Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood)
#10

10


মা এক মুহূর্তের জন্য পাথরের মূর্তির মতো জমে গেলেন। তাঁর হৃৎপিণ্ডের ধড়ফড়ানি আমি আমার বুকের ওপর স্পষ্ট অনুভব করছিলাম। মা দুই হাতে আমার পিঠ খামচে ধরে ইশারায় একদম স্থির হয়ে যেতে বললেন। আমরা দুজনেই রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছিলাম। সীতা ঘুমের ঘোরে বিড়বিড় করে কী যেন একটা বলল, তারপর মায়ের গায়ের ওপর হাতটা রেখেই আবার গভীর ঘুমে তলিয়ে গেল।
কয়েক সেকেন্ড পর মা একটা লম্বা নিশ্বাস ফেলে ফিসফিস করে বললেন, "ওরে বাবারে! আজ বোধহয় হার্টফেল করতাম। সৌরভ, এবার থাম... অনেক হয়েছে। এবার নিজের ঘরে যা।"
আমি মুচকি হেসে মায়ের কানের লতিতে কামড় দিয়ে বললাম, "এখনই তো আসল খেলা শুরু মা। সীতার হাতের ছোঁয়া তোমার পেটে, আর আমার বাড়া তোমার এই সুন্দর ভোদাটার অতল গহ্বরে —এই রোমাঞ্চ কি এত সহজে ছাড়া যায়?"

মা এবার আর 'মোড়ামুড়ি' করার শক্তি পেলেন না। তাঁর ৪১ বছরের শরীরটা এক অদ্ভুত নেশায় বুঁদ হয়ে রইল। সারা রাত ধরে চলল সেই আদিম লড়াই। একবার নয়, দুবার নয়—ভোরের আলো ফোটার আগে পর্যন্ত আমি চার-চারবার মায়ের সেই পবিত্র মন্দিরে আমার বিজয় নিশান উড়িয়ে দিলাম।
প্রতিবারই মা একবার করে অনুনয় করেছেন, "সৌরভ, আর না... আমি শেষ হয়ে যাচ্ছি," কিন্তু পরক্ষণেই আমার বলিষ্ঠ স্পর্শে তাঁর নিজের মাংসল উরুগুলো আমার কোমরের পাশে আরও শক্ত করে জড়িয়ে নিয়েছেন। দ্বিতীয়বার যখন আমরা মিলিত হচ্ছিলাম, মা নিজেই বালিশ দিয়ে নিজের মুখ চেপে ধরেছিলেন যাতে তাঁর সুখের আর্তনাদ সীতার কানে না পৌঁছায়।
তৃতীয়বারের সময় মা এতটাই অবশ হয়ে পড়েছিলেন যে, তিনি শুধু আমার চোখের দিকে তাকিয়ে অস্ফুট স্বরে বলছিলেন, "তুই কি আমাকে আজ মেরেই ফেলবি? তোর এই ১৯ বছরের যৌবন যে আমার ৪১ বছরের শরীরটাকে নিংড়ে নিল রে..."
শেষবার যখন ভোরের ঝাপসা আলো জানালার পর্দা দিয়ে চুঁইয়ে আসছিল, তখন আমরা দুজনেই ঘামে জবজবে অবস্থায় একে অপরের ওপর এলিয়ে পড়েছিলাম। মায়ের সেই ভরাট স্তনযুগল তখন আমার বুকের চাপে চ্যাপ্টা হয়ে আছে, আর তাঁর এলোমেলো চুলগুলো বালিশময় ছড়িয়ে। সীতা তখনও মায়ের অন্য হাতটা জড়িয়ে ধরে ঘুমে বিভোর। মা আমার কপালে একটা ঘামভেজা চুমু দিয়ে বললেন, "এবার যা... আলো ফুটে গেছে। সীতা জেগে ওঠার আগে নিজের ঘরে যা। কাল দুপুরে কিন্তু এই চাবি আর পাবি না।"
আমি বিজয়ীর হাসি হেসে বিছানা ছাড়লাম। শরীরে এক চরম ক্লান্তি, কিন্তু মনে এক আকাশ সমান তৃপ্তি।
ভোরের সেই স্নিগ্ধ আলোয় মা আবার সেই 'শুদ্ধা গৃহিণী' হয়ে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, কিন্তু তাঁর সারা শরীরের দাগগুলো বলছিল গত রাতের সেই নিষিদ্ধ ইতিহাসের কথা।



