Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood)
#17

17




রাতের নিস্তব্ধতা যখন বাড়ির প্রতিটি কোণকে গ্রাস করে নিয়েছে, তখন ঘড়ির কাঁটা দুই ঘর অতিক্রম করেছে। বাবা আর সীতা এখন গভীর ঘুমে মগ্ন। আমি বিছানায় শুয়ে জানালার বাইরে তাকিয়ে সেই নিষিদ্ধ ছায়ার অপেক্ষা করছিলাম। ঠিক তখনই দরজার কবজায় অতি মৃদু একটা শব্দ হলো। মা এলেন।
জানালার ওপার থেকে আসা চাঁদের ম্লান আলোয় দেখলাম মা তাঁর সেই অতি পরিচিত নীল নাইটিটা পরেছেন, যা তাঁর ৪১ বছরের ডাগর শরীরটাকে এক মায়াবী আবহে ঢেকে রেখেছে। মা পা টিপে টিপে আমার বিছানার পাশে এসে বসলেন। তাঁর সারা শরীর থেকে তখন স্নান-পরবর্তী সাবানের সুগন্ধ আর সেই চেনা চন্দনের ঘ্রাণ ভেসে আসছে।

মা আমার চুলে হাত বুলিয়ে দিতেই আমি তাঁর কোলে মাথা রাখলাম। আজ আমাদের চোখে কোনো বুনো উন্মাদনা নেই, আছে এক সমুদ্র সমান গভীর স্নেহ। মা নিচু হয়ে আমার কপালে একটা দীর্ঘ চুমু খেলেন।
আমি ফিসফিস করে বললাম, "মা, আজ দুপুরে যা হলো... তুমি কি আমায় ক্ষমা করেছো? আমি তোমায় বড্ড বেশি কষ্ট দিয়ে ফেলেছি, তাই না?"
মা এক ম্লান কিন্তু পরম তৃপ্তির হাসি হাসলেন। আমার গালটা নিজের হাতের তালুতে নিয়ে বললেন, "পাগল ছেলে! কষ্ট কোথায় রে? আজ দুপুরে তুই যখন কোনো বর্ম ছাড়াই আমার ভোদার ভেতরে তোর বীর্য বিলীন করছিলি, তখন আমার মনে হচ্ছিল আমি আবার তোর ওই ১৯ বছরের শরীরের ভেতর দিয়ে পুনর্জন্ম পেলাম। আজ তুই আমাকে শুধু এক কামুকী হিসেবে নয়, এক নারী হিসেবে পূর্ণতা দিয়েছিস সৌরভ।"
মা একটু থেমে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে আরও গভীর স্বরে বললেন, "সবাই তো শুধু শরীরের হাহাকার দেখে রে, কিন্তু তুই আজ আমার সেই অন্তরের অতল তৃষ্ণাটা মিটিয়েছিস। লোকে একে পাপ বলবে, কিন্তু এই যে শান্তি—এই যে তুই এখন আমার কোলে মাথা রেখে আছিস—এর চেয়ে পবিত্র আর কিছু আমার কাছে নেই।"


মা এবার ধীরে ধীরে নাইটির ওপর থেকে তাঁর সেই ভারী ও তপ্ত স্তনযুগল বের করে আনলেন। চাঁদের আলোয় সেই দুগ্ধশুভ্র অবয়ব দুটি যেন কোনো এক মন্দিরের বিগ্রহের মতো পবিত্র দেখাচ্ছিল। মা নিজ হাতে একটি স্তন আমার মুখে তুলে দিলেন।
"আজ আর কামড়াকামড়ি নয় রে সোনা। আজ শুধু পরম মমতায় তোর এই মা-কে শুষে নে। যেমনটা ছোটবেলায় করতিস, আজ আবার সেই স্নেহের পরশ চাই আমার," মা চোখ বুজে বললেন।

