Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

অনুসূয়ার নতুন জীবন
#2

পরের দিন সকালে হোটেল ছেড়ে অনু আর তার বাবা আলামপুরের দিকে রওনা দিল। কিষাণগঞ্জ থেকে বাসে প্রায় দুই ঘণ্টা। গ্রামের বাজারের সামনে নামার সময় সূর্য তখনও পুরোপুরি ওঠেনি। কুয়াশা মাঠের ওপর ভেসে বেড়াচ্ছে। ব্যাগ নিয়ে অনু সোজা ব্রাঞ্চে গেল, ম্যানেজারকে জানিয়ে ব্যাগ রেখে দিল, তারপর বাবার সাথে সেই বাড়ির উদ্দেশ্যে হাঁটল।
বাড়িটা বাজার থেকে সাত-আট মিনিটের পথ। কাঁচা রাস্তা, দুই পাশে বাঁশঝাড় আর কলাগাছ। হরিপদ মণ্ডল আর সরস্বতী দেবী বারান্দায় চা খাচ্ছিল। অনুকে দেখে উঠে দাঁড়াল। বাবার সাথে পরিচয় হলো। অনু বলল, “আজ আর বসব না। দেরি হয়ে যাবে। চাবিটা দিলে ঘরের ভেতর ব্যাগ রেখে অফিস চলে যাই।”
হরিপদ বলল, “উপরে যাওয়ার দরকার নেই। বাড়ির পেছনে একটা আলাদা ঘর আছে। ওখানেই সব সুবিধা। উপরতলায় গরম বেশি।”
অনু রাজি হয়ে গেল। ঘরটা একতলা, ইটের দেয়াল, টিনের ছাদ। ভেতরে কাঠের চৌকি, পুরনো আলমারি, ছোট টেবিল। ইলেকট্রিক লাইন করা। বাবা বলল, “আজকের মধ্যেই ফ্যান-লাইট কিনে গুছিয়ে দিয়ে যাব। কাল দুপুরের মধ্যে আমার ট্রেন।”
অনু অফিসে চলে গেল। বাবা বাজার থেকে সিলিং ফ্যান, বাল্ব, বালতি, মগ কিনে ঘর সাজাল। সন্ধ্যায় অনু ফিরে এসে দেখল ঘরটা গোছানো। বাবা তাকে জড়িয়ে ধরে বলল, “সাবধানে থাকিস। কোনো সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে ফোন করিস।”
পরের দিন দুপুরের মধ্যে বাবা চলে গেল। অনু একা রইল।
প্রথম সপ্তাহ কেটে গেল সাধারণভাবে। সকাল সাতটায় উঠে স্নান সেরে অফিস। ব্রাঞ্চে কাজ, মাঝে মাঝে লিডস অনুযায়ী বাড়ি বাড়ি। বিকেলে ফিরে নিজে রান্না—ডাল-ভাত আর একটা তরকারি। রাতে একা। হরিপদ-সরস্বতী ভালো ব্যবহার করে। সরস্বতী মাঝে মাঝে রান্না পাঠায়। অনুও তাদের সাথে মিশতে চেষ্টা করে। কিন্তু রাতের নীরবতায় বুক ধড়ফড় করে। কলকাতার অভ্যাস এখনো পুরো আছে—প্রতিদিন ময়েশ্চারাইজার, বগল পরিষ্কার, চুল বাঁধা, সালোয়ার-কামিজ বা ফর্মাল পোশাক।
দ্বিতীয় সপ্তাহের একদিন বিকেলে অনু অফিস থেকে ফিরছে। বাড়ির সামনে কালো মোটরসাইকেল। বারান্দায় একজন পুরুষ। বয়স আটাশ-তিরিশ। লম্বা, গমছোলা রং, চওড়া কাঁধ, হাতে সাধারণ ঘড়ি, সাদা পাঞ্জাবি আর কালো প্যান্ট। চুল আধা-লম্বা।
সরস্বতী হেসে বলল, “এই যে আমার বড়ো ছেলে রামচন্দন। কলকাতায় কাজ করে। মাসে দু-তিনবার আসে।”
রামচন্দন উঠে দাঁড়াল। মৃদু হাসল। গলা গম্ভীর কিন্তু নরম। “আপনিই নতুন ভাড়াটিয়া? বাবা-মা বলছিল।”
