Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood)
#18

18


সেই দুপুরের উত্তাল টেবিল-সঙ্গমের পর কয়েকটা দিন কেটে গেছে এক অদ্ভুত মায়াবী ঘোরে। বাড়ির স্বাভাবিক ছন্দে বাবা আর সীতা যখন যে যার কাজে ব্যস্ত থাকেন, মা আর আমার চোখের ভাষায় তখন বিনিময় হয় এক নিষিদ্ধ সংকেত। অবশেষে একদিন রাত যখন গভীর হলো, বাবা ঘুমে কাদা হয়ে গেছেন, মা পা টিপে টিপে আমার ঘরে এসে ঢুকলেন।
আজ মায়ের পরনে সাদা রঙের এক পাতলা ফিনফিনে নাইটি, যার ভেতর দিয়ে তাঁর ৪১ বছরের ডাগর শরীরটা চাঁদের আলোয় এক মায়াবী রূপ নিয়েছে। মা এসে আমার বিছানায় গা ঘেঁষে বসলেন।  আমিও তাঁর সেই সুপিষ্ট ও চন্দনমাখা কোমরটা দুহাতে জড়িয়ে ধরে নিজের দিকে টেনে নিলাম।
মায়ের নাইটিটা নাভির ওপর পর্যন্ত তুলে আমি যখন তাঁর সেই গভীর আর উষ্ণ নাভিতে মুখ ঘষতে শুরু করলাম, মা এক দীর্ঘ হাহাকার করে আমার চুলে আঙুল চালিয়ে দিলেন।
আমি মায়ের নাভির চারপাশে জিভ বোলাতে বোলাতে ফিসফিস করে বললাম, "মা, এই নাভি দিয়েই তো একদিন আমি তোমার থেকে প্রাণ নিয়েছিলাম। আর আজ এই নাভির ঠিক নিচেই আমার সেই ১৯ বছরের নগ্ন তেজটুকু ঢেলে দিয়েছি। কেমন লাগছে তোমার?"
মা আমার মুখটা টেনে নিয়ে নিজের সেই ভারী ও তপ্ত স্তন দুটোর মাঝখানে চেপে ধরলেন। তাঁর বুকের সেই ধুকপুকানি আমি নিজের গালে অনুভব করতে পারছিলাম। মা মায়াবী স্বরে বললেন—
"জানিস সৌরভ, সেই দুপুরের পর থেকে আমার ভেতরে এক অদ্ভুত পরিবর্তন এসেছে রে। তুই যখন কোনো বর্ম ছাড়া সরাসরি আমার জঠরে তোর সেই গরম বীর্যটুকু উজাড় করে দিলি, তখন মনে হলো আমার সারা শরীর যেন তোকে নতুন করে গ্রহণ করল। আমি ভাবছিলাম... যদি আজ আমাদের এই অবাধ্য মিলনের ফলে আমার শরীরে আবার নতুন কোনো প্রাণের অঙ্কুর জন্ম নেয়?"
আমি অবাক হয়ে মায়ের চোখের দিকে তাকালাম। মায়ের চোখে তখন ভয়ের লেশমাত্র নেই, বরং এক আদিম তৃপ্তি আর তীব্র প্রত্যাশা। আমি মায়ের সেই উষ্ণ ও টানটান পেটে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বললাম, "মা, তুমি কি সত্যিই চাও আমার সন্তান তোমার পেটে আসুক? সমাজ বা বাবার কথা একবারও ভাবলে না?"
মা এক রহস্যময় হাসি হাসলেন। তিনি আমার হাতটা টেনে নিয়ে নিজের সেই আরক্ত ও সিক্ত যোনিপথের ওপর রাখলেন, যা তখনও আমার দুপুরের সেই শাসনের রেশ ধরে শিরশির করছিল। মা বললেন—
"তোর বাবা তো এখন শুধু নামেই আমার স্বামী রে। তাঁর শরীরে তো আর সেই তেজ নেই যা দিয়ে তোর এই মা-কে নতুন করে সজীব করতে পারে। কিন্তু তুই... তুই তো আমাকে একদম ভেতর পর্যন্ত নিংড়ে নিয়েছিস। তোর এই তেজ আমার জঠরে থাকা মানে প্রতিটি মুহূর্তে তোকে আমার শরীরের ভেতরে অনুভব করা। আমি যখন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখব আমার পেটটা তোর দেওয়া দানে একটু একটু করে ফুলে উঠছে, তখন মনে হবে তুই সারাক্ষণ আমার ভেতরে আছিস, আমাকে শাসন করছিস।"







