Thread Rating:
  • 0 Vote(s) - 0 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5

লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন)
#14

(খ)

আবিদের মনে বুশরার সাথে সেই ক্যাফের কথোপকথনটা এখন আর কেবল একটা ঘটনা হয়ে নেই। সেটা একটা দীর্ঘ ছায়া হয়ে তার দিনের পর দিন জুড়ে থেকে গেছে। বুশরা বলেছিল সে খুশি। বলেছিল যৌনতা বিয়ের পর আসবে। বলেছিল এখন যা আছে তাতেই তার শান্তি। কথাগুলো ঠিক ছিল। পরিষ্কার ছিল। অথচ আবিদের মনে হচ্ছিল কথাগুলোর পেছনে আরও কিছু আছে যেটা সে ধরতে পারছে না। বুশরা উত্তর দেবার আগে কয়েক সেকেন্ড থেমে ছিল। এই কয়েক সেকেন্ডের মানে কি? আবিদের একটা অভ্যাস হচ্ছে মাথার ভিতর অনেক কিছু চিন্তা করে ফেলে বাস্তবে হয়তো যা ঘটবে না। তাই বুশরার এই কয়েক সেকেন্ডের নীরবতা কে অনেক ভাবে বিশ্লেষণ করে ফেলে আবিদ। এই নীরবতা কি  নরমাল? বুশরা কি তার ভিতরের ইচ্ছা চাহিদা গোপন করছে? বুশরা সব সময় ওর খুশির জন্য অনেক কিছু করে। তাহলে কি ওর  খুশির জন্য নিজের উত্তর চেপে গেছে সে জন্য কি কয়েক সেকেন্ড দেরি হয়েছে উত্তর দিতে?

আজকাল রাতে ঘরে ফিরে বিছানায় শুয়ে অনেকক্ষণ ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকে। ফ্যানের শব্দ শুনে, ঘূর্ণায়মান ফ্যানের দিকে তাকিয়ে থাকে। মনে মনে নোমানের কথাগুলো ঘুরছিল বারবার। শরীর ছাড়া প্রেম অসম্পূর্ণ। নারীদেহ মানুষকে উন্মত্ত করে। পালপিটেশন মানে শরীরের অতৃপ্ত ক্ষুধা। আবিদ প্রথমে রেগে গিয়েছিল। মনে হয়েছিল নোমান সবকিছুকে নামিয়ে আনছে শরীরের স্তরে। প্রেমকে সস্তা করে দিচ্ছে। ভালোবাসাকে একটা শারীরিক প্রতিক্রিয়া বানিয়ে ফেলছে। সে নিজেও সেদিন তর্কের সময় জোরে বলেছিল তাদের সম্পর্কে কাম নেই, শুধু ভালোবাসা আছে। সম্মান আছে। শান্তি আছে। কথাটা তার মুখ দিয়ে বেরোনোর সময় সে বিশ্বাস করেছিল। এখনো বিশ্বাস করতে চায়। কিন্তু রাত গভীর হলে, একা থাকলে, বিশ্বাসটা একটু কেঁপে যায়।

মানুষ কি শুধু মন দিয়ে বাঁচে? শরীর কি সত্যিই এতটা গৌণ? আবিদ নিজেকে প্রশ্ন করছিল বারবার। সে যখন বুশরার কাছে বসে, তখন শরীরের কোনো ক্ষুধা অনুভব করে না। শুধু একটা গভীর শান্তি আসে। একটা নিরাপত্তা। যেন পৃথিবীর সব চাপ এক মুহূর্তের জন্য থেমে যায়। এটা কি মিথ্যা হতে পারে? নোমান যদি ঠিক হয়, তাহলে এই শান্তিটাকে কী বলে? অভ্যাস? ভয়? নাকি সত্যিই ভালোবাসা?

আবার অন্যদিকে ভাবে যদি শরীর এতটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে সে এতদিন নিজেকে কী বোঝাচ্ছিল? সে কি নিজের শরীরকে অস্বীকার করে চলেছে? বুশরাকে কি সে একটা দেবীর মতো করে তুলেছে, জীবন্ত মানুষের বদলে? প্রশ্নগুলো তার ঘুম কেড়ে নিচ্ছিল। এক রাত, দুই রাত, তারপর একটানা কয়েক রাত।

সে সাজিদের সাথে দেখা করার সিদ্ধান্ত নিল। সাজিদকে সে বিশ্বাস করে। সাজিদ তাকে জাজ করবে না। একদিন দুপুরে ক্যাফেটেরিয়ায় দুজনে বসল। চারপাশে লোকজনের কথাবার্তা, প্লেট গ্লাসের শব্দ, দূর থেকে কেউ হাসছিল। আবিদ চায়ের কাপ হাতে নিয়ে ঘোরাচ্ছিল অনেকক্ষণ। সাজিদ তার দিকে তাকিয়েছিল চুপচাপ। জানত আবিদ কিছু বলবে। সময় নিয়ে বলবে।

