Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

ডিভোর্সি মেয়ে ও বাবা
#2

আব্বু এক লোকমা ভাত তিশা মুখের সামনে ধরলেন। "নে, হা কর।”

তিশা মন্ত্রমুগ্ধের মতো মুখ খুলল। আব্বুর আঙুলের ডগা ওর ঠোঁট স্পর্শ করল। ভাতের স্বাদের সাথে মিশে ছিল আব্বুর হাতের নোনতা ঘ্রাণ আর উষ্ণতা। মুখে খাবারটা দিতেই তিশার চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ল। অর্ক কোনোদিন তাকে এক গ্লাস জলও এগিয়ে দেয়নি, আর এই মানুষটা... এই মানুষটা তাকে রাজকন্যার মতো আগলে রাখছেন।

“কাঁদছিস কেন পাগলি?” আব্বু নিজের হাতে ওর চোখের জল মুছিয়ে দিলেন। তার হাতের তালুটা তিশার গাল স্পর্শ করতেই তিশার শরীরের লোমকূপগুলো যেন জেগে উঠল। এটা কি শুধুই বাৎসল্য? নাকি এর মধ্যে লুকিয়ে আছে এক দীর্ঘদিনের তৃষ্ণা-একজন প্রকৃত পুরুষের আশ্রয়ে থাকার তৃষ্ণা?

তিশা কান্নাভেজা গলায় বলল, “তুমি এত ভালো কেন আব্বু? আমার কপালে এম একজন পুরুষ কেন জুটল না, যে তোমার  মতো হবে?"

অভিজিৎ সাহেব থমকে গেলেন। তার চোয়ালটা একবার শক্ত হলো। তারপর তিনি স্বাভাবিক গলায় বললেন, “ভাগ্য রে মা, সব ভাগ্য। খা, ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে।”

খাওয়ার পুরোটা সময় আব্বু ওকে খাইয়ে দিলেন। তিশার মনে হলো, এই আঙুলগুলোর স্পর্শে এক অদ্ভুত যাদু আছে। ভাতের লোকমার সাথে সাথে সে যেন আব্বুর ভালোবাসা আর শক্তিকেও নিজের ভেতরে গ্রহণ করছে। তার অবচেতন মন বারবার চাইছিল, আব্বুর এই আঙুলগুলো যেন তার মুখের ভেতরে আরেকটু বেশিক্ষণ থাকে। এই চিন্তাটা আসতেই সে চমকে উঠল। ছিঃ! এসব কী ভাবছে সে? কিন্তু চিন্তাটা তো এল!

রাতের খাওয়া শেষে আব্বু শুতে চলে গেলেন। তিশাও শুয়ে পড়ল, কিন্তু চোখে নেই। বিছানায় এপাশ-ওপাশ করতে করতে করতে রাত দুটো বাজল। নতুন জায়গা, নাকি পুরনো স্মৃতির ভার-কোনটা তাকে ঘুমাতে দিচ্ছে না, সে বুঝতে পারল না। গলাটা শুকিয়ে আসায় জল খাওয়ার জন্য সে উঠল।

ডাইনিং হলের আলো নেভানো, শুধু বাইরের ল্যাম্পপোস্টের আলো এসে পড়েছে ড্রয়িংরুমে। জল খেয়ে ফেরার সময় তিশার চোখ গেল বড় ব্যালকনিটার দিকে। কাঁচের স্লাইডিং ডোরের ওপাশে আব্বু দাঁড়িয়ে আছেন।

অন্ধকারেও তার অবয়ব স্পষ্ট। পরনে শুধু একটা সাদা স্যান্ডো গেঞ্জি আর পাজামা। এক হাতে জ্বলন্ত সিগারেট। ধোঁয়ার কুণ্ডলী পাকিয়ে উপরে উঠছে। আব্বু রেলিং ধরে নিচের শূন্য রাস্তার দিকে তাকিয়ে আছেন। তার দাঁড়ানোর ভঙ্গিতে এমন এক গভীর একাকীত্ব আছে যা তিশাকে বিদ্ধ করল।

তিশা পা টিপে টিপে দরজার কাছে গেল। কাঁচের আড়াল থেকে সে বাবাকে দেখছে। স্যান্ডো গেঞ্জির ফাঁক দিয়ে আব্বুর চওড়া পিঠ, বাইসেপসের ফোলা অংশ আর ঘাড়ের কাছে ঘামের আভা দেখা যাচ্ছে। মা মারা যাওয়ার পর থেকে এই মানুষটা কি এভাবেই একা রাত জাগেন? তার শরীরেও কি কোনো চাহিদা নেই? তার মনেও কি কোনো নারীর স্পর্শের আকাঙ্ক্ষা জাগে না?

তিশার বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল। সে বুঝতে পারল, আব্বু শুধু একজন বাবা নন, তিনি একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষ, যার জীবনে এখন গভীর শূন্যতা। আব্বু সিগারেটে একটা দীর্ঘ টান দিলেন, আগুনের স্ফুলিঙ্গটা অন্ধকারে জ্বলে উঠল। তারপর মাথাটা একটু পেছনে হেলিয়ে ধোঁয়া ছাড়লেন। এই ভঙ্গিমাটি এত বিষণ্ণ অথচ এত সেক্সি যে তিশা চোখ ফেরাতে পারল না।