মা এবার পরম মমতায় তাঁর নাইটির ওপর থেকে তাঁর সেই দুগ্ধশুভ্র বক্ষযুগল বের করে দিলেন। আমি যখন মায়ের সেই তপ্ত বৃন্তটি মুখে নিয়ে পরম আবেশে চুষতে শুরু করলাম, মা তৃপ্তিতে চোখ বুজে নিলেন।
"চুষে নে রে সোনা... আমার এই বুক দুটো এখন থেকেই যেন আগামীর সেই অনাগত প্রাণের জন্য তৈরি হতে চাইছে। তুই আজ থেকে আর কোনো প্যাকেটের কথা ভাববি না। আমি চাই তোর প্রতিটি ফোঁটা সরাসরি আমার ভেতরে জমা হোক। আমি চাই আমার এই ৪১ বছর বয়সটাকে তোর ১৯ বছরের যৌবন দিয়ে নতুন করে রাঙিয়ে দিতে।"
সেই গভীর রাতে আমরা আর কোনো বুনো সঙ্গম করলাম না। আমি মায়ের সেই স্নেহের স্তন আর তপ্ত জঠরের ওপর হাত রেখে আগামীর সেই নিষিদ্ধ স্বপ্নের জাল বুনতে লাগলাম। মা নিজেকে আজ থেকে আমার সেই 'উর্বর ক্ষেত্র' হিসেবে সঁপে দিলেন, যেখানে আমি একাই রাজত্ব করব।

রাতের সেই গভীর আলাপের পর আমাদের সম্পর্কের রসায়নটা একদম বদলে গেল। আগে যেখানে ছিল শুধু একটা শরীরী ক্ষুধা আর চুরিকরা মুহূর্তের উত্তেজনা, এখন সেখানে জায়গা করে নিল এক অদ্ভুত 'অধিকারবোধ'। মা এখন আমার সামনে আর সেই শাসনকারী অভিভাবক নন, বরং তিনি আমার আগামীর এক নতুন স্বপ্নের ধারক।
পরের দিন দুপুরে বাবা অফিসে আর সীতা কোচিংয়ে যেতেই বাড়িটা যখন আবার আমাদের একান্ত হয়ে উঠল, আমি দেখলাম মা তাঁর শোয়ার ঘরে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের পেটটা দেখছেন। আমি পেছন থেকে গিয়ে মায়ের কোমর জড়িয়ে ধরতেই তিনি আমার কাঁধে মাথা রাখলেন।
আমি মায়ের পেটে হাত বুলিয়ে দিয়ে ফিসফিস করে বললাম, "কী দেখছো মা? এখনও তো মাত্র কয়েকটা দিন..."
মা সলজ্জ হেসে আমার হাতটা নিজের পেটের ওপর আরও চেপে ধরলেন। "দেখছি রে সৌরভ, এই জঠরটা একদিন তোকে বড় করেছিল, আর আজ এখানে তোরই দেওয়া এক নতুন প্রাণের অপেক্ষা। জানিস, আজ সকাল থেকে কেমন যেন গা-গোলানো ভাব হচ্ছে, শরীরটা বড্ড ভারী লাগছে। মনে হয় তোর সেই ১৯ বছরের তেজ বড্ড বেশিই শক্তিশালী ছিল।"
মায়ের কথা শুনে আমার বুকের ভেতরটা গর্বে ভরে উঠল। আমি বুঝতে পারলাম, আমাদের এই নিষিদ্ধ মোড় আমাদের দুজনকে এক অলিখিত চুক্তিতে বেঁধে ফেলেছে। মা এখন আর আমার ওপর কোনো হুকুম চালান না, বরং প্রতি পদে পদে আমার মত নিতে চান।
বিকেলে যখন মা চা নিয়ে এলেন, তখন বাবাও বাড়ি ফিরেছেন। বাবা যখন মায়ের হাতের চায়ের কাপটা নিতে যাচ্ছিলেন, মা খুব সন্তর্পণে বাবার স্পর্শ এড়িয়ে গিয়ে কাপটা টেবিলের ওপর রাখলেন। বাবার অজান্তেই মা আমার দিকে তাকিয়ে একবার চোখ টিপলেন।
সেই চোখের ভাষায় পরিষ্কার লেখা ছিল—"এই শরীরটা এখন শুধুই তোর আমানত।"
রাতে খাওয়ার পর যখন আমরা সবাই ড্রয়িংরুমে বসে আছি, মা হঠাৎ করেই বাবার সামনে বললেন, "শোনো, আমার শরীরটা ইদানীং ভালো যাচ্ছে না। ডাক্তার দেখাতে হবে ভাবছি। আর এখন থেকে আমি নিজের ঘরেই একটু আলাদা শুতে চাই, আমার ঘুমের খুব ব্যাঘাত হচ্ছে।"
বাবা নির্বিকারভাবে মাথা নাড়লেন, কিন্তু আমি জানি মায়ের এই 'আলাদা শোয়ার' আসল উদ্দেশ্য কী। মা আসলে বাবার থেকে নিজেকে পুরোপুরি সরিয়ে নিয়ে আমার জন্য নিজেকে অবারিত করে রাখছেন।