আমি মায়ের সেই তপ্ত বৃন্তটি মুখে নিয়ে খুব ধীরে ধীরে, পরম মমতায় চুষতে শুরু করলাম। কোনো তাড়া নেই, কোনো কর্কশতা নেই। আমার জিভ যখন মায়ের সেই মখমলি বোঁটার চারপাশটা সিক্ত করছিল, মা এক দীর্ঘ প্রশান্তির নিশ্বাস ফেলে আমার মাথাটা নিজের বুকের সাথে আরও জোরে চেপে ধরলেন। তাঁর হৃদপিণ্ডের ধুকপুকানি আমি স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছিলাম।
মা এবার আমার প্যান্টের ওপর দিয়ে আলতো করে হাত বুলাতে লাগলেন। তিনি আমার সেই অকাট ও নগ্ন অঙ্গটিকে বের করে আনলেন। দুপুরে বিসর্জনের পর সেটি এখন শান্ত, কিন্তু মায়ের স্পর্শে আবার একটু একটু করে মাথা তুলছে। মা নিচে ঝুঁকে এলেন। তিনি তাঁর সেই পরিণত ঠোঁট দুটি দিয়ে আমার সেই মণিটির অগ্রভাগ স্পর্শ করলেন।
মা আজ যেন পূজা করছেন। তিনি আমার সেই ছালহীন অকাট অঙ্গটিকে জিভ দিয়ে খুব ধীর ছন্দে চাটতে শুরু করলেন। তাঁর মুখের সেই উত্তপ্ত লালা আর মরমী চোষণে আমার সারা শরীর দিয়ে এক অদ্ভুত শিহরণ বয়ে যাচ্ছিল। মা মুখ তুলে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, "সৌরভ, তোর এই শরীরটা আমার রক্তেই তৈরি। আজ আমি যখন তোকে এভাবে আদর করি, তখন মনে হয় আমি আমার নিজের সত্তাকেই ভালোবাসছি। তুই শুধু আমার সন্তান নোস রে, তুই আমার শ্রেষ্ঠ অলংকার।"


রাতের এই নিস্তব্ধতা তখন যেন এক মরমী কাব্যে রূপ নিয়েছে। মা যখন আমার লিঙ্গটিকে তাঁর মুখের উষ্ণতায় আগলে রেখেছিলেন, তখন আমার ভেতরেও এক তীব্র আকাঙ্ক্ষা জেগে উঠল তাঁর সেই পরম আধারটিকে সম্মান জানানোর। আমি আলতো করে মায়ের মাথাটা তুলে ধরলাম এবং তাঁকে বিছানায় একটু ওপরের দিকে সরে যেতে ইশারা করলাম।
মা আমার চোখের ভাষা বুঝতে পারলেন। তাঁর সেই সলজ্জ হাসিতে আজ কোনো দ্বিধা ছিল না। তিনি শুয়ে পড়ে তাঁর পা দুটো ভাঁজ করে নিতেই, চাঁদের ম্লান আলোয় তাঁর সেই ৪১ বছরের পরিপক্ক ও আরক্ত যোনিদ্বারটি এক অপার্থিব সৌন্দর্যে ফুটে উঠল। দুপুরে বুনো শাসনের পর জায়গাটা এখন অনেকটা শান্ত, কিন্তু এখনও কামনার রসে ভিজে চিকচিক করছে।

