Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood)
#20

20





রাত তখন প্রায় একটা। সারা বাড়ি নিস্তব্ধতায় মোড়া। পাশের ঘর থেকে বাবার সেই পুরনো টেবিল ফ্যানের একঘেয়ে আওয়াজ আর মাঝেমধ্যে খাতা ওল্টানোর শব্দ আসছিল। বাবা হয়তো এখন কোনো জটিল জ্যামিতিক উপপাদ্যের শেষ ধাপে আটকে আছেন। কিন্তু তিনি কি জানেন, তাঁর এই নিস্পৃহ গাণিতিক জগতের ঠিক পাশেই জীবনের এক পরম নিষিদ্ধ ও জীবন্ত জ্যামিতি রচিত হতে চলেছে?
আমি পা টিপে টিপে মায়ের ঘরের দরজায় হাত রাখলাম। দরজাটা ভেজানো ছিল—এক নীরব আমন্ত্রণ। ভেতরে ঢুকতেই এক অদ্ভুত মায়াবী গন্ধে আমার ইন্দ্রিয়গুলো সজাগ হয়ে উঠল। ঘরে একটা হালকা নীল রঙের ডিম লাইট জ্বলছে, যা পরিবেশটাকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। মা বিছানায় আধশোয়া হয়ে আমার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তাঁর পরনে সেই পাতলা সুতির শাড়িটা এখন কেবল শরীরটাকে জড়িয়ে আছে।

ঘরের নীল আলোয় মায়ের সেই ভার্তিক শরীরের আবেদন আজ অন্য সব রাতের চেয়ে আলাদা। আমি মায়ের ঠিক সামনে বসলাম। মা একটা গভীর শ্বাস নিলেন, তাঁর বুকের ওঠা-নামায় ব্লাউজের বোতামগুলো যেন ছিঁড়ে বেরিয়ে আসতে চাইছে।
আমি প্রথমে হাত বাড়ালাম মায়ের কোমরের দিকে। সেখানে সুতির শাড়ির কুচিগুলো সায়ার ফিতায় খুব শক্ত করে গোঁজা ছিল। আমি যখন ধীরে ধীরে সেই কুচিগুলো টেনে বের করতে শুরু করলাম, মা তখন দুহাতে আমার কাঁধ আঁকড়ে ধরলেন। কুচিগুলো একে একে খসে পড়তেই মায়ের উষ্ণ ও ভরাট নাভি আর পেটের নিচটা আমার চোখের সামনে উন্মুক্ত হতে শুরু করল।
মা খুব নিচু স্বরে কাঁপাকাঁপা গলায় বললেন:
"উহ্ সৌরভ... আজ তোর হাতগুলো বড্ড বেশি কাঁপছে রে! কী দেখছিস ওভাবে? নিজের হাতেই তো এই জমি উর্বর করেছিস। খোল... আজ কোনো আড়াল রাখিস না।"
শাড়িটা এবার কেবল মায়ের কাঁধে আর সায়ার ফিতায় আলগা হয়ে ঝুলে আছে। আমি এবার হাত দিলাম মায়ের ব্লাউজের সামনের বোতামগুলোতে। একটা একটা করে বোতাম খোলার সময় আমার আঙুল যখন মায়ের সেই উষ্ণ ও ভরাট বুকের ত্বকে লাগছিল, মা তখন এক অদ্ভুত আবেশে চোখ বুজে ফেললেন। শেষ বোতামটা খুলতেই ব্লাউজটা দুপাশে সরে গেল। আমি ধীর হাতে মায়ের কাঁধ থেকে ব্লাউজ আর শাড়ির আঁচলটা একসাথে সরিয়ে দিলাম।
মায়ের সেই স্ফীত ও ভারী স্তনযুগল এখন কেবল পাতলা অন্তর্বাসের আড়ালে বন্দি। গর্ভাবস্থার কারণে সেগুলো আজ আগের চেয়ে অনেক বেশি নিটোল আর টানটান হয়ে উঠেছে। আমি সেই দৃশ্য দেখে স্তব্ধ হয়ে রইলাম। মা আমার মুগ্ধতা দেখে একটু হেসে বললেন:
"তোর এই অপলক চেয়ে থাকাটাই তো আমার সবচেয়ে বড় প্রশংসা রে। তোর বাবা তো কলেজের অংক নিয়েই ব্যস্ত, সে কি আর জানে, পাশের রুমেই তার ছেলে নতুন অংক কসছে? দেখ তো সৌরভ, তোর দেওয়া ঘন বীর্যের ঘনত্বে, আমার এই শরীর আজ কতটা পূর্ণ!"
শাড়ি আর ব্লাউজের বাধন ছিঁড়ে মা এখন আমার সামনে এক অর্ধনগ্ন দেবী। তাঁর শরীরের প্রতিটি ভাঁজে এখন মাতৃত্ব আর কামনার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ। নীল আলোয় তাঁর সেই দুগ্ধশুভ্র ও ভরাট বুকের ওঠা-নামা দেখে আমার তৃষ্ণা যেন কয়েক গুণ বেড়ে গেল।
আমি এবার হাত বাড়ালাম মায়ের সায়ার সেই শক্ত করে বাঁধা ফিতাটার দিকে। ফিতাটা টান দিতেই সায়াটা আলগা হয়ে মায়ের ভারী নিতম্বের পাশ দিয়ে পিছলে মেঝের ওপর স্তূপ হয়ে পড়ল। মা এখন সম্পূর্ণ নিরাবরণ। গর্ভাবস্থার এই তিন মাসে মায়ের শরীরটা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি রসালো আর আবেদনময়ী হয়ে উঠেছে। মায়ের এই উষ্ণ ও স্ফীত পেটটা যেন এক উর্বর ভূখণ্ড, যেখানে আমারই বীজ এখন শিকড় ছড়াচ্ছে।