সকালের টেবিলে বাবা গম্ভীরভাবে খবরের কাগজ পড়ছেন। সীতা, যার কলেজে ভর্তি হতে এখনও কয়েকটা দিন বাকি, সে টেবিলের এক কোণে বসে নিজের খেলনা বাটি নিয়ে খেলছে। মা যখন রান্নাঘর থেকে গরম পরোটা নিয়ে এলেন, তাঁর সারা শরীরে একটা ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট। ৪১ বছরের সেই রাজকীয় দেহে গত রাতের চার বারের সেই 'প্রলয়ঙ্করী ঝড়ের' ধকল তখনও সতেজ।

মা টেবিলে খাবারের থালা রাখার সময় একবারও আমার চোখের দিকে তাকাতে পারলেন না। তাঁর সিঁদুরের টিপটা আজ সামান্য সরে গেছে, আর হাঁটার সময় তাঁর ভারী উরুদ্বয়ের জড়তা দেখে আমার ঠোঁটে এক বাঁকা হাসি ফুটে উঠল। বাবা খাবারের দিকে তাকিয়ে বললেন, "আজ বড় দেরি হলো যে পরোটা করতে?"
মা থমকে গেলেন। তাঁর হাত কাঁপছিল। তিনি নিচু স্বরে বললেন, "হ্যাঁ, শরীরটা আজ একটু মেজমেজ করছে, উঠতে দেরি হলো।"
আমি বাবার সামনে খুব বেশি কথা বলা নিরাপদ মনে করলাম না, পাছে বাবা কিছু ধরে ফেলেন। তাই আমি চুপচাপ খাওয়ার ভান করতে লাগলাম। কিন্তু টেবিলের নিচে আমার পা-টা সন্তর্পণে বাড়িয়ে সরাসরি মায়ের ফর্সা ও মাংসল পায়ের পাতায় চেপে ধরলাম। মা শিউরে উঠলেন, কিন্তু চিৎকার করতে পারলেন না। তিনি একবার আড়চোখে আমার দিকে তাকালেন—সেই চোখে ছিল লজ্জা আর চরম মিনতি।
সীতা হঠাৎ ঢং করে আদো গলায় বলল, "মা, তুমি কাল রাতে অত গোঙাচ্ছিলে কেন? আমি তোমার হাত ধরেছিলাম কিন্তু তুমি তো ঘুম থেকে উঠলে না।"
বাবার কান খাড়া হলো। "গোঙাচ্ছিল মানে? তোমার কি শরীর খারাপ করেছিল?"
মা এবার লজ্জায় নীল হয়ে গেলেন। তিনি দ্রুত সামলে নিয়ে বললেন, "না না, ওটা বোধহয় মশার কামড়ে... আমি আসলে গভীর ঘুমে ছিলাম।" মা আমার পায়ের নিচে নিজের পা দিয়ে হালকা একটা চাপ দিলেন, যেন বলতে চাইলেন, 'সৌরভ, এবার থাম!'




