09-15-2026, 04:12 PM
মা- আমার ছায়া এবং ব্লাউজ ভেজা আর তোর লুঙ্গিও ভেজা কি করে গরম হবে।
আমি- আমার বুকের সাথে জরিয়ে থাক শরীরের গরমে গরম হবে। আর কম্বলেও হাওয়া মানছে।
মা- হ্যা বলে আমাকে জাপ্টে ধরল।
আসলে এবার দমকা হওয়া সব দিক থেকে হাওয়া ঘুরছে আর জল আসছে। কিছু স্ময়ের মধ্যে কম্বল ভিজতে সুরু করছে।
আমি- মা এবার কম্বলও ভিজে যাবে মনে হয়। তুমি কম্বল জরিয়ে বস আমি প্লাস্টিক খুঁজে আনি। বলে মাকে ছেরে উঠতে আমার বাঁড়া যে দারিয়ে ছিল সেটা লুঙ্গির উপর দিয়ে বোঝা জাচ্ছিল আর মা সেটা দেখেছে ভাল করেই।বেরিয়ে বারান্দায় প্লাস্টিক ছিল নিয়ে এলাম ছোট প্লাস্টিক। ফাকে আমি হিসু করে এলাম কারন মায়ের শরীরের চাপে আমার লিঙ্গ গরম হয়ে গেছিল। হিসু করতে একটু নরম হল।
মা- বাইরে গেছিলি কেন।
আমি- মা হিসু করতে।
মা- খুব হাওয়া না এই পেছন দিকে করতে পারতি বাইরে গেলি কেন।
আমি- না তুমি আছ না লজ্জা করেনা।
মা- মায়ের সামনে আবার লজ্জা আয় আয় কম্বলের ভেতর আয়।
আমি- বসলাম মায়ের কাছে।
মা- এই আমার না বাথ্রুম করতে হবে। বাইরে যাব।
আমি- না তুমি অই পেছনে যাও বেরার কাছে কিছু হবেনা।
মা- ওখানে যাব।
আমি- হ্যা এখন হাওয়া কমলেও বৃষ্টি বারবে আকাশ কালো মেঘে ঢাকা।
মা- যাই তল পেট ভরে আছে।
আমি- যাও বলতে মা উঠে চলে গেল।
মা যখন বসল আমি মায়ের বিশাল পাছা দেখতে পেলাম উঃ কি বড় মায়ের পাছা ছর ছর করে শব্দ হচ্ছে মা যখন হিসু করছিল। আকাশ এখনো পরিস্কার হয় নি অন্ধকার। মা এইটুকু স্ময়ের মধ্যে কাঁপতে শুরু করল কি ঠান্ডারে বাবা। কলকাতায় শীতেও এত ঠাণ্ডা পরেনা। বলে আমার কোলের ভিতর বসল আর ঠক ঠক করে কাঁপছে।
মা- এই এবার ঠাণ্ডা বেশি লাগছে কি করব।
আমি- এস আমার বুকের মধ্যে।
মা- নিচের বস্তা ও ভিজে গেছে মাটি ভেজা তাই। এত হাওয়া।
আমি- আমার পায়ের উপর বস মাটিতে বসনা। আমি আসন করে মাকে কোলের ভেতর বসালাম।
মা- উরি ঠাণ্ডা এই আমরা দুজনকি এভাবেই মরে যাব নাকি ঠান্ডায়।
আমি- না মা তুমি আমার বুকের মধ্যে থাকো কিছু হবেনা বেলা উঠলেই থেমে যাবে।