আমি হাঁটু গেড়ে বসে মায়ের ভরাট পেটে ঠোঁট ছোঁয়ালাম। নাভির চারপাশটা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি টানটান। আমি আলতো করে মায়ের মসৃণ ত্বকে চুমু খেতে খেতে বললাম:
"মা, দেখো তো—বাবার ওই ক্যালকুলাস কি কোনোদিন এই ঘনত্বের হিসেব মেলাতে পারবে? এই যে তোমার পেটটা আজ আমার জন্য এভাবে ভারী হয়ে উঠেছে, এই যে তোমার শরীরের প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে আমার অধিকারের ঘ্রাণ—এসবের ওপর তো শুধু আমারই রাজত্ব।

মা আমার মাথায় দুহাত দিয়ে নিজের পেটের সাথে আরও জোরে চেপে ধরলেন। তাঁর সারা শরীরে তখন এক আদিম শিহরণ। তিনি আবেগে বুজে আসা গলায় বললেন:
"তোর এই নিবিড় করে দেখাটাই তো আমাকে সার্থক করে রে সৌরভ। তোর বাবা তো কেবল কর্তব্যের অংক কষে, কিন্তু তুই... তুই তো আমার এই পরিবর্তনের প্রতিটি ইঞ্চি নিজের ভেতরে শুষে নিচ্ছিস। দেখ তো, তোর ওই ১৯ বছরের উত্তপ্ত বীর্যের তেজে আমার শরীরটা আজ কতটা পূর্ণ আর ভারী হয়ে গেছে! তোর ওই অবাধ্য ছোঁয়া না পেলে এই বয়সে আমি এমন যৌবন কোথায় পেতাম?"

