Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood)
#5

05 





বিকেল গড়িয়ে যখন সন্ধ্যা নামল, মা আমাকে চোখের ইশারায় তাঁর ঘরে ডাকলেন। বাবা আর দাদা তখন ড্রয়িংরুমে বসে পুরোনো কোনো আত্মীয়ের গল্পে মশগুল। আমি যখন মায়ের ঘরে ঢুকলাম, দেখলাম মা আলমারির সামনে স্তূপ হয়ে থাকা এক গাদা ধোয়া কাপড় নিয়ে বসে আছেন।
মা নিচু স্বরে বললেন, "কিরে, এখনো রাগ কমেনি? মেজো ছেলেটা আমার এত জেদি হবে আগে বুঝিনি তো!"
আমি কোনো কথা না বলে বিছানার এক কোণে বসে কাপড় ভাঁজ করতে শুরু করলাম। মা আমার ঠিক পাশেই মেঝেতে বসে ছিলেন। ঘরের দরজাটা একটু ভেজানো। মা যখন কাপড়গুলো গুছিয়ে আমার হাতে দিচ্ছিলেন, তখন তাঁর হাতের স্পর্শে আমি এক ধরণের অধিকার অনুভব করছিলাম।
মা হঠাৎ খুব নরম গলায় বললেন, "সোহাগ তো পরশু আবার চলে যাবে। মাঝখানের এই সময়টায় ও একটু যত্ন পায় বলে কি তুই আমায় ভুল বুঝবি? এই ঘরে তো তুই-ই আমার চব্বিশ ঘণ্টার সঙ্গী।"

মায়ের এই স্বীকারোক্তি আমার ভেতরে এক ধরণের বিজয়ীর হাসি ফুটিয়ে তুলল। আমি মায়ের চোখের দিকে তাকালাম। মায়ের কপালে ঘাম জমেছে, আর তাঁর সেই ডাগর চোখে এক ধরণের আর্তি ছিল। আমি কাপড়ের ভাঁজ সরিয়ে দিয়ে মায়ের হাতের ওপর হাত রাখলাম।
মা চমকে উঠলেন, কিন্তু হাতটা সরিয়ে নিলেন না। আমি ফিসফিস করে বললাম, "মা, আমি চাই না তোমার ওপর অন্য কারোর অধিকার থাকুক। এমনকি দাদারও না।"
মা একটু হেসে আমার মাথাটা তাঁর বুকের কাছে টেনে নিলেন। তাঁর শরীরের সেই পরিচিত উষ্ণতা আর ব্লাউজের ভেতরের সেই মাতাল করা ঘ্রাণ আমাকে মুহূর্তের জন্য নিথর করে দিল। মা আমার চুলে বিলি কাটতে কাটতে বললেন, "পাগল ছেলে! তুই তো আমার কলিজার টুকরো।"


এভাবে দুই মা ছেলে মিলে সবগুলো কাপর গুছিয়ে ফেলেলাম।

আমাদের বাড়িতে প্রত্যেকের আলাদা আলাদা রুম আছে। এমন কি বাবা মায়ের ও আলাদা রুম আছে। কেননা মাঝেমধ্যেই বাবার রাত জেগে পরীক্ষার খাতা দেখতে হয়।


