Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood)
#8

08




আমি আমার আঙুলগুলো মায়ের সেই ভারী নিতম্বের নিচে দিয়ে তাঁকে আরও উঁচিয়ে ধরলাম, যাতে আমার প্রতিটি ইঞ্চি তাঁর জঠরের গভীরতম দেওয়ালে আঘাত করতে পারে। আমি অনুভব করছিলাম, মায়ের ভেতরের সেই নরম ও তপ্ত দেওয়ালগুলো কীভাবে আমার অঙ্গটিকে কামড়ে ধরছে। মা তখন ঘোরের মধ্যে তাঁর দুই পা আমার কোমরে লক করে দিয়েছেন।
হঠাৎ করেই মা এক ঝটকায় আমার কাঁধ খামচে ধরলেন। তাঁর কামাতুর চোখ দুটোতে এক মুহূর্তের জন্য আতঙ্কের ছায়া খেলে গেল। তিনি হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন:
"সৌরভ... সৌরভ থাম! ওরে বাবা, তুই তো কোনো সাবধানতা ছাড়াই... যদি পেটে কিছু চলে আসে? এই বয়সে আমি কলঙ্ক কোথায় রাখব? থামা বাবা..."
মায়ের এই সতর্কবাণী আমাদের উত্তেজনায় সামান্য জল ঢেলে দিল। কিন্তু মা জানতেন, এই আগ্নেয়গিরি এখন নেভানো অসম্ভব। তিনি দ্রুত উঠে বসলেন, অতঃপর ল্যাংটটো হয়েই হামাগুড়ি দিয়ে খাটের কোণায় বালিশের নিচে হাত বাড়ালেন। সাত মাস আগে বাবা একবার এক প্যাকেট কনডম এনেছিলেন, যা অযত্নে চাদরের নিচে পড়ে ছিল। মা হাত বাড়িয়ে সেই প্যাকেটটা বের করে আনলেন।

মা এবার তাঁর সেই ৪১ বছরের আভিজাত্য পুরোপুরি বিসর্জন দিয়ে আমাকে শুইয়ে দিলেন। তিনি নিজে হাঁটু গেড়ে বসলেন আমার ওপর। তাঁর সেই উন্মুক্ত ও বিশাল স্তনদুটো তখন আমার চোখের সামনে দুলছে। মা নিজের দাঁত দিয়ে প্যাকেটটা ছিঁড়ে সেই পাতলা রবারটি বের করলেন। তারপর খুব যত্ন করে, নিজের অভিজ্ঞ আঙুল দিয়ে আমার সেই স্পন্দিত ও উত্তপ্ত যৌন দণ্ডটিকে স্পর্শ করলেন। তাঁর সেই ঠাণ্ডা হাতের স্পর্শে আমার শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেল। মা নিজ দায়িত্বে আমাকে কনডমটি পরিয়ে দিলেন—তাঁর চোখের চাহনিতে তখন এক লাজুক অথচ ক্ষুধার্ত নারীর বাসনা।

আবার শুরু হলো সেই নিষিদ্ধ লড়াই। মা এবার নিজেই উপরে উঠে বুনো ভঙ্গিতে ওঠানামা করতে শুরু করলেন। আমি নিচে শুয়ে তাঁর সেই ভারী উরু আর কোমরের উঠানামা দেখছিলাম। আমার দুই হাত তখন মায়ের পিঠের নিচের দিকের সেই গভীর ভাঁজে। আমি অনুভব করছিলাম তাঁর কোমরের হাড়ের প্রতিটি স্পন্দন।
আমি আবার তাঁকে নিচে শুইয়ে দিয়ে নিজের সমস্ত শক্তি দিয়ে মায়ের ভোদার অন্তঃগাত্রে আঘাত করতে লাগলাম। আমি অনুভব করলাম, মায়ের জঠরের ভেতরে এক ধরণের তরল উষ্ণতা আমার অঙ্গটিকে ভিজিয়ে দিচ্ছে। মা তখন এক উন্মাদের মতো বলতে লাগলেন:
"আহ্ সৌরভ... আরও জোরে... তোর এই শক্ত লাঠিটা আমাকে শেষ করে দিচ্ছে... আমি তোর মা নই রে, আমি আজ শুধুই তোর... আমাকে আরও গভীরে নিয়ে যা!"