আমি এবার হাত বাড়ালাম মায়ের সেই উষ্ণ ও আর্দ্র উরুর গোপন অরণ্যে। কোনো কাপড়ের বাধা নেই, কেবল মায়ের সেই মখমলের মতো তপ্ত চামড়া। আমি যখন আঙুল দিয়ে মায়ের সংবেদনশীল ও উত্তপ্ত কেন্দ্রবিন্দুটি স্পর্শ করলাম, গুদের ঠোঁট দুটো রসে টয়টুম্বুর। মা সজোরে আমার পিঠ খামচে ধরলেন। গর্ভাবস্থার কারণে মায়ের ভোদাটা আজ অনেক বেশি আর্দ্র আর তৃষ্ণার্ত হয়ে আছে।

মা ব্যাকুল হয়ে আমার প্যান্টের জিপারটা নামিয়ে দিলেন। আমার সেই উত্তপ্ত ও পাথরের মতো শক্ত পৌরুষকে নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে মা এক অদ্ভুত বিজয়ী হাসি হাসলেন। গর্ভাবস্থার কারণে মায়ের শরীরের তাপমাত্রা এখন এমনিতেই বেশি, আর সেই তপ্ত হাতের ছোঁয়ায় আমার ধোনটা যেন আরও বেশি ফুলে-ফেঁপে উঠল। মা তাঁর আঙুলগুলো দিয়ে আমার সেই উত্তপ্ত শিরার খাঁজে খাঁজে খেলা করতে শুরু করলেন। মা আমার বাড়ার সেই শক্তিমত্তা আর কাঠিন্য নিজের তালুতে অনুভব করে এক অদ্ভুত বিজয়ী হাসি হাসলেন। তাঁর চোখ দুটো তখন কামনায় আচ্ছন্ন, ঠোঁট দুটো সামান্য ফাঁক হয়ে আছে। তিনি খুব নিচু স্বরে, প্রায় আমার ঠোঁটের ওপর ফিসফিস করে বললেন:
"উফ সৌরভ... এই তেজটাই তো আমাকে প্রতিদিন তিলে তিলে ধ্বংস করে আবার নতুন করে গড়ে তোলে রে! তোর বাবা তো কেবল বইয়ের পাতায় শক্তির সমীকরণ পড়ে, কিন্তু তোর এই শিরদাঁড়া খাড়া করা তেজী বাঁড়াটা আজ আমার হাতের মুঠোয়। দেখ তো, সে কি কোনোদিন কল্পনা করতে পেরেছে তার নিজের ছেলে তার চোখের আড়ালে এতটা ভয়ংকর আর প্রবল হয়ে উঠেছে? তোর এই আগ্নেয়গিরির উত্তাপই তো আজ আমার এই পেটটাকে ধন্য করেছে।"
মা এবার তাঁর হাতের মুঠোটা একটু ওপর-নিচ করতে শুরু করলেন। তাঁর হাতের সেই ছন্দময় ঘর্ষণে আমি প্রায় দিশেহারা হয়ে পড়ছিলাম। মা আমার সেই উত্তপ্ত মস্তকটি নিজের আঙুল দিয়ে আলতো করে টিপে দিয়ে আবার বললেন:
"জানিস সৌরভ, আজ যখন তুই আমাকে একটু পরেই এই গুদ বীর্যপূর্ণ করবি, তখন আমি ভুলে যাব যে আমি তোর জন্মদাত্রী। আমার শুধু মনে হবে আমি এক তৃষ্ণার্ত জমি, যে তার যোগ্য অধিপতির জন্য অপেক্ষা করছে। তোর ওই ১৯ বছরের রক্তে যে অবাধ্যতা আছে, সেটাই তো আমার সবচেয়ে বড় নেশা। তোর বাবা অংকের শূন্য আর একের হিসেব কষুক, তুই এসে আমার এই যোনিপথের উষ্ণতায় তোর রাজকীয় অধিকারের প্রমাণ রেখে যা। আজ কোনো আড়াল নয়, আজ শুধু তোর এই কাঠিন্য আর আমার এই নারীত্বের একীভূত হওয়ার রাত।"
আমি আর নিজেকে সামলাতে না পেরে মায়ের সেই স্ফীত ও ভারী নিতম্ব দুটো জাপটে ধরলাম। মা তাঁর হাতের মুঠোটা আরও শক্ত করে ধরলেন এবং আমার লিঙ্গের সেই তপ্ত ও আর্দ্র অগ্রভাগটিতে নিজের ঠোঁট ছোঁয়ালেন। সেই স্পর্শে আমার সারা শরীর ধনুকের মতো বেঁকে গেল। মা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে এক মায়াবী স্বরে বললেন:
"আয় সৌরভ... তোর এই সবটুকু তেজ আমার গভীরে আছড়ে ফেল, যাতে এই বাড়ির প্রতিটি কোণ আমাদের এই নিষিদ্ধ ভালোবাসার গন্ধে ভরে যায়।"
এবার মাকে বিছানায় আধশোয়া করে শুয়িয়ে দিলাম।
মা বিছানায় দুপা ছড়িয়ে আধশোয়া হয়ে আছেন, তাঁর সেই নিরাবরণ ও ভার্তিক শরীরটা নীল আলোয় এক অপার্থিব সৌন্দর্যে ঝলমল করছে। আমি সরাসরি মূল পর্বে না গিয়ে মায়ের সেই উর্বর শরীরের প্রতিটি ইঞ্চি পূজা করার সিদ্ধান্ত নিলাম।