রাত প্রায় বারোটা। দাদা বাবার ঘরেই মেঝেতে বিছানা করে শুয়েছে, ওরা দুই বাপ-বেটা অনেক রাত পর্যন্ত কথা বলবে। সীতাও অনেক আগে ঘুমিয়ে পড়েছে। আমি জানতাম মা এখন একা ঘরে। আমি পা টিপে টিপে মায়ের ঘরে ঢুকলাম।
মা তখন জানালার দিকে মুখ করে শুয়ে ছিলেন। ঘরের নীল আলোয় তাঁর শরীরের সেই ভারী বাঁকগুলো এক মোহনীয় রূপ নিয়েছিল। আমি গিয়ে সরাসরি মায়ের বিছানায় তাঁর পিঠের কাছে বসলাম। মা জেগে ছিলেন, আমার উপস্থিতি বুঝতে পেরে তিনি পাশ ফিরে তাকালেন।
"সৌরভ? এত রাতে এখানে কেন বাবা? ঘুমাসনি?" মায়ের গলায় এক ধরণের আতঙ্ক মেশানো বিস্ময়।
আমি তাঁর প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে একটু ঝুঁকে তাঁর মুখের কাছে গিয়ে বললাম, "আমার ঘুম আসছে না মা। সারাদিন তুমি আমাকে অবহেলা করেছ, এখন সেটার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।"
আমি আমার হাতটা সরাসরি মায়ের পিঠের ওপর রাখলাম। নাইটির পাতলা কাপড়ের নিচ দিয়ে মায়ের মসৃণ ত্বকের স্পর্শে আমার শরীরে আগুন জ্বলে উঠল। মা একটু পিছিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে বললেন, "পাগল হয়েছিস? বাবা বা দাদা যদি উঠে আসে?"
আমি তাঁর কথার তোয়াক্কা না করে আরও চেপে বসলাম। আমার অন্য হাতটা দিয়ে তাঁর চুলের মুঠিটা আলতো করে ধরলাম। "কেউ আসবে না মা। আমি আজ তোমার পাশে এভাবেই থাকব।"
মায়ের চোখে তখন এক ধরণের তীব্র দ্বন্দ্ব। তাঁর ৪১ বছরের আভিজাত্য একদিকে, আর অন্যদিকে আমার এই উন্মাদের মতো ভালোবাসা। তিনি বুঝতে পারছিলেন আমি আজ আর কেবল সেই ছোট্ট ছেলেটি নেই যে তাঁর হুকুম শুনে ঘরে চলে যাবে।

মা চোখ বন্ধ করে ছিলেন, কিন্তু তাঁর দ্রুত নিশ্বাস আর বুকের ওঠা-নামা বলে দিচ্ছিল তিনি সজাগ। আমি সাহসে ভর করে আমার অন্য হাতটা দিয়ে তাঁর আলগা হয়ে থাকা চুলের রাশি একপাশে সরিয়ে দিলাম। তাঁর উন্মুক্ত ঘাড় আর কানের লতির পাশটা চাঁদের ম্লান আলোয় হিরের মতো চকচক করছিল।
আমি ফিসফিস করে বললাম, "মা, তোমার শরীরটা আজ খুব কাঁপছে। কিন্তু কেন?"
মা কোনো উত্তর দিলেন না, শুধু তাঁর হাতটা দিয়ে আমার হাতটা শক্ত করে চেপে ধরলেন—যেন তিনি আমাকে সরাতেও পারছেন না, আবার প্রশ্রয় দিতেও ভয় পাচ্ছেন। আমি আমার মুখটা আরও কাছে নিয়ে গেলাম। তাঁর গলার সেই পরিচিত চন্দন আর ঘামের মাদকতাময় গন্ধ আমাকে দিশেহারা করে দিচ্ছিল। আমি যখন আমার ঠোঁট তাঁর ঘাড়ের খুব কাছে নিয়ে আলতো করে ছোঁয়ালাম, মা এক অস্ফুট শব্দ করে আমার শার্টের হাতা খামচে ধরলেন।


৪১ বছরের এক সুগঠিত শরীর, যাঁর প্রতিটি বাঁক আজ আমার হাতের মুঠোয়। আমি আমার হাতটা আরও নিচে নিয়ে গেলাম, মায়ের সেই চওড়া নিতম্ব আর উরুর সন্ধিস্থলে নাইটির ভাঁজগুলো আরও কুঁচকে এল। মা এবার আমার চোখের দিকে তাকালেন। তাঁর ডাগর চোখে আজ কোনো শাসন নেই, ছিল এক ধরণের অদ্ভুত তৃষ্ণা আর আত্মসমর্পণ।
মা খুব নিচু স্বরে বললেন, "সৌরভ... অনেক হয়েছে বাবা, কেউ দেখে ফেললে সর্বনাশ হয়ে যাবে।"
কিন্তু তাঁর গলার সেই মিনতি ছিল বড় দুর্বল। আমি তাঁর হাতের ওপর আমার আঙুল বুলিয়ে বললাম, "কেউ দেখবে না মা। এই রাতটা শুধু আমাদের। আজ সারাদিন তুমি দাদার কাছে ছিলে, এখন তোমার প্রতিটি নিশ্বাস শুধু আমার জন্য।"
আমি যখন মায়ের কোমরের সেই মেদযুক্ত আকর্ষণীয় ভাঁজে আমার আঙুলগুলো দিয়ে একটু চাপ দিলাম, মা আমার বুকে মাথা এলিয়ে দিলেন। তাঁর সেই উন্নত বক্ষ আমার শরীরে আছড়ে পড়ছিল, আর আমার হাতের তালুতে তখন মায়ের শরীরের প্রতিটি কাঁপুনি স্পষ্ট অনুভূত হচ্ছিল। আমরা ওভাবেই দীর্ঘক্ষণ বসে রইলাম। মা হয়তো মনে মনে তাঁর আভিজাত্য আর সম্ভ্রান্তবোধের সাথে লড়াই করছিলেন, কিন্তু তাঁর শরীরের এই উষ্ণতা আর আমার প্রতি এই নিঃশব্দ আত্মসমর্পণ বলে দিচ্ছিল—তিনিও এই নিষিদ্ধ স্পর্শের অতল গভীরে ডুব দিতে শুরু করেছেন।


