10-12-2026, 04:38 AM
তিশার কম্পমান ঠোঁটজোড়া নেমে এল আব্বুর প্রশস্ত কপালে। প্রথমে খুব আলতো করে। তারপর... তারপর সে আর নিজেকে সামলাতে পারল না। সে ঠোঁটটা চেপে ধরল আব্বুর কপালের ওপর। এটা সাধারণ স্নেহের চুমু নয়। এর মধ্যে মিশে আছে অধিকার, কামনা, আর এক তীব্র হাহাকার। সে তার ঠোঁট দিয়ে আব্বুর চামড়ার উষ্ণতা শুষে নিল।
চুমুটা দীর্ঘ হলো। অনেক দীর্ঘ। তিশার গরম নিঃশ্বাস আব্বুর মুখে আছড়ে পড়ল। ঘুমের ঘোরে আব্বু সামান্য নড়ে উঠলেন, একটা অস্ফুট শব্দ করলেন, “উমম...”
তিশা চমকে উঠে মুখ সরাল। আব্বু কি জেগে উঠলেন? নাকি ঘুমের মধ্যেই তিনি এই স্পর্শ অনুভব করলেন? আব্বুর হাতটা নিজের অজান্তেই উঠে এসে তিশার উরুর ওপর পড়ল-ঠিক যেখানে তার কামনার উৎস।
তিশা স্তব্ধ হয়ে বসে রইল। বাইরে বাজ পড়ার শব্দে ঘরটা কেঁপে উঠল, ঠিক যেমন কাঁপছে সারার ভেতরটা। সে জানে, আজ রাতে সে একটা অদৃশ্য সীমারেখা পার করে ফেলেছে। আর ফেরার পথ নেই।
ভোরের আলো ফোটার ঠিক আগে ঘুমটা ভাঙল তিশার চোখের পাতা খুলতেই সে অনুভব করল তার পায়ের ওপর এক ভারী ও উষ্ণ অস্তিত্ব। অভিজিৎ বাবু এখনো গভীর ঘুমে, তার মাথাটা তিশার উরুর ঠিক সংযোগস্থলে-যেখানে দুটি পা মিশেছে সেই উপত্যকায়-এলিয়ে আছে।
তিশা নড়ল না। গত রাতের স্মৃতিগুলো কুয়াশার মতো তার মাথায় ভিড় করল। আব্বুর কান্না, তিশার সান্ত্বনা, আর সেই নিষিদ্ধ চুমু। কিন্তু এখন, এই ভোরের নিস্তব্ধতায়, অনুভূতিটা সম্পূর্ণ শরীরী। আব্বুর নিঃশ্বাসের উষ্ণ বাতাস তার পাতলা পাজামা ভেদ করে গোপনাঙ্গের ওপর আছড়ে পড়ছে। প্রতিবার শ্বাস ছাড়ার সাথে সেখানে এক অদ্ভুত সুড়সুড়ি আর শিহরণ জাগছে। সারার মনে হলো, তার উরুর মাঝখানের পেশিগুলো নিজের অজান্তেই সংকুচিত হচ্ছে, যেন সে আব্বুর এই নৈকট্যকে নিজের ভেতরে শুষে নিতে চায়।
হঠাৎ অভিজিৎ বাবু নড়ে উঠলেন। ঘুম ভাঙার সাথে সাথে তিনি ধড়মড় করে উঠে বসলেন। তার চোখে-মুখে একধরনের বিহ্বলতা আর লজ্জা।
“সরি... সরি মা! আমি কখন ঘুমিয়ে পড়েছি খেয়ালই করিনি... ছিঃ, তোকে কষ্ট দিলাম সারারাত,” আব্বু তোতলামি করে কথাগুলো বললেন। তিনি দ্রুত উঠে দাঁড়ালেন, তিশার দিকে তাকাতে পারলেন না।
তিশাও উঠে দাঁড়াল। তার পা ঝিনঝিন করছে, কিন্তু উরুর ওপর আব্বুর মাথার ভার আর উষ্ণতার রেশ এখনো লেগে আছে। সে নিচু গলায় বলল, “না আব্বু, আছে। তোমার আরাম লাগছিল, তাই আমি জাগাইনি।”