ইচ্ছে করল ব্যালকনির দরজা খুলে আব্বুর পাশে গিয়ে দাঁড়ায়। তার পিঠে হাত রাখে। কিন্তু এক অজানা সংকোচ তাকে থামিয়ে দিল। এই সংকোচ সম্মানের, নাকি ভয়ে নাকি নিজের মনের কোণে উঁকি দেওয়া  কোনো নিষিদ্ধ অনুভূতির?
তিশা নিঃশব্দে নিজের ঘরে ফিরে এল। কিন্তু চোখের সামনে ভাসতে লাগল অন্ধকারে দাঁড়িয়ে থাকা সেই নিঃসঙ্গ, বলিষ্ঠ পুরুষটির অবয়ব।
পরদিন সকালে পাখির ডাকে তিশার ঘুম ভাঙল। জানালার পর্দা ভেদ করে রোদ এসে পড়েছে বিছানায়। কাল রাতের গুমোট ভাবটা কেটে গিয়ে আজ আকাশ বেশ পরিষ্কার।তিশা বিছানা ছেড়ে আড়মোড়া ভাঙল। নাইটিটা শরীরের সাথে লেপ্টে আছে, ঘুমের ঘোরে একদিকের স্ট্র্যাপটা কাঁধ থেকে খসে পড়েছে। সে ওটা ঠিক করে বাথরুমের দিকে এগোল।

কমন প্যাসেজে আসতেই বাথরুমের দরজাটা খুলে গেল। আর ঠিক সেই মুহূর্তেই তিশা থমকে দাঁড়াল।

জাহাঙ্গীর সাহেব স্নান করে বেরোচ্ছেন।
তার পরনে শুধু কোমরে জড়ানো একটা সাদা তোয়ালে। ওপরের শরীর সম্পূর্ণ অনাবৃত। পঞ্চান্ন বছরের শরীর, কিন্তু মেদহীন। চওড়া লোমশ বুক বেয়ে জলের ফোঁটা গড়িয়ে নামছে পেটের দিকে। নাভির নিচে তোয়ালের বর্ডার যেখানে শেষ হয়েছে, সেখান থেকে একগুচ্ছ কালো লোম নিচে নেমে গেছে-গোপন কোনো গন্তব্যের দিকে। তার সুঠাম উরু আর পায়ের পেশিগুলো প্রতিটি পদক্ষেপে সঙ্কুচিত ও প্রসারিত হচ্ছে।

তিশা শ্বাস নিতে ভুলে গেল। সে আব্বুকে এভাবে কোনোদিন দেখেনি, বা দেখলেও খেয়াল করেনি। কিন্তু আজ, নিজের সদ্য ডিভোর্সি জীবনের একাকীত্ব আর অতৃপ্তি নিয়ে সে যখন দেখল, তখন তার দৃষ্টি আর বাবার দৃষ্টি রইল না। সেটা হয়ে গেল এক নারীর দৃষ্টি-যে তার সামনে এক সক্ষম, সুপুরুষকে দেখছে।

আব্বুর ভেজা চুলে হাত বোলাতে বোলা তিশাকে দেখে একটু হাসলেন। “কিরে মা, উঠে পড়েছিস? আমি জিম থেকে এসে স্নানটা সেরে নিলাম। তুই ফ্রেশ হয়ে নে, আমি চা বানাচ্ছি।”

আব্বু পাশ কাটিয়ে চলে গেলেন। তার শরীর থেকে ভুরভুর করে আসছিল দামী শেভিং ফোম, ভেজা শরীর আর সাবানের এক মাদকতাময় গন্ধ। তিনি চলে যাওয়ার পরেও বাতাসে সেই গন্ধটা যেন ঝুলে রইল।

তিশা মন্ত্রমুগ্ধের মতো বাথরুমে ঢুকল। বাথরুমের আয়নাটা তখনো ঝাপসা, স্টিমের কারণে। বেসিনের ওপর পড়ে আছে আব্বুর ব্যবহার করা ভেজা তোয়ালেটা-যেটা দিয়ে তিনি একটু আগেই তার শরীর, তার বুক, তার পৌরুষ মুছেছেন।

তিশা দরজাটা লক করে দিল। তার হৃৎপিণ্ড হাতুড়ির মতো পিটছে। এক অদম্য কৌতূহল আর নিষিদ্ধ আকর্ষণে সে তোয়ালেটার দিকে হাত বাড়াল। তোয়ালেটা হাতে নিতেই অনুভব করল সেটা এখনো উষ্ণ। আব্বুর শরীরের উষ্ণতা।
এবার তিশা ও তার বাবা অভিজিৎ রায়ের বর্ণনা দেয়া যাক। গল্পের নায়িকা তিশা যার পুরো নাম নিবেদিতা রায় তিশা। বয়স সবে ২১ পেরিয়ে ২২ শে পড়েছে। ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিয়ে ভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছিল। অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে উঠার পরই পারিবারিক ভাবে বিয়েটা হয়। তখন তার বয়স সবে ১৮ পেরিয়েছে। বিয়ের ৩ বছরের মাথায় ডিভোর্স হয়ে আবার বাবার বাড়িতে ফিরে আসছে।বিয়ের পর তার রুপ যৌবন আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন তার ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ৩৬-৩০-৩৬। তার বাবা অভিজিৎ রায়। এখন বয়স ৪৫। টগবগে তরুণ।  তার মা অঞ্জলি দেবনাথ। ২ বছর আগে ব্লাড ক্যান্সারে মারা যায়। তারপর থেকে তার বাবা একাই আছে।

Reply


Messages In This Thread
ডিভোর্সি মেয়ে ও বাবা - by Erotic Lovers - 10-12-2026, 04:36 AM
RE: ডিভোর্সি মেয়ে ও বাবা - by Erotic Lovers - 10-12-2026, 04:37 AM
RE: ডিভোর্সি মেয়ে ও বাবা - by Erotic Lovers - 10-12-2026, 04:38 AM
RE: ডিভোর্সি মেয়ে ও বাবা - by Erotic Lovers - 10-12-2026, 04:38 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)