09-15-2026, 04:14 PM
আমি- মাকে কম্বল দিয়ে মধুর বোতল বের করলাম। নিজে চুমু দিয়ে অনেকটা খেলাম আর মাকে দিলাম খাইয়ে।
মা- হ্যা মধু খেলে শরীর গরম হয়। ভাল বুদ্ধি করেছিস বাবা। তোর ঠোঁটে লেগে আছে।
আমি- তোমারও ঠোঁটে লেগে আছে বলে মায়ের ঠোঁটে চুমু দিলাম ও চেটে চেটে মায়ের ঠোঁটের মধু খেলাম।
মা- উম সোনা বলে আমাকে চুমু দিল।
মুহূর্তের মধ্যে আমার ন্যাতানো বাঁড়া দারিয়ে গেল। টন টন করছে আমার বাঁড়া। মা আমার থেকে সাইজে ছোট না প্রায় সমান। ফলে আমার বাঁড়া মায়ের যোনীতে খোঁচা দিল। মা আমাকে চেপে ধরল। বাঁড়া টান হয়ে নিচের দিকে থাকল।
আমি- মা মধু খেয়ে এখন কেমন লাগছে।
মা- এই এখন লজ্জা করছে সে কখন থেকে আমরা এই অবস্থায়। মধু খাওয়ার পর গরম হচ্ছে শরীর।
আমি- কেন মা কেউ তো নেই শুধু তুমি আর আমি। কেউ তো দেখছে না।
মা- তবুও তুই আমার ছেলে তোর সামনে কেমন লাগে।
আমি- মা কিছু করার নেই এমন কি আর ইচ্ছে করে থাকছি।
মা- তবুও আমাদের লাজ লজ্জা নেই।
আমি- বুঝি মা তোমার লজ্জা করছে আর উপায় কি বল। এম্নিতে ঠান্ডায় মরে যাচ্ছি।
মা- হ্যারে যা হাওয়া হচ্ছে কতখন এভাবে থাকতে পারব কে জানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মরে জেতে হয় নাকি।
আমি- না মা মরব না আমি আছিনা অত ভয় কেন কর।
মা- দেখ আবার কেমন শরীর ঠাণ্ডা হয়ে আসছে।
আমি- সকাল যখন হয়েছে আর ভই নেই এবার কমবে দেখবা। এখানে কেউ তো নেই আর আসবেও না লজ্জা করতে হবেনা।
মা- সে জানিনা বাপু আমার কেমন লাগছে ঠান্ডায় জমে যাচ্ছি আর এই অবস্থা।
আমি- মা জরিয়ে থাক গায়ের গরমে গরম হবে।
মা- তোর গা তো গরম আছে কিন্তু আমার তো ঠান্ডা বাড়ছে।
আমি- এস আমাকে ভাল করে ধর গলা আমি কম্বল ধরে আছি ।
মা- আমার পায়ের উপর পা রেখে জরিয়ে ধরল।
আমি- উম মা মুখ দাও চুষলে গরম হবা তুমি বলে মায়ের ঠোঁটে চুমু দিলাম।
মা- এইভাবে কতখন গরম থাকা যায়। বলে উম উম করে চুমু দিচ্ছে।
আমি- যতখন পারা যায় মা এভাবেই থাকতে হবে আমাদের।
মা- তাই চেস্টা করছি বাবা আর ভাল লাগছেনা পায়ের নিচে জল উহ কি হচ্ছে এত ঠান্ডা শরীর তো গরম হচ্ছেনা বাবা।
আমি- হবে মা নিজের মনকে গরম কর তবেই হবে। হাওয়া হলে বৃষ্টি থেমে গেছে খেয়াল করেছ।
মা- হ্যা রে এখন আর জল আসছেনা, শুধু হাওয়া হচ্ছে এর ফলে বেশী ঠান্ডা লাগছে।
আমি- এইত আর কিছু সময় মা এরপর চকি পেতে আমরা মা ছেলে এভাবে শুয়ে পরব।
মা- আর শোয়া শরীর জমে যাচ্ছে
আমি- জরাজরি করে থাকলে শরীর গরম হবে।
মা- সে তো এক ঘন্টা হতে চল্ল শরীর গরম হচ্ছেনা। কি করে গরমহবে। কর না গরম।
আমি- রাগ্মোচন করা শুরু করলে গরম হবে।
মা- কি আবার রাগ মোচন কি করে রাগ মোচন হবে।
আমি- তুমি আমি রাগ মোচোন করলে গরম হবে।
মা- এই পায়ে হাওয়া লাগছে কাল হয়ে আসছে পা।
আমি- মা তুমি কম্বল ধর আমি তোমাকে গরম করে দিচ্ছি।
মা- ঘুরিয়ে দে ধরছি।
আমি- এই নাও বলে মায়ের হাতে কম্বল ধরিয়ে দিলাম।
মা- ধরছি ঠিক আছে তো ।
আমি- হ্যা বলে মায়ের পাছায় পিঠে হাত দিয়ে ডলতে লাগলাম। তানপুরার মতন পাছা হাতের তালু দিয়ে ঘসে দিতে লাগলাম।
মা- হেসে কি করছিস লজ্জা করে খালি পাছায় হাত দিচ্ছিস।
আমি- মা তোমাকে গরম করতে হবেনা এটাই উপায়।
মা- পাছায় চাপ দিচ্ছিস তাতে তোর ওটায় আমার গুঁতো লাগছে, লজ্জা করে তুই আমার ছেলেনা।
আমি- মা বাচলে কে ছেলে কে মা সেটা পরে বোঝা যাবে।
মা- তবুও কি হচ্ছে এসব। না না আমার লজ্জা করে। নিজের ছেলের সাথে এভাবে দাঁড়ানো।
আমি- মা এবার কিন্তু ছেরে দেব এমন লজ্জা ভাব করলে আগে বাঁচি অন্য সময় তো কিছু করিনা।
মা- আচ্ছা আর কিছু বলব না। তবুও এত কাছে মা ছেলে দাড়ায়।
আমি- এখন কত কিছু হয় শুধু দাঁড়ানো। এ কোন ব্যাপার না।
মা- যা আবার কি হয়। আর কিছু হয় নাকি।
আমি- মা আমাদের মতন বিপদে পরলে কত কি হয়।
মা- কি হয়
আমি- বাচার জন্য সবাই সব কিছু করে।