"আরাম”-শব্দটা উচ্চারণের সাথে সাথেই দুজনেই থমকে গেল। বাতাস যেন হঠাৎ ভারী হয়ে উঠল। আব্বু কোনোমতে “আমি ফ্রেশ হচ্ছি” বলে দ্রুত বের হয়ে বাথরুমের দিকে চলে গেলেন। তার হাঁটার ভঙ্গিতে একধরনের পলায়নপরতা ছিল, যা তিশার নজর এড়াল না।তিশা নিজের উরুতে হাত বুলিয়ে দেখল -সেখানে আব্বুর গালের ঘামের দাগ লেগে আছে, আর নিজের শরীর থেকে নিঃসৃত কামরসের চটচটে ভাব।
সেদিন অফিসে তিশার কোনো কাজেই মন বসল না। ল্যাপটপের স্ক্রিনে এক্সেল শিটের বদলে বারবার ভেসে উঠছিল গত রাতের দৃশ্যটা। আব্বুর কপালে তার ঠোঁটের স্পর্শ, আব্বুর ভেজা শরীর,
"আমি কি পাগল হয়ে যাচ্ছি?” তিশা বাথরুমের আয়নায় নিজের দিকে তাকিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করল।"উনি আমার বাবা! এটা মহাপাপ, এটা ঘৃণ্য!”
কিন্তু মন আর শরীর কি কোনো যুক্তি মানে?
তিশা তার কিউবিকলে ফিরে এসে ব্রাউজারে টাইপ করল-'Electra Complex', 'Falling in love with father', 'Father attraction psychology'.
স্ক্রিনে ভেসে ওঠা লেখাগুলো সে গোগ্রাসে গিলতে লাগল। সিগমুন্ড ফ্রয়েড, কার্ল ইউং... কত তত্ত্ব, কত ব্যাখ্যা। কিন্তু কোনো তত্ত্বই তার বুকের ভেতরের এই দহনকে ব্যাখ্যা করতে পারছে না। তার মনে হলো, এটা শুধু কোনো মানসিক কমপ্লেক্স নয়। এটা তার স্বামীর দেওয়া অপমান আর অবহেলার বিপরীতে আব্বুর দেওয়া নিরাপত্তা আর পৌরুষের প্রতি তার নারীসত্তার জাগরণ।
তিশা ভাবল, “অর্ক আমাকে কখনো নার মনে করেনি, শুধু ব্যবহারের বস্তু ভেবেছে।
তিশা ভাবল, “অর্ক আমাকে কখনো নারী মনে করেনি, শুধু ব্যবহারের বস্তু ভেবেছে। আর আব্বু... আব্বু আমাকে আগলে রেখেছেন। কিন্তু আজ সেই আগলানোর মধ্যে আমি অন্য কিছু খুঁজছি। আমি কি আব্বুর মধ্যে আমার প্রেমিককে খুঁজে পাচ্ছি?"
লজ্জায়, অপরাধবোধে, আর একই সাথে এক তীব্র উত্তেজনায় তিশার কান গরম হয়ে উঠল। সে জানত এটা 'গুনাহ', কিন্তু সেই গুনাহের স্বাদ নেওয়ার জন্য তার জিভচাতক পাখির মতো শুকিয়ে আছে।
রাতে ডিনারের সময় পরিবেশটা ছিল থমথমে। অন্যদিন আব্বু কত গল্প করেন, আজ তিনি চুপচাপ। চামচ আর প্লেটের ঠুকঠাক শব্দ ছাড়া কোনো আওয়াজ নেই।
তিয়া আড়চোখে আব্বুকে দেখল। আব্বু মাথা নিচু করে খাচ্ছেন। তিনি কি তিশার দিকে তাকাতে ভয় পাচ্ছেন? নাকি লজ্জ পাচ্ছেন?