আমি কোনো শব্দ না করে মায়ের সেই সুপিষ্ট উরুদ্বয়ের মাঝে মুখ নামিয়ে আনলাম। মায়ের সেই চিরচেনা চন্দন আর তাঁর ব্যক্তিগত শরীরের এক মাদকতাময় ঘ্রাণ আমার মস্তিষ্কে নেশা ধরিয়ে দিল। আমি যখন প্রথমবার আমার জিভ দিয়ে তাঁর সেই মখমলি ভাঁজগুলো স্পর্শ করলাম, মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে বালিশটা খামচে ধরলেন।
"উফ্ সৌরভ... আবার কেন রে? তোর এই জিভের ছোঁয়া পেলে যে আমি নিজেকে আর সামলাতে পারি না..." মা ফিসফিস করে কাঁপাকাঁপা স্বরে বললেন।
আমি এবার তাঁর সেই মন্মথ মণি বা ক্লিটোরিসটি দুই ঠোঁটের মাঝে নিয়ে অতি সন্তর্পণে চুষতে শুরু করলাম। আজ কোনো তাড়াহুড়ো নেই, কোনো জেদ নেই। আজ আমার প্রতিটি চোষণ ছিল মায়ের প্রতি এক গভীর কৃতজ্ঞতা আর শ্রদ্ধার প্রকাশ। আমি তাঁর যোনিপথের একদম গভীরে জিভ ঢুকিয়ে দিয়ে সেই অমৃত আস্বাদ করতে লাগলাম, যা দুপুরে আমার বীর্যের সাথে মিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল।
মা তাঁর দুই পা দিয়ে আমার মাথাটা নিজের জঠরের সাথে আরও শক্ত করে চেপে ধরলেন। তাঁর শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে যাচ্ছিল। তিনি গোঙাতে গোঙাতে বলতে লাগলেন:
"সৌরভ... আহ্হ্... তুই তো আমাকে আজ স্বর্গের দরজায় পৌঁছে দিলি রে সোনা। তোর এই মরমী চোষণ আমার শরীরের প্রতিটি শিরায় এক অদ্ভুত প্রশান্তি বয়ে দিচ্ছে। তুই ছাড়া আর কে আমায় এভাবে বুঝবে রে? কে আমায় এভাবে পূর্ণ করবে?"


আমি যখন মায়ের সেই সিক্ত জঠর চাটছিলাম, মা তখন নিচু হয়ে আবার আমার লিঙ্গটি তাঁর নিজের মুখে তুলে নিলেন। আমরা এখন এক অদ্ভুত বৃত্তাকার ভঙ্গিতে একে অপরকে আস্বাদন করছি—আমি তাঁর জীবনের উৎস চাটছি, আর তিনি আমার পৌরুষকে তাঁর স্নেহের লালায় সিক্ত করছেন।
আমাদের মধ্যে চলা এই নিরব বিনিময় সঙ্গমের চেয়েও অনেক বেশি গভীর ছিল। কিছুক্ষণ পর আমি মুখ তুলে মায়ের একদম কাছে সরে এলাম। আমাদের দুজনের ঠোঁটে তখন একে অপরের শরীরের সেই নিষিদ্ধ ও পবিত্র রসের স্বাদ লেগে আছে। মা আমার ঠোঁটে একটা গাঢ় চুমু খেলেন এবং আমাকে তাঁর বুকের সাথে জাপটে ধরলেন।
মা ফিসফিস করে বললেন, "আজ রাতে আমরা একে অপরকে শুধু শরীর দিয়ে নয় রে সৌরভ, আত্মা দিয়েও চুষে নিলাম। তোর এই ছোঁয়ায় আমার গত বিশ বছরের সব একঘেয়েমি আর যন্ত্রণা ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গেল। তুই চিরকাল এভাবেই আমার আশ্রয়ে থাকিস রে সোনা।"
চাঁদের আলোয় ভেজা সেই রাতে আমরা ওভাবেই একে অপরের ঘ্রাণ নিতে নিতে গভীর ঘুমে তলিয়ে গেলাম। সকালে যখন সূর্য উঠবে, তখন হয়তো আবার আমরা 'মা ও ছেলে' হয়ে যাব, কিন্তু এই রাতের সেই নিবিড় চোষণের স্মৃতি আমাদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী এক মোহর এঁকে দিল।


