09-27-2026, 03:34 AM
মা: কসম বলছি, তোর কথা মতোই সব হবে।
আমি: আই লাভ ইউ, মা!
মা: হুম, আই লাভ ইউ টু।
এরপর ছাদের কিনারা থেকে সরে এলাম। মা তখনো কাঁদছিলেন। ঘরে ফিরে মাকে বিদায় জানিয়ে কলটা কেটে দিলাম। তারপর আমার মনে হলো, আমার বুদ্ধিটা কাজ দিয়েছে। সজীবকে জড়িয়ে ধরে বললাম, "ধন্যবাদ, বন্ধু!" সজীব বিষয়টা কিছুই বুঝতে পারেনি; কারণ আমার মায়ের সাথে যখন কথা হয়, তখন সে অফিসে ছিল।
রাতে মায়ের মেসেজ ও কলের অপেক্ষায় রইলাম। কারণ, বাংলাদেশের সময়ের সাথে সিডনির সময়ের ৪ ঘণ্টার ব্যবধান। বাংলাদেশে সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা, আর সিডনিতে রাত ১০টা। সময় গড়িয়ে যায়, কিন্তু কোনো মেসেজ বা কল আসে না।
হঠাৎ ফেসবুকে একটি নোটিফিকেশন এলো—‘Friend Request: Najma Akhter’। আগে যে আইডি থেকে আমার সাথে যুক্ত ছিল এবং রাগের মাথায় আমাকে ব্লক করেছিল, সেই আইডি থেকেই আবার রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছে। তার মানে মা এখন অনলাইনে আছে। আমি রিকোয়েস্ট গ্রহণ করলাম এবং মেসেজ দিলাম:
আমি: হাই!
মেসেজ দিলেও কোনো উত্তর এলো না। আমি আবার হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিলাম, কিন্তু সেখান থেকেও কোনো উত্তর পেলাম না। কিছুক্ষণ পর মেসেজের উত্তর এলো—
আমি: মেসেজ দিচ্ছি, উত্তর দিচ্ছ না কেন?
মা: না, তোর মামা কল দিয়েছিল, তাই উত্তর দিতে পারিনি।
আমি: মামা কেন কল দিল এই সময়ে?
মা: তোর জন্য একটা মেয়ে দেখেছে। সেই বিষয়ে বলল, বায়োডাটা দিল।
আমি: তুমি মামাকে বলো আমার জন্য মেয়ে না দেখতে। তোমাকে আমার হাতে তুলে দিতে বলো।
মা: চুপ কর, বেয়াদব!
আমি: কেন চুপ করব? যা সত্যি, তা-ই বলছি।
মা: আমি কিন্তু এখনই অনলাইন থেকে চলে যাব!
আমি: কেন?
মা: তুই আবার বেয়াদবি শুরু করেছিস। আমার শুনতে ইচ্ছে করছে না এগুলো এখন।
আমি: কেন? আমার ভালোবাসা কি মিথ্যা? আমার অনুভূতির কি কোনো দাম নেই?
মা: তোর কাছে আমি সময় চেয়েছি। আমাকে সময় দিবি না?
আমি: হুম, যত সময় তুমি চাও নিতে পারো। কিন্তু বিয়ে আমি তোমাকেই করব, নাজমা আক্তার!
মা: আমাকে তুই ব্ল্যাকমেল করেছিলি। তখন আমি বুঝতে পারিনি, এখন বুঝতে পারছি।
আমি: মোটেও না! আমি তোমাকে বোঝার চেষ্টা করছি। যা করেছি, সত্যি সিদ্ধান্ত নিয়েই করেছি। তুমি 'না' বললে এখনই ছাদে গিয়ে লাফ দেব।
মা: না! ঐ কথা মুখে আনবি না কখনো!