হঠাৎ জলের গ্লাসটা নিতে গিয়ে তিশার হাত আব্বুর হাতে লাগল। একটা সামান্য স্পর্শ। কিন্তু মনে হলো যেন হাইভোল্টেজ কারেন্টের তারে হাত লেগেছে। আব্বু চমকে হাতটা সরিয়ে নিলেন। জল কিছুটা চলকে পড়ল টেবিলে।
"সরি...” দুজনেই একসাথে বলে উঠল।
চোখে চোখ পড়ল। আব্বুর চোখে সেই চিরচেনা স্নেহ নেই, আছে এক ঘোলাটে, আর্ত দৃষ্টি। যেন তিনি নিজের ভেতরের কোনো পশুর সাথে লড়াই করছেন। তার চোয়াল শক্ত, গলার শিরা ফুলে উঠেছে। তিশা বুঝতে পারল, আগুনটা শুধু তার একার বুকে জ্বলছে না, ওপাশেও দাউদাউ করে জ্বলছে।
“আমার খাওয়া শেষ,” আব্বু অর্ধেক খাবার ফেলেই উঠে চলে গেলেন।
তিশা বসে রইল। আব্বুর এই অস্থিরতা, পলায়ন-সবই তাকে একটা সিগন্যাল দিচ্ছে। আব্বুও তাকে চাইছেন। এই চিন্তাটা মাথায় আসতেই তিশার শরীরের ভেতর দিয়ে গরম রক্তের স্রোেত বয়ে গেল।
রাত তখন একটা। তিশা নিজের বিছানায় শুয়ে আছে, কিন্তু ঘুমের কোনো চিহ্ন নেই। তার ল্যাপটপে চলছে একটা হার্ডকোর পর্ন ভিডিও। ভিডিওতে এক মাঝব বয়সী সুঠাম পুরুষ এক তরুণীকে প্রবলভাবে চুদতেছে । পুরুষটার শরীর, তার চওড়া পিঠ, তার পেশিবহুল হাত-সবকিছুর মধ্যে তিশা আব্বুকে খুঁজে ফিরছে।
ভিডিওর প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি গোঙানি তিশার উত্তেজনাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে। সে নিজের হাতটা পাজামার ভেতরে ঢুকিয়ে দিল। আঙুল দিয়ে নিজের ক্লিটোরিস ঘষতে ঘষতে সে কল্পনা করতে লাগল, ওই ভিডিওর পুরুষটা আব্বু, আর ওই মেয়েটা সে নিজে।
চুমুটা দীর্ঘ হলো। অনেক দীর্ঘ। তিশার গরম নিঃশ্বাস আব্বুর মুখে আছড়ে পড়ল। ঘুমের ঘোরে আব্বু সামান্য নড়ে উঠলেন, একটা অস্ফুট শব্দ করলেন, “উমম...”
তিশা চমকে উঠে মুখ সরাল। আব্বু কি জেগে উঠলেন? নাকি ঘুমের মধ্যেই তিনি এই স্পর্শ অনুভব করলেন? আব্বুর হাতটা নিজের অজান্তেই উঠে এসে তিশার উরুর ওপর পড়ল-ঠিক যেখানে তার কামনার উৎস।
তিশা স্তব্ধ হয়ে বসে রইল। বাইরে বাজ পড়ার শব্দে ঘরটা কেঁপে উঠল, ঠিক যেমন কাঁপছে সারার ভেতরটা। সে জানে, আজ রাতে সে একটা অদৃশ্য সীমারেখা পার করে ফেলেছে। আর ফেরার পথ নেই।
ভোরের আলো ফোটার ঠিক আগে ঘুমটা ভাঙল তিশার চোখের পাতা খুলতেই সে অনুভব করল তার পায়ের ওপর এক ভারী ও উষ্ণ অস্তিত্ব। অভিজিৎ বাবু এখনো গভীর ঘুমে, তার মাথাটা তিশার উরুর ঠিক সংযোগস্থলে-যেখানে দুটি পা মিশেছে সেই উপত্যকায়-এলিয়ে আছে।
