Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood)
#7

 07



দাদা চলে যাওয়ার পর বাড়িটা যেন হঠাৎ করেই অনেক বড় আর নিস্তব্ধ হয়ে গেল। বাবা কলেজে চলে গেছেন, সীতাও ওর বান্ধবীর বাড়িতে। তপ্ত দুপুরের রোদে চারপাশ খাঁ খাঁ করছে। বাইরের নিস্তব্ধতা যেন ঘরের ভেতরের উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছিল। মা রান্নাঘরের কাজ সেরে স্নান করে নিজের ঘরে ঢুকেছিলেন।
আমি জানতাম, গতকাল রাতের সেই 'হাতের মাপ' নেওয়া স্পর্শগুলো মায়ের শরীরের রক্তে এক ধরণের অস্থিরতা তৈরি করে দিয়ে গেছে।
আমি যখন মায়ের ঘরের দরজায় দাঁড়ালাম, দেখলাম মা জানালার দিকে পেছন ফিরে দাঁড়িয়ে আলমারি থেকে একটা শাড়ি বের করছেন। স্নান সেরে এসেছেন বলে তাঁর চুলগুলো ভেজা, পিঠের ওপর ছড়িয়ে আছে। তাঁর পরনে কেবল একটি পাতলা সায়াসমেত ব্লাউজ। ভিজে চুলের জল চুইয়ে তাঁর ব্লাউজের পেছনের অংশটা কামড়ে ধরেছে তাঁর ফর্সা পিঠের সাথে।
আমি নিঃশব্দে ভেতরে ঢুকে পেছন থেকে মাকে জড়িয়ে ধরলাম। মা চমকে উঠলেন, কিন্তু চিৎকার করলেন না। তাঁর শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল।
"সৌরভ! কেউ এসে পড়বে... ছাড় আমাকে," মা হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন, কিন্তু তাঁর শরীরটা আমার দিকেই হেলে পড়ল।
আমি তাঁর ঘাড়ে মুখ গুঁজে ফিসফিস করে বললাম, "মা, এখন এই বাড়িতে আমরা ছাড়া কেউ নেই। কাল রাতে যা শুধু হাতের মাপে চিনেছি, আজ তা সরাসরি দেখতে চাই।"
আমি আমার হাত দুটো মায়ের পেটের ওপর দিয়ে জড়িয়ে ধরলাম। স্নান করা শরীরের সেই শীতলতা আর ব্লাউজের নিচ দিয়ে তাঁর তপ্ত চামড়ার ছোঁয়া আমাকে পাগল করে দিচ্ছিল। আমি এক টানে তাঁর ব্লাউজের পেছনের হুকগুলো খুলে দিলাম। মা এক আর্তনাদ করে সামনে ঝুঁকে পড়লেন, কিন্তু আমি তাঁকে ছাড়লাম না।
মায়ের উন্মুক্ত পিঠ আর কোমরের সেই গভীর বাঁক এখন আমার চোখের সামনে। আমি আমার আঙুলগুলো দিয়ে তাঁর মেরুদণ্ড বরাবর নিচে নামতে লাগলাম। মা এক অদ্ভুত ঘোরের মধ্যে তাঁর মাথাটা আমার কাঁধে এলিয়ে দিলেন। তাঁর সেই ৪১ বছরের সুপুষ্ট শরীরটা এখন আমার সম্পূর্ণ আয়ত্তে।
আমি তাঁকে ঘুরিয়ে বিছানার ওপর বসিয়ে দিলাম। মায়ের চোখের চাহনি তখন আর মায়ের মতো নেই, তা এক তৃষ্ণার্ত নারীর মতো। আমি হাঁটু গেড়ে তাঁর সামনে বসলাম এবং তাঁর সায়ার ডোরিটা আলগা করে দিলাম। মায়ের সেই ভারী এবং মাংসল উরুদ্বয় অর্থাৎ মাতৃযোনী যখন শাড়ির আবরণমুক্ত হয়ে আমার সামনে এল, আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম। সায়ার বাঁধনটা পুরোপুরি আলগা হতেই, তখন আমার চোখের সামনে উন্মোচিত হলো এক নিষিদ্ধ ও স্বর্গীয় জ্যামিতি।



মায়ের এই ৪১ বছরের পরিপক্ক দেহের কেন্দ্রবিন্দুটি ছিল এক অনন্য শিল্পের মতো। তাঁর দু'পাশের সেই ভারী এবং মাংসল উরুদ্বয়, যা কোনো নিপুণ ভাস্করের তৈরি শ্বেতপাথরের স্তম্ভের মতো মসৃণ ও সুপুষ্ট, তাদের মাঝখানে লুকানো ছিল এই রহস্যময় মাতৃগুদ তথা বয়সের চাপে হওয়া পরিপক্ক যোনি।