আমি: তাহলে বলো, আমার ভালোবাসা সত্যি, এতে কোনো মিথ্যা নেই।
মা: হুম, সত্যি। কিন্তু আমাকে জোর করে তুই রাজি করিয়েছিস, মনে রাখিস।
আমি: মোটেও না! তুমি বলেছ আমার কথা শুনবে, মানবে, বউয়ের মতো থাকবে।
মা: রাফি, একবার চিন্তা করে দেখ তোর মায়ের বয়স আর তোর বয়স! তোর বাকি জীবন পড়ে আছে। আমি সব সময় এক থাকব না। বয়সের সাথে সাথে বুড়ি হয়ে যাব, তখন আমাকে তোর ভালো লাগবে না।
আমি: আমি অত সব বুঝি না! আমার তোমাকেই চাই, ব্যস! তুমি শুধু আমার। তোমার দিকে কেউ নজর দিলে তার চোখ তুলে ফেলব।
মা: তোর মাথা পুরো গেছে, ডাক্তার দেখাতে হবে!
আমি: হুম, তোমার জন্যই আমার মাথা নষ্ট।
মা: আমার উচিত ছিল তোর বাবা মারা যাওয়ার পর সবার কথা শুনে নতুনভাবে নিজের কথা চিন্তা করা, আর একটা বিয়ে করা। তা না হলে আজকে হয়তো এই দিন দেখতে হতো না।
আমি: কী বললে তুমি? আবার বিয়ে করতে তুমি?
মা: হ্যাঁ, আবার বিয়ে করার জন্য আমার ভাইবোন সবাই অনুরোধ করেছিল। কিন্তু আমি তোর দিকে তাকিয়ে রাজি হইনি। তোর ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে, তোর বাবার সম্পদ ও টাকাপয়সায় যেন কারও নজর না পড়ে, সবকিছু চিন্তা করে আমি সামনে পা বাড়াইনি।
আমি: আমার কিছু লাগবে না! তুমি সবকিছু কাউকে দিয়ে দাও—সম্পদ, টাকাপয়সা। শুধু তুমি আমার সাথে থাকো। আমার কিছু লাগবে না, শুধু তোমার ভালোবাসা চাই।
মা: আমি এত সুন্দর নই। তুই আমার চেয়ে সুন্দর, রূপসী মেয়ে ডিজার্ভ করিস। আমার বয়স বেশি, তোর চেয়ে ১৮ বছরের বড়। কদিন পর বুড়ি হয়ে যাব, তখন ভালো লাগবে না।
আমি: এক কথা বারবার বলতে ইচ্ছে করে না আমার! তুমি মোটেও বুড়ি নও। তুমি নিজেকে আয়নার সামনে নিয়ে গিয়ে দেখো—তোমার শুধু বয়সের সংখ্যাটা বেড়েছে, তা না হলে তোমার যৌবন এখনো পরিপূর্ণ আছে। আর সবচেয়ে বড় কথা, আমি তোমাকেই ভালোবাসি।
মা: ভালোবাসি বললেই কি সব হয়? একটা মেয়েকে রাজি করাতে সুইসাইডের মতো সিদ্ধান্ত নিলেই শুধু হয় না। মন জয় করে নিতে হয়, মেয়েটাকে ভালোবাসার অনুভূতি দিতে হয়।
আমি: মন জয় করার সুযোগ দিলে আমি তোমার মন জয় করতে পারব।
মা: আমি তোকে ভালোবাসি সন্তান হিসেবে। কিন্তু তোর এই পাগলামির জন্য আমাকে নারী রূপে চিন্তা করতে হবে। আমাকে তুই একটা নিষিদ্ধ সম্পর্কের দিকে ঠেলে দিলি, যেখানে গেলে জাহান্নামেও জায়গা হবে না! পুরোপুরি ধ্বংস করে দিলি... কেন যে আমি রাজি হলাম! তোর জন্য, কারণ তুই আমার নাড়িছেঁড়া একমাত্র সন্তান।
আমি: আমি তোমাকে অনেক ব্যাখ্যা দিতে চাই, কিন্তু বলে লাভ নেই। আমি নিজের সাথে ৩-৪ বছর যুদ্ধ করে অবশেষে সিদ্ধান্ত নিয়েছি তোমাকে মনের কথা বলে দেব। আমি জানি আমাদের সম্পর্কটা সমাজ ও দুনিয়ার চোখে নিষিদ্ধ, কিন্তু আমার মনের ভেতরটা অন্য কিছু বলছে।
মা: তোর মনে আমার জন্য এমন অনুভূতি এলো কবে থেকে? তুই তো এমন ছিলি না, বাবা!