তিশা নড়ল না। গত রাতের স্মৃতিগুলো কুয়াশার মতো তার মাথায় ভিড় করল। আব্বুর কান্না, তিশার সান্ত্বনা, আর সেই নিষিদ্ধ চুমু। কিন্তু এখন, এই ভোরের নিস্তব্ধতায়, অনুভূতিটা সম্পূর্ণ শরীরী। আব্বুর নিঃশ্বাসের উষ্ণ বাতাস তার পাতলা পাজামা ভেদ করে গোপনাঙ্গের ওপর আছড়ে পড়ছে। প্রতিবার শ্বাস ছাড়ার সাথে সেখানে এক অদ্ভুত সুড়সুড়ি আর শিহরণ জাগছে। সারার মনে হলো, তার উরুর মাঝখানের পেশিগুলো নিজের অজান্তেই সংকুচিত হচ্ছে, যেন সে আব্বুর এই নৈকট্যকে নিজের ভেতরে শুষে নিতে চায়।
হঠাৎ অভিজিৎ বাবু নড়ে উঠলেন। ঘুম ভাঙার সাথে সাথে তিনি ধড়মড় করে উঠে বসলেন। তার চোখে-মুখে একধরনের বিহ্বলতা আর লজ্জা।
“সরি... সরি মা! আমি কখন ঘুমিয়ে পড়েছি খেয়ালই করিনি... ছিঃ, তোকে কষ্ট দিলাম সারারাত,” আব্বু তোতলামি করে কথাগুলো বললেন। তিনি দ্রুত উঠে দাঁড়ালেন, তিশার দিকে তাকাতে পারলেন না।
তিশাও উঠে দাঁড়াল। তার পা ঝিনঝিন করছে, কিন্তু উরুর ওপর আব্বুর মাথার ভার আর উষ্ণতার রেশ এখনো লেগে আছে। সে নিচু গলায় বলল, “না আব্বু, আছে। তোমার আরাম লাগছিল, তাই আমি জাগাইনি।”
"আরাম”-শব্দটা উচ্চারণের সাথে সাথেই দুজনেই থমকে গেল। বাতাস যেন হঠাৎ ভারী হয়ে উঠল। আব্বু কোনোমতে “আমি ফ্রেশ হচ্ছি” বলে দ্রুত বের হয়ে বাথরুমের দিকে চলে গেলেন। তার হাঁটার ভঙ্গিতে একধরনের পলায়নপরতা ছিল, যা তিশার নজর এড়াল না।তিশা নিজের উরুতে হাত বুলিয়ে দেখল -সেখানে আব্বুর গালের ঘামের দাগ লেগে আছে, আর নিজের শরীর থেকে নিঃসৃত কামরসের চটচটে ভাব।
সেদিন অফিসে তিশার কোনো কাজেই মন বসল না। ল্যাপটপের স্ক্রিনে এক্সেল শিটের বদলে বারবার ভেসে উঠছিল গত রাতের দৃশ্যটা। আব্বুর কপালে তার ঠোঁটের স্পর্শ, আব্বুর ভেজা শরীর,
"আমি কি পাগল হয়ে যাচ্ছি?” তিশা বাথরুমের আয়নায় নিজের দিকে তাকিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করল।"উনি আমার বাবা! এটা মহাপাপ, এটা ঘৃণ্য!”
কিন্তু মন আর শরীর কি কোনো যুক্তি মানে?
তিশা তার কিউবিকলে ফিরে এসে ব্রাউজারে টাইপ করল-'Electra Complex', 'Falling in love with father', 'Father attraction psychology'.
