Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood)
#9

09





দুপুরের কড়া রোদ জানালার পর্দা ভেদ করে ঘরের মেঝেতে আছড়ে পড়ছে। বাবা কলেজে চলে যাওয়ার পর পুরো বাড়িটা আবার সেই নিস্তব্ধতার চাদরে ঢাকা পড়েছে। আমি আমার ঘরে বসে বইয়ের পাতায় চোখ রাখলেও কান পেতে ছিলাম বাইরের করিডোরে। সীতা বাহিরে খেলাধুলা করছে। চাবিটা আমার টেবিলের ওপর চকচক করছে—মায়ের সেই গৃহকর্ত্রীর ক্ষমতার চাবি, যা এখন আমার হাতের মুঠোয়।
আমি জানতাম মা আমার শর্ত মতো হুট করে উলঙ্গ হয়ে চলে আসবেন না। তাঁর ভেতরের সেই দাপুটে মা আর অভিজাত নারীটি এখনও শেষ লড়াইটুকু লড়ছে।


প্রায় আধঘণ্টা পর দরজায় টোকা পড়ল। মা ভেতরে ঢুকলেন। কিন্তু না, তিনি উলঙ্গ হয়ে আসেননি। পরনে তাঁর সেই ধবধবে সাদা শাড়ি, আঁচলটা কাঁধে শক্ত করে জড়ানো। তাঁর মুখটা রাগে আর অপমানে থমথম করছে।
মা তীক্ষ্ণ স্বরে বললেন, "সৌরভ, চাবিটা দে। অনেক ইয়ার্কি হয়েছে। তুই যে এতোটা নিচে নামতে পারিস, আমি ভাবতেও পারিনি। আমি তোর মা, তোর কোনো কেনা গোলাম নই।"
আমি চেয়ার থেকে না উঠে হেলেদুলে বললাম, "আমি তো আগেই বলেছি মা, চাবি নিতে হলে কোনো পর্দা রাখা চলবে না। তুমি শর্ত ভেঙেছ।"
মা এবার আমার কাছে এসে দাঁড়িয়ে পড়ার টেবিল থেকে চাবিটা নিতে হাত বাড়ালেন। আমি বিদ্যুৎগতিতে তাঁর হাতটা ধরে ফেললাম এবং এক ঝটকায় তাঁকে নিজের কোলের ওপর টেনে নিলাম। মা অপ্রস্তুত হয়ে আমার ওপর আছড়ে পড়লেন। তাঁর সেই ভারী নিতম্ব আর সুপুষ্ট কোমর আমার উরুর ওপর পিষ্ট হতেই তাঁর গলার সেই কৃত্রিম তেজ জল হয়ে গেল।
"সৌরভ... ছাড়! ছিঃ! দিনের আলোয় এসব করিস না..." মা ছটফট করতে লাগলেন, কিন্তু তাঁর সেই ৪১ বছরের শরীরটা আমার বাহুপাশে এক অদ্ভুত নমনীয়তায় ধরা দিচ্ছিল।
আমি আমার হাতটা সরাসরি মায়ের শাড়ির আঁচলের নিচ দিয়ে তাঁর উন্নত ও ভরাট স্তনের ওপর রাখলাম। ব্লাউজের ওপর দিয়ে তাঁর সেই কঠিন মাংসল স্পন্দন অনুভব করে আমি ফিসফিস করে বললাম, "মা, তুমি যতই নীতিবাক্য শোনাও, তোমার এই শরীরটা কিন্তু আমার স্পর্শ পাওয়ার জন্য হাহাকার করছে। দেখো, তোমার নিশ্বাস কেমন ভারী হয়ে উঠেছে।"
আমি আমার অন্য হাতটা দিয়ে মায়ের শাড়ির কুঁচিগুলো টেনে আলগা করে দিলাম। মা এক দুর্বল বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেন, "না সৌরভ... তুই এটা ঠিক করছিস না... ঈশ্বর আমাদের কোনোদিন ক্ষমা করবেন না..."
কিন্তু আমি যখন আমার মুখটা তাঁর গলার সেই চন্দন-গন্ধী ভাঁজে ডুবিয়ে দিয়ে আলতো করে চাটতে শুরু করলাম, মায়ের শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল। তাঁর সেই নীতিবাক্যগুলো অসংলগ্ন গোঙানিতে পরিণত হলো। আমি তাঁর শাড়ি আর সায়া এক টানে নিচে নামিয়ে দিতেই মায়ের সেই ফর্সা ও মাংসল উরুদ্বয় দিনের আলোয় ঝলসে উঠল।
মা এবার বালিশে মুখ লুকিয়ে ডুকরে উঠলেন, "তুই... তুই আমাকে পশু বানিয়ে ছাড়লি রে সৌরভ! আমি আর কারোর সামনে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারব না।"
আমি তাঁর কানে কামড় দিয়ে বললাম, "তোমাকে কারোর সামনে দাঁড়াতে হবে না মা, তুমি শুধু আমার সামনে এভাবে অবারিত থাকবে।"
মায়ের সেই আভিজাত্যের শেষ আবরণটুকু যখন খসে পড়ল, তিনি নিজেই এক বুনো আক্রোশে আমার শার্টের বোতামগুলো ছিঁড়তে শুরু করলেন। তাঁর সেই আত্মসমর্পণ ছিল এক পরাজিত রানীর মতো, যে শেষ পর্যন্ত তাঁর বিজেতার কাছেই নিজের সবটুকু সঁপে দিচ্ছে।