অনু মাথা নাড়ল। “হ্যাঁ। অনুসূয়া রায়।”
হাত মেলাল। রামচন্দনের হাত খসখসে, শক্ত।
সেই সন্ধ্যায় চারজনে একসাথে খেল। রামচন্দন কলকাতায় ছোট ট্রান্সপোর্ট কোম্পানিতে কাজ করে। মাঝে মাঝে গ্রামে এসে বাবার জমির দেখভাল করে। অনুকে জিজ্ঞেস করল কলকাতার কথা, ব্যাঙ্কের কাজ, এখানে কেমন লাগছে। অনু সংক্ষেপে জবাব দিল। রামচন্দনের চোখে শান্ত আগ্রহ—কথা বলার সময় সে অনুর প্রতিটা অঙ্গভঙ্গি লক্ষ্য করছিল, কিন্তু অতিরিক্ত কিছু করল না। রাত নয়টার পর নিজের ঘরে চলে গেল।
পরের দিন সকালে রামচন্দন চলে গেল। অনু আবার একা। কিন্তু সেই থেকে মাসে দু-তিনবার সে আসতে লাগল। প্রতিবারই অনুর সাথে কথা বলত। প্রথমে আবহাওয়া, ফসল, ব্যাঙ্কের কাজ। তারপর ব্যক্তিগত—পড়াশোনা, পরিবার, বিয়ে নিয়ে ভাবনা। অনু সাবধানে জবাব দিত। রামচন্দন কখনো জোর করত না। কিন্তু তার উপস্থিতিতে অনুর একলাপনা একটু কমত।
তৃতীয় মাসের একদিন সন্ধ্যায় রামচন্দন অনুর ঘরের সামনে এসে দাঁড়াল। হাতে থলে। “মা বলল আপনি রান্নায় খুব সময় দেন না। একটু ফল এনেছি। আপেল, কলা, আর চকোলেট।”
অনু দরজা খুলল। রামচন্দন ভেতরে ঢুকল না, থলে দিয়ে চলে গেল। যাওয়ার আগে চোখ একবার অনুর গলা থেকে বুক, তারপর কোমর পর্যন্ত হেঁটে গেল। অনু দরজা বন্ধ করে নিজেকে শাসন করল।
কয়েকদিন পর বিকেলে অনু ফিল্ড ভিজিট থেকে ফিরছে। রাস্তায় রামচন্দনের মোটরসাইকেল। সে থামল। “উঠে পড়ুন। রোদ তীব্র। বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছি।”
অনু প্রথমে না করতে চাইল। কিন্তু রোদ জ্বালাচ্ছে, পা ব্যথা। উঠে পড়ল। পেছনে বসে রামচন্দনের পিঠে হাত রাখতে হলো। শরীর শক্ত, ঘামের হালকা গন্ধ। রামচন্দন সাবধানে চালাল। বাড়িতে পৌঁছে বলল, “আজ রাতে বাড়িতে থাকব। চা খেতে আসবেন যদি মন চায়।”
অনু সেদিন যায়নি। কিন্তু মনে একটা উষ্ণতা লেগে রইল।
রামচন্দন আস্তে আস্তে অনুর ছোটখাটো কাজে সাহায্য করতে শুরু করল—কেরোসিন আনা, বাজার করা, ঘরের লিক ঠিক করা। প্রতিবারই সে অনুর কাছে সময় কাটাত। কথা বলত ঘণ্টার পর ঘণ্টা। অনুর একলাপনা ভরাট করে দিত। অনু লক্ষ্য করল, রামচন্দন যখন থাকে তখন তার ভয়টা কমে যায়। রাতে ঘুমও ভালো হয়।
চতুর্থ মাসে রামচন্দন একদিন সন্ধ্যায় এসে বলল, “আপনার ঘরের পেছনের দেয়ালে লিক হচ্ছে। দেখে আসি।”
অনু দরজা খুলল। রামচন্দন ভেতরে ঢুকে দেয়াল পরীক্ষা করল, তারপর চৌকিতে বসল। কথা বাড়ল। হঠাৎ সে অনুর হাতের দিকে তাকিয়ে বলল, “আপনি একা একা থাকেন। রাতে ভয় পায় না?”
