Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood)
#11

11



"থাম সৌরভ... আর এক ইঞ্চিও না!" মায়ের কণ্ঠস্বর তখন কামনার গভীর আবেশে থরথর করে কাঁপছে। তাঁর কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম আর চোখের কোণে এক আদিম অতৃপ্তি। "সব তো ঠিক আছে রে পাগল, কিন্তু কাল রাতের ওই পাগলামি মনে আছে? ওই লাগাতার চার দফার তাণ্ডবে আমার বালিশের নিচের সেই শেষ নিরোধটাও শেষ হয়ে গেছে। এখন এই অবস্থায় তোর এই উত্তপ্ত দণ্ডটি যদি আমার জঠরে প্রবেশ করে, তবে সেই লোনা ঘন বীর্য আমাকে এক লহমায় ধ্বংস করে দেবে। এই বয়সে কলঙ্কিনী হওয়ার ঝুঁকি আমি নিতে পারব না।"
আমি এক চরম হতাশায় দমে গেলাম। আমার ১৯ বছরের রগচটা যৌবন তখন ফেটে পড়ার উপক্রম। আমি মায়ের সেই ভরাট ও চিকন কোমরের ভাঁজে মুখ গুঁজে ডুকরে উঠলাম, "তাহলে উপায় কী মা? আমি তো আর এক মুহূর্তও সহ্য করতে পারছি না। তোমার এই পিচ্ছিল শরীর আর ওই মাদকতাময় যৌবন আমাকে আস্ত গিলে খাচ্ছে। আমার এই কঠোরতা এখন তোমার ওই গুদ মন্দিরে প্রবেশ না করতে পারলে আমি পাগল হয়ে যাব।"

মা আমার ছটফটানি দেখে এক মায়াবী হাসি হাসলেন, যে হাসিতে মিশে ছিল এক অভিজ্ঞ নারীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ। তিনি আমার চিবুকটা তুলে ধরে ফিসফিস করে বললেন:
"তোর এই তৃষ্ণা আজ আমিই মেটাবো রে সৌরভ। কিন্তু তার আগে তোকে একটা সত্যিকারের পুরুষের মতো কাজ করতে হবে। তুই বড় হয়েছিস, অথচ এই সাধারণ জিনিসটা এখনও হাতে নিতে শিখলি না? তুই যা, নিজেই গিয়ে নিয়ে আয়। আমি তোর জন্য অপেক্ষায় থাকব।"
মা এরপর বিছানায় উঠে বসলেন। তাঁর নাইটির অবিন্যস্ত দশা ঠিক না করেই তিনি আমাকে কাছে টানলেন। তাঁর সেই উন্নত স্তনদ্বয়ের মাঝে আমার মুখটা চেপে ধরে তিনি খুব নিচু স্বরে দীক্ষা দিতে শুরু করলেন:
"শোন, আমাদের পাড়ার মোড়ে যাবি না। একটু দূরের ওই জনবহুল বাসস্ট্যান্ডের ওষুধের দোকানে যা। কাউন্টারে গিয়ে ঘাবড়াবি না। খুব স্বাভাবিকভাবে পকেটে হাত রেখে দোকানদারের চোখের দিকে তাকিয়ে বলবি—'একটা বড় ডটেড কনডমের প্যাকেট দিন'। ওরা যদি ব্র্যান্ড জানতে চায়, তবে 'ম্যানফোর্স' বা 'স্কোর' বলবি। টাকাটা আগেই হাতে রাখবি। আর ফেরার সময় ওটা পকেটে বা কোনো কালো প্যাকেটে লুকিয়ে আনবি। কেউ যেন তোর চোখের চাউনি দেখে কিছু সন্দেহ না করতে পারে।"
মায়ের এই কামুক কণ্ঠের নির্দেশ আর তাঁর সেই উন্মুক্ত দেহের হাতছানি আমাকে এক আশ্চর্য শক্তিতে ভরিয়ে দিল। আমি বুঝতে পারলাম, এই প্যাকেটটি নিয়ে আসাই হবে আজ রাতের সেই চূড়ান্ত সম্ভোগের প্রবেশপত্র।


যাওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালেও আমার মন বলছিল অন্য কিছু। আমি আবার ঝুকে পড়লাম মায়ের ওপর। নাইটির নিচ দিয়ে আমার হাতটা চলে গেল তাঁর সেই কাঙ্ক্ষিত যোনিদ্বারের একদম মুখে। গত রাতের চার দফার ঘর্ষণে জায়গাটা যেমন সংবেদনশীল হয়ে আছে, তেমনই মালিশের তেলের পিচ্ছিলতায় তা এক অদ্ভুত মাদকতা তৈরি করেছে। আমার আঙুল যখন তাঁর সেই আর্দ্র খাঁজে হালকা চাপ দিল, মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে আমার কাঁধ খামচে ধরলেন।
আমি মায়ের কানের খুব কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বললাম, "আমি কিন্তু এখনই যাচ্ছি মা। তবে মনে রেখো, ফেরার সাথে সাথেই কিন্তু আমি তোমার ওই পবিত্র মন্দিরে ঝাঁপিয়ে পড়ব। আর প্যাকেটটা আনার পর তুমি কিন্তু নিজের হাতে আমাকে ওটা পরিয়ে দেবে। তোমার ওই অভিজ্ঞ আঙুলের ছোঁয়ায় যখন রবারটা আমার ওপর দিয়ে নেমে আসবে, সেই রোমাঞ্চটাই হবে আজকের আসল শুরু।"
মা কামনায় অবশ হয়ে চোখ বন্ধ করে ফেললেন। তাঁর ভারী শরীরটা আমার আঙুলের ছোঁয়ায় থরথর করে কাঁপছিল। তিনি অস্ফুট স্বরে বললেন, "যা না রে পাগল... এভাবে শরীরটাকে জ্বালিয়ে দিস না। কথা দিচ্ছি, তুই যা বলবি আজ তাই হবে। আমিই তোকে তৈরি করে দেব।"
আমি যাওয়ার আগে একবার দুষ্টুমির স্বরে জিজ্ঞেস করলাম, "আচ্ছা মা, কতগুলো প্যাকেট আনব? একটা আনলেই হবে তো?"
মা এবার আমার দিকে এক কামুক ও বাঁকা চাহনিতে তাকালেন। তাঁর ঠোঁটের কোণে এক দুষ্টু হাসির রেখা ফুটে উঠল। তিনি আমার ঘাড়টা টেনে নিজের দিকে নামিয়ে এনে ফিসফিস করে বললেন:
"একটা? একটা দিয়ে কী হবে রে জানোয়ার? আমি কি জানি না তোর ক্ষমতা? তোর ওই ১৯ বছরের উত্তপ্ত রক্ত কি আর একবারের ধাক্কায় শান্ত হয়? কাল তো চারবার নিংড়েও তোর তেষ্টা মেটেনি। যা, অন্তত তিন-চারটে প্যাকেট একবারে নিয়ে আয়। আজ রাতটা আমি তোকে একদম ছাড়ব না। তুই যাবি আর আসবি, যাবি আর আসবি—আমিও দেখব তোর ওই দানবটা কতক্ষণ আমার এই জঠরে রাজত্ব করতে পারে।"


আমি যখন দ্রুত পায়ে ঘরের বাইরে বের হতে যাচ্ছিলাম, ঠিক দরজার গোড়ায় গিয়ে আবার থমকে দাঁড়ালাম। পেছনে তাকিয়ে দেখলাম, মা তখনও বিছানায় আধশোয়া হয়ে আছেন, তাঁর নাইটির অবিন্যস্ত দশা আর সেই উন্মুক্ত উরুদ্বয়ের ভাঁজে দুপুরের রোদের খেলা এক অদ্ভুত আদিম দৃশ্যের অবতারণা করেছে। মায়ের চোখে তখন একাধারে ক্ষুধা আর প্রশ্রয়ের এক তীব্র আকর্ষণ।
আমি পকেটে হাত দিয়ে টাকাগুলো একবার ছুঁয়ে দেখে মনে মনে বললাম, "আজ রাতে তবে রণক্ষেত্র হবে এই বিছানা। মায়ের টাকায় কেনা কনডম দিয়ে, মাকেই তোলপাড় করে দিবো"


বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় বুকের ভেতরটা একটু ঢিপঢিপ করছিল। পাড়ার মোড়ের পরিচিত ওষুধের দোকানটা এড়িয়ে আমি যখন বাসস্ট্যান্ডের দিকে হাঁটতে শুরু করলাম, মাথার ভেতর কেবল মায়ের সেই কথাগুলোই বাজছিল—"অন্তত তিন-চারটে প্যাকেট একবারে নিয়ে আয়।" ৪১ বছরের এক নারী যখন তাঁর ছেলের কাছে এমন দাবি করেন, তখন সেই ১৯ বছরের যুবকের শিরদাঁড়া দিয়ে এক উত্তেজনার বিদ্যুৎ খেলে যাওয়াটাই স্বাভাবিক।
বাসস্ট্যান্ডের সেই বড় ফার্মাসিটার সামনে যখন দাঁড়ালাম, তখন সেখানে বেশ ভিড়। এক মুহূর্তের জন্য মনে হলো ফিরে যাই। কিন্তু পরক্ষণেই মায়ের সেই মাংসল ও পিচ্ছিল শরীরের ঘ্রাণ যেন নাকে এসে ধাক্কা দিল। আমি পকেটে হাত রেখে ঘামতে থাকা তালুটা মুছে নিলাম। ভিড়টা একটু পাতলা হতেই আমি কাউন্টারের একদম এক কোণায় গিয়ে দাঁড়ালাম।
দোকানদার যখন আমার দিকে তাকিয়ে ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করল, "কী লাগবে?"

আমি গলাটা যথাসম্ভব স্বাভাবিক রেখে মায়ের শেখানো বুলি আউড়ে দিলাম, "দাদা, ম্যানফোর্স বা স্কোর—ডটেড হবে। তিন-চারটে প্যাকেট দিন তো।"
দোকানদার একটু অবাক হয়ে আমার দিকে তাকালো। হয়তো আমার এই বয়সে একবারে এতগুলো প্যাকেট চাওয়াটা তাঁর কাছে কিছুটা অস্বাভাবিক ঠেকেছে। আমার মনে হচ্ছিল যেন পৃথিবীর সব মানুষ এখন আমার দিকেই তাকিয়ে আছে। কিন্তু আমি মায়ের কথা মনে করে একদম অবিচল রইলাম। সে ড্রয়ার থেকে কয়েকটা প্যাকেট বের করে যখন প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরছিল, তখন আমার মনে হচ্ছিল আমি কোনো অমূল্য রত্ন হাতে পেতে যাচ্ছি।


প্যাকেটটা সন্তর্পণে পকেটে পুরে আমি যখন বাড়ির দিকে ফিরছিলাম, তখন বিকেল ঘনিয়ে সন্ধ্যা নামছে। মনে মনে ভাবছিলাম, মা হয়তো এখন সীতাকে সামলে নিয়ে নিজের শরীরটাকে প্রস্তুত করছেন। বাড়ি ফিরে যখন কলিংবেল টিপলাম, মা এসে দরজা খুললেন।
মায়ের চোখে তখন সেই চাপা উদ্বেগ আর রহস্যময় হাসি। আমি ভেতরে ঢুকেই দরজাটা বন্ধ করে দিয়ে সরাসরি তাঁর হাতটা ধরলাম। পকেট থেকে সেই প্যাকেটগুলো বের করে মায়ের হাতের তালুতে রাখতেই তিনি এক লহমায় সেগুলো নিজের আঁচলের নিচে লুকিয়ে ফেললেন।
মা ফিসফিস করে বললেন, "পাগল ছেলে! সত্যিই চারটে নিয়ে এসেছিস? আজ তো তবে আমার হাড়মাস আলাদা করে দিবি মনে হচ্ছে।"
আমি মায়ের কোমরে এক বুনো আক্রোশে চাপ দিয়ে বললাম, "তুমিই তো চাইলে মা। এখন শুধু রাত হওয়ার অপেক্ষা। আজ কিন্তু তোমার ওই অভিজ্ঞ হাত দিয়ে আমাকে তৈরি করে দেওয়ার পালা।"
মা লজ্জা আর কামনায় লাল হয়ে দ্রুত রান্নাঘরের দিকে চলে গেলেন। কিন্তু আমি জানতাম, এই রাতের আকাশ যখন কালো হবে, তখন মায়ের এই ৪১ বছরের পরিপক্ক ভোদায় আমার ১৯ বছরের বাড়া এক নতুন ইতিহাস লিখতে শুরু করবে।

রাতের গভীরতা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ির প্রতিটি কোণ নিস্তব্ধতায় ডুবে গেল। বাবার নাসিকা গর্জন আর সীতার শান্ত নিশ্বাসের শব্দ জানিয়ে দিচ্ছিল যে, রণক্ষেত্র এখন প্রস্তুত। আমি আমার ঘরে ছটফট করছিলাম, আর ঠিক তখনই দরজায় অতি পরিচিত সেই মৃদু টোকা পড়ল।
মা ভেতরে ঢুকলেন। নীল নাইট ল্যাম্পের আলোয় তাঁর সেই ভরাট শরীরটা যেন এক রহস্যময়ী দেবীর মতো দেখাচ্ছিল। তিনি দরজাটা নিঃশব্দে খিল দিয়ে আমার বিছানার ওপর এসে বসলেন। তাঁর হাতে সেই নিষিদ্ধ প্যাকেটের প্যাকেটগুলো।