যখন মায়ের সেই ভরাট কোমর আর উরুর ভাঁজে নিজের সমস্তটুকু বিলিয়ে দিল, মা তখন এক চরম তৃপ্তিতে নিস্তেজ হয়ে সৌরভের বুকে মুখ লুকালেন।
বাইরে তখন দুপুরের কাক ডাকছে, আর ঘরে এসি-র মৃদু আওয়াজ। মা কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থেকে সৌরভের চুলে বিলি কাটতে লাগলেন। তাঁর চোখে এখন আর রাগ বা অপমান নেই, বরং এক ধরণের বিষণ্ণ সুখ।
মা ফিসফিস করে বললেন, "চাবিটা দে এবার। অনেক তো করলি। তুই কি জানিস সৌরভ, তোর এই পাগলামিগুলো আমাকে সেই কিশোরীবেলার কথা মনে করিয়ে দেয়? বাবার কাছে আমি কোনোদিন এই অধিকারটা পাইনি।"
সৌরভ আলতো করে চাবিটা মায়ের হাতে তুলে দিল। মা চাবিটা আঁচলে বাঁধতে বাঁধতে উঠে বসলেন। শাড়িটা গায়ে জড়ানোর সময় তাঁর বিস্রস্ত বক্ষযুগল আর পিঠের ঘাম মোছার ভঙ্গিটা ছিল এক পরম তৃপ্ত নারীর মতো। এই মিলনের পর মা আর নীতিবাক্যের দেয়াল তুললেন না, বরং সৌরভের সাথে এক গোপন চুক্তিতে আবদ্ধ হলেন—যেখানে মা আর ছেলে নয়, বরং এক আদিম পুরুষ আর নারী একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠল।
মায়ের এই দুই রূপই সৌরভের জন্য এক বিশাল বিজয়।

