09-15-2026, 04:14 PM
আমি- এতক্ষণ ঠান্ডা ছিল গরম হয়েছে কিনা দেখছি। আর ধরলে অ্যারো গরম হবে।
মা- দুষ্টু আমার লজ্জা করে কে আবার দেখে ফেলবে।
আমি- না মা কেউ নেই এই চরে শুধু তুমি আর আমি।
মা- সতি আর কেউ নেই।
আমি- না থাকলেও অনেক দূরে কেউ আসবেনা।
মা- নিশিন্ত হওয়া গেল লজ্জা করেনা।
আমি- এবার দুধ দুটো ধরে পক পক করে টিপতে লাগলাম।
মা- আস্তে ব্যাথা লাগবে আস্তে আস্তে টেপ। বলে আমার মুখে চুমু দিল।
আমি- মা আস্তেই টিপছি তোমার ভাল লাগছে।
মা- হুম কতদিন পরে কোন পুরুশ মানুষ ধরল।
আমি- হ্যা মা আমি বড় হয়েছি বুঝতে পাড়ছ তো।
মা- হুম
আমি- আর ঠান্ডার কষ্ট থাকবেনা মা।
মা- সতি বাবা তুই জেনেও এত দেরি করলি মরেই তো যাচ্ছিলাম।
আমি- মা বাবার উপর তোমার অনেক অভিযোগ বাবা তোমাকে দেখেনা।
মা- হ্যা সত্যি এক্তা নিকম্মা লোক কিছুই পারেনা।
আমি- মা আমি দেখব তোমাকে।
মা- তাই দেখিস বাবা এবার বাঁচালি তুই ।
আমি- মা তোমার পা গরম হয়েছে।
মা- হাত দিয়ে দেখ না। এত তাড়াতাড়ি হয় আস্তে আস্তে হবে।
আমি- মায়ের পাছায় হাত দিয়ে বললাম মা এখনো ঠান্ডা তোমার পাছা।
মা- আস্তে গরমহবে হচ্ছে তো এখন কষ্ট হচ্ছেনা।
আমি- মা সুখ পাচ্ছ আমি যা করছি।
মা- হুম
আমি- মা আরও সুখ চাও তুমি।
মা- হ্যা তুই আমাকে সুখি করবি বাঁচালি যখন।
আমি- মা এবার আমার কষ্ট হচ্ছে
মা- কিসের কষ্ট বাবা বল আমাকে।
আমি- তোমাকে আরও আদর করতে ইচ্ছে করছে।
মা- করনা আমি কি বারন করেছি।
আমি- না মানে তুমি অমত করবে না তো।
মা- না না কেন অমত করব। ভালই লাগছে। বৃষ্টি থেমে গেছে টিনে কোন শব্দ হচ্ছেনা বাইরে আল বোঝা যাচ্ছে।
আমি- হ্যা মা সকাল হয়ে গেছে। শুধু হাওয়া।
মা- হ্যা এ যাত্রা বেঁচে গেলাম বাবা।
আমি- এবার চকি পাতি ওখানে গিয়ে বসি দুজনে। পেছন ফাঁকা হয়ে গেছে ওখানে বাইরে থেকে দেখা জাবেনা কিছু।
মা- যাবি চল তবে বলে মা উঠল। উলং অবস্থায়।
আমি- উঠে চকি উলটাতে মা এল।
আমার সাত ইঞ্চি বাঁড়া খাঁড়া অবস্থায় মা দেখল আর আমিও মায়ের উলঙ্গ শরীর দেখলাম। মা কাথা কম্বল নিয়ে এল। আমি পেতে দিতে মা বলল কি হাওয়া বলে চকিতে উঠল। এর মধ্যে আবার জোরে ঝর শুরু হল এক ঝটকায় আমরা ভিজে গেলাম। তুমুল হাওয়া বইছে। এবার কাঁথা ও ভিজে গেল আগের থেকেও বেশী। মা ও আমি এক লাফে চকি থেকে নেমে গেলাম।
মা- হায় ভগবান একি হচ্ছে বাঁচতে পারবোনা। পেছনের বেরা খুলে গেল শুধু আছে ঘরটা।
আমি- মা দারাও বলে আবার চকি কাত করে দার করিয়ে দিলাম কোনাকুনি করে এবং মা কে কোনায় আসতে বললাম। গামছা নিঙরে নিয়ে আমি গা মুছে নিলাম ও মায়ের হাতে দিলাম মুছে নেওয়ার জন্য।কোনায় ট্রাঙ্ক রাখাছিল।
মা- কি হবে বাবা এবার যদি ঘর উড়িয়ে নিয়ে যায় বাঁচতে পারবোনা আমরা। ঝর বেরে গেছে তুমুল হাওয়া।
আমি- মা দারাও ট্রাঙ্ক খুলে বের করি আমাদের কম্বল।
মা- না বাবা দেখি ওটা ভিজে গেলে কি হবে এইটা দিয়ে কাজ চালাই বের করলেই ভিজে যাবে।
আমি- মা এতখন তো বসে ছিলাম এবার দারিয়ে থাকতে হবে।
মা- কাঁপতে কাঁপতে বলল কি হবে বাবা আমরা কি এত পাপ করেছি যে এভাবে মরতে হবে।
আমি- না মা আমরা পাপ করিনাই বলেই আমাদের এমন অবস্থা পাপ করলে বেঁচে যেতাম।
মা- কি জানি বাবু সারাজীবন শুধু কষ্ট আর কষ্ট করে গেলাম। সুখের মুখ দেখলাম না।
আমি- মা এস কম্বলের ভেতর বলে মাকে কাছে টেনে নিলাম। দুজনে কম্বলের ভেতর দারালাম সামনা সামনি।
মা- বাবা আবার কাপুনি আসছে রে কি করব।
আমি- তোমার ব্যাগ কই মধু এনেছিলে না।
মা- হ্যা ওই তো ট্রাঙ্কের কাছে।