মা আজ সমস্ত জড়তা ঝেড়ে ফেলে আমার বিছানার একপাশে হাঁটু গেড়ে বসলেন। তাঁর ৪১ বছরের অভিজ্ঞ শরীরে কাল রাতের ধকল থাকা সত্ত্বেও আজ এক নতুন উদ্যম। তিনি ধীর হাতে আমার নাইটের হাফপ্যান্টটা নামিয়ে দিয়ে আমার সেই উদ্ধত ও রক্তিম পৌরুষটির দিকে এক অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকালেন।
"উফ্ সৌরভ... তোর এই তেষ্টাই তো আমাকে একদিন শেষ করে দেবে রে," মা ফিসফিস করে বলে আমার সেই কঠোর অঙ্গটি নিজের দুহাতের তালুতে নিলেন। এরপর যা করলেন, তার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। মা খুব যত্ন করে নিচু হয়ে তাঁর নরম ও তপ্ত ঠোঁটজোড়া দিয়ে আমার অঙ্গটির ডগা স্পর্শ করলেন। এক মুহূর্তের জন্য আমার শিরদাঁড়া দিয়ে বিদ্যুৎ খেলে গেল। মা যখন পুরোটা নিজের মুখের গভীর উষ্ণতায় পুরে নিলেন, আমার চোখ আপনাতেই বুজে এল।
মায়ের সেই কামুক চোষণের মাঝেই হঠাৎ তাঁর ধারালো দাঁতের সামান্য ছোঁয়া লেগে গেল আমার স্পর্শকাতর চামড়ায়। আমি এক তীব্র ব্যথায় আর সুখে কঁকিয়ে উঠলাম, "আহ্ মা... দাঁত লাগছে তো!"
মা মুখ বের করে এক দুষ্টু হাসি হাসলেন। তাঁর ঠোঁটের কোণায় লেগে থাকা লালার চিকন রেখাটি নীল আলোয় চিকচিক করছিল। তিনি আমার অণ্ডকোষ দুটিকে নিজের বাম হাতের আঙুলে আলতো করে দোলাতে দোলাতে বললেন, "বড্ড নাড়ু-গোপাল তো তুই! একটু দাঁত লাগলেই ককিয়ে উঠছিস?
রাতের সেই নিস্তব্ধতায় নীল বাতির আলোয় মায়ের শরীরটা যেন এক নিষিদ্ধ মানচিত্রের মতো আমার চোখের সামনে বিছিয়ে রইল। মা যখন বালিশের নিচ থেকে সেই নতুন প্যাকেটটি বের করলেন, তাঁর হাত দুটো সামান্য কাঁপছিল। ৪১ বছরের এক অভিজ্ঞ নারী হওয়া সত্ত্বেও ছেলের সামনে এই প্রস্তুতি তাঁর ভেতরে এক বিচিত্র দ্বিধা আর কামনার দ্বন্দ্ব তৈরি করছিল। তিনি রবারটি বের করে যখন আমার উত্তপ্ত অঙ্গে খুব ধীরে ধীরে পরিয়ে দিচ্ছিলেন, তাঁর আঙুলের প্রতিটি স্পর্শে ছিল এক আদিম মাদকতা।
মা তাঁর নাইটিটা কোমরের ওপর তুলে দিয়ে আমার ওপর চড়ে বসলেন। তাঁর সেই বিশাল ও ভারী নিতম্বের চাপে আমি বিছানায় প্রায় দেবে গেলাম। মা তাঁর দুই হাত আমার কাঁধে রেখে নিজের ভারসাম্য সামলে নিলেন।



