মা খুব নিচু স্বরে বললেন, "আমার ওপর রাগ করেছিস বাবা? ও তো অনেকদিন পর এল, তাই একটু..."
আমি মুখ ঘুরিয়ে বললাম, "তুমি ওর সাথে থাকো মা। আমার সেবা তো আর তোমার লাগবে না। আমি তো শুধু তোমার ফাই-ফরমাশ খাটার লোক।"
মা আমটা টেবিলের ওপর রেখে আমার একদম কাছে এলেন। তাঁর শরীরের সেই পরিচিত চন্দন ঘ্রাণ আমাকে আবার পাগল করে দিচ্ছিল। মা আমার কাঁধে হাত রাখলেন। তাঁর আঙুলের স্পর্শে এক ধরণের মিনতি ছিল। ৪১ বছরের সেই সম্ভ্রান্ত নারী আজ যেন আমার কাছে ক্ষমা চাইছিলেন।
"পাগল ছেলে! তুই যে আমার কত আপন, তা কি মুখ ফুটে বলতে হয়? তুই পাশে না থাকলে তো আমার এই বাড়িটাই মরুভূমি মনে হতো।"
মায়ের সেই শান্ত কণ্ঠ আর চোখের ওই মমতা আমার সব রাগ ধুয়ে মুছে দিল। কিন্তু আমি মনে মনে ভাবলাম, মা, এই হইচই আমার ভালো লাগে না। বাবা আর দাদা না থাকলেই আমি তোমাকে সবচেয়ে বেশি কাছে পাই। তখন তুমি শুধু আমার, আর আমি তোমার সেই হুকুমের গোলাম।

মা আমার চুলে হাত বুলিয়ে দিয়ে বললেন, "এখন এগুলো খেয়ে নে। ওরা তো খেলায় মত্ত, তুই একটু আমার কাছে এসে বসবি? আলমারির নিচে অনেকগুলো কাপড় জমেছে, ওগুলো একটু গুছিয়ে দিস তো।"
আমি বুঝলাম, মা আমাকে শান্ত করার জন্য আবার কোনো বাহানা খুঁজছেন।



.
.
.
.
এরপর...... !!
 
Reply


Messages In This Thread
মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:02 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:03 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:04 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:05 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:06 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:07 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:42 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:43 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:44 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:45 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:46 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:48 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:49 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:50 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:51 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:53 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:55 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:02 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)