মায়ের এই গোপন স্থানটি ছিল এক রাজকীয় আভিজাত্যে ঘেরা। তাঁর তলপেটের সেই নমনীয় মেদযুক্ত ভাঁজের ঠিক নিচেই ছিল এই উন্নত ও ভরাট মন্মথ-মন্দির। গুদের চারদিক ঘিরে ঘাসের মতো নরম কালো কেশরাশি এক নিবিড় বুনটে ঢাকা দিয়ে রেখেছিল মায়ের নারীত্বের চূড়ান্ত রহস্যকে। রোদের ম্লান আলোয় এই রোমশ গুদারণ্যকে দেখাচ্ছিল এক অন্ধকার উপত্যকার মতো, যা কোনো পথিকের জন্য চিরস্থায়ী তৃষ্ণার কারণ হতে পারে। বর্তমানে আমিই সেই পথিক।
আমি যখন সায়ার আবরণটা পুরোপুরি সরিয়ে দিলাম, তখন দেখলাম মায়ের সেই যোনিদ্বারটি ছিল দুটি পাপড়ির মতো নিবিড়ভাবে লেগে থাকা এক মায়াবী রেখা। ফর্সা উরুর মাঝখানে মায়ের পরিপক্ক ভোদাটি, হালকা গোলাপি আর কালচে রঙের এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ, যা ৪১ বছরের অভিজ্ঞতার এক শান্ত আভা দিচ্ছিল। সেখানে জমে থাকা হালকা স্বেদবিন্দুগুলো মুক্তোর মতো চিকচিক করছিল, যা এক মাদকতাময় সুবাস ছড়িয়ে দিচ্ছিল সারা ঘরে। সেই সুবাস কোনো কৃত্রিম পারফিউমের নয়, বরং এক আদিম ও অকৃত্রিম নারীত্বের ঘ্রাণ। মাতৃ যোনীর সুঘ্রাণ.!
মায়ের এই গোপন অঙ্গের প্রতিটি ভাঁজ ছিল যেন এক মহাকাব্যের একেকটি অধ্যায়। আমি যখন আমার আঙুল দিয়ে ভোদার নিবিড় বুনোটের ওপর আলতো করে স্পর্শ করলাম, মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে পা দুটো আরও ছড়িয়ে দিলেন। তাঁর সেই যোনি-পুষ্পটি তখন এক অজানিত ব্যাকুলতায় থরথর করে কাঁপছিল, যেন তা আমার এই নিষিদ্ধ প্রবেশের অপেক্ষায় বছরের পর বছর তৃষ্ণার্ত হয়ে ছিল। যোনির এই মাংসল পাপড়িগুলোর আর্দ্রতা আর উষ্ণতা আমার আঙুলের ডগায় এক তীব্র বৈদ্যুতিক স্পন্দন তৈরি করছিল।
আমি মায়ের এই রহস্যময় সৌন্দর্যের দিকে তাকিয়ে রুদ্ধশ্বাসে বললাম, "মা, তোমার এই রূপের সামনে জগতের সব নীতিবাক্য তুচ্ছ। এই মন্দিরটিই আজ আমার একমাত্র উপাসনার জায়গা।"

এবার মাকে খুব যত্নে বিছানায় শুয়িয়ে দিলাম।

মা যখন বিছানায় পুরোপুরি অবশ হয়ে শুয়ে আছেন, তাঁর দু'পাশের সেই ভারী উরুদ্বয় তখন এক বিশাল হৃদয়ের মতো স্পন্দিত হচ্ছিল। আমি সেই রহস্যময় ও পবিত্র স্থানে তথা মায়ের ভোদা দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম। ৪১ বছরের এক পূর্ণযৌবনা নারীর সবচেয়ে গোপন এই ঐশ্বর্য আজ আমার চোখের সামনে সম্পূর্ণ অবারিত।