ভোরের প্রথম আলো যখন জানালার পর্দা চুঁইয়ে ঘরে ঢুকতে শুরু করল, মায়ের ঘুম ভাঙল এক অদ্ভুত প্রশান্তি নিয়ে। তিনি দেখলেন সৌরভ তখনও তাঁর বুকের ওপর মাথা রেখে গভীর ঘুমে মগ্ন। মায়ের হাতটা আপনমনেই সৌরভের চুলে বিলি কাটতে লাগল।
আজকের এই সকালটা মায়ের কাছে অন্য সব দিনের মতো নয়। আয়নায় নিজের প্রতিবিম্বের দিকে তাকিয়ে তিনি অনুভব করলেন, গত ১৯ বছরের সেই 'মা' সত্তাটির ভেতরে আজ এক নতুন নারীর জন্ম হয়েছে। সৌরভ এখন তাঁর কাছে শুধু সেই ছোট্ট খোকাটি নেই যাকে তিনি কোলে-পিঠে করে মানুষ করেছেন; সৌরভ এখন তাঁর জীবনের সেই 'পরম আশ্রয়ের মানুষ', যার কাছে তিনি তাঁর সমস্ত গোপনীয়তা, শরীর এবং আত্মা নির্দ্বিধায় সঁপে দিতে পারেন।
মা নিজের মনেই হাসলেন। তিনি বুঝতে পারলেন, সমাজের চোখে এই সম্পর্ক নিষিদ্ধ হলেও, তাঁর নিজের কাছে এটিই এখন সবচেয়ে বড় সত্য। সৌরভের সেই নগ্ন আস্বাদন আর রাতের নিবিড় চোষণ তাঁকে এক এমন নিরাপত্তা দিয়েছে, যা তিনি গত বিশ বছরে তাঁর স্বামীর কাছেও পাননি।
সৌরভ ঘুম থেকে জেগে উঠতেই মা তাঁর কপালে একটা তপ্ত চুমু খেয়ে ফিসফিস করে বললেন:
"জেগেছিস রে আমার রাজা? শোন, এখন থেকে তুই শুধু আমার ছেলেই থাকলি না, তুই হলি আমার সেই গোপন আশ্রয় যেখানে আমি প্রতিদিন নিজেকে নতুন করে খুঁজে পাব। দুনিয়া আমাদের মা-ছেলে হিসেবেই জানুক, কিন্তু আমার এই শরীরের প্রতিটি কোষ আর আমার এই ভোদা জানবে—তুই-ই আমার একমাত্র অধিপতি।"
মা বিছানা থেকে নামার সময় একবার আড়চোখে ড্রয়ারের দিকে তাকালেন। সেখানে সেই ৪৫টি প্যাকেটের বাকিগুলো এখনও তাদের পরবর্তী রোমাঞ্চের অপেক্ষায় দিন গুনছে। কিন্তু মা জানেন, প্যাকেটে হোক বা বর্মহীন নগ্নতায়—সৌরভ এখন তাঁর অস্তিত্বের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।

রান্নাঘরের ধোঁয়া আর চায়ের সুগন্ধের মাঝে মা যখন খুন্তি নাড়ছেন, তাঁর শরীরটা যেন এক অদ্ভুত ঘোরের মধ্যে আছে। বাবা সামনে বসে খবরের কাগজ পড়ছেন, কিন্তু মা বারবার অন্যমনস্ক হয়ে যাচ্ছেন। কাল রাতের সেই নিবিড় চোষণ আর দুপুরের সেই বর্মহীন আস্বাদনের রেশ তাঁর শরীরের প্রতিটি ভাঁজে এখনও এক অদৃশ্য কাঁপুনি দিয়ে যাচ্ছে। মা যখন চায়ের কাপটা বাবার সামনে রাখলেন, তাঁর হাতটা সামান্য কেঁপে উঠল—মনে মনে তিনি ভাবছেন, এই হাত দুটোই তো কাল রাতে সৌরভের সেই অকাট ও নগ্ন পৌরুষকে পরম মমতায় আগলে রেখেছিল।
বাবা অফিসে বেরিয়ে যেতেই মা যেন খাঁচামুক্ত এক পাখি। সীতাও কলেজে চলে গেছে।(ওহ! আমাদের কথা কাজের মাঝখানে সীতার কথা বলতে ভুলে গেছি, সেটাকে গত পরশুদিন একটু নতুন কলেজে ভর্তি করে দাওয়া হয়েছে। এটা এখন কেজি-১ এ পড়ে) বাড়িটা এখন এক গভীর নিস্তব্ধতায় মোড়া। মা তাঁর নীল শাড়িটা বদলে এবার একটা পাতলা স্লিভলেস ব্লাউজ আর ঘরোয়া সুতির শাড়ি পরলেন, যা তাঁর ৪১ বছরের ডাগর শরীরটাকে আরও বেশি উন্মুক্ত করে রাখছে।
বাবা অফিসে বেরিয়ে যেতেই মা যেন খাঁচামুক্ত এক পাখি। সীতাও কলেজে চলে গেছে। বাড়িটা এখন এক গভীর নিস্তব্ধতায় মোড়া। মা তাঁর নীল শাড়িটা বদলে এবার একটা পাতলা স্লিভলেস ব্লাউজ আর ঘরোয়া সুতির শাড়ি পরলেন, যা তাঁর ৪১ বছরের ডাগর শরীরটাকে আরও বেশি উন্মুক্ত করে রাখছে।
মা পা টিপে টিপে সৌরভের ঘরের দরজায় এসে দাঁড়ালেন। সৌরভ তখন টেবিলে বই খুলে বসে ছিল, কিন্তু তার চোখ জানালার বাইরে। মা দরজায় হালকা টোকা দিয়ে এক কামুক অথচ সলজ্জ হাসি হাসলেন।

