Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood)
#19

19



আচ্ছা গল্পের এই পর্যায়ে এসে একটি কথা মনে করিয়ে দিতে হচ্ছে। আপনাদেরকে একটি খুশির খবর দিতে ভুলে গিয়েছিলাম, সেটা হচ্ছে আমার দাদা interne শেষ করার পরে উচ্চশিক্ষা অর্জনের জন্য বিদেশে পাড়ি জমায়।
কিন্তু, মা আর আমার কেমিস্ট্রির মধ্যে দাদার এই খবরটা দিতে আপনাদেরকে ভুলে গিয়েছিলাম!.


চলুন এবার গল্পে ফিরি-
সীতা যেহেতু কেজি-১ এর ছোট্ট শিশু, তার কাছে এই জটিল হিসেব-নিকেশের কোনো মূল্যই নেই। সে শুধু এটুকুই বুঝল যে তার খেলার জন্য একজন ছোট্ট সঙ্গী আসছে। বাবার ওই স্মৃতিভ্রমের গল্প বা মায়ের শরীরের পরিবর্তন—সবকিছুই তার কাছে এক অদ্ভুত জাদুকরী আনন্দের মতো। সে খুশিতে হাততালি দিয়ে সারা বাড়ি মাথায় তুলল, আর বাবাও তার সেই খুশিতে সায় দিয়ে নিজের ভুলে যাওয়া স্মৃতি নিয়ে আর কোনো প্রশ্ন তুললেন না। কলেজের গণিত শিক্ষক হিসেবে বাবা মানুষটা বরাবরই একটু গম্ভীর আর ধরাছোঁয়ার বাইরে। তাঁর সারাটা দিন কাটে জ্যামিতি আর বীজগণিতের জটিল সমীকরণের মধ্যে। যোগ-বিয়োগের হিসেবে তিনি যতটা দক্ষ, জীবনের বা সম্পর্কের সমীকরণে ততটাই ভোলা। এমনকি শেষ কবে তিনি মায়ের ঘরের চৌকাঠ পেরিয়েছিলেন, সেই হিসেবও তাঁর মাথার নিউরন থেকে মুছে গেছে। তাঁর এই 'স্মৃতিভ্রম' আসলে কোনো রোগ নয়, বরং তাঁর ওই সারাক্ষণের ডুবে থাকা নিস্পৃহতারই একটা অংশ। তবে তাতে কি! বাবা এখন মায়ের গর্ভে থাকা সন্তান নিজের ঔরসের চিহ্ন হিসেবেই ধরে নিয়েছেন।
তবে দিন যত এগোতে লাগল, মায়ের শরীর আর মনের পরিবর্তনগুলো আমাদের এই নিষিদ্ধ সম্পর্কের এক নতুন মাত্রা যোগ করল।

তবে ইদানিং মাঝে মাঝে বাবা কলেজ থেকে ফিরে ড্রয়িংরুমে বসে চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে মায়ের দিকে তাকান। গর্ভাবস্থার এই তিন মাসে মায়ের শরীর যখন অনেকটা ভরাট হয়ে এসেছে, তখন বাবার ভেতরের সেই সুপ্ত অধিকারবোধটা মাঝেমধ্যে একটু জেগে ওঠে।
সেদিন বিকেলে বাবা একটু কাছে এগিয়ে এলেন। মায়ের সেই উষ্ণ ও স্ফীত পেটে হাতটা রাখতে গিয়ে(রাখলেন না) বললেন, "সীমা, সাবধানে থেকো। ভেতরে কি ও লাথি মারছে? খাতার অংকের মতো ওর নড়াচড়াও কি নিয়মিত?"
মা মুহূর্তের মধ্যে, পেটে হাত রাখার আগেই বাবার হাতটা সরিয়ে দিলেন। তাঁর চোখেমুখে একরাশ বিরক্তি। মা খুব শীতল গলায় বললেন:
"এখন এসব আদিখ্যেতা করতে হবে না। আমার প্রচন্ড বমি বমি পাচ্ছে। আর এখন আমার শরীরটা এমনিতেই ভার্তিক হয়ে আছে, তাই একটু দূরে থাকো। তোমার স্পর্শ আমার সহ্য হচ্ছে না।"