বাবা খেয়ে উঠে হাত ধুতে গেলে আমি রান্নাঘরে গেলাম। মা তখন কলের নিচে এঁটো থালাবাসন মাজছেন। রান্নাঘরের এই স্বল্প পরিসরে বাতাসের উত্তাপ যেন কয়েক গুণ বেড়ে গেল। বাবা পাশের ঘরে এখনো হাত-মুখ ধুচ্ছেন, জলের পড়ার শব্দ শোনা যাচ্ছে। সেই শব্দের আড়ালেই আমি ধীরপায়ে মায়ের ঠিক পেছনে গিয়ে দাঁড়ালাম। মা নিচু হয়ে ঝুঁকে থালা মাজছিলেন, আর সেই ভঙ্গিতে তাঁর ভারী ও সুপুষ্ট নিতম্ব দুটি শাড়ির পাতলা আবরণে টানটান হয়ে আমার পেটের কাছে এসে ঠেকছিল।
আমার শরীরের অবাধ্য কামনার সেই প্রথম স্পর্শ পেতেই মা এক মুহূর্তের জন্য স্থির হয়ে গেলেন। থালা মাজা থেমে গেল, কেবল কলের জলের অবিরাম শব্দ আর আমাদের ঘন হতে থাকা নিশ্বাসের আওয়াজ বাকি রইল।
আমি মায়ের কাঁধে মুখ রেখে তাঁর ঘাড়ের সেই চন্দন-গন্ধী ভাঁজে নিজের ঠোঁট ছোঁয়ালাম। এক অদ্ভুত মাদকতাময় ঘ্রাণ। আমি ফিসফিস করে মায়ের কানে বললাম:
"মা, কাল রাতের শেষবারের সেই প্রবেশটা মনে আছে? তোমার সেই ৪১ বছরের পরিপক্ক শরীরটা যখন আমার ১৯ বছরের উত্তাপ সইতে না পেরে থরথর করে কাঁপছিল... উফ্! তোমার ওই টাইট আর পিচ্ছিল ভোদার ভেতরে যখন আমি শেষবারের মতো আমার নাম লিখে দিচ্ছিলাম, তুমি তখন আস্ত একটা বাঘিনীর মতো আমার পিঠ খামচে ধরেছিলে। বিশ্বাস করো মা, আজ সকালে তোমার এই ধকল-খাওয়া অবসন্ন রূপটা দেখে আমার বড্ড মায়া হচ্ছে, আবার একই সাথে তোমাকে নতুন করে পাওয়ার নেশাটাও জাগছে।"

মা এক দীর্ঘ হাহাকার চেপে আমার দিকে আধভেজা মুখ করে ফিরে তাকালেন। তাঁর চোখে তখন লজ্জা, ভয় আর এক নিষিদ্ধ প্রশ্রয়ের অদ্ভুত সংমিশ্রণ। তিনি তাঁর ফ্যানা-মাখা হাতটা আলতো করে সরিয়ে দিয়ে আমার গালে ভেজা হাতে একটা টোকা দিলেন। তাঁর গলার স্বরে ছিল এক মিঠে শাসন:
"তুই একটা জানোয়ার সৌরভ... বড্ড অবাধ্য হয়েছিস। তোর অত্যাচারে আজ সকালে আমার কোমর আর উরুর সন্ধিস্থলগুলো অবশ হয়ে আছে। আয়নায় দেখ তো নিজের চেহারাটা, ১৯ বছরের যুবক হলে কী হবে, কাল রাতভর তুই আমাকে যেভাবে নিংড়ে নিয়েছিস তাতে তো তোরও আজ নড়াচড়া করার ক্ষমতা থাকার কথা নয়। আর ওইটুকু মেয়ে সীতা... ও যখন বাবার সামনে ওরকম করে বলল, আমার মনে হচ্ছিল যেন পৃথিবীটা দু'ভাগ হয়ে যাক। তুই কি সত্যিই চাস তোর মা সবার সামনে মুখ দেখাতে না পারুক?"
আমি মায়ের ভারী কোমরের ভাঁজে নিজের হাতটা একটু জোরে চেপে ধরে বললাম, "মা, পৃথিবী রসাতলে গেলেও তোমার এই মাংসল দেহের মায়া আমি ছাড়তে পারব না। সীতা ছোট, ও কিছু বোঝে না। কিন্তু তুমি তো বোঝো তোমার এই হুকুমের গোলামের কতটা ক্ষমতা।"
মা এবার একটু হেসেই ফেললেন, যদিও সেই হাসিতে ছিল এক কামুক সঙ্কেত। তিনি নিচু স্বরে বললেন, "হ্যাঁ, ক্ষমতার দাপট তো কাল রাতেই খুব দেখালি। চার-চারবার আমাকে সেই নরকের দরজায় নিয়ে গিয়েছিলি তুই। এখন যা এখান থেকে, বাবা চলে আসবে। দুপুরে সীতা ঘুমিয়ে পড়লে তখন দেখা যাবে তোর ওই মায়াটা কতটুকু সত্যি আর কতটুকু লোকদেখানো।"