আমি আমার হাত দুটো মায়ের বগলের নিচ দিয়ে দিয়ে তাঁর পিঠ জড়িয়ে ধরলাম এবং তাঁর ঘাড়ের সেই চন্দন-গন্ধী অংশে মুখ ঘষতে লাগলাম। মায়ের ভোদা গভীরে আমার বাড়ার প্রতিটি ধাক্কায় আমরা এক আদিম ছন্দে দুলছিলাম। এক পর্যায়ে আমার ভেতরের সেই তপ্ত লাভা যখন বেরিয়ে আসার জন্য ছটফট করছিল, আমি আরও জোরে মায়ের শরীরের গভীরে নিজেকে সেঁধিয়ে দিলাম। মা এক তীব্র চিৎকার করে আমার ঘাড় কামড়ে ধরলেন এবং তাঁর শরীরটা কয়েকবার থরথর করে কেঁপে অবশ হয়ে গেল।
পরিশেষে, আমরা দুজন ঘামে ভেজা অবস্থায় একে অপরের ওপর এলিয়ে পড়লাম। বাইরের রোদের তেজ তখন কমতে শুরু করেছে, কিন্তু ঘরের ভেতরে যে আগুনের খেলা আমরা খেলে এলাম, তার রেশ আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে রয়ে গেল। মা আমার কপালে হাত বুলিয়ে দিয়ে এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "তুই আজ আমাকে সত্যিই এক কলঙ্কিত স্বর্গে নিয়ে গেলি রে সৌরভ।"
এই দুপুরের গোপন মিলন আমাদের সম্পর্ককে এক নতুন সংজ্ঞায় দাঁড় করাল।


বিকেলের রোদ যখন ম্লান হয়ে এল, তখন কলিংবেলের শব্দে আমাদের সেই মায়াবী তন্দ্রা ভাঙল। বাবা কলেজ থেকে ফিরেছেন। মা বিদ্যুৎগতিতে বিছানা ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন, তাঁর অবিন্যস্ত শাড়ি আর আলুথালু চুলগুলো দ্রুত গুছিয়ে নিলেন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের ঠোঁটের কোণে লেগে থাকা সেই নিষিদ্ধ কামনার চিহ্নগুলো মুছে ফেলে তিনি আবার সেই ৪১ বছরের গম্ভীর ও সম্ভ্রান্ত গৃহিণী হয়ে উঠলেন।
আমিও দ্রুত নিজের ঘরে গিয়ে পোশাক বদলে বই নিয়ে বসলাম। কিন্তু আমার শরীরে তখনও মায়ের সেই চন্দন সুবাস আর উত্তাল ছোঁয়ার রেশ লেগে ছিল।