স্ক্রিনে ভেসে ওঠা লেখাগুলো সে গোগ্রাসে গিলতে লাগল। সিগমুন্ড ফ্রয়েড, কার্ল ইউং... কত তত্ত্ব, কত ব্যাখ্যা। কিন্তু কোনো তত্ত্বই তার বুকের ভেতরের এই দহনকে ব্যাখ্যা করতে পারছে না। তার মনে হলো, এটা শুধু কোনো মানসিক কমপ্লেক্স নয়। এটা তার স্বামীর দেওয়া অপমান আর অবহেলার বিপরীতে আব্বুর দেওয়া নিরাপত্তা আর পৌরুষের প্রতি তার নারীসত্তার জাগরণ।
তিশা ভাবল, “অর্ক আমাকে কখনো নার মনে করেনি, শুধু ব্যবহারের বস্তু ভেবেছে।
তিশা ভাবল, “অর্ক আমাকে কখনো নারী মনে করেনি, শুধু ব্যবহারের বস্তু ভেবেছে। আর আব্বু... আব্বু আমাকে আগলে রেখেছেন। কিন্তু আজ সেই আগলানোর মধ্যে আমি অন্য কিছু খুঁজছি। আমি কি আব্বুর মধ্যে আমার প্রেমিককে খুঁজে পাচ্ছি?"
লজ্জায়, অপরাধবোধে, আর একই সাথে এক তীব্র উত্তেজনায় তিশার কান গরম হয়ে উঠল। সে জানত এটা 'গুনাহ', কিন্তু সেই গুনাহের স্বাদ নেওয়ার জন্য তার জিভচাতক পাখির মতো শুকিয়ে আছে।
রাতে ডিনারের সময় পরিবেশটা ছিল থমথমে। অন্যদিন আব্বু কত গল্প করেন, আজ তিনি চুপচাপ। চামচ আর প্লেটের ঠুকঠাক শব্দ ছাড়া কোনো আওয়াজ নেই।
তিয়া আড়চোখে আব্বুকে দেখল। আব্বু মাথা নিচু করে খাচ্ছেন। তিনি কি তিশার দিকে তাকাতে ভয় পাচ্ছেন? নাকি লজ্জ পাচ্ছেন?
হঠাৎ জলের গ্লাসটা নিতে গিয়ে তিশার হাত আব্বুর হাতে লাগল। একটা সামান্য স্পর্শ। কিন্তু মনে হলো যেন হাইভোল্টেজ কারেন্টের তারে হাত লেগেছে। আব্বু চমকে হাতটা সরিয়ে নিলেন। জল কিছুটা চলকে পড়ল টেবিলে।
"সরি...” দুজনেই একসাথে বলে উঠল।
চোখে চোখ পড়ল। আব্বুর চোখে সেই চিরচেনা স্নেহ নেই, আছে এক ঘোলাটে, আর্ত দৃষ্টি। যেন তিনি নিজের ভেতরের কোনো পশুর সাথে লড়াই করছেন। তার চোয়াল শক্ত, গলার শিরা ফুলে উঠেছে। তিশা বুঝতে পারল, আগুনটা শুধু তার একার বুকে জ্বলছে না, ওপাশেও দাউদাউ করে জ্বলছে।
“আমার খাওয়া শেষ,” আব্বু অর্ধেক খাবার ফেলেই উঠে চলে গেলেন।
তিশা বসে রইল। আব্বুর এই অস্থিরতা, পলায়ন-সবই তাকে একটা সিগন্যাল দিচ্ছে। আব্বুও তাকে চাইছেন। এই চিন্তাটা মাথায় আসতেই তিশার শরীরের ভেতর দিয়ে গরম রক্তের স্রোেত বয়ে গেল।
রাত তখন একটা। তিশা নিজের বিছানায় শুয়ে আছে, কিন্তু ঘুমের কোনো চিহ্ন নেই। তার ল্যাপটপে চলছে একটা হার্ডকোর পর্ন ভিডিও। ভিডিওতে এক মাঝব বয়সী সুঠাম পুরুষ এক তরুণীকে প্রবলভাবে চুদতেছে । পুরুষটার শরীর, তার চওড়া পিঠ, তার পেশিবহুল হাত-সবকিছুর মধ্যে তিশা আব্বুকে খুঁজে ফিরছে।
ভিডিওর প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি গোঙানি তিশার উত্তেজনাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে। সে নিজের হাতটা পাজামার ভেতরে ঢুকিয়ে দিল। আঙুল দিয়ে নিজের ক্লিটোরিস ঘষতে ঘষতে সে কল্পনা করতে লাগল, ওই ভিডিওর পুরুষটা আব্বু, আর ওই মেয়েটা সে নিজে।