অনু হাসল। “অভ্যস্ত হয়ে গেছি।”
রামচন্দন একটু এগিয়ে এল। “আমি আপনাকে পছন্দ করি। প্রথম দিন থেকেই। জানি হঠাৎ করে বলা ঠিক নয়। কিন্তু আপনি এখানে একা। আমি চাই আপনি নিরাপদ বোধ করুন।”
অনু পিছিয়ে গেল। “এটা ঠিক হবে না…”
রামচন্দন হাত বাড়িয়ে অনুর হাত আলতো করে ধরল। ছাড়ল না। “আমি কী? গ্রামের ছেলে? আপনি শহরের মেয়ে বলে আমাকে ছোটো ভাবছেন? আমি শুধু আপনাকে ভালোবাসতে চাই।”
অনু হাত ছাড়াতে চাইল, কিন্তু রামচন্দন ছাড়ল না। আরেকটু এগিয়ে এল। নিঃশ্বাস অনুর গালে লাগল। অনু প্রতিরোধ করল, কিন্তু রামচন্দন তার ঠোঁট আলতো করে ছুঁয়ে দিল। চুমুটা প্রথমে নরম, তারপর একটু জোরালো। অনু হাত দিয়ে বুক ঠেলতে চাইল, কিন্তু শরীর অন্যভাবে সাড়া দিচ্ছিল—একলা থাকার ক্ষুধা, স্পর্শের অভাব। রামচন্দন থামল। “আমি জোর করব না। আপনি চাইলে বলুন, আমি চলে যাব।”
অনু কিছু বলতে পারল না। শুধু চোখ নামিয়ে রাখল। রামচন্দন উঠে চলে গেল। সেই রাতে অনু ঘুমাতে পারল না। শরীরে উত্তেজনা—ভয় আর আকাঙ্ক্ষা মিশে।
পরের সপ্তাহে রামচন্দন আবার এল। রাত আটটায় অনুর ঘরে। অনু দরজা খুলতেই সে ভেতরে ঢুকল। দরজা খোলাই রাখল। চৌকিতে বসে অনেকক্ষণ কথা বলল। তারপর হঠাৎ অনুর কাছে এসে বসল। হাত বাড়িয়ে গাল ছুঁয়ে দিল।
“আমাকে একবার সুযোগ দিন।”
অনু মাথা নাড়ল, কিন্তু প্রতিরোধ আর আগের মতো শক্ত ছিল না। রামচন্দন ঠোঁট চেপে ধরল। চুমু গভীর। এক হাত পিঠে, আরেক হাত কোমরে। অনু আস্তে আস্তে সাড়া দিতে শুরু করল। রামচন্দন শাড়ির আঁচল সরাল, ব্লাউজের হুক খুলল। স্তন দুটো বেরিয়ে এল—৩৬ সাইজের, ভারী, কালো নিপল। রামচন্দন মুখ গুঁজে চুষতে লাগল, আঙুল দিয়ে নিপল মোচড়াল। অনু গোঙাতে শুরু করল।
রামচন্দন তাকে চৌকিতে শুইয়ে দিল। শাড়ি আর সায়া নামিয়ে ফেলল। যোনির ওপর কালো লোম। রামচন্দন হাঁটু গেড়ে জিভ দিয়ে চেটে চট্টে খেতে লাগল। অনু কাঁপতে কাঁপতে দুই হাত দিয়ে তার মাথা চেপে ধরল। কিন্তু রামচন্দন আর এগোল না। উঠে এসে অনুর কপালে চুমু দিয়ে বলল, “আজ আর নয়। তুমি কুমারী। আমি তোমার প্রথমবারটা বিয়ের রাতেই নিতে চাই। তুমি আমার বউ হবে।”
অনু চোখ বড়ো করে তাকাল। রামচন্দন তার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, “আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই। বাবা-মা রাজি। তোমার বাবাকে আস্তে আস্তে কথা বলে নেব। তুমি একা থাকবে না আর।”
অনু সেই রাতে কিছু বলতে পারল না। কিন্তু মনে মনে একটা পরিবর্তন শুরু হয়ে গেল।
এরপর থেকে রামচন্দন প্রতিবার এলেই অনুর ঘরে আসত। পূর্ণ যৌনতা করত না। শুধু চুমু, স্তন চোষা, যোনি চেটে দেওয়া, আর অনুর হাত দিয়ে নিজের বাঁড়া ধরিয়ে দেওয়া। প্রতিবারই বলত, “তুমি আমার। বিয়ের আগে আর কিছু নয়। কিন্তু তুমি রাজি হও।”
অনু প্রথমে দ্বিধা করত। কিন্তু একলাপনা, শরীরের চাহিদা, আর রামচন্দনের স্থির যত্ন তাকে আটকে ফেলছিল। সে লক্ষ্য করল, রামচন্দন যখন বলে “তুমি আমার”, তখন তার ভেতর একটা অদ্ভুত শান্তি আসে।
এই সময় থেকে অনুর চালচলন বদলাতে শুরু করল। রামচন্দন কখনো সরাসরি চাপ দিত না, কিন্তু তার কথায় কথায় বলত, “শহরের মেয়েরা অনেক সাজগোজ করে। এখানে দরকার নেই। তুমি যেমন আছ, তেমনই সুন্দর।” অনু প্রথমে আমল দেয়নি। কিন্তু গ্রামের জলে চুল ধোয়ার পর আর আগের মতো সফট থাকে না। ময়েশ্চারাইজার শেষ হয়ে গেলে আর কিনল না—বাজারে পাওয়া যায় না সহজে, আর রামচন্দন বলত “প্রয়োজন নেই”। বগল পরিষ্কার করাও কমে গেল। কেউ দেখে না, আর রামচন্দন যখন চুমু খেত তখন বগলের গন্ধেও আপত্তি করত না, উল্টে আরও জোরে টানত। চুল আর নিয়মিত বাঁধত না। এলোমেলো রাখলে রামচন্দন হাত বুলিয়ে বলত, “এভাবেই ভালো লাগে।”