আমি মায়ের রোমস ভোদার দিকে মুখ নামিয়ে মন্ত্রমুগ্ধের মতো বলতে লাগলাম, "মা, এই যে তোমার শরীরের এই মিলনস্থল, এখান থেকেই তো আমার জন্ম। অথচ আজ এই স্থানটিই আমার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে কাম্য স্বর্গ। তোমার যোনিদ্বারের এই পাপড়িগুলোর লালচে আভা আর এই মাদকতাময় ঘ্রাণ... এসবই তো আমাকে তোমার হুকুমের গোলাম করে রেখেছে।"
মা তখন এক বুনো আক্রোশে বালিশ খামচে ধরলেন। তাঁর মুখ দিয়ে বেরিয়ে এল, "সৌরভ... তুই ওদিকে তাকাস না... ওটা তোর জন্মস্থান... ওখানে ওভাবে মাথা নোয়াস না..."
কিন্তু তাঁর গলার সেই মিনতি ছিল চরম তৃষ্ণার্ত। আমি কোনো কথা না বলে আমার মুখটা আরও কাছে নিয়ে গেলাম। মায়ের যোনিদ্বারের উষ্ণ বাষ্প তখন আমার নাকে মুখে এসে ধাক্কা দিচ্ছিল। আমি সাহস করে আমার ঠোঁট জোড়া মায়ের নরম ও মাংসল গুদের পাপড়ির ওপর আলতো করে ছোঁয়ালাম।

প্রথম চুমুটা খেতেই মা ধনুকের মতো পিঠ টান করে বিছানা থেকে ওপরে উঠে এলেন। "আহ্!" বলে এক দীর্ঘ হাহাকার বেরিয়ে এল তাঁর কণ্ঠ চিরে। আমি থামলাম না। এই মায়াবী রন্ধ্রের চারপাশের নরম পেশিতে নিজের জিভ দিয়ে আলতো করে চাটতে শুরু করলাম। ৪১ বছরের অভিজ্ঞতায় ভেজা সেই নোনতা আর মিষ্ট স্বাদের মিশ্রণ আমার স্নায়ুকে অবশ করে দিচ্ছিল।



মা এবার তাঁর দুই পা দিয়ে আমার মাথাটা নিজের সেই সবচেয়ে গোপন স্থানের তথা মাংসল ভোদা সাথে সজোরে চেপে ধরলেন। তাঁর আভিজাত্যের শেষ দেয়ালটা তখন ভেঙে চুরমার। আমি যখন আমার জিভ দিয়ে মায়ের এত দিনের লালিত যোনির নিবিড় খাঁজগুলোর ভেতর দিয়ে একটু গভীর ছোঁয়া দিলাম, মা এক উন্মাদের মতো বলতে লাগলেন, "সৌরভ... তুই আমাকে আজ পাপিষ্ঠা করে দিলি... কিন্তু থামিস না... আরও... আরও গভীর করে আমাকে শেষ কর..."
মায়ের সেই যোনি-পুষ্পটি তখন আমার জিভের ছোঁয়ায় লাভার মতো গলতে শুরু করেছে। আমি অনুভব করছিলাম সেই পবিত্র মন্দিরের আর্দ্রতা আমার ঠোঁটের কোণে লেগে যাচ্ছে। এক সম্ভ্রান্ত *  মা আজ তাঁর নিজের ছেলের জিভের ছোঁয়ায় এক সাধারণ কামাতুর নারীর মতো বিছানায় ছটফট করছেন। সেই নির্জন দুপুরে আমাদের কোনো শাস্ত্র মনে রইল না, শুধু রইল এক অবদমিত তৃষ্ণার চূড়ান্ত দহন।