আমি বিছানার পায়প্রান্তে হাঁটু গেড়ে বসলাম। মায়ের সেই দুগ্ধশুভ্র ও নরম পায়ের পাতা দুটো নিজের হাতের মুঠোয় তুলে নিলাম। মায়ের পায়ের আঙুলগুলো এখন গর্ভাবস্থার কারণে কিছুটা ফোলা আর তপ্ত। আমি প্রতিটি আঙুলের ডগায় গভীর করে চুমু খেতে শুরু করলাম। মা এক দীর্ঘ তৃপ্তির শ্বাস ফেলে বিছানার চাদরটা মুঠো করে ধরলেন।
আমি ধীরে ধীরে ওপরের দিকে উঠতে থাকলাম। মায়ের সেই উজ্জ্বল ও মাংসে ঠাসা নলি এবং মসৃণ উরু দুটোর খাঁজে খাঁজে আমার ঠোঁট আর জিব যখন বিচরণ করছিল, মা তখন কামনায় কুঁকড়ে যাচ্ছিলেন।
আমি যখন তাঁর সেই উষ্ণ ও আর্দ্র উরুর সন্ধিস্থলে অর্থাৎ মাতৃযোনীর নিকটে এসে পৌঁছলাম, মা তাঁর পা দুটো আরও চওড়া করে ছড়িয়ে দিয়ে আমাকে তাঁর সেই রাজকীয় সিংহাসনের পথে আমন্ত্রণ জানালেন।



আমিও আর দেরী না করে আমার উত্তপ্ত ও প্রস্তরীভূত ধোনটাকে নিয়ে মায়ের অতি সংবেদনশীল ও তৃষ্ণার্ত যোনিপথের মুখে এসে দাঁড়ালাম। গর্ভাবস্থার এক বিশেষ রসে মায়ের ভোদাটা এখন একদম সিক্ত। আমি ধীরে ধীরে প্রবেশের পথ খুঁজতেই মা আমার চোখের দিকে সরাসরি তাকালেন। তাঁর চোখে তখন এক আদিম শিকারির তৃপ্তি।