বাবা ঘরে ঢুকে ব্যাগটা টেবিলে রেখে ডাকলেন, "কই গো, শুনছো? এক কাপ চা দাও তো, আজ কলেজে বড্ড খাটুনি গেল।"
মা রান্নাঘর থেকে শান্ত গলায় উত্তর দিলেন, "এই তো দিচ্ছি। তুমি হাত-মুখ ধুয়ে এসো।"
মায়ের গলার সেই স্বাভাবিকতা দেখে আমি অবাক হয়ে গেলাম। একটু আগেই যে নারী আমার নিচে শুয়ে যন্ত্রণায় আর সুখে হাহাকার করছিল, সে এখন কত নিপুণভাবে একজন আদর্শ স্ত্রীর অভিনয় করছে! বাবা যখন ড্রয়িংরুমে সোফায় বসলেন, আমি বই হাতে তাঁর পাশে গিয়ে বসলাম। মা ট্রেতে করে চা আর বিস্কুট নিয়ে এলেন।
মা যখন বাবার সামনে নিচু হয়ে চায়ের কাপটা রাখছিলেন, তখন তাঁর শাড়ির আঁচলটা একটু সরে গিয়েছিল। আমি ঠিক বাবার উল্টোদিকে বসে ছিলাম। আমি সুযোগ বুঝে আমার পা-টা টেবিলের তলা দিয়ে বাড়িয়ে সরাসরি মায়ের ফর্সা ও সুপুষ্ট উরুর ওপর রাখলাম।
মা চমকে উঠলেন, তাঁর হাতের চায়ের কাপটা একটু কেঁপে উঠল। কিন্তু তিনি নিজেকে সামলে নিলেন। বাবার দিকে তাকিয়ে মা বললেন, "আজকালকার ছেলেরা একদম পড়াশোনায় মন দেয় না। দেখছো না সৌরভ কেমন হাঁ করে তাকিয়ে আছে?"
বাবা চশমাটা ঠিক করে বললেন, "কেন, কী হয়েছে সৌরভের?"
আমি মুচকি হেসে বললাম, "না বাবা, আসলে মা আজ খুব সুন্দর একটা রান্না করেছিল তো, তাই ভাবছি রাতের মেনুটা কেমন হবে।"
আমি আমার পায়ের আঙুল দিয়ে মায়ের উরুর সেই নরম মাংসল ভাঁজে একটু চিমটি কাটলাম। মা এবার আর থাকতে পারলেন না। তিনি ভ্রু কুঁচকে আমার দিকে এক কঠিন চাহনি দিলেন—যে চাহনিতে ছিল অর্ধেক শাসন আর অর্ধেক প্রশ্রয়। তিনি বাবার সামনেই আমার পায়ের ওপর নিজের পা দিয়ে একটু জোরে চাপ দিলেন, যেন বলতে চাইলেন 'বেশি বাড়াবাড়ি করিস না'।
বাবা যখন চায়ে চুমুক দিয়ে খবরের কাগজে মুখ গুজলেন, মা আমার দিকে তাকিয়ে জিভ কাটলেন এবং ঠোঁট টিপে হাসলেন। আমি সাহসী হয়ে বললাম, "মা, তোমার ঘরে একটা বই ফেলে এসেছি, নিয়ে আসব?"
মা এবার চোখ বড় বড় করে ইশারায় না করলেন। তিনি জানেন আমি কেন তাঁর ঘরে যেতে চাইছি। তিনি গম্ভীর হয়ে বললেন, "এখন না, এখন গিয়ে নিজের পড়া শেষ কর। রাতের খাবার সময় দেব খন।"
মা রান্নাঘরে চলে গেলেন। আমি পেছনে তাকিয়ে দেখলাম মায়ের সেই ভারী নিতম্বের দুলুনি, যা একটু আগেই আমার হাতের মুঠোয় ছিল। বাবা কিছুই টের পেলেন না, কিন্তু আমাদের এই লুকোচুরি খেলা যেন দুপুরের সেই সঙ্গমের চেয়েও বেশি রোমাঞ্চকর হয়ে উঠল। মা মাঝেমধ্যে বাবার আড়ালে আমাকে চোখ টিপে ইশারা দিচ্ছিলেন, আবার যখনই আমি একটু বেশি দুষ্টুমি করছিলাম, তিনি বড় বড় চোখে শাসনের ভয় দেখাচ্ছিলেন।
সংসারের এই স্বাভাবিক অভিনয়ের আড়ালে আমাদের নিষিদ্ধ সখ্যতা এক নতুন মাত্রা পেল।






আজ রাতে বাবা খাতা দেখবেন, তাই মা আর বাবা দুই রুমে শুবেন। বিষয়টা ভাবতেই আমার শরীরে একটা দোল খেয়ে গেলো। বাবা যেদিন খাতা দেখেন সিতা সেদিন বাবার সঙ্গেই থাকে। আজও হলো তাই।