বাবাও তার সেই গুরুগম্ভির স্বভাব ধরে রেখে, বরাবরের মতই, তবে একটু অপ্রস্তুত হয়ে চশমাটা ঠিক করতে করতে আবার নিজের ঘরে ফিরে গেলেন। হয়তো মনে মনে কোনো জ্যামিতিক উপপাদ্য মেলাতে শুরু করলেন। আর আমি মনে মনে ভাবলাম, বাবার এই উদাসীনতাই মাকে আমার এতটা কাছে এনে দিয়েছে। সত্যিই তাই। বাবা উদাসীন না হলে মা কখনোই আমার এতটা কাছে এসে ধরা দিতেন না.!! আহ..


বাবা চলে যেতেই আমি মায়ের ঘরে ঢুকলাম। দরজার খিলটা পড়তেই মা যেন একদম অন্য মানুষ হয়ে গেলেন। সেই গম্ভীর আর বিরক্ত মুখটা এক নিমেষে রোমান্টিক আর আদুরে হয়ে উঠল। আমি মায়ের পেছনে গিয়ে বসলাম, মা আমার বুকের ওপর গা এলিয়ে দিলেন।
আমি মায়ের সেই ভরাট ও আলগা নাইটির ভেতর দিয়ে আসা পেটে হাত রাখতেই মা আমার হাতটা নিজের হাতের ওপর চেপে ধরলেন। তাঁর সারা শরীরে এক তৃপ্তির শিহরণ বয়ে গেল। মা আমার দিকে ফিরে আমার ঘাড়ে মুখ ঘষতে ঘষতে ফিসফিস করে বললেন:
"জানিস সৌরভ, তোর বাবা যখন ওই খসখসে হাতটা আমার পেটে রাখার জন্য বাড়ায়, তখনই আমার বমি পায় রে। অথচ তুই হাত ছোঁয়ালেই মনে হয় আমার ভেতরের এই প্রাণটা তোর ছোঁয়া পেয়ে শান্ত হয়ে গেল। তুই যখন কাছে আসিস, তখন আমি সব ভুলে যাই। মনে হয় আমি আবার সেই ১৯ বছর আগের সেই সীমা হয়ে গেছি, যে তোকে প্রথমবার পেটে ধরেছিল।"

মা আমার শার্টের বোতামগুলো আলতো করে খুলতে খুলতে খুব মায়াবী চোখে আমার দিকে তাকালেন। তারপর আমাকে টেনে নিয়ে তাঁর সেই সুপিষ্ট ও ভরাট বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরলেন। আমার মাথাটা তখন মায়ের সেই চিরচেনা উষ্ণ আশ্রয়ে। মা আমার চুলে বিলি কাটতে কাটতে খুব আদুরে গলায় ফিসফিস করে বলতে লাগলেন:
"জানিস সৌরভ, আজ তুই কত বড় হয়ে গেছিস! অথচ আমার মনে হয় এই তো সেদিন, তুই একদম ছোট্টটি ছিলি। ঠিক এই জায়গাটায় মাথা রেখে পরম নিশ্চিন্তে ঘুমতিস। আমার গায়ের গন্ধ না পেলে তোর ঘুম আসত না। আজ যখন তুই আমার এই শরীরের সবচেয়ে গোপন আর গভীর অধিকারটুকু কেড়ে নিলি, তখন আমার ভেতরটা এক অদ্ভুত সুখে ভরে যায় রে। তুই যখন তোর ওই বিশাল বাড়াটা দিয়ে আমাকে খুবলে খুবলে ছোবল মারিস, তখন আমার মাতৃত্ব পূর্ণ হয়ে যায় রে,বাবা..!! তখন নিজেকে সত্যিকারের রমণী মনে হয়..!!"