আবিদ শেষ পর্যন্ত মুখ খুলল। বুশরার সাথে ওর কথোপকথন বলল। স্বীকার করল কিছুদিন ধরে কনফিউজড। নোমানের কথাগুলো মাথা থেকে যাচ্ছে না। সে জানে নোমান অন্যরকম মানুষ। নোমানের জীবন অন্যরকম। কিন্তু যুক্তিগুলো এত সহজ যে অস্বীকার করা কঠিন। সাজিদ শুনছিল। মাঝে মাঝে মাথা নাড়ছিল। আবিদ বলেছিল সে বুশরাকে ভালোবাসে। এটা নিয়ে তার কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু ভালোবাসা কি শুধুই মনের ব্যাপার? শরীর কি সম্পূর্ণ আলাদা কিছু? নাকি দুটো জিনিস একসাথে জড়িয়ে থাকে এমনভাবে যে একটাকে বাদ দিলে অন্যটা অসম্পূর্ণ হয়ে যায়? বুশরা কি চায় ওর কাছে? নাকি সে আসলে শরীর চায় তাই এইসব ভাবছে?

সাজিদ কিছুক্ষণ চুপ করে থাকার পর বলেছিল, প্রত্যেকটা মানুষ আলাদা হয়। কারো কাছে শরীর খুব বড় জিনিস। কারো কাছে মন। তুই যেটা অনুভব করিস, সেটাই তোর সত্যি। নোমানের সত্যি দিয়ে তোর সত্যিকে মাপতে গেলে গুলিয়ে যাবে। আবিদ মাথা নাড়ল। কথাটা ঠিক। অথচ মনে শান্ত হল না। সাজিদ আবার বলেছিল, তুই যদি নিজেকে জোর করে নোমানের মতো ভাবতে শুরু করিস, তাহলে তুই নিজের মতো থাকতে পারবি না। আর নিজের মতো না থাকতে পারলে বুশরার সাথেও স্বাভাবিক থাকতে পারবি না।

আবিদ সেদিন সাজিদের কথাগুলো মেনে নিয়েছিল। বাইরে মেনে নিয়েছিল। ভেতরে কিন্তু প্রশ্নগুলো থেকে গিয়েছিল। রাতে বাসায় ফিরে আবার সেই একই চক্রে ঘুরতে শুরু করল মন। বুশরা কি সত্যিই খুশি? নাকি সেও অনেক কিছু চেপে রাখে? মেয়েরা কি সবসময় সব কথা বলে? নাকি অনেক কিছু ভেতরে পুষে রাখে এমনভাবে যে একসময় সেটা সম্পর্কের ভেতর ফাটল ধরায়?

আবিদ ভাবত, সে নিজেও তো অনেক কিছু চেপে রাখে। সে কখনো বুশরাকে বলেনি যে মাঝে মাঝে তার শরীর চায়। বলেনি যে রাতে একা থাকলে তার মনে হয় কাউকে ছুঁয়ে দেখার। বলেনি যে বুশরার কাছে বসলে মাঝে মাঝে তার হাতটা তার হাতের কাছে আনতে ইচ্ছে করে। সে এসব চেপে রাখে কারণ সে মনে করে এসব চাওয়া ভালোবাসাকে নোংরা করে দেয়। কিন্তু নোমান যদি ঠিক হয়? যদি এই চাওয়াগুলোই ভালোবাসার অংশ হয়? বিয়ের পর যদি এই জিনিস গুলো করা জায়েজ হয় তাহলে বিয়ের আগে এই জিনিস গুলো চাওয়া কি অপরাধ?

এই প্রশ্নগুলো তাকে একটা অদ্ভুত অপরাধবোধের ভেতর ফেলে দিচ্ছিল। সে মনে করত সে বুশরাকে অসম্মান করছে এসব ভেবে। আবার মনে করত সে নিজের সাথে অসৎ হচ্ছে এসব না ভেবে। দুই দিক থেকেই সে কোণঠাসা হয়ে যাচ্ছিল আবিদ। মনের ভিতর প্রশ্ন আবার বুশরার প্রতি সম্মানবোধ।