পরদিন সকালে যখন রোদেলা আকাশ দেখা দিল, বাড়িটা আবার সেই পরিচিত হইচইয়ে ভরে উঠল। দাদা ডাইনিং টেবিলে বসে জোর গলায় গল্প করছে, আর বাবা চায়ে চুমুক দিচ্ছেন। মা রান্নাঘর থেকে বেরোলেন একটা বড় ট্রেতে জলখাবার নিয়ে।
মা যখন টেবিলের কাছে এলেন, সবার নজর তখন দাদার গল্পের দিকে। আমি চুপচাপ চেয়ারে বসে ছিলাম। মা যখন আমার সামনে প্লেটটা রাখলেন, তখন হঠাৎ করেই তাঁর বাঁ হাতের আঙুলগুলো আমার হাতের তালুতে একটু বেশি সময় ধরে চেপে ধরলেন। তাঁর সেই এক মুহূর্তের স্পর্শে কাল রাতের সবটুকু দহন আর গোপন স্বীকৃতি মিশে ছিল।
আমি মায়ের চোখের দিকে তাকালাম। মা দ্রুত চোখ সরিয়ে নিলেন, কিন্তু তাঁর ঠোঁটের কোণে একটা ম্লান লাজুক হাসি ফুটে উঠেছিল—যা কেবল আমিই দেখতে পেলাম। সবার সামনে তিনি সেই সম্ভ্রান্ত গৃহিণী, কিন্তু ওই টেবিলের তলায় আমাদের যে নীরব ইশারা বিনিময় হলো, তা দাদাকে পরিবেশন করা রাজকীয় খাবারের চেয়েও অনেক বেশি তৃপ্তিদায়ক ছিল।
দাদা বলল, "মা, আজকের লুচিটা দারুণ হয়েছে!"
মা আমার দিকে একবার তাকিয়ে মিষ্টি করে হেসে দাদাকে বললেন, "তোর ভাইয়ের পছন্দমতোই তো করেছি, ও আবার বেশি তেল পছন্দ করে না।"

মায়ের এই প্রতিটি কথায় আজ আমার জন্য এক আলাদা জয়ধ্বনি বাজছিল।
দাদার উপস্থিতিতেও মায়ের এই নীরব প্রশ্রয় আমাদের সম্পর্ককে এক অনন্য স্তরে নিয়ে গেল।

বিকেলের রোদটা তখন ম্লান হয়ে আসছিল। বাড়ির ভেতর একটা অদ্ভুত ব্যস্ততা—দাদা তার ব্যাগ গুছাচ্ছে, বাবা তাকে শেষ মুহূর্তের কিছু উপদেশ দিচ্ছেন। আমি জানি, কাল সকালেই দাদা চলে যাবে। ড্রয়িংরুমে ওদের গলা শোনা যাচ্ছিল, আর মা তখন নিজের ঘরে আলমারির সামনে দাঁড়িয়ে দাদার জন্য কিছু শুকনো খাবার আর নতুন কেনা পাঞ্জাবিটা গুছিয়ে দিচ্ছিলেন।
আমি পা টিপে টিপে মায়ের ঘরে ঢুকলাম। দরজাটা আধখোলা ছিল, আমি ভেতরে ঢুকে আলতো করে ভেজিয়ে দিলাম। মা তখন নিচু হয়ে একটা বড় ব্যাগে শার্টগুলো ভাঁজ করে রাখছিলেন। শাড়ির আঁচলটা তাঁর কোমরে গোঁজা, আর নিচু হওয়ার কারণে তাঁর সেই ভারী নিতম্ব আর সুগঠিত কোমর শাড়ির ভাঁজে এক উত্তাল দৃশ্য তৈরি করেছিল। বিশাল পাছাটা কাপড় ফেটে বেরিয়ে আসতে চাইছে যেন!