মা আমার পিঠে হাত রেখে কপালে একটা দীর্ঘ চুমু খেয়ে একটু দুষ্টুমিভরা হাসিতে বললেন:
"সেই ছোট্ট ছেলেটা আজ আমার পেটে নিজের বীজ বুনে দিল! আর কোত্থেকে বুনে দিলো!? একদম মায়ের গুদের ভেতরে নিজের বাড়াটাকে ঢুকিয়ে বীজ বুনে দিলো! প্রতিটা ধাক্কায় ধাক্কায় একটা একটা বীজ বুনেছে, বাঁদরটা..! ভাবলেই অবাক লাগে, তাই না? তোর বাবা যখন অংকের খাতা নিয়ে পড়ে থাকে, তখন তুই আমার কাছে এসে আমার এই মাতৃত্বকে নতুন করে জাগিয়ে তুলিস। এই যে আমার পেটটা ধীরে ধীরে ভারী হচ্ছে, এটা তো শুধু একটা প্রাণ নয় রে, এটা আমাদের সেই নিষিদ্ধ আর গভীর ভালোবাসার চিহ্ন। তুই যখন আমার উপরে উঠিস, এরপর মৃদুলায়ে গুতো দেওয়া শুরু করিস, তখন আমি ভুলে যাই আমি তোর মা, মনে হয় আমি শুধুই তোর সেই প্রিয়তমা যে তোর জন্য নিজেকে সঁপে দিয়েছে।"

মায়ের সেই উষ্ণ আলিঙ্গনের মাঝে মুখ গুঁজে থাকা অবস্থায় আমি তাঁর কথাগুলো শুনছিলাম। তাঁর প্রতিটি শব্দ আমার বুকের ভেতরে স্পন্দনের মতো আছড়ে পড়ছিল। আমি মায়ের কোমরটা আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম এবং মুখ তুলে তাঁর চোখের দিকে তাকালাম। আমার চোখে তখন শুধু শ্রদ্ধা নয়, এক আদিম অধিকারবোধ।
আমি খুব ধীর অথচ গভীর গলায় বললাম:


"মা, তুমি যখন সেই ছোটবেলার কথা বলো, তখন আমার মনে হয়—সৃষ্টির সেই শুরু থেকেই হয়তো আমি তোমার হৃদস্পন্দনের দখল নিয়ে বসেছিলাম। বাবা তাঁর গণিতের খাতায় জীবনের হিসেব মেলান, কিন্তু তিনি কি জানেন—কিছু সমীকরণ কোনোদিন মেলাবার জন্য তৈরি হয় না? তিনি ভাবছেন তিনি দায়িত্ব পালন করছেন, কিন্তু সত্য তো এই যে—তোমার এই পবিত্র শরীরের প্রতিটি ভাঁজে, তোমার ওই নিভৃত জঠরের প্রতিটি স্পন্দনে, তোমার ওই রস সিক্ত যোনির গহ্বরে কেবল আমারই নাম খোদাই করা আছে।"