মা যখন খুব ধীরে ধীরে নিজের আর্দ্র ভোদায় আমার কঠিন ধোনটাকে প্রবেশ করাতে শুরু করলেন, তাঁর মুখটা যন্ত্রণায় আর সুখে কুঁচকে গেল। কাল রাতের সেই চার দফার তাণ্ডবে তাঁর ভেতরটা তখন ছিল বড্ড সংবেদনশীল।
মা দাঁতে দাঁত চেপে ফিসফিস করে বললেন, "উফ্ সৌরভ... একটু থাম... বড্ড লাগছে রে। তোর এই ১৯ বছরের অবাধ্য তেজী ঘোড়াটা আমার এই জীর্ণ শরীরে যেন তপ্ত সিসার মতো বিঁধছে। কাল রাতের পর জায়গাটা বড্ড টনটন করছে, একটু সময় দে...বাপ!  উফ্!"
আমি মায়ের সেই ভরাট কোমর দুহাতে জড়িয়ে ধরে তাঁকে নিচের দিকে একটু জোরে চেপে ধরলাম। মা এক দীর্ঘ শ্বাস ফেলে আমার ঘাড়ে মুখ লুকালেন। "তোর কি একটুও মায়া নেই সৌরভ? তুই তো আমাকে আজ ছিঁড়েই ফেলবি। দেখ, সীতা পাশের ঘরে ঘুমাচ্ছে, একটু শব্দ হলে কিন্তু সব শেষ।"
আমি মায়ের পিঠের ঘামভেজা চামড়ায় আঙুল বোলাতে বোলাতে বললাম, "মা, এই ব্যথার পরের সুখটাই তো আসল। তুমি শুধু অনুভব করো আমি তোমার কতটা গভীরে যাচ্ছি।"
মা এবার নিজেকে সামলে নিয়ে কোমরের ছন্দ বদলালেন। প্রতিটি ওঠানামার সাথে আমাদের শরীরের ঘর্ষণের এক চপচপ শব্দ পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ছিল। মা যন্ত্রণার সেই প্রথম ধাক্কাটা কাটিয়ে উঠে যখন কামনার সাগরে ডুব দিলেন, তখন তাঁর গোঙানিগুলো আরও গভীর হতে লাগল। "উফ্... সৌরভ... তোর এই একেকটা ধাক্কা যেন আমার কলিজায় গিয়ে লাগছে, বাবা!!

প্রথম দফার এই উত্তাল মিলন যখন তুঙ্গে, মা আমার কানে মুখ নিয়ে এক কাব্যিক মাদকতায় বলতে শুরু করলেন, যা শুনে আমার রক্ত ফুটতে লাগল।
"শোন রে অবাধ্য ছেলে... তোর এই আগুনের শিখায় আমি আজ পতঙ্গের মতো ঝাঁপ দিয়েছি। এখন থেকে যখন দুপুরের ওই কড়া রোদ জানালার পর্দা ভেদ করে ঘরে আসবে, আর তোর বাবার কলেজের ঘণ্টা বাজবে, তখন যদি দেখিস আমার ঘরের দরজাটা আধখোলা—তবে বুঝে নিবি তোর এই তৃষ্ণার্ত মা তোর অপেক্ষায় আছে। আবার যখন রাতের এই আকাশ নিস্তব্ধ হবে, আর ছোট সীতা ওর বাবার হাত জড়িয়ে গভীর ঘুমে তলিয়ে যাবে, তখন যদি দেখিস আমি অলসভাবে বারান্দায় দাঁড়িয়ে আকাশের তারা দেখছি—তবে জানবি তোর ওই দানবটাকে শান্ত করার সময় হয়েছে। কিন্তু সব সময় হয়তো আমার মনের দরজা চাইলেও খুলতে পারবে না, ওই যে সমাজ আর সংস্কারের দেয়াল... তখন তুই আমায় একটু বুনোভাবে শাসন করে তোর নিজের কাছে টেনে নিস। তোর ওই জোরজবস্তি মাখা আদরটাই হয়তো আমার লজ্জার আবরণটা ছিঁড়ে দিতে সাহায্য করবে।"