আমি আমার লিঙ্গের অগ্রভাগটা একটু ভেতরে ঢুকিয়েই থেমে গেলাম। সরাসরি মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে অত্যন্ত নিচু ও তপ্ত স্বরে বললাম:
"কি গো মা... বুঝতে পারছো? দেখো তো, তোমার ওই ১৯ বছরের অবাধ্য ছেলেটা আজ কতটা গভীরে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে আছে? বলো তো মা, তোমার ওই ছোট ছেলেটার কতখানি অংশ আজ তোমার এই তৃষ্ণার্ত ভোদাটায় সেঁধিয়ে গেল?"
মা আমার এই অশ্লীল ও গভীর প্রশ্নে শিউরে উঠলেন। তাঁর ঠোঁট দুটো থরথর করে কাঁপছে। তিনি আমার ঘাড় জড়িয়ে ধরে আরও কাছে টেনে নিলেন এবং আমার চোখে চোখ রেখে বুঁদ হয়ে থাকা গলায় বললেন:
"উহ্ সৌরভ... তুই তো কেবল অর্ধেকের মতো ঢুকেছিস রে! কিন্তু ওইটুকুর তেজেই আমার ভেতরটা কেমন আগুনের মতো জ্বলছে।তুই আরও আয়.... তোর এই আস্ত রাজদণ্ডটা আমার জঠরের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত গেঁথে দে। আমাকে তোর ওই অশ্লীল ভালোবাসায় তছনছ করে দে রে।"
আমি আর দেরি করলাম না। একটা জোরালো ধাক্কায় আমি যখন আমার বাঁড়ার সবটা নিয়ে মায়ের জরায়ুর গভীরে আছড়ে পড়লাম, মা এক তীব্র আর্তনাদ করে আমাকে জাপটে ধরলেন। আমি মায়ের উপর থেকে একটু উঠে আমার হাত দুটো মায়ের সেই স্ফীত ও কোমল পেটের ওপর রাখলাম। আমি অনুভব করছিলাম, প্রতিটা ধাক্কায় মায়ের পেটের ভেতরে থাকা সেই নতুন প্রাণটাও যেন আমাদের এই নিষিদ্ধ উল্লাসে দুলছে।
আমি ধাক্কা দিতে দিতে আবার মায়ের চোখে চোখ রেখে বললাম:
"দেখো মা, তোমার এই পেটটা আমার প্রতিটি ধাক্কায় কেমন কাঁপছে! বলো না মা, তোমার এই জঠর আজ কার অধিকারে কাঁপছে?"
মা তখন এক চরম আবেশে মাথা নাড়াতে নাড়াতে ফিসফিস করে বললেন:
"সব তোর... সব তোর সৌরভ! এই শরীর, এই পেট, আর তোর বাড়া ঢুকিয়ে রাখা গর্তটা, আর ভেতরে বড় হওয়া এই প্রাণটাও—সবই আজ তোর ওই অবাধ্য তেজের গোলাম। তুই আজ আমাকে মা থেকে তোর পরম প্রিয়তমা করে নেরে, বাপ...!।"

