09-15-2026, 04:12 PM
মা- তুই তো আমাকে মেরে ফেলবি দেখছি আমার এম্নিতে ঠান্ডা সহ্য হয়না। যা বলছিস তাতে তো আমি এম্নিতেই ঠান্ডা হয়ে জাচ্ছি।
আমি- আরে অত ভয় কেন কর আমি আছিনা একটা ব্যবস্থা হবেই।
মা- বাবা এত সহজে আমি মরতে চাইনা তুই আমাকে বাচিয়ে রাখিস।
আমি- হেসে কি যে বল মা দেখনা কি হয়। অল্পের উপর দিয়ে যাবে।
মা- সে হলেই ভাল।
দেখতে দেখতে রাত হল সারে ১০টা বাজে। মেঘ ডাকছে। মা আর আমি খেয়ে নিলাম পেট ভরে। মাকে বললাম এবার শুয়ে পর দেখি কি হয়।
মা- তোর বাইরে ঘুমাতে হবেনা এখানে আমার পাশে ঘুমা।
আমি- আচ্ছা বলে মা আর আমি ঘুমিয়ে পড়লাম কিন্তু ঘুম আসছিলনা। কখন ঘুমিয়ে গেছি খেয়াল নেই।
শো শো বেগে হাওয়ার আওয়াজে ঘুম ভেঙ্গে গেল। মোবাইল এ দেখি ভোর প্রায় সারে ৪টা বাজে। এর মধ্যে ঝরো হাওয়া শুরু হল সাথে বৃষ্টি। মা ও আমি উঠে বসলাম। এত হাওয়া আর বৃষ্টি যে নিমিশের মধ্যে আমারা ঘরের মধ্যেও ভিজে গেলাম, কারন বেরা তক্তা দিয়ে দিলেও ফাঁকা, অনেক নীচু ঘর আমাদের।
মা- উরি বাবা এত সব ভেঙ্গে ফেলছে রে এই থাকব কি করে ভিজে গেছি। উহ ঠান্ডা লাগছে।
আমি- মা দারাও বলে চকি খাঁড়া করে দার করিয়ে দিয়ে পেছনের বারান্দায় গেলাম। ও মাছের খাবারের বস্তা পেতে মা আর আমি ওখানে বসলাম। দুজনেই ভিজে গেছে এত হাওয়া আর বৃষ্টি কি বলব।
মা- উরি বাবা এই খুব শীত করছে বাবা। খুব দমকা হাওয়া বাবা কি হবে সোনা আমার।
আমি- মা সবুর কর থেমে যাবে
মা- আর থাকতে পারছিনা বাবা শরীরে কাপুনি এসে গেছে দাঁতে দাঁত লেগে জাচ্ছে উহ আহ।
আমি- মা আমার কাছে এসে বস
মা- আমার বুকের কাছে এসে বসল উহ বাবা ঠান্ডায় মরে যাব এত হাওয়া আর জল।
আমি- মাকে বুকের সাথে জরিয়ে ধরলাম। মা কাপছে ঠাণ্ডায়।
মা- উহ না উরি আহ আমার হাতপা বেকে আসছে বাবা। কি করব বাবা আমি যে মরে যাব।
আমি- খুব জোরে মাকে কোলের উপর তুলে চেপে ধরলাম। মা কাঁপছে টের পাচ্ছি।
মা- উহ আহ কি হচ্ছে রে মরে যাব বাবা কিছু একটা কর। আর ১০ মিনিট এভাবে থাকলে মরে যাব বাবা।
মা আমার কোলে ওঠায় আমার দেহের মধ্যে বিদ্যুৎ খেলে গেল। মা আমার কোলে যখন বসল মায়ের নরম বিশাল পাছার ছোয়া আমার বাঁড়ায় লাগল সাথে সাথে গরম হয়ে উঠল, আমার দেহের উষ্ণতা বাড়তে লাগল। আমার ৭ ইঞ্চি কামদন্ড আস্তে আস্তে বড় হতে লাগল এবং একটু পরে শক্ত হয়ে উপরের দিকে মায়ের পাছায় গুঁতো দিতে লাগল। আমার মনে হয় মা সেটা অনুভব করছে। মায়ের স্তন দুটো আমার বুকের সাথে লেগে আছে যেমন বড় তেমন ভারী আমার বুকে খোঁচা দিচ্ছে। আমি মাকে জরিয়ে ধরেছি মায়ের পিঠ এত মসৃণ আর নরম কি বলব যদিও নিজের মা তবুও আমার এমন কেন মনে হচ্ছে।