আমি মায়ের সেই উষ্ণ ও স্ফীত পেটে ঠোঁট ছুঁইয়ে অনুভব করলাম ভেতরে বেড়ে ওঠা আমার আর মায়ের বীর্য রসে গড়ে ওঠা হৃদ স্পন্দনকে। তারপর আবার তাঁর চোখের দিকে তাকিয়ে ধীরস্থিরভাবে বললাম:
"মা, তুমি যখন বলো তুমি আমার 'প্রিয়তমা' হয়ে গেছ, তখন আমার বুকের ভেতর এক অদ্ভুত অহংকার গর্জে ওঠে। মনে হয় যেন তোমার এই সুন্দর গুদ খানাকে ধাক্কায় ধাক্কায় থেতলে ফেলি।"
প্রতি উত্তরে মা বলল-
" যাহ..! অসভ্য.... "
মাকে আরেকটু শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললাম-
" তোমার ভেতরে যে প্রাণটা বড় হচ্ছে, ও যখন প্রথম আলো দেখবে, পৃথিবী তাকে বাবার নামে চিনবে। কিন্তু আমরা তো জানি মা, সেই রক্তে বইছে আমারই ১৯ বছরের অবাধ্য তেজ। সে আমাদের সেই বর্মহীন যুদ্ধের এক জীবন্ত দলিল। তুমি শুধু নিজেকে সঁপে দাওনি মা, তুমি আমাকে আমার অস্তিত্বের সেই চরম সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছ, যেখানে মা আর প্রিয়তমা একাকার হয়ে গেছে।"
আমার কথাগুলো শুনে মায়ের চোখের পাতা ভিজে এল। তিনি আমাকে আরও জোরে নিজের বুকের সাথে জাপটে ধরলেন। পরক্ষণেই মা আমার মুখটা দুহাতে তুলে ধরে কপালে আবার একটা চুমু খেলেন। তাঁর ঠোঁটটা তখন কাঁপছিল। মা ফিসফিস করে বললেন, "সৌরভ... তোর এই কথাগুলো শুনলে মনে হয়, এই নিষিদ্ধ পথে হেঁটে আমি কোনো ভুল করিনি রে। তুই আমাকে মা থেকে পূর্ণ এক নারীতে রূপান্তর করেছিস।"