আমি: অনেক আগে থেকে, মা। সত্যি বলতে, আমি অনলাইনে চটি গল্প পড়ে, তোমার সাথে কথা বলতে বলতে, তোমার ছবি দেখতে দেখতে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তোমার ভিডিওতে নাচ দেখে কেমন যেন তোমার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ি। এরপর স্বপ্নে শুধু তোমাকেই দেখি। বিশ্বাস করো মা, তুমি আমার স্বপ্নের রানি। প্রথম প্রথম নিজের ওপর অনেক রাগ হতো—নিজের মাকে নিয়ে এসব কী ভাবছি! নিজেকে শেষ করে দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পারিনি।
মা: চটি গল্প? এটা আবার কী?
আমি: মা, এটা হলো নিষিদ্ধ সম্পর্ক ও যৌনতার ওপর লেখা গল্প, যেখানে অনেক মা-ছেলের গল্প আছে। বিশেষ করে Xossipy Bangla Sex Story সাইটে এই মা-ছেলের সম্পর্কের চটি গল্প পাওয়া যায়।
এই কথা বলে মাকে লিঙ্ক দিয়ে দিলাম। কিছুক্ষণ পর মা...
মা: ছি ছি ছি! কী সব বাজে লেখা এখানে! এগুলো পড়ে তোর মাথা গেছে! এগুলো পড়া বন্ধ কর!
আমি জানি, মাকে একবার এগুলোর ভেতরে ঢোকাতে পারলে কাহিনি অন্যদিকে মোড় নেবে। মায়ের মনেও আমার মতো লোভ জন্মাবে, আর এই নিষিদ্ধ সম্পর্কটা তখন আর নিষিদ্ধ থাকবে না...
আমি: আই লাভ ইউ, মা!
মা: হুম, আই লাভ ইউ টু।
এরপর ছাদের কিনারা থেকে সরে এলাম। মা তখনো কাঁদছিলেন। ঘরে ফিরে মাকে বিদায় জানিয়ে কলটা কেটে দিলাম। তারপর আমার মনে হলো, আমার বুদ্ধিটা কাজ দিয়েছে। সজীবকে জড়িয়ে ধরে বললাম, "ধন্যবাদ, বন্ধু!" সজীব বিষয়টা কিছুই বুঝতে পারেনি; কারণ আমার মায়ের সাথে যখন কথা হয়, তখন সে অফিসে ছিল।
রাতে মায়ের মেসেজ ও কলের অপেক্ষায় রইলাম। কারণ, বাংলাদেশের সময়ের সাথে সিডনির সময়ের ৪ ঘণ্টার ব্যবধান। বাংলাদেশে সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা, আর সিডনিতে রাত ১০টা। সময় গড়িয়ে যায়, কিন্তু কোনো মেসেজ বা কল আসে না।
হঠাৎ ফেসবুকে একটি নোটিফিকেশন এলো—‘Friend Request: Najma Akhter’। আগে যে আইডি থেকে আমার সাথে যুক্ত ছিল এবং রাগের মাথায় আমাকে ব্লক করেছিল, সেই আইডি থেকেই আবার রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছে। তার মানে মা এখন অনলাইনে আছে। আমি রিকোয়েস্ট গ্রহণ করলাম এবং মেসেজ দিলাম:
আমি: হাই!
মেসেজ দিলেও কোনো উত্তর এলো না। আমি আবার হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিলাম, কিন্তু সেখান থেকেও কোনো উত্তর পেলাম না। কিছুক্ষণ পর মেসেজের উত্তর এলো—
আমি: মেসেজ দিচ্ছি, উত্তর দিচ্ছ না কেন?
