09-15-2026, 04:12 PM
মা ও আমি দুজনে পুকুরে নামলাম, মা শাড়ি পরা আমি লুঙ্গি পরা আমি সাতার কাটতে লাগলাম মা নেমে ডুব দিয়ে উঠে গায়ে সাবান দিচ্ছিল। আমি মায়ের সামনে এলাম। মা যখন রগড়ে রগড়ে সাবান দিচ্ছিল। এর ফলে মায়ের যৌবন দেখতে পেলাম। লাল ব্লাউজ পরা সাম্নের শাড়ি নামিয়ে মা সাবান দিচ্ছিল আমি মায়ের উন্মুক্ত দুধ দুটো দেখলাম এক জলখ। উহ কি বড় মায়ের দুধ দুটো ব্লাউজের খাঁজটা মানের দুই দুধের ভাজ দেখে জলের মধ্যে আমার বাঁড়া লক লক করে উঠল। মা সাবান দেওয়া সেশ হলে আবার জলে ডুব দিয়ে উঠে মা উঠে গেল আর বলল আমি কাপড় পাল্টে আসছি বলে ঘরে গেল। আমিও স্নান সেরে উঠে পড়লাম। এর মধ্যে মা ফিরে এল কাপড় ধুয়ে দুজনে ফিরে গেলাম। ঘরে গিয়ে মা ও আমি খেয়ে নিলাম এবং ঘুমালাম। বিকেলে মা ও আমি পুকুর ঘুরে দেখলাম আমি মাচকে খাবার দিলাম ও মেশিন চালালাম।এবং ফিরলাম। মা অনেক খাবার নিয়ে এসেছে আমাকে দিল আমি ও মা খেলাম। মা আমার জন্য মধু খেজুর অ্যাঁরও অনেক ফল এনেছে।পিঠে করে এনেছে।
মা রাতের রান্না করল। দুজনে খেয়ে ঘুমালাম। মা ঘরে আমি বারান্দায় ঘুমালাম। স্কালে ঘুম থেকে উঠতে দেখি আকাশ কালো হয়ে আছে। মোবাইল খুললাম খবর দেখলাম। হায় কপাল আবার ঝর হবে।
আমি- মা দেখেছ আবার ঝর আসবে কি হবে কে জানে।
মা- সতি বলছিস কি হবে।
আমি- মা সাবধান থাকতে হবে।
মা- দেখ বাবা কি হয়।
আমি- মা আমি পুকুরের জল বের করে আসছি। দুপুরের মধ্যে ফিরে এলাম। আমি ও মা খেয়ে নিলাম ও সব জিনিস গুছিয়ে নিলাম জাতে ঝর হলে জাতে উরে না যায়। আকাশ গুম মেরে আছে।
মা- কিরে কেমন ঝর হয়।
আমি- মা দেখতে পাবে কি অবস্থা হয়।
মা- দেখা যাবে আমরা মা ছেলে একসাথে থাকব ভয় নেই বাবা।
আমি- মা তুমি বলছিলে তোমাকে অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে কি সেটা।
মা- কি বলব তোকে তুই আমার ছেলে কি করে বলি।
আমি- মা বলনা
মা- কি করে বলব তবে এটুকু বলতে পারি আমার উপর দিয়ে অনেক ধকল গেছে বাবা। বাকি কিছু বলতে পাড়ব না।
আমি- মা বুঝেছি তোমাকে বাবার দেনা শোধ করতে হয়েছে, শরীরের বিনিময়ে।
মা- হাউ হাউ করে কেদে দিল।
আমি- মা থাক ও কথা মনে করে কষ্ট করবা না একদম।
মা- থেমে গেল।
আমি- মা আমি বুঝি তোমার অনেক কষ্ট বাবা জীবনে তেমন কোন সুখ দিতে পারেনি। শুধু কষ্টই দিয়েছে। মা আর কিছুদিন অপেক্ষা কর আমাদের অভাব থাকবেনা।
মা- তুই এত কষ্ট করছিস বাবা আকাশের যা অবস্থা বিধাতা হয়ত কোনদিনই আমাদের ভাল থাকতে দেবেনা।
আমি- মা একদম ভাব্বেনা এরকম ঝর প্রতি বছর আমি পাই তোমাদের বলিনা তাই তোমার ভয় করছে।
মা- কি জানি বাপু শুনেছি এখানের ঝরে গরু মোষ পর্যন্ত উড়িয়ে নিয়ে যায়।
আমি- আরে না না শোনা কথা ভেবে লাভ নেই, যদি আসে তো আমরা মা ছেলে থাকতে পারব।
মা- এই গরম তো এখন নেই আর রাতেও শীত করেছে।
আমি- এটাই এখানের খারাপ মা ঠাণ্ডা লেগে যায় এর ফলে।
মা- সতি বাবা ভয় করে ঠাণ্ডায় আবার কিছু হবেনা তো।
আমি- মা সাবধানে থাকতে হবে। ভেজার পরে এই হাওয়া লাগলে গা হিম হয়ে যায় এটা খেয়াল রাখতে হবে।
মা- এখন কি করবি আজকে খাবার দিবি মাছেদের।
আমি- না এখন রান্না করে খাবার রেডি রাখতে হবে হাওয়া শুরু হলে সহজে থামবে না। হয়ত সারারাত ঝর বইবে।
মা- বলিস কি বাবা কি করে থাকব।
আমি- দেখি রান্না চাপিয়ে দেই।
মা- আমি করছি তোর কিছু করা লাগ্লে পুকুর পার থেকে ঘুরে আয়।
আমি- আচ্ছা বলে বেরিয়ে গেলাম মা রান্না করতে লাগল। আমি পার বেঁধে সব ঠিক করে ফিরলাম সন্ধ্যে হয়ে গেল। আকাশ একদম নিস্তব্দ। ফিরতে মা বলল এত দেরি করলি আমার একা একা ভয় করছে। আমি মা আমি খাবার জল নিয়ে আসছি বলে ড্রাম নিয়ে বেরিয়ে গেলাম। জল এনে রাখলাম। নোনা জল খাওয়া যায় না। মাকে সঙ্গে নিয়ে সব বেঁধে রাখলাম ঝর উঠলে কিছু করা জাবেনা।
মা- এই বাবা ভয় করছে সতি ঝর উঠবে।
আমি- হ্যা মা, এক কাজ করি বিছানা সব ট্রাঙ্কে ভরে রাখি না হলে ভিজে যাবে। কেন তুমি আসলে এই সময়।
মা- দেখলি তোর বাবা একবার আমাদের খোঁজ নিয়েছে।
আমি- বাবা জানলেও কি করে বুঝবে এখানের অবস্থা।
মা- না টিভি মনে হয় দেখেনা। ও সারাজীবন এরকম, আমি মরলে বা বাচলে অর কিছু যায় আসেনা। ওর সাথে আমার আর থাকতে ভাল লাগেনা, এখন থেকে তোর সাথে আমি থাকব।
আমি- আচ্ছা সে দেখা যাবে কিন্তু কি করে আজকের রাত পার করব সেটা ভাবছি।
মা- কেন রে এমন কি হবে।
আমি- মা জাননা কি অবস্থা হয়। আমি আর অরুন এর আগে কি করে রাত পার করেছি সে আমি আর অরুন জানে। ঠান্ডায় ঠক ঠক করে কাপছিলাম কোন কিছুতেই শরির গরম হচ্ছিলনা।
মা- বলিস কি বাবা আমারা চলে গেলে হত না।
আমি- মা সব ট্রলার বন্ধ কি করে যাব নদীতে কি ঢেউ তুমি জান।