আমি বিছানার ওপর সোজা হয়ে বসলাম। মায়ের সেই বিধ্বস্ত, উলঙ্গ শরীরের প্রতিটি বাঁক তখন মধ্যাহ্নের রোদে এক রাজকীয় কামনার রূপ ধারণ করেছে। মা হাঁপাতে হাঁপাতে আমার দিকে তাকিয়ে রইলেন—তাঁর চোখে তখন ভয় আর গভীর তৃষ্ণার এক আদিম লড়াই। ৪১ বছরের এক সম্ভ্রান্ত নারী আজ তাঁরই ছেলের পৌরুষের সামনে সম্পূর্ণ অসহায়।
আমি মায়ের চোখের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে নিজের শার্টের বোতামগুলো একে একে খুলতে শুরু করলাম। প্রতিটি বোতাম খোলার সাথে সাথে মায়ের নিশ্বাসের গতি যেন আরও বেড়ে যাচ্ছিল। শার্টটা মেঝেতে ফেলে দিয়ে আমি আমার কোমরের লুঙ্গিটা আলগা করে দিলাম। লুঙ্গিটা পায়ের কাছে খসে পড়তেই আমার সুগঠিত শরীরটা মায়ের সামনে উন্মোচিত হলো।
মায়ের দৃষ্টি তখন আমার চোখের মণি থেকে নামতে নামতে নিচে এসে স্থির হলো। আমি আমার অন্তর্বাসটিও যখন খুব ধীরে ধীরে, তাঁর চোখের দিকে তাকিয়েই সরিয়ে ফেললাম, মা এক মুহূর্তের জন্য শিউরে উঠলেন। ১৯ বছরের এক তরতাজা যুবকের সেই উদ্দত যৌবন আজ তাঁর সমস্ত আভিজাত্যের সামনে এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আমি বিছানায় মায়ের আরও কাছে এগিয়ে গেলাম। নিজের টানটান ও স্পন্দিত যৌন দণ্ডটি হাতের মুঠোয় নিয়ে ধীরলয়ে মালিশ করতে করতে মায়ের চোখের দিকে তাকালাম। আমার সেই বলিষ্ঠ ও শিরাবহুল অঙ্গটি যখন মায়ের ফর্সা উরুর খুব কাছে দুলছিল, মা এক অস্ফুট আর্তনাদ করে মুখ ঘুরিয়ে নিলেন। কিন্তু আমি জানি, আড়ালে তিনি তৃষ্ণার্ত চোখে ওটার দিকেই তাকিয়ে আছেন।
আমি মায়ের কানের কাছে মুখ নিয়ে কামুক কণ্ঠে বললাম, "মা, তাকাও... দেখো তোমার এই হুকুমের গোলাম আজ তোমার জন্য কতটা প্রস্তুত। তোমার এই মন্দিরে আজ আমি আমার সবটুকু অর্পণ করতে চাই। এই যে আমার এই উত্তাপ, এটা তো তোমারই দেওয়া শরীরের দান। আজ একে ফিরিয়ে নেবে না?"
মা কাঁপতে কাঁপতে তাঁর ফর্সা হাত দুটো দিয়ে আমার পিঠ খামচে ধরলেন। তিনি যেন চাইছিলেন আমাকে দূরে ঠেলে দিতে, কিন্তু তাঁর আঙুলগুলো আমাকে আরও নিবিড়ভাবে নিজের দিকে টেনে নিচ্ছিল। আমি আমার সেই উত্তপ্ত ও দৃঢ় অঙ্গটি মায়ের মাংসল উরুর ওপর সজোরে ঘষতে লাগলাম।
মা এক গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে ফিসফিস করে বললেন, "সৌরভ... তুই আমাকে আজ এক নরকের আগুনে জ্বালিয়ে খাক করে দিবি রে... তুই আজ আমাকে মা থেকে এক পাপিষ্ঠা নারীতে পরিণত করলি..."
মায়ের সেই আর্তনাদ আজ আর কোনো শাসনের ছিল না, তা ছিল এক চূড়ান্ত সমর্পণের আহ্বান। আমি আমার মালিশ করা অঙ্গটি এবার মায়ের সেই আর্দ্র ও পুষ্পিত যোনিদ্বারের মুখে নিয়ে গিয়ে আলতো করে ঘষতে লাগলাম। সেই স্পর্শে মা বিছানা থেকে প্রায় ছিটকে উঠলেন, তাঁর দুই পা আমার কোমরের দু'পাশে আরও ছড়িয়ে দিলো।

মায়ের এই সুগঠিত ও উন্মুক্ত শরীরটি আমার নিচে বিছানো, আর তাঁর দু'টি ভরাট উরু আমার কোমরের দুই পাশে এক আদিম আমন্ত্রণের মতো ছড়িয়ে আছে। আমি আমার সেই শিরাবহুল ও উত্তপ্ত যৌন দণ্ডটি যখন তাঁর আর্দ্র যোনিদ্বারের ঠিক মুখে স্থাপন করলাম, মা তখন দুহাতে বিছানার চাদর খামচে ধরে চোখ বন্ধ করে ফেললেন।