জামাকাপড়েও পরিবর্তন। সালোয়ার-কামিজ কমে গেল। শাড়ি পরতে শুরু করল বেশি—সরস্বতী দিয়েছিল কয়েকটা। রামচন্দন একদিন বলেছিল, “শাড়ি পরলে তোমাকে আরও সুন্দর লাগে। গ্রামের বউয়ের মতো।” অনু প্রথমে হেসে উড়িয়ে দিয়েছিল। পরে দেখল শাড়ি পরলে রামচন্দনের চোখে আলাদা আলো জ্বলে। অফিসেও কখনো কখনো শাড়ি পরে যেতে লাগল। সহকর্মীরা তাকাত, কিন্তু কিছু বলত না।
মানসিকতা বদলাচ্ছিল আরও গভীরে। একলাপনা তাকে ভেঙে দিচ্ছিল। রামচন্দনের মনোযোগ সেই ফাঁক ভরাট করছিল। সে ভাবত—কলকাতায় ফিরলে ক্যারিয়ার ঠিক থাকবে, কিন্তু কেউ তাকে এভাবে দেখবে না। এখানে রামচন্দন তাকে “আমার” বলে। সেই শব্দটা তার ভেতর আস্তে আস্তে শিকড় গাড়ছিল। চাকরি নিয়ে দ্বিধা শুরু হলো। ম্যানেজার একদিন বলেছিল, “তুমি আগের মতো উদ্যোগী না।” অনু চুপ করে গিয়েছিল। রাতে রামচন্দন এসে তার মাথায় হাত বুলিয়ে বলেছিল, “চাকরি থাক বা না থাক, আমি আছি। তুমি আমার বউ হবে, সব ঠিক হয়ে যাবে।”
পঞ্চম মাসের শেষের দিকে রামচন্দন কলকাতার কাজ প্রায় ছেড়েই দিল। বলল, “বাবার জমি দেখভাল করতে হবে বেশি। আর তুমি এখানে। আমিও এখানেই থাকব।” সে গ্রামেই সেটল হতে শুরু করল। দিনের বেলা জমিতে যায়, বিকেলে অনুর সাথে সময় কাটায়, রাতে অনুর ঘরেই থাকে—কিন্তু পূর্ণ যৌনতা করে না। শুধু শরীর ছুঁয়ে ছুঁয়ে তাকে উত্তেজিত করে, তারপর থামিয়ে দেয়। অনু নিজেই কখনো কখনো তার হাত যোনির দিকে নিয়ে যেতে চায়, কিন্তু রামচন্দন ধরে রাখে। “বিয়ের রাতে।”
অনু ভেঙে যাচ্ছিল। শরীর চাইছে, মন চাইছে নিরাপত্তা। একদিন রাতে সে নিজেই বলে ফেলল, “আমি রাজি।”
রামচন্দন তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “ভালো মেয়ে। এবার তোমার বাবাকে ফোন করি।”
বিয়ের কথাবার্তা হলো। অনুর বাবা প্রথমে দ্বিধা করেছিল, কিন্তু অনু নিজে রাজি বলে জানালে আর আপত্তি করল না। বিয়ের কয়েকদিন আগে থেকে রামচন্দন পুরোপুরি গ্রামেই থাকতে শুরু করল। দিনরাত অনুর পাশে। তাকে শাড়ি পরতে বলত, সিঁদুরের কথা বলত, “বিয়ের পর তুমি আমার সম্পূর্ণ।”
বিয়ে হলো সহজভাবে। গ্রামের পুরোহিত দিয়ে। অনু সিঁদুর পরল, ম্যাঙ্গালসূত্র গলায় পরল। সেদিন রাতেই রামচন্দন তাকে নিজের ঘরে নিয়ে গেল।
বিয়ের রাত। অনু শাড়ি পরে বিছানায় বসেছিল। রামচন্দন এসে দরজা বন্ধ করল। কোনো নরম কথা বলল না। এসে অনুর শাড়ি টেনে নামিয়ে দিল। ব্লাউজের হুক ছিঁড়ে খুলল। স্তন দুটো চেপে ধরে জোরে টিপল। অনু চিৎকার করে উঠল। রামচন্দন গলায় হাত দিয়ে বলল, “চিৎকার করিস না। আজ থেকে তুই আমার বউ। সহ্য করবি।”
সে অনুর পা দুটো জোরে দুই পাশে সরাল। যোনিতে থুতু দিয়ে এক ধাক্কায় ঢুকিয়ে দিল। অনু আর্তনাদ করল—যন্ত্রণা তীব্র। রামচন্দন থামল না। জোরে জোরে ঠাপতে লাগল। প্রতিটা ধাক্কায় অনুর স্তন দুলছিল। সে এক হাত দিয়ে স্তন চেপে টিপছিল, আরেক হাত দিয়ে অনুর চুল ধরে মাথা পেছনে টানছিল। মুখে বলছিল, “কุมারী অবস্থায় এতদিন রেখেছিলাম। আজ থেকে তোর গুদ শুধু আমার বাঁড়ার জন্য। বল, কার বউ তুই?”