আমি আবার আমার দুই হাতের তালু মায়ের স্ফীত ও কোমল পেটের ওপর খুব আলতো করে ছড়িয়ে দিলাম। আমি অনুভব করতে পারছিলাম, প্রতিটি ধাক্কার সাথে মায়ের পেটের ভেতরে থাকা সেই নতুন প্রাণটি যেন এক মৃদু ছন্দে দুলছে। আমি আমার গতির চেয়ে গভীরতার দিকে বেশি নজর দিচ্ছিলাম, যাতে মা কোনোভাবেই ব্যথা না পান বা তাঁর কোনো অস্বস্তি না হয়।
আমি একটু থেমে গিয়ে মায়ের চোখের মণির দিকে তাকালাম। তাঁর কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমেছে, গাল দুটো কামনায় টকটকে লাল। আমি খুব ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করলাম:
"মা, তোমার কি খুব কষ্ট হচ্ছে? তোমার এই পেটটা তো এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি নরম। আমার এই অধিকারের ভার কি তুমি সইতে পারছো তো?"
মা এক পরম মমতায় আমার ঘাড় জড়িয়ে ধরলেন। তাঁর চোখ দুটো তখন জলে চিকচিক করছে—সেটা ব্যথার নয়, বরং এক আদিম সার্থকতা আর ভালোবাসার জল। তিনি আমার কপালে একটা তপ্ত চুমু খেয়ে অত্যন্ত মৃদু স্বরে বললেন:
"না রে সৌরভ... কোনো কষ্ট হচ্ছে না। বরং তোর এই সর্তকতা, এই যে তুই আমার পেটের ওপর হাত রেখে এত যত্ন করে আমাকে নিজের করে নিচ্ছিস—এটাই তো আমাকে শান্ত করে দিচ্ছে। তুই যখন আমার জরায়ুর ভেতরে আছড়ে পড়িস, তখন আমার মনে হয় তোর বাবা সারাজীবনে আমাকে যেটুকু যত্ন দিতে পারেনি, তুই এই কয়েক মিনিটেই তার চেয়ে বেশি ভালোবাসা উজার করে দিলি। তোর এই শাসনটা বড্ড আদুরে রে।"
আমি মায়ের কথার রেশ ধরে আবার ধীরে ধীরে নড়াচড়া শুরু করলাম। এবার আমি লক্ষ্য করলাম, মা নিজেই তাঁর দুপা আমার কোমরের ওপর আরও শক্ত করে জড়িয়ে নিচ্ছেন, যেন তিনি চাইছেন আমি আরও গভীরে গিয়ে তাঁর সেই তৃষ্ণার্ত কেন্দ্রবিন্দুটি দখল করি। আমি মায়ের সেই স্ফীত ও ভরাট স্তনযুগলে নিজের মুখ ঘষতে ঘষতে বললাম:
"বাবা তো পাশের ঘরে অংকের কাটাকুটি করছে, কিন্তু সে কি জানে—আমি আজ কতটা যত্ন নিয়ে তোমার এই উর্বর ভোদাটার প্রতিটি ইঞ্চি শাসন করছি? মা, আমি চাই না তোমার বিন্দুমাত্র কোনো কষ্ট হোক। আমি শুধু চাই, তোমার ভোদাটা আজ আমার এই তেজের প্রতিটি স্পন্দন নিজের শরীরে অনুভব করুক।"
মা তখন এক চরম আবেশে চোখ বুজে ফেললেন। তাঁর দীর্ঘশ্বাসের তপ্ত বাতাস আমার কানে আছড়ে পড়ছিল। তিনি কোনোমতে বলতে পারলেন:
"তোর এই যত্নই তো আমাকে তোর চিরদাসী করে রাখল রে সৌরভ। তুই যখন এভাবে আমার পেটে হাত রেখে আমাকে শাসন করিস, তখন মনে হয় আমার ভেতরের এই প্রাণটাও তোর ছোঁয়ায় ধন্য হচ্ছে।



এভাবেই মাকে সঙ্গম করতে করতে অনেকটা সময় অতিবাহিত হয়ে গেলো।
মিলনের উত্তাল ঝড় এখন শান্ত হয়ে এসেছে। আমি মায়ের সেই উষ্ণ ও ভরাট শরীরের ওপর অবশ হয়ে পড়ে আছি। মা এক পরম তৃপ্তিতে আমার ঘাম ভেজা চুলে আঙুল চালাচ্ছিলেন। ঘরের সেই নীল আলোয় মায়ের চোখের মণি দুটো তখনো নেশাতুর। তিনি আমার কানের কাছে মুখটা আরও নিবিড়ভাবে নিয়ে এলেন। এবার তাঁর গলায় কোনো শুকনো প্রশংসা ছিল না, ছিল এক অদ্ভুত অধিকারের সুর।
মা ফিসফিস করে বললেন:
"জানিস সৌরভ, আজ থেকে আমার এই শরীরের প্রতিটি স্পন্দন তোর নামে লিখে দিলাম। তুই যখন আমার ভোদার ভেতরে তোর ওই উত্তপ্ত বীর্যের শেষ বিন্দুটা ঢেলে দিচ্ছিলি, তখন আমি অনুভব করছিলাম—এই বাড়িতে তোর বাবা কেবল একজন অতিথি, আর তুই-ই এই উর্বর সাম্রাজ্যের আসল অধিপতি। তোর বাবা তো চায় তুই 'নিজের পায়ে দাঁড়াস', সে কি আর জানে যে তুই তোর এই শক্ত ধোনটা দিয়ে কিভাবে নিজের জয়পতাকা আমার ভোদায় গেঁড়ে দিয়েছিস?"