মা: না, তোর মামা কল দিয়েছিল, তাই উত্তর দিতে পারিনি।
আমি: মামা কেন কল দিল এই সময়ে?
মা: তোর জন্য একটা মেয়ে দেখেছে। সেই বিষয়ে বলল, বায়োডাটা দিল।
আমি: তুমি মামাকে বলো আমার জন্য মেয়ে না দেখতে। তোমাকে আমার হাতে তুলে দিতে বলো।
মা: চুপ কর, বেয়াদব!
আমি: কেন চুপ করব? যা সত্যি, তা-ই বলছি।
মা: আমি কিন্তু এখনই অনলাইন থেকে চলে যাব!
আমি: কেন?
মা: তুই আবার বেয়াদবি শুরু করেছিস। আমার শুনতে ইচ্ছে করছে না এগুলো এখন।
আমি: কেন? আমার ভালোবাসা কি মিথ্যা? আমার অনুভূতির কি কোনো দাম নেই?
মা: তোর কাছে আমি সময় চেয়েছি। আমাকে সময় দিবি না?
আমি: হুম, যত সময় তুমি চাও নিতে পারো। কিন্তু বিয়ে আমি তোমাকেই করব, নাজমা আক্তার!
মা: আমাকে তুই ব্ল্যাকমেল করেছিলি। তখন আমি বুঝতে পারিনি, এখন বুঝতে পারছি।
আমি: মোটেও না! আমি তোমাকে বোঝার চেষ্টা করছি। যা করেছি, সত্যি সিদ্ধান্ত নিয়েই করেছি। তুমি 'না' বললে এখনই ছাদে গিয়ে লাফ দেব।
মা: না! ঐ কথা মুখে আনবি না কখনো!
আমি: তাহলে বলো, আমার ভালোবাসা সত্যি, এতে কোনো মিথ্যা নেই।
মা: হুম, সত্যি। কিন্তু আমাকে জোর করে তুই রাজি করিয়েছিস, মনে রাখিস।
আমি: মোটেও না! তুমি বলেছ আমার কথা শুনবে, মানবে, বউয়ের মতো থাকবে।
মা: রাফি, একবার চিন্তা করে দেখ তোর মায়ের বয়স আর তোর বয়স! তোর বাকি জীবন পড়ে আছে। আমি সব সময় এক থাকব না। বয়সের সাথে সাথে বুড়ি হয়ে যাব, তখন আমাকে তোর ভালো লাগবে না।
আমি: আমি অত সব বুঝি না! আমার তোমাকেই চাই, ব্যস! তুমি শুধু আমার। তোমার দিকে কেউ নজর দিলে তার চোখ তুলে ফেলব।
মা: তোর মাথা পুরো গেছে, ডাক্তার দেখাতে হবে!
আমি: হুম, তোমার জন্যই আমার মাথা নষ্ট।
মা: আমার উচিত ছিল তোর বাবা মারা যাওয়ার পর সবার কথা শুনে নতুনভাবে নিজের কথা চিন্তা করা, আর একটা বিয়ে করা। তা না হলে আজকে হয়তো এই দিন দেখতে হতো না।
আমি: কী বললে তুমি? আবার বিয়ে করতে তুমি?