অনু কাঁদছিল। রামচন্দন আরও জোরে করল। “বল না হলে আরও শক্ত করে দেব।”
অনু কাঁপতে কাঁপতে বলল, “তোমার… তোমার বউ।”
রামচন্দন হাসল। “আরও জোরে। মাগি।”
সেই রাতে সে তিনবার করে মাল ঢালল—দুবার ভেতরে, একবার মুখে। অনু শেষে নড়তে পারছিল না। গুদ দিয়ে রক্ত আর মাল মিশে গড়িয়ে পড়ছিল। রামচন্দন পাশে শুয়ে বলল, “এবার থেকে রোজ এভাবেই নেব। তুই অভ্যস্ত হয়ে যাবি।”
বিয়ের পরের দিনগুলোতে অনু সম্পূর্ণ বদলে গেল। সকালে উঠেই সিঁদুর পরত, শাড়ি পরত। অফিসে গেলেও গলায় ম্যাঙ্গালসূত্র। রামচন্দন বলে দিয়েছিল, “অফিসে গিয়ে হাসবি না বেশি। কেউ তাকালে চোখ নামিয়ে রাখিস।” অনু মানত। চাকরি নিয়ে দ্বিধা বাড়ছিল। ম্যানেজার একদিন ডেকে বলেছিল, “তোমার পারফরম্যান্স কমছে।” অনু চুপ করে গিয়েছিল। রাতে রামচন্দনকে বললে সে বলেছিল, “চাকরি ছেড়ে দে। আমি আছি। তোর দরকার নেই বাইরে ঘুরে বেড়ানোর।”
অনু তখনও ছাড়েনি, কিন্তু মনে মনে জানত একদিন ছাড়বেই।
রাতে রামচন্দনের সেক্স আরও ব্রুটাল হয়ে উঠল। গ্রামের ছেলেরা যেমন করে—কোনো নরমতা নেই। সে অনুর পা কাঁধে তুলে ধরে জোরে ঢোকাত। দুধ চেপে ধরে আঙুল দিয়ে নিপল মোচড়াত যতক্ষণ না লাল হয়ে যায়। ঘাড়ে কামড় দিত, গালে চড় মারত, চুল ধরে টানত। মুখে বলত, “মাগি, তোর জায়গা শুধু আমার বাঁড়ার তলায়। শহরের অহংকার কোথায় গেল? এখন তুই গ্রামের বউ। অবিডিয়েন্ট বউ।”
অনু প্রথমে কাঁদত। পরে কাঁদাও বন্ধ হয়ে গেল। শরীর অভ্যস্ত হয়ে গেল যন্ত্রণাকে সুখ বলে মেনে নিতে। রামচন্দন যখন বলত “পা খোল”, সে নিজে থেকেই খুলে দিত। যখন বলত “বুক বাড়িয়ে ধর”, সে ধরত। যখন বলত “বল তুই মাগি”, সে বলত।
লাইফস্টাইল পুরো বদলে গেল। সকালে উঠে রান্না, রামচন্দনের জন্য গরম পানি, তারপর অফিস। বিকেলে ফিরে এসে আবার রান্না। রাতে শরীর দেওয়া। গ্রুমিং প্রায় নেই—বগলের লোম বাড়তে দিল, চুল এলোমেলো, মুখে কোনো ক্রিম নেই। শরীরে ট্যান পড়ে কালো ছাপ। পেটে চর্বি জমল। রামচন্দন এগুলো দেখে আরও উত্তেজিত হত। বলত, “এভাবেই তোর শরীর আমার পছন্দ। শহরের সাজগোজ করা শরীর নয়, গ্রামের বউয়ের শরীর।”
অনু সব সহ্য করে নিত। কারণ সে জানত—এখন আর ফিরে যাওয়ার জায়গা নেই। চাকরি থাকলেও মন নেই। বাবা-মাকে ফোনে বলে, “সব ভালো আছে।” কিন্তু রাতে যখন রামচন্দন তার ওপর চড়ে বসে বাঁড়া ঢোকায়, তখন সে চোখ বন্ধ করে গোঙায় আর মনে মনে বলে—আমি এখন আলামপুরের বউ।
এক বছর পরে সেই রাত এল। রাত এগারোটা। পুরো গ্রাম অন্ধকার। অনুর শাড়ি আর সায়া কোমর পর্যন্ত তোলা, আঁচল সাইডে, ব্লাউজের হুক খোলা, ব্লাউজ ছড়ানো। চোখ বন্ধ। শরীর ঘামে ভেজা। চুল মুখের ওপর। বগল লোমে ভর্তি, কালো ট্যান। পেটে চর্বি। ৩৬ সাইজের দুধ, কালো নিপল—জোরে ঠাপের সাথে দুলছে। মুখ দিয়ে গোঙানি।