মা যখন তাঁর চাবিটা আঁচলে বেঁধে শাড়িটা ঠিক করে ঘর থেকে বের হতে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই পাশের ঘর থেকে সীতার গলার আওয়াজ পাওয়া গেল। ও হয়তো একটু আগেই বান্ধবীর বাসা অথবা বারান্দা থেকে নিজের ঘরে ঢুকেছে।
সীতা মাকে জিজ্ঞেস করল-
"মা! ও মা! আমার সাদা ওড়নাটা কোথায় রেখেছো?" সীতার ডাক শুনে মা এক মুহূর্তের জন্য পাথরের মতো জমে গেলেন। তাঁর গায়ের শাড়ি তখনও কুঁচকানো, ঠোঁটের কোণায় আমার কামুক চুম্বনের অবাধ্য দাগ। মা আয়নায় নিজের বিধ্বস্ত রূপ দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়লেন।
আমি বিছানায় শুয়েই মুচকি হেসে ইশারায় মাকে বললাম চিল করতে। মা দাঁত কিড়মিড় করে আমাকে শাসিয়ে ফিসফিস করে বললেন, "সব তোর জন্য! মেয়েটা যদি এখন আমাকে এই অবস্থায় দেখে, আমি গলায় দড়ি দেব।"
মা দ্রুত নিজের চুল ঠিক করে ওড়নাটা টেনে নিয়ে দরজা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে বললেন, "আসছি রে মা, আলমারিতে আছে বোধহয়। তুই একটু হাত-মুখ ধুয়ে নে।"
সীতা ওর ঘর থেকে বেরিয়ে করিডোর দিয়ে যাওয়ার সময় আমাদের ঘরের দরজার সামনে একবার থামল। "সৌরভদা আছে নাকি ভেতরে? কথা শুনলাম মনে হলো।"
মা তখন দরজার পাল্লায় নিজের ভারী শরীরটা এমনভাবে চেপে ধরে দাঁড়ালেন যাতে সীতা ভেতরের দৃশ্যটা দেখতে না পায়। মা একটা শুকনো হাসি হেসে বললেন, "হ্যাঁ, ও তো চাবি নিয়ে একটু দুষ্টুমি করছিল। তুই যা, আমি আসছি।"

বিকেলে চা খাওয়ার সময় ড্রয়িংরুমে এক অদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরি হলো। বাবা সোফায় বসে খবরের কাগজ পড়ছেন, সীতা ওর ফোনের স্ক্রিনে মগ্ন। মা যখন চায়ের ট্রে নিয়ে আসলেন, তখন আমি সোফায় পা ছড়িয়ে বসে ছিলাম।
মা যখন আমাকে কাপটা দিতে এলেন, আমি আলতো করে মায়ের শাড়ির নিচে তাঁর পায়ের গোড়ালিতে নিজের পা দিয়ে একটু ঘষা দিলাম। মা শিউরে উঠলেন। তাঁর চোখে তখন সেই 'মোড়ামুড়ি' করার ভাব—তিনি বোঝাতে চাইলেন, 'সবার সামনে এসব করিস না'। তিনি আমার দিকে একটা কড়া চাউনি দিয়ে সরে যাওয়ার চেষ্টা করলেন, কিন্তু আমি ছাড়লাম না।
মা নিচু হয়ে টেবিল থেকে বিস্কুটের বাটিটা তোলার সময় আমি তাঁর সুগঠিত কোমরে একটা চিমটি কাটলাম। মা এবার আর থাকতে না পেরে চাপা গলায় বলে উঠলেন, "উফ্! পিঁপড়ে কামড়াল নাকি!"
বাবা কাগজ থেকে মুখ তুলে বললেন, "কী হলো? পিঁপড়ে কোত্থেকে এল?"
মা অপ্রস্তুত হয়ে বললেন, "না... ওই যে সোফার কোণায় মনে হয়... আজকাল ঘরদোর পরিষ্কার রাখা দায়।"
মা রান্নাঘরে চলে যেতেই আমি তাঁর পিছু নিলাম। রান্নাঘরে মা যখন একা, আমি পেছন থেকে গিয়ে তাঁর ভরাট স্তনযুগল দুহাত দিয়ে জাপটে ধরলাম। মা এবার সত্যিই মোড়ামুড়ি শুরু করলেন। "সৌরভ, ছাড়! সীতা যে কোনো সময় জল নিতে আসবে। তুই কি চাস ও সব জেনে ফেলুক?"
আমি তাঁর কানের লতিতে ছোট একটা কামড় দিয়ে বললাম, "ও জানলে জানুক, আমার তাতে ভয় নেই। আমি তো শুধু তোমার ওই চন্দনের ঘ্রাণটা নিতে এসেছি।"
মা কয়েক সেকেন্ডের জন্য নিজেকে ছাড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা করলেন, কিন্তু পরক্ষণেই আমার শরীরের উত্তাপে তিনি আবার গলে গেলেন। তাঁর সেই মোড়ামুড়ি বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না। তিনি আমার হাতের ওপর নিজের হাত রেখে ফিসফিস করে বললেন, "রাতে সীতা ঘুমিয়ে পড়লে আসিস... এখন অন্তত ছেড়ে দে, দোহাই তোর।"
মায়ের এই ক্ষণস্থায়ী প্রতিরোধ আর সীতার অগোচরে আমাদের এই লুকোচুরি খেলা আমাদের এই 'গোপন রসায়নকে' এক বিপজ্জনক কিন্তু সুস্বাদু পরিণতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