এভাবেই দিন গরাচ্ছিলো।
বাবার সেই খাতা-কলমের হিসেব আর গাণিতিক নির্লিপ্ততা আমাদের জন্য এক অভেদ্য দেওয়াল হয়ে দাঁড়াল। তিনি যত বেশি তাঁর জ্যামিতিক উপপাদ্যে ডুবে থাকেন, আমরা ততটাই বেপরোয়া হয়ে উঠি। এখন তো আর শুধু আড়ালে নয়, বাবার চোখের সামনেই মা শুরু করলেন এক দুর্দান্ত মনস্তাত্ত্বিক খেলা।
সেদিন রাতে খাবার টেবিলে বাবা চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে ডাল দিয়ে ভাত মাখছেন। তাঁর মাথায় হয়তো তখনো কলেজের কোনো জটিল অংক ঘুরছে। মা তখন আমার ঠিক পাশেই বসেছেন।
মা হঠাৎ বাবার দিকে তাকিয়ে খুব স্বাভাবিক গলায় বললেন, "ওগো, শুনছো? আজ বিকেলের দিকে সৌরভ বলছিল, এই নতুন অতিথি আসার পর বাড়ির সব হিসেব নাকি বদলে যাবে। ও বলছিল, বড় হওয়ার সাথে সাথে নাকি অধিকারও বেড়ে যায়।"
বাবা মুখ না তুলেই বললেন, "হিসেব তো বদলাবেই। নতুন একজনের যোগ মানেই তো পুরোনো অনেক অভ্যেসের বিয়োগ। সৌরভ ঠিকই বলেছে।"
মা তখন টেবিলের নিচে নিজের পা দিয়ে আমার পায়ে এক অদ্ভুত সোহাগী চাপ দিলেন। তাঁর সেই ভার্তিক শরীরের উষ্ণতা আমি টেবিলের নিচ দিয়ে অনুভব করছিলাম। মা মুচকি হেসে আমার দিকে তাকিয়ে বাবাকে বললেন:
"সেটাই তো ওকে বোঝাচ্ছিলাম। ও তো এখন নিজের অধিকার নিয়ে খুব সচেতন। এমনকি বলছে—এই সন্তানের ওপর নাকি সব থেকে বেশি হক ওর, কারণ ও ইদানীং সারাক্ষণ আমার খেয়াল রাখছে। তুমি তো তোমার ওই কলেজ আর অংক নিয়েই থাকো! তাই ও বলছিল, তোমার স্মৃতি যদি এভাবে কমে যায়, তবে ও-ই নাকি এই বাড়ির 'প্রধান পুরুষ' হয়ে উঠবে।" "
বাবা তাঁর ডাল-ভাত মাখা শেষ করে চশমাটা টেবিলের ওপর রাখলেন। মায়ের কথা শুনে তিনি হালকা একটু হেসেই আবার গম্ভীর হয়ে বললেন:
"আগে ও নিজের পায়ে দাঁড়াক সীমা। তারপর না হয় এই বাড়ির প্রধান কর্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখবে। এখন থেকেই যদি ওকে সব দায়িত্ব দিয়ে দাও, তবে তো ওর পড়াশোনার ক্ষতি হবে। আগে প্রতিষ্ঠিত হোক, তারপর বাড়ির সব ভার ওকেই বুঝিয়ে দেব।"
বাবার এই সাদামাটা কথার পিঠে মা আমার দিকে তাকিয়ে এক মায়াবী আর বাঁকা হাসি হাসলেন।
মা টেবিলের নিচে নিজের পা দিয়ে আমার পায়ে এক গভীর চাপ দিলেন এবং বাবার দিকে তাকিয়ে দ্ব্যর্থবোধক স্বরে বললেন:
"সেটাই তো ও করছে গো! তুমি তো কেবল বাইরের প্রতিষ্ঠা দেখছো। কিন্তু আমি তো দেখছি ও ইদানীং নিজের পায়ে দাঁড়াতে খুব ভালোভাবেই শিখে গেছে। ও যখন আমার সামনে এসে দাঁড়ায়, ওর ওই শক্ত সামর্থ্য উপস্থিতি দেখে আমি বুঝতে পারি—এই সংসারের ‘ভার’ নেওয়ার ক্ষমতা ওর তৈরি হয়ে গেছে।  তুমি খাতা দেখা নিয়ে ব্যস্ত থাকো বলে ওর এই বেড়ে ওঠা আর ওর এই ‘দাঁড়িয়ে থাকা’ তেজটা ঠিক লক্ষ্য করতে পারো না।"
বাবা একটু অবাক হয়ে মায়ের দিকে তাকালেন। মা তখন অবলীলায় আবার বললেন:
"নিজের পায়ে দাঁড়ানো মানে তো শুধু টাকা রোজগার নয়। ও এখন জানে কীভাবে একটা উর্বর জমি আগলে রাখতে হয়, কীভাবে নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হয়। এমনকি ও যখন আমার এই অসুস্থতার দিনে আমার হাত ধরে মাঝে মধ্যে আনা-নেওয়া করে, তখন আমি অনুভব করি ওর পা দুটো এখন কতটা মজবুত আর স্থির।
বাবা মাথা নেড়ে বললেন, "তা হয়তো ঠিক। সৌরভের মধ্যে এখন দায়িত্ববোধ বাড়ছে। ভালো, খুব ভালো।"
তারপর আমি আর নিজেকে আটকে রাখতে পারলাম না। বাবা রুমে চলে যেতেই মায়ের পিছে পিছে রান্না ঘরে চলে গেলাম।

বাবার খাতা ওল্টানোর খসখস শব্দটা পাশের ঘর থেকে আসছিল, আর এখানে রান্নাঘরের স্তিমিত আলোয় আমি মায়ের আরও কাছে সরে গেলাম।