রামচন্দন পা দুটো কাঁধে তুলে আট ইঞ্চির বাঁড়া দিয়ে তার লোমশ কালো গুদে ঢোকাচ্ছে। বলছে, “মাগি, এতদিনে ঠিকভাবে মাগি হয়ে উঠেছিস। নিজের জায়গা যে পুরুষের বাঁড়ার তলায়, সেটা বুঝতে পেরেছিস। নে মাগি, নে ঠাপ…” মাঝে মাঝে দুধ জোরে টিপছে, ঘাড়ে কামড়াচ্ছে, গালে চড় মারছে।
চল্লিশ মিনিট ধরে। অনুর গালে-গলায় দাগ, দুধ লাল। সে স্বামীর সুখ নিচ্ছে। আরও দশ মিনিট পর রামচন্দন ভেতরে মাল ঢালল। বাঁড়া বের করে সাইডে শুয়ে পড়ল।
অনুর গুদ দিয়ে মাল বেরিয়ে পড়ছে। সে শাড়ি-সায়া নামিয়ে আঁচল দিয়ে দুধ ঢেকে দিল। ব্লাউজ আর পরল না। চোখ বন্ধ করল। ঘুম এল না। ভাবল—এক বছর আগে যে মেয়েটা কলকাতা থেকে এসেছিল, সে আর নেই। এখন শুধু আলামপুরের বউ অনু। যে চাইলেও আর এই জায়গা ছাড়তে পারবে না।
দুই বছর পেরিয়ে গেছে বাচ্চা হওয়ার পর। হরিশ এখন হামাগুড়ি দিয়ে ঘরের মেঝেতে ঘুরছে। অনু সকালে উঠেই প্রথমে ছেলেকে বুকের দুধ খাওয়ায়। দুধ এখনও আছে, স্তন দুটো আরও ভারী হয়েছে, নিপল বড়ো ও কালো। দুধ খাওয়ানোর সময় হরিশ টানলেই একটু ব্যথা লাগে, কিন্তু অনু সহ্য করে। তারপর উঠে রান্নাঘরে যায়।
শরীরটা পুরো বদলে গেছে। আগে যে ফর্সা, স্লিম মেয়েটা ছিল, এখন গায়ের রং একটু কালো হয়ে এসেছে—গ্রামের রোদ আর জলের কারণে। পেটে সন্তান জন্মানোর সাদা দাগগুলো স্পষ্ট। কোমর একটু মোটা, পেটে হালকা চর্বি। নিতম্ব ভারী হয়েছে। বগলের লোম এখন ঘন কালো, কখনো কাটে না। যোনির লোমও একইভাবে রেখে দিয়েছে—রামচন্দন বলেছিল, “এভাবেই পছন্দ”। চুল হাঁটু পর্যন্ত লম্বা, প্রায়ই খোলা রাখে বা আলতো করে একটা খোঁপা বাঁধে। মুখে কোনো মেকআপ নেই। শুধু সিঁদুরের মোটা রেখা আর কপালে ছোট্ট টিপ।
পোশাকও পুরো বদলে গেছে। সালোয়ার-কামিজ আর নেই। রোজ সকালে পরিষ্কার কটনের শাড়ি পরে—সাদা, লাল বা সবুজ বর্ডারওয়ালা। ব্লাউজ হাফ-স্লিভ, গলাটা একটু লো। গলায় ম্যাঙ্গালসূত্র আর একটা কালো পুঁতির মালা। হাতে শাখা-পলা, পায়ে রুপোর মোটা চুড়ি আর কাঁকন। কানে ছোট দুল। আঙুলে একটা সাদা পাথরের আংটি—রামচন্দন বিয়ের পর পরিয়ে দিয়েছিল। গলায় আর হাতে কোনো সোনার জিনিস নেই, শুধু এই গ্রামীণ অলংকার। রামচন্দন বলেছিল, “শহরের সোনার গয়না লাগবে না। এগুলোই তোর শোভা।” অনু মান্য করেছে।
আচরণেও পরিবর্তন স্পষ্ট। সকালে উঠেই রামচন্দনের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে। চা এগিয়ে দেয়। কথা কম বলে। হাসি কম। গ্রামের মেয়েদের সাথে বসে সবজি কাটে, গল্প করে বাচ্চার কথা। কেউ যদি জিজ্ঞেস করে “দিদি, কলকাতার কথা মনে পড়ে?”, অনু শুধু মৃদু হেসে মাথা নাড়ে। ভেতরে ভেতরে সে জানে—মনে পড়ে না আর। সেই জীবন অনেক দূরের মনে হয়।