"কী রে? বড় যে পড়াশোনা হচ্ছে আজ! কাল রাতের সেই নেশা কি তবে সবটুকু কেটে গেছে?" মা দরজায় হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে বললেন। তাঁর আঁচলটা আজ ইচ্ছা করেই একটু বেশি আলগা করে রাখা।
সৌরভ উঠে দাঁড়িয়ে মায়ের কাছে এল। মায়ের সেই ভারী ও সুপুষ্ট কোমর দুহাতে জড়িয়ে ধরে সে বলল, "নেশা কি আর এত সহজে কাটে মা? ওই ড্রয়ারে তো এখনও অনেক রসদ বাকি। আজ দুপুরে তবে কী হবে?"
মা এবার সৌরভের বুকের সাথে নিজেকে লেপ্টে দিয়ে তাঁর কানে ফিসফিস করে বললেন:
"আজ কোনো প্যাকেটের খেলা নয় রে সৌরভ। আজ আমি তোকে আমার সেই 'পরম আশ্রয়' হিসেবে চাই। আজ দুপুরে আমরা কোনো বিছানায় নয়, বরং এই ড্রয়ারের সামনে দাঁড়িয়েই এক নতুন খেলা খেলব। তুই আজ আমাকে পেছন থেকে শাসন করবি, আর আমি এই টেবিলের ওপর হাত রেখে তোর প্রতিটি ধাক্কা অনুভব করব। আমি চাই তুই আমাকে আজ এতটাই গভীরে গাঁথিস, যেন আমি বুঝতে পারি আমি শুধু তোর মা নই, আমি তোর চিরস্থায়ী সম্পত্তি।"

আমি কোনো তাড়াহুড়ো না করে পরম আবেশে নিচু হলাম। মায়ের নীল শাড়ির নিচে থাকা পেটিকোটের কিনারা ধরে এক নিপুণ দক্ষতায় আমি শাড়ি এবং পেটিকোট—দুটোর প্রান্তই একসাথে মুঠো করে ধরলাম। মা তখন উত্তেজনায় কাঁপছেন, তাঁর নিশ্বাসের শব্দ টেবিলের ওপর আছড়ে পড়ছে।