বাবা চলে যাওয়ার পর দুপুরে আমি মা এবং সিতা খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। মায়ের সান্নিধ্যে পেতে খুব ইচ্ছা হলো। তাই আস্তে আস্তে মায়ের রুমের দিকে আগালাম।
জানালার খড়খড়ি চুঁইয়ে আসা দুপুরের রোদে ঘরটা যেন এক মায়াবী হলদেটে আভায় ডুবে আছে। সিলিং ফ্যানের একঘেয়ে ঘূর্ণন শব্দ ছাড়া আর কোনো শব্দ নেই। ছোট সীতা মায়ের পেটের ওপর তার ছোট্ট একটা পা তুলে দিয়ে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। মা শুয়ে আছেন চিৎ হয়ে, দুপুরের ক্লান্তিতে তাঁর শরীরটা বিছানার সাথে যেন মিশে গেছে। নাইটির অবাধ্য প্রান্তটা হাঁটুর অনেকটা ওপরে উঠে আসায় তাঁর ভরাট ও দুগ্ধশুভ্র উরুদ্বয়ের পেশল সৌন্দর্য পুরোটা উন্মোচিত হয়ে আছে।
আমি যখন তেলের শিশিটা হাতে নিয়ে বিছানার এক কোণে বসলাম, বিছানাটা সামান্য কেঁপে উঠল। মা চোখ না মেলেই বিড়বিড় করে বললেন, "সীতা... নড়িস না মা, একটু ঘুমাতে দে..."