রান্নাঘরের হালকা হলদেটে আলোয় মায়ের সেই পাতলা সুতির শাড়িটা তাঁর শরীরে লেপ্টে আছে। আঁচলটা কাঁধ থেকে কিছুটা সরে যাওয়ায় তাঁর পিঠের মসৃণতা আর কোমরের সেই গভীর খাঁজটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। পাশের ঘরে বাবা তখনো খাতার হিসেবে মগ্ন। আমি ধীরপায়ে মায়ের পেছনে গিয়ে দাঁড়ালাম।
আমি এক হাতে মায়ের সেই উষ্ণ ও ভরাট কোমরটা জড়িয়ে ধরে তাঁকে নিজের শরীরের সাথে একদম লেপটে নিলাম। শাড়ির পাতলা আবরণ ভেদ করে মায়ের শরীরের উত্তাপ আমার বুকের ভেতর আছড়ে পড়ছিল। আমার অন্য হাতটা ধীরে ধীরে ওপরের দিকে উঠে এল। শাড়ির ওপর দিয়েই আমি মায়ের সেই স্ফীত ও ভারী স্তনযুগলের পূর্ণতা অনুভব করলাম। গর্ভাবস্থার কারণে সেগুলো আজ আগের চেয়েও অনেক বেশি টানটান আর সংবেদনশীল। আমি হাতের মুঠোয় সেই নিটোল উষ্ণতা অনুভব করে আলতো করে চাপ দিতেই মা একটা অস্ফুট আদুরে শব্দ করে আমার কাঁধে মুখ লুকালেন।
মা ফিসফিস করে কাঁপাকাঁপা গলায় বললেন:
"ওরে পাগল... করছিস কী! তোর বাবা যদি এই ঘরে চলে আসে? সব শেষ হয়ে যাবে তো!"
আমি থামলাম না। আমার ডান হাতটা এবার নেমে গেল নিচে, ঠিক যেখানে কোমরের পাশে শাড়ির কুচিগুলো গুজে রাখা আছে। সেই ভাঁজের ফাঁক দিয়ে আমি আমার হাতটা সরাসরি মায়ের শরীরের ভেতরে ঢুকিয়ে দিলাম। কোনো কাপড় নেই, কেবল মায়ের সেই উষ্ণ ও নিটোল মাংসল নিতম্বের মসৃণ স্পর্শ। আমি পরম তৃপ্তিতে সেই মাংসপিণ্ডটা জোরে চেপে ধরতেই মা আমার চুলে শক্ত করে মুঠি পাকালেন। তাঁর সারা শরীর ধনুকের মতো বেঁকে আমার সাথে মিশে গেল।
আমি মায়ের কানের লতিতে দাঁত দিয়ে একটু কুটকুট করে কামড় দিয়ে বললাম:
"বাবা তো খাতার জ্যামিতির দৈর্ঘ্য প্রস্থ মাপতে ব্যস্ত, মা। কিন্তু আমি তো তোমার এই শরীরের জ্যামিতি নিজের হাতে নতুন করে মাপছি। এই যে তোমার বুকটা আজ আমার ছোঁয়ায় এত ভারী, এই যে তোমার কোমরের এই উত্তপ্ত মাংস—এসবের ওপর তো শুধু আমারই রাজত্ব। বাবা তো কেবল ওপর ওপর দেখেন, কিন্তু আমি তো তোমার প্রতিটি ভাঁজে গিয়ে দৈর্ঘ্য প্রস্থ আর পরিধি মেপে আসি"