আজ রাতে মাকে আবার নতুন করে অন্বেষণ করবো।




রাতের নিস্তব্ধতা যখন পুরো বাড়িময় ছড়িয়ে পড়েছে, তখন এই নিষিদ্ধ পরিকল্পনার রোমাঞ্চ আমার শিরদাঁড়া দিয়ে একটা হিমশীতল স্রোত বইয়ে দিচ্ছিল। বাবা পাশের ঘরে গভীর ঘুমে, আর সীতা আজ বায়না ধরেছে সে মায়ের কোলেই শোবে। মাঝখানের বড় বিছানায় মা শুয়ে আছেন, তাঁর একপাশে সীতা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। নীল নাইট ল্যাম্পের আলোয় ঘরটা এক অপার্থিব মায়াবী রূপ নিয়েছে।
আমি পা টিপে টিপে ঘরে ঢুকলাম। খাটের পাশে গিয়ে দাঁড়াতেই দেখলাম মা জেগে আছেন। তাঁর চোখেমুখে এক চরম আতঙ্ক আর উত্তেজনার ছাপ। তিনি জানতেন আমি আসব, কিন্তু সীতাকে পাশে রেখে আমি যে এমন দুঃসাহস দেখাব, তা তিনি কল্পনাও করেননি।

আমি কোনো কথা না বলে বিছানার খালি পাশটায় উঠে বসলাম। মা শিউরে উঠে ফিসফিস করে বললেন, "সৌরভ, না! সীতা পাশে শুয়ে আছে। ও যদি একবার চোখ মেলে, তবে আমাদের মরণ ছাড়া গতি থাকবে না। যা এখান থেকে!"
আমি তাঁর কোনো কথা না শুনে তাঁর নাইটির ওপর দিয়েই তাঁর সেই ভরাট ও মাংসল উরুদ্বয় আর সুগঠিত কোমরে হাত রাখলাম। সীতা ঠিক মায়ের ডান পাশটায় পিঠ দিয়ে শুয়ে আছে। আমি মায়ের বাঁ দিক থেকে তাঁর শরীরের ওপর নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করলাম। মায়ের সেই 'মোড়ামুড়ি' আর অনুনয় বিনয় শুরু হলো ঠিকই, কিন্তু তা ছিল বড্ড ক্ষীণ।
মা যখন দেখলেন আমি থামব না, তখন তিনি এক কাঁপাকাঁপা হাতে বালিশের নিচ থেকে সেই কনডমটি বের করলেন। আমাকে কনডম বের করতে দেখে আমিও দ্রুত লুঙ্গিটা খুলে ফেললাম। লুঙ্গিটা খুলে ফেলতেই বাড়াটা ঠক করে লাফিয়ে উঠলো। সীতা তখন ঘুমের ঘোরে একবার নড়ে উঠল। মা পাথরের মতো জমে গেলেন। কয়েক সেকেন্ড পর সীতা আবার শান্ত হতেই মা খুব দ্রুত এবং নিপুণভাবে, নিজের অভিজ্ঞ আঙুল দিয়ে আমাকে কনডমটি পরিয়ে দিলেন। তাঁর স্পর্শে তখন এক অদ্ভুত আদিমতা—ভয় আর কামনার এক সংমিশ্রণ।