রাতের অন্ধকারে মা যখন আবার আমার ঘরে এলেন, আজ আর তাঁর চোখে কোনো তাড়াহুড়ো ছিল না। তিনি আমার বিছানায় শুয়ে পড়ে আমার হাতটা টেনে নিয়ে নিজের নাইটির ভেতর ঢুকিয়ে দিলেন।
"সৌরভ, তোর বাবা এখন নাক ডাকছে। কিন্তু আমি জানতাম তুই জেগে আছিস। দেখ তো, আমার বুক দুটো কেমন পাথরের মতো শক্ত হয়ে আছে। মনে হচ্ছে তোর সেই অবাধ্য দানের ফল এখন থেকেই ফলতে শুরু করেছে।"
আমি মায়ের সেই তপ্ত স্তনে মুখ ঘষতে ঘষতে বললাম, "মা, এই মোড়টা কি আমাদের কোনো বিপদে ফেলবে না তো?"
মা আমার মাথাটা নিজের বুকের গভীরে চেপে ধরলেন। "বিপদ আসুক বা না আসুক, এই তৃপ্তিটা তো সত্যি। তুই আমার শরীরকে যেভাবে জাগিয়েছিস, তেমনটা আর কেউ পারেনি। এখন থেকে আমাদের প্রতিটা মিলন হবে এক একটা প্রাণের প্রার্থনা। তুই আজ আমায় আবার সেই বুনোভাবে শাসন করবি তো?"
আমি বুঝতে পারলাম, মা এখন থেকে আমার কাছে শুধু একজন নারী নন, তিনি আমার সেই 'আশ্রয়' যে নিজের মাতৃত্বকে বাজি রেখে আমার পৌরুষকে চিরস্থায়ী করতে চায়।




এরপর এইতো সেদিন সকালে নাস্তার টেবিলে এক অদ্ভুত দৃশ্য তৈরি হলো। বাবা খবরের কাগজটা হাতে নিয়ে চশমাটা ঠিক করতে করতে বারবার মায়ের দিকে তাকাচ্ছিলেন। তাঁর চোখেমুখে এক গভীর বিভ্রান্তি। আমি আড়চোখে মায়ের দিকে তাকালাম, মা তখন খুব নিপুণ হাতে পাউরুটিতে মাখন লাগাচ্ছেন।
বাবা গলাটা একটু পরিষ্কার করে বললেন, "সীমা, আচ্ছা কাল রাতে কি আমি তোমার ঘরে গিয়েছিলাম? মানে... আমার কেন জানি মনে হচ্ছে আমরা খুব কাছাকাছি ছিলাম, কিন্তু পরক্ষণেই মনে হচ্ছে আমি তো খাওয়ার পরেই বিছানায় পড়ে গিয়েছিলাম। মাথাটা বড্ড গোলমাল করছে ইদানীং।"
মা তখন আমার দিকে একবার চোরা চাহনি দিয়ে বাবার দিকে তাকিয়ে খুব শান্ত গলায় বললেন:
"কী যে বলো না! কাল রাতে তো তুমি ভাত খেয়েই বললে তোমার বড্ড ঘুম পাচ্ছে। আমি তো পাশের ঘরে সীতার সাথে কতক্ষণ কথা বলে এসে দেখলাম তুমি অঘোরে ঘুমোচ্ছ। তুমি কি কোনো স্বপ্ন-টপ্ন দেখলে নাকি?"
বাবা নিজের কপালে হাত দিয়ে বিড়বিড় করতে লাগলেন, "স্বপ্ন? হতে পারে। কিন্তু স্পর্শগুলো এত জীবন্ত মনে হচ্ছিল কেন? উফ, আমার এই মেমোরিটা একদম গেছে। কিছুই মনে রাখতে পারছি না।"