ধীরে ধীরে বাবার খাতা ওল্টানোর শব্দটা যেন বহুদূর থেকে ভেসে আসা কোনো অস্পষ্ট ধ্বনি মনে হচ্ছিল। আমার সমস্ত ইন্দ্রিয় তখন শুধু মায়ের সেই শাড়ির ভেতরের গোপন উষ্ণতায় আটকে আছে। আমি শাড়ির সেই আলগা কুচির ফাঁক দিয়ে হাতটা আরও নিচে, একদম গভীরে নামিয়ে নিয়ে গেলাম।
মায়ের সেই পুষ্ট ও মাংসল নিতম্বের মসৃণতা ছাড়িয়ে আমার আঙুলগুলো যখন মায়ের উষ্ণ ও রেশমি উরুর খাঁজে ভোদার মুখে গিয়ে পৌঁছল, মা তখন সজোরে আমার কাঁধটা খামচে ধরলেন। তাঁর সারা শরীর থরথর করে কাঁপছে। আমি অনুভব করলাম, গর্ভাবস্থার এই তিন মাসে মায়ের পুষ্ট ভোদাটা অনেক বেশি সংবেদনশীল আর আর্দ্র হয়ে উঠেছে।
আমি আঙুলের ডগা দিয়ে আলতো করে সেই গোপন মখমলের মত মসলিম ভোদাটা ছুঁতেই মা একটা দীর্ঘ, গভীর শ্বাস ফেললেন—যা কামনায় ভারী হয়ে আমার কানের পাশে আছড়ে পড়ল। তাঁর চোখ দুটো বুজে এল, কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমেছে। আমি আরও কিছুটা গভীরে গিয়ে যখন তাঁর উত্তপ্ত ও নিভৃত রসালো যোনিটি নিজের হাতের তালুতে অনুভব করলাম, তখন মা আমার চুলে আঙুল চালিয়ে নিজেকে আরও পেছনে ঠেলে দিলেন, যেন তিনি চাইছেন আমি তাঁকে পুরোটা শাসন করি।
আমি মায়ের কানের লতিতে মুখ ঘষতে ঘষতে ফিসফিস করে বললাম:
"মা, বাবা তো অংকের হিসেবে শূন্য আর এক গোনে, কিন্তু আমি তো তোমার এই শরীরের সবচেয়ে গোপন রহস্যটা নিজের হাতের মুঠোয় ধরে আছি।"  বলে গুদের উপর আমার হাতের চাপটা একটু বাড়ালাম।




মা তখন আধো-বোজা চোখে আমার দিকে তাকালেন। তাঁর সেই নেশাতুর চাউনি আর ঠোঁটের কোণে লেগে থাকা এক চিলতে হাসি আমাকে পাগল করে দিচ্ছিল। তিনি অত্যন্ত ক্ষীণ অথচ কাঁপাকাঁপা গলায় বললেন:
"উহ্ সৌরভ... থামিস না রে। তোর এই অবাধ্য হাতের ছোঁয়া যখন আমার এই সবচেয়ে সংবেদনশীল জায়গায় গিয়ে পৌঁছায়, তখন আমার মনে হয় আমি সত্যি তোরই সেই প্রিয়তমা যাকে তুই নিজের মতো করে গড়ে নিয়েছিস। আজ আমার এই পেটে তোর বীজ বড় হচ্ছে বলেই কি এই জায়গাটা এত বেশি তৃষ্ণার্ত হয়ে আছে? তুই যখন এভাবে আমায় ছুঁস, তখন প্রতিবারই আমার মনে হয়, আমার এই মাতৃত্ব আজ তোর কামনার কাছে হার মেনে সার্থক হয়েছে।"
মা হঠাৎ আবার ভাবুক কণ্ঠে বললো-
জানিস সৌরভ, তোর বাবা যখন আজ সকালে বলছিল যে আমার পেটটা নাকি আগের চেয়েও বেশি ভরাট হয়েছে, তখন আমার মনে মনে খুব হাসি পাচ্ছিল। আমি বলতে চাইছিলাম—এটা তো তোমার ওই জরাজীর্ণ হাতের ছোঁয়ায় হয়নি গো, এটা হয়েছে ১৯ বছরের এক জেদি যুবকের অবাধ্য সোহাগে! কিন্তু বলিনি। আমি চাই এই রহস্যটা শুধু আমাদের দুজনের মাঝেই থাকুক। তুই যখন আমার কাছে থাকিস, তখন আমার এই গর্ভটাও যেন শান্ত হয়, ঠিক যেমন তুই ছোটবেলায় আমার কোলে শান্ত হতিস।"