আমি পিছু ফিরে দাঁড়ানো মায়ের ঠিক পেছনে গিয়ে দাঁড়ালাম। আমার শরীরের ছায়াটা তাঁর ওপর পড়তেই মা একটু চমকে উঠলেন, কিন্তু ঘুরে তাকালেন না। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন এটা কে।
"সৌরভ? এখানে কেন? দাদাকে সাহায্য কর গে যা," মা নিচু স্বরে বললেন। তাঁর গলায় শাসনের চেয়ে এক ধরণের কম্পন বেশি ছিল।
আমি কোনো উত্তর না দিয়ে আরও এক ধাপ এগোলাম। মায়ের পিঠের খুব কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম। তাঁর সেই চন্দন সাবানের ঘ্রাণ আর রান্নার হালকা মশলার গন্ধ মিলে এক মায়াবী সুবাস আমার নাকে ধাক্কা দিচ্ছিল। আমি সাহস করে আমার হাতটা মায়ের কোমরের সেই উন্মুক্ত অংশে রাখলাম, যেখানে ব্লাউজ আর শাড়ির মাঝখানে ফর্সা চামড়াটা ঘামে হালকা ভিজে ছিল।
মা শিউরে উঠলেন। তাঁর হাতের কাজটা থেমে গেল। "সৌরভ... কী করছিস? বাইরে ওরা আছে, কেউ চলে আসবে!"
আমি ফিসফিস করে তাঁর কানের একদম কাছে গিয়ে বললাম, "ওরা এখন ব্যস্ত মা। কাল তো দাদা চলেই যাচ্ছে। আজ বিকেলটা কি আমার পাওনা নয়?"
আমি আমার অন্য হাতটা দিয়ে মায়ের কাঁধ ধরে তাঁকে নিজের দিকে ঘোরালাম। মা যখন ঘুরে আমার মুখোমুখি হলেন, তাঁর মুখটা ছিল একদম লাল। ৪১ বছরের এক সম্ভ্রান্ত নারী, যাঁর ডাগর চোখে এখন এক ধরণের অসহায় আত্মসমর্পণ। তাঁর বুকটা দ্রুত ওঠানামা করছিল, যা পাতলা শাড়ির নিচ দিয়ে স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছিল।
আমি মায়ের গালে হাত রাখলাম। তাঁর চামড়াটা আগুনের মতো গরম। মা আমার চোখের দিকে তাকাতে পারছিলেন না। তিনি আমতা আমতা করে বললেন, "তুই বড্ড অবাধ্য হয়েছিস সৌরভ। এমন করলে আমি কিন্তু আর তোর ঘরে যাব না।"
আমি হাসলাম। "তুমি যাবে মা। কারণ তুমি জানো, আমি ছাড়া তোমার এই রূপের কদর আর কেউ বোঝে না।"
আমি যখন আমার আঙুলগুলো দিয়ে মায়ের ঠোঁটের নিচে সেই ছোট্ট তিলটা ছুঁলাম, মা এক গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে আমার বুকে মাথা রাখলেন। তাঁর সেই উন্নত বক্ষ আমার শরীরে আছড়ে পড়ছিল। বাইরে তখন দাদার হাঁকডাক শোনা যাচ্ছিল, কিন্তু এই ঘরের ভেতর আমরা দুজন এক নিষিদ্ধ স্বর্গের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলাম।
মা আমার শার্টের হাতা খামচে ধরে ফিসফিস করে বললেন, "এখন যা বাবা, প্লিজ। রাতে... রাতে কথা হবে। এখন বেরো।"
মায়ের এই "রাতে কথা হবে" আশ্বাসটুকু আমার কাছে যেন এক মস্ত বড় বিজয়। আমি মায়ের কপালে আলতো করে একটা স্পর্শ দিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এলাম। ড্রয়িংরুমে গিয়ে দাদার সাথে হাসিমুখে কথা বলতে শুরু করলাম, কিন্তু আমার মনের ভেতরে তখন রাতের সেই নির্জন মুহূর্তের জন্য এক উন্মাদনা কাজ করছিল।
দাদা কাল চলে যাবে, আর মা আমাকে রাতের জন্য কথা দিয়েছেন।
Reply


Messages In This Thread
মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:02 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:03 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:04 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:05 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:06 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:07 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:42 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:43 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:44 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:45 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:46 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:48 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:49 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:50 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:51 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:53 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:55 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:02 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)