রামচন্দন আগের মতোই আছে। খুব কঠোর নয়, কিন্তু নিয়ন্ত্রণ আছে। সকালে জমিতে যায়, বিকেলে ফিরে এসে ছেলেকে কোলে নেয়, রাতে অনুকে চায়। অনু জানে কখন কী করতে হবে।
একদিন বিকেলে বৃষ্টি নামল। রামচন্দন জমি থেকে তাড়াতাড়ি ফিরল। গায়ে ভিজে গেঞ্জি। অনু তাকে তোয়ালে এগিয়ে দিল। রামচন্দন তোয়ালে দিয়ে শরীর মুছতে মুছতে অনুর দিকে তাকাল। অনু তখন হরিশকে বুকে নিয়ে বসে দুধ খাওয়াচ্ছিল। শাড়ির আঁচল সরে গিয়ে একটা স্তন বেরিয়ে ছিল। রামচন্দন এসে পাশে বসল। হরিশকে আলতো করে নামিয়ে পাশের মাদুরে শুইয়ে দিল। তারপর অনুর দিকে তাকিয়ে বলল, “আজ একটু সময় আছে। এদিকে আয়।”
অনু উঠে দাঁড়াল। রামচন্দন তার শাড়ির আঁচল টেনে নামিয়ে দিল। ব্লাউজের হুক খুলল। স্তন দুটো বেরিয়ে এল—ভারী, দুধের কারণে একটু ঝুলে পড়া, নিপল কালো ও মোটা। রামচন্দন দুই হাত দিয়ে চেপে ধরল। আঙুল দিয়ে নিপল মোচড়াল। অনু চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে রইল। রামচন্দন মুখ গুঁজে একটা স্তন চুষতে লাগল। দুধের স্বাদ এখনও আছে। অন্য হাত দিয়ে আরেকটা স্তন টিপছিল। অনু গোঙাতে শুরু করল।
রামচন্দন উঠে এসে অনুর শাড়ি আর সায়া পুরো খুলে ফেলল। নগ্ন শরীর। পেটের দাগ, ভারী নিতম্ব, লোমশ যোনি। রামচন্দন তাকে চৌকির দিকে ঠেলল। অনু উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ল। রামচন্দন তার পেছনে এসে হাঁটু গেড়ে বসল। দুই হাত দিয়ে নিতম্ব দুটো চেপে ধরল। আঙুল দিয়ে যোনির ফাঁক আলতো করে সরাল। তারপর নিজের বাঁড়া বের করে থুতু দিয়ে ভিজাল। ধীরে ধীরে ঠেলে ঢুকিয়ে দিল।
অনু দাঁত চেপে ধরল। ভেতরে পুরো ঢুকে গেলে রামচন্দন থেমে গেল এক মুহূর্ত। তারপর আস্তে আস্তে নড়তে শুরু করল। প্রতিটা ধাক্কায় অনুর স্তন দুটো চাদরের ওপর চেপে যাচ্ছিল। রামচন্দন এক হাত দিয়ে অনুর চুল ধরে মাথা একটু পেছনে টানল, আরেক হাত দিয়ে কোমর চেপে ধরল। গতি বাড়াল। শব্দ হচ্ছিল—চট্ চট্। অনু গোঙাচ্ছিল, মুখ চাদরে চাপা দিয়ে।
রামচন্দন একটু সামনে ঝুঁকে অনুর কানে বলল, “তোর গুদ এখনও আঁট। বাচ্চা হওয়ার পরও। জোরে নিবি আজ।”
সে গতি আরও বাড়াল। অনুর শরীর পুরো কাঁপছিল। স্তন দুটো দুলছিল। রামচন্দন হঠাৎ থেমে গিয়ে বাঁড়া বের করে নিল। অনুকে উল্টে শুইয়ে দিল। পা দুটো ধরে কাঁধে তুলে রাখল। আবার ঢুকিয়ে দিল—এবার আরও গভীরে। অনুর পেটের ওপর চাপ পড়ছিল। রামচন্দন জোরে জোরে ঠাপতে লাগল। প্রতিটা ধাক্কায় অনুর মুখ দিয়ে গোঙানি বেরোচ্ছিল। রামচন্দন এক হাত দিয়ে স্তন চেপে টিপছিল, আরেক হাত দিয়ে অনুর গলা আলতো করে চেপে ধরেছিল—শ্বাস বন্ধ করার মতো নয়, শুধু চাপ দিয়ে।