আমার হাত যখন মায়ের উষ্ণ ও নিভৃত উরুর খাঁজে ভোদার ঠোঁটে নিজের জয়গান লিখছে, মা তখন কেবল নুইয়ে পড়ছিলেন না—তিনিও চাইছিলেন আমার এই অবাধ্য পৌরুষকে নিজের হাতের মুঠোয় অনুভব করতে। বাবা ড্রয়িংরুমে ঘড়ির পেন্ডুলামের মতো খাতা ওল্টাচ্ছেন, আর এখানে মা হঠাৎ একদম আমার গায়ের ওপর লেপটে এলেন।
মা তাঁর এক হাত দিয়ে আমার ঘাড় জড়িয়ে ধরলেন, আর অন্য হাতটা শাড়ির আঁচলের আড়াল দিয়ে খুব দ্রুত নেমে এল নিচে। আমার প্যান্টের ওপর দিয়েই মা যখন আমার সেই উত্তপ্ত ও পাথরের মতো শক্ত লিঙ্গটা নিজের হাতের তালুতে চেপে ধরলেন, আমার শিরদাঁড়া দিয়ে এক বৈদ্যুতিক শিহরণ বয়ে গেল।
মা আমার চোখের গভীরে এক অদ্ভুত কামুক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ফিসফিস করে বললেন:
"শুধু তুই আমাকে শাসন করবি সৌরভ? আমারও তো দেখতে হবে আমার এই ১৯ বছরের রাজা তার সিংহাসন দখল করার জন্য কতটা প্রস্তুত! উফ্... এই কাঠিন্যই তো আমাকে পাগল করে দেয় রে।
মা থামলেন না। তাঁর আঙুলগুলো আমার সেই উত্তপ্ত অণ্ডকোষের ওপর দিয়ে এক মায়াবী ছন্দে খেলা করতে শুরু করল। প্যান্টের কাপড়ের ওপর দিয়েই তিনি আমার সেই পৌরুষের ভার আর উত্তাপ অনুভব করে এক দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। তাঁর ঠোঁট দুটো তখন আমার কানের একদম কাছে। তিনি কামনায় ভারী গলায় বললেন:
"জানিস সৌরভ, এই যে তুই আজ আমার ভেতরে এক নতুন প্রাণের স্পন্দন দিয়েছিস—তোর এই থলেটাতে ভর্তি গরম আর ঘন রসই তার একমাত্র কারণ। তোর এই অবাধ্য আর অবুঝ তেজ যখন আমার শরীরের গভীরে আছড়ে পড়ে, তখন আমি ভুলে যাই আমি তোর মা, মনে হয় আমি কেবল তোরই জন্য তৈরি হওয়া এক তৃষ্ণার্ত জমি।
আমি মায়ের স্ফীত ও ভরাট স্তনযুগলে মুখ ঘষতে ঘষতে বললাম, "মা, এই যে তুমি আমাকে এভাবে অনুভব করছো—এটাই তো আমার সবচেয়ে বড় পুরস্কার।

মা এবার আমার প্যান্টের জিপারটা নামানোর জন্য হাতটা একটু নিচে নামাতেই পাশের ঘর থেকে বাবার কাশির শব্দ এল। মা চমকে গিয়ে হাতটা সরিয়ে নিলেন, কিন্তু তাঁর চোখে তখন এক বিজয়ী তৃপ্তি। এরপর মা আঁচলটা ঠিক করতে করতে আমার কানে কানে বললেন:
"আর নয়... এখন যা। তোর এই আগ্নেয়গিরির আসল অগ্ন্যুৎপাত তো আমি আজ রাতে দেখব। রাতে যখন তুই আমার ঘরে আসবি, তখন কোনো কাপড় বা বর্ম আমাদের মাঝে থাকবে না। তুই আমাকে পুরোটা উন্মুক্ত করে দেখবি—তোর দেওয়া এই মাতৃত্বের জোয়ারে আমি কতটা বদলে গেছি।"

 
Reply


Messages In This Thread
মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:02 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:03 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:04 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:05 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:06 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:07 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:42 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:43 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:44 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:45 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:46 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:48 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:49 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:50 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:51 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:53 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:55 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:02 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)