আমি যখন মায়ের সেই আর্দ্র ও পিচ্ছিল যোনিদ্বারে নিজের কাঠিন্য ঠেলে দিতে শুরু করলাম, মা এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে বালিশে মুখ গুঁজলেন। সীতার শরীরের সাথে মায়ের শরীরের ঘষা লাগছে, আর মা সেই স্পন্দনে থরথর করে কাঁপছেন। আমি যখন গতির বাড়াতে শুরু করলাম, মা হঠাৎ আমার হাত খামচে ধরলেন।
"সৌরভ... আস্তে... ওরে পাগল, সীতা টের পেয়ে যাবে! বিছানা কাঁপছে... দেখ ওকে, কেমন নিষ্পাপের মতো শুয়ে আছে... তুই একটু স্লো হ বাবা, দোহাই তোর..." মা করুণ স্বরে অনুনয় বিনয় করতে লাগলেন।
আমি মায়ের সেই অনুতপ্ত চোখের দিকে তাকালাম। তাঁর এক চোখে সীতার প্রতি মাতৃত্বের মায়া, আর অন্য চোখে আমার জন্য অদম্য তৃষ্ণা। আমি কিছুক্ষণ গতি কমিয়ে দিয়ে মায়ের সেই উন্নত স্তনযুগল আর ভারী নিতম্বের ভাঁজে নিজের আঙুল চালালাম। মা তখন ঘোরের মধ্যে সীতার মাথায় হাত বুলাচ্ছিলেন, আর নিচ দিয়ে আমার সেই উত্তপ্ত দণ্ডটি গ্রহণ করছিলেন।
মা আবার ফিসফিস করে বললেন, "সৌরভ, তোর গতি কমা,বাবা‌! ... সীতা নড়ছে... তুই আমাকে আজ ধ্বংস করে দিলি রে।"

একদিকে সীতার শান্ত নিশ্বাস, অন্যদিকে আমাদের দুই শরীরের ঘর্ষণের শব্দ আর চাপা উত্তেজনা। মা যখন আমাকে থামতে বলছেন, তখন তাঁর নিজের শরীরটাই আমার কোমরের সাথে আরও নিবিড়ভাবে পিষ্ট হচ্ছিল।

মায়ের সেই অনুনয় শুনে আমি থামলাম না, বরং তাঁর কানের খুব কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে তপ্ত স্বরে বললাম, "কেন মা? সীতা পাশে আছে বলেই কি তোমার ভয় লাগছে, নাকি ভয় আর উত্তেজনা মিলে তোমাকে আরও পাগল করে দিচ্ছে? দেখো তো, তোমার এই ভরাট শরীরটা কেমন থরথর করে কাঁপছে।"
মা এক হাত দিয়ে সীতার গায়ে আলতো করে চাদর টেনে দিলেন, আর অন্য হাতে আমার ঘাড়টা খামচে ধরলেন। তিনি ফিসফিস করে কাঁপাকাঁপা গলায় বললেন:
"সৌরভ... তুই বড্ড নিষ্ঠুর। দেখ, মেয়েটা একটু আগেই বলছিল ও খুব ক্লান্ত। ও যদি এখন একবার শুধু চোখ মেলে তাকায়, তবে আমি বিষ খেয়ে মরব। তুই কি একটুও বুঝছিস না? এই যে তুই আমার ভেতরে এতোটা গভীরে... ও যদি টের পায়..."
আমি মায়ের ঠোঁটে আঙুল চেপে ধরলাম। "চুপ! ও কিচ্ছু টের পাবে না। তুমি শুধু অনুভব করো আমি তোমার কতটা ভেতরে। আচ্ছা মা, বাবা কি কোনোদিন সীতাকে পাশে রেখে এভাবে তোমার ওপর আধিপত্য করেছে? কোনোদিন কি এভাবে তোমার মাংসল উরু আর কোমরের ভাঁজে হাত দিয়ে তোমাকে শান্ত হতে বলেছে?"