কয়েকদিন পর আবিদ নোমানের সাথে দেখা হয়ে গেল। ইচ্ছে করে নয়। ক্যাম্পাসের করিডোরে হঠাৎ মুখোমুখি হয়ে গিয়েছিল। নোমান তাকে দেখে হাসি দিয়ে ডাক দিল। বলল, মুখটা শুকনো লাগছে কেন। আবিদ জবাব দিল কিছু না। দুজনে পাশাপাশি হাঁটতে শুরু করল। কথা হলো সাধারণ। ক্লাসের কথা। আবহাওয়ার কথা। ফুটবল ম্যাচের কথা। আবিদ ইচ্ছে করেই কোনো গভীর বিষয় তুলল না। নোমানও তুলল না। অথচ আবিদের মনে হচ্ছিল নোমান সব বুঝে ফেলেছে। নোমানের সহজ হাঁটা, সহজ কথা বলা, সহজ হাসি সবকিছু তার কাছে একটা নিঃশব্দ প্রশ্ন হয়ে উঠছিল। নিজেকে নিজেই প্রশ্ন করল আবিদ আমি এত সংকোচে থাকি কেন? নিজেকে কেন এত কন্ট্রোল করে রাখি? অল্প এক দুইটা  নিয়ম ভাংগতে আমার কেন এত ভয় হয়? নোমানের মত কেয়ার ফ্রি কেন চলতে পারি না। নিজের প্রেমিকার  হাত ধরার কথা ভাবলে, নিজের প্রেমিকা কে জড়িয়ে ধরার  কথা ভাবলে কেন নিজের ভিতরে অপরাধবোধে ভরে যায়।

আবিদ সেদিন নোমানের পাশ থেকে সরে যেতে চেয়েছিল তাড়াতাড়ি। কিন্তু পা সরেনি সহজে। নোমানের উপস্থিতি তার ভেতর একটা অস্বস্তিকর আয়না ধরিয়ে দিচ্ছিল। সেই আয়নায় সে নিজেকে দেখতে পাচ্ছিল একজন ভালো ছেলে, একজন দায়িত্বশীল ছেলে, একজন যে ভালোবাসাকে পবিত্র রাখতে চায়। অথচ সেই পবিত্রতার ভেতর একটা শুকনো অনুভূতিও দেখতে পাচ্ছিল। যেন সবকিছু ঠিক আছে, অথচ কিছু একটা ঘাটতি আছে। তার নিজের ভিতরের ইচ্ছা, প্রেমিকার ইচ্ছা সব কি সে পূরণ করতে পারছে? নাকি সমাজ, ধর্ম, পরিবারের ভয়ে গুটিয়ে রেখেছে সব কিছু। কেন কোন রকম পাপবোধ ছাড়া নোমানের মত কেয়ার ফ্রি ভাবে জীবন কে উপভোগ করতে পারছে না।

রাতে আবিদ আবার একা হলো। বুশরার মেসেজ এল। সাধারণ মেসেজ। কেমন আছিস। পড়াশোনা কেমন চলছে। আবিদ উত্তর দিল। সাধারণ উত্তর। অথচ মেসেজ পাঠানোর পর তার মনে হলো সে আবারও কিছু লুকিয়ে রাখল। সে বুশরাকে জিজ্ঞেস করতে পারত তুই সত্যিই খুশি তো? আমাদের মধ্যে কি কিছু কম আছে? তুই কি কখনো চাস যে আমি তোকে অন্যভাবে ছুঁই? কিন্তু সে জিজ্ঞেস করল না। কারণ সে ভয় পায় উত্তরটা কী হতে পারে। যদি বুশরা বলে হ্যাঁ, তাহলে তার তৈরি করা পুরো ভালোবাসার কাঠামোটা কেঁপে যাবে। যদি বলে না, তখন কি বুশরার কাছে তার ভাল ছেলে ইমেজ ভেংগে চুড়ে যাবে? 

আবিদ ভাবত, ভালোবাসা কি এতটা জটিল হওয়ার কথা ছিল? সে তো সহজ ভালোবাসা চেয়েছিল। একটা মেয়ে, একজন প্রেমিকা, একটা সম্পর্ক, একটা ভবিষ্যৎ। বিয়ে, সংসার, সন্তান। সব হালাল। সব পরিষ্কার। অথচ এখন মনে হচ্ছে সেই সহজ পথটার ভেতরেই একটা জটিলতা লুকিয়ে ছিল যেটা সে আগে দেখেনি। নোমান সেই জটিলতাটাকে সামনে এনে ধরে দিয়েছে। আর এখন আর উপেক্ষা করা যাচ্ছে না।