আমি খুব ধীরগতিতে, ইঞ্চি ইঞ্চি করে মায়ের সেই মাংসল ও সংকীর্ণ যোনিপথের ভেতরে নিজের কঠোরতা ঠেলে দিতে শুরু করলাম। ৪১ বছরের পরিপক্কতা থাকা সত্ত্বেও, তাঁর সেই গোপন পথটি ছিল এক আশ্চর্য টাইট এবং পিচ্ছিল। আমার সেই বলিষ্ঠ অঙ্গের প্রথম ধাক্কাটি লাগামাত্র মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে উঠলেন। তাঁর শরীরের প্রতিটি পেশি তীরের মতো ধনুক হয়ে গেল।
আমার অঙ্গের সেই বিশাল কাঠিন্য এবং দৈর্ঘ্য যখন তাঁর ভেতরের কোমল দেওয়ালে চাপ সৃষ্টি করল, মা তখন আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না। সংস্কারের সব বাঁধ ভেঙে তাঁর মুখ দিয়ে এক অদ্ভুত কামুক বিস্ময় ঝরে পড়ল:
"আহ্ সৌরভ! ওরে বাবারে... এতো বড়! এতোটা শক্ত! তুই... তুই আমাকে মেরে ফেলবি রে... আমার ভেতরটা ফেটে যাচ্ছে..."
মায়ের সেই কামুক কণ্ঠে ঝরে পড়া স্বীকারোক্তি আমার রক্তে উন্মাদনা বাড়িয়ে দিল। আমি যখন আরও এক ইঞ্চি ভেতরে প্রবেশ করলাম, মা আমার পিঠে নখ বসিয়ে দিয়ে ডুকরে উঠলেন, "ওহ্ ঈশ্বর! এতোটা গভীর... আমি কখনো ভাবিনি... উফ্ সৌরভ, তুই তো আমার কলিজাটা ছিঁড়ে নিচ্ছিস..."
মা মুখে ব্যথার কথা বললেও, তাঁর শরীর তখন এক অদম্য তৃষ্ণায় আমার কোমরের সাথে আঠার মতো লেগে আসছিল। তিনি আমাকে দূরে ঠেলে দেননি, বরং এক বুনো আক্রোশে আমার ঘাড় জড়িয়ে ধরে নিজের যোনিদ্বারকে আরও উঁচিয়ে দিলেন যাতে আমি আরও গভীরে পৌঁছাতে পারি।
আমি মায়ের কানের কাছে মুখ নিয়ে কামুক স্বরে বললাম, "মা, তোমার এই মন্দির আজ আমার এই বাড়া গ্রহণ করছে। দেখো, আমি তোমার কতটা গভীরে পৌঁছে গেছি।"

মা তখন এক ঘোরের মধ্যে। তাঁর সেই ৪১ বছরের আভিজাত্য আজ আমার ১৯ বছরের পৌরুষের নিচে ধুলোয় মিশে গেছে। তিনি এক লম্বা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ফিসফিস করে বললেন, "কর... যা খুশি কর... আমাকে আজ একদম শেষ করে দে সৌরভ... আমি আর মা হয়ে থাকতে পারছি না... আমাকে শুধু তোর এই দানবটার নিচে পিষ্ট হতে দে..."




দুপুরের এই তপ্ত নির্জনতায় আমাদের আদিম আদিম শরীর দুটো এক হয়ে মিশে যাচ্ছিল। আমি যখন মায়ের সেই ৪১ বছরের পরিপক্ক যোনি-গহ্বরের একদম তলদেশ স্পর্শ করছিলাম, প্রতিটি ধাক্কায় এক অদ্ভুত লোনা সুবাস আর শরীরের ঘর্ষণের শব্দ ঘরটাকে মায়াবী করে তুলছিল। আমার হাতের তালু জোড়া তখন মায়ের সেই উন্নত ও ভরাট স্তনদুটিকে বুনো আক্রোশে পিষছিল। প্রতিটি চাপে মায়ের মুখ দিয়ে এক একটা হাহাকার বেরিয়ে আসছিল।


আমি আমার আঙুলগুলো মায়ের সেই ভারী নিতম্বের নিচে দিয়ে তাঁকে আরও উঁচিয়ে ধরলাম, যাতে আমার প্রতিটি ইঞ্চি তাঁর জঠরের গভীরতম দেওয়ালে আঘাত করতে পারে। আমি অনুভব করছিলাম, মায়ের ভেতরের সেই নরম ও তপ্ত দেওয়ালগুলো কীভাবে আমার অঙ্গটিকে কামড়ে ধরছে। মা তখন ঘোরের মধ্যে তাঁর দুই পা আমার কোমরে লক করে দিয়েছেন।
হঠাৎ করেই মা এক ঝটকায় আমার কাঁধ খামচে ধরলেন। তাঁর কামাতুর চোখ দুটোতে এক মুহূর্তের জন্য আতঙ্কের ছায়া খেলে গেল। তিনি হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন:



 
Reply


Messages In This Thread
মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:02 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:03 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:04 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:05 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:06 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:07 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:42 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:43 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:44 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:45 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:46 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:48 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:49 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:50 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:51 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:53 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:55 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:02 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)