এভাবে প্রায় বিশ মিনিট চলল। রামচন্দন মাঝে মাঝে থেমে গিয়ে আঙুল দিয়ে অনুর যোনির উপরের দানা ঘষত, তারপর আবার ঢোকাত। অনু নিজে থেকেই পা আরও ছড়িয়ে দিচ্ছিল। শরীর ঘামে ভিজে গিয়েছিল। চুলগুলো মুখের ওপর এসে পড়েছিল। রামচন্দন হঠাৎ গতি বাড়িয়ে শেষবারের মতো জোরে জোরে কয়েকটা ধাক্কা দিল আর ভেতরে মাল ঢেলে দিল। গরম তরল অনু অনুভব করল। রামচন্দন আরও কিছুক্ষণ ভেতরে রেখে তারপর বের করে নিল। সাদা তরল গড়িয়ে অনুর উরু দিয়ে মেঝেতে পড়ল।
রামচন্দন পাশে শুয়ে পড়ল। অনু চোখ বন্ধ করে শুয়ে রইল। শরীরটা কাঁপছিল। রামচন্দন তার পেটে হাত রেখে বলল, “ভালো লাগল?”
অনু মাথা নাড়ল। “হ্যাঁ।”
রামচন্দন হাসল। “এভাবেই থাক। তোর শরীর এখন আমার পছন্দ মতো হয়ে গেছে। আর কিছু বদলাস না।”
অনু কিছু বলল না। উঠে শাড়ি জড়িয়ে নিল। হরিশ কেঁদে উঠেছিল। তাকে কোলে তুলে বুকের দুধ খাওয়াতে শুরু করল। রামচন্দন পাশে শুয়ে তাকিয়ে রইল। অনু জানে—এটাই তার রোজকার জীবন। সকালের রান্না, বাচ্চার যত্ন, বিকেলের গল্প, আর রাতের এই লম্বা, ভারী সেক্স। শরীর মানিয়ে নিয়েছে। মনও মানিয়ে নিয়েছে।
কয়েকদিন পর এক সন্ধ্যায় রামচন্দন বাজার থেকে ফিরে এসে অনুর হাতে একটা ছোট প্যাকেট দিল। খুলে দেখল একজোড়া রুপোর মোটা বালা আর একটা কালো পুঁতির হার। রামচন্দন বলল, “পর। ভালো লাগবে।”
অনু পরল। বালা হাতে ভারী লাগল। হার গলায় পড়ল ম্যাঙ্গালসূত্রের সাথে। রামচন্দন তাকিয়ে বলল, “এখন পুরো গ্রামের বউয়ের মতো লাগছে।”
অনু আয়নায় নিজেকে দেখল। শাড়ি, সিঁদুর, শাখা-পলা, বালা, হার, লম্বা চুল, ভারী স্তন, পেটের দাগ। শহরের সেই মেয়েটার কোনো ছাপ নেই আর। সে নিজেই নিজেকে চিনতে পারছিল না। কিন্তু আপত্তিও করছিল না।
রাতে আবার সেক্স হলো। এবার রামচন্দন তাকে জানালার সামনে দাঁড় করাল। শাড়ি খুলে নিল। পেছন থেকে এসে যোনিতে ঢুকিয়ে দিল। এক হাত দিয়ে স্তন চেপে ধরল, আরেক হাত দিয়ে চুল টানল। জোরে জোরে ঠাপতে লাগল। অনু জানালার গ্রিল ধরে দাঁড়িয়ে গোঙাচ্ছিল। বাইরে অন্ধকার। কেউ দেখতে পাচ্ছিল না। রামচন্দন তার কানে বলছিল, “তোর এই শরীর এখন শুধু আমার। এই লোম, এই দুধ, এই গুদ—সব আমার।”
অনু শুধু গোঙাচ্ছিল। শেষে যখন রামচন্দন ভেতরে মাল ঢালল, অনু পা কাঁপতে কাঁপতে দেয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। রামচন্দন তাকে জড়িয়ে ধরে বিছানায় নিয়ে এল। পাশে শুয়ে তার চুলে হাত বুলোতে লাগল।
অনু চোখ বন্ধ করে শুয়ে রইল।
Reply


Messages In This Thread

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)