মা: হ্যাঁ, আবার বিয়ে করার জন্য আমার ভাইবোন সবাই অনুরোধ করেছিল। কিন্তু আমি তোর দিকে তাকিয়ে রাজি হইনি। তোর ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে, তোর বাবার সম্পদ ও টাকাপয়সায় যেন কারও নজর না পড়ে, সবকিছু চিন্তা করে আমি সামনে পা বাড়াইনি।
আমি: আমার কিছু লাগবে না! তুমি সবকিছু কাউকে দিয়ে দাও—সম্পদ, টাকাপয়সা। শুধু তুমি আমার সাথে থাকো। আমার কিছু লাগবে না, শুধু তোমার ভালোবাসা চাই।
মা: আমি এত সুন্দর নই। তুই আমার চেয়ে সুন্দর, রূপসী মেয়ে ডিজার্ভ করিস। আমার বয়স বেশি, তোর চেয়ে ১৮ বছরের বড়। কদিন পর বুড়ি হয়ে যাব, তখন ভালো লাগবে না।
আমি: এক কথা বারবার বলতে ইচ্ছে করে না আমার! তুমি মোটেও বুড়ি নও। তুমি নিজেকে আয়নার সামনে নিয়ে গিয়ে দেখো—তোমার শুধু বয়সের সংখ্যাটা বেড়েছে, তা না হলে তোমার যৌবন এখনো পরিপূর্ণ আছে। আর সবচেয়ে বড় কথা, আমি তোমাকেই ভালোবাসি।
মা: ভালোবাসি বললেই কি সব হয়? একটা মেয়েকে রাজি করাতে সুইসাইডের মতো সিদ্ধান্ত নিলেই শুধু হয় না। মন জয় করে নিতে হয়, মেয়েটাকে ভালোবাসার অনুভূতি দিতে হয়।
আমি: মন জয় করার সুযোগ দিলে আমি তোমার মন জয় করতে পারব।
মা: আমি তোকে ভালোবাসি সন্তান হিসেবে। কিন্তু তোর এই পাগলামির জন্য আমাকে নারী রূপে চিন্তা করতে হবে। আমাকে তুই একটা নিষিদ্ধ সম্পর্কের দিকে ঠেলে দিলি, যেখানে গেলে জাহান্নামেও জায়গা হবে না! পুরোপুরি ধ্বংস করে দিলি... কেন যে আমি রাজি হলাম! তোর জন্য, কারণ তুই আমার নাড়িছেঁড়া একমাত্র সন্তান।
আমি: আমি তোমাকে অনেক ব্যাখ্যা দিতে চাই, কিন্তু বলে লাভ নেই। আমি নিজের সাথে ৩-৪ বছর যুদ্ধ করে অবশেষে সিদ্ধান্ত নিয়েছি তোমাকে মনের কথা বলে দেব। আমি জানি আমাদের সম্পর্কটা সমাজ ও দুনিয়ার চোখে নিষিদ্ধ, কিন্তু আমার মনের ভেতরটা অন্য কিছু বলছে।
মা: তোর মনে আমার জন্য এমন অনুভূতি এলো কবে থেকে? তুই তো এমন ছিলি না, বাবা!
আমি: অনেক আগে থেকে, মা। সত্যি বলতে, আমি অনলাইনে চটি গল্প পড়ে, তোমার সাথে কথা বলতে বলতে, তোমার ছবি দেখতে দেখতে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তোমার ভিডিওতে নাচ দেখে কেমন যেন তোমার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ি। এরপর স্বপ্নে শুধু তোমাকেই দেখি। বিশ্বাস করো মা, তুমি আমার স্বপ্নের রানি। প্রথম প্রথম নিজের ওপর অনেক রাগ হতো—নিজের মাকে নিয়ে এসব কী ভাবছি! নিজেকে শেষ করে দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পারিনি।
মা: চটি গল্প? এটা আবার কী?
আমি: মা, এটা হলো নিষিদ্ধ সম্পর্ক ও যৌনতার ওপর লেখা গল্প, যেখানে অনেক মা-ছেলের গল্প আছে। বিশেষ করে Xossipy Bangla Sex Story সাইটে এই মা-ছেলের সম্পর্কের চটি গল্প পাওয়া যায়।
এই কথা বলে মাকে লিঙ্ক দিয়ে দিলাম। কিছুক্ষণ পর মা...
মা: ছি ছি ছি! কী সব বাজে লেখা এখানে! এগুলো পড়ে তোর মাথা গেছে! এগুলো পড়া বন্ধ কর!
আমি জানি, মাকে একবার এগুলোর ভেতরে ঢোকাতে পারলে কাহিনি অন্যদিকে মোড় নেবে। মায়ের মনেও আমার মতো লোভ জন্মাবে, আর এই নিষিদ্ধ সম্পর্কটা তখন আর নিষিদ্ধ থাকবে না...