সে বুশরার শরীরের কথা ভাবে না এটা সে নিজেকে বোঝাতে চায়। কিন্তু মাঝরাতে চোখ বন্ধ করলে বুশরার হাতের কথা মনে পড়ে। তার আঙুলের কথা। তার গলার কাছের চামড়ার কথা যেটা স্কার্ফের ফাঁক দিয়ে মাঝে মাঝে দেখা যায়। বুশরা হেটে গেলে পিছন থেকে যখন দেখে তখন ওর কোমরের দুলনি মনে পড়ে। গলা শুকিয়ে আসে। আবিদ দ্রুত চোখ খুলে ফেলে। নিজেকে ধমক দেয়। এসব চিন্তা করা উচিত না। এসব চিন্তা বুশরাকে অসম্মান করা। ওর মত ভাল ছেলের এইসব চিন্তা করা ঠিক না। অথচ চিন্তাগুলো থামে না। থামলেও কিছুক্ষণ পর আবার ফিরে আসে।

আবিদ এখন বুঝতে পারছিল যে ক্রমশ সে দুই পা দুই নৌকায় দিয়ে দিচ্ছে। একদিকে তার বিশ্বাস ভালোবাসা মনের ব্যাপার, শরীর গৌণ, বিয়ের আগে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। অন্যদিকে তার শরীর আর নোমানের যুক্তি শরীর অস্তিত্বের অংশ, তাকে অস্বীকার করলে নিজেকেই অস্বীকার করা হয়। দুই নৌকাই তার নিজের। কোনোটাকেই সে ছাড়তে পারছে না। আর দুই নৌকায় পা দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার ফলে সে ধীরে ধীরে ভারসাম্য হারাচ্ছে।

সে ভাবত, বুশরা যদি জানতে পারে তার মনের এই অবস্থা, তাহলে কী হবে? বুশরা কি তাকে দুর্বল ভাববে? নাকি খারাপ ভাববে? নাকি ভয় পাবে? আবিদ জানে বুশরা কনজারভেটিভ। জানে সে নিয়ম মানে। জানে সে বিয়ের আগে কোনো শারীরিক সম্পর্ক চায় না। তাহলে সে নিজেই বা এসব নিয়ে এত ভাবছে কেন? সে কি বুশরাকে বদলাতে চাইছে? নাকি নিজেকে বদলাতে চাইছে?

প্রশ্নগুলোর কোনো উত্তর নেই। আর প্রশ্নগুলো দিনের পর দিন আরও ভারী হয়ে তার বুকের ভেতর জমছে। আবিদ এখনো বুশরাকে ভালোবাসে। এটা সে জোর দিয়ে বিশ্বাস করে। কিন্তু ভালোবাসার সংজ্ঞাটা এখন আর আগের মতো পরিষ্কার নেই। সংজ্ঞাটা এখন একটা কুয়াশার ভেতর ঢাকা পড়েছে। আর সেই কুয়াশার ভেতর থেকে নোমানের গলার স্বর বারবার ভেসে আসছে মাই সিলি বয়। ইউ নিড এ গুড সেক্স।

আবিদ সেই স্বরকে ঘৃণা করে। অথচ উপেক্ষা করতে পারে না।
Reply


Messages In This Thread
লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন) - by Erotic Lovers - 10-05-2026, 05:51 AM
RE: লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন) - by Erotic Lovers - 10-05-2026, 05:52 AM
RE: লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন) - by Erotic Lovers - 10-05-2026, 05:53 AM
RE: লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন) - by Erotic Lovers - 10-12-2026, 04:51 AM
RE: লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন) - by Erotic Lovers - 10-12-2026, 04:52 AM
RE: লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন) - by Erotic Lovers - 10-12-2026, 04:53 AM
RE: লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন) - by Erotic Lovers - 10-12-2026, 04:54 AM
RE: লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন) - by Erotic Lovers - 10-12-2026, 04:55 AM
RE: লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন) - by Erotic Lovers - 10-12-2026, 04:56 AM
RE: লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন) - by Erotic Lovers - 10-12-2026, 04:57 AM
RE: লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন) - by Erotic Lovers - 10-12-2026, 04:58 AM
RE: লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন) - by Erotic Lovers - 10-12-2026, 04:58 AM
RE: লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন) - by Erotic Lovers - 10-12-2026, 04:59 AM
RE: লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন) - by Erotic Lovers - 10-12-2026, 04:59 AM
RE: লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন) - by Erotic Lovers - 10-12-2026, 05:00 AM
RE: লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন) - by Erotic Lovers - 10-14-2026, 08:59 AM
RE: লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন) - by Erotic Lovers - 10-14-2026, 09:00 AM
RE: লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন) - by Erotic Lovers - 10-14-2026, 09:01 AM
RE: লাভ এন্ড লাস্ট ইন ঢাকা (লেখক: কাদের সাইমুন) - by Erotic Lovers - 10-14-2026, 09:02 AM

Forum Jump:


Users browsing this thread: 1 Guest(s)