বাবার কলেজে যাওয়ার পর বাড়ির পরিবেশটা একদম শান্ত হয়ে গেল। মা সদর দরজাটা লাগিয়েই আমার দিকে ফিরে এক তৃপ্তির হাসি হাসলেন। তিনি আমার খুব কাছে এসে আমার শার্টের কলারটা ঠিক করে দিতে দিতে বললেন:
"দেখেছিস সৌরভ? বেচারা নিজের স্মৃতি নিয়েই এখন সন্দেহে আছে। তোর ওই বুনো শাসনের স্বাদ আমি আমার সারা শরীরে অনুভব করছি, আর সে ভাবছে ওটা নাকি স্বপ্ন! এখন থেকে এটাই আমাদের ঢাল। সে যদি ইদানীং কোনোদিন আমার ঘরে এসে শুয়েও থাকে, পরদিন সকালে আমি তাকে উল্টো বুঝিয়ে দেব যে সে আসলে আসেইনি। আর তুই যখন আমার গভীরে থাকবি, তখন যদি সে জেগেও যায়, আমি তাকে বিশ্বাস করিয়ে দেব যে সে আসলে ভ্রম দেখছে।"
আমি মায়ের সেই ভরাট কোমরটা দুহাতে জাপটে ধরে বললাম, "মা, তুমি তো দস্তুরমতো একজন অভিনেত্রী হয়ে উঠলে! কিন্তু বাবার এই স্মৃতিভ্রমের সুযোগ নিয়ে আমি যদি আজ সকালেই তোমাকে আবার সেই টেবিলের ওপর পেতে চাই?"
মা সলজ্জ অথচ তীব্র এক কামুক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকালেন। তিনি তাঁর নাইটির ওপর থেকে তাঁর সেই ভারী স্তনযুগল আমার বুকের সাথে চেপে ধরে বললেন:
"আয় তবে... বাবার ওই ভুলে যাওয়া স্মৃতিগুলো আমি আজ তোর ১৯ বছরের জ্যান্ত তেজ দিয়ে ধুয়ে দেব। সে ভুলে যাক সব, কিন্তু আমি চাই তুই আমাকে আজ এমনভাবে নিংড়ে নিবি যেন প্রতিটি ধাক্কায় আমার ভোদা চিৎকার করে বলে ওঠে যে—তুই-ই আমার একমাত্র অধিপতি, একমাত্র গুদরাজ!!"
আমরা দুজনে মিলে বাবার এই অসহায়ত্বকে আমাদের পরম সুখে রূপান্তর করলাম। ড্রয়িংরুমের সেই সোফাতেই আমি যখন মায়ের শাড়িটা সরিয়ে তাঁর সেই দুগ্ধশুভ্র উরুর মাঝে আমার নগ্ন দণ্ডটি গেঁথে দিলাম, তখন মনের কোণে এই জয়ী হওয়ার আনন্দটা সঙ্গমের চেয়েও বেশি মাদকতা ছড়াচ্ছিল। মা চোখ বুজে আমার প্রতিটি ধাক্কা উপভোগ করছিলেন, আর আমি অনুভব করছিলাম কীভাবে বাবার স্মৃতিভ্রম আমাদের এই নিষিদ্ধ পৃথিবীকে প্রতিদিন আরও বেশি নিরাপদ করে তুলছে।
মা ফিসফিস করে আমার কানে বললেন, "সৌরভ, আজ আর কোনো ভয় নেই রে। তোর বাবা যত বেশি ভুলে যাবে, আমি তত বেশি করে তোর এই ১৯ বছরের তেজে নিজেকে সঁপে দেব। তুই শুধু আমাকে এভাবেই তোর শাসনে রাখিস।"





বাবার স্মৃতিভ্রম আর আমাদের এই বুনো উল্লাসের মাঝে ক্যালেন্ডারের পাতাগুলো খুব দ্রুত উল্টে গেল। প্রায় দেড় মাস হতে চলল। ড্রয়িংরুমের সেই সোফা থেকে শুরু করে রান্নাঘরের সেলফ—বাড়ির প্রতিটি কোণ আমাদের সেই বর্মহীন মিলনের সাক্ষী হয়ে আছে।

সেদিন সকালে আমি তখনো ঘুমে আচ্ছন্ন। হঠাৎ পাশের বাথরুম থেকে মায়ের বমি করার শব্দে আমার ঘুমটা ভেঙে গেল। শব্দটা শুনেই আমার বুকের ভেতরটা কেমন ধক করে উঠল—তবে কি সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্তটা চলে এল?
কিছুক্ষণ পর মা আমার ঘরে ঢুকলেন। মুখে পানির ছিটা দেওয়া, চুলগুলো অবিন্যস্ত, কিন্তু তাঁর সেই ৪১ বছরের পরিণত মুখে আজ এক অদ্ভুত দীপ্তি। আমি বিছানায় উঠে বসতেই মা এসে আমার একদম কোল ঘেঁষে বসলেন। দরজার খিল মা নিজ হাতে লাগিয়ে আসলেন। তাঁর শরীরের সেই পরিচিত ঘ্রাণ আর বাথরুমের সিক্ততা মিলেমিশে একাকার।