আমি নিচ থেকে শাড়ি আর সায়ার গোছাটা টেনে একদম তাঁর কোমর অবধি উঠিয়ে দিলাম। মায়ের সেই দুগ্ধশুভ্র, বিশাল এবং সুপুষ্ট নিতম্ব দুটি এখন একদম নগ্ন হয়ে আমার চোখের সামনে। নীল আলোয় সেই মাংসল অবয়ব যেন এক নিষিদ্ধ পাহাড়ের মতো উঁচিয়ে আছে। আমি সেই কাপড়ের স্তূপটা মায়ের হাতে ধরিয়ে দিয়ে ফিসফিস করে বললাম:
"মা, আজ তুমি কোনো মা নও, আজ তুমি আমার সেই রাজকীয় ক্ষেত্র। শাড়িটা শক্ত করে ধরে রাখো, আজ আমি তোমাকে পেছন থেকে এমনভাবে শাসন করব যেন তোমার প্রতিটি রক্তবিন্দু আমার নাম জপে।"
মা এক মুহূর্তের জন্য সলজ্জ হয়ে ঘাড়ে মুখ লুকালেন, কিন্তু পরক্ষণেই এক আদর্শ প্রেমিকার মতো শাড়ির সেই গোছাটা নিজের পেটের কাছে শক্ত করে চেপে ধরলেন। তিনি তাঁর পাছা বা মাংসল নিতম্ব দুটিকে একটু পিছিয়ে দিয়ে আমার সেই অকাট ও নগ্ন দণ্ডের দিকে আরও উঁচিয়ে ধরলেন। তাঁর সেই সিক্ত ও আরক্ত যোনিদ্বারটি তখন যেন এক জীবন্ত আগ্নেয়গিরির মুখে কামনার লালা ঝরিয়ে এক গভীর আমন্ত্রণে থরথর করে কাঁপছে।

আমি পেছন থেকে আমার সেই তপ্ত ও অকাট পৌরুষটি যখন কোনো আবরণ ছাড়াই মায়ের সেই সিক্ত ও উষ্ণ জঠরে আমূল গেঁথে দিলাম, মা এক তীব্র আর্তনাদ করে টেবিলের ধারটা খামচে ধরলেন। প্রতিটি ধাক্কার সাথে সাথে আমি আমার দুহাত সামনে বাড়িয়ে মায়ের সেই বিশাল ও ভারী স্তনযুগলকে ব্লাউজের ওপর দিয়েই অত্যন্ত শক্ত করে চেপে ধরলাম। আমার আঙুলের চাপে স্তনের নরম মাংসগুলো দুপাশ দিয়ে উপচে পড়ছিল।
আমি যখন বুনো ছন্দে ধাক্কা দিতে শুরু করলাম, তখন আমার দাঁত দিয়ে মায়ের সেই তপ্ত ও ঘামভেজা ঘাড়ের ভাঁজটি সজোরে কামড়ে ধরলাম। মা যন্ত্রণায় শিউরে উঠলেন ঠিকই, কিন্তু তাঁর সেই যন্ত্রণা মুহূর্তেই এক স্বর্গীয় সুখে পরিণত হলো। তিনি তাঁর পাছাটা আরও পেছনে ঠেলে দিয়ে আমার প্রতিটি আঘাতকে শরীরের গভীরতম কোষে গ্রহণ করতে লাগলেন।
আমাদের এই যুদ্ধের তীব্রতা এতটাই বেড়ে গেল যে, প্রতিটি ধাক্কার সাথে সাথে মায়ের ৪১ বছরের ভারী শরীর আর সেই কাঠের টেবিলটা সশব্দে নড়ে উঠছিল। খট্ খট্ শব্দে পুরো ঘরটা যেন কেঁপে উঠছে। মা তখন উত্তেজনার চরম শিখরে পৌঁছে ঘাড় ঘুরিয়ে আমার দিকে তাকালেন। তাঁর চোখ দুটো নেশায় আরক্ত, কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম।
মা হাঁপাতে হাঁপাতে গদগদ স্বরে বলে উঠলেন:
"উফ্ সৌরভ... আঃ... তোর এই শরীরে এত জোর কোথায় ছিল রে জানোয়ার! তোর প্রতিটি ধাক্কায় মনে হচ্ছে আমার জঠর বিদীর্ণ হয়ে যাবে। তোর বাবা তো সারা জীবনেও এই টেবিলটা এক ইঞ্চি নড়াতে পারেনি, আর তুই আজ তোর এই নগ্ন তেজ দিয়ে আমাকে সুদ্ধু টেবিলটাকে কাঁপিয়ে দিচ্ছিস! তোর এই শক্তির কাছে হার মানতেও যে আজ বড় তৃপ্তি রে সোনা..."