মা এক মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেলেন। তাঁর ডাগর চোখে এক অদ্ভুত অন্ধকার ঘনিয়ে এল। তিনি আর্তস্বরে বললেন, "না... তোর বাবা কোনোদিন এমন দুঃসাহস করেননি। তিনি তো শুধু শরীর চিনেছেন, কিন্তু তুই... তুই তো আমার আত্মাটাকেও বিষিয়ে দিচ্ছিস। তোর এই দানবীয় বাড়াটা আমাকে একদিকে লজ্জা দিচ্ছে, আর অন্যদিকে এক অবর্ণনীয় সুখে অবশ করে দিচ্ছে। কিন্তু সৌরভ... দোহাই তোর, একটু আস্তে... বিছানাটা বড্ড আওয়াজ করছে,বাবা।"

আমি মায়ের সেই সুপুষ্ট নিতম্বের নিচে হাত দিয়ে তাঁকে আরও একটু উঁচিয়ে ধরলাম। মা যন্ত্রণায় আর এক অজানিত ব্যাকুলতায় চোখ বুজে ফেললেন। আমি তাঁর কানে কামড় দিয়ে বললাম, "তুমি যতবার সীতার দোহাই দেবে, আমি ততবার তোমাকে আরও গভীরে গিয়ে আঘাত করব। বলো মা, তুমি কি আমার এই গতিরোধ চাও, নাকি চাও আমি তোমাকে একদম ছিঁড়ে ফেলি?"
মা এবার ভেঙে পড়লেন। তাঁর দুচোখ দিয়ে এক ফোঁটা জল গড়িয়ে বালিশে পড়ল। তিনি আমার ঠোঁটের কাছে ঠোঁট এনে ফিসফিস করে সেই চূড়ান্ত কথাটি বললেন, যা আমি শুনতে চেয়েছিলাম:
"আমি... আমি তোর এই আগুনের কাছে হার মেনেছি রে সৌরভ। তুই যা খুশি কর... আমাকে শেষ করে দে... কিন্তু সীতা যেন না জানে যে ওর মা আজ ওরই পাশে শুয়ে এক কামাতুর নারী হয়ে গেছে।"
মায়ের এই আর্তনাদ আর আত্মসমর্পণের পর আমাদের শরীরগুলো আবার সেই আদিম ছন্দে মেতে উঠল। সীতার নিশ্বাসের শব্দের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছিল আমাদের হৃৎস্পন্দনের গতি।

রাতের গভীরতা যত বাড়ছে, আমাদের শরীরের উত্তাপ যেন সেই হিমশীতল নিস্তব্ধতাকে পুড়িয়ে ছারখার করে দিচ্ছিল। আমি যখন মায়ের সেই আর্দ্র ও নিবিড় জঠরে শেষবারের মতো গতি বাড়াতে শুরু করেছি, ঠিক তখনই সীতা হঠাৎ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে পাশ ফিরল।
ওর একটা হাত অবিন্যস্তভাবে মায়ের পেটের ওপর এসে পড়ল।



এরপর....!! 
Reply


Messages In This Thread
মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:02 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:03 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:04 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:05 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:06 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:07 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:42 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:43 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:44 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:45 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:46 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:48 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:49 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:50 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:51 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:53 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:55 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:02 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)