মায়ের এই ঘুরিয়ে বলা কথার মাঝেই আমি এক জোরালো ধাক্কা মারলাম। মা এক অস্ফুট আর্তনাদ করে আমার ঠোঁট কামড়ে ধরলেন। তাঁর পরিণত ও সুপুষ্ট বক্ষযুগল তখন আমার বুকের ওপর আছড়ে পড়ছে। সঙ্গে মা তখন যন্ত্রণায় আর অভাবনীয় সুখে আমার কাঁধের চামড়া নিজের নখ দিয়ে খামচে ধরলেন। তাঁর দেহটা এক মুহূর্তের জন্য ধনুকের মতো বেঁকে গেল, আর পরক্ষণেই তিনি আমার ওপর পুরো ভারটা ছেড়ে দিলেন। ঘাম আর কামনার এক তপ্ত উত্তাপ আমাদের মাঝখানে বাষ্পের মতো জমে উঠছিল।
মা আমার কানে মুখ ঠেকিয়ে এক অদ্ভুত শাসনের স্বরে, অথচ অত্যন্ত কামুক ভঙ্গিতে ফিসফিস করে বলতে শুরু করলেন:
"উফ্! কী বুনো তেজ রে তোর! তুই কি ভাবিস এই ধাক্কাগুলো দিয়ে আমাকে বশ করে ফেলবি? আস্ত একটা জানোয়ার হয়েছিস তুই। কাল রাত থেকে এই যে আমার শরীরটাকে নিয়ে খেলছিস, আমার হাড়মাসগুলো যে ছিঁড়ে যাচ্ছে তা কি তোর একবারও মনে হয় না? এই যে আমার এই ৪১ বছরের পরিপক্ক জঠরে তুই তোর অবাধ্য যৌবনটা বারবার আছড়ে ফেলছিস—এটা কি শাসন নাকি শোষণ? তুই তো আমাকে আমার নিজের কাছেই অচেনা করে দিচ্ছিস সৌরভ।"

মা একটু থামলেন, তাঁর গরম নিশ্বাস তখন আমার কানের লতিকে পুড়িয়ে দিচ্ছিল। তিনি আবার বলতে লাগলেন:
"শোন, এই যে তুই আমাকে আজ এক লাঞ্ছিতা নারীর মতো বিছানায় ফেলে রেখেছিস, এটাই তোর শেষ নয়। তোর এই স্পর্ধা দেখে আমার গা জ্বলে যাচ্ছে, কিন্তু জানিস তো... তোর ওই দানবীয় ধাক্কাগুলো যখন আমার ভেতরে গিয়ে আঘাত করে, তখন আমার ওই লোকলজ্জার সব বাঁধ ভেঙে জল হয়ে যায়। তুই আমাকে মা বলে ডাকবি নাকি তোর সঙ্গিনী বলে—তাও আমি ভুলে যাই। তোর এই অবাধ্য শাসনই বোধহয় আমার মতো তৃষ্ণার্ত নারীর একমাত্র পাওনা ছিল। কিন্তু সাবধান! সীতা যেন ঘুণাক্ষরেও টের না পায় যে তোর এই বুনো খেলার কাছে ওর মা আজ কতটা অসহায় আর নতিস্বীকার করা এক কামাতুর নারী।"
মায়ের সেই তীব্র শাসনের আড়ালে লুকিয়ে থাকা আদিম আকাঙ্ক্ষা আমাকে যেন আরও উত্তেজিত করে তুলল। তিনি আমার ঠোঁটটা কামড়ে ধরে আবার বললেন, "থামলি কেন? তোর তো এখনও অনেক প্যাকেট বাকি। দেখি, আজ আমার এই ভরাট শরীরের কতটুকু তুই নিংড়ে নিতে পারিস। তোর এই শাসনের শেষ দেখে তবেই আমি আজ শান্তি পাব।"
মায়ের এই উস্কানিমূলক শাসন শুনে আমার ১৯ বছরের রক্ত আবার টগবগ করে ফুটতে শুরু করল। আমি তাঁর সেই ভারী ও মাংসল কোমরটা দুহাতে শক্ত করে ধরে আবার সেই নিষিদ্ধ ছন্দে মেতে উঠলাম।

রাতের সেই নিস্তব্ধতায় নীল আলোটা যেন আমাদের শরীরের প্রতিটি ঘামবিন্দুকে হিরের মতো উজ্জ্বল করে তুলছিল। প্রথম দফার সেই উত্তাল লড়াই যখন শেষ হলো, মা তখন আমার বুকের ওপর একতাল মাংসের পিণ্ডের মতো এলিয়ে পড়েছিলেন। তাঁর ৪১ বছরের পরিপক্ক শরীরটা তখন কামনার আগুনে পুড়ে ঝামা হয়ে গেছে। কিন্তু আমার ১৯ বছরের রক্ত কি এত সহজে শান্ত হয়?






না সত্যিই হয় না...!!
তাহলে সৌরভ এরপর মায়ের সঙ্গে কি করলো, কি কি করলো তা জানতে হলে বেশি বেশি লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকতে হবে। রিপুটেশন দিতে কিপটামো করলেও হবে না। 
Reply


Messages In This Thread
মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:02 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:03 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:04 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:05 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:06 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:07 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:42 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:43 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:44 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:45 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:46 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:48 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:49 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:50 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:51 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:53 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:55 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:02 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)