মায়ের এই গর্বিত প্রশংসা শুনে আমার ১৯ বছরের রক্তে যেন আরও আগুন ধরে গেল। আমি এবার আরও দ্বিগুণ শক্তিতে মায়ের সেই পরিণত জঠরকে শাসন করতে শুরু করলাম। টেবিলের নড়ে ওঠার শব্দ আর আমাদের শরীরের ঘর্ষণের সিক্ত আওয়াজ মিলেমিশে এক নিষিদ্ধ সিম্ফনি তৈরি করল।
মা তাঁর শাড়ির গোছাটা আরও শক্ত করে পেটের কাছে চেপে ধরে তাঁর সেই বিশাল নিতম্ব দুটিকে আমার কামনার আগুনে সঁপে দিলেন। আজ কোনো বর্ম নেই, আজ শুধু এক সন্তানের বুনো শক্তি আর এক মায়ের পরম তৃপ্তির হাহাকার।

টেবিলের ওপর চলা সেই পৈশাচিক অথচ ছন্দময় লড়াই তখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। কাঠের টেবিলটা প্রতিটি ধাক্কায় আর্তনাদ করে উঠছে, আর তার চেয়েও তীব্র হয়ে কানে বাজছে মায়ের সেই ঘন ঘন নিশ্বাস আর অস্ফুট গোঙানি। আমি যখন পেছন থেকে মায়ের সেই সুপিষ্ট ও বিশাল নিতম্বের খাঁজে আমার ১৯ বছরের সমস্ত রাগ আর অনুরাগ ঢেলে দিচ্ছিলাম, তখন আমাদের শরীরের ঘাম একে অপরের সাথে মিশে এক পিচ্ছিল আবরণ তৈরি করেছে।
মায়ের নীল শাড়ির গোছাটা তাঁর পেটের কাছে তখন ঘামে ভিজে একাকার। তিনি টেবিলের ওপর রাখা একটা বই খামচে ধরে নিজের পিঠটা ধনুকের মতো বেঁকিয়ে দিলেন, যাতে আমার প্রতিটি আঘাত তাঁর ৪১ বছরের পরিণত জঠরের একদম শেষ সীমানায় গিয়ে পৌঁছাতে পারে।
হঠাৎ আমি অনুভব করলাম আমার মেরুদণ্ড দিয়ে এক তীব্র শিহরণ বয়ে যাচ্ছে। আমার ১৯ বছরের জমানো সেই তপ্ত লাভার স্রোত আর ধরে রাখা সম্ভব নয়। আমি যখন শেষ কয়েকটা মরণকামড় দেওয়ার মতো সজোরে ধাক্কা মারলাম, তখন মা বুঝতে পারলেন তাঁর ‘রাজা’ এখন তাঁর সমস্ত সিংহাসন জয় করে নিতে চলেছে।
মা তাঁর ঘাড়টা পেছনে ঘুরিয়ে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে একদম বুঁজে আসা স্বরে চিৎকার করে উঠলেন:
"ছাড়িস না সৌরভ! আজ টেবিল থেকে আমাকে সরাবি না... আজ তোর এই সবটুকু তেজ আমার এই ভোদার অন্দরেই ঢেলে দে! আমি চাই তোর প্রতিটি ফোঁটা সরাসরি আমার নাড়ি ছুঁয়ে যাক। আজ এই টেবিলের ওপর দাঁড়িয়েই তুই আমাকে আবার নতুন করে গর্ভবতী কর রে সোনা... আজ আমি তোর এই নগ্ন দান নিজের শরীরে ধারণ করে ধন্য হতে চাই!"

