09-15-2026, 04:20 PM
আমারা দুজনে চা খেয়ে মা রান্না করতে গেল আমি একটু বেরিয়ে পুকুর দেখলাম ফিরে এসে মাকে বললাম মা সারারাত বৃষ্টি হয়েছে পুকুর জলে ডুবে গেছে তবে ভয় নেই মাছ বের হতে পারেনি, আকাশ পরিস্কার হয়েছে।
মা- এই পেছনের বেরা ঠিক বাবা।
আমি- ঠিক আছে মা বলে পেছনের বেরা ঠিক করলাম এর ফলে দুপুর হয়ে গেছে। কাঁথা কাপড় গুলে বাইরে দিলাম ঘর গুছালাম। এর পর স্নান করে মা ও আমি খেয়ে নিলাম।
এর মধ্যে আমার পাশের পুকুরের মালিক এল তার সাথে কথা বললাম সারারাত মা আর আমি ছিলাম শুনে সে চমকে উঠল। যাহোক উনি অনেখন থাকলেন। এর পর বিকেলে দুজনে পুকুর পারে গেলাম। ওনার ঘরে বসে কথা বলে ফিরতে ফিরতে রাত ৮ টা বেজে গেল। এতখন মা একাই ছিল।
মা- এই মোবাইল কই।
আমি- ট্রাংকে রাখা আছে দারাও বের করছি বলে বের করলাম এবং অন করলাম।
মা- তোর বাবাকে ফোন কর এখন ঘরে এসেছে।
আমি- আচ্ছা বলে বাবাকে কল দিলাম বাবা ধরেই কেদে দিল এত ঝর হচ্ছে তোদের ফোনে পাচ্ছিনা কি ভয় হচ্ছিল জানিস। কেমন আছিস তোরা।
মা- দে আমাকে বলে নিয়ে নিল
বাবার সাথে কথা বলল আমাদের এখানের অবস্থা বলল। কি ভয়ানক রাত গেছে সব একে একে বলল। মা বাবাকে তুমি আস ছুটি নিয়ে এখানে কয়েকদিন থেকে যাও তারপর আমি তোমার সাথে বাড়ি যাবো। বাবা বলল আচ্ছা দেখছি কালকে ছুটি পাই কিনা পেলে চলে আসব। মা আমারা ভাল আছি চিন্তা করোনা। নিজের প্রতি খেয়েয়াল রেখ সুগারের ওষুধ ঠিক মতন খেও। বাবা আচ্ছা কালকে বলব আসতে পারব কিনা। আমি ফোন নিয়ে বললাম ছুটি না পেলে কাজ ছেরে দাও এবারে তোমাদের ঘর করে দেব আর আমি যা দেব তোমরা থাকতে পারবে আমার এখানে থাকবে আবার বাড়ি থাকবে।
বাবা- ঠিক আছে আছে কোম্পানিতে ফোন করে দেখি বলে রেখে দিল।
বাবা এর আগে দুবার এসেছে মা একবার এসেছিল এই ২য় বার।
মা- খাবি এখন। আলো কম খেয়ে নে
আমি- দাও বলে দুজনে খেয়ে নিলাম। এর পর বাইরে গিয়ে বসলাম। পুকুর পারে অনেকেই লাইট নিয়ে ঘুরছিল।
মা- কিরে মাছ বেরিয়ে জায়নি তো।
আমি- না মা যায় নাই সব ঠিক আছে জল বের করে রেখেছিলাম বলে রক্ষা।
মা- তুই ভালই বুঝিস তার জন্য ক্ষতি হয় নাই।
আমি- মা ঠাকুর দিলে এবার যা পাব তোমাদের বাড়ি হয়ে যাবে ভেবনা।
মা- আর তুই এখানেই থাকবি নাকি বাকি জীবন।
আমি- না না আমিও বাড়ি যাবো আর মাত্র তিন বছর তারপর কাজের লোক রাখবো মাঝে মাঝে আসব।
মা- রাতে ঘুম হয়নি আর দুপুরের ওর সাথে গল্প করে সময় কাটালি চল এখন ঘুমাই। আমি তো সন্ধ্যের পরে ঘুমিয়ে নিয়েছি তোর তো ঘুম হয়নি।
আমি- তোমার ঘুম পাচ্ছে নাকি।
মা- না তোর জন্য বললাম।
আমি- চল, বিছানা ঠিক করেছ তুমি খেয়াল করিনাই।
মা- হ্যা আমি পেতে রেখেছি ঝেরে মুছে।
আমি- চল ভাল করে দরজা আটকাতে হবে। এখন আর ঠান্ডা নেই।
মা- কেন চোর তো নেই।
আমি- না সব পুকুর মালিক এসেছে ওদিক ঘুরে রাতে ডাকতে পারে।মা ঠেলে ঢুকে জেতে পারে।
মা- তাই তবে আরেকটু সময় থাকি তারপর যাবো। চল এই পুকুরটা ঘুরে আসি।
আমি- চল বলে দুজনে গেলাম। এর মধ্যে আরেকজন এল। দাঁড়িয়ে কথা বলে সব রাতের কথা বললাম এবার ঘুমাতে হবে। বলে মা আর আমি ফিরে এলাম ১০ টা বেজে গেল।
মা- পা ধুয়ে বিছানায় উঠল।
আমি- আমিও উঠলাম লাইট বন্ধ করে ডিম লাইট জ্বালিয়ে।
মা- এই এত আলো বাইরে থেকে দেখা যাবে উকি দিলে।
আমি- না আমি দেখ কাঁথা ঝুলিয়ে দিয়েছি দেখা যাবেনা।
মা- আমার লজ্জা করে যদি কেউ দেখে ফেলে।
আমি- মা আর কেউ আসবেনা এখন বলে দিলাম না।
মা- আমার ভয় করে শান্তি পাবনা বুঝলি।
আমি- দূর শুধু ভয়। এস বলে মাকে কাছে টেনে নিলাম। দুধ দুটো ধরলাম। ঠোঁটে চুমু দিলাম।
মা- এই এখন লজ্জা করছে সত্যি বলছি।
আমি- মায়ের হাত নিয়ে আমার বাঁড়া ধরিয়ে দিলাম দেখ কি অবস্থা।
মা- ধরে এর মধ্যে এত বড় আর শক্ত হয়ে গেছে।
আমি- হুম মাকে করব বলে কথা।
মা- যা বাজে কথা যত।
আমি- দেখি মা বলে মায়ের গুদে হাত দিলাম একদম গরম হয়ে গেছে আর রসে ভর্তি। ওমা একি অবস্থা তোমার।
মা- কেন কি হয়েছে ?
আমি- আগুনের মতন গরম আর রসে জ্যাব জ্যাব করছে।
মা- করবেনা যা একটা হাতে ধরিয়েছ।