ফ্যাকাশে মুখ, কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম, কিন্তু তাঁর চোখেমুখে এক অদ্ভুত প্রশান্তি।
আমি ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "মা, খুব শরীর খারাপ লাগছে? কী হয়েছে?"
মা দীর্ঘ একটা নিশ্বাস ফেলে আমার হাতটা শক্ত করে চেপে ধরলেন। তারপর আমার চোখের দিকে তাকিয়ে নিচু কিন্তু স্থির গলায় বললেন:

"শরীর খারাপ নয় রে সৌরভ... মনে হচ্ছে কাজ হয়ে গেছে। গত কয়েকদিন ধরেই সকালবেলা এমন গা-গোলাচ্ছে। আজ বমির সাথে সাথে বুকটা কেমন হালকা হয়ে গেল। তুই তো সেই দেড় মাস আগে থেকেই সুরক্ষাকবচ ছাড়াই আমার ভেতরে তোর সব তেজ ঢালছিস। আজ শরীরের এই সিগন্যাল বলে দিচ্ছে, তোর ওই অবাধ্য দান বিফলে যায়নি। তোর বীজ আমার ভেতরে ধরে গেছে রে।"
মায়ের এই সোজাসাপ্টা কথাগুলো শুনে আমার বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল। খুশিতে না ভয়ে, আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না। মা আমার কাঁধে মাথা রেখে একটু হাঁপাতে হাঁপাতে আবার বললেন:
"তোর বাবা বাইরে জিজ্ঞেস করছিল কী হয়েছে। আমি শুধু বললাম—'বোধহয় তোমার অবহেলার দিন শেষ হলো, ঘরে বোধহয় নতুন কেউ আসছে।' শুনে সে এমনভাবে মাথা চুলকাল যেন সে কত বড় কাজ করে ফেলেছে! তার ওই স্মৃতিভ্রমের সুযোগ নিয়ে আমি তাকে বিশ্বাস করিয়ে দিয়েছি যে কোনো এক রাতে সে আমার ঘরে এসেছিল। বেচারা এখন খুশিতে ডগমগ।"




মা হঠাৎ আলমারিটা খুললেন। ভেতরে থাকা সেই কনডমের প্যাকেটগুলোর দিকে তাকিয়ে এক অবজ্ঞার হাসি হাসলেন।
"দেখ, ওগুলো কেমন অবহেলায় পড়ে আছে। তোর তোশোকের তলায় যেগুলো ছিল, সেগুলোও তো বের করিসনি কতদিন। আজ থেকে ওগুলো আবর্জনা সৌরভ। আমাদের আর ওসব দরকার নেই। তুই আমাকে পুরোটা দখল করে নিয়েছিস, আর তার প্রমাণ এখন আমার পেটে।"
মা আমার হাতটা নিজের পেটের ওপর রাখলেন। সুতির পাতলা শাড়ির ওপর দিয়ে মায়ের সেই ৪১ বছরের ভরাট ও উষ্ণ পেটের পরশ পেয়ে আমি এক রাজকীয় গর্ব অনুভব করলাম। মা ফিসফিস করে বললেন, "এখন থেকে তুই আমার আরও কাছে থাকবি। এই প্রাণের ভাগিদার শুধু আমি আর তুই।"



ঠিক সেই মুহূর্তেই বাইরে কলিংবেলের আওয়াজ হলো। সীতা তার নতুন কলেজ থেকে মাত্র ফিরেছে। বাবার সেই আকাশছোঁয়া খুশি আর মায়ের এই আকস্মিক পরিবর্তন দেখে ছোট্ট সীতার প্রতিক্রিয়া কী হবে, সেটা নিয়ে আমরা দুজনেই একটু চিন্তিত হলাম। মা তড়িঘড়ি করে নিজের শাড়িটা ঠিক করে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন সীতাকে খবরটা দিতে।
Reply


Messages In This Thread
মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:02 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:03 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:04 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:05 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:06 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:07 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:42 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:43 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:44 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:45 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:46 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:48 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:49 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:50 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:51 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:53 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:55 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:02 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)