মায়ের হাতের তালুটা এবার আমার পিঠ থেকে নেমে গিয়ে তাঁর নিজের সেই স্ফীত ও কোমল পেটের ওপর স্থির হলো। তিনি আমার চোখের দিকে সরাসরি তাকিয়ে এক রহস্যময় হাসি হাসলেন।
"শোন সৌরভ, কাল থেকে যখন তোর বাবা তোর হাতে তাঁর ওই জ্যামিতির বইগুলো তুলে দেবে, তুই তখন তাঁর চোখে চোখ রেখে হাসিস। মনে মনে বলিস—যাকে আপনি ঘরের লক্ষ্মী ভাবেন, সে আজ তার অবাধ্য ছেলের শাসনের দাসী হয়ে গেছে। আমি চাই, তুই এখন থেকে প্রতিটি মুহূর্ত আমাকে তোর অধিকারের কথা মনে করিয়ে দিবি। তুই যখন আমার সামনে দিয়ে হেঁটে যাবি, তোর চোখের চাউনি যেন বলে দেয়—এই শরীরটা কেবল তোর ভোগের জন্য তৈরি হয়েছে।"
আমি মায়ের সেই ভরাট ও স্ফীত স্তনযুগলে মুখ ঘষতে ঘষতে বললাম, "মা, বাবা তো কেবল দায়িত্বের কথা বলেছিলেন, কিন্তু আমি তো তোমাকে আমার অস্তিত্ব দিয়ে দখল করে নিয়েছি। কাল থেকে তোমার এই শরীরের প্রতিটি ভাঁজ আমার প্রতিটি নিশ্বাসের হিসেব দেবে।"
মা আমার মাথাটা নিজের বুকের সাথে আরও জোরে চেপে ধরে বললেন:
"একদম। আর শোন, এখন থেকে এই বাড়িতে কোনো কিছুই আর আগের মতো হবে না। সীতা যখন আমাদের দিকে তাকাবে, সে যেন তোর দাপট দেখে বুঝতে পারে যে এই বাড়ির চাবিকাঠি এখন কার হাতে। তুই বড় হয়েছিস সৌরভ, আর তোর এই বড় হওয়াটা আমি আমার প্রতিটা রক্তকণিকা দিয়ে অনুভব করছি। আজ থেকে এই শাড়ি, এই ব্লাউজ আর এই সায়া—সবই তোর আদেশের অপেক্ষায় থাকবে। তুই যখন চাইবি, তখনই আমি নিজেকে তোর সামনে উন্মুক্ত করে দেব।"
মায়ের এই নতুন রূপ আর এই নির্ভীক প্রতিজ্ঞা শুনে আমার ১৯ বছরের রক্তে আবার একটা শিহরণ বয়ে গেল। পাশের ঘর থেকে বাবার কাশির শব্দ এল, কিন্তু মা এবার আর ভয় পেলেন না। বরং তিনি আমাকে আরও জোরে জড়িয়ে ধরে নিজের সেই উষ্ণ ও ভার্তিক শরীরের গভীরতা আমাকে অনুভব করালেন।
এভাবেই একবারেই রাতের সঙ্গম শেষ হলো।
এরপর আমি আমার রুমে চলে এলাম।



পরদিন......


 
Reply


Messages In This Thread
মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 05:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:02 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:03 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:04 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:05 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:06 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 06:07 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:42 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:43 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:44 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:45 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:46 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:48 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:49 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:50 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:51 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:53 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:55 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:57 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:58 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 08:59 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:00 AM
RE: মা ও আমার অভিসার (By: Alex Robin Hood) - by Bad Boy - 09-14-2026, 09:02 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)