আমি- মা একটু কষ্ট কর মা। আমার ও কষ্ট হচ্ছে ঠাণ্ডায়।
মা- আমাকে বাচা বাবা না আমি মরে যাব মনে হয়।
আমি- মা এখন কিছু করার নেই একটু থামলে সব বের করে তোমার গায়ে পেচিয়ে দেব মা একটু সহ্য কর।
মা- নারে বাবা আর থাকতে পারছিনা তুই কিছু একটা কর বাবা। আমাকে বাঁচা। মা বলছে আর ঠোট দাঁত কাঁপছে।
আমি- কি করব মা তুমি বল আমারো ঠান্ডা লাগছে যে।
মা- উরি বাবা আমি এভাবে মরে যাব বাবা। কোন কিছু করা যাবেনা বাবা।
আমি- মা আমি একটা সিনেমা দেখেছিলাম সেখানে নায়িকা জলে দুবে ঠান্ডা হয়ে গেছিল।
মা- তারপর কি হয়েছিল কোন সিনেমা রে উহ আহ বলে ঠক ঠক করে কাঁপছে।
আমি- মা গঙ্গা যমুনা স্বরস্বতী।
মা- আমিও দেখেছি অমিতাব আর কে যেন। তাই না, উহ আহ।
আমি- হ্যা মা আমাদের সেই অবস্থা।
মা- আমি মরে যাব রে তোর কোলের মধ্যে মরে যাব বাবা
আমি- মা হাওয়া কমেছে দেখ।
মা- কমলেও আমি সেষ বাবা আর বাচবনা। আমাকে বাঁচা বাবা। কিরে বাচাবিনা।
আমি- মা দারাও এভার ট্রাঙ্ক থেকে তোষক বের করি। ওটা পেচিয়ে দেব তোমার গায়।
মা- না আমাকে ছারিস না মরে যাব তোর কোলের ভেতর বলে বেচে আছি।আর বৃষ্টি পরছে তো ভিজে যাবে। মায়ের কাপুনি টের পাচ্ছি।
আমি- মা দেখি বলে মায়ের মুখের কাছে নিয়ে বললাম মা অনেক কমেছে আর অসুবিধা হবেনা।
মা- মরে যাব বাবা আমি মরে যাব কাঁপা গলায় বলছে। তুই বাঁচা বাবা। উহ অ্যারো জোরে জরিয়ে ধর বাবা।
আমি- মা তোমার শাড়ি পুরো ভেজা এর জন্য ঠান্ডা বেশি লাগছে, হাওয়া তাই।
মা- কি করব বাবা তুই বলছিস হাওয়া কমেছে কিন্তু না বৃষ্টি কমেছে হাওয়া না।
আমি- দারাও মা ওই বস্তায় অরুনের কম্বল আছে বের করি। বলে হাত দিয়ে বস্তা কাছে টেনে কম্বল বের করলাম। মা এবার শাড়ি খুলে ফেল আমি কম্বল জরিয়ে নিচ্ছি।
মা- হ্যা বাবা বলে মা উঠে ফটা ফট শাড়ি খুলে ফেলল।
আমি- বসে বসে আমার গায়ের গেঞ্জি খুলে ফেললাম। মা ছায়া আর ব্লাউজ পরা শুধু। আমি এস মা বস আমার কোলে।
মা- বসতেই কল্বল জরিয়ে নিলাম দুজনে। মা বাঁচালি বাবা মরে জেতাম। কিন্তু এখনো হাওয়ার সাথে জল আসছে আবার ভিজে যাব।
আমি- বস তো দেখি কি হয় না হয় এবার কমবে।