আমার সমস্ত তেজ যখন মায়ের জঠরের গভীরে আছড়ে পড়ছে, মা তখন টেবিলের ধারটা আরও শক্ত করে আঁকড়ে ধরে ফিসফিস করে বললেন:
"হ্যাঁ সৌরভ... গর্ভবতী! আজ এই 'সেফ পিরিয়ড' আর সামাজিকতার সব হিসেব আমি তুচ্ছ করতে চাই রে। তোর এই তপ্ত বীর্য যখন আমার নাড়ি ছুঁয়ে যাচ্ছে, তখন মনে হচ্ছে আমি যেন আবার সেই ১৯ বছর আগের দিনগুলোতে ফিরে গেছি। সেদিন তুই আমার পেটে আসায় আমি মা হয়েছিলাম, আর আজ তোর এই নগ্ন তেজ আমার জঠরে ধারণ করে আমি তোর প্রকৃত 'প্রেয়সী' হতে চাই।"

মায়ের এই সাহসী এবং তৃষ্ণার্ত আহ্বানে আমি আমার সমস্ত নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললাম। আমি সজোরে মায়ের কোমরটা খামচে ধরলাম যাতে এক চুল নড়াচড়া না হয়। তারপর, কোনো বর্মহীন সেই উন্মাদনায়, আমার ১৯ বছরের সমস্ত পুরুষত্ব, আমার সমস্ত তেজ আগ্নেয়গিরির মতো মায়ের সেই উষ্ণ ও সিক্ত ভোদার অলিগলিতে অঝোর ধারায় বিসর্জন দিতে লাগলাম।
মা এক দীর্ঘ ও বুকফাটা হাহাকার করে টেবিলের ওপর এলিয়ে পড়লেন। তাঁর শরীরটা এক তীব্র খিঁচুনিতে থরথর করে কাঁপছিল। তিনি অনুভব করছিলেন আমার সেই তপ্ত বীর্যের স্রোত কীভাবে তাঁর জঠরের দেওয়ালগুলোকে প্লাবিত করে দিচ্ছে। প্রতিটি ফোঁটা যখন তাঁর শরীরের গভীরে গিয়ে আছড়ে পড়ছিল, মা তখন চোখ বুজে এক পরম তৃপ্তিতে নিথর হয়ে গেলেন।


কিছুক্ষণ পর, আমাদের দুজনের দ্রুততর হওয়া নিশ্বাস যখন একটু শান্ত হয়ে এল, আমি আস্তে করে নিজেকে সরিয়ে নিলাম। মা তখনও টেবিলের ওপর ওই নগ্ন ও বিধ্বস্ত ভঙ্গিতেই শুয়ে আছেন। তাঁর উরুর ভেতর দিয়ে চুঁইয়ে আসা সেই সাদাটে শুভ্র রসগুলো আজ যেন এক নিষিদ্ধ বিজয়ের সাক্ষী দিচ্ছিল।
মা অতি কষ্টে ঘুরে বসলেন। তাঁর চুল এলানো, কপালে ঘাম, আর চোখে এক অপার্থিব প্রশান্তি। তিনি হাত বাড়িয়ে আমার মুখটা ধরলেন এবং পরম মমতায় কপালে একটা চুমু খেয়ে বললেন:
"এখন যা, নিজেকে পরিষ্কার করে নে। তোর বাবা আসার সময় হয়ে এল যে! আমাকেও তো এখন চট করে সব সামলে নিতে হবে।"
মায়ের সেই শান্ত ও তৃপ্ত হাসি আমাদের এই নিষিদ্ধ বিকেলের এক সুন্দর পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে দিল।

মা সলজ্জ হেসে তাঁর ভিজে যাওয়া শাড়িটা আবার কোমরে জড়িয়ে নিলেন। টেবিলের ওপর পড়ে থাকা সেই ঘাম আর বীর্যের দাগগুলো যেন আমাদের আজকের এই গোপন মহাকাব্যের শেষ স্বাক্ষর।




এবার কি তাহলে মা আমার বাচ্চা গ্রহণ করবে?নাকি অন্য কিছু!

ততক্ষণ পর্যন্ত সঙ্গেই থাকবেন
সঙ্গে থাকার জন্য সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
Reply


Messages In This Thread
মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:02 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:03 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:04 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:05 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:06 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:07 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:42 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:43 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:44 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:45 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:46 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:48 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:49 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:50 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:51 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:53 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:55 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:02 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)