রাত বাড়ার সাথে সাথে বাড়ির নিস্তব্ধতা আবার সেই দুপুরের নিষিদ্ধ স্মৃতির জট খুলতে শুরু করল। বাবা সারাদিনের খাটুনির পর ঘুমে কাদা, তাঁর নাক ডাকার শব্দ ড্রয়িংরুম অব্দি পরিষ্কার শোনা যাচ্ছিল। আমি বিছানায় শুয়ে ছটফট করছিলাম। আমার আঙুলের ডগায় এখনও মায়ের সেই ভরাট নিতম্ব আর রেশমি উরুর স্পর্শ লেগে আছে।
ঘড়িতে তখন রাত দেড়টা। আমি জানতাম, মা জেগে আছেন। দুপুরের সেই উত্তাল মিলনের পর একজন ৪১ বছরের নারীর শরীর এত সহজে শান্ত হয় না। আমি চুপিচুপি বিছানা ছাড়লাম।
মধ্যরাতের সেই তৃষ্ণার্ত হানা
আমি যখন মায়ের ঘরের দরজায় পৌঁছালাম, দেখলাম দরজাটা ভেজানো। ভেতরে নীল রঙের ম্লান নাইট ল্যাম্পটা জ্বলছে। আমি নিঃশব্দে ভেতরে ঢুকে খিলটা তুলে দিলাম। মা জানালার দিকে মুখ করে শুয়ে ছিলেন, তাঁর পরনে সেই পাতলা নীল নাইটিটা, যা শরীরের সাথে লেপ্টে তাঁর পিঠ আর কোমরের গভীর ভাঁজগুলোকে আরও স্পষ্ট করে তুলছিল।
আমি গিয়ে সরাসরি বিছানায় বসলাম। মা চমকে উঠলেন না, বরং ধীরপায়ে পাশ ফিরলেন। তাঁর ডাগর চোখে আজ কোনো শাসন ছিল না, ছিল এক গভীর সম্মোহন।
"সৌরভ? আবার কেন এসেছিস? কাল সকালে খুব ভোরে তোর বাবা উঠবে।"
মায়ের গলায় সেই চিরাচরিত নীতিবাক্যের চেষ্টা, কিন্তু তাঁর হাতটা অলসভাবে আমার হাঁটুর ওপর এসে পড়ল।
আমি তাঁর কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বললাম, "মা, দুপুরে যে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছ, তা কি এত সহজে নিভে যায়? তোমার এই ভরাট শরীরটা যেন আমায় চুম্বকের মতো টেনে আনছে।"
আমি আমার হাতটা নাইটির নিচ দিয়ে মায়ের সেই উন্মুক্ত উরুর ওপর রাখলাম। মায়ের পা দুটো তখন থরথর করে কাঁপছিল। আমি সাহস করে আমার অন্য হাতটা দিয়ে তাঁর নাইটির ওপরের বোতামগুলো একে একে খুলতে শুরু করলাম। মা বাধা দিলেন না, বরং এক দীর্ঘ হাহাকার করে তাঁর উন্নত ও সুপুষ্ট স্তনযুগলকে আমার চোখের সামনে অবারিত করে দিলেন।
আমি তাঁর সেই মাংসল পাহাড়ে মুখ গুঁজে দিয়ে বললাম, "মা, তোমার এই রূপের নেশায় আমি আজ সব আভিজাত্য ভুলতে রাজি। তোমার এই চিকন কোমর আর ভারি নিতম্বের প্রতিটি ভাঁজ আজ আমার উপাসনার জায়গা।"
মা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে এক অদ্ভুত ঘোরের মধ্যে বললেন, "তুই আমাকে পাপিষ্ঠা বানিয়েই ছাড়লি সৌরভ। কিন্তু তোর এই বুনো ছোঁয়া ছাড়া আমার আর কোনো গতি নেই..."
মা এবার নিজেই শয্যায় একটু সইয়ে নিলেন যাতে আমি তাঁর সেই নিষিদ্ধ মন্দিরের আরও কাছে যেতে পারি। দুপুরের সেই কনডমের প্যাকেটটা তখনও বালিশের নিচেই ছিল। মা এবার নিজেই সেটা বের করে আমার হাতে দিলেন এবং এক কামুক ইশারায় বুঝিয়ে দিলেন যে রাতের এই দ্বিতীয় অধ্যায়টি দুপুরের চেয়েও বেশি উত্তাল হতে চলেছে।

মায়ের সেই যোনিদ্বারটি এখন আমার প্রতীক্ষায় আর্দ্র হয়ে আছে। আমি তাঁর দুই পা আমার কাঁধের ওপর তুলে নিলাম, যাতে তাঁর প্রতিটি গোপন ভাঁজ আমার চোখের সামনে প্রদীপ্ত হয়ে ওঠে। সেই মাঝরাতে, বাবার নাক ডাকার শব্দের আড়ালে, মা আর তাঁর হুকুমের গোলাম এক নতুন নিষিদ্ধ ইতিহাস লিখতে শুরু করল।
মায়ের এই গভীর রাতে চুপিচুপি আত্মসমর্পণ আমাদের সম্পর্ককে এক নতুন স্তরে নিয়ে গেল।


ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই মা আবার সেই চেনা রূপে ফিরে গেলেন। স্নান সেরে ভেজা চুলে যখন তিনি ঠাকুরঘরে প্রদীপ জ্বালাচ্ছিলেন, তখন তাঁর শান্ত ও গম্ভীর মুখ দেখে বোঝার উপায় নেই যে কয়েক ঘণ্টা আগেই তিনি বিছানায় এক তৃষ্ণার্ত নারীর মতো হাহাকার করছিলেন। সাদা ধবধবে শাড়ি আর কপালে বড় লাল সিঁদুরের টিপে তাঁকে এক দেবীর মতো পবিত্র দেখাচ্ছিল।
কিন্তু আমি জানতাম, এই পবিত্রতার নিচে এখন এক নিষিদ্ধ আগ্নেয়গিরি ঘুমিয়ে আছে, যাকে জাগিয়ে রাখার চাবিকাঠি শুধু আমার হাতে।

সকালে যখন বাবা খবরের কাগজ পড়ছেন আর আমি পড়ার টেবিলে, মা ট্রেতে করে গরম লুচি আর আলুর দম নিয়ে এলেন। মা খুব স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বাবার পাতে খাবার তুলে দিচ্ছিলেন। আমি জানতাম, মা এখন চাইছেন রাতের সেই ঘটনাগুলোকে একটা 'দুর্ঘটনা' হিসেবে ধামাচাপা দিয়ে আবার সেই দূরত্ব বজায় রাখতে।
আমি রান্নাঘরে গেলাম জল খাওয়ার অছিলায়। মা তখন একা হাতে বাসন গোছাচ্ছিলেন। আমি পেছন থেকে গিয়ে তাঁর সেই ভরাট কোমরের ভাঁজে হাত রাখলাম। মা শিউরে উঠে ফিসফিস করে বললেন, "সৌরভ! কী করছিস?তোর বাবা ড্রয়িংরুমে, এখনই এদিকে আসবে! সীতা এখনই উঠবে।"
আমি তাঁর কানের কাছে মুখ নিয়ে কামুক স্বরে বললাম, "মা, কাল রাতের সেই মাংসল উরু আর তোমার ওই যোনির স্বাদ আমি এখনও ভুলতে পারছি না। তুমি কি ভেবেছ সকালে সিঁদুর পরলেই আমি সব ভুলে যাব?"
মা আমার হাতটা সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে বললেন, "ছাড়! ওসব কালকের কথা। এখন আমি তোর মা, আর তুই আমার ছেলে। পড়ার ঘরে যা।"
আমি এবার এক নতুন চাল চাললাম। মায়ের আলমারির চাবিটা তখন তাঁর শাড়ির আঁচলে গোঁজা ছিল। আমি ছোঁ মেরে চাবিটা নিয়ে নিলাম।
"এই চাবিটা এখন আমার কাছে থাকবে মা। দুপুরে যখন বাবা কলেজে যাবেন, তখন এই চাবি ফেরত নিতে হলে তোমাকে আমার ঘরে আসতে হবে। আর হ্যাঁ... কোনো কাপড় না পরে, একদম কাল রাতের মতো।"
মায়ের চোখ দুটো বড় বড় হয়ে গেল। তিনি রাগে আর লজ্জায় লাল হয়ে বললেন, "তুই... তুই আমাকে ব্ল্যাকমেইল করছিস? তোর সাহস তো কম নয়!"
আমি মুচকি হেসে বললাম, "আমি তো তোমার হুকুমের গোলাম, মা। কিন্তু গোলাম এখন মালকিনকে নিজের মাপে চালাতে চায়। দুপুরে মনে থাকে যেন... একদম উলঙ্গ হয়ে আমার ঘরে আসবে, নইলে এই চাবি আর কোনোদিন পাবে না।"
মা বাকরুদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন। তাঁর ৪১ বছরের আভিজাত্য আজ আমার এই চরম ধৃষ্টতার সামনে থরথর করে কাঁপছিল। তিনি বুঝতে পারলেন, আমি তাঁকে কেবল শরীর দিয়ে নয়, বরং মানসিকভাবেও নিজের আয়ত্তে নিয়ে এসেছি।
দুপুরের সেই মুহূর্তের জন্য আমি অপেক্ষা করতে লাগলাম।



এরপর......!!!!

 
Reply


Messages In This Thread
মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:02 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:03 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:04 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:05 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:06 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:07 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:42 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:43 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:44 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:45 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:46 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:48 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:49 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:50 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:51 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:53 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:55 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:02 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)