আমি কোনো কথা না বলে নিজের হাতের তালুতে বেশ খানিকটা তেল নিয়ে ঘষতে শুরু করলাম যাতে তা সামান্য উষ্ণ হয়। তারপর খুব ধীরলয়ে আমার তেল-মাখা হাতটা মায়ের সেই উন্মুক্ত ও মাংসল উরুর ওপর রাখলাম। চামড়ার সাথে চামড়ার সেই পিচ্ছিল ছোঁয়া লাগতেই মা এক ঝটকায় চোখ মেললেন।
মায়ের চোখে তখন এক নিমেষের জন্য আতঙ্ক, পরক্ষণেই তা এক গভীর অবসাদে রূপ নিল। "সৌরভ? তুই আবার এখানে? দেখছিস না মেয়েটা শুয়ে আছে... আর শরীরটা কাল রাতের পর কেমন আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে আছে..."
আমি মুচকি হেসে মায়ের পায়ের পাতা থেকে শুরু করে গোড়ালি পর্যন্ত মালিশ করতে করতে বললাম, "মা, কাল রাতভর তুমি আমার যে সেবা করেছ, আজ তো আমার পালা। তোমার এই ৪১ বছরের পরিপক্ক শরীরটাকে আমি আজ এমনভাবে শান্ত করব যে রাতের জন্য তুমি আবার নতুন করে তাজা হয়ে উঠবে।"
আমার আঙুলগুলো যখন মায়ের উরুর ভেতরের দিকের সেই কোমল ও সংবেদনশীল ভাঁজগুলোতে প্রবেশ করল, মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে বালিশে মুখ গুঁজলেন। তেলের পিচ্ছিলতায় আমার হাত যখন তাঁর সেই ভারী নিতম্বের ঠিক নিচে গিয়ে থামল, মা থরথর করে কাঁপতে শুরু করলেন।আর বললো -
"উফ্ সৌরভ... বড্ড সুড়সুড়ি লাগে রে... ওখানে নয়। তুই তো আরাম দেওয়ার নাম করে আমাকে আবার সেই নিষিদ্ধ পথে নিয়ে যাচ্ছিস। কাল রাতের ওই চার-চারবারের ঘষায় আমার ভেতরটা এখনও টনটন করছে, তুই কি চাস আমি আজ বিছানা থেকেই উঠতে না পারি?"
আমি আমার হাতটা নাইটির নিচ দিয়ে আরও ভেতরে সেঁধিয়ে দিলাম। মায়ের সেই তপ্ত ও মাংসল তলপেট আর কোমরের গভীর খাঁজে তেলের প্রলেপ দিতে দিতে বললাম, "মা, তোমার এই শরীরটা তো দাউদাউ করে জ্বলা একটা আগ্নেয়গিরি। আমি যতই শান্ত করতে আসি না কেন, আমার স্পর্শ পেলেই তা আবার ফুটতে শুরু করে। দেখো তো, তোমার নিশ্বাস কেমন ভারী হয়ে উঠেছে..."
মা এবার আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না। সীতা পাশে থাকা সত্ত্বেও তিনি এক অস্ফুট গোঙানিতে নিজের শরীরটা আমার দিকে একটু ঠেলে দিলেন। তাঁর ৪১ বছরের আভিজাত্য তখন আমার হাতের তালুর নিচে পিষ্ট হচ্ছে। তিনি চোখ বন্ধ করে ফিসফিস করে বললেন, "তুই আস্ত একটা শয়তান... তোর এই হাতের জাদু আমাকে আর মা হয়ে থাকতে দিচ্ছে না। মালিশটা আরও একটু উপরে কর... উফ্ সৌরভ, বড্ড আরাম লাগছে রে..."
মায়ের সেই সলজ্জ অনুমতি পেয়ে আমি আমার হাতের গতি বাড়িয়ে দিলাম। আরামের বাহানায় আমি তাঁর শরীরের প্রতিটি গোপন খাঁজ আজ নিজের দখলে নিতে শুরু করলাম, যেন রাতের সেই চূড়ান্ত অভিযানের আগে জমিটা ভালো করে চষে নিচ্ছি।

বিকেলের পড়ন্ত রোদ যখন ঘরের দেয়ালে দীর্ঘ ছায়া তৈরি করছে, মায়ের শরীরের সেই আলস্য মাখা আরাম ধীরে ধীরে এক বুনো ছটফটানিতে রূপ নিল। আমার হাতের তেলের মালিশ আর আঙুলের কৌশলী ছোঁয়া মায়ের ৪১ বছরের অবদমিত তৃষ্ণাকে আবার জাগিয়ে তুলেছে। মায়ের নিশ্বাস এখন কামনার তপ্ত বাষ্পের মতো আমার ঘাড়ে আছড়ে পড়ছে। তিনি এক হাত দিয়ে সীতাকে আগলে রেখে অন্য হাতে আমার শার্টের হাতা খামচে ধরলেন।
মায়ের চোখের সেই লোলুপ চাহনি আর তাঁর উন্মুক্ত উরুর থরথর কম্পন দেখে আমি যখন তাঁর ওপর ঝুঁকে পড়তে গেলাম, মা হঠাৎ আমার বুকে হাত দিয়ে আমাকে থামিয়ে দিলেন। তাঁর কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম, চোখে এক অদ্ভুত শূন্যতা।




কেন এমন শূন্যতা!!?? .......
তা জানতে হলে পরবর্তী পর্বে চোখ রাখুন....
 

সঙ্গে থাকার জন্য সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
Reply


Messages In This Thread
মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:02 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:03 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:04 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:05 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:06 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:07 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:42 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:43 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:44 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:45 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:46 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:48 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:49 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:50 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:51 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:53 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:55 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:02 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)